Showing posts with label রাজীব আহমেদ. Show all posts
Showing posts with label রাজীব আহমেদ. Show all posts
Friday, October 4, 2019
যমুনার তীরে দুধের গ্রাম by রাজীব আহমেদ

অঙ্কটা
খুব সহজ। একটি গাভি দিনে ২০ লিটার দুধ দেয়। এর মধ্যে ১২ লিটার দুধের দামের
সমপরিমাণ অর্থ গাভিটির পেছনে খরচ। লাভ ৮ লিটার, যার দাম প্রায় ৩০০ টাকা।
এমন ৪টি গাভি পালন করতে পারলে সংসারের খরচ উঠে যায়। বছর শেষে ৪টি বাছুর
বিক্রি করে পাওয়া যায় প্রায় আড়াই লাখ টাকা।
হিসাবটি দিলেন রাজু আহমেদ, যিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের স্নাতকোত্তরের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সাতটি গরুর একটি খামার পরিচালনা করেন। এর মধ্যে তিনটি গাভি দুধ দেয়। প্রতি সপ্তাহে দুধ বিক্রি করে রাজু আহমেদের মোট আয় ১৬ হাজার টাকা। বিপরীতে খরচ হয় ৭-৮ হাজার টাকা।
রাজু আহমেদের গ্রামের নাম জামিরতা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয়রা জানান, গ্রামের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। একটি সরু পাকা রাস্তা গ্রামটিকে উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। গ্রামটিকে বাংলাদেশের অন্য সব গাম থেকে আলাদা করেছে গরু পালন। জামিরতার প্রায় সব বাড়িতেই কমবেশি গরু পালন করা হয়। দুধ কিনে নেয় প্রাণসহ বিভিন্ন কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান।
জামিরতায় রাজুদের বাড়ির সামনেই প্রাণের দুধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ কেন্দ্র। প্রতিদিন সকাল ও বিকেল সেখানে দুধ সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই দুধ নেওয়া হয় শাহজাদপুরে প্রাণের ডেইরি কমপ্লেক্সে। সেখানে কিছু দুধ প্রক্রিয়া করা হয়। বাকিটা চলে যায় নরসিংদীতে প্রাণের কারখানায়। সেখানে তৈরি হয় প্রাণের ইউএইচটি ও পাস্তুরিত তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, ঘি, মাখন, পনির, লাচ্ছি, দই, মাঠা, লাবাং ও বিভিন্ন স্বাদযুক্ত বা ফ্লেভার্ড মিল্ক।
শাহজাদপুর ছাড়া পাবনার চাটমোহর, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি এবং রংপুরে প্রাণের মোট পাঁচটি ডেইরি হাব বা কেন্দ্র রয়েছে। প্রায় ১২ হাজার চুক্তিভিত্তিক খামারি প্রাণের জন্য দুধ উৎপাদন করে। প্রাণ জানিয়েছে, ২০০১ সাল থেকে তারা হাব প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু করে। ২০২৫ সাল নাগাদ তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আরও ৫টি হাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে।
প্রাণের কর্মকর্তা ও খামারিরা জানান, ননির মাত্রাভেদে প্রতি লিটার দুধের দাম ধরা হয় ৩৬ থেকে ৪১ টাকা। আট ধরনের পরীক্ষার পর দুধগুলো সংগ্রহ করা হয়। খামার করার ক্ষেত্রে পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেয় প্রাণ। জাত উন্নয়নে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিমেন বা বীর্য এনে বাছাই করা গরুর প্রজনন করার ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি খামার সম্প্রসারণের জন্য সোনালী, কর্মসংস্থান ও আইএফআইসি ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা হয় প্রাণের পক্ষ থেকে।
প্রাণের ডেইরি সম্প্রসারণের প্রধান কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘উন্নত জাতের গাভি পালন করতে পারলে খামারিরা লাভবান বেশি হন। খামারিদের গাভিগুলোকে এখন উন্নত জাতের কৃত্রিম প্রজননের ব্যবস্থা করা দরকার। কিন্তু আমরা উন্নত জাত আমদানির অনুমতি পাচ্ছি না।’
শাহজাদপুরে দুধকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কেউ দুধ পরিবহন করেন। কেউ গোবর কিনে সার তৈরি করেন। কেউ ঘুঁটে বিক্রি করেন। কেউ আবার ঘাস চাষ করে বিক্রি করেন।
স্থানীয় খামার মালিক সানোয়ার হোসেন বলেন, একসময় এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের বড় উৎস ছিল তাঁত। এখন গরু পালন আয়ের পথ দেখাচ্ছে।
হিসাবটি দিলেন রাজু আহমেদ, যিনি পাবনা এডওয়ার্ড কলেজের স্নাতকোত্তরের ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি সাতটি গরুর একটি খামার পরিচালনা করেন। এর মধ্যে তিনটি গাভি দুধ দেয়। প্রতি সপ্তাহে দুধ বিক্রি করে রাজু আহমেদের মোট আয় ১৬ হাজার টাকা। বিপরীতে খরচ হয় ৭-৮ হাজার টাকা।
রাজু আহমেদের গ্রামের নাম জামিরতা। সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর বাসস্ট্যান্ড থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে। স্থানীয়রা জানান, গ্রামের এক পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। একটি সরু পাকা রাস্তা গ্রামটিকে উপজেলা সদরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। গ্রামটিকে বাংলাদেশের অন্য সব গাম থেকে আলাদা করেছে গরু পালন। জামিরতার প্রায় সব বাড়িতেই কমবেশি গরু পালন করা হয়। দুধ কিনে নেয় প্রাণসহ বিভিন্ন কৃষি প্রক্রিয়াকরণ শিল্পপ্রতিষ্ঠান।
জামিরতায় রাজুদের বাড়ির সামনেই প্রাণের দুধ সংগ্রহ ও শীতলীকরণ কেন্দ্র। প্রতিদিন সকাল ও বিকেল সেখানে দুধ সংগ্রহ করা হয়। এরপর সেই দুধ নেওয়া হয় শাহজাদপুরে প্রাণের ডেইরি কমপ্লেক্সে। সেখানে কিছু দুধ প্রক্রিয়া করা হয়। বাকিটা চলে যায় নরসিংদীতে প্রাণের কারখানায়। সেখানে তৈরি হয় প্রাণের ইউএইচটি ও পাস্তুরিত তরল দুধ, গুঁড়া দুধ, ঘি, মাখন, পনির, লাচ্ছি, দই, মাঠা, লাবাং ও বিভিন্ন স্বাদযুক্ত বা ফ্লেভার্ড মিল্ক।
শাহজাদপুর ছাড়া পাবনার চাটমোহর, নাটোরের গুরুদাসপুর, সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ি এবং রংপুরে প্রাণের মোট পাঁচটি ডেইরি হাব বা কেন্দ্র রয়েছে। প্রায় ১২ হাজার চুক্তিভিত্তিক খামারি প্রাণের জন্য দুধ উৎপাদন করে। প্রাণ জানিয়েছে, ২০০১ সাল থেকে তারা হাব প্রতিষ্ঠার কার্যক্রম শুরু করে। ২০২৫ সাল নাগাদ তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে আরও ৫টি হাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করছে।
প্রাণের কর্মকর্তা ও খামারিরা জানান, ননির মাত্রাভেদে প্রতি লিটার দুধের দাম ধরা হয় ৩৬ থেকে ৪১ টাকা। আট ধরনের পরীক্ষার পর দুধগুলো সংগ্রহ করা হয়। খামার করার ক্ষেত্রে পরামর্শ ও চিকিৎসাসেবা দেয় প্রাণ। জাত উন্নয়নে তারা যুক্তরাষ্ট্র থেকে সিমেন বা বীর্য এনে বাছাই করা গরুর প্রজনন করার ব্যবস্থা করে। পাশাপাশি খামার সম্প্রসারণের জন্য সোনালী, কর্মসংস্থান ও আইএফআইসি ব্যাংক থেকে স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থাও করা হয় প্রাণের পক্ষ থেকে।
প্রাণের ডেইরি সম্প্রসারণের প্রধান কর্মকর্তা রাকিবুর রহমান বলেন, ‘উন্নত জাতের গাভি পালন করতে পারলে খামারিরা লাভবান বেশি হন। খামারিদের গাভিগুলোকে এখন উন্নত জাতের কৃত্রিম প্রজননের ব্যবস্থা করা দরকার। কিন্তু আমরা উন্নত জাত আমদানির অনুমতি পাচ্ছি না।’
শাহজাদপুরে দুধকে কেন্দ্র করে নানা ধরনের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরি হয়েছে। কেউ দুধ পরিবহন করেন। কেউ গোবর কিনে সার তৈরি করেন। কেউ ঘুঁটে বিক্রি করেন। কেউ আবার ঘাস চাষ করে বিক্রি করেন।
স্থানীয় খামার মালিক সানোয়ার হোসেন বলেন, একসময় এ অঞ্চলে কর্মসংস্থানের বড় উৎস ছিল তাঁত। এখন গরু পালন আয়ের পথ দেখাচ্ছে।
Thursday, August 22, 2019
বাংলাদেশ এখন রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে দ্বিতীয় by রাজীব আহমেদ

বিশ্বে
যে কয়েকটি দেশের রপ্তানি আয় খুব দ্রুত বাড়ছে, তার মধ্যে বাংলাদেশ একটি। গড়
হিসাবে এক দশক ধরে দেশের রপ্তানি আয়ে দুই অঙ্কের প্রবৃদ্ধি হচ্ছে।
অগ্রসরমাণ অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের অবস্থান
দ্বিতীয়, ওপরে আছে কেবল ভিয়েতনাম। বিশ্ববাণিজ্যের এ চিত্র উঠে এসেছে বিশ্ব
বাণিজ্য সংস্থার ‘ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ-২০১৯’ শীর্ষক
প্রতিবেদনে। এটি গত সপ্তাহে প্রকাশ করা হয়। সব মিলিয়ে বিশ্ববাণিজ্যে
বাংলাদেশ এখন ৪২ তম বড় রপ্তানিকারক দেশ, অন্যদিকে আমদানিতে বাংলাদেশের
অবস্থান ৩০তম।
রপ্তানিতে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রার অগ্রভাগে পোশাক খাত। একটু পেছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, বৈশ্বিক পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০০০ সালে পোশাক বাজারে এ দেশের হিস্যা ছিল আড়াই শতাংশের কিছু বেশি। এটা গেল বছর সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এতে পোশাক রপ্তানিতে একক দেশ হিসেবে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
অবশ্য এত সুখবরের মধ্যে কপালে ভাঁজ ফেলার মতো খবরও আছে। বাংলাদেশের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ভিয়েতনাম। ২০১৮ সালে বৈশ্বিক পোশাক বাজারে ভিয়েতনামের হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। বাংলাদেশ একটু ওপরে আছে। কিন্তু ২০১৮ সালে বাংলাদেশের হিস্যা যেখানে কিছুটা কমেছে, সেখানে ভিয়েতনাম বেশ এগিয়েছে। ২০১৮ সালে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির হার ছিল ১৩ শতাংশ, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ছিল ১১ শতাংশ। দুই দেশেরই রপ্তানি আয় ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের মতো।
রপ্তানিতে বাংলাদেশের এই অগ্রযাত্রার অগ্রভাগে পোশাক খাত। একটু পেছনের দিকে তাকালে দেখা যায়, বৈশ্বিক পোশাকের বাজারে বাংলাদেশের হিস্যা দ্বিগুণের বেশি হয়েছে। ২০০০ সালে পোশাক বাজারে এ দেশের হিস্যা ছিল আড়াই শতাংশের কিছু বেশি। এটা গেল বছর সাড়ে ৬ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। এতে পোশাক রপ্তানিতে একক দেশ হিসেবে বিশ্বে দ্বিতীয় অবস্থান ধরে রেখেছে বাংলাদেশ।
অবশ্য এত সুখবরের মধ্যে কপালে ভাঁজ ফেলার মতো খবরও আছে। বাংলাদেশের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে ভিয়েতনাম। ২০১৮ সালে বৈশ্বিক পোশাক বাজারে ভিয়েতনামের হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ২ শতাংশ। বাংলাদেশ একটু ওপরে আছে। কিন্তু ২০১৮ সালে বাংলাদেশের হিস্যা যেখানে কিছুটা কমেছে, সেখানে ভিয়েতনাম বেশ এগিয়েছে। ২০১৮ সালে ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি বৃদ্ধির হার ছিল ১৩ শতাংশ, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে তা ছিল ১১ শতাংশ। দুই দেশেরই রপ্তানি আয় ৩ হাজার ২০০ কোটি ডলারের মতো।
- ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিক্যাল রিভিউ-২০১৯ শীর্ষক প্রতিবেদন।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিবেদনটি গত সপ্তাহে প্রকাশ করা হয়।
- বিশ্ববাণিজ্যে বাংলাদেশ এখন ৪২তম বড় রপ্তানিকারক দেশ।
- রপ্তানিতে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার অগ্রভাগে পোশাক খাত।
বাংলাদেশের
ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধির পেছনের কারণ জানতে চাইলে পোশাক রপ্তানিকারকদের সংগঠন
বিজিএমইএর সহসভাপতি ও শীর্ষস্থানীয় রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জায়ান্ট
গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফারুক হাসান তিনটি কারণ উল্লেখ করেন।
প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘পোশাকের নতুন বাজার খোঁজা ও নতুন নতুন পোশাক পণ্য
উৎপাদনে আমরা নিয়মিত প্রচেষ্টা চালিয়েছি, এখনো চলছে। আরেকটি দিক হলো
যন্ত্রপাতি ও উৎপাদন প্রক্রিয়া উন্নত করতে অব্যাহত বিনিয়োগ।’ ফারুক হাসানের
মতে, তৃতীয় কারণটি হলো পোশাক খাতে নিরাপদ কর্মপরিবেশ তৈরি। তিনি বলেন, সব
মিলিয়ে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করতে কারখানার মালিকেরা সফল হয়েছেন।
চীনা হিস্যা ভিয়েতনামে
বৈশ্বিক পোশাক বাজারে চীনের হিস্যা কমছে। ২০১৭ সালের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ কমে ২০১৮ সালে চীনের হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ শতাংশের বেশি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের হিস্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে ভিয়েতনামের। তাহলে চীনা ব্যবসা কি ভিয়েতনামেই বেশি যাচ্ছে?
