Monday, August 18, 2014

যুক্তরাষ্ট্রের ফার্গুসনে কারফিউ, একজন গুলিবিদ্ধ, গ্রেপ্তার ৭

মিজৌরির ফার্গুসন শহরতলিতে শনিবার মধ্যরাতে কারফিউ
ভেঙে রাস্তায় নেমে আসেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় পুলিশ
কাঁদানে গ্যাসের শেল ছোড়ে। পাল্টা পুলিশের দিকে ছোড়ার
জন্য শেল কুড়িয়ে নিচ্ছেন এক বিক্ষোভকারী। ছবি: রয়টার্স
সপ্তাহব্যাপী সহিংসতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের মিজৌরি অঙ্গরাজ্যের ফার্গুসন শহরতলিতে কারফিউ জারি হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার মধ্যরাত থেকে ভোর পাঁচটা পর্যন্ত কারফিউ জারি ছিল। রাজ্যের গভর্নর জে নিক্সন এর আগের দিন জরুরি অবস্থা জারি করে কারফিউয়ের ঘোষণা দেন। পুলিশের গুলিতে কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ নিহত হওয়ার জেরে সেন্ট লুইসের ওই শহরতলিতে এক সপ্তাহ ধরে বিক্ষোভ চলছে, যা প্রায়ই সহিংস হয়ে ওঠে। কারফিউ শুরু হওয়ার পরও তা উপেক্ষা করে ৫০ জনের মতো লোক বিক্ষোভ অব্যাহত রাখে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয়দের সংঘর্ষ হলে একজন গুলিবিদ্ধ হন। ঘটনাস্থল থেকে সাতজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর বিবিসি ও সিএনএনের। পুলিশের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন রন জনসন বলেন, কারফিউ শুরু হওয়ার আগে অন্তত ১৫০ জন বিক্ষোভকারী রাস্তায় অবস্থান করছিল। একপর্যায়ে পুলিশের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে বিক্ষোভকারীরা গুলি ছোড়ে। পরে তাদের ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পুলিশ।
এ ছাড়া ধোঁয়া বোমার বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। সংঘর্ষ চলাকালে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে ক্যাপ্টেন জনসন বলেন, ওই ব্যক্তিকে গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি পুলিশের গুলিতে আহত হয়েছেন কি না এ বিষয়ে কিছু জানাননি তিনি। ৯ আগস্ট ফার্গুসনের একটি সড়কে এক শ্বেতাঙ্গ পুলিশের গুলিতে মাইকেল ব্রাউন (১৮) নামের এক নিরস্ত্র কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ নিহত হন। এ হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে এলাকাবাসী ফুঁসে ওঠে। এরপর থেকেই ব্যাপক বিক্ষোভ চলতে থাকে। বিক্ষোভকারীদের কেউ কেউ সহিংস হয়ে ওঠে ও স্থানীয় দোকানপাটে লুটপাট চালায়। গত শুক্রবার ফার্গুসনের পুলিশপ্রধান তরুণ মাইকেল ব্রাউনকে গুলি করা পুলিশের নাম প্রকাশ করেন। এ ছাড়া সিসিটিভিতে ধারণ করা একটি ভিডিওচিত্রও প্রকাশ করে পুলিশ। এতে দেখানো হয়, ব্রাউন স্থানীয় একটি দোকান থেকে সিগারেট চুরি করছেন। ভিডিও অনুযায়ী পরে দোকানিকে ভীতিপ্রদর্শনও করেন তিনি। এর কিছুক্ষণ পরই পুলিশের গুলিতে নিহত হন তিনি। ব্রাউনের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, ওই ভিডিওচিত্র প্রকাশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। আইনবহির্ভূত এই হত্যাকাণ্ডকে বৈধতা দেওয়ার উদ্দেশ্যেই ভিডিওচিত্রটি প্রকাশ করেছে পুলিশ। ভিডিওচিত্র প্রকাশের পর বিক্ষোভ-কারীরা আরেক দফা ফুঁসে ওঠে। এর জের ধরে শনিবার কারফিউ জারি হয়। স্থানীয় অনেক কৃষ্ণাঙ্গ বলছেন, কৃষ্ণাঙ্গ বলেই বেপরোয়াভাবে গুলি করা হয় মাইকেল ব্রাউনকে। এ ঘটনা যুক্তরাষ্ট্রে কখনো কখনো মাথা চাড়া দেওয়া সাদা-কালো সম্পর্কের দ্বন্দ্বের বিষয়টি আবার সামনে নিয়ে এসেছে।

