Wednesday, September 24, 2014
দুর্ধর্ষ দুই তরুণ সিরিয়াল কিলার by ইমরান আলী

জর্জ জুনিয়াস স্টিনি। বিশ শতকে যুক্তরাষ্ট্রে যার মৃত্যুদ- কার্যকর করা হয়েছে। বয়স মাত্র ১৪।, মৃত্যুদ- কার্যকরের কিছু পূর্বেও নাকি দুর্ধর্ষ এই তরুণকে দেখাচ্ছিলো একেবারে স্বাভাবিক, ভয়হীন। ১১ ও ৮ বছরের দুই মেয়েকে খুন করেছিলো সে কোন কারণ ছাড়াই। থানায় স্টিনির খুন দুটিতে ধর্ষণ প্রচেষ্টাকে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হলেও অনেকেই এর তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছিলো। পরবর্তীতে স্টিনিকে নিয়ে উপন্যাসসহ মুভিও তৈরি করা হয়েছিল।
জেস প্রমেরয়। যেন নেহায়েত সুবোধ বালক। যে খুন করেও স্বীকারোক্তিতে বলেছিলো, ‘আমি এটা করেছি মনে হয়’। চার্লসটাউনে ম্যাসাচুয়েটসে জন্ম নেয়া এই খুনিকে বলা হয় প্রথম ডিগ্রির খুনি। যখন প্রমেরয় মাত্র ১১ বছরের, তখন থেকেই সে তার সমবয়সী অন্য বন্ধুদের সঙ্গে অস্বাভাবিক আচরণ দেখাতে শুরু করে। চার পাঁচজনকে একসঙ্গে ধরে নিয়ে জঙ্গলে চলে যেতো। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের শরীর ক্ষতবিক্ষত করতো। সুচ ফুটাতো। প্রমেরয়কে পরে স্থানীয় প্রশাসন ধরে নিয়ে ভর্তি করে শিশু শোধনাগারে। সেখানে সে ১০ বছর থাকে। তার ভাল ব্যবহার দেখে ছেড়ে দেয়া হয় তাকে। কিন্তু শোধনাগার থেকে বের হয়েই সে জড়িয়ে পড়ে আবার সেই অপরাধচক্রে। কেটি চুরান নামের ১০ বছর বয়সী এক মেয়েকে কিডন্যাপ করে। তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালায়। হত্যা করে। এখানেই সে থেমে থাকেনি। কিছুদিন পরেই চার বছরের এক শিশুকে সে খুন করে। তথ্য প্রমাণাদিতে তার এই হত্যার কারণ দুটির সঠিক ব্যাখা পাওয়া যায়নি। আবারও আটক হয় এই কিশোরকে। দেয়া হয় আমৃত্যু কারাদ-। ৭২ বছর বয়সে কারাগারেই তার মৃত্যু হয়। অপরাধ সেটা অপরাধই। অল্প কি বেশী মাত্রার সেটা বিচারকির বিষয় হলেও কেউ এসব অপরাধে জড়িয়ে না পড়ুক সেটাই সবার প্রত্যাশা। সেই সঙ্গে অপরাধীর বিচার অবশ্যই কাম্য।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এ কে খন্দকার ‘অথর্ব’, শফিউল্লাহ ‘কাপুরুষ’: কাদের সিদ্দিকী

কাদের সিদ্দিকী লিখেছেন, ‘জীবনে পবিত্র কুরআন ছাড়া আর কোনো গ্রন্থ অতবার পড়িনি, যা এ কে খন্দকারের ‘১৯৭১ ভেতরে বাইরে’ এ ক’দিনে পড়েছি। পাঠকের সামনে কিছু প্রশ্ন তুলে ধরতে বইটা পড়ার প্রয়োজন ছিল। এত ‘অথর্বরা’ যে অত বড় বড় দায়িত্বপূর্ণ পদে এতদিন দাপিয়ে বেড়িয়েছেন ভাবতেই কেন যেন অবাক লাগে। সত্যিই কেউ ভাবতে পারে? শত্রু কবলিত দেশে ওরকম একটা লাখ লাখ লোকের সমাবেশে স্বাধীনতা ঘোষণা করা যায়? তারপরও ছক্কল ধরেছেন তারা নির্দেশ পায়নি। ইচ্ছে না থাকলে পাবেন কী করে?’
নিয়মিত কলামে কাদের সিদ্দিকী আরো লিখেছেন, ‘ভদ্রলোকেরা কয়েক বছর এক দোকান খুলেছেন ‘কমান্ডার্স ফোরাম’। যুদ্ধের বেলায় কমান্ড নেই, কমান্ডার্স ফোরাম! ফোরাম থেকে পদত্যাগ করেছেন। এখন সভাপতি আরেক কাপুরুষ। হাইকোর্ট যাকে অথর্ব কাপুরুষ হিসেবে আগেই রায় দিয়েছেন। সেই জেনারেল শফিউল্লাহ এখন কমান্ডার্স ফোরামের সভাপতি।’
তিনি লিখেছেন, ‘লোকগুলোর যখন যৌবন ছিল, কার্যশক্তি ছিল, তখন জিয়া-এরশাদের গোলামি করেছেন।’
বঙ্গবন্ধুকে সম্বোধন করে লেখা এই নিবন্ধে বলা হয়, ‘এখন সবাই তোমার (বঙ্গবন্ধুর) কন্যার অধীন। একটা মজার ব্যাপার! তোমাকে যারা গালাগাল করেছে এখন তারা সবাই তোমার কথা বলতে বলতে কাঁদতে কাঁদতে নাকের চোখের নোনা পানি হজম করছে। এ জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বোনকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয়। …তবে মাঝে মাঝে ভয় যে হয় না তা নয়। চার দিকে শত্রুর মধ্যে প্রিয়জন কেউ থাকলে তার জন্য সত্যিই শঙ্কা হয়।’
বঙ্গবীর লিখেছেন, ‘সম্প্রতি বহুল আলোচিত এ কে খন্দকারের বইয়ে তার খেতাব পাওয়া নিয়ে দু’কথা আলোকপাত করি। এ কে খন্দকার ‘১৯৭১ ভেতরে বাইরে’ লিখে মুক্তিযুদ্ধের মহিমাকে বরবাদ করেছেন। আমি চেষ্টা করছি ‘বাহিরে খন্দকার, ভেতরে মোস্তাক’ নামে একটা বই লিখতে। লেখার কাজ প্রায় শেষ। শুধু চোখ বুলানো বাকি। আশা করি ইনশাআল্লাহ কোরবানি ঈদের এক সপ্তাহের মধ্যে শেষ করে ফেলব। তাই সেখানে ১৪ পর্বের বইয়ের সব ক’টা পর্ব নিয়েই কমবেশি আলোচনা করব। তুমি তো জানই, জনাব খন্দকার একজন বীর উত্তম খেতাবধারী। খেতাবপ্রাপ্ত না বলে খেতাবধারী বললাম, মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ খেতাব প্রদানে তিনি ছিলেন চেয়ারম্যান, মেজর এম এ ওসমান ও মেজর এম এ মঞ্জুর ছিলেন সদস্য। তারা তিনজনই নিজেদেরটা নিজেরাই নিয়ে নিয়েছেন। তবে ওইসব বীরত্বসূচক খেতাব পাওয়ার জন্য যা যা দলিল দস্তাবেজ থাকা দরকার, যে ধরনের ঘটনা বা যুদ্ধে সাহস দেখানো দরকার তার কিছুই উল্লেখ নেই। মুক্তিযুদ্ধে কোনো ভূমিকা থাকলে তো উল্লেখ থাকবে।’
কাদের সিদ্দিকী জানান, ‘স্বাধীনতাযুদ্ধে বীরত্বসূচক পদক বা খেতাব পেতে প্রধান সেনাপতি জনাব এম এ জি ওসমানীর যে প্রস্তাব সরকার অনুমোদন করেছিল, সেখানে ছিল সম্মুখযুদ্ধে সাহসী কর্মকাণ্ডের জন্য যোদ্ধাদের উৎসাহিত করতে পদক দেয়া। বীরত্বসূচক পদকের প্রধান শর্ত হবে সরাসরি সম্মুখযুদ্ধে অংশগ্রহণ। সেটা শত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করে অথবা শত্রুকে আক্রমণ করে হোক। যেভাবেই হোক যুদ্ধে অংশ নিতে হবে। যে কারণে জেনারেল আতাউল গনি ওসমানী প্রধান সেনাপতি হয়েও খেতাব পাননি বা নেননি।’
