Monday, December 20, 2010

আলোচনা- হিকমতে হুজ্জতেদের কথা by মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান

৯৪৫ সালের জুন মাসে যখন জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয় তখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সানফ্রান্সিস্কোতে জাতিসংঘ সনদে পঞ্চাশটি দেশ স্বাক্ষর করে। উপনিবেশ বিমুক্তির পরে ১৯৫৫ সালে সদস্যসংখ্যা দাঁড়ায় ১৮৫। তারপরে জাতি গঠনের নানা ভাঙা-গড়ার মধ্যে এখন মোট রাষ্ট্র সদস্যসংখ্যা ১৯৪। এই ঘটনা প্রবাহের মধ্যে এক চমৎকার ঘটনা হচ্ছে সার্বভৌম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অভু্যদয়।

মুক্তিযুদ্ধ- মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হবে বিশ্বসভায় by ড. সাখাওয়াত আলী খান

মুক্তিযুদ্ধ আমাদের জাতির জন্য সবচেয়ে গৌরবের অধ্যায়। সুমহান বাঙালি জাতির আত্মপ্রতিষ্ঠার রক্তক্ষয়া সেই লড়াই। ৪৭'র দেশ বিভাগের পর অচিরেই এ জনপদের মানুষের স্বপ্ন ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। নানাদিক থেকে আমরা পিছিয়ে ছিলাম- তা যেন আরো জগদ্দল পাথর হয়ে চেপে বসলো আমাদের ললাটে। পশ্চিম পাকিস্তানী শাসক গোষ্ঠীর নিরন্তর শোষনে ক্ষোভ ধূমায়িত হতে থাকে।

মুক্তিযুদ্ধ- ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো by বেলাল চৌধুরী

ত্তরের দশক শুরু হওয়ার বছর। তখন থাকি আমি কলকাতায় পার্ক সার্কাসে। মিসেস মোদকের ফ্ল্যাটে পেয়িং গেস্ট হিসেবে। মিসেস মোদককে আরো অনেকের সঙ্গে আমিও নানী বলে ডাকি। ভাড়াটে আর বাড়িওয়ালি রঙ্গরসিকতা করেন। বছরের শুরুতেই একদিন তিনি আমাকে তার দেখা একটি স্বপ্নের কথা বলেছিলেন। স্বপ্নটির মানে খুব একটা ভালো ছিল না।

মুক্তিযুদ্ধ- বধ্যভূমিতে গেয়ে গেল যাঁরা জীবনের জয়গান

দৈনিক ইত্তেফাকের উপসম্পাদকীয়ঃ- ১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। আজ লিখতে বসে অন্য কোন বিষয়ের কথা ভাবাই যায় না। একদিন পরই মহান বিজয় দিবস। এই দিনটি শোক অশ্রু আনন্দ বেদনায় মেশানো। এক সাগর রক্ত পাড়ি দিয়ে লক্ষ প্রাণের বিনিময়ে আমরা এই স্বাধীনতা অর্জন করেছি। লিখতে বসে সেসব কথাই মনে পড়ছে। বাংলাদেশের অনেক কবি, লেখক ও সাংবাদিকের মতো আমিও ১৯৭১ সালের এই দিনটিতে ছিলাম কলকাতায়। থাকি হেদুয়া পাড়ায়, অগিলভি হোস্টেলে।