Monday, January 27, 2025
আবার যেন জন্ম নিলাম, আবার জয় পেলাম: উত্তর গাজার জনস্রোতে শামিল ফিলিস্তিনি নারী
গাজার মধ্যাঞ্চলের ওপর দিয়ে যাওয়া ওই পথটি আজ সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় প্রথম খুলে দেওয়া হয়। সকাল ৯টায় তা দ্বিতীয় ধাপে খুলে দেওয়ার কথা ছিল। এর আগেই পথটি দিয়ে ২ লাখের বেশি ফিলিস্তিনি উত্তরে প্রবেশ করেছেন বলে গাজার স্থানীয় কর্তৃপক্ষের বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
১৫ মাসের বেশি সময় ধরে চলা ইসরায়েলের নির্বিচার হামলায় উত্তর গাজা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। তারপরও নিজেদের বাড়িতে ফিরতে আপত্তি নেই সেখানকার বাসিন্দাদের। এক ফিলিস্তিনি নারী বিবিসিকে বলেন, ‘বাড়ি ফিরতে পেরে আমরা খুব খুশি। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া। মনে হচ্ছে, আবার যেন নতুন করে জন্ম নিলাম। আমরা আবার জয় পেয়েছি।’
এর আগে সপ্তাহান্তে ইসরায়েল দাবি করে—চুক্তি অনুযায়ী হামাস বেসামরিক জিম্মি আরবেল ইয়েহুদকে মুক্তি দিতে ব্যর্থ হয়েছে। এরপর উত্তর গাজায় যাওয়ার পথটি বন্ধ করে দেয় তারা। পরে গতকাল রাতে কাতারের মধ্যস্থকারীরা জানান, শুক্রবারের আগে ইয়েহুদসহ দুই জিম্মিকে মুক্তি দিতে রাজি হয়েছে হামাস। তাই সোমবার থেকে ইসরায়েলও বন্ধ রাখা পথটি খুলে দেবে।
তিন জিম্মিকে মুক্তি দেওয়া হচ্ছে—তা নিশ্চিত করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও। তাঁর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘চুক্তির কোনো ধরনের লঙ্ঘন সহ্য করা হবে বলে আবার জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জীবিত ও মৃত—আমাদের সব জিম্মিদের ফিরিয়ে আনার জন্য আমরা কাজ করে যাব।’
কাতার ও মিসরের মধ্যস্থতা অনুযায়ী, মধ্য ও দক্ষিণ গাজায় অবস্থান করা প্রায় ৬ লাখ ৫০ হাজার ফিলিস্তিনিকে উত্তরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। ১৫ মাসের বেশি সময় রক্তক্ষয়ের পর ১৯ জানুয়ারি গাজায় যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে রাজি হয় ইসরায়েল ও হামাস। দীর্ঘ এই সময়টিতে উপত্যকাটিতে ইসরায়েলের হামলায় ৪৭ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। অপর দিকে ইসরায়েলে হামাসের হামলায় নিহত হন প্রায় ১ হাজার ২০০ মানুষ। একই সঙ্গে দেশটি থেকে প্রায় আড়াই শ জনকে বন্দী করে গাজায় নিয়ে যান হামাস সদস্যরা।
| গাজার উত্তরাঞ্চলে নিজেদের বাড়িতে ফিরছেন লাখ লাখ ফিলিস্তিনি ছবি: রয়টার্স |
![]() |
| পথে যত দূর দেখা যায় মানুষ আর মানুষ ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এস আলমের তিন বাড়িতে সুনসান নীরবতা, বন্ধ বাংলোবাড়ির কাজ by সানাউল্লাহ সাকিব ও ফাহিম আল সামাদ
এদিকে চট্টগ্রামের পটিয়ার আজিমপুরে প্রায় ৫০ একর জমির ওপর বিলাসবহুল বাংলোবাড়ি নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন এস আলম। সরকার পতনের পর এক মাস পর্যন্ত এর নির্মাণকাজ চলছিল। এরপর তা বন্ধ হয়ে গেছে। সেখানে এস আলমের সাত ভাইয়ের জন্য সাতটি বাড়ির মূল কাঠামো তৈরি হয়ে গেছে। পাশাপাশি প্রতিটি বাড়ির সঙ্গে লাগোয়া লেকের জন্যও কাঠামো প্রস্তুত হয়েছে। তাঁদের চারটি বাড়ি সরেজমিন পরিদর্শনে ও স্থানীয় মানুষের সঙ্গে কথা বলে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
কে এই এস আলম
সাইফুল আলমের জন্ম ১৯৬০ সালে চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায়। তাঁর বাবা মোজাহেরুল আনোয়ার ও মা চেমন আরা বেগম। সাত ভাই ও পাঁচ বোনের মধ্যে এস আলম চতুর্থ। তাঁর মামা শিল্পপতি আখতারুজ্জামান চৌধুরী, সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী তাঁর মামাতো ভাই। মামার সহযোগিতা নিয়ে ১৯৮৫ সালে কর্ণফুলী নদীর তীরে তিনি ব্যবসা শুরু করেন।
