Tuesday, September 24, 2024
আবু সাঈদের শরীরে মিলেছে শর্টগানের গুলির চিহ্ন: আড়াই মাস পর তদন্ত রিপোর্ট
আবু সাঈদ রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।
গত ১৬ জুলাই দুপুরে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে পার্ক মোড়ে পুলিশের গুলিতে নিহত হন আবু সাঈদ। আন্দোলনের সময় পুলিশের তাক করা অস্ত্রের বিপরীতে বুক পেতে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি। ওই সময় পুলিশ সদস্যরা হঠাৎ তার দিকে গুলি ছুড়তে শুরু করে। তখন সাঈদের হাতে একটি লাঠি ছিল, যা দিয়ে তিনি গুলি ঠেকানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হয়েছিলেন।
এ ঘটনার পর একটু পিছিয়ে তিনি সড়কের বিভাজক পার হন এবং হঠাৎ মাটিতে বসে পড়েন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তার মৃত্যু হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে নিরস্ত্র আবু সাঈদের পুলিশ কর্তৃক গুলিবিদ্ধ হওয়ার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সারা দেশে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে সোচ্চার হন বহু মানুষ, যাতে কোটা সংস্কার আন্দোলন আরও গতিশীল হয়। ওই আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্কারে ভারতের বাজি ‘লাপাতা লেডিজ’
সূত্র : এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারের পাশে থাকার কথা জানালেন সেনাপ্রধান, সংস্কারে সরকারকে সহযোগিতা যেন ১৮ মাসের মধ্যে নির্বাচন হতে পারে
ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পর ক্ষমতায় আসা অন্তর্বর্তী সরকারকে গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার সম্পন্ন করতে সহায়তা দেয়ার বিষয়ে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি। রয়টার্স লিখেছে, আগষ্টের শুরুর দিকে জেনারেল ওয়াকার উজ জামান এবং তার বাহিনী ছাত্রদের নেতৃত্বে প্রতিবাদ বিক্ষোভের মধ্যে শেখ হাসিনার পাশ থেকে সরে দাঁড়ান। এতে ১৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর বর্ষীয়ান এই রাজনীতিকের পরিণতি নির্ধারণ হয়ে যায়। তিনি পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান। সোমবার রাজধানী ঢাকায় নিজের অফিসে রয়টার্সকে এই সাক্ষাৎকার দেন সেনাপ্রধান। সেখানে তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে পরিচালিত অন্তর্বর্তী প্রশাসনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন আছে তার। একই সঙ্গে সামরিক বাহিনীকে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত করার রূপরেখার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।
ড. ইউনূসের উদ্দেশে সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বলেন, আমি তার পাশে থাকবো। তাতে যা হবার তাই হোক। এ জন্য তার পাশে থাকব যেন তিনি তার মিশন সম্পন্ন করতে পারেন।
উল্লেখ্য, বিশ্বজুড়ে নন্দিত ক্ষুদ্রঋণ আন্দোলনের প্রবক্তা ড. ইউনূস ১৭ কোটি মানুষের এই দেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের পথ তৈরি করতে বিচারবিভাগ, পুলিশ এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে অত্যাবশ্যকীয় সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার মাত্র কয়েক সপ্তাহ আগে দায়িত্বে আসা সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামান বলেন, এসব সংস্কারের পর দেড় বছরের মধ্যে গণতন্ত্রে উত্তরণ করা উচিত। এক্ষেত্রে তিনি ধৈর্য্য ধরার উপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, যদি আপনি আমাকে প্রশ্ন করেন, তাহলে বলবো ওটাই টাইমফ্রেম হতে পারে, যে সময়ের মধ্যে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করা উচিত আমাদের।
প্রতি সপ্তাহেই প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস এবং সেনাপ্রধান ওয়াকার উজ জামানের মধ্যে সাক্ষাৎ হচ্ছে। তাদের মধ্যে ‘খুব ভালো সম্পর্ক’ আছে। সেনাপ্রধান বলেন, টালমাটাল অবস্থার পর দেশে স্থিতিশীলতা আনার জন্য সরকারের প্রচষ্টায় সমর্থন আছে সেনাবাহিনীর। আমি নিশ্চিত যদি আমরা একসঙ্গে কাজ করি তাহলে আমাদের ব্যর্থ হওয়ার কোনো কারণ নেই।
রয়টার্স লিখেছে, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। ১৯৭৫ সালে শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দেশ সেনা শাসনে চলে যায়। ১৯৯০ সালে ক্ষমতাচ্যুত করা হয় সামরিক শাসক হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে। এর মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন করে দেশ। এসব টালমাটাল সময়ের মধ্য দিয়ে পেশাদার অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ওয়াকার উজ জামান। তিনি বলেছেন, তার নেতৃত্বে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী রাজনীতিতে হস্তক্ষেপ করবে না। তিনি বলেন, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্য ক্ষতিকর এমন কোনো কিছুই আমি করবো না। আমি একজন পেশাদার সেনা। সেনাবাহিনীতে আমার পেশাদারিত্বকে রক্ষা করবো।
শেখ হাসিনাকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার পর থেকে প্রস্তাবিত ব্যাপক সংস্কারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সেনাবাহিনীও তাদের কর্মকর্তাদের অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। এরই মধ্যে কিছু কর্মকর্তাকে শাস্তি দেয়া হয়েছে বলে জানান সেনাপ্রধান। তবে এ বিষয়ে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি। দীর্ঘমেয়াদে রাজনীতি থেকে সেনাবাহিনীকে দূরে রাখতে চান সেনাপ্রধান। এ বাহিনীতে আছেন কমপক্ষে এক লাখ ৩০ হাজার সদস্য। জাতিসংঘের শান্তিরক্ষী মিশনে তারা একটি বড় অংশ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কক্সবাজারে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে সেনা কর্মকর্তা নিহতঃ যা জানালো সেনাবাহিনী
তানজিম ছরোয়ার নির্জন নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চকরিয়া থানার ওসি মো. মনজুর কাদের ভুঁইয়া।
ওদিকে সেনা কর্মকর্তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
এরপর মঙ্গলবার দুপুরে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে বিষয়টি নিয়ে বলা হয়, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চকোরিয়া উপজেলার ডুলহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে ডাকাতির খবর পেয়ে চকোরিয়া আর্মি ক্যাম্প হতে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত সেখানে যায়। এরপর আনুমানিক ৪ টার দিকে ওই গ্রামে অভিযান পরিচালনা করার সময় ৭/৮ সদস্যের একটি ডাকাত দল সেনা টহল দলের উপস্থিতি টের পায়। তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) ডাকাত দলের কয়েকজনকে তাড়া করেন। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা তানজিম ছারোয়ার নির্জনের ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন। এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
কর্মকর্তা নিহত নিয়ে যা জানালো সেনাবাহিনী
কক্সবাজারের চকোরিয়ায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে এক তরুণ সেনা কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। মঙ্গলবার দুপুরে সেনাবাহিনীর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
ওই পোস্টে বলা হয়, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে চকোরিয়া উপজেলার ডুলহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া গ্রামে ডাকাতির খবর পেয়ে চকোরিয়া আর্মি ক্যাম্প হতে সেনাবাহিনীর একটি দল দ্রুত সেখানে যায়। এরপর আনুমানিক ৪ টার দিকে ওই গ্রামে অভিযান পরিচালনা করার সময় ৭/৮ সদস্যের একটি ডাকাত দল সেনা টহল দলের উপস্থিতি টের পায়। তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন (২৩) ডাকাত দলের কয়েকজনকে তাড়া করেন। এ সময় ডাকাত দলের সদস্যরা তানজিম ছারোয়ার নির্জনের ঘাড়ে ছুরিকাঘাত করলে গুরুতর আহত হন। এতে তার প্রচুর রক্তক্ষরণ শুরু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে মালুমঘাট মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
ওই পোস্টে আরও বলা হয়, লেফটেন্যান্ট তানজিম ছারোয়ার নির্জন টাঙ্গাইলের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মেধাবী এই তরুণ সেনা কর্মকর্তা পাবনা ক্যাডেট কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শেষ করেন। পরে ৮২তম দীর্ঘমেয়াদী কোর্সের সাথে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি হতে ২০২২ সালের ৮ জুন আর্মি সার্ভিস কোরে (এএসসি) কমিশন লাভ করেন।
ঘটনাস্থল থেকে ৩ জন ডাকাতকে আটকসহ ১টি দেশীয় তৈরি বন্দুক, ৬ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়। এছাড়া, ডাকাত সন্দেহে আরও ৩ জনকে আটক করা হয় বলে ওই পোস্টে বলা হয়।
পোস্টে আরও বলা হয়, দেশের সেবায় এই তরুণ সেনা কর্মকর্তার আত্মত্যাগ বাংলাদেশ সেনাবাহিনী গভীর শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করে। একইসঙ্গে সাথে তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কে এই অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে!
অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকের জন্ম ১৯৬৮ সালে গালেওয়েলাতে ২৪শে নভেম্বর। মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হন। সরকারি স্কুলে শিক্ষা গ্রহণ করেছেন। পদার্থবিজ্ঞানে আছে তার ডিগ্রি। ১৯৮৭ সালে যখন ইন্দো-শ্রীলঙ্কা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় প্রায় সে সময়ে তিনি ছাত্র হিসেবে প্রথম রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। ১৯৮৭ থেকে ১৯৮৯ পর্যন্ত জনতা বিমুক্ত পেরামুনা (জেভিপি) মার্কসবাদী রাজনৈতিক দলটি শ্রীলঙ্কা সরকারের বিরুদ্ধে সশস্ত্র বিদ্রোহ করে। এই দলের সঙ্গে পরে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে দিশানায়েকের। গ্রামীণ নিম্ন এবং মধ্যবিত্ত শ্রেণির তরুণদের মধ্যে অসন্তোষ থেকে এই বিদ্রোহের প্রচারণা শুরু হয়। এর ফলে রাজনৈতিক বিরোধী এবং নাগরিক উভয়ের বিরুদ্ধে তল্লাশি, হত্যা ও হামলা শুরু হয়। এতে হাজারো মানুষ প্রাণ হারান। ১৯৯৭ সালে জেভিপি’র কেন্দ্রীয় কমিটিতে নির্বাচিত হন দিশানায়েকে। ২০০৮ সালে এ দলের নেতা নির্বাচিত হন তিনি। তখন থেকেই তিনি তার দলের কথিত ‘সন্ত্রাসের সময়ের’ বিষয়ে ক্ষমা চাইতে থাকেন। ২০১৪ সালে বিবিসিকে এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ওই সশস্ত্র লড়াইয়ে ব্যাপক ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটা উচিত ছিল না। আমাদের হাতে যেসব ঘটনা ঘটেছে তার জন্য এখনো আমরা হতাশ। হতাশা প্রকাশ করি। এর জন্য আমরা সবসময় গভীর বেদনা ও শোক প্রকাশ করি। উল্লেখ্য, দিশানায়েকে বর্তমানে এনপিপি জোটের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। এতে তার দল জেভিপি’র আছে মাত্র তিনটি আসন। এবার নির্বাচনী প্রচারণার সময় দিশানায়েকে শ্রীলঙ্কার সাম্প্রতিক ইতিহাসের আরেকটি সহিংসতাকে সামনে আনেন। তাহলো ২০১৯ সালের ইস্টার সানডে বোমা হামলা। ওই বছর ২১শে এপ্রিল রাজধানী কলম্বোতে কতোগুলো চার্চে এবং আন্তর্জাতিক হোটেলে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। এতে কমপক্ষে ২৯০ জন নিহত হন। আহত হন কয়েক শত মানুষ। এটা শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ হামলা ছিল। কীভাবে এই হামলা হয়েছিল এবং নিরাপত্তার ব্যর্থতা নিয়ে তদন্তের জবাব ৫ বছর পরেও মেলেনি। তদন্তে বাধা দেয়ার জন্য অনেকে সাবেক প্রেসিডেন্ট গোটাবাইয়া রাজাপাকসের সরকারকে দায়ী করেছেন। সম্প্রতি বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে দিশানায়েকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে, নির্বাচিত হলে এই তদন্ত তিনি করাবেন। কর্তৃপক্ষ এটা করানো এড়িয়ে গেছে। কারণ, এতে তাদের নিজেদের দায় প্রকাশিত হয়ে পড়ার ভীতি ছিল তাদের মধ্যে। তিনি আরও বলেন, শ্রীলঙ্কার রাজনৈতিক অভিজাতদের কাছ থেকে এটা ছিল অন্যতম অপূর্ণ প্রতিশ্রুতি। তিনি আরও বলেন, রাজনীতিকরা দুর্নীতি বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়ে নিজেরাই দুর্নীতিতে যুক্ত হয়েছেন। শ্রীলঙ্কাকে ঋণের ফাঁদ থেকে মুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিলেও ঋণের বোঝা আরও বেড়ে পরিাস্থিতির অবনতি হয়েছে। যারা আইনকে শক্তিশালী করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, তারাই আইন ভেঙেছেন। এ জন্যই এ দেশের মানুষ ভিন্ন নেতৃত্ব প্রত্যাশা করে। আমরাই সেই দল, যারা এসব সেবা দিতে পারবো।
শনিবার শ্রীলঙ্কায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হয়। এর আগেই শক্তিশালী প্রার্থী হিসেবে উঠে আসেন দিশানায়েকে। দেশ জুড়ে তীব্র অসন্তোষ থাকার ভেতর দিয়ে তিনি নিজেকে পরিবর্তনের জন্য একজন প্রার্থী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। অর্থনীতি একেবারে ভেঙে পড়ার কারণে ২০২২ সালের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন সাবেক প্রেসিডেন্ট গোটাবাইয়া রাজাপাকসে ও প্রধানমন্ত্রী মাহিন্দ রাজাপাকসে সহ তার সরকারের কর্মকর্তারা। এর আগে বছরের পর বছর ট্যাক্সনীতি, দুর্বল রপ্তানি, পলিসিগত বড় ভুলের সঙ্গে কোভিড-১৯ মহামারি মিলিত হয়ে দেশটির বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শুকিয়ে ফেলে। সরকারি ঋণের পরিমাণ কমপক্ষে ৮৩০০ কোটি ডলারের বেশি হয়। মুদ্রাস্ফীতি শতকরা ৭০ ভাগের উপরে উঠে যায়। এর জন্য রাজাপাকসে ও তার সরকারকে দায়ী করা হয়। যদিও তার উত্তরসূরি প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে অর্থনৈতিক সংস্কার চালু করেন, মুদ্রাস্ফীতি কমিয়ে আনেন। শক্তিশালী করেন শ্রীলঙ্কান রুপি। ২০২২ সালের ভয়াবহ অর্থনৈতিক সংকট ও তার প্রেক্ষিতে যে অবস্থার সৃষ্টি হয়, তাতে দেশে ভিন্ন রাজনৈতিক নেতৃত্বের দাবি উঠতে থাকে। সেই দাবি পূরণে এগিয়ে আসেন দিশানায়েকে। তিনি বার বার বলেন, ক্ষমতায় এসে পার্লামেন্ট ভেঙে দেবেন। বিবিসিকে তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হওয়ার কয়েকদিনের মধ্যে তিনি এটা করতে চান। দিশানায়েকে যেসব নীতি গ্রহণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তা হলো দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা, বৃহত্তর কল্যাণমূলক স্কিম এবং ট্যাক্স কমানো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসন্তোষ কাটছেই না পোশাক শিল্পে
এদিকে রাজধানীর উত্তরায় বিজিএমইএ ভবনে দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জরুরি সাধারণ সভা শেষে বিজিএমইএ সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতির কাঙ্ক্ষিত উন্নতি হয়নি।
এখন বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিক অসন্তোষ চলছে। এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় কীভাবে শিল্পের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়; আর ক্রেতাদের দেয়া কথা রেখে কীভাবে সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা যায়; এই দুই বিষয়কে সামনে রেখেই আলোচনা করেন পোশাক শিল্পের উদ্যোক্তারা।
বৈঠকে পোশাক শিল্পখাতে বিদ্যমান অস্থিরতা ও সমস্যা নিরসনে সরকারের কাছে ১৮টি দাবি উত্থাপন করেছে শ্রমিক পক্ষ। এদের মধ্যে মজুরি বোর্ড পুনর্গঠন করে মজুরি পুনঃনির্ধারণ ও বাৎসরিক ন্যূনতম ১০ শতাংশ ইনক্রিমেন্টের (বেতন বৃদ্ধি) দাবি ছিল।
তবে সেই দাবি মেনে নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মালিকপক্ষ বিজিএমইএ। কারণ হিসেবে তারা বিদ্যুৎ ও গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, শিল্পের অক্ষমতা এবং উৎপাদনের খরচ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করেছে। এর আগে দুপুরে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক সভায় ১৮টি দাবি উত্থাপন করে শ্রমিক পক্ষ। এতে সভাপতিত্ব করেন শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব এ এইচ এম সফিকুজ্জামান।
শ্রমিকদের বাকি দাবিগুলো হলো- যেসব কারখানায় ২০২৩ সালে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি এখনো বাস্তবায়ন করা হয়নি তা দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে, শ্রম আইন সংশোধন করতে হবে, কোনো শ্রমিকের চাকরি ৫ বছর পূর্ণ হওয়ার পর চাকরি থেকে অব্যাহতি দিলে/চাকরিচ্যুত হলে একটি বেসিকের সমান অর্থ প্রদান করতে হবে, এর সঙ্গে সাংঘর্ষিক শ্রম আইনের ২৭ ধারাসহ অন্য ধারাসমূহ সংশোধন করতে হবে, সব প্রকার বকেয়া মজুরি অবিলম্বে পরিশোধ করতে হবে, হাজিরা বোনাস (২২৫ টাকা), টিফিন বিল (৫০ টাকা), নাইট বিল (১০০ টাকা) সব কারখানায় সমান হারে বাড়াতে হবে, সব কারখানায় প্রভিডেন্ড ফান্ড ব্যবস্থা চালু করতে হবে, বেতনের বিপরীতে বাৎসরিক ইনক্রিমেন্ট ন্যূনতম ১০ শতাংশ নির্ধারণ করতে হবে, শ্রমিকদের জন্য রেশনিং ব্যবস্থা চালু করতে হবে, বিজিএমইএ কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত বায়োমেট্রিক ব্ল্যাকলিস্টিং করা যাবে না; বায়োমেট্রিক তালিকা সরকারের নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে, সব প্রকার হয়রানিমূলক এবং রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার করতে হবে, ঝুট ব্যবসার আধিপত্য বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, কলকারখানায় বৈষম্যবিহীন নিয়োগ প্রদান করতে হবে, জুলাই বিপ্লবে শহীদ এবং আহত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ এবং চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে হবে, রানা প্লাজা এবং তাজরীন ফ্যাশনস দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের কল্যাণে তদন্তান্তে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে, শ্রম আইন অনুযায়ী সব কারখানায় ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করতে হবে, অন্যায্যভাবে শ্রমিক ছাঁটাই বন্ধ করতে হবে ও নারী শ্রমিকদের মাতৃত্বকালীন ছুটির মেয়াদ ১২০ দিন নির্ধারণ করতে হবে।
জানা গেছে, শ্রমিক অসন্তোষের জেরে সৃষ্ট অস্থিরতা কাটিয়ে ঢাকার আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি গত সপ্তাহ থেকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরলেও ২২শে সেপ্টেম্বর থেকে ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিকরা আবারো আন্দোলন শুরু করেন। শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার সারোয়ার আলম সর্বমোট ৫১ কারখানা বন্ধের বিষয়টি নিশ্চিত করেন। পুলিশ-শ্রমিক ও কারখানা কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আশুলিয়া-ডিইপিজেড-নবীনগর মহাসড়কের নরসিংহপুর এলাকায় ‘জেনারেশন নেক্সট’ নামে একটি পোশাক কারখানার সামনে কয়েক শতাধিক শ্রমিক সড়ক অবরোধ করেন।
শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় বন্ধ কারখানাগুলোর মধ্যে রয়েছে, এমএএম গার্মেন্টস লিমিটেড, নাসা গ্রুপ, নিউএইজ গ্রুপ, অনন্ত গ্রুপ, স্টারলিং স্টাইল, স্টারলিং ক্রিয়েশন, স্টারলিং অ্যাপারেলস, ব্যান্ডো ডিজাইন, এনভয় গ্রুপ, ভিনটেজ, জেনারেশন নেক্সটসহ ২৭টি কারখানা।
স্ববেতনে ছুটি আছে বা কাজ বন্ধ আছে কিংবা শ্রমিকরা চলে গেছে এমন কারখানার মধ্যে রয়েছে, আল মুসলিম অ্যাপারেলস, ট্রাউজার লাইন লিমিটেড, ফ্যাশন ফোরাম লিমিটেড, সাফা সোয়েটার, দ্য রোজ ড্রেসেস, প্রীতি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, এফএনএফ ট্রেন্ড ফ্যাশনসহ ১২টি কারখানা।
সূত্রটি জানায়, আশুলিয়া এলাকায় গতকাল মোট চালু কারখানার সংখ্যা ২৭২টি, আগস্ট মাসের বেতন পরিশোধ করেছে ২৬৭টি কারখানা এবং আগস্ট মাসের বেতন দিতে পারেনি ৫টি কারখানা।
বিজিএমইএ জানায়, সোমবার সাভার, আশুলিয়া ও জিরানি এলাকায় তাদের মোট চালু কারখানার সংখ্যা ৪০৭, বন্ধ রয়েছে ৩৯টি, গাজীপুরে খোলা রয়েছে ৮৭৬টি কারখানা বন্ধ রয়েছে ১০টি।
এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ এলাকায় ২০৯টি, ডিএমপি এলাকায় ৩০২টি এবং চট্টগ্রামে ৩৫০টি কারখানা চালু রয়েছে। যদিও এসব এলাকায় কোনো কারখানা বন্ধ নেই বলে জানিয়েছে বিজিএমইএ। আশুলিয়ার ডিইপিজেড, কাঠগড়াসহ অন্যান্য এলাকায় অবস্থিত কারখানাগুলোর উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।
এদিকে, শিল্প পুলিশ-১ এর পুলিশ সুপার মো. সারোয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, আশুলিয়া এলাকায় মোট ৫২টি কারখানায় উৎপাদন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এর মধ্যে ৪৩টি কারখানা শ্রম আইনের ১৩ (১) ধারায় এবং ৯টিতে সাধারণ ছুটি রয়েছে।
শিল্প পুলিশের ভাষ্যমতে, শিল্পাঞ্চলের বিভিন্ন কারখানায় শ্রমিকরা নতুন করে ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা করাসহ বিভিন্ন দাবিতে আন্দোলন শুরু করলে রোববারই শ্রমিকদের আন্দোলনের মুখে বেশ কিছু কারখানা কর্তৃপক্ষ কারখানা ছুটি ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। অনেক কারখানার শ্রমিকরা কাজ বন্ধ করে কারখানা থেকে বেরিয়ে যান।
সাভারের স্টাফ রিপোর্টার জানান: সাভারের আশুলিয়ায় বকেয়া বেতন পরিশোধ ও বন্ধ কারখানা চালু করার দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করে একটি তৈরি পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের নরসিংহপুর এলাকায় এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে জেনারেশন নেক্সট গার্মেন্টসের শ্রমিকেরা। এক ঘণ্টা পর সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেন। সম্প্রতি টানা দুই সপ্তাহের অধিক সময় ধরে চলা শ্রমিক অসন্তোষ কাটিয়ে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের পোশাক কারখানাগুলো সচল হয়েছিল। বেশ কয়েকদিন শান্ত থাকার পর ফের শ্রমিক বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ায়।
এর আগে রোববার আশুলিয়ার বিভিন্ন তৈরি পোশাক কারখানায় ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা, হাজিরা, টিফিন, নাইট বিল বৃদ্ধির বাস্তবায়ন ও কারখানা কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ঘোষণাসহ নানা দাবিতে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। এ ঘটনার পর সোমবার শ্রম আইন-২০০৬ এর ১৩(১) ধারায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ৪৩টি কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছেন মালিকপক্ষ এবং ৯টি কারখানায় সাধারণ ছুটি রয়েছে। শিল্প পুলিশ জানায়, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের নরসিংহপুর এলাকার জেনারেশন নেক্সট কারখানার কয়েক হাজার শ্রমিক বকেয়া বেতনের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেন। এ সময় সড়কের দুই পাশের বেশির ভাগ কারখানার উৎপাদন বন্ধ ছিল। এর আগের অসস্তোষ কাটিয়ে শিল্পাঞ্চলের পরিবেশ অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে আসার পর গত শনি ও রোববার বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা ন্যূনতম মজুরি ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণসহ বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করেন। এর জের ধরেই সোমবার অর্ধশতাধিক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জেনারেশন নেক্সট গার্মেন্টসের শ্রমিকরা অভিযোগ করেন, তাদের গত দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার, গাজীপুর থেকে জানান, গাজীপুরের তিনটি কারখানায় বেতন-ভাতাসহ বিভিন্ন দাবিতে শ্রমিক বিক্ষোভ হয়েছে। এ সময় শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে অবরোধ করলে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা শ্রমিকদের সড়ক থেকে সরিয়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
গতকাল সকালে গাজীপুর সদর উপজেলার বাঘের বাজার এলাকায় গোল্ডেন রিফিট গার্মেন্টস লিমিটেড কারখানার শ্রমিকরা কাজে যোগ না দিয়ে হাজিরা বোনাস বৃদ্ধির দাবিসহ ১২ দফা দাবি জানিয়ে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করে। পরে কারখানা কর্তৃপক্ষ তাদের হাজিরা বোনাস, টিফিন বিল, নাইট বিলসহ ৮টি দাবি মেনে নেন।
গাজীপুর ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশের বাঘের বাজার জোনের পরিদর্শক সুমন মিয়া জানান, শ্রমিকরা মহাসড়কে সড়ক অবরোধ করলে যানজটের সৃষ্টি হয়। কারখানা কর্তৃপক্ষ ও শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা চলছে।
এছাড়া কালিয়াকৈর উপজেলার সকালে মৌচাকে কোকোলা ফুড প্রোডাক্টস নামে একটি খাদ্য উৎপাদন তৈরি কারখানার শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান শুরু করে। গাজীপুরের মৌচাকে কোকোলা ফুড প্রোডাক্ট লিমিটেড কারখানার শ্রমিকদের হাজিরা বোনাস, বাৎসরিক ছুটিসহ ১২ দফা দাবির প্রেক্ষিতে কারখানা কর্তৃপক্ষ গতকাল থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য এই কারখানাটি বন্ধ ঘোষণা করেন।
অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার পরও সকালে শ্রমিকরা কারখানার সামনে অবস্থান করে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে কিছু সময় অবরোধ সৃষ্টি করে। খবর পেয়ে যৌথবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির অভিযোগে তিনজনকে আটক করে তারা।
অন্যদিকে, গাজীপুর মহানগরের টঙ্গীতে বকেয়া বেতনের দাবিতে শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় টঙ্গীর খাঁপাড়া এলাকায় সিজন্স ড্রেসেস লিমিটেড-এর শ্রমিকরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে।
এ বিষয়ে গাজীপুর শিল্প পুলিশের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোশাররফ হোসেন বলেন, শ্রমিকদের সঙ্গে মালিকপক্ষের যোগাযোগের চেষ্টা চলছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত মহাসড়কে যানবাহন চলাচল সকাল ৯টা থেকে অদ্যাবধি বন্ধ রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গুলিতে স্বামীর মৃত্যু: তিন সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায় আকলিমা by ফাহিমা আক্তার সুমি
নিহত রাজুর সিদ্ধিরগঞ্জের ভাড়া বাসায় গিয়ে দেখা যায়, স্ত্রী-সন্তানদের চোখে-মুখে এখনো কাটেনি শোকের ছায়া। নীরব হয়ে রয়েছে প্রাণচাঞ্চল্যে ভরা সন্তানরা। বাবার রেখে যাওয়া জিনিস ও মোবাইলে থাকা ছবিগুলো বারবার ছুঁয়ে দেখছে। তাদের মা নিজের কষ্ট লুকিয়ে সন্তানদের বাবার কষ্ট ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছেন অনবরত। রাজুর স্ত্রী আকলিমা মানবজমিনকে বলেন, আমার স্বামী সব সময় কাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতো। এমন ঘটনা আমার সঙ্গে ঘটবে কখনো বুঝতে পারিনি। দেশে থেকে সংসার চালাতে কষ্ট হচ্ছিলো সেজন্য বিদেশে যাওয়ার চিন্তা করেছিল। গত ২৪শে জুলাই তার সিঙ্গাপুর যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু আর যেতে পারলো না। আমার সুখের সংসারটি শেষ হয়ে গেল। বড় মেয়ে আয়েশার ১৩ বছর বয়স। মেজ ছেলে সৈয়দ রাইয়ান এবং ছোট ছেলেটার বয়স ৫ বছর- তার নাম সৈয়দ আবু বক্কর। বড় দুই সন্তান মাদ্রাসায় পড়ে।
ওইদিনের ঘটনার বর্ণনা দিয়ে আকলিমা বলেন, রাজুকে রাজনীতি নিয়ে কখনো সময় দিতে দেখিনি। কিন্তু এইবার কেন জানি তাকে বেশি বিপ্লবী বিপ্লবী মনে হয়েছিল। তাকে টার্গেট করে গুলি করা হয়। বাসা থেকে পাঁচ মিনিটের দূরত্বে সে গুলি খায়। যে স্থানে বসে গুলিটি খেয়েছে সেটি আমার বাসার জানালা দিয়ে দেখা যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় বাসার দিকে হেঁটে আসে। এসময় তার মাথা-মুখ থেকে রক্ত ঝরছিল। পরে কয়েকজন লোক বাসার নিচে এসে আমাকে ডাকাডাকি করে। আমি বাসা থেকে নিচে দৌড়ে গেলে আমাকে কাছে যেতে দেয়নি। সেখানে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিল। আমাকে বলে আঘাত খেয়েছে আমি গেলে সমস্যা হবে। আসলে কিন্তু বিষয়টা এটি ছিল না। আমাকে বাসার মধ্যে যেতে বলে সামনের গেট আটকে দেয়। এসময় আমি চিৎকার দিয়ে বলি তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার জন্য। সে সময় শুধু সবার পায়ে ধরা বাকি ছিল। তখন কেউই আমার কথা শুনেনি, গেট খুলেনি। আমার স্বামীর এক বন্ধু ও কয়েকজন তাকে প্রথমে সিদ্ধিরগঞ্জ স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়। সেখান থেকে প্রো-অ্যাকটিভ হাসপাতালে নিয়ে গেলে অবস্থা খারাপ হলে ঢাকা মেডিকেলে পাঠায়। পরের দিন ঢাকা মেডিকেলে গিয়ে দেখি আমার স্বামী লাইফ সাপোর্টে রয়েছে। ওইদিনই চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
তিনি বলেন, ২০শে জুলাই শনিবার বিকাল চারটায় বাসায় দুপুরের খাবার খেতে আসে। একসঙ্গে খাবার খেয়ে বসে গল্প করছিলাম আমরা, তখন চিটাগাং রোডে আন্দোলন শুরু হয়। আমাদের বাসার জানালা দিয়ে সবকিছু স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে। তাকে বলি জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে সব- তুমি কোথাও যেও না। কিন্তু সে কথা না শুনে আন্দোলনে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে যায়। ছাদে গিয়ে দু’-এক মিনিট থেকে বাসায় এসে আমাকে না বলে চলে যায়। আমি রুমে ঢুকে দেখি সে নাই। বাসার দোতলায় গিয়ে একজনকে বলি তাকে একটু কল দেয়ার জন্য। তখন দেশে মোবাইল নেটওয়ার্ক বন্ধ থাকায় কল যায়নি। ছাদে গিয়ে চারদিকে এত গোলাগুলির আওয়াজ- মনে হয়েছিল এই বুঝি গায়ে এসে লাগবে। মাথার উপর দিয়ে একটার পর একটা হেলিকপ্টার টহল দিচ্ছে। রাজুকে আরেকটি নাম্বার দিয়ে কল দিলে কোনোমতে রিসিভ করে বলে, ‘আমি রাস্তায় আছি চিন্তা করো না- কিছুক্ষণ পরে বাসায় চলে আসবো।’ এটাই ছিল তার সঙ্গে আমার শেষ কথা। তখন বিকাল সাড়ে চারটা বাজে। ছাদে গিয়ে ওর বাবাকে দেখি পেছনে ঘুরে দাঁড়িয়ে ছিল ট্রাকের পাশে।
আকলিমা বলেন, রাস্তার পাশে একটি ভবনে আগুন জ্বলতে থাকে সেখানে পুলিশের সদস্যরা আটকা ছিল। হেলিকপ্টার চারদিকে ঘুরে অবস্থান দেখে। আগুন দেয়া ওই ভবন থেকে আটকে পড়াদের উদ্ধার করার চেষ্টা করে। পরে হেলিকপ্টার ও ডাচ্- বাংলা ব্যাংকের ভবন থেকে বৃষ্টির মতো গুলি ছুড়তে থাকে। এসময় তাদের সঙ্গে ছাত্রলীগেরও নেতাকর্মীরা ছিল। এরমধ্যেই অনেকে আহত আবার মারাও গিয়েছে। এমন ভয়ঙ্কর অবস্থা শুরু হয়েছিল এবার আর ছাদে থাকারও পরিস্থিতি ছিল না। আমরা এক একজন করে নেমে আসি ছাদ থেকে। সবাই আমার বাসায় এসে জানালা দিয়ে এই দৃশ্য দেখার চেষ্টা করে। এখানে থেকেও দেখার কোনো পরিস্থিতি ছিল না। কারণ যেকোনো মুহূর্তে জানালা দিয়ে গুলি লাগতে পারতো। এই এলাকায় অনেকে বাসার জানালা দিয়ে গুলি লেগে আহত-নিহত হয়েছে। কিছুক্ষণ পরেই খবর আসে রাজু গুলি খেয়েছে। নিচে যে অবস্থা দেখি তখনই মনে হয়েছে সে আর বাঁচবে না।
