Tuesday, August 27, 2019
রাশিয়ায় এয়ারশোতে ইরানি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন
![]() |
| ইরানি স্টল |
মস্কোর পূর্বাঞ্চলে ঝুকোভস্কি শহরে আজ থেকে 'মাক্স-২০১৯' নামের আন্তর্জাতিক এয়ারশো শুরু করেছে। এতে ইরানসহ ১৭টি দেশ অংশ নিচ্ছে। আগামী ১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এই এয়ারশো চলবে। এই এয়ারশোতে ৩৪০টির বেশি কোম্পানি তাদের সর্বশেষ সাফল্য প্রদর্শন করছে।
এই এয়ারশোতে এবার ইরানি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী আব্দুল করিম বানি তারাফি।
ইরানি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেছেন, এই এয়ারশোতে ইরানি স্টলে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছাড়াও একটি প্রশিক্ষণ বিমান, বিমানের ইঞ্জিন ও কয়েকটি ড্রোন প্রদর্শন করা হচ্ছে।
![]() |
| ইরানি স্টল |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘এটা সত্তরের দশক নয়’: কাশ্মীরে ‘জরুরি অবস্থার’ প্রতিবাদে ক্ষুব্ধ আইএএস কর্মকর্তার পদত্যাগ

গোপিনাথান দ্য ওয়্যারকে বলেন, “এটা ইয়েমেন নয়, আর সময়টা সত্তরের দশকও নয় যে, পুরো একটা জনগোষ্ঠির মৌলিক অধিকারকে লঙ্ঘন করা হবে আর কেউ সেটা নিয়ে কিছু বলবে না। একটা পুরো অঞ্চলকে ২০ দিন ধরে সার্বিকভাবে অবরোধ করে রাখা হয়েছে। এটা নিয়ে আমি নীরব থাকতে পারি না। এর জন্য আমাকে আইএএসের চাকরি ছাড়তে হলেও ছাড়বো, এবং সেটাই আমি করেছি”।
২০১২ সালে আইএএসে যোগ দেন গোপিনাথান। বর্তমান অরুণাচল-গোয়া-মিজোরাম-ইউনিয়ন অঞ্চলের ক্যাডারে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। এবং জম্মু ও কাশ্মীরের স্ট্যাটাস বাতিলের পর সেখানেও তাকে দায়িত্ব পালনের জন্য পাঠানোর সম্ভাবনা ছিল।
সর্বশেষ তিনি সরকারের দাদরা ও নগর হাবেলি শাখায় সংযুক্ত ছিলেন কিন্তু বুধবার তিনি তার পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে দেন।
গোপিনাথান বলেন, “আমার পদত্যাগ গৃহীত হওয়ার আগ পর্যন্ত আমি প্রকাশ্যে কোন কথা বলতে চাইনি, তবে এক বন্ধুর সাথে তিনি সোশাল মিডিয়ায় বার্তা বিনিময়ের পর সেটা ছড়িয়ে পড়ে”।
দ্য ওয়্যারকে গোপিনাথান বলেন যে, কোন বাইরের শত্রুর আগ্রাসন বা সশস্ত্র বিদ্রোহ হলে সেখানে জরুরি অবস্থা জারির বিধান রয়েছে সংবিধানে, কিন্তু কাশ্মীরে এই যুক্তিকে জরুরি অবস্থা দেয়া হয়েছে যে, সেটা না দিলে অস্থিরতা তৈরি হবে। বাস্তবতা যা-ই হোক না কেন, সংবিধানের ৪৪তম সংশোধনীর পর ‘অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার’ যুক্তিতে কোনভাবেই জরুরি অবস্থা জারি করা যেতে পারে না।
“অবশ্যই জরুরি অবস্থার সময় ঘোষণা দেয়া হয়, কিন্তু এখানে কোন আনুষ্ঠানিক ঘোষণাও দেয়া হয়নি। সবকিছু আইএএস কর্মকর্তাদের নির্বাহী আদেশের উপর ছেড়ে দেয়া হয়েছে! এবং যদিও জনগণের আইনি প্রতিকার চাওয়ার সুযোগ রয়েছে, কিন্তু আদালত এ ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী বলে মনে হচ্ছে না”।
যেভাবে আইএএস পরীক্ষায় শীর্ষস্থান অধিকারী শাহ ফয়সালকে গ্রেফতার করা হয় তা নিয়ে গোপিনাথান বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। ১৯ আগস্ট দিল্লী হাই কোর্টে এ নিয়ে একটি জনস্বার্থে মামলা করা হয়। যদিও এ ধরনের আবেদনকে সাধারণত জরুরি ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়, কিন্তু এই আবেদনের ক্ষেত্রে আদালত বলেছে যে, ৩ সেপ্টেম্বরের আগে তারা বিষয়টি বিবেচনা করতে পারবে না।
চাকরি ছাড়ার পর কি করবেন, এমন প্রশ্নের জবাবে গোপিনাথান বলেন, “আমি এখনও এটা নিয়ে ভাবিনি। তবে ২০ বছর পর মানুষ যখন জিজ্ঞাসা করবে, একটা ভার্চুয়াল জরুরি অবস্থা জারির সময় আপনি কি করেছিলেন, তখন আমি অন্তত এটা বলতে পারবো যে, আমি চাকরি থেকে পদত্যাগ করেছিলাম”।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে আরএসএস মোতায়েন করছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের
![]() |
| পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মেহমুদ কোরেশি |
পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের খানেওয়াল জেলায় এক সমাবেশে কোরেশি বলেন, কাশ্মীরের পরিস্থিতি দিনে দিনে অবনতি হচ্ছে। সেখানে মানবিক বিপর্যয় আসন্ন।
পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ওই জনসভায় কোরেশি বলেন, আমাদের কাছে খবর এসেছে ভারতের ক্ষমতাসীন বিজেপি [ভারতীয় জনতা পার্টি] কাশ্মীরে নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর জন্য সেখানে আরএসএস গুণ্ডা বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
কাশ্মীরী জনগণের জীবন রক্ষার জন্য ভারত সরকারকে থামানোর দায়িত্ব আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের।
হিন্দু শ্রেষ্ঠত্ববাদী সংগঠন হিসেবে আরএসএসের কুখ্যাতি রয়েছে। বিজেপি’র জন্ম এই সংগঠন থেকেই।
কাশ্মীরী মুসলমানদের সমর্থনে ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় বিশাল প্রতিবাদ সমাবেশ আয়োজনের জন্য কোরেশি তুরস্কের জনগণকে ধন্যবাদ জানান।
কোরেশি বলেন, কাশ্মীরী জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ ও ভারত সরকারের অবৈধ কাজের বিরুদ্ধে সরব হওয়ার জন্য আমি তুরস্ক ও অন্যান্য মুসলিম দেশের জনগণকে ধন্যবাদ দিচ্ছি।
৫ আগস্ট থেকে ভারত অধিকৃত অঞ্চলটি কঠোর দমনের মুখে রয়েছে। ওই দিন ভারত সরকার সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল করে কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা কেড়ে নেয় এবং এর রাজ্যের মর্যাদা খর্ব করে।
তখন থেকে শত শত কাশ্মীরীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বেশিরভাগ কাশ্মীরী রাজনীতিক এখন কারাগারে।
কাশ্মীরী নেতা ও অধিবাসীরা মনে করছেন যে কাশ্মীরের জনসংখ্যাগত চেহারা পাল্টে দিতে বিজেপি সরকার এই উদ্যোগ নিয়েছে। স্বাধীনতা অথবা প্রতিবেশি পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দিতে এই রাজ্যের বেশ কয়েকটি সংগঠন লড়াই করছে।
ভারত ও পাকিস্তান দুই দেশই পুরো কাশ্মীর অঞ্চলকে তাদের ভূখণ্ড বলে দাবি করছে। বিতর্তিক অঞ্চলটির একটি অংশ চীনের নিয়ন্ত্রণে। কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তান ও ভারত দুটি যুদ্ধও করেছে।
১৯৮৯ সাল থেকে এই অঞ্চলে যে অশান্তি চলছে তাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয় বলে মানবাধিকার সংগঠনগুলো জানিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ডিটারজেন্টে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান পাওয়া গেছে এক গবেষণায়
![]() |
| কাপড়ের উজ্জলতা ধরে রাখতে ফ্লুরোসেন্ট হোয়াইটেনিং এজেন্ট ব্যবহার করা হয়। |
![]() |
| কাপড় পরিস্কারের জন্য বেশ জনপ্রিয় ডিটারজেন্ট পাউডার। |
![]() |
| গবেষণাটি পরিচালনা করেন মো. নাহিন মোস্তফা নিলয়। মো. নাহিন মোস্তফা নিলয়-এর ফেসবুক পাতা থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বন্ধুত্বে ফাটল

ঘনিষ্ঠমহলে নাকি সে কথা ব্যক্তও করেছিলেন। সূত্র বলছে, ছবি মুক্তি পাওয়া পর্যন্ত একতা শান্তি বজায় রাখতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ‘জাজমেন্টাল হ্যায় কেয়া’ সমালোচকদের কাছ থেকে প্রশংসা পেলেও বক্স অফিসে ভালো ফল করেনি। একতার মতে, কঙ্গনার আচরণই এর প্রধান কারণ। একে তো মিডিয়া ছবিটি নিয়ে প্রচার করেনি। তারপর আম জনতার কাছেও কঙ্গনার ভাবমূর্তি খুব খারাপ। একতা খুব ভালোই বোঝেন ইন্ডাস্ট্রির সমীকরণ। জোর করে কঙ্গনার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখার দায় তার নেই। ছবির সাকসেস পার্টিতেও দেখা যায়নি একতাকে। তাতে দুজনের দ্বন্দ্বের বিষয়টি আরো বেশি প্রকট হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরাসি ফার্স্টলেডির অবমাননা, মানতে পারেননি ম্যাক্রন

প্রকাশিত হয়েছে বৃটেনের একটি ট্যাবলয়েড পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে।
এ সম্মেলনে অ্যামাজন জঙ্গলের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে সরব হয়েছেন ইমানুয়েল ম্যাক্রন। তিনি ওই অগ্নিকাণ্ডকে আন্তর্জাতিক সঙ্কট বলে আখ্যায়িত করেছেন। তাতে নাখোশ ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। ফলে দু’জনের মধ্যে এ নিয়ে ব্যক্তিগত এক বিরোধ সৃষ্টি হয়েছে। তার ওপর ফরাসি ফার্স্টলেডি ব্রিজিত ম্যাক্রনকে নিয়ে অনলাইনে একটি পোস্ট দিয়েছেন বলসোনারোর এক ভক্ত। সেই পোস্টে অবমাননা করা হয়েছে ব্রিজিতকে। তাকে ব্রাজিলের ফার্স্টলেডি মিশেল বলসোনারোর সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। এতে দেখানো হয়েছে, মিশেল বলসোনারোর তুলনায় ব্রিজিত ‘আনফেভার্যাবল’। সেই পোস্টকে অনুমোদন দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট বলসোনারো। তিনি তাতে উৎসাহমুলক মন্তব্য করেছেন। বলেছেন, ‘ তাকে অবমাননা করো না, হা হা’।
এর জবাবে ম্যাক্রন ওই পোস্টকে তার স্ত্রীর প্রতি ‘চরম অসম্মানজনক’ বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। ইমানুয়েল ম্যাক্রন বলেছেন, এটা দুঃখজনক। প্রথমত তার (বলসোনারো) জন্য ও ব্রাজিলের অধিবাসীদের জন্য এটা দুঃখজনক বিষয়। ব্রাজিলের নারীরা সম্ভবত তাদের প্রেসিডেন্টকে নিয়ে লজ্জিত হচ্ছেন। যেহেতু ব্রাজিলের মানুষদের জন্য আমার বিপুল ভালবাসা ও শ্রদ্ধা রয়েছে, আমি আশা করি তারা শিগগিরই এমন একজন প্রেসিডেন্ট পাবেন, যিনি তাদের হয়ে কাজ করবেন।
বিষয়টি সঙ্গে সঙ্গে লুফে নিয়েছে পশ্চিমা দুনিয়া। এবার জি-৭ শীর্ষ সম্মেলনে অ্যামাজন জঙ্গলে ভয়াবহ আগুনের বিষয়ে জরুরি বৈঠক আহ্বান করেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট। ওই বৈঠক থেকে বলসোনারো’র ওপর প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি করা হয়। ফরাসি প্রেসিডেন্টের এমন উদ্যোগের জবাবে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো তাকে পাল্টা জবাব দেন। তিনি ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রনের ‘ঔপনিবেশিক মানসিকতা’ আছে বলে অভিহিত করেন। এরই মধ্যে সোমবার বলসোনারোর এক সমর্থক সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্রাজিলের ৩৭ বছর বয়সী ফার্স্টলেডি মিশেলের সঙ্গে ফ্রান্সের ৬৬ বছর বয়সী ব্রিজিতের তুলনা করে পোস্ট দেন।
তাতে ব্রিজিতকে বিরূপ অর্থে প্রকাশ করা হয়। এর ট্যাগলাইনে বলা হয়, ‘এখন বুঝতে পারছেন কেন বলসোনারোকে উৎপীড়ন করছেন ম্যাক্রন?’ এর মধ্য দিয়ে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন ব্রাজিলের ফার্স্টলেডির বয়স কম। তা দেখে ঈর্ষান্বিত হয়েছেন ম্যাক্রন। আর এ জন্যই তিনি বলসোনারোর ওপর চাপ সৃষ্টি করছেন। এই পোস্টকে যেন অনুমোদন দিলেন বলসোনারো। ৬৪ বছর বয়সী বলসোনারো জবাবে ম্যাক্রনকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, ‘লোকটাকে অপদস্ত করো না, হা হা’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ওই পোস্টের এই জবাব কি প্রেসিডেন্ট বলসোনারো নিজে দিয়েছেন এমন এক প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্টের প্রাসাদের মুখপাত্র। কিন্তু ছেড়ে দেন নি ম্যাক্রন। তিনি বলেছেন, বলসোনারোর মন্তব্য ব্যতিক্রমধর্মী রুক্ষ্ম।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিনা খরচে জাপান যেতে চাইলে দক্ষ হতে হবে by মহিউদ্দিন

