Tuesday, December 18, 2018
নয়া রাজনীতির অঙ্গীকার -জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহার ঘোষণা

রাজধানীর মতিঝিলে হোটেল পূর্বাণীর বলরুমে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে গতকাল আনুষ্ঠানিকভাবে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন এই ইশতেহার ঘোষণা করেন। ইশতেহারে পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে প্রবেশে বয়সসীমা না রাখার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য সামনে রেখে প্রণয়ন করা ইশতেহারে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন বাতিল, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন, দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী না থাকা, ৩০ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষিত বেকারদের জন্য ভাতা দিতে একটি কমিশন গঠনের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। যুদ্ধাপরাধের বিচার চলমান রাখা এবং মানুষের বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার কথাও বলা হয়েছে ইশতেহারে।
ড. কামাল হোসেন বলেন, আজ আমরা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করছি। এটা জনগণের ইশতেহার। জনগণের কল্যাণ, জনমতের ভিত্তিতে এটা তৈরি করা হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণের ধারা অব্যাহত থাকবে।
আমরা বিশ্বাস করি ভোটের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে দেশে জনগণের মালিকানা প্রতিষ্ঠা হবে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ইশতেহারে ২১ পৃষ্ঠার লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।
তিনি বলেন, ৩৫ দফা নির্বাচনী ইশতেহার ও ১৪ দফা প্রতিশ্রুতি মিলিয়ে আমাদের এই ইশতেহার। একাদশ জাতীয় নির্বাচনে জিতে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব পেলে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের কল্যাণে সরকার পরিচালনা করবে। এই পরিচালনার মূলনীতি হবে ঐকমত্য, সরকারের অন্তর্ভুক্তি এবং যেকোনো রকম প্রতিহিংসা থেকে মুক্ত রাখা। তিনি বলেন, প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিকানা জনগণ সংবিধানের সপ্তম অনুচ্ছেদে বর্ণিত এই নীতির ভিত্তিতে শুধুমাত্র নির্বাচনে জেতা দলের মানুষের নয়। এই মালিকানা থাকবে নির্বাচনে পরাজিত নেতা, কর্মী ও সমর্থকদেরও। এই রাষ্ট্র পরিচালিত হবে নির্বাচনে পরাজিতদের মতামত ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে আমরা যেসব কাজ সম্পন্ন করবো এই ইশতেহারে সেই বিষয়গুলোকে স্থান দিয়েছি।
নতুন ধারার রাজনীতি প্রবর্তনের প্রতিশ্রুতির সমন্বয়ে প্রণয়ন করা হয়েছে ফ্রন্টের ইশতেহার। ৩৫ দফা প্রতিশ্রুতির উল্লেখযোগ্যগুলো হচ্ছে- প্রতিহিংসা বা জিঘাংসা নয়, জাতীয় ঐক্যই লক্ষ্য নীতি অবলম্বন করে মিথ্যা মামলা, গুম, খুন, মামলার ঘুষ বাণিজ্য ও বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনাসমূহ সমাধানে ‘সর্বদলীয় সত্যানুসন্ধান ও বিভেদ নিরসন কমিশন’ গঠন করে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের অতীতের হয়রানি মামলা সুরাহার লক্ষ্যে খোলা মনে আলোচনা করে ক্ষমা ও ক্ষতিপূরণের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। নাগরিকদের জীবনের নিরাপত্তা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে প্রাধান্য দিয়ে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড ও গুম পুরোপুরি বন্ধ, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট বাতিল, রিমান্ডের নামে পুলিশ হেফাজতে শারীরিক নির্যাতন ও সাদা পোশাকে গ্রেপ্তার বন্ধ, মিথ্যা মামলায় অভিযুক্তদের ক্ষতিপূরণ দেয়া এবং মিথ্যা মামলায় সহায়তাকারী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নারীর ওপর বাচিক কিংবা শারীরিক যৌন হয়রানির ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স দেখা হবে। যৌতুক পুরোপুরি বন্ধ করা হবে। সংখ্যালঘু এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মানবিক মর্যাদা, অধিকার, নিরাপত্তা ও সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সংখ্যালঘু মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠা করা হবে। তাদের ওপর যেকোনো রকম হামলার বিচার হবে বিশেষ ট্রাইব্যুনালে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার অব্যাহত রাখবে।
ক্ষমতার ভারসাম্য আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ইশতেহারে বলা হয়েছে, সংসদে একটি উচ্চ কক্ষ সৃষ্টি করা হবে। সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ৭০ অনুচ্ছেদের পরিবর্তন আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের ক্ষমতার ভারসাম্য আনা হবে। একটানা পরপর দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকা যাবে না। সংসদে ডেপুটি স্পিকার বিরোধী দলের থেকে নির্বাচিত করা হবে। বিচারপতিসহ সব নিয়োগের জন্য বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য ও বিশিষ্ট নাগরিকদের সমন্বয়ে স্বাধীন কমিশন গঠন করা হবে। সকল সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহে উল্লেখযোগ্য নারী প্রতিনিধি নিশ্চিত করা হবে। সংসদে মহিলা আসন ১৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হবে। তবে প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের জন্য সকল রাজনৈতিক দল সংসদ নির্বাচনে ন্যূনতম বিশ শতাংশ নারীদের মনোনয়ন দেয়ার বাধ্যবাধকতা থাকবে। প্রাদেশিক সরকার প্রতিষ্ঠার যৌক্তিকতা পরীক্ষার জন্য একটি সর্বদলীয় জাতীয় কমিশন গঠন করা হবে।