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চীনা ব্যবসা আমরা পাচ্ছি না। ভিয়েতনাম অনেক বেশি পাচ্ছে। এর কারণ শুল্ক সুবিধা ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশের অবকাঠামো এখনো ভালো নয়।’ তিনি বলেন, কম্বোডিয়ার মতো দেশে প্রস্তুত জমি পাওয়া যায়। গ্যাস-বিদ্যুৎ সহজেই মেলে। বাংলাদেশের মতো তারা বলবে না যে এখন টাকা দাও, কয়েক বছর পরে জমি পাবে।
ভিয়েতনাম এত ভালো কীভাবে করছে, আরেকটি ব্যাখ্যা দেন ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম কৃত্রিম তন্তুর পোশাক বেশি রপ্তানি করে, যার দাম বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশও নয়।
আর কেউ পারেনি
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবশ্য রপ্তানি খাতের হিস্যা এখনো কম। ডব্লিউটিওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের জিডিপিতে পণ্য ও সেবা রপ্তানি খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশে। স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে অ্যাঙ্গোলা (৩৮.৬ %), কম্বোডিয়া (৭৪ %) ও মিয়ানমারের (২৪.৫ %) হার আরও বেশি।
এদিকে পোশাক খাত ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো খাত রপ্তানিতে তেমন এগোতে পারেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৫৪ কোটি ডলার। এর মধ্যে পোশাক খাতের হিস্যা ৮৪ শতাংশ। এটি বছর বছর বাড়ছে। অন্যদিকে চামড়া, হোম টেক্সটাইল, পাট, চিংড়ি ইত্যাদি খাত একটি গণ্ডির মধ্যে আটকে গেছে।
এগুলোকে একটি ‘হতাশাজনক চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, মোদ্দা কথা হলো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিদেশিরা পুঁজি, বাজার ও প্রযুক্তি নিয়ে আসবে। যেটা ভিয়েতনামে, ফিলিপাইনে হয়েছে। এ দেশে বিদেশি বিনিয়োগ যেটুকু আসছে, তার বেশির ভাগটাই জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি খাতে। উল্লেখ করে তিনি বলেন, পোশাক খাতেও বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। বিজিএমইএ তো সেটা চায় না।
পোশাক খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহ না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘পোশাক খাতের সংযোগ শিল্পে (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) বিদেশি বিনিয়োগ এলে আমরা খুব খুশি হব। সেটা আমাদের খুব দরকার। কারণ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর পোশাক রপ্তানিতে দেশীয় কাপড় ব্যবহার না করলে বাণিজ্য সুবিধা মিলবে না।’ তিনি মনে করেন, পোশাক খাতে যেসব ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা সক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেখানে বিদেশি বিনিয়োগের দরকার নেই।
চীনা হিস্যা ভিয়েতনামে
বৈশ্বিক পোশাক বাজারে চীনের হিস্যা কমছে। ২০১৭ সালের তুলনায় সাড়ে ৩ শতাংশ কমে ২০১৮ সালে চীনের হিস্যা দাঁড়িয়েছে ৩১ শতাংশের বেশি। ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও বাংলাদেশের হিস্যাও কিছুটা কমেছে। বেড়েছে ভিয়েতনামের। তাহলে চীনা ব্যবসা কি ভিয়েতনামেই বেশি যাচ্ছে?
বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, ‘এখন পর্যন্ত চীনা ব্যবসা আমরা পাচ্ছি না। ভিয়েতনাম অনেক বেশি পাচ্ছে। এর কারণ শুল্ক সুবিধা ও সংস্কৃতি। বাংলাদেশের অবকাঠামো এখনো ভালো নয়।’ তিনি বলেন, কম্বোডিয়ার মতো দেশে প্রস্তুত জমি পাওয়া যায়। গ্যাস-বিদ্যুৎ সহজেই মেলে। বাংলাদেশের মতো তারা বলবে না যে এখন টাকা দাও, কয়েক বছর পরে জমি পাবে।
ভিয়েতনাম এত ভালো কীভাবে করছে, আরেকটি ব্যাখ্যা দেন ফারুক হাসান। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম কৃত্রিম তন্তুর পোশাক বেশি রপ্তানি করে, যার দাম বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে বাংলাদেশ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত দেশও নয়।
আর কেউ পারেনি
বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অবশ্য রপ্তানি খাতের হিস্যা এখনো কম। ডব্লিউটিওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশের জিডিপিতে পণ্য ও সেবা রপ্তানি খাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশে। স্বল্পোন্নত দেশের মধ্যে অ্যাঙ্গোলা (৩৮.৬ %), কম্বোডিয়া (৭৪ %) ও মিয়ানমারের (২৪.৫ %) হার আরও বেশি।
এদিকে পোশাক খাত ছাড়া বাংলাদেশের আর কোনো খাত রপ্তানিতে তেমন এগোতে পারেনি। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৪ হাজার ৫৪ কোটি ডলার। এর মধ্যে পোশাক খাতের হিস্যা ৮৪ শতাংশ। এটি বছর বছর বাড়ছে। অন্যদিকে চামড়া, হোম টেক্সটাইল, পাট, চিংড়ি ইত্যাদি খাত একটি গণ্ডির মধ্যে আটকে গেছে।
এগুলোকে একটি ‘হতাশাজনক চেষ্টা’ হিসেবে উল্লেখ করে আহসান এইচ মনসুর বলেন, মোদ্দা কথা হলো দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। বিদেশিরা পুঁজি, বাজার ও প্রযুক্তি নিয়ে আসবে। যেটা ভিয়েতনামে, ফিলিপাইনে হয়েছে। এ দেশে বিদেশি বিনিয়োগ যেটুকু আসছে, তার বেশির ভাগটাই জ্বালানি, টেলিযোগাযোগ ইত্যাদি খাতে। উল্লেখ করে তিনি বলেন, পোশাক খাতেও বিদেশি বিনিয়োগ দরকার। বিজিএমইএ তো সেটা চায় না।
পোশাক খাতে বিদেশি বিনিয়োগকে উৎসাহ না দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে বিজিএমইএর সভাপতি রুবানা হক বলেন, ‘পোশাক খাতের সংযোগ শিল্পে (ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ) বিদেশি বিনিয়োগ এলে আমরা খুব খুশি হব। সেটা আমাদের খুব দরকার। কারণ উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পর পোশাক রপ্তানিতে দেশীয় কাপড় ব্যবহার না করলে বাণিজ্য সুবিধা মিলবে না।’ তিনি মনে করেন, পোশাক খাতে যেসব ক্ষেত্রে উদ্যোক্তারা সক্ষমতা অর্জন করেছেন, সেখানে বিদেশি বিনিয়োগের দরকার নেই।
Monday, June 3, 2019
বাংলাদেশের জন্য দ্রুত খুলছে জাপানের দুয়ার by রাজীব আহমেদ

চীন,
থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও ফিলিপাইন আজকে যে অবস্থানে পৌঁছেছে,
তার পেছনে একটা বড় অবদান জাপানিদের। জাপানি কোম্পানিগুলো ওই সব দেশে
কারখানা করেছে, প্রযুক্তি হস্তান্তর করেছে, তাতে স্থানীয় শিল্পের সক্ষমতা
তৈরি হয়েছে। ফলাফল মানুষের জীবনমানের উন্নতি হয়েছে।
বাংলাদেশেও এখন জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বাড়ছে। পাশাপাশি জাপান সরকারও বাংলাদেশে তাদের উন্নয়ন সহায়তা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। এতে করে জাপান বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার হয়ে উঠছে।
জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, একটি হাঁস উড়াল দিলে তাকে দেখে অন্য হাঁসও উড়তে শুরু করে। তেমনি জাপানের মতো বিনিয়োগকারী দেশ যখন কোনো দেশে যায়, তখন অন্য বিনিয়োগকারীরাও সেখানে বিনিয়োগের চিন্তা করে।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আজকের উত্থানের পেছনে জাপানের ভূমিকাকে অনেক বড় বলে মনে করা হয়। জাপান অনেক দিন ধরেই চীনের পাশাপাশি অন্য দেশে কারখানা করার ওপর জোর দিচ্ছে, যাকে ‘চীন প্লাস ওয়ান’ নীতি বলা হয়। বাংলাদেশের উচিত যেসব ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা কম, সেখানে জাপানিদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করা। বিশেষ করে যন্ত্রপাতি, সংযোগ শিল্প, কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ ভালো হবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি কোম্পানির সংখ্যা ছিল ৭০টি। এক দশক পর ২০১৮ সালে সংখ্যাটি ২৭৮-এ উন্নীত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কারখানা করেছে জাপানের মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড হোন্ডা। এছাড়া ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের কারখানা করেছে এসিআই, যেখানে সহায়তা দিয়েছে জাপানের ইয়ামাহা মোটর করপোরেশন। তামাকজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান জাপান টোব্যাকো গত জুনে দেশের আকিজ গ্রুপের তামাক ব্যবসা কিনে নেয়। এতে জাপানের কোম্পানিটি বিনিয়োগ করছে ১৪৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ ইস্পাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নিপ্পন স্টিল অ্যান্ড সুমিতমো মেটাল দেশীয় প্রতিষ্ঠান ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং প্রোডাক্টসের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইস্পাত কারখানা করছে। তারা ১০০ একর জমি বরাদ্দের বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে চুক্তি করেছে।
জাপানের সজিত করপোরেশন মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প পার্ক করতে চাইছে। জাপানের সুমিতমো করপোরেশন জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজ করতে গত রোববার চুক্তি করেছে বেজার সঙ্গে। ঢাকায় একের পর এক স্টোর খুলছে জাপানি পোশাকের ব্র্যান্ড ইউনিক্লো ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড মিনিসো।
জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিনিয়োগ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে ১ হাজার ৫৭০ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করেছে। প্রতি ইয়েনের বিনিময়মূল্য ৭৭ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২১২ কোটি টাকা। আগের বছরের চেয়ে এ দেশে জাপানের বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৯ শতাংশ বেশি। অবশ্য ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, এমনকি মিয়ানমারের তুলনায় পরিমাণটি নগণ্য।
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাস, অর্থাৎ জুলাই-এপ্রিল সময়ে জাপানে ১১৭ কোটি ডলারের বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি হয়, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে জাপান থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানিও বাড়ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ১৮৭ কোটি ডলারের জাপানি পণ্য আমদানি হয়েছে, এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪ শতাংশ।
জাপান ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) জেনারেল সেক্রেটারি তারেক রাফি ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, জাপানিরা কোনো দেশে বিনিয়োগ করলে শুধু মুনাফা করে চলে যায় না। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য কাজ করে। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশে আরও অনেক জাপানি কোম্পানি বিনিয়োগ করবে।
বাংলাদেশেও এখন জাপানি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ বাড়ছে। পাশাপাশি জাপান সরকারও বাংলাদেশে তাদের উন্নয়ন সহায়তা বাড়িয়েছে। একই সঙ্গে জাপানের বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের রপ্তানি বাড়ছে। এতে করে জাপান বাংলাদেশের বড় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ অংশীদার হয়ে উঠছে।
জানতে চাইলে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, একটি হাঁস উড়াল দিলে তাকে দেখে অন্য হাঁসও উড়তে শুরু করে। তেমনি জাপানের মতো বিনিয়োগকারী দেশ যখন কোনো দেশে যায়, তখন অন্য বিনিয়োগকারীরাও সেখানে বিনিয়োগের চিন্তা করে।
