Tuesday, November 27, 2012

চিকিৎসক হতে চান সুমি ও জেরিন, কিন্তু... by এম.আব্দুল্লাহ আল মামুন খান

স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিতে কড়া নাড়ছে দরজায়। নিজেদের ও বাবার ইচ্ছা পূরণে বড় ব্যাকুল দুই বোন। অথচ আর্থিক সংকট খুলতে দিচ্ছে না সুমি ও জেরিনের স্বপ্ন বাস্তব হওয়ার দরজা।

পদ্মাসেতুতে দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়া গেছেঃ দুদক চেয়ারম্যান

আগামী ৩ ডিসেম্বর পদ্মাসেতু দুর্নীতির অনুসন্ধান কাজ শেষ হওয়ার পরই জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সানি লিওনের মোহে এখন উত্তাল বলিউড

পর্নস্টার সানি লিওনের মোহে এখন উত্তাল বলিউড। তাঁর সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি জিসম-২র প্রচারে এখন এই লাস্যময়ী ঘুরে বেড়াচ্ছেন ভারতের বিভিন্ন শহরে। সম্প্রতি তিনি কলকাতায় এসে মাতাল করে যান তিলোত্তমাকেও।

শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইন কলকাতায় গ্রেফতার by রক্তিম দাশ ও জাহাঙ্গীর সুমন

বাংলাদেশের শীর্ষ সন্ত্রাসী ইন্টারপোলের রেডকর্নার নোটিশপ্রাপ্ত আসামি সুব্রত বাইন কলকাতার বড়বাজার এলাকায় গ্রেফতার হয়েছেন। মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে তাকে গ্রেফতারের বিষয়টি স্বীকার করে কলকাতা পুলিশ।

সানি দেওল বনাম সানি লিওন

বলিউডে সানি বনাম সানির লড়াইটা বেশ জমে উঠেছে। দর্শক নন্দিত অভিনেতা সানি দেওল তার নতুন ছবিতে ইন্দোকানাডিয়ান পর্নোস্টার ও ‘জিসম-২’খ্যাত অভিনেত্রী সানি লিওনকে কাস্টিং না করার জন্য পরিচালকে অনুরোধ করেছেন।

হাড় দাঁত থেকে ডিএনএ সংগ্রহ

আশুলিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি তাজরীন ফ্যাশনসে দগ্ধ হয়ে নিহত অজ্ঞাতপরিচয় মানুষগুলোর পরিচয় উদ্ধারে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা নিতে হয়েছে কেবল দাঁত বা হাড় থেকে। আগুনে দেহগুলো পুড়ে অবশিষ্ট বলতে এগুলোই কেবল উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

সবিশেষ-রাজমিস্ত্রি বাঁচালেন বহু প্রাণ by তায়েফুর রহমান

অগ্নিকাণ্ডের শিকার তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেড এলাকার পাশের ভবনটিতে রাজমিস্ত্রির কাজ করেন উকিল মণ্ডল। আগুনের খবর শুনে তিনি ছুটে যান কারখানার সামনে। দেখতে পান আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়া। তাঁর স্ত্রী শাহনাজ পারভীন ওই কারখানার পঞ্চম তলায় অপারেটর হিসেবে কাজ করেন।

সরু গলিতে অপরিকল্পিত কারখানা by এস এম আজাদ

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর বাজারের পর আবাসিক এলাকার সরু রাস্তার পাশেই নয় তলা কারখানা ভবনের সামনে ছোট একটি সাইনবোর্ড। তাতে লেখা, তাজরীন ফ্যাশনস লিমিটেড, তুবা গ্রুপ (TUBA), মনোসন্তোষ মৌজা, নিশ্চিন্তপুর, আশুলিয়া।

তাজরীনে অগ্নিকাণ্ডে ২০০ কোটি টাকার ক্ষতি : দেলোয়ার

আশুলিয়ায় তাজরীন ফ্যাশন গার্মেন্টে অগ্নিকাণ্ডে ১১১ জন শ্রমিক নিহত হওয়ার পাশাপাশি ১৫০ কোটি থেকে ২০০ কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন কারখানাটির মালিক দেলোয়ার হোসেন। নিজের কারখানার বিপুলসংখ্যক শ্রমিকের প্রাণহানি আর কারখানাটি পুড়ে ছাই হয়ে গেলেও প্রাণভয়ে গত দুই দিন তিনি আশুলিয়ায় যাননি।

বাইশ বছরের গণতন্ত্র দিয়ে আমরা কী করেছি? -গণতন্ত্রের মূল রীতিনীতি আমরা ধরে রেখেছি by মাহ্ফুজ আনাম

বছর খানেকের মধ্যে আমরা আরেকটি সাধারণ নির্বাচনের মুখোমুখি হব। সদ্য আমরা দেখলাম, আমেরিকার জনগণ প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য নির্বাচিত করেছে; একটি নির্বাচন যে চিন্তাভাবনা, সাংগঠনিক সামর্থ্য, এমনকি তীব্র বাক্যবাণের (সীমার মধ্যে থেকে) প্রতিযোগিতার কত সুন্দর দৃষ্টান্ত হতে পারে, তাও আমরা দেখলাম।