দারিদ্র্যের কারণ খুঁজতেই অর্থনীতি পড়েন মনমোহন

মনমোহন সিং
ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের বাবা চেয়েছিলেন যে তাঁর ছেলে চিকিৎসক হোক। বাবার ইচ্ছা পূরণ করতে মনমোহন ‘প্রি-মেডিকেলে’ ভর্তিও হয়েছিলেন। কিন্তু কয়েক মাসের মধ্যেই আগ্রহ হারিয়ে চিকিৎসাবিদ্যা পড়া বাদ দেন। একসময় বেছে নেন অর্থনীতি। আর সে পথ ধরেই প্রতিষ্ঠা পান জাতীয় রাজনীতিতে। মনমোহনকন্যা দামান সিংয়ের লেখা স্ট্রিক্টলি পারসোনাল: মনমোহন অ্যান্ড গুরশরণ বইয়ে এ ধরনের নানা অজানা কথা তুলে ধরা হয়েছে। তবে এতে মনমোহন সিং-গুরশরণ কাউর দম্পতির জীবনের নানা কথা থাকলেও মনমোহনের প্রধানমন্ত্রিত্বের ১০ বছর নিয়ে কোনো কিছুই নেই। খবর পিটিআই। বইতে লেখা হয়েছে, প্রি-মেডিকেলের পড়া ভালো না লাগায় কিছুদিন বাবার দোকানে কাজ করেন মনমোহন। কিন্তু সেখানেও মন টেকেনি। আবার পড়াশোনায় ফেরেন।
এবার অর্থনীতিতেই খুঁজে পান আনন্দ। বাবা-মার সঙ্গে দীর্ঘ আলাপচারিতা আর গ্রন্থাগার ও আর্কাইভসের সাহায্য নিয়ে বইটি লিখেছেন দামান সিং। এটি প্রকাশ করেছে প্রকাশনা সংস্থা হারপার কলিন্স ইন্ডিয়া। মনমোহন ১৯৪৮ সালে হিন্দু কলেজে ভর্তি হন। সেখানে অর্থনীতি তাঁকে আকৃষ্ট করল। বইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, মনমোহন তাঁর মেয়েকে বলেছিলেন, ‘দারিদ্র্য বিষয়টি আমাকে আকৃষ্ট করত সবচেয়ে বেশি। একটা দেশ কেন দরিদ্র থাকে, কেন কোনো দেশ ধনী হয়, এসব বিষয়ে ভাবতাম। আর আমাকে এই ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে অর্থনীতিই সেই বিষয়, যেখানে এসব প্রশ্নের উত্তর আছে।’ বইয়ের তথ্য অনুযায়ী, পরবর্তী সময়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় বেশ অর্থকষ্টে ভুগতেন মনমোহন। সে সময় পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি বাবদ পেতেন বছরে ১৬০ পাউন্ড। কিন্ত কেমব্রিজে খরচ হতো ৬০০ পাউন্ড। মনমোহনের চরিত্রের একটি মজার দিক হলো, তিনি তাঁর পরিচিতদের ডাকনাম দেন। দামান লিখেছেন, তাঁর বাবা নিজের এক ভাইয়ের নাম দিয়েছেন ‘জন বাবু’, আরেকজনের নাম ‘জুয়েল বাবু’। মনমোহন নিজের স্ত্রীকে আদর করে ডাকেন ‘গুরুদেব’। তিন কন্যাসন্তানকে ডাকেন ‘কিক’, ‘লিটল রাম’ এবং ‘লিটল নোয়া’ বলে।

সম্প্রচার নীতিমালা হস্তক্ষেপমূলক by মাহ্ফুজ আনাম

বিশেষ সাক্ষাৎকার: সরকার প্রণীত জাতীয় সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে বিভিন্ন মহলে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা লক্ষ করা গেছে। এই পরিপ্রেক্ষিতে ডেইলি স্টার–এর সম্পাদক ও প্রকাশক মাহ্ফুজ আনামের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হলো
>>>সাক্ষাৎকার নিয়েছেন মশিউল আলম