তিনি বলেন, এই বাসাটি আমি ছেড়ে দিয়েছিলাম কিন্তু জামায়াতের সদস্যরা আমাকে আশা দিয়েছেন। তারা আমাকেসহ এই এলাকায় অনেক শহীদ পরিবারকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। এখন তো ফ্ল্যাট বাসা নিয়ে থাকা সম্ভব না- সন্তানদের পড়াশোনার জন্য কোনোমতে সাবলেট নিয়ে থাকতে হবে। আমার সন্তানদের নিয়ে কীভাবে চলবো, কোন্দিকে যাবো এটি এখনো জানা নেই। নারায়ণগঞ্জে সমন্বয়করা আসলে আমি তাদের কাছে আবেদন করেছি আমাকে যেন একটা চাকরির সুযোগ করে দেয়। অবুঝ সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে সবার কাছে আমার এই একটাই চাওয়া। চাঁদপুর ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে মাস্টার্স কমপ্লিট করেছি। আমি কাজ করে আমার সন্তানদের মানুষ করতে চাই।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে খুন করা হয় নটর ডেমের লিপিকাকে
সাইদুর রহমান বলেন, জুয়েল রানা আগে নজরুলদের বাসায় মেসে খেতো। সেখান থেকেই তাদের পরিচয়। জুয়েল রানা নজরুলকে জানায় তার পাশের বিল্ডিং এর চতুর্থতলায় একজন মহিলা একা থাকে। তার কোনো স্বামী ও সন্তান নেই। তার বাসায় চুরি করলে অনেক টাকা-পয়সা পাওয়া যাবে। পরিকল্পনা মোতাবেক জুয়েল রানা তার স্ত্রীকে বাবার বাড়ি পাঠিয়ে দিয়ে ১০ই সেপ্টেম্বর রাত ১১টার দিকে নজরুলকে সঙ্গে নিয়ে নিজের বাসায় আসে। রাত ১টার দিকে নজরুল লিপিকার বাসার ছাদের উপর দিয়ে এসে রশির সাহায্যে ঝুলে ভিকটিমের বাসার পেছনের ভেন্টিলেটর ভেঙে ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে দরজা খুলে দেয়। জুয়েল সেই দরজা দিয়ে চুপিসারে লিপিকার বাসায় ঢোকে। তারা দু’জনে বাসায় চুরি করার সময় শব্দ শুনে লিপিকা ঘুম থেকে উঠে পরে। তখন নজরুল একটি লোহার পাইপ দিয়ে লিপিকার মাথায় আঘাত করে আর জুয়েল বালিশ দিয়ে মুখ চেপে ধরলে লিপিকার মৃত্যু হয়। এরপর তারা দু’জনে ওই বাসা থেকে লিপিকার দুটি মোবাইল ও হাত ব্যাগে থাকা টাকা, গয়না নিয়ে দরজা বাইরে থেকে তালা লাগিয়ে বাসায় চলে যায়। পরে ব্যাগে থাকা টাকা, ফোন ও মালামাল দু’জনে ভাগ করে নেয়। সেই ফোনের একটি ফোন জুয়েল বিক্রি করে রিভার ভিউ রেস্টুরেন্টের স্টাফ নাজিমুদ্দিনের কাছে। সেই ফোনের সূত্র ধরেই জুয়েল ও নজরুলকে আটক করে পুুলিশ। আটকের পর তারা এই হত্যাকাণ্ডের পুরোটাই স্বীকার করেছে পিবিআইয়ের কাছে। তাদের কাছ থেকে লিপিকার বাসা থেকে খোয়া যাওয়া টাকা ও মালামালও উদ্ধার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নিহত লিপিকা গোমেজের ছোট ভাই বারমুডা প্রবাসী অসিম গোমেজ বলেন, আমরা তিন ভাই বোন। বাবা-নেই। বড় বোন অনেক আগেই মারা গিয়েছেন। আমি দেশের বাইরে থাকি। আমার পরিবারের সদস্যরা ফার্মগেটে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। আর লিপিকা সূত্রাপুরে বাসা নিয়ে একাই থাকতো। প্রতিদিনই মোবাইল ফোনে আমাদের কথা হতো। ঘটনার দিন রাতে আমার মেয়ের কাছ থেকে আমি জানতে পারি এই হত্যাকাণ্ডের কথা। ওইদিন আমি ফ্লাইটের টিকিট পাইনি। পরের দিনই আমি দেশে ফিরে আসি। অশ্রুসিক্ত হয়ে তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় বসবাস করে আসছি। কখনো কারোর সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়নি। কারোর সঙ্গে তেমন কোনো শত্রুতাও নেই। এরপরও আমার বোনকে তার ঘরের মধ্যে হত্যা করা হলো। আমরা এই হত্যাকাণ্ডের সঠিক বিচার চাই।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মান্নানের শেল্টারে কোটিপতি ফয়সল by ওয়েছ খছরু

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দল নিষিদ্ধের প্রস্তাব সংশোধনীর খসড়ায়
‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন-১৯৭৩’ সংশোধনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় খসড়া সংশোধনী প্রস্তাবগুলো তুলে ধরা হয়। আজ সোমবার বিকেলে রাজধানীর বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এ সভা হয়। আইন মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনে সংশোধনীর খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, ‘যেসব নেতা বা যেসব ব্যক্তি এখানে (ট্রাইব্যুনালে) বিচারের সম্মুখীন হবে, তাঁদের যাঁরা সমর্থক আছেন, তাঁদেরও যেন মনে হয় সত্যি উনি (ওই নেতা) অন্যায় করেছেন বা অন্যায় করেননি, তাঁরাও যেন কনভিন্সড (সন্তুষ্ট) থাকেন। আমরা এই সমাজে আর ক্ষত চাই না। বিভাজন চাই না। বিচারের মধ্য দিয়ে একটা রিকনসিলিয়েশন (পুনর্মিলন) প্রসেসের (প্রক্রিয়া) শুরু করতে চাই। সবাই যেন একমত হয় বিচারটা যেটি হয়েছে, বিচারে যে শাস্তি পেয়েছে, যদি পায়—এটা অবশ্যই তার প্রাপ্য ছিল।’
কোনো প্রতিশোধ কিংবা প্রতিহিংসা নয়, সুবিচার নিশ্চিত করতে চান, উল্লেখ করে আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, সবাই দেখেছে, কী ভয়ংকর হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। একটা দেশের বৃদ্ধ প্রজন্ম একটা তরুণ প্রজন্মকে উন্মত্তভাবে খুনের নেশায় নেমেছিল। বুকের ভেতর যত কষ্ট থাক, যত হতাশা থাক, যত ক্রন্দন থাক, ক্ষোভ থাকুক, বিচার অবশ্যই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে।
কনসালটেশনের (আলোচনা) মাধ্যমে আরও শক্তিশালী আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সামনে আসবে বলে মনে করেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা এ এফ হাসান আরিফ। সাবেক এই অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, যে সিদ্ধান্ত হয়েছে, সেটি চূড়ান্ত নয়। আরও আলাপ–আলোচনা চলবে। তারপর আইনটাকে পরিপূর্ণ করা হবে।
আলোচনার মধ্য দিয়ে আইনটি সমৃদ্ধ হবে বলে মনে করেন শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান। তিনি বলেন, সব দিক বিবেচনা করে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা সম্মিলিতভাবে হয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবারগুলো (জুলাই-আগস্টের হত্যাকাণ্ড) চায়, বিচার যেন নিশ্চিত হয়।
১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইনে এ পর্যন্ত কয়েকবার সংশোধনী আনা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে এ আইনে প্রথমবার সংশোধনী এনে আইনটি মূলত হালনাগাদ করা হয়। এর পর ২০১২ সালে দ্বিতীয় সংশোধনী এনে আসামির অনুপস্থিতিতে তাঁকে পলাতক ঘোষণা করে বিচার এবং এক ট্রাইব্যুনাল থেকে আরেক ট্রাইব্যুনালে (প্রথমে ট্রাইব্যুনাল ছিল একটি, পরে দুটি করা হয়) মামলা স্থানান্তরের বিধান যুক্ত করা হয়। ২০১৩ সালে সর্বশেষ সংশোধনী আনা হয়। এর ফলে ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে আপিলের সমান সুযোগের বিধান যুক্ত হয়।
খসড়া প্রস্তাবে যা আছে
সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম রব্বানী। তিনি বলেন, সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন বাস্তবতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমান বৈশ্বিক পটভূমিতে এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার ও বিচারব্যবস্থার মানদণ্ডের আলোকে আইনটি সংশোধন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
আইনের খসড়া প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন আইন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আশফাকুর রহমান। এতে বলা হয়, এই সংশোধনীর মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধের সংজ্ঞায় গুম, লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতা, যৌন দাসত্ব, জোর করে যৌনকর্ম, জোর করে গর্ভধারণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে, যা আগের আইনে ছিল না। এ ছাড়া কোনো রাজনৈতিক দল যদি এই আইনের অধীনে কোনো অপরাধ করে, তাহলে সে দলকে ১০ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়া প্রস্তাবের বিষয়ে আরও বলা হয়, বিচার কার্যক্রমের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ট্রাইব্যুনাল চাইলে শুনানি সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবেন। অভিযুক্ত চাইলে তাঁর পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ দিতে পারবেন বলেও খসড়া প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।
সভায় অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান বলেন, সংশোধনীর যে প্রস্তাবগুলো আনা হয়েছে, আসামিদের স্বার্থ ও অধিকার সুরক্ষার বিষয়টি খসড়ায় যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রসিকিউশন (রাষ্ট্রপক্ষ) আন্তর্জাতিক আইনজীবী আনতে চাইলে আনতে পারবেন, সেই বিধানও থাকা দরকার।
ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, সবার মতামতের ভিত্তিতে এই আইন এমনভাবে সংশোধন করা হোক, যার মাধ্যমে ভুক্তভোগী এবং আসামি—দুই পক্ষই যাতে মনে করে ন্যায়বিচার হয়েছে।
সভায় নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান বদিউল আলম মজুমদার বলেন, চার ধরনের অপরাধ সংঘটিত হয়েছে। একটা হলো মানবতাবিরোধী অপরাধ। আরেকটি হলো ফৌজদারি অপরাধ। যারা গুম করেছে, খুন করেছে বিচারবহির্ভূত হত্যা করেছে। তৃতীয় হলো আর্থিক দুর্নীতি, লুটপাট, ব্যাংক লুট ও বিদেশে টাকা পাচার। আরেকটি হলো নির্বাচনব্যবস্থা–সংক্রান্ত অপরাধ। যারা নির্বাচনী ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে, নির্বাচনকে নির্বাসনে পাঠিয়ে দিয়েছে।
সভায় জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সারা হোসেন বলেন, ‘রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ হয়েছে কবে? খুঁজে পাবেন সেই নুরেমবার্গের আমলে। ২০২৪–এ এসে আশা করি নুরেমবার্গ প্রয়োগ করতে যাব না।…এখানে শুধু কয়েকজন তৃপ্তি পাবে, যারা অন্য রাজনীতি করে।’
মতবিনিয়ময় সভায় আরও বক্তব্য দেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জেড আই খান পান্না, অধিকারকর্মী ডেভিড বার্গম্যান, সাবেক জেলা জজ ইকতেদার আহমেদ, আইনজীবী শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদুর রহমান প্রমুখ।
![]() |
| ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন-১৯৭৩’ সংশোধনবিষয়ক মতবিনিময় সভায় আলোচকেরা। আজ সোমবার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে। ছবি: শুভ্র কান্তি দাশ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্টের সামনে যত চ্যালেঞ্জ
ঋণে জর্জরিত দ্বীপরাষ্ট্রটির নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য কাজটি সহজ হবে না। সরকার পরিচালনায় বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হবে তাঁকে। অর্থনৈতিক সংকট থেকে দেশকে টেনে তুলতে হলে অনূঢ়া যেসব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারেন, তা নিয়ে আলোচনা করা হলো।
অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা
২০২২ সালে শ্রীলঙ্কায় বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের চরম সংকট দেখা দেয়। এতে কয়েক দশকের মধ্যে ভয়াবহ সংকটের মুখে পড়ে দেশটির অর্থনীতি। এর পর থেকে কিছু কিছু পদক্ষেপ নিয়ে সেই সংকট কিছুটা কাটলেও সংকট থেকে উত্তরণে এখনো অনেক পথ পাড়ি দিতে হবে নতুন প্রেসিডেন্টকে।
রিজার্ভ–সংকটে দেশটিতে মূল্যস্ফীতি ৭০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছিল। অবশ্য চলতি বছর তা কমে দশমিক ৫ শতাংশে এসে ঠেকেছে। কিন্তু ২০২২ সালে দেশটির অর্থনীতির আকার কমেছিল ৭ দশমিক ৩ শতাংশ। গত বছর সেই হার অবশ্য কমে ২ দশমিক ৩ শতাংশে নেমেছে।
অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা ও প্রবৃদ্ধির পথে ফেরানোই হবে অনূঢ়া কুমারার প্রধান চ্যালেঞ্জ। একই সঙ্গে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আস্থা ফেরাতে হবে। পাশাপাশি বিনিয়োগ আকর্ষণ করে দেশটির দুই কোটির বেশি দরিদ্র্য মানুষের জীবনমানের উন্নতি হবে আরেকটি চ্যালেঞ্জ।
বৈদেশিক ঋণের বোঝা
গত বছরের মার্চে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ২৯০ কোটি ডলারের ঋণ পায় শ্রীলঙ্কা। এই ঋণের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ যেমন বেড়েছে, তেমনি মুদ্রার মান কমে যাওয়া ও মূল্যস্ফীতির লাগাম টেনে ধরা গেছে। এদিকে ঋণ পুনর্গঠন নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
গত জুনে চীনসহ অন্য ঋণদাতা দেশগুলোর সঙ্গে এক হাজার কোটি ডলারের ঋণ পুনর্গঠন নিয়ে চুক্তি করেছে কলম্বো। এ ছাড়া গত সপ্তাহে ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলারের আন্তর্জাতিক বন্ড পুনর্গঠন নিয়েও একটি খসড়া চুক্তি হয়েছে। আইএমএফের দেওয়া শর্ত পূরণ করতে হলে ঋণ পুনর্গঠন করাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বৈদেশিক ঋণের যে বিশাল বোঝা, তা কমানোর দায়িত্ব থাকবে নতুন প্রেসিডেন্টের।
জনগণের ওপর করের বোঝা
আইএমএফের ঋণের কারণে কর বাড়ানোসহ নানা পদক্ষেপের কারণে দেশটির অনেক মানুষের জীবনে দুর্ভোগ নেমে এসেছে। এই করের বোঝা কমানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অনূঢ়া। কিন্তু তাঁর জন্য কাজটা হবে খুব কঠিন। কেননা, শ্রীলঙ্কার ২২৫ সদস্যের পার্লামেন্টে মাত্র তিনটি আসন আছে অনূঢ়ার দলের। এই পার্লামেন্টের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করতে হবে তাঁকে।
অনূঢ়া কুমারা অবশ্য প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, শপথ নেওয়ার দেড় মাসের মধ্যে পার্লামেন্টে বিলুপ্ত করে আগাম সাধারণ নির্বাচনের ঘোষণা দেবেন। নতুন পার্লামেন্টের ওপর নির্ভর করবে তাঁর সরকার নীতি প্রণয়নে কতটা সফল হবে।
অনূঢ়া কুমারা জানিয়েছেন, ঋণ ও এর শর্ত পুনরায় বিবেচনার জন্য আইএমএফের সঙ্গে আলোচনা করবেন তিনি। পাশাপাশি কর কমানোর বিষয়টি নিয়েও কথা বলবেন। স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও খাদ্যসামগ্রীর মতো কিছু বিষয়ে মূল্য সংযোজন কর কমাবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
চাকরি ও জনকল্যাণ
ক্ষমতায় এলে রাষ্ট্রীয় কোম্পানিগুলোকে আরও লাভজনক করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অনূঢ়া কুমারা। জানিয়েছেন, শিক্ষা খাতে নতুন করে ২০ হাজার চাকরির ব্যবস্থা করবেন। পাশাপাশি পর্যটনের মতো দেশটির অর্থনীতির প্রধান খাতগুলোতে আরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করবেন। একই সঙ্গে জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন সরকারি সেবার আওতা ও পরিমাণ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
অর্থায়নে ভুল পদক্ষেপ, লোকসানে থাকা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ও বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের সংকটের কারণে অনূঢ়া কুমারা শিগগিরই এসব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করতে পারবেন না বলে মত অর্থনীতিবিদদের।
ভূরাজনীতি
শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্টের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে ভূরাজনীতি। বিশেষ করে ভারত ও চীনের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে চাপে থাকতে হবে তাঁকে। কারণ, শ্রীলঙ্কাকে সবচেয়ে বেশি ঋণ দেওয়া দেশ দুটি হলো ভারত ও চীন। এ ছাড়া ছোট্ট দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর দুই দেশই প্রভাব বিস্তার করতে চায়। তাই প্রতিবেশী এই দুই দেশের সঙ্গেই ভারসাম্যের নীতিতে চলতে হবে শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্টকে।
শ্রীলঙ্কার যে ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলারের ঋণ পুনর্গঠন নিয়ে আলোচনা চলছে, তার বেশির ভাগই জাপান, ভারত ও চীনের দেওয়া। অনূঢ়া কুমারা অবশ্য জানিয়েছেন, এসব দেশের সঙ্গে মিত্রতার সম্পর্ক অব্যাহত রেখে প্রবৃদ্ধির জন্য অর্থনৈতিক মিত্রতার সম্পর্ক আরও জোরদার করতে চান তিনি।
![]() |
| শ্রীলঙ্কার প্রেসিডেন্ট হিসেবে আজ সোমবার শপথ নিয়েছেন অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকেছবি: এপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোন পথে ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সপ্তাহে ৭ দিনই বাসে হাফ ভাড়া দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা
সেমিনারে সাইফুল আলম বলেন, গত ২১শে আগস্টে পরিবহন মালিক সমিতির কার্যালয়ে নিরাপদ সড়ক আন্দোলন (নিসআ) প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক করি। এই সভায় বাসে ছাত্রদের হাফ ভাড়া এবং পরিবহন সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়। সভায় নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের নেতারা জানান, বিআরটিএ এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ২০২১ সালের ১লা ডিসেম্বর থেকে সপ্তাহে ৫ দিন (শুক্রবার-শনিবার ব্যতীত) বাসে ছাত্রদের হাফ ভাড়া কার্যকর করে। যাহা এখনো বলবৎ আছে। তাই সভায় নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের (নিসআ) নেতারা বাসে ছাত্রদের সপ্তাহে ৫ দিনের স্থলে ৭ দিন হাফ ভাড়া কার্যকর করার জন্য ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির নেতাদের নিকট অনুরোধ জানান।
তিনি বলেন, নিসআর আবেদন সহানুভূতির সঙ্গে বিবেচনা করে ওই সভায় বেশকিছু সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এর মধ্যে বাসে ছাত্রদের হাফ ভাড়া সপ্তাহে ৫ দিনের স্থলে ৭ দিন আগামীকাল ২৪শে সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে (সকাল-৬টা হইতে রাত-১২টা পর্যন্ত)। হাফ পাসের জন্য অবশ্যই শিক্ষার্থীকে ইউনিফর্ম পরিহিত অথবা শিক্ষার্থীর পরিচয়পত্র সঙ্গে রাখতে হবে। এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মেট্রো এলাকায় কার্যকর থাকবে। সাইফুল আলমের এমন ঘোষণার পর সেমিনারে উপস্থিত নিসআর সদস্য হাততালি দিতে স্বাগত এবং ধন্যবাদ জানান।
প্রধান অতিথি হাইওয়ে পুলিশের উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক শ্যামল কুমার মুখার্জি বলেন, সবাই মিলে যখন দেশকে এই শহরকে ভালোবাসবে, তখন এ দেশের কোনোকিছুই অসুন্দর থাকবে না। নিজেদের জন্য ভালো কিছু করি, প্রজন্মের জন্য ভালো কিছু রেখে যাই। সবার মতামত, পরামর্শ সবকিছু বিবেচনায় নিয়ে দায়িত্ব ও আইনের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিকল্পনা তৈরির কথা বলেছেন উপ-পুলিশ মহাপরিদর্শক। তিনি রাস্তায় শৃঙ্খলা আনা ও সড়ক নিরাপদ রাখার কথা বলেন। নগর পরিবহনের প্রকল্প যেভাবে অনুমোদিত হয়েছিল, ঠিক সেভাবেই আবার চালু করার কথা বলেছেন পরিবহন বিশেষজ্ঞ সালাউদ্দিন আহমেদ। ঢাকাকে যানজটমুক্ত করার এটিই একমাত্র পথ বলেন তিনি। অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল বাতেন বলেন, সড়ককে সুন্দর, যানজটমুক্ত ও নিরাপদ রাখার লক্ষ্যে আলোচনার মাধ্যমে আমরা একটা সিদ্ধান্তে যাবো। আমরা নিজেরা অন্যায় করবো না, যত্রতত্র গাড়ি পার্ক করবো না। এমনকি নির্দিষ্ট স্থান ছাড়া যাত্রী ওঠানামা করবো না। যাদের বৈধ লাইসেন্স নাই তারা সেটি করে নিবো। মালিকরা ফিটনেসবিহীন গাড়ি রাস্তায় নামাবেন না। বিআরটিএ এর পরিচালককে অনুরোধ যে সকল গাড়ি দীর্ঘদিন ধরে রুট পারমিটবিহীন অবস্থায় আছে সেই গাড়ি যাতে দ্রুত পারমিট পায় সেই ব্যবস্থা করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিআরটিএ’র পরিচালক (রোড সেফটি) শেখ মোহাম্মদ মাহবুব-ই-রব্বানী, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ট্রাফিক পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মো. কামরুজ্জামান, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আবদুর রহিম বক্স, মালিক সমিতির কার্যকরী সভাপতি আলাউদ্দিন, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের আহ্বায়ক আবদুল্লাহ মেহেদি প্রমুখ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিভক্তি নয়, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে চায় বিএনপি: তারেক রহমান
বাংলাদেশের প্রতিটি পরিবারকে খাদ্য নিরাপত্তা ‘স্বপ্ন প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে বলে জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবারের মা বা গৃহিণীর নামে ‘স্বপ্ন প্রকল্প ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে। রাষ্ট্রের পক্ষে সকল নাগরিক পর্যায়ক্রমে কার্ডটি পাবে। প্রাথমিকভাবে গ্রাম-জেলা পর্যায়ের সুবিধা বঞ্চিতরা এর আওতায় আসবেন। পরিবারের সদস্য সংখ্যা সর্বোচ্চ ৪ জন এই বিবেচনায় এটা বিতরণ করা হবে। এলাকার সকলেই এর প্রাপক বিধায় কোনো প্রকার দলীয় বা স্থানীয় প্রভাবে কাউকে বঞ্চিত করার সুযোগ থাকবে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীর একটি অংশ এই কার্ডের মাধ্যমে বিনামূল্যে বিতরণ করা হবে। প্রাথমিকভাবে গ্রামের সুবিধাবঞ্চিতদের জন্য এর প্রবর্তন হলেও পরবর্তীতে সকলেই এর প্রাপক হবেন।
তিনি বলেন, আজ আমরা মুক্ত ও ভয়হীন পরিবেশে কথা বলছি। এই যে শঙ্কামুক্ত পরিবেশে আমরা একত্রিত হয়েছি, এই সময়টার জন্য বিগত ১৭ বছর এ দেশের মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে। দীর্ঘ ১৭ বছর এই দেশের মানুষকে আত্মত্যাগ করতে হয়েছে, সংগ্রাম করতে হয়েছে, প্রতিবাদ-প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হয়েছে। কিশোরগঞ্জ জেলাতে আমরা ১৭ জন মানুষকে হারিয়েছি, যারা আত্মত্যাগ করেছেন এই দেশের মানুষের অধিকারের জন্য। ১৬ জন মানুষ শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, যারা ভয় পাননি, পিছিয়ে যাননি দেশের মানুষের অধিকারের কথা বলার ক্ষেত্রে। সারা বাংলাদেশে এ রকম হাজারো মানুষ আছেন, হাজারো শহীদ পরিবার আছে, যারা আত্মত্যাগ করেছেন। বিগত ১৭ বছর বিশেষ করে গত জুলাই-আগস্ট মাসে শুধু ঢাকা শহরে হাজার হাজার মানুষকে হত্যা করা হয়েছে। এর বাইরে বহু মানুষ যারা বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