মঙ্গলবার জাপানের রাজধানী টোকিওতে দুই দেশের মধ্যে এ সংক্রান্ত সহযোগিতা সই করেছেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব রৌনক জাহান এবং জাপানের বিচার বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অধীনস্থ ইমিগ্রেশন সার্ভিস এজেন্সির কমিশনার সোকো সাসাকি নিজ নিজ দেশের পক্ষে চুক্তি স্বাক্ষর করেন। জাপান থেকে বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলের সদস্য উপসচিব কাজী আবেদ হোসেন চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ২০১৭ সাল থেকে কারিগরি শিক্ষানবিশ হিসেবে কিছু কর্মী যাচ্ছেন জাপানে। কিন্তু অনেক দিন ধরেই জাপানের কর্মী আমদানির তালিকায় প্রবেশের চেষ্টা করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সর্বশেষ জাপান সফরেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ২০১৭ সালে ইন্টারন্যাশনাল ম্যানপাওয়ার ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (আইএম) জাপানের সঙ্গে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের স্বাক্ষরিত একটি সমঝোতা স্মারকের আওতায় সরকারিভাবে বর্তমানে কারিগরি শিক্ষানবিশ হিসেবে কর্মী পাঠানো হচ্ছে সে দেশে। পাঁচ বছরে শিল্পকারখানা, নির্মাণকাজ, কৃষি, অটোমোবাইল, সেবাদানকারীসহ ১৪টি খাতে দক্ষ জনশক্তি নেবে জাপান। আগে থেকেই জাপানের জনশক্তি নেওয়ার তালিকায় আছে চীন, ইন্দোনেশিয়া, নেপাল, মিয়ানমার, ফিলিপাইন, মঙ্গোলিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনাম। এ তালিকায় বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি বড় সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর (বিএমইটি) হিসাব বলছে, গত বছর মাত্র ১৬৩ জন জাপানে পাঠাতে পেরেছে বাংলাদেশ। চলতি বছর ৪০০ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও জুলাই পর্যন্ত গিয়েছেন ১১৯ জন। আরও প্রায় এক হাজার কর্মীর ভাষা প্রশিক্ষণ শেষ হয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন জেলার ২৭টি কেন্দ্রে ৪০ জন করে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে বিএমইটি। চার মাস মেয়াদি জাপানি ভাষা শেখার এসব প্রশিক্ষণের পর পরীক্ষায় বসেন কর্মীরা। উত্তীর্ণ হলে আইএম জাপানের ব্যবস্থাপনায় আরও চার মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। এরপর শিক্ষানবিশ হিসেবে তাঁদের জাপানে নিয়ে যাওয়া হয়।
বিএমইটি সূত্র জানায়, জাপানের মানুষের গড় আয়ু ৮৪ বছর হলেও ১০০ বা তার অধিক বয়সী মানুষের সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। বয়স্ক এসব মানুষের সেবার জন্য দক্ষ জনবল দরকার। নির্মাণশিল্প, প্রযুক্তি, নার্সিং, কৃষি, হোটেল ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড টুরিজম খাতেও কাজের সুযোগ আছে সেখানে। থাকা-খাওয়া বাদে প্রতি মাসে প্রায় ৮০ হাজার টাকা উপার্জনের সুযোগ পাবেন একজন দক্ষ শ্রমিক। জাপান যেতে অভিবাসন ব্যয় নেই বললেই চলে। তবে বিদেশি শ্রমিক নেওয়ার ব্যাপারে জাপান বরাবরই রক্ষণশীল। তাই কোনো অঘটনের কারণে যেন বাজারটি বন্ধ হয়ে না যায়, সেদিকে মনোযোগ দিয়েই এগোচ্ছে সরকার।
জানা গেছে, জাপানি ভাষা প্রশিক্ষণ না নিয়ে কেউ জাপানে যাওয়ার সুযোগ পাবেন না। তাই প্রশিক্ষণের আওতা বাড়াতে গত ফেব্রুয়ারিতে বেসরকারি জনশক্তি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়। সরকার প্রণীত নীতিমালার আওতায় ইতিমধ্যেই বেশ কিছু আগ্রহী প্রতিষ্ঠান বিএমইটিতে আবেদন করেছে। এসব আবেদন তদন্ত করে যাচাই-বাছাইয়ের পর মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিচ্ছে বিএমইটি। মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে। বেসরকারি খাতের প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করলে প্রশিক্ষিত শ্রমিকের সংখ্যা আরও বাড়বে। শিগগিরই বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হতে পারে বলে নিশ্চিত করেছেন প্রবাসী মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা।
এ বিষয়ে বেসরকারি খাতের জনশক্তি রপ্তানিকারকদের প্রতিষ্ঠান বায়রার মহাসচিব শামীম আহমেদ চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, বেসরকারিভাবে ইতিমধ্যেই কেউ কেউ প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেছে। সরকারের অনুমোদনের পর এটি আরও বাড়বে।
জনশক্তি রপ্তানি খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জাপানে সবকিছুতেই স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার হয়। দক্ষ কর্মীরা এখানে কাজের সুযোগ পাবে। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ দেশটির শ্রমবাজারে বেশি হারে কর্মী পাঠাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ বাড়াতে হবে। তবে প্রতিটি ধাপে সরকারের সতর্ক নজরদারি থাকতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে জার্মানিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ

ওয়াশিংটনের এসব হুমকিকে আমলে নিচ্ছেন না জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল। গত সপ্তাহে তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। তবে জার্মানির সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে আরো কিছু উদ্যোগ নেয়া দরকার বলে মনে করেন মারকেল। জার্মানিতে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে গত সাত বছরে অন্তত ২৪৩ মিলিয়ন ইউরো সহযোগিতা দিয়েছে জার্মান সরকার।
আর ন্যাটোর পেছনে গুনতে হয়েছে আরো ৪৮০ মিলিয়ন ইউরো।
সংসদে লেফট পার্টির পক্ষ থেকে অর্থমন্ত্রীর কাছে এসব বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থের পরিমাণটা বেরিয়ে আসে বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা ডিপিএ। ইউরোপের মধ্যে জার্মানি একমাত্র দেশ যেখানে বেশি সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন রয়েছে। ৩৫ হাজার মার্কিন সেনার পাশাপাশি ১৭ হাজার বেসামরিক মার্কিন নাগরিক আছে জার্মানিতে। মার্কিন সেনা ঘাঁটি ঘিরে কর্মরত আছে অন্তত ১২ হাজার জার্মান নাগরিক।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকট: দ্বিপাক্ষিক সমাধানের চেষ্টা অবান্তর by হারুন উর রশীদ স্বপন

রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে সাধারণ চোখে অনেক উদ্যোগ দেখা গেলেও এর কোনোটাই কার্যকরী নয়, তা প্রমাণ হয়েছে গত দুই বছরে৷
জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইম কোর্ট (আইসিসি), ইন্ডিপেনডেন্ট ইনভেস্টিশেন ম্যাকানিজম ফর মিয়ানমার (আইআইম) দেশ হিসেবে মিয়ানমারের এবং সেখানকার সামরিক ও রাজনৈতিক উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্তের উদ্যোগ নিয়েছে৷
গাম্বিয়ার মাধ্যমে একটি মামলা করার উদ্যোগ নিয়েছে মুসলিম দেশগুলোর জোট- ওআইসি৷ ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অব জাস্টিস (আইসিজে)-তে মামলা করা হবে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে৷ জেনেভায় হিউম্যান রাইটস কাউন্সিলেও বিষয়টি তোলা হয়েছে৷
এর বাইরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, চীন ও ভারতসহ অনেক দেশই রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার কথা বলছে৷ কিন্তু মুখে ‘চাপ প্রয়োগের' কথা বললেও তাতে মিয়ানমারের খুব একটা যায় আসেনি৷
বিশ্লেষকরা বলছেন, এগুলো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বহুপাক্ষিক কোনো উদ্যোগ নয়৷ বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এবং বিভিন্ন ফোরামে বিষয়টি নিয়ে কথা বলছে সত্য, কিন্তু সমাধান চাইছে মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিকভাবে৷ আরো স্পষ্ট করে বললে, বাংলাদেশ মনে করে সমস্যাটা মিয়ানমারের, বাংলাদেশ থার্ড পার্টি৷ ফলে মিয়ানমারকে বাধ্য করা যাচ্ছে না৷
সরাসরি অন্য দেশ বা আন্তর্জাতিক সংস্থাকে পক্ষ হিসেবে যুক্ত না করায় মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ আসলে কোনো কাজে লাগছে না৷
কূটনীতিক এবং মিয়ানমারে বাংলাদেশের সাবেক সামরিক এটাশে মেজর জেনারেল (অব.) শহিদুল হক ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘বাংলাদেশকে এখনও এটাকে দ্বিপাক্ষিকভাবে সমাধান করতে চাইছে৷ কিন্তু ২০১৭ সালে এক আলোচনায় আমি তখনকার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বলেছিলাম মিয়ানমারের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি করতে যাবেন না৷ কিন্তু ২৬ দিন পরে সেটাই হলো৷ যদি রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বহুপক্ষকে যুক্ত করা না যায় তাহলে এর বাস্তবায়ন খুবই কঠিন৷ এটা আগেই করা দরকার ছিলো৷ তবে এখন আর দেরি করা ঠিক হবে না৷''
তিনি বলেন, ‘‘মিয়ানমার অর্থনৈতিক অবরোধকে সবচেয়ে বেশি ভয় পায়৷ ওদের জেনারেলদের ওপর একটা নিষেধাজ্ঞা আছে ইউএস-এর৷ এখন যদি ইউএস ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট থেকে ওদের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করানো যায় তাহলে এটা খুব কার্যকর হবে৷''
এই বহুপাক্ষিকভাবে আলোচনার জন্য বালাদেশ ইউএস-এর সাথে সিকিউরিটি ডায়ালগকে কাজে লাগাতে পারে বলে পরামর্শ শহিদুল হকের৷ তিনি বলেন, ‘‘বাংলাদেশ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে যেতে পারে৷ ইউএনকেও সরাসরি অ্যাপ্রোচ করতে হবে৷ মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের নিরাপত্তা তো বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে পারবে না৷ তাদের নাগরিকত্ব তো বাংলাদেশ দিতে পারবে না৷ তাই মিয়ানমারকে বাধ্য করতে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বহুপক্ষকে যুক্ত করতে হবে৷ দ্বিপাক্ষিকভাবে এর সমাধান হবে না৷''
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত বছর রাখাইনে সেফ জোন করার প্রস্তাব দিয়েছিলেন৷ আর মার্কিন কংগ্রেসম্যান ব্রাড শেরম্যান রাখাইনে বলকানাইজেশন মডেলের কথা বলেছেন৷ পরামর্শ দিয়েছেন, রাখাইনকে আলাদা রাষ্ট্র করার কথা৷
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড. এম শহীদুজ্জামান ডয়চে ভেলেকে বলেন, ‘‘এরমধ্যেই রোহিঙ্গা সমস্যা সমধানের পথ আছে৷ দ্বিপাক্ষিকভাবে মিয়ানমারের ওপর আস্থা রেখে রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান একটা স্টুপিড চিন্তা৷ চীন ও ভারত কখনোই মিয়ানমারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেবে না৷ আমাদের এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা নিতে হবে৷ তাদের কাছে বিষয়টি নিয়ে যেতে হবে৷ ইউরোপীয় ইউনিয়নের কাছে যেতে হবে৷ ভূ-রাজনৈতিক কারণেই মার্কিনিরা আমাদের পক্ষে থাকবে৷''
তিনি বলেন, ‘‘রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফেরত গেলে তাদের মিয়ানমার সেনবাহিনী কচুকাটা করবে৷ তারা কেন যাবে? মার্কিন কংগ্রেসম্যানের প্রস্তাব অনুযায়ী রাখাইন আলাদা হলেই রোহিঙ্গারা নিরাপদ হবে৷ প্রধানমন্ত্রী যে সেফ জোনের কথা বলেছেন সেই সেফ জোন কে করবে?''
শহীদুজ্জামান আরো বলেন, ‘‘এখনো সময় আছে আমাদের বিষয়টি বহুপাক্ষিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রহ আছে৷ আমাদের এখন এগিয়ে যেতে হবে৷ গত দুই বছরে আমাদের কোনো লাভ হয়নি৷ কিন্তু এখনো সময় আছে৷''
২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে মিয়ানমারে নির্যাতের শিকার হয়ে আট লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছে৷ আর আগেও এসেছে সাড়ে তিন থেকে চার লাখ৷ বাংলাদেশে এখন প্রায় ১২ লাখের মত রোহিঙ্গা শরণার্থী বিভিন্ন ক্যাম্পে অবস্থান করছেন৷
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফার্স্টলেডিগণ


কাউকে বুঝতেই দেননি তার ত্বকে ভাঁজ পড়েছে। তিনি বরং অন্য ফার্স্টলেডিদের সঙ্গে চুটিয়ে আড্ডা দিয়েছেন। তাদেরকে মাতিয়ে রেখেছেন। রোববার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প, বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন সহ সব নেতা ও তাদের স্ত্রীদের সঙ্গে পোজ দেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও তার স্ত্রী ব্রিজিত। এ সময় ব্রিজিত ছিলেন ফ্যাকাশে বেল্টযুক্ত একটি পোশাক। রোববার ফ্রান্সের বিয়ারিটজ শহরে সম্মেলনস্থলে যখন রাতের অন্ধকার নেমেছে, তখন পায়ে হাই হিল জুতো পরে সেখানে উপস্থিত ব্রিজিত। তার স্বামী ইমানুয়েল ম্যাক্রন ও জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মারকেল যখন তার দিকে তাকিয়ে আছেন, তখন তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের চিবুকে চুম্বন এঁটে দেন।