আমাদের ভোটাররাও শেখ হাসিনাকে আবার নির্বাচিত করতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচনটি ছিল প্রবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ; প্রতিদ্বন্দ্বিতা কখনো কখনো তিক্ত হয়ে উঠেছিল, কখনো বা বেশ ব্যক্তিগত পর্যায়ে চলে গিয়েছিল। তবু সব মিলিয়ে ওই নির্বাচনকে মনে হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার উদ্দাম উৎসব; মতামত ও দৃষ্টিভঙ্গির বৈচিত্র্যের উৎসব, দেশ পরিচালনায় অংশগ্রহণের জন্য সামষ্টিক আকাঙ্ক্ষার প্রকাশ ঘটানোর উৎসব।
যেভাবে নির্বাচন পরিচালিত হয়েছে তার চেয়ে বেশি আকর্ষণীয় ছিল যেভাবে তা শেষ হয়েছে। বিজয়ী ও পরাজিত—উভয় প্রার্থী, বিশেষত পরাজিত জন, সংকীর্ণ দলীয় বিভক্তির ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান জানিয়েছেন নিজ নিজ সমর্থকদের প্রতি। যে দল ও যে ব্যক্তির প্রতি সমর্থন জানাতে গিয়ে তারা অনেকগুলো মাস ব্যয় করেছে, সেই ব্যক্তি ও দলের ঊর্ধ্বে দেশকে স্থান দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। নির্বাচন শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুই নেতা জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার কথা বলা শুরু করেছেন। কঠোর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ যেকোনো নির্বাচনে স্বাভাবিকভাবে যে অনিবার্য দূরত্ব সৃষ্টি হয়, তা দূর করার কথা বলা শুরু করেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের এই দৃশ্যপটের তুলনায় আমাদের দৃশ্যপট অনেক শঙ্কা আর উদ্বেগে পরিপূর্ণ। নির্বাচন কেমন হবে, অবাধ ও নিরপেক্ষ হবে কি না, যে দল হেরে যাবে তারা নির্বাচনের ফল মেনে নেবে কি না, সহিংসতা হবে কি না, আমরা অবাধে ভোট দিতে পারব কি না ইত্যাদি নানা প্রশ্ন কাজ করে অধিকাংশ ভোটারের মনে। অন্য কথায়, নির্বাচন নিয়ে আমাদের মনে আর উৎসবের বোধ কাজ করে না, বরং বিরোধ-সংঘাতের শঙ্কায় ভরে ওঠে মন, যা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
প্রশ্ন হলো, কেন? কেন আমাদের নির্বাচনগুলো চিন্তাভাবনার প্রতিযোগিতার উৎসব হবে না? কেন হবে না জাতির সেবার উদ্দেশ্যে গৃহীত সর্বোত্তম কর্মসূচিগুলোর প্রতিযোগিতার উৎসব? আমাদের নির্বাচন কেন হতে পারে না দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবনায় জনগণকে, বিশেষত যুবসমাজকে উদ্দীপিত করার উপলক্ষ? এই উপলক্ষে কেন তাঁরা ভাবেন না কী করে আরও ভালোভাবে দেশটি পরিচালনা করা যায়?
স্বৈরশাসক জেনারেল এইচ এম এরশাদকে পরাস্ত করে আমাদের স্বাধীন ইচ্ছায় বেছে নেওয়া রাজনৈতিক আদর্শ হিসেবে গণতন্ত্র এবং শাসনব্যবস্থা হিসেবে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রতিষ্ঠার পর বাইশ বছর পেরিয়ে যাচ্ছে। এই কালপর্বের দিকে তাকিয়ে আমরা বলতে পারি, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আমরা যথেষ্ট ভালো করেছি। দেড় দশক ধরে গড়ে প্রায় ছয় শতাংশ, প্রায়ই তারও বেশি হারে প্রবৃদ্ধি হয়েছে; বিশেষত বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেল, চাল ও অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং আমাদের সবচেয়ে বড় দুটি রপ্তানিবাজার যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপে মন্দা ও গুরুতর অর্থনৈতিক সংকটের এই কালে আমাদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বেশ সন্তোষজনক। তৈরি পোশাকশিল্প, জনশক্তি রপ্তানি, কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনে সাফল্য আমাদের অর্থনীতিকে প্রাণবন্ত রেখেছে। কিন্তু রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আমাদের সাফল্য ও অর্জন প্রত্যাশার চেয়ে অনেক কম।
এই সময়ের মধ্যে আমাদের দেশে চারবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সার্ক, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, জাতিসংঘ ও অন্যান্য সংস্থা ও দেশসহ সারা পৃথিবী থেকে আসা শত শত নির্বাচন পর্যবেক্ষক চারটি নির্বাচনই অবাধ ও নিরপেক্ষ হয়েছে বলে স্বীকৃতি দিয়েছেন। শুধু পরাজিত দল ছাড়া সবার কাছেই নির্বাচনগুলো অবাধ ও নিরপেক্ষ হিসেবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, আমাদের জনসাধারণের কাছে নির্বাচনগুলো গ্রহণযোগ্য হয়েছে এ কারণে যে তাতে তাদের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটেছে।
এরশাদ-পরবর্তী যুগের সবচেয়ে লক্ষণীয় বিষয়গুলোর একটি হলো এই যে দেশ পরিচালনা করেছে কেবলই প্রধান দুটি দল। অন্তর্বর্তীকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বাদ দিলে দেশ শাসন করেছে হয় আওয়ামী লীগ, নয় বিএনপি এবং এখনো পর্যন্ত সেভাবেই দেশ পরিচালিত হচ্ছে। উভয় দলই দুবার সরকার পরিচালনা করেছে এবং দুবার বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করেছে। অন্য কথায়, আমরা তাদের উভয় পাশেই দেখেছি। মজার বিষয় হচ্ছে, কোনো দলই পর পর দুই মেয়াদে শাসনক্ষমতা পায়নি। পর্যবেক্ষকেরা তাই বলেন, আমাদের ভোটাররা ভোট দেয় ক্ষমতাসীন দলের ‘বিরুদ্ধে’, বিরোধী দলের অনুকূলে নয়।
আমাদের গত ২২ বছরের গণতান্ত্রিক যাত্রার মূল্যায়ন কীভাবে করা যায়? আমার মনে হয়, আমরা যথার্থই গর্ব বোধ করতে পারি এ জন্য যে গণতন্ত্রের মূল রীতিনীতি আমরা ধরে রেখেছি। মাঝে মাঝে ব্যত্যয় ঘটলেও আমাদের একটি কার্যকর সংবিধান রয়েছে, যা মৌলিক অধিকারগুলোর রক্ষাকবচ, আমাদের আছে শক্তিশালী একটি সংবাদমাধ্যম এবং অত্যন্ত সমালোচনাপ্রবণ জনগোষ্ঠী, যারা কোনো ইস্যুতে প্রবলভাবে নাড়া খেলে দ্রুতই রাজপথে নেমে পড়ে। পাঁচ বছর পর পর জনগণ সরকারকে বিদায় জানাতে পারে—এ কারণেই বাংলাদেশ অনেক দেশের থেকে অনেক ওপরে আছে, যেসব দেশে সরকার বলপূর্বক ক্ষমতা আঁকড়ে থাকে।
কিন্তু এসব অর্জন সত্ত্বেও আমাদের রাজনীতিতে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি গড়ে ওঠেনি। প্রধান দুটি দলের মধ্যকার অসহিষ্ণুতা এমন মাত্রায় বেড়ে গিয়েছে যে প্রধান দুই নেত্রী দেশের প্রধান কোনো সমস্যা নিয়ে কখনো একত্রে বসে আলোচনা করেন না। তাঁরা যখন ক্ষমতায় থাকেন প্রতিপক্ষকে দমন করার কাজে রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করেন। এর সবচেয়ে ভয়ংকর একটি দৃষ্টান্ত বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেতা শেখ হাসিনার ওপর গ্রেনেড হামলা, যে ঘটনায় বর্তমান রাষ্ট্রপতির পত্নীসহ ২৩ ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটে। মত ও দৃষ্টিভঙ্গির ভিন্নতাই গণতন্ত্রের আত্মা, আর ভিন্নমত প্রকাশের একটি পূর্বশর্ত সহিষ্ণুতা। আমাদের নিজেদের বা অন্যান্য দেশের অভিজ্ঞতা থেকে এই শিক্ষা গ্রহণ করতে আমাদের নেতানেত্রীরা অনড়ভাবে অস্বীকৃতি জানিয়ে আসছেন।
