Sunday, September 20, 2009
চারদিক চা জাদুঘর পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ মুজিবুর রহমান
তবে চায়ের উপকারিতা, চায়ের আবিষ্কার কাহিনীসহ চায়ের এ পর্যন্ত বাংলাদেশে উদ্ভাবিত সকল প্রকার বিটি ক্লোনের উপস্থিতি জাদুঘরে থাকবে বলে জানা গেছে। জাদুঘরের জন্য এ পর্যন্ত ব্রিটিশ আমলে চা-বাগানে ব্যবহূত প্রায় শতাধিক আসবাবপত্রসহ বিভিন্ন সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে স্বাধীনতার আগে চা বোর্ডের দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ব্যবহূত চেয়ার-টেবিলও।
মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলায় টি রিসোর্টের তিনটি কক্ষে এখন চা জাদুঘর করা হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার বাংলাদেশ চা বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল রুহুল আমীন (এএফডব্লিউসি পিএসসি) এটি উদ্বোধন করেন। প্রথম দিকে রিসোর্টের একটি ভবনের তিনটি ঘর নির্ধারণ করে সে ঘরগুলোয় সংগৃহীত প্রাচীন এসব জিনিসপত্র আনার কাজ চলে। পরে বঙ্গবন্ধুর ব্যবহূত চেয়ার, চা শ্রমিকদের জন্য ব্যবহূত বিশেষ কয়েন, কম্পাস, ঘড়ি, পাম্প টিউবওয়েল, খাট, টেবিল, আয়রন ব্যাম্বো স্টিক, ব্রিটিশ আমলের ফিলটার, চা গাছের মোড়া ও টেবিল, পাথর হয়ে যাওয়া আওয়াল গাছের খণ্ড, প্রোনিং দা, প্লান্টিং হো, দিকনির্ণয় যন্ত্র, ফসিল, লোহার পাপস, ঘটি, ব্রিটিশ আমলের পাখা, কাটা কুদাল, টাইপ রাইটার, কয়েন পাথরের প্লেট, লোহার ফ্রেম টেবিল, প্রনিং নাইফ, ইলেকট্রিক ফ্যান, ফর্ক, সার্ভে চেইন, রেডিও, সিরামিক ঝাড়, ডয়ারের অংশ, বাট্টার ডিল, রাজনগর চা-বাগানের নিজস্ব কয়েন, ব্রিটিশ আমলে লন্ডন থেকে আনা ওয়াটার ফিলটার, রিং কোদাল, তীর-ধনুকসহ নাম না-জানা আরও কিছু সামগ্রী সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এখনো সংগ্রহের কাজ চলছে। স্থপতিদের দিয়ে পরিকল্পনা করে চা জাদুঘরে মূল্যবান এসব সামগ্রী রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে পাওয়া গেছে কেরোসিনচালিত ফ্রিজ, পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের ব্যবহূত গাড়ির চেসিস। কমলগঞ্জের দেওড়াছড়া চা-বাগান থেকে আনা হয়েছে কয়েক শ্রেণীর কয়েন, যা শুধু চা শ্রমিকদের মধ্যেই ব্যবহার হতো।
চা-বাগানের পুরোনো স্থাপনার আলোকে নকশা প্রণয়ন করে টি মিউজিয়াম ভবন নির্মাণ করা হবে। টি রিসোর্টের নামও পরিবর্তন করে রাখা হবে টি রিসোর্ট অ্যান্ড মিউজিয়াম। বর্তমানে দেশের ১৬৫টি মূল চা-বাগানে চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নির্দেশে চা বোর্ডের উন্নয়ন কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী যেসব বাগানে প্রাচীন ব্রিটিশ আমলের আসবাবপত্র আছে তা মিউজিয়ামে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সে আলোকে বিভিন্ন বাগান থেকে প্রাচীন সামগ্রী পাঠাচ্ছে সংশ্লিষ্ট বাগান কর্তৃপক্ষ। চা বোর্ড সূত্র জানায়, পর্যায়ক্রমে প্রাচীন সামগ্রী সংগ্রহের পাশাপাশি এ জাদুঘরে চা উত্পাদন থেকে শুরু করে বিপন্ন এমনকি মিনি ফ্যাক্টরিও স্থান পাবে। চা জাদুঘর হওয়ায় শ্রীমঙ্গল তথা মৌলভীবাজার জেলায় পর্যটকদের আকর্ষণ আরও বেড়ে যাবে। শ্রীমঙ্গল পর্যটনের ক্ষেত্রে জন্ম দেবে একটি নতুন অধ্যায়ের। আর এ জাদুঘর দেখে পর্যটকেরা চা শিল্পের প্রাথমিক ধারণা এখান থেকে নিতে পারবে। বিশেষ করে টি রিসোর্টের মানও এ জাদুঘর অনেক গুণ বাড়িয়ে দেবে। এখানে পাহাড়ের চূড়ায় চূড়ায় ব্রিটিশ আমলী সাহেবী কটেজ, সুইমিংপুল, উন্মুক্ত আটটি হরিণের পদচারণভূমি পর্যটকদের আকর্ষণ করবে। বাংলাদেশের চা শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষদের ইতিহাস উঠে আসবে এই জাদুঘরে।
মৌলভীবাজারের মানুষ এই জাদুঘর স্থাপনের কারণে খুশি হয়েছে। পর্যটকরা যদি এখানে এসে দেশের অতীত ঐতিহ্যের সন্ধান পান এবং তা নিয়ে নিজের জানার পরিধি বাড়িয়ে নিতে পারেন, তবেই এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠা পূর্ণতা পাবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লির চিঠি কূলদীপ নায়ার বিশ্বায়ন ও খাদ্য সংকট
দুই দশক ধরে ভারতের প্রবৃদ্ধির হার ছিল ১০ শতাংশের কাছাকাছি। এই বছরও এই হার ৬ দশমিক ১ শতাংশ। তথাপি, মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭০ শতাংশ গরিবের চোখে পড়ার মতো কোনো উন্নতি হয়নি। তাদের বাড়তি আয়ের অর্থ কেবল ধনীদের পকেট ভারি করেছে। রপ্তানির উদ্দেশ্য অপ্রয়োজনীয় শস্য চাষ বেড়ে যাওয়ায় চাপ পড়েছে ধান-গমের চাষে। ভারতে চালের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও বিপুল পরিমাণে চাল রপ্তানিও করা হয়েছে। বিশ্বায়নের ফলে ভারত বাধ্য হয়েছে রপ্তানি করতে। কিন্তু তা এড়ানো যেত যদি কিছু মন্ত্রী ও উচ্চপদস্থ আমলা টেবিলের তলা দিয়ে অর্থ কামানোর প্রলোভনের শিকার না হতেন। কেন্দ্রীয়ভাবে অনেক উদ্বেগ জানানো হয়েছে, কিন্তু এগুলো তদন্তের কোনো কথা শোনা যায়নি।
ভারত এখনো উপলব্ধি করতে পারে না যে প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি ক্ষুধা-দারিদ্র্য কমায় না, আরও শোচনীয় করে তোলে। শিল্পায়িত কৃষির মডেল ও বিশ্বায়িত খাদ্য বাণিজ্য ক্ষুধা সৃষ্টির জন্য দায়ী—এ বিষয়ে মনমোহন সিংয়ের সরকার এখনো সজাগ নয়। কৃষকেরা সাহায্যের জন্য অনিবার্যভাবে ঋণের ওপর নির্ভর করেছে। তারা বুঝতে পারেনি ঋণের ফাঁদ আসলে ক্ষুধারই ফাঁদ। অনেকে আত্মহত্যা করেছে, আরও অনেকে করবে।
ভারতের গরিবদের অবস্থা সবচেয়ে শোচনীয়। বিশ্বায়নের ফলে তাদের জীবিকার পথ ধ্বংস হয়েছে। মধ্যবিত্তের অবস্থা আরও খারাপ। তারা নিম্নমানের খাবার খাচ্ছে, অসুষম ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য বিশ্বায়নের মাধ্যমে তাদের খেতে বাধ্য করা হচ্ছে। পর্যাপ্ত খাবার না পাওয়া গরিবদের পুষ্টিহীনতার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে দেশটি। ধনীরাও পুষ্টিহীনতার শিকার। কারণ, আমেরিকায়িত খাদ্য সংস্কৃতির প্রভাবে তাদের খাদ্যাভ্যাসে জায়গা করে নিয়েছে অসুষম ও প্রক্রিয়াজাত খাবার।
বুশ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট থাকাকালে বিভ্রান্তিকর এক যুক্তি দেন। তিনি বলেন, ভারতের খাদ্যসংকটের কারণ সেদেশের মধ্যশ্রেণীর আকার বৃদ্ধি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মোট জনসংখ্যাকে ছাড়িয়ে গেছে এবং এই বিপুলসংখ্যক মানুষ অনেক খাদ্য গ্রহণ করে। কিন্তু তিনি জানেন না যে ভারতীয়রা এখনো মোটের ওপর কম খাবার খায়। খাদ্যনিরাপত্তার উদ্দেশ্য ও সমাধান বিষয়ে সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বুশের জীব-জ্বালানিনীতি ও শস্য বাণিজ্য-জোটের সংরক্ষণনীতি মূল্য বৃদ্ধির প্রকৃত কারণ।’ খাদ্যকে বৃহত্ করপোরেশনগুলোর যৌথ নিয়ন্ত্রণাধীন পণ্যতে পরিণত করা হয়েছে।
খাদ্যমূল্যের নিয়ন্ত্রণহীন বৃদ্ধি স্পষ্টত পশ্চিমাদের বর্ণিত নয়া উদারনৈতিক প্যারাডাইসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তৈরি অর্থনৈতিক নীতির ফল। খাদ্যব্যবস্থার সর্বত্র করপোরেটদের একচেটিয়া কায়েম করতে সরকারের হস্তক্ষেপ করেছে। জাতীয় উত্পাদন, বাণিজ্য থেকে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, উদারভাবে আমদানি থেকে রপ্তানিকেন্দ্রিক কৃষি সর্বত্র হস্তক্ষেপ করেছে; যদিও সরকারের হস্তক্ষেপের ফলে খাদ্যমূল্য বৃদ্ধি ঘটেছে। সরকার এখন হাত গুটিয়ে বসে থেকে বলছে, মূল্য নিয়ন্ত্রণে তাদের কিছুই করার নেই।
বিশ্ব কৃষি-শিল্প ফোরামের এক সভায় গত বছর ১১ এপ্রিল মনমোহন বলেন, খাদ্যমূল্যের মাত্রাতিরিক্ত বৃদ্ধি মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ আরও কঠিন করে তুলবে এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাও আক্রান্ত হতে পারে। তবে তিনি মূল্যবৃদ্ধি রোধে কঠোর নিয়ন্ত্রণের যুগে ফিরে যাওয়া নাকচ করে দেন। গরিবদের উচ্চ মূল্যের খাবারের অর্থনীতির দিকে ঠেলে দিয়ে সেই অর্থনীতির রূপকার বলেছেন, তিনি ‘নাক না গলানোর অর্থনীতিতে’ বিশ্বাসী। এর মানে হলো, খাদ্যব্যবস্থায় করপোরেটদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার জন্য অর্থনীতিকে স্বয়ংচালিত করে দেওয়া।
খাদ্য আমদানি আর আর্থিক সামর্থ্যের সীমার মধ্যে নেই। আর আমদানিনির্ভর অর্থনীতির মডেল যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের স্বার্থের অনুকূলে হতে পারে, যে সরকার খাদ্যকে সব সময় অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেছে। ভারতের খাদ্য সার্বভৌমত্বের স্বার্থে নিশ্চয়ই তা নয়। ইতিমধ্যে পর্যাপ্ত খাদ্যহীন ৭০ শতাংশ জনগোষ্ঠীর জন্যও নয়।
সস্তা খাদ্যের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এক দশকের বেশি সময়ে করপোরেট বিশ্বায়ন বিশ্বব্যাপী কৃষি ধ্বংস করেছে। বিশ্বায়ন সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখা শক্তি ও প্রক্রিয়াগুলোই খাদ্যদ্রব্যকে জনগণের আয়ত্তের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাপী খাদ্যমূল্য বাড়ছে। ৩৩-এর অধিক দেশে দাঙ্গা হয়েছে। ভারতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের উচ্চহারে মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে। নানা রকম কারণ হাজির করা হয়েছে, বলা হয়েছে জনসংখ্যা বেড়ে গেছে। এগুলো অশোভন ব্যাখ্যা। কারণ, গত বছরে খাদ্যমূল্য দ্বিগুণ হয়েছে, জনসংখ্যা নয়।
ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু প্রথম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনীতিতে হাজার হাজার কোটি টাকা যোগ করে যখন দেখলেন কোনো উন্নতি ঘটল না, সঙ্গে সঙ্গে তিনি সেই অর্থ কোথায় গেল তা অনুসন্ধানের জন্য এক শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতি বিশেষজ্ঞ নিয়োগ করেন। তাঁর প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাড়তি অর্থ ধনীদের পকেটস্থ হয়েছে। নেহরু আশ্চর্য হননি, কিন্তু আহত বোধ করেছিলেন এই জন্য যে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ীদের জনগণের সম্পদের রক্ষকের ভূমিকায় কাজ করার জন্য মহাত্মা গান্ধীর উপদেশ কোনো কাজে আসেনি। আসলে গ্রামীণ অর্থনীতি ও স্বনির্ভরতা নিয়ে মহাত্মা গান্ধী যে উপদেশ দিয়েছেন, তা একদমই অনুসরণ করা হয়নি। তাঁকে এর জন্য দোষ দেওয়া যায় না, কিন্তু সরকারের লোকজন এর জন্য দায়ী।
ভারতের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি ক্ষুধা বৃদ্ধির মূল কারণ বিশ্বায়ন দেশটির জন্য ক্ষতিকর ফল বয়ে এনেছে। প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, তত্কালীন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরাম ও পরিকল্পনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারম্যান মনটেক সিং আহলুওয়ালিয়া বিশ্বায়নকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। অর্থনৈতিক প্রাচুর্যের অধিকারী এই ত্রয়ী তাঁদের উন্নয়নের তত্ত্বে মগ্ন থেকেছেন। আশ্চর্য লাগে যে প্রবৃদ্ধির হার প্রায় তিন গুণ হওয়ার ফলে অর্জিত অর্থ কোথায় গেল, তা অনুসন্ধানে প্রধানমন্ত্রী কোনো কমিটি গঠন করলেন না, চটপট একজনকে নিয়োগ করলেন। ধনী ও মধ্যবিত্ত তাদের পকেট ভর্তি করেছে ঠিকই, কিন্তু তা শুধু আংশিক সত্য, পুরো সত্যটি জানা দরকার।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
কূলদীপ নায়ার: ভারতের প্রবীণ সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জ্বালানি ও জাতীয় স্বার্থের তর্ক-বিতর্ক -উন্নয়ন by জোবায়ের জামান
বাংলাদেশের সাগরবক্ষে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সাগরবক্ষে অনুসন্ধান পরিচালনার মতো আর্থিক ও কারিগরি সামর্থ্য নেই এবং তা রাতারাতি অর্জিতও হবে না। ১৯৯৮-১৯৯৯ সালের দিকে শেল এবং কেয়ার্ন এনার্জিসহ আরও কিছু বিদেশি কোম্পানি বাংলাদেশের অগভীর সমুদ্রে ব্যাপক অনুসন্ধান জরিপ চালায়। সেই সময়ের জরিপে সম্ভাবনাময় বলে বিবেচিত ‘হাতিয়া’ ও ‘মগনামা’য় ড্রিলিংয়ে দুটো স্ট্রাকচারে গ্যাসের বাণিজ্যিক উত্তোলনযোগ্যতা নিশ্চিত করতে পারেনি। আরও ব্যয়বহুল ত্রিমাত্রিক সাইসমিক জরিপের প্রস্তাব রয়েছে। অর্থাত্ এসব অঞ্চলে এক দশক ধরে বিপুল ব্যয়ে পরিচালিত অনুসন্ধান আমাদের গ্যাস সম্পদে নতুন কোনো কিছু যোগ করতে পারেনি। বর্তমান পিএসসির আওতায় পরিচালিত অনুসন্ধানেও দ্রুত গ্যাসপ্রাপ্তি আশা করা যায় না, অন্তত আগামী সাত-নয় বছরের মধ্যে তো নয়ই।
গভীর সমুদ্রে অনুসন্ধান ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় এবং নিজেদের আর্থিক ও কারিগরি সামর্থ্য না থাকায় বিভিন্ন দেশ নানা আর্থিক প্রণোদনা দিয়ে বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের চেষ্টা করে। আবিষ্কৃত গ্যাসের বাজারজাতকরণের নিশ্চয়তা বা বাজারজাতকরণের সুযোগ প্রদানও এক ধরনের প্রণোদনার অংশ। অন্যথায় কোনো বিনিয়োগকারীই ঝুঁকিপূর্ণ এ বিনিয়োগে আকৃষ্ট হবে না। তৃতীয় মডেল পিএসসিতে আবিষ্কৃত গ্যাসের বাজারজাতকরণের বাস্তব এ দিকটি যথাযথ বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া বাংলাদেশের উপকূল থেকে ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বে গভীর সমুদ্রে আবিষ্কৃত কোনো গ্যাসক্ষেত্র থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশের অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর জন্য গ্যাস নিয়ে আসা খুবই ব্যয়বহুল হবে, যদি না বিশাল বা ‘মেগা গ্যাসক্ষেত্র’ আবিষ্কৃত হয়। তাই ‘তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস’ (এলএনজি) প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে গ্যাস বাজারজাতকরণ/রপ্তানি একটি যৌক্তিক প্রস্তাব। তবে তাও আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রের আকারের ওপর নির্ভরশীল। সাধারণত গভীর সমুদ্র এলাকায় চার থেকে পাঁচ টিসিএফের নিচের কোনো গ্যাসক্ষেত্রের জন্য এলএনজি প্ল্যান্ট স্থাপন বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক বলে বিবেচিত হয় না। এখানে উল্লেখ্য, পিএসসি মোতাবেক গ্যাসের যেকোনো রপ্তানির ক্ষেত্রে পেট্রোবাংলা বা দেশে তৃতীয় কোনো ব্যবহারকারী/পক্ষ গ্যাস কিনতে অপারগতা প্রকাশ করলেই কেবল পেট্রোবাংলার সম্মত শর্তে এলএনজি হিসেবে রপ্তানির সুযোগ আসবে। যাঁরা গভীর সমুদ্র অঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের আর্থিক, কারিগরি ও অনিশ্চয়তার দিকটি উপলব্ধি না করে জনগণের আবেগকে পুঁজি করে সম্পদ রক্ষার আন্দোলনে নেমেছেন, তাঁরা কতটুকু বাস্তবতার কথা ভাবছেন আর কতটুকু স্বপ্নবিলাসী, তা বিবেচনাযোগ্য।
এরই মধ্যে মিয়ানমার, ভারত গভীর সমুুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করেছে। সমুদ্রসীমা নিয়েও তাদের সঙ্গে আমাদের বিরোধ রয়েছে। পত্রপত্রিকায় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ সচিবের উদ্ধৃতি দিয়ে গ্যাসব্লক বিষয়ে মিয়ানমার ও ভারতের আপত্তির সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে। এমনকি যে তিনটি ব্লকে পিএসসি স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত হয়েছে, সে তিনটি ব্লকের ব্যাপারেও তারা আপত্তি জানিয়েছে। এ অবস্থায় সাগরবক্ষে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান কার্যক্রম শুরু না করে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকলে বরং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর স্বার্থই রক্ষিত হবে, বাংলাদেশের নয়।
গ্যাসের মতো কয়লা অনুসন্ধান ও খনি উন্নয়নের বিপুল মূলধনী বিনিয়োগের জন্য উত্তোলিত কয়লার বাজারজাতকরণও একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। সে জন্য খনি উন্নয়ন চুক্তিতে কয়লা রপ্তানির সুযোগ রাখা আছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘প্রথম অধিকার’ নিশ্চিত করা আছে। সরকার অনাগ্রহী বা অপারগতা প্রকাশ করলেই কেবল তৃতীয় পক্ষ বা দেশের কাছে রপ্তানির সুযোগ আসবে। তবে বর্তমানে দেশে জ্বালানির বিপুল অভ্যন্তরীণ চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে রপ্তানির প্রশ্নটি প্রায় অবান্তর। তা ছাড়া কয়লা রপ্তানির জন্য দেশে অবকাঠামো খাতে বিপুল বিনিয়োগ প্রয়োজন। রেল উন্নয়নের পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে কয়লা হ্যান্ডলিং সুবিধা-সংবলিত টার্মিনাল স্থাপন করতে হবে। অভ্যন্তরীণ বাজারে উত্তোলিত কয়লা বাজারজাতকরণের নিশ্চয়তা পেলে কোনো বিনিয়োগকারীই রপ্তানির জন্য অবকাঠামো খাতে অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিনিয়োগে আগ্রহী হবে না। তবে এ ধরনের বিনিয়োগ দেশের জন্য দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক বিবেচিত হতে পারে। দেশের মজুদ কয়লা আমাদের ভবিষ্যত্ চাহিদা মেটানোর জন্য যথেষ্ট নয়। অবকাঠামো সুবিধা থাকলে প্রয়োজন অনুসারে কয়লা আমদানি বা রপ্তানি দুটিই ভাবা যেতে পারে। বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কয়লা উত্তোলন ও ব্যবহারকারী দেশ চীন ও ভারত নিজেদের সুবিধা ও চাহিদা মোতাবেক কয়লা আমদানি ও রপ্তানি দুটোই করছে। ভারতকে বর্তমান অর্থবছরেই প্রায় ৭০ মিলিয়ন টন কয়লা আমদানি করতে হবে এবং ২০১১-১২ সাল নাগাদ তা ২০০ মিলিয়ন টনের বেশি ছাড়িয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
প্রাথমিক জ্বালানির অভাবে দেশ আজ বিদ্যুত্ উত্পাদনে হিমশিম খাচ্ছে। একক জ্বালানি-নির্ভরতার কারণে দেশে গ্যাসের সংকট সৃষ্টি হয়েছে। বিদ্যুত্ ও গ্যাসসংকটে নতুন কোনো বিনিয়োগ হচ্ছে না, পুরোনো কারখানাগুলোতেও উত্পাদন চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে। জনদুর্ভোগ চরমে। গ্যাসের অভাবে বর্তমানে বিদ্যুত্ উত্পাদন প্রায় ৬০০ মেগাওয়াটের মতো হ্রাস পেলেও বিকল্প জ্বালানির অভাবে অসহায় সরকারকে নতুন করে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ নিতে হচ্ছে। এতে করে ভবিষ্যতে বিদ্যুত্ ও গ্যাসসংকট উভয়ই প্রবল হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু বাস্তবানুগ পদ্ধতিতে সময়মতো দেশের কয়লা সম্পদ উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু হলে এরই মধ্যে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ উত্পাদনের মতো প্রাথমিক জ্বালানি পাওয়া যেত। আগামী দু-তিন বছরের মধ্যে আরও ১৫০০-২০০০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুেকন্দ্র স্থাপন করা যেত। ফলে গ্যাসের অধিকতর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত হতো। কিন্তু কয়লা খাত উন্নয়নবিরোধী সক্রিয় প্রচারণা ও বিরোধিতার ফলে এ ক্ষেত্রেও এক ধরনের স্থবিরতা ও সিদ্ধান্তহীনতা বিরাজ করছে। মনে রাখা ভালো, জাতীয় সম্পদ রক্ষার আন্দোলন ক্রমেই যেভাবে জ্বালানি সম্পদ উন্নয়নবিরোধী ও বাস্তব পৃথিবীর নিয়মের বিরোধিতা করছে, তাতে দেশের জ্বালানি প্রাপ্যতা আরও দুরূহ হবে এবং সর্বোপরি জ্বালানি ও পণ্যমূল্য উভয়ই দুর্লভ হবে।
