Tuesday, April 15, 2014

রুশপন্থীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর বন্দুকযুদ্ধ

ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় স্লোভিয়ানস্ক শহরে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে রাশিয়াপন্থী অস্ত্রধারীদের বন্দুকযুদ্ধ হয়েছে। গতকাল রোববার ওই বন্দুকযুদ্ধে ইউক্রেনের একজন নিরাপত্তা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন অ্যাভাকভ। রুশপন্থী অস্ত্রধারীরা গত শনিবার স্লোভিয়ানস্ক, ক্রামাত্রস্ক ও দ্রুজকোভকা এলাকায় থানা ও সরকারি ভবন দখলে নেয়। তাদের হটাতে ওই এলাকায় ‘সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান’ শুরু করে ইউক্রেনের নিরাপত্তা বাহিনী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরসেন অ্যাভাকভ তাঁর ফেসবুক পাতায় জানান, দেশের নিরাপত্তা বাহিনীর সব শাখার সদস্যরা অভিযান শুরু করেছেন। লড়াই শুরু হয়ে গেছে। দুই পক্ষেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার বন্দুকধারীদের ওই দখলদারির জন্য মস্কোকে দায়ী করে ইউক্রেন ও পশ্চিমা কিছু দেশ। তবে ক্রেমলিন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে। মার্কিন কর্মকর্তারা শনিবার জানান, ইউক্রেনের মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের কর্তৃত্ব খর্ব করার উদ্দেশে রুশ সরকারের মদদে সংঘবদ্ধ অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এই মস্কোকে সতর্ক করে বলেছেন,
তারা যদি পরিস্থিতি শান্ত করতে ব্যর্থ হয় এবং ইউক্রেন সীমান্ত থেকে সেনা সরিয়ে না নেয়, তাহলে এর পরিণাম তাদের ভোগ করতে হবে। তবে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, কিয়েভের কর্তৃপক্ষ যে নিজেদের দেশের দায়িত্ব নিতে সক্ষম নয়, তাদের কর্মকাণ্ডে সেটাই ফুটে উঠছে। একই সঙ্গে তিনি জানিয়ে দেন, পূর্ব ইউক্রেনে কোনো রকম শক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করা হলে আগামী সপ্তাহের আলোচনায় তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। ইউক্রেনের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক উত্তেজনার পর গণভোটের মাধ্যমে দেশটির স্বায়ত্তশাসিত ক্রিমিয়া অঞ্চলকে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত করা হয়। রাশিয়া হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করে রেখেছে ইউক্রেনের পূর্ব উপকূলজুড়ে। এতে ওই অঞ্চলে যে উত্তেজনা বিরাজ করছে, তা নিরসনের চেষ্টায় কাল মঙ্গলবার জেনেভায় ইউক্রেন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোর কর্মকর্তাদের আলোচনায় বসার কথা আছে। এএফপি, বিবিসি।