আমাদের ২২ বছরের গণতান্ত্রিক যাত্রার সবচেয়ে দুঃখজনক একটি দিক হলো, যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে, সে দল ওয়াচডগ ও সমালোচকের ভূমিকায় বিরোধী দলকে কখনো গ্রহণ করতে পারে না। আর বিরোধী দল কখনো মেনে নিতে পারে না যে ‘বিজয়ী’ দল নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য দেশ পরিচালনার বৈধ অধিকার অর্জন করেছে। উভয় দলই মনে করে, সে নিজে জয়ী হলেই কেবল নির্বাচন ‘অবাধ ও নিরপেক্ষ’ হয়; হেরে গেলে মনে করে নির্বাচনে কারচুপি হয়েছে।
নির্বাচনে বিজয়ী দল কখনো মনে করে না যে বিজয়ের মধ্য দিয়ে সে সাংবিধানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত বিধিবিধান ও কার্যপ্রণালির সীমার মধ্যে থেকে জনগণের সেবা করার সুযোগ পেয়েছে; বরং মনে করে যে সে সুযোগ পেয়েছে স্বজনপ্রীতি, আনুকূল্যচর্চা আর দলীয় স্বার্থসিদ্ধিতে লিপ্ত হওয়ার।
দেশ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে পাওয়ার অর্থ দাঁড়িয়েছে নিজেদের তল্পিবাহক ও রাজনৈতিক কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা করে দিতে রাষ্টীয় অর্থ ব্যয় করার ‘অধিকার’ পেয়ে যাওয়া। দেশ পরিচালনার ক্ষেত্রে এ ধরনের মনোবৃত্তি থেকে অবধারিতভাবে গড়ে উঠেছে দুর্নীতির সংস্কৃতি, যা ক্রমেই ব্যাপক থেকে ব্যাপকতর হচ্ছে। যতই সময় গড়িয়েছে, বিএনপি ও আওয়ামী লীগ উভয় দলই দুর্নীতির ব্যাপারে ততই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। সময়ের ব্যবধানে দুর্নীতি হয়ে উঠেছে লাগামহীন, চলে গেছে নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই বিরোধী দলে থাকলে অব্যাহতভাবে সংসদ বর্জন করে চলে। সংসদ বর্জনের এই চর্চার ফলে সংসদ এমন প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে উঠতে পারেনি, যা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে পারে, সুশাসন বৃদ্ধি করতে পারে এবং প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রকে একটা কার্যকর অবয়ব দিতে পারে। ২০ বছর ধরে প্রায় অব্যাহতভাবে সংসদে বিরোধী দলের অনুপস্থিতির ফলে সংসদীয় গণতন্ত্রের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান জাতীয় সংসদের যথাযথ বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সংসদ সদস্যেদের ভূমিকা নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন প্রকল্পের জন্য সরকারি দান-খয়রাত ও অর্থবরাদ্দের তদবির করার মধ্যে সীমিত থাকায় আইনপ্রণেতা হিসেবে তাঁদের ভূমিকার বিকাশ ঘটতে পারেনি। আইন প্রণয়ন তাঁদের জন্য সবচেয়ে কম গুরুত্বপূর্ণ কাজ। সংসদে জাতীয় সমস্যাবলি নিয়ে আলোচনা করার পরিবর্তে তাঁরা যেসব বক্তৃতা করেন সেগুলোতে নিজেদের নেতার গুণকীর্তন আর বিরোধী দলের নেতার প্রতি গালাগাল ছাড়া আর তেমন কিছুই থাকে না। দেশের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয় নিয়ে সিরিয়াস বিতর্ক হয়েছে কদাচিৎ।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি উভয় দলই বিরোধী দল হিসেবে সংসদ বর্জন করার মধ্য দিয়ে কীভাবে লাভবান হয় তা আমরা ভেবে পাই না। যদি উল্টোটা ভাবা যায়, যদি কোনো দল সংসদ বর্জন না করত, তাহলে এখন আমাদের থাকত ২০ বছরের একটি কার্যকর সংসদ, অনেক অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ান এবং সুপ্রতিষ্ঠিত সংসদীয় রীতিনীতি ও অনুশীলন। এই সবকিছু মিলিয়ে গড়ে উঠত একটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি, যার অভাব আমরা ভীষণভাবে অনুভব করি।
তাহলে, আমাদের ভুল হয়েছে কোথায়? প্রথমত, যেসব প্রতিষ্ঠান গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়, গত ২২ বছরে আমরা সেগুলোকে শক্তিশালী করতে পারিনি। বিচার বিভাগ ও দুর্নীতি দমন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়, মানবাধিকার কমিশন, নির্বাচন কমিশন ইত্যাদি সংবিধিবদ্ধ সংস্থাগুলোর নিজস্ব অন্তর্নিহিত ক্ষমতার ক্ষয়সাধন করে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ নানা উপায়ে সেগুলোকে নির্বাহী বিভাগের আজ্ঞাবহ প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছে। এই সীমাবদ্ধতার মধ্যেও প্রতিষ্ঠানগুলো যেটুকু স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারত, তা করতে পারে না এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে দুর্বল ও বশংবদ ধরনের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়ার কারণে। ব্রিটেনের কাছ থেকে আমরা যে সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারা গ্রহণ করেছি, তার অনিবার্য অংশ স্বাধীন আমলাতন্ত্রের ধারণা; কিন্তু বাংলাদেশে স্বাধীন আমলাতন্ত্রের অস্তিত্ব এখন আর নেই বললেই চলে। প্রতিটি সরকার নির্লজ্জভাবে জনপ্রশাসনের রাজনৈতিকীকরণ করেছে, ফলে জনপ্রশাসনের কর্মদক্ষতা মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের কর্মসম্পাদন মূল্যায়নের ক্ষেত্রে দক্ষতা-যোগ্যতার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে রাজনৈতিক আনুগত্য, যার অবধারিত ফল সরকারের প্রতিশ্রুতি পূরণের সামর্থ্য ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
আমরা যখন আরেকটি নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে, তখন ভেবে দেখা খুবই প্রয়োজন দুই দশক ধরে আমরা আমাদের গণতন্ত্র নিয়ে কী করেছি এবং অতীতে যে পথ গণতন্ত্রকে বিপদের মুখে ফেলেছে তা থেকে আমরা কীভাবে সরে আসতে পারি। এখনো সময় আছে এক বছরের বেশি। সত্যিকারের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে এই সময়ের মধ্যে অনেক কিছুই করা সম্ভব।
প্রশ্ন হচ্ছে, আমাদের কি রাজনৈতিক সদিচ্ছা আছে?
ইংরেজি থেকে অনূদিত
মাহ্ফুজ আনাম: সম্পাদক ও প্রকাশক, দ্য ডেইলি স্টার।