তবে এর আগে তিনি ঢিলেঢালা একটি সাদা শার্ট ও নীল রঙের জিন্স পরে উপিস্থিত হয়েছিলেন সম্মেলনস্থলে। তারও আগে তিনি পরেছিলেন গ্লামারাস একটি লাল পোশাক। এ সময় যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্টলেডি মেলানিয়া ট্রাম্পসহ শীর্ষ নেতাদের স্ত্রীদের নিয়ে তিনি গিয়েছিলেন বাস্ক গ্রাম দেখতে। বাস্ক গ্রামে তাকে দেখা যায় একটি কালো চশমা পরে পোজ দিতে। উল্লেখ্য, এ সম্মেলনে নিজের স্ত্রী বা গার্লফ্রেন্ড ছিলেন না বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের সঙ্গে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সিলেটে রঙ্গশালা থেকে যেভাবে গ্রেপ্তার মিনারা ও হেনা by ওয়েছ খছরু

কিন্তু পাপপথ ত্যাগ করেননি তারা। বরং রাজনৈতিক প্রভাবকে কাজে লাগিয়ে মিনারা ও হেনা হয়ে উঠেন আরো বেপরোয়া। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তাদের। তাদের অসামাজিক কাজের বিরুদ্ধে ফুটে উঠেছিলো ঘাটের ছটি গ্রামের মানুষ। প্রতিবাদী হয়ে উঠে। রোববার তখন মধ্যরাত। অচেনা-অজানা যুবকরা এসে আড্ডা জমিয়েছে মিনারা ও হেনার আস্তানায়। প্রতিবাদী লোকজন ঘেরাও করে বাসা। অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতিবাদ জানায় তারা। অভিযোগ করেন- ইয়াবা বিক্রির হাটও হচ্ছে মিনারার আস্তানায়। খবর পেয়ে ছুটে যান জনপ্রতিনিধিরা। আসে পুলিশও। এলাকাবাসীর সামনেই পুলিশ ১৬ খদ্দের সহ মিনারা, হেনা এবং লিমা নামের আরো এক তরুণীকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তুলে গতকাল তাদের আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ। এক সময় নাম ছিলো মিনারা বেগম। এখন নতুন নাম মিনারা চৌধুরী। বাড়ি সিলেটের জৈন্তাপুরে বনপাড়া দক্ষিণ গ্রামে। স্বামী আজিজুর রহমান। সিলেট জেলা যুব মহিলা লীগের অর্থ সম্পাদিকা তিনি। কিন্তু মিনারাকে নিয়ে অসংখ্য স্ক্যান্ডাল সিলেটে। নানা ঘটনায় একাধিকবার মিনারা আলোচিত হয়েছেন। তাকে নিয়ে বিব্রতও আওয়ামী লীগ নেতারা। সর্বশেষ মিরাবাজারে রোকেয়া ও তার ছেলের খুনের ঘটনার পর মিনারার নাম আলোচনায় এসেছিলো। রোকেয়ার সঙ্গেও মিনারার সম্পর্ক ছিল। আর হেনা বেগম সিলেট জেলা মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদিকা। নানা স্ক্যান্ডালে হেনাও আগে বহুবার বিতর্কিত হয়েছেন। হেনার পাপ পথের খবরও অনেকেরই জানা। নগরীর মীরবক্সটুলায় বর্তমানে বাসা। জাতীয় পার্টিতেও তাকে নিয়ে ক্ষোভের অন্ত নেই। সিলেটের পশ্চিম জিন্দাবাজারে হেনার রয়েছে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান। এর আগে হেনা সিলেট সদর উপজেলার মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে লড়াই করেছিলেন। পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর ঠিকানা দিয়েছে টুকেরবাজারের। স্বামীর নাম মোহাম্মদ হোসেন। সিলেট জেলা মহিলা পার্টির সাধারণ সম্পাদিকা হলেও কয়েক বছর ধরে হেনা বেগম রাজনীতিতে নীরব। তবে- মিনারা ও হেনার সংখ্য বেশ পুরনো। তাদের যৌথ পথচলায় সিলেটে গড়ে উঠেছে একটি নারী সিন্ডিকেট। তাদের বেশির ভাগই অসামাজিক কাজ ও মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ত। সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার একটি গ্রাম ঘাটেরছটি। সেটি সিলেট সদরের পাশেই। বলতে গেলে সিলেট শহরতলী এলাকা। বটেশ্বর লাগোয়া গ্রাম। এ গ্রামে উপহার কমিউনিটি সেন্টার। পাশেই হচ্ছে প্রবাসী ফারুক আহমদের দোতলা বাসা। এই বাসার নিচতলায় বসবাস করেন ফারুক আহমদের পরিবার। আর দুইতলায় প্রায় একবছর আগে ভাড়া নেন মিনারা বেগম। সঙ্গে হেনাও। নিজেরা বসবাসের কথা বলে তারা ভাড়া নেন। কিন্তু এই বাসায় বাইরের পুরুষের অবাধ যাতায়াত রয়েছে। সিলেট শহর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে যুবকরা মিনারার বাসায় যায়। সেখানে তারা ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটিয়ে চলে আসে। যুব মহিলা লীগের নেত্রী হওয়ার কারণে মিনারা সব সময় দাপট দেখায়। তার দাপটের কারণে এলাকার মানুষ মুখ বুজে সহ্য করতেন। তার অপকর্মের প্রতিবাদ করার সাহস পাননি তারা। ফারুক আহমদের পরিবারও তাদের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছিল। তারা জানান- মিনারার বাসায় অচেনা মহিলা আসতো। এবং তারা দিনের পর দিন থাকতো। সেই সঙ্গে পুরুষরাও এসে সেখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময় কাটাতো। এসব ঘটনা জানতে চাইলে তাদের হুমকি দেয়া হতো। এদিকে- মাসখানিক আগে জৈন্তাপুরের বনপাড়া দক্ষিণ গ্রামের আবদুর রশিদ এর মেয়ে লিমা বেগমকে কাজের কথা বলে তার বাড়ি থেকে নিয়ে আসেন মিনারা ও হেনা। তারা ওই বাসাতে এনে লিমাকে জোরপূর্বক দেহ ব্যবসায় বাধ্য করে। বাসা থেকে রেখেই লিমাকে খদ্দেরের মুখে ঠেলে দেয়া হতো। এতে প্রতিবাদও জানিয়েছিল লিমা বেগম। কিন্তু তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেয়া হয়। পরিবারের সঙ্গে তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়। গত শনিবার মেয়েকে দেখতে মিনারার সন্ধানে ঘাটের ছটিতে আসেন লিমার মা। তিনি এসে মেয়েকে দেখতে চাইলে মিনারা ও হেনা তাকে গালিগালাজ করে তাড়িয়ে দেয়। এ সময় মেয়ের খোঁজ না করতে হুমকিও দেয়। মেয়ের খোঁজ করতে বাধ্য হয়ে এলাকাবাসীর শরণাপন্ন হন লিমার মা। এলাকার লোকজন লিমার মায়ের মুখ থেকে বর্ণনা শুনে মিনারার কাছে জানতে আসেন। বাসায় এসে তারা দেখেন মহিলাদের হাট। মিনারা ও হেনা ছাড়াও ওই বাসায় আরো ৫-৬ জন মহিলা ছিল। তাদের বেশ-ভুসা দেখে এলাকার মানুষের সন্দেহও হয়। ইয়াবা সেবনের দৃশ্য দেখে ফেলেন কেউ কেউ। তবে- এ নিয়ে তারা কোনো কথা না বাড়িয়ে লিমার প্রসঙ্গে মিনারা ও হেনার মুখোমুখি হন। এ সময় মিনারা বেগম এলাকার মানুষের সামনেই মারধর করে লিমার মা’কে। এ দৃশ্য দেখে এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হলে মিনারা ক্ষমা চায়। এবং হাতে তুলে দেয় ৫ হাজার টাকা। এ ঘটনার পর গতকাল দুপুরে মিনারা ও হেনা বেগম বাসার পাশে দোকানে গিয়ে এলাকার মানুষকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। একপর্যায়ে এলাকার মানুষকে শায়েস্তা করতে পুলিশও ডেকে আনে। পরে এলাকার মানুষের মুখ থেকে ঘটনা শুনে পুলিশ চলে যায়। এদিকে- রাত ১০টার দিকে ৭-৮টি মোটরসাইকেল নিয়ে যুবকদের একটি দল আসে। তারা এসে রাতে এলাকায় মোটরসাইকেল মহড়া দেয়। একপর্যায়ে তারা মিনারার বাসায় অবস্থান নেয়। মিনারার রঙ্গশালায় বসে তারা অসামাজিক কাজ ও ইয়াবা সেবনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। মধ্যরাত পর্যন্ত ওই যুবকরা বাসাতে অবস্থান করায় এলাকার মানুষের সন্দেহ হয়। এরপর এলাকার মানুষ ওই বাসা ঘেরাও করে। খবর পেয়ে পুলিশ মিনারা, হেনা ও লিমা সহ খদ্দেরদের ধরে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয় এলাকার সাবেক মেম্বার হাফিজ আবদুুল মছব্বির ফরিদ জানিয়েছেন- জৈন্তাপুর ধর্মীয় অনুশাসনের এলাকা। এখানে অসামাজিক কাজ কেউ মেনে নেয়নি। এ কারণে এলাকার মানুষ ক্ষুব্ধ হলে পুলিশ তাদের ধরে নিয়ে যায়। তিনি জানান- তার বাসায় ইয়াবা সেবন করা হতো। ইয়াবা বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে। জৈন্তাপুর থানার ওসি শ্যামল বণিক গতকাল সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- অসামাজিক কাজে জড়িত থাকায় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়ে আমার নেতৃত্বে পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছালে এলাকাবাসী তাদেরকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করে। আমরা আটককৃতদের বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করেছি। অপরাধ দমনে এলাকাবাসীর এমন সহযোগিতার কারণে তিনি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
১৬ পুরুষ গ্রেপ্তার: এরা হলো, জৈন্তাপুর উপজেলার পশ্চিম ঠাকুরের মাটি এলাকার ফারুক মিয়ার ভাড়াটিয়া শাহ্পরাণ থানার পীরের চক গ্রামের মৃত আবদুল কাদিরের ছেলে মাহতাব আহমদ, শাহ্পরাণ থানার পীরের বাজার হাতুড়া গ্রামের আবদুর রাজ্জাকের ছেলে আলী হোসেন, জৈন্তাপুর থানার পাঠনীপাড়া গ্রামের বর্তমান খাদিমপাড়া ২নং রোডের বাসিন্দা মো. জয়নালের ছেলে মো. আলকাছ, খাদিমপাড়া চামেলীবাগ গ্রামের আবদুল গফ্ফারের মো. শাকিল শাহ, বাউল টিলা গ্রামের মৃত আলকাছ মিয়ার ছেলে মো. সাজু, খাদিমপাড়া ২নং রোড গ্রামের মীর হোসেনের ছেলে সানি আহমদ (২১), জালালনগর গ্রামের শাহজাহান মিয়ার ছেলে ইমন আহমদ, শাহ্পরাণ আল-বারাকা বিআইডিসি গ্রামের সোহেল আহমদের ছেলে হৃদয় আহমদ ওরফে রায়হান, মৌলভী বাজার জেলার কুলাউড়া থানার পুরশাহ গ্রামের মতিন মিয়ার ছেলে শোয়েব আহমদ, শিবগঞ্জ সাদিপুর গ্রামের মৃত আবদুল আউয়ালের ছেলে মোস্তাকিন, ৪নং রোড খাদিমপাড়া গ্রামের দ্বীন ইসলামের ছেলে রুহুল আমীন, মেজরটিলা সৈয়দপুর গ্রামের শহীদ আহমদের ছেলে শাহিন আহমদ, ৬নং রোড খাদিমপাড়া গ্রামের আবদুল গফুরের ছেলে জুনাইদ আহমদ, শাহ্পরাণ বাহুবল গ্রামের জাবেদ আহমদের ছেলে ইমরান আহমদ, শাহ্পরাণ রুস্তুমপুর গ্রামের মো. মিন্টু মিয়ার ছেলে মো. আরিফ হোসেন, শাহ্পরাণ মোহাম্মদপুর আ/এ বাসিন্দা জকিগঞ্জ থানার বিয়ারাইল গ্রামের মৃত ইলিয়াছ মিয়ার ছেলে রাজু আহমদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে যে গ্রামের দেখা মেলে বছরে একবার
![]() |
| প্রদেশের প্রথম বাঁধটি গ্রামটিকে নিমজ্জিত করে ফেলে |
কিন্তু কারদি নামে গ্রামটি এক মাসের জন্য যখন পানির উপর ভেসে উঠে তখন সেখানকার বাসিন্দারা আবারো তাদের ভিটে মাটিতে ফিরে আসে আর উৎযাপন করে।
বিবিসির সুপ্রিয়া ভোহরা বলছেন, ঘটনার শুরু ১৯৮৬ সালে। তখন থেকেই এই গ্রামের বাসিন্দারা জানতেন যে গ্রামটির আর কোন চিহ্ন থাকবে না।
ঐ সালেই প্রদেশটিতে প্রথম বাঁধ নির্মাণ করে এবং এর পরিণতিতে গ্রামটি সম্পূর্ণ পানিতে নিমজ্জিত হয়ে যায়। এই গ্রামটি এক সময় দক্ষিণ- পূর্ব গোয়ার একটি সমৃদ্ধশালী গ্রাম ছিল।
![]() |
| এক সময় দক্ষিণ- পূর্ব গোয়ার একটি সমৃদ্ধশালী গ্রাম ছিল। |
কাদামাটি, গাছের গুড়ি, ক্ষয়প্রাপ্ত ঘরবাড়ি, ভেঙ্গে পড়া ধর্মীয় উপাসনালয়, গৃহস্থালির নানা জিনিস আর পরিত্যক্ত বিরান ভূমি। এইসব কিছু দেখতে পাওয়া যায় পানি সরে গেলে।
এই গ্রামের জমিতে ফলন বেশি হয় এমন কথা প্রচলন ছিল। তিন হাজার মানুষের বাস ছিল এখানে।
ধান চাষ, আর গ্রামকে ঘিরে রাখতো নারকেল গাছ, ক্যাসুনাট, আম এবং কাঁঠাল গাছে।
![]() |
| পানি সরে গেলে এমন নানা জিনিস চোখে পড়ে |
কিন্তু দৃশ্যপট নাটকীয় ভাবে বদলে গেল যখন ১৯৬১ সালে গোয়া পর্তুগীজদের থেকে স্বাধীন হয়ে গেল।
প্রথম মূখ্য মন্ত্রী গ্রামবাসীদের খবর দিলেন যে যদি প্রদেশের প্রথম এই বাঁধটি করা হয় তাহলে দক্ষিণ গোয়ার সবাই উপকৃত হবে।
এই গ্রামের সবাইকে পাশের গ্রামে সরিয়ে নেয়া হয় আর প্রতিশ্রুতি দেয়া হয় সেখানে অনেক সুযোগ সুবিধা দেয়া হবে এটাও জানানো হয়।
![]() |
| গ্রামটিতে এক সময় তিন হাজারের মত মানুষ বাস করতো |
তারপরেও কারদি'র বাসিন্দারা অপেক্ষায় থাকেন মে মাসের।
যখন পানি নেমে যায় তখন তারা তাদের হারিয়ে যাওয়া গ্রামে ফিরে যান, নিজের ঘরবাড়ি ধংসাবশেষ দেখেন, ভেঙ্গে পড়া প্রার্থণালয়ে প্রার্থনা করেন। আর স্মৃতিচারণ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবার নাইটক্লাব, আবার নারীসঙ্গ এবং...

