Thursday, December 7, 2017
জেরুজালেম নিয়ে এত বিরোধ কেন? by মাহমুদ ফেরদৌস

আধুনিক যুগে ইসরাইলি-ফিলিস্তিনি লড়াই তার অন্যতম।
নবী ইব্রাহিম (আ.) থেকে উদ্ভূত বড় তিন ধর্মের (ইসলাম, খ্রিস্ট, ইহুদি ধর্ম) কাছেই জেরুজালেম ভীষণ পবিত্র জায়গা। ইহুদীরা মনে করেন, এখানেই তাদের আদি নিবাস। এখানেই তাদের প্রথম ও দ্বিতীয় টেম্পল বা উপাসনালয় স্থাপিত হয়েছিল। অপরদিকে ইসলাম ধর্ম মতে, জেরুজালেমে অবস্থিত মসজিদ-উল-আকসা থেকে নবী মোহাম্মদ (সা.) মেরাজে গিয়ে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাত করেছিলেন। খ্রিস্টান ধর্মমতে, ‘এখানেই যিশুখ্রিস্টের মৃত্যু হয়েছিল। তার সমাধিস্থলও এখানে।’
জেরুজালেম নিয়ে সংঘাত মূলত হাজার বছরের। রোমান সাম্রাজ্য ও ক্রুসেডস - সব কিছুর সাথে জড়িয়ে আছে এই শহরের নাম। কিন্তু এই শহর নিয়ে এখন যে সমস্যা চলছে, সেটি একেবারে নতুন ও স্বতন্ত্র। এখনকার সংঘাতের সঙ্গে ধর্ম যতটা গুরুত্বপূর্ণ, তার চেয়ে উপনিবেশবাদ, জাতীয়তাবাদের সংশ্লিষ্টতাও কম নয়।
ইসরাইলের হিব্রু বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ভূগোলবিদ্যার অধ্যাপক ইয়েশুয়া বেন-আরিয়েহ মনে করেন, বৃটিশদের কারণেই জেরুজালেম এত গুরুত্বপূর্ণ হয়েছে। তারাই জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ইহুদীদের প্রথম বা দ্বিতীয় মন্দির নির্মাণের সময় থেকে জেরুজালেম কখনই কারো রাজধানী ছিল না।
জেনারেল অ্যালেনবি জেরুজালেম দখলে নেওয়ার পর তিন দশক বৃটিশরা এখানে শাসন করে। তখনই যায়নবাদী আদর্শে উদ্বুদ্ধ হয়ে বহু ইহুদী সেটেলার শহরটিতে পাড়ি জমাতে থাকে তৎকালীন বৃটিশ প্যালেস্টাইনে। স্থানীয় আরব জনগোষ্ঠীর কাছে তখন অটোম্যান সাম্রাজ্যের পতনের কারণে সৃষ্ট নতুন বাস্তবতা মেনে নেওয়া বৈ কোনো উপায় ছিল না। অটোম্যানরা ১৫১৭ সাল থেকে ১৯১৭ পর্যন্ত জেরুজালেম শাসন করেছে।
জেরুজালেম ইন্সটিটিউট ফর পলিসি রিসার্চ নামে একটি থিংক ট্যাংকের জ্যেষ্ঠ গবেষক অ্যামনন র্যামন বলেন, ‘মজার বিষয় হলো, প্রাথমিকভাবে যায়নবাদী চিন্তকরা কিন্তু জেরুজালেম, বিশেষ করে পবিত্র ওল্ড সিটি থেকে মুখ ফিরিয়ে রেখেছিলেন। প্রথম কারণ হলো জেরুজালেমকে মনে করা হতো ইসরাইলের বাইরে বসবাসরত ইহুদীদের প্রতীক। দ্বিতীয়ত, খ্রিস্টান ও ইসলাম ধর্মের পবিত্র স্থাপনা থাকায় এই শহরকে রাজধানী করে ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করায় জটিলতা ছিল।’
প্রথম দিককার বহু যায়নবাদী চিন্তক ছিলেন সেকুলার ও সমাজতন্ত্রী। ধর্মের চেয়ে বরং ইহুদী জাতীয়তাবাদ, আত্ম-নিয়ন্ত্রনাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নির্যাতন থেকে রেহাই পাওয়াই ছিল তাদের ইসরাইল রাষ্ট্র গঠনের প্রেরণা। ইংল্যান্ডের এক্সেটার বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাস বিদ্যার অধ্যাপক মাইকেল ডাম্পার বলেন, ‘জেরুজালেম ছিল তখন নিশ্চলতার প্রতীক। এটিকে দেখা হতো ধর্মীয় রক্ষণশীলতার দিকে পশ্চাদপসরণের প্রতীক হিসেবে। তেল আবিব বরং তখন ছিল নতুন শহর। আধুনিকতার পুণ্যভূমি।’
তিনি আরও বলেন, আরবদের কাছে অটোম্যান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ না থাকাটাই একটা বিরাট ব্যাপার ছিল। তারা নতুন করে সমাজকে বাঁধছিলেন নতুন বাস্তবতায়। স্থানীয় ফিলিস্তিনি অভিজাতরা ও জেরুজালেমের ফিলিস্তিনি বনেদী পরিবারগুলো থেকেই পরবর্তীতে ফিলিস্তিনি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের নেতারা উঠে আসেন। তখন হুট করেই ইহুদী অভিবাসনের হুমকি টের পেতে থাকে ফিলিস্তিন।
এই অভিবাসন রোখার চেষ্টা করতে গিয়ে ফিলিস্তিনি ও ইহুদীদের মধ্যে দাঙ্গাও বেধেছিল। ইহুদীরা প্রায়ই বৃটিশদের খেপিয়ে তুলতো। ১৯৩৯ সালের দিকে ফিলিস্তিনে ইহুদী অভিবাসন সীমিত করা হয়। কিন্তু ওই সময় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলছিল। ফলে অনেক ইহুদীই হিটলারের ইহুদী-নিধন বা হলোকাস্ট থেকে পালিয়ে আসতে চাচ্ছিল ফিলিস্তিনে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষে জাতিসংঘ ফিলিস্তিন দু’ভাগে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেয়। একটি হবে ইহুদীদের রাষ্ট্র, অপরটি আরব ফিলিস্তিনিদের। ওই সিদ্ধান্ত মতে, জেরুজালেম শাসিত হওয়ার কথা একটি আন্তর্জাতিক বিশেষ কাঠামো অনুযায়ী। আরবরা ওই পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করে।
ইসরাইল ১৯৪৮ সালে তাদের স্বাধীনতা ঘোষণা করে। তার একদিন পরই আরব প্রতিবেশী দেশগুলো আক্রমণ করে ইসরাইলকে। কিন্তু আরবরা পরাজিত হয়। উভয় পক্ষের মিলিশিয়ারা সে সময় সহিংসতায় লিপ্ত ছিল। তখন বিপুল সংখ্যক আরব বাস্তুচ্যুত হয়।
যুদ্ধের পর জেরুজালেম দ্বিখণ্ডিত হয়। পশ্চিম অংশ দখলে নেয় ইসরাইল। ১৯৫০ সালে এক নতুন আইন অনুযায়ী এই পশ্চিম জেরুজালেম হয়ে উঠে ইসরাইলের রাজধানী। অপরদিকে পূর্ব জেরুজালেম, যেখানে পবিত্র ওল্ড সিটি ছিল, তা ছিল জর্দানের দখলে।
অধ্যাপক ডাম্পার বলেন, এই শহর নিয়ে তখন দুই দেশের চিন্তা ছিল না। ইসরাইল তখন তার উপকূলীয় অঞ্চল, অর্থাৎ হাইফা, তেল আবিব ও আশকেলনকে বাণিজ্যিক অঞ্চলে রূপান্তর করছিল। আর জর্দানের বাদশাহ প্রথম আবদুল্লাহ ছিলেন তার রাজধানী আম্মানের উন্নয়নে নিবিষ্ট।
ইলিনয় স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসবিদ ইসাম নাসারের মতে, জাতিসংঘ ও ইউরোপিয়ান শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর কারণে প্রথম দিককার ইসরাইল রাষ্ট্র জেরুজালেম নিয়ে বেশি মাথা ঘামাতে ইচ্ছুক ছিল না। জেরুজালেমকে আন্তর্জাতিকভাবে নিয়ন্ত্রণের ধারণা মেনে নিয়ে প্রথম দিককার ইসরাইলি নেতৃত্ব অন্যত্র দেশের রাজধানী স্থাপনের পরিকল্পনা করেন। এক্ষেত্রে হার্জলিয়া বা অন্য শহর তাদের পছন্দ ছিল। ড. র্যামন বলেন, ইসরাইলি নেতৃত্ব বুঝতে পেরেছিল জেরুজালেমের পবিত্র স্থাপনা তাদের হাতে না থাকলে লাভই বেশি।
