Wednesday, July 15, 2026

রুনা লায়লাকে নিয়ে আফজাল হোসেনের আবেগঘন পোস্ট

প্রকাশ ২২ নভেম্বর ২০২৫ঃ কোক স্টুডিও বাংলার তৃতীয় মৌসুমে জনপ্রিয় সুফিগান ‘মাস্ত কালান্দার’গেয়েছেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা। ১৭ নভেম্বর ২০২৫ রুনা লায়লার জন্মদিননে গানটি প্রকাশ পেয়েছে। এটি দিয়ে তৃতীয় মৌসুম শেষ হয়েছে। গানপ্রেমীদের পাশাপাশি বিনোদন অঙ্গনের মানুষদেরও মন কেড়েছে এই গান। অভিনয়শিল্পী, চিত্রকর ও নির্মাতা আফজাল হোসেন নতুন সংগীতায়োজনে ‘মাস্ত কালান্দার’ শুনে মুগ্ধতা প্রকাশ করেছেন। নিজের ফেসবুকে এ নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, কোক স্টুডিও বাংলাতে “মাস্ত কালান্দার”শুনে সকালটা সুন্দর হয়ে গেল।

‘মাস্ত কালান্দার’ গানটি নিয়ে রুনা লায়লা বলেন, ‘এটি সব সময় আমার হৃদয়ের খুব কাছের একটি গান। নতুনভাবে, তরুণ শিল্পীদের সঙ্গে আবার গানটি গাইতে পেরে আমি আনন্দিত। প্রজন্ম-পরম্পরায় গানটির নতুনভাবে ফিরে আসা আমাকে আনন্দ দিয়েছে।’

রুনা লায়লার গাওয়া ‘মাস্ত কালান্দার’ শুনে এক আবেগঘন লেখায় শিল্প-সংস্কৃতি, সমাজে সৌন্দর্যবোধের সংকট ও সৃজনশীল মানুষের মূল্যায়ন নিয়েও নিজের ভাবনা তুলে ধরেছেন আফজাল হোসেন। পোস্টের শুরুতেই আফজাল হোসেন উল্লেখ করেন, নিয়মিত জীবনযাপনে আমরা কত অনর্থক, অসুন্দর ও অপ্রয়োজনীয় চিন্তায় দিন কাটাই। মানুষের জীবনে অর্থবোধ, প্রেরণা ও সঠিক দিশা খুঁজে পেতে কত কম সময় আমরা ব্যয় করি—সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি। নাট্যাচার্য সেলিম আল দীনের বিখ্যাত সংলাপ—‘বেঁচে থাকাটা বড় কথা নয়, কীভাবে বেঁচে আছি সেটাই বড়’—উদাহরণ হিসেবে টেনে আনেন তিনি।

এরপর আফজাল হোসেন লিখেছেন সৃজনশীল মানুষের বাস্তবতা, সমাজের উপেক্ষা ও একই সঙ্গে সৃষ্টিশীলতার শক্তি নিয়ে। তাঁর ভাষায়, চিত্রকর জানেন দেশে ছবি আঁকা কতটা গুরুত্ব পায়; তবু তিনি দুঃখিত হন না; কারণ, শিল্পী আঁকতে পারার মধ্যেই নিজের সৌভাগ্য খুঁজে পান। লেখক জানেন, সাহিত্য নিয়ে মানুষের আগ্রহ কম; তবু নিজের অনুভব, ভাবনা ও বিশ্বাসের প্রকাশ ঘটিয়ে লেখেন। লেখক যদি না লিখতে পারেন, তিনি বেঁচে থেকেও মৃত।

দেশে সৃজনশীল মানুষের অবদান ও ভূমিকার প্রতি সমাজের অনীহা নিয়ে আফজাল হোসেন তাঁর লেখায় আক্ষেপ করেছেন। তিনি লিখেছেন, ‘তবু শিল্পীরা নিবিষ্ট মনে কাজ করে যান—কণ্ঠশিল্পী গানেই খুঁজে পান সুখ, লেখক অর্থবিত্তের আশা না করে লিখে যান মনের আনন্দে। এই নিবেদন তিনি দেখেন সমাজকে বাঁচিয়ে রাখা একটি নীরব শক্তি হিসেবে।’