প্রথম আলোঃ সম্প্রতি মন্ত্রিসভা একটি সম্প্রচার নীতিমালা অনুমোদন করেছে। সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এই নীতিমালা সম্প্রচার মাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করবে। সরকার বলছে, তা করবে না। আপনি কী বলেন?
মাহ্ফুজ আনামঃ এই নীতিমালা সম্পূর্ণভাবে হস্তক্ষেপমূলক। এটা বিভিন্নভাবে সম্প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করবে। এতে যেসব ধারা আছে, সেগুলোর অধিকাংশই সম্প্রচারের বিষয় বা আধেয় (কনটেন্ট) সম্পর্কে। কী প্রচার করা যাবে আর কী প্রচার করা যাবে না, তা এমনভাবে নির্দেশ করা হয়েছে যে সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ধারাগুলো নিজেদের মতো ব্যাখ্যা করে যেকোনো কিছুকেই নীতিমালার পরিপন্থী বলে অভিযোগ করতে পারবে।
প্রথম আলোঃ যেমন?
মাহ্ফুজ আনামঃ যেমন একটি ধারা আছে এ রকম: রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে—এমন ধরনের সামরিক, বেসামরিক বা সরকারি তথ্য প্রচার করা যাবে না। এখন এটার সংজ্ঞা কে দেবে? কী ধরনের তথ্য প্রচার করলে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, এটা নির্ধারণ করবে কে? এটা তো যেমন ইচ্ছা তেমন করে ব্যাখ্যা করা যায়। ধরুন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর ভীষণভাবে নেমে যাচ্ছে, এর ফলে ভীষণ খরা হতে পারে, কৃষিতে সেচসংকট হতে পারে, ফসল উৎপাদন ভীষণভাবে কমে গিয়ে দুর্ভিক্ষ লেগে যেতে পারে। আপনি তো বলতে পারেন, এই তথ্যে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে; কারণ, খাদ্যসংকট আর দুর্ভিক্ষের আশঙ্কা প্রচার করা হচ্ছে। এ রকম নানা ধরনের ব্যাখ্যা দিয়ে সম্প্রচারমাধ্যমের যেকোনো আচরণকেই নীতিমালা পরিপন্থী বলার হাতিয়ার তৈরি করা হয়েছে।
প্রথম আলোঃ অর্থাৎ নীতিমালার ধারাগুলো অস্পষ্ট বা এমন যে সেগুলো দেখিয়ে সরকার যেকোনো সম্প্রচারিত বিষয়কেই নিজেদের ইচ্ছেমতো ব্যাখ্যা করতে পারবে? এবং সেই সুবাদে সম্প্রচারমাধ্যমের ওপর ছড়ি ঘোরাতে পারবে?
মাহ্ফুজ আনামঃ হ্যাঁ। এ রকম আরও কিছু বিষয় দেখুন, একটি ধারায় লেখা আছে, সশস্ত্র বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থা ও অপরাধীদের দণ্ডবিধানে নিয়োজিত সরকারি কর্মকর্তাদের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করে—এমন কোনো দৃশ্য বা বক্তব্য প্রচার করা যাবে না। এ রকম নীতিমালা থাকলে ১০ ট্রাক অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনা সম্পর্কে কিছুই প্রচার করা যেত না, কারণ ওই ঘটনায় এনএসআই ও ডিজিএফআইয়ের কর্মকর্তাদের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা ছিল। এটা অভিযুক্ত ব্যক্তিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি থেকেই জানা গেছে। এ রকম নীতিমালা থাকলে সেটা মানতে হলে ২০০৫ সালে শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা সম্পর্কে সম্প্রচারমাধ্যমে কিছুই প্রচার করা