Friday, November 25, 2011
হুমায়ূন আহমেদের সাক্ষাৎকার
হুমায়ূন আহমেদের সাক্ষাৎকার
ইমদাদুল হক মিলন : হ্যাঁ, আমি অনেক দেখেছি। জানেন, ছেলে হিমু ছাড়াও আমি একদিন মেয়ে হিমুও দেখেছি। হলুদ শাড়ি, হলুদ ব্লাউজ, হলুদ ব্যাগ। হা হা হা। আচ্ছা, একবার আপনি 'হিমু পার্টি' নামে একটা দল করতে চেয়েছিলেন?হুমায়ূন আহমেদ : আসলে দেশের রাজনীতির এসব কাদা ছোড়াছুড়ি-নোংরামি আমার ভালো লাগে না। দেশের রাজনীতির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে ভাবলাম, একটা রাজনৈতিক পার্টি যদি আমি করতে পারতাম 'হিমু পার্টি' নামে এবং হিমু
পার্টির প্রত্যেক সদস্য হবে মাথা থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত স্বচ্ছ একেকজন মানুষ। তাদের ভেতর স্বার্থপরতা থাকবে না। তাদের ভেতর কোনো ধরনের ডিজ-অনেস্টি থাকবে না। ওরা যদি একজোট হয়ে রাজনীতিতে নামে, তাহলে অতি দ্রুত এই দেশটা ঠিক করে ফেলা যেত। এ আইডিয়া থেকেই হিমুর নামে ইচ্ছা হলো একটা পার্টি করি_হিমু পার্টি। রাজনীতি করি। ইলেকশন করি। দেশপ্রেমিক একজন হিমুকে খুঁজে বের করি, যার নেতৃত্বে দেশবাসী তরতর করে এগিয়ে যাবে। ভেদাভেদ ভুলে যাবে। হানাহানি ভুলে যাবে। উদ্ভট চিন্তাভাবনা। কিন্তু মুশকিল হলো, আমার এই চিন্তাভাবনাকে সবাই একটা ফাজলামি হিসেবে নিল। তারপর আমি দেখলাম যে নাহ, এটা সম্ভব নয়। রাজনীতি করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এরপর হিমু নামে একটা পত্রিকা বের করার কথাও ভেবেছিলাম, যাতে থাকবে হিমুবিষয়ক গল্প-কবিতা আর হিমুর মতাদর্শ। একেও উদ্ভট আইডিয়া হিসেবে যার কাছে বললাম, সে-ই সরিয়ে রাখল। ফলে পত্রিকাটি আর বের করা হলো না।
ইমদাদুল হক মিলন : এবার অন্য প্রসঙ্গে কথা বলি, আমরা জানি, আপনি ভূতের গল্পের খুব ভক্ত। আপনার সম্পাদনায় ভূতের গল্পের বইও প্রকাশিত হয়েছে। এ বইটিও পপুলার হয়ে ওঠে। বইটি সম্পর্কে কিছু বলবেন?
হুমায়ূন আহমেদ : এখানে আমার কোনো ক্রেডিট নেই। আমার একটিমাত্র গল্প এ বইটায় আছে। যেসব বিখ্যাত লেখকের মারাত্মক মারাত্মক ভূতের গল্প এ বইটায় আছে, সব ক্রেডিট আসলে তাঁদেরই। গল্পগুলোতে বৈচিত্র্য ছিল, তাই পাঠকরা পছন্দ করেছে।
ইমদাদুল হক মিলন : এবার আপনাকে একটা একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি। আপনি মাকড়সা ভয় পান। এই ভয়টা আপনার কবে কিভাবে তৈরি হলো?
হুমায়ূন আহমেদ : বলতে পারব না। শুধু আমি একা নই, মাকড়সা ভয় পেতেন আমার বাবা, ভাইবোন, পুরো গুষ্টির সবাই। আমার মা অবশ্য মাকড়সা ভয় পান না। অন্যরা সবাই ভয় পায়। বাচ্চারা বোধ হয় ভয় পাওয়াটা আমাদের কাছ থেকে শিখেছে। এই মাকড়সাভীতির একটা নাম আছে। নামটা হলো_এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না_যা-ই হোক, বিদেশে এটার জন্য সাইকিয়াট্রিস্টরা চিকিৎসা করে। ভয়টা এমন এক পর্যায়ে পেঁৗছে যে তা মানুষের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। আমার অবশ্য সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়া হয়নি।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনার মাকড়সাভীতির একটা ঘটনার কথা আমার মনে আছে। তখন 'এই সব দিনরাত্রি' টিভিতে দেখানো হচ্ছিল। একটা কাজে আমি আপনার সঙ্গে প্রযোজক মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় যাই। আমার মনে আছে, কলিংবেল টিপতে গিয়ে আপনি প্রচণ্ড একটা চিৎকার দিয়ে লাফ মেরে সরে এলেন। আমি ভয় পেয়ে গেছি। ঘটনা কী? পরে দেখি কী, কলিংবেলের ওপর একটা মাকড়সা। সেদিন থেকেই আমি বুঝতে পারলাম, মাকড়সাকে আপনি প্রচণ্ড রকম ভয় পান।
হুমায়ূন আহমেদ : জ্যান্ত মাকড়সাই নয়, মাকড়সার ছবিটা পর্যন্ত দেখলে আমার ভয় লাগে। এই ভীতি সীমাহীন।
ইমদাদুল হক মিলন : বাবার ব্যাপারে আপনি প্রচণ্ড দুর্বল, সেটাই স্বাভাবিক, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। মায়ের সঙ্গে আপনার রিলেশনটা কেমন?