তবে পশ্চিম জেরুজালেম দখলের পরের দুই দশকে ইসরাইল ধীরে ধীরে অনেক সরকারী স্থাপনাই শহরটিতে গড়ে তোলে। কিন্তু বিদেশী সরকারগুলো জেরুজালেমকে এড়িয়েই গেছে। জাতিসংঘের প্রস্তাবনার সমর্থনে তারা দূতাবাস স্থাপন করে তেল আবিবে।
এরপর এলো ১৯৬৭ সালের যুদ্ধ। এই যুদ্ধ এত প্রলয়ঙ্করী ছিল যে, জেরুজালেমকে নিয়ে আধুনিক বিরোধকে এর চেয়ে কোনো ঘটনাই বেশি প্রভাবিত করেনি। মাত্র ৬ দিনের মধ্যে ইসরাইল শুধুমাত্র আরব দেশগুলোকে পরাজিতই করেনি, তারা মিশরের কাছ থেকে গাজা তীর ও সিনাই উপত্যকা দখলে নিয়ে নেয়। জর্দানের কাছ থেকে নিয়ে নেয় পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম। সিরিয়ার কাছ থেকে নেয় গোলান উপত্যকা।
ইসরাইলের বার-ইলান বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক অধ্যাপক মেনাচেম ক্লেইনের মতে, ১৯৬৭ সালের ওই যুদ্ধ ইতিহাসের বাক পরিবর্তন করে দেয় দুই ভাবে। প্রথম, এই যুদ্ধের বিশাল বিজয়! যুদ্ধের আগে সবসময় আতঙ্কে থাকতো ইসরাইল। কিন্তু যুদ্ধের পর দেশটি ভীষণ আত্মবিশ্বাসী হয়ে ওঠে। পাশাপাশি, পবিত্র ওল্ড সিটি দখলে নেওয়ার মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব তো ছিলই।
ওল্ড সিটি দখলে নেওয়ার পর ইহুদীদের পবিত্র ওয়েস্টার্ন ওয়ালে (আল আকসা মসজিদের বাইরের একটি দেওয়াল) ইসরাইলি সেনাদের প্রার্থনার ছবি দেশটির জাতীয় মননে ভীষণ প্রভাব ফেলে। জর্দানের শাসনাধীন থাকার সময় এখানে আসতে পারতো না ইহুদীরা।
কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক আরব বিদ্যার অধ্যাপক রশিদ খালিদি বলেন, ‘জেরুজালেম হয়ে যায় কাল্টের মতো আরাধনার স্থান। এই স্থানের প্রতি এমন অনুরাগ আগে কখনই ছিল না। আর বর্তমানে এই অনুরাগ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, ইসরাইলি রাজনীতিতে এখন চরম উগ্রপন্থী ধর্মীয় জাতীয়তাবাদীদের আধিপত্য। রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুই এখন ওয়েস্টার্ন ওয়াল।’
১৯৭৭ সালে ডানপন্থী লিকুদ পার্টি ইসরাইলের ক্ষমতায় আসে মেনাচিম বেগিনের নেতৃত্বে। এরপরই ইসরাইলি জাতি-পরিচয়ের সঙ্গে জেরুজালেমের সম্পর্ককে অবিচ্ছেদ্য হিসেবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হালে পানি পেতে থাকে। ইসরাইলের রাজনীতিতে ধর্মীয় সেটেলাররা আধিপত্য বিস্তার করতে থাকে। সেই থেকে এই প্রভাব আর কখনও কমেনি। পুরনো ধাঁচের সমাজতন্ত্রী যাদের শেকড় রাশিয়া ও পূর্ব ইউরোপে তারা হাল ছেড়ে দেয়। ইসরাইলের ক্ষমতা কুক্ষিগত হয় রক্ষণশীল ইহুদীদের হাতে যারা মধ্যপ্রাচ্য, উত্তর আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আগত।
এই পরিবর্তনের কারণে জেরুজালেমের প্রতীকী গুরুত্ব ইসরাইলে বেড়ে যায়। ইহুদী ইতিহাসে জেরুজালেমের ভূমিকা সামরিক কুচকাওয়াজ, পাঠ্যক্রমে গুরুত্বের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। ইসরাইলের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে স্কুলছাত্রদের জেরুজালেম সফরে নিয়ে যাওয়া শুরু হয়।
এই জেরুজালেমকরণ তুঙ্গে উঠে ১৯৮০ সালে, যখন ইসরাইলি আইনপ্রণেতারা একটি বিল পাশ করেন, যাতে বলা হয়, ‘পূর্ণাঙ্গ ও ঐক্যবদ্ধ জেরুজালেমই ইসরাইলের রাজধানী।’ দখলে থাকলেও, ইসরাইল আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার আশঙ্কায় পূর্ব জেরুজালেম আত্মসাৎ (অ্যানেক্স) করা বা নিজ ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করা থেকে বিরত থাকে।
১৯৯৩ সালে ফিলিস্তিনি ও ইসরাইলিদের মধ্যে অসলো চুক্তি আরেক গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমেই প্রতিষ্ঠিত হয় ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ (প্যালেস্টিনিয়ান অথরিটি)। যাদের হাতে পশ্চিম তীর ও গাজা তীর শাসনের কর্তৃত্ব দেওয়া হয়। তবে তখন সীমান্ত, ফিলিস্তিনি শরণার্থী ও জেরুজালেমের মর্যাদার প্রশ্নে কোনো সমঝোতায় আসা যায়নি। কিন্তু তার পরের প্রায় ২৫ বছর দীর্ঘস্থায়ী চুক্তির সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমেছে।
২০০০ সালে ডানপন্থী রাজনীতিবিদ অ্যারিয়েল শ্যারন সফর করেন পবিত্র তীর্থস্থান (নোবল স্যাঙ্কচুয়ারি) বা আল হারাম আল কুদসি আল শরিফে। এখানেই মুসলমানদের পবিত্র আল আকসা মসজিদ ও ডোম অব দ্য রক অবস্থিত। ইহুদীদের কাছে এটি সেকেন্ড টেম্পল বা দ্বিতীয় মন্দিরস্থল হিসেবে পরিগণিত। অ্যারিয়েল শ্যারনের ওই সফরের কারণে জেরুজালেমে তীব্র সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। সৃষ্ট হয় দ্বিতীয় ফিলিস্তিনি ইন্তিফাদা। ৫ বছর ধরে চলমান এই সংঘাতে নিহত হয় প্রায় ৩ হাজার ফিলিস্তিনি ও ১ হাজার ইসরাইলি।
ফিলিস্তিনিরা বলছেন, ইহুদী সেটেলাররা পূর্ব জেরুজালেম ধীরে ধীরে দখলে নিচ্ছে। আর ইসরাইল পরিস্থিতি আরও জটিল করেছে জেরুজালেমে বসবাসরত ফিলিস্তিনিদের আবাসিক সনদ স্থগিত করার মাধ্যমে।
অধ্যাপক খালিদি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এ নিয়ে একমত যে, ১৯৬৭ সালের পর পূর্ব জেরুজালেমের ওপর ইসরাইলের দখলদারিত্ব অবৈধ। এ কারণেই তারা জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয় না।’ তিনি আরও বলেন, ট্রাম্পের নেতৃত্বে আমেরিকা যদি এখন বিশ্বের প্রথম রাষ্ট্র হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয়, তাহলে ফিলিস্তিনি-ইসরাইলি চুক্তি বা দীর্ঘস্থায়ী আরব-ইসরাইল সম্পর্ক কখনও স্বাভাবিক হবে, তা বলা মুশকিল।
অধ্যাপক বেন-আরিয়েহ মনে করেন, এই শহরকে কেন্দ্র করে সংঘাত আরও অনেকদিন থাকবে। তিনি বলেন, ‘আরব-ইহুদী সংঘাত এখন জাতীয়তাবাদী সংঘাতে রূপ নিয়েছে, যার কেন্দ্রবিন্দু হলো জেরুজালেম।’
এই অধ্যাপকের ভাষ্য, ‘জেরুজালেম শহর ছিল তিন ধর্মের কাছে পবিত্র। কিন্তু যখনই সেখানে দুই জাতি তথা আরব ও ইহুদী জাতির উপস্থিতি নিশ্চিত হলো, তখন উভয়েই জেরুজালেমকে নিজের করে পেতে চাইলো। জেরুজালেমের যতটা তাদের প্রয়োজন, তার চেয়েও তাদের বেশি জেরুজালেমকে প্রয়োজন।’
(নিউ ইয়র্ক টাইমস অবলম্বনে)
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইনতিফাদা’র ঘোষণা হামাসের, শুক্রবার ক্ষোভ দিবস পালনের আহ্বান