যেত না। কারণ, তাতে এ ঘটনায় পুলিশের তিন সাবেক মহাপরিদর্শক, এনএসআইয়ের দুজন সাবেক প্রধান ও সিআইডির তিন সাবেক কর্মকর্তাসহ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর কয়েকজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্টতা ছিল এবং এ-সংক্রান্ত মামলায় তাঁদের বিরুদ্ধে অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে। ডিজিএফআই, এনএসআই ইত্যাদি সরকারি সংস্থা ও সরকারের অনেক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাবমূর্তি বিনষ্ট হতো। একইভাবে নারায়ণগঞ্জে সাত ব্যক্তির অপহরণ ও খুনের ঘটনায় জড়িত র্যাবের সদস্যদের বিষয়ে সম্প্রচারমাধ্যমে কিছুই প্রচার করা যেত না, কারণ তাতে র্যাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হতো। এই নীতিমালা মানতে হলে পুলিশ বা র্যাবের হেফাজতে নির্যাতন, বিচারবহির্ভূত হত্যা, ক্ষমতার অপব্যহার ইত্যাদি সম্পর্কেও কিছু সম্প্রচার করা যাবে না, কারণ তাতে ওই সংস্থাগুলোর ‘ভাবমূর্তি বিনষ্ট’ হবে। এই নীতিমালা থাকলে র্যাবের সদস্যদের গুলিতে পা হারানো কিশোর লিমন সম্পর্কে, কিংবা মিরপুর থানার পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টরের নির্যাতনে এক ঝুট ব্যবসায়ীর মৃত্যুসহ অজস্র ক্ষমতা অপব্যবহারের ঘটনা সম্পর্কে সম্প্রচারমাধ্যমে কিছুই প্রচার করা যেত না।
প্রথম আলোঃ একটি ধারায় বলা হয়েছে, সম্প্রচারের ক্ষেত্রে মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূল নীতি এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় আদর্শ ও নীতিমালা সমুন্নত রাখতে হবে। এটা সম্পর্কে আপনার কী বক্তব্য?
মাহ্ফুজ আনামঃ মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা তো সত্যিকারের গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ, যেখানে অন্যায়, অবিচার, বৈষম্য, দুর্নীতি, সন্ত্রাস, সরকারি দমনপীড়ন ইত্যাদি থাকবে না। যেখানে আইন সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রযোজ্য হবে, কেউ আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারবে না। কিন্তু সম্প্রচার নীতিমালা তো এগুলোর ক্ষেত্রে সম্প্রচারমাধ্যমের যথাযথ দায়িত্ব পালনেই প্রতিবন্ধক হয়ে উঠতে পারে।
প্রথম আলোঃ নীতিমালা ছাড়াই তো সম্প্রচারমাধ্যম দিব্যি চলছে। সরকার কেন এটা করতে গেল?
মাহ্ফুজ আনামঃ দেশে অনেকগুলো ক্ষেত্রে গুরুতর জাতীয় সমস্যা আছে। যেমন, সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানির ক্ষেত্রে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ, প্রতিবছর বর্ষাকালে লঞ্চ দুর্ঘটনায় প্রচুর মানুষ মারা যাচ্ছে, খাদ্যে ভেজাল ও ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহারের ফলে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি হচ্ছে, ভেজাল ওষুধে বাজার সয়লাব, নকল প্যারাসিটামল খেয়ে অনেক শিশু মারা গেছে। এগুলোই হওয়া উচিত সরকারের অগ্রাধিকার। কিন্তু এসব দিকে নজর না দিয়ে কেন সম্প্রচার নীতিমালা নিয়ে তারা এত উৎসাহিত হয়ে উঠল, এটাই প্রশ্ন। এমনিতেই কিন্তু গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের জন্য মানহানি-সম্পর্কিত আইনসহ বিভিন্ন রকমের আইন ও বিধিবিধান আছে। সেগুলোই কিন্তু যথেষ্ট। সম্প্রচারমাধ্যমের জন্য নতুন করে এই নীতিমালার প্রয়োজন ছিল না।