সাক্ষাৎকার-গার্মেন্ট শ্রমিকের জীবন কি এত সস্তা : নাজমা

সম্মিলিত গার্মেন্ট শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি নাজমা আক্তার প্রশ্ন রেখে বলেছেন, 'গার্মেন্ট শ্রমিকের জীবন কি এত সস্তা?' তিনি বলেন, দেশের সবচেয়ে লাভজনক গার্মেন্ট শিল্প খাতে কারখানা মালিকরা কোটি কোটি টাকার মুনাফা করছেন। কিন্তু তাঁরা কখনোই এ খাতের শ্রমিকদের মূল্যায়ন করেন না।

'গার্মেন্টপল্লী' হয়নি ১৫ বছরেও-পরিকল্পিত শিল্প হলে ঝুঁকি কমত : বিজিএমইএ by রাজীব আহমেদ

দাবি-দাওয়া নিয়ে পোশাক শিল্পমালিকরা যখন সংবাদ সম্মেলন করেন তখন প্রথম দাবি থাকে উৎসে কর কমানোর। এ নিয়ে তাঁরা অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী ও শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং সফলও হন।

অবহেলার শাস্তি হয় না মালিকদের-পার পাওয়া যায় ক্ষতিপূরণ দিয়েই

১৯৯০ সালের পর থেকে তাজরীন ফ্যাশনে আগুন লাগার আগ পর্যন্ত পোশাক কারখানায় ২১২টি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ২৭৫ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। এ হিসাব পোশাক কারখানার মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর। অন্যদিকে শ্রমিকরা বলছেন, মৃত্যুর এ সংখ্যা ৭০০।

দুঃসহ-বাতাসে শিশুর কান্না সহকর্মীর আহাজারি by জয়নাল আবেদীন

কবিরের লাশ গেছে রাজবাড়ীতে, রহিমার লাশ রংপুরে; কিন্তু তাঁদের রেখে যাওয়া শোকে ভারি হয়ে আছে আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরের ধোঁয়াচ্ছন্ন আকাশ। এখানকার পথ থেকে পথে, মানুষের মুখে মুখে পোশাক কারখানার আগুনের কথা, মৃত্যুর কথা। আছে কারো কারো মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে আসারও কাহিনী।

এ লাশ অনেক ভারী by বিপ্লব রহমান

বাতাসে পোড়া লাশের গন্ধ। স্কুলের বারান্দায় সারিবদ্ধ প্রায় ১০০ মরদেহ সাদা প্লাস্টিকের ব্যাগে। পুড়ে কয়লা হয়ে গেছেন, ক্ষুদ্র আকৃতির হয়ে গেছেন একেকজন শ্রমিক। স্বজনরা তারপরও প্রিয় মুখটি চেনার চেষ্টায় মরিয়া। মন শক্ত করে, নাক-মুখ চেপে একেকটি ব্যাগের চেইন সরিয়ে উঁকি দিচ্ছেন তাঁরা।

'মাগো বাঁচাও, দেরি হলে হয়তো আর...'

'মা, পারলে আমাকে বাঁচাও, আমি পাঁচতলার বাথরুমে আছি। দেরি হলে হয়তো আর দেখা হবে না। আর যদি মারা যাই তাহলে কোমরে বাঁধা শার্ট দেখে আমাকে চিনতে পারবা।' মারা যাওয়ার আগে এভাবেই শেষবারের মতো মোবাইল ফোনে মায়ের কাছে আকুতি জানিয়েছিলেন রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার লতিফপুর বড়বাড়ি গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে পলাশ।

'হামার আফরিন আসিবে....' by তৌফিক মারুফ

আগুন নেভানোর কাজে ব্যবহৃত পানিতে সয়লাব অগ্নিকাণ্ডে মৃত্যুপুরীতে রূপ নেওয়া তাজরীন গার্মেন্ট কারখানার ভেতর-বাইরের পুরো এলাকা। রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কাদাপানিতে একাকার হয়ে তাজরীনের প্রধান ফটকের সামনে একটি আমগাছের নিচে বসে পোড়া ভবনটির দিকে অপলক তাকিয়ে আছেন ওই কারখানারই কর্মী রায়হান।

টুকরো টুকরো-কে জানত দুদিন পর মহড়াই বাস্তব হবে!