এ দিনটিকে তিনি ‘ক্ষোভ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেন। তিনি ঘোষণায় বলেন, দখলদারদের বিরুদ্ধে ৮ই ডিসেম্বর হোক আমাদের ইনটিফাদা’র প্রথম দিন। এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স। এতে বলা হয়, হামাসকে একটি সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে দেখে থাকে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র। ইসরাইলের অস্তিত্ব স্বীকার করে না হামাস। এ সংগঠনের আত্মঘাতী বোমারুরা ২০০০ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত শেষ ইনটিফাদা’য় সহায়তা করেছিল। ইসমাইল হানিয়ে বলেন, জেরুজালেম ও ফিলিস্তিনের জন্য হুমকি এমন কৌশলগত কোনো বিপদের মুখোমুখি হওয়ার জন্য সব হামাস সদস্য ও এর শাখা প্রশাখাকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তাদেরকে নতুন নির্দেশনার জন্য পূর্ণ প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। হামাস নিয়ন্ত্রিত গাজা উপত্যকা ও ইসরাইল দখলীকৃত পশ্চিম তীরের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একীভূত জেরুজালেম হলো আরব ও মুসলিমদের। এটা হলো ফিলিস্তিনি, সব ফিলিস্তিনির রাজধানী। এ সময় তিনি পশ্চিমাদের সমর্থন পাওয়া ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের প্রতি আহ্বান জানান ইসরাইলের সঙ্গে শান্তি প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসতে। আহ্বান জানান ট্রাম্প প্রশাসনকে বর্জনের। ইসমাইল হানিয়ে বলেন, এটা ঘোষণা করা যেতে পারে যে, তথাকথিত শান্তি চুক্তির কবর রচনা হয়েছে। শান্তিচুক্তিতে অংশীদার ফিলিস্তিনি বলে আর কিছুই নেই।
তিনি আঙ্কারা থেকে সাংবাদিকদের বলেন, জেরুজালেমের মর্যাদা নিয়ে যে স্পর্শকাতরতা সৃষ্টি হয়েছে তার প্রেক্ষিতে প্রেসিডেন্ট ওআইসির নেতাদের ওই বৈঠক আহ্বান করেছেন। এতে ইসলামিক দেশগুলো যৌথভাবে কি করণীয় তা নিয়ে আলোচনা হবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে ওআইসির চেয়ারম্যান তুরস্ক। ওদিকে জেরুজালেমের বিষয়ে আরব ও ইসলামিক মনোভাবাপন্নদের সহযোগিতার বিষয়ে রোববার ওআইসির পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের ব্যতিক্রমী বৈঠক আহ্বান করেছে জর্ডান সরকার। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী ঘোষণার আগে তাকে কড়া সতর্কতা দিয়েছিলেন এরদোগান। তিনি মঙ্গলবার বলেন, জেরুজালেমের মর্যাদা মুসলিমদের জন্য একটি ‘রেড লাইন’ বা চূড়ান্ত সীমারেখা। এর ফলে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্নও করতে পারে তুরস্ক। তবে জেরুজালেম ইস্যুতে জাতিসংঘ যে রেজুলেশন নিয়েছে তার প্রতি সম্মান দেখাতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পোপ ফ্রাঁসিস।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশ্ব সম্প্রদায়ের আহ্বান অগ্রাহ্য করে ট্রাম্পের ঘোষণা: ‘জেরুজালেম ইসরাইলের রাজধানী’

এদিকে, ট্রাম্পের এ ঘোষণার আগ থেকেই ক্ষোভে ফুঁসছে ফিলিস্তিন।
প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছে হাজারো ফিলিস্তিনি। ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ অঞ্চলটিতে উত্তেজনা আরো বৃদ্ধি করবে বলে আগে থেকেই আশঙ্কা করা হচ্ছিল। এতে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াও বাধাগ্রস্থ হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। হোয়াইট হাউজের ডিপ্লোমেটিক রিসেপশন রুম থেকে দেয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার সময় এসেছে । তিনি বলেন, দুই দশকের বেশি সময় ধরে চেষ্টা করেও আমরা ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে কোন স্থায়ী শান্তি চুক্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। উল্লেখ্য, ট্রাম্প তার নির্বাচনী প্রচারণায় জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, আজ আমি (আমার প্রতিশ্রুতি) পূরণ করছি।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, কয়েক দশকের মার্কিন নীতি পাল্টে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন ট্রাম্প। বক্তব্য দেয়ার সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স। ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ এবং ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার কথা মাথায় রেখেই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। ট্রাম্প দা্বি করেন, এটাই সঠিক সিদ্ধান্ত। আর এটা বাস্তবতার স্বীকৃতি দেয়া বৈ কিছুই না। সকল পক্ষকে তিনি জেরুজালেমের পবিত্র ভূমিতে স্ট্যাটাস কো বজায় রাখার আহ্বান জানান।
ট্রাম্পের বক্তব্য শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ পরেই তার ঘোষণার প্রশংসা করে ইসরাইলের প্রেসিডেন্ট বেনইয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত শান্তির পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কারণ, জেরুজালেম যদি ইসরাইলের রাজধানী না হয় তাহলে কোন শান্তি আসবে না। তিনি আরো বলেন, যেসব রাষ্ট্র শান্তি চায় আমি সেসব দেশকে আহবান জানাই যে তারা জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগ দিক। পাশাপাশি তাদের দূতাবাস এখানে স্থানান্তর করুক।
এদিকে, ফিলিস্তিনি এক কূটনীতিক বলেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ঘোষণার সামিল। হামাস বলেছে, ট্রাম্পের সিদ্ধান্তে নরকের দরজা খুলে দেবে। দলটির এক মুখপাত্র বলেন, ‘এতে করে এ বাস্তবতা পাল্টাবেনা যে জেরুজালেম আরব মুসলিমদের ভূখণ্ড। উল্লেখ্য, ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের বিরোধীতা করে আগে থেকেই সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন অনেক বিশ্বনেতা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার তার সঙ্গে এক ফোনালাপে ওই অঞ্চলের আরব নেতারা ও ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রন ট্রাম্পের এই পদক্ষেপ নিয়ে গভীর আশঙ্কা প্রকাশ করেন ও তাকে তার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহবান জানিয়েছিলেন। ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের মুখপাত্র ট্রাম্পকে সতর্ক করে বলেছিলেন, তার এই পদক্ষেপে অঞ্চলটিতে ভয়াবহ পরিণতি ডেকে আনবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ খোমেনি বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এ সিদ্ধান্তের কারণ হলো তাদের অযোগ্যতা ও ব্যর্থতা। আর সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী এক বিবৃতিতে বলেন, এই পদক্ষেপ হলো ফিলিস্তিনকে জবরদখল করা এবং ফিলিস্তিনি জনগণকে উৎখাত করার অপরাধের চুড়ান্ত অধ্যায়। পোপ ফ্রান্সিসও সতর্ক করে বলেন, জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে বিদ্যমান স্ট্যাটাস কো’র প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা উচিত। কিন্তু, ট্রাম্প সেসব গায়ে মাখেন নি।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আগুন নিয়ে খেলছেন ট্রাম্প’