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম আরও বলেন, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর আজকের উত্থানের পেছনে জাপানের ভূমিকাকে অনেক বড় বলে মনে করা হয়। জাপান অনেক দিন ধরেই চীনের পাশাপাশি অন্য দেশে কারখানা করার ওপর জোর দিচ্ছে, যাকে ‘চীন প্লাস ওয়ান’ নীতি বলা হয়। বাংলাদেশের উচিত যেসব ক্ষেত্রে নিজেদের সক্ষমতা কম, সেখানে জাপানিদের বিনিয়োগে উৎসাহিত করা। বিশেষ করে যন্ত্রপাতি, সংযোগ শিল্প, কাঁচামাল ও মধ্যবর্তী পণ্য উৎপাদনে জাপানি বিনিয়োগ ভালো হবে।
জাপান ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড অর্গানাইজেশনের (জেট্রো) তথ্য অনুযায়ী, ২০০৮ সালে বাংলাদেশে কার্যরত জাপানি কোম্পানির সংখ্যা ছিল ৭০টি। এক দশক পর ২০১৮ সালে সংখ্যাটি ২৭৮-এ উন্নীত হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কারখানা করেছে জাপানের মোটরসাইকেল ব্র্যান্ড হোন্ডা। এছাড়া ইয়ামাহা মোটরসাইকেলের কারখানা করেছে এসিআই, যেখানে সহায়তা দিয়েছে জাপানের ইয়ামাহা মোটর করপোরেশন। তামাকজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান জাপান টোব্যাকো গত জুনে দেশের আকিজ গ্রুপের তামাক ব্যবসা কিনে নেয়। এতে জাপানের কোম্পানিটি বিনিয়োগ করছে ১৪৭ কোটি ৬০ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ হাজার ৩৯৮ কোটি টাকা। বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ ইস্পাত পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান নিপ্পন স্টিল অ্যান্ড সুমিতমো মেটাল দেশীয় প্রতিষ্ঠান ম্যাকডোনাল্ড স্টিল বিল্ডিং প্রোডাক্টসের সঙ্গে যৌথ বিনিয়োগে মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে ইস্পাত কারখানা করছে। তারা ১০০ একর জমি বরাদ্দের বিষয়ে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) সঙ্গে চুক্তি করেছে।
জাপানের সজিত করপোরেশন মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলে শিল্প পার্ক করতে চাইছে। জাপানের সুমিতমো করপোরেশন জাপান অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজ করতে গত রোববার চুক্তি করেছে বেজার সঙ্গে। ঢাকায় একের পর এক স্টোর খুলছে জাপানি পোশাকের ব্র্যান্ড ইউনিক্লো ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড মিনিসো।
জাপানের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিনিয়োগ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালে জাপানি কোম্পানিগুলো বাংলাদেশে ১ হাজার ৫৭০ কোটি ইয়েন বিনিয়োগ করেছে। প্রতি ইয়েনের বিনিময়মূল্য ৭৭ পয়সা ধরে বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২১২ কোটি টাকা। আগের বছরের চেয়ে এ দেশে জাপানের বিনিয়োগ বেড়েছে ৩৯ শতাংশ বেশি। অবশ্য ভিয়েতনাম, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া, এমনকি মিয়ানমারের তুলনায় পরিমাণটি নগণ্য।
জাপানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ১০ মাস, অর্থাৎ জুলাই-এপ্রিল সময়ে জাপানে ১১৭ কোটি ডলারের বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানি হয়, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রায় ২৩ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে জাপান থেকে বাংলাদেশের পণ্য আমদানিও বাড়ছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশে ১৮৭ কোটি ডলারের জাপানি পণ্য আমদানি হয়েছে, এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি প্রায় ৪ শতাংশ।
জাপান ও বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যের বিষয়ে জানতে চাইলে জাপান-বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (জেবিসিসিআই) জেনারেল সেক্রেটারি তারেক রাফি ভূঁইয়া প্রথম আলোকে বলেন, জাপানিরা কোনো দেশে বিনিয়োগ করলে শুধু মুনাফা করে চলে যায় না। তারা অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য কাজ করে। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে বাংলাদেশে আরও অনেক জাপানি কোম্পানি বিনিয়োগ করবে।
![]() |
| বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ ৩৯% বেড়েছে। জাপানে রপ্তানি বেড়েছে ২৩%। বিনিয়োগ-বাণিজ্যে বড় অংশীদার হয়ে উঠছে জাপান। |
Thursday, April 4, 2019
পোশাকপল্লির জমি: ৫০০–এর মধ্যে ৪৪১ একরই শেষ by রাজীব আহমেদ ও শুভংকর কর্মকার

পোশাকপল্লির
জমি: ৭৬টি কোম্পানি সেখানে জমি নিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী পোশাকপল্লিসহ ১৩টি
অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন বুধবার:
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্পনগরের পোশাকপল্লিতে জমি নেওয়ার ক্ষেত্রে বেশ
আগ্রহ দেখাচ্ছেন তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা। সেখানে পোশাকপল্লির জন্য রাখা
৫০০ একর জমির ৪৪১ একর ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। জমি ইজারা নিতে বাংলাদেশ
অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষকে (বেজা) ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে তৈরি পোশাক
রপ্তানিকারকদের সংগঠন বিজিএমইএ।
এর মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের জন্য পরিকল্পিত শিল্পনগর প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে। এর আগে মুন্সিগঞ্জের বাউসিয়ায় গার্মেন্টস শিল্পপার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ মাঝপথে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছিল।
বঙ্গবন্ধু শিল্পপার্কে জমি বরাদ্দের বিষয়ে বিজিএমইএর সঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) চুক্তি হয় ২০১৮ সালের ২১ মার্চ। এরপর বিজিএমইএ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে ৭০টি কোম্পানি সেখানে জমি নেওয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছে। আরও ৬টি কোম্পানি জমি নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করলেও টাকা এখনো জমা দেয়নি। আগামী বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৩টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে, যার মধ্যে একটি বিজিএমইএর পোশাকপল্লি।
বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির প্রথম আলোকে বলেন, ‘জমি বুঝিয়ে দিলেই আমরা কারখানার নির্মাণকাজ শুরু করব। সেখানে মূলত বড় ও মাঝারি উদ্যোক্তারা জমি নিয়েছে। তারা ওই জমিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক পণ্য উৎপাদনের চিন্তা করছে।’
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর চট্টগ্রামের মিরসরাই, ফেনী ও সীতাকুণ্ড ঘিরে গঠিত হচ্ছে। এর প্রস্তাবিত আকার ৩০ হাজার একর। এটি হবে দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প এলাকা। এতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ১ হাজার ১৫০ একর, শিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা ও গ্যাসমিন মিলে এসবিজি ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ৫০০ একর, বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপ ৫০০ একর এবং পিএইচপি গ্রুপ পিএইচপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রতিষ্ঠার জন্য ৫০০ একর জমি নিয়েছে। অনেক দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান সেখানে কারখানা করার জন্য জমি নিয়েছে।
সব মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৫৫টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৭ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে বেজা। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। এতে প্রায় সাত লাখ মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।
বেজা জানিয়েছে, মিরসরাইয়ে ইতিমধ্যে ২০ একর জমিতে এশিয়ান পেইন্টস, ১০ একর জমিতে আরমান হক ডেনিম, ১০ একর জমিতে মডার্ন সিনটেক্স এবং ১০ একর জমিতে জুজু জিনইউয়ান কেমিক্যাল কারখানা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বিজিএমইএর জমিতে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে আগামী মাসে। এরপর রাস্তাঘাট
ও অন্যান্য অবকাঠামোর কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে কারখানা করা যাবে বলে আশা করা যায়।
বিজিএমইএর যারা জমি নিয়েছে
পোশাকপল্লিতে ইতিমধ্যে জমি নিয়েছে স্টারলিং ডেনিমস, বান্দু ডিজাইন, স্টারলিং স্টাইলস, দ্যাটস ইট স্পোর্টসওয়্যার, অ্যাপারেল গ্যালারি, আরটিস্টিক ডিজাইন, ইপিলিয়ন স্টাইল, গ্লোবাল শার্ট, মেনস ফ্যাশন, ইউনিগিয়ার লিমিটেড, এসকিউ সেলসিয়াস, মার্স স্পোর্টসওয়্যার, গ্রাফিকস টেক্সটাইল, জেনেসিস ফ্যাশনস্, কলম্বিয়া গার্মেন্টস, কলম্বিয়া অ্যাপারেলস, আরডিএম অ্যাপারেলস, ডব্লিউ অ্যাপারেলস, ব্যাবিলন গার্মেন্টস, ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার, ক্লিফটন কন, ক্লিফটন অ্যাপারেলস, ফোর এইচ ফ্যাশন, চার্ম ফ্যাশন, ভ্যানকট লিমিটেড, করিম টেক্সটাইল, এসএফ ডেনিম অ্যাপারেলস, মজুমদার গার্মেন্টস, তুসুকা ট্রাউজারস, ভিজ্যুয়াল নিটওয়্যার, এনার্জিপ্যাক ফ্যাশন ও ইভা সোয়েটারস।
আরও রয়েছে অ্যালপস্ অ্যাপারেলস, আরও টেক্সটাইল মিলস, ফাউন্টেন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং, পশ গার্মেন্টস, মেসার্স এআরএল অ্যাপারেলস, স্যামস অ্যাটায়ার লিমিটেড, ফারসিয়িং নিট কম্পোজিট, ডেনিম ফ্যাশনস, ইএইচ ফেব্রিকস, প্যাসিফিক কটন, কটনলাইন বিডি, কটন ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস, তুসুকা জিনস, উরানাস অ্যাপারেলস, আফরাহ ড্রেসেস, ওয়েল ফ্যাশন, তাফফ অ্যাপারেলস, ইমেজ গার্মেন্টস, শামসের রাজিয়া ফ্যাশন ও শামসের অ্যাপারেলস।
এ ছাড়া শানশিন কোম্পানি (বিডি) লিমিডেট, মাস্ক ট্রাউজারস, আরআর ফ্যাশন, টাওয়েল টেক্স লিমিটেড, টিবিএইচ ফ্যাশনটেক্স, আদিলা অ্যাপারেলস, এস-সিক্স ফ্যাশনস, অ্যাডভান্স ওয়ার্ল্ড, আল-ইত্তেফাক টেক্সটাইল, বিএলপি ওয়ার্ম ফ্যাশন, গার্মেন্টস হোম (প্রা.) লিমিটেড, প্রোগ্রেসিভ অ্যাপারেলস ইন্ডাস্ট্রিজ, মিলো ফ্যাশনস, কে গার্মেন্টস, চৌধুরী ফ্যাশন ওয়্যার, মদিনা গার্মেন্টস ও আরএনএসসিও সোয়েটারস লিমিটেড বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে জমি নিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরের সুবিধা
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর হবে পূর্ণাঙ্গ শিল্পশহর। এতে কারখানার পাশাপাশি আবাসন, বিনোদন ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা থাকবে। মিরসরাইয়ে এখন ভূমি উন্নয়নের পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। এখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি দেবে সরকার। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য আলাদা একটি বন্দর থাকবে, যেটি দিয়ে সহজেই চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বন্দরে পণ্য আনা-নেওয়া করা যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরণি নামে চার লেনের একটি সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে, যেটি পরে আট লেন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে এককালীন ৫০ বছরের ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটার অনুন্নত জমির ইজারামূল্য ধরা হয়েছে শূন্য দশমিক ৩০ ডলার এবং উন্নত জমির মূল্য ধরা হয়েছে দশমিক ৬০ ডলার। বেজা জানিয়েছে, বিজিএমইএর ৫০০ একর জমির ৫০ বছরের ইজারামূল্য ৫০০ কোটি টাকা। তারা তিন কিস্তিতে ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে বেজাকে।
মিরসরাইয়ে জমি বরাদ্দের জন্য ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে আবেদন নেওয়া শুরু করে বেজা।