পয়লা বৈশাখের শুভ মুহূর্তে

দূর প্রবাসে যারা, বাংলাদেশের বৈশাখের দিকে তাকিয়ে, অন্তত ফেসবুকের বাসিন্দা যারা, তাদের চোখে বৈশাখের বার্তা। চৈত্রের নিদাঘ জানান দেয় বৈশাখের আগমন। প্রথম দিনটি এল বলে। আগে থেকেই বাতাসে ঝড় তুলে আগমন শিলাবৃষ্টির, সেই সঙ্গে কালো মেঘের ভ্রুকুটি, যাতে কয়েকটি প্রাণের বজ্রাঘাতে নির্বাপণ। যার গেছে, সে-ই জানে শুধু, অন্যের কাছে নেই এর কোনো মূল্য। বাড়ে ইলিশের দাম, সেই সঙ্গে পুরোনো গানগুলোর বিন্যাস, চলে নানা প্রস্তুতি টিভির পর্দায়, নানা সাজের পয়লা বৈশাখ দ্বারে উপস্থিত। পয়লা বৈশাখ, কী হবে তা দিয়ে? হাটুরে, মাঠুরে, ঘাটুরেদের জীবনে দিনটি কি বয়ে নিয়ে আসে নতুন কোনো স্বপ্নের অভিসার, নাকি শুধু গান, কবিতা আর স্বপ্নালু চোখে নবীনের উল্লাস? অনেক দিন আর বৈশাখের অনুষ্ঠানে যাওয়া হয়ে ওঠে না। সেখানে যারা গান গায়, গান শোনে, তাদের প্রত্যক্ষ করি টেলিভিশনে। তাদের চোখে স্বপ্ন আছে বৈকি। জাতির সামনে যে স্বপ্ন, তা ফুরিয়ে যায় বৈশাখী হাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। বিশ্বে যত জাতি, তাদের মধ্যে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় জাতিসত্তা ছিল বাঙালির। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর কয়েকটি সম্মেলনে যাই, বিশেষ করে সোভিয়েত ইউনিয়ন ও জাপানে। যেখানেই গিয়েছি শুধু বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে, সেখানে যে সম্মান ও করতালি পেয়েছি, তা এখনো ভুলতে পারি না। অভূতপূর্ব সেই উন্মাদনা। বাংলাদেশের অর্থ সেদিন ছিল স্বাধীনতার উড্ডীয়মান পতাকা, নিষ্পেষিত মানুষের জয়ধ্বনি, শেখ মুজিব যে স্বাধীনতার সূর্য-পতাকা। সে স্বপ্ন দল মেলার আগেই উধাও। আজ সম্পূর্ণ বিভক্ত এক জাতি চলেছি অনির্দিষ্টের পথে।
সম্মুখযাত্রায় নেই কোনো সম্মিলিত আদর্শের ছবি। বিভক্তি সব অর্জনকে সাহায্য করেছে জানালা দিয়ে পালিয়ে যেতে। যে বাঙালি জীবন আমাদের ইতিহাসে, সাহিত্যে, গল্পে, উপন্যাসে ও কবিতায়, তার উত্তরণ কোথায়? গরিবেরা দিনে দিনে নিষ্পেষিত। দিনমজুর, কৃষিজীবী, নিম্নমধ্যবিত্ত ও চাকরিজীবীরা দেনার আবর্তে। কোটি নবীন আজ দিশেহারা বেকারত্বে। তাদের প্রত্যক্ষ করি প্রতিদিন শহরে, গ্রামে, গঞ্জে, ট্রেনে, বাসে, রিকশায়, ঠেলায়। তারা কী দিয়ে ভাত খায় জানি। তারা কেমন করে বেঁচে আছে জানি। প্রতিদিন শত শত শিক্ষিতজন আমার কাছে ধরনা দেয়, আমাকে জিজ্ঞেস করে, আপনি কিসের লেখক, আমাদের কথা কোনো দিন লিখতে পারেন না, আপনার কলমের জোর কোথায় নির্বাপিত? দিনে দিনে বাড়ে