Thursday, July 5, 2018
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: চীন চায় দ্রুত প্রক্রিয়া বাংলাদেশের চাওয়া সুষ্ঠু পরিবেশ by মিজানুর রহমান

বাংলাদেশ ও বিশ্ববাসী তা-ই চায়। এমনকি রোহিঙ্গারা, যারা যাবে তারাও নিরাপত্তার গ্যারান্টি এবং অধিকারের নিশ্চয়তা না পেলে যাওয়ার জন্য রাজি হবে না। তাদের তো জোর করে পাঠানো যাবে না মন্তব্য করে এক কর্মকর্তা বলেন- বাংলাদেশ চীনের পরামর্শ, তাগিদ ও প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে আমলে নিয়েছে। তবে সেই সঙ্গে দরকষাকষিও চলছে। চীনের পরামর্শেই বহুপক্ষীয় উদ্যোগ থেকে সরে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সই করেছে বাংলাদেশ। এটি রাজনৈতিক সিদ্ধান্তেই হয়েছে। যদিও এ নিয়ে পেশাদার কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের পর্যবেক্ষণ ও ভিন্ন বক্তব্য ছিল। এখন সেই চুক্তি মতেই পরবর্তী কার্যক্রম এগিয়ে নিতে চায় বাংলাদেশ। এতে প্রক্রিয়ায় কিছুটা দেরি হলেও টেকসই প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতেই মনোযোগ ঢাকার। অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশের এখানে কিছুই চাওয়ার নেই। আমরা কামনা করতে পারি আর তাগিদ দিতে পারি। কারণ, প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের যদি সদিচ্ছা থাকে তাহলে তারা চুক্তির শর্ত মতে রাখাইনে আদি রোহিঙ্গা এলাকায় অথবা তাদের পছন্দের জায়গায় তারা বাড়িঘর তৈরিসহ ফিরে যেতে প্রস্তুত বাস্তুচ্যুতদের জন্য নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ এবং বসবাসের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করুক। চুক্তিতে এ নিয়ে মিয়ানমারের স্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়ন হওয়ার পর অন্তত অবকাঠামো দৃশ্যমান হওয়ার এবং রাজনৈতিক পর্যায় থেকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি পেলেই রোহিঙ্গারা যেতে রাজি হবে। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করার বিষয়ে চীনের তাগিদ ও মধ্যস্থতা প্রস্তাব প্রশ্নে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি জানিয়ে সেগুনবাগিচার দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা গতকাল মানবজমিনকে বলেন, চীন যেমন চায় আমরাও চাই প্রত্যাবাসন দ্রুত শুরু করতে। কিন্তু সংকট হচ্ছে রাখাইনে এখনও রোহিঙ্গাদের বসবাসের অনুকূল পরিবেশ তৈরির কোনো তথ্য মিয়ানমার শেয়ার করেনি। মিয়ানমার প্রায়ই বলে তারা যাচাইকৃতদের গ্রহণে প্রস্তুত।
বাংলাদেশ তাদের ফেরত পাঠাচ্ছে না। এটা ইয়াংগুনের স্ট্যান্ডবাজি। আদৌ তারা তাদের গ্রহণে প্রস্তুত কি না- এ নিয়ে কেবল বাংলাদেশ নয়, গোটা দুনিয়ার যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলীর সদ্য সমাপ্ত (২৮-৩০শে জুন) চীন সফরে সঙ্গে থাকা এক কর্মকর্তা এ প্রতিবেদককে বলেন, বেইজিংয়ে গত ২৯শে জুন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে চীনের সহায়তা চাওয়া এবং পাওয়ার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সফরের আগে ঢাকায় আসা চীনের বিশেষ দূত সান গোসিয়াং প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুততর করার কথা বলেছিলেন। মন্ত্রী ওয়াং ই ও তা-ই বলেছেন। সেখানে মিয়ানমারের ভাষ্য বা প্রচারণা যে তারা যাচাই-বাছাইকৃতদের গ্রহণে প্রস্তুত সেটি জানিয়ে চীনের প্রতিনিধিরা বলেন, প্রথম ব্যাচ পাঠানোর পর কোনো জটিলতা হলে তা নিরসন সহজ হবে। প্রয়োজনে আমরাও মিয়ানমারের সঙ্গে কথা বলবো। আগে শুরু হোক। সেখানে তাৎক্ষণিকভাবে বাংলাদেশের তরফে চুক্তি অনুযায়ী ফেরত যাওয়ার আগে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা ও বসবাসের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশ চাইছে, আগে পরিবেশ নিশ্চিত হোক- পরে প্রত্যাবাসন শুরু করতে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেহরক্ষী ছাড়াই চলবেন মেক্সিকোর নতুন প্রেসিডেন্ট
![]() |
| মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট আন্দ্রেজ ম্যানুয়েল লোপেজ ওবরাডোর |
১ জুলাই রবিবার অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ৫৩ শতাংশ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আমলো। তার প্রাপ্ত ভোট নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর দ্বিগুণ। রাষ্ট্রীয় পরিসংখ্যানেই ২০১৭ সালে মেক্সিকোতে ২৫ হাজারেরও বেশি খুনের ঘটনা লিপিবদ্ধ হয়েছে। চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে গত বছরের তুলনায় খুনের হার বেড়েছে ১৫ শতাংশ। নিবার্চনি প্রচারণার কালে, প্রার্থী আর সরকারি কর্মকর্তাসহ ২০০ দিনেরও কম সময়ের মধ্যে ১৩০ জনেরও বেশি নিহত হয়েছে। এই পরিস্থিতি সত্ত্বেও সামরিক বাহিনীর দেওয়া নিরাপত্তা প্রত্যাখান করেছেন আমলো।
বর্তমান প্রেসিডেন্ট এনরিক পেনা নিয়েটোর সঙ্গে রাষ্ট্রীয় দফতর ন্যাশনাল প্যালেসে এক বৈঠকের সময়ে আমলো নিরাপত্তা নিতে অস্বীকৃতি জানান। বৈঠক শেষে বেরিয়ে একটি ভক্সওয়াগন জেট্টা গাড়ির সামনের সিটে বসে চলে যান সদ্য নির্বাচিত এই প্রেসিডেন্ট । ল্যাটিন আমেরিকাভিত্তিক সংবাদমাধ্যম টেলিসুর জানিয়েছে, সে সময় তার চারপাশে সমর্থকদের দেখা গেলেও কোন দেহরক্ষীকে চোখে পড়েনি। বর্তমান প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠক শেষে লোপেজ ওবরাদোর বলেন, ‘সত্যিকার আর গভীর এক পরিবর্তন হতে যাচ্ছে। এটা হবে মৌলিক এক পরিবর্তন তবে কারও ভয় পাওয়ার কিছু নেই।’
এক মিছিল থেকে জনগণের উদ্দেশে আমলো বলেন, প্রেসিডেন্সিয়াল জেনারেল স্টাফদের সেবা আমি ব্যবহার করবো না, আমি দেহরক্ষী পরিবেষ্টিতও থাকবো না। যারা ন্যায়বিচারের জন্য লড়াই করে তাদের ভয় পাওয়ার কিছু নেই... জনগন আমাকে রক্ষা করবে। তার প্রশাসনের অগ্রাধিকার পাওয়া কাজের পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে, তরুণদের জন্য বৃত্তি আর বয়স্কদের জন্য অবসর সুবিধা প্রদান আর আগের সম্পাদিত তেল চুক্তিগুলোর পর্যালোচনা। প্রস্তাবিত পরিবর্তনগুলির মধ্যে একটি হলো নিরাপত্তা। যার মধ্যে রয়েছে প্রশিক্ষণ ও পেশাদারীকরণের মাধ্যমে পুলিশের আধুনিকায়ন। এর মাধ্যমে রাস্তা থেকে সামরিক বাহিনীকে অপসারণের প্রস্তাব রয়েছে তার পরিকল্পনায়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন কৌশলে জামায়াতমুক্ত হবে বিএনপি by সালমান তারেক শাকিল

আগামী দিনে বাংলাদেশের ক্ষমতাপ্রত্যাশী এমন প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সব দলকে একমঞ্চে আনতে আগ্রহী বিএনপি। এ কারণে সম্ভাব্য এই ঐক্যের পথে ‘বাধা’ জামায়াতের সঙ্গে বিদ্যমান সম্পর্ক যেকোনও কৌশলে নিষ্পত্তি করতে চান দলটির নীতি-নির্ধারকরা। তবে কোন পদ্ধতিতে দীর্ঘদিনের সঙ্গীকে দূরে রাখা হবে, এর পরিকল্পনা ও গ্রাউন্ড ওয়ার্ক তৈরি করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে সিলেট সিটি করপোরেশন নির্বাচনে দুই দলের পৃথক প্রার্থী ঘোষণার মধ্য দিয়ে এ প্রক্রিয়া সামনে এসেছে। ঐক্যে আগ্রহী দলগুলো প্রকাশ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, জামায়াতকে পাশে রেখে বিএনপির সঙ্গে কোনও ঐক্য নয়। আর বিএনপিও এই ঐক্যের বিকল্প দেখছে না।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন প্রভাবশালী সদস্য বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সিলেটে যদি তারা প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করে, তাহলে আমি কনভিন্স যে, জামায়াত আসলেই আমাদের যোগ্য বন্ধু না।’