সুশাসন প্রসঙ্গে ইশতেহারে বলা হয়, বর্তমানে চলমান কোনো উন্নয়ন প্রকল্প বন্ধ করা হবে না, উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর ব্যয় নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতির তদন্ত করে বিচারের আওতায় আনা হবে। ন্যায়পাল নিয়োগ করা হবে এবং সংবিধান নির্দেশিত সব দায়িত্ব পালনে ন্যায়পালকে পূর্ণ স্বাধীনতা দেয়া হবে। আর্থিক খাত ব্যাংকিংখাতে লুটপাটে জড়িতদের কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে এবং ব্যাংকসমূহকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সর্বময় ক্ষমতা দেয়া হবে।
ইশতেহারে কর্মসংস্থান সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে, পুলিশ ও সামরিক বাহিনী ছাড়া সরকারি চাকরিতে বয়সের কোনো সময়সীমা থাকবে না। সরকারি চাকরিতে শুধুমাত্র অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য কোটা ছাড়া আর কোনো কোটা থাকবে না। ৩০ বয়সসীমার উপরে শিক্ষিত বেকারদের জন্য ভাতা চালু করতে একটি কমিশন গঠন করা হবে। আগামী ৫ বছরের মধ্যে সব সরকারি শূন্য পদে নিয়োগ সম্পন্ন করা হবে। বেকার সমস্যার সমাধান হবে আমাদের সরকারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের একটি। উদ্যোক্তা তরুণদের জন্য খুব কম সুদে ঋণ প্রদান করা হবে।
শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়, কর্মসংস্থানকে প্রাধান্য দিয়ে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল সংস্কারের জন্য কমিশন গঠন করা হবে। মেধাপাচার রোধে মেধাবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি যথার্থ মূল্যায়ন ও উপযুক্ত কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। দেশের সকল ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো স্বাস্থ্য ক্যাডারের একজন সরকারি কর্মকর্তার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে। গ্রামীণ জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দেবার লক্ষ্যে সকল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের এক বৎসর ইউনিয়ন পর্যায়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রে সার্বক্ষণিকভাবে অবস্থান করে এক বছর প্রশিক্ষণ বাধ্যতামূলক করা হবে। ওষুধের দাম কমানো হবে।
আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে, সন্ত্রাসবাদ ও জঙ্গিবাদের প্রতি জিরো টলারেন্স নীতি নেয়া হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর হস্তে দমন করবে। জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জাতীয় ঐকমত্য গঠনের লক্ষ্যে এসব বিষয়ে ছাত্রদের শিক্ষা পাঠ্যক্রম অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং সমাজের সব শ্রেণির জনগণকে সচেতন ও সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে দেশের আলেম-ওলামাদের মাধ্যমে মোটিভেশন প্রোগ্রাম চালু করা হবে।
নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করে তাদের দাবিকৃত ৯ দফা দাবির আলোকে সড়ক আইন সংশোধন করা হবে। প্রবাসী কল্যাণ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়েছে, প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা হবে। স্বাধীন প্রেস কাউন্সিলের অধীনে সকল প্রকার গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত, মজুরি বোর্ড নিয়মিতকরণ করা হবে। মোবাইল ফোনের কলরেট ও ইন্টারনেটের খরচ কমানো হবে। দেশের প্রতিটি প্রান্তে মোবাইল ইন্টারনেটের গতি নিশ্চিত করতে মোবাইল অপারেটরদের বাধ্য করা হবে। সঠিক কক্ষপথে নতুন স্যাটেলাইট পাঠানো হবে।
শিল্পায়নের জন্য আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও প্রকল্পের দীর্ঘসূত্রতা নিরসন করার জন্য ওয়ানস্টপ সার্ভিস চালু করা এবং আইন ও বিধিমালা সহজ করা হবে। দু’বছরের মধ্যেই গার্মেন্টস শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ১২ হাজার টাকা করা হবে। সকল খাতের শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি নির্ধারণ করা হবে। স্বাস্থ্যবীমার মাধ্যমে শ্রমিকরা মাসে ২৫০ টাকার প্রিমিয়ামের মাধ্যমে সকল চিকিৎসা সুবিধা পাবেন। বয়োবৃদ্ধদের জন্য নানা ধরনের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। বেসরকারি খাত থেকে সকল জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ক্রয় চুক্তি রিভিউ করে মূল্য যৌক্তিক করা হবে। সর্বোচ্চ ১০০ ইউনিট ব্যবহারকারীদের বিদ্যুতের মূল্য আগামী পাঁচ বছরে বাড়বে না। সামাজিক নিরাপত্তাবেষ্টনীকে অনেক বেশি শক্তিশালী করা হবে। এই খাতে জিডিপি’র অনুপাতে বাজেট আগামী ৫ বছরে ধাপে ধাপে বর্তমানের ৩ গুণ করা হবে।
বিচারবিভাগ সংক্রান্ত প্রতিশ্রুতিতে বলা হয়, মামলার জট কমানো ও হয়রানি বন্ধের নিমিত্তে মামলার বাদী বিবাদী তিনবারের বেশি সময় নিতে চাইলে কোর্টের সময় অপরাধী পক্ষের উকিলের ফি বাবদ কোর্ট ফি ন্যূনতম জমা দিয়ে আবেদন করতে হবে। বিচারপতি ও বিচারকরা প্রতিবছর নিজের এবং ঘনিষ্ঠ নিকটজনের সম্পদের হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করবেন। কৃষকের স্বার্থরক্ষা ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনে সরকারি প্রণোদনা থাকবে।
জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণকে আবার খুব গুরুত্বপূর্ণ প্রাধিকারে পরিণত করা হবে। দায়িত্বপ্রাপ্তির প্রথম দিন থেকেই মাদক নিয়ন্ত্রণকে সরকারের খুব গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকারের তালিকায় আনা হবে।
ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে মূলমঞ্চে ছিলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, জেএসডির আ স ম আবদুর রব, শহিদউদ্দিন মাহমুদ স্বপন, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী, মোস্তফা মহসিন মন্টু, রেজা কিবরিয়া, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট নাগরিকদের মধ্যে- প্রফেসর এমাজউদ্দীন আহমদ, প্রফেসর মাহবুব উল্লাহ, প্রফেসর মোস্তাহিদুর রহমান, মোস্তফা জামান আব্বাসী, প্রফেসর সদরুল আমিন, প্রফেসর দিলারা চৌধুরী, সাংবাদিক মাহফুজউল্লাহ, আবদুল হাই শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে- বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু, প্রফেসর ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন, প্রফেসর সাহিদা রফিক, প্রফেসর তাজমেরী এ ইসলাম, প্রফেসর সুকোমল বড়ুয়া, রুহুল আলম চৌধুরী, শাহজাদা মিয়া, এনামুল হক চৌধুরী, গণফোরামের জগলুল হায়দার আফ্রিক, আওম শফিক উল্লাহ, নাগরিক ঐক্যের শহীদুল্লাহ কায়সার, জাহেদ উর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের জনগণের মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে ৭ দফা দাবি এবং ১১ দফা লক্ষ্যকে সামনে রেখে গঠিত হয়েছিল জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মনোনীত প্রার্থীরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে অংশগ্রহণ করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিইসি’র সামর্থ্য: নানা প্রশ্ন

পুলিশের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি কী, সেই বিষয়ে তার একটি মন্তব্য রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে বেশ আলোচিত হচ্ছে।
১৫ ডিসেম্বর প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘ড. কামালের বিষয়টি দুঃখজনক। তিনি একজন সিনিয়র সিটিজেন (জ্যেষ্ঠ নাগরিক) এবং প্রখ্যাত লোক। এটি কাম্য নয়। তাঁর ওপর হামলার ঘটনায় ফৌজদারি অপরাধ হয়েছে। যেভাবে ব্যবস্থা হয়, সেটা হবে। হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তাঁরাও একটি আবেদন করেছেন। আমরা নির্বাচনী তদন্ত কমিটির কাছে বিষয়টি পাঠাব।
তারা যেভাবে রিপোর্ট দেবে, সেভাবে ব্যবস্থা নেব।’
সিইসি নিজেই জাতিকে জানাচ্ছেন, “হামলা একটি ফৌজদারি অপরাধ।” আর হামলাকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে তিনি একটি ‘আবেদন’ করেছেন। অনেক পর্যবেক্ষক বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তারা বলছেন, সিইসি কেন এতটা বিনয়ী? তার এই বিনয় সার্বিক বিচারে মাঠ সমতল করতে ইসি’র দায়দায়িত্বকেই প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবসে গত শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলা হয়। এতে জেএসডি’র সভাপতি আ স ম আবদুর রবের গাড়িচালকসহ প্রায় ৩০ জন আহত হন। পরের দিন এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বলেন সিইসি।
উল্লেখ্য, আইনে ছিল নির্বাচনের তফসিল জারির দিন থেকে বিচারবিভাগীয় তদন্ত কমিটি কাজ করবে। অথচ এই কমিটি গঠনের জন্য ইসি সরকারকে চিঠি দেন তফসিল ঘোষণার এক সপ্তাহ পরে। এরপর সেটি গঠিত হতে আরো এক সপ্তাহের বেশি সময় লাগে। এরপর যখন কমিটি কাজ শুরু করল, তখন এ পর্যন্ত একদিন তিনি কমিটির অকার্যকরতা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন।
এখন জানা গেল, তিনি ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলার বিষয়ে একটি আবেদন করেছেন এবং নির্বাচনী তদন্ত কমিটিকে দিয়ে তদন্ত করাবেন।
আইন বিশেষজ্ঞদের অনেকে অবশ্য বেশ একটা পুলক অনুভব করছেন। কারণ নির্বাচনী তদন্ত কমিটির কাজ হলো আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা। নির্বাহী হাকিমদের ক্ষমতা আবার যুগ্ম জেলা জজের নেতৃত্বাধীন কমিটির চেয়ে বেশি। কারণ তারা সামারি ট্রায়াল বা সংক্ষিপ্ত বিচার করে তাৎক্ষণিক শাস্তি দিতে পারেন। জজ সাহেবরা পারেন না। আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে অনধিক ৬ মাস জেল ও অনধিক ৫০ হাজার টাকা জরিমানা। এটা হলো বিধি লঙ্ঘন। কিন্তু ড. কামাল হোসেনসহ আরো যাদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে, সেগুলো তো দ-নীয় অপরাধ। এটা তো আচরণবিধি লঙ্ঘনের চেয়ে আরো মারাত্মক অপরাধ।
কিন্তু সচেতন মহল বলছেন, ড. কামাল হোসেনের ওপর হামলার বিষয়ে সিইসি গতকাল আইজিপিকে একটি চিঠি দিয়েছেন, এটা আপাতদৃষ্টিতে একটি ভালো কাজ। সরকারি দল ও তার মিত্ররা উঠতে বসতে তার শাপান্ত করছে, তার নেতৃত্বাধীন ঐক্যফ্রন্টকে শুরুতে সরকার প্রধান অভিবাদন জানিয়েছিল, সেটা তারা ভুলে গেছে। সেখানে সিইসির চিঠি একটি অগ্রগতি। কিন্তু ড. কামাল হোসেন নিজে তার ওপর হামলার জন্য ব্যক্তিগতভাবেই উদ্বিগ্ন, সেটা তো সত্য নয়। অনেকের মতে, সিইসি’র উদ্যাগে একটি গ্যালারি শোয়ের বিষয় নাকচ করা যাবে না। কারণ সিইসি হয়তো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ বিবেচনায় নিয়েছেন। এই বিষয়ে তাকে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। সুতরাং তার একটি হোমওয়ার্ক করা থাকল। কিন্তু জ্বলন্ত প্রশ্ন দাঁড়ালো কি দৃষ্টান্ত তিনি স্থাপন করতে চলেছেন?