আগুন লাগলেই বাজবে বিপদ সংকেত- সে ব্যবস্থা করা আছে। বৃহস্পতিবার দুপুরেও একবার বেজেছিল। এরপর যে যার কাজ ফেলে দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। কিন্তু তা ছিল নিতান্তই মহড়া। কে জানত দুদিন পর সেই মহড়া বাস্তবে রূপ নেবে?শনিবার সন্ধ্যায় আগুন লাগল। বিপদ সংকেতও বাজল।

আজ জাতীয় শোক, সব গার্মেন্টে ছুটি-আরো নাশকতার আশঙ্কা প্রধানমন্ত্রীর

আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুরে গত শনিবার তাজরীন গার্মেন্টে অগ্নিকাণ্ড এবং একই দিন চট্টগ্রামে নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের গার্ডার ভেঙে প্রাণহানির ঘটনায় আজ মঙ্গলবার জাতীয় শোক পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল সোমবার মন্ত্রিসভার নিয়মিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

আরেক কারখানায় আগুন দেওয়ার সময় গ্রেপ্তার ২-২০ হাজার টাকায় কাজটি করেন সুমী

আশুলিয়ায় ডেমবানিয়ার ফ্যাশন নামের একটি কারখানায় আগুন দেওয়ার অভিযোগে নারী পোশাক শ্রমিকসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত রবিবার রাত ৯টার দিকে শিল্পাঞ্চলের গোরাট এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জাকির হোসেন (২৬) ও সুমী বেগম (২৭)।

সরেজমিন-নিয়মের ধার ধারে না বহু কারখানা by আরিফুজ্জামান তুহিন ও তোফাজ্জল হোসেন রুবেল

১৯৬৫ সালের কারখানা আইনে শ্রমিকদের নিরাপত্তার বিষয়ে অনেক বিধান রাখা হয়েছে। কিন্তু ঢাকা ও আশুলিয়ার কয়েকটি পোশাক কারখানা ঘুরে সেসব আইন মানার কোনো বালাই দেখা যায়নি। আইন থাকলেও ওই সব কারখানার প্রবেশ ও নির্গমন পথ সার্বক্ষণিক খোলা থাকে না।

সংসদে শোক প্রস্তাব-প্রধানমন্ত্রী বললেন গার্মেন্টে আগুন পরিকল্পিত

আশুলিয়ায় গার্মেন্টে অগ্নিকাণ্ড পূর্বপরিকল্পিত বলে আখ্যায়িত করেছেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি ওই ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক উল্লেখ করে বলেছেন, 'মানুষের জীবন নিয়ে এই খেলা কবে বন্ধ হবে জানি না! তবে ঘটনার জন্য দায়ীদের দ্রুতই চিহ্নিত করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হবে।'

দক্ষিণখানেও গার্মেন্টে আগুন-আদর্শ ব্যবস্থা থাকায় বেঁচে গেলেন শত শত শ্রমিক by আপেল মাহমুদ

সকাল প্রায় ১০টা। উত্তরার মোল্লারটেকের আকাশে কালো ধোঁয়ার কুণ্ডলী। একটু এগিয়ে যেতেই আগুনের লেলিহান শিখা চোখে পড়ে। সোয়ান, স্যার ডেনিম ও ম্যাককয়- এ তিনটি পোশাক কারখানা যে ভবনে, সেটির সামনে কয়েক হাজার মানুষের ভিড়। তাদের চোখে-মুখে উৎকণ্ঠার ছাপ।

বিদেশি ক্রেতাদের ২১ শর্ত-নতুন অর্ডারে বিরূপ প্রভাবের আশঙ্কা by রাশেদুল তুষার

আশুলিয়ায় আগুন ও হতাহতের ঘটনায় দেশের পোশাক শিল্পে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। গতকালই সিঙ্গাপুরে বৈঠক করে অনেক বিদেশি ক্রেতা (বায়ার) তাঁদের এ দেশীয় কারখানামালিকদের (পণ্য উৎপাদক ও সরবরাহকারী) কাছে নিজেদের উদ্বেগের কথা জানিয়ে দিয়েছেন।

ফরিদা বারি বীথি : রবীন্দ্রময় যার সত্তা by সৈয়দ ইকবাল

দেশ ভাগ হওয়ার পর, নব্য পূর্ব পাকিস্তানে এক বিপরীত স্রোতে রবীন্দ্রসঙ্গীতকে প্রাণপণ চেষ্টা হচ্ছিল বধের, ঠিক তখন যারা যুদ্ধ করেছিলেন রবীন্দ্রনাথের গান ধরে রাখার তাদের প্রথম সারিতে ফরিদা বারি মালিক বীথি ছিলেন।

স্মরণ-উল্টোপথের যাত্রী by সারওয়ার আলী

সামরিক শাসনামলে তথাকথিত সর্বগুণসম্পন্ন প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাপটে এ আন্দোলন বেশ ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে। এ সময় এ আন্দোলনে যারা দৃঢ়ভাবে ঝুঁকেছিলেন, প্রকৌশলী গোলাম মহিউদ্দিন তাদের অন্যতম।

্উপমহাদেশ-প্রেরণা জোগাবে ক্রিকেট কূটনীতি by এম আবদুল হাফিজ

াদু'দেশেরই প্রধানমন্ত্রীরা কখন কীভাবে চূড়ান্ত আলোচনায় বসবেন, তা অনেকটাই নির্ভর করছে ক্রিকেট কূটনীতিরই ওপর। গতানুগতিক কূটনীতি যা এক যুগেও পারেনি; শান্তিকামীদের প্রত্যাশা, ক্রিকেট কূটনীতির প্রটোকলমুক্ত আন্তরিক পরিবেশে তার সুরাহা করতে পারবে

পিয়া ও সুমির খোঁজে by একরামুল হক শামীম

পিয়া ও সুমির বয়স ৫ থেকে ৮ বছর। এই বয়সী শিশুদের নানা আবদার থাকে, নানা ইচ্ছা থাকে। ঢাকা শহরেই এই বয়সী অনেক ছেলেমেয়ে হরহামেশা বাবা-মায়ের কাছে আবদার করে। মাঝে মধ্যেই খেতে যায় অভিজাত রেস্টুরেন্টে। প্রিয় সন্তানের জন্য মায়ের যত্নের অন্ত থাকে না।

