Friday, October 26, 2018

মার্কিন অনুরোধে তালেবানের শীর্ষ কমান্ডারকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান

মার্কিন সরকারের অনুরোধে তালেবানের শীর্ষ কমান্ডার মোল্লা বারাদারকে মুক্তি দিয়েছে পাকিস্তান। বলা হচ্ছে- কথিত শান্তি আলোচনার ক্ষেত্রে ‘আস্থার পরিবেশ’ গড়ে তোলার জন্য এই ব্যবস্থা নিয়েছে আমেরিকা ও পাকিস্তান।
গতকাল বৃহস্পতিবার একটি সূত্র জানিয়েছে, মোল্লা বারাদার ছিলেন তালেবানের সাবেক প্রধান মোল্লা ওমরের ডান হাত। তিনি পাকিস্তানের কারাগারে আট বছর আটক ছিলেন। কাতারের রাজধানী দোহায় আমেরিকা ও তালেবানের মধ্যে অনুষ্ঠিত শান্তি আলোচনা অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হওয়ার পর মোল্লা বারাদারকে মুক্তি দেয়া হয়। দুই সপ্তাহের একটু কম সময় আগে মার্কিন প্রতিনিধি জালমে খলিলজাদ ‘শান্তি চুক্তি’র লক্ষ্য নিয়ে কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের সঙ্গে আলোচনা করেন।
তালেবান মুখপাত্র জবিউল্লাহ মুজাহিদ ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপি-কে হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজের মাধ্যমে জানিয়েছেন, “মোল্লা বারাদারকে গতকাল বিকেলে মুক্তি দেয়া হয়েছে এবং তিনি পরিবারের সঙ্গে মিলিত হয়েছেন।” তবে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বারাদারকে কয়েকদিন আগে মুক্তি দেয়া হয়।
মোল্লা বারাদারকে পুলিশ এস্কর্ট দিয়ে নিয়ে যাচ্ছে (ফাইল ফটো)

সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা

সাংবাদিক জামাল খাশোগি হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব পাস করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন-ইইউ। বৃহস্পতিবার ইউরোপীয় পালামেন্টে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞাসহ হত্যাকাণ্ডের সন্দেহভাজনদের বিরুদ্ধে আলাদা আলাদা নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব পাস হয়। উল্লেখ্য, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের পাস হওয়া প্রস্তাবের আইনগত ভিত্তি নেই। ইইউ-এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর পাস হওয়া প্রস্তাব মানার ক্ষেত্রে কোনও আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকে না।
তুর্কি বাগদত্তার সাথে বিয়ের প্রয়োজনীয় কাগজ-পত্র আনতে গত ২ অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটে প্রবেশ করার পর নিখোঁজ হন ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকার কলাম লেখক ও স্বেচ্ছা-নির্বাসিত সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। শুরুতে অস্বীকার করলেও ১৯ অক্টোবর  সৌদি জানায়, তুরস্কের ইস্তাম্বুল কসন্যুলেটে গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে খাশোগির মৃত্যু হয়। এর দুদিন পরই খাসোগিকে হত্যা করা হয়েছে বলেও স্বীকার করেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী। তবে তাদের দাবি ছিল জিজ্ঞাসাবাদের সময় উত্তেজিত খাশোগির মুখ চেপে ধরে চিৎকার থাকাতে গেলে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার এই হত্যাকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছে তারা।
খাশোগির হত্যাকাণ্ড নিয়ে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে প্রস্তাব পাসের পর দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছ, ‘সৌদি আরব থেকে দেওয়া ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হয়েছে।’  খাশোগির হত্যাকাণ্ড মূলত ‘সৌদি আরবে মানবাধিকারকর্মী, নারী অধিকারকর্মী, আইনজীবী, সাংবাদিক, লেখক ও ব্লগারদের ওপর ধারাবাহিক নিপীড়নের অংশ।’  এ ঘটনায় সৌদিবিরোধী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপের সঙ্গে সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সুনির্দিষ্ট সন্দেহভাজনদের ওপর ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা ও সম্পদ বাজেয়াপ্তকরণের মতো পৃথক পৃথক নিষেধাজ্ঞা জারি করতে ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়। ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, সুনির্দিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে এমন নিষেধাজ্ঞাই সৌদি আরবকে কঠিন বার্তা পৌঁছে দেবে। ডাচ এমপি মারিয়েতজ শ্যাকে বলেন, ‘সৌদি কর্মকর্তাদের ভ্রমণ নিষোজ্ঞা তারা প্যারিসে কেনাকাটা করতে পারবেন না, ইউরোপের ভালো বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পাঠাতে পারবে না।’
কয়েকদিন আগেই প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছিলো জার্মানি। রবিবার চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা ম্যার্কেল বলেছিলেন, ‘খাশোগির হত্যাকাণ্ডের ঘটনার পর বর্তমান পরিস্থিতিতে অস্ত্র বিক্রি সম্ভব না।’ যুক্তরাষ্ট্রের পর ব্রিটেন ও ফ্রান্সের কাছ থেকেই সবচেয়ে বেশি অস্ত্র কেনে সৌদি আরব। দুই দেশই খাশোগি হত্যাকাণ্ড নিয়ে সৌদি আরবের সমালোচনা করেছে। তবে এখনও জার্মানির মতো অস্ত্র বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেয়নি তারা।  যুক্তরাজ্যের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বিষয়ক দফতরের মতে, সৌদি আরবের কাছ গত বছর ১৪০ কোটি ডলারের অস্ত্র বিক্রি করেছে তারা। বাস্তাবে এর পরিমাণ আর বেশি হতে পারে। আর ফ্রান্স বিক্রি করছে ১৪৭০ কোটি ডলারের অস্ত্র।
ইইউর এই প্রস্তাব পাশের পর ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা দুজনই সৌদি বাদশাহর সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ভবন থেকে পাঠানো বিবৃতিতে বলা হয়, ম্যাক্রো সৌদি বাদশাহ খাশোগি হত্যার স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য চাপ দিয়েছেন। ফ্রান্স বাকস্বাধীনতা ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে।  এর আগে ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী জেরেমি হান্টও বলেছিলেন, ‘আমরা যেমন ঘটনা শুনছি তা যদি সত্য হয়ে থাকে তবে সেটা আমাদের মূল্যবোধ বিরোধী। আমরা যথাযথ ব্যবস্থা নিবো।  তবে ফ্রান্স কিংবা যুক্তরাজ্য অস্ত্র বিক্রি বন্ধের ব্যাপারে স্পষ্ট কিছু বলেনি।

'জামায়াত হারিয়ে যায় নি, পরিস্থিতি বুঝে এগুচ্ছে'

আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত প্রায় ১০ বছর ধরে বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোণঠাসা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। যুদ্ধাপরাধের বিচার, দলের নিবন্ধন বাতিলসহ নানা ইস্যুতে দলটি দৃশ্যত বিপর্যস্ত।
সরকারবিরোধী ২০ দলীয় জোটের শরিক তারা, কিন্তু প্রকাশ্য রাজনীতি কিংবা কর্মসূচীতে অনেকটাই অনুপস্থিত। এমন অবস্থায় কোন দিকে এগুচ্ছে দলটির রাজনীতি?
নিবন্ধন এবং দলীয় প্রতীক যখন নেই - তখন আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদের পরিকল্পনা কী? এ প্রশ্নে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল শফিকুর রহমান বিবিসি'কে বলেন, যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয় তাহলেই জামায়াতের ভূমিকা দৃশ্যমান হবে - তখন আর কোনো 'অদৃশ্য ভূমিকা' জামায়াতের থাকবে না"
তিনি বলছেন - "নির্বাচন কতদূর হচ্ছে সেইটা নিয়েই তো কথা। যদি বিগত সিটি কর্পোরশেন মার্কা ইলেকশন হয়, সেটাতো কোনো ইলেকশন হবে না। যদি ১৪ সাল মার্কা ইলেকশন হয়, এটাতো কোনো ইলেকশন হবে না। যদি সুষ্ঠু ইলেকশন হয়, জামায়াতের ভূমিকা আপনার দৃশ্যমান দেখতে পারবেন। কোনো অদৃশ্য ভূমিকা জামায়াতের থাকবে না"
"আমরা হারিয়ে যাই নি। সময়ের ক্যালকুলেশন করেই আমরা আগাচ্ছি।
যখন যেটা দরকার। আপনি দেখবেন প্রকাশ্য বিভিন্ন কর্মসূচীতে আমাদের নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করছেন। আমাদের নিয়মিত দলীয় কার্যক্রম আমরা চালাচ্ছি। আমাদের বক্তব্য বিবৃতি নিয়মিত আছে।"
দলীয় নিবন্ধন এবং প্রতীক না থাকায় সমস্যা হবে কিনা - এ প্রশ্নে শফিকুর রহমান বলেন, নিবন্ধন ফিরে পেতে তারা আপীল করেছেন।
"ন্যায়বিচার যদি আমরা পাই, আশা করি অবশ্যই আমরা নিবন্ধন ফিরে পাবো। নিবন্ধন যদি পাই প্রতীকও আমরা ফিরে পাবো। যদি প্রতীক এবং নিবন্ধন কোনোটাই ফিরে না পাই। তারপরেও জামায়াতে ইসলামী সক্রিয়ভাবে এবং প্রত্যক্ষভাবে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় থাকবে ইনশাআল্লাহ।"জামায়াতের এ শীর্ষস্থানীয় নেতা জানান, ২০ দলীয় জোটের সঙ্গে বোঝাপড়ার ভিত্তিতেই দলটি নির্বাচন বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে যাবে।
নিবন্ধন এবং দলীয় প্রতীক ফিরে না পেলে বিএনপির প্রতীকে তারা নির্বাচনে যাবে কি?
এ প্রশ্নে মি. রহমান বলেন, "জোটের কোনো প্রতীক নাই। বিএনপির প্রতীক হচ্ছে ধানের শীষ। একটা দল আরেকটা দলের প্রতীক নেবে কিনা সেটা আমাদের সিদ্ধান্তকারী যে বডি আছে সেখানে সিদ্ধান্ত হবে। অনেকগুলো অপশনই আমাদের সামনে আছে। নির্বাচনে গেলে এটা আমাদের জন্য কোনো সমস্যা হবে না।"
এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রণ্ট নামে গঠিত সরকারবিরোধী জোটে না থাকলেও এতে নৈতিক সমর্থন দিয়েছে জামায়াত। নির্বাচনকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে জামায়াতও একই আদলে আটদফা দাবি তুলে ধরেছে।
জামায়াত হাইকমান্ড জানাচ্ছে, আগামীতে দাবি আদায়ের আন্দোলনে রাজপথের কর্মসূচীতেও থাকার পরিকল্পনা আছে তাদের। এদিকে ডা. শফিকুর রহমান দলীয় নেতৃত্বের যে অবস্থানে আছেন জামায়াতের একই পদে নেতৃত্ব দিতেন আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ। মানবতাবিরোধী অপরাধের দলের আমীর থেকে শুরু করে শীর্ষস্থানীয় নেতাদের মৃত্যুদন্ড হওয়ার পর দলটির বর্তমান নেতৃত্ব সাধারণ মানুষের কাছে অনেকটাই অপরিচিত।