প্রথম আলোঃ এই নীতিমালার ভিত্তিতে একটা সম্প্রচার আইন প্রণয়ন ও গ্রহণ করা হবে বলে জানা গেছে...।
মাহ্ফুজ আনামঃ এ রকম একটা নীতিমালাকে যদি সম্প্রচার আইন প্রণয়নের ভিত্তি ধরি, তাহলে সেই আইন হবে স্বাধীন সাংবাদিকতার সম্পূর্ণ বিরোধী; সম্প্রচারমাধ্যমের ওপর একটা কালাকানুন চাপিয়ে দেওয়া হবে। তাই আমি সম্পূর্ণভাবে এর বিরোধী। আসলে কোনো শিল্প সম্পর্কে নীতিমালা বা আইনে এমন কিছু প্রতিশ্রুতি থাকতে হয়, যা ওই শিল্পের জন্য বিধিনিষেধের পাশাপাশি ওই শিল্পকে কিছু সুরক্ষাও দেবে। এই সম্প্রচার নীতিমালায় সম্প্রচারমাধ্যমের সুরক্ষা সম্পর্কে একটি প্রতিশ্রুতিও নেই। যাঁরা এই শিল্পে বিনিয়োগ করবেন, তাঁদের বিনিয়োগকে সুরক্ষা দেওয়া বা উৎসাহিত করার কোনো প্রসঙ্গই এতে নেই। এই নীতিমালা বাস্তবায়িত হলে এ দেশের সম্প্রচারমাধ্যমের বিকাশ থেমে যাবে; বেসরকারি টিভি চ্যানেলগুলোও বিটিভির মতো হবে। ফলে দর্শক দেশি টিভি চ্যানেলগুলোর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে বিদেশি চ্যানেলগুলোর প্রতি আরও বেশি মাত্রায় ঝুঁকে পড়বে। তাতে সম্প্রচারমাধ্যমের ভীষণ ক্ষতি হবে।
প্রথম আলোঃ তাহলে কী করা উচিত?
মাহ্ফুজ আনামঃ এই নীতিমালা প্রণয়ন ও গ্রহণের ক্ষেত্রে যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, তাও ঠিক নয়। প্রথমে একটি আইনের মাধ্যমে একটি স্বাধীন সম্প্রচার কমিশন করা উচিত, সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়নের দায়িত্ব হবে সেই কমিশনের। কমিশন সম্প্রচারমাধ্যমের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত প্রতিনিধিদের সঙ্গে নিয়ে ব্যাপকভিত্তিক আলোচনা-পরামর্শ করে এমন একটি সম্প্রচার নীতিমালা প্রণয়ন করবে, যেটি হবে সম্প্রচারমাধ্যম বিকাশের সহায়ক, উল্টোটা নয়, নিয়ন্ত্রণমূলক নয়। চূড়ান্ত পর্যায়ে, সেই নীতিমালার আলোকে একটি সম্প্রচার আইন প্রণীত হবে, যার লক্ষ্য হবে সম্প্রচারমাধ্যমের দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাকে সুরক্ষা দেওয়া। সম্প্রচার আইনটিকে হতে হবে এমন, যা সম্প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে, তা কোনোভাবে খর্ব করবে না বা সম্প্রচারমাধ্যমের বিকাশে বাধা সৃষ্টি করবে না। বরং সরকার বা যেকোনো পক্ষ সম্প্রচারমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করার চেষ্টা করলে সম্প্রচার আইন তার স্বাধীনতা রক্ষার হাতিয়ার হিসেবে কাজ করবে।
প্রথম আলোঃ আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
মাহ্ফুজ আনামঃ আপনাকেও ধন্যবাদ।

গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির সাথে একান্ত মুহুর্তে অধ্যক্ষ ড. লায়ন মো. সানাউল্লাহ

চট্টগ্রামস্থ চকরিয়া সমিতির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথি গৃহায়ণ ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এমপির সাথে একান্ত মুহুর্তে সম্মেলন বাস্তবায়ন কমিটির চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ ড. লায়ন মো. সানাউল্লাহ।

নওয়াজ হটাও আন্দোলনে অনড় ইমরান

পাকিস্তানের ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) প্রধান ইমরান খান শনিবার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি তার হাজার হাজার সমর্থকের সঙ্গে ইসলামাবাদে আন্দোলন চালিয়ে যাবেন।খান বলেন, ২০১৩ সালের সাধারণ নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির মাধ্যমে শরীফ ক্ষমতায় আসেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়েছেন। পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নগরী লাহোর থেকে আসা বিক্ষোভ মিছিলের নেতৃত্ব দেয়ার পর এক সমাবেশে বক্তব্য দেয়ার সময় ইমরান খান বলেন, তিনি শনিবার বিকালে অবস্থান ধর্মঘট করবেন এবং শরীফ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন। রাজধানীতে এসে পৌঁছানোর পর শনিবার ভোরের দিকে ইমরান খান সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, ‘দেশবাসীর এখন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এসেছে। প্রধানমন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমি এখানে অবস্থান করব। আমরা এমন একজন প্রধানমন্ত্রীকে চাই না যিনি নির্বাচনের কারচুপির মাধ্যমে ক্ষমতায় এসেছেন।’ ইমরান বলেন, আমি গণতন্ত্র নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না, কারণ দেশে কোনো গণতন্ত্র নেই। নওয়াজ পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা ফিরে যাব না। এ সময় দলের সিনিয়র নেতা ও কর্মীরা ‘গো নওয়াজ গো’ (যাও নয়রাজ যাও) বলে ইমরানের কথার সমর্থন জানান। সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরে দাঁড়াতে বাধ্য করতে এ বিক্ষোভ-সমাবেশ হচ্ছে ‘লংমার্চের’ চূড়ান্ত রূপ। পাকিস্তানের পূর্বাঞ্চলীয় নগরী লাহোর থেকে বৃহস্পতিবার এ লংমার্চের যাত্রা শুরু করা হয়। লংমার্চে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন নগরী হয়ে রাজধানী পৌঁছায়। এতে তাদের ৩৬ ঘণ্টারও বেশি সময় লাগে।
সেখানে তাদের উষ্ণ অভিনন্দন জানানো হয়। ইমরান খান বলেন, ‘নির্বাচনে কারচুপির বিরুদ্ধে আমরা নির্বাচন কমিশন ও সুপ্রিম কোর্টে যাই। সেখানে আমরা ন্যায় বিচার না পাওয়ায় নিরুপায় হয়ে ন্যায় বিচার পেতে রাজপথে নেমে আসার সিদ্ধান্ত নেই।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী অফিস ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা রাজধানী দখলে রাখব। নওয়াজের সামনে কেবল একটাই পথ খোলা আছে- পদত্যাগ ও নতুন নির্বাচন দেয়া। এদিকে ইমরান খানের পাশাপাশি বিশিষ্ট জনপ্রিয় ধর্মীয় নেতা তাহির-উল-কাদরি পাকিস্তান সরকার পতন আন্দোলনে তার হাজার হাজার অনুসারীর নেতৃত্ব দিচ্ছেন। ওদিকে তাহির এই বিক্ষোভকে ইনকিলাব নাম দিয়ে সরকার পতনের হুমকি দিয়েছেন। তাহিরুল কাদরির হাজার হাজার সমর্থক নওয়াজের পতদ্যাগ দাবিতে ইসলামাবাদের পৃথক স্থানে সমবেত হয়েছেন। তিনি বলেন, নওয়াজকে পদত্যাগ করতে হবে। গদি না ছাড়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এ আন্দোলন শুধু বিক্ষোভ নয়, সরকার পতন বিপ্লব কাদরির দলের মুখপাত্র কাজি ফয়েজ জানান, কাদরির গলা বসে গেছে, তা সত্ত্বেও তিনি সমাবেশে বক্তব্য রাখছেন। প্রথমে ঐক্যবদ্ধভাবে ইমরান ও কাদরি লং মার্চের ঘোষণা দিলেও পরে পৃথকভাবে করার সিদ্ধান্ত নেন। ‘প্রধানমন্ত্রী ক্ষমতা ত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরা রাজধানী দখলে রাখব। নওয়াজের সামনে কেবল একটাই পথ খোলা আছে- পদত্যাগ ও নতুন নির্বাচন দেয়া।-ইমরান খান নওয়াজকে পদত্যাগ করতে হবে। গদি না ছাড়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। এ আন্দোলন শুধু বিক্ষোভ নয়, সরকার পতন বিপ্লব -তাহিরুল কাদরি