দেনা, লোক বাড়ে, সেই সঙ্গে দলাদলি, রেষারেষি, ঈর্ষা, কলহ, খুন, রাহাজানি। শুনি দুর্বৃত্তের হলাহল চারদিকে, কেউ কারও শাসন মানে না। অসহায় চোখে তাকিয়ে থাকে, পুলিশ রক্ষী। পাশের বাড়িতে খুন দিনদুপুরে, এর রহস্য কোনো দিন উদ্ঘাটিত হবে না। দোরে খিল দিই অনেকগুলো, অথচ গ্রিল কেটেও অনায়াসে খুন করা যাবে আমার মতো নিরীহ লোককে। সমগ্র দেশ হুজুগে মত্ত। কখনো ক্রিকেট, কখনো ফুটবল, কখনো বা বৈশাখের মেলা। যে খেলা জীবনকে মূল্য দেবে না, সে খেলার কী দাম? আমরা নিমগ্ন আত্মপ্রশংসায়। ‘লা তুজাক্কু আন ফুসাকুম’, আত্মপ্রশংসা কোরো না। অথচ কারও প্রশংসায় অংশগ্রহণ না করে মত্ত শুধু নিজ গুণকীর্তনে। এক শিল্পী আরেক শিল্পীর গান পছন্দ করে না, কে না জানে। এক সাহিত্যিক অন্য সাহিত্যিককে সহ্য করতে পারে না, তা-ও জানি। অন্যের লেখা মানেই ফালতু, পড়ার যোগ্য নয়। এটাই শুনে এসেছি।
বর্তমানে সর্বযজ্ঞে এই আত্মপ্রশংসা অসহ্য হয়ে উঠেছে। জায়গা ছেড়ে দিতে হবে তরুণদের, সর্বত্র। তা না হলে ঘটবে বিপদ। চীন দেশ ঘুরে এসে বক্তব্য দিয়েছি প্রাঞ্জল ভাষায়: অচেনা চীন, চেনা আমেরিকা গ্রন্থে। তরুণদের জন্য প্রয়োজন তরুণ আওয়ামী লীগ, তরুণ বিএনপি, অর্থাৎ সবখানেই এমন তরুণদের স্থান, যারা শ্রেষ্ঠ তরুণ, যারা বৈশাখের প্রতিনিধি। যাদের দেখেই চেনা যাবে যে তারাই আমাদের দেশের নেতৃত্বের প্রধান দাবিদার। ‘নওরোজ’ ইরানি সভ্যতার দুই হাজার বছরের পুরোনো নববর্ষের উৎসব। দিনটি ২১ মার্চ। জোরোয়েস্ত্রো ধর্মের কান ঘেঁষে হাজার বছরের ঐতিহ্যে নেচে উঠেছিল সেদিন আজারবাইজান, কুর্দিস্তান, তুরস্ক, উত্তর ইরাক, আফগানিস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমিনিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিস্তান, কাজাকিস্তান। এতগুলো দেশ কী অভূতপূর্ব উন্মাদনায় মেতে ওঠে নওরোজে, না দেখলে কল্পনা করা যাবে না। নববর্ষ মিলনের বারতা নিয়ে আসে। ইরানের শাহনামা থেকে নেমে এল সেদিন সম্রাট জমশেদ, আলবিরুনির কিতাবুল তাফহিন লি আউইউল সিনাত উল তানজিম কিতাবে পারস্যের নওরোজের পুঙ্খানুপুঙ্খ বন্দনা। পৃথিবীতে প্রধান দুটি বাংলাভাষী অঞ্চল—ভারতের পশ্চিম বাংলা ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। এ ছাড়া ভারতের ত্রিপুরা, আসামেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক বাঙালি আছে। অথচ বাংলা নববর্ষ পালিত হয় দুটি আলাদা দিনে। একই দিনে হতে দোষ কী? বিবাদভঞ্জন হবে সহজে, যেদিন এক পক্ষ অপর পক্ষকে মূল্য দেবে।
মুস্তাফা জামান আব্বাসী: সাহিত্য-সংগীতব্যক্তিত্ব।
mabbasi@dhaka.net