কোনো কর্মসূচী বা দাবি দাওয়া নিয়ে তাদেরকে প্রকাশ্যে দেখাও যায় না। অনেকের ধারণা জামায়াত রাজনীতিতে বেশ দুর্বল হয়ে পড়েছে।
তবে জামায়াত সেক্রেটারি জেনারেলের ভাষায়, "গণতান্ত্রিকভাবে আমাদের নেতৃত্বের প্রতিটি ইউনিট থেকে শুরু করে আমীর পর্যন্ত নির্বাচিত হন। যাদেরকে আমরা হারিয়েছি তা তো অবশ্যই জামায়াতের জন্য একটা বিরাট ক্ষতি। কিন্তু পদ্ধতির কারণেই জামায়াত ঐরকম কোনো ক্ষতির মুখে পড়ে নাই।"
এদিকে জামায়াত নেতাদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে রায়ের পর এবং ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারির নির্বাচন প্রতিহত করার আন্দোলনে রাজপথে ব্যাপক সহিংসতা হয়।
একদিকে সাজাপ্রাপ্ত নেতাদের যেমন জামায়াত নির্দোষ মনে করে অন্যদিকে সহিসংতায় সম্পৃক্ততার অভিযোগও অস্বীকার করে দলটি।
কিন্তু বাংলাদেশের একটা বড় অংশই মনে করে পেট্রোল বোমা সহিংসতার দায় এড়ানোর সুযোগ জামায়াতের নেই। এ ব্যাপারে ডা. শফিকুর রহমান বলছেন, "কে করেছে? সেটা নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। আমরা এটাকে ঘৃণা করি। যেকোনো ভায়োলেন্সকে। যদি আমাদের কারো ব্যাপারে সেরকম কিছু আসে। দল তার কোনো দায়িত্ব নেবে না। আমরা এ ধরনের কোনো ইনস্ট্রাকশন কোনো সিদ্ধান্ত কাউকে দেইনি। অবশ্যই প্রচলিত আইনে তার বিচার হবে আমাদের কোনো আপত্তি নেই।"
ভবিষ্যৎ কর্মসূচী সহিংসতার আশঙ্কার নিয়ে প্রশ্নে মি. রহমান বলেন, "কোনো ন্যায্য দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজন হলে তো আমরা অবশ্যই রাজনৈতিক কর্মসূচী বাস্তবায়ন করবো। কিন্তু আমাদের কর্মসূচীর পদ্ধতি হচ্ছে নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক এবং শান্তিপূর্ণ।" কিন্তু সরকারি তরফ থেকে সেটা রাজনৈতিক বা প্রশাসনিক যদি আমাদের অধিকারের ওপরে আঘাত দেয়া হয় তাহলে আত্মরক্ষার চেষ্টাতো সবারই করার অধিকার সেটাতো করবেই। কিন্তু আমরা নিজের থেকে কোনো ভায়োলেন্সে যাব না।"
পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে জামায়াতের নেতৃত্ব কী রকম রাজনৈতিক ভিশন নিয়ে আগাচ্ছে এ প্রশ্নে মি. রহমান বলেন, "আমরা এখনই জামায়াতে ইসলামীকে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা নেয়ার স্বপ্ন দেখি না। কিন্তু নির্যাতিত মানবতা মুক্তি পাক - সেই স্বপ্ন আমরা দেখি।"
"আপনি বলবেন, দল ক্ষমতায় না গেলে সেটা কিভাবে হবে? সেটা দল এককভাবে হতে পারে, জোটের রাজনীতির ভিত্তিতে হতে পারে। এমনকি আওয়ামী লীগও যদি তার আদর্শ হিসেবে কোরান সুন্নাহকে ইসলামের কল্যাণকর দিককে গ্রহণ করে। আমরাতো তাদের প্রতিপক্ষ হবো না।"
"অবশ্যই ক্ষমতার আমাদের ভিশন আছে। কিন্তু সেটা আমরা মনে করি যে অর্জন করার জন্য বেশকিছু প্রস্তুতির প্রয়োজন আছে। সেই প্রস্তুতিতেই আমরা আছি।
তিনি বলেন, "আপনি জানতে চাইছেন যে আমাদের টাইমলাইন সামনে আছে কিনা। আছে। সিকি শতাব্দীর ভিতরেই এখানে (বাংলাদেশে) বড় ধরনের একটা পরিবর্তন হবে ইনশাআল্লাহ। এতসময় নাও লাগতে পারে"।
সূত্রঃ বিবিসি