পটিয়ার স্থানীয় লোকজন জানান, টিনের এজেন্ট হিসেবে যাত্রা করে পরিবহন ব্যবসা শুরু করেন তিনি। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠা করেন সিমেন্ট, ভেজিটেবল অয়েল, স্টিল, কুলার রিলিফ, চিনি পরিশোধনাগার কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ আরও অনেক ব্যবসা। ২০০৪ সালে সিকদার গ্রুপের কাছ থেকে ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ যায় এস আলম গ্রুপের কাছে। তখন থেকে এই ব্যাংকের চেয়ারম্যান সাইফুল আলম নিজেই, পাশাপাশি আভিভা ফাইন্যান্সের চেয়ারম্যান ছিলেন। ২০১৪ সালের নির্বাচনের পর ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অতি ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন তিনি। ২০১৬-১৭ সালের মধ্যে একে একে ইসলামী ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ব্যাংক ও কমার্স ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণ নেন। পাশাপাশি ইউনিয়ন ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক, আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকও তাঁর পরিবারের নিয়ন্ত্রণে যায়। এ সুযোগে ৯ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় ২ লাখ কোটি টাকা বের করে নেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গড়ে তোলেন সম্পদ। ব্যাংক দখল ও ঋণ নিতে ব্যবহার করেন নিজের পরিবারের সদস্য ও তাদের ছেলেমেয়ে ও জামাইদের নাম ব্যবহার করা হয়। ফলে পুরো পরিবারকে অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছে। যদিও এস আলমের ভাইদের মধ্যে আবদুস সামাদ ওরফে লাবু ছাড়া অন্যরা ব্যবসায় তেমন সক্রিয় নন। আবদুস সামাদ লাবু ছিলেন আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান। সরকার পরিবর্তনের পর সব ব্যাংক এস আলমের নিয়ন্ত্রণমুক্ত করা হয়েছে, গ্রাহকদের টাকা পেতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এসব ব্যাংকের প্রকৃত ক্ষত ও টাকার গন্তব্য বের করতে কাজ করছে তিন বৈশ্বিক হিসাবরক্ষণ ফার্ম। সেই ফার্মগুলো হলো ইওয়াই, ডেলয়েট ও কেপিএমজি।
অন্যদিকে নিজেকে এখন সিঙ্গাপুরের নাগরিক দাবি করেছেন এস আলম গ্রুপের কর্ণধার মোহাম্মদ সাইফুল আলম। বাংলাদেশ ব্যাংক এস আলম গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে যে ‘ভীতি প্রদর্শনমূলক ব্যবস্থা’ নিচ্ছে, এর পরিপ্রেক্ষিতে সিঙ্গাপুরের নাগরিক হিসেবে ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ চুক্তির আলোকে তাঁর সুরক্ষা প্রাপ্য বলে মনে করেন সাইফুল আলম। এ বিষয়ে সাইফুল আলম ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের পক্ষে আইনি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ব্যাংককে চিঠি দিয়েছে। সিঙ্গাপুরের আইনে কেউ নাগরিক হলে অন্য দেশের নাগরিকত্ব ছাড়তে হয়। ফলে এস আলমও একই পথে হেঁটেছেন বলে সূত্র নিশ্চিত করেছে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক মইনুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় ব্যাংক লুটপাট করেছেন এস আলম। দেশে তাঁর বাড়ি, কলকারখানাসহ যেসব সম্পদ আছে, তা ক্রোক করলেও লুটপাটের ১০ শতাংশ অর্থ আদায় হবে না। দেশের নাগরিকত্ব ত্যাগ করে সাইপ্রাস ও সিঙ্গাপুরের নাগরিকত্ব নিয়েছেন তিনি। ফলে বাংলাদেশ সরকার চাইলেও তাঁর বিরুদ্ধে কতটা ব্যবস্থা নিতে পারবে বা অর্থ উদ্ধার করতে পারবে, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে। এ জন্য যেসব দেশে তাঁর সম্পদ রয়েছে, সরকারকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়ে অর্থ আদায়ের পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ছাড়া সময়ক্ষেপণ ও টাকা খরচ ছাড়া আর কিছুই হবে না।’
শূন্য পটিয়ার বাড়ি
পটিয়া উপজেলা থেকে ৬৫০ মিটার দূরত্বে এস আলমের আদি নিবাস। গত বুধবার সেখানে গিয়ে দেখা গেল, চারতলা বাড়ির সামনে বড় পুকুরের সঙ্গে বাঁধানো ঘাট। পুকুরের পাড়ে বাড়ির নিরাপত্তা প্রহরীদের বসার ব্যবস্থা। বাড়ির ভেতরে নারকেলগাছ ও দেশীয় ফলের একাধিক গাছ। বাড়িতে তালা ঝোলানো, কথা বলার কেউ নেই। বাড়ির সামনের সড়কটির পটিয়া পৌরসভার উদ্যোগে সরকারিভাবে নামকরণ করা হয়েছে ‘এস আলম বাড়ি সড়ক’। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে সড়কটি উদ্বোধন করেন পটিয়া পৌরসভার মেয়র হারুনুর রশিদ, ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোফরান রানা ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর ইয়াছমিন আকতার।
আমরা যখন বাড়ির সামনে গিয়ে ছবি তোলার চেষ্টা করলাম, তখন আশপাশের অনেকেই এগিয়ে এলেন। তবে তাঁরা কেউ নিজেদের নাম বলতে রাজি হলেন না। তাঁদের কাছে জানতে চাইলাম, এটি কার বাড়ি। স্থানীয় ভাষায় তাঁদের সারল্য জবাব, ‘এস আলম সাহেবের।’ তাঁরা জানান, অনেক আগে গ্রামে এলেও করোনাভাইরাসের পর গ্রামে যাননি। যেবারেই গেছেন, প্রতিবার অনেক মানুষ তাঁর কাছে সাহায্যের জন্য এসেছেন। তাঁদের অনেকেই সাহায্য পেয়েছেন। এখন শোনা যাচ্ছে, এস আলম অনেক মানুষের টাকা মেরে পালিয়েছেন। দেশের নাগরিকত্ব ছেড়ে দিয়েছেন।