হুমায়ূন আহমেদ : ছোটবেলায় বেশির ভাগ সময় দেখা যেত, আমি মায়ের আশপাশে ঘুরঘুর করছি। মা কাজ করছেন, আমি মায়ের সঙ্গে আছি। মা রান্না করছেন, আমি পাশে বসা। মা নামাজ পড়ছেন, আমি পাশে দাঁড়িয়ে মন দিয়ে দেখছি। কাজেই মায়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার মা চমৎকার গল্প বলতে পারেন। আমি সেই গল্প শোনার জন্য উন্মুখ ছিলাম এবং এখনো আছি। আমার মা মানসিকভাবে একজন কঠিন প্রকৃতির মানুষ। শত প্রতিকূলতার মুখেও তাঁকে কখনো ভেঙে পড়তে দেখিনি। আমার বাবা তো বিষয়-সম্পত্তির প্রতি বরাবরই উদাসীন ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর একাত্তরের পর থেকে আমরা একটা কঠিন সময়ের মধ্যে পড়ে যাই। এ অবস্থায় দেখেছি, মা কিভাবে শক্ত হাতে আমাদের মানুষ করেছেন। এটা নেই, সেটা নেই...কত অভাব! অথচ আমাদের মা এটা আমাদের বুঝতে দেননি। কোনো না কোনোভাবে আমাদের সব চাহিদা-প্রয়োজন তিনি মিটিয়েছেন। মায়ের কাছ থেকে আমরা অনেক শিখেছি। তিনি একজন মুক্তবুদ্ধির মহিলা।
মিলন, আজ আর না। আজ এখানেই শেষ।
[হুমায়ূন ভাই বলামাত্র আমি থেমে গেলাম, ক্যাসেট রেকর্ডার অফ করা হলো। রেকর্ডার অন হলো দুদিন পরের সন্ধ্যায়]
ইমদাদুল হক মিলন : আপনারা তিন ভাই ও তিন বোন। আপনার এক ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল একজন বড়মাপের লেখক। লেখক ছাড়াও অধ্যাপক হিসেবে সারা দেশে জনপ্রিয়। কলাম লেখক হিসেবে জনপ্রিয়। আরেক ভাই আহসান হাবীব কার্টুন এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। রম্য লেখালেখিতে বিখ্যাত হয়েছেন। একই পরিবারের তিনজন মানুষ তিন রকমভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন?
হুমায়ূন আহমেদ : এরা প্রত্যেকেই নিজ যোগ্যতায় আজকের পর্যায়ে পেঁৗছেছে, নিজস্বভাবেই তারা প্রতিষ্ঠিত। এরা প্রত্যেকে আলাদা মানুষ। সাধারণভাবে একই পরিবারে দু-তিনজন লেখক তৈরি হলে একজনের ছাপ অন্যজনের ওপর পড়ে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমার ভাইদের মধ্যে ছাপের কোনো ব্যাপার নেই। জাফর ইকবাল লিখছে একেবারে তার নিজস্ব স্টাইলে। আমার লেখার কোনো ছাপ তার মধ্যে নেই। আহসান হাবীব লিখছে সম্পূর্ণ তার মতো করে। ছবিটবি আঁকছে তার নিজস্ব চিন্তা থেকে। বড় দুই ভাইয়ের কোনো ছাপ তার মধ্যে নেই। প্রত্যেকেই প্রত্যেকের আলাদা জায়গায় কাজ শুরু করেছে এবং ভালো কাজ করছে। আমরা ভাইবোনরা, ইনক্লুডিং মাই সিস্টার্স, যারা লেখালেখির লাইনে আসেনি_এরা প্রত্যেকেই যে কাজটি করে, খুব সিনসিয়ারলি করে। এটা আমাদের পারিবারিক গুণ বলা যেতে পারে। আমরা ভাইবোনরা কোনো কাজ হাতে নিলে সেটা ঠিকভাবে করব_এটা স্বতঃসিদ্ধ।
ইমদাদুল হক মিলন : জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন বা তাঁর অন্যান্য লেখা কি আপনি পড়েন? পড়লে তাঁর লেখা সম্পর্কে বলুন।
হুমায়ূন আহমেদ : জাফর ইকবালের লেখা আমি পড়ি। তার লেখা অবশ্যই খুব ভালো। সে চমৎকার স্টোরি তৈরি করতে পারে। তার স্টোরির মধ্যে এক ধরনের সারল্য আছে। বাচ্চাদের জন্য লেখালেখির কাজটা সে বেশি করেছে। তাদের জন্য সারল্যটা খুবই প্রয়োজন। সারল্যের পাশাপাশি কিছু সূক্ষ্ম উপদেশের ভাবও তার লেখালেখিতে আছে। সে অধ্যাপনা করে। এই ব্যাপারটা অধ্যাপনা থেকে এসেছে কি না জানি না। তার লেখায় উপদেশ অংশটা আমার পছন্দ নয়। লেখকরা ঈশপ নয়। তার সায়েন্স ফিকশনগুলো সত্যিকার অর্থেই সায়েন্স ফিকশন। আমার সায়েন্স ফিকশনে মানবিক বিষয়গুলো ঢোকাই, কিন্তু তার সায়েন্স ফিকশন অন্য রকম। তার সায়েন্স ফিকশন হার্ড-কোর সায়েন্স ফিকশন। আহসান হাবীবও ভালো লেখে। তার লেখায় সহজবোধ্য ব্যাপারটা আছে। রসিকতা আছে। আমার মনে হয়, আমাদের বোনরাও যদি লেখালেখি করত, তাহলে ভালোই লিখত। আমার শিখু নামে যে বোনটি আছে, সে কী মনে করে তার বড় ভাই সম্পর্কে বিশাল একটা লেখা লিখেছিল। আমি সেই লেখা পড়ে মজা পেয়েছিলাম। ভাষা-বর্ণনাভঙ্গি-ঘটনাবলি আমাকে মুগ্ধ করেছিল। এটা বই হিসেবে বের করার জন্য প্রকাশক আলমগীর রহমানকে দিয়েছিলাম। আলমগীর খুবই আগ্রহের সঙ্গে সেটা নিয়েছিল। বই প্রকাশের আগে কন্ডিশন দিয়েছিল, এটার মুখবন্ধটা যেন আমি লিখে দিই, আমি তাতে রাজি হইনি। ওই স্ক্রিপ্টটা কোথায় আছে জানি না। আমার সেই বোনটা আবার হাতের কাজ_বাটিকের কাজ করে। সেগুলো বিক্রিও করে। খুবই ইন্টারেস্টিং। সুফিয়া নামের আমার যে বোনটি আছে, সে মিরপুর বাঙ্লা কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। তারও বাংলা লেখার হাত ভালো। আমি যখন আমেরিকায় ছিলাম, তখন বাসায় কী ঘটছে না ঘটছে জানিয়ে সে চিঠি লিখত। চিঠিগুলো লেখার ভঙ্গি খুবই চমৎকার আর গোছানো। আবার আমাদের সব ভাইবোনই কিন্তু টুকটাক ছবি আঁকতে পারে। জাফর ইকবাল একসময় তার পকেট খরচ চালাত 'গণকণ্ঠ' পত্রিকায় কার্টুন এঁকে। আর আহসান হাবীব তো কার্টুন চালিয়েই যাচ্ছে।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনার পরিবারের অনেকে ছবি আঁকেন। জাফর ইকবাল আঁকেন, আহসান হাবীব আঁকেন। আপনিও আঁকেন। কয়েক বছর আগে আপনি হঠাৎ রংতুলি নিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করলেন। আপনার মধ্যে এক ধরনের ঘোর আমি দেখেছি, দিনের পর দিন আমি আপনাকে ছবি আঁকতে দেখেছি। হঠাৎ করে ছবি আঁকার প্রতি ঝুঁকেছিলেন কেন?
