Sunday, January 14, 2018
আশা-নিরাশার দোলাচলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন by মিজানুর রহমান

গত কয়েক মাস ধরে দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় যেসব বৈঠকাদি হয়েছে তার কোথাও আলাদাভাবে হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজনকে ফিরিয়ে নেয়ার আলোচনা হয়নি। বরং ২০১৬ সালের পর বাস্তুচ্যুত রাখাইনের হিন্দু-মুসলিম সব নারী-পুরুষ ও শিশুদের ফেরানোর আলোচনাই হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ১ লাখ রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে জানিয়ে এক কর্মকর্তা সম্প্রতি মানবজমিনকে বলেন, ২০১৬ সালের পর প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। তাছাড়া আগে থেকে এখানে রয়েছে প্রায় ৩ লাখ মিয়ানমার নাগরিক। এ পর্যন্ত ৯ লাখের বেশি রোহিঙ্গার নিবন্ধন সম্ভব হয়েছে জানিয়ে ওই কর্মকর্তা বলেন, এর মধ্য থেকে ২০১৬ সালের পরে আসা ১ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা দেয়া হবে নেপি’ডকে। তবে গতকাল এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেই ১ লাখ রোহিঙ্গার তালিকা চূড়ান্ত হয়েছে মর্মে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। উদূ্ভত পরিস্থিতিতে ওই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত কর্মকর্তারাই নির্ধারিত ডেটলাইনের মধ্যে প্রত্যাবাসন কাজ শুরু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় রয়েছেন। তাছাড়া নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনে রাখাইন এখনও প্রস্তুত না হওয়ায় গভীর উদ্বেগ রয়েছে ঢাকা এবং আন্তর্জাতিক মহলের। জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক সংস্থা-সংগঠনগুলোর রিপোর্ট মতে, এখনও রাখাইনে আগুন জ্বলছে। প্রাণে বাঁচতে রোহিঙ্গারা পালিয়ে বেড়াচ্ছে। বাস্তুচ্যুতরা সীমান্ত পাড়ি দিয়ে প্রতিদিনই বাংলাদেশে আশ্রয় নিচ্ছে। রোহিঙ্গা স্রোত কমলেও তাদের সীমান্ত পাড়ি দেয়া থেমে নেই। তাছাড়া রাখাইনে ফেলে আসা রোহিঙ্গাদের বসতবাড়ি প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। সাম্প্রতিক সেনা অভিযানে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত ৮শ’ গ্রামের অর্ধেকের বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ২৮৮ গ্রাম একেবারে পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়া হয়েছে। ঢাকার কর্মকর্তারা বলছেন, পুরো রাখাইন পরিস্থিতি মিয়ানমার কখনও স্বীকার করে না। তারা এ নিয়ে বরাবরই ব্লেমগেম করছে। ক’দিন আগে রাখাইন থেকে ‘রহস্যজনক’ একটি সন্ত্রাসী হামলার খবর বেরিয়েছে। অবশ্য আশার দিক হচ্ছে মিয়ানমার সেনা প্রধান রাখাইনে গণহত্যার স্বীকারোক্তি দিতে দিতে শুরু করেছেন। আর দেশটির কার্যকর নেতা অং সান সু চি আরও এ ধাপ এগিয়ে সেই স্বীকারোক্তিকে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ বলে মন্তব্য করেছেন। গত শুক্রবার নেপি’ড সফরকারী জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে সুচি এসব কথা বলেন। সুচির সঙ্গে বৈঠকে জাপানের মন্ত্রী নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি সেটি নিশ্চিত করতে সুচি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। রোহিঙ্গাদের পূর্ণ নিরাপত্তা এবং তাদের ইচ্ছাকে গুরুত্ব দিয়ে ফেরাতে হবে জানিয়ে জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ প্রক্রিয়ায় তার দেশের তরফে ৩ বিলিয়ন ডলার সহায়তা দেয়ারও অঙ্গীকার করেছেন। যখন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন আশা-নিরাশার দোলাচলে দোল খাচ্ছে তখনই দেশটি সফরে গেছেন এ সংক্রান্ত জয়েন্ট ওয়ার্কিং গ্রুপের বাংলাদেশ পক্ষের সদস্যরা। গতকাল বিকালে ইয়াংগুন পৌঁছেছেন পররাষ্ট্র সচিব মো. শহীদুল হকের নেতৃত্বাধীন ওই দলের ১৪ সদস্য। সেখানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত প্রতিনিধিদলের সঙ্গে যুক্ত হবেন। এরপর আগামীদিনে নেপি’ডতে দেশটির প্রতিনিধি দলের সঙ্গে বৈঠকে বসবে বাংলাদেশ দল। সেখানেই চূড়ান্ত হবে রোহিঙ্গাদের ফেরানোর মাঠ পর্যাযের কার্যক্রমের ফর্মুলা। উল্লেখ্য, রেডিও ফ্রি এশিয়া সমপ্রতি এক রিপোর্টে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে অনিশ্চয়তা প্রকাশ করেছে এবং এ নিয়ে মিয়ানমারের এক মন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে ঢাকাকে ‘দোষারোপ’ করেছে। সেখানে জানানো হয়েছে- মিয়ানমারের সমাজকল্যাণ, ত্রাণ ও পুনর্বাসনমন্ত্রী উইন মিয়াত আয়া জানিয়েছেন, ২২শে জানুয়ারি বাস্তুচ্যুত রাখাইনের বাসিন্দাদের গ্রহণে প্রস্তুত মিয়ানমার। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া দ্রুততর করতে তারা বাংলাদেশের কাছে অনেক আগেই যাচাই-বাছাইয়ের ফরম পাঠিয়েছেন। কাগজপত্রহীন লোকজন ওই ফরম পূরণ করবে, যা মিয়ানমার সরকার তার নিজস্ব ভেরিফিকেশন সিস্টেমে যাচাই-বাছাই করবে। কিন্তু এখনও পূরণ হওয়া কোনো ফরম তারা ফেরত পায়নি। রিপোর্টে আরও বলা হয়- মিয়ানমারের দাবি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া বা এর পরিকল্পনায় কোনো সমস্যা নেই। মিয়ানমারের বাসিন্দা হিসেবে প্রমাণপত্র দেখালেই তাদের গ্রহণ করা হবে। যাদের কাগজপত্র নেই তারা মিয়ানমার সরকার নির্ধারিত ফরম পূরণ করবে, সেখানে তাদের ছবি, নাম, জন্ম-তারিখ এবং পূর্ণাঙ্গ ঠিকানা দিতে হবে। ওই তথ্যগুলো দিয়ে পূর্ণ করা ফরম ধরেই তাদের যাচাই-বাছাই হবে। বাংলাদেশ সরকার সেই ফরমগুলো ফেরত পাঠালেই যাচাই-বাছাই শুরু করবে মিয়ানমার। ঢাকার কর্মকর্তারা অবশ্য বলছেন, বাস্তুচ্যুতদের নিজ ভূমে নিরাপত্তা ও মর্যাদার সঙ্গে পুনর্বাসনে জোর দিচ্ছেন তারা। রোহিঙ্গা সংকটের একটি স্থায়ী সমাধান সব সময় চেয়ে আসছে বাংলাদেশ। কোনো প্রতীকী বা যেনতেন উপায়ে প্রত্যাবাসন নয়। আর এ কারণেই মিয়ানমার সরকার আন্তর্জাতিক চাপ হালকার জন্য প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তড়িঘড়ি বা হিন্দুদের আগে ফেরানোর কৌশল নিয়েছে কিনা? সেটি নিশ্চিত হতে চায় ঢাকা। দ্বিপক্ষীয় প্রক্রিয়ার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা জোর দিয়েই বলছেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনটি টেকসই করতেই তাদের সব প্রচেষ্টা। বাংলাদেশ জাতিসংঘসহ উদ্বিগ্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সুপারিশগুলোও বিবেচনায় রেখেই দ্বিপক্ষীয় কার্যক্রম এগিয়ে নিচ্ছে। এতে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াটি দেরি হলেও এটি স্বচ্ছ এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে চায় বাংলাদেশ। তাছাড়া পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণে ইউএনএইচসিআরকেও সম্পৃক্ত রাখার চেষ্টা রয়েছে ঢাকার।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সংবিধানের ধারার ব্যাখ্যা প্রয়োজন’

সংবিধানের অন্যতম প্রণেতা ও সাবেক আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন বলেন, সরকার পক্ষের লোকজন নিজেরাই বলছেন, যে সরকার আছে সেই সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। যিনি প্রধানমন্ত্রী আছেন তিনিই নির্বাচনকালীন সরকার প্রধান হবেন। এই বিষয়টির ব্যাখ্যা করতে হবে। যে সরকার আছে সেই সরকার নির্বাচনকালীন সরকার না-কী ভিন্ন কিছু হবে এর ব্যাখ্যা দিতে হবে। আমার পরামর্শ হচ্ছে নিরপেক্ষ সরকার অপরিহার্য। সরকার এবং নির্বাচন কমিশন উভয়কে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং নিরপেক্ষতা নিশ্চিতকরণের জন্য যে ধরনের বিধান প্রয়োজন সেটা দরকার। কেননা নির্বাচন একটি প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান। কোনো প্রতিযোগিতার মধ্যে যারা দায়িত্বে থাকবে তাদের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, বর্তমানে যে বিধান আছে সেটা নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে পারবে কী না? প্রয়োজনে সংবিধান সংশোধন করতে হবে। সংবিধান সংশোধন পাঁচ মিনিটের বিষয়। এজন্য অবশ্যই রাজনৈতিক সমঝোতার প্রয়োজন।
সাবেক আইনমন্ত্রী ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ অবশ্য মনে করেন, নির্বাচনকালীন সময়ের জন্য কোনো সরকার গঠন ও কোনো ব্যবস্থা বর্তমান সংবিধানে নেই। ভোটের আগে নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের কথা বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন। কেননা, সংবিধানে নিরপেক্ষ সরকার বলে যেমন কিছু নেই, তেমনি নির্বাচনকালীন সরকার বলেও কিছু নেই। জাতিকে বিভ্রান্ত করতে এটা বলা হচ্ছে। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবে ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট আয়োজিত এক আলোচনা সভায় তিনি এ মন্তব্য করেন। ব্যারিস্টার মওদুদ বলেন, সবার প্রত্যাশা ছিল কীভাবে একটা সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা যায়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী কিছু বলবেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমরা প্রত্যাশা করি, সব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠে জনগণের যে ইচ্ছা তার প্রতিফলন ঘটাবেন। কিন্তু সে ব্যাপারে তিনি কিছুই বলেননি। প্রধানমন্ত্রী আসলে তার বক্তব্যের কথাই বলেছেন। অর্থাৎ এই দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হবে। সেটাই তিনি বলার চেষ্টা করেছেন।
সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ব্রিগেডিয়ার (অব.) এম সাখাওয়াত হোসেন বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী যে বক্তব্য দিয়েছেন তা স্পষ্ট নয়। তিনি সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচনের কথা বলেছেন। বিষটি সংবিধানেও স্পষ্ট নয়। বিশেষ করে নির্বাচনকালীন সরকারের মন্ত্রিসভা কেমন হবে, কারা থাকবেন, মন্ত্রিসভার কাজ কী হবে এটি স্পষ্ট নয়। প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলেছেন, হয়তো উনার কাছে এর ব্যাখ্যা আছে। অথবা এ বিষয়ে জনগণের মতামত বা প্রতিক্রিয়া জানার জন্যও হয়তো সরকারের পক্ষ থেকে এটি বলা হচ্ছে। জনগণের আলোচনার মধ্য থেকে হয়তো সরকার কোনো আইডিয়া নিতে পারে। তবে আমাদের পরামর্শ হলো, আমরা একটি অবাধ, সুষ্ঠু এবং সবার কাছে গ্রহণযোগ্য সুন্দর নির্বাচন চাই। একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন যাতে করা যায় তা আলোচনা করে বের করতে হবে। গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে এ আলোচনা হতে পারে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম এ বিষয়ে বলেন, নির্বাচনকালীন সরকার যে আলাদা সেটি মেনে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী যদি উদ্যোগ নেন তাহলে ভালো। সংবিধানের ধারায় নির্বাচনকালীন সরকারের কথা বলা আছে। তবে তা কেমন হবে, ক্ষমতা কেমন হবে তা স্পষ্ট নয়। এটি স্পষ্ট করার জন্য সংবিধানে ছোট আকারে একটি সংশোধনী আনতে হবে। নির্বাচনকালে নির্বাচনকালীন সরকার যা ইচ্ছা করতে পারবে না। তারা শুধু রুটিন ওয়ার্ক করবে। নির্বাচন কমিশন নির্বাহী বিভাগকে যে নির্দেশ দেবে তা কার্যকর করবে। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ থাকতে হবে। সংবিধান সংশোধন করে এটি স্পষ্ট করতে হবে। একই সঙ্গে বলা প্রয়োজন নির্বাচনকালীন সরকার কেমন হবে। তিনি বলেন, আমরা মনে করি দেশের নির্বাচন ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন প্রয়োজন। আমরা সেই পরিবর্তনের জন্য আন্দোলন করছি। এইযে ঢাকা সিটি করপোরেশন নির্বাচন হচ্ছে। এখানে প্রার্থীদের এক লাখ টাকা জামানত দিতে হচ্ছে। এই নির্বাচনে নির্বাচন করার যোগ্য হলেও শুধুমাত্র জামানত দেয়ার সামর্থ্যের কারণে প্রার্থী হতে পারবে না। এখানে কোনো সাধারণ মানুষের অংশ নেয়ার সুযোগ নেই। যার টাকা নেই সে নির্বাচন করতে পারে না। এই টাকার খেলা থেকে নির্বাচন ব্যবস্থাকে মুক্ত করতে হবে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লন্ডনের হ্যারডস থেকে সরানো হচ্ছে প্রিন্সেস ডায়ানা আর ডোডি আল-ফায়েদের মূর্তি

প্রিন্সেস ডায়ানা ও তার বন্ধু ডোডি ১৯৯৭ সালে প্যারিসে এক গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা যাবার পর হ্যারডসের তৎকালীন মালিক এবং ডোডির পিতা মোহাম্মদ আল-ফায়েদ এই যুগল ভাস্কর্য স্থাপন করেছিলেন।
এখন ২০০৫ সালে স্থাপিত মূর্তিটিকে মি. আল-ফায়েদের কাছেই ফিরিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছে।
মি. আল-ফায়েদ ২০১০ সালে কাতারি রাজপরিবারের কাছে হ্যারডস বিক্রি করে দেন ১৫০ কোটি পাউন্ড দামে।
মূর্তিটির নাম দেয়া হয়েছিল 'ইনোসেন্ট ভিকটিমস' বা 'নির্দোষ শিকার' - এবং এতে একটি ডানা মেলে দেয়া পাখির নিচে ওই যুগলকে নৃত্যের ভঙ্গিমায় তুলে ধরা হয়েছে। ।
হ্যারডসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাইকেল ওয়ার্ড বলেছেন, মূর্তিটি মে. আল-ফায়েদের কাছে ফিরিয়ে দেবার এটাই উপযুক্ত সময়, কারণ সাধারণ লোকেরা এখন কেনসিংটন প্রাসাদে যে নতুন স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হবে সেখানে গিয়ে সম্মান দেখাতে পারবেন।
মিশরে জন্ম নেয়া ধনকুবের মি. আল-ফায়েদ বরাবরই প্রিন্সেস ডায়ানা ও ডোডির মৃত্যু 'দুর্ঘটনা ছিল না' বলে দাবি করে আসছিলেন, কিন্তু সরকারি এক তদন্তে সেরকম কোন কিছু ঘটেনি বলে জানানো হয়।
মি আল-ফায়েদের পরিবার কাতার হোল্ডিংসকে এতদিন মূর্তিটি রাখার জন্য ধন্যবাদ দিয়েছে।
মি. আল ফায়েদ ২০১১ সালে তার তৎকালীন মালিকানাধীন ফুলহ্যাম ফুটবল ক্লাবের সামনে পপ তারকা মাইকেল জ্যাকসেনর একটি মূর্তি বসিয়েছিলেন।
পরে ফুলহ্যাম প্রিমিয়ার লিগ থেকে নেমে যাবার পর তিনি বলেছিলেন, নতুন মালিক ওই মূর্তিটি সরিয়ে ফেলার কারণেই ক্লাব রেলিগেশনের শিকার হয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের হুমকি ইরানের

তিনি সাম্প্রতিক বিক্ষোভের সময় বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান চালনোর আহ্বান জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে অন্যান্য ক্ষমতাধর দেশের ২০১৫ সালে সম্পাদিত চুক্তির সমর্থন করেন না। এই চুক্তি মেনে চলায় ইরানের উপর থেকে উঠিয়ে নেয়া হয় অনেকগুলো নিষেধাজ্ঞা। তবে ট্রাম্প শুক্রবার জানান, তিনি শেষবারের মতো চুক্তির অন্তর্ভুক্ত ওসব নিষেধাজ্ঞার পরিমাণ বৃদ্ধি করবেন। একই দিনে ইরানের ১৪ ব্যক্তি ও সত্ত্বার ওপর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প বলেন, তিনি ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রকে ছয় বিশ্বশক্তির সঙ্গে ইরানের সম্পাদিত পরমাণু চুক্তিতে থাকা ভয়ঙ্কর ভুলগুলো শুধরানোর একটি শেষ সুযোগ দিচ্ছেন। তিনি চান যে, ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধিকরণের ওপর নিষেধাজ্ঞা স্থায়ী করুক। পাশাপাশি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রোগ্রামের বিরুদ্ধেও পদক্ষেপ নিতে চান ট্রাম্প।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে মেয়ে শিশুটির ধর্ষণ ও হত্যায় উত্তাল পাকিস্তান

কিন্তু পুলিশের নথিপত্র থেকেই এখন জানা যাচ্ছে, শুধু পাঞ্জাবের কসুর শহরেই ২০১৭ সালের জানুয়ারি থেকে একই ধরণের ঘটনা ঘটেছে অন্তত ১০টি।
গত ৪ঠা জানুয়ারি কোরান শিক্ষার ক্লাসে যাবার পথে নিখোঁজ হয় জয়নব আনসারি। কয়েক দিন পর তার মৃতদেহ পাওয়া যায় শহরের একটি আবর্জনা ফেলার জায়গায়। বলা হয়, তাকে ধর্ষণের পর গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের ওই দিনের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজে জয়নবকে শেষবার জীবিত অবস্থায় দেখা গেছে। তাতে দেখা যায় একজন অচেনা লোকের হাত ধরে জয়নব হেঁটে যাচ্ছে।
বিবিসির সিকান্দার কিরমানি কসুর থেকে জানাচ্ছেন, তদন্তকারীরা গত এক বছরের মধ্যে ঠিক এই রকম ১০টি ঘটনা চিহ্নিত করেছেন।
এর মধ্যে ৬টি নিহত মেয়ের দেহে একই ব্যক্তির ডিএনএ পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
স্থানীয় লোকেরা সন্দেহ করছেন, আক্রমণকারী একই ব্যক্তি এবং সে কাছাকাছি এলাকাতেই থাকে। এই নিহতরা সবাই অল্পবয়েসী মেয়ে, এবং তারা সবাই তাদের বাড়ির খুব কাছাকাছি এলাকা থেকে নিখোঁজ হয়।
ছয় জন মেয়ের সবার মৃতদেহই একই ভাবে আবর্জনার স্তুপ, বা পরিত্যক্ত বাড়িতে ফেলে দেয়া অবস্থায় পাওয়া যায়। সব ক্ষেত্রেই তাদের পরিবারের বাস দু'মাইল এলাকার ভেতরে।
প্রথম দিকে ধর্ষিত ও নিহতদের একজন পাঁচ বছরের আয়েশা বিবি। সে নিখোঁজ হয় ২০১৭-র জানুয়ারির ৭ তারিখ। সেদিন ছিল তার পিতা আসিফ বাবার জন্মদিন। তিনি মেয়েকে সেদিন যে টেডি বেয়ার উপহার দিয়েছিলেন, সেটি এবং তার অন্য পুতুল ও স্বুলে যাবার পোশাক এখনো রেখে দিয়েছেন।
আসিফ বলছেন,"আমার বাড়ি এখন কবরখানা হয়ে গেছে। আর জয়নবের ঘটনাটি জানার পর আমার মনে হচ্ছে আমিই যেন আরেকবার আমার মেয়েকে হারিয়েছি। অন্য আরো কয়েকটি মেয়ে - যাদের একইভাবে মারা হয়েছে - তাদের সময়ও আমার একই রকম লেগেছিল। আমার অনুভুতি বর্ণনা করার জন্য ক্রোধ শব্দটি যথেষ্ট নয়।"
তিনি জানাচ্ছেন, পুরো কসুর শহরে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে।
"বাচ্চারা এখন বাথরুমে যেতেও ভয় পায়, দরজা বন্ধ করে না। মা-কে বলে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে" - বলছিলেন আসিফ বাবা। একই ভাবে নভেম্বর সাসে নিখোঁজ হয় ৬ বছর বয়েসের কাইনাত। সে তার বাড়ির কাছেই দোকান থেকে দই কিনতে গিয়েছিল।
তার চাচা ইরফান আলি বিবিসিকে জানান, এর পর নিকটবর্তী একটি কবরখানায় তাকে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সে তখনও বেঁচে ছিল।
এসব ঘটনা থেকে একমাত্র কাইনাতই বেঁচে ফিরতে পেরেছে। তবে সে এখনো হাসপাতালে, তবে সে এখন সম্পূর্ণ পঙ্গু, কথা বলতে পারে না, কাউকে চিনতে পারে না। ইরফান আলি বলেন, তিনি নিশ্চিত যে এই আক্রমণকারী স্থানীয় কোন লোক।
তবে এতগুলো ঘটনা সত্বেও জয়নবের ধর্ষণ ও হত্যা কেন এতটা জনরোষ তৈরি করেছে - তা খুব একটা স্পষ্ট নয়।
কাইনাতের চাচা বিবিসিকে বলছিলেন, জয়নবের পরিবার বড়লোক, এবং তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ আছে। বাকিরা সবাই গরিব, তাদেরকাছে কোন রাজনীতিবিদ আসে না। তাদের কি হলো তাতে কারো কিছু আসে যায় না।বিবিসির সংবাদদাতা বলছেন, মনে হয় বিরোধী দলের রাজনীতিবিদরা এ ঘটনাটিকে নওয়াজ শরিফের মুসলিমে লিগের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছেন, কারণ তাদের ঘাঁটি হচ্ছে এই পাঞ্জাব প্রদেশ - কসুর যার অংশ।
পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ - তিনি নওয়াজ শরিফের ভাই এবং যাকে মনে করা হয় ভাবী প্রধানমন্ত্রী - তিনি জয়নবের বাবার সাথে দেখা করে আশ্বাস দিয়েছেন যে তিনি ন্যায়বিচার পাবেন।
আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম। এতে জয়নবের হাসিমাথা মুখের ছবি, এবং আবর্জনার স্তুপে পড়ে থাকা তার মৃতদেহের ছবি অনলাইনে 'ভাইরাল' হয়, এবং জনগণের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টিতে বিরাট ভুমিকা রেখেছে। আরো একটি বড় কারণ হলো গত এক বছরে এতগুলো হুবহু একই রকম ঘটনা ঘটেছে, কিন্তু পুলিশ কিছুই করতে পারে নি, খুনিকে ধরতে পারে নি।
আসিফ বাবা বলছিলেন, পুলিশ কয়েকবার বিভিন্ লোককে ধরে এনে বলেছে এরাই খুনি, ওই লোকেরাও স্বীকার করেছে। কিন্তু আমরা এসব কথা বিশ্বাস করি না।
"কারণ পুলিশের হাতে আক্রমণকারীর ডিএনএ আছে। ডিএনএ রিপোর্ট পাবার পর দেখা গেছে তাদের সাথে এগুলো মিলছে না"। মি. বাবা বলছিলেন, পুলিশ এরকম শত শত লোককে আটক করেছে, কিন্তু তাদের সন্দেহ পুলিশ আসল খুনিকে ধরার পরিবর্তে ঘুষ নেবার ব্যাপারেই বেশি আগ্রহী।
তবে এখন পুলিশ বলছে, তারা খুনিকে থরার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।
কাইনাতের চাচা বলছিলেন, আমরা চাই না আরো একটি মেয়ের ভাগ্যে এমনটা ঘটুক।
সূত্রঃ বিবিসি
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে স্কুলগুলোয় 'মুসলিম বাচ্চারা হয়রানির শিকার' - একটি বইয়ের তথ্য

বইটির লেখক নাজিয়া ইরাম - যিনি ভা্রতের ১২টি শহরে ১৪৫টি পরিবার, এবং রাজধানী দিল্লির ২৫টি অভিজাত স্কুলের ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর সাথে কথা বলেছেন - বলছেন, এমনকি পাঁচ বছরের শিশুও এসব হয়রানির লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
ভারত এবং সারা বিশ্ব জুড়েই ইসলাম-ভীতি ক্রমণ বাড়তে থাকার পটভূমিতেই এটা ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে।
বিবিসিকে নাজিয়া ইরাম বলেন, তিনি তার গবেষণায় যা পেয়েছেন তা তাকে স্তম্ভিত করেছে।
"যখন পাঁচ-ছয় বছরের বাচ্চারা বলে তাদেরকে 'পাকিস্তানি' বা 'সন্ত্রাসী' বলে ডাকা হয়েছে - আপনি তার কি জবাব দেবেন? সেই স্কুলের কাছেই বা কি অভিযোগ করবেন।"
"এর অনেকগুলোই হয়তো মজা করে বলা হয়েছে, মনে হতে পারে এটা নির্দোষ ঠাট্টা। কিন্তু আসলে তা নয়, এটা উৎপীড়ন।"
তার বইতে নাজিয়া ইরাম যে সব বাচ্চার সাক্ষাতকার নিয়েছেন, তারা বলেছে এমন কিছু প্রশ্ন বা মন্তব্য আছে যা প্রায়ই তাদের দিকে ছুঁড়ে দেয়া হয়। যেমন:
'তুমি কি একজন মুসলিম? আমি মুসলিমদের ঘৃণা করি।'
'তোমার বাবা-মা কি বাড়িতে বোমা বানায়?'
'তোমার বাবা কি তালিবানের অংশ?'
'সে একজন পাকিস্তানি।'
'সে একজন সন্ত্রাসী।'
'ওই মেয়েটাকে জ্বালিও না, সে তোমাকে বোমা মেরে দেবে।'এই বইটি বের হবার পর থেকেই স্কুলগুলোতে ধর্মীয় ঘৃণা এবং বিরূপ ধারণা কতটা আছে তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।
টুইটারে মাদারিংএমুসলিম নামে একটি হ্যাশট্যাগে অনেকেই তাদের নিজেদের অভিজ্ঞতা বর্ননা করছেন।
ভারতে জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশ হিন্দু এবং মুসলিমরা প্রায় ১৪ দশমিক ২ শতাংশ। এই দুই সম্প্রদায় অধিকাংশ সময় শান্তিতে বসবাস করলেও ১৯৪৭এর ভারত ভাগ এবং ১৯৯০-এর দশকে বাবরি মসজিদ ধ্বংসের পর এ পরিস্থিতিতে পরিবর্তন হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ বৈরি মনোভাব আরো বেড়েছে।
লেখক নাজিয়া ইরাম নিজেই বলছেন, তার প্রথম কন্যা সন্তান জন্মের পরই তিনি প্রথম ভয় পেলেন। তিনি তাকে কোন পরিচিত মুসলিম নাম দেয়া নিয়েও উদ্বিগ্ন ছিলেন।
এর পর থেকে তার 'মুসলিম' পরিচয় ছাড়া অন্য সব পরিচয়ই যেন গৌণ হয়ে গেছে, বলেন মিজ ইরাম।
ভারতে নরেন্দ্র মোদির হিন্দু-জাতীয়তাবাদী দল বিজেপি নির্বাচনী প্রচারের সময় থেকেই মুসলিমদের আগ্রাসনকারী, জাতীয়তাবিরোধী, এবং জাতীয় নিরাপত্তার হুমকি বলে চিত্রিত করা হতে থাকে।
টেলিভিশনে নানা তর্কবিতর্কে এই বিভেদ আরো গভীর হয়। আর এখন তা বড়দের থেকে ছোট বাচ্চাদের মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।
মিজ ইরাম বলছেন, "স্কুলে, খেলার মাঠে, ক্লাসরুমে, স্কুলবাসে একজন মুসলিম বাচ্চাকে লক্ষ্য করে 'পাকিস্তানি', 'আইএস', 'বাগদাদি', 'সন্ত্রাসী' - এসব বলা হয়।
নাজিয়া ইরামের বইটিতে এমন গল্প আছে যেখানে একটি পাঁচবছরের মেয়ে বলছে, "মুসলিমরা আসছে, ওরা আমাদের মেরে ফেলবে" - কিন্তু মেয়েটি নিজেই মুসলিম।
ইউরোপে এক সন্ত্রাসী আক্রমণের পর ১০ বছরের একটি ছেলেকে তার সহপাঠী বলছে "তুমি এটা কি করলে?"আরেকটি গল্প: ১৭ বছরের একটি ছেলেকে একজন 'সন্ত্রাসী' বলেছে, তার মা গালি দেয়া ছেলেটির মার কাছে অভিযোগ করেছেন। সেই মা বলছেন, "কিন্তু আপনার ছেলে যে আমার ছেলেকে বলেছে 'মোটা'!"
সারা বিশ্বেই এমন হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হবার পর বর্ণ-জাতি-ধর্ম নিয়ে এমন ঘটনা ঘটলে একে বলা হচ্ছে 'ট্রাম্প এফেক্ট'। তাহলে ভারতে যা ঘটছে তাকে কি 'মোদি এফেক্ট' বলা যায়?
মিজ ইরাম বলছেন, সব পার্টিই এরকম ভাষা ব্যবহার করছে, ইসলামী পার্টিগুলোও করছে।
তিনি আরো বলেন, স্কুলগুলো তাদের ক্যাম্পাসে এরকম ধর্মীয় উৎপীড়নের ঘটনা ঘটার কথা স্বীকার করতে অস্বীকার করেছে।
কিন্তু মিজ ইরামের মতো এর সমাধান করতে গেলে প্রথম এটা স্বীকার করতে হবে, তা না হলে এই ঘৃণাছড়াতে ছড়াতে এক সময় আমাদের সবাইকে গিলে ফেলবে।
সূত্রঃ বিবিসি
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত-পাকিস্তান পরমাণু যুদ্ধের হুমকি

শুক্রবার ভারতের সেনাপ্রধান বলেন, যদি সত্যিই পাকিস্তানিদের মুখোমুখি হতে হয়, তবে আমরা দেখবো তাদের পারমাণবিক বাগাড়ম্বর কতখানি সত্যি। এমন নয় যে তাদের কাছে পরমাণু অস্ত্র আছে- সেই ভয়ে আমরা সীমান্ত আক্রমণ করবো না। আমরা তাদের পরমাণু ধোঁকাবাজির মাত্রা (সক্ষমতা) কতটুকু তা দেখে নেবো। ভারতের সেনা প্রধানের এই বক্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুর। পাল্টা এক হুমকিতে তিনি বলেন, যদি তারা (ভারত) আসলেই আমাদের পরমাণু সক্ষমতা পরখ করে দেখতে চায়, তবে তারা চেষ্টা করে দেখতে পারে। আমাদের পারমাণবিক সক্ষমতা প্রশ্নাতীত। যে কোন হুমকি মোকাবেলায় আমরা প্রস্তুত। এ প্রসঙ্গে উষ্মা প্রকাশ করে টুইট করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খাজা মোহাম্মাদ আসিফ। তিনি লেখেন, ভারতের সেনাপ্রধানের এমন মন্তব্য একদমই কা-জ্ঞানহীন। এমন মন্তব্য তাকে মানায় না। তার মন্তব্যে পারমাণবিক যুদ্ধের উস্কানি রয়েছে। তবে তারা যদি যুদ্ধই চায়, তবে আমাদের পরমাণবিক সক্ষমতার মাপ যাচাইয়ে তাদেরকে আমরা স্বাগত জানাই। তখন আমাদের পরমাণু সক্ষমতা নিয়ে সন্দেহ মুহূর্তেই উবে যাবে। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এমন টুইটের পরে তাকে অনুসরণ করে শনিবার দু’টি টুইট করেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ডক্টর মোহাম্মাদ ফয়সাল। প্রথম টুইটে তিনি লেখেন, ভারতের সেনাপ্রধানের দায়িত্বজ্ঞানহীন এবং হুমকিপূর্ণ মন্তব্যে এটাই প্রমাণ হয় যে, একটি অশুভ শক্তি তাদের চিন্তার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে। তবে, পাকিস্তানেরও সর্বজনবিদিত প্রতিরোধ ক্ষমতা আছে। দ্বিতীয় টুইটে বলেন, এ ধরণের ঘটনাকে হালকা ভাবে নেয়ার কিছু নেই। ভুল তথ্যের ভিত্তিতে রোমাঞ্চকর চিন্তাভাবনার কোন অবকাশ নেই। পাকিস্তানের নিজে রক্ষা করার পূর্ণ শক্তি রয়েছে। উল্লেখ্য, গত কিছুদিন ধরে পাকিস্তানের ওপর আন্তর্জাতিক চাপ বাড়ছে। সম্প্রতি, সন্ত্রাসবাদ আশ্রয় দেয়ার অভিযোগে পাকিস্তানে সামরিক সহযোগিতা স্থগিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এর মধ্যে পাকিস্তানের পরমাণু ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভারতের এমন বাগাড়ম্বরপূর্ণ মন্তব্যে যে পাকিস্তানের উত্তেজনার আগুনে ঘি ঢেলেছে তা স্পষ্টই দৃশ্যমান।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র by জোনা ব্ল্যাংক ও শেলি কালবার্স্টন

কেননা, রোহিঙ্গারা যে সহিংসতার কারণে পালিয়েছে সে সহিংসতার ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিতে মিয়ানমার নারাজ।
বিশ্ব সম্প্রদায়, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের এক্ষেত্রে একটি দ্বিমুখী পদক্ষেপ নেয়ার কথা বিবেচনা করা উচিত। নভেম্বরের ওই সমঝোতাকে রোহিঙ্গা সংকটের একটি সন্ধিক্ষণে পরিণত করতে, নিজেদের প্রভাব ব্যবহার করতে পারে দেশটি। যাতে করে রোহিঙ্গাদের ফেরত যাওয়া নিরাপদ ও স্বেচ্ছাধীন হয়। পাশাপাশি, যেসব রোহিঙ্গা ফেরত যাবে না, বাংলাদেশ যেন তাদের দেখভাল সুষ্ঠুভাবে করতে পারে সেজন্য বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।
মিয়ানমার সরকার দেশটির শতাধিক সংখ্যালঘু জাতিগোষ্ঠীকে স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু রোহিঙ্গাদের দেয়নি। ‘রোহিঙ্গা’ শব্দের মাধ্যমে সাধারণত মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে বসবাসরত মুসলিম সম্প্রদায়কে বোঝানো হয়। বহু (সম্ভবত বেশিরভাগ) রোহিঙ্গা পরিবার মিয়ানমার রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়ার পর থেকেই সেখানে বসবাস করে আসছে। তবুও, ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের সঙ্গে তাদের জাতিগত বৈশিষ্ট্য ও সাংস্কৃতিক সাদৃশ্য থাকার বিষয়টি টেনে এনে মিয়ানমার সরকার তাদের ‘বাঙালি’ বলে চিহ্নিত করে রেখেছে। তাদের দেখা হয় অবৈধ অভিবাসী হিসেবে। এমনকি তাদের নাগরিক অধিকার পর্যন্ত দেয়া হয়নি।
রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব না দেয়া বা যে সহিংসতার কারণে রোহিঙ্গারা পালাতে বাধ্য হয়েছে, তা নিয়ে পরিষ্কার আলোচনা না করে শুধু তাদের ফেরত নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে, বিদ্যমান সংকট নিরশনে কোনো স্থায়ী সমাধান বের করা সম্ভব নয়। উপরন্তু, এই সহিংসতায় নিরাপত্তা বাহিনী ও রাজনীতিবিদদের ভূমিকা বিবেচনায় নিলে, মিয়ানমার সরকারের প্রতিশ্রুতি নিয়ে সংশয় জাগাই স্বাভাবিক। রোহিঙ্গাদের বেশিরভাগ গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে। তাদের ফেরত নেয়ার পর শিবিরে রাখার সম্ভাবনাই বেশি। পরবর্তীকালে ওইসব শিবির কার্যত বন্দিশালায় পরিণত হতে পারে।
মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের একটি স্থায়ী সমাধান নির্ভর করে তাদের নিজগৃহে ফিরে যাওয়ার ওপর। আইনের আওতায় তাদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে হবে। সেখানে ফেরত গিয়ে তারা যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো সহিংসতার সম্মুখীন না হয়, এটাও নিশ্চিত করতে হবে। মিয়ানমারের অন্যান্য রাজ্যের সঙ্গে রাখাইনের জাতিগোষ্ঠীগুলোর সম্পর্ক স্থাপনে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
জাতিসংঘ ও মিয়ানমার সরকার উপরোক্ত কয়েকটি ইস্যুর সমাধান করতে একটি কমিশন গঠন করেছে। কিন্তু, মিয়ানমার সরকার নিজেই রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন চালায় বা চালানোর সুযোগ করে দেয়। সেক্ষেত্রে এই পরিস্থিতির সমাধান সহজ হবে না। পাশাপাশি, এটিও মনে রাখতে হবে, এমন নির্যাতন প্রত্যক্ষ করার পর অনেক রোহিঙ্গা বাংলাদেশেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারে। তাদের নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ফেরত পাঠানো হবে আন্তর্জাতিক নিয়মনীতির লঙ্ঘন। কিন্তু রোহিঙ্গাদের পুনর্বাসন নিশ্চিত করার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে মিয়ানমার। এর মাধ্যমে দেশটি বিশ্ব সম্প্রদায়কে তাদের প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে বাধ্য করার একটি সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মিয়ানমারকে তাদের স্বেচ্ছা-আরোপিত নির্বাসন থেকে বেরিয়ে আসতে সবচেয়ে বেশি সহায়তা করেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসন। ২০১২ সালে ২০ বছর পর দেশটিতে প্রথম স্বাধীন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। ওবামা পুনরায় দেশটির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৬ সালে তিনি দেশটির ওপর থাকা বেশিরভাগ নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেন। হয়তো এ জায়গায় যুক্তরাষ্ট্র বেশি তড়িঘড়ি করে ফেলেছিল। যুক্তরাষ্ট্রের উচিত মিয়ানমারকে এ বিষয়টি পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দেয়া যে, তাদের ওপর পুনরায় নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের এই তুরুপের তাস আছে বলেই, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সীমিত পর্যায়ে গণতন্ত্র মেনে নিতে সম্মত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্র চাইলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে মিয়ানমারের প্রবেশে সহায়তাও করতে পারে, আবার তা জটিলও করে তুলতে পারে। এই ক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের আবার ব্যবহারের হুমকি দেওয়া উচিত।
ওবামা মিয়ানমারের সঙ্গে ব্যবসা ও বিনিয়োগের ওপর থেকে যে নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছিলেন তা পুনরায় আরোপ করা যেতে পারে। কয়েকটি নিষেধাজ্ঞা প্রেসিডেন্ট একাই আরোপ করতে পারেন। আর কয়েকটিতে কংগ্রেসের সহায়তা প্রয়োজন হবে। মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর মধ্যে নির্দিষ্ট কিছু ব্যক্তির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞার পরিধি বৃদ্ধি করা যেতে পারে। এতে একই সঙ্গে দেশটিতে বেসামরিক নেতৃত্বের প্রভাবও বৃদ্ধি পাবে। মিয়ানমারে যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি সামরিক অস্ত্র পাঠায় না। কিন্তু এর কিছু মিত্রদেশ, যেমন- ইসরাইল, জার্মানি, ফ্রান্স ও ভারত পাঠায়। যুক্তরাষ্ট্র সেসব দেশকে মিয়ানমারে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ করতে চাপ দিতে পারে। কিছু বিশ্লেষকের ভাষ্য, মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগকারী হচ্ছে চীন। কিন্তু মিয়ানমার ইতিমধ্যে বুঝিয়ে দিয়েছে তারা চীনের হাতের পুতুল হতে চায় না।
মিয়ানমারের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের দাবি শুধু রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়ার পর অন্যান্য ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর মতো তাদের সুরক্ষা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিও যুক্তরাষ্ট্রের উত্থাপন করা উচিত। আর এই বিষয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন, ভারত, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার মতো অন্যান্য বড় খেলুড়ে দেশগুলোর উচিত যুক্তরাষ্ট্রকে সমর্থন দেয়া। আর তা না হলে, ১০ লাখ মানুষকে চিরতরে গৃহহীন করে দেয়া হবে। সেটা বাংলাদেশেও হতে পারে, মিয়ানমারেও হতে পারে। আর তা থেকে উৎপত্তি ঘটতে পারে চরমপন্থার ও অস্থিতিশীলতার।
রুয়ান্ডার টুতসিতে ১৯৯৪ সালের গণহত্যার পর বিশ্ব সম্প্রদায় বলেছিল: নেভার এগেইন (আর কখনো নয়)। সাবেক যুগোস্লোভিয়া রিপাবলিকস অব বসনিয়া, সার্বিয়াতে ১৯৯২-৯৫ এর জাতিগত নিধন এবং ২০০৩ থেকে পরবর্তী সাত বছরজুড়ে সুদানের দারফুর অঞ্চলের জাতিগত নিধনের পরেও একই কথা শোনা গেছে। আর বর্তমানে ১০ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গা অপেক্ষা করছে দেখার জন্য যে, আদৌ বিশ্ব সম্প্রদায়ের এসব প্রতিশ্রুতির কোনো মূল্য আছে কিনা! কয়েক সপ্তাহ আগে মিয়ানমার সরকার দুনিয়াকে ফের আরেকটি ট্র্যাজেডি এড়ানোর সুযোগ দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও বিশ্বের উচিত এই সুযোগের সদ্ব্যবহার করা।
(যুক্তরাষ্ট্রের আলোচিত থিংকট্যাংক র্যান্ড করপোরেশনের জ্যেষ্ঠ রাজনীতি বিজ্ঞানী জোনা ব্ল্যাংক ও জ্যেষ্ঠ পলিসি গবেষক শেলি কালবার্স্টনের লেখাটি ফরেইন অ্যাফেয়ার্স ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়েছিল। এটি অনুবাদ করেছেন মাহমুদ ফেরদৌস।)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অতিরিক্ত মদপানে কলেজছাত্রীর মৃত্যু

নিহত রিতুর পরিবারের বরাত দিয়ে মতিহার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান জানান, স্নাতক দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী রিতু নেশাগ্রস্ত ছিলেন। শুক্রবার দিবাগত রাতে মির্জাপুর কিন্ডার গার্টেন স্কুলের দ্বিতীয় তলায় বান্ধবী সুরমা খাতুনের বাসায় মদপান করে রিতু।
শনিবার সকালে অসুস্থ হয়ে নিজ বাড়িতে যাওয়ার পর রিতু মারা যায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
তিনি জানান, রিতুর শরীর থেকে মদের গন্ধ বের হচ্ছিল। এছাড়া সুরমার বাড়ির যে ঘরে রিতু ছিল সেখানেও মদের বোতল পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে বলেও জানান পুলিশের এই কর্মকর্তা।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লো বিমান
ছবিতে দেখা গেছে, বিমানটি সাগরের খাড়া কর্দমাক্ত তীরের ওপর পড়ে আছে, আর এর সম্মুখভাগ সাগরের পানির মাত্র কয়েক মিটার ওপরে।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদলু ফাতিমা গরদু নামে এক যাত্রীকে উদ্ধৃত করে লিখেছে, ‘আমরা সবাই বিমানটির একপাশে গিয়ে পড়েছিলাম। প্রচণ্ড ভীতি তৈরি হয়েছিল। সবাই চিৎকার করছিলো।’
স্থানীয় গভর্নর ইউসেল ইয়াভুজ জানিয়েছেন, কেউ আহত হননি। কেন এ ধরনের দুর্ঘটনা হলো তা তদন্ত করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, কয়েকঘণ্টার জন্য বিমানবন্দর বন্ধ করে দেয়া হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধ রাখতে ১৩০০০০ ডলার দিয়েছিলেন ট্রাম্প

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদন অনুসারে, ট্রামপ অর্গানাইজেশনের হয়ে কাজ করা আইনজীবী মাইকেল কোহেন ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের একমাস আগে ক্লিফোর্ডের সঙ্গে একটি ‘নন-ডিসক্লোজার’ চুক্তি করেন। চুক্তি অনুসারে, ক্লিফোর্ড ট্রামেপর সঙ্গে তার শারীরিক সমপর্কের বিষয়ে চুপ থাকতে ও জনসম্মুখে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকতে সম্মত হয়েছিলেন। জার্নালের প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, স্টেফানি ক্লিফোর্ড তার সাবেক কর্মজগতে স্টোর্মি ড্যানিয়েলস নামে পরিচিত ছিলেন। তিনি সর্বপ্রথম ট্রামেপর সংসপর্শে আসেন ২০০৬ সালের জুলাই মাসে- যুক্তরাষ্ট্রের সিয়েরা নাভাদা’র লেক তাহোয়ে’তে অনুষ্ঠিত এক গলফ প্রতিযোগিতায়।
উল্লেখ্য, এর এক বছর পরেই মেলানিয়ার সঙ্গে বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন ট্রামপ। প্রাথমিকভাবে মুখ বন্ধ রাখতে সম্মত হলেও, ক্লিফোর্ড তার প্রত্যাশিত সময়ের মধ্যে অর্থ না পাওয়ায় চুক্তি নিয়ে অভিযোগ করেন ও বিষয়টি ফাঁস করে দেয়ার হুমকি দেন। পরবর্তীতে তার আইনজীবী কেইথ ডেভিডসনের মাধ্যমে অবশ্য তিনি পুরো অর্থই পান। সে অর্থ লস অ্যানজেলেসের সিটি ন্যাশনাল ব্যাংকে একটি তহবিলে জমা রাখা হয়। সমপ্রতি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের অপর একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, একজন ৩৮ বছর বয়সী পর্নো তারকা দুই বছর আগে ট্রামপকে নিয়ে কথা বলতে মার্কিন টিভি চ্যানেল এবিসি’র অনুষ্ঠান, গুড মর্নিং আমেরিকা’য় আসার জন্য আলোচনা করেছিলেন। এই প্রতিবেদন প্রকাশের পরপরই ওই প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ক্লিফোর্ড এই প্রতিবেদনগুলো নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। তবে ডেভিডসন স্বীকার করেন যে, তিনি পূর্বে ‘স্টোর্মি ড্যানিয়েলস’-এর আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। কিন্তু আইনজীবী-মক্কেল বিশেষাধিকারের কারণে তিনি এ বিষয়ে আর কিছু বলতে পারবেন না।
অন্যদিকে, এ ঘটনায় ট্রামেপর আইনজীবী কোহেন ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রামপ আরো একবার ড্যানিয়েলসের তীব্রভাবে এরকম কোনো ঘটনার কথা অস্বীকার করছেন। এমনকি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে এমন একটি প্রতিবেদন প্রকাশের জন্য ব্যাপকভাবে তিরস্কার করেন। তিনি বলেন, এই বার নিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আপনারা আমার মক্কেলের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন। আপনারা এক বছর ধরে এই মিথ্যা অভিযোগগুলো চিরস্থায়ী করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। অথচ সব পক্ষই ২০১১ সাল থেকে প্রতিনিয়ত অভিযোগগুলো অস্বীকার করে আসছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল এক নামহীন হোয়াইট হাউস কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলেছে, অভিযোগগুলো মূলত পুরনো প্রতিবেদন যেগুলো নতুন করে সামনে নিয়ে আসা হয়েছে। পাশাপাশি এগুলো জোরালোভাবে প্রকাশ করা হয়েছে। আর নির্বাচনের আগ থেকেই এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করা হচ্ছে।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামের নেতাদের ঐক্য চায় শেখ হাসিনা: ওবায়দুল কাদের
সংসদ সদস্যদের মধ্যে সাবেক মন্ত্রী ডা.আফছারুল আমিন, এবিএম ফজলে করিম চৌধুরী, দিদারুল আলম, দিদারুল আলম ও ওয়াসিকা আয়শা খান বক্তব্য রাখেন।
শোকসভায় চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি নূরুল আলম চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম, দক্ষিণ জেলার সভাপতি মোছলেম উদ্দিন আহমেদ, নগর কমিটির সাধারণ সম্পাদক সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, সহ-সভাপতি নঈমউদ্দিন চৌধুরী ও খোরশেদ আলম সুজন বক্তব্য রাখেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরো ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ চলছে: শিক্ষামন্ত্রী
তিনি আজ সংসদে সরকারি দলের সদস্য এম, আবদুল লতিফের এক প্রশ্নের জবাবে আরো বলেন, ধনী-গরীব নির্বিশেষে সকলের জন্য উচ্চ শিক্ষার পথ সুগম করতে এ উদ্যোগ নেয়া হবে।
মন্ত্রী বলেন, এ কার্যক্রমের আওতায় সরকারের বর্তমান মেয়াদে ২০১৪ সাল থেকে এ পর্যন্ত দেশে ৩টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করা হয়েছে এবং ১৬টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন ও পরিচালনার অনুমতি প্রদান করা হয়েছে।
নাহিদ বলেন, বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ইতোমধ্যে মহান জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১৭ জাতীয় সংসদে অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।
তিনি বলেন, এছাড়া ‘হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ’, ‘লক্ষ্মীপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, লক্ষ্মীপুর’, ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব এভিয়েশন এন্ড এরোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা’, ‘হাজী আসমত বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, কিশোরগঞ্জ’, ‘চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চাঁদপুর’ এবং ‘বগুড়া বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়,’ নামে আরও ৬টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আইনের খসড়া চূড়ান্তকরণের কাজ চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় প্রণব মুখার্জি,চট্টগ্রামে আসবে মঙ্গলবার
আজ রোববার বিকাল ৪টায় জেট এয়ারলাইন্সের একটি বিমানে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি। আগামী ১৮ জানুয়ারি তার ঢাকা ত্যাগ করার কথা রয়েছে।
এসময় তাকে বিমানবন্দরে স্বাগত জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এএইচ মাহমুদ আলী।
এই সফরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, প্রণব মুখার্জি ঢাকায় অবস্থানকালে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। তিনি ঢাকায় সাহিত্য সম্মেলনে অংশগ্রহণ ছাড়াও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখবেন। সেখানে তাকে সম্মানসূচক ডি. লিট ডিগ্রি প্রদান করা হবে।
তিনি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলায় শহীদ সূর্যসেনের বাড়ি পরিদর্শন করবেন বলেও সফর সূচিতে রয়েছে।
ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি হিসেবে এসেছেন। তার সফরসঙ্গী হয়েছেন মেয়ে শর্মিষ্ঠা মুখার্জি।
উল্লেখ্য, ভারতের ১৩তম রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখার্জি গত বছর জুলাইয়ে অবসরে যান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্যাটস অল রাবিশ... রাবিশ... রাবিশ
আজ রোববার সচিবালয়ে মেট্রোপলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এমসিসিআই) এক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
গতকাল শনিবার বাংলাদেশের উন্নয়নে স্বাধীন পর্যালোচনা শিরোনামে বাংলাদেশের অর্থনীতি ২০১৮-২০১৯ প্রথম অন্তর্বর্তী পর্যালোচনা বিষয়ে এক সংবাদ সম্মেলন করে সিপিডি।
ওই সংবাদ সম্মেলনে সিপিডির সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৭ সালটা ব্যাংক কেলেঙ্কারির বছর হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। সার্বিকভাবে ২০১৭ সালে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চাপের মধ্যে ছিল। ব্যাংক অস্থিতিশীলতা নিরসনে কোনো পদক্ষেপ ২০১৮ তে হবে সেটার কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না। আমরা দেখছি অপরিশোধিত ঋণ বেড়ে গেছে। করের টাকা দিয়ে পুনরায় তফসিলি করা হয়েছে।
“বিভিন্ন ব্যক্তি খাতের ব্যাংকে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মালিকানা বদল হয়েছে। নতুন যে ব্যক্তি খাতের ব্যাংকগুলো সম্পূর্ণ রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া হয়েছে সেগুলো কার্যকর হতে পারেনি। আমরা দেখছি ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনাও ঘটছে। ব্যাংকিং খাত দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায় সরকার এখন সংস্কারে আগ্রহী নয়।”
তিনি বলেন, আমরা দেখতে পাচ্ছি উল্টো একই পরিবারের দুই জনের পরিবর্তে চারজনকে ব্যাংকের পরিচালক নিয়োগের সুযোগ দিয়েছে সরকার। এতে ব্যাংক হয়ে উঠছে পরিবারকেন্দ্রিক।
ওই পর্যালোচনায় কোন বিষয়টি আপত্তিকর সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘দ্যাটস অল রাবিশ.. রাবিশ... রাবিশ’।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাচের ক্লাসে আমির-ক্যাট একসঙ্গে কেন?
তবে কি একসঙ্গে কোনো স্টেজ পারফরম্যান্স, নাকি সিনেমার গান? স্টেজ পারফরম্যান্সের অবকাশ নেই আমির খানের। এই বলিউড স্টার সে সবের ধারে-কাছেও ঘেঁষেন না। তবে কিসের জন্য নাচের ক্লাসে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন আমির-ক্যাট?
ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, তাদের প্রস্তুতির কারণ আমির খান ও ক্যাটরিনা কাইফের নতুন সিনেমা ‘ঠগস অব হিন্দোস্তান’। নয়াদিল্লির একটি স্টুডিওতে প্রভু দেবার কাছে নাচ শিখছেন এই দুই তারকা। সিনেমাটির একটি গানের জন্যই এই প্রস্তুতি।
‘ধুম থ্রি’র পর আবারো আমির-ক্যাট জুটির একটি নাচের দৃশ্য রয়েছে ‘ঠগস অব হিন্দোস্তান’ চলচ্চিত্রে। প্রথমবারের মতো ‘ঠগস অব হিন্দোস্তান’ সিনেমার মাধ্যমে এক পর্দায় দেখা যাবে আমির খান ও অমিতাভ বচ্চনকে।
এছাড়া আমির-ক্যাটরিনা জুটির দ্বিতীয় সিনেমা ও ‘দঙ্গল’ কন্যা ফাতিমা সানা শেখের উপস্থিতির কারণে এ মুহূর্তে দর্শক-আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে অবস্থান করছে বিজয় কৃষ্ণ আচার্য’র নির্মিতব্য এই সিনেমাটি।
এরই মধ্যে শুরু হয়েছে ‘ঠগস অব হিন্দোস্তান’র দৃশ্যধারণের কাজ। ২০১৮ এর দিওয়ালিতে ছবিটি মুক্তি পাবার কথা রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবারো সিনেমায় শাহরুখ-কাজল
মুম্বাইয়ের জনপ্রিয় প্রেক্ষাগৃহ মারাঠা মন্দিরে প্রায় ২০ বছর ধরে চলেছে শাহরুখ-কাজল অভিনীত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ সিনেমাটি। নব্বই দশকের সেই পর্দা কাঁপানো জুটি আবারো হাজির হচ্ছেন সিনেমার পর্দায়। চলতি বছরের বড়দিনে একসঙ্গে দেখা এই জুটিকে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, পরিচালক আনন্দ এল রায় পরিচালিত ‘জিরো’ সিনেমায় বিশেষ চরিত্রে দেখা যাবে কাজলকে। থাকবেন রানী মুখার্জীও। পরিচালক আনন্দ এল রায় বলেন, শাহরুখ-কাজল মানেই পর্দায় ভিন্ন চমক।
‘জিরো’ সিনেমায় শাহরুখ, আনুশকা, ক্যাটরিনা অভিনয় করবেন এই খবর আগেই সবাই জেনেছেন। এবার সিনেমাতে যোগ দিলেন কাজল, রানী। সব মিলিয়ে নতুন বছরের তারকানির্ভর সিনেমা হতে যাচ্ছে ‘জিরো’।
রেড চিলিস এন্টারটেইনমেন্টের ব্যানারের আনন্দ এল রায় পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পাবে ২০১৮ সালের ২১ ডিসেম্বর।
এদিকে সাইফ আলী খান ও অমৃতা সিংয়ের মেয়ে সারা আলী খানের সিনেমায় অভিষেক হতে যাচ্ছে এবছরের শেষের দিকে। সুশান্ত সিং রাজপুতের সঙ্গে ‘কেদারনাথ’ সিনেমায় অভিনয় করছেন সারা।
অভিষেক কাপুর পরিচালিত সিনেমাটি ২০১৮ সালের ২১ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে। নির্মাতা সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ঘোষণা দিয়েছেন। একই দিনে শাহরুখ খানের সিনেমা মুক্তির ঘোষণায় চাপে পড়েছেন সারা আলী খান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আখেরি মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রীয় বাসভবন গণভবন থেকে তিনি এ মোনাজাতে অংশ নেন। খবর বাসস'র।
এ সময় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী দীপু মনি, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়-স্বজন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে শরিক হন।
এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান, সামরিক সচিব মেজর জেনারেল মিয়া মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, প্রেস সচিব এহসানুল করিম, বিশেষ সহকারি আব্দুস সোবহান গোলাপসহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও গণভবনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মোনাজাতে অংশ নেন।
আজ রোববার বেলা ১০টা ৪০ মিনিটে শুরু হওয়া আখেরি মোনাজাত পরিচালনা করেন বাংলাদেশের কাকরাইল মসজিদের মাওলানা হাফেজ মোহাম্মদ জোবায়ের। ১১টা ১৫ মিনিটে মোনাজাত শেষ হয়।
আখেরি মোনাজাতের আগে হেদায়তি বয়ানও বাংলায় করেন বাংলাদেশের মাওলানা আব্দুল মতিন। এবার আখেরি মোনাজাত ও হেদায়তি বয়ান দুটোই হয় বাংলায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতি ১০ মিনিটে একই কথা বলেন ট্রাম্প!
অবশ্য হোয়াইট হাউসের চিকিৎসক রনি জ্যাকসন বলেছেন, বর্তমানে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের স্বাস্থ্য অত্যন্ত চমৎকার আছে। তবে শুক্রবারের ওই শারীরিক পরীক্ষার সময় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মানসিক ফিটনেসের বিষয়টি রাখা হয়নি।
এদিকে কয়েকডজন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার জ্যাকসনকে একটি চিঠি লিখেছেন। ওই চিঠিতে ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার আহ্বান জানানো হয়।
চিঠিতে তারা লিখেছেন, প্রেসিডেন্টের মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। কারণ প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্যের ওপর নির্ভর করে আমেরিকানদের জীবনযাপন ও জাতির নিরাপত্তা।
অতীতে পাঁচ প্রেসিডেন্টের স্বাস্থ্য পরীক্ষা প্রতিবেদনে মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে সামান্য বিবরণ পাওয়া যায়। তবে মানসিক পরীক্ষা করা হয় কি না তার কোনো উল্লেখ থাকে না।
এদিকে ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ৬৬ বছর কিংবা তার চেয়ে বয়স্ক রোগীর শারীরিক পরীক্ষার সময় মানসিক মূল্যায়নও করা হয়। ট্রাম্পের বর্তমান বয়স ৭১ বছর।
তবে ট্রাম্পের মানসিক সমস্যা কোনো সমস্যার বিষয়টি অস্বীকার করেছে হোয়াইট হাউজ। তারা এ ধরনের অভিযোগকে লজ্জাজনক ও হাস্যকর বলে মন্তব্য করেছে।
প্রেসিডেন্টের আশপাশে সবাই বিশ্বাস করেন, তিনি হোয়াইট হাউসের দায়িত্ব পালনে সক্ষম নন। সিএনএনের ক্রিশ্চিয়ান আমানপোরকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে মাইকেল উলফ এ কথা বলেছেন।
হোয়াইট হাউস এবং ট্রাম্প মার্কিন সাংবাদিকের এ বইকে আবর্জনার সঙ্গে তুলনা করেছে। এমনকি বিক্রিতে কড়াকড়ি আরোপ করলেও বাজারে আসার পর পর তা শেষ হয়ে যায়। গত সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্রে বিক্রি হওয়া বইয়ের তালিকায় বেস্ট সেলার হয় ফায়ার অ্যান্ড ফিউরি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হঠাৎ কেন চড়া?

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গেল বছরটি ছিল ব্যাংক কেলেঙ্কারির

দুর্বলতা অর্থ মন্ত্রণালয়ের
এবারের পর্যালোচনায় তিনটি বিশেষ দিকে সিপিডির নজর ছিল, যার মধ্যে একটি ব্যাংক খাত। অন্য দুটি হলো রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়া ও বন্যা। ব্যাংক খাত ও অন্যান্য সংস্কার নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েই দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য অর্থ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে ঘাটতির কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয় নীতিগত সংস্কারের ক্ষেত্রে বিভিন্ন পক্ষের চাপ মোকাবিলা করে এগিয়ে যাওয়ার উদ্যম দেখাতে পারেনি। বাংলাদেশ ব্যাংক, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (এসইসি), বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) মতো অর্থনীতি-সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করতে পারেনি মন্ত্রণালয়। যদিও আগে এসব সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ে অর্থ মন্ত্রণালয় নেতৃত্ব দিত। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, ‘অর্থ মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রেও দুর্বল ছিল। আমরা দেখেছি, অর্থনীতি সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার ক্ষমতা অর্থ মন্ত্রণালয় দেখাতে পারেনি। অনেক ক্ষেত্রে ওপর থেকে সিদ্ধান্ত এসেছে, যা অর্থনীতির জন্য যুক্তিযুক্ত না হলেও অর্থ মন্ত্রণালয় সেগুলোকে কার্যকর করেছে।’ এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন ছিল, সিপিডি অর্থ মন্ত্রণালয়ের নেতৃত্বে পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখছে কি না। এর জবাবে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ব্যক্তির পরিবর্তনের কথা তিনি বলেননি। এটা সমাধানও নয়। ব্যবস্থাপনা ও নীতি উদ্যোগের মনোভঙ্গি এবং সিদ্ধান্তের প্রক্রিয়া পরিবর্তন না হলে ব্যক্তির পরিবর্তন বড় বিষয় নয়। এর আগে দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য ব্যাংক খাত, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি, কর্মসংস্থান, বৈষম্য ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে মন্তব্য করেন। ২০১৭ সালে ব্যাংক খাতে কী কী হয়েছে, তা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ব্যাংকে অপরিশোধিত ঋণ বেড়েছে, সঞ্চিতির ঘাটতি বেড়েছে, অপরিশোধিত ঋণে গুটিকয়েকের প্রাধান্য তৈরি হয়েছে, জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকে মূলধন ঘাটতি পূরণ করা হয়েছে, বিভিন্ন ব্যক্তি খাতের ব্যাংকে প্রশাসনিক ব্যবস্থার মাধ্যমে মালিকানার বদল হয়েছে, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেওয়া নতুন ব্যাংক কার্যকর হতে পারেনি এবং এখন দেখা যাচ্ছে ব্যক্তি খাতের ব্যাংকের মাধ্যমে টাকা পাচারের ঘটনা ঘটছে। তিনি বলেন, এগুলোর ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার উল্টো ব্যাংকিং আইন সংশোধন করে পরিবারের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর সুযোগ দিচ্ছে।
চাপের মুখে অর্থনীতি
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বেশ কিছুটা দুর্বল হয়ে গেছে। চাপের মুখে পড়েছে। এটা সামাল দিতে আমরা যে সংস্কারের কথা বলেছিলাম, তা সামনের দিকে এগোয়নি, বরং পেছনের দিকে গেছে। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় উদাহরণ ব্যাংকিং খাত।’ প্রবৃদ্ধি নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ প্রায় এক দশক ধরে একটি শোভন প্রবৃদ্ধির হার রক্ষা করতে পেরেছে। কিন্তু এই প্রবৃদ্ধির পেছনে যে অন্ধকার রয়েছে, সেটি হলো দেশে সেই তুলনায় কর্মসংস্থান হচ্ছে না। সেই হারে দারিদ্র্য কমছে না, বরং দারিদ্র্য কমার হার কমেছে। সবচেয়ে বড় হলো বৈষম্য বেড়েছে। এই বৈষম্য শুধু আয় ও ভোগের নয়, সবচেয়ে বেশি বৈষম্য বেড়েছে সম্পদের মালিকানার ক্ষেত্রে। তিনি বলেন, এটার কারণও স্পষ্ট। সেটা হলো ব্যাংকের ঋণের টাকা ফেরত না আসা, বড় বড় প্রকল্পের ভেতর থেকে বিভিন্ন ঠিকাদারি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অর্থ ভিন্ন দিকে পরিচালন করা এবং দেশের ভেতরে যে ধরনের প্রবৃদ্ধির প্রক্রিয়া হচ্ছে, তার মাধ্যমেও বৈষম্য বাড়ছে। দেবপ্রিয় বলেন, ‘আমরা আগে প্রবৃদ্ধির হার নিয়ে চিন্তিত থাকতাম। এখন গুণমান নিয়ে চিন্তা করার সময় এসেছে। প্রবৃদ্ধির হার যে পরিমাণ মানুষকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে নিয়ে আসার কথা, তা হচ্ছে না। এটা নিয়ে চিন্তা এ জন্য যে বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা বলে বৈষম্য বাড়লে তা একসময় প্রবৃদ্ধির হারের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।’ অনুষ্ঠানে সিপিডির লিখিত বিশ্লেষণে একটি অনুচ্ছেদ ছিল ‘দারিদ্র্য বিমোচন ও বৈষম্যে নতুন প্রবণতা’। এতে খানা আয়-ব্যয় জরিপের পরিসংখ্যান তুলে ধরে দেখানো হয়, দেশের জনসংখ্যার একেবারে দরিদ্র ৫ শতাংশের মধ্যে একটি খানার মাসিক গড় আয় ২০০৫ সালে ছিল ১ হাজার ১০৯ টাকা, যা ২০১৬ সালে কমে ৭৩৩ টাকায় নেমেছে। বিপরীতে সবচেয়ে ধনী ৫ শতাংশের আয় ৫৭ শতাংশ বেড়েছে। সিপিডি বলছে, এ প্রবণতার মানে হলো ধনীরা আরও ধনী হচ্ছে। অন্যদিকে দরিদ্ররা আরও দরিদ্র হচ্ছে। বিশ্লেষণ তুলে ধরে তৌফিকুল ইসলাম খান বলেন, ধনীদের আয় বেশি হারে বাড়লে সম্পদবৈষম্যও বেড়ে যায়।
অর্থনীতির যত চ্যালেঞ্জ
সিপিডির পর্যালোচনায় অর্থনীতির বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ তুলে ধরা হয়। এগুলো হলো কর্মসংস্থানহীন প্রবৃদ্ধি, রাজস্ব আদায়ের প্রবৃদ্ধির ধীরগতি, আয়কর বদলে আমদানি শুল্ক আদায়ে নির্ভরতা, সঞ্চয়পত্র থেকে বেশি ঋণ নেওয়া, বন্যার ক্ষয়ক্ষতি ও তার প্রভাব কাটিয়ে ওঠা, চালসহ কিছু পণ্যের চড়া দাম, সরকারের খাদ্য মজুত কম থাকা, আমদানিতে বাড়তি চাপ, অপর্যাপ্ত প্রবাসী আয়, আমদানি বৃদ্ধি ইত্যাদি। সিপিডি বলছে, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা চাপের মুখে পড়েছে। সামগ্রিক বিষয়ে সিপিডির পরামর্শ হলো, কর্মসংস্থানমুখী প্রবৃদ্ধিতে নজর দেওয়া, ধনীদের কাছ থেকে আরও কর আদায়, কর ও শুল্ক ফাঁকি রোধ করা, দরিদ্র মানুষের জন্য সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সম্প্রসারণ, ব্যাংকের রেপো ও রিভার্স রেপোর সুদের হার বাড়ানো, খেলাপি ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতির হার বাড়ানো, ভোগ্য ও বিলাসী পণ্যের ঋণপত্রের মার্জিন বাড়িয়ে দেওয়া, ঋণপত্রের বিপরীতে অর্থ ফেরতের সময়সীমা কমিয়ে দেওয়া, মুদ্রার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা ইত্যাদি।
নির্বাচনের বছর রক্ষণশীল থাকুন
সিপিডি মনে করছে, নির্বাচনের বছর আর্থিক খাতে সংস্কারের বিষয়গুলো খুব এগোবে না। তবে তারা চায়, আগামী নির্বাচনের ইশতেহারে এ বিষয় উঠে আসুক। পাশাপাশি সিপিডির পক্ষ থেকে নির্বাচনের বছর রক্ষণশীল আর্থিক ব্যবস্থাপনার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, সরকার আগের চেয়ে দুর্বলতর অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে নির্বাচনের দিকে অগ্রসর হবে। সরকারের উচিত নির্বাচনের আগে ঋণের প্রবাহকে কিছুটা হলেও স্তিমিত করা, টাকার বিনিময় হার সক্রিয় ব্যবস্থাপনায় রাখা, মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা, আয়করের মতো প্রত্যক্ষ করের প্রবাহ বাড়ানো। লক্ষ রাখতে হবে বৈদেশিক লেনদেনে ঘাটতি যেন বেড়ে না যায়। মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, অর্থনীতির যে স্থিতিশীলতা ছিল, সেখানে ২০১৭ সালের শেষে কিছু দুর্বলতা দেখা যাচ্ছে। নির্বাচনের বছর সরকারের জনতুষ্টিমূলক প্রকল্প নেওয়ার প্রবণতা থাকে। সংস্কারের উদ্যোগ থাকে না। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হলে অর্থনীতির ওপর চাপ পড়ে। তিনি বলেন, দুর্বলতা ও নির্বাচনকেন্দ্রিক ঝুঁকিগুলো মিলে গেলে তা অর্থনীতির অগ্রগতিকে পিছিয়ে দেবে। তাই সংযত থাকাই ভালো।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফোর জি: নিলাম প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বাধা ‘নেই’
ওই বিজ্ঞপ্তি নিয়ে হাই কোর্ট যে রুল দিয়েছিল তা ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নিষ্পত্তি করতে বলেছে অস্থায়ী প্রধান বিচারপতি আবদুল ওয়াহহাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারকের আপিল বেঞ্চ।
বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তির কার্যকারিতা হাই কোর্ট বৃহস্পতিবার স্থগিত করার পর বিটিআরসির আবেদনে চেম্বার আদালত তা আটকে দিয়েছিল।
এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি রোববার আপিল বিভাগে এলে সর্বোচ্চ আদালত হাই কোর্টের আদেশের ওপর স্থগিতাদেশ বহাল রেখে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দেয়।
এর ফলে বিটিআরসির বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে ফোরজি লাইসেন্স এবং তরঙ্গ নিলামের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে আপাতত কোনো আইনি বাধা থাকল না বলে জানান এ মামলার আইনজীবীরা।
বিটিআরসির পক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের সঙ্গে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার রেজা-ই-রাকিব। আর রিটকারী বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেডের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ ও রমজান আলী শিকদার।
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চূড়ান্ত অনুমোদন পাওয়ার পর টেলিযোগাযোগের ফোরজি সেবার লাইসেন্স ও তরঙ্গ নিলামের নীতিমালা গত ২৯ নভেম্বর হাতে পায় টেলিযোগাযোগ বিভাগ। এরপর ৪ ডিসেম্বর ফোরজি লাইসেন্সের আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিয়ন্ত্রক সংস্থা।
তরঙ্গ নিলামের জন্য সেখানে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিন রেখে ১৪ জানুয়ারির মধ্যে আগ্রহীদের আবেদন জমা দিতে বলা হয়।
অনুমোদিত নীতিমালায় বলা হয়, ফোরজি লাইসেন্সের জন্য নিলাম হবে না। আবেদন করে নির্দিষ্ট অর্থ জমা দিয়ে লাইসেন্স নেওয়া যাবে। আর ফোর জি তরঙ্গ বরাদ্দ পেতে অংশ নিতে হবে নিলামে।
বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি ২০০৮ সালের ব্রডব্যান্ড গাইডলাইন্সের সঙ্গে সাংঘর্ষিক- এমন যুক্তি দিয়ে বাংলালায়ন কমিউনিকেশন্স লিমিটেড বৃহস্পতিবার হাই কোর্টে রিট আবেদন করে।
এ বিষয়ে শুনানি নিয়ে বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমদের হাই কোর্ট বেঞ্চ গত বৃহস্পতিবার বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি স্থগিত করে দেয়।
সেই সঙ্গে বিটিআরসির ওই বিজ্ঞপ্তি কেন ২০০৮ সালের ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নীতিমালার ৪.০২, ৪.০৬(৩) দফা এবং ২০১৭ সালের ফোরজি নীতিমালার সঙ্গে সাংঘর্ষিক ও অবৈধ ঘোষণা করা হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করে হাই কোর্ট।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব ও যুগ্ম সচিব, বিটিআরসি, বিটিআরসির লিগ্যাল অ্যান্ড লাইসেন্সিং ডিভিশনের মহা পরিচালক, পরিচালক ও বিটিআরসির স্পেক্ট্রাম ডিভিশনের পারিচালককে চার সপ্তাহের মধ্যে এর জবাব দিতে বলা হয়।
ওয়্যারলেস ব্রডব্যান্ড নীতিমালার ৪.০২ নীতিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি তিন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এবং সরকারি এক প্রতিষ্ঠানকে ফোরজি লাইসেন্স দেওয়া যাবে।
আবার ৪.৬ (৩) নীতিতে বলা হয়েছে, কোনো মোবাইল অপারেটর এ লাইসেন্স পাওয়ার যোগ্য হবে না।
রিটকারীপক্ষের আইনজীবী রমজান আলী শিকদার সেদিন সাংবাদিকদের বলেন, “বিটিআরসি ব্রডব্যান্ড নীতিমালার ওই দুই নীতি উপেক্ষা করে ২০১৭ সালে আরেকটি নীতিমালা প্রণয়ন করে এবং তার ভিত্তিতে ফোরজি লাইসেন্সের জন্য দরপত্র আহ্বান করে বিজ্ঞপ্তি দেয়। বিটিআরসির এই পদক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করে এই রিট করা হয়।”
হাই কোর্টের ওই আদেশের বিরুদ্ধে সেদিনই চেম্বার আদালতে যায় বিটিআরসি। তাদের আবেদন শুনে বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের চেম্বার আদালত হাই কোর্টের আদেশ স্থগিত করে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় বিষয়টি রোববার আপিল বিভাগে আসে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হয়রানি বন্ধ চান ব্যবসায়ীরা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসুস্থ্য রমা চৌধুরীর শয্যাপাশে ওবায়দুল কাদের
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নারকেলের ছোবড়ার বিদেশযাত্রা