ট্রাম্পের ঘোষণার তীব্র বিরোধিতা করেছেন প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস। তিনি বলেছেন, ফিলিস্তিনের নেতৃত্ব ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত মেনে নেবে না। ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত ধ্বংসাত্মক। তেল আবিব থেকে দুতাবাস সরিয়ে জেরুজালেমে নিয়ে যাবার ইচ্ছা পোষণ করে ট্রাম্পের পূর্বের দেয়া এক বিবৃতির জবাবে জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের শাশ্বত রাজধানী উল্লেখ করেন আব্বাস। তিনি বলেন, ফিলিস্তিন-ইসরাইল শান্তি আলোচনাতে যুক্তরাষ্ট্রের আর কোন গ্রহণযোগ্যতা নেই। এ স্বীকৃতিকে ইসরাইলের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের উপঢৌকন বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। আরো বলেছেন, ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্ত ফিলিস্তিনের ভূমি দখলে ইসরাইলের আগ্রাসনকে আরো উৎসাহিত করবে। ট্রাম্পের এ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তিন দিনের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচীর ডাক দিয়েছেন ফিলিস্তিনের নেতারা। কয়েক দশক ধরে জেরুজালেমকে কেন্দ্র করে ফিলিস্তিন এবং ইসরাইলের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ১৯৪৮ সাল থেকে জেরুজালেমের পশ্চিম অংশ দখল করে রেখেছে ইসরাইল। ১৯৬৭ সালে সিরিয়া, মিশর এবং জর্ডানের সঙ্গে যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয় তারা। এর ফলে জেরুজালেমের ওপর ইসরাইলের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়। তবে জেরুজালেমে ইসরাইলের দখলদারিত্বের এবং কর্তৃত্বের কোন ধরণের স্বীকৃতি দেয় নি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়। প্রসঙ্গত, পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিন রাজধানী হিসেবে দাবি করে ফিলিস্তিন। ট্রাম্পের জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া প্রসঙ্গে ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, ট্রাম্পের এই ঘোষণাতে জেরুজালেমের বাস্তবতা এবং বৈধতার কোন পরিবর্তন হবে না। আমরা জাতীয় স্বাধীনতা অর্জন করবো- বলে দৃঢ় মত ব্যক্ত করেন তিনি। অন্যদিকে, ফিলিস্তিন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (পিএলও) এর সেক্রেটারি-জেনারেল সাইব ইরেকাত বলেছেন, জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে শান্তি প্রক্রিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের গ্রহণযোগ্যতা নষ্ট করেছেন ট্রাম্প। তিনি আরো বলেন, ট্রাম্প শান্তির সম্ভাবনা ধ্বংস করে দিয়েছেন। তিনি পুরো অঞ্চলে অসহিষ্ণুতা ডেকে আনছেন। এই সিদ্ধান্তের বিপরীতে পিএলও-এর কেন্দ্রীয় কাউন্সিলে সভা ডাকা হবে। গ্রহণ করা হবে পরবর্তী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ। ইরেকাত আরো বলেন, রাজধানী জেরুজালেম ছাড়া ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের কথা ভাবা অর্থহীন। ট্রাম্পের এমন সিদ্ধান্তকে- যুক্তরাষ্ট্রের যে কোন প্রেসিডেন্টের নেয়া সবচেয়ে ভয়ানক সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন ইরেকাত। এছাড়াও, ইসরাইলি পার্লামেন্টের ফিলিস্তিনি সদস্য জামাল জাহালকা বলেছেন, ট্রাম্প আগুন নিয়ে খেলছেন। যারা ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের পক্ষ নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন, তারা আসলে শান্তি ব্যাহত করে বিবাদ উসকে দিচ্ছেন। আল জাজিরার জ্যোষ্ঠ রাজনৈতিক বিশ্লেষক মারওয়ান বিশারা বলেছেন, ট্রাম্প জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেয়া বক্তব্যে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বুলি তোতাপাখির মতো হুবহু আওড়িয়েছেন। তিনি বলেন, ফিলিস্তিনের বিষয়ে ইসরাইলের যে মনোভাব, ট্রাম্প তার বক্তব্যে অবিকল তা-ই বলেছেন। ট্রাম্পের বক্তব্যে শান্তি এবং সৌজন্যতার আড়ালে কিছু নাটকীয় ব্যাপার রয়েছে। তিনি বস্তুত ফিলিস্তিনি নাগরিক এবং তাদের অধিকারের ওপর যুদ্ধ ঘোষণা করলেন। যুদ্ধ ঘোষণা করলেন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং দ্বিপাক্ষিক বিরোধ নিস্পত্তিতে প্রণীত আন্তর্জাতিক আইনের প্রতিও।
About: Kutubi Web
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নয়া বিশ্বব্যবস্থার পদধ্বনি : নেতৃত্বে রাশিয়া, তুরস্ক ও ইরান
![]() |
| ইরান, রাশিয়া ও তুরস্ক |
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সন্ধ্যায় চীনা প্রতিনিধিদলের সাথে খালেদার বৈঠক

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিরাপত্তা চাওয়ায় ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: সিইসি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নদীতে নামলেই কঙ্কাল!

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নাইকোর সঙ্গে চুক্তি অবৈধ : শুনানি ১১ জানুয়ারি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিনসহ দুই শিক্ষক পরীক্ষার কার্যক্রমে ১০ বছর বহিষ্কার

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপির

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিলা আ’লীগ নেত্রীকে কুপিয়ে জখম

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোমিন হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লাভ জিহাদের অভিযোগে পুড়িয়ে মারা হল যুবককে

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবা নেওয়ায় নারীরা পিছিয়ে

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশ কমেছে

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বিএটিবিসির

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার ট্রাম্পের জবাবের পালা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩ বছরের মধ্যে সমাধানে জোর দিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ

রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব
প্রস্তাবে মিয়ানমার সরকারকে রোহিঙ্গা সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করার আহ্বান জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে তাদের যেন পূর্ণ নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, যাতে তারা অন্য নাগরিকদের সমান সুবিধা ভোগ করতে পারে। বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ফেরত যাওয়া রোহিঙ্গাদের মানবাধিকার নিশ্চিত থাকে এবং আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী তারা যেন মর্যাদার সঙ্গে বসবাস করতে পারে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অবিলম্বে শুরু করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, যাচাই প্রক্রিয়া একটি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে শেষ করে তাদের আদি বাসস্থানে পুনর্বাসিত করতে হবে।
বিচারপ্রক্রিয়া
প্রস্তাবে বলা হয়েছে, রাখাইনে ধর্মীয় উপাসনালয়, কবরস্থানে বেসরকারি সম্পত্তি ইত্যাদি ধ্বংস করা হয়েছে। গণধর্ষণের মতো যৌন নির্যাতনের কর্মকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। মিয়ানমার সরকারকে যেকোনো সম্পত্তি ধ্বংস বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, যারা নির্যাতনমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল, তাদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন তদন্ত সম্পন্ন করে সবাইকে বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ভেজাল সুলতান’

দখলে আমমোক্তারনামা ব্যবহার
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৪ সালে স্ত্রী লুৎফুন নেছা সাংসদ হওয়ার মাসকয়েকের মাথায় সুলতান মৃধা দখল করেন পটুয়াখালী শহরের কলেজ রোডের ভেটেরিনারি হাসপাতাল-সংলগ্ন সাজ্জাদুর রহমান খান ও হাফিজ আল আসাদের (দুই ভাই) ১৪ শতাংশ জমি। পরের বছরের ডিসেম্বরে তাঁদের বাবা সামসুর রহমান খানের ‘নকশী’ বাড়িতে সাইনবোর্ড টাঙান তিনি। সেখানে জমির পরিমাণ ১০ শতাংশ। দলিলপত্রে দেখা যায়, সাজ্জাদুর ও হাফিজ ২০১২ সালে ৬০ লাখ টাকা মূল্যে সাব-কবলায় এই জমি কেনেন। আর ‘নকশী’ বাড়িটি কেনাবেচা হয় ২০১১ সালে। নগদ ৩৮ লাখ টাকায় এই বাড়ি বায়না রেজিস্ট্রি হয় সামসুর রহমানের নামে। নকশীর বিক্রেতা শহরের বাসিন্দা জামাল আফরোজ আর পাশের ১৪ শতাংশ জমির বিক্রেতা ইকবাল আফরোজ ও জামাল আফরোজ। তাঁরা দুই ভাই। ২০১২ সালে কেনা সাজ্জাদদের জমিটি সুলতান মৃধা দখল করেন ২০১৪ সালের ১১ নভেম্বর। সাইনবোর্ড ঝোলান তাঁর স্ত্রী সাংসদ লুৎফুন নেছার নামে। কাগজপত্রে দেখা যায়, এই দখলদারির জন্য ইকবাল ও জামালের আরেক ভাই কামাল আফরোজের কাছ থেকে সুলতান মৃধা একটি আমমোক্তারনামা নেন। বায়না রেজিস্ট্রির চার বছর পর করা এই আমমোক্তারনামা নিয়ে আইনি প্রশ্ন উঠেছে। আবার ওই মোক্তারনামার অন্যতম সাক্ষী তাঁর স্ত্রী লুৎফুন নেছা। বায়না রেজিস্ট্রি দলিল ও এ-সম্পর্কিত নথিপত্রে দেখা যায়, ‘নকশী’ নামের একটি পুরোনো দালানঘরসহ ১০ শতাংশ জমির দর ঠিক হয় ৪৬ লাখ টাকা। এর মধ্যে বায়না রেজিস্ট্রির দিন ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধ করেন সামসুর রহমান। বাকি থাকে ৮ লাখ টাকা। ইতিমধ্যে সামসুর রহমান খবর পান, এই জমির অনুকূলে মালিক জামাল আফরোজ হাউস বিল্ডিং ফাইন্যান্স করপোরেশন (এইচবিএফসি) থেকে ৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলেন, যা সুদে-আসলে ৮ লাখ ৬৭ হাজার টাকা হয়েছে। ঋণের কিস্তি নিয়মিত পরিশোধ না করায় এইচবিএফসি জমির মূল দলিলের জন্য জামালকে নোটিশ দেয়। জমি রক্ষায় ক্রেতা সামসুর রহমান এইচবিএফসির চাহিদামতো ৯ লাখ ৫১ হাজার টাকা পরিশোধ করেন। এরপরও সামসুর রহমানকে জমির মূল দলিল বুঝিয়ে দেননি জামাল আফরোজ। এই পর্যায়ে আইনজীবীর পরামর্শে সামসুর রহমান আরও ৮ লাখ টাকা আদালতে জামাল আফরোজের অনুকূলে জমা দেন। এই নিয়ে আদালতে মামলা চলছে। দুই পক্ষের মামলা-মোকদ্দমার ভেতরে ২০১৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর সুলতান মৃধা দলবল নিয়ে ‘নকশী’ ভবনসহ জমির দখল নিতে প্রথমে ‘ক্রয়সূত্রে মালিক’ ও পরে ‘বায়নাসূত্রে মালিক’ দাবি করে সাইনবোর্ড টাঙান। এ নিয়ে মামলা হলে সুলতান আদালতে একটি আমমোক্তারনামা দেন। তাতে দেখা যায়, বায়না রেজিস্ট্রির চার বছর পর ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর জামাল আফরোজ এই জমির আমমোক্তারনামা দেন সুলতান মৃধাকে। পরে এই জমি গত বছরের ১৯ অক্টোবর স্ত্রী লুৎফুন নেছার নামে দলিল করে দেন সুলতান। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সুলতান মৃধা বলেন, ‘ওরা তো বিএনপি করে। তাই আমার বিরুদ্ধে জমি দখলের এই অপপ্রচার। জমি নিয়ে মামলা চলছে। আমি নিশ্চিত ওরা ঠকবো। এরপরও আমাদের আইনজীবী সমঝোতার প্রস্তাব দিয়েছে। কিন্তু ওরা রাজি না। এখন ওরা যদি কোর্টে পায়, আমার কোনো আপত্তি নেই।’ সামসুর রহমান খানের স্ত্রী সালেহা বেগম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমার স্বামী তাঁর উপার্জনের সবটুকু দিয়ে জায়গাটি কিনেছেন। আমার দুই ছেলে দেশের সেবা ও নিরাপত্তায় নিয়োজিত। কোনো দিন ভাবিনি এমন অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হব।’
যুধিষ্ঠির সাহার জমিতে ভবন নির্মাণ
পটুয়াখালী শহরের লোহালিয়া নদীর পাড়ঘেঁষা পুরান বাজার এলাকায় ৫০ শতাংশ জমি নিয়ে ১৯৯৪ সাল থেকে সরকারের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দা যুধিষ্ঠির চন্দ্র সাহার মামলা চলছে। ২০১৫ সালে হঠাৎ যুধিষ্ঠিরের বসতঘরের সামনের ওই জায়গা দখল করে সীমানাপ্রাচীর দেন সুলতান মৃধা। অথচ সরকারের সঙ্গে লড়ে হাইকোর্টের রায়ে যুধিষ্ঠির সাহা জায়গার মালিকানা পান। সরেজমিনে দেখা যায়, ওই জায়গায় সুলতানের ডুপ্লেক্স বাড়ির নির্মাণ প্রায় শেষ পর্যায়ে। যুধিষ্ঠির সাহা জে এল মৌজার ৬৯ শতাংশ জমির পৈতৃকসূত্রে মালিক। যুধিষ্ঠিরের বাড়ির সরু গলির ওপাশে সুলতান মৃধার বাড়ি। কথা বলে জানা গেছে, একসময় ভাঙনে যুধিষ্ঠির সাহার জমির বেশ কিছু নদীতে চলে যায়। পরে চর জাগলে যুধিষ্ঠির তা দখলে নেন। সরকারের ভূমি অফিস ওই জমি খাস বলে দাবি করে মামলা করে। ২০০১ সালে পটুয়াখালীর জেলা জজকোর্টের রায়ে যুধিষ্ঠির হেরে যান। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টে যান তিনি। ২০১৪ সালে হাইকোর্ট যুধিষ্ঠির সাহার পক্ষে রায় দেন। এর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে জমির ওপর স্থিতাবস্থার আবেদন করে সরকারপক্ষ, যা শুনানির অপেক্ষায় আছে। যুধিষ্ঠির বনাম সরকারের মধ্যকার মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় সুলতান মৃধা কী করে এলেন? এমন প্রশ্নের জবাবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে যুধিষ্ঠির সাহার পরিবারের একজন সদস্য প্রথম আলোকে বলেন, রাস্তায় ছিনতাই, ডাকাতি হয় কীভাবে? এই জমি দখলেও ঠিক তাই হয়েছে, বুকে পিস্তল ধরা হয়েছে। সুলতান মৃধা এই অভিযোগ অস্বীকার করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘ওইটা আমার জমির মুখসা (সামনে)। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। এই জমি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে তো তাদের কোনো কমপ্লেইন নাই।’ এই দখলি জমির পাশে লোহালিয়া নদীর বেড়িবাঁধ ঘেঁষে আরেকটি দোতলা ভবন করেছেন সুলতান মৃধা। এটিও করেছেন সরকারি ২০ শতাংশ জমি দখল করে। শহরের পালবাড়ির দরজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের জায়গা দখলেরও অভিযোগ আছে সুলতানের বিরুদ্ধে।
ইটভাটায় জমি দখল
‘এমএল কোং ব্রিকস’ নামে শহরের টাউন জৈনকাঠি এলাকায় ইটভাটা করেছেন সুলতান মৃধা। স্ত্রী লুৎফুন নেছার নামে এই ইটখোলা শুরুর সময় জমি ছিল ৩০০ শতাংশ, এখন তা বেড়ে ৫৫০ শতাংশ হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই ইটখোলার আকার বাড়াতে দখল হয়ে গেছে জৈনকাঠির সৈয়দ মহসীন, সৈয়দ মকসুদ, সৈয়দ হানিফ, দুলাল হাওলাদার, আলী আকবর, সুলতান খন্দকার, রহমান গাজী, জয়নাল আবেদীন মাস্টার, সৈয়দ আনোয়ার হোসেন মাস্টার, শাহিদা বেগমসহ অনেকের জমি। ইটভাটায় চাপা পড়েছে কারও ২০ শতাংশ, কারও ৬০ শতাংশ। কারও ১২ কাঠা, কারও ১৭ কাঠা জমি। কিন্তু কেউ ভয়ে মুখ খুলতে চান না। জানতে চাইলে সুলতান মৃধা বলেন, ‘এসব কথা কোত্থেকে আসে? মানুষ আমাকে ভয় করে না, ভালোবাসে। আমি উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলাম, পৌরসভার চেয়ারম্যান ছিলাম। কখনো চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, ক্ষমতার অপব্যবহার করিনি।’ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগীদের একজন প্রথম আলোকে বলেন, ইটভাটায় তাঁর ১২ কাঠা জমি আছে। এর পরিবর্তে সুলতান মৃধা তাঁকে আরেক জায়গায় ৭ কাঠা জমি দিয়েছেন। আরেক ভুক্তভোগী পাভেল বলেন, ইটভাটার জন্য তাঁর ছোট মা শাহিদা বেগমের কাছ থেকে ১৭ কাঠা জমি নেন সুলতান। এর দাম ধরেন সাড়ে ৩ লাখ টাকা। ১ লাখ ৯০ হাজার টাকা দিয়ে জমি দখলে নেন। বাকি টাকার খবর নেই। সুলতান মৃধা বলেন, ‘কেউ তো কোনো দিন কমপ্লেইন করেনি। কমপ্লেইন থাকলে এত দিনে দুই-তিনটা মামলা হতো না? আপনি এলাকায় যাইয়া যদি প্রমাণ পান, তাহলে লেইখ্যা দেন।’ একবার পৌর এলাকা থেকে ইটভাটা সরানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। ওই সময় ইটভাটা সরাতে লোহালিয়ার শৌলা গ্রামের শামসুল হক, আবদুল খালেক ও শাহজাহানের কাছ থেকে দেড় একর করে সাড়ে চার একর জমি নেন সুলতান মৃধা। দাম ধরেন ২৪ লাখ টাকা। এর মধ্যে শাহজাহানকে ৩ লাখ টাকা, আবদুল খালেককে ২ লাখ এবং শামসুল হককে ১ লাখ টাকা দিয়ে জমি দখলে নেন। বকেয়া টাকা আর দিচ্ছেন না। জানতে চাইলে সুলতান মৃধা বলেন, ‘শৌলার জমির দখল তারাই দিয়েছে। এসব জমির কাগজপত্র ঠিক নেই। আমি বলেছি, যদি কাগজপত্র ঠিক করে দিতে না পারো, আমার টাকা দিয়ে দেবা। আর তোমরা জমি নিতে চাইলে দিয়ে দেব।’
মাদ্রাসার ৫০ বছরের পুরোনো জমি দখল
পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া মৌজায় ১৪ একর ২ শতাংশ জমির মালিক স্থানীয় জলিশা-জাটরা হাসানীয়া সিনিয়র দ্বিমুখী মাদ্রাসা। ১৯৬৩ সালে এই জমি মাদ্রাসার নামে কবলা করে দেয় কলাপাড়ার বাসিন্দা মোজাম্মেল হক মুন্সী গং। ৪৭ বছর পর ২০০৯ সালে জমির দখল হারায় মাদ্রাসা। সেখানেও আছে সুলতান মৃধার নাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে এবং দলিলপত্রে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের গত আমলে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী থাকার সময় কলাপাড়া-রাঙ্গাবালী আসনের সাংসদ মাহবুবুর রহমান ওই জমির মধ্য থেকে ৮ একর জমির দলিল (নম্বর ৪৭৮০) করেন। ২০০৯ সালের ১০ জুলাই এই দলিল সম্পাদিত হয়। বাকি ৬ একরের মধ্যে কলাপাড়া ভূমি অফিসের তৎকালীন নাজির রফিকুল ইসলাম ১ একর ৬২ শতাংশ এবং টিয়াখালীর গাজী আব্বাস উদ্দিন ও প্রতিমন্ত্রীর ভাগনি জামাই আবু সালেহ ৪ একর ৩৬ শতাংশ জমি নেন। দলিলে চিনথাউ নামের এক ব্যক্তিকে মালিক দেখানো হয়। পরে আব্বাস উদ্দিনের কাছ থেকে ২ একর ৭০ শতাংশ জমির দলিল করেন সুলতান মৃধা। কাগজপত্রে দেখা যায়, এই জমির কিছু অংশ নিজের ও মেয়ে সামিমা নাসরিনের নামে রেখে বাকি অংশ শামীম হাসনাইন নামের এক ব্যক্তি এবং কিছু অংশ বরিশালের বিএনপি-সমর্থিত মেয়র আহসান হাবিব কামালের ছেলে মো. কামরুল আহসানের নামে দলিল করেন। এই জমিতে তিনি প্রথমে নিজের নামে সাইনবোর্ড টাঙান। সম্প্রতি সাইনবোর্ড পাল্টিয়ে আবুল হোসেন রনির নাম দেওয়া হয়। জমি বেদখল হওয়ার পর মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আলী আজম নুরুদ্দীন ও শিক্ষক আবুল কালাম মুন্সী পটুয়াখালীর সহকারী জজ আদালতে আবু সালেহ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। আদালত ২০১৫ সালে মাদ্রাসার পক্ষে রায় দিয়ে জমির ওপর স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা দেন। আবু সালেহরা জজকোর্টে আপিল করেন। আদালত ২০১৬ সালে তাঁদের আপিল খারিজ করে নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখেন। এরপরও বিবাদীরা জমি জবরদখল করে চাষাবাদ করছেন। জানতে চাইলে ইটবাড়িয়া মৌজায় ২ একর ৭০ শতাংশ জমির এক-চতুর্থাংশ নিজের নামে থাকার কথা স্বীকার করেন সুলতান মৃধা। তাঁর দাবি, এই জমি তিনি কাগজপত্র অনুসারে কিনেছেন। মিউটেশনের পরে এই জমির দলিল হয়েছে। বিএনপির নেতা আহসান হাবিব কামালের ছেলের নামে জমির দলিল করার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘আওয়ামী লীগ করি বলে কি বিএনপিতে আমাদের বন্ধুবান্ধব-শুভাকাঙ্ক্ষী থাকতে পারে না?’
সওজের জায়গায় ফিলিং স্টেশন
পটুয়াখালীর রজপাড়ায় ছেলের নামে ‘পলাশ ফিলিং স্টেশন’ করছেন সুলতান মৃধা। এই ফিলিং স্টেশনের অধিকাংশ জমি সড়ক ও জনপথ (সওজ) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের বলে জানা গেছে। এর পাশেই আছে সুলতানের ৬২ শতাংশ জমি। এটি নিয়েছেন খুকুমণি নামে একজনের কাছ থেকে। জানতে চাইলে ফিলিং স্টেশনে সওজের কিছু জায়গায় থাকার কথা স্বীকার করেন সুলতান মৃধা। তবে তিনি দাবি করেন, সড়ক ও জনপথ কর্তৃপক্ষের কাছে তাঁদের জায়গা ব্যবহারের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছেন। এটি অনুমোদনের প্রক্রিয়া চলছে। পায়রা বন্দর এলাকায়ও সুলতান মৃধা জমি নিয়েছেন। বন্দরের সীমানা লাগোয়া একটি সাইনবোর্ডে সুলতান আহমেদ মৃধাসহ আটজনের নাম আছে। এটি টিয়াখালী মৌজায়। এই সাইনবোর্ডে জমির পরিমাণ ১০ একর বলে উল্লেখ আছে। কলাপাড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্র জানায়, উপজেলার ইটবাড়িয়া মৌজায় তাদের ৫১ একর ৬২ শতাংশ এবং টিয়াখালী মৌজায় ৩০ একর ৯ শতাংশ জমি আছে। পায়রা বন্দরের পাশে টিয়াখালী মৌজায় ঠিকাদার মহিউদ্দিন ও সুলতান মৃধাদের দখলে পাউবোর জমিও আছে। পটুয়াখালী-কুয়াকাটা মহাসড়কের রজপাড়ায়ও সুলতান মৃধার জমি আছে। সেখানে একটি সাইনবোর্ডে সুলতানসহ তিনজনের নামে ৮ একর জমির তথ্য রয়েছে। এতে রজপাড়ার শাহজাহান মিয়ারও ১৫৬ শতাংশ জমি আছে। গত বছর তিনি এই জমি বিক্রি করেন। বর্তমানে এই জমির বাজারদর দেড় কোটি টাকার ওপরে। জানতে চাইলে ক্ষোভ প্রকাশ করে শাহজাহান মিয়া প্রথম আলোকে বলেন, ‘ও তো (সুলতান মৃধা) একটা ডাকাত। আমাকে মাত্র ১৫ লাখ টাকা দিয়ে জমির দলিল নিয়ে গেছে। আমি তাঁকে জমির জমাখারিজ পর্যন্ত করে দিয়েছি। এখন আর তাঁকে পাই না।’ অবশ্য সুলতার মৃধার দাবি, শাহজাহান মিয়া আর ২ লাখ টাকা পাবেন। তাঁর জমি কম আছে। জমি বুঝিয়ে দিলে টাকা দিয়ে দেবেন।
কাঠপট্টিতে সরকারি জমি দখল
পটুয়াখালী শহরের পুরান বাজারের কাঠপট্টিতে সরকারি জমি দখল করে একটি টিনের ঘর করেছেন সুলতান মৃধা। এটি দেখভাল করেন আবুল বাশার নামে তাঁর কাছের এক ব্যক্তি। এই টিনের ঘরের পাশে পৌরসভার ড্রেন, তার পাশে জিন্নাত আলী গাজী জামে মসজিদ। গত বছর মসজিদের সীমানায় সুলতান মৃধার নামে সাইনবোর্ড টাঙানো হলে এলাকায় প্রতিক্রিয়া হয়। পরে জেলা প্রশাসন সাইনবোর্ড উচ্ছেদ করে। সুলতান মৃধা বলেন, ‘ওইটা আমার নলেজে নেই। সাইনবোর্ড কে দিয়েছে, তা-ও আমি জানি না।’ স্বামীর বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সাংসদ লুৎফুন নেছা প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজনীতি করতে গেলে পেছনে শত্রু থাকে। আমার সাহেব ভালো মানুষ। নেত্রী আমাকে এমপি করেছেন, মানুষ খুশি হয়েছে। আমি তার মর্যাদা রাখছি।’ অবশ্য জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শাহজাহান মিয়া বলেন, ‘যাঁর বিরুদ্ধে (সুলতান মৃধা) দুর্নীতির সাতটি মামলা আছে। সব মামলায় চার্জশিটও হয়েছে। যিনি বিএনপি করেছেন, তাঁর বউকে কেন, কী কারণে নেত্রী এমপি বানাইছেন আমি জানি না। তাঁকে কেউ জীবনে কোনো দিন রাস্তায় মিছিল-মিটিংয়ে দেখেছে?’
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জেরুসালেম প্রশ্নে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক শুক্রবার

