Showing posts with label দ্য ডেইলি স্টার বাংলা. Show all posts
Showing posts with label দ্য ডেইলি স্টার বাংলা. Show all posts

Saturday, August 31, 2019

আসাম এনআরসি: বাংলাদেশের কি উদ্বিগ্ন হওয়া উচিত? by তাসলিমা ইয়াসমিন

গত বছরের জুলাই মাসে আসামের জাতীয় নাগরিক নিবন্ধনের (এনআরসি) খসড়ায় ৪০ লাখের বেশি লোককে ভারতীয় নাগরিকত্বের বাইরে রাখা হয়। চলতি ৩১ আগস্টের মধ্যে এর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। এনআরসির অর্থ হলো, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর আসামে প্রবেশ করা ‘অবৈধ অভিবাসীদের’ চিহ্নিত করে তালিকা থেকে বাদ দেয়া। বাংলাদেশ যখন মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে নিয়ে হিমশিম খাচ্ছিল, তখনই খসড়া এনআরসি প্রকাশ করা হয়েছিল। এ নিয়ে বাংলাদেশে অনেকে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাদের এই উদ্বেগ ছিল অনেকাংশেই যৌক্তিক। কারণ অবৈধ ঘোষিত লোকদেরকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয়া হতে পারে বলে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়। তবে বাংলাদেশের সাথে সরকারি পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে ভারত কখনো অবৈধ অভিবাসনের বিষয়টি উত্থাপন না করায় বাংলাদেশও এনআরসি প্রক্রিয়া নিয়ে কোনো উদ্বেগ প্রকাশ করেনি।

অবশ্য বেসরকারিভাবে মিডিয়ায় কথা বলার সময় উচ্চ পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তারা বাংলাদেশের অবস্থান পরিষ্কারভাবে জানিয়ে বলেছেন যে ১৯৭১ সালের পর বাংলাদেশ থেকে কোনো ধরনের বেআইনি অভিবাসন আসামে ঘটেনি। উভয় দেশের মধ্যকার উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ব্যক্তিগত যোগাযোগে বাংলাদেশকে বারবার আশ্বস্ত করা হয়েছে যে এটা ভারতের স্রেফ একটি অভ্যন্তরীণ বিষয়। এনআরসি থেকে বাদ পড়াদের বাংলাদেশে প্রত্যাবাসনের কোনো পরিকল্পনা ভারতের নেই।

অবশ্য এসব অনানুষ্ঠানিক অভিমত, সাক্ষাতকার, মিডিয়া বিশ্লেষণ- সবাই ভারতের নির্বাচন-পূর্ব প্রেক্ষাপটে প্রকাশিত। কখনো কিন্তু পরিষ্কার করে বলা হয়নি যে এনআরসি হলো লোকসভার নির্বাচনে জয়ের একটি কৌশল। কিন্তু নির্বাচনের পর যে গতিতে এনআরসি বাস্তবায়নের কাজ চলছে, তাতে আশঙ্কার সৃষ্টি হয়েছে যে সেটা আর স্রেফ রাজনৈতিক বাগাড়ম্বর নয়। বরং বিজেপির নির্বাচনী ইশতেহারে ভারতের অন্যান্য অংশেও এনআরসি প্রক্রিয়া বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছিল।

তাছাড়া এনআরসি প্রক্রিয়াটি হচ্ছে ভারতের সুপ্রিম কোর্টের তদারকিতে। আর সেই সুপ্রিম কোর্ট সুস্পষ্টভাবে বলেছে যে এই প্রক্রিয়ায় চিহ্নিত অবৈধ অভিবাসীদেরকে অবশ্যই বাংলাদেশে পাঠিয়ে দিতে হবে। এটাই যদি হয়, তবে এনআরসি আর কেবল ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয় থাকে না।

অবশ্য বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্ক যে পর্যায়ে রয়েছে তাতে করে ভারত এত বিপুলসংখ্যক লোককে বাংলাদেশ সীমান্তে পাঠাবে না বলেই আশা করা যায়। ক্ষমতাসীন বিজেপি ও এনআরসি কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেয়া হচ্ছে যে যারা তালিকা থেকে বাদ পড়বে, তারা ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আবেদন করতে পারবে। তাছাড়া তারা সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার সুযোগ পাবে। ফলে যাদের নাম এনআরসির চূড়ান্ত তালিকায় না থাকবে, তাদের ভাগ্য নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হতে অনেক সময় লাগবে। ফলে আশা করা যেতে পারে অদূর ভবিষ্যতে কাউকে বাংলাদেশে বহিষ্কার করা হচ্ছে না।