হুমায়ূন আহমেদ : তুমি যে সময়টার কথা বলছ, সেই সময়টা আমি খুবই নিঃসঙ্গতার মধ্যে কাটিয়েছি। একটা বিশাল বাড়িতে একা থাকতাম। আমার ফ্যামিলি মেম্বারদের সঙ্গে সেই অর্থে সে রকম যোগাযোগ ছিল না। নানা কারণে যোগাযোগটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। একটা মানুষ তো সারা দিন, সারাক্ষণ লেখালেখির মধ্যে থাকতে পারে না। কিংবা সারাক্ষণ বই পড়তে পারে না। এদিকে বাইরে যে বের হব, তাও ইচ্ছা করে না। ঘরেই থাকতাম। এই যে একটা দীর্ঘ সময়, আমার কিছুই করার নেই। কিছু করার সমস্যাটা দূর করে নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্যই ছবি আঁকা শুরু করলাম।
ইমদাদুল হক মিলন : মুক্তিযুদ্ধের সময়টা আপনার উপন্যাস-চলচ্চিত্রে ঘুরেফিরে এসেছে। সে সময় আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আপনার সেই জীবনটা সম্পর্কে জানতে চাই।
হুমায়ূন আহমেদ : মিলন, কিছু কিছু আদর্শ ছাত্র থাকে না, যাদের সমস্ত জীবন বইপত্রের ভেতর আটকে থাকে, এর বাইরে যেন কোনো জগৎ নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি ছিলাম সে রকম তথাকথিত ভালো ছাত্র। শুধু কেমিস্ট্রি পড়া, এর বাইরে কোনো কিছুর সঙ্গে যোগাযোগ নেই, কোনো খেলাধুলা নেই। একটু অবসর পেলে পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে গল্পের বই পড়া_এই ছিল আমার জীবনের বৃত্ত। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনেও একই ব্যাপার। বাইরে যখন আন্দোলন চলছে, তখন কিন্তু আমি ঘরের মধ্যে বসা।
ইমদাদুল হক মিলন : কিন্তু ছাত্ররা তখন বসে নেই।
হুমায়ূন আহমেদ : হ্যাঁ, সে সময় মিছিল হচ্ছে, মিটিং হচ্ছে, আন্দোলন হচ্ছে, গুলি হচ্ছে। আমি তখন মুহসীন হলে থাকতাম। গুলি খাওয়া লোকজনকে হলে আনা হয়েছে_এমন দৃশ্য চোখে দেখা। তার পরও আমি সমস্ত কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একা একা একটা নিজস্ব জীবন যাপন করেছি। পড়াশোনা করেছি, পত্রিকা ও গল্পের বই পড়েছি এবং খুব উচ্চ স্তরের চিন্তাভাবনা করেছি, যেন গণ-আন্দোলনের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আমি সম্পূর্ণ আলাদা।
ইমদাদুল হক মিলন : উচ্চ ধরনের চিন্তাভাবনা মানে?
হুমায়ূন আহমেদ : উচ্চ ধরনের চিন্তাভাবনা মানে তো তুমি জানো। জানো না? ঋষড়ৎিু ঃযড়ঁমযঃং. কিন্তু আমি যে এই দেশেরই সন্তান_দেশের সঙ্গে আমার একটা যোগ আছে, দেশের আন্দোলনে যোগ দেওয়াটা ছিল আমার জন্য কর্তব্য। সেই সামর্থ্যটা আমার ছিল না। অন্য কারণও হতে পারে। মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা একটি ছেলে। বাড়ির বড় ছেলে। তার ঘাড়ে অনেক দায়িত্ব। তাকে মিটিং-মিছিল করলে চলবে না। তাকে পড়াশোনা করতে হবে। ভালো চাকরি পেতে হবে। একসময় সংসার টানতে হবে। মোট কথা হচ্ছে, সেই সময়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। বাবা ছিলেন সরকারি চাকুরে। সে সময় সরকারি চাকুরে ছিলেন যাঁরা, তাঁরা সবাই ছিলেন অসম্ভব সরকারভক্ত। সরকার যেটা বলছে, সেটাই তাঁরা করেছেন, সরকার ভালো বললে ভালো আর মন্দ বললে মন্দ। আমার বাবাও সে রকম ছিলেন। তাঁর মোহমুক্তি ঘটে, যখন মিলিটারিরা রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে?
হুমায়ূন আহমেদ : না, আমি তখন পিরোজপুরে। বরিশালে। রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকে যখন জানানো হলো, মিলিটারি আক্রমণ করেছে, তখন বাবা বিরাট ধাক্কা খেলেন। আমিও খেলাম। মনে হলো, আমাকে কঠিন একটা ধাক্কা দিয়ে বাস্তবে নিয়ে আসা হলো। বাস্তব ফেস করার যে ট্রেনিং, সেটাও আমার ছিল না। বাড়ির প্রথম ছেলে আমি। সব সময় আদরে আদরে থেকেছি। বাজার করতে হবে_মা বলছেন, না না ওকে পাঠাতে হবে না। ও বাজারের কী বোঝে? কিন্তু হঠাৎ যখন বাবা মারা গেলেন_যে ছেলেকে জীবনের সমস্ত ঝামেলা থেকে বাইরে রাখা হয়েছে, তার ওপর সমস্ত পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ল। এদের নিয়ে আমি কোথায় যাব? কোথায় গেলে নিরাপদ থাকব? আমি কি ইন্ডিয়া যাব? কী করে যাব? কে আমাদের আশ্রয় দেবে? মুক্তিযুদ্ধ আমি দেখেছি যুবকের চোখে। যুবকের চোখ, কিশোরের চোখ, বৃদ্ধের চোখ আলাদা। আমি মুক্তিযুদ্ধ যুবকের চোখে খুব কাছ থেকে দেখেছি। শূন্য হাতে দেশে যাওয়া, শর্ষিনার পীর সাহেবের বাড়িতে আশ্রয় নিতে যাওয়া, সেখান থেকে বিতাড়িত হওয়া। যখন ফিরে আসছি, মিলিটারির গানবোট থেকে গুলি হচ্ছে_সেই দৃশ্য দেখা। হিন্দু যারা আছে, তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রত্যেকের কাছে একটা বালিশ। যেখানে যাচ্ছে, আগলে রাখছে বালিশটা। টাকা-পয়সা, গয়না_সব বালিশের মধ্যে ভরা। মানুষ বগলে বালিশ নিয়ে জঙ্গলে ছোটাছুটি করছে। আহা রে, কী দৃশ্য! সারা দিন কাটত আতঙ্কে। সন্ধ্যার পর একটু স্বস্তি পেতাম। সন্ধ্যা মেলানোর পর মিলিটারি বের হতো না। কিছুদিন পর শুরু হলো রাজাকার-আলবদর বাহিনীর উপদ্রব। [চলবে]
ইমদাদুল হক মিলন : এবার অন্য প্রসঙ্গে কথা বলি, আমরা জানি, আপনি ভূতের গল্পের খুব ভক্ত। আপনার সম্পাদনায় ভূতের গল্পের বইও প্রকাশিত হয়েছে। এ বইটিও পপুলার হয়ে ওঠে। বইটি সম্পর্কে কিছু বলবেন?