এ পরিপ্রেক্ষিতে ১০ সেপ্টেম্বর প্রথম আলোয় প্রকাশিত এ বি এম মূসার লেখায় উত্থাপিত প্রসঙ্গের সঙ্গে একমত না হয়ে উপায় নেই। জনগণ আমদানি-রপ্তানি বুঝে না, তারা চায় বিদ্যুতের নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ। চায় ঘরের চুলায় গ্যাস, শিল্পকারখানায় গ্যাস। এ জন্য জনগণ রাস্তায় নামতেও দ্বিধা করবে না। এ ক্ষেত্রে জবাবদিহি করতে হবে নির্বাচিত সরকারকেই, কোনো ব্যক্তিবিশেষ বা গোষ্ঠীকে নয়। তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকারও সরকারের। দেশের বৃহত্তর স্বার্থে গ্যাস, কয়লাসহ দেশীয় সব জ্বালানি সম্পদ অনুসন্ধান ও উন্নয়ন বিষয়ে দৃঢ় সিদ্ধান্ত নিতে হবে, আপাত তা অপ্রিয় হলেও। সঙ্গে সঙ্গে জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের প্রকৃত চিত্র জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। অন্যথায় জ্বালানি ও বিদ্যুত্ খাতের বর্তমান সংকট ভবিষ্যতে আরও তীব্র হবে। এ জন্য জাতিকে অনেক মূল্য দিতে হতে পারে। সামাজিক ও অর্থনৈতিক খাতের আমাদের অনেক অর্জনও ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। সেটা নিশ্চয় আমরা কেউ চাই না।
জোবায়ের জামান: ভূতত্ত্ববিদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা আদায় করুন -ধর্ম by মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
মাহে রমজানের পূর্ণাঙ্গ একটি মাস মুমিন মুসলমানগণ রোজা পালন করেন। রোজাদার ব্যক্তি আল্লাহর ফরজ ইবাদতগুলো যথাসাধ্যভাবে আদায় করার আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু এসব দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে অনেক সময় ভুলভ্রান্তি হয়ে যায়, মাহে রমজানের রোজা পালনে বা সিয়াম সাধনায় অত্যন্ত সতর্কতা সত্ত্বেও যেসব ত্রুটি-বিচ্যুতি হয় তার প্রতিকার ও প্রতিবিধান বা ক্ষতিপূরণের জন্য শরিয়তে রমজান মাসের শেষে সাদাকাতুল ফিতরকে ওয়াজিব করে দেওয়া হয়েছে। ধনীদের পাশাপাশি গরিবেরাও যেন ঈদের আনন্দে শরিক হতে পারে সে জন্য ইসলামি শরিয়তে ঈদুল ফিতরে ধনীদের ওপর ‘সাদাকাতুল ফিতর’ ওয়াজিব করা হয়েছে।
মাহে রমজানে সব ইবাদতের সওয়াব যেমন অনেক গুণ বৃদ্ধি পায়, নফল ইবাদতে ফরজের সমান এবং একটা ফরজে ৭০টি ফরজের সমান সওয়াব পাওয়া যায়, তেমনিভাবে এ মহান মাসে দান-খয়রাত বা সাদকা করলেও অধিক সওয়াব বা পুণ্য লাভ করা যায়। একবার নবী করিম (সা.)-কে সর্বোত্তম দান-সাদকা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, ‘দাতার কাছে যা সর্বোত্কৃষ্ট এবং যার মূল্যমান বেশি।’ (বুখারি) রমজান মাসে রাসূলুল্লাহ (সা.)-এর সাদকা করার ব্যাপারে উত্সাহ-উদ্দীপনা বেড়ে যেত। তিনি মাহে রমজানকে সহানুভূতির মাস বলে আখ্যায়িত করেছেন। নবী করিম (সা.) সাদাকাতুল ফিতর এ জন্য নির্ধারিত করেছেন যাতে ভুলক্রমে অনর্থক কথাবার্তা ও গুনাহ থেকে রোজা পবিত্র হয় এবং মিসকিনদের খাওয়া-পরার ব্যবস্থা হয়।
যে ব্যক্তির কাছে ঈদের দিন সুবহে সাদিকের সময় জীবিকা নির্বাহের অত্যাবশ্যকীয় উপকরণ ব্যতীত সাড়ে সাত তোলা সোনা অথবা সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপা অথবা সমমূল্যের অন্য কোনো সম্পদ থাকে তার ওপর সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। এ পরিমাণ সম্পদকে শরিয়তের পরিভাষায় নিসাব বলা হয়। প্রত্যেক সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব।
রমজান মাস শেষ দশক আসার সঙ্গে সঙ্গে রোজাদারের অপরিহার্য কর্তব্য হলো নির্ধারিত পরিমাণে সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা আদায় করা। খেজুর, কিশমিশ, মুনাক্কা এবং যব দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা হলে এক সা অর্থাত্ তিন কেজি ৩০০ গ্রাম অথবা এর মূল্য আদায় করতে হবে। আটা বা গম দ্বারা সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা হলে অর্ধ সা অর্থাত্ এক কেজি ৬৫০ গ্রাম বা এর সমান মূল্য আদায় করতে হবে। মাথাপিছু এক কেজি ৬৫০ গ্রাম গম বা আটা অথবা এর স্থানীয় বাজারমূল্যের সমান ফিতরা দিতে হয়। (উল্লেখ্য, এবারের ফিতরা জনপ্রতি ৪০ টাকা করে নির্ধারণ করা হয়েছে।)
সামর্থ্যবান পিতার ওপর তার নাবালক ছেলেমেয়েদের পক্ষ থেকেও সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা ওয়াজিব। সুতরাং নিজের ও নাবালেগ সন্তানাদির পক্ষ থেকে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে। মহিলাদের কেবল নিজের পক্ষে ফিতরা দেওয়া ওয়াজিব। নাবালেগ সন্তানের নিজের সম্পদ থাকলে তা থেকেই ফিতরা দেওয়া হবে। আর বালেগ সন্তানের পক্ষ থেকে ফিতরা আদায় করা মুস্তাহাব। গৃহকর্তা এবং তার পোষ্যদের সংখ্যাকে হিসাব করে প্রতিজনের বিপরীতে নির্ধারিত অর্থমূল্যে সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা বাঞ্ছনীয়। ফিতরা সেসব গরিব-মিসকিনই পাবেন, যাঁরা জাকাত পাওয়ার উপযুক্ত। ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই সাদকা বা জাকাত দরিদ্র, মিসকিন, জাকাত আদায়কারী কর্মচারী, ইসলামের প্রতি যাদের মন আকৃষ্ট করার প্রয়োজন, বন্দী, ঋণগ্রস্ত, আল্লাহর রাস্তায় নিয়োজিত বিপদগ্রস্ত পথিকের জন্য (ব্যয়িত হবে), এটি আল্লাহর নির্ধারিত বিধান, আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।’ (সূরা-আত-তওবা, আয়াত-৬০)
সাদাকাতুল ফিতর ঈদের দুই-তিন দিন আগে আদায় করলে অধিক সওয়াব পাওয়া যায়। ফিতরা ঈদের নামাজে যাওয়ার আগে আদায় করা সুন্নত। তবে ঈদের নামাজের আগে আদায় করতে না পারলে ঈদের নামাজের পর অবশ্যই আদায় করতে হবে। হজরত ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত আছে, ‘রাসূলুল্লাহ (সা.) সাদকায়ে ফিতরের ব্যাপারে নির্দেশ দিয়েছেন, যেন তা লোকেরা সালাতের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগেই আদায় করে। নবী করিম (সা.) নিজেও ঈদের দু-একদিন আগে ফিতরা আদায় করে দিতেন।’ (আবু দাউদ)
যে ব্যক্তি ঈদের নামাজের আগে এ ফিতরা আদায় করে দেবে তা জাকাত হিসেবে কবুল হবে আর নামাজের শেষে আদায় করা হলে তখন তা সাদকা হিসেবে কবুল হবে।’ (আবু দাউদ, ইবনে মাজা)
সাদকা-ফিতরা যাদের দেওয়া হবে তাদের এ কথা জানানোর প্রয়োজন নেই যে তোমাকে ফিতরা দিচ্ছি অথবা এটা জাকাতের টাকা প্রভৃতি। বরং গরিব আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব, পাড়া-প্রতিবেশীকে সাদকা, ফিতরা বা জাকাত দেওয়ার সময় তা কিসের বাবদ দেওয়া হচ্ছে তা আলোচনা না করাই শ্রেয়। মাহে রমজানে মনপ্রাণ খুলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে আর্তমানবতার সেবায় কয়েক হাজার টাকা সাদকা-ফিতরা প্রদান তেমন কষ্টকর কিছু নয়, প্রয়োজন শুধু সদিচ্ছার। সুতরাং দাতার কথাবার্তা বা কার্যকলাপ দ্বারা যেন এ কথা প্রকাশ না পায় যে সে গ্রহীতাকে সাহায্য করছে। এ সাদকা তো দাতার দান নয়, বরং সাদকা দিয়ে সে দায়মুক্ত হলো মাত্র। আর সওয়াব বা প্রতিদান তো আল্লাহরই কাছে পাবেন। উপরন্তু গ্রহীতা তা গ্রহণের ফলেই দাতা দায়িত্বমুক্ত হতে পেরেছে। এ অর্থে বরং গ্রহীতাই দাতার উপকার করেছে। এ জন্য মাহে রমজানে সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা যথাসম্ভব রোজা শেষ হওয়ার আগেই দিয়ে দেওয়া উচিত।
ড. মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান: সহকারী অধ্যাপক, ইসলামিক একাডেমী, দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়।
dr.munimkhan@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক -বদিউল আলম মজুমদার
নব্বইয়ের এরশাদবিরোধী গণ-আন্দোলনের সময়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের লক্ষ্যে তিন জোটের ‘যুক্ত ঘোষণা’য় প্রথমবারের মতো একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দাবি ওঠে। এ দাবির পরিপ্রেক্ষিতে পরে বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের নেতৃত্বে ১৯৯০ সালে এমন একটি সরকার গঠিত হয়। একটি নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি জোরালোভাবে ওঠে ১৯৯৪ সালের মাগুরার উপনির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের কারচুপি এবং তা ঠেকাতে নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতার পরিপ্রেক্ষিতে। পরবর্তীকালে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিরোধী দলগুলোর তুমুল আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের একতরফা নির্বাচনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিধান আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে একটি ‘নির্বাচিত’ সরকার তার মেয়াদ শেষে একজন প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে একটি ‘অনির্বাচিত’ উপদেষ্টা পরিষদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিধান করা হয়, যা গণতান্ত্রিক চেতনা ও সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পূর্ণ অসংগতিপূর্ণ। এ ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা রাজনৈতিক দলগুলোর একে অপরের ওপর অনাস্থারই প্রতিফলন। উপরন্তু এ ব্যবস্থার ফলে রাজনৈতিক দলগুলো ‘দায়িত্বহীন’ আচরণে উত্সাহিত হয় এ ধারণা থেকে যে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দায়িত্ব—তাদের নয়। নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিকে প্রধান উপদেষ্টা করার লক্ষ্যে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে বিচারপতিদের অবসর গ্রহণের বয়সসীমা বৃদ্ধি, দলের প্রতি অনুগত ব্যক্তিদের নির্বাচন কমিশনে নিয়োগদান প্রভৃতি এমন আচরণেরই প্রতিফলন। সর্বোপরি, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার মাধ্যমে উচ্চ আদালত দলীয় রাজনীতির হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে, যা বিচার বিভাগের বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ন করেছে। এসব কারণে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা আমাদের গণতান্ত্রিক অবকাঠামো ও সংস্কৃতিতে গুরুতর ক্ষতি সাধন করেছে। তাই রাষ্ট্রে একটি সত্যিকারের কার্যকর গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা কায়েম করতে হলে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির কোনো বিকল্প নেই।