এর মাধ্যমে দেশের সবচেয়ে বড় রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের জন্য পরিকল্পিত শিল্পনগর প্রতিষ্ঠা হতে যাচ্ছে। এর আগে মুন্সিগঞ্জের বাউসিয়ায় গার্মেন্টস শিল্পপার্ক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ মাঝপথে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েছিল।
বঙ্গবন্ধু শিল্পপার্কে জমি বরাদ্দের বিষয়ে বিজিএমইএর সঙ্গে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) চুক্তি হয় ২০১৮ সালের ২১ মার্চ। এরপর বিজিএমইএ সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে জমি বরাদ্দ দেওয়ার উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে ৭০টি কোম্পানি সেখানে জমি নেওয়ার জন্য টাকা জমা দিয়েছে। আরও ৬টি কোম্পানি জমি নেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করলেও টাকা এখনো জমা দেয়নি। আগামী বুধবার প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১৩টি অর্থনৈতিক অঞ্চলের উন্নয়নকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করার কথা রয়েছে, যার মধ্যে একটি বিজিএমইএর পোশাকপল্লি।
বিজিএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ নাছির প্রথম আলোকে বলেন, ‘জমি বুঝিয়ে দিলেই আমরা কারখানার নির্মাণকাজ শুরু করব। সেখানে মূলত বড় ও মাঝারি উদ্যোক্তারা জমি নিয়েছে। তারা ওই জমিতে বৈচিত্র্যপূর্ণ পোশাক পণ্য উৎপাদনের চিন্তা করছে।’
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর চট্টগ্রামের মিরসরাই, ফেনী ও সীতাকুণ্ড ঘিরে গঠিত হচ্ছে। এর প্রস্তাবিত আকার ৩০ হাজার একর। এটি হবে দেশের সবচেয়ে বড় শিল্প এলাকা। এতে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার জন্য বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেপজা) ১ হাজার ১৫০ একর, শিকদার গ্রুপ, বসুন্ধরা ও গ্যাসমিন মিলে এসবিজি ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) ভিত্তিতে ৫০০ একর, বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল ইকোনমিক জোন প্রতিষ্ঠার জন্য বসুন্ধরা গ্রুপ ৫০০ একর এবং পিএইচপি গ্রুপ পিএইচপি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক প্রতিষ্ঠার জন্য ৫০০ একর জমি নিয়েছে। অনেক দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠান সেখানে কারখানা করার জন্য জমি নিয়েছে।
সব মিলিয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে ৫৫টি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের অনুকূলে এ পর্যন্ত ৬ হাজার ৭৭ একর জমি বরাদ্দ দিয়েছে বেজা। এসব প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবিত বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১ হাজার ২৫৯ কোটি মার্কিন ডলার। এতে প্রায় সাত লাখ মানুষের কাজের সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করছেন উদ্যোক্তারা।
বেজা জানিয়েছে, মিরসরাইয়ে ইতিমধ্যে ২০ একর জমিতে এশিয়ান পেইন্টস, ১০ একর জমিতে আরমান হক ডেনিম, ১০ একর জমিতে মডার্ন সিনটেক্স এবং ১০ একর জমিতে জুজু জিনইউয়ান কেমিক্যাল কারখানা তৈরির কাজ শুরু করেছে।
বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান পবন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বিজিএমইএর জমিতে মাটি ভরাটের কাজ শুরু হবে আগামী মাসে। এরপর রাস্তাঘাট
ও অন্যান্য অবকাঠামোর কাজ শুরু হবে। আগামী বছরের মাঝামাঝিতে কারখানা করা যাবে বলে আশা করা যায়।
বিজিএমইএর যারা জমি নিয়েছে
পোশাকপল্লিতে ইতিমধ্যে জমি নিয়েছে স্টারলিং ডেনিমস, বান্দু ডিজাইন, স্টারলিং স্টাইলস, দ্যাটস ইট স্পোর্টসওয়্যার, অ্যাপারেল গ্যালারি, আরটিস্টিক ডিজাইন, ইপিলিয়ন স্টাইল, গ্লোবাল শার্ট, মেনস ফ্যাশন, ইউনিগিয়ার লিমিটেড, এসকিউ সেলসিয়াস, মার্স স্পোর্টসওয়্যার, গ্রাফিকস টেক্সটাইল, জেনেসিস ফ্যাশনস্, কলম্বিয়া গার্মেন্টস, কলম্বিয়া অ্যাপারেলস, আরডিএম অ্যাপারেলস, ডব্লিউ অ্যাপারেলস, ব্যাবিলন গার্মেন্টস, ব্যাবিলন ক্যাজুয়ালওয়্যার, ক্লিফটন কন, ক্লিফটন অ্যাপারেলস, ফোর এইচ ফ্যাশন, চার্ম ফ্যাশন, ভ্যানকট লিমিটেড, করিম টেক্সটাইল, এসএফ ডেনিম অ্যাপারেলস, মজুমদার গার্মেন্টস, তুসুকা ট্রাউজারস, ভিজ্যুয়াল নিটওয়্যার, এনার্জিপ্যাক ফ্যাশন ও ইভা সোয়েটারস।
আরও রয়েছে অ্যালপস্ অ্যাপারেলস, আরও টেক্সটাইল মিলস, ফাউন্টেন গার্মেন্টস ম্যানুফ্যাকচারিং, পশ গার্মেন্টস, মেসার্স এআরএল অ্যাপারেলস, স্যামস অ্যাটায়ার লিমিটেড, ফারসিয়িং নিট কম্পোজিট, ডেনিম ফ্যাশনস, ইএইচ ফেব্রিকস, প্যাসিফিক কটন, কটনলাইন বিডি, কটন ডাইং অ্যান্ড ফিনিশিং মিলস, তুসুকা জিনস, উরানাস অ্যাপারেলস, আফরাহ ড্রেসেস, ওয়েল ফ্যাশন, তাফফ অ্যাপারেলস, ইমেজ গার্মেন্টস, শামসের রাজিয়া ফ্যাশন ও শামসের অ্যাপারেলস।
এ ছাড়া শানশিন কোম্পানি (বিডি) লিমিডেট, মাস্ক ট্রাউজারস, আরআর ফ্যাশন, টাওয়েল টেক্স লিমিটেড, টিবিএইচ ফ্যাশনটেক্স, আদিলা অ্যাপারেলস, এস-সিক্স ফ্যাশনস, অ্যাডভান্স ওয়ার্ল্ড, আল-ইত্তেফাক টেক্সটাইল, বিএলপি ওয়ার্ম ফ্যাশন, গার্মেন্টস হোম (প্রা.) লিমিটেড, প্রোগ্রেসিভ অ্যাপারেলস ইন্ডাস্ট্রিজ, মিলো ফ্যাশনস, কে গার্মেন্টস, চৌধুরী ফ্যাশন ওয়্যার, মদিনা গার্মেন্টস ও আরএনএসসিও সোয়েটারস লিমিটেড বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরে জমি নিয়েছে।
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগরের সুবিধা
বঙ্গবন্ধু শিল্পনগর হবে পূর্ণাঙ্গ শিল্পশহর। এতে কারখানার পাশাপাশি আবাসন, বিনোদন ও অন্যান্য সুযোগ–সুবিধা থাকবে। মিরসরাইয়ে এখন ভূমি উন্নয়নের পাশাপাশি গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও অন্যান্য অবকাঠামো নির্মাণের কাজ চলছে। এখানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি দেবে সরকার। এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জন্য আলাদা একটি বন্দর থাকবে, যেটি দিয়ে সহজেই চট্টগ্রাম ও অন্যান্য বন্দরে পণ্য আনা-নেওয়া করা যাবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরণি নামে চার লেনের একটি সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে, যেটি পরে আট লেন করার পরিকল্পনা রয়েছে।
মিরসরাই অর্থনৈতিক অঞ্চলটিতে এককালীন ৫০ বছরের ভাড়া পরিশোধের ক্ষেত্রে প্রতি বর্গমিটার অনুন্নত জমির ইজারামূল্য ধরা হয়েছে শূন্য দশমিক ৩০ ডলার এবং উন্নত জমির মূল্য ধরা হয়েছে দশমিক ৬০ ডলার। বেজা জানিয়েছে, বিজিএমইএর ৫০০ একর জমির ৫০ বছরের ইজারামূল্য ৫০০ কোটি টাকা। তারা তিন কিস্তিতে ১০০ কোটি টাকা দিয়েছে বেজাকে।
মিরসরাইয়ে জমি বরাদ্দের জন্য ২০১৭ সালের এপ্রিল মাসে আবেদন নেওয়া শুরু করে বেজা।
Wednesday, March 6, 2019
ভোক্তার জন্য নিরাপদ খাদ্য, কৃষকের চাই লাভ by ইফতেখার মাহমুদ ও রাজীব আহমেদ

- • কৃষক যেন ফসলের ন্যূনতম লাভজনক দাম পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
- • একই সঙ্গে সুলভ দামে নিরাপদ খাদ্য দিতে হবে ভোক্তাকে।
কৃষকের
চাই ফসলের ন্যায্যমূল্য। ভোক্তার চাই সুলভ মূল্যে নিরাপদ খাদ্য। মোটা দাগে
এ দুটি বিষয় নিশ্চিত করাই এখন সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। খাদ্যের উৎপাদন
বাড়ানোর চ্যালেঞ্জ দেশ অনেকটাই পেরিয়ে এসেছে।
উৎপাদন বাড়লে দাম কমে। ভোক্তা সস্তায় খাবার পান, কিন্তু কৃষক ফসলের ভালো দাম পান না। উৎসাহ হারিয়ে পরের মৌসুমে কৃষক আবাদ কমিয়ে দেন, খাবারের দাম যায় বেড়ে।
কিন্তু এই হিসাবটা এত সহজ না। চ্যালেঞ্জটিও তাই জটিল। দেশে ধারাবাহিকভাবে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেড়েছে, উৎপাদনের খরচও বেড়েছে। গবেষক ও পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, সরকারকে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি কৃষক যেন ফসলের ন্যূনতম লাভজনক দাম বা মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি থেকে কৃষককে রক্ষা, ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশ থেকে অবাধ আমদানি না করা, কৃষক ও ভোক্তাবান্ধব আমদানি শুল্ক বসানো এবং ফসল সংরক্ষণের ব্যবস্থা বাড়ানো জরুরি। সরবরাহব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে রাখাও দরকার।
কৃষিকাজ করে সিংহভাগ কৃষক পরিবার সচ্ছলতার মুখ দেখতে পারে না। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলছেন, শুধু কৃষিকাজ করে জীবিকা চালানো কঠিন। কৃষক পরিবারের সন্তানেরা বেশির ভাগই কৃষিকাজে থাকতে চায় না।
সেলিম রায়হান আরও বলেন, ‘ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডেও বাংলাদেশের মতো ছোট ছোট জমিতে কৃষিকাজ হতো। পরে সেটা বাণিজ্যিক রূপ পায়। কৃষকেরা একত্র হয়ে চাষ করেন। এ পদ্ধতিতে বিনিয়োগ বাড়ে, প্রযুক্তি আসে ও উৎপাদন খরচ কমে। পাশাপাশি সুরক্ষার জন্য বিমাও চালু হয়। বাংলাদেশকেও সেই পথেই যেতে হবে।’
দেশের সাধারণ কৃষকের জন্য সবচেয়ে বড় ফসল ধান। এখন বছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়। এতে চাহিদা প্রায় মিটে যায়। তবে দুর্যোগে ফসলহানি হলে আমদানি করতে হয়।
আলু হয় চাহিদার অনেক বেশি। সবজি, মাছ, মাংস, ডিমও আমদানি করতে হয় না। দেশি পেঁয়াজেই চাহিদার বেশির ভাগ মেটে। তবে গম, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি আর আদা-রসুনের বড় অংশই আমদানিনির্ভর।
কৃষকেরা সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন ধানের দাম নিয়ে। গত আমন মৌসুমে তাঁরা ধানের দাম কম পেয়েছেন। কয়েক বছর ধরে পানির দরে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। দুই মৌসুম হলো পেঁয়াজের উৎপাদন খরচই উঠছে না।
সবজি আবাদ মোটের ওপর লাভজনক। তবে দাম না পেয়ে প্রায়ই সবজি গরুকে খাওয়াতে অথবা ফেলে দিতে বাধ্য হন চাষিরা। পাটের দাম নিয়ে হতাশা ফিরে ফিরে আসে।
মাছ চাষে লাভ আছে, বিনিয়োগও লাগে। পাঙাশ, তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছে মুনাফা খুবই কম থাকে। দামের ওঠানামায় টিকতে না পেরে মুরগি ও ডিমের হাজার হাজার ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু আর দুধের চাহিদা আর দামও ওঠানামা করে, প্রায়ই খামারিরা দুধ ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানান।
ধান নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা
দেশের খুচরা বাজারে এখন প্রতিকেজি চাল ৩৪ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত আমন মৌসুমে চালের উৎপাদন খরচই পড়েছে কেজিতে ৩৪ টাকা।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন খরচ ছিল সাড়ে ২৪ টাকা। কৃষকেরা ধান বিক্রি করে ২৫ টাকা বা তার কিছুটা কম দাম পেয়েছিলেন।
কৃষক যেন ধানের ন্যায্যমূল্য পান, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব খাদ্য মন্ত্রণালয়ের। ফসল ওঠার মৌসুমে মন্ত্রণালয় উৎপাদন খরচ বের করে কৃষকের জন্য লাভজনক একটা দাম ঠিক করে দেয়। তারপর মন্ত্রণালয় সেই দামে সরকারি গুদামের জন্য ধান-চাল সংগ্রহ করে। আমদানি শুল্ক ধার্য করার সময় কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ দেখে পরামর্শ দেওয়ার কাজটিও তাদের।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক কাজী সাহাবউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় চালের দাম, মজুত ও আমদানির ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে পারেনি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। নেতৃত্বে দক্ষতারও ঘাটতি ছিল। কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকে ভূমিকা রাখতে হবে। নতুন সরকারের মন্ত্রীর সে পরিকল্পনা থাকা দরকার।
২০১৩ সাল থেকে দেশের বাজারে চালের দাম মোটামুটি একই ছিল। ২০১৭ সালে হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ফসলহানি হয়। উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কার মুখে ব্যবসায়ীরা চালের দাম অনেক বাড়িয়ে দেন।
