Wednesday, December 16, 2009
যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে লাতিন আমেরিকা: শাভেজ
যুক্তরাষ্ট্রের কট্টর সমালোচক হিসেবে পরিচিত হুগো শাভেজ বলেন, হিলারি ক্লিনটনের বিবৃতি স্পষ্টতই ভেনেজুয়েলা ও বলিভিয়ার বিরুদ্ধে প্রকাশ্য সাম্রাজ্যবাদী হুমকি। তিনি আরও বলেন, ‘আগ্রাসনের মাধ্যমে আমাদের অঞ্চলের অগ্রগতির টুটি চেপে ধরতেই এ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন হিলারি। ’ হাভানায় গত রোববার সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন শাভেজ।
হিলারি গত শুক্রবার লাতিন আমেরিকার দেশগুলোকে ইরানের সঙ্গে মাখামাখি করার আগে দুবার ভাবার জন্য হুঁশিয়ারি দেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাসাগরে ভেঙে গেছে দ্বীপের সমান এক হিমশৈল!
অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্টার্কটিক ডিভিশনের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ নিল ইয়ং নাসার উপগ্রহচিত্র এবং ইউরোপীয় মহাকাশ এজেন্সির সহায়তায় বি-১৭-বি নামের ওই হিমশৈল শনাক্ত করেন। নিল বলেন, যখন অ্যান্টার্কটিকা থেকে হিমশৈলটি বিচ্ছিন্ন হয়, তখন এর আকৃতি ছিল ৪০০ বর্গকিলোমিটার, আর উচ্চতা ছিল ৪০ মিটার। এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে দক্ষিণ মহাসাগরের দিকে চলে আসে।
নিল আরও বলেন, হিমশৈলটির অনেকটা ভেঙে ও গলে গেছে। ওই হিমশৈলের শত শত খণ্ড মহাসাগরের কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। একসময় হিমশৈলটি পুরোপুরি গলে যাবে। উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণেই এমনটা ঘটছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাসাগরে ভেঙে গেছে দ্বীপের সমান এক হিমশৈল!
অস্ট্রেলিয়ার অ্যান্টার্কটিক ডিভিশনের হিমবাহ বিশেষজ্ঞ নিল ইয়ং নাসার উপগ্রহচিত্র এবং ইউরোপীয় মহাকাশ এজেন্সির সহায়তায় বি-১৭-বি নামের ওই হিমশৈল শনাক্ত করেন। নিল বলেন, যখন অ্যান্টার্কটিকা থেকে হিমশৈলটি বিচ্ছিন্ন হয়, তখন এর আকৃতি ছিল ৪০০ বর্গকিলোমিটার, আর উচ্চতা ছিল ৪০ মিটার। এটি বিচ্ছিন্ন হয়ে পরে দক্ষিণ মহাসাগরের দিকে চলে আসে।
নিল আরও বলেন, হিমশৈলটির অনেকটা ভেঙে ও গলে গেছে। ওই হিমশৈলের শত শত খণ্ড মহাসাগরের কয়েক হাজার কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে। একসময় হিমশৈলটি পুরোপুরি গলে যাবে। উষ্ণতা বৃদ্ধির কারণেই এমনটা ঘটছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্ত্র কিনতে আফিম উত্পাদন বাড়িয়েছে মিয়ানমারের বিদ্রোহীরা -জাতিসংঘের প্রতিবেদন
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয় (ইউএনওডিসি) থেকে বলা হয়, মিয়ানমারে পর পর তৃতীয় বছরের মতো আফিম উত্পাদন বেড়েছে। চলতি বছর উত্পাদন বেড়েছে শতকরা ১১ ভাগ। মিয়ানমারের মোট আফিমের শতকরা ৯৫ ভাগই উত্পাদিত হয় শান প্রদেশে। আফিম উত্পাদনের ক্ষেত্রে আফগানিস্তানের পরই মিয়ানমারের অবস্থান।
ইউএনওডিসির নির্বাহী পরিচালক অ্যান্টোনিও মারিয়া কস্তা বলেন, মিয়ানমারের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ক্রমবর্ধমান অস্থিতিশীলতা আফিমের বাজারের ওপর প্রভাব ফেলছে। কয়েকটি জাতিগত গোষ্ঠী অস্ত্র কেনার জন্য মাদক বিক্রি করছে। যাতে শনাক্ত করা না যায়, সে জন্য আফিমের মজুদ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করছে।
কয়েক মাস ধরে শান প্রদেশে বিপুল উপস্থিতি বজায় রেখেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সেখানে প্রায়ই বিদ্রোহী মিলিশিয়ারা সেনাবাহিনীর হামলার শিকার হয়।
বিশ্লেষকেরা বলছেন, এই সেনা উপস্থিতি শান প্রদেশে দীর্ঘায়িত হতে পারে। এর ফলে প্রতিবেশী চীনে শরণার্থী সংকটের সৃষ্টি হতে পারে।
মিয়ানমারের সামরিক জান্তা চায়, জাতিগত গোষ্ঠীগুলো যেন দেশটির আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনে অংশ নেয়। স্থানীয় মিলিশিয়াদের অস্ত্র সমর্পণ করে সরকারি সীমান্তরক্ষী বাহিনীতে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে সরকার। নতুবা তাদের নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হবে বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা করছে ইরান -গোয়েন্দা দলিলের তথ্য
একটি এশীয় গোয়েন্দা সংস্থাও গত সপ্তাহে নিশ্চিত করে বলেছে, তাদের বিশ্বাস, ইরান ২০০৭ সাল থেকে একটি ‘নিউট্রন ইনিশিয়েটর’ পরীক্ষা করার জন্য কাজ শুরু করেছে। এ ব্যাপারে গোপন নথিতে বলা হয়েছে, এই পরীক্ষার জন্য তেহরান নিউট্রন উত্স হিসেবে ‘ইউরেনিয়াম ডিউটেরাইড’ ব্যবহার করছে। বেসামরিক পরমাণু কর্মসূচিতে এই যন্ত্রটির কোনো প্রয়োজন নেই।
যুক্তরাজ্যসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইরানের পরমাণু কর্মসূচির বিষয়ে গোপন এসব দলিল হাতে পেয়েছে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন, এসব নথি সংস্থার হাতেও পৌঁছেছে। ইরানের এই কর্মসূচির ব্যাপারে ওয়াশিংটনের ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটির প্রেসিডেন্ট ডেভিড অলব্রাইট বলেন, ‘ইরান দাবি করছে তার পরমাণু কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ কর্মকাণ্ডের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে, কিন্তু সেখানে এর কোনো বেসামরিক ব্যবহার দেখা যাচ্ছে না।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জলবায়ু সম্মেলনকে ব্যর্থ হিসেবে ঘোষণা করলেন রাউল কাস্ত্রো
রাউল কাস্ত্রো বলেন, ‘যদিও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় কোপেনহেগেনে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। কিন্তু ইতিমধ্যেই আমরা জেনে গেছি, সেখানে কোনো চুক্তি হচ্ছে না। তার পরিবর্তে বিশ্ব শুধু একটি রাজনৈতিক বিবৃতির জন্য অপেক্ষা করতে পারে।’ বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে কোনো প্রতিনিধি পাঠায়নি কিউবা।
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় নিজস্ব পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য হাভানায় সমবেত হয়েছেন নয় জাতির ওই বাণিজ্য জোটের নেতারা। ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট হুগো শাভেজ ওই বাণিজ্য জোটটি গঠন করেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোপেনহেগেনে আরও দুই শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার
গত রোববার বিক্ষোভকারীরা দ্বিতীয় দিনের মতো কোপেনহেগেনের রাস্তায় মিছিল বের করে। কিন্তু অনুমোদন না থাকার কথা বলে পুলিশ বিক্ষোভ মিছিল বন্ধ করে দেয়। ওই সময় বিক্ষোভে অংশ নেওয়া অনেকের শরীর তল্লাশি করা হয়। পরে শান্তিভঙ্গের অভিযোগে বিক্ষোভকারীদের সবাইকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এ ছাড়া বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে থাকা একটি ট্রাকেও তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে বেশ কিছু মাস্ক উদ্ধার করা হয়।
এর আগে গত শনিবার বিশ্ব উষ্ণায়ন রোধে কঠোর চুক্তির দাবিতে কোপেনহেগেনে বিক্ষোভ দেখানোর সময় এক হাজার জনকে পুলিশ আটক করে। পরে ১৩ জন ছাড়া বাকি সবাইকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন কংগ্রেসে এক লাখ কোটি ডলারের ব্যয় প্রস্তাব অনুমোদন
বারাক ওবামা এ প্রস্তাবে সই করলে তা আইন হিসেবে অনুমোদিত হবে। এ প্রস্তাবে ৪৪ হাজার ৭০০ কোটি ডলারের বার্ষিক ব্যয় এবং স্বাস্থ্যসেবা খাতে ৬০ হাজার কোটি ডলারের বেশি ব্যয়ের কথা বলা হয়েছে। খবর এপির।
প্রস্তাবে বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে গবেষণা চালানো এবং গুয়ানতানামো বে বন্দিশিবির থেকে বন্দীদের যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে ফিরিয়ে আনার জন্য ২০০ কোটি ডলার, আফগানিস্তানকে আর্থিক সহায়তা হিসেবে ২৬০ কোটি, পাকিস্তানের জন্য ১৪৫ কোটি ৯০ লাখ, ইরাকের জন্য ৪৬ কোটি ৭০ লাখ, ইসরায়েলের জন্য ২২২ কোটি, মিসরের জন্য ১৩০ কোটি এবং জর্ডানের জন্য ৫৪ কোটি ডলার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুদণ্ড এড়াতে এফবিআইকে তথ্য সরবরাহ করছেন হেডলি?