গভীর সমুদ্রতলে প্রাচীনতম জাহাজের সন্ধান

প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে ডুবে যাওয়া প্রাচীন গ্রীসের একটি বাণিজ্যিক জাহাজ সাগরতল থেকে খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। বুলগেরিয়ার উপকূলে কৃষ্ণ সাগরের তলদেশে এটির সন্ধান পাওয়া গেছে। গবেষকদের দাবি এটিই সন্ধান পাওয়া পৃথিবীর সব থেকে প্রাচীন জাহাজ। আল জাজিরার খবরে বলা হয়, খ্রিষ্টপূর্ব ৪০০ অব্দে কৃষ্ণসাগর যখন গ্রীক নাবিকদের সব থেকে ব্যবহৃত বাণিজ্যপথ ছিল এই জাহাজটি সে সময়কার। বৃটেন, বুলগেরিয়া, সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র ও গ্রীক বিজ্ঞানী ও গবেষকদের নিয়ে তৈরি এ অনুসন্ধানী দলটি সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২ কিলোমিটার গভীরে জাহাজটিকে খুঁজে পায়। তাদের দাবি, নতুন খুঁজে পাওয়া এই বাণিজ্য জাহাজটি প্রাচীন পৃথিবীর মানুষদের জাহাজ নির্মাণ স¤পর্কে আমাদের ধারণা বদলে দেবে।

এশিয়া টাইমসের চোখে ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ

এশিয়া টাইমস বাংলাদেশের নবগঠিত বিরোধী দলীয় মোর্চা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ভবিষ্যৎ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। গত ২২শে অক্টোবর পত্রিকাটি “বাংলাদেশে নির্বাচনের  আগে কৌতূহলী রাজনৈতিক মেলবন্ধন” শীর্ষক একটি বিশ্লেষণধর্মী রিপোর্ট প্রকাশ করলো। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের সেক্যুলার আইকন জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নেতা  কামাল হোসেন আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত আইনবিদ। স্বদেশে তিনি ?‘ড. কামাল’ হিসেবে স্বনামধন্য।
একজন মানবাধিকার রক্ষাকর্মী হিসেবে নন্দিত। বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা শেখ মুজিবুর রহমানের মন্ত্রিসভায় তিনি আইনমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের পর প্রথম ধর্মনিরপেক্ষ সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন তিনিই। ড. কামাল তাঁর ৫০ বছরের বেশি বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক ক্যারিয়ারে কখনো ডানপন্থি দলের সঙ্গে জোট বাঁধেননি।
পত্রিকাটির মতে, এই প্রথম বাংলাদেশের দুই বৃহত্তম দলের মধ্যে ?‘মধ্য ডান’ হিসেবে পরিচিত বিএনপির সঙ্গে ড. কামাল হোসেন গাঁটছড়া  বাঁধলেন।
বিএনপি বলেছে, তিনিই তাদের নেতা। ঐক্যফ্রন্টের সঙ্গে কতিপয় বাম দল রয়েছে।  
এশিয়া টাইমসের সঙ্গে কথা বলার সময়, বাংলাদেশি রাজনৈতিক বিশ্লেষক জিয়া হাসান বলেন, ড. কামাল দেশের প্রতিটি পরিবারের কাছে একটি পরিচিত হিসেবে উচ্চারিত নাম হতে পারেন। তবে শিক্ষিত ও আলোকিত মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে তিনি সম্মানিত।
“যদিও শেখ হাসিনাকে ভারতে তার নির্বাসন থেকে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব তাঁরই এবং সত্তরের দশকের শেষের দিকে আওয়ামী লীগ যখন বিপদে পড়েছিল, তখন আওয়ামী  লীগের জাহাজকে টেনে তুলতে তাঁর কৃতিত্ব স্বীকৃত ছিল, তবে শেষ পর্যন্ত এ দু’জনের পথ পৃথক হয়ে যায়।”
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের বিশিষ্ট অধ্যাপক আলী রীয়াজ এশিয়া টাইমসকে বলেন, যদিও শুরুতে কিছুটা দ্বিধা ছিল, তবে নতুন জোট নির্বাচনের শেষ পর্যন্ত টিকতে পারে। “এর কারণ এই জোটের সদস্যরা উল্লেখযোগ্যভাবে হারবে, যদি তারা জোটে টিকে থাকতে ব্যর্থ হয়। সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে বলা যায়, তারা একত্রে টিকে থাকা ছাড়া তাদের সামনে আর সামান্য বিকল্পই অবশিষ্ট আছে।”
ড. আলী রীয়াজ মনে করেন, নতুন জোট কিভাবে সফল হবে সেই বিষয়ে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো: “বিএনপি ঐক্যফ্রন্টভুক্ত অংশীদারদের ধারণ করার জন্য নিজকে কতটুকু প্রস্তুত রেখেছে?”