সে সময় দরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা দরে চাল দিয়ে আসছিল সরকার। সরকারি গুদামে মজুত ছিল কম। সরকার তখন নিজেরা চাল আমদানি করে। আর বেসরকারি খাতে আমদানি বাড়াতে শুল্ক একেবারেই কমিয়ে দেয়।
আমদানি বাড়ে, তবে চালের দাম তেমন কমে না। ২০১৮ সালে বোরো মৌসুমে ব্যাপক আবাদ ও ফলন হলে ধানের দাম পড়ে যায়। সরকার তখন চালের আমদানি শুল্ক আবার বাড়িয়ে দেয়। তখন আমদানি কমে গেলে দাম আবার বাড়ে। তবে লাভ করেন ব্যবসায়ীরা, কৃষকের জন্য ধানের দাম এখনো লাভজনক হয়নি।
২০১৯ সালের গোড়ায় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিবিষয়ক সংস্থা ইউএসডিএ বলেছে, বিশ্বে এ বছর ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেড়েছে বাংলাদেশে।
সবজিতে লাভ বেশি, তবে...
সবজিসহ দেশের অন্যান্য প্রধান কৃষিপণ্যগুলোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কাজটি বাজারের নিয়মে ঘটে। সেসব ক্ষেত্রে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও ভোক্তার ক্রয়মূল্যের মধ্যে ফারাক কমানোর কোনো চেষ্টা সরকারকে করতে দেখা যায় না।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে (২০১৭-১৮) তিনটি সবজির ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরে লাভ ও দাম বাড়ার তথ্য দেওয়া আছে। এতে দেখা যায়, ওই অর্থবছরে এক কেজি আলু উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয়েছে ৭ টাকা ৬০ পয়সা। কৃষক সেটা স্থানীয় ব্যবসায়ীকে বিক্রি করেছেন গড়ে ১ টাকা ২৫ পয়সা লাভে। আরও দুই হাত ঘুরে সেই আলু ভোক্তার কাছে যাচ্ছে। ভোক্তা কিনছেন ২২ টাকা কেজি দরে। প্রতি ধাপেই বিক্রেতার লাভের পরিমাণ কৃষকের চেয়ে বেশি। একই দশা বেগুন ও টমেটোতেও।
দেশে বছরে আলু উৎপাদিত হয় ৯৫ লাখ টনের বেশি। ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশে আলুর চাহিদা ৬০-৬৫ লাখ টন। বাড়তি উৎপাদনের কারণে বাজারে এখন আলুর দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকায় নেমেছে। কৃষক পর্যায়ে এ দর চার থেকে ছয় টাকা। অথচ এক কেজি আলুর উৎপাদন খরচ সাড়ে ৭ টাকার মতো।
পেঁয়াজেও একই চিত্র। ভরা মৌসুমে ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আসছে। ফলে খুচরা বাজারে দাম নেমেছে কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকায়। কৃষক পাচ্ছেন ১০-১২ টাকা।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক বছর আগের তুলনায় এখন বাজারে আলুর দর ৪০ শতাংশ ও পেঁয়াজের দর ৫২ শতাংশ কম। আলু-পেঁয়াজের দর এখন উৎপাদন খরচের চেয়ে কম। কৃষক লোকসান গুনে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
নিরাপদ খাদ্য
দেশে এখন খাদ্যের অভাব নেই, তবে নিরাপদ খাদ্যের অভাব আছে। কৃষিতে অতিমাত্রায় কীটনাশকের ব্যবহার বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। খামারের মাছ-মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক আর ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত খাবার দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যচক্রে আরও দূষণের ঝুঁকি আছে।
সরকারের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দরকার গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস (ভালো কৃষির চর্চা—গ্যাপ) নিশ্চিত করা, যেখানে পরিমিত মাত্রায় সঠিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার করা হবে। কৃষি দপ্তর ‘বাংলা গ্যাপ’ পরিকল্পনা করেছে। এখন তার বাস্তবায়ন করতে হবে।’
পরিবেশদূষণের কারণে অনেক সময় মাটি ও পানি থেকে ভারী ধাতু ফসলে ঢুকছে। সেটা খাবারের মধ্য দিয়ে মানুষের শরীরেও ঢুকছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুধসহ বিভিন্ন খাদ্যে ধাতু বা অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য বিস্তারিত গবেষণা দরকার।
বিভিন্ন কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেড়ে যাওয়া নিয়ে সরকারের আত্মতৃপ্তি আছে বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ এম এম শওকত আলী। তিনি বলছেন, উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক এই সচিব আরও বলেন, কৃষক নিজের উদ্যোগে সবজি ও মাছ চাষে যে বিশাল বিপ্লবটি করে ফেললেন, তা যাতে টেকসই হয় সে জন্য তাঁদের সহায়তা দিতে হবে। তাঁদের উৎপাদিত খাদ্যকে নিরাপদ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এটা সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
উৎপাদন বাড়লে দাম কমে। ভোক্তা সস্তায় খাবার পান, কিন্তু কৃষক ফসলের ভালো দাম পান না। উৎসাহ হারিয়ে পরের মৌসুমে কৃষক আবাদ কমিয়ে দেন, খাবারের দাম যায় বেড়ে।
কিন্তু এই হিসাবটা এত সহজ না। চ্যালেঞ্জটিও তাই জটিল। দেশে ধারাবাহিকভাবে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেড়েছে, উৎপাদনের খরচও বেড়েছে। গবেষক ও পরিকল্পনাবিদেরা বলছেন, সরকারকে উৎপাদন খরচ কমাতে হবে। পাশাপাশি কৃষক যেন ফসলের ন্যূনতম লাভজনক দাম বা মিনিমাম সাপোর্ট প্রাইস পান, তা নিশ্চিত করা জরুরি।
এ ছাড়া প্রাকৃতিক দুর্যোগের ক্ষতি থেকে কৃষককে রক্ষা, ক্ষেত্রবিশেষে বিদেশ থেকে অবাধ আমদানি না করা, কৃষক ও ভোক্তাবান্ধব আমদানি শুল্ক বসানো এবং ফসল সংরক্ষণের ব্যবস্থা বাড়ানো জরুরি। সরবরাহব্যবস্থায় মধ্যস্বত্বভোগীদের নিয়ন্ত্রণে রাখাও দরকার।
কৃষিকাজ করে সিংহভাগ কৃষক পরিবার সচ্ছলতার মুখ দেখতে পারে না। বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক সেলিম রায়হান বলছেন, শুধু কৃষিকাজ করে জীবিকা চালানো কঠিন। কৃষক পরিবারের সন্তানেরা বেশির ভাগই কৃষিকাজে থাকতে চায় না।
সেলিম রায়হান আরও বলেন, ‘ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডেও বাংলাদেশের মতো ছোট ছোট জমিতে কৃষিকাজ হতো। পরে সেটা বাণিজ্যিক রূপ পায়। কৃষকেরা একত্র হয়ে চাষ করেন। এ পদ্ধতিতে বিনিয়োগ বাড়ে, প্রযুক্তি আসে ও উৎপাদন খরচ কমে। পাশাপাশি সুরক্ষার জন্য বিমাও চালু হয়। বাংলাদেশকেও সেই পথেই যেতে হবে।’
দেশের সাধারণ কৃষকের জন্য সবচেয়ে বড় ফসল ধান। এখন বছরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টন চাল উৎপাদিত হয়। এতে চাহিদা প্রায় মিটে যায়। তবে দুর্যোগে ফসলহানি হলে আমদানি করতে হয়।
আলু হয় চাহিদার অনেক বেশি। সবজি, মাছ, মাংস, ডিমও আমদানি করতে হয় না। দেশি পেঁয়াজেই চাহিদার বেশির ভাগ মেটে। তবে গম, ডাল, ভোজ্যতেল, চিনি আর আদা-রসুনের বড় অংশই আমদানিনির্ভর।
কৃষকেরা সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন ধানের দাম নিয়ে। গত আমন মৌসুমে তাঁরা ধানের দাম কম পেয়েছেন। কয়েক বছর ধরে পানির দরে আলু বিক্রি করতে হচ্ছে। দুই মৌসুম হলো পেঁয়াজের উৎপাদন খরচই উঠছে না।
সবজি আবাদ মোটের ওপর লাভজনক। তবে দাম না পেয়ে প্রায়ই সবজি গরুকে খাওয়াতে অথবা ফেলে দিতে বাধ্য হন চাষিরা। পাটের দাম নিয়ে হতাশা ফিরে ফিরে আসে।
মাছ চাষে লাভ আছে, বিনিয়োগও লাগে। পাঙাশ, তেলাপিয়ার মতো সাধারণ মাছে মুনাফা খুবই কম থাকে। দামের ওঠানামায় টিকতে না পেরে মুরগি ও ডিমের হাজার হাজার ছোট খামার বন্ধ হয়ে গেছে। গবাদিপশু আর দুধের চাহিদা আর দামও ওঠানামা করে, প্রায়ই খামারিরা দুধ ফেলে দিয়ে প্রতিবাদ জানান।
ধান নিয়েই বেশি দুশ্চিন্তা
দেশের খুচরা বাজারে এখন প্রতিকেজি চাল ৩৪ থেকে ৩৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গত আমন মৌসুমে চালের উৎপাদন খরচই পড়েছে কেজিতে ৩৪ টাকা।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বার্ষিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বোরো মৌসুমে প্রতি কেজি ধানের উৎপাদন খরচ ছিল সাড়ে ২৪ টাকা। কৃষকেরা ধান বিক্রি করে ২৫ টাকা বা তার কিছুটা কম দাম পেয়েছিলেন।
কৃষক যেন ধানের ন্যায্যমূল্য পান, সেটা নিশ্চিত করার দায়িত্ব খাদ্য মন্ত্রণালয়ের। ফসল ওঠার মৌসুমে মন্ত্রণালয় উৎপাদন খরচ বের করে কৃষকের জন্য লাভজনক একটা দাম ঠিক করে দেয়। তারপর মন্ত্রণালয় সেই দামে সরকারি গুদামের জন্য ধান-চাল সংগ্রহ করে। আমদানি শুল্ক ধার্য করার সময় কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের স্বার্থ দেখে পরামর্শ দেওয়ার কাজটিও তাদের।
বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) সাবেক মহাপরিচালক কাজী সাহাবউদ্দিন প্রথম আলোকে বলেন, খাদ্য মন্ত্রণালয় চালের দাম, মজুত ও আমদানির ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে করতে পারেনি। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। নেতৃত্বে দক্ষতারও ঘাটতি ছিল। কৃষকের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার ক্ষেত্রে সরকারের খাদ্য সংগ্রহ কার্যক্রমকে ভূমিকা রাখতে হবে। নতুন সরকারের মন্ত্রীর সে পরিকল্পনা থাকা দরকার।
২০১৩ সাল থেকে দেশের বাজারে চালের দাম মোটামুটি একই ছিল। ২০১৭ সালে হাওরাঞ্চলে ব্যাপক ফসলহানি হয়। উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কার মুখে ব্যবসায়ীরা চালের দাম অনেক বাড়িয়ে দেন।
সে সময় দরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা দরে চাল দিয়ে আসছিল সরকার। সরকারি গুদামে মজুত ছিল কম। সরকার তখন নিজেরা চাল আমদানি করে। আর বেসরকারি খাতে আমদানি বাড়াতে শুল্ক একেবারেই কমিয়ে দেয়।
আমদানি বাড়ে, তবে চালের দাম তেমন কমে না। ২০১৮ সালে বোরো মৌসুমে ব্যাপক আবাদ ও ফলন হলে ধানের দাম পড়ে যায়। সরকার তখন চালের আমদানি শুল্ক আবার বাড়িয়ে দেয়। তখন আমদানি কমে গেলে দাম আবার বাড়ে। তবে লাভ করেন ব্যবসায়ীরা, কৃষকের জন্য ধানের দাম এখনো লাভজনক হয়নি।
২০১৯ সালের গোড়ায় জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষিবিষয়ক সংস্থা ইউএসডিএ বলেছে, বিশ্বে এ বছর ধানের উৎপাদন সবচেয়ে বেড়েছে বাংলাদেশে।
সবজিতে লাভ বেশি, তবে...
সবজিসহ দেশের অন্যান্য প্রধান কৃষিপণ্যগুলোর ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করার কাজটি বাজারের নিয়মে ঘটে। সেসব ক্ষেত্রে কৃষকের উৎপাদন খরচ ও ভোক্তার ক্রয়মূল্যের মধ্যে ফারাক কমানোর কোনো চেষ্টা সরকারকে করতে দেখা যায় না।
কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের বার্ষিক প্রতিবেদনে (২০১৭-১৮) তিনটি সবজির ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্তরে লাভ ও দাম বাড়ার তথ্য দেওয়া আছে। এতে দেখা যায়, ওই অর্থবছরে এক কেজি আলু উৎপাদনে কৃষকের খরচ হয়েছে ৭ টাকা ৬০ পয়সা। কৃষক সেটা স্থানীয় ব্যবসায়ীকে বিক্রি করেছেন গড়ে ১ টাকা ২৫ পয়সা লাভে। আরও দুই হাত ঘুরে সেই আলু ভোক্তার কাছে যাচ্ছে। ভোক্তা কিনছেন ২২ টাকা কেজি দরে। প্রতি ধাপেই বিক্রেতার লাভের পরিমাণ কৃষকের চেয়ে বেশি। একই দশা বেগুন ও টমেটোতেও।
দেশে বছরে আলু উৎপাদিত হয় ৯৫ লাখ টনের বেশি। ব্যবসায়ীরা বলেন, দেশে আলুর চাহিদা ৬০-৬৫ লাখ টন। বাড়তি উৎপাদনের কারণে বাজারে এখন আলুর দাম কেজিপ্রতি ১৫ টাকায় নেমেছে। কৃষক পর্যায়ে এ দর চার থেকে ছয় টাকা। অথচ এক কেজি আলুর উৎপাদন খরচ সাড়ে ৭ টাকার মতো।
পেঁয়াজেও একই চিত্র। ভরা মৌসুমে ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আসছে। ফলে খুচরা বাজারে দাম নেমেছে কেজিপ্রতি ২০-২৫ টাকায়। কৃষক পাচ্ছেন ১০-১২ টাকা।
ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এক বছর আগের তুলনায় এখন বাজারে আলুর দর ৪০ শতাংশ ও পেঁয়াজের দর ৫২ শতাংশ কম। আলু-পেঁয়াজের দর এখন উৎপাদন খরচের চেয়ে কম। কৃষক লোকসান গুনে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
নিরাপদ খাদ্য