ড. কামাল হোসেনের এজাহারে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়নি। বলা হয়েছে, মামলায় আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনের ১৪ জন নেতা-কর্মীকে আসামি করেছেন। তাহলে প্রশ্ন হলো সিইসি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে কি বার্তা দিলেন?
সন্ত্রাসী হামলা যে নির্বাচন পূর্ব কোনো অনিয়ম নয়, সেটা কি তার অজানা ছিল? আবার ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গতকাল তিনি সম্ভবত তার ভুল বুঝতে পেরেছেন। সে কারণে তিনদিনের মধ্যে তদন্তের ফল জানতে চেয়েছেন। সন্ত্রাসী হামলার ৭২ ঘণ্টা পরে চিঠি দিলেন আইজিপিকে।
এখনও এই প্রশ্ন থাকল, একই বিষয়ে আইজিপি’র চিঠি কি তিনি বিচারবিভাগীয় তদন্ত কিমিটিকে দেবেন নাকি দেবেন না?
অবশ্য এই ঘটনা একটি মাইলফলক তৈরি করেছে। ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার পর যদি ৭২ ঘণ্টা লাগে চিঠি লিখতে, তাহলে সারা দেশে ঐক্যফ্রন্টের শত শত কর্মী যেভাবে দৌড়ের ওপর আছে, তাদের কি হবে? ৩০শে ডিসেম্বর নির্বাচনী এজন্ট পাওয়া যাবে কি না, সেটা হালকা প্রশ্ন নয়।
ড. কামাল হোসেন গতকাল ইসি’র সঙ্গে সভায় অভিযোগ করেছেন, ১০ই ডিসেম্বর থেকে তাঁদের জোটের নেতাকর্মীদের ওপর হয়রানির মাত্রা বেড়ে গেছে। এই আটদিনে ঐক্যফ্রন্টের বিরুদ্ধে ৯৫টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় তাঁদের ২ হাজার ২৪১ জন নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার হয়েছেন। ঐক্যফ্রন্টের পক্ষ থেকে ইসিকে জানানো হয়, প্রতীক বরাদ্দের পর তাঁদের ২৪ নেতাকর্মী দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্যাতিত হয়েছেন এবং ৪ জন মারা গেছেন।
উল্লেখ্য, সিইসি এর আগে প্রতীক বরাদ্দের পরে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দু’জন নিহত হওয়ার পরে ২০১৪ সালের আলোকে কৌশল নিতে পুলিশকেই পরামর্শ দিয়েছিলেন। এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল নবনিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মি. মিলারের সঙ্গে আলোচনায় বলেছেন, দলের দু’জন নিহত হওয়ার পরে তিনি তার দলীয় নেতা-কর্মীদের ধৈর্য্য ধারণ করতে বলেছেন। খবরে বলা হয়, মার্কিন রাষ্ট্রদূত নির্বাচনী প্রচারে হামলা হচ্ছে বলে বিরোধী রাজনৈতিক দলের অভিযোগের প্রসঙ্গটি তুললে শেখ হাসিনা বলেন, ‘সন্ত্রাসের শিকার হয়ে আমার দলের দু’জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। দলীয় নেতা-কর্মীদের ধৈর্য ধরতে বলেছি।’ কেউ কেউ বলছেন, সিইসি নিরপেক্ষতার প্রমাণ দিতে চাইলে বিরোধীদলীয় নেতা কর্মীদের ওপর হামলা এবং সিনিয়র নেতাদের গাড়িবহরে হামলার বিষয়ে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে হবে।
প্রতীক বরাদ্দের পর প্রতিদিন বিরোধীদলীয় নেতা-কর্মীরা মার খাচ্ছে, নারী প্রার্থী রাবার বুলেট বিদ্ধ (ইকবাল মাহমুদ টুকুর স্ত্রী) হয়েছেন। আর দেশের উল্লেখযোগ্য স্থানে সম্ভাব্য সংঘাত এড়াতে ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনী প্রচারণায় লো-প্রোফাইল বজায় রাখছে। বহু এলাকায় ধানের শীষের পোস্টার ও প্রচারণা একেবারেই চোখে পড়ে না। কিন্তু এসব রূঢ় বাস্তবতা সত্ত্বেও সিইসি ঘোষণা দিয়েছন যে, মাঠসমতল হওয়ার বিষয়ে বিরাট উন্নতি হয়েছে। তিনি সন্তোষ ব্যক্ত করেছেন।
এদিকে নির্বাচন কমিশন যাদের মনোনায়ন টিকেছিলো এবং যে জন্য বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ইসিকে তার ‘ন্যায়ানুগ’ ভূমিকার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছিলেন, কিন্তু গত কয়কেদিনে তাদের অনেকেই প্রার্থিতা হারিয়েছেন। কিন্তু সেগুলো যাতে টিকে থাকে. সে বিষয়ে ইসিকে তার আইনি লড়াইয়ে সক্রিয় হতে দেখা যায়নি। গতকালও তিনজন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান তাদের প্রার্থিতা হারালেন। কিন্তু সচেতন পর্যবেক্ষকরা বলছেন, ইসিকে আমরা উদ্বিগ্ন হতে দেখিনি।