হেডলিকে (৪৯) ৩ অক্টোবর এফবিআই গ্রেপ্তার করে। সংস্থাটি ইতিমধ্যে তাঁকে মুম্বাই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগে অভিযুক্ত করেছে। গত বছর ২৬ নভেম্বরের ওই হামলায় ছয় মার্কিন নাগরিকসহ ১৬৬ জন নিহত হন। হেডলিকে হয়তো সারা জীবন কারাগারে কাটাতে হতে পারে। এমনকি তাঁকে মৃত্যুদণ্ডেও দণ্ডিত করা হতে পারে। ফিলাডেলফিয়ার এক তদন্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কিন্তু এখন এফবিআইকে তথ্য সরবরাহ করে হেডলি মৃত্যুদণ্ড এড়াতে পারেন।
এর আগে ফেডারেল আইনজীবীদের অন্তত দুবার তথ্য সরবরাহ করেন হেডলি। এ জন্য তাঁর শাস্তির মেয়াদ কমিয়ে আনা হয়। এবার হেডলি এফবিআইকে তথ্য সরবরাহ করে এড়াতে পারেন মৃত্যুদণ্ড।
তদন্ত কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, হেডলি তাঁদের কাছে স্বীকার করেছেন যে পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠন লস্কর-ই-তাইয়েবার প্রধানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ২৬/১১ ঘটনায় লস্কর-ই-তাইয়েবার কয়েকজন নেতা এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মকর্তাও জড়িত ছিলেন বলে স্বীকার করেন হেডলি।a
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রিন্স উইলিয়ামের হাতে দাপ্তরিক কাজের দায়িত্ব হস্তান্তর!
ব্রিটিশ রানি তাঁর ২৭ বছর বয়সী নাতি উইলিয়ামকে দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন—এমন একটি খবর নিয়ে কয়েক মাস ধরে স্থানীয় গণমাধ্যমে গুঞ্জন চলছিল। কিন্তু রাজপরিবার থেকে ওই খবরের সত্যতা বারবার নাকচ করে দেওয়া হচ্ছিল। এরই মধ্যে দ্য মেইল এ খবর ফাঁস করল।
গোপনীয় ওই দলিলের ভাষ্যমতে, ৮৩ বছর বয়সী রানি এলিজাবেথ ও তাঁর ৮৮ বছর বয়সী স্বামী প্রিন্স ফিলিপ তাঁদের দায়িত্বভার বা চাপ কমাতে ওই পরিকল্পনা করেছেন। এ পরিকল্পনা এখন অনেক দূর এগিয়েও গেছে।
রানির এমন সিদ্ধান্তের কারণে একটি গুঞ্জন এখন আরও ডালপালা মেলবে। ওই গুঞ্জনটি হলো, ছেলে প্রিন্স চার্লসের চেয়ে নাতি উইলিয়ামকেই রানি বেশি বিশ্বাস করেন।
প্রিন্স চার্লস ও তাঁর দুই ছেলের জন্য নতুন আর্থিক ব্যবস্থাপনাসংবলিত ওই নির্দেশনার সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিপিবদ্ধ করেছেন চ্যান্সেলর অ্যালিস্টার ডার্লিংয়ের রাজস্ব বিভাগের কর্মকর্তারা। ওই বিবরণীর মূল অংশ কাটাছেঁড়া ও কিছু অংশ মুছে ফেলা হয়েছে। কিন্তু দ্য মেইল-এর কাছে কাটাছেঁড়া ছাড়া কপিটিই এসেছে। ফলে এটা এখন নিশ্চিত, রানি উইলিয়ামকেই এখন ব্রিটেনের ছায়ারাজা হিসেবে প্রস্তুত করছেন। ৮৩ বছর বয়সী রানি মাঝেমধ্যে বলে থাকেন, তিনি রাজকার্যের কিছু দায়িত্ব থেকে মুক্তি চান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব চান সোয়ার্জনিগার -জলবায়ুর পরিবর্তন মোকাবিলা
আরনল্ড সোয়ার্জনিগার ওই সাক্ষাত্কারে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র যদি এ আন্দোলনের পেছনে শক্তি জোগায়, তাহলে সেটা গোটা বিশ্বের জন্য ভালো হবে।
সোয়ার্জনিগার বলেন, গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের জাতীয় লক্ষ্যমাত্রার ব্যাপারে মার্কিন কংগ্রেসের সমর্থন নিশ্চিত করতে ওবামার প্রচেষ্টার প্রতি তিনি সমর্থন দেবেন।
তবে সোয়ার্জনিগার এ কথাও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের ওপর একটি বৈশ্বিক কাঠামো দাঁড় করাতে যুক্তরাষ্ট্র যদি কোনো প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে সেটা হবে ‘অবিশ্বাস্য’। তিনি বলেন, আগামী ১০ বছরের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র প্রয়োজনীয় জ্বালানির ২০ শতাংশ পাবে নবায়নযোগ্য উত্স থেকে।
ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর বলেন, ‘আমাদের সূর্য ও বায়ু রয়েছে। এমনকি এখন আপনি শৈবাল থেকেও তেল পাচ্ছেন। ক্যালিফোর্নিয়ায় সবুজ বিপ্লব হয়েছে। কিন্তু সমগ্র যুক্তরাষ্ট্রেরই এ রকম নেতৃত্বশীল ভূমিকা দরকার।’
ক্যালিফোর্নিয়া যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম অঙ্গরাজ্য, যেটি তার গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল। রিপাবলিকান দলের গভর্নর সোয়ার্জনিগার ২০০৬ সালে এ-সংক্রান্ত একটি ঐতিহাসিক বিলে সই করেন। এ পদক্ষেপের কারণে তত্কালীন বুশ প্রশাসনের সঙ্গে তাঁর দ্বন্দ্ব দেখা দেয়।
ক্ষমতা নেই ওবামার: যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ কমানোর ব্যাপারে শূন্য প্রতিশ্রুতি নিয়ে কোপেনহেগেনের জলবায়ু সম্মেলনে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। গত রোববার একজন জ্যেষ্ঠ মার্কিন আইনপ্রণেতা এ কথা বলেন।
রিপাবলিকান সিনেটর জেমস ইনহোফ ফক্স নিউজকে বলেন, তাঁর এটা করার ক্ষমতা নেই। অন্য দেশের জনগণ সেটা উপলব্ধি করতে পারছে না। তিনি বলেন, ২০২০ সালের মধ্যে ২০০৫ সালের মাত্রার চেয়ে গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণ ১৭ শতাংশ কমানোর প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে সক্ষম হবেন না বারাক ওবামা। এ ব্যাপারে কংগ্রেসের প্রয়োজনীয় আইনগত সমর্থন পাবেন না তিনি।
ইনহোফ বলেন, প্রতিশ্রুতি দিতে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নেই বা তা পারেন না—এই বার্তাই বাকি ১৯১টি দেশের জনগণকে পৌঁছে দেওয়ার জন্য ওবামা কোপেনহেগেন যাচ্ছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজধানীতে ছয় দিনব্যাপী আসবাবপত্র মেলা শুরু
ঢাকায় বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল সোমবার এ মেলার উদ্বোধন করেন মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি বীর প্রতীক। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরেক মুক্তিযোদ্ধা ও ভাস্কর ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী।
ফার্নিচার মালিক সমিতির এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
তারামন বিবি সবাইকে স্বাধীন দেশের নাগরিক হিসেবে দেশীয় আসবাব কেনার আহ্বান জানান।
ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণী বলেন, ‘বহির্বিশ্বে আন্তর্জাতিক মানের আসবাবপত্রের চেয়ে আমরা পিছিয়ে নেই। আমরা বিশ্বের দরবারে উন্নতমানের আসবাবপত্র উপহার দিতে পারছি। তাই এ শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে কারিগরি দক্ষতার প্রয়োজন।’
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফার্নিচার শিল্প মালিক সমিতির চেয়ারম্যান কে এম আখতারুজ্জামান। তিনি ফার্নিচার শিল্পকে আধুনিকায়ন করার জন্য ফার্নিচার ইনস্টিটিউট গড়ে তোলার ঘোষণা দিয়ে বলেন, তিন থেকে ছয় মাস প্রশিক্ষণ নিয়ে যে কেউ ফার্নিচার শিল্পে ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। বিদেশেও এ শিল্পের শ্রমবাজার রয়েছে। এ ছাড়া বহির্বিশ্বে প্রচুর ফার্নিচার রপ্তানি করে কোটি কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করছে বাংলাদেশ।
অনুষ্ঠানে সমিতির মহাসচিব সেলিম এইচ রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইলিয়াস সরকার, কোষাধ্যক্ষ ও মেলা কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ উল্লাহ, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান খান, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) ভাইস চেয়ারম্যান শাহাব উল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
এ মেলার প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশীয় আসবাবপত্রের প্রচার এবং স্থানীয় ও বিদেশি ক্রেতাদের বাংলাদেশ আসবাবপত্রের গুণগত মান ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কে অবহিত করা।