হুমায়ূন আহমেদ : এখানে আমার কোনো ক্রেডিট নেই। আমার একটিমাত্র গল্প এ বইটায় আছে। যেসব বিখ্যাত লেখকের মারাত্মক মারাত্মক ভূতের গল্প এ বইটায় আছে, সব ক্রেডিট আসলে তাঁদেরই। গল্পগুলোতে বৈচিত্র্য ছিল, তাই পাঠকরা পছন্দ করেছে।
ইমদাদুল হক মিলন : এবার আপনাকে একটা একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি। আপনি মাকড়সা ভয় পান। এই ভয়টা আপনার কবে কিভাবে তৈরি হলো?
হুমায়ূন আহমেদ : বলতে পারব না। শুধু আমি একা নই, মাকড়সা ভয় পেতেন আমার বাবা, ভাইবোন, পুরো গুষ্টির সবাই। আমার মা অবশ্য মাকড়সা ভয় পান না। অন্যরা সবাই ভয় পায়। বাচ্চারা বোধ হয় ভয় পাওয়াটা আমাদের কাছ থেকে শিখেছে। এই মাকড়সাভীতির একটা নাম আছে। নামটা হলো_এই মুহূর্তে মনে পড়ছে না_যা-ই হোক, বিদেশে এটার জন্য সাইকিয়াট্রিস্টরা চিকিৎসা করে। ভয়টা এমন এক পর্যায়ে পেঁৗছে যে তা মানুষের মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়। আমার অবশ্য সাইকিয়াট্রিস্টের কাছে যাওয়া হয়নি।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনার মাকড়সাভীতির একটা ঘটনার কথা আমার মনে আছে। তখন 'এই সব দিনরাত্রি' টিভিতে দেখানো হচ্ছিল। একটা কাজে আমি আপনার সঙ্গে প্রযোজক মোস্তাফিজুর রহমানের বাসায় যাই। আমার মনে আছে, কলিংবেল টিপতে গিয়ে আপনি প্রচণ্ড একটা চিৎকার দিয়ে লাফ মেরে সরে এলেন। আমি ভয় পেয়ে গেছি। ঘটনা কী? পরে দেখি কী, কলিংবেলের ওপর একটা মাকড়সা। সেদিন থেকেই আমি বুঝতে পারলাম, মাকড়সাকে আপনি প্রচণ্ড রকম ভয় পান।
হুমায়ূন আহমেদ : জ্যান্ত মাকড়সাই নয়, মাকড়সার ছবিটা পর্যন্ত দেখলে আমার ভয় লাগে। এই ভীতি সীমাহীন।
ইমদাদুল হক মিলন : বাবার ব্যাপারে আপনি প্রচণ্ড দুর্বল, সেটাই স্বাভাবিক, কারণ তিনি মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। মায়ের সঙ্গে আপনার রিলেশনটা কেমন?
হুমায়ূন আহমেদ : ছোটবেলায় বেশির ভাগ সময় দেখা যেত, আমি মায়ের আশপাশে ঘুরঘুর করছি। মা কাজ করছেন, আমি মায়ের সঙ্গে আছি। মা রান্না করছেন, আমি পাশে বসা। মা নামাজ পড়ছেন, আমি পাশে দাঁড়িয়ে মন দিয়ে দেখছি। কাজেই মায়ের সঙ্গে আমার সম্পর্ক কেমন তা নিশ্চয়ই বলার অপেক্ষা রাখে না। আমার মা চমৎকার গল্প বলতে পারেন। আমি সেই গল্প শোনার জন্য উন্মুখ ছিলাম এবং এখনো আছি। আমার মা মানসিকভাবে একজন কঠিন প্রকৃতির মানুষ। শত প্রতিকূলতার মুখেও তাঁকে কখনো ভেঙে পড়তে দেখিনি। আমার বাবা তো বিষয়-সম্পত্তির প্রতি বরাবরই উদাসীন ছিলেন। বাবার মৃত্যুর পর একাত্তরের পর থেকে আমরা একটা কঠিন সময়ের মধ্যে পড়ে যাই। এ অবস্থায় দেখেছি, মা কিভাবে শক্ত হাতে আমাদের মানুষ করেছেন। এটা নেই, সেটা নেই...কত অভাব! অথচ আমাদের মা এটা আমাদের বুঝতে দেননি। কোনো না কোনোভাবে আমাদের সব চাহিদা-প্রয়োজন তিনি মিটিয়েছেন। মায়ের কাছ থেকে আমরা অনেক শিখেছি। তিনি একজন মুক্তবুদ্ধির মহিলা।
মিলন, আজ আর না। আজ এখানেই শেষ।
[হুমায়ূন ভাই বলামাত্র আমি থেমে গেলাম, ক্যাসেট রেকর্ডার অফ করা হলো। রেকর্ডার অন হলো দুদিন পরের সন্ধ্যায়]
ইমদাদুল হক মিলন : আপনারা তিন ভাই ও তিন বোন। আপনার এক ভাই মুহম্মদ জাফর ইকবাল একজন বড়মাপের লেখক। লেখক ছাড়াও অধ্যাপক হিসেবে সারা দেশে জনপ্রিয়। কলাম লেখক হিসেবে জনপ্রিয়। আরেক ভাই আহসান হাবীব কার্টুন এঁকে বিখ্যাত হয়েছেন। রম্য লেখালেখিতে বিখ্যাত হয়েছেন। একই পরিবারের তিনজন মানুষ তিন রকমভাবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। এ বিষয়ে আপনার অনুভূতি কেমন?