এ প্রসঙ্গে জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কী কারণে, কোন পরিস্থিতিতে সিলেটে প্রার্থী রেখেছি, সেটা বিএনপির কাছে পরিষ্কার করেছি। ১২ জন মেয়রের একটি পদেও আমরা নির্বাচন আমরা করবো না এত বড় দল হয়ে। স্থানীয় সরকারে জোটবদ্ধতার ব্যাপারে কোনও বাধ্যবাধকতাও নেই। আমরা পরিষ্কার করেছি, আমাদের প্রার্থী সিলেটে থাকবে।’
বিএনপির সঙ্গে ঐক্যে আগ্রহী যুক্তফ্রন্টের সমন্বয়ক ও নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জামায়াতকে নিয়ে সবার আপত্তি আছে। জামায়াত আলাদা থাকবে, তাদের জোটেই থাকতে হবে, এটার তো দরকার নেই। তারা যদি মনে করে, তাদেরই জোট দরকার, তাহলে জামায়াতকে অ্যাডজাস্ট করেই জোটটা করতে হবে। জামায়াতকে সঙ্গে নিয়ে আসলে তো হবে না।’
জাতীয়তাবাদী ঘরানার বুদ্ধিজীবী অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ মনে করেন, ‘জামায়াত সরে যাবে, আশা করি। আমি নেতাদের সঙ্গে কথা বলবো। তারা না গেলে জাতীয় ঐক্য হবে না। এটা খুব দরকার।’
বিএনপির নেতারা গত ১৮ বছরের রাজনীতির মূল্যায়ন শুরু করেছেন। বিশেষ করে ১৯৯৯ সালে চারদলীয় জোট গঠনের পর ২০০১ সালে সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে জামায়াতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় বিএনপি। নেতাদের ভাষ্য, জামায়াতের শীর্ষ দুই নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ মন্ত্রিসভার সদস্য হন। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া ৫ জনের কিচেন কেবিনেটে যুক্ত করেন জামায়াতের এই দুজনকেই। তৎকালীন মহাসচিব আবদুল মান্নান ভুঁইয়াকে গণভবনের ড্রইংরুমে অপেক্ষাধীন থাকতে হলেও মুজাহিদকে নিয়ে একান্তে বৈঠক করেছেন খালেদা জিয়া। মন্ত্রী হলেও এই দুই জামায়াত নেতা জাতীয় দিবসগুলোয় যাননি জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা একুশে ফেব্রুয়ারিতে শহীদ মিনারে।
জামায়াত সঙ্গের প্রভাব পড়ে বিএনপির রাজনীতিতেও। ৯১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া ও ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে তারেক রহমান গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করলেও ধীরে-ধীরে রাজনৈতিক সহানুভূতিপূর্ণ অবস্থান পাল্টাতে থাকে বিএনপির।
বর্তমানে বিএনপির ইশতেহার নিয়ে কাজ করা একজন বিএনপিপন্থী গবেষক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চারদলীয় জোট সরকারের সময়ে চট্টগ্রামে জেটিতে দশ ট্রাক অস্ত্র পাওয়া গেছে। ওই সময়ে শিল্পমন্ত্রী ছিলেন নিজামী। বাংলা ভাইয়ের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে একটি পরামর্শ আসে তৎকালীন বিএনপির সরকারের কাছে। ওই সময়ে মন্ত্রী আমিনুল হক, আলী আহসান মোহামম্মদ মোজাহিদ ও রুহুল কুদ্দুছ তালুকদার দুলুকে সরিয়ে দেওয়ার অনুরোধ এলেও তা গুরুত্ব দেননি খালেদা জিয়া।’
বিএনপির আগামী দিনের কর্মপরিকল্পনা ও ইশতেহারের কাজে যুক্ত একাধিক দায়িত্বশীল জানান, পশ্চিমা দেশগুলোতে জামায়াতের নেতিবাচক প্রচারণা আছে। কয়েকবার জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ছাত্র শিবিরকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে বিভিন্ন পশ্চিমা সংগঠন।
বর্তমান দলীয় কৌশল নিয়ে কাজ করছেন সিনিয়র এমন এক নেতার ভাষ্য, বিএনপিকে অতীতের চেয়ে আরও উদারপন্থী ও আরও প্রগতিশীল পন্থা অবলম্বন করতে হবে। বিশেষ করে বর্তমান দুনিয়ার বাস্তবতায় জামায়াতের মতো ধর্মভিত্তিক দলকে সঙ্গে রাখলে নির্বাচনকেন্দ্রিক সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে না।
বিএনপির নেতাকর্মী ও বিএনপিন্থী বুদ্ধিজীবীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিএনপি চায় জামায়াতমুক্ত হতে। গত প্রায় দুই যুগের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করে রাজনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পরিমাণই বেশি। এক্ষেত্রে আগামী জাতীয় নির্বাচনের আগে জামায়াত বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসা জরুরি। বিশেষ করে হাইকোর্টের রায়ে নিবন্ধনহারা, ইসির নিবন্ধন স্থগিত থাকা দলটিকে রেখে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা প্রায় অসম্ভব। আর এ কারণে জামায়াতকে ছাড়তে চায় বিএনপি।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সরাসরি ঘোষণা দিয়ে জামায়াতকে সরাতে চায় না বিএনপি। এমনকি জামায়াতও নিজে থেকে সরতে অনাগ্রহী। জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা চাইছে বিএনপিই তাদের ‘না’ বলুক। অন্যদিকে বিএনপির প্রত্যাশা, ধীরে-ধীরে এই সম্পর্ক উষ্ণতা হারাক। এ কারণে চারপাশে পরিবেশ তৈরি করতে চান বিএনপির নীতি-নির্ধারকরা।
জামায়াতের প্রভাবশালী নায়েবে আমির মিয়া গোলাম পরওয়ারের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জাতীয় ঐক্যে জামায়াত সমস্যা, এমন কোনও আলোচনা আমাদের কাছে আসেনি। তবে জোট তো একাধিক হতেই পারে। আমরা দেখছি, ২০ দলীয় জোট যেমন আছে, যারা হয়তো আদর্শিক কারণে যুক্ত। আমরাও আদর্শিক কারণে সবার সঙ্গে জোট করতে পারি না। এমন দৃষ্টিভঙ্গি তো আমাদেরও থাকতে পারে। এরকম বিভিন্ন দলের অধিকার আছে, তারা সমমনা দল-তিনদল, পাঁচ দল, সাত দল। কাজেই একাধিক জোট হতে পারে।’
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, ‘আবার এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সেই জোটগুলোর মধ্যে যদি একটা দফার বিষয়ে একমত থাকে, তাহলে জোটে-জোটে লিয়াঁজো হয়ে তো আন্দোলন হতে পারে।’
বিএনপির নেতারাও মনে করেন, জামায়াতকে ধরে রাখার পেছনে খালেদা জিয়াই অন্যতম কারণ। এছাড়া দলের স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য, জামায়াতপন্থী একজন সাংবাদিক, একজন সাংবাদিক নেতার ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে ২০০৮ সালে ওই সাংবাদিকের পত্রিকা থেকেই বিএনপির প্রার্থীদের তালিকা তৈরি করা হয়েছিল। ফলে, খালেদা জিয়াকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলবেন, নাকি জামায়াতকে রেখে বাকিদের দূরে ঠেলবেন। আর ওই সাংবাদিক নেতাই ১৫ আগস্টে খালেদা জিয়াকে কেক কাটতে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন মির্জা আব্বাসের মাধ্যমে।
এ বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তিনি (খালেদা জিয়া) শেষের দিকে ছেড়ে দিয়েছিলেন, পক্ষ নেননি। আর তিনি চাইতেন একটা ইলেক্টোরাল অ্যালায়েন্স হতে পারে। এই ঐক্য আওয়ামী লীগের সঙ্গে জাসদের হয়েছে, অন্যদেরও হচ্ছে। তাদের সঙ্গে ইলেক্টোরাল অ্যালায়েন্স বলতে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে যাবে, বিএনপির স্বার্থ দেখবে না, এটা হবে না। খালেদা জিয়া ওইভাবেই দেখেছিলেন। আদর্শিক ভিত্তিতে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির কোনও সম্পর্ক নেই।’
জামায়াতের পক্ষাবলম্বনকারী স্থায়ী কমিটির প্রবীণ এক সদস্যের সঙ্গে হয় বাংলা ট্রিবিউনের। তিনি বলেন, , ‘জামায়াতের পক্ষে কেবল খালেদা জিয়া আর আমি আছি। ১৯৯১ সালে সরকার গঠন করার আগে জামায়াত রাষ্ট্রপতির কাছে গিয়ে বিএনপিকে সমর্থনের বিষয়ে বলে এসেছিল। ওই সময় থেকেই বিএনপির উইকনেস তৈরি হয়েছে। কিন্তু জামায়াতের অ্যাডভানটেস নিয়েছে বেশি। আর সিলেটে যদি তারা মেয়র প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করে তাহলে আমি তো বুঝবো, তারা আসলেই বিএনপির বিরুদ্ধে। এটা নেত্রীও বুঝবেন।’