মেলায় ৭০টি প্রতিষ্ঠান ১৫০টি স্টলে বিভিন্ন আধুনিক ডিজাইনের আসবাবপত্র প্রদর্শন করছে। ছয় দিনব্যাপী এ মেলা চলবে ১৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এবারও প্রতিদিন সকাল নয়টা থেকে রাত আটটা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য এ মেলা উন্মুক্ত থাকবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অর্থ-সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ড
নেদারল্যান্ড সরকার তার বেসরকারি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের কৃষি ও কৃষি বাণিজ্য, তথ্যপ্রযুক্তি, অবকাঠামো উন্নয়নসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অর্থ-সহায়তা দিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে আবেদন করলে অতি অল্প সময়ের মধ্যে এসব অর্থ ছাড় করা হবে।
গতকাল সোমবার ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) ও ঢাকায় নেদারল্যান্ড দূতাবাসের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘বেসরকারি খাতের উন্নয়নে বাণিজ্য-সহায়তা’বিষয়ক এক সেমিনারে নেদারল্যান্ড দূতাবাসের পক্ষ থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।
রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার মিলনায়তনে আয়োজিত এই সেমিনারে ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। স্বাগত বক্তব্য দেন ডিসিসিআইয়ের সভাপতি জাফর ওসমান। অনুষ্ঠানে ঢাকায় নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত আলফোনজ জে এ জে এম জি হেন্নেকেনস সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন দি নেদারল্যান্ডস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস অ্যান্ড কো-অপারেশনের (ইভিডি) কর্মকর্তা পল সুনমেকার। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ডিসিসিআইয়ের নবনির্বাচিত সভাপতি আবুল কাশেম খান (সেজাদ)।
নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘নেদারল্যান্ড সরকার তার বেসরকারি খাত উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের মতো বিভিন্ন স্বল্পোন্নত ও উন্নয়নশীল দেশের বেসরকারি খাতকে আর্থিক ও পরামর্শসহায়তা দিয়ে থাকে।’
রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তা বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের উদ্যোক্তাদের প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে অর্থসহায়তা পাওয়ার জন্য আবেদন করার আহ্বান জানান।
আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘নেদারল্যান্ড সরকারের এ ধরনের সহায়তা স্বল্পোন্নত দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বড় ধরনের সহায়তা করবে।’ তিনি নেদারল্যান্ড সরকারের সহায়তাপুষ্ট পুরোনো প্রকল্পে সহায়তা অব্যাহত রাখার পাশাপাশি নতুন নতুন প্রকল্পে সহায়তা বাড়ানোর আহ্বান জানান।
মাহবুবুর রহমান নেদারল্যান্ড সরকারের দেওয়া আর্থিক সহায়তা কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।
জাফর ওসমান বলেন, নেদারল্যান্ড সরকারের বেসরকারি খাত উন্নয়ন কর্মসূচি দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ উন্নয়ন ও জোরদার করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া এ ধরনের প্রকল্প নেদারল্যান্ড ও বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে যৌথ বিনিয়োগে শিল্প স্থাপন করতে সহায়তা করবে।
মূল প্রবন্ধে পল সুনমেকার বলেন, নেদারল্যান্ড সরকার মূলত বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ কর্মসূচি (পিএসআই), ম্যাচ মেকিং ফ্যাসিলিটি ও অবকাঠামো উন্নয়ন কর্মসূচির (বা অরিয়ো কর্মসূচি) মাধ্যমে স্বল্পোন্নত দেশগুলোর বেসরকারি খাতকে সহায়তা করে থাকে।
পল সুনমেকার জানান, পিএসআই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রতিটি প্রকল্পে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত লাখ ইউরো সহায়তা দেওয়া হয়। এ জন্য নেদারল্যান্ডের কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে শিল্প স্থাপন করতে হবে। ম্যাচ মেকিং ফ্যাসিলিটির আওতায় নেদারল্যান্ডের সঙ্গে যৌথভাবে শিল্প স্থাপনের জন্য কোনো পরামর্শকের সহায়তা নেওয়া হলে অর্থসহায়তা পাওয়া যাবে।
অবশ্য অরিয়ো কর্মসূচিতে কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ২০ লাখ ইউরো থেকে ছয় কোটি ইউরো সহায়তা পাওয়া যাবে। এ জন্য বাংলাদেশে কোনো প্রতিষ্ঠান নেদারল্যান্ড বা অন্য যেকোনো দেশের প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যৌথভাবে বিনিয়োগ করলে অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যয়ের ৫০ শতাংশ সহায়তা করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির আয় ও মুনাফা বেড়েছে
সভায় জানানো হয়, আরপিজিসিএল ২০০৮-০৯ অর্থবছরে সিএনজি, এলপিজি, পেট্রল ও ডিজেল বিক্রিসহ অন্যান্য খাতে ২৯৫২৫ দশমিক ৬৮ লাখ টাকা আয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ৮০ দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। আলোচ্য অর্থবছরে কোম্পানি ৯৮ দশমিক ৮২ কোটি টাকা নিট মুনাফা অর্জন করে, যা আগের বছরের চেয়ে ৬৩ দশমিক ৮৯ শতাংশ বেশি।
আরপিজিসিএলের চেয়ারম্যান সৈয়দ আবদুল মালেকের সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
এতে পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. হোসেন মনসুর ও সংস্থার পরিচালকেরা এবং আরপিজিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শফিউল আজম উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বলা হয়, আলোচ্য অর্থবছরে বেসরকারি খাতে ২৩৫টি নতুন সিএনজি ফিলিং স্টেশন ও ২০টি রূপান্তর কারখানা স্থাপনসহ ৩১ হাজার ৬০৯টি গাড়ি সিএনজি জ্বালানিতে রূপান্তরিত হয়েছে। সভায় আরও জানানো হয়, জ্বালানি আমদানি খাতে বর্তমানে সরকারের প্রতিবছর প্রায় ১০ হাজার ২৮৪ কোটি টাকার সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুবরাজকে নিয়ে ভারতের দুশ্চিন্তা
সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত বলে আজ রাজকোটে প্রথম ম্যাচ খেলা হচ্ছে না পেসার শান্তাকুমারন শ্রীশান্তের। শঙ্কা আছে যুবরাজকে নিয়েও। ২৮তম জন্মদিনটি দারুণভাবে উদ্যাপন করেছেন দলকে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি ম্যাচটা জিতিয়ে। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ২৫ বলে করেছিলেন অপরাজিত ৬০ রান। তবে এই উদ্যাপনের পাশে একটা হতাশাও ছিল। কড়ে আঙুলে চোট পেয়েছেন। তবে তাঁকে আজ খেলাতে চায় ভারত। ম্যাচের আগেই সিদ্ধান্ত হবে তিনি খেলবেন কি না। যুবরাজ না খেললে তাঁর জায়গা নেবেন বিরাট কোহলি। তবে যুবরাজ-অনিশ্চয়তা বাদ দিয়ে ধোনি তাকাতে পারেন দারুণ ফর্মে থাকা বীরেন্দর শেবাগের দিকে। এই রাজকোট শেবাগের জন্য আরও পয়মন্ত, এখানে খেলা পাঁচ ইনিংসে তাঁর রান ২৫৯। গড় ৬৪.৭৫!
ইনজুরি-সমস্যা শ্রীলঙ্কা শিবিরেও। আঙুলে চোটের কারণে টি-টোয়েন্টি সিরিজে না খেলা মুরালিধরন কাল এক্স-রের জন্য হাসপাতাল ঘুরে এসেছেন। অবশ্য তাঁকে মাঠে পাওয়ার আশা শ্রীলঙ্কার।
সিরিজের পরের চারটি ম্যাচ ১৮, ২১, ২৪ ও ২৭ ডিসেম্বর নাগপুর, কটক, কলকাতা ও নয়াদিল্লিতে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইংল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত সাকিবই অধিনায়ক!