কিন্তু এখনই বহিষ্কার করা না হলেও দীর্ঘ মেয়াদে এসব লোক তাদের রাজনৈতিসহ সব অধিকার হারিয়ে শেষ পর্যন্ত কোনো আটক কেন্দ্রে ঠাঁই পাবে। এখন পর্যন্ত হলো, জাতীয়তা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত থেকে এসব লোক কত দিন আসামে থাকা নিরাপদ মনে করবে? পুরো প্রক্রিয়াটি নিশ্চিতভাবেই নজিরবিহীন সংখ্যক লোককে রাষ্ট্রহীন করে তুলবে। আর এর জের ধরে সাম্প্রদায়িকতা ও অনিশ্চয়তা কেবল আসামেই সীমিত থাকবে না। আশঙ্কা করা যেতেই পারে, অধিকার বঞ্চিত এসব লোক প্রতিবেশী দেশগুলোর সীমান্ত এলাকায় আশ্রয় নেয়ার চেষ্টা করবে। অর্থাৎ অনাগরিককরণের এই প্রক্রিয়া এই অঞ্চলে বিপজ্জনক মেরুকরণ করতে পারে। পরিণতিতে একপর্যায়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসা বিপুল সংখ্যক লোককে গ্রহণ করা লাগতে পারে বাংলাদেশকে।

আর আসামের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার জের ধরে বাংলাদেশেও বিদ্যমান সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার সূচনা হতে পারে। আসামের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা যে কেবল সেখানেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, তা বোঝার জন্য খুব বেশি রাজনৈতিক দূরদৃষ্টির প্রয়োজন পড়ে না। এত বিপুলসংখ্যক লোকের নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার একটি বিরূপ প্রতিক্রিয়া অবশ্যই এই অঞ্চলের সার্বিক শান্তি ও নিরাপত্তার ওপর পড়বেই। আর এতে যে দেশ সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হবে তা হলো বাংলাদেশ। এই প্রেক্ষাপটেই ৩১ আগস্টের চূড়ান্ত এনআরসি প্রকাশের প্রেক্ষাপটে আসন্ন সঙ্কট নিরসনে বাংলাদেশ কী ধরনের কার্যকর কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য প্রস্তুত তা দেখার বিষয়।
>>>সাউথ এশিয়ান মনিটর

Wednesday, August 28, 2019

লালমনিরহাটে বাংলাদেশের প্রথম এভিয়েশন বিশ্ববিদ্যালয়

অবশেষে পূরণ হতে যাচ্ছে লালমনিরহাটের বাসিন্দাদের দীর্ঘদিনের দাবি। লালমনিরহাটে অবস্থিত দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময়ের পরিত্যক্ত বিমানবন্দরেই হচ্ছে দেশের প্রথম ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়’।

একই সঙ্গে এখানে একটি বিমান মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হবে, এমনকি ভবিষ্যতে এখানে একটি বিমান তৈরির কারখানা প্রতিষ্ঠা করা হতে পারে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ।

লালমনিরহাটের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, এটি তাদের অনেক দিনের দাবি। পরিত্যক্ত লালমনিরহাট বিমানবন্দরটি পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করলে জেলার অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এখন সরকারের নেওয়া পদক্ষেপগুলোর দ্রুত বাস্তবায়ন চেয়েছেন তারা।

বৃহস্পতিবার বিকালে বিকেলে প্রস্তাবিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থান নির্ধারণ করতে লালমনিরহাটে আসেন লালমনিরহাট-২ আসনের সাংসদ ও সমাজকল্যাণমন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন লালমনিরহাট-৩ আসনের সাংসদ ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের, বিমানবাহিনী প্রধান মাসিহুজ্জামান সেরনিয়াবাত, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এয়ার ভাইস মার্শাল ফজলুল হক, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক সালমান ডেভিডসহ বিমানবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী নুরুজ্জামান আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, “প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়টির মূল ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে হবে, তবে এর একটি শাখা রাজধানী ঢাকার আশকোনায় স্থাপন করা হবে।”