জামায়াতসঙ্গ থাকার উপকারিতা প্রসঙ্গে এই নেতার মূল্যায়ন, ‘জামায়াত সঙ্গে থাকলে বিএনপি ৪ সিট পাবে, না থাকলে ৩টি। এই পার্থক্য।’ এছাড়া দু’টি কারণে জামায়াতের সঙ্গে বিএনপির সম্পর্ক কমিয়ে আনার পক্ষে এই নেতা। তিনি বলেন, ‘প্রথমত তাদের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতার অভিযোগ আছে। দ্বিতীয়ত, দলের অনেকে তাদের নিয়ে হ্যাপি না। তারা যা করছে এবং করেছে, তাদের নিয়ে যথেষ্ট আপত্তি আছে।’
যদিও চেয়ারপারসন কার্যালয়ের প্রভাবশালী একটি সূত্র বলছে, জামায়াত আরও ছয়মাস আগেই বিএনপিকে এই প্রস্তাব দিয়ে রেখেছে যে, ঐক্যের খাতিরে তাদের প্রয়োজনে দূরে ঠেলতে পারে। এক্ষেত্রে যৌক্তিক বোঝাপড়ায় উন্নীত হতে হবে দল দু’টিকে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার সদস্য বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে আলাদা হলেও বোঝাপড়া ঠিক হতে হবে। বিএনপি কত আসনে ছাড় দেবে, কত আসনে আমরা ছাড় দেব ইত্যাদি বিষয় পরিষ্কার থাকতে হবে।’
জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘জামায়াতকে নেন বা না নেন, আগে ঐক্যটা জরুরি। ঐক্যটা আগে হোক। ঐক্যে কে লিড দেবে, কে সমন্বয় করবে, এই বিষয়গুলো হলে ঐক্যটা হবে। বি চৌধুরী, ড. কামাল হোসেনসহ অনেকেই ইতিবাচক। ফলে, জামায়াত নিয়ে ভাবনার কিছু নেই।’
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে -নির্যাতনের প্রতিবাদে মানববন্ধনে বক্তারা

এরকম একটি সময়ে আমরা আশ্চর্য হয়ে দেখি একটি আন্দোলন একটি দাবি এবং যে দাবির যৌক্তিকতা শুধু আজকে নয়, বহুদিন ধরে বলা হচ্ছে। অথচ তাদের দাবি পূরণ না করে এই আন্দোলনকে দমন করতে ছাত্রলীগ দিয়ে এসব শিক্ষার্থীর উপর যে নৃশংস বর্বর আক্রমণ চালানো হলো, এর কোনো ব্যাখ্যা আমার কাছে নেই। তিনি বলেন, এই ঘটনা শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নয়, অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও ঘটেছে। চোখের সামনে এই ধরনের বর্বর আক্রমণ চলছে তাতে উদ্বিগ্ন হয়েই অভিভাবক কিছু মানুষ মঙ্গলবার প্রেস ক্লাবে দাঁড়িয়েছিলেন। তাদেরকে সেখানে দাঁড়াতে দেয়া হয়নি। শুধু তাই না অধ্যাপক ফাহমিদুল হককেও লাঞ্ছিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রত্যেকটি নাগরিকের উদ্বেগ প্রকাশ করার অধিকার আছে। কিন্তু এই উদ্বেগ প্রকাশ করতে গিয়ে তাদের কিভাবে নির্যাতন ও লাঞ্ছনা করা হয়েছে। তিনি অত্যাচার-নির্যাতনের তদন্ত দাবি করে বিচার দাবি করেন। অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. রুশাদ ফরিদী বলেন, আমি গত কয়েকদিন ধরে মানসিকভাবে অস্বস্তি বোধ করছি। এটা কেমন বিশ্ববিদ্যালয়, এই বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমরা গর্ব করি। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের পিটিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। তারপর তাকে বিনা অপরাধে রিমান্ডে নিয়ে যাচ্ছে। আজ এখানে অনেকের ইচ্ছা থাকলেও আসতে পারেননি। এটা এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে। এই মৃত্যুপুরীর অবসান কে ঘটাবে। ঢাবির এ অধ্যাপক আরো বলেন, এখন আর কোনো সময় নেই। দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। যে কয়জন আসুক তাদের নিয়ে দাঁড়িয়ে পরতে হবে। আমরা এখন বিপর্যয়ের মুখে। এখন আর মানববন্ধন বিবৃতির সময় নেই। এখন আমাদের সরাসরি কর্মসূচিতে যেতে হবে। একজন হোক দু’জন হোক তাদের নিয়ে মাঠে থাকতে হবে। মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাহমিদুল হক, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তানযীম উদ্দিন খান, সহযোগী অধ্যাপক ড. সামিনা লুৎফা প্রমুখ।
শিক্ষক লাঞ্ছনার নিন্দা বিএনপি জামায়াতপন্থি শিক্ষকদের: কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার প্রতিবাদ করতে গিয়ে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ফাহমিদুল হক যেভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন তা কোনো সভ্য সমাজে কল্পনাও করা যায় না বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপি-জামায়াতপন্থি সাদা দলের শিক্ষকরা। সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. আখতার হোসেন খান স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, জাতীয় দৈনিকের পাতাজুড়ে প্রকাশিত লাঞ্ছনার ছবি দেখে আমরা স্তম্ভিত, বাকরুদ্ধ এবং ক্ষুব্ধ। আইনের পোশাক পরিহিতদের কাছ থেকে এ ধরনের আচরণ অনাকাঙ্ক্ষিত, অনভিপ্রেত এবং নিন্দনীয়। যারা এ কাজটি করেছেন তারাও কোনো না কোনো শিক্ষকের ছাত্র ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন অধ্যাপকের কোমরের বেল্ট খামছে ধরে টানাহেঁচড়া করার চিত্র তাদের বিবেককে কি একবারও নাড়া দেয় না? জাতি হিসেবে এ ঘটনা আমাদের জন্য চরম লজ্জাজনক। অধ্যাপক ফাহমিদুল হকের সঙ্গে যে অশোভন আচরণ করা হয়েছে আমরা তার তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং দোষীদের শাস্তি দাবি করছি।
ছাত্রলীগের বিচার চায় ছাত্রজোট: কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় গত কয়েকদিনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলার বিচার ও দোষীদের গ্রেপ্তার দাবি করেছে প্রগতিশীল ছাত্রজোট। দাবি আদায়ে কর্মসূচিও ঘোষণা করেছে তারা। গতকাল দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করে ছাত্রজোট। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জি এম জিলানী শুভ বলেন, গত ৩০শে জুন থেকে ৩রা জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আন্দোলনকারীদের ওপর ছাত্রলীগ হামলা-আক্রমণ করেছে। একই সঙ্গে পুলিশের হয়রানি, গ্রেপ্তার ও ৫৪ ধারায় তুলে নিয়ে যাওয়ারও ঘটনা ঘটেছে। এই রকম চরম দমনমূলক পরিস্থিতিতে আমরা উদ্বেগ প্রকাশ করছি। তিনি বলেন, ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসগুলোতে লাঠিসোটা, রড, চাপাতি দিয়ে শিক্ষার্থীদের ওপর শারীরিক আক্রমণ-নিপীড়ন মারপিট করে শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশ নষ্ট করে চলেছে। তারা মত প্রকাশের সাংবিধানিক স্বাধীনতার ওপর আক্রমণ করে আইনত শাস্তিযোগ্য অপরাধ করে চলেছে। কিন্তু প্রশাসন নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করে চলেছে ও হামলাকারীদের পক্ষেই সাফাই গাইছে যা প্রশাসনের মেরুদণ্ডহীন দলীয় দাসত্বের পরিচয়কে স্পষ্ট করে।
সংবাদ সম্মেলন থেকে প্রগতিশীল ছাত্র জোট পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করে। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে- ৮ জুলাই সন্ত্রাস ও দখলদারিত্ব বন্ধ ও শিক্ষার গণতান্ত্রিক পরিবেশের দাবিতে বেলা ১২টায় কেন্দ্রীয়ভাবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসিকে স্মারকলিপি ও সারা দেশের বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের ভিসি-অধ্যক্ষ বরারব স্মারকলিপি প্রদান, ১২ই জুলাই মশাল মিছিল, ১৫ই জুলাই কোটা সংস্কারের প্রজ্ঞাপন জারির দাবিতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান। সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন প্রগতিশীল ছাত্র জোটের সমন্বয়ক গোলাম মোস্তফা, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সভাপতি নাঈমা খালেদ মনিকা, সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রিন্স, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি জিএম জিলানী শুভ, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সভাপতি ইকবাল কবীর, ছাত্র ঐক্য ফোরামের যুগ্ম আহ্বায়ক সরকার আল ইমরান প্রমুখ।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী কারণে রাইফার মৃত্যু? by হুমায়ুন মাসুদ

চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত ওই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দীর্ঘদিন ধরে শিশুরোগ নিয়ে কাজ করছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘চিকিৎসা শাস্ত্রের নিয়ম মেনে রাইফাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, যে কারণে অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে শিশুটিকে।’ বিএমএ নেতাদের রোষানলে পড়বেন এই ভয়ে তিনি নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি।
রাইফার পরিবারের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ম্যাক্স হাসপাতালে রাইফাকে চিকিৎসক যে ধরনের চিকিৎসা প্রেসক্রাইব করেছেন তাতে ইনটিউবেশনের কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি। উল্টো সেখানে ‘রফেসিন’ নামে অ্যান্টিবায়েটিক ইনজেকশনটি বারবার দেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ঢাকায় কর্মরত একটি সরকারি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রোগীর যতক্ষণ প্রয়োজন না হয় ততক্ষণ পর্যন্ত চিকিৎসক ইনটিউবেশন প্রেসক্রাইব করেন না। তবে সাধারণত অসুস্থ শিশুকে সুস্থ করার জন্য অ্যান্টিবায়েটিক দিয়েই চিকিৎসা চালিয়ে যান। রোগীর কাছে উপস্থিত চিকিৎসকই একমাত্র বলতে পারেন রোগীর কখন ইনটিউবেশন লাগবে। যদি চিকিৎসক দেখেন টিউব না লাগালে রোগীর জিহ্বা কেটে যেতে পারে এবং তার শ্বাস নিতে খুব কষ্ট হচ্ছে তখন ইনটিউবেশন সাজেস্ট করেন। তবে এই শিশুর ক্ষেত্রে ঠিক কী ঘটেছিল আমি তা বলতে পারবো না।’
এ সম্পর্কে জানতে রাইফাকে চিকিৎসা দেওয়া ডাক্তার বিধান রায় চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। দায়িত্বরত ডাক্তার দেবাশিষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি মন্তব্য করতে রাজি হননি।
সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী বাংলা ট্র্রিবিউনকে বলেন, ‘ঘটনার পর বিএমএ চট্টগ্রাম শাখা ও সাংবাদিকদের যৌথ বৈঠকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিতে আমাকে রাখা হয়েছে তাই এ বিষয়ে আমি এই মুহূর্তে কিছু বলতে পারবো না। এ বিষয়ে আমার কমেন্ট করা উচিত হবে না।’
স্বরতন্ত্র ও শ্বাসনালীতে ব্যথা নিয়ে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল রাফিদা খান রাইফাকে। চিকিৎসা শাস্ত্রে এই রোগটিকে সিআরওইউপি (CROUP) বলা হয়ে থাকে। এখানে সি (C) দিয়ে কফ, আর (R)দিয়ে রেস্টলেসনেস, ও (O) দিয়ে আউট অফ ব্রেথিং, ইউ (U) দিয়ে আনইউজাল সাউন্ড এবং পি (P) দিয়ে পেইন অ্যান্ড পাইরেটিককে বোঝানো হয়েছে। সাধারণত এই রোগটি হলে একজন রোগী এসব জটিলতায় ভোগেন। রাইফাও এসব জটিলতায় ভুগছিল। চিকিৎসাশাস্ত্র মেনে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হলে হয়তো আড়াই বছর বয়সী এই শিশুটি বেঁচে যেতো। কিন্তু ডাক্তারদের ভুল চিকিৎসায় অকালে প্রাণ দিতে হয়েছে এই শিশুটিকে।
চিকিৎসা সর্ম্পকিত ওয়েবসাইট ‘মাইও ক্লিনিক’ (MAYO CLINIC)-এ বলা হয়েছে, ৬ মাস থেকে ৬ বছর পর্যন্ত শিশুরা এই রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। স্বাভাবিক প্রদাহের ক্ষেত্রে বাসায় রেখে পরিচর্যার মাধ্যমে শিশুটি সেরে ওঠে। কিন্তু রোগটি যখন খারাপ রূপ ধারণ করে তখন শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। নির্ধারিত চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি এসময় শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখার জন্য আক্রান্ত শিশুটিকে অস্থায়ী ব্রিদিং টিউব ইনটিউবেশন করতে হয়।
চিকিৎসাশাস্ত্রে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখতে ইনটিউবেশনের কথা থাকলেও খোঁজ নিয়ে জানা গেছে রাইফাকে এনআইসিইউতে রেখে ইনটিউবেশন করা হয়নি। উল্টো খুব বেশি প্রয়োজন না হলে অ্যান্টিবায়েটিক ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে বলা হলেও রাইফাকে দু’দফায় অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেওয়া হয়েছে। এসব কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তার পরিবারের।
সাংবাদিক রুবেল খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘গলা ব্যথা ও জ্বরের কারণে আমার মেয়েকে বৃহস্পতিবার বিকালে ম্যাক্স হাসপাতালে ভর্তি করাই। সে শিশু বিশেষজ্ঞ ডা. বিধান রায় চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে ছিল। বৃহস্পতিবার রাতে দায়িত্বরত চিকিৎসক আমার মেয়েকে বেবি স্যালাইন দেওয়ার পাশাপাশি একটি অ্যান্টিবায়োটিক ইনজেকশন দেন। ওই ইনজেকশনটি পুশ করার পর তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। ব্যাপারটি দায়িত্বরত চিকিৎসককে জানালে তিনি এই ওষুধ দিতে হবে বলে জানান এবং বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন।’
রুবেল খান বলেন, ‘শুক্রবার দিনভর আমার মেয়ে হাসিখুশি ছিল। কিন্তু রাতে আবারও আমার মেয়েকে একই ওষুধ দেওয়া হয়। এরপর তার খিঁচুনি শুরু হয়। এতে আমার মেয়ের শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে যায়। এক পর্যায়ে তার মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক দেবাশীষ এসে রাইফাকে সেডিল ইনজেকশন দেন। কিছুক্ষণ পর আমার মেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।’
রুবেল খান বলেন, ‘খিঁচুনি শুরুর এক ঘণ্টা পর আমার মেয়েকে সেডিল ইনজেকশন দেওয়া হয়। কিন্তু, এই এক ঘণ্টার মধ্যে চিকিৎসকরা অন্য কোনও চেষ্টা করেননি। দায়িত্বরত চিকিৎসক অবশ্যই আমার মেয়ের চিকিৎসায় অবহেলা করেছেন। আমার মেয়েকে তারা হত্যা করেছে। আমি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার চাই। যাতে আর কোনও পিতা সন্তানহারা না হন।’
রবিবার (১ জুলাই) সন্ধ্যায় স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে আসা তিন সদস্যের প্রতিনিধি দলের কাছে রাইফার চিকিৎসার বিবরণ তুলে ধরেন হাসপাতালটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাক্তার লিয়াকত আলী। ওই বৈঠকে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘তাকে (রাইফা) নিয়ম মেনে চিকিৎসক চিকিৎসা দিয়েছেন। দুর্ভাগ্যবশত তাকে বাঁচানো যায়নি।’
এসময় কী ধরনের চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে সাংবাদিকরা জানতে চাইলে কোনও সঠিক তথ্য তুলে ধরতে পারেননি তিনি। পরে এক পর্যায়ে তদন্ত করে দায়িত্বরত চিকিৎসকদের বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্ধ হলো ২০২ মাদরাসা, তালিকায় আরো আড়াই শতাধিক by নূর মোহাম্মদ

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, একই অভিযোগে বন্ধের তালিকায় আছে আরো আড়াই শতাধিক মাদরাসা। সরকারের এমন পদক্ষেপে বন্ধ আতঙ্ক বিরাজ করছে ভুঁইফোঁড় মাদরাসাগুলোতে। একই অভিযোগে সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা বলা হলেও এ ব্যাপারে কার্যত কোনো উদ্যোগ নেয়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তবে এ অভিযান সব স্তরের প্রতিষ্ঠানের জন্য সমানভাবে অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাদরাসা ও কারিগরি বিভাগের সচিব মো. আলমগীর মানবজমিনকে বলেন, কোনো শিক্ষার্থী থাকবে না আর বছরের পর বছর প্রতিষ্ঠান চলবে তা হতে পারে না। এ অভিযান আরো চলতে থাকবে বলেও জানান তিনি।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, যেসব প্রতিষ্ঠান বছরের পর বছর শূন্য পাস, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, শিক্ষক ও ছাত্র নেই, এসব প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তর ও ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডকে নির্দেশ দেয়া হয় শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে। এতে বলা হয়, এমপিওভুক্ত মাদরাসার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রণালয় আর নন-এমপিও প্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে শিক্ষা বোর্ড বা অধিদপ্তর। এরপর এসব মাদরাসার খোঁজ পায় মাদরাসা বোর্ড। বিভিন্ন সময় এসব প্রতিষ্ঠানের পাঠদানের অনুমতি ও একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিল ও অনলাইন পাসওয়ার্ড ইআইআইএন কেন বন্ধ করা হবে না তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়। তবে এসব মাদরাসার তালিকা দিতে বারবার গড়িমসি করে মাদরাসা বোর্ড। শেষ পর্যন্ত মন্ত্রণালয়ের তাগিদে তা দিতে বাধ্য হয় বোর্ড। অভিযোগ রয়েছে, কেন তাদের শোকজ করা হচ্ছে তার জবাব চাওয়া হয় মাদরাসা বোর্ডের কাছে। এ চিঠির ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত দেয়নি মাদরাসা শিক্ষা বোর্ড।