শিক্ষা-আমাদের শিশুরা কী বই পড়ছে by নূর কামরুন নাহার

শিশুদের হাতে যেমন তুলে দিতে হবে ভালো বই তেমনি যে কোনো বই যাতে বাজারে চলে না আসে এবং শিশুদের মেধা ও মননের ক্ষতি করতে না পারে সেদিকেও খেয়াল দিতে হবে। ভালো ও সুন্দরের দিকে আমাদের শিশুদের নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব আমাদের

বাংলা নববর্ষ-সম্প্রীতির মহোৎসবে মিলিত হোক সকল ধারা by আবু সাঈদ খান

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের করণীয় হচ্ছে, নতুন আঙ্গিকে নববর্ষ উদযাপনের ক্ষেত্রে সব বাঙালিকেই এক মিছিলে আনা। এখানে আদিবাসীদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, মানুষের এই মিলনমেলার শক্তি অপরাজেয়।

সেপটিক ট্যাঙ্কে মৃত্যু-কেবল বিষাক্ত গ্যাসই দায়ী নয়

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় একটি বাড়ির মলশোধনী বা সেপটিক ট্যাঙ্কের বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে চার শ্রমিকের করুণ মৃত্যু ক্ষোভেরও সঞ্চার করে; শুধু বেদনাদায়ক নয়। সামষ্টিক স্বাস্থ্য রক্ষায় খেটে খাওয়া মানুষের মূল্যবান প্রাণহানির এ ধরনের অঘটন আকস্মিক তো নয়ই।

বোরোর বাম্পার ফলন-চালের বাজারে আসুক স্থিতি

 হাওরাঞ্চলে বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। মাঠে মাঠে সোনারঙা পাকা ধান দেখে কৃষকের মুখে ফুটেছে হাসি। দেশের অন্যান্য এলাকায় ফসল কাটতে আরও কয়েকটি দিন অপেক্ষা করতে হবে। সর্বত্রই অভিন্ন বার্তা_ শস্যে ভরে উঠবে কৃষকের গোলা।

আমরা কতটুকু এগিয়েছি by বীণা শিকদার

আমরা প্রতি বছর আজকের দিনে বিনম্র শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় স্মরণ করি শহীদ ডা. শামস উল আলম খান মিলনকে। '৯০-এর গণঅভ্যুত্থানে জানা-অজানা অনেক শহীদের জীবনদানের মধ্য দিয়ে সামরিক জান্তার পতন হয়েছিল। এরপর কেটে গেছে বাইশটি বছর।

নরেন বিশ্বাস :স্মৃতিতে অম্লান by নিমাই মণ্ডল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী-জীবনের প্রথম ক্লাসে শিক্ষক হিসেবে যাকে পেয়েছিলাম তিনি আমার প্রিয়তম শিক্ষক খ্যাতিমান আবৃত্তি ও উচ্চারণ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নরেন বিশ্বাস। পাজামা-পাঞ্জাবি পরিহিত, শ্মশ্রুমণ্ডিত এই মানুষটির বাকভঙ্গি, শব্দ চয়ন এবং শব্দ প্রক্ষেপণের জাদুতে ক্লাস কখন শেষ হয়েছিল বুঝতেই পারিনি।

পরিবেশ-হাওরের নিরুদ্দেশ পরিসংখ্যান by পাভেল পার্থ

চার বছর ধরে চেষ্টা করছি সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরপাড়ের হাজং গ্রামগুলোতে কার্তিক মাসে চরমাগা গান শুনব। কিন্তু কয়েক বছর ধরে এ সময়টাতে সীমান্তবর্তী হাজং গ্রামের পুরুষদের অনেককেই পাচ্ছি না।

সমকালীন প্রসঙ্গ-ছাত্রশিবির ও ছাত্রলীগের সন্ত্রাস প্রসঙ্গে by বদরুদ্দীন উমর

ছাত্রলীগের গত চার বছরের একটানা সন্ত্রাসের সঙ্গে এখন যুক্ত হয়েছে ছাত্রশিবিরের সন্ত্রাস। সন্ত্রাসী হিসেবে ছাত্রশিবির নতুন নয়। আশির দশকের প্রথম দিকে মাদ্রাসা ছাত্রদের জন্য সাধারণ কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা খুলে যাওয়ার পরই ছাত্র হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়ে তারাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড প্রথম শুরু করে।

নদী ভাঙনপীড়িত স্কুল-নীতিনির্ধারকরা নতুন করে ভাবুন

ক্সকুড়িগ্রামের চিলমারীর চর মুদাফৎ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দুর্দশার যে চিত্র শুক্রবার সমকালের লোকালয় পাতায় প্রকাশ হয়েছে, তা আমাদের নিঃসন্দেহে বেদনাহত করে।

চট্টগ্রামে ফ্লাইওভার দুর্ঘটনা-নির্মাণ ত্রুটি উপেক্ষার করুণ পরিণতি

গত ২৯ জুন চট্টগ্রামের বহদ্দারহাট এলাকায় নির্মাণাধীন ফ্লাইওভারের একটি গার্ডার ভেঙে পড়ার পর গঠিত তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে এ দুর্ঘটনার দায় সম্পূর্ণরূপে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছিল নির্মাণ শ্রমিকদের ওপর।

আশুলিয়ায় শ্রমিক বিক্ষোভ ৩০০ কারখানায় ছুটি by তায়েফুর রহমান

তাজরীন ট্র্যাজেডির পর আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের পোশাক কারখানাগুলোর শ্রমিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার কয়েক হাজার শ্রমিক রাস্তা বন্ধ করে বিক্ষোভ করেছে। ক্ষুব্ধ শ্রমিকদের শান্ত করতে তিন শতাধিক কারখানায় ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।

মানুষ পুড়ে কয়লা-আশুলিয়ায় লাশের সংখ্যা ১১১ by মাসুদুল আলম তুষার

তাজরীন গার্মেন্টে দাউদাউ আগুনের দিকে তাকিয়ে থেকে সারা রাত পার করে দেওয়া কয়েক হাজার মানুষের চোখে-মুখে আতঙ্ক। রবিবারের ভোরের আলোয় তখনো পুরোপুরি আলোকিত হয়নি আশুলিয়ার নিশ্চিন্তপুর গ্রাম। কারখানার বিভিন্ন ফ্লোর থেকে তখনো ধোঁয়া বের হচ্ছিল।