মন্ত্রী বলেন, “দেশের পশ্চাৎপদ, অবহেলিত এবং উপেক্ষিত জেলা হিসেবে লালমনিরহাটের মানুষের কল্যাণে এবং জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজ উদ্যোগে এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।”

লালমনিরহাট বিমানবন্দরকে সচল করতে দিনে তিনটি ফ্লাইট চলাচল করতে পারে চলতি বছর ডিসেম্বরের মধ্যেই, তিনি এমনটি জানিয়ে বলেন, “লালমনিরহাট বিমানবন্দরে স্থাপন করা হবে বিমান তৈরি ও মেরামত কারখানা।”

বিমানবাহিনী প্রধান বলেন, “লালমনিরহাটে অ্যারোস্পেস ইউনিভার্সিটির পাশাপাশি এখানে থাকবে আধুনিক বিশ্বের সমতুল্য এম আর ও বা মেইনটেনেন্স এন্ড রিপেয়ারিং অর্গানাইজেশন অর্থাৎ বিমান মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা। এমনকি এখানে একটি বিমান তৈরির কারখানাও হতে পারে।”

“এখানে প্রতিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়টিতে যারা শিক্ষানবিশ থাকবেন, তাদেরকে শেখাতে গেলে সম্পূরকভাবে বিমানবন্দর এবং উড়োজাহাজ নির্মাণ এবং মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ কারখানাও থাকতে হবে,” বলেন তিনি।

“এই বিশাল কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য সময়ের প্রয়োজন। যা আজ থেকে পাঁচ-সাত বছরের মধ্যেই শুরু হয়ে যাবে। আর এই কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেলে শুধু বাংলাদেশ নয় নেপাল, ভুটান এবং ভারতের সাতটি অঙ্গরাজ্য তথা এখানকার পুরো অঞ্চলের যোগাযোগ এবং আর্থসামাজিক অবস্থার ব্যাপক উন্নতি সাধিত হবে,” তিনি এমনটি জানিয়ে বলেন, “যেহেতু আকাশ যোগাযোগের বিষয়ে বিমান বাহিনী একটি প্রভাবক শক্তি তাই বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে।”

এদিকে বঙ্গবন্ধু এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয়ের পরামর্শক সালমান হাসান ডেভিড সাংবাদিকদের বলেন, “এয়ারক্রাফট নির্মাণ, মেরামত, স্যাটেলাইট নির্মাণ ও উৎক্ষেপণ, মহাকাশ গবেষণা প্রভৃতি প্রযুক্তিতে বিশ্বের উন্নত দেশ অনেক দূর এগিয়ে গেলেও কিছু সীমাবদ্ধতার কারণে আমাদের দেশে ইতিপূর্বে বড় কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা এবং সাহসী পদক্ষেপে দেশে এই প্রথম একটি এভিয়েশন ও অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।”

“এ বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংসদে পাস করা হয় এবং ৬ মে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য, রেজিস্টার ও ট্রেজারারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের দাপ্তরিক কার্যক্রম শুরু হয়,” জানান তিনি।

তিনি বলেন, “আশা করছি আগামী বছর জানুয়ারি মাস থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক এবং স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পাঠদানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হবে।”

“প্রাথমিকভাবে বিশ্ববিদ্যালয়টিতে সাতটি অনুষদ, ৩৭টি বিভাগ, চারটি ইনস্টিটিউট রাখার পরিকল্পনা রয়েছে,” তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি জানান, এই অঞ্চলের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ক্যাম্পাস লালমনিরহাটে স্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

সালমান হাসান ডেভিড বলেন, “আমাদের সঙ্গে একত্রে কাজ করার লক্ষ্যে বিশ্বের কয়েকটি দেশের স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা কেন্দ্র ইতিমধ্যে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী এবং যুগোপযোগী উদ্যোগে আমরা সফলকাম হবো এবং এই বিশ্ববিদ্যালয়টি দ্রুত সময়ের মধ্যে বিশ্বের একটি প্রথমসারির অ্যারোস্পেস বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা কেন্দ্রে পরিণত হবে।”