হুমায়ূন আহমেদ : এরা প্রত্যেকেই নিজ যোগ্যতায় আজকের পর্যায়ে পেঁৗছেছে, নিজস্বভাবেই তারা প্রতিষ্ঠিত। এরা প্রত্যেকে আলাদা মানুষ। সাধারণভাবে একই পরিবারে দু-তিনজন লেখক তৈরি হলে একজনের ছাপ অন্যজনের ওপর পড়ে। এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আমার ভাইদের মধ্যে ছাপের কোনো ব্যাপার নেই। জাফর ইকবাল লিখছে একেবারে তার নিজস্ব স্টাইলে। আমার লেখার কোনো ছাপ তার মধ্যে নেই। আহসান হাবীব লিখছে সম্পূর্ণ তার মতো করে। ছবিটবি আঁকছে তার নিজস্ব চিন্তা থেকে। বড় দুই ভাইয়ের কোনো ছাপ তার মধ্যে নেই। প্রত্যেকেই প্রত্যেকের আলাদা জায়গায় কাজ শুরু করেছে এবং ভালো কাজ করছে। আমরা ভাইবোনরা, ইনক্লুডিং মাই সিস্টার্স, যারা লেখালেখির লাইনে আসেনি_এরা প্রত্যেকেই যে কাজটি করে, খুব সিনসিয়ারলি করে। এটা আমাদের পারিবারিক গুণ বলা যেতে পারে। আমরা ভাইবোনরা কোনো কাজ হাতে নিলে সেটা ঠিকভাবে করব_এটা স্বতঃসিদ্ধ।
ইমদাদুল হক মিলন : জাফর ইকবালের সায়েন্স ফিকশন বা তাঁর অন্যান্য লেখা কি আপনি পড়েন? পড়লে তাঁর লেখা সম্পর্কে বলুন।
হুমায়ূন আহমেদ : জাফর ইকবালের লেখা আমি পড়ি। তার লেখা অবশ্যই খুব ভালো। সে চমৎকার স্টোরি তৈরি করতে পারে। তার স্টোরির মধ্যে এক ধরনের সারল্য আছে। বাচ্চাদের জন্য লেখালেখির কাজটা সে বেশি করেছে। তাদের জন্য সারল্যটা খুবই প্রয়োজন। সারল্যের পাশাপাশি কিছু সূক্ষ্ম উপদেশের ভাবও তার লেখালেখিতে আছে। সে অধ্যাপনা করে। এই ব্যাপারটা অধ্যাপনা থেকে এসেছে কি না জানি না। তার লেখায় উপদেশ অংশটা আমার পছন্দ নয়। লেখকরা ঈশপ নয়। তার সায়েন্স ফিকশনগুলো সত্যিকার অর্থেই সায়েন্স ফিকশন। আমার সায়েন্স ফিকশনে মানবিক বিষয়গুলো ঢোকাই, কিন্তু তার সায়েন্স ফিকশন অন্য রকম। তার সায়েন্স ফিকশন হার্ড-কোর সায়েন্স ফিকশন। আহসান হাবীবও ভালো লেখে। তার লেখায় সহজবোধ্য ব্যাপারটা আছে। রসিকতা আছে। আমার মনে হয়, আমাদের বোনরাও যদি লেখালেখি করত, তাহলে ভালোই লিখত। আমার শিখু নামে যে বোনটি আছে, সে কী মনে করে তার বড় ভাই সম্পর্কে বিশাল একটা লেখা লিখেছিল। আমি সেই লেখা পড়ে মজা পেয়েছিলাম। ভাষা-বর্ণনাভঙ্গি-ঘটনাবলি আমাকে মুগ্ধ করেছিল। এটা বই হিসেবে বের করার জন্য প্রকাশক আলমগীর রহমানকে দিয়েছিলাম। আলমগীর খুবই আগ্রহের সঙ্গে সেটা নিয়েছিল। বই প্রকাশের আগে কন্ডিশন দিয়েছিল, এটার মুখবন্ধটা যেন আমি লিখে দিই, আমি তাতে রাজি হইনি। ওই স্ক্রিপ্টটা কোথায় আছে জানি না। আমার সেই বোনটা আবার হাতের কাজ_বাটিকের কাজ করে। সেগুলো বিক্রিও করে। খুবই ইন্টারেস্টিং। সুফিয়া নামের আমার যে বোনটি আছে, সে মিরপুর বাঙ্লা কলেজের অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর। তারও বাংলা লেখার হাত ভালো। আমি যখন আমেরিকায় ছিলাম, তখন বাসায় কী ঘটছে না ঘটছে জানিয়ে সে চিঠি লিখত। চিঠিগুলো লেখার ভঙ্গি খুবই চমৎকার আর গোছানো। আবার আমাদের সব ভাইবোনই কিন্তু টুকটাক ছবি আঁকতে পারে। জাফর ইকবাল একসময় তার পকেট খরচ চালাত 'গণকণ্ঠ' পত্রিকায় কার্টুন এঁকে। আর আহসান হাবীব তো কার্টুন চালিয়েই যাচ্ছে।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনার পরিবারের অনেকে ছবি আঁকেন। জাফর ইকবাল আঁকেন, আহসান হাবীব আঁকেন। আপনিও আঁকেন। কয়েক বছর আগে আপনি হঠাৎ রংতুলি নিয়ে ছবি আঁকতে শুরু করলেন। আপনার মধ্যে এক ধরনের ঘোর আমি দেখেছি, দিনের পর দিন আমি আপনাকে ছবি আঁকতে দেখেছি। হঠাৎ করে ছবি আঁকার প্রতি ঝুঁকেছিলেন কেন?