এস আলমের গ্রামের বাড়ির ২০০ মিটারের মধ্যে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী ও ইসলামী ব্যাংকের সাবেক উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আকিজ উদ্দিনের বাড়ি। চারতলা বাড়িটিতে কেউ নেই। মা, স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে দেশ ছেড়েছেন তিনিও।
নগরীর বাড়িতেও একই চিত্র
এস আলম পটিয়া থেকে চট্টগ্রামে ব্যবসা শুরুর পর নগরীতে বাড়ি তৈরি করেন। বৃহস্পতিবার সকালে আমরা গেলাম চট্টগ্রাম শহরের সুগন্ধা আবাসিক এলাকায় এক নম্বর সড়কের এস আলম হাউসে। সাততলা বাড়ির প্রধান ফটক আটকানো। বাড়ির ফটকের কড়া নাড়তেই সাহাব উদ্দিন নামের একজন খুললেন। স্থানীয় ভাষায় কথা বলা শুরু করলে তিনি প্রহরীর কক্ষে বসতে দিলেন। কথা প্রসঙ্গে জানান, সাত ভাইয়ের জন্য সাততলা বাড়ি তৈরি করা হয়েছে। তিনতলায় থাকতেন এস আলম। পাশের দোতলা ভবনে নিরাপত্তাকর্মী, চালক ও অতিথিদের রাতে থাকার ব্যবস্থা আছে। এখন দুটো বাড়ির পুরোটাই ফাঁকা। দুজন গৃহকর্মী বাড়ি পরিষ্কার করার জন্য রয়েছেন। দেখা গেল, বাড়ির নিচে একটি গাড়ি ঢাকা দেওয়া আছে। আরেকটি গাড়ি সমস্যা দেখা দেওয়ায় চালক তা ওয়ার্কশপে নিয়ে গেছেন বলে জানা গেল। আরও কয়েকটি গাড়ি ছিল, সেগুলো সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
সেখানে প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেল, এস আলম সেই বাসায় এলে পুরো সড়কে চাকরির জন্য জীবনবৃত্তান্ত নিয়ে শিক্ষার্থীদের লম্বা লাইন পড়ে যেত। আগে দিনে কমপক্ষে ২০০ মানুষের খাবার তৈরি হতো বাড়িটিতে। নিরাপত্তার জন্য ছিলেন ১০ জন আনসার সদস্য। এ ছাড়া কাজ করতের আরও ১০ থেকে ১৫ জন কর্মচারী। সরকার পরিবর্তনের পর সবই বন্ধ হয়ে যায়। চলে যান আনসার সদস্য ও অন্যরাও।
ঢাকার বাড়িও ফাঁকা
আজ সোমবার আমরা গেলাম রাজধানীর বনানী ডিওএইচএসের মসজিদ সড়কের এস আলমের বাসায়। ৯২ নম্বর বাড়িটির দ্বিতীয় তলায় দুটি ফ্ল্যাট আছে পরিবারটির। প্রতিটির আকার ৩ হাজার ৫০০ বর্গফুট। একটিতে থাকতেন এস আলম নিজে, আরেকটিকে তাঁর জামাই ও সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান বেলাল আহমেদ।
বাড়িটির একাধিক প্রতিবেশী জানান, বাসার নিচে তাঁদের দুটি গাড়ি রাখার ব্যবস্থা আছে। দেখা গেল, একটি মিতসুবিশি এক্সপান্ডার সেখানে পড়ে রয়েছে। আরেকটি সাদা রঙের বিএমডব্লিউ গাড়ি ছিল, সেটি সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
বাসার নিরাপত্তাকর্মী মো. সেলিম জানান, দুই বাসায় কেউ নেই। গত অক্টোবরে এস আলমের মা চেমন আরা বেগম এই বাসাতেই মারা যান। তখন কয়েকজন গৃহকর্মী ও কর্মচারী ছিল। সরকার পতনের দুই মাস আগে এস আলম ও তাঁর জামাই এসেছিলেন। এরপর তাঁদের পরিবারের কেউ বাসায় যাননি। মা মারা যাওয়ার পর পুরো বাসাই ফাঁকা। এমনকি বাসার সার্ভিস চার্জ কেউ দিতে আসছেন না, অর্থ বিকাশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন।
প্রতিবেশীরা জানান, এস আলমের এই বাসায় সরকারের উচ্চপর্যায়ের অনেকের যাতায়াত ছিল। আগে নিয়মিত বসবাস করলেও ২০১৮ সালের পর তিনি দেশে এলে দু–তিন দিনের বেশি থাকতেন না। তখন দেখা করার জন্য বাসায় মানুষের লাইন পড়ে যেত।
বন্ধ পটিয়ার বাংলোবাড়ির কাজ
গত বুধ ও বৃহস্পতিবার দুই দফায় আমরা গেলাম পটিয়া থেকে ১০ কিলোমিটার দূরত্বে আজিমপুরে। সেখানে প্রায় ৫০ একর জমিতে গড়ে তোলা হচ্ছে এস আলমের বাংলোবাড়ি। সড়কের এক পাশে বাড়ি, অপর পাশে মসজিদ ও গোরস্থানের জন্য রাখা জায়গা। বাংলোবাড়িতে গিয়ে দেখা গেল তালা ঝুলছে। বাংলোবাড়িতে এস আলমের সাত ভাইয়ের জন্য রয়েছে সাতটি বাড়ি। এর মধ্যে এস আলমের নিজের জন্য তৈরি করা বাড়িটি চারতলাবিশিষ্ট। প্রতিটি তলার আকার ১৫ হাজার বর্গফুট। অন্যগুলো সাড়ে তিন হাজার বর্গফুটের ডুপ্লেক্স বাড়ি। প্রতিটি বাড়ির সঙ্গে রয়েছে লেক। প্রস্তাবিত বাংলোবাড়ির সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ এলাকায় গড়ে উঠেছে এই ৭টি বাড়ি। বাকি জায়গা ফাঁকা রয়েছে।