সজল-মমর প্রতিজ্ঞা

একই কলেজে পড়াশোনা করেন সজল ও মম। বিদেশে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পাঠানোর স্বপ্ন দেখেন সজলের বাবা। কিন্তু তারা দু’জনই ঘর বাঁধার প্রতিজ্ঞা করেন। সজলের বাবা তাকে বিদেশে পাঠিয়ে দেয়। একই সময়ে বিয়ে ঠিক হয়ে যায় মম’র। এদিকে বেশ কয়েক বছর পর দেশে ফিরে আসেন সজল। এরপর সে অন্য এক বন্ধুর মাধ্যমে মম’র কাছ থেকে একটি চিঠি পায়। কিছু দিন পরই মারা যায় মম।
টানাপড়েন আর নানা দুশ্চিন্তায় মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়ে মারা যায় সজলও। এভাবেই দু’জনের প্রতিজ্ঞার অবসান ঘটে। সম্প্র্রতি সাইমনের রচনা এবং মনজুরুল হক মনজুরের পরিচালনায় ‘প্রতিজ্ঞা’ নামের একটি নাটকে এমনই চরিত্রে অভিনয় করেছেন সজল ও মম। এতে অভিনয় প্রসঙ্গে সজল বলেন, ‘নাটকটিতে অভিনয় করে আমার অন্যরকম এক অভিজ্ঞতা হয়েছে। প্রেমের জন্য মৃত্যুটা সত্যি কষ্টবহ। আমার কাছে খুবই ভালো লেগেছে।’ মম বলেন, ‘সত্যিকারের ভালোবাসার জন্য যে মানুষের মৃত্যুও হতে পারে সেটা নাটকটি দেখলে দর্শক বুঝতে পারবেন। দেখার পাশাপাশি এ নাটকে শেখারও অনেক কিছু রয়েছে।’ এ নাটকে আরও অভিনয় করেছেন সৈয়দ শুভ্র, কাজী উজ্জ্বল, আরিফ মাহবুব তমাল, শিখা, মৌ, সাখাওয়াৎ লিটন, এ্যামিলিয়া, সুমন সৌরভ প্রমুখ। আসছে কোরবানির ঈদে প্রচারের জন্য নাটকটি নির্মিত হয়েছে।

সিসিব্লক’র মাধ্যমে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করা হবে -পানি সম্পদ মন্ত্রী

অবিলম্বে সিসিব্লক’র মাধ্যমে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করা হবে জানিয়েছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। মন্ত্রীদ্বয় গতকাল রবিবার উপজেলার উত্তর ধূরুংয়ের কাইছার পাড়া, পশ্চিম-পূর্বচরধূরুং ও আকবরবলীর পাড়া ক্ষতিগ্রস্থবাঁধ এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন। এ সময় হাজার-হাজার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে তাদের চরম দূর্গতির কথা তুলে ধরেন মন্ত্রীকে। মন্ত্রীর সাথে প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতীক এমপি, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়ার এমপি মুহম্মদ ইলিয়াছ, বে-সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব কুতুবদিয়ার কৃতি সন্তান খোরশেদ আলম চৌধূরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহম্মদ জাফর আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল বশর চৌধূরী, ইউএনও মমিনুর রশিদ, আ’লীগ সভাপতি ছৈয়দ আহমদ কুতুবী, সাধারণ সম্পাদক নুরুচ্ছাফা, পাউবো’র তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল হক, বিশ্ব ব্যাঙ্কের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান খান, মুজিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাকের উল্লাহ, আজমগীর মাতবর, আলাউদ্দিন আল-আজাদ, সিরাজদৌল্লাহ, বিশিষ্ট রাজনীতিক আ.ন.ম.শহীদ উদ্দিন ছোটন, আ’লীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মাতবর, আ’লীগ নেতা মনোয়ারুল ইসলাম চৌধূরী মুকুল, যুবীগ সাধারণ সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন ইকো, ্কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাছান কুতুবী, উপজেলা জাপা নেতা জাফর আলম, হাজী আবদুল মোনাফসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

কুতুবদিয়ায় ক্ষতিগ্রস্থবাঁধ পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রী

১৭-আগষ্ট উত্তর ধূরুংয়ের কাইছার পাড়া, পশ্চিম-পূর্বচরধূরুং ও আকবরবলীর পাড়া ক্ষতিগ্রস্থবাঁধ এলাকা পরিদর্শনে পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এ সময় হাজার-হাজার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে তাদের চরম দূর্গতির কথা তুলে ধরেন মন্ত্রীকে। মন্ত্রীর সাথে প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতীক এমপি, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়ার এমপি মুহম্মদ ইলিয়াছ, বে-সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব কুতুবদিয়ার কৃতি সন্তান খোরশেদ আলম চৌধূরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহম্মদ জাফর আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল বশর চৌধূরী, ইউএনও মমিনুর রশিদ, আ’লীগ সভাপতি ছৈয়দ আহমদ কুতুবী, সাধারণ সম্পাদক নুরুচ্ছাফা, পাউবো’র তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল হক, বিশ্ব ব্যাঙ্কের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান খান, মুজিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাকের উল্লাহ, আজমগীর মাতবর, আলাউদ্দিন আল-আজাদ, সিরাজদৌল্লাহ, বিশিষ্ট রাজনীতিক আ.ন.ম.শহীদ উদ্দিন ছোটন, আ’লীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মাতবর, আ’লীগ নেতা মনোয়ারুল ইসলাম চৌধূরী মুকুল, যুবীগ সাধারণ সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন ইকো, ্কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাছান কুতুবী, উপজেলা জাপা নেতা জাফর আলম, হাজী আবদুল মোনাফসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন।