>>>সাউথ এশিয়ান মনিটর,

Tuesday, March 26, 2019

বিমানবাহিনী, ১৫ ব্যক্তি পেলেন স্বাধীনতা পুরস্কার

এ বছর ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান হিসেবে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে স্বাধীনতা পদক ২০১৭তে ভূষিত করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০১৭’ প্রদান করেন। মুক্তিযুদ্ধ, সাহিত্য, সংস্কৃতি এবং উন্নয়নসহ জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য এই পদক প্রদান করা হয়।
পুরস্কার হিসেবে প্রত্যেককে ৩ লাখ টাকার চেক, ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের একটি পদক ও সনদপত্র প্রদান করা হয়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর স্বাধীনতা পদকে ভূষিত হয়েছেন - গ্রুপ ক্যাপ্টেন (অব:) শামসুল আলম বীরউত্তম, স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের কর্মকর্তা আশরাফুল আলম, শহীদ মো. নাজমুল হক, প্রয়াত মন্ত্রী সৈয়দ মহসিন আলী (মরণোত্তর), শহীদ এন. এম. নাজমুল আহসান (মরণোত্তর), শহীদ ফয়জুর রহমান আহমেদ (মরনোত্তর), চিকিৎসায় অধ্যাপক ডা. এএইচএম তৌহিদুল আনোয়ার চৌধুরী, সাহিত্যে রাবেয়া খাতুন ও মরহুম গোলাম সামদানী কোরায়শী (মরণোত্তর), সংস্কৃতি ক্ষেত্রে প্রফেসর ড. এনামুল হক ও নৃত্যকলায় ওস্তাদ বজলুর রহমান বাদল, সমাজকল্যাণে খলিল কাজী (ওবিই), গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমীর মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান এবং প্রয়াত অধ্যাপক ড. ললিত মোহন নাথ (মরণোত্তর) এবং জনপ্রশাসনে প্রফেসর মো. আসাদুজ্জামান।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম স্বাধীনতা পদক প্রদান অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন এবং স্বাধীনতা পদক বিজয়ীদের সাইটেশন পাঠ করেন। স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্তদের পক্ষে অধ্যাপক ড. এনামুল হক নিজস্ব অনুভূতি ব্যক্ত করে বক্তৃব্য রাখেন।
পদকপ্রাপ্তরা প্রধানমন্ত্রীর নিকট থেকে পদক ও সনদ গ্রহণ করেন।
বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর পক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে স্বাধীনতা পদক প্রহণ করেন।
মরনোত্তর পদকের ক্ষেত্রে শহীদ মো. নাজমুল হকের পক্ষে ছেলে ইঞ্জিনিয়ার শহীদুল ইসলাম হক, সৈয়দ মহসিন আলীর পক্ষে স্ত্রী সৈয়দা সায়রা মহসিন এমপি, শহীদ এন.এম. নাজমুল আহসানের পক্ষে ছোট ভাই এম এন সদরুল আহসান, শহীদ ফয়জুর রহমান আহমেদের পক্ষে কন্যা মিসেস সুফিয়া খাতুন, মরহুম গোলাম সামদানী কোরায়শীর পক্ষে পুত্র গোলাম ইয়াজদানী কোরায়শী এবং প্রয়াত অধ্যাপক ড. ললিত মোহন নাথের পক্ষে স্ত্রী আরতি নাথ প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে পদক প্রহণ করেন।
প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিব পদক বিজয়ীদের সঙ্গে ফটোসেশনেও অংশগ্রহণ করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টাবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত, চিফ হুইপ ও হুইপবৃন্দ, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক, সংসদ সদস্যগণ, সরকারের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, ডিপ্লোমেটিক কোরের ডিন, বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকবৃন্দ, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Friday, February 15, 2019

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল লাইনের দুই ধারের চিত্র

ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ রেল লাইনের দুই ধার ঘেঁষে বিপজ্জনকভাবে গড়ে তোলা হয়েছে দোকানপাট। ছবিটি গত সপ্তাহে ঢাকার জুরাইন এলাকা থেকে তোলা। ছবি: পলাশ খান @দ্য ডেইলি স্টার বাংলা