দাম নেই শুধু শ্রমিকের জীবনের by আবুল কাশেম

কারখানায় আগুন লেগে প্রাণহানির ঘটনা ঘটলেই তড়িঘড়ি করে গ্রুপ ইনস্যুরেন্সের এক লাখ টাকা 'ক্ষতিপূরণ' দেওয়ার ঘোষণা দেন মালিকরা। গত শনিবার রাতে আশুলিয়ার তাজরীন গার্মেন্টে আগুন লেগে ১১০ জন শ্রমিক মারা যাওয়ার পরও তাই-ই হলো।

অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন হামিদ মীর

অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন পাকিস্তানের জিয়ো টেলিভিশনের নির্বাহী সম্পাদক হামিদ মীর। গতকাল সোমবার রাজধানী ইসলামাবাদের একটি বাজারের সামনে তাঁর গাড়ির নীচে পেতে রাখা বোমা নিষ্ক্রিয় করে নিরাপত্তা বাহিনী। পুলিশ ও জিয়ো টিভি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

'সিংহাসনে বসার সময় পেরিয়ে যাচ্ছে'

সিংহাসনের উত্তরাধিকারী হিসেবে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকা ব্রিটিশ যুবরাজ চার্লস প্রথমবারের মতো তাঁর 'অধৈর্য' প্রকাশ করেছেন। আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন সিংহাসনে বসতে তিনি বেশি আগ্রহী_এমন ইঙ্গিত দিয়ে চার্লস বলেন, সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

দোহায় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন শুরু

কাতারের রাজধানী দোহায় গতকাল সোমবার থেকে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক জাতিসংঘের সম্মেলন শুরু হয়েছে। কার্বন নিঃসরণ হ্রাসের ব্যাপারে এখনই পদক্ষেপ না নিলে আগামী বছরগুলোতে স্যান্ডির মতো প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের আঘাত প্রায়ই দেখা যাবে_এ রকম হুঁশিয়ারির মধ্যেই এবারের সম্মেলন শুরু হলো।

পুনরায় হামলা ঠেকাতে ৩০০ কোটি রুপির প্রকল্প

মুম্বাই হামলার চার বছর পূর্তি ছিল গতকাল মঙ্গলবার। ভারতের অন্যতম এ বন্দরনগরীর কয়েকটি স্থানে ২০০৮ সালের এই দিনে একযোগে হামলা চালায় জঙ্গিরা। এতে কয়েকজন বিদেশিসহ ১৬৬জন নিহত হন। তাঁদের স্মরণে গতকাল মুম্বাইসহ সারা দেশে শ্রদ্ধা জানানো হয়।

আই কে গুজরাল হাসপাতালে

ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দর কুমার গুজরালকে (আই কে গুজরাল) গত শনিবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অনেক দিন ধরে তিনি কিডনির সমস্যায় ভুগছেন। সম্প্রতি ফুসফুসে সংক্রমণ ধরা পড়ায় তাঁকে হরিয়ানা রাজ্যের গুরগাওয়ের মেডিসিটি মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় যাবে না টিটিপি

পাকিস্তান সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনাকে নাকচ করে দিয়েছে দেশটির নিষিদ্ধ সংগঠন তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)। পাকিস্তানের স্বররাষ্ট্রমন্ত্রী রেহমান মালিকের এক বিবৃতির জবাবে সংগঠনটি গতকাল সোমবার তাদের এ মত জানায়।

রাজনীতি ছাড়ছেন এহুদ বারাক

রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী এহুদ বারাক। সামরিক বাহিনী ও রাজনীতিতে বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের এহুদ অনেকটা হুট করেই গতকাল সোমবার জানালেন, ২০১৩ সালের নির্বাচনের পরে তিনি আর রাজনীতিতে থাকছেন না।

বিশ্বের শত চিন্তাবিদের তালিকায় মালালা

রাজনীতি ও অর্থনীতিবিষয়ক খ্যাতনামা আন্তর্জাতিক সাময়িকী ফরেন পলিসির (এফপি) শীর্ষ ১০০ চিন্তাবিদের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে পাকিস্তানের নারী শিক্ষার পক্ষে সোচ্চার কিশোরী মালালা ইউসুফজাই। তালেবান এবং ওই মতাদর্শবিরোধী অবস্থানই তাকে তালিকার ছয় নম্বর স্থানে পৌঁছে দিয়েছে।

কাতালোনিয়ায় ভোট-জয় পেলেও হোঁচট খেলেন আর্তুর মাস

স্পেনের সমৃদ্ধ শিল্পাঞ্চল কাতালোনিয়ার আঞ্চলিক পার্লামেন্ট নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী দলগুলোর জোট জিতেছে। তবে স্বাধীনতা লাভের স্বপ্ন নিয়ে আগাম নির্বাচনের ডাক দেওয়া এ জোট তাদের প্রত্যাশিত নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি।

টাইটানিকের দুটি মেন্যু নিলামে বিক্রি

টাইটানিক জাহাজের খাবারের দুটি মেন্যু নিলামে এক লাখ পাউন্ডে বিক্রি হয়েছে। এর একটি যাত্রা শুরুর দিন (১০ এপ্রিল, ১৯১২) জাহাজটির প্রথম শ্রেণীর যাত্রীদের জন্য আয়োজন করা খাবারের মেন্যু। অন্যটি যাত্রা শুরু উপলক্ষে ১৯১১ সালের ৩১ মে আয়ারল্যান্ডের বেলফাস্টে আয়োজিত ভোজসভার।

চাঁদ উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র!