উল্লেখ্য, তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার প্রাক্কালে আমাদের বর্তমান মাননীয় প্রধানমন্ত্রীও তাঁর দারিদ্র্য দূরীকরণ: কিছু চিন্তাভাবনা (আগামী প্রকাশনী, ১৯৯৫) গ্রন্থে তিন মেয়াদের পর এর বিলুপ্তির কথা বলেন। তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমরা আগামী তিনটি নির্বাচন নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে চেয়েছি, যাতে করে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় যে সমস্ত ত্রুটি রয়েছে, ধীরে ধীরে তা সংস্কার ও ত্রুটিমুক্ত নির্বাচনী ব্যবস্থায় নিয়ে আসতে পারি।’ অর্থাত্ নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পর তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার বিলুপ্তির কথা বলেছেন। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এসব সংস্কার এখনো হয়নি এবং অতীতের অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে ভবিষ্যতে হবে বলেও আস্থা রাখা দুরূহ।
নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করাসহ একটি বলিষ্ঠ সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের অপূর্ব সুযোগ সৃষ্টি হয় সাম্প্রতিক বছরগুলোতে। দুর্বৃত্তায়িত রাজনীতির প্রভাবে এবং এর বিহিতের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সংস্কারের অভাবে পরবর্তীকালে আমাদের পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থাই ভেঙে পড়ে, যার প্রেক্ষাপটে জারি হয় জরুরি অবস্থা এবং সৃষ্টি হয় প্রায় দুই বছরের আরেকটি অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এ সরকারের আমলে, এমনকি তার আগ থেকেই আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে গঠিত ১৪ দলীয় জোট নির্বাচন প্রক্রিয়া, নির্বাচন কমিশন, রাজনৈতিক দলের সংস্কার ও প্রার্থীদের সম্পর্কে তথ্যপ্রাপ্তির অধিকার নিশ্চিত করার দাবি করে আসছিল। শেখ হাসিনা ১৫ জুলাই ২০০৫ তারিখে একটি সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে সংস্কার প্রস্তাবগুলো প্রথম জাতির সামনে তুলে ধরেন। পরবর্তী সময়ে ২০০৫ সালের নভেম্বর মাসে অনুষ্ঠিত মহাজোটের মহাসমাবেশে ২৩ দফা ‘অভিন্ন ন্যূনতম কর্মসূচি’ প্রকাশের মাধ্যমে এসব সংস্কার প্রস্তাবের প্রতি পুনরায় সমর্থন ব্যক্ত করা হয়। বিরোধীদলীয় নেত্রী হিসেবে শেখ হাসিনা এসব প্রস্তাব সংসদেও উত্থাপন করেন।
পরবর্তীকালে পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশন ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ২০০৭ সালের শেষ দিকে অনেকগুলো মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী ও স্বাধীন করা, নির্বাচনী ব্যয় নিয়ন্ত্রণ এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সংস্কারের ব্যাপারে এসব মতবিনিময় সভায় কতগুলো মতৈক্যও সৃষ্টি হয়। আরও মতৈক্য সৃষ্টি হয় রাজনৈতিক দলের কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারের পক্ষে। দলের অভ্যন্তরে গণতন্ত্রের চর্চা, দলের প্রত্যেক স্তরের কমিটিতে নারীদের অধিকতর অংশগ্রহণ, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন বিলুপ্তিকরণ, দলের তৃণমূলের কমিটিগুলোর সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে দলের মনোনয়ন চূড়ান্তকরণ প্রভৃতি শর্ত সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনের অধীনে রাজনৈতিক দলের বাধ্যতামূলক নিবন্ধন এসব সংস্কারের অন্তর্ভুক্ত। রাজনৈতিক দলগুলো এসব শর্ত অমান্য করলে নির্বাচন কমিশনকে নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা দেওয়ার ব্যাপারেও মতৈক্য সৃষ্টি হয়। এর পর সংস্কার প্রস্তাবগুলো একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ১৯৭২-এ অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার অধীনে ২৯ ডিসেম্বরের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত নির্বাচিত সরকারের আমলে নবম সংসদের প্রথম অধিবেশনে অধ্যাদেশটি অনুমোদনকালে এতে কতগুলো গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। নিবন্ধনের উপরিউক্ত শর্তগুলো না মানলে নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন বাতিলের ক্ষমতা রহিতকরণ ছিল যার অন্যতম। অর্থাত্ এ পরিবর্তনের মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে একটি সাক্ষীগোপাল প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। অন্যভাবে বলতে গেলে, রাজনৈতিক দলগুলো নিবন্ধনের শর্ত মেনে না চললে কিংবা যথেচ্ছাচারে লিপ্ত হলে নির্বাচন কমিশনের কিছুই করার থাকবে না। এ ছাড়া ক্ষমতাসীন জোটের অন্যতম শরিক আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি তাদের সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সম্মেলনে নিবন্ধনের শর্তগুলো প্রায় পুরোপুরি উপেক্ষা করেছে। অর্থাত্ আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো নব্বইয়ের পর আবারও তাদের সুস্পষ্ট অঙ্গীকার ভঙ্গ করল। নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত করে শক্তিশালী করার পরিবর্তে আরও দুর্বল করা হলো। তাই রাজনৈতিক দলগুলো আসলেই সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আগ্রহী কি না, তা নিয়ে নাগরিকদের মনে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক।
ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ অতীতে অঙ্গীকার ভঙ্গ করেছে, এখন আবার সংবিধান সংশোধনীর মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত করার কথা বলছে। কিন্তু সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয়, কিন্তু যথেষ্ট নয়। আমাদের অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন: ক. ক্ষমতাসীন সরকারের ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রশ্নাতীত নিরপেক্ষতা; খ. রাজনৈতিক দলগুলোর সদাচরণ; গ. নাগরিক সচেতনতা ও নাগরিক সমাজের সোচ্চার ভূমিকা; ঘ. প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন; ঙ. যথাযথ আইনি কাঠামো; চ. নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা, পক্ষপাতহীন আচরণ ও দক্ষতা প্রভৃতি।
অর্থাত্ নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও শক্তিশালী হলেই চলবে না, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য আরও অনেকগুলো উপাদান আবশ্যক। প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা ও সহযোগিতা এসবের অন্যতম। সারা দেশে একই দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তির সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকারি সহযোগিতা ছাড়া এত বিরাট জনবল সংগঠিত করা নির্বাচন কমিশনের পক্ষে সম্ভব নয়—এত লোকবল কমিশনের পক্ষে নিয়োগ দেওয়া অসম্ভব। আর এ বিরাট সহায়ক শক্তির নিরপেক্ষতা নির্ভর করবে ক্ষমতাসীন সরকারের নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গির ওপর।
সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলো থেকে এ বিষয়ে আমরা গুরুত্বপূর্ণ অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি। পর্যবেক্ষকদের মতে ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ অনুষ্ঠিত নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ হলেও, নির্বাচিত দলীয় সরকারের অধীনে ২২ জানুয়ারি ২০০৯ অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচন ছিল সমস্যাসংকুল। যেসব কর্মকর্তা জাতীয় নির্বাচনে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে পেরেছিলেন, তাঁরাই উপজেলা নির্বাচনকালে নিরপেক্ষ আচরণ করেননি বা করতে পারেননি। এ ছাড়া অনিয়মের তদন্তকালে তাঁরা নিরপেক্ষভাবে সাক্ষ্য দিতেও পারেননি।
উপরন্তু নির্বাচনকালে কোনোরূপ অন্যায় বা অনিয়ম লক্ষ করলে নির্বাচন কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিতে পারে। কিন্তু এই নির্দেশ পরিপূর্ণভাবে প্রতিপালনের জন্য সরকারের আন্তরিকতা আবশ্যক। আবশ্যক প্রশাসনিক পদক্ষেপ। কর্মকর্তারা নির্দেশ অমান্য করলে বাস্তবে কমিশনের তেমন কিছুই করার থাকে না।