দেশে এখন খাদ্যের অভাব নেই, তবে নিরাপদ খাদ্যের অভাব আছে। কৃষিতে অতিমাত্রায় কীটনাশকের ব্যবহার বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে। খামারের মাছ-মুরগিকে অ্যান্টিবায়োটিক আর ক্ষতিকর উপাদানযুক্ত খাবার দেওয়া হচ্ছে। খাদ্যচক্রে আরও দূষণের ঝুঁকি আছে।
সরকারের নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মাহফুজুল হক প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাদের দরকার গুড অ্যাগ্রিকালচারাল প্র্যাকটিস (ভালো কৃষির চর্চা—গ্যাপ) নিশ্চিত করা, যেখানে পরিমিত মাত্রায় সঠিক কীটনাশক ও সার ব্যবহার করা হবে। কৃষি দপ্তর ‘বাংলা গ্যাপ’ পরিকল্পনা করেছে। এখন তার বাস্তবায়ন করতে হবে।’
পরিবেশদূষণের কারণে অনেক সময় মাটি ও পানি থেকে ভারী ধাতু ফসলে ঢুকছে। সেটা খাবারের মধ্য দিয়ে মানুষের শরীরেও ঢুকছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দুধসহ বিভিন্ন খাদ্যে ধাতু বা অ্যান্টিবায়োটিকের উপস্থিতি নির্ণয়ের জন্য বিস্তারিত গবেষণা দরকার।
বিভিন্ন কৃষিপণ্যের উৎপাদন বেড়ে যাওয়া নিয়ে সরকারের আত্মতৃপ্তি আছে বলে মনে করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এ এম এম শওকত আলী। তিনি বলছেন, উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি পুষ্টিকর ও নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন এখন বড় চ্যালেঞ্জ।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক এই সচিব আরও বলেন, কৃষক নিজের উদ্যোগে সবজি ও মাছ চাষে যে বিশাল বিপ্লবটি করে ফেললেন, তা যাতে টেকসই হয় সে জন্য তাঁদের সহায়তা দিতে হবে। তাঁদের উৎপাদিত খাদ্যকে নিরাপদ করার উদ্যোগ নিতে হবে। এটা সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

বিশেষজ্ঞ অভিমত
কৃষির নতুন প্রযুক্তিতে নজর দিতে হবে
কে এ এস মুরশিদ
মহাপরিচালক, বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)
গ্রামীণ অর্থনীতিতে কৃষি এখনো বড় ভূমিকা রাখে। কৃষির যে উন্নতি আমরা ১০-১২ বছর ধরে দেখছি, তার গতি এখন ধীরে ধীরে শ্লথ হয়ে যাচ্ছে। এ অবস্থায় গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙা করতে হলে কৃষির নতুন প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে। একই সঙ্গে কৃষকের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে হবে।
চালের দাম নিয়ে নীতি নির্ধারকসহ দেশের বিভিন্ন মহলে প্রথাগত মানসিকতা রয়েছে। সবাই মনে করে, চালের দাম কম থাকলে ভালো। চালের দাম নিয়ে এত সংবেদনশীল হওয়ার কিছু নেই। যারা হতদরিদ্র, তাদের বিষয় আলাদা। তাদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা দিয়ে যাওয়া দরকার। সাধারণভাবে বাজারে চালের দাম দু-এক টাকা বেড়ে গেলেই উদ্বেগ–উৎকণ্ঠা তৈরি হয়। এটি ঠিক নয়। কৃষকের উৎপাদিত পণ্যে উপযুক্ত দাম নিশ্চিত করাটা জরুরি।
গ্রামে কৃষির উন্নয়নে ক্ষুদ্রঋণ, মোবাইলের মাধ্যমে অর্থের লেনদেন থেকে শুরু করে কৃষির যান্ত্রিকীকরণ বড় ভূমিকা রাখছে। এসব প্রযুক্তি কৃষকের জন্য সংযোগ ও নানা সুবিধা এনে দিচ্ছে। এমন কোনো নীতিগত উদ্যোগ নেওয়া ঠিক হবে না, যাতে কৃষকের সুযোগগুলো সংকুচিত হয়। সরকারি পর্যায়ে কৃষি পণ্যের বিতরণব্যবস্থা শক্তিশালী করতে হবে। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি ও কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও শক্তিশালী এবং কার্যকর করতে হবে।
আমাদের জাতীয় ও গৃহস্থ পর্যায়ে খাদ্যসংকট একসময় নিয়মিত ব্যাপার ছিল। এখন আমরা সেই স্তর অতিক্রম করেছি। বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় আমাদের প্রধান খাদ্য চালের দাম সহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। এটি স্বস্তির পরিস্থিতি দিয়েছে, যার ওপর ভর করে আমরা এখন আরও সামনের দিকে এগোচ্ছি। এখন আমাদের নিরাপদ খাদ্যের কথা চিন্তা করতে হবে। খাদ্যে যাতে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকারক কিছু না থাকে। অনিরাপদ খাদ্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দুর্বল করে দেবে।
সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকেও এখন সময় উপযোগী করতে হবে। আগের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি যে কাজ করছে না তার বড় প্রমাণ হচ্ছে খোলা বাজারে চাল বিক্রি (ওএমএস) কার্যক্রমে তেমন সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না। তাই এখন সিদ্ধান্ত নিতে হবে আমরা কৃষকের ধান চাষে ভর্তুকি দেব, না অন্য কোথাও দেব।
Thursday, July 18, 2013
হরতালে হরতালে অতিষ্ঠ রোজাদার ও ব্যবসায়ীরা by রাজীব আহমেদ ও এম সায়েম টিপু
সময় কাটার কথা ছিল চূড়ান্ত ব্যস্ততায়।
দোকানে পণ্য তোলা, ক্রেতাকে দেখানো, দামে মিললে বিক্রি করে টাকা বুঝে
নেওয়া- অন্তত রোজার এক মাসে দিনভর ফুরসত মেলার কথা নয় দোকানকর্মীদের।
Friday, June 28, 2013
দ্রব্যমূল্যের পারদ চড়ছে দেশে এসেশবেবরাতে বেড়েছে এক দফা, রমজানেও আশঙ্কা by রাজীব আহমেদ
গত জানুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারে
প্রতি টন অপরিশোধিত সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল এক হাজার ২০০ ডলারের কাছাকাছি।
কয়েক মাস ধরে কমতে কমতে তা এখন এক হাজার ১০০ ডলারের নিচে।
Friday, June 21, 2013
মুনাফার নামে ডাকাতি! by রাজীব আহমেদ
কয়েকটি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের যে দাম হওয়া
উচিত, তার চেয়ে অনেক বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বাজারে। আমদানি খরচের সঙ্গে
পণ্যের কর, বিভিন্ন ধরনের খরচ ও তিন পর্যায়ের মুনাফা যোগ করে বাংলাদেশ
ট্যারিফ কমিশনের দ্রব্যমূল্য মনিটরিং সেল যে কাঙ্ক্ষিত দাম ঠিক করেছে,
Saturday, June 8, 2013
জীবনযাত্রায় স্বস্তির আশা by রাজীব আহমেদ
,
২০০৯ সালে দায়িত্ব নেওয়ার পর মহাজোট
সরকারের জন্য আশীর্বাদ হয়ে এসেছিল ভোগ্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারদর। ওই বছর
জানুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের
দাম কমতে থাকে।
Friday, June 7, 2013
নির্বাচনী রাজনীতির বাজেট by আবুল কাশেম ও রাজীব আহমেদ
জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে অর্থমন্ত্রী
আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৩-১৪ অর্থবছরের যে বাজেট পেশ করেছেন, তাতে অনেক
ক্ষেত্রেই আছে নির্বাচনী চিন্তার প্রতিফলন। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট
সরকারের এটি শেষ বাজেট।
Monday, February 4, 2013
হতাশ কৃষক বোরোবিমুখ by রাজীব আহমেদ
টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার পিচুরিয়া
গ্রামের হজরত আলী বরাবরই বর্গাচাষি। প্রতি বোরো মৌসুমে তিনি ১২০ শতাংশ
জমিতে ধান বোনেন। তবে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেয়ে এ বছর তিনি মালিককে ৭০ শতাংশ
জমি ফেরত দিয়েছেন। অন্য ৫০ শতাংশে করেছেন গমের চাষ।
Monday, January 28, 2013
তদারকহীন হাজারো কারখানার দায় কার by রাজীব আহমেদ
মোহাম্মদপুরের বেড়িবাঁধ এলাকায় 'স্মার্ট এক্সপোর্ট ফ্যাক্টরি' নামের যে কারখানায় আগুন লেগে সাত শ্রমিক মারা গেছেন, সেখানে পোশাক তৈরি হচ্ছিল ইনডিটেক্স নামের একটি আন্তর্জাতিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানের জন্য। ওই প্রতিষ্ঠান ১০০টিরও বেশি কম্পানি ও আটটি ব্র্যান্ডের পোশাকের মালিক।
Friday, January 18, 2013
সারা দেশে এক দামে না বেচলে মামলা-* নিত্যপণ্য সরবরাহ নীতিমালা চূড়ান্ত হতে পারে আজ -* চিনি ও ভোজ্য তেল দিয়ে শুরু by আবুল কাশেম ও রাজীব আহমেদ
চিনি ও ভোজ্য তেল সারা দেশের খুচরা বাজারে একই দামে বিক্রি হবে। দাম ঠিক করবেন ব্যবসায়ীরা, তবে লাগাম থাকবে সরকারের হাতে। বেঁধে দেওয়া দামের চেয়ে বেশি দামে কেউ চিনি বা ভোজ্য তেল বিক্রি করলে সংশ্লিষ্ট পরিবেশকের বিরুদ্ধে মামলা করার সুযোগ থাকবে।
Tuesday, January 15, 2013
যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকে শুল্কমুক্ত সুবিধা সুদূরপরাহত by রাজীব আহমেদ
পোশাক খাতে এক দশক ধরে শুল্কমুক্ত সুবিধার জন্য নানা চেষ্টা-তদবির চালিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে তা পাওয়া যায়নি। কবে নাগাদ এ সুবিধা পাওয়া যাবে, তা এখনো অনিশ্চিত।
Saturday, January 5, 2013
সামান্য টাকায় বিপন্ন মানুষ-আইএমএফের শর্ত মানতে তেলের মূল্যবৃদ্ধি, ভুল সিদ্ধান্ত! by আরিফুজ্জামান তুহিন ও রাজীব আহমেদ
দেশীয় উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্য রপ্তানি আর প্রবাসী শ্রমিকদের পাঠানো রেমিট্যান্স- দুইয়ে মিলে বছরে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয় প্রায় ৪০ বিলিয়ন ডলার। এক দিনে তা দাঁড়ায় ১১ কোটি ডলারের কাছাকাছি।
Tuesday, January 1, 2013
মহাজোট সরকার : ভাল-মন্দের ৪ বছর-কৃষির সুদিন কৃষকের নয় by রাজীব আহমেদ
বিরোধীরা বলবে কৃষকের সাফল্য, পক্ষের লোকেরা বলবে সরকারের সাফল্য। আসলে সাফল্য যারই হোক- বাংলাদেশ এখন চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। শুধু চাল নয়, অন্যান্য কৃষিপণ্যের উৎপাদন বাড়ায় বাংলাদেশকে এখন আর আমদানির পেছনে কাঁড়ি কাঁড়ি বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় করতে হয় না।
Friday, December 7, 2012
বহির্বিশ্বের প্রবল চাপে পড়েছে বিজিএমইএ-যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের রুদ্ধদ্বার বৈঠক by রাজীব আহমেদ
ট্রেড ইউনিয়ন চালু ও কাজের পরিবেশ উন্নত করার চাপ আগে থেকেই ছিল, নতুন করে বেড়েছে তাজরীন ফ্যাশনসে আগুন লেগে ১১১ শ্রমিকের মৃত্যুর পর। ক্রেতা, ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর দেশের কূটনীতিকরা আগের থেকে অনেক জোরালোভাবে এখন ট্রেড ইউনিয়ন চালুর কথা বলছেন, কাজের পরিবেশ উন্নত করার কথা বলছেন। এর ফলে ব্যাপক চাপে পড়েছে বিজিএমইএ।
Monday, December 3, 2012
গার্মেন্টে আগুন নেভানোর সরঞ্জাম বসানোর ধুম by রাজীব আহমেদ
তাজরীন গার্মেন্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শতাধিক প্রাণহানির ঘটনায় আগুন নিয়ে সতর্কতা বহুগুণ বেড়ে গেছে পোশাক কারখানার মালিকদের মধ্যে। কারখানার 'শোপিস' হিসেবে এত দিন মেয়াদোত্তীর্ণ যেসব অগ্নিনির্বাপক সরঞ্জাম ছিল, সেগুলো এখন পাল্টে নিতে শুরু করেছেন তাঁরা।
Thursday, November 29, 2012
পোশাক শ্রমিকদের দাবি বরাবরই উপেক্ষিত-বাধ্য হয়েই নামতে হয় সংঘাতে by রাজীব আহমেদ
পোশাক কারখানার ভাড়ার ওপর ৯ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা ভ্যাট) পুরোপুরি উঠে গেছে। নতুন বাজারে রপ্তানির ক্ষেত্রে মিলেছে নগদ ২ শতাংশ প্রণোদনা। প্রস্তাবিত উৎসে কর ১.২০ থেকে ০.৮ শতাংশে নামিয়ে আনতে বাধ্য হয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
Tuesday, November 27, 2012
'গার্মেন্টপল্লী' হয়নি ১৫ বছরেও-পরিকল্পিত শিল্প হলে ঝুঁকি কমত : বিজিএমইএ by রাজীব আহমেদ
দাবি-দাওয়া নিয়ে পোশাক শিল্পমালিকরা যখন সংবাদ সম্মেলন করেন তখন প্রথম দাবি থাকে উৎসে কর কমানোর। এ নিয়ে তাঁরা অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং সফলও হন।
Subscribe to:
Posts (Atom)
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1756)
-
▼
August
(303)
-
▼
Aug 27
(10)
- দৈনন্দিন খাবারে সিসার ঝুঁকি থেকে কীভাবে মুক্ত হবেন...
- ফিলিস্তিনে কার্যক্রম চালিয়ে যাবে ইউএনআরডব্লিউএ
- ফিলিস্তিনিদের অধিকার রক্ষায় ‘বোর্ড অব পিস’ ব্যর্থ ...
- ইয়েমেনের আল-মাখা বন্দরে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা
- মার্কিন শক্তি প্রদর্শনের মিশনে ব্যর্থ রণতরী আব্রাহ...