ঘটনাটিকে কোনো বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীর আখ্যান বলে মনে হতে পারে। অথচ তা-ই ঘটতে চলেছিল। পরমাণু বোমা মেরে পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহ চাঁদকে উড়িয়ে দিতে চেয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। ১৯৫০-এর দশকে এ ব্যাপারে পরিকল্পনা চূড়ান্তও করে ফেলেছিল তারা।

জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের আবেদন-'আত্মবিশ্বাসী' আব্বাস, পাশে আছেন নিক ক্লেগ-* হামাস-ফাতাহ একজোট, বহু দেশের সমর্থন আছে : আব্বা-* ইসরায়েলের সমালোচনা

য়াফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাস বলেছেন, জাতিসংঘে ফিলিস্তিনের 'সাবভৌম রাষ্ট্রের' মর্যাদা দাবির বিষয়ে তিনি 'সম্পূর্ণ আত্মবিশ্বাসী'। ফিলিস্তিন বর্তমানে জাতিসংঘের 'স্থায়ী পর্যবেকক্ষক'-এর মর্যাদা ভোগ করছে।

সেনা অভ্যুত্থানের আশঙ্কা বিরোধীদের-বিচারকদের সঙ্গে মুরসির বৈঠক দেশজুড়ে বিক্ষোভের ডাক

প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসির জারি করা অধ্যাদেশের (ডিক্রি) প্রতিবাদে মিসরে বিক্ষোভ আরো তীব্র হয়েছে। গতকাল সোমবার তৃতীয় দিনের মতো মুরসির সমর্থকদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ হয়। আগের দিন সংঘর্ষে মুরসির এক সমর্থক নিহত হয়েছেন।

ডাক্তারদের মিটিং-মিছিল-অবহেলিত হচ্ছে চিকিৎসা ও রোগীসেবা

আগামী ২৯ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাচন। এ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালগুলোতে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। চিকিৎসাসেবার এ কেন্দ্রগুলো যেন পৌরসভা নির্বাচনকেন্দ্রের রূপ নিয়েছে। বিভিন্ন পদের প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুনে কলেজ-হাসপাতাল ছেয়ে গেছে।

আবার গার্মেন্ট কারখানায় আগুন-জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে

জীবনের নিশ্চয়তা নেই নিশ্চিন্তপুরে। জীবন ও জীবিকার দায়ে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা প্রান্তিক মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনি তার কর্মস্থল। আগুনের লেলিহান শিখায় পুড়ে গেছে অনেকের স্বপ্ন। সরকারি হিসাবেই মৃতের সংখ্যা ১১১।

পবিত্র কোরআনের আলো-যে কোরআনের ওপর প্রতিষ্ঠিত সে-ই সত্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত

১৭. আফামান কা-না আ'লা- বায়্যিনাতিম্ মির্ রাব্বিহী ওয়া ইয়াতলূহু শা-হিদুম্ মিনহু ওয়া মিন ক্বাবলিহী কিতা-বু মূছা- ইমা-মান ওয়া রাহ্মাহ্; উলা-য়িকা ইউ'মিনূনা বিহী; ওয়া মান ইয়্যাক্ফুর্ বিহী মিনাল আহ্যা-বি ফান্না-রু মাওই'দুহূ; ফালা-তাকু ফী মিরইয়াতিম্ মিনহু; ইন্নাহুল হ্বাক্কু মির্ রাব্বিকা ওয়ালা-কিন্না আক্ছারা ন্না-ছি লা-ইউ'মিনূন।

গহন গহীন-প্রেসিডেন্ট ওবামার সামনের চ্যালেঞ্জ by ফখরুজ্জামান চৌধুরী

বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর মানুষটির চার বছরের জন্য ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে অবস্থানকালে বিশ্বময় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করার নৈতিক অধিকার অর্জনের ঘটনা এখনো ইতিহাস। পঁয়তাল্লিশতম প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের লড়াই এখন অবসিত।

খালেদা জিয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে দুটি কথা by তারেক শামসুর রেহমান

খালেদা জিয়া সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন যে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে সম্পৃক্ত করতে সরকার জামায়াতে ইসলামীকে পক্ষে আনার চেষ্টা চালাচ্ছে। ওই সভায় জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর আমির শামসুল ইসলাম এমপিও বক্তৃতা করেন।

স্মরণ-স্বৈরাচারের প্রতিবাদী কণ্ঠ ডা. মিলন by এস কবীর

প্রথম প্রথম কয়েক বছর গিয়েছি ডা. মিলনের বাসায়। বিশেষ করে ঈদের দিন। এ রকম বিশেষ দিনগুলোয় মায়ের বুকটা হু হু করে ওঠে ছেলের জন্য। কোনোবারই ছেলের বিষয়ে কোনো কথা হয়নি। কেমন আছেন বা অন্য সাংসারিক টুকিটাকি কথা।

কথা সামান্যই-বিদেশি পণ্য সংস্কৃতি ও দারিদ্র্য by ফজলুল আলম

বিদেশি জিনিসপত্রের সম্ভার আমাদের জীবনযাপনের প্রায় পুরো স্থানটাই দখল করে নিয়েছে- এটা বলা বোধ হয় সত্যের অপলাপ হবে না। এমনকি যেসব তরিতরকারি আমাদের দেশে উৎপাদিত হয়, সেসবের মধ্যেও অনেক কিছু (যেমন ক্যাপসিকাম বা গ্রিন পেপার) বিদেশ থেকে আমদানি করে ডাবল দামে বিক্রি করা হয়। ব্রিটিশ রাজত্বকালে বিদেশি পণ্য, বিশেষত বিলেতি কাপড় বর্জনের আন্দোলন হয়েছিল।

ক্ষুধার্ত মানুষের জীবনের দামও কম? by প্রভাষ আমিন

বাঙালি নাকি খুব ইমোশনাল জাতি। কিন্তু এই প্রশংসাটি আর সত্য বলে মনে হচ্ছে না। বাংলাদেশ তো সকালে স্বাভাবিক জীবন-যাপন শুরু করেছে; অফিস-আদালত-শেয়ারবাজার খুলেছে; আমরা সবাই খেয়েদেয়ে, শেভ করে, সেজেগুজে নিজ নিজ কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়েছি।

ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল নিয়ে ওষুধ কম্পানিগুলোর অমানবিক প্রতারণা by ড. মুনীরউদ্দিন আহমদ

১৯৪৬ থেকে ১৯৪৮ সালের মধ্যে গুয়াতেমালায় ঘটে গেল চিকিৎসাবিজ্ঞানের কলঙ্কময় একটি ঘটনা। এ ধরনের ঘটনা চিকিৎসাবিজ্ঞানে অমানবিক ও অনৈতিক হলেও আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা বিশ্বের জন্য তা অতি সাধারণ ও স্বাভাবিক ঘটনা।