জানা গেল, ২০২০ সালে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়। শুরুর দিকে মাটি ভরাট ও জমির সীমানা নির্ধারণ করতেই অনেক সময় চলে যায়। এরপর চট্টগ্রাম ও পটিয়ার চারটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে কাজটি দেওয়া হয়। এর মধ্যে কয়েকবার এস আলম তাঁর পরিবার নিয়ে সেখানে বনভোজন করেন। ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর এক মাস পর্যন্ত কাজ চলে। এরপর বিল না পেয়ে কাজ বন্ধ হয়ে যায়। প্রতিদিন প্রায় ২০০ শ্রমিক সেখানে কাজ করতেন। এখন শুধু চারজন নিরাপত্তারক্ষী রয়েছেন।
বাংলোবাড়ির সামনে মুদিখানার দোকান করেন মো. তৌহিদ। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, আগে দিনে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকার খাবার বিক্রি হতো। এখন তা কমে এক হাজারের নিচে নেমে এসেছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলি সেনার গুলিতে বিদ্ধ শৈশব, দু’বছরের লায়লার নিষ্প্রাণ দেহ আঁকড়ে মা
এক বিবৃতিতে, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে যে লায়লা আল-খতিব শনিবার উত্তর দখলকৃত পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে ইসরাইলি বাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর ‘গুরুতর ক্ষত’র কারণে মারা যায়। ইসরাইলি হামলায় মেয়েটির অন্তঃসত্ত্বা মা-ও সামান্য আহত হয়েছেন।
ইসরাইলি সামরিক বাহিনী বলেছে যে, তারা ঘটনাটি তদন্ত করছে এবং ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের উপস্থিতি সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর তাদের সৈন্যরা একটি ভবনে গুলি চালায়। সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় আল-খতিবের দাদী বলেন, গোটা পরিবার যখন রাতের খাবার খাচ্ছিলো তখন হামলা চালায় ইসরাইলি বাহিনী।
তিনি বলেন, মেয়েটি তার মায়ের একমাত্র সন্তান ছিল। ঘটনার পর জেনিনে লায়লার ছবি-সহ বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। বিশ্ব জুড়ে সমাজমাধ্যমে প্রতিবাদ জানাচ্ছেন নেটাগরিকরা। অভিযোগ বেছে বেছে ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চলগুলিকে নিশানা করছে ইসরাইলি বাহিনী।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে যে, পশ্চিম তীরে বালাতা শরণার্থী শিবিরে অভিযানের সময় ইসরাইলি বাহিনীর হাতে গুলিবিদ্ধ হন আহমদ মাহমুদ হাশাশ-কে (৪২)। ইসরাইলি সেনাবাহিনী সাম্প্রতিক বছরগুলিতে জেনিনে একাধিক অভিযান চালিয়েছে। গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাত্র একদিন পরেই ইসরাইল অভিযান চালায়।
ইতিমধ্যেই ১৫ মাস ধরে চলা ইসরাইলি হামলায় ৪৭ হাজরেরও বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের দাবি, লুকিয়ে থাকা যোদ্ধাদের খোঁজেই নাকি ওই অভিযান! সোমবার সর্বশেষ ইসরাইলি হামলা শুরু হওয়ার আগে, ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের নিরাপত্তা বাহিনী, যারা ইসরাইল-অধিকৃত পশ্চিম তীরে সীমিত স্ব-শাসন অনুশীলন করে, জেনিনে নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করার জন্য এক সপ্তাহব্যাপী অভিযান চালিয়েছিল। প্রাণহানির পাশাপাশি, ইসরাইলি সেনাবাহিনীর অভিযানে প্রধান সড়ক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। মানুষের বাড়িঘর ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
সূত্র : আলজাজিরা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাসিন্দাদের অন্য দেশে পাঠিয়ে গাজা খালি করতে চান ট্রাম্প
যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, তিনি চান গাজার আরও ফিলিস্তিনিদের মিসর ও জর্ডান আশ্রয় দেবে। বিষয়টি নিয়ে তিনি জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন। রোববার (আজ) মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গেও এ নিয়ে কথা বলবেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমি চাই মিসর (গাজা থেকে) আরও মানুষ (ফিলিস্তিনি) নিয়ে যাক। আপনারা সম্ভবত ১৫ লাখ মানুষের কথা বলছেন। তাদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে গাজা খালি করতে হবে আমাদের।’
জর্ডানের বাদশাহর সঙ্গে কথা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহকে তিনি বলেছেন, ‘আমি খুশি হব, যদি আপনি আরও বেশি করে (ফিলিস্তিনিদের) আপনাদের দেশে আশ্রয় দেন। কারণ, গাজা উপত্যকা এখন সত্যিকার অর্থেই একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।’