রাজনৈতিক দলগুলোর সদাচরণ ছাড়াও সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্ভব নয়। রাজনৈতিক দল ছলে-বলে-কৌশলে নির্বাচনে জিততে বদ্ধপরিকর হলে এবং সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও টাকার খেলায় লিপ্ত হলে পরিপূর্ণভাবে স্বাধীন ও সবচেয়ে শক্তিশালী নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব হবে না। বস্তুত রাজনৈতিক দলের অসদাচরণের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সৃষ্টি। এ ছাড়া সুষ্ঠু ও অর্থবহ নির্বাচনের জন্য প্রয়োজন অন্যান্য প্রতিষ্ঠানেরও সহযোগিতা। উদাহরণস্বরূপ, নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২০ জন প্রার্থীর ক্ষেত্রে উচ্চ আদালত কমিশনের সিদ্ধান্ত পাল্টে দেন। দণ্ড পাওয়া ব্যক্তি, ঋণখেলাপি কিংবা অন্যান্য অযোগ্যতার কারণে কমিশন কর্তৃক মনোনয়নপত্র বাতিল করা হলেও, তাঁদের অনেকে আদালতের হস্তক্ষেপের ফলে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ পান এবং বিজয়ীও হন।
এ ছাড়া নির্বাচন কমিশন একটি বিচ্ছিন্ন-বিক্ষিপ্ত দ্বীপে তার কার্যক্রম পরিচালনা করে না। কমিশনের কার্যক্রম পারিপার্শ্বিকতা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান দ্বারা প্রভাবিত হয়। তাই অন্যান্য প্রতিষ্ঠান, যেমন—উচ্চ আদালত নিরপেক্ষ না হলে এবং স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারলে কমিশনের পক্ষে এককভাবে স্বাধীনতা বজায় রাখা সম্ভব নয়। ফলে একটি সহায়ক প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে না উঠলে কমিশনের পক্ষে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করা আকাশকুসুম কল্পনা বই কিছু নয়।
তর্কের খাতিরে আমরা যদি ধরেও নিই যে একটি স্বাধীন ও শক্তিশালী কমিশন এককভাবে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন পরিচালনা করতে পারবে, কিন্তু সে নির্বাচনী ফলাফল রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে, এটা নিশ্চিত করে বলা যায় না। আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে পরাজিত দল সব সময়ই কারচুপির অভিযোগ তুলেছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ফলাফল প্রত্যাখ্যানও করেছে। একটি জাতীয় মতৈক্য ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করলে নির্বাচনী ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে ভবিষ্যতে আরও নতুন জটিলতার সৃষ্টি হতে বাধ্য।
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা একটি কার্যকর গণতান্ত্রিক পদ্ধতির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। তাই এর বিলুপ্তি অপরিহার্য। তবে তা করার আগে নির্বাচন কমিশনকে সত্যিকার অর্থেই স্বাধীন ও শক্তিশালী করা আবশ্যক। কিন্তু এ আবশ্যকীয় কাজটিই যথেষ্ট নয়। কারণ, রাজনৈতিক দলগুলো সদাচরণ না করলে এবং ক্ষমতাসীন সরকার পরিপূর্ণভাবে সহায়তা না করলে সবচেয়ে শক্তিশালী ও স্বাধীন নির্বাচন কমিশনের পক্ষেও সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা সম্ভবপর নয়। গত জানুয়ারিতে অনুষ্ঠিত উপজেলা নির্বাচনে আমরা এর আলামত কিছুটা দেখেছি। তাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্তির আগে অবশ্যই নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতায়িত ও শক্তিশালী করা জরুরি। একই সঙ্গে প্রয়োজন রাজনৈতিক দলের সংস্কার। প্রয়োজন আমাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির আমূল পরিবর্তন। আরও প্রয়োজন রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতৈক্য প্রতিষ্ঠা।
প্রসঙ্গত, অনেকের ধারণা যে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান না থাকলে ১১ জানুয়ারি ২০০৭ বাংলাদেশে সামরিক আইন জারি হতো, যা কোনোভাবেই কাঙ্ক্ষিত হতো না। অনেকে আরও ধারণা করেন, একটি জাতীয় মতৈক্য ছাড়া তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করলে এই ইস্যুতে নির্বাচন বয়কটের আশঙ্কাও থেকে যায়। ফলে আমাদের পুরো গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাই ভবিষ্যতে বড় ধরনের ঝুঁকির সম্মুখীন হবে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, পুলিশের তত্পরতা হতে হবে আপসহীন -অপরাধ ও জননিরাপত্তা
সাধারণভাবেই অপরাধের মাত্রা বাড়লে খ্যাতনামা নাগরিকেরাও এর শিকার হতে পারেন এবং হচ্ছেন। বিশিষ্ট চিত্রসমালোচক মইনুদ্দীন খালেদও অস্ত্রধারী ছিনতাইকারীদের শিকার হয়ে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। খ্যাতনামা চিকিত্সক ও লেখক সজল আশফাকও জনসগামস্থানেই আক্রান্ত হয়েছেন। এ ছাড়া সোমবারের প্রথম আলোর সংবাদ জানাচ্ছে, গত ১৮ দিনে ৩৭ জন অজ্ঞান পার্টির কবলে পড়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে ১০০ জন, নিহত হয়েছেন এক নাইজেরীয় নাগরিক। বুধবারের প্রথম আলো দেখাচ্ছে, চট্টগ্রামের পরিস্থিতিও তথৈবচ! শুক্রবারের খবরেও একই অশনিসংকেত।
ঈদ ও রোজায় আর্থিক লেনদেন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অপরাধ বাড়ারও সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু তা যেন সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাঝুঁকি আর বাড়াতে না পারে, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। ১৫ কোটি মানুষের দেশের তুলনায় অল্প মানুষই হয়তো অপরাধের শিকার হয়। কিন্তু যে কেউই যখন-তখন দুষ্কৃতকারীদের নিশানায় পড়তে পারে, এমন সম্ভাবনা দৃশ্যমান। এ রকম নিরাপত্তাহীনতা ব্যবসা-বাণিজ্য ও উত্পাদনে বাধা সৃষ্টি করে। এসব ঘটনা মানুষের আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেয়। নিরাপত্তার আস্থা শান্তি ও সমৃদ্ধির আবশ্যকীয় শর্ত এবং তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। অপরাধীদের রাজনৈতিক প্রশ্রয় না থাকলে সব দায় পুলিশকে দেওয়া যেত। কিন্তু আমরা জানি, অনেক সত্ পুলিশ কর্মকর্তা আছেন, যাঁরা রাজনৈতিক বাধার মুখে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারেন না। আবার সরষের মধ্যেই ভূত হয়ে অনেক পুলিশ কর্মকর্তা এমন অসাধু কাজ করেন, যা কেবল তাঁদের ভাবমূর্তির জন্যই ক্ষতিকর নয়, অপরাধের লাগামছাড়া পরিবেশ তৈরি করে। অপরাধের বিস্তার ঘটে তখনই।
পুলিশ বাহিনীর সর্বোচ্চ দায়িত্বশীলতার পাশাপাশি সরকারের করণীয় তাই অনেক। কেননা, অপরাধী চক্রগুলো যেমন পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত, তেমনি রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রশ্রয় আদায়েও তারা দক্ষ। সুতরাং, ছিনতাই ও সন্ত্রাস বৃদ্ধির দায় সরকার এড়াতে পারে না। এই আনুকূল্যের শিকড় উত্পাটন করা সরকারের দায়িত্ব, আর পুলিশের দায়িত্ব তাঁদের ওপর অর্পিত দায়িত্ব পালনে গাফিলতির কোনো সুযোগ না রাখা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগামী মাসে শুরু জাতীয় টেনিস
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জার্মানি থেকে স্কটল্যান্ড গেল হকি দল
বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক জাহিদুল ইসলাম আজ ফিরে আসছেন দেশে। দুর্ভাগ্য তাঁর, হাঁটুতে চোট পেয়েছেন। এ জন্য অস্ত্রোপচারও করতে হয়েছে তাঁকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এশীয় আরচারির ফাইনালে সাজ্জাদ
ফাইনালেও সাজ্জাদকে নিয়ে আশাবাদী আরচারি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক কাজী রাজীবউদ্দিন। কাল কলকাতা থেকে ফিরে বললেন, ‘সাজ্জাদ খুবই ভালো করছে। ফাইনালেও করবে। ইরানের প্রতিযোগী সাজ্জাদের চেয়ে খুব বেশি শক্তিশালী নয়।’ রাজীবউদ্দিনের আশা, ডিডি স্পোর্টসে আজ বেলা সাড়ে ১১টা থেকে সম্প্রচার হতে যাওয়া ফাইনালে সাজ্জাদকে বিজয়ীর বেশেই দেখা যাবে।
উত্তরা ব্যাংকের পৃষ্ঠপোষণায় টুর্নামেন্টে খেলতে গেছে ১৪ সদস্যের (৭ জন করে পুরুষ ও মহিলা তীরন্দাজ) বাংলাদেশ দল। সাজ্জাদ ছাড়া আর কেউ শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে থাকতে পারেননি। তিনজন বিদায় নিয়েছেন কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে ফিরেছেন সাকিব
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে আবারও গুলিবিনিময়
গত বৃহস্পতিবার রাতে পাকিস্তানের দিক থেকে গুলিবর্ষণে বিএসএফের দুই জওয়ান আহত হয়েছেন। ওই দুই জওয়ান তখন সীমান্ত দিয়ে অবৈধ অনুপ্রবেশের চেষ্টা ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাইকেল জ্যাকসনের মা ক্যাথেরিন বছরে ১০ লাখ ডলার পাবেন
গত মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসের একজন বিচারক এ অর্থের অনুমোদন দিয়েছিলেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য এখনো গোপন রাখা হয়েছে।
অনুমোদন করা অর্থের মধ্যে ক্যাথেরিনের নিজের জন্য মাসে ২৬ হাজার ৮০৪ ডলার এবং মাইকেলের তিন সন্তানের জন্য মাসিক খরচ বাবদ ৬০ হাজার ডলার করে দেওয়া হবে। বাকি অর্থ অন্যান্য খাতে ব্যয় করা হবে।
মাইকেল জ্যাকসনের তিন সন্তান প্রিন্স মাইকেল (১১), প্যারিস মাইকেল ক্যাথেরিন (৯) এবং দ্বিতীয় প্রিন্স মাইকেল (৭) এখন বাবার ওই বিশাল সম্পত্তির উত্তরাধিকারী। এর পরপরই রয়েছেন তাঁর মা এবং বিভিন্ন দাতব্য সংস্থা।
গত জুনে জ্যাকসনের মৃত্যুর পর এই তিন শিশুর অভিভাবকত্ব পেয়েছেন দাদি ক্যাথেরিন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে আরেকটি জঙ্গি হামলা হতে পারে: ইসরায়েল
ইসরায়েলের গোয়েন্দা বিভাগ ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের (এনএসসি) এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুম্বাইয়ে হামলা চালানো জঙ্গি সংগঠনটি ভারতের বিভিন্ন স্থানে একাধিক হামলা চালানোর পরিকল্পনা করেছে। বিশেষ করে পশ্চিমা ও ইসরায়েলি নাগরিকদের ওপর তারা হামলা চালাতে পারে।