আর এবার তার স্বামী ওয়েনে রুনিকে কানাডার ভ্যানকোভারে দুই নারীর সঙ্গে নৈশক্লাবে পার্টি করতে দেখা গেছে। তার একটিতে এক যুবতীর কোমড় জড়িয়ে ধরে থাকতে দেখা যায় রুনিকে। রোববারের এ ঘটনা সহজভাবে নিতে পারছেন না কলিন রুনি। তাকে দেখা গেছে চেশায়ারে কেনাকাটা করছেন। তবে তার হাতে নেই বিয়ের আংটি। তার অবয়বে ছিল ক্ষোভ। এ খবর দিয়েছে অনলাইন ডেইলি মেইল।
ওয়েনে রুনি (৩৩) ইংল্যান্ড জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক । তাকে দেশে ফেরাতে কলিন রুনি রোববার উড়ে গিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রে। তিনি চাইছেন ডিসি ইউনাইটেড ক্লাবের সঙ্গে চুক্তি ভঙ্গ করে তিনি ঘরে ফিরে আসুন। কারণ, ওই ছবিগুলোতে তিনি ভীষণভাবে হতাশ হয়েছেন। এতে তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে। সচিত্র প্রতিবেদনে ডেইলি মেইল লিখেছে, ওয়েনে রুনি রোববার ছিলেন কানাডার ভ্যানকোভারে। সেখানে একটি হোটেলের লিফটের মধ্যে এক রহস্যময়ী সুন্দরীর সঙ্গে তাকে দেখা গেছে। ভ্যানকোভারে এর আগে সাত ঘন্টা পার্টি করেছেন তিনি।
এই ছবি প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে তার স্ত্রী কলিন রুনির (৩৩) হাতও ফাঁকা দেখা গেছে। চেশায়ারের কাছে তাকে কেনাকাটা করতে দেখা গেছে, যেখানে তার হাতে নেই বিয়ের আংটি। এ ছাড়া তাকে দেখা গেছে বিমানবন্দরে। ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলো বলেছে, ডিসি ইউনাইটেড ক্লাবের খেলোয়াড়দের সঙ্গে উদ্দাম পার্টি করার পর ওয়েনে রুনির ওইসব ছবি প্রকাশিত হয়েছে। এতে খুব বেশি ক্ষিপ্ত হয়েছেন কলিন রুনি। ওয়েনে রুনি এই পার্টি যখন করেছেন তখন চার ছেলেকে নিয়ে চেশায়ারে নিজের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন কলিন।
ওয়েনে রুনি এখন ডিসি ইউনাইটেড ক্লাবের তারকা স্ট্রাইকার। কিন্তু ওই ছবিতে দেখা গেছে তিনি বাহু বিস্তৃত করে একটি নাইটক্লাবে একজন যুবতীর কোমড় জড়িয়ে ধরে আছেন। এরপর তাকে নিয়ে একটি গাড়িতে ওঠেন। পরে তাকে দেখা যায় অন্য একজন যুবতীর সঙ্গে একটি লিফটের মধ্যে। এই যুবতীর পরনে ছিল জাম্পস্যুট।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপারেশন করতে হাসপাতালে ছুরি-কাঁচি হাতে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী হয়েও নিজ হাতে রোগীদের সেবা দিয়ে যাওয়ার ব্রত ত্যাগ করতে পারেননি লোটে শেরিং। আর তাই ভাগ করে নিয়েছেন সপ্তাহের দিনগুলো। পাঁচ দিন প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর সামলে প্রতি শনিবার সশরীরে হাসপাতালে উপস্থিত থেকে রোগী দেখেন, নিজ হাতে করেন অস্ত্রোপচার। সপ্তাহের অবশিষ্ট দিন, অর্থাৎ রবিবার সারা দিন কাটান পরিবারের সাথে।
‘‘এমনিতে কেউ ফুটবল খেলে কাটান সপ্তাহান্তের অবসর, কেউবা খেলেন গল্ফ। পুরো সপ্তাহের কর্মদিবস শেষে আমিও ক্লান্ত হয়ে পড়ি। আর তাই প্রতি শনিবার রোগীদের নিজ হাতে সেবা দেই। এতে আমি আনন্দ পাই, আমার শারীরিক ও মানসিক চাপ কমাই,’’ বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন তিনি।
ডাক্তারি এবং প্রধানমন্ত্রীত্ব দুটোকেই এক চোখে দেখেন শেরিং। এক মনে করার একটা ব্যাখ্যাও দিয়েছেন ভুটানের প্রধানমন্ত্রী। হাসপাতালে একজন ডাক্তার রোগীকে সারাতে ঔষধ দেন কিংবা শরীরের বিভিন্ন অংশ পরীক্ষা করে দেখেন। প্রধানমন্ত্রীর কাজও একই, কারণ, তাকে সরকারের বিভিন্ন পলিসি পরীক্ষা করে দেখতে হয়, সার্বিক অবস্থার উন্নতির চেষ্টা করতে হয়।
১৯৯১ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজে পড়েছেন লোটে শেরিং। এমবিবিএস কোর্স শেষ করার পর একটি প্রশিক্ষণও নেন ময়মনসিংহে। তারপর জাপান, অষ্ট্রেলিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র থেকে উচ্চশিক্ষা নেন শেরিং। শুরু হয় পথ চলা। প্রায় এক দশক মাঠপর্যায়ে ডাক্তারি পেশায় ব্যাস্ত ছিলেন তিনি।
২০১৩ সালে অনেকটা আকস্মিকভাবেই দেশটির জাতীয় নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে নির্বাচনের হার মেনে নিয়ে আবার মনোনিবেশ করেন ডাক্তারি পেশায়। এসময় গ্রামে-গঞ্জে চিকিৎসা দিয়ে বেড়িয়েছেন মানুষকে। তারপর ২০১৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে প্রধানমন্ত্রী হন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী হয়ে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেন তিনি, নেন নানামুখী পদক্ষেপ। নাগরিকদের সুন্দর স্বাস্থ্য আর সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যকে দেশের উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করেন লোটে শেরিং।
প্রধানমন্ত্রীর চিকিৎসা পেয়ে রোগীরাও খুশি। মূত্রাশয়ের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে এসেছিলেন বুমথাপ। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা ধরে তার অস্ত্রোপচার করেন প্রধানমন্ত্রী নিজে। প্রধানমন্ত্রীর এমন সেবা পেয়ে ভীষণ আনন্দিত এবং আস্বস্ত বুমথাপ।
প্রতিদিন নিজেই গাড়ি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে যান লোটে শেরিং। পথিমধ্যে পড়ে হাসপাতাল। কিন্তু সপ্তাহের পাঁচদিন তো তাকে সামলাতে হয় দপ্তর। আর তাই সামলে নেন নিজের আবেগ। বললেন, ‘‘হাসপাতাল দেখে আমার মনে হয় গাড়িটি ঘুড়িয়ে যদি হাসপাতালে চলে যেতে পারতাম!’’
![]() |
| ভুটানের প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনআরসি-তে বাদ, সাংস্কৃতিক অবদানের জন্য সরকারি পেনশনারের তালিকায় নাম

গত বছর জাতীয় নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ পড়েছিলেন আসামের বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকার বিখ্যাত সাংস্কৃতিক কর্মী সুনির্মল বাগচী। তাঁকেই আবার স্বাধীনতা দিবসে বিশেষ সম্মান দিল অসম সরকার। তাঁর নাম নথিভুক্ত হয়েছে সরকারি পেনশনারদের তালিকায়।
সংস্কৃতি জগতে অবদানের জন্য সরকারের মাসিক পেনশন পাবেন ৭৯ বছরের বৃদ্ধ। তিনি বললেন, ‘একজন ভারতীয় হিসেবে এই সম্মান পেয়েছি। কিন্তু বুঝতে পারছি না কীভাবে আমার নাম এনআরসি-তে নেই। স্বাধীনতা দিবসের আগের দিন পেনশনের কথা ঘোষণা করা হয়। এ দিকে, যাদের নাগরিক পঞ্জি থেকে বাদ দেওয়া হয় সেই তালিকা প্রকাশিত হয়েছিল ২৬ জুন। আমার মনে হয় না এই পেনশন আমার নাগরিকত্বের প্রমাণ দেবে।’
কলকাতায় দীর্ঘদিন লাইটিং ডিজাইনার হিসেবে কাজ করেছেন সুনির্মল। বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংস্থারও সদস্য ছিলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘এখানেই সারা জীবন কাটিয়েছি। ১৯৪৩ সালের ২১ সেপ্টেম্বর আমার জন্ম। এখানেই বড় হয়েছি। আমার বাবা শিলচরে একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে মেডিক্যাল অফিসার ছিলেন। শিলচর পুরসভার দেওয়া আমার জন্মের সার্টিফিকেট রয়েছে। এরপরেও কী ভাবে আমি বিদেশি হলাম?’
এনআরসি থেকে বাদ পড়া এক লাখেরও বেশি মানুষের মধ্যে একজন সুনির্মল। তবে চূড়ান্ত খসড়ায় তাঁর নাম থাকবে বলে তিনি আশাবাদী।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নগ্ন রেস্তোরাঁ দিয়ে শুরু তাদের