বন্ধ হওয়া মাদরাসাগুলো ময়মনসিংহ, চাঁপাই নবাবগঞ্জ, ঠাকুরগাঁও, জামালপুর ও কুষ্টিয়ার তিনটি করে প্রতিষ্ঠান; সিলেট, বরিশাল, পাবনা, সিরাজগঞ্জ, গাইবান্ধা, মাগুরা ও কুড়িগ্রামের দুটি করে, নরসিংদী, মাদারীপুর, কিশোরগঞ্জ, ভোলা, কুমিল্লা, চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট, বাগেরহাট, নীলফামারী, ফেনী, পিরোজপুর, বরগুনা, বি. বাড়িয়া, খুলনা, লালমনিরহাট ও রাজবাড়ীর একটি করে প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
অন্যদিকে দাখিল পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থীও পাস না করায় আরো ৯৬টি মাদরাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে গত মে মাসে। নোটিশে বলা হয়েছে, ২০১৮ সালের দাখিল পাবলিক পরীক্ষায় পাসের হার শূন্য হওয়ায় মাদরাসাগুলোর প্রাথমিক পাঠদান স্থগিত, একাডেমিক স্বীকৃতি বাতিলসহ এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশন আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (ইআইআইএন) কেন বন্ধ করা হবে না, তা চিঠি পাওয়ার ২১ দিনের (কর্মদিবস) মধ্যে জানাতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানও কারণ দর্শানোর জবাব দিয়েছে। যার বেশির ভাগই সন্তোষজনক না। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি আরো ১৮৯টি মাদরাসাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এসব প্রতিষ্ঠানও শূন্য শিক্ষার্থী ও পাস, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকাসহ এমপিও ও পাঠদানের অনুমতির শর্ত পূরণ করছে না। তবে এ ১৮৯টির মধ্যে ৯৬টি মাদরাসার বেশ কয়েকটি রয়েছে। সব মিলিয়ে আরো আড়াই শতাধিক মাদরাসা রয়েছে বন্ধের তালিকায়।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফিলিস্তিনি গ্রাম নিশ্চিহ্ন করতে চায় ইসরায়েল, উদ্বেগে বাসিন্দারা
![]() |
| ফিলিস্তিনি গ্রাম খান আল-আহমার নিশ্চিহ্ন করতে চায় ইসরায়েল |
খান আল আহমার গ্রামটি পূর্ব জেরুজালেমে কয়েকটি ইসরায়েলি স্থাপনার কাছে অবস্থিত। ওই গ্রামের মধ্য দিয়ে মৃত সাগর পর্যন্ত একটি রাস্তা চলে গেছে। অধিকারকর্মীদের আশঙ্কা এখানে ইসরায়েলি স্থাপনা নির্মাণ পশ্চিম তীরকে কার্যত দুই ভাগে ভাগ করে ফেলবে।
ইসরায়েলি মানবাধিকার গ্রুপ বি’টেসেলেম এর মুখপাত্র অমিত গিলাটজ ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেছেন, আজ তারা ধংস করে দেওয়ার মতো অবকাঠামোগত কাজ আর বাসিন্দাদের জোর করে স্থানান্তর করার কাজ নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে।
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, এই গ্রামটি আর এর স্কুলটি অবৈধভাবে বানানো হয়েছে। এটি ধংস করে ফেলার বিরুদ্ধে করা আপিল গত মে মাসে খারিজ করে দিয়েছে ইসরায়েলি সুপ্রিম কোর্ট।
তবে অধিকার কর্মীরা বলছেন, গ্রামের বাসিন্দাদের যাওয়ার মতো বিকল্প জায়গড়া নেই। ইসরায়েলের অনুমোদন ছাড়া অধিকৃত পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের অবকাঠামো নির্মাণ এক প্রকার অসম্ভব।
তবে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রামের বাসিন্দাদের জন্য বিকল্প জায়গার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। তবে বুধবারের প্রচেষ্টা সম্পর্কে তাৎক্ষণিকভাবে কোনও মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তারা।
যুক্তরাজ্যের মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক মন্ত্রী অ্যালিস্টার বার্ট গত মে মাসে গ্রামটি পরিদর্শন করে ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষকে ধৈর্য ধারণের আহ্বান জানান।
তিনি সতর্কতা দিয়ে বলেন যে, জোর করে যে কোনও স্থানচ্যুতি জাতিসংঘের জেনেভা কনভেনশনের লঙ্ঘন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিলাতে উন্মাতাল রাত

ফুটবল ভক্তরা ইংল্যান্ডের বিভিন্ন শহরে বড় পর্দায় খেলা দেখার আয়োজন করেছিল। তাদের হতাশ করেননি ফুটবলাররা। বরং অসামান্য কীর্তি গড়ে প্রত্যাশাতীত উন্মাদনায় ভাসিয়েছেন তাদেরকে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত ছবিতে দেখা যায়, ম্যানচেস্টার ও ব্রাইটন শহরে উল্লসিত ভক্তরা নেচে-গেয়ে জয় উদযাপন করছেন। আর যারা মস্কোর স্টেডিয়ামে বসে সরাসরি নিজের দেশের ফুটবলারদের গড়া কীর্তি দেখেছেন, তারা নিজেদের সৌভাগ্যবান মনে করছেন। স্পার্তাক স্টেডিয়ামে খেলা দেখতে আসা ইংলিশ সমর্থক ম্যাথু জর্দান বলেন, সাধারণত খেলা অতিরিক্ত সময়ে গড়ানোর বিষয়টি কোনো এক দলের জন্য হৃদয় বিদারক হয়ে থাকে। আর বিশ্বকাপে সবসময়ই ভাগ্য ইংল্যান্ডের বিপক্ষে থাকে। কিন্তু এবার তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। ইতিহাস গড়ে ফুটবলাররা ইংল্যান্ডের মর্যাদাকে অসমান্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এর আনন্দ ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব না। ইংল্যান্ড দলের আরেক ভক্ত ২৩ বছর বয়সী জ্যাক স্যালিসবারি। তিনি বলেন, আমার মনে হচ্ছিল, কলম্বিয়াকে গোল দেয়া সম্ভব না । আর পেনাল্টি শুটআউট ভয়ঙ্কর একটি বিষয়। জয়ের কৃতিত্ব দিতে হবে জর্দান পিকফোর্ডকে।
ইংল্যান্ডের জয় উদযাপনে পিছিয়ে নেই ফুটবলারদের স্ত্রী ও গার্লফ্রেন্ডরা। তাদের অনেকেই স্বামী বা পার্টনারের সঙ্গে মস্কোতে রয়েছেন। জয়ের পর রেবেকা ভার্ডি, রুবি মায়ে, শার্লট ত্রিপিয়ার, মেগান ডেভিসন ও ফার্ন হকিন্স তাদের উদযাপনের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। আর লন্ডনের রাস্তায় বিজয়োল্লাস করেন বিজয়ের প্রত্যক্ষ সাক্ষী হতে না পারা হাজারো ফুটবল ভক্ত। এতে বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম রাস্তায় যানজটের সৃষ্টি হয়। ফুটবল ভক্তরা রাস্তার মাঝখানে অবস্থান নিয়ে উল্লাস করতে থাকেন। এ সময় যানবাহনগুলো তাদের জন্য জায়গা ছেড়ে দেয়। কোয়ার্টার ফাইনালে শনিবার সুইডেনের মুখোমুখি হবে ইংল্যান্ড। এ জয়ের পরে ফাইনালের পূর্বে আর তেমন কঠিন প্রতিপক্ষ নেই ইংলিশদের সামনে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বড় কৌশলে ছোট চালান ইয়াবার by শেখ জাহাঙ্গীর আলম

মাদকবিরোধী অভিযানের এক মাসের মাথায়ও রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে হাজার হাজার ইয়াবা উদ্ধার করছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতর বলছে, অভিযানের ফলে মাদকের সরবরাহ ও বিক্রি কমেছে বটে, তবে মাদক কেনাবেচা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়নি। অভিযানের ফলে মাদক পাচারকারীরা অনেকটা সতর্ক হয়ে গেছে। তারা প্রতিনিয়ত কৌশল পাল্টে মাদক বেচাকেনা চালিয়ে যাচ্ছে। ইয়াবা সরবরাহ ও বিক্রির জন্য তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছে। অতীতে বিভিন্ন মৌসুমি ফলের ভেতরে ও ব্যাগে, সিলভারের পাতিলে ও কুরিয়ারের মাধ্যমে কাপড়ের ভেতরে করে ইয়াবা আনতো চোরাকারবারিরা। এখন সরবরাহকারীরা কৌশল পাল্টে ঝুঁকি নিয়ে পেটের ভেতরে ও বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে ইয়াবা আনছে।