রুনা লায়লাকে নিয়ে লেখায় আফজাল হোসেনের আবেগ ফুটে ওঠে। তিনি লিখেছেন, ‘রুনা লায়লা অসাধারণ একজন শিল্পী, অল্প কথায় এটাই তাঁর পুরো পরিচয়। সে পরিচয় এতটা বড়, শিল্পী পরিচয়ের আলোতে আলোকিত হতে পারে একটা পুরো দেশ। দেশের একমাত্র শিল্পী, যিনি পাকিস্তান এবং ভারতের শ্রোতাদের কাছেও তুমুল জনপ্রিয়, সম্মানীয়। এমন শিল্পীর বিষয়ে আমরা কতটুকু মনোযোগী?’

রুনা লায়লার জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলের বিশেষ আয়োজন তাঁকে আশাবাদী করেছে। বিশেষ করে মাছরাঙা টিভির অনুষ্ঠানে পাকিস্তান ও ভারতের শিল্পীদের আন্তরিক মন্তব্যে তিনি বিস্ময় ও আনন্দ খুঁজে পেয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘মাছরাঙা টেলিভিশন চ‍্যানেলের একটা অনুষ্ঠানে অন‍্য দেশের শিল্পী কলাকুশলীরা আমাদের রুনা লায়লাকে নিয়ে যেসব হৃদয়খোলা মন্তব‍্য করেছেন, সাধ‍্য অনুযায়ী যেভাবে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন—কোনো শিল্পী, সৃজনশীল মানুষের প্রতি অত উদারভাবে শ্রদ্ধা ভালোবাসা জানানোর অভ্যাস আমরা কি গড়ে তুলতে পেরেছি?’

সমাজের সামগ্রিক অসংলগ্নতা ও বিভেদ প্রসঙ্গেও লিখেছেন আফজাল হোসেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমরা বলি দেশ ভালোবাসি, কিন্তু দেশের জন‍্য ক্ষতিকর ভাবনায় শামিল হয়ে যাই। যারা মানুষে মানুষে বিভেদ সৃষ্টি করে, ঘৃণা ছড়িয়ে বেড়ায়, সভ‍্যতার ক্ষতি করে তাদের অনুসারী হয়ে, তাদেরকে মান‍্য করে অনেক অনেক গর্ববোধ করি। জেগে থাকার অধিকাংশ সময়ই আমরা কাটিয়ে দিই অদরকারি কথা, কুতর্ক ও মানুষকে অসম্মান অমর্যাদা করার চেষ্টায়। গুরুত্ব পাওয়ার মতো বহু বিষয়ের প্রতি অমনোযোগী হওয়ার কারণে অসংখ্য প্রদীপ তেলহীন, নিভু নিভু। নিজ নিজ ঘরে আলো থাকলেই আমরা জীবন মুখর আছে ভাবি। এমন অসচতেনতায় জীবন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছে সৌন্দর্যবোধ।’

এসব অন্ধকারের মধ্যেও কোক স্টুডিও বাংলার ‘মাস্ত কালান্দার’ তাঁর মনে আলো জ্বেলেছে। তিনি লিখেছেন, ‘কোক স্টুডিওতে যেভাবে রুনা লায়লাকে উপস্থাপন করা হয়েছে, তা শুধু তাঁর গান শোনা ও দেখার অভিজ্ঞতা নয়, মনে হয়েছে সমগ্র আয়োজন যেন এ অসাধারণ শিল্পীর প্রতি বিশেষভাবে শ্রদ্ধা নিবেদন করা। ভালোবাসা, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও চমৎকার যত্নের জন‍্য কোক স্টুডিও বাংলাকে ধন‍্যবাদ। শিল্পী ও দর্শক শ্রোতার প্রতি সম্মান প্রদানের এমন আন্তরিক চেষ্টা আনন্দিত করে, আশা জাগায়। মাঝে মাঝে অনুভব করা দরকার, আলো নিভতে না দেওয়া মানুষ দেশে আছে, আছে বলেই মাঝে মাঝে আচমকা বিস্ময়, আনন্দ ও প্রাণের উষ্ণতা এসে এভাবে জীবনকে বুঝিয়ে দেবে, বেঁচে থাকা আসলেই সুন্দর। নতুন করে প্রাণ পাওয়া রুনা লায়লা ও “মাস্ত কালান্দার”জীবনে যোগ করেছে নতুন বিস্ময়, আলাদা রঙের আনন্দ। আমাদের প্রেমে, শ্রদ্ধায় আপনি দীর্ঘায়ু হোন রুনা লায়লা।’