ট্রাম্প বলেন, গাজার এসব বাসিন্দাকে সাময়িক সময়ের জন্য অথবা স্থায়ীভাবে এসব দেশে সরিয়ে নেওয়া যেতে পারে। সত্যিকার অর্থে এটা (গাজা) এখন একটি ধ্বংসযজ্ঞ। প্রায় সবই ধ্বংস হয়েছে। মানুষ মারা যাচ্ছে।
তবে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেছে গাজার সশস্ত্র প্রতিরোধ সংগঠন প্যালেস্টাইনিয়ান ইসলামিক জিহাদ (পিআইজে)। গাজার শাসকগোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে মিলে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিরোধযুদ্ধ করে আসা এই সংগঠনটি বলেছে, ফিলিস্তিনিদের তাদের নিজ ভূখণ্ড ছেড়ে যেতে বাধ্য করতে ট্রাম্পের এমন মন্তব্য যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ উসকে দেওয়ার শামিল।
ইসলামিক জিহাদ বলছে, ইহুদিবাদী ইসরায়েল যে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে চায়, তার সঙ্গে ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের মিল রয়েছে। এটা ফিলিস্তিনের মানুষের অধিকারের চরম লঙ্ঘন। ট্রাম্পের এমন অবান্তর প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করতে মিসর ও জর্ডানের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।
গাজার বাসিন্দা প্রায় ২৩ লাখ। ট্রাম্পের এ মন্তব্যকে গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত বলে মনে করেন কাতারে অবস্থিত জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক আল-আরিয়ান। তিনি আল-জাজিরাকে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টের এ ধরনের মন্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে নেওয়া উচিত। কারণ, আমরা দেখেছি বিগত দেড় বছর ধরে এমন দাবি তোলা হচ্ছে। এ ছাড়া গাজা যুদ্ধের শুরুতেও ইসরায়েলের কর্মকর্তারা যতটা সম্ভব ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।’
ইতিহাসবিদেরা বলছেন, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের অন্য কোথাও সরে যেতে বাধ্য করা হলে নাকবার (মহাবিপর্যয়) মতো কালো অধ্যায়ের পুনরাবৃত্তি ঘটবে। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনের ভূখণ্ড দখল করে ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সময় লাখ লাখ ফিলিস্তিনিকে ঘরবাড়ি ছেড়ে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা হয়েছিল।
ইসরায়েল পাচ্ছে ২০০০ পাউন্ডের বোমা
ইসরায়েলকে ২০০০ পাউন্ডের বোমা সরবরাহে সদ্য সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের দেওয়া স্থগিতাদেশ তুলে নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র শনিবার রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
ট্রাম্পও বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ট্রাম্প তাঁর মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে লিখেছেন, ‘এমন অনেক জিনিস, যা ইসরায়েল চেয়েছিল, অর্থও দিয়েছিল; কিন্তু বাইডেন সরবরাহ করেননি। সেগুলো এখন ইসরায়েলের পথে রয়েছে।’
ইসরায়েল সরকার বেসামরিক মানুষের ওপর, বিশেষ করে গাজার রাফা শহরের আশ্রয় নেওয়া লাখো উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনের ওপর এ বোমা দিয়ে হামলা করতে পারে, এ আশঙ্কা থেকে বাইডেন এই বোমা ইসরায়েলকে সরবরাহ করা থেকে বিরত ছিলেন।
ফিলিস্তিনিদের বাড়ি ফিরতে বাধা
যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করছে হামাস—এমন অভিযোগ তুলে ইসরায়েলি সেনারা গাজার একটি প্রধান সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এর ফলে হাজার হাজার বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি এ উপত্যকার উত্তরাঞ্চলে নিজেদের বাড়িঘরে ফিরতে পারছেন না।
শনিবার হামাস তাদের হাতে জিম্মি চার ইসরায়েলি নারী সেনাকে মুক্তি দেয়। এর বিনিময়ে ২০০ ফিলিস্তিনি কারাবন্দীকে মুক্তি দেয় ইসরায়েল। এরপরই দেশটি ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠনটির বিরুদ্ধে চুক্তির শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে।
ইসরায়েল বলছে, হামাসের হাতে জিম্মি বেসামরিক ইসরায়েলি আরবেল ইয়াহুদের মুক্তির যে পরিকল্পনা, সেটি কার্যকর না হওয়া পর্যন্ত গাজার বাসিন্দাদের উত্তর দিকে যেতে দেওয়া হবে না।