গত ৩০ জুন রাজধানীর দক্ষিণখানের আর্মি সোসাইটি রোড এলাকার ৩১ নম্বর বাসায় অভিযান চালায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের একটি দল। সেখানে পুরো বাড়ির সবকিছু তল্লাশি করে কোথাও কোনও মাদকদ্রব্য পাওয়া যায়নি। তবে অধিদফতরের কাছে তথ্য ছিল এই বাসাটি মাদক চোরাকারবারির এবং সেখানে ইয়াবা রয়েছে। দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর অভিযানে অংশ নেওয়া দলের সদস্যরা ঘরের টেলিভিশনের পাশে স্ক্রু ড্রাইভার দেখে তাদের বুদ্ধিমত্তা কাজে লাগান। এরপর চলন্ত টেলিভিশনের পাশে থাকা মাল্টিপ্লাগের ভেতর থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করেন। এ সময় সেখানে থাকা মাদক চোরাকারবারি রাশেদুজ্জামান উজ্জলকে (৪১) গ্রেফতার করা হয়। তার গ্রামের বাড়ি যশোরের বেনাপোল থানায়। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের উত্তরা সার্কেলের পরিদর্শক মাসুদুর রহমান বাদী হয়ে দক্ষিণখান থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের ঢাকা মেট্রো (উত্তর) উপ-অঞ্চলের সহকারী পরিচালক মো. খোরশেদ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অভিযানে গিয়ে অনেক তল্লাশির পরও কোথাও মাদক পাচ্ছিলাম না। তবে টেলিভিশনের পাশে একটি স্ক্রু ড্রাইভার দেখে সন্দেহ হয়। পাশে থাকা মাল্টিপ্লাগ নাড়াতে শব্দ হয়, সেটি খুলে ভেতর থেকে ৪০০ পিস ইয়াবা পাওয়া যায়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উজ্জল ইয়াবা পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের অতিরিক্ত পরিচালক (গোয়েন্দা) মো. নজরুল ইসলাম শেখ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, মাদকবিরোধী অভিযানের ফলে মাদকের সরবরাহ ও বিক্রি কমেছে। তবে একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে সেটি বলা যাবে না। বর্তমানে মাদক পাচারকারীরা অনেকটা সতর্কতার সঙ্গে কৌশল পাল্টে মাদক বিক্রি করছে। গোপনীয়তা রক্ষা করে মাদকসেবীদের কাছে ইয়াবা পৌঁছে দেওয়ার কাজও করছে। তিনি বলেন, অভিযানের পাশাপাশি মাদকের বিরুদ্ধে ব্যাপক প্রচারণা প্রয়োজন, তা না হলে মাদক নির্মূল করা সম্ভব নয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বলছে, মাদকবিরোধী অভিযানের কারণে সারাদেশেই মাদকের সরবরাহ কমেছে। অনেক মাদক চোরাকারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আবার অনেকে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এতে মাদকের অনেক স্পট ভেঙে পড়েছে। তবে অনেকেই লোভে পড়ে নতুন নতুন কৌশলে গোপনে মাদক সরবরাহ ও বিক্রির চেষ্টা করছে। প্রতিদিনই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে মাদকসেবীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে।
গত ২৮ জুন রাজধানীর উত্তরার জসীম উদ্দিন এলাকা থেকে ১৪ হাজার ইয়াবাসহ আমান হোসেন (২২) নামের একজনকে গ্রেফতার করে র্যাব-১। তিনি একটি বাড়ির কেয়ারটেকার হিসেবে কাজ করেন। চট্টগ্রাম থেকে সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তার ঠিকানায় ১৪ হাজার ইয়াবার একটি পার্সেল আসে। ইয়াবার চালানটি আনতে গেলে তাকে আটক করা হয়। র্যাব-১ উপ-অধিনায়ক মেজর ইশতিয়াক আহম্মেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আলমগীর নামে এক ব্যক্তি পার্সেলটি গ্রেফতারকৃত আমানকে পাঠিয়েছিল। তবে আমরা অনুসন্ধান করে দেখেছি, প্রেরক আলমগীরের নাম ঠিকানা ভুয়া। তিনি বলেন, আলমগীরের ইয়াবার চালানটি সংগ্রহ করে ঢাকায় জামাল ও সুজন নামে দুই ব্যক্তির কাছে সরবরাহ করার কথা ছিল। তবে র্যাব ওই দুই ব্যক্তিকে আটকের চেষ্টা করছে।
এর আগে, গত ১২ জুন রাজধানীর পল্টনে অভিযান চালিয়ে ৫ হাজার পিস ইয়াবাসহ মোহাম্মদ আলমগীর (৩৮) নামের একজনকে গ্রেফতার করে গোয়েন্দা পুলিশ। গ্রেফতারকৃত আলমগীর কক্সবাজার থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে ঢাকার মতিঝিল, পল্টনসহ আশপাশের এলাকায় বিক্রয় করতো। এর আগের দিন অর্থাৎ ১১ জুন রাজধানীর তেজগাঁওয়ের বিজয় সরণি ক্রসিংয়ে ১ হাজার বোতল ফেনসিডিলসহ তিনজনকে গ্রেফতার ও একটি ট্রাক জব্দ করে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। গ্রেফতারকৃত কেনারুল ইসলাম ট্রাকের হেলপার ও শাহীনুর রহমান ড্রাইভার পরিচয় দেয়।
পাকস্থলীতে করে ইয়াবা ট্যাবলেট বহন করার সময় গত ১০ জুন তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সাতরাস্তা এলাকা থেকে তিনজনকে গ্রেফতার করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ১ হাজার পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃতরা সাগর কলার ভেতরে ৫০টি ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি প্যাকেট রেখে তা পানির মাধ্যমে গিলে পাকস্থলীতে ধারণ করে কক্সবাজার থেকে বিভিন্ন পরিবহনযোগে ঢাকায় আনতো। পরবর্তীতে তারা খোলা জায়গায় মলত্যাগ করে পাকস্থলী থেকে ইয়াবা ট্যাবলেটগুলো বের করতো। তারপর ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকার মাদকসেবী ও চোরাকারবারিদের কাছে বিক্রি করতো।
পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (এডিসি) মো.রহমত উল্লাহ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, অভিযানের ফলে রাজধানীতে মাদকের প্রবেশ অনেক কমেছে। তবে চোরাকারবারিরা কৌশল অবলম্বন করে মাদক পাচারের চেষ্টা করছে। আমরা তাদের রুখতে কাজ করছি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোবাইল টয়লেটের দরজায় তালা

কিন্তু এখন আর ব্যবহার করছি না। তিনি বলেন, এগুলো ব্যবহারকারী মূলত বাস এবং রিকশা শ্রমিকরা। আমাদের কাছে প্রস্রাব ৫ টাকা এবং টয়লেট ১০ টাকা বেশি হয়ে যায়। এরপর টয়লেটের ভিতরের পরিবেশ নোংরা। অনেক সময় পানি থাকে না। সাবান টিস্যু তো দূরে থাক। অথচ এগুলো থাকার কথা ছিলো। তাই এসব মোবাইল টয়লেট ব্যবহারে আমরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছি। মিরপুর ১৪ নম্বরের এ দু’টি মোবাইল টয়লেট নয়। রাজধানীর অন্য যেসব পয়েন্টে মোবাইল টয়লেট রয়েছে। সেগুলোর অবস্থাও যেনতেন। অনেক টয়লেট ব্যবহারের অনুপযোগী। আর যেগুলো ভালো সেগুলোর দরজায় তালা দেয়া পান ব্যবহারে ইচ্ছুককারীরা। অনেক গুলোর তত্ত্ববাধয়কদের কখনো দেখাই মিলে না।
গতকাল সরজমিন দেখা যায়, রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর বাস স্ট্যান্ডে দু’টি, মিরপুর আনসার ক্যাম্পে দু’টি, টেকনিক্যাল মোড়ে দু’টি, ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের সামনে একটি, মতিঝিল বিআরটিসি বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন তিনটি, নটর ডেম কলেজের বিপরীত পাশে দু’টি, প্রেস ক্লাবের পান্থকুঞ্জে দু’টি, বনানী পুলিশ ফাঁড়ির সামনে একটি, নতুন বাজার দু’টি, কমলাপুরে দু’টিসহ রাজধানীর অন্যান্য ১৯টি স্পটে মোট ৩৪টি মোবাইল টয়লেট রয়েছে। এরমধ্যে মিরপুর টেকনিক্যাল মোড়ে ডায়বেটিকস সমিতির সামনের ফুটপাথে যে দু’টি মোবাইল টয়লেট রয়েছে তার একটিতে প্রায় সময় তালাবদ্ধ থাকতে দেখা যায়। আর অন্যটি খোলা থাকে। এ টয়লেট দু’টির দায়িত্ব দেয়া হয়েছে একজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে। তিনি একসময় ভিক্ষা করতেন, এখন এ দুটি পরিচালনা করে নিজের এবং সংসার বহন করেন।