বিএনপিরই শুধু ৫০ থেকে ৬০ লাখের মতো নেতাকর্মী বিগত স্বৈরাচারের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত ও অত্যাচারিত হয়েছেন উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, বিএনপি’র বাইরেও বহু আরও রাজনৈতিক দল আছে, যারা একইভাবে বিএনপি’র নেতাকর্মীদের মতো অত্যাচারিত হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন। এই যে এত মানুষ শহীদ হয়েছেন, এত মানুষ আত্মত্যাগ করেছেন, এত মানুষ নির্যাতিত হয়েছেন, কেন এই মানুষগুলো অত্যাচারিত হলেন, আত্মত্যাগ করলেন। কারণ একটাই, এই মানুষগুলো বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের রাজনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করতে চেয়েছিল। এ রকম একটি মুক্ত পরিবেশের নিশ্চয়তা নিশ্চিত করতে চেয়েছিল। কিন্তু আমরা দেখেছি স্বৈরাচার দাবিয়ে রাখতে চেয়েছিল বাংলাদেশের মানুষকে। এই বাংলাদেশের মানুষ দেখিয়ে দিয়েছে গুলির সামনে বুক পেতে দিতে রাজি তারপরেও স্বৈরাচারকে মেনে নিতে রাজি না।
কেন্দ্রীয় বিএনপি’র ময়মনসিংহ বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলমের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান। এতে অন্যদের মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান, কেন্দ্রীয় বিএনপি’র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট শাহ ওয়ারেস আলী মামুন, জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আহ্বায়ক ইশতিয়াক আজিজ উলফাৎ, জেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম, সহ-সভাপতি রেজাউল করিম খান চুন্নু, এডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, এডভোকেট শরীফুল ইসলাম, ইসমাইল হোসেন মধু ও রুহুল আমিন আকিল, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাজী ইসরাইল মিয়া ও আমিনুল ইসলাম আশফাকসহ বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের নেতারা বক্তব্য রাখেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জনপ্রশাসনের আদেশ: পররাষ্ট্রে অস্বস্তি by মিজানুর রহমান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১১২ দিন পর ক্লাসে ফিরেছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
যদিও গতকাল সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়নি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রথম বর্ষ ছাড়া অন্য সব বর্ষের শিক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে। প্রথম বর্ষের ক্লাস ৩০শে সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হবে। সকাল থেকে কলা, সামাজিক বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষাসহ বিভিন্ন অনুষদ ঘুরে শিক্ষার্থীদের প্রাণচাঞ্চল্য দেখা গেছে। এতদিন এক রকম শূন্য থাকা ক্লাসরুম সেমিনারগুলো ফের মুখরিত ছিল শিক্ষার্থীদের কোলাহলে। রাজধানীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা বিশ্ববিদ্যালয়ের লাল বাসগুলো এদিন পরিপূর্ণ ছিল ক্লাস করতে আসা শিক্ষার্থীদের ভিড়ে।
ক্যাম্পাসের শ্যাডো, টিএসসি, মল চত্বরের মতো জায়গাগুলোতে গতকাল চিরচেনা শিক্ষার্থীদের ভিড়, গান, আড্ডা জমতে দেখা যায়। কেউ কেউ ক্লাস শেষে বন্ধুদের সঙ্গে বসেছেন চায়ের আসরে। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিতে মধুর ক্যান্টিনেও ফিরেছিল পুরনো কোলাহল।
ক্লাসে ফিরতে পেরে স্বস্তি প্রকাশ করে ইংরেজি বিভাগের শিক্ষার্থী তাওসিফ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এক বদ্ধ পরিবেশ থেকে মুক্তি পেয়ে স্বাধীন ক্যাম্পাসে ক্লাসে ফেরার আনন্দ অন্যরকম। বন্ধু-বান্ধবদের সঙ্গে অনেকদিন পরে দেখা হওয়ায় আরও ভালো লাগছে। আরবি বিভাগের শিক্ষার্থী মাহফুজ বলেন, রাষ্ট্রের প্রয়োজনে রাজপথের কাজ শেষ করে এখন আবার একাডেমিক কার্যক্রমে ফেরার পালা। ক্লাস শুরু হলেও রাষ্ট্র সংস্কারের সব পদক্ষেপ সঠিকভাবে বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সহযোগিতা করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর নিয়াজ আহমেদ খানসহ পদস্থ শিক্ষকরা সকাল থেকে কয়েকটি অনুষদ ঘুরে শ্রেণি কার্যক্রমের চিত্র দেখেছেন। পাঁচটি বিভাগ ছাড়া সব বিভাগ-ইনস্টিটিউটে গতকাল ক্লাস হয়েছে।
চলতি বছরের ২রা জুন থেকে ৩০শে জুন পর্যন্ত গ্রীষ্মকালীন ছুটি ও ঈদুল আজহা উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস ছুটি দেয়া হয়। কোনো কোনো বিভাগে এই ছুটির মধ্যে চূড়ান্ত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১লা জুলাই থেকে ক্লাস খোলার কথা থাকলেও প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক কর্মবিরতি ঘোষণা করেন। শিক্ষকদের সঙ্গে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অচল হয়ে পড়ে। এদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। ৭ই জুলাই থেকে তারা ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন করেন। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস আর শুরু হয়নি। এরমধ্যে কোটা আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে এবং আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে পড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। ১৭ই জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়।
৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলো খুলে দেয়া হয়। এরপর থেকে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে ফেরা শুরু করেন। সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম বর্ষ বাদে সব বর্ষের ক্লাস শুরু হয়। প্রথম বর্ষের ক্লাস আগামী ৩০শে সেপ্টেম্বর শুরু হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাফুফে সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে যা বললেন তাবিথ আউয়াল
শেখ কামালের নামে চট্টগ্রামে আন্তর্জাতিক ফুটবল টুর্নামেন্টও করেছেন রুহুল আমিন। কথায় কথায় ‘জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু’ বলে মুখে ফেনা তোলা তরফদার রুহল আমিন কিনা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর ভোল পাল্টে ফেলে চাইছেন ফুটবলের মসনদে বসতে। এতে তাকে সহায়তা করছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) একটি অংশ। তবে প্রার্থীতার ঘোষণা দিতে এসে এসব আমলে নিতে চাইছেন না তাবিথ আউয়াল। বলেন, ‘এখনো কেউ আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রার্থী হয়নি। সবাই সবার আাগ্রহের কথা জানাচ্ছেন। আগে তফসিল ঘোষণা হোক, মনোনয়ন কেনার পর বলতে পারবো আমার বিপক্ষে কে প্রার্থী। তখন এ বিষয়ে কথা বলতে পারবো।’ সভাপতি পদে এবারই প্রথম লড়তে যাচ্ছেন তাবিথ। এর আগে ২০১২ ও ২০১৬ সালের নির্বাচনে স্বতন্ত্রভাবে লড়ে বাফুফের সহ-সভাপতি হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সবশেষ ২০২০ সালের নির্বাচনে হেরে যান এই সংগঠক। টানা চতুর্থবার নির্বাচন করতে যাচ্ছেন তিনি। তাবিথ আউয়াল, বলেন, ‘আমি গত তিনটি নির্বাচন করেছি। এবারও আমি লড়বো। আর সেটা সভাপতি পদে। আমি আশাবাদী জিতবো।’ সভাপতি পদে জিতলে কী করবেন, সেই পরিকল্পনার কথা পরে জানাবেন
তাবিথ।
ফুটবলকে সামনে এগিয়ে নিতে পারবেন, এমন বিশ্বাস নিজের ওপর আছে জানিয়ে বলেন, ‘নির্বাচনে প্রার্থিতা পেশ করে আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির ব্যাপারে জানাবো। নির্বাচনী ইশতেহারের ব্যাপারে এখনই কিছু বলতে চাইছি না। তবে এটুকু বলতে পারি, আমি সভাপতি হলে খেলার মাঠে চমক দেখাবো। ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে পারবো আশা করি।’ ঐকমত্যের প্যানেল হবে কি না, এমন প্রশ্নে তাবিথ বলেন, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনকে স্বাগত জানাবেন তিনি। এরই মধ্যে শোনা যাচ্ছে, আরও দুই-একজন সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। তাবিথ আগে দেখতে চান কারা আসেন। তারপর প্যানেল করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত জানাবেন। তাবিথের পরিচয় অনেক, ব্যবসায়ী, বিএনপির জাতীয় কমিটিতে আছেন। ঢাকা উত্তর সিটির নির্বাচনে মেয়র পদে লড়াই করেছেন দুইবার। ফুটবল সংগঠক। প্রিমিয়ার থেকে বিদায় নেওয়া ফেনী সকার ক্লাবকে এক সময় পৃষ্ঠপোষকতা করেছেন, এখন করছেন পেশাদার লীগের দ্বিতীয় স্তরের ক্লাব নোফেল স্পোর্টিং ক্লাবকে। ফিফা দুর্নীতির অভিযোগে শাস্তি দিয়েছে বাফুফের সাবেক সাধারণ সম্পাদককে। বাফুফের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে। তাবিথ বলেন, ‘এখনো প্রচুর ছেলেমেয়ে ফুটবল খেলে। তবে বাফুফের সামর্থ্যে অনেক ঘাটতি আছে। জাতীয় দলের পারফরম্যান্স অত ভালো না এখন। ফলে ব্র্যান্ডিং ভালো নয়। ব্র্যান্ডিং নিয়ে কাজ করার আছে।’

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের অস্থিরতার মধ্যে গোড্ডা প্ল্যান্টকে ভারতীয় পাওয়ার গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে আদানিরা
বাংলাদেশের অস্থিরতার মধ্যে গোড্ডা প্ল্যান্টকে ভারতীয় পাওয়ার গ্রিডের সঙ্গে যুক্ত করতে চাইছে আদানিরা
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে সেন্ট্রাল ট্রান্সমিশন ইউটিলিটি অব ইন্ডিয়া লিমিটেড (সিটিইউআইএল) বাঙ্কায় একটি সাবস্টেশনের মাধ্যমে দ্রুত সংযোগের জন্য আদানি পাওয়ারের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করেছে। সিটিইউআইএল ট্রান্সমিশন পরিকল্পনার জন্য জাতীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে কাজ করে। ২১ আগস্টের বৈঠকের উদ্ধৃতি দিয়ে সংবাদ প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েকদিন পর কেন্দ্র ১০ আগস্ট গোড্ডা প্ল্যান্টের জন্য সংযোগের সুপারিশ করেছিল, সেখানে বাংলাদেশে পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে পেমেন্ট বকেয়ার কথা জানানো হয়েছিল। তার চার দিন আগে আদানি পাওয়ার বিদ্যুৎ মন্ত্রককে জানিয়েছিল যে কম চাহিদা বা ভূ-রাজনৈতিক সমস্যা বাংলাদেশকে প্রভাবিত করার সময় ভারতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা লাভজনক হবে।১২ অগস্ট বিদ্যুৎ মন্ত্রক বিদ্যুতের আমদানি/রপ্তানি (ক্রস বর্ডার) জন্য নির্দেশিকা সংশোধন করে দেশীয় প্ল্যান্টগুলোকে একচেটিয়াভাবে প্রতিবেশী দেশগুলোতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করার অনুমতি দেয়, বর্তমানে শুধুমাত্র আদানির গোড্ডা প্ল্যান্ট বিদ্যুৎ বিক্রি করতে পারে। এটি নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোকে এই জাতীয় প্ল্যান্টগুলোতে সংযোগ দেওয়ার জন্য একটি স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং পদ্ধতির খসড়া তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে।