গুজরাটের দাঙ্গা নিয়ে সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেলের বিস্ফোরক মন্তব্য: ২৪ ঘন্টা আগে সেনা নামালে, বাঁচত হাজারো মানুষ

২০০২ সালে ভারতের গুজরাটে বসবাসরত হিন্দু এবং মুসলিমদের মাঝে সংগঠিত হয় ভয়াবহ দাঙ্গা। যেখানে দুই হাজারের বেশি মানুষ প্রাণ হারান। সেসময় গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে ছিলেন ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
তবে সে দাঙ্গায় এতো মানুষের প্রাণ হারাতে হতো না , যদি নরেন্দ্র মোদী তখন এক দিন আগেই সেনাবাহিনী নামানোর সিদ্ধান্ত নিতেন। ২৪ ঘন্টা সময় বাঁচিয়ে দিতে পারতো হাজারো মানুষের জীবনকে।
সম্প্রতি ‘দ্য সরকারি মুসলমান’ বইয়ের প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এমন অভিযোগ করেছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক সাবেক লেফটেন্যান্ট জেনারেল।
২০০২ সালে গুজরাটে দাঙ্গা মোকাবেলায় মোতায়েন করা সেনাদের নেতৃত্বে ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর সাবেক উপপ্রধান জমিরউদ্দিন শাহ। ভয়ংকর সেই স্মৃতিকে উপজীব্য করে রচনা হয়েছে ‘দ্য সরকারি মুসলমান’ বইটি। সদ্য প্রকাশিত এই বইটিতে দাঙ্গা ঠেকাতে রাজ্য সরকারের ভূমিকার কড়া সমালোচনা করা হয়।
প্রকাশনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ভারতের সাবেক উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারি, দাঙ্গার প্রক্কালে রাজনৈতিক নেতৃত্বের নির্জীব ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন।
প্রকাশের পর থেকেই বইটি দেশজুড়ে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। স্বাধীন ভারতের ইতিহাসে এমন কলঙ্কজনক ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সে সময় রাজ্যে মোতায়েন করা সেনাবাহিনীর ডিভিশন কমান্ডার জমিরউদ্দিন শাহ।
বইটিতে জেনারেল বলেছেন, দাঙ্গাবিধ্বস্ত গুজরাটে তাদের বাহিনী পৌঁছালেও কীভাবে তাদেরকে অ্যাকশনে না পাঠিয়ে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।