তাকে জ্যানিস ব্রায়ান্ট বলেছেন, তিনি আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে নিজের শরীরকে বেশি ভালবাসেন। জ্যানিস ৫৯ বছর বয়সী বিধবা।
ক্যাম্বসের সেইন্ট ইভসে তার বাড়ি। স্বীকার করেন, তার বয়সী নারীদের জন্য খুব মার্জিত পোশাকের চেয়ে তিনি নগ্নতায় বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। তিনি বলেন,আমি সব সময়ই পোশাকহীন অবস্থায় স্বস্তিবোধ করি। আর এ বিষয়টি আমার মধ্যে এসেছে মার কাছ থেকে। তার এক কাজিন রাস্তায় গর্ভপাত করাতে গিয়ে মারা গেছেন। তখন থেকেই তিনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাখঢাক করবেন না শারীরিক সম্পর্ক বা নগ্নতার বিষয়ে। জ্যানিস বলেন, তাই মা আমাদের সামনে মাঝে মাঝেই নগ্ন হয়ে চলাফেরা করতেন। তিনিই আমাকে ৫ বছর বয়সে জীবনের বাস্তবতা সম্পর্কে বলেছেন। এর ফলে আমি তখন থেকেই বাড়িতে নগ্ন হয়ে থাকা শুরু করি এবং সেভাবেই ঘোরাফেরা করি। বাগানে টপলেস হয়ে সূর্য্যস্নান করি। আমি নিশ্চিত এখন আমার প্রতিবেশীর সন্তানরা এ ধারণাকে প্রশংসা করবে না।
তিনি বলেন, শারীরিক দিক দিয়ে আমি সুস্থ নেই। হাঁটুতে আছে আর্থাইটিস। বাকি অঙ্গগুলোতে তেমন কোনো সমস্যা নেই। ফলে শরীরের যে গঠন এখন আছে তা আমি খুব পছন্দ করি। মানুষ আমার পোশাক নিয়ে কি ভাবলো তার কোনো তোয়াক্কাই করি না।
একই ধারণা পোষণ করেন প্লাস-সাইজ মেন্টর ইমিলি ব্লেক। তার বয়স ২৯ বছর। বাড়ি নরউইচে। তিনি বলেন, বাড়িতে আমি নগ্ন হয়ে হাঁটতেই বেশি পছন্দ করি। বিভিন্ন কৌণিক দিক থেকে দেখি আমার শরীরের কার্ভ বা গঠন। টিনেজ বয়সে আমার ক্লাসে সবচেয়ে বড় মেয়েদের অন্যতম ছিলাম। তখন আমার নগ্ন শরীরকে ঘৃণা হতো। সহপাঠীদের সামনে পোশাক পরিবর্তন করতে পারতাম না। আমার আকৃতি এত বিপুল ছিল যে, আমার প্রথম প্রেমিকপুরুষ আমাকে ছেড়ে চলে যায়। এরপর ২০১৩ সালে আমি প্লাস-সাইজ সুন্দরী প্রতিযোগিতায় অংশ নিই। তখনই সব পাল্টে যেতে শুরু করে। ২০১৪ সালে আমি মিস বৃটিশ বিউটি কার্ভ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হই। এরপর ২০১৭/১৮ সালে মিস ইন্টারন্যাশনাল কার্ভ বিজয়ী হই। এসব ঘটনার পর আমার শরীরকে আমি ভালবাসতে শুরু করলাম। এখন আমাকে আমি সবচেয়ে যে বড় উপহারটি দিই তা হলো নগ্নতা। এতে আমার কাজের প্রতি আস্থা সৃষ্টি হয়। আমি এখন মেয়েদের তাদের শরীরের বিভিন্ন গোপন অঙ্গের বিষয়ে শিক্ষা দিই।
সাপোর্ট-কর্মী চার্লি স্টিভেনসন নগ্নতাকে পছন্দ করেন। কারণ পোশাক দিয়ে মানুষ তাকে বিচার করে। ২৭ বছর বয়সী স্টোক-অন-ট্রেন্টের বাসিন্দা চার্লি স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিষয়ক ম্যানেজার মার্ক হোয়াইটফিল্ডের (৪৬) সঙ্গে এনগেজড। চার্লি বলেন, মানুষ যখন পোশাকহীন অবস্থায় থাকে তখন ধনী আর গরিব এক সমান হয়ে যায়।
সারকাস পারফরমার মারিয়া অ্যান্তোনিয়া স্টাভরু নগ্ন হতে পছন্দ করেন। উত্তর-পশ্চিম লন্ডনের ৩০ বছরের এই যুবতী বিয়ে করেছেন ব্যক্তিগত প্রশিক্ষক অ্যাশ এডেলম্যানকে। তিনি বলেন, আমি লন্ডনে নগ্ন রেস্তোরাঁয় গিয়েছিল। নগ্ন সমুদ্র সৈকত দেখতে পছন্দ করি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এইডস রোধে পুরুষদের খতনার পরামর্শ
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্যাকলিন গনিয়ানি বলেছেন, সংসদে তাঁর যেসব পুরুষ সহকর্মীর খতনা করানো হয়নি, তাঁদের অবশ্যই এই প্রক্রিয়ার মধ্যে আনতে হবে। অবশ্য তাঁর দাবির পক্ষে এবং বিপক্ষে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন তাঁর সহকর্মীরা।
তানজানিয়ায় জনস্বাস্থ্যের জন্য এইচআইভি একটি বড় ধরনের হুমকির ব্যাপার। দেশটির ৭০ শতাংশ পুরুষের খতনা করা আছে।
২০১৬ সালের হিসাব অনুযায়ী, দেশটির ৫ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষ এইচআইভিতে আক্রান্ত। আর এতেই বিশ্বের শীর্ষ এইডস আক্রান্ত দেশগুলোর তালিকায় ১৩ নম্বরে আছে তানজানিয়া।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (ডব্লিউএইচও) বলছে, খতনা করানো থাকলে এইচআইভিতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। ইতিমধ্যে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ খতনা প্রক্রিয়া কর্মসূচি শুরু করেছে। এ কারণেই পুরুষ সংসদ সদস্যদের খতনা নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছেন জ্যাকলিন।
![]() |
| এইডসের বিস্তার রোধে তানজানিয়ার পুরুষ পার্লামেন্ট সদস্যদের খতনা করার পরামর্শ দিয়েছেন দেশটির নারী সংসদ সদস্য। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাকাশ স্টেশনে ভিড়তে ব্যর্থ হলো রোবট নভোচারী
যে রোবটটি স্যুয়োজ এমএস-১৪ যানটিতে রয়েছে, তার নাম ‘ফেডর’ (ফাইনাল এক্সপেরিমেন্টাল ডেমোনস্ট্রেশন অবজেক্ট রিসার্চ)। স্কাইবট এফ৮৫০ নামেও এটি পরিচিত। গত বৃহস্পতিবার এটি স্যুয়োজে করে কাজাখস্তানের বাইকোনর কসমোড্রোম রকেট উৎক্ষেপণকেন্দ্র থেকে আইএসএসের উদ্দেশ্যে পাড়ি দেয়। এর আগে ১০ দিন ধরে এটি প্রশিক্ষণ নেয়। মহাকাশ স্টেশনে নভোচারীদের জরুরি পরিস্থিতিতে কীভাবে সহায়তা করতে হবে, তাই মূলত শেখানো হয়েছে একে। মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসাও ২০১১ সালে ‘রোবনট-২’ নামের এ রকম একটি রোবট পাঠিয়েছিল আইএসএসে।
রুপালি রঙের ফেডর রোবটটি ৫ ফুট ১১ ইঞ্চি দীর্ঘ এবং ওজন ১৬০ কেজি। ফেডরের নিজস্ব ইনস্টাগ্রাম ও টুইটার অ্যাকাউন্টও রয়েছে। যেখানে সে পোস্টে লিখেছে, সে সম্প্রতি পানির বোতল খুলতে শিখেছে। এ রকম নতুন নতুন দক্ষতা খুব কম গ্র্যাভিটির পরিবেশে সে কাজে লাগাবে। উৎক্ষেপণের মুহূর্তে ফেডর স্যুয়োজ যানের পাইলটের আসনে বসা ছিল। তার হাতে ছিল একটি ছোট্ট রুশ পতাকা। এ সময় সে ‘চলো যাই, চলো যাই’ বারবার বলছিল। মহাকাশে প্রথমবার পাড়ি দেওয়ার সময় পৃথিবীর প্রথম নভোচারী ইউরি গ্যাগারিনের কণ্ঠে এই একই কথা শোনা গিয়েছিল।
গ্রিনিচ মান সময় গত ২৪ আগস্ট শনিবার ভোর সাড়ে পাঁচটায় এটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে আইএসএসে ভেড়ার কথা ছিল। এখন দুই দফায় ব্যর্থতার পর আগামীকাল সোমবার এটিকে আইএসএসে আবার ভেড়ানোর চেষ্টা করানো হবে। সফল হলে আগামী ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এটি আইএসএসে অবস্থান করবে। রুশ সংবাদ সংস্থা রিয়া নভোস্তি জানিয়েছে, এটি বর্তমানে আইএএস থেকে ৯৬ মিটার দূরে অবস্থান করছে।
![]() |
| মানবাকৃতির এই রোবটটি নিয়েই যাত্রা শুরু করেছিল রুশ মহাকাশযান স্যুয়োজ এমএস-১৪। রোবটটির নাম ‘ফেডর’ (ফাইনাল এক্সপেরিমেন্টাল ডেমোনস্ট্রেশন অবজেক্ট রিসার্চ)। স্কাইবট এফ৮৫০ নামেও এটি পরিচিত। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের কাশ্মীর সিদ্ধান্ত চীনের সাথে সীমান্ত বিবাদকে জটিল করে তুলতে পারে by অঙ্কিত পান্ডা

ভারতীয় সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল ঘোষণার মধ্য দিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করা হয়েছে, এবং দিল্লী এই অঞ্চলের উপর নিজের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী এবং তার ডান হাত ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ দলের বিশাল নির্বাচনী বিজয়কে ব্যবহার করে এই পদক্ষেপ নিয়েছেন।
সরকারের সিদ্ধান্ত দলীয় সমর্থক এবং কিছু বিরোধী দলের সমর্থন পেলেও এই সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়ে একটা অনিশ্চয়তার প্যান্ডোরা বাক্স খুলে গেছে।
ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুরোটাকে নিজেদের দাবি করে থাকে পাকিস্তান এবং তারা এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক সীমিত করেছে।
ইসলামাবাদের প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে এবং এটা উত্তেজনাপূর্ণ নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর সঙ্ঘাতকে আরও উসকে দেবে। এই নিয়ন্ত্রণ রেখা দিয়েই ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে কাশ্মীরের সীমানা নির্ধারিত হয়েছে।
কিন্তু অধিকাংশ আন্তর্জাতিক মনোযোগ যখন পাকিস্তানের দিকে যে তারা এর পর কি পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, সেখানে কাশ্মীর নিয়ে চীনের ভূমিকাকে অনেকটা অবজ্ঞা করা হচ্ছে।
ভারত ও ভুটান এ অঞ্চলের দুটো দেশ যারা এখনও চীনের সাথে তাদের সীমানা বিবাদের মীমাংসা করেনি।
ভারত ও চীনের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা সমাধানের যে আলোচনা, কাশ্মীরের বিষয়ে ভারতের সিদ্ধান্তে সেই আলোচনা বাধাগ্রস্ত হবে।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দিনের অর্ধেকটা সময় চুপ থাকার পর ভারতের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছেন।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র হুয়া চুনইং এক বিবৃতিতে বলেছেন, “চীন সবসময় তাদের পশ্চিম সেক্টরের চীন-ভারত সীমান্তের চীনা অঞ্চলকে ভারতের প্রশাসনিক কর্তৃত্বের অন্তর্ভুক্ত করার বিরোধিতা করে এসেছে”।
তিনি আরও বলেন যে, “ভারত একতরফাভাবে অভ্যন্তরীণ আইন পরিবর্তন করে চীনের আঞ্চলিক অখণ্ডতাকে অবজ্ঞা করা অব্যাহত রেখেছে”। এর মাধ্যমে সুস্পষ্টভাবে দিল্লীর ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের দিকে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
চীন এখনও কাশ্মীরের বৃহৎ অঞ্চল আকসাই চিন এলাকা নিয়ন্ত্রণ করছে, যেটার অবস্থান ভারত নিয়ন্ত্রিত লাদাখের পূর্বে। ভারতের সিদ্ধান্তের পর এই অঞ্চলটি এখন সরাসরি দিল্লীর শাসনাধীনে আসবে।
লাদাখের উপর ভারতের শাসন এবং সম্প্রসারিত অর্থে আকসাই চিনের উপর এই সিদ্ধান্তের বিষয়টি দুই দেশের মধ্যকার পরবর্তী সীমান্ত আলোচনায় চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে। চলতি বছরের শেষ দিকে ২২তম দফা সীমান্ত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে দুই দেশের মধ্যে।
বহু বছর ধরে যদিও নয়াদিল্লী ও বেইজিংয়ের মধ্যে সীমান্ত সমস্যা রয়েছে এবং ২০১৭ সালে দোকলাম সঙ্কটের মধ্যে সমস্যা হয়েছে, এর পরও দুই দেশের মধ্যে সীমান্ত আলোচনা মূলত অব্যাহত রয়েছে।
যদিও সীমান্ত নিয়ে শিগগিরই কোন চূড়ান্ত সমাধান হবে না, তবে দুই পক্ষই এমন একটা সমাধানের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে যেখানে, ভারত হয়তো আকসাই চিনকে চীনের কাছে ছেড়ে দেবে এবং পূর্বাঞ্চলীয় অরুণাচলকে প্রদেশকে ভারতের কাছে ছেড়ে দেবে চীন।
তবে, ভারত ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল করায় বেইজিং একটা অনমনীয় অবস্থানের দিকে যেতে পারে, যেটা এতদিন ছিল না।
বিশেষ করে লাদাখকে পুনর্গঠনের ব্যাপারে ভারতের সিদ্ধান্তের কারণে অরুণাচল প্রদেশের তাওয়াং শহরের দাবির ব্যাপারে আরও কঠোর অবস্থানে যেতে পারে চীন।
৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিলের পর ভারতকে এখন তাদের দুই প্রতিবেশীকে নিয়েই উদ্বিগ্ন থাকতে হবে।
আগামী দিনগুলোকে পাকিস্তানের সাথে পরিস্থিতি উত্তপ্তই থাকবে। অন্যদিকে চীনের সাথে সীমান্ত বিবাদ মীমাংসার বিষয়টিকেও ভারত এখন আরও জটিল করে তুললো।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুজফফরনগর দাঙ্গা: ৪১টি মামলার মধ্যে ৪০টিতেই বেকসুর খালাস অভিযুক্তরা

২০১৭ সালে মুজফফরনগরের একাধিক আদালত দাঙ্গায় যুক্ত ৪১টি মামলার রায় দেয় – এর মধ্যে কেবল একটি হত্যা মামলাতেই সাজা শোনানো হয়েছে। যে ৪০টি মামলায় খালাস দেওয়া হয়েছে, তার সবকটিই মুসলিমদের উপর হামলার ঘটনা।
সব মামলাই দায়ের হয় এবং তদন্ত শুরু হয় অখিলেশ যাদব সরকারের নেতৃত্বে। বিচার চলে তাঁর এবং বিজেপি সরকারের আমলে। এ বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি দায়রা আদালত মুজাম্মিল, মুজাসিম, ফুরকান, নাদিম, জানাগির, আফজল এবং ইকবালকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করে। তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল ২০১৩ সালের ২৭ অগাস্ট কাওয়াল গ্রামে গৌরব এবং শচীনকে হত্যা করার। বলা হয়, এই ঘটনাই দাঙ্গার সূচনা করেছিল।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস আদালতের নথি এবং অভিযোগকারী ও সাক্ষীদের বয়ান পরীক্ষা করেছে এবং বিভিন্ন আধিকারিকদের সাক্ষাৎকার সংগ্রহ করেছে। মোট ১০টি মামলায় ৫৩জন হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত বেকসুর খালাস পেয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে একটি পরিবারকে পুড়িয়ে মারা থেকে তিন বন্ধুকে মাঠের মধ্যে টেনে নিয়ে গিয়ে হত্যা, একজন বাবাকে তলোয়ার দিয়ে কুপিয়ে মারা, এক কাকাকে কোদাল দিয়ে পিটিয়ে খুনের ঘটনাও।
শুধু তাই নয়, একই রকম ধারা দেখা গিয়েছে চারটি গণধর্ষণ ও ২৬টি দাঙ্গার মামলাতেও।
উত্তরপ্রদেশ সরকার জানিয়েছে আবেদন করার কোনও পরিকল্পনা তাদের নেই। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসকে মুজফফরনগরের জেলা সরকারি কৌঁশুলি দুষ্যন্ত ত্যাগী জানিয়েছেন, “আমরা ২০১৩ সালের মুজফফরনগর দাঙ্গার যে খালাস তার বিরুদ্ধে কোনও আবেদন করছি না কারণ মুখ্য অভিযুক্তদের সকলকেই আদালত বিরূপ বলে ঘোষণা করেছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল সাক্ষীদের বয়ানের উপর নির্ভর করেই।”
ত্যাগীর কথা অনুযায়ী, সমস্ত বিরূপ সাক্ষীর বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেওয়ার অভিযোগে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৪৪ ধারা অনুসারে মোটিস জারি করা হয়েছে।
যে দশ মামলায় সবাই খালাস পেয়েছে তার কয়েকটি মূল দিক:
৬৯ জনের নামে অভিযোগ করা হয়েছিল, কিন্তু মাত্র ২৪ জনকে বিচারের মুখে ফেলা হয়েছে। যে ৪৫ জনের নামে মামলা চলেছিল তাদের নাম মূল অভিযোগে ছিলই না।
প্রতিটি এফআইআরে খু্নের অস্ত্রের কথা উল্লেখ করা হলেও পুলিশ মাত্র পাঁচটি মামলায় প্রমাণ হিসেবে সেগুলি দাখিল করেছে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আমরোড, মেহেরবান এবং আজমলের হত্যাকাণ্ডে ভিন্ন ভিন্ন মামলায় দোষীদের খালাস দিয়েছে। পুলিশ এই হত্যাকাণ্ডে ব্যবহ়ত কাস্তে একদন অভিযুক্তের কাছ থেকে বাজেয়াপ্ত করে। কিন্তু একটি মামলায় এটি প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হয়নি, দ্বিতীয় একটি মামলায় এটিকে প্রমাণ হিসেবে দাখিল করা হলেও পুলিশ বলেছে, এতে রক্তের দাগ পাওয়া যায়নি, এবং ফলত সেটিকেকে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়নি, এবং তৃতীয় মামলায় পুলিশ এটি প্রমাণ হিসেবে দাখিল করলেও পুলিশের কোনও সাক্ষীকে এই অস্ত্র উদ্ধারের ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি।
আসিমুদ্দিন এবং হালিমা হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল ফুগানায়, ২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর। পুলিশ এ ঘটনায় দুজন নিরপেক্ষ সাক্ষীর নামোল্লেখ করেছিল, যাঁরা তল্লাশি এবং প্রমাণ বাজেয়াপ্ত করার সময়ে উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দুজনেই জানিয়েছে তাদের উপস্থিতিতে বাজেয়াপ্তির ঘটনা ঘটেনি এবং পুলিশ তাদের সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল। একইভাবে ৮ সেপ্টেম্বর তিতাওইয়ে রোজুদ্দিন হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় নিরপেক্ষ সাক্ষী জানান তাঁর উপস্থিতিতে কোনও বাজেয়াপ্তির ঘটনা ঘটেনি এবং সমস্ত নথি থানায় তৈরি করার পর পুলিশ তাঁকে দিয়ে সই করায়।
মীরাপুরের শরিক, তিতাউইয়ের রোজাউদ্দিন এবং মীরাপুরের নাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় যেসব ডাক্তাররা পোস্ট মর্টেম করেছিলেন, সাক্ষী হিসেবে তাঁদের নামোল্লেখ করা হয়। কিন্তু আদালতে ডাক্তারদের বলা হয়েছিল কেবলমাত্র মেডিক্যাল পরীক্ষার নথির যাথার্থ্য বিচার করতে বলা হয়। ক্ষতের ধরন বা মৃত্যুর কারণ নিয়ে তাঁদের কোনও পাল্টা জেরা করা হয়নি।
আসিমুদ্দিন এবং হালিমা হত্যাকাণ্ডে কোনও পোস্টমর্টেম রিপোর্টই দাখিল করা হয়নি, যার ভিত্তিতে আদালত বলেছিল- অভিযোগ, এফআইআর, জেনারেল ডায়েরি এবং যেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে, সে জায়গার সাইট প্ল্যান ছাড়া আর কিছুই আদালতে পেশ করা হয়নি।
যে ১০টি মামলায় সবাই খালাস পেয়েছে তার একটি হল ৬৫ বছরের ইসলাম খুনের ঘটনা। মুজফফরনগরের ফুগানা থানায় ২০১৩ সালের ৮ সেপ্টেম্বর এ ঘটনা ঘটে।
ইসলামের ছেলে জারিফ যে এফআইআর দাখিল করেছিলেন, তাতে বলা হয়েছিল, “অভিযুক্ত হরপাল, সুনীল, ব্রহ্ম সিং, শ্রীপাল, চশমবীর, বিনোদ, সুমিত, কুলদীপ, অরবিন্দ- এরা ধর্মীয় স্লোগান দিতে দিতে আমাদের পরিবারের উপর অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। শ্রীপাল আমার বাবার মাথায় তীক্ষ্ণ অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে এবং ৬ জন তাঁর উপর তলোয়ার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ওরা আমাদের বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমার ভাই বাবাকে সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়।”
কিন্তু সেই জারিফই আদালতে বলেন, “আমার বাবা খুন হয়েছেন, আমাদের আত্মীয় গুলজ়ার এ সম্পর্কে অভিযোগ দায়ের করেছেষ আমি শুধু দরখাস্তে সই করেছি। আদালতে যারা হাজির আছে তারা কেউ এ ঘটনায় যুক্ত ছিল না।” তিনজন অন্য সাক্ষীও আদালতে একই মর্মে বয়ান দেয়।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে কথা বলার সময়ে পেশায় মজুর জ়ারিফ বলেন, তিনি কবে আদালতে সাক্ষী দিয়েছেন এবং বিরূপ বলে প্রতিপন্ন হয়েছেন, সে কথা তিনি মনে করতে পারছেন না। আদালতের নথিতে লেখা রয়েছে, তাঁর বয়ানে তিনি অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে পারেননি।
কিন্তু তাঁর সেদিনের বাবাকে হত্যার স্মৃতি এখনও অটুট। “উনি হাসপাতালে মারা যান। উনি আমাদের গ্রামের হরপাল, সুনীল, শ্রীপাল, চশমবীর, বিনোদ, সুমিত পালস কুলদীপ এবং অরবিন্দকে চিহ্নিত করেছিলেন। এফআইআরে এই নামগুলি রয়েছে কারণ আমার বাবা সব অভিযুক্তদের চিহ্নিত করেছিলেন।”
তিনি বলেন, “আমাদের গ্রামের সমস্ত মুসলিম পরিবার পালিয়ে গিয়েছিল, শুধু আমরাই রয়ে গিয়েছিলাম। সরপঞ্চ সহ গ্রামের বয়স্ক মানুষরা আমাদের মসজিদে নিয়ে গিয়েছিলেন এবং আমাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করেছিলেন। যেহেতু ধর্মস্থানের মধ্যে ওঁরা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, আমরা ওঁদের কথা বিশ্বাস করেছিলাম।”
“কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আমরা বুঝতে পারি পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে। আমার বাবার থানা ইনচার্জকে ফোন করেছিলেন, কিন্তু কোনও সাড়া পাওয়া যায়নি। আমরা স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার কাছে সাহায্যের আবেদন জানাই, তিনি বলেন সেনাবাহিনী আসাছে। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল। যারা আমাদের নিরাপত্তার আশ্বাস দিয়েছিল সে লোকগুলোই হামলা করে আমার বাবাকে হত্যা করে।”
কিন্তু আদালতের নথি অনুযায়ী ২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর মুজফফরপুর দায়রা আদালতের বিচারক হিমাংশু ভাটনগরের সামনে জ়ারিফ অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে অস্বীকার করেন।
এরকম কেন করলেন? জ়ারিফের কথায়, “যারা ছাড়া পেয়ে গেছে ওরাই খুনে যুক্ত ছিল। কিন্তু আমরা দুর্বল, তাই আমাদের সমঝোতা করতে হয়েছে। আমাদের ক্ষমতা থাকলে আমরা হাই কোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট অবধি লড়াই করতাম। কিন্তু পরিবারকে খাওয়ানোর মত টাকাই আমাদের নেই, আদালতে বিচার চেয়ে কী হবে?”
খালাসের অন্য মামলাগুলির মতই ইসলামের বিচারপ্রক্রিয়া শুধু তাঁর ছেলের আদালতে বিরূপ হয়ে যাওয়াই নয়। আদালতের নথি বলেছে গোটা তদন্তপ্রক্রিয়াই স্ববিরোধিতায় ভরা এক ধাঁধা।
উদাহরণ- জ়ারিফ যে আটজনের নাম করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে হরপাল, কুলদীপ, চশমবীর, সুনীল এবং বিনোদকে বিচারের মুখে ফেলা হয়েছিল। জ়ারিফ এও অভিযোগ করেছিলেন যে পুলিশ মৃত্যুর আগে তাঁর বাবার বয়ান রেকর্ড করতে অস্বীকার করে।
তিনি বলেন, “আমার বাবা সামান্য কয়েক ঘণ্টা বেঁচেছিলেন। উনি অত্যন্ত আহত ছিলেন, তিনি পুলিশকে বলেছিলেন তাঁর বয়ান রেকর্ড করতে, কারণ উনি সব হামলাকারীদেরই চিনতে পেরেছিলেন। কিন্তু তা না করে পুলিশ ওঁকে শামলি হাসপাতালে নিয়ে যায়। আমরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে অপেক্ষা করতে থাকি কিন্তু বাবার বয়ান রেকর্ড করার জন্য কোনও পুলিশ এল না। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান রেকর্ড করা হল না কারণ পুলিশ অভিযুক্তদের বাঁচাতে চাইছিল।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছরে ৮৭ বার ভূ-কম্পন, নিহত ১৫ by পার্থ শঙ্কর সাহা

নগর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেছেন, ‘দ্রুত নগরায়ণের ফলে বাংলাদেশে ভূমিকম্পের মতো একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। নগরায়ণ হতে হবে পরিকল্পিত। শহরাঞ্চলে ভবন নির্মাণের সময় অবশ্যই নির্মাণ বিধি মানতে হবে।’
ডিজাস্টার ফোরামের ২০০৮ থেকে ২০১৭ সালের উপাত্ত অনুযায়ী, ১০ বছরের মধ্যে ২০০৯ সালে সর্বোচ্চ ২৪ বার ভূকম্পন হয়। ২০০৮ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ভূকম্পনের সংখ্যা বেশি ছিল। পরের বছর থেকে কম্পনের সংখ্যা কমতে থাকে। তবে ২০১৫ ও ২০১৬ —এই দুই বছরে কম্পনের ঘটনা কম হলেও এই দুই বছরের প্রাণহানি হয় অনেক বেশি।
পার্বত্য রাঙামাটি জেলার ভারত সীমান্তবর্তী বরকলে ২০০৮ সালের জানুয়ারি মাসে ১৭ দিনের ব্যবধানে ১৮ বার ভূকম্পন হয়েছে। এর প্রথম দফা ভূমিকম্প ১৩ জানুয়ারি এবং সর্বশেষ ৩০ জানুয়ারি সংঘটিত হয়। ১৩ ও ৩০ জানুয়ারি পার্শ্ববর্তী চট্টগ্রামসহ পার্বত্য তিন জেলায় কয়েক দফা ছোট-বড় ঝাঁকুনি অনুভূত হলেও ওই সময়ের মধ্যে শুধু বরকলেই ১৮ বার ভূকম্পন হয় বলে আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানান। ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে যে তিনটি জোনে ভাগ করা হয়েছে তার মধ্যে পার্বত্য জেলাগুলোর অবস্থান ১ নম্বরে চিহ্নিত হয়েছে। বারবার ভূমিকম্পের ফলে বরকল উপজেলার অধিকাংশ সরকারি স্থাপনার পাকা দালানসহ কয়েকটি উঁচু পাহাড়ের মাঝখানে ফাটল দেখা দিয়েছিল। ভূতাত্ত্বিক বিশেষজ্ঞরা বলেন, ১৩ জানুয়ারি ভোররাতে বরকলে সংঘটিত মাঝারি ধরনের ভূমিকম্প প্রায় ২৫ থেকে ৩০ সেকেন্ড স্থায়ী ছিল। ওই সময় তিন দফায় মাঝারি কম্পন অনুভূত হয়। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্তবর্তী এবং চট্টগ্রামের আমবাগান ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ কেন্দ্র থেকে ৬৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব ও ঢাকা ভূকম্পন কেন্দ্র থেকে ২৫৬ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে। রাঙামাটির বরকল উপজেলার কাছাকাছি এর উৎপত্তিস্থল হওয়ায় রাঙামাটির মানুষ ভূমিকম্পের মাত্রা অধিক অনুভব করে। ভূমিকম্পের মাত্রাটি ছিল রিখটার স্কেলে ৪.৯।
এরপর ২০০৯ থেকে ২০১৬ প্রতিবছরই ভূমিকম্প সংঘটিত হয়েছে।
২০০৯ সালে ২৪ ও ২০১০ সালে ২১ বারের বেশি ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। এর মধ্যে ৬ দশমিক ৭ মাত্রারও ভূমিকম্প ছিল। নওয়াপাড়া, সাতক্ষীরা, টাঙ্গাইল, বরকল, রংপুর, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধাসহ সারা দেশে ভূমিকম্প অনুভূত হয়। ২০১১ সালে ১৪ বার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প আঘাত হানে। এর মধ্যে ২০১১ সালে ১৮ সেপ্টেম্বর সারা দেশে ৬.৯ মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়, যার উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকা থেকে ৪৯৬ কিলোমিটার দূরের সিকিম-নেপাল সীমান্ত। সেই সময় ঢাকাসহ সারা দেশে অনেক ভবন ধসে পড়াসহ উল্লেখযোগ্যভাবে নাটোরে ৩০টি ও দিনাজপুরের পার্বতীপুরে ১৫টি কাঁচাঘর বিধ্বস্ত হয়। দেয়াল ধসে লালমনিরহাটে শিশুসহ ২ জন আহত হয়। ভূমিকম্প-আতঙ্কে ছোটাছুটিতে সিরাজগঞ্জের শাহবাজপুরে ২ জন ও গাইবান্ধায় ১৫ জন আহত হয়। ২০১২ সালে ১৮ মার্চ সকাল ৮টায় সেকেন্ডে রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকা ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে। এই ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল ঢাকার দোহার উপজেলা। আবহাওয়া অফিসের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ১৬২ বছরের মধ্যে এই প্রথম ঢাকার এত কাছের একটি উৎপত্তিস্থল (এপিসেন্টার) থেকে মাঝারি মাত্রার ভূমিকম্পের সৃষ্টি হয়। ১৮৫০ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে সংঘটিত ভূমিকম্পের যে তথ্যাদি রয়েছে, তাতে ঢাকার এত কাছে আর কোনো ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ছিল না। এই ভূমিকম্পে রাজধানীসহ দেশের অনেক এলাকায় মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল ও লাইব্রেরি চত্বরে শিক্ষার্থীরা ছোটাছুটি শুরু করেন। সাভারে একটি ভবন হেলে পড়ে।
নগর বিশেষজ্ঞ ও স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘এসব ভূমিকম্প আমাদের জন্য সতর্কবার্তা দিচ্ছে। ঢাকার নগরায়ণ ঘটেছে যত্রতত্রভাবে। নেপালে যে ভূমিকম্প হয়েছে এর চেয়ে ছোট মাত্রার ভূমিকম্প হলেও শুধু ভবনধস না, ঢাকার অপরিকল্পিত বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন এবং গ্যাসলাইন এ শহরকে একটি অগ্নিকুণ্ডের মধ্যে নিক্ষেপ করবে।’
মোবাশ্বের হোসেন বলেন, ‘অপরিকল্পিত নগরায়ণের ফলে যেকোনো মাত্রার ভূমিকম্পই আমাদের জন্য বড় ক্ষতি বয়ে আনতে পারে। এখন যে বিশাল সংখ্যায় ভবন নির্মাণ হয়ে গেছে, সেগুলো রক্ষায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করতে হবে। আর নতুন করে তৈরি ভবন যেন নিয়ম মেনে হয়, সে জন্য নজরদারিটা হওয়া উচিত যথাযথ।’
২০১৫ ও ২০১৬ —এ দুই বছর দেশে ভূকম্পন হয় মোট ৮ বার। তবে দুই বছরে মানুষ মারা গেছে ১৩ জন। সবাই আতঙ্কিত হয়ে।
দুর্যোগ বিশেষজ্ঞ গওহার নইম ওয়ারা বলেন, আতঙ্কিত হয়ে মৃত্যুর ঘটনা প্রমাণ করে মানুষের সচেতনতার ব্যাপক অভাব আছে। ভবনের নিরাপত্তায় নানা ব্যবস্থার পাশাপাশি জরুরি হলো সচেতনতা তৈরি করা। এ ক্ষেত্রে গণমাধ্যমের ভূমিকা বেশি।
ডিজাস্টার ফোরামের সদস্যসচিব গওহার নইম ওয়ারা বলেন, অনেক সময় সচেতনতার জন্য যে বার্তা দেওয়া হচ্ছে, সে ক্ষেত্রে ভয় ছড়ানোর লক্ষণ আছে। ভয় না ছড়িয়ে বার্তা যেন সঠিক কথাটা তুলে ধরে, সেই বিষয়টি মনে রাখতে হবে।
ভূমিকম্পের ক্ষতি প্রশমনের মতো কর্মসূচি নয়, একেবারে জাপানের মতো ভূমিকম্প-সহনীয় দেশ হিসেবে গড়ে তোলা যায় কীভাবে, সেটাই ভাবছে সরকার। জাপানের সহযোগিতায় এমন ধরনের উদ্যোগের কথা জানান দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান। গতকাল মঙ্গলবার প্রথম আলোকে তিনি বলেন, ‘এখন রিখটার স্কেলে ১০ মাত্রার ভূমিকম্পেও ভবন ভেঙে না পড়ার প্রযুক্তি ব্যবহার করছে জাপান। আমরাও এ ব্যাপারে জাপানের সহযোগিতা চেয়েছি। ইতিমধ্যে জাইকার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা হয়েছে। তারা আশ্বাস দিয়েছে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার।’
প্রতিমন্ত্রী এনামুর রহমান বলেন, ‘ভূমিকম্পসহনীয় এ কাজে প্রয়োজনীয় ঋণ জাপান দেবে সহজ শর্তে। জাপান বলেছে, তাদের এ কাজটি করতে ৩০ বছর লেগেছে। আমাদের সে ক্ষেত্রে হয়তো ৫০ বছর লাগবে। তবে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা আমরা চাই।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শহরজুড়ে শুধু ইঁদুর আর ইঁদুর

স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো সরেজমিন প্রতিবেদনে একেকটা ইঁদুর বিড়ালের মতো ধেড়ে বলে বর্ণনা করেছে। স্থানীয় এক প্রতিবেদক জানান, তিনি গত সপ্তাহে ওই এলাকা সরেজমিনে ২০ মিনিটের মধ্যে ৩০-৪০টি ইঁদুর দেখেছেন। এ যেন ইঁদুরের স্রোত। ওই প্রতিবেদক বলেন, ইঁদুরগুলো একেবারে নির্লজ্জ যাকে বলে। একদম লোকজনকে ভয় পায় না, এমনকি গাড়িঘোড়াকেও না।
চলতি মাসের শুরুতে টিটিরাঙ্গির বাসিন্দারা এবং স্থানীয় করদাতাদের সংগঠন মিলে ফেসবুকে ইঁদুর নিয়ন্ত্রণের আরজি জানায়। তারা জানায়, গ্রামে দিনের বেলায়ও শত শত ইঁদুর যত্রতত্র ঘুরে বেড়াচ্ছে।
নিউজিল্যান্ড সংরক্ষণ দপ্তর বলেছে, ইঁদুর ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে উৎপাত করছে। এটা দেখা সরকারের কাজ নয়। অর্থাৎ যা করতে হবে, তা নগর প্রশাসনকেই করতে হবে। টিটিরাঙ্গির প্রশাসক গ্রেগ প্রেসল্যান্ড বলেন, দিন কয়েকের মধ্যেই তিনি ইঁদুর ও বন্য মুরগির বিষয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রকাশ করবেন। বাসিন্দাদের বিশ্বাস, মুরগির ডিম ও উচ্ছিষ্ট খাবার খেয়েই ইঁদুরগুলো আরও তরতাজা হচ্ছে।
এদিকে নিউজিল্যান্ডে গত ৪০ বছরের মধ্যে এবার সবচেয়ে বনজঙ্গলের গাছপালার বীজ নষ্ট হয়েছে বলে বলা হচ্ছে। স্থানীয়ভাবে একে ‘মেগামাস্ট’ বলা হয়ে থাকে। অর্থাৎ এ বছর বনজঙ্গলের গাছে বীজ হয়েছে সর্বোচ্চ, অথচ সেগুলো অঙ্কুরোদ্গমের সুযোগ না পেয়ে গিয়েছে ইঁদুরের পেটে। পাখি ও গাছপালার জন্য বছরটি যেখানে চমৎকার হতে পারত, সেখানে তা এখন নরকে রূপ নিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রাখাইনকে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তকরণ’ প্রশ্নে রোহিঙ্গা অ্যাকটিভিস্টদের অবস্থান কী?

সম্প্রতি মার্কিন কংগ্রেসে এশিয়া প্রশান্ত-মহাসাগরীয় উপকমিটির চেয়ারম্যান ব্রাড শেরম্যান মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত করার সম্ভাবনা বিবেচনায় নিতে পররাষ্ট্র দফতরের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। গত ১৩ জুন কংগ্রেসের শুনানিতে শেরম্যান প্রশ্ন তোলেন, সুদান থেকে দক্ষিণ সুদানকে আলাদা করে একটি নতুন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাকে যুক্তরাষ্ট্র যদি সমর্থন করতে পারে, তাহলে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের রোহিঙ্গাদের নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য কেন একই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না? শুনানিতে অংশ নেওয়া পররাষ্ট্র দফতরের প্রতিনিধি এবং যুক্তরাষ্ট্রের উন্নয়ন সহায়তা প্রতিষ্ঠান, ইউএসএআইডির ভারপ্রাপ্ত প্রশাসকের উদ্দেশে তিনি পরে আবারও একই প্রশ্ন তোলেন। মিয়ানমারে সংঘটিত গণহত্যার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, তারা যদি রাখাইনের রোহিঙ্গা নাগরিকদের দায়িত্ব নিতে না পারে, তাহলে যে দেশ তাদের দায়িত্ব নিয়েছে, সেই বাংলাদেশের সঙ্গে রাখাইনকে জুড়ে দেওয়াই তো যৌক্তিক পদক্ষেপ।
জিশান খানের নিবন্ধকে ঘিরে যখন বিতর্ক উঠেছিল, সে সময় মিয়ানমারের রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের মুখপাত্র ইয়ে তুত বলেছিলেন, ‘মিয়ানমার নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আমরা কখনও আমাদের সার্বভৌমত্বের ওপর এমন আঘাত মেনে নেবো না।’ তার সঙ্গে একমত ছিলেন অনেক রোহিঙ্গা অধিকারকর্মীরাও। অ্যাকটিভিস্ট নায় সান লুইন সে সময় বলেছিলেন, ‘এটা ভয়ানক। আমরা বার্মিজ, আমরা মিয়ানমারের রোহিঙ্গা। আমরা মিয়ানমারেরই অংশ এবং সবসময় তাদের অংশই থাকবো।’ সেই ঘটনার পর পাঁচ বছর পেরিয়ে গেছে।
এবারও রাখাইন রাজ্যকে বাংলাদেশের ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রশ্নে মার্কিন কংগ্রেস সদস্যের প্রস্তাবকে অমূলক আখ্যা দিয়েছে মিয়ানমার। তবে এবার নায় সান লুইন বলছেন, ‘পাঁচ বছর আগে আমি এক রকম জবাব দিয়েছিলেন। কিন্তু এখন আমি সেই কথা বলবো না। কারণ পরিস্থিতি পাল্টেছে। তিনি বলেন, হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। শতশত নারী ধর্ষিত হয়েছেন। আমাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা অনেক বেড়ে গেছে এবং অপরাধীদের শাস্তি হয়নি।’ লুইন বলেন, মিয়ানমারকে ভাগ করে রাখাইন বাংলাদেশকে দিয়ে দেওয়ার প্রস্তাবটি সহজ নয়। তবে তিনি বাস্তবসম্মত চিন্তা করতে চান। ‘আমাদের দাবি দাওয়া মেনে নেওয়ার কোনও ইচ্ছে মিয়ানমারের নাই। তারা আমাদের এমন কোনও নিশ্চয়তা দিতে সক্ষম হয়নি যার মধ্য দিয়ে আমরা নিজেদেরকে নিরাপদ ভাবতে পারি।’ মার্কিন কংগ্রেসম্যানের প্রস্তাব প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমরা কখনও আলাদা হতে চাইনি। সরকারই আমাদের রাষ্ট্রহীন করে নিজেদের জন্মভূমি থেকে ছিন্ন করেছে। তারা আমাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে।’
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য কুইন্ট এ লেখা এক নিবন্ধে প্রামাণ্যচিত্র নির্মাতা শফিউর রহমান বলেন, এটা এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। যেকোনও সময় নায় সান লুইন বলে উঠতে পারেন, ‘‘অনেক হয়েছে। যদি যুক্তরাষ্ট্র হস্তক্ষেপ করে আমাদের মানবিক মর্যাদা নিশ্চিত করতে চায় আমরা মেনে নিবো। আমরা শুধু চাই আমাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার। কে আমাদের দেশ চালাচ্ছে তা নিয়ে মাথা ব্যাথায় নেই আমাদের।
আরেকজন বিশিষ্ট রোহিঙ্গা এক্টিভিস্ট তুন খিন বলেন, রোহিঙ্গারা কখনোই আলাদা হতে চায়নি। বর্তমানে রোহিঙ্গারা মনে করছে সরকার ব্যর্থ হয়েছে, পুরো জাতিসংঘ ব্যর্থ হয়েছে এবং সেজন্য কংগ্রেসম্যানের প্রস্তাবকে একটা সমাধান হিসেবে তারা ভাবতে পারে।
তবে ভিন্নমত দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের আন্তর্জাতিক নারী ও সাহসী পুরস্কার জেতা নারী রাজিয়া সুলতানা। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে মনে হচ্ছে এটা এই অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধির একটি কৌশল। আমরা রোহিঙ্গারা কখনও নিজ দেশ থেকে আলাদা হয়ে অন্য দেশের সঙ্গে যোগ দিয়ে মিয়ানমারের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে ফেলতে চাই না।’
২০০৮ সালে প্রণীত মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী, দেশের কোনও অংশই অঞ্চল, রাজ্য কিংবা স্বায়ত্বশাসিত অঞ্চলমূল ভূখণ্ড থেকে আলাদা হতে পারবে না। তবে ১৯৪৭ সালের সংবিধানের ধারা ছিলো একদমই ভিন্ন। সেখানে ইউনিয়ন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছিলো।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টে রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্বপরিকল্পিত ও কাঠামোগত সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার সহিংসতা ও নিপীড়ন থেকে বাঁচতে নতুন করে বাংলাদেশে পালিয়ে আসে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর ৭ লাখেরও বেশি মানুষ। বর্তমানে বাংলাদেশে বাস করা রোহিঙ্গার সংখ্যা দশ লাখেরও বেশি। জাতিসংঘ এই সামরিক অভিযানকে ‘জাতিগত নিধনযজ্ঞ’ বলে আখ্যা দেয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরুর জন্য ‘আবাসিক হোটেল’ ব্যবস্থা বাংলাদেশে by শফিক রহমান