কাদের সিদ্দিকী লিখেছেন, দেশ আবার উত্তাল হতে যাচ্ছে। সে দিন দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর যুদ্ধাপরাধ মামলায় ফাঁসির বদলে আমৃত্যু কারাদণ্ড হয়েছে। এ এক চমৎকার সাজা। ৯০ বছর বয়সে গোলাম আযমের ৯০ বছর জেল। আজীবন কারাদণ্ড হয়েছিল জয়পুরহাটের কসাই আব্দুল আলীমের। ক’দিন আগে ভদ্রলোক ইন্তেকাল করে পরপারে গেছেন। সে দিন কারাদণ্ড হয়েছে দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর। অনেকে মনে করছেন বহু ঘাটে যুক্ত জামায়াতে ইসলামীর সাথে এটা একটা আপসের প্রয়াস। আবার সরকার অন্যভাবেও দেখতে পারে। দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জামায়াতের বাইরেও একটা ধর্মীয় আবেগ আছে। সেটা যাতে বিস্ফোরিত না হয় তার জন্যও কৌশল নিতে পারেন। যাই হোক, এখন দেশের মানুষ সরকারি চালাকি আগেই ধরে ফেলে। আর ডিজিটাল জামানায় কোনো কিছু গোপন থাকে না, সবই ওপেন সিক্রেট। কে কার সাথে কথা বলে, কী বলে, কী সব কাগজপত্র আদান প্রদান হয় ইন্টারনেটের কল্যাণে তার অনেক কিছুই ধরা পড়ে। তাই বেশি চালাকির সুযোগ কই।
নিবন্ধে বলা হয়, বহু বছর ধরে শুনে আসছি, অতি চালাকের গলায় দড়ি। এখন অনেকের গলায় সেই দড়ি পরছে। সরকার সত্যিই একটা বুদ্ধির কাজ করেছে। এ সরকার থাকলে জেলে, অন্য সরকার এলে দু’চার মাস পর জাতীয় হিরো হয়ে বাইরে। শুনেছি, আমৃত্যু কারাদণ্ডের রায় শুনে মহিলা প্রসিকিউটর জ্ঞান হারিয়েছেন। তা তিনি হারাতেই পারেন। জ্ঞান হারালেই কোনো যোগ্যতা প্রমাণ হয় না। অমন ঢংয়ের অজ্ঞান অনেকেই হতে পারে। তবে এটা সত্য, যুদ্ধাপরাধী অভিযোগে অভিযুক্ত সবার অপরাধ প্রমাণ হবে না। কেউ কেউ মুক্তও হবেন। সবার দণ্ড ফাঁসি হবে না, কমবেশি কারাদণ্ডও হবে- এটাই আইনের বিধান।
কাদের সিদ্দিকী লিখেছেন, খন্দকার কী কাজের জন্যে বীর উত্তম হলেন বা খেতাব পেলেন বা নিলেন তার বইয়ে যা লিখেছেন তা আমি তোমায় জানিয়েছি। এরকম বউ-পোলাপান নিয়ে ভারত গিয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় নাম লেখালেই যদি খেতাব পাওয়া যায় তাহলে আরো কয়েক লাখ যোদ্ধাকে খেতাব দিতে হয়। হ্যাঁ, তিনি খেতাব পেতে পারতেন, ’৫১ সালে চাকরিতে যোগ দিয়ে পাকিস্তানে যাওয়ার পর ’৬৯ সালের ৪ মার্চ ঢাকায় আসেন। তিনি তখন উইং কমান্ডার হিসেবে পূর্ব পাকিস্তানে বাঙালি বিমান কর্মকর্তা হিসেবে সর্বজ্যেষ্ঠ হিসেবে দাবি করেছেন। ২৫ মার্চ পাকিস্তানি হানাদাররা বাঙালিদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লে তিনি যদি তার পুরো স্কোয়াড্রন নিয়ে সীমান্ত পার হতেন তাহলে তাকে বীর উত্তম দিলে কারো কোনো আপত্তি থাকত না। সব ক’টা না পারতেন অন্তত একটা বিমান নিয়ে ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে একটা বোমা ফেলে চলে যেতেন। বোমা না ফেলতে পারলেও কোনো আপত্তি ছিল না, তিনি একটা বিমান নিয়ে গেলেই হতো। যুদ্ধরত অবস্থায় যদি শুনতাম আমাদের কোনো বাঙালি বিমানকর্তা কয়েকটা বিমান উড়িয়ে দিয়েছে কিংবা জ্বালিয়ে দিয়েছে বা বিমান নিয়ে বন্ধুরাষ্ট্র ভারতে চলে গেছে তাহলে কতই-না শক্তি পেতাম। এর কিছুই তিনি করেননি বা করতে পারেননি। আর কিছু না পারতেন ৫-১০টা ফাইটারের তেলের ট্যাংকে এক ছটাক চিনি ঢেলে যেতেন- তা-ও বুঝতাম একটা কিছু করেছেন। কোনো জেড-এর ট্যাংকে এক ছটাক চিনি দিলে আর দয়া করে একবার ইঞ্জিন স্টার্ট করে ২-৪ মিনিট চালালে তারপর কাউকে আর কিছু করতে হতো না। আপনা আপনিই ইঞ্জিন সিজ হতো। আবার নতুন ইঞ্জিন বসিয়ে তারপর সে ফাইটার দিয়ে ফাইট করতে হতো। আমি বলতে চাইনি স্ত্রী-ছেলে-মেয়ে, বন্ধু-বান্ধব ত্যাগ করে আমাদের মতো অনিশ্চিত জীবনে ঝাঁপিয়ে পড়তে; কিন্তু বীর উত্তম খেতাব যখন নিবেন তখন তো বীরের মতো কিছু একটা করতে হবে। তা তো বাহিরে খন্দকার ‘১৯৭১ ভেতরে বাইরে’ দেখাতে পারেননি।
কাদের সিদ্দিকী লিখেছেন, দরিদ্র মানুষের রক্ত-ঘামের পয়সায় জনতা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান জনাব অধ্যাপক ড. আবুল বারকাত পণ্ডিতি করে ২০১২ সালে ‘একাত্তরের বীরযোদ্ধাদের অবিস্মরণীয় জীবনগাথা খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা স্মারক গ্রন্থে’ লিখেছেন, ১৬ই ডিসেম্বর মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি এম এ জি ওসমানীসহ হেলিকপ্টার যোগে ঢাকায় আসার পথে ফেঞ্চুগঞ্জে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়লে আব্দুর রব পায়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। এ জন্য যদি তাকে বীর উত্তম খেতাব দেয়া হয়ে থাকে পণ্ডিতেরা দিতেই পারেন; কিন্তু হেলিকপ্টারে কোথাও যাওয়ার পথে গুলি খাওয়া যুদ্ধ বোঝায় না। আর জেনারেল ওসমানীকে বহন করা হেলিকপ্টার কোনোমতেই ঢাকার পথে ছিল না। তিনি মুক্তিযোদ্ধাদের স্থানীয় ক্যাম্প বা ঘাঁটি পরিদর্শন করছিলেন। সবাই এসেছিলেন আগরতলা থেকে, তারা কেন ভাঙা হেলিকপ্টারে সিলেট থেকে এতিমের মতো আসার চেষ্টা করবেন? সেখান থেকে আগরতলা হয়ে সবার একসাথে আসাই তো সমীচীন ছিল। এ তো দেখছি ক্যান্সারের মতো ইতিহাস বিকৃতির রোগে ধরেছে।