ভ্রাম্যমাণ এ মোবাইল টয়লেটের প্রাথমিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের নভেম্বর মাসে। আর পূর্ণাঙ্গভাবে ২০১২ সালে ঢাকার বিভিন্ন স্পটে এ টয়লেটগুলো বাসানো হয়। বেসরকারি সংস্থা ওয়াটার এইডের আর্থিক সহায়তায় এসোসিয়েশন ফর রিয়েলাইজেশন অব বেসিক নিডস (আরবান)-এর উদ্যোগে সাড়ে চার বছর মেয়াদি এ প্রকল্পটি তখন চালু হয়। তখন প্রকল্পের আওতায় ৪৬টি মোবাইল টয়লেট তৈরি করা হয়। যারমধ্যে নগরীর বিভিন্ন স্থানে স্থাপন করা হয় ৩৬টি। বাকি ১০টি বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও সভা-সমাবেশে ব্যবহার করা হয়। যদিও বর্তামেন ৩৪টি বিভিন্ন স্পটে সচল রয়েছে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়েছে ২০১৭ সালের ৩০শে জুন। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও আরবান এগুলো সচল রাখার চেষ্টা করছে। কিন্তু অপারেটরদের কারণেই এগুলো বন্ধ থাকছে বলে মনে করছে ব্যবহারকারীরা।
আনসার ক্যাম্পে দু’টি মোবাইল টয়লেট রয়েছে। এ দু’টি ওপেন । লোকজনও আসছে বব্যহার করতে। তবে অনেকে সাবান টিস্যু না থাকার অভিযোগ তুলছেন। তবে এ টয়লেট দু’টির অপারেটর বলেন, ভিতরে সাবান টিস্যু দিলে দুই তিনজন ব্যবহারের পরেই আর পাওয়া যায় না। এ কারণে আমার রুমে এগুলো রেখে দিয়েছি যার দরকার হয় সে নিয়ে যায়।
টেকনিক্যাল ভ্রাম্যমাণ এ টয়লেটের পাশেই কথা হয় ব্যবসায়ী বাবুল হোসেনের সঙ্গে। তিনি বলেন, এসব টয়লেট পথচারী ও সাধারণ মানুষের কাছে খুব উপকারী হতে পারতো। এমনকি রাজধানীতে পাবলিক টয়লেটের যে অভাব রয়েছে সেটাও অনেকটা পূরণ হতো। কিন্তু কয়েকটিতে নোংরা পরিবেশ এবং দুর্গন্ধ হওয়ায় মানুষ টাকা দিয়ে এগুলোয় যেতে চায় না।
আনসার ক্যাম্পের এ মোবাইল টয়লেট দু’টি একজন উদ্যোক্তা নিয়ে অপারেটর দিয়ে চালাচ্ছেন। প্রতিদিন কতজন মানুষ এ টয়লেট দু’টি ব্যবহার করে তা জানতে চাইলে টয়লেটের অপারেটরের দায়িত্ব থাকা মো. রিয়াদ বলেন, যেদিন লোক কম আসে সেদিনও কমপক্ষে ৬০০ টাকা আয় হয়। আর কোনোদিন ১০০০/১২০০ টাকা আসে। এখান থেকে পানি, সাবান, টিস্যু অন্যান্য খরচ বাদে বাকি যে টাকা থাকে তা লাভ থাকে। আর মাসে ‘আরবান’কে কিস্তি হিসেবে ৭০০ টাকা করে পরিশোধ করতে হয়। রিয়াদ আরও জানান, হাসান নামে তার এক বড় ভাই রয়েছে এ টয়লেট দু’টির তত্ত্বাবধানে। যে আবার মহানগর উত্তর ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। রিয়াদ প্রতিদিন ৩০০ টাকা বেতনের বিনিময়ে কাজ করেন। তার থাকার জন্য হাসান ফুটপাথে একটি ঘর তুলে দিয়েছেন। অন্যদিকে হাসান বলেন, আরবান থেকে এ মোবাইল টয়লেট দু’টি ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে নিয়েছি। প্রতি মাসে ৭০০ টাকা হারে তাদের কিস্তি পরিশোধ করতে হয়। প্রতিদিনের খরচ ছাড়া যে টাকা থাকে সেটা আমি পাই। আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষকে যত্রতত্র স্থানে মল-মূত্র ত্যাগ করা থেকে টয়লেট ব্যবহারে অভ্যস্ত করা। এজন্য আমরা অনেক সময় কম টাকা নিয়ে থাকি।
আরবানের মোবাইল টয়লেট প্রকল্প বিভাগের কো-অর্ডিনেটর মো. শহীদুল্লাহ মজুমদার বলেন, ওয়াটার এইডের সহযোগিতায় আরবান নগরীর নিম্ন শ্রেণির মানুষদের এ টয়লেট ব্যবহারে অভ্যস্ত করার জন্য এ প্রকল্পটি চালু করেছিলো। আবার পাবলিক টয়লেটের বিকল্প হিসেবেও এ টয়লেটগুলো কাজ করছে। এ মোবাইল টয়লেটগুলো একেকজন তত্ত্ববাধায়কের কাছে ১০ হাজার ৮০০ টাকা চুক্তির মাধ্যমে হস্তান্তর করা হয়েছে। এটা একেবারে নয় প্রতিদিন ১০ টাকা হারে মাসে ৩০০ টাকা আরবানকে দিবে। আর পরিশোধ করার জন্য সময় দেয়া হয়েছিলো তিনবছর। তবে এ টয়লেটগুলা বানাতে আরবানের খরচ পড়েছে এক লাখ চল্লিশ হাজার থেকে দেড় লাখ টাকা।
তিনি আরও জানান, অন্যদিকে দুই সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ প্রস্রাব ৩ টাকা এবং পায়খানা ৫ টাকা নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছিল। আর উত্তর সিটি করপোরেশন দিয়েছে প্রস্রাব ৫ টাকা এবং পায়খানার জন্য ১০ টাকা। কিন্তু এগুলোর ব্যবহারকারী শ্রমিক শ্রেণির মানুষ হওয়ায় এত টাকা দিতে চায় না।
এ মোবাইল টয়লেটগুলো তত্ত্বাবধায়নে কাদের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে জানতে চাইলে শহীদুল্লাহ বলেন, এগুলো স্থাপন করতে আমাদের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হয়েছে। যেসব জায়গায় এগুলো বসানো হয়েছে সেখানের লোকজনের বিভিন্ন অভিযোগ, পুলিশ এবং স্থানীয় লোকজনের চাঁদার দাবিসহ সমস্যার কারণে সবগুলা সরাসরি অপারেটরকে দেয়া যায়নি। কারণ এগুলো প্রথমে প্রতিবন্ধী ও ভিক্ষুকদের দেয়া হয়েছিলো। পরে স্থানীয়রা অনেকগুলা বন্ধ করে দেয়। পরে কয়েকজন উদ্যোক্তা নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা অপারেটর দিয়ে এগুলো পরিচালনা করেন। যাতে সমস্যায় পড়তে না হয়। ভবিষ্যতে আরো টয়লেট দেয়া হলে এমন উদ্যোক্তদেরকেই দেবেন বলেও তিনি জানান।
এসব টয়লেট থেকে আরবান প্রতিদিন ১০ টাকা হারে মাসে যে ৩০০ টাকা নেন তা ইতিমধ্যে পরিশোধ হওয়ার কথা। কেননা ইতিমধ্যে এ প্রকল্পের ৬ বছর হয়ে গেছে। অন্যদিকে আবার আরবান বলছে তারা যে ১০ হাজার ৮০০ টাকা চুক্তিতে এ টয়লেটগুলো দিয়েছেন সে টাকাই এ কিস্তির মাধ্যমে দেয়ার কথা। কিন্তু তত্ত্বাবধায়ক বলছে তিনি প্রথমে ১০ হাজার টাকা জমা দিয়ে এগুলো এনেছেন। আর প্রতিমাসে আরবানকেও নাকি ৭০০ টাকা দেন। দুইজনের দুইরকমের তথ্যের কারণ সম্পর্কে নাম প্রকাশ করতে অনিচ্ছুক এক অপারেটর বলেন, আমাদের কাছ থেকে আরবানের যে লোক টাকা উঠান ওনাকেই বেশি টাকাটা দিতে হয়। তিনি এ টাকা আরবান অফিসে দেয় কিনা আমি জানি না।
এদিকে মোবাইল টয়লেটগুলো দুই সিটি কর্পোরেশনের বিভিন্ন পয়েন্টে স্থাপনে জন্য আরবান থেকে শুধু অনুমিত নিয়েই পরিচালনা করছে বলে জানান ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পরিবেশ, জলবায়ু ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সার্কেলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী জনাব ড. তারিক বিন ইউসুফ।
তবে ২০১১ সালে পরিচালিত ‘নগর গবেষণা কেন্দ্র’ নামে একটি বেসরকারি সংস্থার প্রতিবেদনে দেখা গেছে, রাজধানীতে প্রতিদিন গড়ে প্রায় ৫৫ লাখ মানুষের পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের চাহিদা রয়েছে। অথচ দুই সিটি কর্পোরেশনের রয়েছে মাত্র ৬৯টি পাবলিক টয়লেট। তার মধ্যে আবার মাত্র ৪৭টি টয়লেট ব্যবহারের উপযোগী বলে ওই গবেষণায় বলা হয়। এর মধ্যে বেশির ভাগই নারী, প্রতিবন্ধীদের ব্যবহারের উপযোগী নয়। এছাড়া নগরীতে প্রতিদিন চলাচলকারী সাধারণের ব্যবহার উপযোগী পাবলিক টয়লেটর সংখ্যাও অনেক কম। তবে সম্প্রতি রাজধানীত দুই সিটি কর্পোরেশন, ওয়াসার সহতায় অত্যাধুনিক একাধিক পাবলিক টয়লেট নির্মাণ করেছে ওয়াটার এইড। এগুলো একদিকে নারীবান্ধব আবার সকল ধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা রয়েছে।
এগুলোর সঙ্গে একটি করে নামায ঘরের ব্যবস্থাও রয়েছে। বর্তমানে ৫০ টির অধিক এ টয়লেটগুলো উভয় সিটি করপোরেশনে ১০০ টি করে নির্মাণের কথা রয়েছে। পাবলিক টয়লেটের শূন্যতা থেকেই রাজধানীতে মোবাইল টয়লেট নামিয়েছিল ওয়াটার এইড ও আরবান। নগরীতে চলাচলকারী মানুষের মাঝে যাতে করে একটু স্বস্তি ফিরে আসে। মানুষের দুর্ভোগ কিছুটা হলেও কমে যায়। প্রথমে সাড়াও মিলছিলো। কিন্তু পরবর্তীতে অধিকাংশ মোবাইল টয়লেটের অবস্থান এবং পরিবেশ ভালো না হওয়ায় মানুষকে দিচ্ছে কষ্ট। মান এবং পরিবেশ ধরে রাখতে পারেনি তত্ত্বাবধায়নকারীরা। পানির অভাব, কখনো দুর্গন্ধ কিংবা দেখা যায় তালা বন্ধ অবস্থায়। রাজধানীতে প্রতিদিন কয়েক লাখ মানুষ তাদের জীবিকার তাগিদে ঘর থেকে বের হন। কিন্তু প্রয়োজনে যখন মোবাইল টয়লেটগুলো ব্যবহার করতে যান তখনই পড়েন বিপাকে। অথচ টয়লেটগুলো সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণ এবং সঠিক স্থানে বসালে এমন দুরবস্থা সৃষ্টি হতো না।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতীক পেয়েছে ৮৬ প্রার্থী, আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় মাঠে