বিসিবি সূত্রে জানা গেছে, ২২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠেয় বোর্ড সভাতেই ইংল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত সাকিবকে অধিনায়ক ও মুশফিকুর রহিমকে সহ-অধিনায়ক করার সিদ্ধান্ত হতে পারে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুসও বলেছেন একই কথা, ‘মাশরাফির ইনজুরির ব্যাপারে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে তার ফেরার সম্ভাবনা নেই। এবারের ফেরাটা যেহেতু ওর জন্য শেষ সুযোগ হবে, পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ফেরাই ভালো। আর সুস্থ হলেও সে তো অনেক দিন ম্যাচ প্র্যাকটিসে নেই। এ অবস্থায় সাকিবকে একটু বেশি সময়ের জন্য দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।’
আগামী মাসে ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে নিয়ে তিন জাতি হোম সিরিজের পর বাংলাদেশ যাবে নিউজিল্যান্ড সফরে। এর পর ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশে আসবে ইংল্যান্ড দল। সাকিব-মুশফিককে এই তিন সিরিজের জন্যই দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে। গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে মাশরাফি ইনজুরিতে পড়ার পর থেকেই জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন সাকিব। সাকিবের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ছাড়াও জিতেছে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দুটি ওয়ানডে সিরিজ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রধান বিচারপতির ১৯ মাস -সরল গরল by মিজানুর রহমান খান
প্রধান বিচারপতি ও হাইকোর্টের অপর তিন বিচারপতি নিয়ে এই কমিটি গঠিত। প্রধান বিচারপতির একক পছন্দে তিন বিচারপতি বাছাই হন। বিচারক-বদলি প্রতি মাসেই লেগে থাকে। হঠাত্ বদলি একটি তাত্ক্ষণিক তিরস্কার। উচ্চ আদালতের শৃঙ্খলাবিধানে এমন কিছু টোটকা দাওয়াই নেই। শুনেছি, বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে সরকারের পক্ষ থেকে কাউন্সিল সক্রিয় করার বিষয়ে নির্দিষ্টভাবে অনুরোধ করা হয়েছিল। তিনি দালিলিক প্রমাণ চেয়েছেন। এ প্রসঙ্গে একটা কথা এখানে বলতেই হয়। সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে নিশ্চয়ই প্রশ্ন রয়েছে কিন্তু উপযুক্ত তথ্যপ্রমাণের কোনো ঘাটতি থাকার কথা নয়। শুধু সমস্যা হলো অদক্ষতা ও অযোগ্যতাকে অসদাচরণ এমনকি দুর্নীতি হিসেবে স্বীকার করার মানসিকতা। এ রকম ভূরি ভূরি প্রমাণ আমাদের কাছে মজুদ আছে, যা আদালতের রেকর্ডেও সংরক্ষিত। কোনো কোনো ক্ষেত্রে অদক্ষতা, অযোগ্যতা কিংবা কর্তব্যে গাফিলতি দৃশ্যত এতটাই সীমাহীন যে তার ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার কাছে আর্থিক অনিয়ম নস্যি। আর এই সব দালিলিক প্রমাণের মুখ্য হেফাজতকারী হলেন প্রধান বিচারপতি। প্রধান বিচারপতি বিচারকের আসনে বসেন বটে, তিনি নিয়মিতভাবে জজিয়তি না করলেও ক্ষতি নেই। প্রধান বিচারপতি মুনিম বিচার করেননি বললেই চলে। কিন্তু প্রধান বিচারপতির প্রধান পরিচয়, তিনি বিচার বিভাগের প্রধান প্রশাসক।
নিম্ন আদালতের ব্যবস্থাপনায় বর্তমান প্রধান বিচারপতির নতুন নিয়ম কিছুটা সফলতা বয়ে এনেছে। কিন্তু বিচারক-বদলির চলতি কায়দাকানুন এখনো ভীষণ গোলমেলে মনে হয়। এটা যে একটা ন্যূনতম লিখিত নীতিমালার ভিত্তিতে হতে পারে, সেটা নীতিনির্ধারকেরা অক্লেশে মানতে নারাজ। পাঁচ বছরের বেশি সময় টানা ঢাকায় আছেন এমন বিচারকদের সবাইকে সরাতে পারেননি প্রধান বিচারপতি। আইন মন্ত্রণালয় বাধা দিয়েছে এবং দিয়ে চলেছে। প্রধান বিচারপতির চিঠির দাম নেই। কিন্তু মন্ত্রীরা মুখে বলবেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় তাঁদের আস্থা ভয়ানক! আমাদের হাতে বেশ কয়েকটি চিঠি রয়েছে, যা থেকে দেখা যাচ্ছে, তিনি আইন মন্ত্রণালয়কে আইন মানাতে সতর্কতার সঙ্গে সক্রিয় ছিলেন। কিন্তু বুনো ওলের জন্য চাই বাঘা তেঁতুল, তা তিনি দিতে উদ্যোগী হননি বা বাস্তবসম্মত মনে করেননি।
প্রধান বিচারপতি তাঁর ১৯ মাসে নিম্ন আদালতের ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত ক্রিমিনাল রুলস অ্যান্ড অর্ডার (সিআরও) দুই ভলিউমে প্রকাশ করেছেন। এই সংস্কারটা আসলে ছিল ১০০ বছরের বকেয়া বিষয়। বিচার বিভাগ পৃথক করার ফলে এটা অপরিহার্য হয়ে পড়ে। মান্ধাতার আমলের হাইকোর্ট রুলসের খোলনলচে বদলানোর যে প্রক্রিয়া এর আগে শুরু হয়েছিল, তিনি তাতে গতি আনেন। এটা এখন প্রায় চূড়ান্ত। কাজটা হওয়ার কথা ছিল তিন দশক আগেই।
সুপ্রিম কোর্টে বিচারকের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। কিন্তু সে তুলনায় মামলা নিষ্পত্তির হার বাড়ছে কি কমছে, তা গতিময়তা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে মনিটর করার মতো কোনো উপায় এখনো তৈরি হয়নি। খুব যে চেষ্টা আছে, তাও মনে হয় না। একটি ওয়েবসাইটকে পূর্ণতা দিতে প্রধান বিচারপতিরা অব্যাহতভাবে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন। আইন কমিশনের চেয়ারম্যান বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুর রশীদ হাইকোর্টের বিচারক থাকাকালে ওয়েবসাইট-সংক্রান্ত একটি কমিটিতে কাজ করেছিলেন। তাঁর অভিজ্ঞতা অতিশয় তিক্ত ছিল বলেই জানি। সেই তিক্ততার হেরফের ঘটেনি।
আমরা আমাদের মন্তব্য বিনীতভাবে প্রধানত প্রধান বিচারপতির প্রশাসনিক এখতিয়ারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখতে চাইছি। তবে বেদনাশ্রয়ী অভিজ্ঞতা আমাদের শেখাচ্ছে যে, একজন প্রধান বিচারপতির প্রশাসনিক দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্ববহ ও ব্যাপকমাত্রায় তাত্পর্যপূর্ণ। বিচারপ্রক্রিয়ায় এর প্রভাব ও ফলাফল অসামান্য ও অবধারিত হতে বাধ্য। এর মধ্যে বেঞ্চ গঠন সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ। সংবিধান প্রধান বিচারপতিকে বেঞ্চ গঠনে একক দায়িত্ব দিয়েছে। ঘন ঘন বেঞ্চ ভেঙে দেওয়ার ক্ষেত্রে সাবেক প্রধান বিচারপতিদের কারও কারও আমল কলঙ্কিত। গত ১৯ মাসে এ নিয়ে বিতর্ক-গুঞ্জন হয়নি বললেই চলে। কিন্তু তার অর্থ অবশ্যই এই নয় যে, তিনি যাঁদের যেসব দায়িত্ব দিয়েছেন, তাঁদের কারও কারও কর্তব্যনিষ্ঠা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ কিছুমাত্র কম।
২০০৯ সালের তথ্য অধিকার আইনের শর্ত মেনে সুপ্রিম কোর্টে জনসংযোগ কর্মকর্তা নিয়োগ বাধ্যতামূলক। এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি নেই। ভারতীয় সুপ্রিম কোর্টের অভিজ্ঞতা জানিয়ে রেজিস্ট্রারকে চিঠি দিয়েছি। জরুরি অবস্থায় দুদকের চাপে সংগ্রহ করা নিম্ন আদালতের বিচারকদের সম্পদের বিবরণী পোকায় কাটছে। উচ্চ আদালতের বিচারকদের সম্পদের বিবরণী চাওয়ার দায়িত্ব আইনে প্রধান বিচারপতিকে দেওয়া রয়েছে। প্রধান বিচারপতিরা অব্যাহতভাবে ও সুচিন্তিতভাবে তা উপেক্ষা করে চলেছেন। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট এমন অবস্থান নিয়ে টেকাতে পারেননি। সম্প্রতি তাঁরা তাঁদের সম্পদের বিবরণী ওয়েবসাইটে দিয়েছেন। এসব অগ্রগতি জানিয়েও রেজিস্ট্রারের দপ্তরকে চিঠি দিয়েছি। নীরবতা ভাঙেনি।
গত ২৩ নভেম্বর ১১ নম্বর কোর্টে বেঞ্চ অফিসারদের দুর্নীতির বিষয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠল। কিন্তু ওই বেঞ্চ উপেক্ষা করলেন, প্রধান বিচারপতিও নীরব থাকলেন।
সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ প্রশাসন দুর্বল, অগোছালো, অনেক ক্ষেত্রে সামঞ্জস্যহীন। এই প্রশাসনের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে পদোন্নতি ও সুযোগ-সুবিধা নিয়ে নানা মাত্রায় ক্ষোভ আছে। সার্বিকভাবে যদি বলি, দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যার কারণে সুপ্রিম কোর্টের অভ্যন্তরীণ প্রশাসনে বিশৃঙ্খলা বিরাজ করছে, তাহলে অত্যুক্তি হবে না। একটি রিটে কতিপয় কর্মকর্তা পদোন্নতি পান। তাঁদের দেখাদেখি বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পৃথক আরও তিনটি রিটে এখন অভিন্ন প্রতিকারপ্রার্থী। এটা একটা ভয়ানক উদ্বেগের বিষয়। এই বিশৃঙ্খলার একটা নেতিবাচক প্রভাব বার-বেঞ্চ ও বিচারপ্রার্থীদের প্রাত্যহিক জীবন ও কাজের ওপর পড়ছে। এসব নিরসনে প্রধান বিচারপতিদের ইতিবাচক উদ্যোগগুলো খণ্ডিত ও অপ্রতুল বলা যেতে পারে। এখানে দরকার এখন একটি শক্তিশালী সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন সংস্কার কমিশন।
আমরা যদি সুপ্রিম কোর্টকে সংবিধানের সৃষ্টি এবং সংবিধানকেই প্রজাতন্ত্রের সর্বোচ্চ আইন মানি, তাহলে তা লঙ্ঘনের দায় প্রধান বিচারপতি এড়াতে পারেন কি না, তা এখন একটা খতিয়ে দেখার মতো প্রশ্ন। যুক্তির বিচারে তাঁকে যদি অভিযুক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলে মানবাধিকার প্রসঙ্গেও সে প্রশ্ন তোলা যায়। কীভাবে, সেটা খুলে বলা দরকার।
২০০৮ সালের সুপ্রিম কোর্ট বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য হলো, এক লাখ ৭০ হাজার ৩৭১টি ফৌজদারি আপিল পেন্ডিং বা অনিষ্পন্ন রয়েছে। কোনটি কেমন ধরনের আপিল তা প্রতিবেদনে নেই। তবে বোঝা যায়, এর মধ্যে জামিন ও নিম্ন আদালতের বিচারপ্রক্রিয়া স্থগিত করা থেকে শুরু করে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল রয়েছে। এর মধ্যে সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের আপিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে মানবাধিকারের দুই তরফা প্রশ্ন জড়িত। দণ্ডিত ব্যক্তির আছে দ্রুত বিচারলাভের অধিকার। ভুক্তভোগীর রয়েছে দোষীর চূড়ান্ত বিচারিক পরিণতি দেখার অধিকার। উভয় ক্ষেত্রে মানবাধিকারের প্রশ্ন জড়িত।
১৮ ও ১৯ নভেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের মাত্র একটি বেঞ্চে এ রকম এক হাজার একটি জামিন আবেদন জমা পড়ল। শিগগির শুনানি হবে না, তাই জামিন চাই। প্রথমত, এটি একটি ব্যবস্থাপনাগত বিপর্যয়। দ্বিতীয়ত, এই বিপর্যয়ের সঙ্গে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটা সম্পর্ক থাকে বা সৃষ্টি হতে বাধ্য। উল্লেখ্য, ওই আপিলগুলোর অনেক ক্ষেত্রেই পেপারবুক প্রস্তুত হয়নি। হাইকোর্টের আইনে বলা আছে, আপিলের পেপারবুক তৈরি ও তদারকের দায়িত্ব রেজিস্ট্রারের। অথচ নির্বিচারে তার ব্যত্যয় ঘটছে। এর জন্য আমরা কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, আইজিপি, আইনমন্ত্রী বা অ্যাটর্নি জেনারেলকে দোষারোপ করতে পারি না। যদি ভ্যাট-কাস্টমস মামলার দ্রুত সুরাহার জন্য পৃথক বিশেষ বেঞ্চ চলমান থাকতে পারে, তাহলে মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের হাজার হাজার আপিল মামলার বিচার নিষ্পত্তি করতে প্রধান বিচারপতিরা কেন বিশেষ বেঞ্চ গঠনে উদাসীন থাকবেন?
বর্তমান প্রধান বিচারপতিকে গত ১৯ মাসে রক্ষণশীল, সংস্কারে সীমিত উত্সাহী কিন্তু সাবধানী, ধারাবাহিকতার প্রতি অনুগত কিন্তু নিজেকে প্রভাবমুক্ত রাখতে সচেষ্ট বলেই প্রতীয়মান হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলা শুনতে তিনি বিব্রত হন। কিন্তু আইনসচিবের মামলায় তাঁর বিব্রত হওয়া ছিল বড় পীড়াদায়ক। বিচারপতি নিয়োগে তিনি বিচারপতি আবদুর রশিদের অগ্রসর রায় উল্টে কেবল প্রধান বিচারপতির পরামর্শনির্ভর যে সনাতন ব্যবস্থা রেখে গেলেন, তা দুর্ভাগ্যজনক। সুপ্রিম কোর্টের বেহাল বার সম্ভবত তাঁকে সন্তুষ্টির সঙ্গেই মনে রাখবে।
মিজানুর রহমান খান: সাংবাদিক।
mrkhanbd@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ন্যায্য, উচ্চাভিলাষী ও বাধ্যবাধকতার চুক্তি -জলবায়ু সম্মেলন by কুমি নাইডু
১০ বছর পর বর্ণবাদের অবসান ঘটানো হয়। লাখ লাখ মানুষ নিষ্ক্রিয় থাকতে পারত, কোনো কিছু না-ই বা করতে পারত, কিন্তু তারা লড়াই করেছে।
একই ধরনের ঘটনা এখন ঘটছে জলবায়ু বিষয়ে। জলবায়ু ন্যায়বিচারের ডাকে সব জায়গা থেকে মানুষ একত্র হচ্ছে। এ ডাক কোপেনহেগেন জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক সম্মেলনে একটি ন্যায্য, উচ্চাভিলাষী ও আইনগত বাধ্যবাধকতার চুক্তিতে পৌঁছার ডাক।
দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তা ছিল, রাষ্ট্রপ্রধানেরা কোপেনহেগেনে যাবেন কি না; জলবায়ু রক্ষায় চুক্তির বিষয়ে আলোচনার দায় তাঁরা নিজের কাঁধে নিতে চাইবেন কি না। এখন ১২০ জন রাষ্ট্রপ্রধান কোপেনহেগেনে যাচ্ছেন। এটি অনেকাংশে জনগণের ক্রমবর্ধনশীল জোটবদ্ধতার প্রতিক্রিয়া। সারা দুনিয়ার ধনী-গরিব, বৈশ্বিক উত্তর-দক্ষিণ অংশের জনগণ উপলব্ধি করছে, আমাদের সাধারণ ভাগ্য একে অন্যের সঙ্গে বাঁধা; আর সে ভাগ্য নির্ধারিত হবে এমন গুরুতর হুমকিতে আমরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানাব তার ভিত্তিতে।
আমাদের রাষ্ট্রপ্রধানেরা জলবায়ু পরিবর্তনবিষয়ক বিজ্ঞানকে বদলাতে পারেন না, এটি তাঁদের কাছে বেশ স্পষ্ট হয়ে উঠছে; যদিও অনেকে তা বদলানোর চেষ্টা করে চলেছেন। এখন স্পষ্ট, তাঁদের যা বদলাতে হবে, তা হলো রাজনীতি।
সংবাদ বেরোচ্ছে, অনেক রাষ্ট্রপ্রধান পরিকল্পিত সময়ের আগে আসার এবং শেষ পর্যন্ত থাকার ইচ্ছা পোষণ করছেন। সবাই এ সম্মেলনে ভাষণ দেওয়ার সুযোগ চান, তাঁদের যাঁরা নির্বাচন করেছেন, সেসব ভোটারকে দেখাতে চান, তাঁরা জলবায়ু-বিশৃঙ্খলা বিষয়ে কতটা আন্তরিক। কিন্তু কোপেনহেগেন তো রাজনীতিবিদদের ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা বাড়ানোর সুযোগ নেওয়ার জায়গা নয়।
এর সফলতা মোটা দাগে তিনটি মাপকাঠিতে পরিমাপ করা হবে: চুক্তিটি কি ন্যায্য হবে? ন্যায্য হতে হলে ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলোকে তাদের কার্বন ঋণ ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব স্বীকার করতে হবে। অর্থাত্ ক্রমোষ্ণ পৃথিবীর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানো এবং এর অনিবার্য ক্ষতিকর প্রভাবের তীব্রতা কমাতে উন্নয়নশীল বিশ্বকে অর্থ সরবরাহ করতে হবে।
এটি কি উচ্চাভিলাষী হবে? এর মানে হলো, বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন ২০১৫ সালের পর আর বাড়তে দেওয়া যাবে না; শিল্পোন্নত দেশগুলোকে ২০২০ সাল নাগাদ ৪০ শতাংশ গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমনে সম্মত হতে হবে এবং তাদের প্রচলিত ব্যবসার ধরন থেকে সরে যেতে হবে।
এটি কি বাধ্যবাধকতার হবে? আইনগত বাধ্যবাধকতার? জাতিসংঘের আলোচনার ইতিহাসে রাজনৈতিক চুক্তির ভূরি ভূরি দেখা মিলবে, যেগুলোর মূল্য দেনদরবারের জন্য ব্যয়িত কার্বন বা বিমান ভাড়ার অর্থমূল্যেরও সমান নয়।
দুনিয়াকে অধিকতর ন্যায়ভিত্তিক করার জন্য ন্যায্য, উচ্চাভিলাষী ও বাধ্যবাধকতার চুক্তি এক অবিশ্বাস্য সুযোগ। এমন চুক্তি করা গেলে ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্ব-অর্থনীতিতে প্রায় ৩০ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা সম্ভব হতে পারে। পরিচ্ছন্ন, নির্ভরযোগ্য ও নবায়ন-উপযোগী জ্বালানি প্রাপ্তির সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ২০০ কোটি মানুষের জ্বালানি-দারিদ্র্য দূর করা সম্ভব হতে পারে।
নানা ধরনের বায়ুদূষণের অবসান ঘটিয়ে সবার স্বাস্থ্যসুবিধা বয়ে আনা যেতে পারে। পৃথিবীর অনেক অশান্ত স্থানে স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় তা সহায়ক হতে পারে। সম্পদকেন্দ্রিক লড়াই ও জ্বালানি রাজনীতিকে বিশ্বের নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের বাইরে নিয়ে যেতেও সহায়ক হতে পারে।
ন্যায়বিচার ও শান্তি অত্যাবশ্যক। নিয়ন্ত্রণহীন জলবায়ু পরিবর্তন বিশ্বের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর অবিশ্বাস্য চাপ তৈরি করবে এবং পানীয় জল, খাদ্য উত্পাদন ও বাসযোগ্য ভূমির পরিমাণ অনেক কমে যাবে। সবচেয়ে বেশি পরিমাণে আক্রান্ত হবে দরিদ্ররা। পৃথিবীর ৬৮০ কোটি মানুষের কেউই বাদ যাবে না।
বিজ্ঞান জানাচ্ছে, আমরা যদি এখনই সক্রিয় না হই, আজ থেকে ২০৫০ সালের মধ্যে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ছিন্নমূল হবে। আমাদের সন্তানেরা, তাদের সন্তানেরা জলবায়ুর ফল ভোগ করবে। বৈজ্ঞানিক মতামত জোরদার হচ্ছে, এর ফলে পৃথিবী কার্যত বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।
কোপেনহেগেনে একটি ন্যায্য, উচ্চাভিলাষী ও বাধ্যবাধকতার চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব। আলোচনায় সে চেষ্টাই করতে হবে। অনেক বিশেষজ্ঞ বলছেন, তা হবে না; জাতীয় ও আন্তর্জাতিক রাজনীতি এ পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। এমন কথা বলার সময় যে বিষয়টি তাঁরা ভুলে যাচ্ছেন, তা হলো, যাঁরা এখন দায়িত্ব পালন করছেন, ক্ষমতার মালিক তাঁরা নন; যাঁরা তাঁদের সেখানে বসিয়েছেন তাঁরাই মালিক।
আমাদের নেতাদের বুঝতে হবে, বিশ্ববাসী তাঁদের ওপর চোখ রাখছে। আমরা বুঝি, প্রকৃতি দেনদরবার করে না। আমরা বুঝি, আমরা বিজ্ঞান বদলাতে পারি না। আমাদের দাবি, রাজনীতিবিদেরা রাজনীতি বদলান। তা না হলে তাঁদের অবশ্যই বুঝতে হবে, রাজনীতিবিদদের বদলানোর ক্ষমতা আমাদের আছে।
বিশ্বাসভিত্তিক সংঘ, ট্রেড ইউনিয়নবাদীরা, বেসরকারি সংস্থা, সামাজিক আন্দোলন, নারী সংগঠন, সম্প্রদায়ভিত্তিক সংঘ ও প্রগতিশীল বাণিজ্য সংঘ এমন সব দাবি তুলছে। আমাদের প্রত্যাশা, আমাদের নেতারা তাঁদের কথা শোনাবেন এবং সাহসের সঙ্গে সক্রিয়তা দেখাবেন।
দ্য নিউইয়র্ক টাইমস থেকে নেওয়া। ইংরেজি থেকে অনুবাদ: আহসান হাবীব।
কুমি নাইডু: পরিবেশবাদী সংগঠন গ্রিনপিসের নির্বাহী পরিচালক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বশাসনের স্পৃহা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ -সহজিয়া কড়চা by সৈয়দ আবুল মকসুদ
বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সঙ্গে ব্রিটেনের কলোনি-উত্তর আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের যথেষ্ট মিল রয়েছে। আমেরিকার দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট জন অ্যাডামস তাঁর এক বিখ্যাত ভাষণে ঘোষণা করেন, আমেরিকার বিপ্লবের ইতিহাসের শুরু সুদূর ১৬২০ অব্দে। তাঁর ভাষায়, স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হওয়ার বহু আগে আমেরিকার বিপ্লব The American Revolution-এর সূচনা। বস্তুত সেটা ২০০ বছর আগে যেদিন ভার্জিনিয়ায় ক্রীতদাসদের দ্বারা তুলার খেতের আবাদ শুরু করে সাম্রাজ্যবাদী ইংরেজরা, সেদিন থেকেই।
প্রেসিডেন্ট অ্যাডামস বলেন, উত্তর আমেরিকার ব্রিটিশ উপনিবেশ অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে শক্তিশালী হয়ে উঠছিল, নিজস্ব সংস্কৃতিও গড়ে উঠছিল এবং স্বশাসনের অভিজ্ঞতাও অর্জিত হয়েছিল কলোনিগুলোর। সুতরাং তাদের মনে ও হূদয়ে বিপ্লবের চেতনার জন্ম হয়—The Revolution was in the minds and hearts of the people, সে বিপ্লবের চেতনা আর কিছুর জন্য নয়, স্বাধীনতার জন্য—উপনিবেশবাদীদের দেশ থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার। তার ফলে ১৭৬৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে দখলদার ইংল্যান্ডের সঙ্গে উপনিবেশিত আমেরিকার জনগণের প্রত্যক্ষ লড়াই বা স্বাধীনতাযুদ্ধ শুরু হয়। আমেরিকার জনগণ জয়লাভ করে এবং ৩০ এপ্রিল ১৭৮৯ জর্জ ওয়াশিংটন নিউইয়র্কে প্রজাতন্ত্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। তিনি আমেরিকার জাতির পিতা নন গান্ধী বা জিন্নাহর মতো, তিনি রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠাতাদের founding father-দের একজন।
গত ৩৭ বছরের কথা বাদ দিলেও চলতি ডিসেম্বর মাসের দুই সপ্তাহে দেশের বড় বড় ১০-১২টি কাগজে ২৮০টির মতো লেখা পড়লাম স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস সম্পর্কে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বাঙালির বীরত্ব প্রভৃতি সম্পর্কে সেসব রচনা। আমার সাধারণ বুদ্ধিতে উপলব্ধি হয়েছে, এই লেখাগুলো প্রায় একই ধরনের। বেশির ভাগ লেখা পড়ে কোনো পাঠক স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমি ও ইতিহাস জানতে পারবে না।
একাত্তরের মার্চ থেকে ১৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়টি ছিল স্বাধীনতা সংগ্রামের চরম ও শেষ অধ্যায়। এ দেশের মানুষের স্বাধীনতা সংগ্রামের শুরু আগে—বহু আগে—সম্ভবত পলাশীর যুদ্ধের পরদিন থেকেই। তা যদি নাও হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই ১৮৫৭-এর মহাবিদ্রোহের সময় থেকে। সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের আগ পর্যন্ত এ দেশের মানুষ মনে করত, তারা স্বাধীন। স্বাধীনই ছিল বটে। মাথার ওপর মোগল-সম্রাট ছিলেন, কিন্তু বাংলার নবাব স্বাধীনভাবেই চলতেন। পলাশীর যুদ্ধের পর জনগণ বুঝতে পারে, মোগল-সম্রাট দিল্লিতে আছেন কি নেই সেটা বড় কথা নয়, বাংলা পরাধীন—বাংলার মানুষ ইংরেজের পদানত। স্বাধীন মানুষের মধ্যে নয়, পরাধীন মানুষের মধ্যেই স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা দেখা দেয়। তাই পলাশীর যুদ্ধের পর ইংরেজদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বহু দেশপ্রেমিকের নেতৃত্বে বিদ্রোহ হয়েছে। ১৮৫৭-এর সিপাহি জনতার বিদ্রোহ ছিল সর্বাত্মক। দেশের নতুন হিন্দু-মুসলমান জমিদারেরা ছাড়া সব মানুষই সেই বিদ্রোহ সমর্থন করেছিল।
মহাবিদ্রোহের পর থেকে বাংলার স্বাধীনতা সংগ্রামীরা শুধু ইংরেজদের নয়, তাদের দালাল জমিদারদের বিরুদ্ধেও লড়াই করতে থাকেন। কোনো কোনো স্বাধীনতাকামী সিপাহি বিদ্রোহ পর্যন্তও বসে ছিলেন না। যেমন তিতুমীর। ১৮৩১ সালে তিনি ৩৫০ জন সহযোগী মুক্তিযোদ্ধাসহ শহীদ হন। নারকেলবাড়িয়ার নায়ক তিতুমীরের ১০৩ বছর পর জালালাবাদ পাহাড়ের যুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়ে সূর্য সেন ধরা পড়েন এবং ১৯৩৪-এ ফাঁসির মঞ্চে শাহাদাত বরণ করেন। তিনি মৃত্যুকে বরণ করেন দেশবাসীর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের জন্য, অন্য কোনো কিছুর জন্য নয়।
যে ভূখণ্ড নিয়ে সাবেক পূর্ব পাকিস্তান ও বর্তমান বাংলাদেশ গঠিত, সেখানকার মানুষের ইতিহাস বাংলার অন্যান্য এলাকার মানুষের চেয়ে কিছুটা আলাদা। এই এলাকার মানুষ একবার স্বশাসনের অধিকার পেয়েছিল ১৯০৫-এ। উত্তাল এক অগণতান্ত্রিক আন্দোলনের মাধ্যমে তাদের সেই অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছিল। ১৯০৫ থেকে ১৯১১—এই ছয় বছরে পূর্ব বাংলা এগিয়ে গিয়েছিল অনেক দূর। পূর্ব বাংলা ও আসাম প্রদেশ বাতিল হলে এই এলাকার মানুষ হতাশ ও ব্যথিত হয়। তাই ১৯৪৭-এ পূর্ব পাকিস্তান প্রতিষ্ঠাকে তারা স্বাগত ও সমর্থন জানায়। কিন্তু প্রতিষ্ঠার পর অবিলম্বেই তারা লক্ষ করে, যে স্বাধীনতা ও স্বশাসন তারা চেয়েছিল তা পায়নি। দেশটি পশ্চিম পাকিস্তানের পদানত। সুতরাং স্বাধীনতার স্পৃহা আবার তাদের মধ্যে জাগ্রত হয়।
পাকিস্তানে যদি গণতন্ত্র থাকত, তাহলে ২৪ বছরের মধ্যে বাংলাদেশকে পাকিস্তান থেকে বেরিয়ে আসার প্রয়োজন হতো না। বাংলার মানুষ প্রথমে গণতান্ত্রিক অধিকারের জন্যই লড়াই শুরু করে। সেই লড়াইয়ে যাঁরাই নেতৃত্ব দিতেন ও তাতে সমর্থন দিতেন, তাঁদেরই আখ্যায়িত করা হতো দেশদ্রোহী হিসেবে। ন্যায়সংগত অধিকার হরণ করা হলেই স্বাধিকারের জন্য মানুষ ব্যাকুল হয়। পাঞ্জাবি শাসক ও বাঙালি জনগণের ক্ষেত্রে তা-ই হয়েছিল। সে কারণেই যেদিন শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ছয় দফা দাবিনামা ঘোষণা করে, বাংলার মানুষ তাকে প্রবলভাবে সমর্থন দেয়। ছয় দফা ছিল পূর্ব বাংলার পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের সনদ।
ছয় দফাভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের জন্য বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলন হয়েছে শেখ মুজিবের নেতৃত্বে। ছয় দফা আন্দোলনে কোনো অস্পষ্টতা ছিল না, কোনো দুর্বলতাও ছিল না। তা ছিল একটি বলিষ্ঠ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। কিন্তু সেই আন্দোলনকে দমন করার জন্য পাকিস্তানি শাসকেরা যে কৌশল গ্রহণ করেন, তার পদ্ধতি ছিল ফ্যাসিস্ট—বর্বর।
৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে ঐতিহাসিক জনসভায় বঙ্গবন্ধু তাঁর ভাষণের শেষ বাক্যটিতে বলেন: ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’ বাক্যে ‘এবারের’ শব্দটি থাকায় পরিষ্কার বোঝা যায়, ৬ মার্চ পর্যন্ত এত দিন আমাদের সংগ্রাম ছিল পাকিস্তানি কাঠামোর মধ্যে ছয় দফাভিত্তিক স্বায়ত্তশাসনের সংগ্রাম—স্বাধীনতার সংগ্রাম নয়। এ দেশের মানুষের বহুকালের লালিত ‘স্বাধীনতা’ শব্দটি ভাষণে থাকায় বাংলার মানুষকে নিশ্চিহ্ন করার জন্য পাকিস্তানি সামরিক জান্তা সর্বশক্তি নিয়োগ করে। তখন প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া, পাকিস্তানি জান্তাকে বিতাড়িত করে দেশকে মুক্ত করা ছাড়া, এ দেশের মানুষের সামনে আর কোনো বিকল্প ছিল না।
অপ্রস্তুত ও নিরস্ত্র মানুষের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হলে তা বাংলার জনগণ বিশেষ করে যুবসমাজ দুর্জয় শক্তিতে মোকাবিলা করে। আঘাতের বদলে প্রত্যাঘাত। শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। গঠিত হয় প্রবাসে অর্থাত্ ভারতে অস্থায়ী প্রবাসী সরকার। বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ও অতি অল্প সময়ে সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ শুরু ও প্রবাসী সরকার গঠিত হওয়ায় ধীরস্থিরভাবে অনেক প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারেননি সেদিনের নেতারা। প্রবাসী সরকারের যাবতীয় দুর্বলতা ও সীমাবদ্ধতা পুষিয়ে দিয়েছে ভারত সরকার।
প্রবাসী সরকার গঠনের পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সরকারের নীতিনির্ধারকেরা গভীর উত্কণ্ঠায় ছিলেন এই আশঙ্কায় যে পাকিস্তান সরকার যদি আমেরিকার চাপে বন্দী মুজিবকে মুক্তি দেয় এবং তাঁকে নিরাপত্তা হেফাজতে বাংলাদেশে এনে কোনো আপসমূলক বিবৃতি দেওয়ায়, তখন কী উপায় হবে? ভারত বেকায়দায় পড়বে বাংলাদেশের লাখ লাখ উদ্বাস্তু নিয়ে এবং বাংলাদেশে মুক্তিযোদ্ধারাও বিভক্ত হয়ে পড়তে পারেন। জনগণের ঐক্য নষ্ট করার জন্য পাকিস্তানিদের কিছু দালাল তো ছিলই। বাংলাদেশের জনগণের ভাগ্য ভালো যে সেসব কিছুই ঘটেনি। তার পরিবর্তে পাকিস্তানি বাহিনী ও তাদের দালালেরা বাংলাদেশের মানুষের ওপর আরও বেশি হিংস্রতা নিয়ে আক্রমণ চালায়। তবে যত বেশি বর্বরতা চালিয়েছে, বাংলার মানুষের স্বাধীনতার স্পৃহা তত শাণিত হয়েছে। বাংলার যুবসমাজের শপথ ছিল কোনো কিছুর বিনিময়েই তারা স্বাধীনতার প্রশ্নে আপস করবে না।
যার যা আছে তা-ই নিয়ে কারও নির্দেশের অপেক্ষায় না থেকে মুক্তিযোদ্ধারা শত্রুর মোকাবিলা করেছেন। কিন্তু প্রবাসী সরকারের কাজে বাস্তব কারণেই অনেক দুর্বলতা ছিল, ফাঁকফোকর ছিল। তাদের পক্ষে স্বাধীনভাবে অনেক কিছু করা সম্ভব ছিল না। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে জনমত গঠনে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বিভিন্ন দেশ সফর করেছেন, প্রবাসী সরকারের প্রধানমন্ত্রী বা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভারতের বাইরে কোথাও যেতে পারেননি। সাড়ে আট মাসের মধ্যে তাঁরা বাংলাদেশের কোনো জেলা বা মহকুমা সদরে এসেও মুক্তিযোদ্ধাদের সংগঠিত করতে পারেননি। ভারতের সীমান্তবর্তী কোনো কোনো শরণার্থী শিবির বা মুক্তিযুদ্ধ ক্যাম্পে প্রবাসী সরকারের নেতারা কখনো গেছেন, কিন্তু দেশের ভেতরে যেখানে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে প্রত্যক্ষ লড়াই চলছিল, সেখানে তাঁরা যেতে পারেননি। তাঁর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেই বলছি, মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল ওসমানী যুদ্ধক্ষেত্র থেকে বহু দূরে ভারতীয় ভূখণ্ডে ছিলেন এবং সাড়ে আট মাসে বাংলাদেশের কোনো সীমান্তবর্তী জেলাও সফর করেননি। এর ফলে সর্বস্বত্যাগী মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে প্রবাসী সরকারের দূরত্ব থেকে গিয়েছিল।
১৯৭৬ সালের ৪ জুলাই গৃহীত আমেরিকার ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে’র মতো ১০ এপ্রিল ১৯৭১ মুজিবনগরে ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’টি এক অমূল্য দলিল। আমেরিকার ঘোষণাপত্রটি ছিল খুবই সুচিন্তিত রচনা। তাতে ঘোষিত হয়েছিল সব মানুষ সমান—all men are created equal এবং স্রষ্টা তাদের কিছু হস্তান্তরের অযোগ্য অধিকার দিয়ে সৃষ্টি করেছেন—they are endowed by their Creator with certain inalienable rights। সেই অধিকারগুলোর কথাও সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছিল: জীবনের অধিকার, মুক্ত জীবনযাপনের অধিকার ও সুখ অন্বেষণের অধিকার—life, liberty and the pursuit of happiness।
গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম থেকেই আমাদের স্বাধীনতার জন্য মুক্তিযুদ্ধ শুরু। কিন্তু দুর্ভাগ্য, আমাদের ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রে’ গণতন্ত্রের চেয়ে সামন্ততান্ত্রিক একনায়কী চেতনারই প্রকাশ ঘটেছে। এই ঘোষণাপত্রটি যিনি বা যাঁরাই রচনা করুন না কেন, তাতে তাঁরা সামন্ততন্ত্রকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। আমাদের ঘোষণায় জনগণের সার্বভৌমত্ব নয়, জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত পার্লামেন্টের সার্বভৌমত্ব নয়, রাষ্ট্রপতিকে দেওয়া হয়েছিল সর্বময় বা সার্বভৌম ক্ষমতা। রাষ্ট্রপ্রধানকে সেই ক্ষমতা দেওয়া হয়েছিল, যা রাজতন্ত্রে রাজা ভোগ করেন। বিস্ময়কর সেই ঘোষণা, যেমন—
‘রাষ্ট্রপতি প্রজাতন্ত্রের সকল সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হইবেন, ক্ষমা প্রদর্শনের ক্ষমতাসহ প্রজাতন্ত্রের সকল নির্বাহী ও আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রাখিবেন, একজন প্রধানমন্ত্রী ও যেমনটি প্রয়োজন মনে করেন সেইরূপ অন্যান্য মন্ত্রী নিয়োগের ক্ষমতা তাহার থাকিবে, কর ধার্য ও আদায় করিবার এবং অর্থসমূহ ব্যয় করিবার ক্ষমতা থাকিবে, গণপরিষদ আহ্বান ও মুলতবি করিবার ক্ষমতা থাকিবে, বাংলাদেশের জনগণকে একটি সুশৃঙ্খল ও ন্যায়ানুগ সরকার দিবার জন্য যেরূপ প্রয়োজন হইবে সেইমত কার্য করিবেন।’
স্বাধীন বাংলাদেশে যে সামরিক-বেসামরিক একনায়কত্বের শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, তার বীজ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রেই রোপিত ছিল। আমেরিকার প্রতিষ্ঠাতা পিতাদের ঘোষণায় অধিকারের কথা—bill of rights ও অন্যান্য মানবাধিকারের বিষয় সুস্পষ্টভাবে বলা হয়: জনগণের সার্বভৌমত্ব, বাক ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, ধর্মীয় ও বিবেকের স্বাধীনতা, সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোটে সরকার বদলের অধিকার ও নতুন সরকার গঠনের ক্ষমতা, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নাগরিকদের হেবিয়াস কর্পাস রিট করার অধিকার, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, জামিন পাওয়ার অধিকার ও অপরাধীকে নমনীয় ও মানবিক শাস্তি প্রদান প্রভৃতি। আমাদের স্বাধীনতার ঘোষণায় ছিল না, তবে পরে সংবিধানে মৌলিক অধিকার এবং ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান’ এ কথা বলা হয়েছে।
নানা ত্রুটিবিচ্যুতি ও সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্ব একাত্তরে সীমিত সাধ্যে যে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাতে তাঁরা ইতিহাসের কাছে উতরে গেছেন। আমেরিকার স্বাধীনতা সংগ্রামের মতো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামেও রাজনৈতিক নেতৃত্বের অগ্রগামী ছিল আমাদের যুব নেতৃত্ব ও যুবসমাজ। রাজনৈতিক ও যুব নেতৃত্বের ঋণ অপরিশোধ্য। স্বাধীনতার জন্য আমরা আমাদের শ্রেষ্ঠ সন্তান কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ, সাংবাদিকদের হারিয়েছি। তাঁদের রক্তের ঋণও শোধ করা যাবে না। স্বাধীনতা রক্ত দিয়েই অর্জিত হয়, কথা দিয়ে নয়।