গত সপ্তাহে গাজায় যুদ্ধবিরতি চুক্তি কার্যকর হয়। এরপরই উদ্বাস্তু ফিলিস্তিনিরা তাঁদের বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছেন। শনিবার সন্ধ্যায় এমনই একদল ফিলিস্তিনি নিজেদের বাড়িতে ফিরতে মধ্য গাজার আল-রশিদ সড়কে ইসরায়েলের চেকপয়েন্টের কাছে জড়ো হন। এ সময় সেখানে গুলিতে একজন নিহত ও কয়েকজন আহত হন।
গাজার উত্তরাঞ্চলে বাড়িঘরে ফিরতে শনিবার ভোর থেকে যাঁরা জড়ো হয়েছিলেন, তাঁদের একজন মোহাম্মদ ইমাদ আল-দিন। তিনি বিবিসিকে বলেন, ‘আমি জানি, হয়তো আমার বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে। তবে যা কিছু অবশিষ্ট আছে, তার ওপরই আমি তাঁবু টানাব। আমি শুধু ফিরতে চাই।’
গাজা খালি করার ট্রাম্পের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করল মিসর, জর্ডান ও হামাস
ফিলিস্তিনের যুদ্ধকবলিত গাজার বাসিন্দাদের মিসর ও জর্ডানের আশ্রয় দেওয়া উচিত বলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে আহ্বান জানিয়েছিলেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছে দেশ দুটি। ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও ট্রাম্পের আহ্বানকে প্রত্যাখ্যান করেছে।
ইসরায়েলি বাহিনীর নির্বিচার হামলার মুখে হাজারো মানুষের প্রাণহানি ও চরম মানবিক সংকটে থাকা গাজার জন্য এটা সাময়িক নাকি স্থায়ী সমাধান, ট্রাম্পের কাছে এটা জানতে চাওয়া হয়েছিল। জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘হতে পারে।’
জর্ডান এরই মধ্যে লাখো ফিলিস্তিনিকে আশ্রয় দিয়ে রেখেছে। মিসরেও হাজারো ফিলিস্তিনি তাঁবুতে বসবাস করেন। মিসর, জর্ডান ও অন্যান্য আরব দেশ গাজার ফিলিস্তিনিদের তাদের দেশে সরিয়ে নেওয়ার ট্রাম্পের চিন্তাভাবনা খারিজ করে দিয়েছে। গাজা ভূখণ্ডের ফিলিস্তিনিরা ভবিষ্যতের ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের অংশ হিসেবে থাকতে চাইছেন।
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোতরিচ দীর্ঘদিন ধরে ইহুদি বসতি স্থাপনাকারীদের গাজায় যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছেন। তিনি ট্রাম্পের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, ‘এটা দারুণ একটা ধারণা।’ এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে তিনি পরিকল্পনা করবেন বলেও জানান। যদিও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বরাবর বেজালেলের এমন উদ্যোগের বিরোধিতা করেছেন।
হামাসের একজন কর্মকর্তা দীর্ঘদিন ধরে ফিলিস্তিনিদের তাদের বাড়িঘর থেকে স্থায়ীভাবে বিতাড়িত হওয়ার আশঙ্কার কথা বলে আসছেন। হামাসের রাজনৈতিক ব্যুরোর সদস্য বাসেম নাইম রয়টার্সকে বলেন, ফিলিস্তিনিরা এমন কোনো প্রস্তাব কিংবা সমাধান মেনে নেবে না। এমনকি যদি পুনর্গঠনের মতো ভালো উদ্দেশ্যের কথা বলা হয়, যেমনটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, তবুও গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
হামাসের আরেক কর্মকর্তা সামি আবু জুহরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে তাঁর পূর্বসূরি জো বাইডেনের ‘ব্যর্থ’ ধারণাগুলোর পুনরাবৃত্তি না করার অনুরোধ করেছেন।
রয়টার্সকে সামি আবু জুহরি বলেন, গাজার জনগণ নির্বিচার মৃত্যু সহ্য করেছে এবং তাদের মাতৃভূমি ছেড়ে যেতে অস্বীকার করেছে। অন্য যেকোনো কারণেও তারা গাজা ছেড়ে যাবে না।
জর্ডানের তরফ থেকেও ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি সাংবাদিকদের বলেন, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের যেকোনো স্থানচ্যুতির বিরুদ্ধে তাঁর দেশের ‘দৃঢ় ও অটল’ অবস্থানে রয়েছে।
মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও একই অবস্থান নিয়েছে। দেশটি বলেছে, ফিলিস্তিনিদের নিজ ভূমি থেকে স্থানচ্যুতিকে স্পষ্টভাবে প্রত্যাখ্যান করে মিসর। সেটা স্বল্পমেয়াদে হোক, কিংবা দীর্ঘমেয়াদে।
ফিলিস্তিনের পশ্চিমা-সমর্থিত প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসও ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের মানুষেরা অবিচল থাকবে এবং মাতৃভূমি ত্যাগ করবে না।’ ফিলিস্তিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম ওয়াফা আব্বাসের এই মন্তব্যের একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।