ফুরিয়ে গেছে গাঁজার স্টক, হাহাকার

কানাডাতে গাঁজা বৈধ হয়েছে। ১৭ অক্টোবর বৈধ ঘোষণার পর সেখানে উৎসব চলছে। কিন্তু কিছু দিনের মধ্যেই গাঁজার স্টক ফুরিয়ে গেছে।   মানুষ হন্য হয়ে এক দোকান থেকে অন্য দোকানে গাঁজা খুঁজছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, গাঁজার যে এত চাহিদা থাকবে তা তারা বুঝতে পারেনি। গাঁজা বৈধ হবার পর পরিবারের সবাই মিলে গাঁজা কিনছে। দোকানীরা জানিয়েছেন, অল্প কয়েকদিনের মধ্যে এই অভাব আর থাকবে না। গাঁজা বিক্রির ব্যাপারটি দেখভাল করছে কানাডার পর্যটন বিভাগ। কানাডার বড় বড় শহর আমেরিকার দেড়’শো  থেকে দুইশত কিলোমিটারের মাঝে অবস্থিত হওয়ার ফলে আমিরিকা থেকে প্রচুর মানুষ গাঁজা কিনছে।
এতদিন কানাডাতে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশনে গাঁজা বিক্রি হলেও ১৭ অক্টোবরের পর সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হয়। কানাডিয়ানদের কাছে গাঁজা থাকবে "লাইফ স্টাইল" হিসাবে । গাঁজা বৈধ করার ব্যাপারে গাঁজা প্রেমীরা দীর্ঘদিন আন্দোলন করে আসছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো নির্বাচনের আগে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি বিজয়ী হলে কানাডাতে গাঁজা বৈধ করবেন। গাঁজা বৈধ হবার মাঝে প্রধানমন্ত্রীর একটি নির্বাচনী ওয়াদা ও পুরন হলো।
কানাডাতে গাঁজা নিষদ্ধ থাকলেও অবৈধ পথে এতোদিন গাঁজা বিক্রি হতো। মেক্সিকো সহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকে গাঁজা আসতো। মূলতঃঅবৈধ গাঁজা বিক্রি হবার ফলে সরকার প্রতি বছর কয়েক বিলিয়ন ডলার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হতো। গাঁজা বৈধ হবার ফলে সকরকার বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার রাজস্ব আয় করবে প্রতিবছর।
কানাডা আপাততঃ কোন দেশ থেকে গাঁজা আমদানি করবে না। কানাডার বাজারে তাদের নিজস্ব উৎপাদিত গাঁজা বিক্রি করবে। কানাডার প্রধান গাঁজা উৎপাদনকারী প্রদেশ হচ্ছে ব্রিটিশ কলোম্বিয়া , অন্টারিও, তাছাড়া ইতিমধ্যে বিভিন্নপ্রদেশে গাঁজা উৎপাদন শুরু হয়েছে।
ইতিমধ্যে কানাডার বড় বড়  শহরে গাঁজার দোকানের সাজ - সজ্জার পাশাপাশি কর্মীদের প্রশিক্ষন চলছে পুরাদমে। সকল কর্মীকে গাঁজা নিয়ে কাজ শুরু করার সরকারের অধীনে একটি পরীক্ষা দিয়ে সনদ গ্রহণ বাধ্যতামুলক করা হয়েছে। ওই সনদ ছাড়া কেউ গাঁজার দোকানে কাজ করতে পারবে না।
একজন ক্রেতা একদিনে ৩০ গ্রামের বেশি গাঁজা ক্রয় করতে পারবে না। গাঁজা বৈধ হলেও  দাম ধরা হয়েছে অনেক। ১ গ্রাম গাঁজা বিক্রি হবে ৯ থেকে ১০ কানাডিয়ান ডলার। গাঁজার এই উচ্চ দাম সাধারন মানুষ চরম হতাশা প্রকাশ করেছে।