এনএসসি তাদের দেশের নাগরিকদের ভারত ভ্রমণের বিষয়ে সতর্ক করেছে। বিশেষ করে জম্মু ও কাশ্মীরে ভ্রমণের ব্যাপারে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে তারা। পাশাপাশি ভারতে নিউইয়র্কভিত্তিক লুবাভিচ সংস্থা পরিচালিত লুবাভিচ কেন্দ্রও হামলাকারীদের তালিকায় রয়েছে বলে জানিয়েছে এনএসসি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্রের লক্ষ্য দক্ষিণ কোরিয়া
অর্থনৈতিক সাহায্য এবং কূটনৈতিক পুরস্কারের বিনিময়ে উত্তর কোরিয়ার পরমাণু উচ্চাকাঙ্ক্ষার অবসানে পিয়ংইয়ংকে ছয়পক্ষীয় আলোচনায় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়া। কিন্তু আলোচনার টেবিলে ফিরে যাওয়ার পরিবর্তে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে চায় পিয়ংইয়ং।
রাজধানী সিউলে চেম্বার অব কমার্সের এক অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইউ মুং-হুয়ান বলেন, দক্ষিণ কোরিয়াকে লক্ষ্য করেই পরমাণু অস্ত্র সমৃদ্ধ করছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ায় স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র বহাল রয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে এবং মানুষ সেখানে স্বাচ্ছন্দ্যে বসবাস করছে।
তিনি বলেন, কোরিয়া যুদ্ধের আগে ও পরে এবং আজকের দিনে উত্তর কোরিয়া যেটি অর্জন করতে চেয়েছে, সেটা হচ্ছে কমিউনিস্ট একত্রকরণ। পরমাণু অস্ত্রের সমৃদ্ধি হচ্ছে ওই লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার।
ব্যবসায়ী নেতাদের উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে দক্ষিণ কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনার জন্য উত্তর কোরিয়া বারবার যে দাবি করে আসছে তার কারণ হচ্ছে, পরমাণু শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি চায় উত্তর কোরিয়া। তবে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছে, তারা পিয়ংইয়ংকে কখনোই পরমাণু শক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেবে না।
এদিকে উত্তর কোরিয়ার কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার উদ্দেশে চীনা প্রেসিডেন্টের একটি প্রতিনিধিদল বর্তমানে উত্তর কোরিয়া সফর করছেন। চীনা প্রেসিডেন্ট হু জিনতাওর বিশেষ দূত ডাই বিঙ্গুয়ো উত্তর কোরিয়ার প্রথম ভাইস পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আশ্রয়কেন্দ্র নয়, যেন নরক
‘এক বছরেরও বেশি সময় হয়েছে, স্ত্রী-সন্তান নিয়ে এই আশ্রয়কেন্দ্রে আছি। গত আগস্টের ঘটনা; আমরা ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোরের দিকে হঠাত্ বিস্ফোরণ ঘটল। দৌড়ে পালালাম আমরা। এরপর এখানে এসে আশ্রয় নিই। শুধু আমরা নই, আমাদের মতো আরও তিন হাজার লোক এখানে মাথা গুঁজেছে।’
মিন্দানাও দ্বীপে ফিলিপাইনের বিদ্রোহী মোরো ইসলামিক লিবারেশন ফ্রন্ট (এমআইএলএফ) এবং সরকারি সেনাদের মধ্যে যুদ্ধের কারণে কেবল সালিক উসমানই নন, তাঁর মতো আরও ছয় লাখ ৫০ হাজার মুসলিম ও খ্রিষ্টান বাড়িঘর ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে চলে এসেছে।
দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে সালিক উসমান বলেন, ‘চোখের সামনে বসতঘর আগুনে পুড়ে যেতে দেখেছি। মোষের পাল ছুটে পালিয়েছে। যুদ্ধ আমার সব কেড়ে নিয়েছে।’
সালিক বলেন, ‘সেদিনের ঘটনার মাসখানেকের মধ্যে আমার এক বছরের ছেলে মারা যায়। এখানকার অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে এসে সে অসুখে পড়ে। তার ওপর নেই কোনো খাবার। খেতে না পেয়েই সে মারা গেছে। এটা আশ্রয়কেন্দ্র নয়, যেন নরক।’
মুসলিম বিচ্ছিন্নতাবাদী এ গোষ্ঠীটি মিন্দানাওয়ে স্বাধীন মুসলিম রাষ্ট্রের দাবিতে লড়াই চালিয়ে আসছে সেই ১৯৭৮ সাল থেকে। বিদ্রোহীরা গত আগস্টে সরকারের সঙ্গে পাঁচ বছরের যুদ্ধবিরতি চুক্তি ভঙ্গ করে। সে সময় সুপ্রিম কোর্ট তাদের জন্য আলাদা স্বাধীন ভূখণ্ড দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরপর থেকেই তারা মিন্দানাও দ্বীপজুড়ে হামলা চালাতে শুরু করে। তাদের এ হামলার শিকার নিরীহ লাখো ফিলিপিনো।
প্রিয় ঘরবাড়ি ছেড়ে আশ্রয়কেন্দ্রে এসেছেন রাখমা কলোত। ৩১ বছর বয়সী এ মুসলিম নারী এ কেন্দ্রেই তাঁর পঞ্চম সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। তিনি বলেন, সন্তানদের ভরণপোষণ নিয়ে তাঁকে প্রতিদিনই সংগ্রাম করতে হয়।
রাখমা কলোতের স্বামী ববি আশ্রয়কেন্দ্রের আশপাশেই রিকশা চালান, কিন্তু তাতে উপার্জন হয় না বললেই চলে। তাই প্রায় রাতেই তাঁদের সন্তানেরা অভুক্ত থেকে ঘুমিয়ে পড়ে। রাখমা কলোত বলেন, ‘গত একটা বছর এভাবেই আমাদের কেটেছে।’
আশ্রয়কেন্দ্রের দৈন্যদশা সম্পর্কে রাখমা বলেন, ‘ময়লা পানিতে কাপড়চোপড় ধুতে হয়, গোসলের কাজ সারতে হয়। শৌচাগারের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। বস্তা ও কাপড় দিয়ে কোনো রকমে এই শৌচাগার তৈরি করা হয়েছে। তাই প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার সময় আমরা এমন ভান করি, যেন আমাদের কেউ দেখতে পায় না।’
সরকার ও বিদ্রোহীরা আলোচনায় বসতে রাজি হয়েছে, এ খবরে রাখমা কলোত খুশি। কিন্তু তাঁর আশঙ্কা, এ দুই পক্ষ শেষমেশ যুদ্ধ থামাতে রাজি হবে না। ক্লান্ত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘যুদ্ধে আমাদের ঘরবাড়ি নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। আমরা যখন বাড়ি ফিরব, তখন কী নিয়ে আবার নতুন জীবন শুরু করব?’
গত এক বছরে উদ্বাস্তুদের অনেকে আবার মিন্দানাওয়ে ফিরেছে। কিন্তু এখনো আড়াই লাখ লোক বিভিন্ন আশ্রয়কেন্দ্রে এবং তাদের আত্মীয়স্বজনের বাড়িতে মানবেতর জীবন যাপন করছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বাতিল যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্তকে রাশিয়ার স্বাগত
এর আগে বুধবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা চেক প্রধানমন্ত্রী জঁ ফিশারকে ফোন করেন। তাঁরা প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বাতিলের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। পরে হোয়াইট হাউস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ওই পরিকল্পনা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র আর অগ্রসর হবে না।
হোয়াইট হাউসের ওই বিবৃতির প্রতিক্রিয়ায় মেদভেদেভ বলেন, ক্ষেপণাস্ত্র বিস্তার রোধের ব্যাপারে এখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার সুন্দর পরিবেশ তৈরি হলো। প্রেসিডেন্ট ওবামার এমন উদ্যোগকে স্বাগত জানাচ্ছে রাশিয়া।
এ খবরে জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মার্কেলও স্বস্তি প্রকাশ করেন। তিনি মার্কিন উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, এর মধ্যদিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝির অবসান হবে এবং সম্মিলিতভাবে ইরানের হুমকিকে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
রাশিয়া, জার্মানি প্রশংসা করলেও ওবামার সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছে নিজের দেশের বিরোধী রাজনীতিকেরা। রিপাবলিকান পার্টির নেতারা এমন উদ্যোগের নিন্দা জানিয়ে বলেছেন, এটি ওবামার অদূরদর্শী ও ভয়ঙ্কর ক্ষতিকর একটি সিদ্ধান্ত। পরাজিত প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জন ম্যাককেইন বলেন, বড় ভয়ঙ্কর ভুল একটি সিদ্ধান্ত এটা।
গত বছর আগস্টে বাল্টিক উপকূলীয় এলাকায় যুক্তরাষ্ট্র একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা গড়তে পোল্যান্ডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে। একই সময় তারা চেক রিপাবলিকে একটি রাডারস্টেশন তৈরির পরিকল্পনার জন্যও চুক্তি করে। ২০১২ সালের মধ্যে ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের কথা ছিল। ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচির পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ওই পরিকল্পনা হাতে নেয়। এ নিয়ে রাশিয়ার সঙ্গে তাদের মন কষাকষি শুরু হয়। রাশিয়াও তখন এর পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেয়।
দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই বর্তমান ওবামা প্রশাসন পররাষ্ট্রনীতি ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেয়। এরই অংশ হিসেবে ওবামা এমন উদ্যোগ নিচ্ছেন বলে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে চপ্পল নিক্ষেপ জবাব এল বুলেটের মাধ্যমে
সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশের দিকে জুতা ছুড়ে মারা সাংবাদিক মুনতাজার আল জাইদির মুক্তির একদিন পরই জুমাইলি এ ঘটনা ঘটালেন। ওই ঘটনার পর ৩০ বছর বয়সী জুমাইলিকে দ্রুত স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সেনাবাহিনীর এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাগদাদের ৬৫ কিলোমিটার পশ্চিমের ফাল্লুজায় বুধবার বিকেলে মার্কিন মেরিন সেনা এবং ইরাকি নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ টহল চলছিল। এ সময় ওই ইরাকি একটি বস্তু ছুড়ে মারেন, যা দেখতে অনেকটা গ্রেনেডের মতো।
তবে জুমাইলি বলেন, ‘সেনাদলকে দেখার পর আমি মাথা ঠিক রাখতে পারিনি। তাদের দিকে আমি চামড়ার চপ্পল জোড়া খুলে ছুড়ে মারি। কারণ, আমি আর তাদের ফাল্লুজার রাস্তায় দেখতে চাই না। তাদের প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে। তারা কেন এখানে টহল দেবে?’
ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী মুদি দোকানি আম্মার হোসেইন বলেন, তিনি জুমাইলিকে ভালোভাবেই চেনেন। শান্ত প্রকৃতির মানুষ তিনি। কিন্তু সেনারা তাঁর দিকে সন্দেহের চোখে তাকালে তিনি আর নিজেকে সামলাতে পারেননি।
জুমাইলি বলেন, ‘আমাকে লক্ষ্য করে অনেক গুলি ছোড়া হচ্ছিল। এর একটি আমার বুকে লাগলে আমি মাটিতে পড়ে যাই।’
দুই দেশের মধ্যে করা চুক্তি অনুযায়ী মার্কিন সেনারা এককভাবে ইরাকের রাস্তায় টহল দিতে পারবে না। তবে তারা এখনো যৌথ টহল দিতে পারবে। ২০১০ সালের আগস্টের মধ্যে তারা ইরাক ছাড়া শুরু করবে এবং ওই বছরের শেষ নাগাদ সব সেনা ইরাক ছেড়ে যাবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আবুল বারকাত
আবুল বারকাত রাশিয়ার মস্কো ইনস্টিটিউট অব ন্যাশনাল ইকোনমি থেকে অর্থনীতি বিষয়ে এমএসসিতে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হন। তিনি ১৯৮২ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যোগ দিয়ে কর্মজীবন শুরু করেন।
আবুল বারকাতের ৩৫০টির অধিক গবেষণাকর্ম, ১৬টি গবেষণা গ্রন্থ, ৮১টি জার্নাল প্রবন্ধ রচনা করেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খিলক্ষেতে ইলেকট্রনিক সিটির শোরুম চালু
শোরুম উদ্বোধন করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ সিদ্দিকী। অনুষ্ঠানে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা, কোম্পানির পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রান্সকম ডিজিটাল এখন কক্সবাজারে
ট্রান্সকম ডিজিটালের নতুন শোরুমটির উদ্বোধন করেন ট্রান্সকম ইলেকট্রনিকসের ন্যাশনাল সেলস ম্যানেজার (রিটেইল) জাফরুল আলম খান। এ সময় কোম্পানির কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের পর্যবেক্ষণ বিশ্ব অর্থনীতি এখনো অস্থিরতার মধ্যে আছে
ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের (আইসিসি) সম্প্রতি প্রকাশিত আইসিসি অন্তর্বর্তীকালীন ট্রেড ফাইন্যান্স রিপোর্টে এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার ঢাকায় আইসিসি বাংলাদেশ কর্তৃক প্রদত্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।
আইসিসির প্রতিবেদনে অতিরিক্ত আশাবাদ বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে জি-২০-এর ট্রেড ফাইন্যান্স এজেন্ডাসমূহের প্রতি আবার মনোযোগ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। কারণ, বাণিজ্য সম্পদের মূলধন প্রয়োজনীয়তা লাঘবের কোনো তাত্পর্যপূর্ণ আভাস এখনো পাওয়া যায়নি।
বিশ্বের ৫৯টি দেশের ১২২টি ব্যাংকের শতকরা ৮৬ ভাগ উত্তরদাতা জানান, তাঁদের অভিজ্ঞতায় ‘ব্যাসেল-২’ নামে পরিচিত আন্তর্জাতিক মূলধন পর্যাপ্ততার বিদ্যমান ব্যবস্থায় মূলধনি প্র্রয়োজনীয়তার কোনো লাঘব হয়নি।
একে ‘খুবই উদ্বেগজনক ফলাফল’ বর্ণনা করে বর্ধমান মূলধনি খরচ বাণিজ্য অর্থায়নের খরচকে বিশেষত উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে সীমাবদ্ধ করতে বাধ্য করেছে বলে উল্লেখ করা হয়।
প্রতিবেদনের সুপারিশে অধিকাংশ দেশে ঋণ সুবিধাসমূহের ক্ষেত্রে এক বছরের পরিণত বাণিজ্য অর্থায়ন পণ্যসমূহকে অব্যাহতি দেওয়ার জন্য বলা হয়। শিল্প মূল্যায়নের ভিত্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ঝুঁকি নিরূপণ করার কথাও বলা হয়, যা বাণিজ্য অর্থায়নের ক্ষেত্রে নিম্ন ঝুঁকির প্রবণতার প্রতিফলন বোঝায়।
আইসিসি প্রতিবেদনে বাণিজ্য অর্থায়ন প্রাপ্যতার বিষয়টিকেও আনা হয়েছে। এ প্রতিবেদন প্রণয়নের জন্য পরিচালিত জরিপে উত্তরদাতাদের একটি বড় অংশ স্বীকার করেন যে এপ্রিলে জি-২০ দুই বছর ধরে ২৫০ বিলিয়ন ডলার বাণিজ্য সহায়তার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা অর্থনৈতিক মন্দা থেকে উত্তরণের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ।
প্রতিবেদনে নিম্ন আয়ের এবং রপ্তানিনির্ভর দেশসমূহের জন্য সুনির্দিষ্ট কাজের সুপারিশ করা হয়। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত আছে বহুমুখী বাণিজ্য সুবিধার ক্ষমতা ও আওতা বাড়ানো এবং জাতীয় কর্মসূচিসমূহের দ্রুত বাস্তবায়নে বাণিজ্যকে নিশ্চিত করা এবং পুনঃঅর্থায়নে দেওয়া।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়া যাচ্ছে মহিলা কাবাডি দল
২২ সেপ্টেম্বর রাতেই রওনা হচ্ছে কাবাডি দল। তবে ৭ দলের এই টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের গ্রুপ প্রতিপক্ষ দলগুলোর নাম চূড়ান্ত হয়নি। গতবারের চ্যাম্পিয়ন ভারত, স্বাগতিক মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ইরান, চীনা তাইপে ও বাংলাদেশকে নিয়ে আয়োজিত টুর্নামেন্টের গ্রুপিং হওয়ার কথা খেলা শুরুর আগের দিন।
১৩ সদস্যের বাংলাদেশ দলে খেলোয়াড় ১০ জন, যার মধ্যে অধিনায়ক হাসনা মরিয়ম বর্ণা ও সহ-অধিনায়ক ফাতেমা আক্তার শিলা এর আগে আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্ট খেলেছেন। দুজনই রাজশাহীর মেয়ে। অন্য ৮ খেলোয়াড় আন্তর্জাতিক আসরে নতুন, তাঁদের বিদেশ-যাত্রা এই প্রথম। অনভিজ্ঞ দল নিয়ে যাচ্ছেন, তবু বাংলাদেশ দলের কোচ সুবিমল চন্দ্রের লক্ষ্যটা বড়ই, ‘আমরা কোনো প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাব না। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলতে না পারা আমাদের বড় ঘাটতি। তার পরও অনেক দিন ধরে অনুশীলন করায় টুর্নামেন্টে ভালো করব আশা করি। আমাদের লক্ষ্য ফাইনালে ওঠা।’ অধিনায়ক হাসনা মরিয়মও ফাইনালে খেলতে চান, ‘ভালো ফল নিয়েই দেশে ফিরতে চাইব আমরা। আমরা ফাইনালে খেলারই স্বপ্ন দেখি।’
বাংলাদেশ দল: হাসনা মরিয়ম (অধিনায়ক), ফাতেমা আক্তার শীলা (সহ-অধিনায়ক), ফারজানা আক্তার (গাইবান্ধা), শারমিন সুলতানা, তৌফিকা পারভীন (নড়াইল), রুপালি আক্তার, হেনা আক্তার (জামালপুর), সাথী আক্তার (মুন্সিগঞ্জ), ফাতেমা আক্তার (কিশোরগঞ্জ), কাজী শাহিন আরা (ফরিদপুর)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অনুশীলনের মাঠ পাচ্ছে না অনূর্ধ্ব-১৬ দল
দলনেতা বাফুফে সদস্য ফজলুর রহমান জানান, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঠ চেয়ে পাইনি। সেখানে ঈদের জামাতের প্যান্ডেল করা হচ্ছে। ব্রাদার্স মাঠেরও একই অবস্থা। এ অবস্থায় অনুশীলন করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।’ তবে রাতে বিকল্প একটা মাঠ পাওয়ার খবর দিলেন কোচ জোবায়ের, ‘মতিঝিল পুলিশ লাইনের বিপরীতে একটা স্কুল আছে, সেই স্কুলের মাঠে দুই-একদিন অনুশীলন হবে। মোহাম্মদপুর শারীরিক শিক্ষা কলেজ অথবা আর্মি স্টেডিয়াম হয়তো পাওয়া যাবে পরে।’
জাপান ছাড়া গ্রুপের বাকি দলগুলো বাংলাদেশের ধরাছোঁয়ার বাইরে নয় মনে করেন কোচ নিপু। বাছাইপর্ব পেরিয়ে এই গ্রুপ থেকে দুটি দল যাবে চূড়ান্ত পর্বে। ৩ অক্টোবর বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচের প্রতিপক্ষ ইন্দোনেশিয়া। ৫ সেপ্টেম্বর জাপান, ৯ সেপ্টেম্বর ফিলিপাইন ও ১১ তারিখ চীনা তাইপের সঙ্গে ম্যাচ। এই গ্রুপ থেকে নাম প্রত্যাহার করেছে মঙ্গোলিয়া।
বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার মনোনীত হয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক খেলোয়াড় জাকির হোসেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিম্বাবুয়ে-ইংল্যান্ড সিরিজে দিবা-রাত্রি ওয়ানডে
বিসিবির মিডিয়া কমিটির প্রধান জালাল ইউনুস কাল বলেছেন, ‘আগামী ১৬ অক্টোবরের মধ্যে মিরপুরে ফ্লাডলাইট লাগানোর কাজ শেষ হবে বলে আশা করি। এর জন্য দরপত্রও আহ্বান করা হয়েছে। সময়মতো সব কাজ শেষ হলে জিম্বাবুয়ে সিরিজের সব ম্যাচই হয়তো ফ্লাডলাইটের আলোয় হবে।’ দর্শকদের আরও বেশি করে মাঠে টেনে আনার উদ্দেশ্যেই ফ্লাডলাইটে খেলা আয়োজনের চিন্তা বলে জানিয়েছেন তিনি। পাঁচ ওয়ানডের সিরিজ খেলতে আগামী ২১ অক্টোবর বাংলাদেশে আসছে জিম্বাবুয়ে দল।
২০০৮ সালের জুনে ত্রিদেশীয় কিটপ্লাই কাপের সময়ও রাজশাহী বিভাগীয় স্টেডিয়াম থেকে ফ্লাডলাইট খুলে আনা হয়েছিল। রাজশাহীতে তখনো এর প্রতিবাদ হয়েছিল। আবার তা করা হচ্ছে বলে এবারও স্থানীয় ক্রীড়াঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে বলে খবর। যদিও জালাল ইউনুস বলছেন, পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতেই ফ্লাডলাইট আনা হচ্ছে, ‘রাজশাহীর মেয়র এবং বিভাগীয় ক্রীড়া সংস্থার সঙ্গে আলোচনা করেই আমরা ফ্লাডলাইট আনছি এবং আমাদের খরচে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আবার সেগুলো সেখানে পৌঁছে দেওয়া হবে। এ নিয়ে ক্ষোভের কোনো কারণ নেই।’
বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামউদ্দিন চৌধুরী জানিয়েছেন, সম্প্রচারকারীদের সঙ্গে আলোচনা সাপেক্ষে ফেব্রুয়ারিতে ইংল্যান্ড সিরিজের সব ওয়ানডেই দিবা-রাত্রি করার পরিকল্পনা আছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বীরের বেশে দেশে ফেরা
র্যাঙ্কিং তাঁর ৫ নম্বরে হলেও আর্জেন্টিনার মানুষের কাছে এখনই তিনি এক নম্বর তারকা। ফুটবলের ব্যর্থতায় হতাশ সমর্থকদের এক পশলা স্বস্তির সুবাতাস এনে দিয়েছেন তিনি। আগামী বুধবার ২১ পূর্ণ করতে চলা দেল পোত্রো এখন অনেক বড় তারকা। তাই তাঁর সই নিতে সইশিকারি আর প্রতিটা মুহূর্তে ছবি তুলতে ব্যস্ত আলোকচিত্রীদের জটলা সামলাতে হিমশিম খেয়ে গেছে নিরাপত্তারক্ষীরা।