ফিলিস্তিনি বিশ্লেষক ঘাসান আল-খাতিব বলেন, ‘পশ্চিম তীর ও গাজার ফিলিস্তিনিরা, সেই সঙ্গে জর্ডান ও মিসরীয়রা ট্রাম্পের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। আমি মনে করি না বাস্তবে এমন ধারণার কোনো জায়গা আছে।’
জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে গত শনিবার কথা হয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, বাদশাহ আবদুল্লাহকে তিনি বলেছেন, ‘আমি খুশি হব, যদি আপনি আরও বেশি করে (ফিলিস্তিনিদের) আপনাদের দেশে আশ্রয় দেন। কারণ, গাজা উপত্যকা এখন সত্যিকার অর্থেই একটি ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।’
ট্রাম্প বলেন, বিষয়টি নিয়ে মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলি বাহিনীর যুদ্ধ শুরুর আগে গাজায় প্রায় ২৩ লাখ মানুষের বসবাস ছিল।
‘ট্রাম্প ও পুরো বিশ্বকে বলছি, আমরা ফিলিস্তিন ছাড়ব না’
গাজা উপত্যকার বাসিন্দাদের জোরপূর্বক সরিয়ে নেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করার শপথ নিয়েছেন ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাস। দেশটির স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসও একই শপথ নিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলটিকে খালি করার পরিকল্পনা জানানোর পর রোববার এমন অবস্থান জানিয়েছেন তাঁরা।
গাজার বাস্তুচ্যুত বাসিন্দা রাশাদ আল নাজি বলেন, ‘ট্রাম্প ও পুরো বিশ্বকে বলছি, যা কিছুই হোক না কেন, আমরা ফিলিস্তিন কিংবা গাজা ছাড়ব না।’
ইতিমধ্যে ফিলিস্তিনি সূত্রগুলো বলেছে, ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় জিম্মি ও কারাবন্দীদের মুক্তি দেওয়ার বিষয়ে যে বিরোধ তৈরি হয়েছে, তা সম্ভবত সমাধানের পথে আছে। আর সেটা হলে উপকূলীয় একটি সড়কে ভিড় জমানো ফিলিস্তিনিরা গাজার উত্তরাঞ্চলে ফিরতে পারবেন। তাঁরা উত্তরাঞ্চলে ফেরার জন্য অনুমতির অপেক্ষায় আছেন।
যুদ্ধবিরতির আওতায় সর্বশেষ গত শনিবার চার ইসরায়েলি নারী জিম্মি, সব সেনাসদস্য এবং ২০০ জন কারাবন্দী মুক্তি পেয়েছেন। মুক্তি পাওয়া কারাবন্দীদের প্রায় সবাই ফিলিস্তিনি নাগরিক। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর এ নিয়ে দ্বিতীয় দফায় বন্দী বিনিময় হলো। যুদ্ধবিরতি ইতিমধ্যে দ্বিতীয় সপ্তাহে গড়িয়েছে।
ট্রাম্প বলেন, ১৫ মাসের যুদ্ধের পর গাজা একটি ‘বিধ্বস্ত জায়গায়’ পরিণত হয়েছে। ফিলিস্তিনদের গাজা থেকে সরানোর ব্যাপারে জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে কথা বলেছেন বলেও জানান তিনি।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি চাই, মিসর এই মানুষদের নিয়ে যাক। আমি চাই জর্ডান এসব মানুষকে সরিয়ে নিক।’
মাহমুদ আব্বাসের কার্যালয় থেকে ট্রাম্পের পরিকল্পনার বিরুদ্ধে কঠোর নিন্দা জানানো হয়েছে। তারা বলেছে, ফিলিস্তিনি জনগণ তাদের জমি ও পবিত্র স্থানগুলো ছাড়বে না।
হামাসের রাজনৈতিক শাখার সদস্য বাসেম নাইম এএফপিকে বলেছেন, ফিলিস্তিনিরা এ ধরনের প্রকল্পগুলোকে বানচাল করবেন।
গাজা উপত্যকায় হামাসের পাশে থেকে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে ইসলামিক জিহাদ। তারাও ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে অগ্রহণযোগ্য বলে উল্লেখ করেছে।
শনিবার এয়ারফোর্স ওয়ান উড়োজাহাজে বসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘আপনারা সম্ভবত ১৫ লাখ মানুষের কথা বলছেন এবং আমরা পুরো জায়গাটিই খালি করে ফেলব।’
ট্রাম্প মনে করেন, গাজার প্রায় ২৪ লাখ অধিবাসীকে সরিয়ে নেওয়ার কাজটি ‘সাময়িক বা দীর্ঘ মেয়াদে’ হতে পারে।
আরব লিগ ট্রাম্পের পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছে। ফিলিস্তিনি জনগণকে তাদের ভূমি থেকে উৎখাত করার প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ার করেছে তারা।
আরব লিগ এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘জনগণকে তাদের ভূমি থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ও উচ্ছেদ করাকে কেবল জাতিগত নিধন বলেই ডাকা যেতে পারে।’
জর্ডানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আয়মান সাফাদি বলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের বাস্তুচ্যুত করার বিষয়টি আমরা দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করি এবং তা অটল থাকবে। জর্ডান জর্ডানের মানুষদের আর ফিলিস্তিন ফিলিস্তিনি মানুষদের জন্য।