প্রত্যাবাসন রোহিঙ্গাদের আবারো গণহত্যার দিকে ঠেলে দিবে - নিরাপত্তা পরিষদে ব্রিফিং

জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার পরিষদের মিয়ানমার সংক্রান্ত স্বাধীন তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রধান মারজুকি দারুসমান বলেছেন, রাখাইনে অবশিষ্ট রোহিঙ্গারা খুবই ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। এ অবস্থায় বাংলাদেশ থেকে প্রত্যাবাসন রোহিঙ্গাদের মানবেতর জীবন ও আবারো গণহত্যার দিকে ঠেলে দিবে।
তিনি বলেন, কোনো দেশের সার্বভৌমত্ব মানবতাবিরোধী অপরাধ বা গণহত্যার লাইসেন্স হতে পারে না। রোহিঙ্গাসহ মিয়ানমারের মানুষ এবং সারা বিশ্ব এ ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের পদক্ষেপের দিকে চেয়ে আছে।
মিয়ানমার পরিস্থিতির ওপর গতকাল নিউ ইয়র্কে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদে দেয়া ব্রিফিংয়ে মারজুকি দারুসমান এ সব কথা বলেন। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, কুয়েত, নেদারল্যান্ডস, পেরু, আইভরিকোস্ট, পোলান্ড ও সুইডেনের অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদের অক্টোবর মাসের সভাপতি বলিভিয়া এ সভার আহ্বান করে। দারুসমান ২০১১ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন, কাচিন ও শান প্রদেশে সংঘটিত সহিংসতার তথ্য-প্রমান নিয়ে তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদন পরিষদে সংক্ষিপ্তভাবে তুলে ধরেন।
মিয়ানমারের জোরালো সমর্থক হিসাবে পরিচিত চীন ও রাশিয়া নিরাপত্তা পরিষদে তথ্যানুসন্ধান মিশনের ব্রিফিং আটকানোর চেষ্টা করেছিল। পরে পরিষদের ১৫ সদস্য রাষ্ট্রের ভোটাভুটিতে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয়। যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ৯টি দেশ ব্রিফিংয়ের পক্ষে এবং চীন, রাশিয়া ও বলিভিয়া বিপক্ষে ভোট দেয়। ইথোপিয়া, গায়না ও কাজাখাস্তান ভোট দেয়া থেকে বিরত ছিল। ব্রিফিং শেষে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য রাষ্ট্র ছাড়াও বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বক্তব্য রাখে।
জাতিসঙ্ঘে ব্রিটেনের রাষ্ট্রদূত কারিন প্রিস বলেন, ১২ বছর আগে মিয়ানমারের মত অপরাধ রুয়ান্ডা ও সার্বিয়ায় ঘটেছিল। রুয়ান্ডা ও সার্বিয়ার ঘটনায় নিরাপত্তা পরিষদ পদক্ষেপ নিয়েছিল। বিলম্বিত এ পদক্ষেপ আমাদের লজ্জায় ফেললেও শেষ পর্যন্ত জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা গিয়েছিল। তিনি বলেন, মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বিচারহীনতার সংস্কৃতির অবসান ঘটিয়ে তাদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার জন্য ব্রিটেন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবে।
প্রসঙ্গত, নিরাপত্তা পরিষদে মিয়ানমার বিষয়ক কর্মকান্ডের সমন্বয় করছে ব্রিটেন।
জাতিসঙ্ঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন বলেন, যত দ্রুত সম্ভব রোহিঙ্গাদের নিজভূমে প্রত্যাবাসন বাংলাদেশের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। এ জন্য তথ্যানুসন্ধান মিশনের প্রতিবেদন অনুযায়ী অপরাধের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচারের উদ্যোগ নিয়ে রোহিঙ্গাদের আস্থা অর্জন করতে হবে।
জাতিসঙ্ঘে মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূত বলেন, যথেষ্ঠ তথ্য-প্রমান থাকলে আমরা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনতে ইচ্ছুক এবং সেই সক্ষমতা আমাদের রয়েছে।
চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, কোনো নির্দিষ্ট দেশের মানবাধিকার পরিস্থিতির ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের জড়িত হওয়া উচিত না। পরিষদে তথ্যানুসন্ধান মিশনের ব্রিফিং সমস্যা সমাধানের পরিবর্তে জটিল করে তুলতে পারে।
তথ্যানুসন্ধান মিশনের ব্রিফিং আয়োজনে সমর্থনকারী দেশগুলো মিয়ানমার ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ঐক্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত।
তথ্যানুসন্ধান মিশনের ব্রিফিং আয়োজনে সমর্থনকারী দেশগুলো মিয়ানমার ইস্যুতে নিরাপত্তা পরিষদের ঐক্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধ্বংস করছে বলে অভিযোগ করেন রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত।