Sunday, September 1, 2019
বরিস জনসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন সংশয় by বেনজামিন কেনতিশ ও জন স্টোন

যদি প্রধানমন্ত্রী ব্রাসেলসের সঙ্গে একটি নতুন চুক্তি করতে সক্ষমও হন তাহলেও তা অনুমোদন করাতে পার্লামেন্টের সময় শেষ হয়ে যাবে বলে সংশয় সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার বরিস জনসন দাবি করেছেন, ব্রাসেলসের কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নে থাকার পক্ষের রিমেইনার’রা। তারা চাইছেন যাতে ব্রেক্সিট বন্ধ হয়ে যায়। এর মধ্য দিয়ে তারা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে বৃটেনের একটি চুক্তিভিত্তিক বিচ্ছেদের সুযোগকে ধ্বংস করছেন। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্ট স্থগিত করার পর হাতেগোনা মাত্র কয়েকটি দিনে একটি চুক্তি অনুমোদন করানো অসম্ভব হবে বলে সতর্ক করছেন এমপিরা।
এতে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে সরকার আলোচনা জোরালো করা সত্ত্বেও বৃটেন চুক্তিবিহীন বিচ্ছেদের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
ইনস্টিটিউট ফর গভর্নমেন্ট নামের থিংক ট্যাংক বলেছে, যথাসময়ের মধ্যে একটি চুক্তি পার্লামেন্টের জন্য অনুমোদন দেয়া হবে অত্যন্ত ‘ট্রিকি’ বিষয়। এতে বিরোধী লেবার দলের এমপিরা এই দাবি করে বসতে পারেন যে, নতুন একটি চুক্তির বিষয়ে দরকষাকষিতে ‘সিরিয়াস’ ছিলেন না জনসন। এর পরিবর্তে তিনি লোকজনকে এমন কথা বলবেন, যা তারা শুনতে চেয়েছিল।
ডাউনিং স্ট্রিট থেকে বলা হয়েছে, যদি এমপিদেরকে রাতভর কাজ করতেও হয় তবু ৩১শে অক্টোবরের মধ্যে একটি চুক্তি অনুমোদন করাতে হবে। আগামী সপ্তাহে চুক্তিবিহীন একটি ব্রেক্সিটের জন্য ব্যবসায়ী ও জনগণকে প্রস্তুত থাকার এক প্রচারণা শুরু হচ্ছে। ১০ কোটি পাউন্ডের এই কর্মসূচির নাম দেয়া হয়েছে ‘গেট রেডি’। বৃটেনে ফ্লু ভ্যাকসিন বা ফ্লুর টিকা শেষ হয়ে যেতে পারে এমন সতর্কতা দেয়ার পরে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দেয়। এ অবস্থায় চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট আটকাতে এমপিরা শেষ পর্যন্ত চেষ্টা চালিয়ে যাবেন। এ জন্য এই গ্রীষ্মের বিরতির পর আগামী সপ্তাহে যখন পার্লামেন্ট বসবে তখন তারা তাদের তৎপরতা শুরু করবেন। প্রধানমন্ত্রী জনসন সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে পার্লামেন্ট স্থগিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ৩১শে অক্টোবরের মাত্র দু’সপ্তাহ আগে তা আবার শুরু হবে। এতে বিরোধীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট নিয়ে। তবে শুক্রবার তারা একটি ধাক্কা খেয়েছেন। পার্লামেন্ট স্থগিতকরণকে অসাংবিধানিক আখ্যায়িত করার দাবি জানানো হয়েছিল। কিন্তু এদিন পার্লামেন্ট স্থগিতকরণ অব্যাহত থাকবে বলে আদালত রায় দিয়েছেন।
ওদিকে বরিস জনসন বলেছেন, তিনি চাইছেন একটি চুক্তির মধ্য দিয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়ুক বৃটেন। তিনি শুক্রবার অভিযোগ করেন, চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিট থামাতে একদল এমপি চেষ্টা করছেন। এতে তার জন্য চুক্তি করা অনেক কঠিন হয়ে যাচ্ছে। জনসনের ভাষায়, আমার অনেক বন্ধু ও ইউরোপের অংশীদার যা মনে ধারণ করছেন তা নিয়ে আমি উদ্বিগ্ন। তারা মনে করছেন, ব্রেক্সিট থামিয়ে দেয়া যাবে। তারা মনে করছেন, বৃটেনকে থামিয়ে রাখা যাবে পার্লামেন্ট ব্যবহার করে। আমাদের যে চুক্তি প্রয়োজন তারা আমাদেরকে সেই সুযোগটাকে কমিয়ে দিচ্ছেন।
মনে করা হচ্ছে যে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের এ বিষয়ে ডেভিড ফ্রস্ট আশ্বস্ত করেছেন যে, এই চুক্তির বিষয়ে অবশ্যই একমত হতে হবে এবং তা ডেডলাইন ৩১ শে অক্টোবরের মধ্যে অনুমোদিত হতে হবে। যদিও বেশির ভাগ ভাষ্যকার আশা করেন যে, যেকোনো বড় সাফল্য আসতে পারে ১৭ই অক্টোবর ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের সামিটে। আর সেটা হতে পারে বৃটেনের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করার ঠিক দু’সপ্তাহ আগে। ব্রাসেলকে ওই কূটনীতিক এটা নিশ্চয়তা দিয়েছেন যে, ব্রেক্সিট চুক্তি অনুমোদন হতে পারে অক্টোবরের দ্বিতীয়ার্থে, যদিও জনসনের পার্লামেন্ট স্থগিত করার সিদ্ধান্তের কারণে ব্রেক্সিট নিয়ে বিতর্কের জন্য এমপিদের সময় কমিয়ে দেয়া হয়েছে।
কিন্তু ইনস্টিটিউট ফর গভর্নমেন্ট-এর সিনিয়র গবেষক ম্যাডি থিমোন্ট জ্যাক দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্টকে বলেছেন, ইউরোপিয়ান কাউন্সিলের পরে পার্লামেন্টের মাধ্যমে একটি চুক্তি অনুমোদন করানো হবে খুবই কঠিন। এক্ষেত্রে একটিই বাস্তবসম্মত পথ আছে। তাহলো এ বিষয়ে আপনার থাকতে হবে আইনগতভাবে লিখিত দলিল, যাতে এটাকে আপনি সরাসরি বৃটিশ আইনে পরিণত করতে প্রস্তুত থাকতে পারেন। তারপর আপনি প্রত্যাশিত কোনো উপায়ে ‘উইড্রয়াল এগ্রিমেন্ট বিল’ পাস করিয়ে নিতে পারেন। জনসন বলেছেন, রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের বক্তব্যের ওপর ভোট হবে ২১ ও ২২শে অক্টোবর। সুতরাং ওই সময় থেকে ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত মাত্র ৬টি কার্যদিবস থাকবে, যা নামমাত্র সময়। যদি আইনগত দলিল প্রস্তুত না থাকে তাহলে বিলম্বিত হবে। যদি তারা শেষ মুহূর্তে কিছু একটায় সম্মত হন তাহলে তা আইনে পরিণত হতে প্রস্তুত থাকবে না। এটা একটা চ্যালেঞ্জ হয়ে দেখা দেবে।
মিসেস থিমোন্ট জ্যাক আরো বলেন, উইড্রয়াল এগ্রিমেন্ট বিলকে ব্রেক্সিট চুক্তির জন্য আইনে পরিণত করতে হবে। এই বিলটি অতিমাত্রায় জটিল। বৃটিশ আইনের ওপর এর বড় রকমের প্রভাব রয়েছে। তাই এটাকে নিয়ে পার্লামেন্টে তাড়াহুড়ো করা উচিত হবে না। যদি তারা হাউজ অব কমন্সের মাধ্যমে তাড়াহুড়ো করেন, যাচাইবাছাই এড়িয়ে যান, তাহলে তাৎক্ষণিকভাবে তাকে আইনে পরিণত করা ভালো কোনো কিছু হবে না।
(দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট থেকে সংক্ষেপিত অনুবাদ)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্বস্তিতে ঢাকা

বলেন, যদি কেউ এই এলাকা থেকে গিয়ে থাকে তবে তা গেছে ১৯৭১ বা তার আরও আগে। ১৯৪৭ সালে ভারত পাকিস্তান ভাগের আগেও অনেকে গেছে। তারা বছরের পর বছর ধরে সেখানে বসবাস করছে। ফলে আমি এদের ‘বাংলাদেশি’ বলে মনে করি না। অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটেও কেউ বাংলাদেশ থেকে ভারতে যেতে পারে বলেও মনে করেন না তিনি। মন্ত্রী বলেন, তাদের বাংলাদেশ থেকে ভারতে (অভিবাসী হওয়ার) যাওয়ার কোন কারণ নেই। বাংলাদেশেই তো তারা অনেক ভাল আছে। তাছাড়া তারা ভারতে (আসামে) যাবে কেন? সেখানে কোন আকর্ষণীয় কিছু নেই। বরং বাংলাদেশে মানুষের গড় আয় তাদের জীবনযাত্রার ব্যয়ের তুলনায় অনেক বেশী। ফলে সেখানে কোন বাংলাদেশি যেতে পারে এটা আমার মনে হয় না। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে ঢাকার বৈঠকের পর যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত বিবিসি বাংলার প্রশ্নের সংক্ষিপ্ত জবাবে মন্ত্রী জয়শঙ্কর বলেন, এনআরসি একান্তই ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। বিজেপি নেতাদের বক্তব্যে বাংলাদেশেও যে উদ্বেগ বা অস্বস্তি তৈরি হয়েছে সে বিষয়েই দিল্লির বিদেশমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন বিবিসি বাংলার প্রতিনিধি। কিন্তু এ নিয়ে মন্ত্রী কথা বাড়াননি। ঢাকার কর্মকর্তারা বলেন, এ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কোন কারণ নেই- দিল্লির বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর সেটাই কী বোঝাতে চেয়েছেন প্রকাশ্যে তা তার জবাবে স্পষ্ট হয়নি, ফলে অস্বস্তি রয়েই গেছে।
এনআরসি যে দীর্ঘ মেয়াদে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে ‘গলার কাঁটা’ হচ্ছে সেটি খোলাসা করে বলতে শুরু করেছেন কূটনীতিক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এখনই এ নিয়ে বাংলাদেশ সরকারকে ভারতের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ বিশেষতঃ বন্ধুত্বের মধ্য দিয়ে বিষয়টি নিয়ে বোঝাপাড়া শেষ করতে হবে। তা না হলে বাংলাদেশকে অদূর ভবিষ্যতে মাশুল দিতে হবে। এনআরসি নিয়ে বিবিসিসহ আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো প্রতিনিয়ত রিপোর্ট করছে। এটি যে বড় ইস্যু হতে যাচ্ছে তার আভাস রয়েছে ওই সব রিপোর্টে। তবে এখনই যে এদের ‘বিদেশি’ বলে অন্য দেশের সীমান্তে ঠেলে দেয়ার কোন লক্ষণ নেই- সেটিও স্পষ্ট করা হয়েছে ওই সব রিপোর্টে। আসাম সরকারের বরাতে বিবিসি’র এক রিপোর্টে বলা হয়েছে- আসাম সরকার জানিয়েছে, এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখ লোককে এখনই ‘বিদেশি’ বলে ঘোষণা করা হবে না, কিংবা গ্রেপ্তারও করা হবে না। তবে তাদের সরকারি ‘বিদেশি ট্রাইব্যুনালে’ আবেদন করতে হবে ১২০ দিনের মধ্যে। ট্রাইব্যুনালের বিচারে যারা ‘বিদেশি’ সাব্যস্ত হন, তারপর তারা হাইকোর্ট, সুপ্রীম কোর্টে চ্যালেঞ্জ করার সূযোগ পাবেন। ফলে আইনি দীর্ঘ পথেই যে ইস্যুটির নিষ্পত্তি এবং সেটা যে পোক্ত বা শক্ত আইনি মোড়কে সামনে আসছে সেই আভাস দিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলো। এনআরসি নিয়ে দেয়া এক প্রতিক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয়েস স্টেট ইউনিভার্সিটির সরকার ও রাজনীতি বিভাগের খ্যাতিমান অধ্যাপক আলী রিয়াজ মনে করেন- আসামে ভারত সরকারের করা এনআরসি থেকে বাদ পড়া ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জনের ভবিষ্যৎ আনুষ্ঠানিকভাবে আগামিকালই নির্ধারিত হচ্ছে না। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালের দ্বারস্থ হওয়ার সূযোগ রাখা হয়েছে। সেখানে সুরাহা না পেলে হাইকোর্ট, সুপ্রিম কোর্ট। তার অর্থ হচ্ছে ভয়-ভীতি-আতঙ্কের মধ্যে তাদের আরও সময় কাটবে। ফরেনার্স ট্রাইবব্যুনালে আবেদন করার মধ্য দিয়ে ভারতে বসবাসকারী নাগরিকদের নিজেদেরই পরোক্ষভাবে স্বীকার করতে হবে তাঁরা ‘নাগরিক নন’- বিদেশি। ট্রাইব্যুনালের নামকরণের মধ্যেই একটা রাজনীতি প্রবেশ করানো হয়েছে, উদ্দেশ্য বুঝতে কষ্ট হয়না। প্রায় একই ধরণের প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব ছিনিয়ে নেয়া হয়েছিল বলেও কালকের ফেসবুকে দেয়া প্রতিক্রিয়া সংক্রান্ত লেখায় স্মরণ করেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ওই বিশ্লেষক। আলী রিয়াজ লিখেন- “ভারতে এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকার সময়েই সীমান্ত পেরিয়ে মানুষজন বাংলাদেশে প্রবেশের চেষ্টা করতে পারে বলে অনুমান করা যায়। ভারতের সরকার বলবে যে তাঁরা আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে বাংলাদেশে ‘পুশ ব্যাক’ করেনি। তবে ‘পুশ ব্যাক’ করার আশঙ্কা থেকেই যাবে। এই আশঙ্কা বজায় রেখে ভারত এখন বাংলাদেশের মাথার ওপরে ‘ডেমোক্লিসের তরবারি’ ঝুলিয়ে দিলো। সেই ঝুলন্ত তরবারির কারণে ভারত বাংলাদেশের কাছ থেকে আর কী কী সুবিধা নেবে বা বাংলাদেশ সরকার কি ভূমিকা নেবে সেটাই আগামীতে দেখার বিষয়।” আসামের চূড়ান্ত নাগরিকপঞ্জি বা এনআরসি তালিকায় বাদ পড়া ১৯ লাখ মানুষের অনিশ্চিত জীবন ভারতের কিছু রাজনীতিবিদের ‘রাজনৈতিক খেলার’ অংশ হিসেবে বলে প্রচার আছে। এ নিয়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও বিতর্ক আছে। এরা ‘বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী’ বলে আসামের রাজনীতিতে যে স্লোগান রয়েছে তা নিয়েও ঢাকার আপত্তি নেই। কিন্তু ওই লোকগুলোকে সত্যিই যদি সীমান্তের ওপারে ঠেলে দেয়ার চেষ্টা হয় তা দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কেবলই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। চীনে বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুনশি ফয়েজ আহমেদ মনে করেন- বেশি উদ্বিগ্নতা দেখানোর মতো অবস্থা এখনও তৈরি হয়নি। তবে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। তিনি বলেন, ভারত যদি মিয়ানমারের মতো তাদের লোকগুলোকে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে তাহলে দেশটির সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে। সাবেক পররাষ্ট্র সচিব এম তৌহিদ হোসেনের মতে, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেছেন এনআরসি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়। এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় হয়ে থাকলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু শঙ্কার জায়গা তৈরি হয় যখন ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ প্রকাশ্যে এ বিষয়ে কথা বলেন এবং বাদপড়া লোকগুলো ‘বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশকারী’ বলে অভিহিত করেন। তৌহিদ হোসেন বলেন, আমাদের সজাগ থাকতে হবে। কারণ আমরা চাই না অমিত শাহ ও তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে এই লোকগুলো আমাদের ঘাড়ে চেপে বসুক। আমাদের পার্শ্ববর্তী রাজ্যগুলোতে বাংলাদেশ কার্ড যেন ব্যবহার করা না হয় সেজন্য আমাদের সজাগ থাকতে হবে বলে তিনি মনে করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. আসিফ নজরুলের মতে, আসামে নাগরিক তালিকা থেকে বাদ পড়া মানুষজনের সংখ্যা বাড়তে বা কমতে পারে। এদের অনেককে জোর করে বা মানবেতর পরিস্থিতিতে রেখে বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা হতে পারে। এই চাপ মাথার উপর ঝুলিয়ে রেখে বাংলাদেশ থেকে আরো নানান একতরফা সুবিধা নেয়ার চেষ্টা হতে পারে। ভারত এমন কিছু করলে সরকারকে শক্ত থাকতে হবে। সরকারকে বুঝতে হবে দেশের স্বার্থ বোঝে বাংলাদেশের মানুষ। দেশের জন্য শক্ত অবস্থান নিলে দল মত নির্বিশেষে সবাই থাকবে সরকারের পক্ষে। সরকারকে তাই স্পষ্টভাবে বলতে হবে ১৯ লাখ বা ভারতের কোন অধিবাসীর দায় বাংলাদেশ নেবে না।
অবৈধ অনুপ্রবেশ নিয়ে বিতর্ক, নাগরিকত্ব চিহ্নিতকরণের প্রস্তাব: এদিকে গত মাসে (৭ই আগস্ট) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-ভারত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সপ্তম বৈঠকে ‘সীমান্তে অনুপ্রবেশ’ ইস্যুতে দুই পক্ষের মতানৈক্য স্পষ্ট হয়েছে মর্মে খবর বেরিয়েছে। দিল্লির ডেটলাইনে প্রচারিত সংবাদে বলা হয়েছে- মতানৈক্যের কারণেই ওই বৈঠকে যৌথ বিবৃতি প্রচার করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সম্ভব হয়নি। তবে ঢাকার কর্মকর্তারা এটি মানছেন না। দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তার দাবি যৌথ বিবৃতি সব সময় হতে হবে এমন কোন কথা নেই। যে সংবাদ প্রচার হয়েছে তা পুরোপুরি সঠিক নয় বলে দাবি করেন সেগুনবাগিচার ওই কর্মকর্তা। তবে ওই বৈঠকে যে নানা বিষয়ে আলোচনা, বিতর্ক এবং কিছু কিছু বিষয়ে ভিন্নমত হয়েছে তা স্বীকার করেন ঢাকার প্রতিনিধিরা। তারা বলেন, জাতীয় স্বার্থে সব সময় একমত হওয়া যায় না। কূটনৈতিক অঙ্গনে এখন বলাবলি আছে ‘অনুপ্রবেশ ঠেকানো’র বিষয়ে দিল্লি বেশ শক্ত অবস্থান নিয়েছে। অবৈধভাবে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী বা ভারতের কোন লোক বাংলাদেশে প্রবেশ করে থাকলে বা ধরা পড়লে তাকে ফেরতে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের একটি ম্যাকানিজম বা কাঠামো চুক্তির আগ্রহ রয়েছে দিল্লির। এ নিয়ে একটি প্রস্তাবও ঢাকার বিবেচনায় পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এটি এআরসির সঙ্গে যুক্ত নয় বলে দাবি দায়িত্বশীলদের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাড়ি by আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
![]() |
| শিল্পীদের রিকশা চিত্রকলায় দারুণভাবে ফুটে ওঠে শাড়ির নান্দনিকতা |
![]() |
| কামরুল হাসানের চিত্রকর্ম ‘উঁকি’তে দেখা যায় বাঙালি নারীর শাড়ির সৌন্দর্য |
বাঙালি মেয়েরা বিপদে পড়ে এখানটাতেই। এদের গড় উচ্চতা ৫ ফুট ২ থেকে ৩ ইঞ্চির সামান্য এদিক–ওদিকে (অবশ্য ১০ শতাংশ মেয়েকে বাদ দিয়ে ধরলে)। এই উচ্চতা নিয়ে ললিত–মধুর ও দীর্ঘাঙ্গী নারীর কমনীয় শরীর নিয়ে ফুটে ওঠা কঠিন, যা দেখা যায় এই উপমহাদেশের উত্তর দিকের নারীর উন্নত দেহসৌষ্ঠবে। ওই অঞ্চলের মেয়েদের তুলনায় বাঙালি মেয়েদের আরও একটা জায়গায় ঘাটতি আছে। মনে রাখতে হবে, বাঙালিরা একটু বেশি রকমের মিশ্র জাতি। নানা জাতির দৈহিক বৈশিষ্ট্য এ জাতির মানুষের বিভিন্ন প্রত্যঙ্গে অমিলভাবে ছড়িয়ে রয়েছে। কিছুটা অবিন্যস্তভাবে, তাই বাঙালি মেয়েদের দেহ গঠন উপমহাদেশের উত্তরাংশের মেয়েদের চেয়ে তুলনামূলকভাবে অসম। যেকোনো অসমতাকে আড়ালে রেখে মানসম্মত দেহসৌষ্ঠব নিয়ে দাঁড়ানোর পথ একটাই—ইংরেজিতে যাকে বলে মেকআপ—যার গভীরতর মানে মেকআপ দ্য লস। শারীরিক অসমতার এত ঘাটতি থাকার পরও অন্যান্য মেকআপের মতো রূপকে নিটোলতা দেওয়ার মতো এক অনন্য সাধারণ মেকআপ রয়েছে বাঙালি মেয়েদের ভাঁড়ারে। আমার মতে, এর নাম ‘শাড়ি’। আগেই বলেছি, উচ্চতার কারণে উপমহাদেশের উত্তরাংশের গড়পড়তা মেয়েদের শাড়ি বা সালোয়ার–কামিজ দুটোতেই ভালো লাগে। কিন্তু ওই কাম্য উচ্চতার অভাবে বাঙালি মেয়েদের শাড়ি ছাড়া আর যেন কোনো গতিই নেই। আজ বাঙালি মেয়েরা সেই শাড়িকে প্রায় ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দিচ্ছে। আজকাল শাড়ি ছাড়া অনেক রকম কাপড় পরছে তারা—সালোয়ার–কামিজ তো আছেই, পাশ্চাত্য ফ্যাশনের কাপড়ও কম পরছে না—এবং পরার পর ইউরোপ বা ভারতের ওই সব পোশাক পরা সুন্দরীদের সমকক্ষ ভেবে হয়তো কিছুটা হাস্যকর আত্মতৃপ্তিও পাচ্ছে।
![]() |
| প্রচ্ছদ: সাব্যসাচী মিস্ত্রী |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রেনের ছাদে উঠলে ছাড় নেই, এখন থেকে কড়া দৃষ্টি by নাগিব বাহার
![]() |
| এ বছরের অগাস্টে কোরবানি ঈদের সময় ছাদ ভর্তি মানুষ |
![]() |
| বর্তমান আইনে ট্রেনের ছাদে উঠলে সর্বোচ্চ শাস্তি ৫০ টাকা জরিমানা |
জরিমানা মাত্র ৫০ টাকা
![]() |
| জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদে উঠে চলাচল (ফাইল ফটো) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের নেতা হলেন যেভাবে

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র গিয়ে সাক্ষাৎ করে আসার পর প্রত্যাবাসন কর্মসূচি প্রায় এককভাবে ঠেকিয়ে দিয়ে মুহিবুল্লাহ বিদেশি এনজিওগুলোকেও তার হাতের মুঠিতে নিয়ে নিয়েছেন। পরে লাখো রোহিঙ্গার সমাবেশ ঘটিয়ে আলোচনার তুঙ্গে এনেছেন নিজেকে।
সবার প্রশ্ন- কে এই মুহিবুল্লাহ? কীভাবে তিনি হঠাৎ ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গার এত বড় নেতা হয়ে গেলেন? জানা যায়, গত আগস্টের প্রথম সপ্তাহে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হঠাৎ করেই খবর আসে ২২ আগস্ট প্রত্যাবাসের দিনক্ষণ ঠিক করেছে বাংলাদেশ ও মিয়ানমার। বিদেশি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের মিয়ানমার থেকে প্রকাশ করা এই খবরে শুধু উখিয়া ও টেকনাফের রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় নয়, কক্সবাজার শহরে থাকা বিদেশি এনজিওগুলোর মধ্যেও তোলপাড় সৃষ্টি হয়।
কারণ, তখন পর্যন্ত কক্সবাজারে অবস্থান করা কেউই এই দিনক্ষণের কথা জানতেন না। কারণ, মিয়ানমার থেকেই পুরোপুরি এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। বার্তা সংস্থার খবর প্রকাশের পরপরই তৎপর হয়ে ওঠে এনজিওগুলো। যোগাযোগ শুরু হয় আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটসের নেতা মহিবুল্লাহর সঙ্গে।
ইংরেজিতে দক্ষ মহিবুল্লাহর সেদিন থেকেই একদ অবসর নেই। দিনে বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধির সঙ্গে আলোচনা-বৈঠক, বিকাল থেকে ভোররাত পর্যন্ত বিভিন্ন ক্যাম্পের ঘরে ঘরে ছুটে বেড়ান মহিবুল্লাহ। কাজে লাগান তার একনিষ্ঠ দুই হাজার কর্মীর নেটওয়ার্ক। রোহিঙ্গাদের বোঝান পাঁচ দফা দাবির কথা। পরে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য সাড়ে তিন হাজারের তালিকা পাওয়ার পর তালিকায় থাকা প্রত্যেককে আলাদাভাবে পাঁচ দফা দাবির কথা মুখস্থ করান মুহিবুল্লাহ ও তার লোকেরা।
যে কারণে প্রত্যাবাসনের সাক্ষাৎকার দিতে আসা প্রত্যেকেই ফিরে না যাওয়ার কথা বলতে গিয়ে প্রায় একই কথা বলেছেন। দুুপুরের এই ‘সফলতা’র পর ২২ আগস্ট বিকালেই মহাসমাবেশের জন্য নিজ নামে আবেদন করেন মুহিবুল্লাহ। ইংরেজিতে লেখা আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, কোন কোন ক্যাম্প থেকে কতজন কীভাবে এসে আয়োজিত হবে ৩ থেকে ৫ লাখ রোহিঙ্গার এ মহাসমাবেশ। পরে ২৫ আগস্টের এই মহাসমাবেশ তাক লাগিয়ে দেয় বাংলাদেশিদের এবং আনন্দে আত্মহারা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে লেগে থাকা বিদেশি এনজিওগুলোকে।
জানা যায়, রোহিঙ্গাদের সশস্ত্র বাহিনী রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন ‘আরএসও’র ক্যাডার হিসেবে কাজ করার অভিযোগ ওঠার পর ১৯৯২ সালে মহিবুল্লাহ মিয়ানমার ছেড়ে বাংলাদেশে আসেন।
এর পর থেকেই তিনি উখিয়ার ক্যাম্প ও আশপাশে বসবাস করছেন। বিংশ শতকের গোড়ার দিকে ১৫ জন সদস্য নিয়ে গড়ে তোলেন ‘আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যানরাইটস’ বা এআরএসপিএইচ। স্থানীয় বাংলাদেশি মানবাধিকারকর্মীদের সঙ্গেও গড়েন যোগাযোগ। ধীরে ধীরে মুহিবুল্লাহ প্রধান পাঁচ রোহিঙ্গা নেতার একজন হয়ে ওঠেন। দেশের বাইরে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে সফর করেন একাধিক দফায়।
কিন্তু ২০১৭ সালে রোহিঙ্গার ঢল নামার পর পরিস্থিতি পাল্টে যেতে থাকে। সুস্পষ্টভাবে মুহিবুল্লার আজকের অবস্থানের মূল উত্থান হয় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে ২০১৮ সালে ইউএনএইচসিআরকে সংযুক্ত করার পর। রোহিঙ্গাদের বক্তব্য জানার চেষ্টা থেকেই মদদ পায় মুহিবুল্লাহর সংগঠন এআরএসপিএইচ। ইংরেজি ভাষা ও রোহিঙ্গাদের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগে দক্ষ মুহিবুল্লাহ ধীরে ধীরে প্রিয়পাত্র হয়ে ওঠেন বিদেশিদের।
২০১৮-এর জুলাইয়ে র্যাব একবার মুহিবুল্লাহকে আটক করে উখিয়া থানায় নিয়ে যায়। কিন্তু প্রশাসনের নির্দেশে কোনো প্রকার রেকর্ড ছাড়াই তাকে থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এরপর গত এক বছরে জাতিসংঘ মহাসচিবসহ যত বিদেশি প্রতিনিধি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গেছেন তাদের প্রত্যেকের সঙ্গেই রোহিঙ্গা প্রতিনিধি হিসেবে মুহিবুল্লাহ ও তার সঙ্গীদের সাক্ষাৎ করানো হয়েছে। এই মুহিবুল্লাহই মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিবকে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংলাপের প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
গত জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ১৭ দেশের যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ২৭ প্রতিনিধি সাক্ষাৎ করেন সেখানেও যোগ দেন মুহিবুল্লাহ। যুক্তরাষ্ট্রে এ সফর ও এর আগে একাধিক দফায় মধ্যপ্রাচ্য সফর করলেও মহাসমাবেশের আগে মুহ্বিুল্লাহর বিদেশযাত্রা নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা হয়নি। মহাসমাবেশের পর সমালোচনা হলে কক্সবাজার প্রশাসনের সূত্রগুলো জানায়, আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত আডটপাসের ওপর ভিসা ইস্যু করে নিজ দায়িত্বে সফর আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্য দেশগুলো। পরে ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ও তার এক্সিটপাসে বিদেশযাত্রার বিষয়টি নিশ্চিত করে।
প্রশ্ন ওঠে, মাত্র কয়েক ঘণ্টার প্রস্তুতিতে কীভাবে এত বড় মহাসমাবেশের আয়োজন করলেন মুহিবুল্লাহ ও তার সংগঠন। এর উত্তরে মুহিবুল্লাহ জানান, বিভিন্ন ক্যাম্পে তার সংগঠনের দুই হাজার নেতা-কর্মীকে মোবাইল ফোনে নির্দেশনা পৌঁছে দেওয়া হয়। এরপর কর্মীরা ঘরে ঘরে গিয়ে মহাসমাবেশে উপস্থিত হওয়ার কথা জানান। এ কারণেই দুর্গম ও দীর্ঘ পথ পার হয়ে আশ্রিত রোহিঙ্গারা যথাসময়ে সমাবেশস্থলে উপস্থিত হয়েছেন বলে দাবি মুহিবুল্লাহর।
কিন্তু রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোর বিভিন্ন সূত্রের দাবি, একসময় সশস্ত্র আন্দোলনে সম্পৃক্ত থাকায় এখন পর্যন্ত রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোয় যত ক্যাডার আশ্রয় নিয়েছেন তার প্রত্যেকেই মুহিবুল্লাহর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। তাদের নিয়েই ক্যাম্পে গোপনের রাজনৈতিক সংগঠনের তৎপরতা চালানো হয়। বিকাল ৪টার পর থেকে সক্রিয় হয়ে ওঠা সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা রাতে অবাধে চলাচল করে এবং অত্যাচার-নির্যাতন চালাতে থাকে। তাদের ভয়ে সন্ত্রস্ত থাকেন সাধারণ রোহিঙ্গারা। এ কারণে বেশির ভাগ সাধারণ রোহিঙ্গাই রাত ৮টার পর দরজা-জানালা বন্ধ করে ক্যাম্পের ঘরের মধ্যেই থাকেন। কিন্তু ক্যাম্পগুলোয় হৈ-হট্টগোল থাকে প্রতি রাতেই।
স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দাবি, ক্যাম্পগুলোয় মুহিবুল্লাহবিরোধী অন্য একটি সশস্ত্র গ্রুপও সক্রিয় রয়েছে। কিন্তু তারা সংখ্যায় কম, আর্থিকভাবে দুর্বল ও অস্ত্রশস্ত্রও তেমন নেই।
এ কারণে মুহিবুল্লাহ গ্রুপের সমর্থিত ক্যাডাররা তাদের ‘কাফির’ বা বিশ্বাসঘাতক অভিহিত করে হত্যা করেছে। এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩২ জন ‘মোনাফেক’ হত্যার স্বীকার হয়েছেন এদের হাতে। সূূত্রের খবর, আরেক পক্ষ থেকে মোনাফেক দাবি করে হত্যার বাইরে আরও কমপক্ষে ১০ রোহিঙ্গা হত্যার শিকার হয়েছে প্রভাবশালী গ্রুপটির কথার অবাধ্য হওয়ায়। সাধারণ রোহিঙ্গাদের মধ্যে শিক্ষিতদের তিনজন প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার পক্ষে কথা বলতে গিয়ে খুন হয়েছেন।
তবে এটা গত বছরের ৫ নভেম্বরের প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ার আগে। এমনকি প্রভাবশালী গ্রুপটি নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে খুনের বাইরেও হুমকি-নির্যাতন চালায় হামেশায়। এমনকি বিদেশি এনজিগুলোর সাহায্য-সহযোগিতা বিতরণ প্রক্রিয়ার ওপর নিয়ন্ত্রণ থাকা গোষ্ঠীটি ত্রাণও বন্ধ রাখে বিরোধিতাকারী পরিবারগুলোর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই প্রেমিকাকে একসঙ্গে বিয়ে করলেন ইন্দোনেশিয়ার তরুণ
ছেলেটি ভালোবাসতেন দুজনকেই। কাউকেই দুঃখ দিতে মন সায় দিচ্ছিল না তার। তাই দুজনকেই একসাথে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। অবশ্য প্রেমিকের এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে পুরোপুরি সহমত পোষণ করেছেন তার দুই বান্ধবীও। খুশি মনে রাজি হয়েছেন প্রেমিকের এই সিদ্ধান্তে।

‘ভাইস মিডিয়া’র রিপোর্ট থেকে জানা গেছে, কোনো প্রেমিকাকেই দুঃখ দিতে চান না বলেই এমন কাজ করেছেন ওই ব্যক্তি। দুই স্ত্রীকে ভালোমতো দেখভাল করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
গত ১৭ আগস্ট ধর্মীয় রীতি মেনে বিয়ে সম্পন্ন হয় তাঁদের।
খবরে বলা হয়, সামাজিক প্রথা অনুযায়ী দুই স্ত্রীকে ভালো অঙ্কের পণও তিনি দিয়েছেন বিয়ে করার জন্য।
অবশ্য, বহুগামিতা বা একাধিক স্ত্রী রাখা কোনো নতুন বিষয় নয় ইন্দোনেশিয়ার জন্য। দেশের মুসলমানদের জন্য প্রচলিত আইন মেনে একসাথে চারটি পর্যন্ত স্ত্রী রাখতে পারেন সেখানকার ইসলাম ধর্মাবলম্বী পুরুষেরা। তবে সব স্ত্রীকে পর্যাপ্ত মর্যাদা দিতে হয় ওই আইনে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আসামের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ ১৯ লাখ

ভারত সরকারের পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আগেই এক টুইটে বলেছে, নাম বাদ পড়া মানেই তারা বিদেশি তা মোটেই নয়। সমস্ত আইন প্রক্রিয়ার শেষে বিদেশি হিসেবে ঘোষণা করার একমাত্র অধিকারী হলো ফরেনার্স ট্রাইব্যুনাল।
শনিবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় রাজ্যের সব এনআরসি সেবাকেন্দ্রে এ তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। তালিকাটি অনলাইনেও পাওয়া যাচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে আতঙ্কে থাকা নাম বাদপড়া লাখ লাখ মানুষ এদিন নাম রয়েছে কিনা তা জানার জন্য একসঙ্গে এনআরসি’র ওয়েব সাইটে প্রবেশের চেষ্টা করেছিল। ফলে এক সময় সাইটটিই ক্র্যাশ করে দেয়া হয়েছিল। এতে তৈরি হয়েছিল প্রবল উত্তেজনা। পরে অবশ্য কোনোরকমে সাইটটি চালু করা গিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী মোট ৩ কোটি ১১ লাখ ২১ হাজার ৪ জন বৈধ ভারতীয় নাগরিক হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন। অন্যদিকে তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন। খসড়া তালিকায় এই সংখ্যাটি ছিল ৪১ লাখের বেশি। পরবর্তী সময়ে যুক্ত হয়েছিল আরো ১ লাখের বেশি বাদপড়া মানুষের নাম। ফলে যাদের নাম উঠেছে তাদের মুখে হাসি ফুটলেও বাকি লাখ লাখ মানুষকে ফের উৎকণ্ঠা গ্রাস করেছে। ইতিমধ্যেই এক সমীক্ষায় জানা গেছে, খসড়া থেকে নাম বাদ পড়া মানুষদের ৮৯ শতাংশ মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের অধিকাংশই বিদেশি হিসেবে চিহ্নিত হওয়ার লজ্জা ও গ্লানি এবং পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার আশঙ্কায় ট্রমাতে রয়েছেন। আর এই আশঙ্কা থেকেই অনেকে আত্মহত্যাও করেছেন। মানবাধিকার সংস্থা সিটিজের ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিসের এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে এনআরসি’র আতঙ্কে প্রায় ৬০ জন মানুষ আত্মহত্যা করেছেন। এনআরসি বিষয়ক রাজ্যের সমন্বয়কারী প্রতীক হাজেলা বলেছেন, যারা তালিকা নিয়ে সন্তুষ্ট নন তারা ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আপিল করতে পারবেন।
১৯৫১ সালের পর এই প্রথম আসামে এনআরসি প্রণয়ন করা হয়েছে। এনআরসি প্রণয়নের উদ্দেশ্য হলো আসামে বসবাস করছেন যেসব মানুষ তারা আসলে ভারতীয় নাকি বিদেশি তা শনাক্ত করা। অবশ্য ভারতের অন্য রাজ্যগুলোতেও এই ধরনের এনআরসি চালু করার জন্য ভারতীয় জনতা পার্টি ও এনডিএ শরিক দলের নেতারা শনিবারই সোচ্চার হয়েছেন। তবে আসামের এনআরসি’র চূড়ান্ত তালিকা নিয়ে খুশি নন রাজ্যটির অর্থমন্ত্রী এবং বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য হিমন্ত বিশ্বশর্মা। তিনি বলেছেন, এই তালিকা ভুলে ভরা। তিনি দাবি করেছেন, অবৈধ বিদেশি হিসেবে আরো অনেক মানুষের নাম বাদ পড়া উচিত ছিল। বিজেপি নেতারাই এখন দাবি করছেন, এই এনআরসি ত্রুটিপূর্ণ। বহু বাঙালি হিন্দুর নাম তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে বলে তারা দাবি করেছেন। গত নির্বাচনে এই হিন্দুরাই ছিল তাদের ভোট ব্যাংকের একটি বড় অংশ। তবে তারা আশ্বস্ত করে বলেছেন, প্রকৃত ভারতীয় নাগরিকদের নাম অন্তর্ভুক্ত এবং নাম ওঠা বিদেশিদের নাম বাদ দিতে সংসদ এবং আসাম বিধানসভায় আইন পাস করা হবে।
শনিবার তালিকা প্রকাশের আগে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কায় রাজ্যজুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা কঠোর করা হয়েছে। আসাম পুলিশের পক্ষ থেকে স্পর্শকাতর ১৫টি জেলায় অতিরিক্ত আধাসামরিক বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এ ছাড়াও ৬০ হাজার পুলিশ সতর্ক নজর রাখছে। রাজধানী গৌহাটি সহ উত্তেজনাপ্রবন এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করে তিনজনের বেশি মানুষের জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সতর্কতা হিসেবে সেন্ট্রাল আর্মড প্যারামিলিটারি ফোর্সের ৫১টি কোম্পানি নিযুক্ত করা হয়েছে রাজ্যের বিভিন্ন স্থানে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সর্বানন্দ সনোয়াল জনসাধারণকে শান্তি ও শৃঙ্খলা বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন। বিজেপি’র সব জনপ্রতিনিধিকে শনিবার থেকে তিনদিন নিজের নিজের এলাকায় থাকতে বলা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বৃটেনে বিকল্প পার্লামেন্ট গঠনের ঘোষণা অর্ধশতাধিক বিদ্রোহী এমপি’র

চিঠিতে আরো বলা হয়, ২০১৬ সালে যারা ইউরোপীয় ইউনিয়ন থেকে বেরিয়ে আসতে ভোট দেয় তাদেরকে দরকষাকষির মাধ্যমে একটি ব্রেক্সিট চুক্তির প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিলো।
অথচ এখন প্রধানমন্ত্রী বলছেন, চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের জন্য তিনি পার্লামেন্ট স্থগিত করবেন। এমন একটি অসাংবিধানিক ক্যু-এর অর্থ হচ্ছে জনগণের কাজ, নিরাপত্তা ও জীবনমানের সঙ্গে আপসের ঝুঁকি নেয়া। বরিস জনসন শুধুমাত্র তার নিজের জন্য এগুলো সব বিপন্ন করছেন।
প্রচারণাকারী দলের প্রধান নির্বাহী নাওমি স্মিথ বলেন, বৃটেনের ভোটাররা তাদের প্রতিনিধিকে এমন একটি পরিবর্তনশীল সময়ে হাউজ অব কমন্সে দেখতে চায়। যদি বরিস জনসন তার পরিকল্পিত অসাংবিধানিক ক্যুতে সফল হয় এবং এই সংকটময় সময়ে ওয়েস্ট মিনিস্টার প্যালেসের দরজা বন্ধ করে দেয় তাহলে অন্য কোথাও থেকে এই পরিষদের আওয়াজ তোলা উচিত।
আগামী মঙ্গলবার পার্লামেন্টে ফিরে আসছে এমপি’রা। বরিস জনসনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে পরবর্তী সপ্তাহে বেশ কিছু পদক্ষেপের পরিকল্পনা করা হয়েছে। বামপন্থি গ্রুপ মোমেন্টাম তার সদস্যদের আন্দোলনের অংশ হিসেবে রাস্তা ও ব্রিজ আটকে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে। শনিবার ব্রেক্সিটবিরোধী গ্রুপ এনাদার ইউরোপ ইংল্যান্ড, স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসজুড়ে মোট ৩২টি বিক্ষোভের আয়োজন করেছে। গত সপ্তাহে এমপিরা একটি চার্চ হাউজে জড়ো হয়ে বরিস জনসনের এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে নতুন করে পার্লামেন্ট ডাকার দাবি তুলেছেন। সেখান থেকেই এমপিদের নিয়ে নতুন এই বিকল্প হাউজ অব কমন্স গঠনের পরিকল্পনার ঘোষণাটি আসে।
চার্চ হাউজের ওই ঘোষণায় বলা হয়েছিলো, দেশের এমন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পার্লামেন্ট স্থগিত করা হবে একটি অগণতান্ত্রিক পদক্ষেপ। এতে বরিস জনসনের এমন সিদ্ধান্তকে ঐতিহাসিক সাংবিধানিক সংকট হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। বলা হয়, চুক্তিবিহীন ব্রেক্সিটের জন্য পার্লামেন্ট স্থগিত করা হলে তার বিরুদ্ধে শক্তিশালী ও সুদূরপ্রসারী গণতান্ত্রিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক by কাজী সোহাগ

ওই চার সংগঠন ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট (ইউপিডিএফ-প্রসিত), ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক), জনসংহতি সমিতি (সন্তু লারমা বা মূল) ও জেএসএস (সংস্কার)। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, যারা দীর্ঘদিন ধরে পার্বত্য শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে আসছে তারাই আধিপত্য বিস্তার ও নিজের শক্ত অবস্থান জানান দিতে অস্ত্রের হুঙ্কার দিচ্ছে। তারা প্রতিনিয়তই ঘটাচ্ছে নৃশংস নানা ঘটনা। আধিপত্য বিস্তার করতে গিয়ে এই আঞ্চলিক সংগঠনগুলোর সন্ত্রাসীরা ব্যবহার করছে নানা ধরনের অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র। ২৬ শে আগষ্ট সকাল ১০টার দিকে খাগড়াছড়ির দীঘিনালার বরাদম এলাকায় সেনাবাহিনীর একটি দল অভিযান চালাতে গেলে ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর গুলি চালায়। এ সময় দুপক্ষের ‘গোলাগুলিতে’ এক পর্যায়ে আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠন ইউপিডিএফের (প্রসিত) দলের তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। নিহতরা হলো বজেন্দ্র চাকমা (৪৫), তরুণ চাকমা (২৫) ও নবীন জ্যোতি চাকমা (৩২)। তারা দীঘিনালার কৃপাপুর এলাকার বাসিন্দা। ওইদিন অভিযানস্থল থেকে সন্ত্রাসীদের ব্যবহৃত একটি আমেরিকান এম-৪ অটোমেটিক কারবাইন (৪ রাউন্ড গুলিসহ) ও দুটি পিস্তল (৮ রাউন্ড গুলিসহ) উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, আমেরিকান এই ভারী অস্ত্র মূলত সমরাস্ত্র হিসেবে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার হয়ে থাকে। অথচ এমন বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র ব্যবহার করছে পার্বত্য অঞ্চলের এই সংগঠনগুলো। এ অঞ্চলে কাজ করা গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করেন, পার্বত্য অঞ্চলের চার সংগঠনের হাতে অন্তত সাড়ে ৪ হাজার অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। যার বেশিরভাগই বিদেশি এবং কেউ না কেউ সরবরাহ করছে। চলতি মাসেই মাত্র কয়েকদিনের মধ্যে প্রায় তিন দফায় সেনা টহলের ওপর গুলি চালায় পাহাড়ি সন্ত্রাসীরা। ইউপিডিএফ সন্ত্রাসীদের গুলিতে ইতোমধ্যেই একজন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। অবশ্য অভিযান চালাতে গিয়ে সেনাবাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলিতে ১৬ আগস্ট সুমন চাকমা নামে এক ইউপিডিএফ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। এসব কারণে চরম আতঙ্ক, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় সময় পার করছে পাহাড়ের শান্তিপ্রিয় নিরীহ বাঙালি ও সাধারণ উপজাতিরা। গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, ১৯৯৮ সাল থেকে ইউপিডিএফ (প্রসিত) ও জেএসএসের (সন্তু লারমা) মধ্যে আধিপত্য ও চাঁদাবাজি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ চলে এলেও ২০১৫ সালের শেষদিকে এসে নিজেদের মধ্যে ‘সহাবস্থানের’ অলিখিত একটি চুক্তি হয়েছে। এই চুক্তি অনুসারে পার্বত্য অঞ্চলের নির্বাচন, এলাকার আধিপত্য, চাঁদাবাজির ভাগবাটোয়ারাসহ কিছু ক্ষেত্রে তারা দুটি দলই এক সঙ্গে কাজ করছে। বর্তমানে খাগড়াছড়িতে ইউপিডিএফের (প্রসিত) তৎপরতা সবচেয়ে বেশি দেখছে নিরাপত্তা বাহিনী। অন্যদিকে রাঙামাটিতে বেশি তৎপর জেএসএস (মূল)। এই দুটি দলই আবার পাঁচ-ছয় মাস ধরে বান্দরবান এলাকায় প্রভাব সৃষ্টির জন্য তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। কেননা এখানে মূলধারার রাজনীতি তথা বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক অবস্থা বেশ মজবুত। এ কারণে সেখানে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির লক্ষ্যেও কাজ করছে ওই আঞ্চলিক পাহাড়ি সংগঠনগুলো। তারা জানান,পাহাড়ে অবস্থানরত সশস্ত্র সংগঠনগুলোর কাছে বর্তমানে এসএমজি, এলএমজি, এম-১ কারবাইন, গ্রেনেড, এম-১৬ রাইফেল, এম-৪, একে-৪৭ ও একে-২২ রাইফেলের মতো অস্ত্রসহ অন্তত ৪ হাজারের মতো অত্যাধুনিক আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। বিভিন্ন সময় অস্ত্রসহ আটক ইউপিডিএফ বা জেএসএসের সন্ত্রাসীদের মাধ্যমে গোয়েন্দারা আরও জানতে পেরেছেন, পার্বত্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর ওই চারটি সশস্ত্র আঞ্চলিক সংগঠনের চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার, শান্তিচুক্তি নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি ও বান্দরবান জেলায় অশান্তি-অস্থিরতা কাজ করছে। তাদের প্রতিটি মুহূর্ত কাটছে নিরাপত্তাহীনতায়। গত বছরের ৩ মে আধিপত্যের কোন্দলে ‘ব্রাশফায়ার’ করে জেএসএস (সংস্কার) সমর্থিত নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে হত্যা করে ইউপিডিফের (মূল) সন্ত্রাসীরা। পর দিন ৪ মে শক্তিমানের শেষকৃত্যে যোগ দিতে যাওয়ার সময় ইউপিডিএফের (গণতান্ত্রিক) সভাপতি তপন জ্যোতি চাকমা বর্মাসহ পাঁচজনকে ‘ব্রাশফায়ার’ করে হত্যা করে ইউপিডিএফের (মূল) সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা। চলতি বছরও আধিপত্য বিস্তার, চাঁদাবাজি ও অভ্যন্তরীণ কোন্দলে বেশ কয়েকজন নিহত হয়েছে। পাহাড়ে এমন গোলাগুলি, সংঘর্ষ, হত্যা, ধর্ষণ, অপহরণের ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। ১৯৯৭ সালে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সঙ্গে (জেএসএস) শান্তিচুক্তির পরই প্রকাশ্যে বিরোধিতা করে ইউপিডিএফ। শান্তিচুক্তির বিরোধিতা করে পূর্ণ স্বায়ত্তশাসনের ঘোষণা দিয়ে সক্রিয় হয়ে ওঠে ইউপিডিএফ সদস্যরা। মূলত তারপরই পাহাড়ে আবারও রক্তের খেলা শুরু হয়। এরপর ২০০৭ সালে জেএসএস থেকে বেরিয়ে রূপায়ণ দেওয়ান ও সুধাসিন্ধু খিসাদের নেতৃত্বে আত্মপ্রকাশ করে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (এমএন লারমা), যা সংস্কার নামেও পরিচিত। এতদিন ইউপিডিএফ ও জেএসএস (সংস্কার) দুই সংগঠন অনেকটা এক হয়ে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের বিরুদ্ধে আন্দোলন করছিল। কিন্তু ২০১৭ সালে মূল ইউপিডিএফ ভেঙে ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) নামে পাহাড়ের চতুর্থ আঞ্চলিক দল বা সংগঠন গঠিত হলে এই চার সংগঠনের ক্ষমতার বিস্তার, চাঁদাবাজি ও আধিপত্যের লড়াইয়ে আবারও অশান্ত হয়ে উঠেছে পাহাড়। সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, পার্বত্য শান্তিচুক্তির পর আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনের কাছে থাকা অস্ত্রের ৩ ভাগের একভাগেরও কম জমা দেয়। তাও আবার জরাজীর্ণ, নষ্ট বা পরিত্যক্ত অস্ত্রগুলো। পক্ষান্তরে অত্যাধুনিক অস্ত্রগুলো তারা তাদের কাছে রেখে দেয়। পাশাপাশি নতুন নতুন অত্যাধুনিক অস্ত্রে তারা আরও সমৃদ্ধ হয়েছে। আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আবদুল্লাহ ইবনে যায়েদ সম্প্রতি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বর্তমানে ওই স্থানের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিরাপত্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন। ভবিষ্যতেও এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিতকল্পে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৪২-এ বিএনপি by শাহনেওয়াজ বাবলু

অনেকেই বলেন, বিএনপি যে রাজনীতি করছে সেটা প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে যেমন ছিল ঠিক তেমনিভাবে চলছে। বিএনপির রাজনীতি আরো সময় উপযোগী করতে হবে।
রাষ্ট্র বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমাজউদ্দিন আহমেদ বিএনপির রাজনীতির মূল্যায়ণ করে বলেন, দলটির প্রধান খালেদা জিয়া মাত্র দুই কোটি টাকার জন্য জেল খাটছেন। অথচ দুই কোটি টাকার একটিও অপচয় হয়নি। কিন্তু এই দেশে হাজার কোটি টাকা লুট হচ্ছে তাদের কিছুই হচ্ছে না। সবাই প্রধানমন্ত্রীর চারপাশে আছে। বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মী জেল খাটছে। মামলা হামলার শিকার হয়েছে। কোন প্রোগ্রাম করতে পারছে না। কিন্তু সবচেয়ে খুশির খবর হচ্ছে দলটি এখনো অক্ষত রয়েছে। দলের মধ্যে কোন বিভাজন হয়নি। দলের কার্যক্রম চলছে। তবে প্রত্যাশিত কার্যক্রম তেমন হচ্ছে না। এখন বিএনপিকে হিসেব করে পরিকল্পনা মাফিক এগোতে হবে। আর দলের অঙ্গ সংগঠনগুলো আরো শক্রিশালী করে গণতান্ত্রিক লাড়াইয়ে নামতে হবে। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, আমাদের এই প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশকে বাঁচাতে হবে, দেশের মানুষকে বাঁচাতে হবে। দেশের গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হবে। আর আমাদের প্রথম করণীয় হচ্ছে বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি। মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা, জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা। এইসব উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য নিয়ে আমরা সামনের দিনগুলোতে কাজ করে যাব।
দলটির স্থায়ী কমিটির আরেক সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বিএনপির উদ্দেশ্য একটাই, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা, মানুষের অধিকার যেগুলো কেড়ে নেয়া হয়েছে এগুলো ফিরিয়ে আনা। এগুলো সামনে রেখেই আগামীতে বিএনপি এগিয়ে যাবে। সামনেই ছাত্রদলের কাউন্সিল। এরপরে যেসকল বিভাগে সমাবেশ বাকি রয়েছে এগুলো সম্পন্ন করা এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির আন্দোলন আরো বেগবান করা।
প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষ্যে নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে বিএনপি। কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ৬টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশে দলীয় কার্যালয়গুলোতে দলীয় পতাকা উত্তোলন। সকাল ১০টায় দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের সমাধিতে দলের সিনিয়র নেতাদের নিয়ে শ্রদ্ধা জানানো। বিকাল ৩টায় ইঞ্জিনিয়ারিং ইনিস্টিটিউটে আলোচনা সভা। এ ছাড়া সারা দেশের মহানগর, জেলা-উপজেলা, থানা, পৌরসভাসহ বিএনপির সব ইউনিট ও অঙ্গ সংগঠনগুলো নানা অনুষ্ঠান পালন করবে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
১৯৭৮ সালের ১লা সেপ্টেম্বর বিকাল ৫টায় রাজধানীর রমনা রেস্তোরাঁয় দলের প্রতিষ্ঠাতা সে সময়ের প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ঘোষণাপত্র পাঠের মাধ্যমে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি গঠনের ঘোষণা দিয়েছিলেন। জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি ঘোষণাপত্র পাঠ ছাড়াও প্রায় ২ ঘণ্টা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। সংবাদ সম্মেলনে নতুন দলের আহ্বায়ক কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রথমে ১৮ জন সদস্যের নাম এবং ১৯শে সেপ্টেম্বর ওই ১৮ জনসহ ৭৬ সদস্যবিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেন। সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর বিশ্বাস, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র ও সমাজতন্ত্র (অর্থনৈতিক ও সামাজিক ন্যায়বিচারের অর্থে) এই ৪ মূলনীতির ওপর ভিত্তি করে বিএনপি প্রতিষ্ঠিত হয়। দলটির লক্ষ্য ছিল অর্থনৈতিক উন্নয়ন, গণতন্ত্রায়ন, বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতীয় ঐক্য এবং জনগণের মধ্যে স্বনির্ভরতার উত্থান ঘটানো। এগুলোর ভিত্তিতে জিয়াউর রহমান তার ১৯ দফা ঘোষণা করেন।
বিএনপি গঠন করার আগে জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক দল (জাগদল) নামে আরেকটি দল সে সময়ের উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারকে সভাপতি করে গঠিত হয়েছিল। ২৮শে আগস্ট ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠন করার লক্ষ্যে জাগদলের বর্ধিত সভায় ওই জাগদল বিলুপ্ত ঘোষণা এবং এর অঙ্গ সংগঠনের সব সদস্য জিয়াউর রহমান ঘোষিত বিএনপিতে যোগদানের সিদ্ধান্ত নেন। গঠনের সময় থেকেই বিএনপি রাষ্ট্রপতি শাসন পদ্ধতির সরকার সমর্থন করে আসছিল। ১৯৮১ সালের ৩০মে চট্টগ্রামে বিদ্রোহী সেনাদের হাতে দলটির প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিহত হলে সে সময়ের উপ-রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তার বিএনপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নেন। বার্ধক্যজনিত কারণে তিনি অসুস্থ হলে ১৯৮৪ সালের ১০ই মে দলের চেয়ারম্যান পদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন জিয়াউর রহমানের সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। সেই থেকে এখন পর্যন্ত ৩৫ বছর ৩ মাস ধরে তিনি দলটির হাল ধরে আছেন। প্রতিষ্ঠার পর দলটি ৪ দফা ক্ষমতায় ছিল। ২ দফা ছিল জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন ‘রিকশাওয়ালা’ আশিকের কথা by মোহাম্মদ আবুল হোসেন

বাড়িতে মা আর এক বোন। বাবা মারা গেছেন লিভারের সমস্যায়। তার চিকিৎসায় জমিজমা যা ছিল সব শেষ। এখন বেঁচে থাকার অবলম্বন আমি। মা আর বোনের মুখে ভাত তুলে দেয়ার দায়িত্ববোধ থেকে কাজে নেমে পড়েছি।
আশিক জামালপুরে একটি কলেজে পড়াশোনা করে। গ্রাম শাহবাজপুরে। কয়েকদিন হলো থাকে মগবাজারে মধুবাগ এলাকায়। এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিয়েছে। ভাল ফল হলে, উচ্চ শিক্ষা নিতে চায়। একটি ভাল চাকরি করে মা, বোনের মুখে হাসি ফোটাতে চায়। নিয়মিত রিকশা চালাও? এ প্রশ্নে তার জবাব- না। জামালপুরে একটি দোকানের কর্মচারী থাকি। সেখানে কাজ করি। যা বেতন দেয় তা দিয়ে পড়াশোনা আর মা, বোনের ভরণপোষণ করি। পড়াশোনায় কোনো ক্ষতি হয় না এতে? আশিকের জবাব, সারাদিন দোকানে বসি না। বিকাল দুটা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত। বাকি সময় পড়াশোনা করি। এখন পরীক্ষা শেষ হয়ে গেছে। দোকানের মালিক বন্ধ করে বেড়াতে গেছেন। বসে থাকলে পেটে ভাত জুটবে না। তাই এ সময়ের জন্য ঢাকায় চলে এসেছি। উড়নচন্ডিদের মতো ঘুরে বেড়ালে না খেয়ে মরতে হবে। তাই ঢাকায় এসে রিকশা নিয়েছি। নিয়মিত রিকশা চালাই না। তাই হঠাৎ এ কাজে এসে অনেক কষ্ট হয়।
ঘামে ততক্ষণে ভিজে উঠেছে আশিকের গায়ের টি-শার্ট, পরনের লুঙ্গি। মাথা থেকে ঘাম ঝরছে দর দর করে। ক্লান্ত দেখায় তাকে। তা দেখে আস্তে চালাতে বলতেই তার জবাব- আস্তে চালালে কম আয় হয়। মালিকের জমা উঠাতে হবে। তারপর আমার মজুরি। তা থেকে বাড়িতে মা, বোনকে টাকা পাঠাব। আস্তে চালালে তা পারব না। তাছাড়া রাস্তা ফাঁকা। জোরেই চালাই।
আশিকের রিকশা পঙ্খীরাজের মতো উড়ে চলে। বাতাস ফুঁড়ে ছুটতে থাকে সামনে। চারপাশে দামি দামি গাড়িতে ধনাঢ্যরা ছুটে যান। তার পাশ দিয়ে যেতে যেতে আশিক কি ভাবে! সে কি ভাবে এই শহরে কেউ একটা চাকরি দিলে তাকে এমন কষ্ট করতে হতো না! কিন্তু কে তার কথা এসব মানুষের কানে তুলে দেবে! কেউ কি আছেন, যিনি তাকে কাছে ডেকে বলবেন, তোমার পড়ার দায়িত্ব আমি নিলাম! এমন অনেক ভাবনা হয়তো আশিকের বুকে। কিন্তু খুলে বলে না। শুধু বলে, এ ও আসে। বলে, ঘুষ দিলে কাজ নিয়ে দিতে পারবে। আমি টাকা পাব কোথায় যে ঘুষ দেব। টাকা থাকলেও এই অসৎ পথে যেতাম না।
গন্তব্যে থেমে যায় আশিকের রিকশা। তাকে নির্দিষ্ট ভাড়ার চেয়ে বাড়তি টাকা দিতে গেলেই আপত্তি তার। বলে, কেন এটা নেবো! আমার ভাড়া তো ৫০ টাকা।
আরে, এটা দিয়ে চা খাও! খুশি হয়ে দিলাম- বলতেই তার চোখ অশ্রুসজল হয়ে ওঠে। গড়িয়ে পড়ে কয়েকফোঁটা অশ্রু। আশিক অবাক বিস্ময়ে তাকিয়ে থাকে। তার অভিব্যক্তি কি বোঝা গেল না। ছবি তোলার অনুমতি চাইতেই বলল, কোনো অসুবিধা নেই। ছবি তুলবেন তোলেন। কোনো সমস্যা নেই।
যদি এই ছবি পত্রিকায় ছাপা হয় কোন অসুবিধা আছে? এ প্রশ্নে আশিকের জবাব- আমি তো চুরি করি নাই। তাহলে কেন আমার ছবি পত্রিকায় ছাপা হওয়ার ক্ষেত্রে আমার অসুবিধা থাকবে। তার কথা শেষ হতেই ক্যামেরায় বন্দি হয়ে যায় আশিক। তার কথা যেন ছড়িয়ে পড়ে অনেকের কানে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের পেছনে ২ বছরে বাংলাদেশের খরচ ৭২ হাজার কোটি টাকা! by শফিকুল ইসলাম

জাতিসংঘ বলছে, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার সংখ্যা ৭ লাখ ৪৫ হাজার। এর আগে একই কারণে ১৯৭৮-৭৯, ১৯৯১-৯২ ও ১৯৯৬ সালেও মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আশ্রয় নেওয়ার পর রোহিঙ্গাদের জন্য তৈরি করা আশ্রয় ক্যাম্পে নতুন করে জন্ম নিয়েছে আরও ৬০ থেকে ৬৫ হাজার রোহিঙ্গা শিশু। এসব মিলিয়ে জাতিসংঘ মনে করে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার পরিমাণ ১০ লাখ। সরকারের বিভিন্ন দফতর, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও জাতিসংঘের বিভিন্ন সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
সব মিলিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১১ লাখ ১৮ হাজারের কিছু বেশি। এ তথ্য জানিয়েছে কক্সবাজার জেলা প্রশাসন সূত্র। এদিকে ২০১৮ সালের জুন মাসে জাতিসংঘের তৈরি করা এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ১০ লাখ রোহিঙ্গার পেছনে সরকারের বছরে ব্যয় হতে পারে কমপক্ষে ৬০ কোটি ডলার। দুই বছরে এর পরিমাণ ১২০ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখার ক্ষেত্রে বড় প্রতিবন্ধকতা। জাতিসংঘের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের মানুষের পেছনে মাসে মাথাপিছু ব্যয় প্রায় ৭০০ ডলার। কিন্তু রোহিঙ্গাদের জীবনযাত্রার চাহিদা মেটানোর প্রয়োজনেও একই পরিমাণ অর্থ ব্যয় হয়। কিন্তু এই ব্যয় নির্বাহের জন্য বৈধপথে কোনও আয়ের উৎস নেই। অথচ ব্যয় হচ্ছে। আর এ কারণে টানা দুই বছর ধরে এই বিশাল ব্যয় নির্বাহ করতে হচ্ছে বাংলাদেশ সরকারকেই।
এর বাইরেও গত অর্থবছরে সরকারের বাজেটে আলাদা করে রোহিঙ্গাদের জন্য ৪শ’ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। রোহিঙ্গাদের জন্য স্থায়ী আবাসন গড়তে নোয়াখালীর ভাসানচরে আবাসন নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় ভাসানচরে ১২০টি গুচ্ছগ্রামে এক হাজার ৪৪০টি ব্যারাক ও ১২০টি আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণে মোট ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা। যা পুরোটাই সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে জোগান দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র।
কক্সবাজার জেলার সাবেক ডিসি আলী হোসেন জানিয়েছেন, নগদ টাকার বাইরেও সরকারের আরও খরচ রয়েছে। যা মূল খরচের তুলনায় অনেক বেশি। এসব খরচ কখনোই একত্র করে দেখা হয়নি। এই বিপুল পরিমাণ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে সুষ্ঠুভাবে বসবাসের জন্য সরকারের প্রশাসনিক ব্যয় রয়েছে। এ বিষয়টি সরকারের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। রোহিঙ্গাদের থাকা-খাওয়াসহ তাদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে বিভিন্ন সময় সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অর্থ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিয়োগ দিতে হয়েছে অতিরিক্ত জনবল। এজন্য বাড়তি খরচ জুগিয়েছে সরকার। কখনোই এসব খরচ একত্র করে উপস্থাপন করা হয়নি বা সম্ভব নয় বলেও জানান সাবেক এই কর্মকর্তা।
কক্সবাজার জেলা প্রশাসন থেকে পাওয়া আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের চিহ্নিতকরণ-সংক্রান্ত একটি কমিটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গার বসবাসের জন্য নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় এক লাখ ৬৫ হাজার আশ্রয় ক্যাম্প। পাহাড় ও বন কেটে স্থাপন করা হয়েছে এসব আশ্রয়ক্যাম্পের অবকাঠামো। এ কারণে উজাড় হয়েছে প্রায় পাঁচ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি। এতে ৩৯৭ কোটি ১৮ লাখ ৩৭ হাজার ৩৯৩ টাকার সমপরিমাণ জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি হয়েছে বলেও মনে করে জাতিসংঘ।
চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আবদুল মান্নান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন, গত দুই বছরে রোহিঙ্গাদের পেছনে সরকার ও দাতা সংস্থাগুলোর ব্যয় কখনোই একত্র করে হিসাব করা হয়নি। যা সম্ভবও নয়। কারণ, এসব ব্যয় জেলা প্রশাসনের তদারকিতে হয়েছে, যার সঙ্গে যুক্ত রয়েছে সেনাবাহিনী। এক্ষেত্রে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের পণ্য বিতরণ করা হয়েছে, যার মূল্য নির্ধারণ করার প্রয়োজন পড়েনি। করাও হয়নি। সম্ভবও নয়। তবে এ ক্ষেত্রে সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকেও বিভিন্ন প্রয়োজনে বিভিন্ন খাতে ব্যয় করা হয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘রোহিঙ্গাদের কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিসহ স্বাস্থ্য, চিকিৎসা খাতে ব্যয়ের পরিমাণ বিপুল।’
এদিকে বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইন ২০১২-এর ৪/১৪ (ক)-অনুযায়ী সংরক্ষিত বনাঞ্চলের দুই কিলোমিটারের মধ্যে কোনওপ্রকার অবকাঠামো বা স্থাপনা নির্মাণ করার ক্ষেত্রে আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকলেও বাংলাদেশ বন বিভাগের এই আইন উপেক্ষা করে কক্সবাজারের কুতুপালংয়ের ৪০১ দশমিক ৪০ একর, জামতলী ও বাঘঘোনার ৫১৬ একর, বালুখালীর ৮৩৯ একর, তাজনিমা খোলার ৪৫১ একর, উখিয়ার বালুখালী ঢালা ও ময়নারঘোনার ৩১০ একর, শফিউল্লাহ কাটা এলাকার ২০১ দশমিক ২০ একর, নয়াপাড়ার ২২৪ একর, টেকনাফের হোয়াইক্যংয়ের পুঁটিবুনিয়ার ৮৮ দশমিক ৬০ একর, কেরনতলী ও চাকমারকুল এলাকার ৭৯ দশমিক ৮০ একর এবং লেদারের ৪৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি উজার করে রোহিঙ্গাদের জন্য আবাসন ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়েছে।
কক্সবাজার বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, স্থানীয় হিসাবে এই পরিমাণ জমির দাম দাঁড়ায় প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা। যা সরকারের নিজস্ব সম্পত্তি। যা আর কোনওদিনই ফেরত পাওয়া যাবে না।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব শাহ কামাল জানিয়েছেন, সরকার ও দাতাদের সহায়তা মিলিয়ে ব্যয়ের এই পরিমাণ তো অনেক। ১১ লাখ মানুষের দুই বছরের দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটানোর ব্যয়, যা বাংলাদেশ সরকারসহ বিভিন্ন সূত্র থেকে জোগান দেওয়া হয়েছে। ত্রাণ বা সহায়তা বাবদ রোহিঙ্গাদের পেছনে দাতা গোষ্ঠী বা অন্য কোনও সূত্র থেকে পাওয়ার বাইরেও সরকারের নিজস্ব তহবিল থেকে অনেক টাকাই ব্যয় হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একজন রোহিঙ্গাও ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের নেই by রুমিন ফারহানা

কথাটা মনে পড়লো বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্প্রতিক একটা মন্তব্য দেখে। দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন করতে ব্যর্থ হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী তার যাবতীয় রাগ চাপিয়ে দেন রোহিঙ্গাদের ওপরে। ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন—‘এখন তো তারা খুব সুখে আছে। কিন্তু সুখে খুব বেশিদিন থাকবে না।’ শুধু সেটাও না, রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা অনেক দেশি-বিদেশি সংস্থার বিরুদ্ধেও তিনি বিষোদগার করেছেন, নজরদারিসহ ব্যবস্থা গ্রহণের এক ধরনের হুমকিও দিয়েছেন। অনুমান করি রোহিঙ্গা এবং ওইসব সংস্থার ওপরে রাগ চাপিয়ে দিয়ে নিজেদের ব্যর্থতাজনিত মেজাজ খারাপ কিছুটা হলেও তার কমেছে।
এমন একটা জাতিগোষ্ঠী প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন তারা আরামে আছে যারা পৃথিবীর সবচেয়ে নির্যাতিত, নিপীড়িত জনগোষ্ঠী। কুতুপালংয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় শরণার্থী শিবিরে মানবেতর জীবনযাপন করছে এই মানুষগুলো, পাহাড় কেটে তৈরি করা এই শিবির অতিবৃষ্টিতে ভেঙে পড়ে মুহূর্তেই শত শত বা হাজার হাজার মানুষ মাটিচাপা পড়ে মারা যাওয়ার ঝুঁকিতেও আছে। অথচ পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী তারা ‘আরামে আছে’। পৃথিবীর ইতিহাস বলে চূড়ান্তভাবে নিপীড়িত না হলে কেউ কখনও নিজ দেশ ছেড়ে অন্য দেশে শরণার্থীর জীবন বেছে নেয় না।
কতটা অমানবিক হলে, কতটা অসংবেদনশীল হলে একজন মানুষ এরকম একটা মন্তব্য করতে পারেন, সেটা ভাবতেও অবাক লাগে। অথচ এদের আশ্রয় দিয়েই খুব বাহবা কুড়ানো হয়েছিল মানবতার সেবা করার। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার পর অনেকে এটাকে ‘নোবেল’ পাওয়ার যোগ্য হিসেবেও উল্লেখ করেছেন।
একটা সুখ অবশ্য রোহিঙ্গাদের আছে—তাদের বেঁচে থাকাজনিত সুখ। হোক একেবারে মানবেতর জীবন, তবুও কোনও সেনাবাহিনী এসে নির্বিচারে তাদের মেরে ফেলবে না, গ্রামের পর গ্রাম আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ঝলসে দেবে না, কিংবা তাদের নারীরা গণধর্ষণের শিকার হবে না কোনও সেনাবাহিনী বা আরেক জাতিগোষ্ঠী দ্বারা। মায়ের কোল থেকে দুধের শিশুকে কেড়ে নিয়ে কেউ শূন্যে ছুড়ে উল্লাস করবে না, মায়ের চোখের সামনে সন্তান কিংবা স্ত্রীর সামনে স্বামীকে নৃশংসভাবে হত্যা করবে না।
আমরা কেন এটা আশা করি বিনা শর্তে রোহিঙ্গারা মিয়ানমারে ফিরে যাওয়ার কথা ভাবতে পারবে, যেখানকার দুঃসহ স্মৃতি দগদগে ঘায়ের মতো এখনও তাদের তাড়া করে ফেরে! তাদের নাগরিকত্ব পাওয়া, তাদের জমিজমা ফেরত পাওয়া, ক্ষতিপূরণ পাওয়া, নিজভূমে নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়া, রোহিঙ্গা পুলিশের সঙ্গে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী মোতায়েন, অপরাধীদের আন্তর্জাতিক আদালতে বিচার এসব নিশ্চয়তা না পেলে কেন তারা ফেরত যাবে? আমি যদি রোহিঙ্গা হতাম তাহলে তো আমি শর্তহীনভাবে ফেরত যেতাম না। জীবনের নিশ্চয়তাটুকু থাকলে মানবেতর জীবনযাপন, অন্য কোথাও জীবনের নিশ্চয়তাহীন জীবনের চাইতে ভালো, এমনকি সে জীবন যদি হয় রাজকীয় জীবনও।
বড় মাত্রায় রোহিঙ্গা সংকট বিবেচনায় নিলে ২০১৭ সালেরটি তৃতীয় ঘটনা। এর আগে ১৯৭৮ এবং ১৯৯২ সালে একইরকম ঘটনা ঘটেছিল। ঘটনাচক্রে দু’বারই বিএনপি ছিল ক্ষমতায়। এবং দু’বারই বাংলাদেশ অত্যন্ত সফলভাবে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে ফেরত পাঠাতে পেরেছিল। অন্যান্য অনেক কূটনৈতিক সাফল্যের সঙ্গে বিএনপি নিশ্চিতভাবেই এই সাফল্য খুব জোর গলায় দাবি করতে পারে।
অথচ এবার রোহিঙ্গারা আসার পর থেকে আমরা একের পর এক কূটনৈতিক ব্যর্থতা দেখতে পাচ্ছি। রোহিঙ্গাদের ওপরে ভয়ঙ্কর নিপীড়ন চালিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করা নিয়ে যখন হাতেগোনা কয়েকটি দেশ বাদে জাতিসংঘসহ সারা পৃথিবী সোচ্চার, তখন আমরা দেখলাম অবিশ্বাস্যভাবে বাংলাদেশ মিয়ানমারের সঙ্গে একটা দ্বিপক্ষীয় অ্যারেঞ্জমেন্ট স্বাক্ষর করলো। জাতিসংঘসহ অনেক দেশই তখন বাংলাদেশের এই চুক্তি স্বাক্ষর করা দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছিল।
বলা বাহুল্য এই স্বাক্ষর করাটা, বিষয়টাকে মিয়ানমারের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে পরিণত করে। এতে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ নষ্ট হয়ে যায়। এই ব্যাপারে মিয়ানমারকে কোথাও কোনও প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হলে তারা এই অ্যারেঞ্জমেন্টকেই সামনে নিয়ে এসে বলে এটা আমাদের দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বিষয়।
অবাক ব্যাপার এই সরকারই আবার যখন বাংলাদেশে কোনও শক্তিশালী দেশের মন্ত্রী বা সরকারপ্রধান সফরে আসেন তখন বাংলাদেশ থেকে প্রত্যেককে রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে কাজ করার অনুরোধ জানানো হয়। সেই তথাকথিত অ্যারেঞ্জমেন্ট যদি অকার্যকর প্রমাণিত হয় (এটা আসলে প্রমাণিত হয়েছে অনেক আগেই) তাহলে এই তথাকথিত অ্যারেঞ্জমেন্ট আগেই বাতিল করা হয়নি কেন?
এই পরিস্থিতিতেই আরও অবিশ্বাস্য ঘটনা আছে। গত বছর বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য নতুন চুক্তি করে, তাতে সপ্তাহে ১৫০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত নেওয়ার কথা বলা হয়। সহজ পাটিগণিত বলে এই সংখ্যায় রোহিঙ্গাদের ফেরত নেওয়া হলে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফেরত যেতে সময় লাগবে ১৫ বছরের বেশি। এভাবেই একের পর এক যাচ্ছেতাই চুক্তি করার নামে বাংলাদেশ সরকার মূলত মিয়ানমার সরকারের স্বার্থকেই প্রাধান্য দিচ্ছে। এমনকি মিয়ানমারের দাবির কাছে নতি স্বীকার করে বাংলাদেশ এখন রোহিঙ্গা শব্দটিও ব্যবহার করে না। নতজানু পররাষ্ট্রনীতির এরচেয়ে বড় উদাহরণ খুব বেশি নেই।
ইতিহাস বোধসম্পন্ন এবং ভূরাজনীতি সম্পর্কে ন্যূনতম ধারণা রাখা একজন মানুষ রোহিঙ্গা ইস্যুর জটিলতা সম্পর্কে না বোঝার কারণ নেই। রোহিঙ্গা সংকটের সঙ্গে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো নানারকম স্বার্থের হিসাবে জড়িয়ে পড়েছে। মালাক্কা প্রণালী বাইপাস করার স্বার্থে বিকল্প সমুদ্রবন্দর (কিউকপিউ) তৈরি করে জ্বালানি পরিবহন, রাখাইন প্রদেশের ওপর দিয়ে চীন পর্যন্ত সরাসরি জ্বালানি পাইপলাইন এবং রাখাইন প্রদেশের নানা অর্থনৈতিক অঞ্চল তৈরি এসব কারণে চীনের খুব গুরুত্বপূর্ণ স্বার্থ আছে। আবার ভারতের পূর্বের সেভেন সিস্টার্স রাজ্যগুলোতে বিকল্প একটা পরিবহন পথের জন্য রাখাইনের সিত্তাউ বন্দর ব্যবহার করে কালাদান প্রজেক্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আবার যেহেতু এই দুই দেশ সেখানে জড়িয়েছে, তাই আরো অনেক দেশ মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট না করার স্বার্থে রোহিঙ্গা ইস্যু নিয়ে অনেক রক্ষণশীলভাবে কথা বলছে।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক কখনও ন্যায়নীতি বা মানবিকতার সঙ্গে জড়িত না, এটা একেবারেই স্বার্থের হিসাব। রোহিঙ্গা ইস্যুতে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পরাশক্তিগুলো যে মিয়ানমারকে ছাড় দিচ্ছে, সেটা শুধু তাদের স্বার্থের কারণে। প্রশ্ন হলো একই দেশগুলো কেন আমাদের স্বার্থ দেখছে না? ভারত চীন বা রাশিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের তো ব্যবসাসহ নানা রকম স্বার্থের সংশ্লিষ্টতা আছে। কোনও কোনও ক্ষেত্রে সেটা মিয়ানমারের তুলনায় অনেক বেশিও। কিন্তু আমরা তো কাউকে পাশে পেলাম না।
আওয়ামী লীগ ২০১৪ সালে ব্যালট পেপারে একটি সিল পড়ার আগেই নির্বাচিত হয়ে গিয়েছিল। এরপর ২০১৮ সালে তো নির্বাচনের আগের দিন রাতে ব্যালট পেপারে সিল মেরে ন্যক্কারজনকভাবে ক্ষমতায় থেকে যায়। এভাবে ক্ষমতায় থেকে যাওয়ার কারণে তাদের পেছনে যেহেতু জনগণের শক্তি নেই, তাই নৈতিকভাবে দুর্বল সরকারটি কোনও শক্তিশালী দেশের সঙ্গে দরকষাকষিতে মোটেও সুবিধাজনক অবস্থায় থাকে না। তাদের মনে সারাক্ষণ ভয় কাজ করে, দেশের পক্ষে জনগণের পক্ষে শক্ত অবস্থান নিতে গিয়ে তারা গদিচ্যুত হয়ে পড়ে কিনা।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন না হওয়ায় আজ এর ওপর কাল তার ওপর চাপিয়ে নানা কিছু সরকার করতে পারে। কিন্তু রোহিঙ্গা সমস্যার সমাধান এই সরকার কিছু করতে পারবে না, এটা আমি স্পষ্টভাবেই বলতে চাই। এরকম ম্যান্ডেটহীন একটা সরকার যেকোনও আন্তরাষ্ট্রিক দরকষাকষিতে ন্যূনতম সুবিধা করতে পারবে, এরকম বিভ্রমে সরকারের অনুগত তথাকথিত কূটনীতিক এবং বিশ্লেষকরা ভুগলেও আমি ভুগি না।
![]() |
| রুমিন ফারহানা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কেমন আছেন?

অন্যদিকে আসামে বছরের পর বছর ধরে বসবাস করে আসার পরেও নাগরিক তালিকা থেকে লাখ লাখ মুসলমান বাদ পড়েছে। সারাভারতে মুসলমানরা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিনাতিপাত করছে। বিজেপির উত্থানে পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যেও মুসলমানসহ সংখ্যালঘুরা স্বস্তিতে নেই। এসব বিষয় নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকায় নিজের মতামত তুলে ধরেছেন সুমন সেনগুপ্ত। তার লেখাটি এখানে তুলে ধরা হলো।
তা না হলে আজকের এই সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল সময়ে মানুষকে ভুল বোঝানোটা অনেক সহজ হয়ে যাচ্ছে না? ভুল তথ্য যেভাবে ছড়ানো হচ্ছে তাতে কি পাশের বাড়ির অন্য ধর্মের মানুষটির সম্বন্ধে আরো বেশি করে জানা বা আরো পরিচিত হওয়া জরুরি নয়?
এই সমস্ত বিষয়েও বেশির ভাগ নাগরিক চুপ থাকেন। কেউ উল্টো প্রশ্ন করেন না যে মুসলিমরা কি সংবিধান অনুযায়ী ভারতীয় নন, নাকি তারা দ্বিতীয় শ্রেণির নাগরিক? তাহলে কি বেশিরভাগ ভারতের নাগরিকও এমনটাই মনে করেন?
যখন আসামের নাগরিকপঞ্জী করণের মাধ্যমে এরই মধ্যে ৪০ লাখ মানুষকে বাদের তালিকায় রেখে দিয়ে সারা ভারতে সেই পদ্ধতি প্রয়োগের কথা বলা হয় এবং সেটা বলার সময়ে ‘উইপোকা’র তুলনা টানা হয়, তখন কি মনে হয় সত্যিই মুসলিম মানুষজন ভালো আছেন?
গত কয়েক বছরে যেভাবে মুসলিম এবং দলিতদের পিটিয়ে মারার ঘটনা ঘটেছে এবং তার পরে যারা এই অপরাধের সঙ্গে যুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তাদেরকেই মালা দিয়ে বরণ করেছেন। এর পরেও বলতে হবে সংখ্যালঘু মানুষেরা ভালো আছেন?
এমন একটা রাতও কি তারা কাটিয়েছেন, যে রাতে তারা সবাই নিশ্চিন্তে ঘুমিয়েছেন? আসলে যারা পেহেলু খান, আখলাকদের হত্যা করছে তাদেরকেই যখন জাতীয় নায়কের মর্যাদা দেওয়া হয়, তখন কি ভারতের সংবিধান স্বীকৃত সহ-নাগরিকরা ভালো থাকতে পারেন? যখন গুজরাট দাঙ্গায় মূল অভিযুক্তদের নিঃশর্ত মুক্তি পায়, যখন বিভিন্ন সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও সাধ্বী প্রজ্ঞার মতো ব্যক্তিকে সংসদে পাঠানোর জন্য টিকিট দেওয়া হয়, তখন এটা মুসলিমদের ভয় পাওয়ানো ছাড়া আর কী?
তখন এটা কি বলে দিতে হয় যে এই সব পদক্ষেপ আসলে আমাদেরই সহ-নাগরিককে মাথা নিচু করে ভয়ে ভয়ে থাকারই নিদান দেওয়া! এমন ভারতের স্বপ্ন কি আমরা দেখতে পারি না, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের ধর্মচর্চা করার এবং না করার অধিকারটাও পাশাপাশি এক সঙ্গে থাকবে? এই ভারতের স্বপ্ন কি আমরা দেখতে পারি না, যেখানে শুধু ধর্মের কারণে, নামের কারণে ‘শবনম’দের তাদের বন্ধুরা দূরে ঠেলে দেবে না?
যখন ঝাড়খণ্ডে তাবরেজ আনসারিকে গণপিটুনির শিকার হতে হয়, যখন দেশের নানা প্রান্ত থেকে রোজ খবর আসে ‘জয় শ্রীরাম’ বলানোর জন্য সংখ্যালঘু মানুষদের মারা হচ্ছে, তখন এর বিরুদ্ধে একজোট হওয়াটা জরুরি।
বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন কলকাতায় এসে বলে গেছেন ‘জয় শ্রীরাম’ বাংলার সংস্কৃতির সঙ্গে মেলে না। তাকেও আক্রমণ করা হয়েছে। বিরুদ্ধ মত শোনার মতো শিক্ষা, ধৈর্য, অভিজ্ঞান আমরা কি কিছুরই পরোয়া করব না?
এই রকম একটা পরিস্থিতিতে তাহলে কি বলতে হবে আমরা খুব সুখের সময়ে বাস করছি? যদিও উদারপন্থীদের একটা অংশ এর বিরোধিতা করেছেন। তথাপি এটা বলার কি সময় হয়নি যে, আমাদের সকলের এই মুহূর্তে দেশের যে সনাতন ধর্মনিরপেক্ষতার ঐতিহ্য চলে আসছে, সেই অনুশীলনে আবার ফিরে যাওয়ার সময় হয়েছে? বিশেষ করে যখন অবিরত মিথ্যা আর বিদ্বেষের প্রচারে যখন দলিত, সংখ্যালঘু মানুষের পিঠ প্রায় দেয়ালে ঠেকে গেছে!
এখন প্রয়োজন বহু গণতান্ত্রিক বলিষ্ঠ কণ্ঠের, হাজার লেখনীর। দরকার তাদের, যারা মনে করিয়ে দিতে পারতেন সেই অতীত ঐতিহ্যের কথা, যে ঐতিহ্য আমাদের শিখিয়েছিল প্রতিটি মানুষ তার নিজস্ব ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে এই দেশে থাকবেন, অন্যকে আঘাত না করেই থাকবেন। যে ঐতিহ্য আমাদের শিখিয়েছিল, পাশের বাড়ির অন্য ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশে দাঁড়ানোর নাম ধর্মনিরপেক্ষতা।
লালন ও চৈতন্যদেবের বাংলায় কী দরকার একটি নির্দিষ্ট স্লোগানের? পরের প্রজন্মকে সুন্দর একটি পরিবেশ দেয়ার লক্ষ্যে, ভারতের ধর্মীয় ঐতিহ্য নিয়ে যাবতীয় অপপ্রচারের বিরুদ্ধে পাল্টা যুক্তি ও ভালোবাসার প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার। প্রয়োজন মানুষের কাছে পৌঁছে মানুষের জন্যই জোট বাঁধার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তান কেন আমেরিকার নতুন ভিয়েতনাম by ডেভিড জে বারকুসন

যুক্তরাষ্ট্র-তালেবান চুক্তির প্রধান বিষয়গুলোর ব্যাপারে কোন গোপনীয়তা নেই। প্রথমত যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো – যাদের প্রায় ২২০০০ সেনা রয়েছে আফগানিস্তানে – তারা অস্ত্রবিরতি করবে এবং পর্যায়ক্রমে নিজেদের সেনা প্রত্যাহার শুরু করবে। এর মাধ্যমে তালেবানদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হবে কারণ তারা আফগানিস্তান থেকে বিদেশী সেনার অপসারণ চেয়েছে। আফগানিস্তানের জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর জন্য মার্কিন সহায়তা বন্ধ হবে – আফগানরা আর আমেরিকান শক্তি, বিশেষ করে বিমানশক্তির সহায়তা পাবে না, যেটা দিয়ে তারা তালেবানদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে আসছিল।
এই সবগুলো হওয়ার পর, আফগান জাতীয় সরকার ও তালেবানদের মধ্যে আলোচনা শুরু হবে। এক ধরণের ক্ষমতা ভাগাভাগি এবং ১৮ বছর আগে তালেবানরা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে যে সব সামাজিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে, সেগুলো যাতে সংরক্ষিত হয়, সে সব নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। এই সবকিছুর পর, এটা ধরে নেয়া হচ্ছে যে, পাকিস্তান, ইরান ও মধ্য এশিয়া, চীন ও ভারতের মাঝখানে অবস্থানের সুবিধাটাকে কাজে লাগিয়ে আফগানিস্তান তুর্কমেনিস্তান-আফগানিস্তান-পাকিস্তান-ভারত পাইপলাইন প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে এবং জনগণের কল্যাণে তাদের বিশাল সম্পদের ব্যবহার শুরু করবে।
এভাবে সকল হত্যাযজ্ঞ, যুদ্ধ, ধ্বংসযজ্ঞ, বেসামরিক মানুষের মৃত্যু সবকিছুর একটা রূপকথার মতো ইতি ঘটবে। ২৩০০ বছর আগে আলেক্সান্ডার যে ভূমিকে পুরোপুরি পদানত করতে পারেননি, কিন্তু পরবর্তী সামাজ্যদের জন্য সেখানে অনুপ্রবেশ ও একইভাবে ব্যার্থ হওয়ার পথ খুলে দিয়েছিলেন, সেই দেশ অবশেষে বিপুল রক্তপাতের পর শান্তির দেখা পাবে।
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র সবাই যখন আসন্ন দোহা আলোচনার সম্ভাব্য সাফল্য নিয়ে কথা বলছে, তখন কেউই প্রায় ৫০ বছর আগের ভিয়েতনামের কথা এবং সেখান থেকে কিভাবে আমেরিকা বেরিয়ে এসেছিল সে কথা বলছে না।
১৯৬৮ সালে ক্ষমতায় আসার সময় রিচার্ড নিক্সন প্রতিজ্ঞা করেছিলেন যে, ভিয়েতনাম থেকে তিনি বেরিয়ে আসবেন। কিন্তু ক্ষমতায় যাওয়ার পর উদ্দেশ্য পালটে যায় এবং তিনি এবং তার জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হেনরি কিসিঞ্জার সেখানে যুদ্ধকে আরও দীর্ঘ করেছিলেন। ভিয়েতনাম যুদ্ধ সম্পর্কে আমেরিকানদের ধারণা যা-ই হোক না কেন, এ ব্যপারে কোন সন্দেহ নেই যে, নিক্সন আর কিসিঞ্জার উত্তর ভিয়েতনামীজদের সাথে একটা চুক্তি করেছিলেন, যেটা সাইগন সরকার ভালো মনে করেনি। এবং স্বাভাবিকভাবেই সায়গন সরকারের ধারণাটাই ছিল সঠিক।
একটা সময়ে এসে আফগানিস্তানের যুদ্ধের ইতি ঘটতেই হবে। হয়তো সময়টা এখনই। কিন্তু তালেবানরা ধর্মের দ্বারা প্রবলভাবে প্রভাবিত এবং নব্বইয়ের দশকে ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে যে সব বিশ্বাস তাদেরকে প্রভাবিত করেছিল, সেগুলো তাদের ত্যাগ করার সম্ভাবনা খুবই কম। তাদেরকে কি বিশ্বাস করা যায়? যেভাবে উত্তর ভিয়েতনামিদের বিশ্বাস করেছিল যুক্তরাষ্ট্র? তালেবানদের শক্তি হলো পশতু জনগোষ্ঠি, যাদের প্রাধান্য রয়েছে দক্ষিণ ও পূর্ব আফগানিস্তানে। কিন্তু আফগানিস্তানে অন্যান্য জাতিগত ও ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও রয়েছে যারা আরেক দফা পশতু/তালেবান প্রাধান্য ঠেকাতে নিজেদের জীবন দিতেও রাজি।
যুক্তরাষ্ট্র যদি আফগানিস্তান ছাড়ার জন্য কাবুল সরকারকে ত্যাগ করে, এবং তালেবানরা যদি আবার ক্ষমতা গ্রহণ করে, তাহলে হাজার হাজার মার্কিন ও ন্যাটো সেনা, যাদের মধ্যে ১৫৮ জন কানাডিয় রয়েছেন, আর বহু বহু আফগান নাগরিকদের মৃত্যুগুলো হবে অর্থহীন।
ডেভিড জে বারকুসন কানাডিয়ান গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স ইন্সটিটিউটের ফেলো এবং ইউনিভার্সিটি অব কালগেরির সেন্টার ফর মিলিটারি, সিকিউরিটি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজের ডিরেক্টর এমেরিটাস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জল্পনা ও জনপ্রিয় কথার ফুলঝুরি
অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন ইউনাইটেড ন্যাশনাল পার্টি (ইউএনপি) থেকে এর উপনেতা সাজিথ প্রেমাদাসার প্রার্থী হওয়া নিয়েও সন্দেহ দূর হচ্ছে না। যদিও তিনি সড়কের পাশে বিশাল বিলবোর্ড টাঙ্গিয়ে প্রচারণা শুরু করে দিয়েছেন কিন্তু ইউএনপি নেতা ও প্রধানমন্ত্রী রানিল বিক্রমাসিঙ্ঘে দলের পক্ষ থেকে সাজিথের প্রার্থীতার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোন ঘোষণা দেননি।
তবে, গোটাভায়ার মার্কিন নাগরিকত্ব তেমন বড় কোন ইস্যু হবে না কারণ তার নাগরিকত্ব পরিত্যাগের দাবি যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যাখ্যান করেনি। রাজাপাকসারা বলেছেন যে প্রার্থিতা সংশ্লিষ্ট সব প্রক্রিয়া সফলভাবে শেষ হয়েছে। কিন্তু ইউএনপি’র সমস্যা গভীর।
বিক্রমাসিঙ্ঘে সাজিথকে দলের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে এখনো স্বীকার না করায় মনে হচ্ছে এ নিয়ে দলে গুরুতর মতবিরোধ রয়েছে। তবে জনমত সাজিথের দিকে ঝুঁকে আছে। এর মানে হলো ভাঙ্গন আধাআধি হবে না। শীর্ষ নেতাদের গুটিকতক শুধু বিক্রামাসিঙ্ঘেকে সমর্থন করতে পারেন।
শ্রীলংকায় ৮ নভেম্বর থেকে পরবর্তী এক মাসের মধ্যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রার্থী হওয়ার কথাও আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করছেন না বিক্রমাসিঙ্ঘে। তবে অভ্যন্তরিণ সূত্রগুলো জানিয়েছে যে তার আগ্রহ আছে। আগের নির্বাচনে ইউএনপি’র প্রার্থী ছিলেন বর্তমান প্রেসিডেন্ট মৈত্রিপালা সিরিসেনা। কিন্তু তিনি আসলে মাহিন্দা রাজাপাকসার নেতৃত্বাধিন শ্রীলংকা ফ্রিডম পার্টির (এসএলএফপি) দলছুট প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন। নির্বাচনে হেরে মাহিন্দা দলের নেতৃত্ব সিরিসেনার হাতে ছেড়ে দেন এবং নিজের আলাদা দল এসএলপিপি গঠন করেন। মাত্র তিন বছরেরও কম সময়ের মধ্যে এসএলপিপি দেশের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এসএলএফপি ও ইউএনপি-কে বড় ব্যবধানে পরাজিত করে।
এখন এসএলএফপি’র বড় অংশ কৌশলে এসএলপিপি’র সঙ্গে যোগ দিয়েছে। আর বিশ্লেষকরা বলছেন যে বিক্রমাসিঙ্ঘে যদি সাজিথকে দল থেকে প্রার্থী হতে বাধা দেন তাহলে ইউএনপি-কেও এসএলএফপি’র পরিণতি ভোগ করতে হবে।
এসএলএফপি’র টিকে থাকার একমাত্র উপায় হলো এসএলপিপি’র সঙ্গে যোগ দেয়া। তবে প্রেসিডেন্ট সিরিসেনাকে এসএলএফপি ও এসএলপিপি থেকে যৌথ প্রার্থী হওয়ার সব ভাবনা দূর করতে হবে।
গত কয়েক দিনে কয়েকটি সমাবেশে বক্তৃতা করেছেন সাজিথ। কিন্তু তাকে রাজাপাকসাদের জনপ্রিয়তার কাছাকাছি মনে হয়নি। তার ঘোষণা শুধু দেশের জন্য যেকোন মুহূর্তে তিনি জীবন দিতে প্রস্তুত। সাজিথকে অনেকে মনে করেন বিক্রমাবিসঙ্ঘের (তিনি সিনহলার চেয়ে ইংরেজি ভালো বলতে পারেন এবং এ ধরনের মানুষ সাধারণত গ্রামীণ জগণের প্রিয় হন না) চেয়ে অনেক ভালো প্রার্থী। সাজিথের চেয়ে বিক্রমাসিঙ্ঘে বেশি বিচক্ষণ হবেন কিনা তা নিয়েও অনেকের মনে সন্দেহ রয়েছে।
সাধারণভাবে রাজাপাকসাদের ও বিশেষভাবে গোটাভায়াকে কৃতিত্ব দিয়ে বলতে হয়, এটা স্পষ্ট যে তাদের জনপ্রিয়তার মধ্যে সারবস্তু রয়েছে। রাজাপাকসারা কথা বলছেন গত এক বছর ধরে গবেষণার ফলাফলের ভিত্তিতে। তারা জানেন জনগণ কি চাচ্ছেন এবং কিভাবে সেই চাওয়া পূরণ করতে হবে। এসব ব্যাপার ইউএনপি’র অজানা।
কিন্তু গোটাভায়ার কালো দিকটি হলো, বিশেষ করে তামিল ও মুসলিম সংখ্যলঘু এবং সাংবাদিকদের মতো যারা রাজাপাসকার পথ মাড়িয়েছেন তাদের মনে তাকে নিয়ে থেকে যাওয়া ভীতি। রাজাপাকসার শাসনামলের চূড়ান্ত সময়ে গোটাভায়া যখন ক্ষমতাধর প্রতিরক্ষা সচিব ছিলেন তখন প্রকাশ্য দিবালোকে সানডে লিডার পত্রিকার সম্পাদক লাসানথা বিক্রমেতুঙ্গে খুন হন। ২০১৪ সালের দাঙ্গা প্রতিরোধে গোটাভায়ার ব্যর্থতা এখনো মুসলিমদের মন আচ্ছন্ন করে রেখেছে। সাদা গাড়িতে করে অপহরণের কাহিনীগুলো গোটাভায়ার কুখ্যাতি বাড়িয়ে দিয়েছিলো। এসএলপিপি’র প্রেসিডেন্ট প্রার্থীকে এসব কালো দাগ মুছে ফেলতে হবে।
আসন্ন নির্বাচনে তামিল ভোট হবে একটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর। তবে পাঁচ বছর আগে ইউএনপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলো তা রক্ষা না করায় তামিলরা মুখ ফিরিয়ে নিতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইউএনপি নেতা চলতি সপ্তাহে তামিল সংখ্যাগুরু দেশের উত্তরাঞ্চল সফর করেন। সেখানে তিনি তামিলদের কাছে দেয়া নতুন সংবিধান প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার ব্যাপারে কোন কথা বলেননি। সেই প্রতিশ্রুতি এখনো প্রতিশ্রুতি হিসেবেই রয়ে গেছে। কিন্তু এই প্রতিশ্রুতি বাতিলের জন্য বৌদ্ধভিক্ষুরা তার উপর চাপ সৃষ্টি করেছে। বিক্রমাসিঙ্ঘে এমন প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন যে ভিক্ষুদের সন্তুষ্টি ছাড়া নতুন কোন সংবিধান প্রণয়ন করা হবে না।
তিনি কেন তার নীতি ও অঙ্গীকারগুলো কাজে পরিণত করতে পারেননি সেই ব্যাখ্যাও বিক্রমাসিঙ্ঘে দেননি। তাই আজকের প্রেক্ষাপটে যত দুর্বলতাই থাকুক না কেন প্রেসিডেন্ট পদের লড়াইয়ে গোটাভায়া রাজাপাকসা এগিয়ে রয়েছেন। এই অবস্থার কতটা পরিবর্তন ঘটবে তা নির্ভর করবে এসএলপিপি ও ইউএনপি প্রার্থীদের উচ্চারিত বাক্য কতটা ওজনদার তার উপর।
![]() |
| কট্টর বৌদ্ধভিক্ষু বদু বালা সেনার নানাসারা থেরার সঙ্গে গোটাভায়া রাজাপাকসা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপারেশান সুইফট রিটোর্ট: ভারতীয় আগ্রাসনে পাকিস্তানের উপযুক্ত জবাব by ডিজে কামাল মুস্তাফা

এই শক্তির প্রদর্শনী নিয়ে পাকিস্তানী চলচ্চিত্র নির্মাতা ডিজে কামাল মুস্তাফা একটি অ্যানিমেটেড ছবি তৈরি করেছেন, যেটার শিরোনাম হলো ‘অপারেশান সুইফট রিটোর্ট’। বিমান বাহিনীর অভিযানের অফিশিয়াল নাম ছিল এটা। ২০১৯ সালের ২৬ ও ২৭শে ফেব্রুয়ারির ঘটনাপঞ্জির উপর ভিত্তি করে মুস্তাফা দুই মাসের মধ্যে এই ফিল্মটি তৈরি করেন। চলচ্চিত্রটির দৈর্ঘ ২৪ মিনিট এবং এটা ইউটিউবে দেখা যায়।
চলচ্চিত্রের শুরুতে দেখানো হয়েছে যে, ২৬ ফেব্রুয়ারি দিনের শুরুর দিকে ভারতীয় বিমান বালাকোটের আকাশসীমায় প্রবেশ করছে এবং জাব্বা এলাকায় তাদের বোঝা ফেলছে। বিমানগুলো চমৎকার জাব্বা বনাঞ্চলকে ধ্বংস করছে। ভারত প্রচারণা চালিয়েছে যে, তারা ৩৫০ সন্ত্রাসীকে হত্যা করেছে কিন্তু বাস্তবে কোন হতাহত হয়নি। পাকিস্তানের সশস্ত্র বাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর ভারতীয় প্রচারণার গুমর ফাঁস করে দেন।
চলচ্চিত্রের পরের অংশে দেখানো হয়েছে যে, একই দিন সকাল ৮টায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সদরদপ্তরে বৈঠক চলছে। সমস্ত সামরিক জেনারেলরা সেখানে উপস্থিত আছেন তারা দ্রুততার সাথে ভারতকে জবাব দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পুরো পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সমর্থন দেয়।
২৭ ফেব্রুয়ারি সকালে পাকিস্তান বিমান বাহিনীর রাডারে ভারতীয় বিমানের চলাচল ধরা পড়ে। বিমান বাহিনীর কর্মকর্তারা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেন এবং দুজন পাইলটকে তাৎক্ষণিক ভারতীয় বিমানের মোকাবেলায় পাঠানো হয়। রাডারে লক্ষ্যবস্তু দেখানো হয় আজাদ কাশ্মীরের ভিম্বের এলাকাকে। পাইলট হাসান সিদ্দিকি এবং নুমান আলী খান তাদের জেএফ ১৭ থান্ডার্স বিমান নিয়ে অভিযান শুরু করেন।
ভারতীয় একটি সু ৩০ বিমান প্রথমে তাদের কাছাকাছি হয়। শত্রু বিমান খোলা প্রান্তরে আসার সাথে সাথেই হাসান সিদ্দিকীকে ওয়্যারলেস সেটে নির্দেশ দেয়া শত্রু বিমানকে টার্গেট করে আঘাত হানতে। হাসান সিদ্দিকী তাৎক্ষণিক তার টার্গেট লক্ষ্য করে মিসাইল ছোড়েন। ভারতীয় বিমানটি ভূপাতিত ও বিস্ফোরিত হয়।
হাসান সিদ্দিকীকে এরপর আরেকটি আদেশ দেয়া হয়: দ্বিতীয় ভারতীয় বিমান মিগ-২১কে লক্ষ্য করার জন্য। পাইলট হাসান সিদ্দিকী এবং নুমান আলী খান ভারতীয় মিগ ২১ বিমানকে ধাওয়া করেন এবং একই সাথে মিসাইল রেঞ্জের মধ্যে ছয়টি টার্গেটকে চিহ্নিত করেন। হাসান সিদ্দিকী জানান টার্গেট লক করা হয়েছে এবং এরপর জবাব আসে ‘গুলি করে ভূপাতিত করো’।
হাসান সিদ্দিকী জেএফ১৭ বিমান থেকে মিসাইল ছুড়ে ভারতীয় মিগ ২১ বিমানটি ভূপাতিত করেন। ভারতীয় বিমানটি ভূপাতিত হওয়ার পর এতে আগুন ধরে যায়। ভারতীয় পাইলট কোনরকমে বেঁচে যান।
চলচ্চিত্রের শেষ অংশে দেখানো হয় স্থানীয় অধিবাসীরা ভারতীয় উইং কমান্ডার অভিনন্দন ভার্তামানকে পেটাচ্ছে এবং প্রশ্ন করছে। এর অল্প পরেই পাকিস্তান সেনাবাহিনী সেখানে উপস্থিত হয় এবং অভিনন্দন তাদের কাছে ক্ষমা চাচ্ছেন বলে দেখানো হয়। সেনাবাহিনী তাকে গ্রেফতার করে।
চলচ্চিত্রে দেখানো হয় বিমান বাহিনীর পাইলটরা নিরাপদে ঘাঁটিতে ফিরছেন। পুরো অভিযান নিয়ে মিডিয়াকে অবগত করেন মেজর জেনারেল আসিফ গফুর। এবং বন্দী ভারতীয় পাইলটকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পাকিস্তান বিমান বাহিনী এই অভিযানের নাম দেন ‘অপারেশান সুইফট রিটোর্ট’।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিয়াবাড়ির অস্ত্র রহস্য তিন বছর পরও অজানা by রাফসান জানি
পুলিশ সদর দফতরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি) সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাটি তদন্ত চলছে।’ অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাটি তদন্ত করছে ডিএমপির কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্র্যান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিট (সিটিটিসি)।
বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা সিটিটিসি’র স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপের এডিসি জাহাঙ্গীর আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কারা রেখে গিয়েছিল, তা জানা যায়নি। কারা রেখে গেছে, সেটা জানার জন্য আমরা শুরু থেকেই চেষ্টা করেছি। পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রগুলো পাওয়ার পর আমরা সব দিক থেকেই চেষ্টা করেছি। আমরা কাউকেই পাইনি, যাকে সন্দেহ করা যায়।’
২০১৬ সালের ১৮ জুন উত্তরার ১৬ নম্বর সেক্টরের দিয়বাড়ি খাল থেকে সাতটি কালো ব্যাগের ভেতর থেকে ৯৫টি সেভন ৭.৬২ এমএম পিস্তল, ২টি ৯ এমএম পিস্তল, ৪৬২টি ম্যাগাজিন (২৬৩টি এসএমজির), ১০৬০ রাউন্ড গুলি, ১০টি বেয়নেট, ১৮০টি ক্লিনিং রড ও ১০৪টি স্প্রিংযুক্ত বাক্স উদ্ধার করা হয়। ১৯ জুন একই খাল থেকে আরও তিনটি ব্যাগ উদ্ধার করা হয়। ব্যাগে ছিল এসএমজির ৩২টি ম্যাগাজিন ও ৮টি ক্লিনিং রড। ২৫ জুন একই এলাকার অন্য একটি খাল থেকে উদ্ধার করা হয় আরও তিনটি ব্যাগ। তাতে পাঁচটি ওয়াকিটকি, দুটি ট্রান্সমিটার, দুটি ফিডার ক্যাবল, ২২টি কৌটা (যার মধ্যে ছিল আইসি, ট্রানজিস্টার, ক্যাপাসিটার ও সার্কিট), সাত প্যাকেট বিস্ফোরক জেল, ৪০টি পলিথিনের ব্যাগে থাকা বিভিন্ন ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম এবং ৩২৫টি রুপালি ও সবুজ রঙের স্প্রিংযুক্ত বাক্স ছিল। এছাড়া আরও কিছু ইলেট্রিক ডিভাইসও উদ্ধার করা হয়।
অস্ত্র উদ্ধারের এক সপ্তাহ পরই হলি আর্টিজানে হামলা চালায় জঙ্গিরা। তবে উদ্ধার হওয়া অস্ত্রগুলোর সঙ্গে জঙ্গিদের ব্যবহৃত অস্ত্রের মিল নেই বলে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা। তারা জানান, জঙ্গিদের কাছে এ পর্যন্ত যত অস্ত্র পাওয়া গেছে, তার বেশিরভাগ অস্ত্রই পাশের দেশ থেকে আনা। যেগুলো মূলত ফরেন আর্মস বা ইমপোর্টেড আর্মস না। জঙ্গিদের কাছে পাওয়া অস্ত্রগুলো সাধারণত লেদ মেশিনে বানানো এবং নিম্ন মানের।
সিটিটিসির এডিসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘দুয়েকটা ক্ষেত্রে আমরা জঙ্গিদের কাছে একে-২২ রাইফেল পেয়েছি। যে ধরনের অস্ত্র হলি আর্টিজানের ঘটনায় ব্যবহার করা হয়। একটি একে-২২ বগুড়ায় মসজিদে হামলার পর কমলাপুর রেলস্টেশনে পাওয়া যায, এর বাইরে আরেকটি একই ধরনের অস্ত্র চট্টগ্রামে পাওয়া যায়। এর বাইরে জঙ্গি আস্তানাগুলোতে ইন্ডিয়ান অস্ত্র ছাড়া অন্য কোনও বিদেশি অস্ত্র পাওয়া যায়নি। কিন্তু, দিয়াবাড়ির খালে পাওয়া অস্ত্র বিদেশি ও উন্নতমানের।’
এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধারের পর ঢাকা মেট্রোপলিট পুলিশের কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছিলেন, ‘এটি কোনও সাধারণ অপরাধীর কাজ না। যারা দেশীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশে অশান্তি সৃষ্টি করতে চায়, প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ভিশন ২০-তে মধ্যম আয়ে দেশ হওয়া যারা ভণ্ডল করতে চায়- এটা তাদের কাজ।’
ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন ও সরকারের দায়িত্বশীলরা এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারকে নাশকতার পরিকল্পনা বললেও কারা এই পরিকল্পনা করেছিল, তা তিন বছরেও বের হয়নি। পরিত্যক্ত অবস্থায় অস্ত্রগুলো উদ্ধার হওয়ার কারণে মামলা হয়নি। তুরাগ থানায় তখন তিনটি পৃথক সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছিল। এই তিনটি সাধারণ ডায়েরি ধরেই তিন বছর ধরে তদন্ত চলছে।
![]() |
| উত্তরায় বিপুল পরিমাণ অস্ত্র-গুলি উদ্ধার (ফাইল ছবি) |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1421)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
September
(820)
-
▼
Sep 01
(20)
- বরিস জনসনের প্রতিশ্রুতি নিয়ে নতুন সংশয় by বেনজামিন...
- অস্বস্তিতে ঢাকা
- শাড়ি by আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ
- ট্রেনের ছাদে উঠলে ছাড় নেই, এখন থেকে কড়া দৃষ্টি b...
- মুহিবুল্লাহ রোহিঙ্গাদের নেতা হলেন যেভাবে
- দুই প্রেমিকাকে একসঙ্গে বিয়ে করলেন ইন্দোনেশিয়ার তরুণ
- আসামের নাগরিক তালিকা থেকে বাদ ১৯ লাখ
- বৃটেনে বিকল্প পার্লামেন্ট গঠনের ঘোষণা অর্ধশতাধিক ব...
- পাহাড় জুড়ে আতঙ্ক by কাজী সোহাগ
- ৪২-এ বিএনপি by শাহনেওয়াজ বাবলু
- একজন ‘রিকশাওয়ালা’ আশিকের কথা by মোহাম্মদ আবুল হোসেন
- রোহিঙ্গাদের পেছনে ২ বছরে বাংলাদেশের খরচ ৭২ হাজার ক...
- একজন রোহিঙ্গাও ফেরত পাঠানোর ক্ষমতা সরকারের নেই by ...
- ভারতে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কেমন আছেন?
- আফগানিস্তান কেন আমেরিকার নতুন ভিয়েতনাম by ডেভিড জে...
- শ্রীলংকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জল্পনা ও জনপ্রিয় ক...
- অপারেশান সুইফট রিটোর্ট: ভারতীয় আগ্রাসনে পাকিস্তানে...
- দিয়াবাড়ির অস্ত্র রহস্য তিন বছর পরও অজানা by রাফসান...
- কাশ্মীরে আগুন নিয়ে খেলছে ভারত by ল্যান জিয়ানশিউ
- বাড্ডায় গ্রুপ দ্বন্দ্বে ১১ বছরে ২০ খুন by আল আমিন
-
▼
Sep 01
(20)
-
▼
September
(820)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