- ফিলিস্তিনি শরণার্থী ইস্যু ‘মুছে ফেলতে’ চায় ইসরাইল ...
- ইসরাইলি দখলদারিত্বের অবসান ছাড়া শান্তি আসবে না: জা...
- ভারতে হিজাব পরায় বাধা, ক্ষুব্ধ ওয়াইসি বললেন ‘এটি ই...
- ব্রিটেনে ইসলামি প্রজাতন্ত্র গড়ছেন না মুসলিমরা—এটি ...
- পুরুষের সমস্যা ভেরিকোসিল কেন হয়, চিকিৎসা কী? by অধ...
-
▼
Aug 27
(10)
-
▼
August
(303)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
Recent Comments
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
Cox's Bazar Us Categories
প্রথম আলো
আন্তর্জাতিক
মানবজমিন
আলোচনা
কালের কণ্ঠ
উপ-সম্পাদকীয়
যুগান্তর
প্রথম পাতা
মতামত
জাতীয়
সমকাল
নয়া দিগন্ত
রাজনীতি
জনকণ্ঠ
সুশীল কথন
ভারত
অর্থনীতি
শেষের পাতা
বিনোদন
ক্রিকেট খেলা
যুক্তরাষ্ট্র
দেশে দেশে
মধ্যপ্রাচ্য
স্পেশাল প্রতিবেদন
নির্বাচন
প্রথম আলো
খেলা
খোলা কলম
আইন আদালত ও বিচার
আমার দেশ
ইসরায়েল
ফুটবল খেলা
বাংলানিউজ
মুক্তধারা
স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা
ফিলিস্তিন
Lead
রাজধানী
অপরাধ
আন্দোলন
এক্সক্লুসিভ
আইন ও মানবাধিকার
নারী
শিক্ষা
বিএনপি
ইরান
সারা বিশ্ব
ক্রিকেট
সাহিত্য
পাকিস্তান
মুক্তমঞ্চ
আওয়ামী লীগ
বাংলা ট্রিবিউন
শিশু
দুর্নীতি
সারা দেশ
বিশাল বাংলা
চট্টগ্রাম
ব্রেকিং নিউজ
সাউথ এশিয়ান মনিটর
সিলেট
কালবেলা
ক্রীড়া
পার্সটুডে
অর্থ
খালেদা জিয়া
অর্থ ও বাণিজ্য
শিল্প বাণিজ্য
চীন
বিবিসি বাংলা
কাশ্মীর
চতুরঙ্গ
খবরাখবর
প্রধানমন্ত্রী
বিশ্ব
নতুন বার্তা
হত্যা
ধর্ম
স্মরণ
গল্প
যুক্তরাজ্য
শিক্ষাঙ্গন
মুসলিম
শেখ হাসিনা
ফুটবল
বার্তা২৪ ডটনেট
রস+আলো
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
সাক্ষাৎকার
জাতিসংঘ
রাশিয়া
মুক্তিযুদ্ধ
মিডিয়া
হরতাল-অবরোধ
খেলা ধুলা
ছাত্রলীগ
ইউরোপ
প্রতিবেদন
ইতিহাস
সোহরাব হাসান
জামায়াতে ইসলামী
সৌদি আরব
অমানবিক
পশ্চিমবঙ্গ
আলোকিত চট্টগ্রাম
আইন
চাষাবাদ- কৃষি ও কৃষক
ফিচার
ভ্রমণ
মিজানুর রহমান খান
ওয়েছ খছরু
খোলা চোখে
বাংলাদেশ-ভারত
ইসলাম ও সমাজ
সিরিয়া
যৌন নির্যাতন
নারায়ণগঞ্জ
নারী ধর্ষণ
জাতীয় সংসদ
আনন্দ
খেলাধুলা
বিজ্ঞান ও গবেষণা
ব্যাংকিং ও বিনিয়োগ
আফ্রিকা
মাদক
সন্ত্রাস
আনিসুল হক
যৌন আবেদনময়ী
সংখ্যালঘু
প্রবাস
ছুটির দিনে
মুহাম্মদ আবদুল মুনিম খান
সৈয়দ আবুল মকসুদ
তুরস্ক
নকশা
বিজ্ঞান প্রজন্ম ও কম্পিউটার
আফগানিস্তান
গোল্লাছুট
বইপত্র
অন্য আলো
ড. মুহাম্মদ ইউনূস
প্রতারণা
ছবি
টাইমস্ আই বেঙ্গলী
প্রকৃতি
ব্যবসা বাণিজ্য
দুর্ঘটনা
অপহরণ
সাহিত্যালোচনা
ইউক্রেন
গার্মেন্টস শিল্প শ্রমিক
জাতীয় পার্টি
রাজশাহী
স্টেডিয়াম
দীন ইসলাম
মানবাধিকার
তরুণ প্রজন্ম
ফূটবল খেলা
হিন্দু
রোহিঙ্গা
মিজানুর রহমান
মশিউল আলম
আইন ও বিচার
আলী যাকের
স্বাস্থ্য
রুদ্র মিজান
মানবকণ্ঠ
খুলনা
হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ
আব্দুল কাইয়ুম
মালয়েশিয়া
তারেক শামসুর রেহমান
আসিফ নজরুল
নেপাল
আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী
সাজেদুল হক
ফারুক ওয়াসিফ
কাফি কামাল
মৌলভীবাজার
হাসান ফেরদৌস
আনন্দ কণ্ঠ
তৃতীয় পাতা
যাপিত জীবন
জ্যোতির্বিজ্ঞান
সড়ক দুর্ঘটনা
আলী রীয়াজ
ক্রিখেট খেলা
ফুটবল খলা
বদরুদ্দীন উমর
মরিয়ম চম্পা
রংপুর
টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া
নতুনের জানালা
বৃষ্টি ও বন্যা
মোস্তফা কামাল
শিল্প ও সাহিত্য
কক্সবাজার
এ এম এম শওকত আলী
বন্ধুসভা
সংবিধান ও রাষ্ট্র
ঢাকা
বগুড়া
মিয়ানমার
ঈদ বিশেষ সংখ্যা
বাংলাদেশ
অবৈধ-অনিয়ম-কারচুপি
এ কে এম জাকারিয়া
গবেষণা
নির্বাচনী কূটনীতি
বদিউল আলম মজুমদার
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
মিসর
এম আবদুল হাফিজ
পরিবেশ
শোক
সংস্কৃতি
খবর
বাংলাদেশে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া
শুভ্র দেব
অজয় দাশগুপ্ত
প্রজন্ম ডট কম
আবুল কাশেম
আমদানি ও রপ্তানি
ফ্রান্স
কিশোরগঞ্জ
আবদুল মান্নান
জাপান
রঙের মেলা
লেবানন
ঐতিহ্য
কুমিল্লা
জীবনযাপন
মুক্তমত
শিল্প
মাহমুদুর রহমান
রাজনৈতিক আলোচনা
শরিফুল হাসান
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল
ময়মনসিংহ
সংবাদ২৪.নেট
পার্বত্য চট্টগ্রাম
সীমান্ত সন্ত্রাস
আহমদ রফিক
ইফতেখার মাহমুদ
কাজের খবর
ইরাক
স্বপ্ন নিয়ে
টাঙ্গাইল
যশোর
HotTopic
মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর
অমর সাহা
আনোয়ার হোসেন
আলী ইমাম মজুমদার
গাজীপুর
রাষ্ট্রভাষা আন্দোলন
আবুল মোমেন
চিকিৎসা
থাইল্যান্ড
মুফতি এনায়েতুল্লাহ
শ্রীলঙ্কা
সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়
Exclusive
মেহেদী হাসান
কলকাতা
পরিবেশ-জীববৈচিত্র্য
রসালোচনা
কামরুজ্জামান মিলু
তথ্য প্রযুক্তি
বরগুনা
আনু মুহাম্মদ
কাজী সোহাগ
স্মৃতিচারণ
কুলদীপ নায়ার
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়
সারাবেলা
ব্রাজিল
অস্ট্রেলিয়া
মারুফ কিবরিয়া
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
অন্য দিগন্ত
মহিউদ্দীন জুয়েল
মানসুরা হোসাইন
মুনতাসীর মামুন
শিরোনাম
শেখ রোকন
আবু সাঈদ খান
জেল থেকে জেলে
ফেসবুক
মহিউদ্দিন আহমদ
সংবাদ
কবিতা
বিশ্বজিৎ চৌধুরী
আলী হাবিব
প্রকৃতি ও পরিবেশ
শিল্প ও বাণিজ্য
শেষ পাতা
আবু আহমেদ
এম সাখাওয়াত হোসেন
নুরুজ্জামান লাবু
নূর মোহাম্মদ
সুভাষ সাহা
আতাউস সামাদ
আলোচনা মতামত
ইয়েমেন
মসজিদ
অর্থনীতি ও বানিজ্য
এবিএম মূসা
আতাউর রহমান
কামাল আহমেদ
পিয়াস সরকার
আসাম
রংবেরং
রাহীদ এজাজ
শ্রদ্ধাঞ্জলি
আশরাফুল ইসলাম
ফেনী
বরিশাল
রণজিৎ বিশ্বাস
রোকনুজ্জামান পিয়াস
অরুণ কর্মকার
প্রকৃতি ও বিজ্ঞান
মোস্তফা হোসেইন
একরামুল হক
আশীষ-উর-রহমান
একরামুল হক শামীম
তুহিন ওয়াদুদ
উত্তর কোরিয়া
জলবায়ু ও পরিবেশ
ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ
অপরাজিতা
ইন্দোনেশিয়া
কালি ও কলম
জাগোনিউজ২৪.কম
মইনুল ইসলাম
মানিকগঞ্জ
মুহম্মদ জাফর ইকবাল
মোশতাক আহমেদ
আশরাফুল হক রাজীব
ফরহাদ মাহমুদ
প্রণব বল
শংকর কুমার দে
সেলিম জাহিদ
আবুল কালাম মুহম্মদ আজাদ
কামরুল হাসান
পার্থ প্রতীম ভট্টাচার্য্য
রাজীব আহমেদ
শিল্পী
সাময়িকী ফ্যাশন
দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু
বিদ্যুৎ
মোরসালিন মিজান
রবার্ট ফিস্ক
কুষ্টিয়া
অভিজিৎ ভট্টাচার্য্য
ঈদ
কাজী সুমন
ঝিলিমিলি
মুস্তাফা জামান আব্বাসী
জাতীয় নাগরিক পার্টি
নিবন্ধ
মনজুরুল হক
মহসীন হাবিব
মাহবুব মোর্শেদ
রফিকুল ইসলাম
শিলালিপি
শুভ রহমান
চৌধুরী মুমতাজ আহমদ
ছিটমহল
jugantor
নোবেল পুরস্কার
পাঠকের মতামত
পাবনা
মোশাররফ বাবলু
তানভীর সোহেল
মামুন রশীদ
আনন্দ প্রতিদিন
উচ্চশিক্ষা
উৎপল রায়
এনামুল হক
কাজল ঘোষ
নদী দূষণ
নাটোর
নিত্যপণ্য
ফাহিমা আক্তার সুমি
বাংলা নববর্ষ
চারু শিল্প
জনস্বাস্থ্য
ভেনেজুয়েলা
শওকত হোসেন
নজরুল ইসলাম
নিউজিল্যান্ড
বিজ্ঞান
পার্থ সারথি দাস
প্রযুক্তি
মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
গোলাম মর্তুজা
ফরহাদ মজহার
শারমিন নাহার
principalsanaullah
আদিবাসী
কালের খেয়া
দিল্লি
ফখরুল ইসলাম
বাংলাদেশ প্রতিদিন
মুখোমুখি প্রতিদিন
মোহীত উল আলম
রাহাত খান
অমিতোষ পাল
কাতার
গল্পালোচনা
পানি আগ্রাসন
বিশ্বজিৎ পাল বাবু
মাহবুব তালুকদার
আব্দুল কুদ্দুস
কানাডা
বিদেশ
WikiOpinion
তোফায়েল আহমেদ
তৌহিদা শিরোপা
আলোকিত বাংলাদেশ
কাদের সিদ্দিকী
ড. আবু এন এম ওয়াহিদ
ফারুক মঈনউদ্দীন
মোছাব্বের হোসেন
উৎপল শুভ্র
দিনাজপুর
নোমান মোহাম্মদ
সুদীপ অধিকারী
অরূপ দত্ত
পাভেল পার্থ
ফরিদপুর
ফিরোজ মান্না
মাসুদ পারভেজ
রোজিনা ইসলাম
শরিফুজ্জামান
শিশির মোড়ল
হামিদ-উজ-জামান মামুন
আকমল হোসেন
আজিজুর রহমান
আলম শাইন
ঝড় ও দুর্যোগ
তারেক মাহমুদ
দীপংকর চন্দ
পাভেল হায়দার চৌধুরী
ফখরে আলম
মাসুদ রানা
শহিদুল ইসলাম
আবুল হাসনাত
আসিফ আহমেদ
ইশতিয়াক পারভেজ
জিয়া চৌধুরী
হারুন হাবীব
হুমায়ূন আহমেদ
অমিত বসু
আল আমিন
ওমর ফারুক
ফজলুল বারী
ফারুক চৌধুরী
মাসুদ মিলাদ
শর্মিলা সিনড্রেলা
শাহাদুজ্জামান
হায়দার আকবর খান রনো
জাবেদ রহিম বিজন
জাহাঙ্গীর আলম
ট্রানজিট
নন্দন
যতীন সরকার
যুবলীগ
লাতিন আমেরিকা
আরিফুজ্জামান তুহিন
কাজী আনিছ
খাবার
গাজীউল হাসান খান
তারেক রহমান
বাংলার দিগন্ত
মোহাম্মদ কায়কোবাদ
শেখ হাফিজুর রহমান
শৈলী
সাতকানিয়া
সুদান
কাজী হাফিজ
জার্মানি
জোবাইদা নাসরীন
নিয়ামত হোসেন
মাহফুজুর রহমান মানিক
লুৎফর রহমান রনো
ইমরান আলী
এস এম আজাদ
জাহাঙ্গীর শাহ
মাহমুদুর রহমান মান্না
মুশফিকুর রহমান
সাতক্ষীরা
ইকতেদার আহমেদ
উৎসব
ঝিনাইদহ
মাসুদা ভাট্টি
মোকারম হোসেন
শেখ সাবিহা আলম
সিরাজগঞ্জ
সৈয়দ মাহবুবুর রশিদ
হারুন আল রশীদ
WikiEducation
উজ্জ্বল মেহেদী
কনকচাঁপা
ড. মাহফুজ পারভেজ
পরিতোষ পাল
মিঠুন চৌধুরী
শাহদীন মালিক
হায়দার আলী
আরব আমিরাত বা দুবাই
আহমেদ জামাল
ইমদাদুল হক মিলন
নওগাঁ
পোশাকশিল্প
বাতায়ন
ব্যবসা
আবু সালেহ আকন
এমাজউদ্দীন আহমদ
টিপু সুলতান
ড. মাহবুব উল্লাহ্
ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী
শোকাবহ ১৫ ও ২১ আগস্ট
WikiInternational
এবনে গোলাম সামাদ
পারভেজ খান
ফজলুল আলম
ফরিদা আখতার
বিভাষ বাড়ৈ
মাহমুদুজ্জামান বাবু
মুনির হাসান
মোশতাক আহমদ
সুনামগঞ্জ
আপেল মাহমুদ
জহির উদ্দিন বাবর
নোয়াখালী
রিপন আনসারী
শরীফুল ইসলাম
সুব্রত আচার্য্য
উপন্যাস
কাল স্রোত
ক্রীড়া দিগন্ত
খোন্দকার ইব্রাহিম খালেদ
গাজীউল হক
জাহীদ রেজা নূর
লিবিয়া
শাহনেওয়াজ বিপ্লব
সাইদুজ্জামান
সাময়িকী
অধ্যাপক শুভাগত চৌধুরী
অনন্যা আশরাফ
অনিকা ফারজানা
আদিত্য আরাফাত
ইফতেখার আহমেদ টিপু
কামাল লোহানী
ড. সা'দত হুসাইন
তামান্না ইসলাম অলি
দক্ষিণ কোরিয়া
ফারজানা লাবনী
ফারুক যোশী
মনজুর আহমেদ
রিয়েল-টাইম নিউজ
আসজাদুল কিবরিয়া
জলবায়ু
বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য বাপন
মমতাজউদ্দীন পাটোয়ারী
রশিদ মামুন
লক্ষ্মীপুর
সম্পাদকীয়
সাইফুদ্দীন চৌধুরী
সুমন বর্মণ
BBC
ইমরান রহমান
ইলিরা দেওয়ান
ইসলাম
এম শাহজাহান
কাক ছোট গল্প
ছিনতাই
নওশাদ জামিল
নুরুন্নবী চৌধুরী
প্রতীক ওমর
বার্তাটোয়েন্টিফোর.কম
বিকাশ দত্ত
মনিরুজ্জামান
মহিউদ্দিন আহমেদ
উইঘুর মুসলিম
দৈনিক ইত্তেফাক
পিটার কাস্টার্স
পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রিয় চট্রগ্রাম
বাজেট
বাণিজ্য
মোবাশ্বির আলম মজুমদার
সঞ্জয় সাহা পিয়াল
হবিগঞ্জ
Hot Topic
খুন
টাকা আনা পাই
মাহবুবুর রহমান
শুভজ্যোতি ঘোষ
হাছান কুতুবী
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
অমর একুশে বিশেষ সংখ্যা ২০১২
Fantastic
আবিষ্কার
ড. কামাল
দৈনিক ইনকিলাব
ফিলিপাইন
ভুটান
সাভার
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ
নিয়ন আলোয়
শফিক রহমান
শামীমুল হক
শেয়ারবাজার
আইন আদালত
ইতালি
গ্রিনল্যান্ড
জোহরান মামদানি
নারী নির্যাতন
পটুয়াখালী
ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
মণিপুর
মাগুরা
মেক্সিকো
অনিম আরাফাত
কিরণ শেখ
জাভেদ ইকবাল
দুদক
মহাকাশচারী
রাঙ্গামাটি
Art Mag
আরিফুল ইসলাম
প্রতিবাদ
প্রবাসী বাঙালি
বান্দরবান
মালদ্বীপ
শফিকুল ইসলাম
শিক্ষানীতি
সংবিধান
ডিডাব্লিউ
শরিফ রুবেল
কূটনীতি
গাইবান্ধা
ঝালকাঠি
নরসিংদী
নাইজেরিয়া
বায়ুদূষণ
যৌন অপরাধ
শাহনাজ পারভীন
স্বাধীনতা
WikiCity
WikiPolitics
জলবায়ু পরিবর্তন
বৌদ্ধ
মতিউর রহমান চৌধুরী
WikiInterview
আকবর হোসেন
ইসলামী ছাত্রশিবির
কিশোর আলো
দৈনিক সংগ্রাম
Exclusive Articles
WikiEconomy
WikiLaw
ইহুদি
ঘূর্ণিঝড়-হারিকেন
বাগেরহাট
ভূমিকম্প
রাজনৈতিক
সমিতির খবর
সানজানা চৌধুরী
সায়েদুল ইসলাম
অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল
আমাদের সময় ডট কম
কুতুবদিয়া স্পেশাল
খাগড়াছড়ি
চুয়াডাঙ্গা
ধর্মঘট
স্পেন
আইন ও আদালত
কাদির কল্লোল
তাইওয়ান
দুর্গোৎসব ও পূজা
দৈনিক আমার সংবাদ
নববর্ষ বিশেষ সংখ্যা 2013.