যৌন হয়রানির বা ধর্ষনের ফলে সৃষ্ট সমস্য সমুহ কি রকম হতে পারে @সরেজমিন বার্তা

ধর্ষন হলো এমনপ্রকার যৌন লাঞ্ছনা যার সাথে শাররীক সম্পর্ক জড়িত, যা এক বা একাধিক ব্যক্তির অপর পক্ষের সম্মতি ব্যতিরিকে শাররীক সম্পর্ক স্থাপনের ক্রিয়া। এটি বড়ধরনের একটি অপরাধ। এই কাজে বেশিরভাগ সময় শারীরিক শক্তি, বাধ্যতা, ক্ষমতার অপব্যবহার ইত্যাদি নিয়ামক হিসেবে কাজ করে।

প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী কাল্পনিক ধারণা : মমতা ব্যানার্জি

প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী একটি কাল্পনিক ব্যাপার, এর সঙ্গে সংবিধানের কোনো যোগসূত্র নেই। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী ও তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি রোববার পিটিআইকে দেয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বিজেপির প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী নরেন্দ্র মোদিকে উদ্দেশ্য করে এ কথা বলেন। এর আগে শুক্রবার মোদি শিলিগুড়িতে বিজেপির এক নির্বাচনী র‌্যালিতে মমতা ব্যানার্জিকে তীব্রভাবে আক্রমণ করেন। মমতা ব্যানার্জি বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী একটি কাল্পনিক ধারণা। সংবিধানে এরকম কিছু নেই।... পার্লামেন্টারি গণতন্ত্রে জনগণ পার্লামেন্ট সদস্যদের নির্বাচিত করেন আর পার্লামেন্ট সদস্যরা তারপর প্রধানমন্ত্রী মনোনীত করেন। নরেন্দ্র মোদির নাম না উল্লেখ করেই মমতা বলেন,
বিজেপির একজন ব্যক্তি দাঙ্গায় নিহত হওয়া নিরীহ মানুষের রক্ত হাতে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার আশা করছেন। এ সাক্ষাৎকারে তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেস এবং বিজেপি উভয় দলকেই আক্রমণ করে বলেন, কংগ্রেস এবং বিজেপি ভারতকে বিক্রি করে দিতে একটা সিন্ডিকেট গঠন করেছে। কংগ্রেস জনবিরোধী দল। তারা জ্বালানি, সার থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়াচ্ছে। ভারতের জনগণ বহুত জ্ঞানী উল্লেখ করে তিনি একটি ফেডারেল ফ্রন্ট ভারতের পরবর্তী সরকার গঠন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। মমতা বলেন, ফেডারেল ফ্রন্ট এমন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে গঠিত যারা একসঙ্গে দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি এবং সাম্প্রদায়িকতার বিরোধী। কিন্তু কংগ্রেস এবং বিজেপি উভয় দলই এ ব্যাপারে ব্যর্থ হয়েছে।

রাষ্ট্রীয় নীতির আওতায়ই চলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন’

মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় নীতির আওতায়ই চলছে রোহিঙ্গাদের ওপর নানা বৈষম্য ও নিপীড়ন। মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই রাইটস এ কথা বলেছে। এ নীতির আওতায় মিয়ানমার সরকার দেশটির রোহিঙ্গা মুসলমানদের চলাচল ও সন্তান গ্রহণের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। মানবাধিকার সংস্থা বলছে, ফাঁস হয়ে যাওয়া গোপন তথ্য থেকে দেখা গেছে যে, মিয়ানমারের সরকারই আরাকানের মুসলমানদের ওপর নিপীড়নের নীতি নিয়েছে। তবে এ রিপোর্টের বিষয়ে মিয়ানমান সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখানো হয়নি। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গা মুসলমানদেরকে বিদেশি অভিবাসী বলে মনে করে, নাগরিক হিসেবে গণ্য করে না। দেশটির উগ্র বৌদ্ধরা রোহিঙ্গা মুসলামনাদেরকে কঠিনভাবে শত্রু বলে মনে করে এবং তাদের বিরুদ্ধে নানা শত্রুতামূলক তৎপরতা চালায়। মানবাধিকার সংস্থা ফোরটিফাই এক রিপোর্টে বলেছে, ১৯৯৩ সাল থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত তারা মিয়ানমার সরকারের ১২টি দলিল বিশ্লেষণ করে দেখেছে যে, “সরকার আরাকান রাজ্যের মুসলমানদের মৌলিক স্বাধীনতার ওপর নানা রকমের নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিয়ে, সন্ত্রান গ্রহণ, ঘর-বাড়ি সংস্কার এবং মসজিদ নির্মাণের স্বাধীনতা নেই। এছাড়া, এক এলাকা থেকে আরেক এলাকায় যেতে হলে সরকারের অনুমতির দরকার হয়।”
একটি রিপোর্ট বলা হয়েছে রোহিঙ্গা বিয়ের জন্য মুসলমানদেরকে সরকারের কাছে দরখাস্ত করতে হয় এবং দু’টি সন্তানের বেশি নিতে পারে না। অন্য একটি রিপোর্টে বলা হয়েছে-সরকারি কর্মকর্তাদের সন্দেহ হলে যেকোনো মা তার সন্তানকে বুকের দুধ খাইয়ে প্রমাণ দিতে বাধ্য হন। এ ধরনের নীতির কারণ হিসেবে বৌদ্ধরা বলেছে, রোহিঙ্গা মুসলমানদের পরিবার বড় হয়ে গেলে এক সময় তারা মিয়ানমারে সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পড়বে।
>>esabahmediabd.wordpress.com