‘গো রক্ষার’ নামে ভারতে যখন মানুষকে পিটিয়ে হত্যা করার মতো ঘটনা ঘটছে তখন গরু কেনা-বেচা প্রক্রিয়ার মধ্যে শুধু গরুর বিশ্রামের জন্য এ ধারনা যুক্ত করেছেন বাংলাদেশের গ্রাম-গঞ্জের স্থানীয়রা। যার পিছনে ছিলনা পশুর অধিকার সংরক্ষণে শহুরে কোন আন্দোলন কিংবা এ্যাডভোকেসি।
গবাদি পশুর জন্য আবাসিক হোটেল ব্যবস্থার এমন ধারনা প্রথম জন্ম নেয় টাঙ্গাইল জেলায়। বিশেষ করে যমুনা নদীর তীরবর্তী এই জেলার ভূয়াপুর উপজেলার গোবিন্দাসী হাটকে কেন্দ্র করে। গত শতকের ষাটের দশকে প্রতিষ্ঠিত এবং স্থানীয় জেলাগুলোর মাঝে বিখ্যাত এই হাটটি আরও জমজমাট হয়ে ওঠে যমুনা ব্রীজ চালু হওয়ার পর। ব্রীজ থেকে সাড়ে চার কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত সপ্তাহে দুই দিন করে (রবিবার ও বৃহস্পতিবার) মিলিত হওয়া এই গোবিন্দাসী হাটকে বলা হয় দেশের উত্তরাঞ্চলের পশু কেনা-বেচার অন্যতম মোকাম।
তবে হাট জমজমাট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বিপত্তি বাড়তে থাকে পাইকারদের। বিশেষ করে গরু কেনা কিংবা বিক্রি পরবর্তী সময় থেকে আরেক হাটের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু আগ পর্যন্ত গরুগুলোর খাবার, নিরাপত্তা এবং পরিচর্যা নিয়ে। আর এই সমস্যা সমাধানে প্রথমে এগিয়ে আসেন স্থানীয়রা। তারা নিরাপত্তাসহ গরুগুলোকে রাখার জন্য জায়গা দেন, প্রথমে সেবার মানসে এবং পরবর্তীতে টাকার বিনিময়ে।
এদিকে স্থানীয়দের ব্যক্তিগত এ উদ্যোগ ধীরে ধীরে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেতে শুরু করেছে। গোবিন্দাসী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. আনোয়ার হোসেন জানান, হাট পার্শ্ববর্তী এলকার প্রায় পঞ্চাশটি পরিবার এখন যুক্ত রয়েছে গরুর আবাসিক হোটেল পরিচালনায়। প্রত্যেকে নিজ বসতভিটায় নির্মাণ করেছেন বড় বড় টিনশেড ঘর, রাখাল থাকার রুমসহ রেখেছেন গরু গোসল করানোর জন্য পানির পাইপ, মটর, ব্রাশ ইত্যাদি। তিনি নিজেও পরিচালনা করছেন ৫০টি গরু রাখার ধারন ক্ষমতার এ ধরনের একটি ব্যবস্থা।
আনোয়ার বলেন, হাটবারে বেচা-কেনা শেষে প্রত্যেক পাইকারের কাছে ২০/২৫টা কিংবা তারও বেশি সংখ্যক গরু থেকে যায়। এক্ষেত্রে রাখার সুবিধা থাকলে সপ্তাহের পরবর্তী হাটের জন্য অপেক্ষা করাই পাইকারদের জন্য ঝামেলামুক্ত কাজ। না হলে গরুগুলোকে নিয়ে ছুটতে হয় অন্য কোন হাটের উদ্দেশ্য। তাতে খরচ বাড়ে এবং ঝুঁকি বাড়ে গরুগুলোর অসুস্থতার। আর সেই রাখার এবং নিরাপত্তারই নিশ্চয়তা দিয়েছেন গোবিন্দাসী গ্রামের স্থানীয়রা।
তিনি আরও জানান, আগে ছোট-বড় ব্যবধানের ভিত্তিতে প্রতি দিনের জন্য গরু প্রতি নেয়া হতো ৩০ টাকা এবং ৪০ টাকা। বর্তমানে সেখানে দিনপ্রতি প্রতিটি গরুর জন্য নেয়া হচ্ছে ১০০ টাকা। গরুর খাবার খরচ গরুর মালিককে বহন করতে হয়।
এদিকে গোবিন্দাসী এলাকার এ ধারনা ছড়িয়ে পড়তে শুরু করেছে দেশের অন্যান্য জেলাতেও। যশোর জেলার কেশবপুর উপজেলা সদরের মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত সড়কে ঢুকলেই উত্তর পাশে আবদুল মজিদ মিয়ার বাড়ি। প্রায় ২০ শতাংশ জমির ওপর গড়ে তোলা বসতবাড়ির এক কর্ণারে এক সময়ে চালাতেন খাবারের হোটেল। গত কয়েক বছর ধরে সেই খাবারের হোটেল বন্ধ করে দিয়ে চালাচ্ছেন গরুর আবাসিক হোটেল। ৬৫ ফুট লম্বা এবং ৩৫ ফুট চওড়া একটি টিনশেড কাঠামোতে এক সঙ্গে গরু রাখতে পারেন ৭১টি। কেশবপুর পৌর গরুর হাটের ক্রেতা-বিক্রেতারা নিয়মিত ওখানে গরু রাখছেন।
আবদুল মজিদ বলেন, খাবার হোটেলে ওই সব পাইকাররাই খেতে আসতেন। কিন্তু প্রায়ই তাদের মুখে গরু আনা-নেয়ার ঝামেলার কথা শোনা যেত। বলতেন- গরুগুলো রাখার ব্যবস্থা থাকলে ভালো হতো। একদিন এক পাইকারের অনুরোধে কয়েকটি গরু রেখে দিলাম। ওই দিন থেকেই শুরু।
পরে তার ভাই শুরু করেছেন, শুরু করেছেন আরও কয়েকজনে। বর্তমানে কেশবপুর পৌর গরুর হাটকে কেন্দ্র করে ৭/৮টি গরুর আবাসিক হোটেল পরিচালিত হচ্ছে বলে জানান আবদুল মজিদ।
এছাড়া যশোরের শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুর হাট, খুলনার ডুমুরিয়ার খর্ণিয়া গরুর হাটকেন্দ্রিক গড়ে উঠেছে এ ধরনের আয়োজন। গরুর আবাসিক হোটেল খ্যাত এসব আয়োজনে বছরের সব সময় গরু রাখছেন ব্যবসায়িরা। তবে কোরবানির ঈদের আগে চাপ বাড়ে।
১২ আগস্ট বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয় ঈদুল আযহা বা কোরবানির ঈদ। সরকারি হিসাব মতে প্রতি বছর কোরবানির ঈদে এক কোটির অধিক সংখ্যক পশু কোরবানি হয়। গত বছর কোরবানি হয়েছিল ১ কোটি পাঁচ লাখের মতো পশু। যার প্রায় অর্ধেকটাই ছিল গরু। এ বছরও ১ কোটি ১০ লাখ কোরবানির পশুর চাহিদা বিপরীতে সারাদেশে প্রায় ১ কোটি ১৭ লাখ ৮৮ হাজার ৫৬৩টি কোরবানিযোগ্য পশু ছিল বলে আগাম তথ্য জানিয়েছিল প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর।
আর দেশ জুড়ে বিশাল সংখ্যক এই গরুর চাহিদা পূরণে কোরবানির আগের কয়েকদিনে হাট থেকে হাটে এবং জেলা থেকে জেলায় গরু নিয়ে ছুটেন থাকেন মালিক ও ব্যবসায়িরা। দীর্ঘ এ যাত্রায় ক্লান্ত ও অসুস্থ গরুর চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের বড় বড় হাটগুলোতে পশু চিকিৎসকদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক করেছেন সরকার তাও প্রায় এক দশক আগে।
এ প্রক্রিয়ায় গরুর আবাসিক হোটেল ব্যবস্থা হাটগুলোতে অসুস্থ গরুর সংখ্যা কমিয়ে আনবে বলে মনে করছেন প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. হীরেশ রঞ্জন ভৌমিক। তিনি বলেন, বিশেষ করে কোরবানির ঈদের সময় রাজধানী হাটগুলোর অধিকাংশ গরু যে শারীরিক সমস্যায় ভোগে সেটা হলো ট্রাভেল সিকনেস। দীর্ঘ সময় ধরে ট্রাকে দাঁড়িয়ে জার্নি করার কারণে এমনটি হয়। এর ফলে খুড়িয়ে খুড়িয়ে হাটা, বদ হজম এবং জ্বরসহ নানা উপসর্গ দেখা দেয়। সেখানে পথে কোথাও বিশ্রামের সুযোগ পেলে এই সমস্যাগুলো নিশ্চিত কমে আসবে।
আর সেবার মানসে বাংলাদেশের গ্রামীণ জনপদে এই যে ধারার সূচনা ঘটেছে তাকে ‘ভালো লক্ষণ’ বললেন এই প্রাণীসম্পদবিদ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 27
(40)
- রাশিয়ায় এয়ারশোতে ইরানি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র উন্মোচন
- ‘এটা সত্তরের দশক নয়’: কাশ্মীরে ‘জরুরি অবস্থার’ প্র...
- কাশ্মীরে আরএসএস মোতায়েন করছে ভারত, দাবি পাকিস্তানের
- বাংলাদেশের ডিটারজেন্টে ক্যান্সার সৃষ্টিকারী উপাদান...
- বন্ধুত্বে ফাটল
- ফরাসি ফার্স্টলেডির অবমাননা, মানতে পারেননি ম্যাক্রন
- বিনা খরচে জাপান যেতে চাইলে দক্ষ হতে হবে by মহিউদ্দিন
- প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়াতে জার্মানিকে যুক্তরাষ্ট্রের চাপ
- রোহিঙ্গা সংকট: দ্বিপাক্ষিক সমাধানের চেষ্টা অবান্তর...
- ফার্স্টলেডিগণ
- সিলেটে রঙ্গশালা থেকে যেভাবে গ্রেপ্তার মিনারা ও হেন...
- ভারতে যে গ্রামের দেখা মেলে বছরে একবার
- আবার নাইটক্লাব, আবার নারীসঙ্গ এবং...
- অপারেশন করতে হাসপাতালে ছুরি-কাঁচি হাতে প্রধানমন্ত্রী
- এনআরসি-তে বাদ, সাংস্কৃতিক অবদানের জন্য সরকারি পেনশ...
- নগ্ন রেস্তোরাঁ দিয়ে শুরু তাদের
- এইডস রোধে পুরুষদের খতনার পরামর্শ
- মহাকাশ স্টেশনে ভিড়তে ব্যর্থ হলো রোবট নভোচারী
- ভারতের কাশ্মীর সিদ্ধান্ত চীনের সাথে সীমান্ত বিবাদক...
- মুজফফরনগর দাঙ্গা: ৪১টি মামলার মধ্যে ৪০টিতেই বেকসুর...
- ১০ বছরে ৮৭ বার ভূ-কম্পন, নিহত ১৫ by পার্থ শঙ্কর সাহা
- শহরজুড়ে শুধু ইঁদুর আর ইঁদুর
- ‘রাখাইনকে বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তকরণ’ প্রশ্নে রোহিঙ্...
- গরুর জন্য ‘আবাসিক হোটেল’ ব্যবস্থা বাংলাদেশে by শফি...
- জেলে বসে হাতে দুই কপি পবিত্র কোরআন লিখলেন কাশ্মিরি...
- বাইকে ছোটে সুরাইয়ার স্বপ্ন by তারিকুর রহমান খান
- কাশ্মীরে দমন-পীড়নের প্রতিবাদে ভারতীয় কর্মকর্তার পদ...
- জেলখানায় সবজি চাষ করেন সেই ধর্মগুরু
- বাংলাদেশে বিমান মেরামত কারখানা স্থাপনে আগ্রহী সৌদি...
- পাওয়া যাচ্ছে না সুগাইলি চুক্তি ও নেপাল-ভারত মৈত্রী...
- মিয়ানমারে সেনাবাহিনীর যৌন সহিংসতার শিকার সংখ্যালঘু...
- ইসরায়েল ইস্যুতে বিতর্কে জড়িয়ে পড়া দুই নারী কংগ...
- শ্রীলংকার নির্বাচনকে ঘিরে চমক, গোপন বৈঠক আর জল্পনা
- নেপালে চীনের পদচিহ্ন বাড়ছে
- বালুচ লিবারেশন আর্মিকে কেন সন্ত্রাসী সংগঠনের তকমা ...
- হিজাব ছাড়বেন না মার্কিন আইনপ্রণেতা ইলহান ওমর; 'এটা...
- রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন না হওয়ার নেপথ্যে by মিজানুর র...
- কাশ্মীর ইস্যু প্রমাণ করে ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পর...
- ভারতের জঙ্গিবিমান সংখ্যা পাকিস্তানের পর্যায়ে নামার...
- পুকুর গিলে খেয়েছেন সেটেলমেন্ট আর পরিবেশ কর্মকর্তা ...
-
▼
Aug 27
(40)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...