সিইসি এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, গায়েবি মামলায় কারো গ্রেপ্তার তারা নিয়ন্ত্রণ করবেন। কিন্তু পরিসংখ্যান বলছে, অবস্থার অবনতি ঘটছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এখন ইসি’র অধীনে সেটা কার্যকরভাবে প্রমাণের সুযোগ থাকলেও সিইসি তা এড়িয়ে চলছেন।
গত বছর ২৪শে জুলাই নির্বাচনের রোডম্যাপ দিতে গিয়ে সিইসি বলেছিলেন, আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনা না খালেদা ভারতের উভয় সংকট by অভিজিৎ মজুমদার

শেখ হাসিনার সরকার থেকে? নাকি ঝামেলাপরায়ণ খালেদার ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা থেকে? ক্রমেই দুর্নীতিপরায়ণ, স্বৈরতান্ত্রিক ও অহঙ্কারী হয়ে উঠা আওয়ামী লীগের হাত থেকে? নাকি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র হাত থেকে যেটি সচরাচর দুর্নীতিপরায়ণ ও ভারতের প্রতি শত্রুভাবাপন্ন? চীনের সঙ্গে ক্রমেই দহরম মহরম শুরু করা আওয়ামী লীগের কাছ থেকে? নাকি বিএনপির হাত থেকে যেটি আষ্টেপৃষ্ঠে ইসলামিস্ট জামায়াত?
হাসিনা সব সময়ই ছিলেন ভারতের সেরা বাজি। তিনি ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধী ও ইসলামিস্টদের পিছু নিয়েছেন। অনস্বীকার্য অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়ন সাধন করেছেন। তিনি ভারতের প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন ছিলেন।
প্রতিবেশী দেশসমূহে সন্ত্রাসবাদ রপ্তানি করার যে নীতি পাকিস্তানের, সেই ব্যাপারে স্পষ্ট ছিলেন হাসিনা।
কিন্তু দেশে ভাবা হয়, তিনি আগাগোড়া দুর্নীতি করার সুযোগ দিয়েছেন। রাজনৈতিকভাবে কাঁচা ও চাটুকার স্বভাবের লোকেরা তার চারপাশে। ভিন্নমত দমনে তিনি অপ্রয়োজনীয় মাত্রায় বলপ্রয়োগের আশ্রয় নিয়েছেন। গত এক বছরে ধিকধিক করে জ্বলতে থাকা জনঅসন্তোষ দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে কোটা ও সড়ক নিরাপত্তার মতো আন্দোলনে, দৃশ্যত তুচ্ছ কারণে।
প্রতিবাদরত শিশু-কিশোরদের নির্মমভাবে দমন করা হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতিমান একজন আলোকচিত্রীকে একটি সাক্ষাৎকারের জেরে আটক করে আতঙ্কগ্রস্ত সরকার। এসবের কারণে ইতিমধ্যে পড়তির দিকে থাকা সরকারের জনপ্রিয়তায় আরো ধস নামে।
যতই সরকারের ভাবমূর্তি কলঙ্কিত হয়েছে, ততই বেপরোয়া সব পদক্ষেপ নিয়েছে হাসিনা সরকার। যে হাসিনা স্থিরচিত্তে একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসিতে ঝুলিয়েছেন, জামায়াত-চালিত ইসলামী ব্যাংক চূর্ণবিচূর্ণ করেছেন, হলি আর্টিজান বেকারি সন্ত্রাসী হামলার খুনিদের খুঁজে খুঁজে দমন করেছেন, সেই হাসিনাই আবার হেফাজতে ইসলামের মোল্লাদের কাছে নতি স্বীকার করেছেন। বিভিন্ন এজেন্সি বলছে, এই নির্বাচনে তার দল থেকে প্রায় ৩০ জন জামায়াত-ঘেঁষা ব্যক্তি মনোনয়ন পেয়েছে।
ধারণা করা হচ্ছে, চীন এই নির্বাচনে ৩ হাজার কোটি টাকা ঢেলেছে। মূলত আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের পেছনেই ব্যয় হয়েছে এই অর্থ। কিন্তু চীনা অর্থের বদান্যতার মেয়াদ চীনা পণ্যের মতোই সীমিত। চীনা ড্রাগন খুব অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই অনুপাতহীন সুদ দাবি করে বসে, যেমনটা পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কা হাড়েহাড়ে টের পেয়েছে।
সবচেয়ে বড় কথা হলো, হাসিনার জনপ্রিয়তা যতই পড়তির দিকে ছিল, ততই ভারত ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেকেই মনে করেন, মানুষের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে ভারত এই সরকারকে টিকিয়ে রেখেছে।