মিসরের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, তারা ফিলিস্তিনিদের ‘অখণ্ড অধিকারের’ লঙ্ঘনকে প্রত্যাখ্যান করে।
২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলে হামাসের হামলার জবাবে সেদিন থেকেই গাজা উপত্যকায় হামলা শুরু হয়। ১৫ মাসের ওই যুদ্ধে গাজার প্রায় সব বাসিন্দা বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। হামাসের আক্রমণের পর শুরু হওয়া যুদ্ধে প্রায় সব গাজাবাসী বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।
| ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অভিবাসী ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্র-কলম্বিয়ার মধ্যে উত্তেজনা: পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের হুমকি দিলেন ট্রাম্প-পেত্রো
জবাবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো বলেছেন, তিনিও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর পাল্টা ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। তিনি এর আগে রোববার জানিয়েছেন যে অভিবাসীদের ফেরত নিয়ে আসা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানকে তিনি নিজ দেশে প্রবেশের অনুমতি দেননি। তিন বলেছেন, আমরা আমাদের নাগরিকদের বেসামরিক বিমানে আনা হলে এবং অপরাধীর মতো আচরণ না করা হলে গ্রহণ করবো এবং অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে হবে মর্যাদা ও সম্মানের সাথে।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা সিবিএস নিউজকে বলেছেন, ফেরত পাঠানো হবে এমন অভিবাসীদের নিয়ে দুইটি সামরিক সান ডিয়েগো থেকে রওনা দিয়ে রোববার কলম্বিয়ায় অবতরণের কথা ছিলো। কিন্তু পরে জটিলতার কারণে ফ্লাইট দুটি বাতিল করা হয়। জবাবে ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট দিয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জরুরি ও চূড়ান্ত পাল্টা পদক্ষেপ নেয়ার ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে এবং দেশটির সরকারের কর্মকর্তা, তাদের সহযোগী ও সমর্থকদের ভিসা অবিলম্বে প্রত্যাহার করা হবে।
ট্রাম্প জানান, কলম্বিয়া সরকারের সমর্থকদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয়া হবে এবং নিরাপত্তা জনিত কারণে সব কলাম্বিয়ান নাগরিক ও পণ্যবাহী কার্গো ইন্সপেকশন করা হবে। এসব পদক্ষেপ সবেমাত্র শুরু হলো বলে জানিয়েছেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, তার প্রশাসন কলম্বিয়া সরকারকে যুক্তরাষ্ট্রে জোর করে ঢুকে পড়া সন্ত্রাসীদের গ্রহণ করার আইনি বাধ্যবাধকতা লঙ্ঘন করতে দেবেন না।
জবাবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট পেত্রো সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ পাল্টা শুল্ক আরোপ ও কলম্বিয়ার ঐতিহ্য উদযাপনের ঘোষণা দেন। আপনার পদক্ষেপে আমি ভীত নই। কারণ কলম্বিয়া সৌন্দর্যের দেশ হওয়ার পাশাপাশি বিশ্বের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছে। তিনি একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র থেকে তার দেশের নাগরিক যাদের ফেরত পাঠানো হচ্ছে- তাদের জন্য তার প্রেসিডেন্সিয়াল বিমান পাঠানোর প্রস্তাব করেছেন। রোববার পেত্রো বলেন, ১৫ হাজার ৬৬৬ জনের বেশি আমেরিকান কলম্বিয়াতে অবৈধভাবে অবস্থান করছে- তবে কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্টের দেয়া এ তথ্য বিবিসি স্বাধীনভাবে যাচাই করে দেখতে পারেনি। পেত্রো বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের মতো তিনি অবৈধ আমেরিকান অভিবাসীদের ফেরত পাঠাতে কোনো তল্লাশি চালাবেন না।
যুক্তরাষ্ট্র যত কফি আমদানি করে তার ২০ শতাংশ আনা হয় কলম্বিয়া থেকে। এর মূল্য প্রায় দুই বিলিয়ন ডলার। এছাড়া দেশটি কলম্বিয়া থেকে কলা, ভোজ্য তেল, অ্যাভোকাডো ও ফুল আমদানি করে থাকে। নতুন করে শুল্ক আরোপের কারণে এসব পণ্যের দাম বাড়বে। ফলে গ্রাহকদের বেশি দামে কফি কিনতে হবে, যা এড়াতে আমদানিকারকরা ভিন্ন সূত্র খুঁজতে পারে। এর ফলে কলম্বিয়ার উৎপাদকদের গুরুত্বপূর্ণ বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কলম্বিয়া সরকার ও তার সমর্থকদের ওপর নিষেধাজ্ঞা ও ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে কূটনৈতিক সম্পর্ক উল্লেখযোগ্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