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্র নয় পাকিস্তানের নতুন মিত্র চীন-রাশিয়া

পার্স টুডে
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ইসলামের নবী কখনো কাউকে আঘাত করেননি। তিনি এসেছিলেন মানুষের মুক্তির জন্য। গতকাল বুধবার কলকাতায় যুব তৃণমূলের আয়োজনে বাবরী মসজিদ ধ্বংসের ২৫তম বার্ষিকীতে ‘সংহতি দিবস’ পালনের সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। মমতা বলেন, ‘বিশ্বনবী (সা:) দিবস পালিত হলো ক’দিন আগে। তিনি কী বলেছেন? তাঁকে যখন আহত করা হয়েছে, তিনি বলেছেন, আমাকে আঘাত করেছে বলে আমি কাউকে আঘাত করব না। আমি অভিশাপ দিতে পৃথিবীতে আসিনি। আমি মানুষকে মুক্তি দিতে এসেছি। আমি মানুষকে রা করতে এসেছি। আমি মানুষকে রা করতে এসেছি। এটি আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। মমতা বলেন, ‘আমি সব ধর্মকে ভালোবাসী ও বিশ্বাস করি। যতণ জীবন থাকবে সব ধর্মের জন্য লড়াই করে যাব।’ ‘সব ধর্মের মানুষের জন্য লড়াই করাই আমার জীবনের সংগ্রাম, শুরু ও শেষ। এটিই আমার ভাষা এবং প্রত্যাশা।’ মমতা বলেন, ‘ভারতে বৈচিত্র্যের মধ্যে রয়েছে ঐক্য। ‘নানা ভাষা, নানা মতের মধ্যেই মহান ঐক্য নিয়ে আমরা বাঁচব। এটাই আমাদের শপথ, এটিই আমাদের অঙ্গীকার।’ মমতা মতাসীন কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকারের বিভিন্ন পদপে ও চলমান অসহিষ্ণুতার তীব্র সমালোচনা করেন। বিজেপিকে কটা করে তিনি বলেন, ‘কেন্দ্রীয় সরকার তার নিজ চেয়ারের মর্যাদা দিতে ব্যর্থ, তারা নাকি বাংলাকে পথ দেখাবে! তিনি কেন্দ্রীয় সরকারকে উদ্দেশ করে বলেন, ওরা জানে না, বাংলা ‘ডিভাইড অ্যান্ড রুল’ সমর্থন করে না।’ মমতা বলেন, ‘কে কী খাবেন তা কি ওরা ঠিক করে দেবেন? পাঞ্জাবিরা কী খাবেন তা কি ওরা ঠিক করে দেবেন? মুসলিম ভাইবোনেরা কী খাবেন তা কি ওরা ঠিক করে দেবেন? হিন্দু ভাইবোনেরা কী খাবেন তা কি ওরা ঠিক করে দেবেন? যার যা ইচ্ছা তা খাবেন।’
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঈশ্বরগঞ্জে অতিথি পাখিতে মুখরিত নদী অববাহিকা

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যথিত হৃদয়ে ইন্দোনেশিয়া ফিরে যাচ্ছেন সেই তরুণী

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চান্দিনায় নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার

About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিলুপ্তির পথে ইউনেস্কো স্বীকৃত সিলেটের শীতলপাটি