অপরদিকে বিএনপি সব সময়ই পাকিস্তানের দিকে ঘনিষ্ঠ ছিল। কিন্তু এবার দলটির জ্যেষ্ঠ নেতারা ভারতের দিকে হাত বাড়িয়েছেন। তাদের অনেককে নয়াদিল্লি প্রকাশ্যেই আতিথেয়তা দিয়েছে।
বিএনপির প্রতি সমর্থন বৃদ্ধি পেয়েছে টের পেয়ে, ভারতের অনেক এজেন্সি বেশ কয়েকজন বিএনপি প্রার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করছে, যারা কিনা তুলনামূলকভাবে কিছুটা ভারতপন্থি। তবে এটি মূলত ক্ষেত্রবিশেষে। যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় আর তার ফলে সরকার পরিবর্তন হয়, তার কথা মাথায় রেখেই এই কৌশল ভারতের।
কিন্তু ভারত এমন একটি বিএনপি সরকার ঘৃণা করে, যেটি কিনা পূর্বাঞ্চলীয় অঞ্চলে জামায়াতের প্রভাব বৃদ্ধি করবে, রোহিঙ্গা সন্ত্রাসী ও অনুপ্রবেশকারীরা মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশ হয়ে ভারতে অবাধে চলাচল করতে পারবে।
বাংলাদেশের কক্সবাজারে প্রশিক্ষণ শিবির রয়েছে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের। এটির প্রধান মুহাম্মদ ইউনুস থেকে শুরু করে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভ্যাশন আর্মির প্রধান করাচিতে জন্ম নেয়া আতাউল্লাহ পর্যন্ত মিয়ানমারের সন্ত্রাসী নেতাদের সঙ্গে জামায়াতের গভীর সম্পর্ক রয়েছে। মাঝেমাঝে বিয়ে ও পারিবারিক সূত্রেও সম্পর্ক রয়েছে দুই পক্ষের।
ভারত চায় না, জামায়াত-ঘেঁষা একটি সরকারের কাছ থেকে আনুকূল্য পাক এসব গোষ্ঠী। কিংবা বাংলাদেশের ঘরোয়া সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর পুনরুত্থান ঘটুক।
এছাড়াও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা বিভাগের অনেক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ব্যক্তিগতভাবে তারেক রহমানকে অপছন্দ করেন। তারা বলছেন, তারেক রহমান ‘ভালো মানুষ নয়’ বলে তাদের মনে হয়। তারা আরো বলেন, খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মারা যাওয়ার পর হাসিনা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে, তারেকের ফোনকলেই খালেদা সিঁড়ি থেকে ফিরে যান কক্ষে। এ থেকে যে তিক্ততা তৈরি হয় তা আর শুকোয়নি।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সহকর্মী ড. কামাল হোসেন, যিনি এখন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান, তিনি বিএনপির সঙ্গে জোট বেঁধেছেন। তিনি একজন আইনজীবী। এক সময় তিনি বঙ্গবন্ধুকে অনুযোগের সুরে বলেছিলেন, তিনি অনেক বেশি আশাবাদী, যার ফলে পরিস্থিতি যতখানি চায়, তার চেয়েও বেশি মানুষকে বিশ্বাস করে ফেলেন তিনি। কিন্তু আজ বঙ্গবন্ধুর মেয়ের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ আরো ভয়াবহ কিছুর।
কিন্তু কামাল হোসেনের বয়স ৮২ বছর। তিনি মাঠের রাজনীতিকও নন। ওদিকে সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের জাতীয় পার্টিকে দেখা হয় আওয়ামী লীগের বি-টিম হিসেবে। তার বয়সও ৮৮। ভারত মনে করে, তার যখন-তখন ইউ-টার্ন নেয়ার ঝোঁক আছে। এছাড়া তার উত্তরাধিকারী কে হবে, তা স্পষ্ট নয়। এছাড়া ভারত তাকে বেশি জোরালোভাবে সমর্থন দিলে দেখা যাবে, জাতীয় পার্টি হয়তো কিছু বেশি আসন পেয়ে যাবে, কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না। অপরদিকে আওয়ামী লীগেরও ভোট যাবে কমে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, ভারত ‘মাইনাস টু’ ফরমুলা অর্থাৎ হাসিনা ও খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেয়ার তত্ত্বে বিশ্বাস করে না। যেকোনো বিকল্প সরকার বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য সব সমস্যা সমাধানের জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী হবে না। ফলে দেশ আরো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিতে পড়ে যেতে পারে, ফলে ফের নাক গলানোর কথা ভাবতে পারে সেনাবাহিনী।
ভারতের সেরা বাজি কে?
শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের ৭ মাস আগে, ভারতের গোয়েন্দা প্রধান রামেশ্বর নাথ কাও ব্যক্তিগতভাবে তাকে একটি ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। কিন্তু হাসিমুখে তা উড়িয়ে দিয়েছিলেন বঙ্গবন্ধু। ‘তারা আমার নিজের সন্তানের মতো। তারা আমার ক্ষতি করবে না।’ তার মেয়ে হাসিনাও তার কর্মকাণ্ড ও ক্রমবর্ধমান অজনপ্রিয়তা নিয়ে ভারতের কয়েক দফা উপদেশ অগ্রাহ্য করেছেন। ভারত এখনো তাকে দৃঢ়ভাবে সমর্থন দিচ্ছে। কিন্তু কোনো শক্তির উত্থান ঘটলে ভারত বুদ্ধিমানের মতো তাদের জন্যেও দরজা খোলা রাখছে। ভারতের কূটনৈতিক অঙ্গনের সাধারণ মনোভাব হলো এরকম যে, ‘হাসিনাকে জিততে হবে। অবশ্য বিএনপি ক্ষমতায় এলেও আমরা জানি কীভাবে সব সামাল দিতে হবে।’
তারা স্বীকার করছেন যে, যেভাবে আবেগ বইছে বাংলাদেশে, তাতে সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিরোধী দল হয়তো বিরাট ব্যবধানে জিতবে। তারা আরো মনে করেন যে, নির্বাচন ত্রুটিমুক্ত হবে এমনটার সম্ভাবনা নেই। ভূতেরা নিশ্চিতভাবেই ভোট দেবে কিংবা অন্যদের ভোট দিতে বাধা দেবে। ভারত কি পর্যবেক্ষক পাঠাবে। হেসে একজন উত্তর দিলেন, না। আমাদের এমনিতেই বাংলাদেশে অনেক ‘পর্যবেক্ষক’ রয়েছে।
(অভিজিৎ মজুমদার ভারতীয় সাংবাদিক। তার নিবন্ধটি মাই ন্যাশন থেকে নেয়া হয়েছে।)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জয়পাল রাজার নামে জয়পুরহাট
![]() |
| জয়পুরহাট শহর (ছবি: উইকিমিডিয়া কমন্স) |
রাজশাহী বিভাগের অধীন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত ছোট্ট জেলা জয়পুরহাট। এর আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অনেক নান্দনিক ও ঐতিহাসিক স্থান। জেলার দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ফসলের মাঠ যেকোনও ভ্রমণপিপাসুকে মুগ্ধ করবে। ফলে এখানে পর্যটন শিল্প বিকাশে ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। লতিরাজ কচু ও সোনালি মুরগি জয়পুরহাটকে অন্নপূর্ণা জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেমন জীবন ইন্দোনেশিয়ার 'চরম বড়লোকদের'

ইন্দোনেশিয়া হচ্ছে জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ। এই দেশে এখন মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সাথে সাথে লক্ষ্য করা যাচ্ছে অতিশয় বড়লোক একটি শ্রেণীর উত্থান।
তাদের নানা কর্মকান্ডের একটিতে গিয়েছিলেন বিবিসির সাংবাদিক রেবেকা হেন্সকে।
তিনি এক রিপোর্টে লিখেছেন ইন্দোনেশিয়ার এই নব্যধনীরা কেমন জীবন যাপন করেন।
রেবেকা হেন্সকে লিখছেন, আমি গিয়েছিলাম এক পার্টিতে। একটি ছ'বছরের মেয়ের জন্মদিনের পার্টি। তবে তার বৈশিষ্ট্য ছিল - ওই পার্টির থিম হচ্ছে কুকুর।
জন্মদিনের পার্টির থিম - কুকুর
কুকুর এমন একটি প্রাণী - যা ঐতিহ্যগতভাবেই এ দেশে ঠিক পছন্দের প্রাণী নয় এবং তাদের সেভাবে যত্ন-আত্তি করাও হয় না।
কিন্তু কুকুরকে "থিম' বানানো ছাড়াও আরো বিস্ময় ছিল ওই পার্টিতে। যার জন্মদিন - সেই বাচ্চা মেয়েটির পরিবার পার্টির আয়োজন করতে যা করেছিলেন তা-ত কিছু কম অবাক-করা নয়।
নিরাপত্তা রক্ষীরা আমাদেরকে প্রধান সড়ক থেকে যেখানে নিয়ে গেল তা যেন একটা অন্য জগৎ।
দেখলাম, জাকার্তার সবচেযে দামী ও অভিজাত জায়গা মেনটেং-এর একটা খালি জায়গাকে একটা পার্কে পরিণত করা হয়েছে। সেখানে আসল ঘাস এবং বড় বড় গাছ এনে বিছানো হয়েছে, সাথে বসানো হয়েছে কুকুরের জন্য নানা-রকম বাধা পার হবার একটি খেলার কোর্স।
একটা কোণায় এ অনুষ্ঠানের জন্য বিশেষ ব্যবস্থায় আনা কুকুরদের রাখা হয়েছে।
কুকুরের যত্ন নিচ্ছেন যে লোকটি তিনি তাদের স্নান করাচ্ছেন, কুকুরকে মাসাজ দিচ্ছেন বা তার গা-মালিশ করছেন।
শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত তাঁবুতে বাচ্চা মেয়েটির অভিভাবকরা বরফ-দেয়া কফিতে চুমুক দিচ্ছেন। দিনের আরো পরের দিকে পরিবেশন করা হলো ওয়াইন।
ইন্দোনেশিয়ায় এ্যালকোহলের ওপর উচ্চ হারের কর রয়েছে। তার মানে হলো ওয়াইন এখানে অত্যন্ত ব্যয়বহুল।
এই কৃত্রিম পার্কের মাঝখানে রয়েছে অনেকগুলো কুকুরের আকৃতির বেলুন। একজন লোক বুদবুদ ওড়াচ্ছেন।
অদ্ভূত, পরাবাস্তব এক জগৎ
এই পার্টিটি অক্টোবর মাসের কথা। আমি তখন সবেমাত্র ইন্দোনেশিয়ার পালুর সুনামির ধ্বংসলীলা ও প্রাণহানির ওপর রিপোটিং করে ফিরেছি। আমার কাছে মনে হচ্ছিল - তার বিপরীতে মনে হচ্ছিল এখানে যেন অদ্ভূত, পরাবাস্তব কিছু দেখছি।
"এটা যদি ৬ বছরের মেয়ের জন্মদিন হয় - তাহলে তার ১৮ বছরের জন্মদিনে কি থাকবে?" আমি আমার পাশের আরেক অভিভাবককে জিজ্ঞেস করলাম।
তিনি বলেন, "আসলে এখানে যা হচ্ছে তা মেযেটি চায়নি, চেযেছেন তার অভিভাবকরা।"
আমরা মেয়েটির জন্য যে উপহার নিয়ে গিয়েছিলাম - আমাদের তার চেয়ে তিনগুণ বড় উপহার ভর্তি পার্টি ব্যাগ দেয়া হলো।
'এরকম পার্টি নিয়মিত ঘটনা'
আমি জানি না, কেন আমি এই পার্টি দেখে বিস্মিত হলাম।
কারণ আমার ছেলেমেয়েরা ইন্দোনেশিয়ার যেসব উচ্চবিত্ত পরিবারের ছেলেমেয়েদের সাথে একই স্কুলে যায় - সেখানে এমন পার্টি খুবই স্বাভাবিক ঘটনা।
একটি পরিবারের কথা জানি - যারা হলিউডের ব্লকবাস্টার ছবি নতুন করে সম্পাদনা করার জন্য একটি ফিল্ম কোম্পানি ভাড়া করেছিল - যাতে ছবির মধ্যে বিশেষ বিশেষ দৃশ্যে তাদের মেযেকে দেখানো হয় - যার জন্মদিনে এটার বিশেষ প্রদর্শনী হয়েছিল। বাচ্চাদের জন্য প্রদর্শনীটি হয়েছিল একটি নামীদামী হোটেলের বলরুমে - সিনেমা হলের সাইজের পর্দায়।
সেই জন্মদিনের পার্টির আগে আমি ইন্দোনেশিয়ার প্রত্যন্ত পাপুয়া প্রদেশের শিশু স্বাস্থ্য সংকট দেখে ফিরেছি। সেখানে তখন হামের প্রাদুর্ভাবে বহু অপুষ্টিতে আক্রান্ত শিশু মৃত্যু হচ্ছিল।
'ক্রেজি রিচ ইন্দোনেশিয়ান্স'
সেপ্টেম্বর মাসে ক্রেজি রিচ এশিয়ান্স নামে একটি ছবি মুক্তি পাবার পর এখানকার অনেক লোক টুইটারে তাদের পরিচিত 'ক্রেজি রিচ' ইন্দোনেশিয়ানদের নানা গল্প লিখে জানাতে শুরু করেন।
এদের অনেকে ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সুরাবায়ার বাসিন্দা।
একজন শিক্ষক লিখেছিলেন - তার এক ছাত্রের পরিবারের কথা। তারা টিকা দেবার জন্য জাপানে যায়, ছুটি কাটাতে যায় ইউরোপে।
এই শিক্ষিকাটি এখন এ নিযে একটি বই লিখছেন, এবং কথা হচ্ছে যে এর ওপর একটি সিনেমাও তৈরি হতে পারে।
সম্প্রতি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে খবর বেরোয় যে সুরাবায়ায় একটি বিয়েত দেশ বিদেশ থেকে আসা অতিথিদের জন্য একটা ড্র-এর ব্যবস্থা ছিল - যার প্রথম পুরস্কার ছিল একটি জাগুয়ার স্পোর্টস কার।
গত দু'দশকে ইন্দোনেশিয়ার দারিদ্র্যের হার ব্যাপকভাবে কমেছে। দেশটির আছে ব্যাপক প্রাকৃতিক সম্পদ - কাঠ, পাম অয়েল, কয়লা, সোনা, এবং তামা। তার সাথে সমন্বয় হয়েছে নিম্ন করহার এবং শিথিল শ্রম আইনের।
দেশটিতে এখন প্রতি পাঁচজনের একজন হচ্ছেন উচ্চ মধ্যবিত্ত। এদের বাস বিশেষ করে দেশের পশ্চিমাংশে। তারা মাত্র এক প্রজন্মের মধ্যে এমন অর্থবিত্তের মালিক হয়েছে - যা তাদের বাবা-মায়েরা কল্পনাও করতে পারতেন না।
তাই হয়তো তারা মনে করেন, সেই অর্থ দেখিয়ে বেড়ানোটা খুবই স্বাভাবিক এবং এমনকি 'প্রয়োজনীয়।'
বলাবাহুল্য ইন্দোনেশিয়ায় সবার জীবন কাহিনি এমন নয়। কিন্তু যারা গরিব - তাদের বেলায়ও বলা কঠিন যে তাদের পরের প্রজন্ম কি ভাবে বেড়ে উঠবে ।
সুত্রঃবিবিসি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ▼ 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