সিটিইউআইএল ২১ আগস্ট আদানির গোড্ডা প্ল্যান্টের সাথে লক্ষীসরাই সাবস্টেশনের সংযোগ প্রস্তাব অনুমোদন করেছে, যাতে কোম্পানির প্রযুক্তিগত প্রয়োজনীয়তা পূরণ হয়। একই বৈঠকে আদানি পাওয়ার হাইলাইট করে যে, এই প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন করতে ‘যথেষ্ট সময়’ লাগবে এবং কাছাকাছি বাঙ্কা সাবস্টেশনের সাথে একটি অন্তর্বর্তী সংযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল যা প্রত্যাখ্যান করা হয়। গোড্ডা প্ল্যান্ট ২০২৩ সালের এপ্রিলে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করে। এর আগে আদানি পাওয়ার বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারকে সতর্ক করেছিল যে, প্ল্যান্ট থেকে তার ৫০০ মিলিয়ন ডলার বকেয়া আছে।
সূত্র : বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেবাননে ইসরাইলের ভয়াবহ হামলা নিহত ২৭৪

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি আয়
বাংলাদেশ ব্যাংক ‘মেজর ইকোনমিক ইন্ডিকেটর: মান্থলি আপডেট’- শীর্ষক আগস্টের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তাতে দেখা যায়, জুলাইয়ে বিশ্ববাজারে বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৩৮২ কোটি ৩৭ লাখ ডলারের। ২০২৩ সালের একই মাসে পণ্য রপ্তানির অর্থমূল্য ছিল ৩৭১ কোটি ৫৬ লাখ বা ৩.৭১ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে ২.৯১ শতাংশ রপ্তানি প্রবৃদ্ধি হয়েছে গত জুলাইয়ে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চলতি বছর জুলাইয়ে রপ্তানি বিঘ্নিত হয়েছে স্বল্প সময়ের জন্য। পাশাপাশি গত বছরের তুলনায় আমদানিকৃত কাঁচামালের দামের ঊর্ধ্বগতির প্রভাব পোশাক রপ্তানির চূড়ান্ত মূল্যে পড়ে থাকতে পারে। আবার ভ্যালু অ্যাডেড বা মূল্য সংযোজিত তৈরি পোশাক রপ্তানির ফলে পরিমাণে কম হলেও অর্থমূল্যের প্রবাহ বেশি হয়ে থাকতে পারে বলে তারা মনে করছেন।
বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স এসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ) নির্বাহী সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, গত বছর জুলাইয়ে ঈদের বন্ধ ছিল। ফলে স্বাভাবিকভাবেই এ বছরের জুলাইয়ে আগের বছরের একই মাসের চেয়ে উৎপাদন বেশি করা গেছে। বিরূপ পরিস্থিতির প্রভাবে সৃষ্ট সংকটে সার্বিক কার্যক্রম তিন-চারদিনের জন্য বিঘ্নিত হয়েছে। এ ব্যাঘাত বিবেচনায় নিয়ে আমরা গত বছরের জুলাইয়ের চেয়ে অন্তত ১০ শতাংশ বেশি উৎপাদন করতে পেরেছি। এছাড়া ভ্যালু অ্যাডেড পোশাকের উৎপাদনও আগের চেয়ে বেশি। এ ধরনের পণ্যের জন্য আমদানি করা কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাবও আছে রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে। এ দু’টিই মূলত রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধির কারণ হয়ে থাকতে পারে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী, জুলাইয়ে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হয়েছে পোশাক পণ্য। এ খাতের নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানির অর্থমূল্য ছিল ১৭২ কোটি ৯১ লাখ ডলার। গত বছর জুলাইয়ে রপ্তানি হয়েছিল ১৬৯ কোটি ৪৪ লাখ ডলারের পণ্য। এ হিসাবে চলতি বছরের জুলাইয়ে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের বা ২.০৫ শতাংশ বেশি নিটওয়্যার পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
তৈরি পোশাক খাতের ওভেন পোশাকের রপ্তানির অর্থমূল্য চলতি বছরের জুলাইয়ে ছিল ১৪৪ কোটি ৯৬ লাখ ডলার। গত বছরের একই মাসে রপ্তানি হয় ১৩৯ কোটি ৪৭ লাখ ডলারের ওভেন পোশাক। এ হিসাবে ৫ কোটি ৪৯ লাখ ডলারের বা ৩.৯৪ শতাংশ বেশি রপ্তানি হয়েছে।
বস্ত্র খাতের হোম টেক্সটাইল ছিল জুলাইয়ে রপ্তানি হওয়া তৃতীয় বৃহত্তম পণ্য। এ খাতের রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৪.২১ শতাংশ। ২০২৩ সালের জুলাইয়ে হোম টেক্সটাইল রপ্তানির অর্থমূল্য ছিল ৫ কোটি ২৩ লাখ ডলার। চলতি বছরের একই মাসে রপ্তানি হয়েছে ৫ কোটি ৪৫ লাখ ডলারের হোম টেক্সটাইল।
কৃষিপণ্য রপ্তানিতে চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১১.২৩ শতাংশ। ওই মাসে পণ্যটি রপ্তানি হয়েছে ৮ কোটি ২ লাখ ডলারের। গত বছরের জুলাইয়ে রপ্তানি হয়েছিল ৭ কোটি ২১ লাখ ডলারের পণ্য। চলতি অর্থবছরের প্রথম মাসে রপ্তানিতে নেতিবাচক বা ঋণাত্মক প্রবৃদ্ধি হয়েছে এমন পণ্যের মধ্যে আছে পাট ও পাটজাত পণ্য, প্রকৌশল পণ্য ও রাসায়নিক পণ্য। তবে রপ্তানিকারকরা এ পরিসংখ্যানের যথার্থতা নিশ্চিতের বিষয়ে তাগিদ দিয়ে আসছেন বারবার। কারণ বাস্তবতার সঙ্গে কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রকাশিত তথ্য সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলে মনে করেন তারা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঋণ সুবিধার জন্য চার উপদেষ্টা ও গভর্নরকে বেক্সিমকো’র চিঠি
অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ, স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরের কাছে এই চিঠি দিয়েছে বেক্সিমকো’র টেক্সটাইল ও অ্যাপারেল বিভাগ।
ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান কায়সার চৌধুরী স্বাক্ষরিত গত ১৯শে সেপ্টেম্বর পাঠানো চিঠিতে বেক্সিমকো’র সব দেনা সুদমুক্ত ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করার অনুরোধ করা হয়। সুদমুক্ত ব্লক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তর করার অর্থ হলো কোম্পানিকে তার দেনা পরিশোধে বিলম্বের জন্য কোনো সুদ দিতে হবে না।
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জুন শেষে জনতা ব্যাংকের কাছে বেক্সিমকো’র মোট ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৫,০০০ কোটি টাকা। সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বেক্সিমকো’র ভাইস চেয়ারম্যান, যিনি বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন। বেক্সিমকো গ্রুপে প্রায় ৪০ হাজার মানুষ কর্মরত।
আবেদনপত্রে বলা হয়, গত ৫ই আগস্ট বিগত সরকার পতনের পর বেক্সিমকো’র রপ্তানিভিত্তিক পণ্য, কারখানা এবং সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগুলোয় দুর্বৃত্তরা অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক লুটতরাজ চালিয়েছে। এর ফলে বেক্সিমকো’র হাতে কোনো কার্যকরী মূলধন অবশিষ্ট নেই, যা দিয়ে রপ্তানি কার্যক্রম চালু রাখা সম্ভব। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠানটির কিছু গ্রাহক তাদের ক্রয়াদেশ (অর্ডার) বিকল্প গন্তব্যে স্থানান্তর শুরু করেছে এবং উৎপাদন ক্ষমতার তুলনায় এখন বেক্সিমকো’র কাছে পণ্যের ক্রয়াদেশ অনেক কম। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে কোম্পানি তার গ্রাহকদের চিরতরে হারাবে। বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে কর্মী ছাঁটাইয়ের পাশাপাশি অন্যান্য ব্যয় হ্রাসের পদক্ষেপ নিতে হবে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিদ্যমান ও ভবিষ্যতের সব রপ্তানি ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে প্রয়োজনীয় ব্যাক-টু-ব্যাক ঋণপত্র খোলার (প্রাথমিক রপ্তানি ঋণপত্রের নিরাপত্তা হিসেবে) ক্ষেত্রে জনতা ব্যাংকের সহযোগিতা চেয়েছে বেক্সিমকো গ্রুপ। আবেদনপত্রে প্রতিটি রপ্তানি ঋণপত্রের বিপরীতে স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করা কাপড় ও আনুষঙ্গিক উপকরণ সরবরাহের ক্ষেত্রে ১০ মার্জিনে বিল ডিসকাউন্ট সুবিধা ও প্যাকিংয়ে ১৫ শতাংশ ক্রেডিট সুবিধা চাওয়া হয়েছে।
এছাড়া, সংশ্লিষ্ট রপ্তানি আয় থেকে সুদ ও অন্যান্য চার্জ সমন্বয়ের পর মেয়াদপূর্ণ অর্থ (ম্যাচিউরিটি অ্যামাউন্ট) প্রদানের অনুরোধ করেছে বেক্সিমকো। সাধারণত ঋণ বা ক্রেডিট সুবিধার মেয়াদ শেষে মেয়াদপূর্তির অর্থ প্রদান করা হয়। এক্ষেত্রে, রপ্তানিকারকের নেয়া ঋণ বা অগ্রিম যেমন ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি বা প্যাকিং ক্রেডিটকে বোঝানো হয়।
বেক্সিমকো জনতা ব্যাংকের কাছ থেকে ৫৫ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আগস্টের জন্য ৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকা কর্মীদের বেতন হিসেবে পরিশোধ করেছে। তবে সেপ্টেম্বরের ৬৫ কোটি টাকার কর্মীদের বেতন কীভাবে দেয়া হবে তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কর্তৃপক্ষ। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত ও প্রাপ্য রপ্তানি আয় থেকে এ পরিমাণ অর্থ সমন্বয় করতে জনতা ব্যাংকের কাছে বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে বেক্সিমকো।
চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, বেক্সিমকো ২০২৪ সালের ১৪ই মে’র পর থেকে বেক্সিমকো জনতা ব্যাংকের কাছ থেকে কোনো ধরনের ক্রেডিট সুবিধা পায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১০ বছর পর্যন্ত সংগঠন নিষিদ্ধের প্রস্তাব: আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনের ধারা সংশোধন
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুলের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ‘আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩’ সময়োপযোগী করার লক্ষ্যে প্রস্তাবিত খসড়া সংশোধনী উপস্থাপন করা হয়। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল বলেছেন, গত জুলাই হত্যাকাণ্ডে জনগণ নিজ চোখে দেখেছেন একটি বৃদ্ধ প্রজন্ম দেশের একটি তরুণ প্রজন্মকে উন্মত্তভাবে খুনের নেশায় মেতেছিল। তিনি বলেন, আমাদের বুকের ভিতর যত কষ্ট থাক, যত হতাশা থাক, যত ক্ষোভ থাক- এই খুনের বিচারকে অবশ্যই সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হতে হবে। আমরা প্রতিশোধ বা প্রতিহিংসার বিচার করতে চাই না। আমরা সুবিচার নিশ্চিত করতে চাই। আসিফ নজরুল বলেন, অতীতে দেখেছি, এদেশে বিচারের নামে কি ধরনের অবিচার হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে ও আন্তর্জাতিক বিশ্বের কাছে গ্রহণযোগ্য বিচার নিশ্চিত করার চেষ্টা করবো। ড. আসিফ নজরুল বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রমকে সচল করার লক্ষ্যে ইতিমধ্যে প্রসিকিউশন ও ইনভেস্টিগেশন টিম গঠন করা হয়েছে। এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হচ্ছে বোর্ড (ট্রাইব্যুনাল)-কে পুনর্গঠন করা। আমরা এখন আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ‘১৯৭৩’ সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছি। যারা এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ তাদের সবার মতামত নিয়ে এই আইন সংশোধন করা হবে।
৮ খসড়া সংশোধনী প্রস্তাব