দুর্গতদেতর মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী

১৭-আগষ্ট ২০১৪ কুতুবদিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ শেষে দুর্গতদেতর মাঝে ত্রাণ বিতরণ করছেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন ও ত্রাণ বিতরণ শেষে ধূরুং হাইস্কুল ময়দানে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ মন্ত্রী

কুতুবদিয়ার ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন ও উত্তর ধূরুং ইউপিতে দুর্গতদেতর মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে ধূরুং হাইস্কুল ময়দানে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ

টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে কুতুবদিয়া রক্ষা করা হবে -ক্ষতিগ্রস্থ বেড়িবাঁধ পরিদর্শন করেন পানি সম্পদ মন্ত্রী by হাছান কুতুবী


পানি সম্পদ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ বলেছেন অবিলম্বে সিসিব্লক’র মাধ্যমে টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ করে কক্সবাজারের কুতুবদিয়া ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষা করা হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে নির্মাণাধীন কাজ যথাসময়ে শেষ না করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। এ জন্য তদারককারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের দায়িত্ব অবহেলাকে দায়ী করেন মন্ত্রী।
মন্ত্রীদ্বয় গতকাল রবিবার উপজেলার উত্তর ধূরুংয়ের কাইছার পাড়া, পশ্চিম-পূর্বচরধূরুং ও আকবরবলীর পাড়া ক্ষতিগ্রস্থবাঁধ এলাকা পরিদর্শনকালে এ কথা বলেন।

এ সময় হাজার-হাজার ক্ষতিগ্রস্থ মানুষ দূর্যোগপূর্ন আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে তাদের চরম দূর্গতির কথা তুলে ধরেন মন্ত্রীকে। মন্ত্রীর সাথে প্রতিমন্ত্রী নজরুল ইসলাম বীর প্রতীক এমপি, স্থানীয় সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, চকরিয়া-পেকুয়ার এমপি মুহম্মদ ইলিয়াছ, বে-সামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব কুতুবদিয়ার কৃতি সন্তান খোরশেদ আলম চৌধূরী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুহম্মদ জাফর আলম, উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল বশর চৌধূরী, ইউএনও মমিনুর রশিদ, আ’লীগ সভাপতি ছৈয়দ আহমদ কুতুবী, সাধারণ সম্পাদক নুরুচ্ছাফা, পাউবো’র তত্বাবধায়ক প্রকৌশলী কামরুজ্জামান, নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল হক, বিশ্ব ব্যাঙ্কের উপদেষ্টা আসাদুজ্জামান খান, মুজিবুর রহমান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান শাকের উল্লাহ, আজমগীর মাতবর, আলাউদ্দিন আল-আজাদ, সিরাজদৌল্লাহ, বিশিষ্ট রাজনীতিক আ.ন.ম.শহীদ উদ্দিন ছোটন, আ’লীগ’র সাংগঠনিক সম্পাদক আওরঙ্গজেব মাতবর, আ’লীগ নেতা মনোয়ারুল ইসলাম চৌধূরী মুকুল, যুবীগ সাধারণ সম্পাদক মিজবাহ উদ্দিন ইকো, ্কুতুবদিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাছান কুতুবী, উপজেলা জাপা নেতা জাফর আলম, হাজী আবদুল মোনাফসহ সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রীদ্বয় পরে উত্তর ধূরুং ইউপিতে দুর্গতদেতর মাঝে ত্রাণ বিতরণ শেষে ধূরুং হাইস্কুল ময়দানে এক মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন। পরে দুপুর ১টায় তারা হেলিকপ্টারযোগে কুতুবদিয়া ত্যাগ করেন।