হুমায়ূন আহমেদ : তুমি যে সময়টার কথা বলছ, সেই সময়টা আমি খুবই নিঃসঙ্গতার মধ্যে কাটিয়েছি। একটা বিশাল বাড়িতে একা থাকতাম। আমার ফ্যামিলি মেম্বারদের সঙ্গে সেই অর্থে সে রকম যোগাযোগ ছিল না। নানা কারণে যোগাযোগটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। একটা মানুষ তো সারা দিন, সারাক্ষণ লেখালেখির মধ্যে থাকতে পারে না। কিংবা সারাক্ষণ বই পড়তে পারে না। এদিকে বাইরে যে বের হব, তাও ইচ্ছা করে না। ঘরেই থাকতাম। এই যে একটা দীর্ঘ সময়, আমার কিছুই করার নেই। কিছু করার সমস্যাটা দূর করে নিজেকে ব্যস্ত রাখার জন্যই ছবি আঁকা শুরু করলাম।
ইমদাদুল হক মিলন : মুক্তিযুদ্ধের সময়টা আপনার উপন্যাস-চলচ্চিত্রে ঘুরেফিরে এসেছে। সে সময় আপনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। আপনার সেই জীবনটা সম্পর্কে জানতে চাই।
হুমায়ূন আহমেদ : মিলন, কিছু কিছু আদর্শ ছাত্র থাকে না, যাদের সমস্ত জীবন বইপত্রের ভেতর আটকে থাকে, এর বাইরে যেন কোনো জগৎ নেই। মুক্তিযুদ্ধের সময় আমি ছিলাম সে রকম তথাকথিত ভালো ছাত্র। শুধু কেমিস্ট্রি পড়া, এর বাইরে কোনো কিছুর সঙ্গে যোগাযোগ নেই, কোনো খেলাধুলা নেই। একটু অবসর পেলে পাবলিক লাইব্রেরিতে গিয়ে গল্পের বই পড়া_এই ছিল আমার জীবনের বৃত্ত। ঊনসত্তরের গণ-আন্দোলনেও একই ব্যাপার। বাইরে যখন আন্দোলন চলছে, তখন কিন্তু আমি ঘরের মধ্যে বসা।
ইমদাদুল হক মিলন : কিন্তু ছাত্ররা তখন বসে নেই।
হুমায়ূন আহমেদ : হ্যাঁ, সে সময় মিছিল হচ্ছে, মিটিং হচ্ছে, আন্দোলন হচ্ছে, গুলি হচ্ছে। আমি তখন মুহসীন হলে থাকতাম। গুলি খাওয়া লোকজনকে হলে আনা হয়েছে_এমন দৃশ্য চোখে দেখা। তার পরও আমি সমস্ত কিছু থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে একা একা একটা নিজস্ব জীবন যাপন করেছি। পড়াশোনা করেছি, পত্রিকা ও গল্পের বই পড়েছি এবং খুব উচ্চ স্তরের চিন্তাভাবনা করেছি, যেন গণ-আন্দোলনের সঙ্গে আমার কোনো যোগাযোগ নেই। আমি সম্পূর্ণ আলাদা।
ইমদাদুল হক মিলন : উচ্চ ধরনের চিন্তাভাবনা মানে?
হুমায়ূন আহমেদ : উচ্চ ধরনের চিন্তাভাবনা মানে তো তুমি জানো। জানো না? ঋষড়ৎিু ঃযড়ঁমযঃং. কিন্তু আমি যে এই দেশেরই সন্তান_দেশের সঙ্গে আমার একটা যোগ আছে, দেশের আন্দোলনে যোগ দেওয়াটা ছিল আমার জন্য কর্তব্য। সেই সামর্থ্যটা আমার ছিল না। অন্য কারণও হতে পারে। মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা একটি ছেলে। বাড়ির বড় ছেলে। তার ঘাড়ে অনেক দায়িত্ব। তাকে মিটিং-মিছিল করলে চলবে না। তাকে পড়াশোনা করতে হবে। ভালো চাকরি পেতে হবে। একসময় সংসার টানতে হবে। মোট কথা হচ্ছে, সেই সময়ের আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। বাবা ছিলেন সরকারি চাকুরে। সে সময় সরকারি চাকুরে ছিলেন যাঁরা, তাঁরা সবাই ছিলেন অসম্ভব সরকারভক্ত। সরকার যেটা বলছে, সেটাই তাঁরা করেছেন, সরকার ভালো বললে ভালো আর মন্দ বললে মন্দ। আমার বাবাও সে রকম ছিলেন। তাঁর মোহমুক্তি ঘটে, যখন মিলিটারিরা রাজারবাগ পুলিশ লাইন আক্রমণ করে।
ইমদাদুল হক মিলন : আপনি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে?
হুমায়ূন আহমেদ : না, আমি তখন পিরোজপুরে। বরিশালে। রাজারবাগ পুলিশ লাইন থেকে যখন জানানো হলো, মিলিটারি আক্রমণ করেছে, তখন বাবা বিরাট ধাক্কা খেলেন। আমিও খেলাম। মনে হলো, আমাকে কঠিন একটা ধাক্কা দিয়ে বাস্তবে নিয়ে আসা হলো। বাস্তব ফেস করার যে ট্রেনিং, সেটাও আমার ছিল না। বাড়ির প্রথম ছেলে আমি। সব সময় আদরে আদরে থেকেছি। বাজার করতে হবে_মা বলছেন, না না ওকে পাঠাতে হবে না। ও বাজারের কী বোঝে? কিন্তু হঠাৎ যখন বাবা মারা গেলেন_যে ছেলেকে জীবনের সমস্ত ঝামেলা থেকে বাইরে রাখা হয়েছে, তার ওপর সমস্ত পরিবারের দায়িত্ব এসে পড়ল। এদের নিয়ে আমি কোথায় যাব? কোথায় গেলে নিরাপদ থাকব? আমি কি ইন্ডিয়া যাব? কী করে যাব? কে আমাদের আশ্রয় দেবে? মুক্তিযুদ্ধ আমি দেখেছি যুবকের চোখে। যুবকের চোখ, কিশোরের চোখ, বৃদ্ধের চোখ আলাদা। আমি মুক্তিযুদ্ধ যুবকের চোখে খুব কাছ থেকে দেখেছি। শূন্য হাতে দেশে যাওয়া, শর্ষিনার পীর সাহেবের বাড়িতে আশ্রয় নিতে যাওয়া, সেখান থেকে বিতাড়িত হওয়া। যখন ফিরে আসছি, মিলিটারির গানবোট থেকে গুলি হচ্ছে_সেই দৃশ্য দেখা। হিন্দু যারা আছে, তারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। প্রত্যেকের কাছে একটা বালিশ। যেখানে যাচ্ছে, আগলে রাখছে বালিশটা। টাকা-পয়সা, গয়না_সব বালিশের মধ্যে ভরা। মানুষ বগলে বালিশ নিয়ে জঙ্গলে ছোটাছুটি করছে। আহা রে, কী দৃশ্য! সারা দিন কাটত আতঙ্কে। সন্ধ্যার পর একটু স্বস্তি পেতাম। সন্ধ্যা মেলানোর পর মিলিটারি বের হতো না। কিছুদিন পর শুরু হলো রাজাকার-আলবদর বাহিনীর উপদ্রব। [চলবে]
About: নিজাম কুতুবী
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1381)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
November
(3116)
-
▼
Nov 25
(108)
- শাল জঙ্গলে মুখ থুবড়ে পড়ে কিষেণজির ক্ষতবিক্ষত দেহটা
- ব্রাজিলের ওপরে ইংল্যান্ড
- রক্তদান ও মরণোত্তর চক্ষুদান দিবস-মানবসেবায় এগিয়ে আসুন
- কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-উন্মাদ বকিবে উন্মাদের মতো by রণ...
- অভিন্ন নদী এবং পানিপ্রবাহ by আখলাক হুসেইন খান
- সাদাকালো-নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন জনতার র...
- বেহাল সড়ক-পথে পথে মৃত্যুফাঁদ
- ভর্তির নামে চলছে গলাকাটা-বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজের...