১ম সংশোধনটি ধারা-৩ সংক্রান্ত। রেড কালারে মার্কড অংশটুকু সংশোধনীর মাধ্যমে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এ সংশোধনীর মাধ্যমে মানবতা বিরোধী অপরাধের সংজ্ঞায় একটি ব্যাপক ও সিস্টেমেটিক আক্রমণের অংশ হিসেবে গুম, লিঙ্গভিত্তিক সহিসংতা, যৌন দাসত্ব, জোরপূর্বক যৌনকর্ম, জোরপূর্বক গর্ভধারণ ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সংশোধনীর কারণে জেন্ডার ও কালচারাল গ্রাউন্ডেও যদি কোনো সিভিলিয়ানের ওপর ব্যাপক ও সিস্টেমেটিক আক্রমণ করা হয় তাহলে তা মানবতা বিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে, যা পূর্বের আইনে ছিল না।
২য় সংশোধনী ধারা-৩(৩) সংক্রান্ত। এ সংশোধনীর ফলে গণহত্যা, মানবতা বিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ ইত্যাদি অপরাধের দায় বা লায়াবিলিটি নির্ধারণ করতে ট্রাইব্যুনাল রোম স্ট্যাটিউটের ধারা ৯ অনুযায়ী গৃহীত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) এর এলিমেনটস অব ক্রাইম বিবেচনা করার সুযোগ পাবে। ৩য় সংশোধনী ধারা-৪ (২) সংক্রান্ত। এ সংশোধনীর ফলে এ আইনের অধীনে অপরাধ হতে পারে এটি জানা সত্ত্বেও যদি কোনো সংস্থা, সংগঠন, দল, সংঘবদ্ধ চক্র বা সত্ত্বার নেতৃত্বে থাকা ব্যক্তি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করতে ব্যর্থ হয় তাকেও বিচারের আওতায় আনা সম্ভব হবে, যা বর্তমান বিধান অনুসারে সম্ভব নয়। ৪র্থ সংশোধনীর মাধ্যমে ট্রাইব্যুনালের বিচার কার্যের ভিডিও স্ট্রিমিং বা ওডিও-ভিজ্যুয়াল রেকর্ডিং এর সুযোগ রাখা হয়েছে। এ সংশোধনীর বুনিয়াদে বিচার কার্যের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে ট্রাইব্যুনাল চাইলে শুনানি সরাসরি সম্প্রচার করতে পারবে। ৫ম সংশোধনী প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে অভিযুক্ত চাইলে তার পক্ষে বিদেশি আইনজীবী নিয়োগ করতে পারবে। ৬ষ্ট সংশোধনী- বিচার প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতাকে ত্বরান্বিত করবে। এ সংশোধনীর অধীনে ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক আদালতের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করতে পারবে। ৭ম সংশোধনীর মাধ্যমে প্রায় সকল রকম ডিজিটাল সাক্ষ্যকে এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ পক্রিয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ৮ম সংশোধনীর মাধ্যমে কোনো রাজনৈতিক দল যদি এ আইনের অধীন কোনো অপরাধ করে তাহলে সে দলকে ১০ বছর পর্যন্ত নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।
আইনটির প্রস্তাবিত সংশোধনী নিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন, সমবায় এবং ভূমি মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা এ. এফ. হাসান আরিফ, শিল্প, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান, বাংলাদেশের অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম রব্বানী, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব (চলতি দায়িত্ব) ড. হাফিজ আহমেদ চৌধুরী, নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের চেয়ারম্যান ড. বদিউল আলম মজুমদার, সিনিয়র আইনজীবী জেড আই খান পান্না, সাবেক জেলা ও দায়রা জজ ইকতেদার আহমেদ, সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান ও অধ্যাপক নাজমুজ্জামান ভূঁইয়া, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. বেগম আসমা সিদ্দিকা, রাজনীতিবিদ ও আইনজীবী ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী, লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের যুগ্ম-সচিব (ড্রাফটিং) মো. রফিকুল হাসান, ঢাকাস্থ জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী অফিসের কর্মকর্তা জাহিদ হোসেন, সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান, আইনজীবী ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিস্ট ড. জাহেদুর রহমান, সাংবাদিক সাঈদ আব্দুল্লাহ, সানজিদা ইসলাম, শরিফ ভূঁইয়া প্রমুখ নিজনিজ মতামত তুলে ধরেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিনাজপুর গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে নজিরবিহীন ঘটনা
জানা গেছে, তাদের রাহুগ্রাস থেকে প্রতিষ্ঠানটি বাঁচাতে কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকাবাসী আন্দোলন শুরু করলে তাতে বাধা দিয়ে আন্দোলন দমনের পাঁয়তারা করে ফারুক গং। তাদের হাত থেকে বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটকে উদ্ধার করাই এখন প্রতিষ্ঠানটির সকল কর্মকর্তা-কর্মচারী ও দিনাজপুরবাসীর প্রাণের দাবি। ইতিমধ্যে ড. গোলাম ফারুক পরিচালকের পদ থেকে পদত্যাগের দাবিতে কৃষি উপদেষ্টাসহ বিভিন্ন দপ্তরে স্মারকলিপি প্রদান করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ। সূত্র মতে সাম্প্রতিক ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আগের দিন রাজধানীর খামারবাড়ীতে ‘শান্তি সমাবেশে’ কর্মকর্তাদের আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মাঠে নামান কৃষি মন্ত্রণালয়ের সাবেক সিনিয়র সচিব ও শেখ হাসিনার উপদেষ্টা মসিউর রহমানের ভাগ্নি ওয়াহেদা আক্তার। এ কারণে কৃষি মন্ত্রণালয়ে তার একচ্ছত্র আধিপত্য ছিল। ক্ষমতা ব্যবহার করে বিভিন্ন অধিদপ্তরে নিজের পছন্দের লোককে বসিয়েছেন। ওয়াহিদা দু’জন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে ডিঙিয়ে নিজের ক্লাসমেট গোলাম ফারুককে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক পদে বসান। তিনি ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমাতে মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যখন মাঠে নামান, তখন তারই অনুগত ও আস্থাভাজন কর্মকর্তা দিনাজপুরের গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের তৎকালীন মহাপরিচালক ড. গোলাম ফারুক খামারবাড়ীর ওই শান্তি সমাবেশে পোস্টার-প্ল্যাকার্ড নিয়ে অংশ নেন।
২০২১ সালের ২৬শে নভেম্বর ড. গোলাম ফারুককে মহাপরিচালকের দায়িত্ব দেয়া হয়। ইনস্টিটিউটের তৎকালীন পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) সিনিয়র বিজ্ঞানী ড. মো. আবু জামান সরকার ও পরিচালক (পরিকল্পনা, মূল্যায়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর) ড. সালাহ্উদ্দিন আহমেদকে ডিঙিয়ে তাকে এ পদে বসানো হয়। আর গোলাম ফারুক ডিজি হওয়ার পর তিনিও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে কর্মকর্তাদের পদায়ন করেছেন। তৎকালীন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের দলীয় সমর্থক হিসেবে পরিচিত জুনিয়র কর্মকর্তাদের নানা সুযোগ-সুবিধা দিয়েছেন। দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে পুরস্কৃত করেছেন। গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে তিনি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে সব জায়গা থেকে বিগত সরকারের আশীর্বাদপুষ্টরা বিদায় নিচ্ছেন। অথচ ড. গোলাম ফারুককে শুধু পদাবনতি করা হয়েছে। পরবর্তীতে তাকে পরিচালক হিসেবে পদায়ন করে তার দুর্নীতির রাজত্ব চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়া হয়েছে। ফলে তিনি বহাল তবিয়তেই আছেন। একাধিক বিজ্ঞানী জানান, ড. গোলাম ফারুক বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালকদের কাছ থেকে নিয়মিত ঘুষ নিতেন। প্রতি মাসে দু’-তিনবার ঢাকায় যাওয়ার সময় সচিবের নাম করে বিভিন্ন প্রকল্প থেকে ১০-১২ লাখ টাকা নিতেন।
ড. গোলাম ফারুকের পদাবনতি নয়, পুরোপুরি অপসারণ চান প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ এলাকাবাসী। বিক্ষুব্ধ কর্মকর্তা-কর্মচারীরা জানান, আমরা ইনস্টিটিউটের সামনে দিনাজপুর-দশমাইল মহাসড়কে মানববন্ধন কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে গেলে এসএ রুবেল ও ডিজি’র গাড়িচালক মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে ইনস্টিটিউটের একজন কর্মকর্তা, শ্রমিক-কর্মচারী হামলা চালায়। এতে ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী মো. আসাদুজ্জামান চৌধুরী ও মো. নূরে আলম আহত হন। কিন্তু এসব হামলা ও ভয়ভীতি দেখিয়ে কোনো লাভ নেই। সকল প্রকার বৈষম্যের বিরুদ্ধে, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান অত্যন্ত পরিষ্কার। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, গোলাম ফারুক বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের দোসর ছিলেন। তিনি ও তার সহযোগী প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা বঙ্গবন্ধু কৃষিবিদ পরিষদের নেতা ও সাবেক হাবিপ্রবি ছাত্রলীগের নেতা ড. মো. আব্দুল হাকিম ঢাকায় ছাত্র-জনতার বিরুদ্ধে মাঠে নেমে আন্দোলন করেছেন। তারা অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিকে ধ্বংস করেছেন। দুর্নীতিবাজ এই হাকিমের বিরুদ্ধে দুদকের একটি মামলায় তদন্ত চলমান রয়েছে। আমরা তাদের শুধু পদাবনতি নয়, পুরোপুরি অপসারণ বা বদলি চাই। এই সম্ভাবনাময় ইনস্টিটিউটটি তাদের জন্য ধ্বংস হোক- তা আমরা কেউই চাই না। এ ব্যাপারে গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটের বর্তমান পরিচালক ড. গোলাম ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
September
(772)
-
▼
Sep 24
(23)
- আবু সাঈদের শরীরে মিলেছে শর্টগানের গুলির চিহ্ন: আড়া...
- অস্কারে ভারতের বাজি ‘লাপাতা লেডিজ’
- সরকারের পাশে থাকার কথা জানালেন সেনাপ্রধান, সংস্কার...
- কক্সবাজারে ডাকাতের ছুরিকাঘাতে সেনা কর্মকর্তা নিহতঃ...
- কে এই অনূঢ়া কুমারা দিশানায়েকে!
- অসন্তোষ কাটছেই না পোশাক শিল্পে
- গুলিতে স্বামীর মৃত্যু: তিন সন্তান নিয়ে দুশ্চিন্তায়...
- যেভাবে খুন করা হয় নটর ডেমের লিপিকাকে
- মান্নানের শেল্টারে কোটিপতি ফয়সল by ওয়েছ খছরু
- দল নিষিদ্ধের প্রস্তাব সংশোধনীর খসড়ায়
- শ্রীলঙ্কার নতুন প্রেসিডেন্টের সামনে যত চ্যালেঞ্জ
- কোন পথে ঢাকা-ইসলামাবাদ সম্পর্ক!
- সপ্তাহে ৭ দিনই বাসে হাফ ভাড়া দিতে পারবেন শিক্ষার্থীরা
- বিভক্তি নয়, জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে চায় বিএনপি: তারেক...
- জনপ্রশাসনের আদেশ: পররাষ্ট্রে অস্বস্তি by মিজানুর র...
- ১১২ দিন পর ক্লাসে ফিরেছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা
- বাফুফে সভাপতি পদে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়ে যা বললেন ত...
- বাংলাদেশের অস্থিরতার মধ্যে গোড্ডা প্ল্যান্টকে ভারত...
- লেবাননে ইসরাইলের ভয়াবহ হামলা নিহত ২৭৪
- ইতিবাচক ধারায় রপ্তানি আয়
- ঋণ সুবিধার জন্য চার উপদেষ্টা ও গভর্নরকে বেক্সিমকো’...
- ১০ বছর পর্যন্ত সংগঠন নিষিদ্ধের প্রস্তাব: আন্তর্জাত...
- দিনাজপুর গম ও ভুট্টা গবেষণা ইনস্টিটিউটে নজিরবিহীন ...
-
▼
Sep 24
(23)
-
▼
September
(772)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