নূরে আলম সিদ্দিকী
প্রতিক্রিয়া
বিডিআর বিদ্রোহ
ব্যাংক
মুন্সীগঞ্জ
শিশুসাহিত্য
খ্রিষ্টধর্ম
গদ্যকার্টুন
প্রতিদিনের সংবাদ
ভোরের কাগজ
রুমিন ফারহানা
Hit
আর্জেন্টিনা
গণমাধ্যম
পিরোজপুর
বন্যা
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
সরল গরল
Asia
ডেনমার্ক
পরামর্শ
প্রকৃত্
ভাষা
ভোলা
MERIT
Soikot
WikiWoman
আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
উন্নয়ন
জর্ডান
জ্বালানি
পিলখানা হত্যাকাণ্ড
ফ্যাশন
রঞ্জন বসু
সাংসদ
হরতাল
WikiCrime
উইকিলিকস
ক্রিকেট ও রাজনীতি
গণতন্ত্র
গোপালগঞ্জ
চাঁদপুর
চিত্রকর্ম
ছাত্ররাজনীতি
জঙ্গিবাদ
জন্মদিন
তেল-গ্যাস
দক্ষিণ ধুরুং
দূর পরবাস
নাকিবুল আহসান নিশাদ
নারী অধিকার
নোবেল শান্তি পুরস্কার
পঞ্চগড়
পরীক্ষা
বিজয় দিবস
মেঘালয়
রাঙামাটি
সুশাসনের জন্য নাগরিক
হামলা
আন্দালিব রাশদী
ঈদুল আজহা
এনটিভি
কক্সবাজার নিউজ ডটকম
কলম্বিয়া
কুতুবদিয়া নিউজ
চট্টগ্রাম বন্দর
চিঠিপত্র
ছাত্র রাজনীতি
ঠাকুরগাঁও
ডিজিটাল বাংলাদেশ
তথ্য অধিকার
তিউনিসিয়া
দ্বিজেন শর্মা
নির্যাতন
নড়াইল
প্রবাসী শ্রমিক
বেলজিয়াম
ভারতের প্রধানমন্ত্রী
মৃত্যু
শারদীয় দুর্গোত্সব
শিশুমৃত্যু
শিশুহত্যা
সালমান রাফি শেখ
সুবীর ভৌমিক
সুশাসন
সোমালিয়া
স্মৃতি
হংকং
Africa
My Art
অধিকার
আন্তর্জাতিক নারী দিবস
একুশে টেলিভিশন
কুয়েত
চুক্তি
দুর্যোগ
নির্বাচন ও রাজনীতি
নেত্রকোণা
পরিবহন
পর্যটন কেন্দ্র
প্রশাসন
ফ্রান্সিস বুলাতসিঙ্ঘালা
বিশ্বকাপ ফুটবল
বড়ঘোপ
ভি এস নাইপল
ভৈরব
মরক্কো
মাওবাদী
মামলা
যানজট
লেমশীখালী
সংসদ
সমাজ
সামাজ
সুন্দরবন
সৈয়দ দিদার বখত
Middle East
Principal Sanaullah
Special Day
অগ্নিসংযোগ
অমৃতবাজার পত্রিকা
অরবিন্দ কেজরিওয়াল
আইন ও অধিকার
আগুন ও মৃত্যু
আজকের কাগজ
আল মাহমুদ
আহসান কবির
এম.এ মান্নান
এল সালভাদোর
ওমান
কমল জোহা খান
কিউবা
খাদ্যসমস্যা
চাঁপাইনবাবগঞ্জ
জঙ্গি
জর্দান
তথ্য অধিকার আইন
দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
পানামা
পূর্বপশ্চিম
প্রাণি ও উদ্ভিদ
বঙ্গবন্ধু হত্যা বিচার
বন্য প্রাণী
বেলুচিস্তান
ভিয়েতনাম
ভোরের ঈদ ১৯
ভয়েস অফ আমেরিকা
যায়যায়দিন
লালমনিরহাট
শিক্ষা অধিকার
শিক্ষা ও সমাজব্যবস্থা
শিশুশিক্ষা
শেরপুর
শ্রমিক
সন্ত্রাসবাদ
সুইডেন
সুজন সুপান্থ
NEWS
Palestine
fd
অরণ্যে রোদন
অরুণাচল
অর্থনৈতিক
অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক
আহমেদ মুনির
ইকরাম সেহগাল
উত্তর ধুরুং
উমর মনজুর শাহ
একুশে ফেব্রুয়ারি
ঐতিহাসিক
কিশোরকণ্ঠ
কুড়িগ্রাম
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
কোরবান
ঘূর্ণিঝড়
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন
জাইমা রহমান
জাদুঘর
জামালপুর
জীবন
জেসমিন আখতার
জ্বালানি তেল
টেলিভিশন
তথ্যপ্র্রযুক্তি
তুষার আবদুল্লাহ
দেশপ্রেম
দৈনিক কক্সবাজার
নাগরিক সংবাদ
নারীঅধিকার
নিরাপত্তা
নির্বাচিত
নেদারল্যান্ডস
পাহাড়
পয়লা বৈশাখ
বঙ্গবন্ধু
বন্দর
বিশ্ব অর্থনীতি
ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা
মহান বিজয় দিবস
মা
মাদারীপুর
মানবতা
মানববন্ধন
মিজোরাম
মিডিয়া ভাবনা
মে দিবস
রাজবাড়ী
শরীয়তপুর
শিক্ষা দিবস
শিক্ষা-প্রশাসন
শুভ বড়দিন
সজীব ওয়াজেদ জয়
সময়চিত্র
সরেজমিন প্রতিবেদন
সাতকানিয়া পৌরসভা
সিঙ্গাপুর
সুইজ়ারল্যান্ড
সুশান্ত মজুমদার
স্মরণ সভা
স্মর্রণ
হাসান আজিজুল হক
America
Burma
Child
China
Hot Video
Huw Cordey
Latin America
Marwan Barghouti
Tom Geoghegan
Tom Heap
Washington
kolkata24x7
অমানবিকতা
অ্যান্টার্কটিকা
আহমদ ছফা
উখিয়া
উত্সব
উদ্যোগ
এসিড-সন্ত্রাস
ওয়াসি আহমেদ
কর্মসূচি
কেনিয়া
ঘড়ি
চট্টগ্রাম বন্দর
চাকরি
চারদিক
চীন ও জাপান
জনসংখ্যা
জাকির তালুকদার
জাহাজ
জাহিদ হোসাইন খান
জায়গা
জায়মা জারনাজ রহমান
জীবনী
জেলহত্যা দিবস
জ্বালানী সম্পদ
ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন
ড. সাজিদ হক
ডিজিটাল
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন
তিব্বত
ত্রিপুরা
নগরজীবন
নরওয়ে
নিবন্ধন
নীলফামারী
পবিত্র আশুরা
পবিত্র ঈদুল ফিতর
পরিকল্পনা
পানিসম্পদ
পুলিশ
পেরু
পোল্যান্ড
প্যারিস
প্রান্তকথা
প্রিয়.কম
প্রেক্ষিত
বর্নাঢ্য র্যালী
বলিভিয়া
বাংলাভিশন
বাজারসুবিধা
বাস্তবসম্মত
বিচার
বিশ্ব খাদ্য দিবস
বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস
বিশ্ব নদী দিবস
বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস
বিশ্ব শিক্ষক দিবস
বিশ্ববিদ্যালয়
ব্যবস্থাপনা
ব্যাংক ব্যবস্থা
ব্রিটিশ
ভাষাসৈনিক
মাহমুদ আহমাদ
মুস্তাফিজ মামুন
মোস্তফা সরয়ার ফারুকী
যুদ্ধ ও শান্তি
যুদ্ধাপরাধ
যুদ্ধাপরাধের বিচার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
লবন চাষ
লামিনে ইয়ামাল
শহীদের স্মৃতি
শান্তি
শিল্প ও পরিবেশ
শিশুশ্রম
সন্ত্রাস ও রাজনীতি
সহজিয়া কড়চা
সিগন্যাল
সেলিনা হোসেন
স্বাধীন
স্বাস্থ্যনীতি
স্মরণ মুক্তিযুদ্ধ
স্মৃতিঘর
হাসপাতাল
Afghanistan
Bangladesh
Brazil
CNN
California
Comments
Croatia
Delhi
Denise Winterman
Dome of the Rock
God Mag
Google
Hugh Schofield
India
Indonesia
Jane O'Brien
Japan
Jeremy Bowen
Jerusalem
Jon Kelly
Kareem Khadder
Kate Dailey
Kim Ghattas
Lead News
Libya
Mahfuz Anam
Michal Zippori
New York
Nigeria
Pakistan
Paris
Paul Colsey
Qamrul Islam
Rosie Goldsmith
Rupert Wingfield-Hayes
Sanjoy Majumder
Source
South Sudan
The Daily Star
The Telegraph
Thomas Fessy
Tours
Vietventures
Wall Street
World's Last Chance
Young
a excellent photo in Kutubdia Island
bdnews24
google search
image
অদিতি ফাল্গুনী
অযোগ্যদে
অসারপনা
আইনকানুন
আজারবাইজান
আদিবাসী দিবস
আনোয়ারা সৈয়দ হক
আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস
আফসার আমেদ
আবদুল লতিফ মাসুম
আবু আজাদ
আশান উজ জামান
আহমদ ফাহমি
ইথিওপিয়া
ইভ টিজিং
ইমরান খান
ইমাম খাইর
ইসলাম ও জীবন
ঈদের খুশি ও আনন্দ
ঈদের বেতন
উজবেকিস্তান
উপনির্বাচ
উপনির্বাচন
উর্দুভাষী
এ পি জে আবদুল কালাম
একুশে ফেব্রুয়ারি:
ঐতিহাস
ওবামা
কক্সবাজার নিউজ
কমিল্লা
কম্বোডিয়া
কলকাতার চিঠি
কাকন রেজা
কাজাখস্তান
কাটরা
কানাই কুণ্ডূ
কালের পুরাণ
কুতুবদিয়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়
কৈয়ারবিল
ক্রসফায়ার
ক্ষত
ক্ষমাপ্রার্থনা
ক্ষুদ্রঋণ
কয়লানীতি
খায়ের মাহমুদ
খোন্দকার শওকত হোসেন
গাম্বিয়া
গোধূলি
গোড়ার
গৌড়
গ্রামীণ অর্থনীতি
গ্রেপ্তার
ঘূর্ণিঝড় সম্পাদকীয়
ঘোড়া
চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচন
চরমোনাই পীর
চলতি পথে
চাঁদ
চাদ
চিনি
চিরকুট
চিলি
চেয়ারম্যান
ছাত্র-রাজনীতি
ছাড়পত্র
ছুটিদন
জজ হত্যা দিবস
জনদুর্ভোগ
জনস্বাস্থ্যের
জবাবদিহি
জম্মদিন
জলদস্যু
জাতিগত সহিংসতা
জারদারি
জি. মুনীর
জীবনযুদ্ধ
জীবিকা
জুমকন্যার
জ্বালানি রাজনীতি
জ্বালানি সম্পদ
জ্বালানিসম্পদ
জয়পুরহাট
ঝুঁকি
ঝুঁকি হ্রাস দিবস
টিপাইমুখ
টিপাইমুখ বাঁধ
টিপাইমুখে বাঁধ
টিভি চ্যানেল
টোঙ্গা
ঢাকা টাইমস
তানজির আহমেদ রাসেল
তুর্কমেনিস্তান
তেঁতুল
তেলকূপ দুর্ঘটনা
তেলিরকাটা
দক্ষিণ মগডেইল
দারিদ্র্য বিমোচন
দায়গুলো
দায়িত্ব
দুই দু’গুণে পাঁচ
দুর্গ
দূর পরবাসে
দেবনারায়ণ চক্রবর্তী
দৈনিক আজাদী
নগরদর্পণ
নদীকৃত্য দিবস
নববধূ
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন
নারীর ক্ষমতায়ন
নাসরীন জাহান
নাসিমা আনিস
নাসির উদ্দিনের স্বাভাবিক মৃত্যু
নিকারাগুয়া
নিজাম কুতুবী
নিপীড়ন
নিরাপতা
নির্বাসনে
নিষেধাজ্ঞা’
নূরে আলম জিকু
নেতা ইমরান খান
নেতৃত্বে
নোযাখালী
পণ্যবাজার
পদক
পবিত্র হজ
পররাষ্ট্রনীতি
পরিস্থিতি
পর্তুগাল
পাঠকের মন্তব্
পাপুয়া নিউগিনি
পাপড়ি রহমান
পাসপোর্ট
পাহাড়ধস
পিলখানা হত্যা
পোশাক
প্রশ্নবিদ্ধ
প্রস্তাবিত
প্রাণীজী
প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ
প্রয়াণ
ফাঁসি
ফিনল্যান্ড
ফেরি ও পন্টুন
বঙ্গবন্ধু হত্যা
বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন
বঞ্চনা
বনসম্পদ
বরিশাল ছাত্রলীগ
বর্ণবৈষম্যবিলোপ দিবস
বাঁকখালী
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি
বাংলাদেশের পতাকা
বার্লিন দেয়াল
বাল্যবিয়ে
বাস্তবা
বাস্তবায়
বিচার বিভাগ
বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড
বিজ্ঞানচিন্তা
বিজ্ঞাপন
বিজয়
বিদ্যুত
বিদ্যুৎ-সংকট
বিদ্যুৎকেন্দ্রে
বিপ্রদাশ বড়ুয়া
বিলবোর্ড দুর্ঘটনা
বিলেতের স্ন্যাপশট
বিশ্ব কুষ্ঠ দিবস
বিশ্ব পরিবেশ দিবস
বিসিবি
বুলবন ওসমান
বুড়িগঙ্গা
বৃক্ষরোপণ
বৈশ্বিক উষ্ণায়ন
বৈষম্য
বোরহানউদ্দিন খান জাহাঙ্গীর
ব্যারিস্টার নাজির আহমদ
ব্রুনাই
বড়পুকুরিয়া
ভাজিরালংকর্ন
ভালোবাসা
ভাষণ
ভেজাল
ভোজ্যতেল
মংলা থেকে
মঈনুল হাসান
মঙ্গোলিয়া
মঞ্জু সরকার
মনযূরুল হক
মনি হায়দার
মন্ত্রিসভা
মাওবাদী সহিংসতা
মাতৃভাষা ও পরভাষা
মানচিত্র নিউজ
মানসিক স্বাস্থ্য দিব্স
মানসিকতা
মালি
মাল্টা
মাহবুব রেজা
মাহামুদা খাতুন
মিথিলেশ ভট্টাচার্য
মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম
মুরগি জমা
মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন
মূল্যস্ফীতি
মৃত্যু ও কিছু ভাবনা
মোহাম্মদ কামরুজ্জামান
মোহাম্মদ মোশাররফ হুসাইন
ম্যাডোনা
ম্যান্ডেলা দিবস
যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল
যুদ্ধাপরাধ-বিচার
রক্ত
রদ্ধাঞ্জলি
রবাণিজ্যে
রাগবি
রাজনৈতিক সংস্কৃতি
রাজপথ
রাষ্ট্রীয়
রাস্তার
রিয়াল মাদ্রিদ
রুবেল হোসেনের
রেলওয়ের
রোমাঞ্চিত
রোমানিয়া
র্বিজ্ঞান
শক্তিশালী
শঙ্কা
শরীরের
শশী থারুর
শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস
শাকিরা
শাহ্নাজ মুন্নী
শায়খ আহমাদুল্লাহ
শিক্ষক খুন
শিক্ষক-রাজনীতি
শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস
শিক্ষাচিত্রে
শিক্ষাবিদের
শিবের গীত
শুঁটকি উৎপাদন
শেরাটনীয়
শোনা
শ্রদ্ধাঞ্জল
শ্রমবাজার
শ্রমশক্তি
ষড়যন্ত্র
সংকট
সংঘাত
সংশোধন
সঙ্গী
সততা
সন্দেশ
সমন্বয়সাধন
সমাজ ও নারী
সমুদ্রস্নান
সময়
সময় নিউজ টিভি
সময়ের প্রতিবিম্ব
সরকার
সাংবাদ
সাইক্লোন শেল্টার
সাইপ্রাস
সাজিদ গ্রেফতার
সাদাসিধে কথা
সাদিয়া মাহ্জাবীন ইমাম
সামন্ততন্ত্র
সামরিক শাসন
সামাজি
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম
সাহসী
সিডনি
সিয়াম
সুপ্রভাত
সূর্যে
সেচসুবিধা
সোনার বাংলা
স্কাইপি
স্বকৃত নোমান
স্বচ্ছতা
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর
স্বাধীনত
স্বাধীনতাযুদ্ধ
স্বামী
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স
স্বীকৃতি
স্মৃত-নিদর্শন
স্মৃতিসৌধ
স্মৃতিসৌধে
স্লোভাকিয়া
হত্যা ও হরতাল
হাইতি
হামিদ মীর
হুগজিল্ট