- অমিতাভে চমকিত লক্ষ্মী by সৈয়দ মাহ্মুদ জামান
- সাক্ষাৎকার-'টোস্টি চরিত্রটি আমাকে অভিনেত্রী করে তু...
- চরিত্রের প্রয়োজনে অডিশন দিয়েছি
- বোমা-কিশাম প্রিয়কুমার, অনুবাদ : আন্দালিব রাশদী
- দর্শনার্থী-মূল : আর কে নারায়ণ, অনুবাদ : জাফর আলম
- দূরসম্পর্কীয়া-মূল : ওরহান পামুক, অনুবাদ : দুলাল আল...
- মৃত মানুষের পথ-মূল : চিনুয়া আচেবে, অনুবাদ : শরীফ আ...
- হুমায়ূন আহমেদের সাক্ষাৎকার
- হুমায়ূন আহমেদ এবং হুমায়ূন আহমেদ by ইমদাদুল হক মিলন
- সম্পাদকীয়-অনুবাদের বিকল্প অনুবাদই
- চরাচর-ভাওয়ালরত্ন নুরুল ইসলাম
- আলোকের এই ঝরনাধারায় (পর্ব-৫১)-'এলাম দেখলাম জয় কর...
- শেকড়ের ডাক-হারিয়ে যাচ্ছে ধানের জাত হারাচ্ছে ঐতিহ...
- চৈতন্যের মুক্ত বাতায়ন-বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রামে ভ...
- রেকর্ড পরিমাণ চাল আমদানি-বিতরণব্যবস্থাও সুষ্ঠু করত...
- শেয়ারবাজারে প্রণোদনা-কাটাতে হবে আস্থার সংকট
- শ্রীলংকা এখন নিরাপদ দেশ-সাক্ষাৎকার by সরথ আমানুগামা
- চিঠিপত্র-বেফাঁস কথা
- আমৃত্যু বিদ্রোহী by মফিজ ইমাম মিলন
- সাধারণ মানুষ দ্রুতই নির্ধারক হয়ে ওঠে-নাসিক নির্বাচ...
- বিশ্বায়নের খেসারত!-ভারত by পার্থ চট্টোপাধ্যায়
- বেসরকারি মেডিকেল কলেজ-গলাকাটা ভর্তি ফি কেন?
- ৭০০ কোটি মানুষ-ঠাঁই নাই, ঠাঁই নাই_ ছোট সে তরী
- যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার হুমকি-ক্ষেপণাস্ত্ররোধী বর্ম...
- সিআইএ কর্মীদের ব্যাপারে মার্কিন দূতকে জেরা করবে লে...
- মিসরে বিক্ষোভকারীদের মৃত্যুতে সামরিক পরিষদের ক্ষমা...
- সালেহর দায়মুক্তির প্রতিবাদে সানায় ব্যাপক বিক্ষোভ...
- দলবদলের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করল আবাহনী-টার্গেট এবার স...
- বার্সেলোনা শীর্ষে
- ভারতের ভিসা পাননি ইলিয়েভেস্কিসহ ৫ ফুটবলার-অনিশ্চিত...
- মর্যাদা ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি by সঞ্জয় সাহা পিয়াল
- যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার পাল্টা হুমকি
- লোকসভায় অচলাবস্থা-ইউপিএ সরকারের বিরুদ্ধে সরব মমতা
- বিক্ষোভ অব্যাহত-ক্ষমা চাইল মিসরের সামরিক পরিষদ
- চড় খেলেন শারদ পাওয়ার
- তিনটি চিঠি লিখে রেখে ফাঁসে ঝুলে গেলেন উপাধ্যক্ষ!
- মেয়র লোকমান হত্যাকাণ্ড-নরসিংদী সদরের ওসি প্রত্যাহ...
- বিদ্যুতের পাইকারি দাম দুই ধাপে ৩১ শতাংশ বৃদ্ধি
- অলির ওপর যুবলীগের হামলা সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি তিন ম...
- টিপাইমুখ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী সংসদে মিথ্যাচার করেছেন...
- পাহাড়ের কোলে-অদেখা সাজেকের পথে দীঘিনালা by বিপ্রদ...
- শিক্ষাই নারী নির্যাতন রোধের হাতিয়ার by হেলাল হোসেন...
- ছায়ানটের সুবর্ণজয়ন্তী by কামাল লোহানী
- ক্যান্সার-চিকিৎসা চাই দেহ ও মনে by ইলা চন্দ
- ধর নির্ভয় গান-শুদ্ধ সংস্কৃতিতে আমাদের মুক্তি এবং ছ...
- বিসিক শিল্পনগরী-প্লট আছে, শিল্প নেই
- পুঁজিবাজার-আস্থা ফেরাতে ইতিবাচক উদ্যোগ
- আইসিটি মেলা শেষ হচ্ছে আজ
- রাজধানীতে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ও স্কুলছাত্রীর ঝুলন্...
- এমপিও কার্যক্রম হবে অনলাইনে শিক্ষামন্ত্রী
- নতুন রূপে সাজছে ধানমণ্ডি লেক
- সেরা দল গড়ে সর্বজয়ের হুঙ্কার আবাহনীর
- ঢাকা মেট্রো, রাজশাহী আর বরিশালের জয়
- গ্রুপসেরা হয়েই দ্বিতীয় পর্বে বার্সেলোনা-বার্সেলো...
- ম্যাচের গুরুত্ব যেন ৩৩ রানেই
- মুখোমুখি প্রতিদিন-আমাদের অপূর্ণ স্বপ্নটাই পূরণ করল...
- চাইলেই লারা হওয়া যায় না-ব্রাভোর উপলব্ধি
- পাকিস্তানকে অন্যতম সেরা মানছেন দিলশান
- টেন্ডুলকারের 'পয়া' চব্বিশ
- চলছে ইলিয়েভস্কির পরীক্ষা-নিরীক্ষা
- ওয়ানডে মর্যাদার মর্যাদা রাখতেই হবে
- প্লে-অফ ম্যাচ থেকে ইতিহাসে
- হেমন্ত আমাকেই দেখেছিল by ফজল শাহাবুদ্দিন
- 'কবিতা'র জন্য :বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদকীয়
- বুদ্ধদেব বসু-তাঁর প্রাসঙ্গিকতা by কাজল বন্দ্যোপাধ...
- ত থ্য বি চি ত্রা-মুষ্টি দিয়ে আক্রমণের খেলা
- র ঙ বে র ঙ-নানা রঙের সবজি
- অনিমেষের ছবির মহরতে শিল্পীর মেলা
- সরাসরি উপস্থাপনায় উত্তেজনা থাকে
- অস্বাভাবিক উত্থান-পতন সিএসই সূচকে
- ডিএসইতে সূচক ৫৩৭৩.৩০ পয়েন্টে-প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষ...
- স্থবির পোলট্রি শিল্প-গোয়ালন্দে ১২ হ্যাচারির আটটিই ...
- কাজে যোগ দিতে পারছেন না পাঁচ শতাধিক শ্রমিক-কর্মচার...
- দেশেই তৈরি হবে পাটকলের যন্ত্র ও যন্ত্রাংশ
- পুঁজিবাজারে শৃঙ্খলা রাখবে 'পরিদর্শকদল'
- পরামর্শ সভায় আইনমন্ত্রী-রাজস্ব-সংক্রান্ত বিকল্প বি...
- প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের প্রতিবেদন-রাষ্ট্রায়ত্ত ৩৯ ...
- পুরান ঢাকার ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ হয় যেভাবে-গডফাদার মিন...
- ঈশ্বরদীতে বিএনপির সংঘর্ষ দুলু-পটলসহ আহত ৬০
- ওয়ানডে স্ট্যাটাস-নবযুগে বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট by স...
- বোরো উৎপাদনে সরকারের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ by আলতাব...
- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়-ভর্তির সাক্ষাৎকার শুরু ১৩ ড...
- শারদ পাওয়ারের গালে চড়
- অলির ওপর হামলা-চট্টগ্রামে আদালত চত্বরে আওয়ামী লীগ ...
- কিলাররা ছিল তিন গ্রুপে বিভক্ত-নরসিংদী মেয়রের আসন শ...
- সোমবারই দু'টুকরো হচ্ছে রাজধানী ঢাকা-বিভিন্ন মহলের ...
- মিরসরাই ট্র্যাজেডি-মাকে একা ফেলে চলে গেল নয়ন by মু...
- বিবাদী মেয়র তাই... by রফিকুল ইসলাম,
- পাবনায় বিএনপির দুই গ্রুপে সংঘর্ষ, আহত অর্ধশত
- বাঞ্ছারামপুরে বসুন্ধরা ফাউন্ডেশনের সুদমুক্ত ঋণ বিতরণ
- টিপাইমুখ বাঁধের প্রতিবাদে বিভিন্ন স্থানে সমাবেশ কর...
- ভারতের শীর্ষ মাওবাদী নেতা কিষাণজি নিহত-তিন রাজ্যে ...
- সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী-ক্ষমতায় থাকাকালে ব...
- শেয়ারবাজার-ব্যাংকের বিনিয়োগ শর্ত শিথিল হলো সার্ক...
- গর্তে পুঁতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত বৃদ্ধার 'চিকিৎসা' by লি...
- টিপাইমুখ বাঁধ-দিল্লিকে ঢাকার কড়া বার্তা, ব্যাখ্যা...
- মন্ত্রিসভায় রদবদলের জোর গুঞ্জন দাবি খোদ আওয়ামী ল...
- সেনাবাহিনীকে যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার ...
- রাজশাহীতে বিরোধী দলের প্রতি প্রধানমন্ত্রী-হুমকিতে ...
- টিপাইর ফাঁদে হাসিনার সরকার! by ফজলুল বারী
-
▼
Nov 25
(108)
-
▼
November
(3116)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
দেশে দেশে
যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
ফুটবল খেলা
আমার দেশ
ইসরায়েল
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
Lead
ফিলিস্তিন
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
ইরান
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
কালবেলা
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
সাক্ষাৎকার
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
মুসলিম
জাতিসংঘ
মুক্তিযুদ্ধ
রাশিয়া
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
ইউরোপ
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
অমানবিক
সৌদি আরব
আলোকিত চট্টগ্রাম
পশ্চিমবঙ্গ
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
বিজ্ঞান ও গবেষণা
মাদক
আফ্রিকা
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
প্রবাস
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
ছুটির দিনে
সৈয়দ আবুল মকসুদ
সংখ্যালঘু
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
গোল্লাছুট
তুরস্ক
আফগানিস্তান
বইপত্র
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
অন্য আলো
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
অপহরণ
দুর্ঘটনা
সাহিত্যালোচনা
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
ইউক্রেন
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
তরুণ প্রজন্ম
মানবাধিকার
ফূটবল খেলা
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আলী যাকের
আইন ও বিচার
রুদ্র মিজান
হিন্দু
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
তারেক শামসুর রেহমান
মালয়েশিয়া
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
স্বাস্থ্য
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
সড়ক দুর্ঘটনা
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
আলী রীয়াজ
জ্যোতির্বিজ্ঞান
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
এ এম এম শওকত আলী
কক্সবাজার
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
শুভ্র দেব
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
রঙের মেলা
ঐতিহ্য
জাপান
কুমিল্লা
মুক্তমত
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
শিল্প
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
মাহমুদুর রহমান
ময়মনসিংহ
লেবানন
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
HotTopic
জীবনযাপন
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
যশোর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
চিকিৎসা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
মেহেদী হাসান
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
বরগুনা
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
আনু মুহাম্মদ
কলকাতা
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
অস্ট্রেলিয়া
তথ্য প্রযুক্তি
মারুফ কিবরিয়া
ব্রাজিল
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
মানসুরা হোসাইন
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
মসজিদ
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
ইয়েমেন
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
Exclusive
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
তুহিন ওয়াদুদ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
উত্তর কোরিয়া
কালি ও কলম
জলবায়ু ও পরিবেশ
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
কুষ্টিয়া
জাতীয় নাগরিক পার্টি
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
নিবন্ধ
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
উচ্চশিক্ষা
চারু শিল্প
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
প্রযুক্তি
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
জনস্বাস্থ্য
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
কাতার
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
শিশির মোড়ল
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
লাতিন আমেরিকা
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
আরব আমিরাত বা দুবাই
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
লিবিয়া
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
Hot Topic
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
ইসলাম
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
যৌন অপরাধ
WikiInterview
আকবর হোসেন
কিশোর আলো
জলবায়ু পরিবর্তন
জোহরান মামদানি
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইসলামী ছাত্রশিবির
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
ইহুদি
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
স্পেন
Asia
গণমাধ্যম
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
স্মৃতি
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কলম্বিয়া
কুয়েত
চিঠিপত্র
চুক্তি
তিউনিসিয়া
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বেলজিয়াম
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সন্ত্রাসী
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
সোমালিয়া
হংকং
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জর্দান
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
শেরপুর
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
আহমেদ মুনির
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওমান
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজবাড়ী
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অমানবিকতা
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোল্যান্ড
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানব
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
No comments:
Post a Comment