রুনা লায়লা ও আফজাল হোসেন
রুনা লায়লা ও আফজাল হোসেন। কোলাজ

সৌদিতে হুতিদের হামলা, চার বছরের যুদ্ধবিরতির কি অবসান ঘটল

ইয়েমেনে তাঁদের নিয়ন্ত্রিত একটি বিমানবন্দরে সৌদি আরব হামলা চালিয়েছে—এমন অভিযোগ এনে দেশটির ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছেন হুতি বিদ্রোহীরা। এর মধ্য দিয়ে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যকার চার বছরের যুদ্ধবিরতির অবসান ঘটল। হুতিরা ইরান-সমর্থিত।

সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোটের এক মুখপাত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লিখেছেন, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চল লক্ষ্য করে হুতি গোষ্ঠীর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে সৌদি আরব।

হুতির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি বলেন, তাঁরা সৌদি আরবের আভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নিশানা করে হামলা চালিয়েছেন। তীব্র গরম থেকে বাঁচতে ইয়েমেন সীমান্তবর্তী পাহাড়ি ওই অঞ্চলটিতে অনেক সৌদি নাগরিক ঘুরতে যান।

২০২২ সালের মার্চে সৌদি জ্বালানি অবকাঠামোতে হুতিদের হামলার পর একটি অনানুষ্ঠানিক যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। এরপর এই প্রথম সৌদির বিরুদ্ধে কোনো হামলার দায় স্বীকার করল গোষ্ঠীটি।

গত এপ্রিল মাসে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধবিরতির পর সৌদির পূর্বাঞ্চল ও রিয়াদে ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা কমে এসেছিল। তবে সোমবারের এই সহিংসতার জেরে সৌদির দক্ষিণ সীমান্তে আবারও সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হলো।

উপসাগরীয় অন্য ছোট দেশগুলোর তুলনায় সৌদি আরব আয়তনে বড় হওয়ায় যুদ্ধের ধকল তারা ভালোভাবেই সামলেছে। হরমুজ প্রণালি এড়িয়ে পূর্ব থেকে লোহিত সাগরের পশ্চিম উপকূলের পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল রপ্তানি সচল রেখেছে দেশটি। তবে অতীতে লোহিত সাগরের জাহাজে হামলা চালানো হুতিদের সঙ্গে বড় কোনো সংঘাত তৈরি হলে, তা এই তেল রপ্তানির জন্য চ্যালেঞ্জ হতে পারে।

সৌদি যুবরাজকে ট্রাম্পের সবুজ সংকেত

মার্কিন গণমাধ্যম এক্সিওসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, হুতি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে (এমবিএস) সমর্থন দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রের দুজন কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত সপ্তাহে সৌদি আরব হুতিদের নিয়ে উদ্বেগের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে জানায় এবং সম্ভাব্য হামলার জন্য সমর্থনের অনুরোধ করে। গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সঙ্গে বৈঠক করেন। এর পরদিন রুবিও সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুবরাজ ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে কথা বলেন।

মার্কিন এক কর্মকর্তার তথ্যমতে, এর পরপরই গত শুক্রবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সৌদি যুবরাজের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। ওই আলাপে মোহাম্মদ বিন সালমান হুতিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপের জন্য ট্রাম্পের সমর্থন চান এবং ট্রাম্প তা মঞ্জুর করেন।