দেল পোত্রো এরপর গেছেন নিজের শহর টান্ডিলে। বুয়েন্স এইরেস থেকে ২০০ মাইল দক্ষিণের এই শহরে তাঁর সম্মানে প্যারেডের আয়োজন করার কথা। সেখানে তাঁকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ক্রীড়া দূত’ ঘোষণার পাশাপাশি শহরের প্রতীকী একটি চাবিও তুলে দেওয়ার কথা।
রজার ফেদেরারকে হারানোর পর এরই মধ্যে কয়েক দিন পার হয়ে গেছে। কিন্তু এখনো যেন স্বপ্নের ঘোরের মধ্যেই আছেন দেল পোত্রো, ‘আমি এখনো কিছুই বুঝতে পারছি না। এখনো এ নিয়ে ভাববার ফুরসতটুকু পাইনি।’ জানালেন, এই হঠাত্ পাওয়া তারকাখ্যাতি, এই জৌলুস আসল দেল পোত্রোকে কখনোই পাল্টাবে না, ‘আমি যেমন ছিলাম, তেমনই থাকব। একটুও বদলাব না। আমার একটা বড় স্বপ্ন পূরণ হয়েছে মাত্র। কিন্তু এখনো আমার বন্ধুরা বন্ধুই আছে। মাটিতে পা রাখাটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যারাডোনাকে নিয়ে গুঞ্জন
তবে ম্যারাডোনার ব্যক্তিগত চিকিত্সক আলফ্রেডো কাহে এসব খবরকে স্রেফ অনুমাননির্ভর বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। তিনি জানাচ্ছেন, ম্যারাডোনা ইতালির মেরানোতে চিকিত্সার জন্যই এসেছেন। কিন্তু সেটির সঙ্গে মাদকের কোনো সম্পর্ক নেই। ম্যারাডোনা আসলে এসেছেন বাড়তি ওজন কমানোর চিকিত্সা করাতে। কাহে জোর দিয়েই বলেছেন, ‘ম্যারাডোনা আবার মাদকে আসক্ত হননি।’
উড়ো খবর হলেই ভালো। কারণ ম্যারাডোনা-ভক্তদের জন্য তাঁর মাদকসংক্রান্ত কোনো খবর মানেই শঙ্কায় বুক কেঁপে ওঠা। বছর পাঁচেক আগে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তি এই মাদকাসক্তির কারণে মৃত্যুদুয়ার থেকে ফিরে এসেছেন। এর পর থেকে আর কখনোই ওই অন্ধকার পথে পা বাড়াননি বলেই জানিয়ে এসেছেন ম্যারাডোনা।
পুনর্বাসন-প্রক্রিয়া শেষে মাদকাসক্তদের আবারও ড্রাগ নেওয়ার ভূরি ভূরি নজির আছে জন্যই ‘উড়ো খবর’টাও গুরুত্ব পাচ্ছে। তা ছাড়া নিজের ক্যারিয়ারে এমন চ্যালেঞ্জ, এমন চাপের মুখেও খুব একটা পড়তে হয়নি তাঁকে। গত বছর নভেম্বরে জাতীয় দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ম্যারাডোনার অধীনে ১০ ম্যাচের চারটি হেরেছে আর্জেন্টিনা। জয়গুলোর বেশির ভাগই এসেছে প্রীতি ম্যাচে। আর পরাজয়গুলো এসেছে বাছাইপর্বে। ফলে ১৯৭০ বিশ্বকাপের পর প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে বাদ পড়ার শঙ্কায় এখন দুবারের চ্যাম্পিয়নরা।
এই পরিস্থিতিতে বাঁচামরার লড়াইয়ে আগামী অক্টোবরে পেরু আর উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ভাগ্য নিজেদের হাতে রাখতে চাইলে বাছাইপর্বের এই শেষ দুই ম্যাচে তাদের জিততেই হবে। এই দুই ম্যাচের আগে নিজেদের ঝালিয়ে নিতে এ মাসের শেষ দিনে ঘানার সঙ্গে একটা প্রীতি ম্যাচ আছে। ম্যারাডোনা ইউরোপ সফর নিয়ে ব্যস্ত থাকায় ওই ম্যাচের দল নির্বাচনের ভার পড়েছে জেনারেল ম্যানেজার কার্লোস বিলার্দোর ওপর।
বিলার্দো কোচ থাকার সময় ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ম্যারাডোনার নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিল আর্জেন্টিনা। এখন পর্যন্ত যেটি তাদের সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়। শোনা যাচ্ছে, দলের বর্তমান পরিস্থিতিতে বিলার্দোর ওপর আরও বেশি দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার জন্য ম্যারাডোনার ওপর চাপ দিচ্ছে আর্জেন্টাইন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন।
ওদিকে কোচ ম্যারাডোনার বিরুদ্ধে জোট বেঁধেছে আর্জেন্টিনার শীর্ষ লিগের দলগুলোর সভাপতিরা। তাঁরা ম্যারাডোনার জায়গায় পেপ গার্দিওলাকে কোচ হিসেবে নেওয়ার দাবি তুলেছেন। এখন সম্ভব না হলেও আগামী বিশ্বকাপের পর গার্দিওলাকে আর্জেন্টিনার কোচ বানানোর প্রস্তাব দিয়ে রেখেছেন তাঁরা। যেটিকে বলা হচ্ছে ‘প্রজেক্ট গার্দিওলা ২০১০’।
এই জোটের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আর্জেন্টিনার একটি কাঁচা হীরা আছে, যার নাম মেসি। জাতীয় দলের কেউই মেসির সেরাটা বের করে আনতে পারেনি। অথচ বার্সেলোনায় গার্দিওলা এই মেসিকে কাজে লাগিয়ে এক বছরে তিনটি শিরোপা জিতিয়েছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতালিতে গিয়ে নিখোঁজ বক্সার নাদিম
বাংলাদেশ বক্সিং ফেডারেশন দুই বক্সার নাদিম হোসেন ও আবদুর রহিমকে ইতালিতে পাঠায় গত ১০ আগস্ট। রোমে প্রাক-বিশ্বকাপ ক্যাম্প এবং মিলানে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিতেই গিয়েছিলেন তাঁরা। প্রথমে তাঁরা রোমে ১০-২৭ আগস্ট প্রাক-বিশ্বকাপের ক্যাম্পে অংশ নেন। এর পর ২৭ আগস্ট যান মিলানে। সেখানে ১-১২ সেপ্টেম্বর বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপের ৫৪ কেজি ওজন শ্রেণীতে অংশ নেন নাদিম হোসেন, ৬৪ কেজি শ্রেণীতে প্রতিযোগী ছিলেন আবদুর রহিম। রহিম প্রথম রাউন্ডে বসনিয়ার প্রতিযোগীর বিপক্ষে জিতলেও হেরে যান দ্বিতীয় রাউন্ডেই।
যেভাবে নিখোঁজ নাদিম: ফাইনাল ইভেন্ট ছিল ১২ সেপ্টেম্বর। হোটেল থেকে খেলা দেখতে ভেন্যুতে যেতে প্রতি পাঁচ মিনিট অন্তর গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়। প্রতিদিনের মতো সেদিনও রহিম আয়োজকদের গাড়িতে চড়ে যান ফাইনাল দেখতে। ভেবেছিলেন নাদিম হয়তো একটু পরে অন্য গাড়িতে আসবেন। কিন্তু নাদিমকে আর স্টেডিয়ামে দেখা যায়নি। রাতে খেলা শেষে নিজের কক্ষে এসে রহিমের তো চক্ষু চড়কগাছ! কোথাও নেই নাদিম! সঙ্গে সঙ্গে তিনি পাশের কক্ষে নেপাল দলের কোচকে ঘটনাটি জানান। নাদিমের নিখোঁজ থাকার খবর হোটেলের অভ্যর্থনা কেন্দ্রেও জানিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু রাত গড়িয়ে পরের দিন সকালেও যখন নাদিমের খোঁজ পাওয়া গেল না তখন ধরেই নেওয়া হলো পালিয়েছেন নাদিম।
নাদিমের পালানোর ঘটনা তখন পর্যন্তও জানতে পারেনি ফেডারেশন। গত ১৪ সেপ্টেম্বর রহিম একাই ঢাকা বিমানবন্দরে পৌঁছালে ব্যাপারটা কানে যায় ফেডারেশনের। আরও আশ্চর্যের বিষয়, দুই বক্সারের সঙ্গে ইতালিতে যাওয়া ফেডারেশনের তিন কর্মকর্তা সৈয়দ মহিউদ্দিন, আবদুর রশিদ এবং আওলাদ হোসেনের কেউই তাঁদের সঙ্গে শেষ পর্যন্ত ছিলেন না! আওলাদ হোসেন গিয়েছিলেন সুইজারল্যান্ডে বোনের বাড়িতে বেড়াতে। অন্য দুই কর্মকর্তা কোথায় ছিলেন সে সম্পর্কে জানাতে পারেননি বক্সার রহিম।
ফেডারেশন কর্তারা কী বলেন: ঘটনা জানার জন্য ফেডারেশন অফিসে ফোন করতেই কোষাধ্যক্ষ জহির চৌধুরী অসহায় গলায় বললেন, ‘আর বলবেন না ভাই। এসব অশিক্ষিত ছেলেদের জন্য আমাদের মানসম্মান গেল। প্রতিদিন এদের পেছনে গড়ে ৫২০ টাকা করে খরচ করছি। ইচ্ছে করলেই তো রাতারাতি এমন বক্সার বানানো যায় না। এখন ওরাযদি এভাবে পালিয়ে যায়, সেটা আমাদের দেশের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক।’
রাজশাহীর বিহারি কলোনির নাদিম হোসেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে চাকরি করেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে এরই মধ্যে সেনাবাহিনী কর্মকর্তাদের কাছে কাগজপত্র পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে জানালেন ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক লে. কর্নেল (অব.) এম এ লতিফ খান, ‘আমি আমার কোষাধ্যক্ষকে দিয়ে ওর বাবা-মার সঙ্গে কথা বলিয়েছি। ওকেও ফিরিয়ে আনার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনকেও জানানো হয়েছে বিষয়টা।’
ইতালিতে যাওয়া তিন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ আনা হবে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে লতিফ খান বলেন, ‘তারা আগে দেশে ফিরে আসুক। তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
-
▼
2009
(2847)
-
▼
September
(494)
-
▼
Sep 20
(27)
- চারদিক চা জাদুঘর পর্যটকদের নতুন আকর্ষণ মুজিবুর রহমান
- দিল্লির চিঠি কূলদীপ নায়ার বিশ্বায়ন ও খাদ্য সংকট
- জ্বালানি ও জাতীয় স্বার্থের তর্ক-বিতর্ক -উন্নয়ন by ...
- সাদাকাতুল ফিতর বা ফিতরা আদায় করুন -ধর্ম by মুহাম্ম...
- তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে নতুন বিতর্ক -বদিউল আলম মজু...
- পরিস্থিতি উদ্বেগজনক, পুলিশের তত্পরতা হতে হবে আপসহী...
- আগামী মাসে শুরু জাতীয় টেনিস
- জার্মানি থেকে স্কটল্যান্ড গেল হকি দল
- এশীয় আরচারির ফাইনালে সাজ্জাদ
- দেশে ফিরেছেন সাকিব
- পাকিস্তান-ভারত সীমান্তে আবারও গুলিবিনিময়
- মাইকেল জ্যাকসনের মা ক্যাথেরিন বছরে ১০ লাখ ডলার পাবেন
- ভারতে আরেকটি জঙ্গি হামলা হতে পারে: ইসরায়েল
- উত্তর কোরিয়ার পরমাণু অস্ত্রের লক্ষ্য দক্ষিণ কোরিয়া
- আশ্রয়কেন্দ্র নয়, যেন নরক
- ইউরোপে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষাব্যবস্থা বাতিল যুক্ত...
- মার্কিন সেনাদের লক্ষ্য করে চপ্পল নিক্ষেপ জবাব এল ব...
- জনতা ব্যাংকের নতুন চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আবু...
- খিলক্ষেতে ইলেকট্রনিক সিটির শোরুম চালু
- ট্রান্সকম ডিজিটাল এখন কক্সবাজারে
- ইন্টারন্যাশনাল চেম্বারের পর্যবেক্ষণ বিশ্ব অর্থনীতি...
- মালয়েশিয়া যাচ্ছে মহিলা কাবাডি দল
- অনুশীলনের মাঠ পাচ্ছে না অনূর্ধ্ব-১৬ দল
- জিম্বাবুয়ে-ইংল্যান্ড সিরিজে দিবা-রাত্রি ওয়ানডে
- বীরের বেশে দেশে ফেরা
- ম্যারাডোনাকে নিয়ে গুঞ্জন
- ইতালিতে গিয়ে নিখোঁজ বক্সার নাদিম
-
▼
Sep 20
(27)
-
▼
September
(494)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...