ছোবড়া থেকে তোশক
অপ্রচলিত এই পণ্য রপ্তানির পেছনে আছে লম্বা গল্প। নিজের কারখানায় বসে গত রোববার সেটি শোনালেন ন্যাচারাল ফাইবারের স্বত্বাধিকারী মোস্তাফিজ আহমেদ। ১৯৮৪ সালে আইএসসি পাস করে ব্যবসায় নেমে পড়েন তিনি। প্রথম জীবনে নারকেল তেলের কারখানা ছিল তাঁর। তখন ছোবড়া জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা হতো। তবে বর্ষায় ছোবড়া শুকাতে অসুবিধা হতো বলে তা ফেলে দেওয়া ছাড়া উপায় ছিল না। ফলে ফেলনা ছোবড়া কাজে লাগানোর কৌশল মাথায় ঘুরপাক খেতে থাকে। এদিকে দাম পড়ে যাওয়ায় হঠাৎ করেই তেলের ব্যবসায় ভাটা পড়ে। কী করা যায়, ভাবতে ভাবতে মোস্তাফিজ মনস্থির করলেন, নারকেলের ছোবড়া দিয়ে ম্যাট্রেসের ভেতরের অংশ তৈরি করবেন। নারকেলের ছোবড়া দিয়ে পণ্য তৈরিতে ভারত বরাবরই সিদ্ধহস্ত। তাই ভারতের হরিয়ানা, দিল্লি, কেরালা, তামিলনাড়ু ও ওডিশা চষে বেড়ালেন মোস্তাফিজ আহমেদ। সেখানকার কারখানায় ছোবড়া দিয়ে কয়ার ফেল্ট তৈরির কৌশল দেখলেন। যন্ত্রপাতি কিনতে গিয়ে দেখেন দাম নাগালের বাইরে। শেষে পশ্চিমবঙ্গের এক কারখানার সঙ্গে চুক্তি হয়। সেই কারখানা থেকে কয়ার ফেল্ট তৈরি করে নিয়ে আসতে থাকলেন। পরে কয়েকজন শ্রমিককে নিয়ে যান এবং কাজ শিখিয়ে আনেন বাগেরহাটের এই উদ্যোক্তা। ২০০২ সালে দেশে ফিরে নিজের চেষ্টায় এবং স্থানীয় উপকরণ ও মিস্ত্রি দিয়ে কয়ার ফেল্টের যন্ত্রপাতি তৈরি করে ফেলেন মোস্তাফিজ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘উৎপাদন শুরু করতে আমাদের প্রায় তিন বছর লেগে যায়। তবে এর আগেই কয়েকটি ম্যাট্রেসের কারখানা আমাদের ক্রয়াদেশ দিয়ে দেয়। পরে সেটি বাড়তেই থাকে। বর্তমানে চাহিদার চেয়ে আমাদের উৎপাদনক্ষমতা অনেক কম। তাই ক্রয়াদেশ ফিরিয়ে দিতে হয়।’,ছোবড়ার আঁশের সঙ্গে রেজিন বা তরল রাবার মিশিয়ে প্রথমে পাতলা শিট তৈরি করা হয়। পরে ম্যাট্রেস কোম্পানির চাহিদা অনুযায়ী কয়েকটি শিটকে তাপ ও চাপ দিয়ে এক ইঞ্চি থেকে সাড়ে পাঁচ ইঞ্চি পুরুত্বের কয়ার ফেল্ট প্রস্তুত করা হয়। বিভিন্ন আকারের হলেও দৈর্ঘ্য ও প্রস্থে যথাক্রমে সর্বোচ্চ ৭২ ও ৮০ ইঞ্চি কয়ার ফেল্ট করে থাকে তারা। বিসিকের কারখানাটিতে কাজ করেন ৩৫ জন শ্রমিক। দেশে বর্তমানে কয়ার ফেল্টের চাহিদা মাসে প্রায় ৩০ হাজার ঘণফুট। ৫ থেকে ৬ হাজার ঘণফুট উৎপাদন হয় ন্যাচারাল ফাইবার ফ্যাক্টরিতে।
ছোবড়ার পর ছোবড়ার গুঁড়া
ন্যাচারাল ফাইবার প্রতিষ্ঠানটিকে নারকেলের ছোবড়ার আঁশ সরবরাহ দিতে আশপাশে ছোট ছোট কিছু কারখানা গড়ে ওঠে। কিন্তু পণ্যটির চাহিদা দিন দিন বাড়তে থাকায় এ ছোট কারখানাগুলোর সরবরাহে চাহিদা মিটছিল না। এ কারণে গত বছর বাগেরহাটের সদর উপজেলার কররী গ্রামে ছোবড়া থেকে আঁশ তৈরির কারখানা স্থাপন করে ন্যাচারাল ফাইবার। এই কারখানা করতে গিয়ে নতুন পরিকল্পনা পেয়ে বসে মোস্তাফিজ আহমেদকে। এক হাজার নারকেলের ছোবড়ায় ৮০ কেজি আঁশ পাওয়া যায়। একই সঙ্গে ফেলনা উপজাত হিসেবে বের হয় ১৬০ কেজির মতো গুঁড়া। ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউএসএআইডির এগ্রিকালচার ভ্যালু চেইন (এভিসি) প্রজেক্টের আওতায় জার্মানের ফ্রাঙ্কফুর্ট ফেয়ারে অংশ নেন মোস্তাফিজ। সেখানে তিনি গিয়েছিলাম মূলত কয়ার ফেল্টের ক্রেতা খুঁজতে। সেখানেই প্রথম বিশ্ববাজারে কয়ার পিটের চাহিদার বিষয়ে জানতে পারেন তিনি। মোস্তাফিজ আহমেদ বললেন, ‘ছোবড়ার গুঁড়া দিয়ে আমরা কয়ার পিট তৈরির চিন্তাভাবনা করলাম। কারণ, বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই কয়ার পিটের ব্যাপক চাহিদা। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভারত থেকে যন্ত্রপাতি আমদানি করেছি। উৎপাদন হচ্ছে। শিগগিরই দক্ষিণ কোরিয়ায় ৬০ হাজার ডলারের কয়ার পিট রপ্তানি হবে। কার্যাদেশ চলে এসেছে।’ গত রোববার দুপুরে কররী গ্রামে ন্যাচারাল ফাইবারের কারখানায় গিয়ে দেখা যায়, বিশাল কারখানা চত্বরে ধান শুকানোর মতো করে নারকেলের ছোবড়ার গুঁড়া শুকানোর কাজ করছেন কয়েকজন শ্রমিক। এর চারপাশে কয়েক হাজার মণ গুঁড়া স্তূপ আকারে রয়েছে। মূল কারখানা ভবনে কম্প্রেসর যন্ত্রে চাপ দিয়ে তৈরি হচ্ছে কয়ার পিট। এর আগে ছোট ও বড় দানার শুকনো গুঁড়া যন্ত্রে আলাদা করা হয়। কারখানাটির দেখাশোনা করছিলেন মোস্তাফিজের ছোট ভাই মোজাহিদ আহমেদ। তিনি বললেন, ‘কয়ার পিট আমরা উৎপাদন শুরু করলাম। তবে ইন্টারনেট ঘেঁটেও ক্রেতা পাচ্ছিলাম না। পরে ১৪-১৫টি দেশের বাংলাদেশি দূতাবাসে ই-মেইল করলাম। দক্ষিণ কোরিয়ার দূতাবাসের সহযোগিতায় গত অক্টোবরে একজন ক্রেতার সন্ধান পাওয়া গেছে।
About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন তাঁরা

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংকটে গলদার পোনা উৎপাদন

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘নো নো নো, অল রাবিশ’

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কঠোর অবস্থানে রিপাবলিকানরা, বাতিল হতে পারে ডিভি লটারি!

About: Unknown
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
January
(1086)
-
▼
Jan 14
(64)
- আশা-নিরাশার দোলাচলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন by মিজানু...
- ‘সংবিধানের ধারার ব্যাখ্যা প্রয়োজন’
- লন্ডনের হ্যারডস থেকে সরানো হচ্ছে প্রিন্সেস ডায়ানা...
- যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের হুমকি ইরানের
- যে মেয়ে শিশুটির ধর্ষণ ও হত্যায় উত্তাল পাকিস্তান
- ভারতে স্কুলগুলোয় 'মুসলিম বাচ্চারা হয়রানির শিকার'...
- ভারত-পাকিস্তান পরমাণু যুদ্ধের হুমকি
- যেভাবে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র...
- অতিরিক্ত মদপানে কলেজছাত্রীর মৃত্যু
- রানওয়ে থেকে ছিটকে পড়লো বিমান
- পর্নো তারকাকে মুখ বন্ধ রাখতে ১৩০০০০ ডলার দিয়েছিলেন...
- চট্টগ্রামের নেতাদের ঐক্য চায় শেখ হাসিনা: ওবায়দুল ক...
- আরো ৮টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কাজ চলছে: শিক্ষামন্...
- ঢাকায় প্রণব মুখার্জি,চট্টগ্রামে আসবে মঙ্গলবার
- দ্যাটস অল রাবিশ... রাবিশ... রাবিশ
- নাচের ক্লাসে আমির-ক্যাট একসঙ্গে কেন?
- আবারো সিনেমায় শাহরুখ-কাজল
- আখেরি মোনাজাতে প্রধানমন্ত্রী
- প্রতি ১০ মিনিটে একই কথা বলেন ট্রাম্প!
- হঠাৎ কেন চড়া?
- গেল বছরটি ছিল ব্যাংক কেলেঙ্কারির
- ফোর জি: নিলাম প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে বাধা ‘নেই’
- হয়রানি বন্ধ চান ব্যবসায়ীরা
- অসুস্থ্য রমা চৌধুরীর শয্যাপাশে ওবায়দুল কাদের
- নারকেলের ছোবড়ার বিদেশযাত্রা
- ৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন তাঁরা
- সংকটে গলদার পোনা উৎপাদন
- ‘নো নো নো, অল রাবিশ’
- কঠোর অবস্থানে রিপাবলিকানরা, বাতিল হতে পারে ডিভি লট...
- হংকংয়ে বিলাসবহুল হোটেলে নারী ও শিশু খুন
- আইনি জটিলতা দূর হবে কীভাবে?
- বন্যার্তদের মতো শীতার্তদের পাশে আসুন by তুহিন ওয়াদুদ
- ফোরজির পথ খুলল
- ‘সাজানো’ ভ্রাম্যমাণ আদালত, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটক...
- মাদ্রাসাশিক্ষকদের সঙ্গে মন্ত্রীদের বৈঠক
- অ্যাপল চমক দেখাবে এ বছর
- সরকারের সাড়া নেই
- নারায়ণগঞ্জ এখন আর সন্ত্রাসের জনপদ নয়
- মৃত্যুশিবিরে ভালোবাসার ফুল
- চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে সংশয়
- সাতকানিয়ায় সমাপ্ত হল ৩ দিনের উন্নয়ন মেলা
- রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা যেন মায়া by আফ্রাসিয়াব খটক
- বিএনপির জটিল হিসাব-নিকাশ by এ কে এম জাকারিয়া
- সংবাদমাধ্যমের ওপর আস্থা কমে যাচ্ছে কেন?
- ফ্ল্যাট নির্মাণে ৯০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন যারা
- প্রয়াত মহিউদ্দিন চৌধুরীর শোকসভা বিকেলে লালদিঘীর মাঠে
- ‘থাকতে পারবে, ভোট দিতে পারবে না’ by তরুণ চক্রবর্তী
- বিধ্বংসী অবকাঠামো
- বাংলাদেশের ওপর ভারতের নজরদারি
- ‘আমিন, আল্লাহুম্মা আমিন’ ধ্বনিতে শেষ ইজতেমার প্রথম...
- ওমান থেকে আসা চট্টগ্রামের ফ্লাইট নামলো কলকাতায়
- পাবনা মেডিকেল কলেজ বন্ধ কেন
- শীতের মাসে স্কুল ছুটি দেওয়া যায় না? by নিশাত সুলতানা
- যত দিন সমস্যা, তত দিন সহায়তা: রেহান আসাদ
- ইরানের নীতি বদলাতে হবে by জিওফ্রে হুন
- কুতুব মিনারে এক প্রহর
- ভিডিও চ্যাটিং ডিভাইস আনছে ফেসবুক
- যুক্তরাষ্ট্রকে চরম হুমকি ইরানের
- ঝাঁপিয়ে পড়ল ইসরাইলি সেনারা, আহত হলো হাজার হাজার ফি...
- বালিয়াকান্দিতে বাদাম ও ঝাল খেয়ে ৪ ছাত্রী অসুস্থ
- শিশু হত্যা ও ধর্ষণের নেপথ্যে সিরিয়াল কিলার : উত্তা...
- ঐতিহ্যবাহী ‘হুমঘুটি’তে মত্ত হাজারো মানুষ
- মোবাইল ফোনে কেন মিসক্যারেজের শঙ্কা বাড়ে?
- কারাগারে ১২ হাজার টাকায় মেডিক্যালের আরাম!
-
▼
Jan 14
(64)
-
▼
January
(1086)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...