ইরানি বিমান

এর আগে সোমবার ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী হুতিদের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, সৌদি আরব ইয়েমেনের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা দিয়ে হুতিদের পক্ষ থেকে বলা হয়, এ হামলার মাধ্যমে উত্তেজনা কমানোর অধ্যায় শেষ হলো।

একই সঙ্গে সানা বিমানবন্দরের ওপর থেকে ‘অবরোধ’ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত বিমান সংস্থাগুলোকে সৌদির আকাশসীমা এড়িয়ে চলার বিষয়ে সতর্কবার্তা দেয় হুতিরা।

সানা বিমানবন্দরে চালানো হামলার দায় স্বীকার করেছে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার। রিয়াদের ব্যাপক সমর্থনপুষ্ট এই সরকারের অনেক সদস্যই রিয়াদে বসবাস করেন।

ইয়েমেনি সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ইয়েমেনের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করে একটি ইরানি বিমানকে অবতরণ করা থেকে বিরত রাখতে সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের রানওয়েতে হামলা চালানো হয়েছিল। তারা জানায়, ইয়েমেনের আকাশসীমা লঙ্ঘনকারী যেকোনো বৈরী বিমানকে সরকারি বাহিনী ‘সব উপায়ে’ প্রতিহত করবে। এ জন্য ইরানকে দায়ী করেছে তারা।

পরবর্তী সময়ে দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর এক মুখপাত্র জানান, উড়োজাহাজটি হুতি-নিয়ন্ত্রিত হোদেইদাহ বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে। সানা থেকে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত হোদেইদাহে বিমানটির অবতরণ ঠেকাতে কোনো চেষ্টা করা হয়েছিল কি না, তা স্পষ্ট নয়।

দীর্ঘদিনের যুদ্ধ আবার চাঙা

ইয়েমেনের আরেক মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, হুতিরা সানা বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটির (আইসিআরসি) আরেকটি বিমানকে আটকে রেখেছে। মধ্যপ্রাচ্যে আইসিআরসির মুখপাত্র হাশেম ওসেইরান বলেন, রেডক্রসের সব কর্মী ও বিমানের ক্রুরা নিরাপদে আছেন।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে হুতি এবং ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের মধ্যে আইসিআরসির মধ্যস্থতায় বন্দিবিনিময় চুক্তি ভেস্তে যায়। দুপক্ষই এ জন্য একে অপরকে দোষারোপ করছে, যা ক্রমবর্ধমান উত্তেজনারই ইঙ্গিত দেয়।

হুতিরা রাজধানী দখল করে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারকে দক্ষিণে পালিয়ে যেতে বাধ্য করার পর থেকে ইয়েমেনে এক দশকের বেশি সময় ধরে গৃহযুদ্ধ ও বিদেশি শক্তির প্রক্সি যুদ্ধ চলছে।

২০১৫ সালে হুতিদের বিরুদ্ধে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হস্তক্ষেপ করে, যা বিশ্বের অন্যতম ভয়াবহ মানবিক সংকটের জন্ম দেয়।

গত বছরের শেষের দিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সমর্থিত একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন দক্ষিণের অঞ্চলগুলো দখল করে নিলে সংঘাত আবার নতুন করে চাঙা হয়। এতে হুতিদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের জন্য গঠিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটে ফাটল ধরে। তা সত্ত্বেও, ইসরায়েল-গাজা যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আঞ্চলিক উত্তেজনা এবং ইরান যুদ্ধ চলাকালে লোহিত সাগরের বহু জাহাজে হুতিদের হামলা সত্ত্বেও ২০২২ সালে সৌদি আরব ও হুতিদের মধ্যকার যুদ্ধবিরতিটি অনেকটাই বজায় ছিল।

ইয়েমেনের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের হামলার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে। ১৩ জুলাই ২০২৬, সানা
ইয়েমেনের সানা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সৌদি আরবের হামলার পর ধোঁয়া উঠতে দেখা যাচ্ছে। ১৩ জুলাই ২০২৬, সানা। ছবি: এএফপি