আর মুক্তিবাহিনী কখনো এক কথা নয়। আমাদের বহু পণ্ডিত জনাব আতাউল গনি ওসমানীকে মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি যেমনটা এখানে বলেছেন অথবা সর্বাধিনায়ক বলতে চান। তিনি মুক্তিবাহিনীর সর্বাধিনায়ক ছিলেন, মুক্তিযুদ্ধের নন। মুক্তিযুদ্ধটা একটা সার্বিক ব্যাপার। সেখানে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পররাষ্ট্র, স্বরাষ্ট্র, আরো অনেক কিছু জড়িত। যুদ্ধটা তার একটা অংশ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হুমকির মুখে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইয়েমেনে সরকারের সঙ্গে বিদ্রোহীদের শান্তিচুক্তি
![]() |
| মোহাম্মদ সালেম বসিন্দা |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মস্কোয় যুদ্ধবিরোধী বড় সমাবেশ
![]() |
| মস্কোয় যুদ্ধবিরোধী বড় সমাবেশ |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইএস নির্মূলে সিরিয়ায় হামলা -যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে পাঁচ আরব দেশ অংশ নিচ্ছে

গতকাল মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত প্রায় ৫০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়। এতে আইএসের অন্তত ৭০ যোদ্ধা নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে বেসামরিক লোকজন হামলায় হতাহত হয়েছেন কি না, তা জানা যায়নি। খবর এএফপি, বিবিসি, রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমসের।
মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড (সেন্টকম) জানায়, অভিযানে পাঁচটি আরব দেশ—বাহরাইন, জর্ডান, কাতার, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত ‘অংশ নিয়েছে বা সমর্থন দিয়েছে’। তবে অভিযানে এই দেশগুলোর অংশগ্রহণ বা সমর্থনদানের ধরন সম্পর্কে সেন্টকম স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি।
বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, এ হামলার মধ্য দিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্ররা মধ্যপ্রাচ্যে নতুন আরেক যুদ্ধ ছড়িয়ে দিল। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা বলেছেন, এটা আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একার যুদ্ধ নয়। এ যুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোও অংশ নিচ্ছে।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অবিবেশন চলছে। এর মধ্যেই সিরিয়ায় এ হামলা হলো। হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টার মাথায় জাতিসংঘের মহাসচিব মান কি মুন গতকাল বলেছেন, আইএস সিরিয়া ও ইরাকের জন্য ভয়াবহ হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সিরিয়ায় আইএসের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র আরব দেশগুলোর হামলাকে সরাসরি সমর্থন দেননি তিনি।
মহাসচিব শুধু বলেন, ‘আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য আইএস সরাসরি হুমকি। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ ক্ষেত্রে একমত।’ তবে তাদের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের পদক্ষেপ অবশ্যই জাতিসংঘ সনদ অনুযায়ী হওয়া উচিত বলে জোর দিয়ে জানিয়ে দেন বান কি মুন।
সিরিয়া ও ইরাকে একের পর এক জনপদ দখল করে নিতে থাকা আইএস সম্প্রতি আরব ভূখণ্ডে ‘খেলাফত’ প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। তাদের অগ্রযাত্রা থামাতে এ দুই দেশের সরকারই কার্যত ব্যর্থ হয়। আইএসের হামলার ভয়ে গত এক সপ্তাহে অন্তত দেড় লাখ সিরীয় নাগরিক দেশ ছেড়ে তুরস্কে আশ্রয় নিয়েছে। তবে এর আগে আইএসের হাতে অপহৃত দুই মার্কিন সাংবাদিক ও এক ব্রিটিশ ত্রাণকর্মীর শিরশ্ছেদের ঘটনা চরম ক্ষুব্ধ করে তোলে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর মিত্রদের। আইএস আতঙ্ক ধরায় শিয়া-অধ্যুষিত আরব রাষ্ট্রের নেতাদেরও।
মার্কিন প্রতিরক্ষা সদর দপ্তর পেন্টাগন গতকাল জানায়, আইএসকে দুর্বল ও ধ্বংস করতেদীর্ঘমেয়াদি অভিযানের অংশ হিসেবে সিরিয়ায় হামলা শুরু করা হয়েছে। এতে যুদ্ধবিমান, চালকবিহীন বিমান (ড্রোন) ও টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে। আইএসের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত সিরিয়ার রাকা শহরসহ বিভিন্ন শহরে হামলা চালানো হচ্ছে।
সেন্টকম জানায়, গতকাল বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময়) মোট ৫০ বার বিমান হামলা চালানো হয়। এসব হামলায় আইএসের প্রশিক্ষণকেন্দ্র, কমান্ড ও কন্ট্রোল স্থাপনা এবং যানবাহন ও গুদামঘর ধ্বংস বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
হামলায় লোহিত সাগর ও উত্তর আরব উপসাগরে মোতায়েন মার্কিন যুদ্ধজাহাজ থেকে ৪৭টি টোমাহক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এ হামলা অব্যাহত থাকবে।
হামলায় অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে সৌদি আরব ও জর্ডান। জর্ডানের তথ্য ও যোগাযোগমন্ত্রী মোহাম্মদ আল মোমানি বলেন, বিমান হামলা চলবে। অভিযানে তাঁর দেশসহ আর চারটি আরব দেশ অংশ নিয়েছে।
ব্রিটেনভিত্তিক পর্যবেক্ষক সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস বলেছে, সিরিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর রাকায় দুটি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন ২০ জনের বেশি আইএস সদস্য। মানবাধিকারকর্মীদের বরাত দিয়ে বিবিসি বলেছে, রাকাসহ বিভিন্ন স্থানে চালানো হামলায় নিহত হয়েছেন আইএসের অন্তত ৭০ জন।
সিরিয়ায় অভিযানের আগে আইএস জঙ্গিদের লক্ষ্য করে গত জুন মাসেই ইরাকে বিমান হামলা শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র। আগস্টের দিকে অভিযান জোরদার করা হয়। ইরাকের বিভিন্ন স্থানে এ পর্যন্ত আইএসের বিরুদ্ধে ১৯০টির মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অতি সম্প্রতি প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর দেশবাসীর উদ্দেশে এক ভাষণ দেন। এতে সুন্নি গোষ্ঠী আইএসকে নির্মূলে নিজ পরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। এ পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই ইরাকের পর সিরিয়ায় আইএসকে লক্ষ্য করে অভিযান শুরু করা হলো বলে মনে করা হচ্ছে।
আগেই জানত সিরিয়া: সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে গতকাল বলা হয়, সিরিয়া ও ইরাকের উল্লেখযোগ্য অংশে গেড়ে বসা আইএসের ওপর এই আক্রমণ চালানোর বিষয়ে জাতিসংঘে নিযুক্ত তাদের দূতকে আগেই অবগত করা হয়েছিল। তা ছাড়া অভিযানের বিষয়টি জানিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরির একটি চিঠিও পেয়েছে মন্ত্রণালয়। তবে আইএসবিরোধী অভিযান নিয়ে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের সঙ্গে কোনো ধরনের সহযোগিতার কথা নাকচ করে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র এবং এর ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাজ্যসহ অন্যরা।
রাশিয়ার সমালোচনা: মার্কিন নেতৃত্বাধীন আইএসবিরোধী হামলার সমালোচনা করেছে সিরীয় প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদের মিত্র রাশিয়া। গতকাল দেশটি বলেছে, এই অভিযানের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে অবশ্যই দামেস্কের সঙ্গে মতৈক্যে পৌঁছাতে হবে, অন্যথায় তা উত্তেজনা বাড়াবে। তা ছাড়া এ ধরনের যেকোনো পদক্ষেপ হতে হবে আন্তর্জাতিক আইনের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।
ওবামার অভিনন্দন: অভিযানে অংশ নেওয়া আরব দেশগুলোকে অভিনন্দন জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। তিনি বলেছেন, এটা যুক্তরাষ্ট্রের একার লড়াই নয়। হামলা শুরুর কয়েক ঘণ্টা পর হোয়াইট হাউসের লনে দাঁড়িয়ে গণমাধ্যমকে এ কথা বলেন তিনি।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্কে রওনার প্রাক্কালে ওবামা তাঁর ওই বক্তব্যে অভিযানে সৌদি আরব, বাহরাইন, জর্ডান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের অংশ নেওয়ার বিষয়ও নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিন্ন নিরাপত্তা রক্ষায় এ দেশগুলোর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত যুক্তরাষ্ট্র। এ জোটগত শক্তিতে বিশ্বের কাছে স্পষ্ট যে এটা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের একার লড়াই নয়।’
লক্ষ্য আল-কায়েদাও: আইএসের অবস্থান লক্ষ্য করে শুরু করা এই অভিযানের সঙ্গে সিরিয়ায় আরেক জঙ্গি সংগঠন আল-কায়েদার ঘাঁটিতে মার্কিন সেনারা আট দফা পৃথক হামলা চালিয়েছে বলে জানায় সেন্টকম। সিরিয়ার পশ্চিমের গুরুত্বপূর্ণ শহর আলেপ্পোয় সংগঠনটির শক্তিশালী খোরাসান গ্রুপের নিরাপদ ঘাঁটিতে এ হামলা চালানো হয়। আলেপ্পোয় আল-কায়েদাবিরোধী হামলায় নিহত হয়েছে অর্ধশত লোক। এদের মধ্যে তিন শিশু, এক নারীসহ আট বেসামরিক নাগরিক রয়েছে।
গত ২০ সেপ্টেম্বর দ্য নিউইয়র্ক টাইমস অনলাইনে প্রকাশিত এক নিবন্ধে আইএস গড়ে ওঠার পেছনে সিআইএর সহযোগিতার আভাস মেলে।
আইএস দমনে এক মাসেরও বেশি সময় ধরে ইরাকে বিমান হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। তা সত্ত্বেও বাগদাদের অলিগলি থেকে সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় পর্যন্ত এই সন্দেহ রয়েছে যে, জঙ্গিগোষ্ঠীটির পেছনে রয়েছে সিআইএ।
ইরাকের উপপ্রধানমন্ত্রী বাহা আল আরাজি বলেন, ‘আমরা জানি, এটি কে তৈরি করেছে।’
আইএস দমনের অজুহাতে ইরাকে সম্ভাব্য মার্কিন সেনা মোতায়েনের যেকোনো পদক্ষেপের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এক সমাবেশে হুঁশিয়ার করেছেন দেশটির প্রভাবশালী শিয়া নেতা মুকতাদা আল সদর। তিনিও প্রকাশ্যে আইএস সৃষ্টির জন্য সিআইএকে দায়ী করেছেন।
সদরের সমাবেশে আসা হাজারো মানুষের মধ্যে অধিকাংশই একই তত্ত্বে বিশ্বাসী। এই দলে দেশটির পার্লামেন্টর সদস্যরাও রয়েছেন। ইরানেও এই সন্দেহ বেশ জোরালো।
আইএসের নাম করে যুক্তরাষ্ট্রের সেনারা আবার ইরাকে ফিরে আসছেন বলে দেশটির মানুষের মনে ধারণা জন্মেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা অবশ্য বলেছেন, আইএস দমনে ইরাক বা সিরিয়ার ভূমিতে সেনা পাঠাবেন না তিনি।
কিন্তু ওবামার এই কথায় খুব কমসংখ্যক ইরাকির আস্থা আছে। রাদ হাতেম নামের এক ইরাকি বলেন, ‘আমরা তাঁকে বিশ্বাস করি না।’
হায়দার আল আসাদি নামের আরেকজন ইরাকি বলেন, ‘আইএস সুস্পষ্টভাবে যুক্তরাষ্ট্রের সৃষ্টি। আইএসকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে আবারও আগ্রাসন চালানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র।’
মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর বাইরেও যুক্তরাষ্ট্রকে নিয়ে এই সন্দেহ আছে। কোনো কোনো পশ্চিমা বিশ্লেষক মনে করছেন, ইরাকের পর এবার সিরিয়ায় আগ্রাসন চালাতে আইএসকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র।
ওয়াশিংটনভিত্তিক খ্যাতিমান ফ্রিল্যান্স লেখক মাইক হুইটনির মতে, জর্জ ডব্লিউ বুশের মতো মার্কিনিদের বিভ্রান্ত করতে যাচ্ছেন ওবামা। তিনি আইএস জঙ্গিদের দমনের কথা বলছেন। কিন্তু তাঁর মূল উদ্দেশ্য মধ্যপ্রাচ্যে আরেকটি দীর্ঘ মেয়াদি যুদ্ধের পক্ষে সমর্থন আদায়। অঞ্চলটিতে নৈরাজ্য সৃষ্টি, বিদ্যমান সীমান্ত নিশ্চিহ্ন করা ও ক্রীড়নক সরকার বসাতে ওবামা প্রশাসন তৎপর।
হুইটনির দাবি, আরেকটি রক্তক্ষয়ী আগ্রাসনের পথ সুগম করতেই মূলত পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ও পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে তাদের সহযোগীরা আইএসকে সৃষ্টি করেছে।
বিশ্লেষক প্যাট্রিক মার্টিনের ভাষ্য, আইএস হলো মধ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সাম্রাজ্যবাদী হস্তক্ষেপের অজুহাত।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিচারক খুন- কথিত স্ত্রী মিশুর বাসায় যাতায়াত ছিল অনেকেরই by মহিউদ্দীন জুয়েল

সূত্র জানায়, বিচারক আবু সাঈদের কথিত শাশুড়ি মিশুর মা লাকী আক্তার ইয়াবা ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে সবাই ধারণা করছেন। তাদের বাসায় বিভিন্ন মাদক সেবনের নানান সামগ্রী ও উপকরণ পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে যে বাসাতে বিচারক সাঈদ খুন হয়েছেন সেখানে অপরাধ জগতের নানান লোকজনের আসা-যাওয়া ছিল। রাত দুইটা পর্যন্ত সেখানে কি হতো তা জানতেন না আশপাশের বাসিন্দারা। এ সব লোকজনের সঙ্গে বেশ কয়েকজন আইনজীবীও আসতেন মিশুর কাছে। তবে তারা বেশিক্ষণ থাকতেন না। সন্ধ্যার পর এসে রাতে চলে যেতেন। বিচারক সাঈদ সবার কাছে মিশুকে তার স্ত্রী বলে পরিচয় করিয়ে দিতেন।
গতকাল সকালে হালিশহরের সেই মোল্লাপাড়ায় গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বললে এই ব্যাপারে পাওয়া গেছে আরও চাঞ্চল্যকর নানা তথ্য। স্থানীয় লোকজন জানান, চলতি বছরের গত ১লা জুন থেকে বিচারক সাঈদের জন্য মিশু ও তার মা লাকী বাসাটি ভাড়া নেন। ৬ তলা ভবনের দ্বিতীয় তলায় ছিল পুরো বাসাটি। ঘরের ভেতরে সবসময় পর্দা টাঙানো থাকতো। ৩ বেডের বাসার জন্য মাসে ১৫ হাজার টাকা ঘর ভাড়া দেয়া হতো।
বাড়ির মালিক আবু তৈয়ব বলেন, আমি আসলে এত কিছু জানতাম না। মিশু নামের একজন মহিলা এসে একদিন বললো আমার স্বামীকে নিয়ে থাকবো। পরে জানতে পারলাম খুন হওয়া ওই বিচারক সাঈদই তার স্বামী। টানা দুই মাস তার সেই স্বামীকে এখানে রাতে দেখেছি। এরপর এক সপ্তাহ পর পর দেখতাম।
সূত্র জানায়, গতকাল দুপুরে ৫ দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে নূরে আলমের আদালতে হাজির করা হয় মিশু, তার মা লাকী, ভাই ও কাজের মেয়েকে। এই সময় আদালতে তাদের কাছ থেকে কোন ধরনের তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানানো হয়। পরে বিচারক গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য স্ত্রী দাবিদার মিশু, তার মা লাকী ও ভাইকে পুনরায় ৫ দিনের রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। অন্যদিকে কাজের মেয়েকে দেন ২ দিন।
হালিশহর থানার ওসি শাহজাহান কবির বলেন, মিশু ও লাকী খুবই চালাক। তারা শুরু থেকেই ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে দাবি করছে। এই ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া মিশু, তার মা লাকী আক্তার, মিশুর ভাই ইমরান আহমেদ ও বাসার কাজের পরিচারিকা রীমা আক্তারকে আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আশা করছি নতুন তথ্য বেরিয়ে আসবে।
নগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (পশ্চিম) এস এম তানভির আরাফাত মানবজমিনকে বলেন, খুনিরা কৌশলী। তবে যে-ই ঘটনা ঘটাক সব কিছুই উন্মোচিত হয়ে যাবে। বিচারক সাঈদের প্রথম স্ত্রী রয়েছেন বলে আমরা জানতে পেরেছি। দ্বিতীয় স্ত্রী বলে যিনি দাবিদার তার আচরণ সন্দেহজনক। এখন বিয়ের কাবিননামার বিষয়ে কোন তথ্য দিতে পারেননি মিশু। যিনি বিয়ে পড়িয়েছেন সেই কাজীরও কোন খবর নেই। আত্মহত্যা করলে যেভাবে মৃত্যু হয় এই ঘটনা সেরকম নয়। তাছাড়া মাথায় আঘাত করার আলামত প্রমাণ করে এটি আত্মহত্যা নয়। নিশ্চিত হত্যা। গত ৫দিন ধরে মিশু, তার মা লাকীসহ বাসার ৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। বারবারই তারা পুরো ঘটনা আড়াল করে গেছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রেপ্তারে ভয় পাই না নিজেরা পালানোর পথ পরিষ্কার রাখুন by কাফি কামাল ও জাবেদ রহিম বিজন

২০দলীয় জোট ভাঙবে না: বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোটের ঐক্যের ব্যাপারে প্রত্যয় ব্যক্ত করে খালেদা জিয়া বলেন, সরকার প্রচারণা চালাচ্ছে-বিএনপি জোট নাকি ভেঙে যাচ্ছে। বিএনপি জোট ভাঙবে না। এটা শক্তিশালী আছে এবং থাকবে। তিনি বলেন, যারা বিএনপির সঙ্গে আছে তারা দেশপ্রেমিক। তারা বেঈমানদের সঙ্গে যেতে পারে না। দেশপ্রেমিকরা বেঈমান-মুনাফিকদের সঙ্গে কখনও যাবে না। বরং আজকে দেশের যে দুরবস্থা তাতে তারা আরও বেশি ঐক্যবদ্ধ হবে। দেশকে অত্যাচারী জালিমদের হাত থেকে রক্ষা করতে হবে।
সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনীর বিষয়ে খালেদা জিয়া বলেন, বিচারপতিদের অভিশংসন সংসদের হাতে নেয়ার মাধ্যমে বিচারকদের হাত-পা বাঁধা হচ্ছে। এমনিতেই বিচারকরা স্বাধীনভাবে বিচার করতে পারছেন না। এখন বিচার বিভাগের স্বাধীনতা হরণ ও বিচারপতিদের ভয় দেখানোর জন্য এ আইন করা হয়েছে। বিরোধী দলের খবর যাতে প্রচার-প্রকাশ না হয় সে জন্য করা হয়েছে সম্প্রচার নীতিমালা। কিন্তু আওয়ামী লীগ তো ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়নি। এ সরকার অবৈধ। বিনাভোটে সংসদে বসে একের পর এক আইন পাস করছে। এগুলো অবৈধ আইন। দেশের জনগণ এসব আইন মানবে না। খালেদা জিয়া বলেন, এসব আইন বন্ধ করুন। আমরা মাত্র একদিন হরতাল দিয়েছি। প্রয়োজনে যে কোন কর্মসূচি দিতে বাধ্য হবো।
তিনি বলেন, আজকের প্রজন্মই আমাদের ভবিষ্যৎ। দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার ফিরিয়ে আনতে তোমাদের আন্দোলন করতে হবে। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হবে। আমি আলেম-ওলামাদের আহ্বান জানাবো- আপনারা দেশকে ভালবাসেন। এটা আপনাদের ইমানি দায়িত্ব। আমি দেশের মা-বোন, ছাত্র-যুবক সকল শ্রেণী, মুসলিম-হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান সকল ধর্মের মানুষের প্রতি আহ্বান জানাই। এ দেশ আমাদের সকলের। যারা আজ ক্ষমতায় আছে তারা লুট করে আমাদের দেশকে ফোকলা করে দিয়েছে। আসুন সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জালিম সরকারের হাত থেকে দেশকে রক্ষা করি।
র্যাবের কড়া সমালোচনা করে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, র্যাব এখন পচে গেছে। র্যাব তৈরি করা হয়েছিল সন্ত্রাস দমনের জন্য। তারা এখন মানুষ খুন করছে। র্যাবকে বাতিল করতে হবে। তিনি বলেন, নারায়ণগঞ্জসহ সারা দেশে হত্যা ও গুমের সঙ্গে র্যাব জড়িত। কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এত গুম-খুনের পরও অভিযুক্ত র্যাবের অফিসার জিয়ার চাকরি থাকে কি করে? কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে না? অবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় নিতে হবে। তাকে আইনের আওতায় নিলে সব সত্য বেরিয়ে আসবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি বলতে চাই। আপনারা রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে বেতন পান। কোন দলের পক্ষে নয়। তাই আপনারা নিরপেক্ষ আচরণ করবেন। ছাত্রলীগকে পাহারা দেয়া আপনাদের কাজ নয়। আপনারা বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর অন্যায়ভাবে গুলি চালাবেন না। তিনি বলেন, আমরা মিছিল-মিটিংয়ে নৈরাজ্য করি না। আমরা শান্তিপূর্ণভাবে দেখিয়ে দিতে চাই জনগণ আমাদের সঙ্গেই আছে। কিন্তু সরকার যখন দেখে জনগণ আমাদের সঙ্গে তখন তারা কোন না কোন ঘটনা ঘটায়। মামলা দেয় এবং গ্রেপ্তার করে।
খালেদা জিয়া বলেন, দেশের আলেম-ওলামারাও এ সরকারের হাতে নিরাপদ নয়। তারা তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজধানীর শাপলা চত্বরে গিয়েছিলেন। আলেমরা শান্তিপ্রিয় এবং সেদিন তাদের হাতে ছিল জায়নামাজ, তসবিহ ও কোরআন শরীফ। তারা বলেছিলেন, তাদের নেতা আল্লামা শফী না আসা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করবেন। কিন্তু সেদিন শেষ রাতে দেশবাসী কি দেখেছেন? সেদিন আওয়ামী লীগ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করে বহু আলেমকে হত্যা করেছে। তাদের হত্যা করে লাশ পর্যন্ত গুম করেছে। কোরআন শরিফ পুড়িয়েছে। কোন আলেম কোরআন শরিফ পোড়াতে পারে না। আলেমদের উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, এ খুনিরাই ভবিষ্যতে আপনাদের কাছে আসবে। হিজাব পরে, তসবিহ পরে, আপনাদের কাছে ভোট ভিক্ষা চাইবে। মনে রাখবেন, এদেরকে ক্ষমা করা যায় না। এদের হাতে আপনাদের রক্ত। এ সরকারের আমলে কোন ধর্ম ও ধর্মের মানুষ নিরাপদ নয়।
খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ সরকার কথায় কথায় দুর্নীতির কথা বলে। কিন্তু আওয়ামী লীগই দুর্নীতি করেছে। তারা শেয়ার বাজার থেকে এক লাখ কোটি টাকা, ডেসটিনি থেকে ৩৮০০ কোটি টাকা, হল-মার্ক থেকে ৩৫০০ কোটি টাকা, বিছমিল্লাহ গ্রুপ থেকে ১২০০ কোটি, বেসিক ব্যাংক থেকে ৪৫০০ কোটি, রূপালী ব্যাংক থেকে ১২০০ কোটি, জনতা ও কৃষি ব্যাংক থেকে ৬০০ কোটি টাকা লুট করেছে। সে লুটের টাকা বিদেশে পাচার করেছে। কিন্তু আওয়ামী লীগের অনির্বাচিত অবৈধ অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এগুলো সামান্য টাকা। এখন বলছেন, ব্যাংকগুলো দেউলিয়া হয়ে গেছে। অর্থমন্ত্রী স্বীকার করছেন, ব্যাংকগুলোর পরিচালনা পরিষদে দলীয় অযোগ্য লোকদের নিয়োগ দেয়ায় তারা এ লুটপাট করছে। খালেদা জিয়া বলেন, রাস্তা ঘাটের সংস্কার হয় না, উন্নয়ন হয় না। কিন্তু তারা কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করে তারা লুটপাট করছে। তাদের একটি প্রকল্পের নাম- ‘হাঁটি হাঁটি খাই খাই’। আসলেই এ দলটি হচ্ছে- ‘হাঁটি হাঁটি খাই খাই, যাই পাই তাই খাই’। এখন তারা খাল-বিল, নদী-নালা যা পাচ্ছে সবই দখল করছে। কিছুই বাদ দিচ্ছে না। বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, আওয়ামী লীগ সবসময় মিথ্যা কথা বলে। তারা এখন জামায়াত ইসলামকে কখনও জঙ্গি, কখনও স্বাধীনতা বিরোধী বলছে। কারণ তারা ২০দলীয় জোটের সঙ্গে আছে। কিন্তু জামায়াতে এক সময় আওয়ামী লীগের সঙ্গে ছিল। তখন তারা ছিল আওয়ামী লীগের বন্ধু ও স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি। তিনি বলেন, ইনু-মেনন অনেক মানুষ খুন করেছেন। জীবনে কোনদিন পশ্চিম দিকে সেজদা দিতে শুনিনি। এখন শুনছি তারা হজ করতে যাচ্ছেন। আল্লাহর ঘরে গিয়ে তওবা করে যদি তারা ভাল হন তাহলে দেশের জন্য মঙ্গল।
হাসিনা আগেই বিক্রি হয়ে গেছেন: খালেদা জিয়া বলেন, আওয়ামী লীগের লোকজন সত্য কথা বলে না। কিন্তু সেদিন শেখ হাসিনা একটি সত্য কথা বলেছেন। আওয়ামী লীগের সব লোককে টাকা দিয়ে কেনা যায়। কেবল শেখ হাসিনা ছাড়া।
আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর উদ্দেশে খালেদা জিয়া বলেন, আপনি তো অনেক আগেই বিক্রি হয়ে গেছেন। সেই ’৮৬ সালে এরশাদের কাছে বিক্রি হয়েছিলেন। আমরা একসঙ্গে বসে নির্বাচনে না যাওয়ার চুক্তি করেছিলাম। কিন্তু রাতারাতি আওয়ামী লীগ নির্বাচনে চলে গিয়েছিল। তিনি সেদিন কেবল বিক্রিই হননি, জাতীয় বেঈমানও হয়েছেন।
দেশে ভাল মানুষের দাম নেই: খালেদা জিয়া বলেন, মুফতি ফজলুল হক আমিনী অনেক বড় দেশপ্রেমিক আলেম ছিলেন। তিনি সত্য কথা বলতেন বিধায় দীর্ঘদিন তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। তিনি ঘরের মধ্যে বন্দি থাকতে থাকতে মনোকষ্টে মারা যান। আজকে ভাল লোকের জায়গা এদেশে নেই। তিনি বলেন, সাংবাদিক মাহমুদুর রহমান সৎ মানুষ। তিনি সত্য কথা বলতে ভয় পেতেন না। তাই এ সরকার তাকে কারাবন্দি করে রেখেছে, মুক্তি দিচ্ছে না। খালেদা জিয়া বলেন, টকশোতে দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিরা সত্য কথা বলেন। তাই তাদের কথা বলা বন্ধ করতেই সম্প্রচার নীতিমালা করা হয়েছে। সত্য প্রকাশ করায় ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টিভি ও দৈনিক আমার দেশ বন্ধ করে দিয়েছে। খালেদা জিয়ার সফরকে কেন্দ্র করে যাত্রাপথ নরসিংদী, আশুগঞ্জ থেকে শুরু করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া পর্যন্ত ২০ কিলোমিটারজুড়ে শতাধিক তোরণ নির্মাণ করা হয়। এছাড়া মহাসড়কের দুই ধারে রঙ-বেরঙয়ের ব্যানার ও ফেস্টুন নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তাকে অভিবাদন জানান হাজার হাজার নেতাকর্মী। বেলা ২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে জনসভা শুরু হয়। এর আগে সকাল থেকেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিভিন্ন উপজেলা এবং আশপাশের জেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভায় জড়ো হন ২০ দলের নেতাকর্মীরা। একপর্যায়ে সমাবেশস্থলের আশপাশের সড়ক ও অলি-গলিতে মানুষের ঢেউ ছড়িয়ে পড়ে। জনসভা শেষে সড়কপথেই ঢাকায় ফেরেন খালেদা জিয়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর বিএনপির সভাপতি এডভোকেট শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে জনসভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিজেপি চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ নেজামী, মহাসচিব আবুল হাসনাত আমিনী, জামায়াতের নায়েবে আমীর অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, খেলাফত মজলিশের আমীর মুহাম্মদ ইসহাক, কল্যাণ পার্টির সভাপতি মে. জে. (অব.) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, এলডিপির মহাসচিব রেদোয়ান আহমেদ, ন্যাপের আজহারুল ইসলাম, এনডিপির গোলাম মতুর্জা, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, জাপা (জাফর) প্রেসিডিয়াম সদস্য সেলিম মাস্টার, বিএনপি নেতা ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, মির্জা আব্বাস, আবদুল্লাহ আল নোমান, উকিল আবদুস সাত্তার ভূঁইয়া, শওকত মাহমুদ, ডা. জাহিদ হোসেন, কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আকবর খন্দকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা বিএনপি নেতা কাজী আনোয়ার হোসেন, সৈয়দ একে একরামুজ্জামান, আবদুল খালেক, ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব শ্যামল, তকদির হোসেন জসিম ও নবীনগর উপজেলা চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার শফিকুল ইসলাম বক্তব্য দেন। এছাড়াও জনসভায় বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমান, যুগ্ম মহাসচিব সালাউদ্দিন আহমেদ, বরকতউল্লাহ বুলু, এ্যাবের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মুনসিফ আলী, স্বেচ্ছাসেবক দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোখলিছুর রহমানসহ বিএনপি ও অঙ্গদলের কেন্দ্রীয় এবং জেলা নেতারা অংশ নেন। আগামী ২৭শে সেপ্টেম্বর জামালপুর জেলা সফরে যাবেন খালেদা জিয়া।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কপালে যা আছে তা-ই by সাহস রতন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যাপিত রস- গানে গানে সৈয়দ মহসিন আলী by সোহরাব আলম, আঁকা: ষুভ

রস+আলো: আপনার গান গাওয়ার শুরু হলো কবে? উত্সাহ পেলেন কার কাছে?
সৈয়দ মহসিন আলী: আমার বাবার মুখে প্রথম যেদিন শুনেছিলাম গান/ সেদিন হতে গানই জীবন, গানই আমার প্রাণ...
র.আ.: তাহলে একদম শৈশব থেকেই শুরু?
সৈ.ম.আ.: জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো...
র.আ.: বুঝতে পেরেছি। আপনি কেন গান করেন?
সৈ.ম.আ.: গান গাই আমার মনরে বোঝাই, বাঁচি না তারে ছাড়া/ আর কিছু চায় না মনে গান ছাড়া, গান ছাড়া...
র.আ.: টাইমমেশিনে চেপে যদি আবার যৌবনে ফিরে যাওয়ার সুযোগ পান, নতুন করে প্রেমে পড়বেন নিশ্চয়ই? তখন ওই কাঙ্ক্ষিত রমণীর জন্য কোন গানটা গাইবেন?
সৈ.ম.আ.: আমার গানের মালা আমি করব কারে দান/ মালার ফুলে জড়িয়ে আছে করুণ অভিমান...
র.আ.: যদি তাতে মন না গলত, তখন কী গাইতেন?
সৈ.ম.আ.: আমায় নহে গো/ ভালোবাসো শুধু ভালোবাসো মোর গান...
র.আ.: তার পরও যদি সাড়া না পেতেন?
সৈ.ম.আ.: গানেরই খাতায় স্বরলিপি লিখে বলো কী হবে?/ জীবন খাতার ছিন্ন পাতায় শুধু বেহিসাবে পড়ে রবে...
র.আ.: আপনার গান শুনে আর গান গাওয়ার ভঙ্গি দেখে অনেকেই মুখ টিপে হাসে। বিষয়টা আপনার কেমন লাগে?
সৈ.ম.আ.: নিন্দার কাঁটা যদি না বিঁধিল গায়ে/ প্রেমের কী সাধ আছে বলো!/ আঁধার না থাকে যদি কী হবে আলো/ প্রেমের কী সাধ আছে বলো...
র.আ.: তার মানে, আপনি বিষয়টা গায়ে মাখেন না! এটা সম্ভবত কৌশলী উত্তর।
সত্যটা বলবেন কি?
সৈ.ম.আ.: ফাইট্টা যায়, বুকটা ফাইট্টা যায়...
র.আ.: আহারে! যাক, এবার অন্য প্রসঙ্গে আসি। আপনি সাংবাদিকদের গালাগালি করে সমালোচিত হয়েছিলেন। পরে অবশ্য ক্ষমাও চেয়েছেন। আপনার কি মনে হয়, সাংবাদিকেরা আপনাকে ক্ষমা করেছেন? তঁাদের উদ্দেশে কিছু বলবেন?
সৈ.ম.আ.: মানুষ মানুষের জন্য/ জীবন জীবনের জন্য/ একটু সহানুভূতি কি মানুষ পেতে পারে না, ও বন্ধু...
র.আ.: চারদিকে এত অমানবিকতা, অনিয়ম। আপনার কিছু বলার আছে? অথবা এ বিষয়ে কোনো গান...
সৈ.ম.আ.: কী গান শোনাব, ওগো বন্ধু/ মানুষের নেই মানবতা/ বোঝে না তো কেউ কারও ব্যথা...
র.আ.: তাহলে আপনি কিছুই গাইবেন না?
সৈ.ম.আ.: একটা গান লিখো আমার জন্য/ নাহয় আমি তোমার কাছে ছিলেম অতি নগণ্য...
র.আ.: আপনার এই অনুরোধ গীতিকার কেন শুনবেন? না শুনলে কী বলবেন?
সৈ.ম.আ.: ভুল বুঝে চলে যাও, যত খুশি ব্যথা দাও/ সব ব্যথা নীরবে সইব/ তোমার লেখা গান আমি গাইব...
র.আ.: রস+আলোর পাঠকের জন্য আপনার পছন্দের একটা গান যদি নিবেদন করতেন...
সৈ.ম.আ.: শিল্পী আমি তোমাদেরই গান শোনাব, তোমাদেরই মন ভরাব/ শিল্পী আমি শিল্পী...
র.আ.: বাহ্। আমরা কি তাহলে এখন থেকে আপনাকে সমাজকল্যাণমন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী না বলে শিল্পী মহসিন আলী বলতে পারি?
সৈ.ম.আ.: এই মণিহার আমায় নাহি সাজে/ এরে পরতে গেলে লাগে, এরে ছিঁড়তে গেলে বাজে...এই মণিহার আমায় নাহি সাজে...
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1372)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
September
(447)
-
▼
Sep 24
(10)
- দুর্ধর্ষ দুই তরুণ সিরিয়াল কিলার by ইমরান আলী
- এ কে খন্দকার ‘অথর্ব’, শফিউল্লাহ ‘কাপুরুষ’: কাদের স...
- হুমকির মুখে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত
- ইয়েমেনে সরকারের সঙ্গে বিদ্রোহীদের শান্তিচুক্তি
- মস্কোয় যুদ্ধবিরোধী বড় সমাবেশ
- আইএস নির্মূলে সিরিয়ায় হামলা -যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃ...
- বিচারক খুন- কথিত স্ত্রী মিশুর বাসায় যাতায়াত ছিল অন...
- গ্রেপ্তারে ভয় পাই না নিজেরা পালানোর পথ পরিষ্কার রা...
- কপালে যা আছে তা-ই by সাহস রতন
- যাপিত রস- গানে গানে সৈয়দ মহসিন আলী by সোহরাব আলম,...
-
▼
Sep 24
(10)
-
▼
September
(447)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