জেলা নির্বাচন কার্যালয়ের দেয়া তথ্য মতে, মেয়র পদে পাঁচ প্রার্থীর মধ্যে বর্তমান মেয়র (বরখাস্ত) নাগরিক কমিটির প্রার্থী সরওয়ার কামাল পেয়েছেন নারিকেল গাছ, আওয়ামী লীগের মুজিবুর রহমান পেয়েছেন নৌকা, বিএনপির রফিকুল ইসলাম পেয়েছেন ধানের শীষ, জাপার রুহুল আমিন সিকদার পেয়েছেন লাঙ্গল ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র জাহেদুর রহমান পেয়েছেন হাতপাখা।
সংরক্ষিত মহিলা ওয়ার্ড—-
(১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ড) : শাহেনা আকতার পাখি-আনারস, আয়েশা সিরাজ-টেলিফোন, হুমায়রা বেগম-অটো রিকশা, টিপু সোলতানা-চশমা ও ফাতেমা বেগম-জবাফুল পেয়েছেন।
(৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড) : ইয়াছমিন আকতার-চশমা, রেবেকা সুলতানা-আনারস, চম্পা উদ্দীন- টেলিফোন প্রতীক পেয়েছেন।
(৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড) : জাহেদা আক্তার-চশমা, জোৎস্না আক্তার-টেলিফোন, সুমা দাশ-আনারস, আয়েশা ইসলাম- বলপেন ও দ্বীপ্তি শর্মা- জবাফুল প্রতীক পেয়েছেন।
(১০, ১১ ও ১২ নম্বর ওয়ার্ড): কোহিনুর ইসলাম-আনারস, হোসেন আরা-চশমা, পারভীন আক্তার-জবাফুল ও নাছিমা আকতার বকুল-টেলিফোন প্রতীক পেয়েছেন।
অপরদিকে, সাধারণ সদস্য (কাউন্সিলর) পদে-
১নং ওয়ার্ড: রাহামত উল্লাহ-উটপাখি, মোস্তাক আহমদ-টেবিল ল্যাম্প, এস.আই.এম.আক্তার কামাল আজাদ-পাঞ্জাবী, সিকান্দর আবু জাফর-ব্ল্যাকবোর্ড) ও মো. আতিক উল্লাহ-ডালিম।
২নং ওয়ার্ড: মনির উদ্দীন-ব্ল্যাকবোর্ড, মো. জসিম উদ্দিন-টবিল ল্যাম্প, হোসাইন ইসলাম বাহাদুর-পাঞ্জাবী), মিজানুর রহমান-পানির বোতল, এম.জাফর আলম হেলালী-উটপাখি ও আবু তাহের-ডালিম পেয়েছেন।
৩নং ওয়ার্ড : মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম-উটপাখি ও মো.মাহাবুবুর রহমান চৌধুর-পাঞ্জাবী পেয়েছেন।
৪নং ওয়ার্ড : নুরুল আবছার-টিউব লাইট, আবদু গফ্ফার-টেবিলল্যাম্প, এরশাদুজ্জামান-ফাইল কেবিনেট, মো. দিদারুল ইসলাম-উটপাখি, জুনায়েদ আহমদ-ব্ল্যাকবোর্ড, মিজানুল করিম-ডালিম, আবু খালিদ-পাঞ্জাবী) ও সিরাজুল হক পানির বোতল পেয়েছেন।
৫নং ওয়ার্ড : সাইফুল ইসলাম চৌধুরী-পাঞ্জাবী), সাহাব উদ্দিন-উটপাখি), গোলাম আরিফ লিটন -টেবিলল্যাম্প ও ছালামত উল্লাহ বাবুল-ডালিম।
৬নং ওয়ার্ড : মো. ফেরদৌস চৌধুরী-ব্ল্যাকবোর্ড, ওমর ছিদ্দিক-টেবিলল্যাম্প , ফাহাদ আলী-গাজর, নাছির উদ্দিন- উটপাখি, মোশারফ আজাদ মনছুর-পাঞ্জাবী, মো. শহীদুল্লাহ-ডালিম, শফিউল আলম-ফাইল কেবিনেট, শাহ আলম-ঢেড়শ), মনিরুল হক-টিউবলাইট) ও সুবদত্ত বড়ুয়া-পানির বোতল পেয়েছেন।
৭নং ওয়ার্ড : জাফর আলম-পাঞ্জাবী), মুুহাম্মদ রশিদ-উটপাখি, আশরাফুল হুদা সিদ্দিকী জামসেদ-টেবিল ল্যাম্প ও ফোরকান আহমেদ খোকন-ডালিম পেয়েছেন।
৮নং ওয়ার্ড : বেলাল হোসেন-পাঞ্জাবী, ডালিম কুমার বড়ুয়া-ব্ল্যাক বোর্ড, রাজ বিহারী দাশ-উটপাখি, রাজিব পাল-ডালিম ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম-টেবিল ল্যাম্প পেয়েছেন।
৯নং ওয়ার্ড : মো. হেলাল উদ্দীন-উটপাখি, মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ-টেবিল ল্যাম্প, আবু ওবায়েদ্দীন নাছের-ডালিম ও মো.শওকত আলম-পাঞ্জাবী পেয়েছেন।
১০ নং ওয়ার্ড : সালা উদ্দিন-উটপাখি, কফিল উদ্দিন-টেবিলল্যাম্প ও জাবেদ মো. কায়সার নোবেল-পাঞ্জাবী।
১১ নং ওয়ার্ড : আমীর হোসেন- উটপাখি, আবু শাহাদৎ মো. সায়েম-গাজর, মো. সেলিম রেজা-ব্ল্যাকবোর্ড, মো.শফিউল আলম-টেবিলল্যাম্প, নুর মোহাম্মদ-ডালিম), মোহাম্মদ জরিপ আলী-পানির বোতল, মো. হেলাল উদ্দীন-ব্রিজ ও আহম্মদ হোসেন-পাঞ্জাবী পেয়েছেন।
১২ নং ওয়ার্ড : আবুল মনছুর-ডালিম, নুরুল ইসলাম-ব্ল্যাকবোর্ড, কাজী মোরশেদ আহম্মদ বাবু-টেবিল ল্যাম্প, মো.জসিম উদ্দীন-উটপাখি ও কাজী রাশেল আহমেদ-পাঞ্জাবী প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন ।
রিটার্নিং অফিসার ও কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন বলেন, জেলা নির্বাচন অফিসের সম্মেলন কক্ষে বুধবার সকাল ১০ টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত ৫ মেয়র, সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত ১৭ সংরক্ষিত কাউন্সিলর ও সাড়ে ১১ টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ১ থেকে ১২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া হয়।
তিনি আরো জানান, তফসিল অনুসারে ৩ জুলাই মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে পৌরসভার ১২ ওয়ার্ডের মাঝে ৭টি ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়ে বৈধতা পাওয়ার পর ১৫ জন তাদের প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন।
প্রতীক বরাদ্দের সময় সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা শিমুল শর্মা, প্রধান সহকারি মোজাফ্ফর আহমদ, প্রার্থীদের প্রস্তাবক ও সমর্থকসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।
জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্য মতে, দলীয় ও স্বতন্ত্রপ্রার্থী ৫ মেয়র ও সংরক্ষিত ৪টি মহিলা আসনে ১৭জন, সাধারণ ১২টি ওয়ার্ডে ৭৯ জন কাউন্সিলরসহ মোট ১০১ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধতা পেয়েছিল। তাদের মাঝে মঙ্গলবার ১৫ কাউন্সিলর প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এতে করে চুড়ান্ত ভাবে ৬৪ সাধারণ কাউন্সিলরসহ ৮৬ প্রার্থী মূল প্রতিদ্বন্ধিতায় মাঠে রয়েছে। কক্সবাজার পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ডে মোট ভোটার সংখ্যা ৮৩ হাজার ৭২৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছেন ৪৪ হাজার ৩৭৩ জন ও মহিলা ভোটার রয়েছেন ৩৯ হাজার ৩৫৫ জন। এরা ২৫ জুলাই ১২ ওয়ার্ডের ৩৯ কেন্দ্রে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।
সুষ্ঠভাবে ভোট সম্পন্ন করতে সবার সহযোগিতা চেয়েছেন পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার ও কক্সবাজার জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মোজাম্মেল হোসেন।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্লামারাস স্ত্রী-প্রেমিকাদের চুমু

About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
July
(220)
-
▼
Jul 05
(12)
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন: চীন চায় দ্রুত প্রক্রিয়া বাংল...
- দেহরক্ষী ছাড়াই চলবেন মেক্সিকোর নতুন প্রেসিডেন্ট
- কোন কৌশলে জামায়াতমুক্ত হবে বিএনপি by সালমান তারেক ...
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এখন মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে -ন...
- কী কারণে রাইফার মৃত্যু? by হুমায়ুন মাসুদ
- বন্ধ হলো ২০২ মাদরাসা, তালিকায় আরো আড়াই শতাধিক by ন...
- ফিলিস্তিনি গ্রাম নিশ্চিহ্ন করতে চায় ইসরায়েল, উদ্বে...
- বিলাতে উন্মাতাল রাত
- বড় কৌশলে ছোট চালান ইয়াবার by শেখ জাহাঙ্গীর আলম
- মোবাইল টয়লেটের দরজায় তালা
- প্রতীক পেয়েছে ৮৬ প্রার্থী, আনুষ্ঠানিক প্রচারণায় মাঠে
- গ্লামারাস স্ত্রী-প্রেমিকাদের চুমু
-
▼
Jul 05
(12)
-
▼
July
(220)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