কোনো জাতির স্বাধীনতা সংগ্রামের চূড়ান্ত পর্যায়টি একজন নেতার নেতৃত্বেই পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও তাই। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানই ছিলেন সেই অবিসংবাদিত নেতা। কিন্তু সংগ্রামের বিভিন্ন পর্যায়ে বহু নেতা নেতৃত্ব দেন এবং জনগণের মধ্যে স্বাধীনতার স্পৃহা জাগিয়ে রাখতে ভূমিকা পালন করেন। এই ভূখণ্ডের মানুষের মধ্যে স্বশাসনের চেতনা ও স্বাধীনতার স্পৃহা অনির্বাণ রাখতে দুই শতাব্দীব্যাপী যাঁরা সাম্রাজ্যবাদ ও সামন্তবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন, তাঁদের স্মরণ না করে বিজয় দিবস উদ্যাপিত হতে পারে না। ইতিহাসের বিভিন্ন ধাপে বিভিন্ন এলাকায় নেতৃত্বের আবির্ভাব ঘটেছে। একেক নেতার একেক ধরনের ভূমিকা। তবে তাঁদের অভিন্নতা শুধু ওখানে যে তাঁরা সবাই এ অঞ্চলের মানুষকে স্বশাসনের অধিকার দিতে চেয়েছেন এবং বিতাড়িত করতে চেয়েছেন বিদেশি শাসক-শোষককে। তিতুমীর, নবাব সলিমুল্লাহ, ক্ষুদিরাম, সূর্য সেন, প্রীতিলতা, সুভাষ বসু, নজরুল, মওলানা ভাসানী এই ভূখণ্ডে স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সশস্ত্র ও সাংবিধানিক উপায়ে অবিস্মরণীয় ভূমিকা পালন করেছেন। তাঁদেরসহ আমরা সব বিখ্যাত ও অজ্ঞাত স্বাধীনতা সংগ্রামীর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই।
সৈয়দ আবুল মকসুদ: গবেষক, প্রাবন্ধিক ও কলাম লেখক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাজারদর নিয়ে ভাবনা -নিবিড়ভাবে দেশি-বিদেশি বাজার পর্যবেক্ষণ জরুরি
চাহিদা ও জোগানের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা দেখা দিলে তা অনিবার্যভাবে দামের ওপর প্রভাব ফেলে। সমস্যা হলো, বাংলাদেশে এখনো নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যগুলোর চাহিদা সম্পর্কে খুব ভালো ও হালনাগাদ কোনো তথ্য-উপাত্ত নেই। একইভাবে জোগান ও মজুদ-পরিস্থিতি সম্পর্কেও হালনাগাদ তথ্য নেই সরকারের কাছে। ফলে এক ধরনের তথ্যঘাটতির মধ্যে থাকতে হয় নীতিনির্ধারকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে। আর এটা অনেক সময় অসাধু ব্যবসায়ী-বিক্রেতারা কাজে লাগিয়ে থাকেন। ফলে দাম বেড়ে যায় নিয়ন্ত্রণহীনভাবে। এটা নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব সরকারেরই। চাহিদা-জোগান, উত্পাদন-মজুদ ইত্যাদি বিষয়ে তথ্য-উপাত্ত হালনাগাদ করাসহ নিবিড়ভাবে দেশি-বিদেশি বাজার পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজনীয়তা অনেক দিন ধরেই অনুভূত হচ্ছে। কাজটি সরকার যত দ্রুত করবে তত মঙ্গল।
এদিকে প্রথম আলোর আরেকটি খবরে জানা যায়, বাণিজ্যমন্ত্রী ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) মাধ্যমে মালয়েশিয়া থেকে পামতেল আমদানির কথা ঘোষণা করেছেন। এ ধরনের ঘোষণা দেওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল বলে মনে হয় না। কারণ, গত এক বছরে চিনি, পেঁয়াজ, ডালসহ বিভিন্ন পণ্য টিসিবি আমদানি করবে বলে ঘোষণা দেওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত তার বেশির ভাগই বাস্তবায়িত হয়নি। আর এর সুযোগ নিয়েছেন ব্যবসায়ী-আমদানিকারকেরা। এতে কিছুটা কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে, দাম বেড়েছে। তাই বাজারদর নিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী যত কম কথা বলেন ততই ভালো।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর নির্দেশ -দলের লোকজনকে সামলানো গেলে টেন্ডারবাজি কমে আসবে
মহাজোট ক্ষমতায় আসার পর সর্বোচ্চ মহল থেকেও টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করা হয়েছিল। তাতে যে একেবারে কাজ হয়নি, তা নয়। বিশেষ করে, বছরের প্রথম দিকে সরকার-সমর্থক ছাত্রসংগঠনটির চাঁদাবাজি ও দখলবাজি বেপরোয়া রূপ নিলে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন। এরপর ছাত্র সংঘর্ষ ও চাঁদাবাজির ঘটনা কমে এলেও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যাদেশ নিয়ে টেন্ডারবাজির ঘটনা চলতে থাকে। সে ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর এই হুঁশিয়ারির প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা যাবে না।
তবে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী যে নির্দেশ দিয়েছেন, তার বাস্তবায়নই বড় কথা। সরকারকে এটা প্রমাণ করতে হবে, যারাই টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর মনোভাব বজায় রাখতে পারছে। কিছু উদাহরণ সৃষ্টি করা গেলে তা এক ধরনের সতর্কসংকেত হিসেবে কাজ করবে। দলের মধ্যে কেউ কেউ এ ধরনের কিছু করতে চাইলেও সাবধান হয়ে যাবে। মন্ত্রী সরকারি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়ে তাঁদের দায়িত্বসচেতন করেছেন—এটি নিশ্চয়ই ভালো পদক্ষেপ। এখন দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারলে পরিস্থিতি অনেকটাই সামলে রাখা যাবে।
দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, তারা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজিতে সক্রিয় হয়। বাস্তব কারণেই বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের পক্ষে সেটি সম্ভব নয়। অতএব ‘টেন্ডারবাজ-চাঁদাবাজ যে দলেরই হোক’ মনোভাব বাদ দিয়ে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধেই কঠোর অবস্থান বাঞ্ছনীয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের দায়িত্বও কম নয়। তাঁরা যদি প্রশ্রয় না দেন, দলীয় নেতা-কর্মীরা টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজিতে সুবিধা করতে পারেন না। একশ্রেণীর কর্মকর্তা বখরা পাওয়ার আশায় দলীয় চাঁদাবাজদের আশকারা দিয়ে থাকেন। এ ধরনের মনোবৃত্তি পরিহার করতে হবে।
মন্ত্রীর নির্দেশ যথাযথভাবে পালিত হবে—সেটাই প্রত্যাশিত। এখন থেকে কোনো সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কাজে টেন্ডারবাজি-চাঁদাবাজি হবে না—এই নিশ্চয়তা সরকারকেই দিতে হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
December
(699)
-
▼
Dec 16
(21)
- যুক্তরাষ্ট্রের হুমকির মুখে লাতিন আমেরিকা: শাভেজ
- মহাসাগরে ভেঙে গেছে দ্বীপের সমান এক হিমশৈল!
- মহাসাগরে ভেঙে গেছে দ্বীপের সমান এক হিমশৈল!
- অস্ত্র কিনতে আফিম উত্পাদন বাড়িয়েছে মিয়ানমারের বিদ্...
- পরমাণু বোমা তৈরির চেষ্টা করছে ইরান -গোয়েন্দা দলিলে...
- জলবায়ু সম্মেলনকে ব্যর্থ হিসেবে ঘোষণা করলেন রাউল কা...
- কোপেনহেগেনে আরও দুই শতাধিক বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার
- মার্কিন কংগ্রেসে এক লাখ কোটি ডলারের ব্যয় প্রস্তাব ...
- মৃত্যুদণ্ড এড়াতে এফবিআইকে তথ্য সরবরাহ করছেন হেডলি?
- প্রিন্স উইলিয়ামের হাতে দাপ্তরিক কাজের দায়িত্ব হস্ত...
- লড়াইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব চান সোয়ার্জনিগার -জল...
- রাজধানীতে ছয় দিনব্যাপী আসবাবপত্র মেলা শুরু
- দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে অর্থ-সহায়তা দিতে আগ্...
- রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানির আয় ও মুনাফা ব...
- যুবরাজকে নিয়ে ভারতের দুশ্চিন্তা
- ইংল্যান্ড সিরিজ পর্যন্ত সাকিবই অধিনায়ক!
- প্রধান বিচারপতির ১৯ মাস -সরল গরল by মিজানুর রহমান খান
- ন্যায্য, উচ্চাভিলাষী ও বাধ্যবাধকতার চুক্তি -জলবায়ু...
- স্বশাসনের স্পৃহা, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ ...
- বাজারদর নিয়ে ভাবনা -নিবিড়ভাবে দেশি-বিদেশি বাজার পর...
- স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর নির্দেশ -দলের লোকজনকে সামলান...
-
▼
Dec 16
(21)
-
▼
December
(699)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...