পাটির হাট : বিভিন্ন বাড়ি থেকে তৈরি পাটি পুরুষ সদস্যরা বাজারে বিক্রির জন্য নিয়ে যান। উপজেলার প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী দাসেরবাজারে নানা জাতের পাটির বিশাল হাট বসে প্রতি বৃহস্পতিবার ও রোববার। একসময় এ বাজারে সাপ্তাহিক হাটের ২ দিনে পাইকারি ও খুচরা মিলে দেড় থেকে দুই লাখ টাকার পাটি বিক্রি হতো। এখন সেই পরিমাণ বিক্রি হয় না। দাসেরবাজার ছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন বাজারে ফেরি করে বিচ্ছিন্নভাবে পাটি বিক্রি করেন অনেকেই। এ ব্যাপারে বড়লেখা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুহেল মাহমুদ বুধবার রাতে জানালেন, সরকার শিল্পবান্ধব। এই শিল্প একটি হস্তশিল্প। এটির বাজারজাতকরণ একটি চ্যালেঞ্জ। আমরা সেটি করতে পারলে এখানে বিশাল কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। এদের সরকারি ক্ষুদ্র ঋণের আওতায় এনে পাটিশিল্পের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনার জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এদিকে জেলার রাজনগর উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নের ধুনিজুড়া; ফতেহপুর ইউনিয়নের বিলবাড়ি, তুলাপুর, আবদুল্লাপুর, জাহিদপুর; মুন্সিবাজার ইউনিয়নের মেদিনীমহল, জুগিকোণা, মুনিয়ারপাড়সহ বিভিন্ন গ্রামের শত শত পরিবার এ পেশায় যুক্ত ছিলেন। কিন্তু উপযুক্ত মূল্যের অভাব, বাজারজাতকরণের সমস্যা, মূলধনের ঘাটতি এবং মুর্তা বেতের অভাবে এখন আর আগের মতো পাটি বুনেন না এখানকার শিল্পীরা। তাই বাধ্য হয়েই অন্য পেশায় চলে যাচ্ছেন তারা। আমরা এই পেশা ছেড়ে জীবিকা নির্বাহের তাগিদে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার খরচ যোগাতে বর্তমানে শ্রমিকের কাজ করছি।
শীতলপাটির জন্য বিখ্যাত রাজনগর উপজেলার ধুনিজুড়ার শীতলপাটির কারিগর হরেন্দ্র দাশ জানান, আমি ২০১৩ সালে সরকারিভাবে জাপান থেকে শীতলপাটি তৈরির ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে এসেছি। একসময় গ্রামের শতাধিক পরিবারের আয়ের প্রধান উৎস ছিলো এ পাটি বুনন। বর্তমানে আমাদের গ্রামে হাতেগোনা কয়েকটি পরিবার কোনোভাবে টিকিয়ে রেখেছে এ ঐতিহ্যকে। তিনি আরও জানান, আমার পূর্বপুরুষরা এ কাজ করে গেছেন, তাই পেশা টিকিয়ে রাখতে আমাকেও এ কাজ করতে হচ্ছে। কিন্তু পরিশ্রম অনুযায়ী বাজারে উপযুক্ত মূল্য না পাওয়ায় এ কাজে আগ্রহ হারাচ্ছেন কারিগররা। তাছাড়া আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারণে মূলধনও বিনিয়োগ করতে পারেন না অনেকে। এমনকি ব্যাংক থেকে ঋণ পাওয়া যায় না। ফলে এ পেশা ছেড়ে ভিন্ন পেশার দিকে জড়াচ্ছেন অনেকেই। ধুনিজুড়া গ্রামের মিনতি দাশ জানান, বিয়ের পর শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের প্রায় সবাই এ কাজ করতেন। তাদের কাছ থেকে আমিও শিখেছিলাম। কিন্তু দীর্ঘদিন কাজ না করায় এখন প্রায় ভুলতে বসেছি পাটির বুনন। একই গ্রামের অরুণ দাশ জানালেন, ছেলেমেয়েরা এখন স্কুল-কলেজে পড়ছে। এটা শেখার প্রতি তাদেরও তেমন কোনো আগ্রহ নেই। শীতলপাটির জন্য এ গ্রামের সুনাম বর্তমান প্রজন্মের অধিকাংশের কাছেই অজানা। তাই এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে সরকারের এগিয়ে আসা উচিত বলে মনে করেন তিনি। স্থানীয় পাটিশিল্পীরা জানালেন, মুর্তা বেত দিয়ে তৈরি শীতলপাটির কদর ছিলো সব জায়গায়। একসময় সিলেট অঞ্চলের বিয়েতে সব সরঞ্জামের সঙ্গে একটি নকশি শীতলপাটি দেওয়ার রেওয়াজ ছিলো। বর্তমানে এ রেওয়াজটি আর নেই। রঙিন মিহি বেতে তৈরি পাটিতে মসজিদ-মন্দির, হাঁস-মুরগি, পাখি, বিড়াল, বক, হরিণের ছবিসহ বিভিন্ন শৈল্পিক নকশা তোলা হতো। কারিগররা আরও জানান, একটি সাধারণ পাটি বুনতে সময় লাগে ১০-১৫ দিন। পাটি বিক্রি করতে হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ৩ হাজার টাকায়। আর উন্নত মানের পাটি বুনতে সময় লাগে দেড়মাস। এটি বিক্রি করতে হয় ৫ থেকে ১০ হাজার টাকায়। শীতলপাটি শিল্প পরিষদের সভাপতি বেনু ভূষণ দাশ জানান, বর্তমানে স্থানীয় বাজারে এ পাটির তেমন চাহিদা নেই।
About: NewsCTG desk
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1384)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
-
▼
2017
(8870)
-
▼
December
(1121)
-
▼
Dec 07
(51)
- জেরুজালেম নিয়ে এত বিরোধ কেন? by মাহমুদ ফেরদৌস
- ইসরাইলের বিরুদ্ধে ইনতিফাদা’র ঘোষণা হামাসের, শুক্রব...
- বিশ্ব সম্প্রদায়ের আহ্বান অগ্রাহ্য করে ট্রাম্পের ঘো...
- ‘আগুন নিয়ে খেলছেন ট্রাম্প’
- নয়া বিশ্বব্যবস্থার পদধ্বনি : নেতৃত্বে রাশিয়া, তুরস...
- সন্ধ্যায় চীনা প্রতিনিধিদলের সাথে খালেদার বৈঠক
- নিরাপত্তা চাওয়ায় ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
- রসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই: সিইসি
- নদীতে নামলেই কঙ্কাল!
- নাইকোর সঙ্গে চুক্তি অবৈধ : শুনানি ১১ জানুয়ারি
- ডিনসহ দুই শিক্ষক পরীক্ষার কার্যক্রমে ১০ বছর বহিষ্কার
- রসিক নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের দাবি বিএনপির
- মহিলা আ’লীগ নেত্রীকে কুপিয়ে জখম
- মোমিন হত্যা: ২ আসামির মৃত্যুদণ্ড বহাল
- যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশে নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
- লাভ জিহাদের অভিযোগে পুড়িয়ে মারা হল যুবককে
- মোবাইল ফোনে আর্থিক সেবা নেওয়ায় নারীরা পিছিয়ে
- কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশ কমেছে
- মূল্য সংবেদনশীল তথ্য নেই বিএটিবিসির
- এবার ট্রাম্পের জবাবের পালা
- ৩ বছরের মধ্যে সমাধানে জোর দিয়ে প্রস্তাব গ্রহণ
- একটি অস্ত্রও উদ্ধার হয়নি
- বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ
- ‘ভেজাল সুলতান’
- জেরুসালেম প্রশ্নে জাতিসঙ্ঘ নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠক ...
- যুক্তরাষ্ট্র নয় পাকিস্তানের নতুন মিত্র চীন-রাশিয়া
- ঈশ্বরগঞ্জে অতিথি পাখিতে মুখরিত নদী অববাহিকা
- ব্যথিত হৃদয়ে ইন্দোনেশিয়া ফিরে যাচ্ছেন সেই তরুণী
- চান্দিনায় নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার
- বিলুপ্তির পথে ইউনেস্কো স্বীকৃত সিলেটের শীতলপাটি
- ৩১.৯% মানুষ মুসলিম, আমি না দেখলে তাদের কে দেখবে : ...
- 'বিজেপির পরীক্ষা-নিরীক্ষার ল্যাবরেটরি গুজরাট'
- সরকারের পায়ের নিচে মাটি নেই : মির্জা ফখরুল
- তিন মাসে রাজধানীতে ১৩ জন ‘নিখোঁজ’ : গ্রেফতার ও ফে...
- রাঙ্গামাটিতে চলছে যুবলীগের ডাকা হরতাল
- সাগর উত্তাল, ১ নম্বর সতর্কসংকেত
- পরাজয় মেনে নেয়ার আগাম অঙ্গীকার
- আশুলিয়ায় বাসচাপায় দম্পতি নিহত
- নব্য জেএমবির উত্তরবঙ্গের সামরিকপ্রধানসহ গ্রেফতার ৪
- টুইটের রাজা ট্রাম্প-মোদি
- জাপান উপকূলে ভেসে আসছে ‘ভুতুড়ে জাহাজ’
- চাঁদে রোবট স্টেশন করবে চীন
- নিজের স্ত্রী-কন্যাকে ‘ভারতে পাচার’
- আ’লীগ-জাতীয় পার্টিতে প্রার্থী জট বিএনপিতে দুলুর পা...
- ‘সিদ্দিক হত্যার নির্দেশদাতা প্রবাসী ছাত্রদল নেতা’
- প্রগতি সরণিতে গ্যাস সিলিন্ডার গুদামে আগুন
- উখিয়ায় ড্রোনসহ ৪ তুরস্ক নাগরিক আটক, মুচলেকা দিয়ে ম...
- বাসায় যাওয়া ৩ যুবক ছিল মুখোশধারী
- ক্ষতিপূরণ ঠেকাতে দুই মন্ত্রীর সঙ্গে নেতাদের বৈঠক
- ফুঁসছে ফিলিস্তিন
- জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দিচ্ছেন ট্রাম্প, কঠোর পরিণতির...
-
▼
Dec 07
(51)
-
▼
December
(1121)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
