Wednesday, July 3, 2013

গাজীপুর দখলে সাঁড়াশি অভিযান by লায়েকুজ্জামান, কাফি কামাল ও এমএ হায়দার সরকার

এমন দৃশ্য বাংলাদেশে অভিনব নয়। আবার একেবারে নিয়মিতও নয়। নির্বাচনে কে-ই বা হারতে চায়? কিন্তু একটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন জিততে সরকার যখন তার সর্বশক্তি নিয়োগ করে তা বিস্ময়ের জন্ম না দিয়ে পারে না।

মিতা নূরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন by নূরুজ্জামান

অভিনেত্রী মিতা নূরের শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। আর এ থেকে ধারণা করা হচ্ছে শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন মৃত্যুর আগে।

এখনও সেটা রহস্য

হাইভোল্টেজ চার সিটি নির্বাচনের ভোটগ্রহণের দিনে দেশবাসী যখন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) তখন ছিলেন বিশ্রামে!

কিশোরীর প্রথম গর্ভধারণ

তেরো -চৌদ্দ বছর বয়সের একজন কিশোরীর অনেক সমস্যা থাকে। এসব সমস্যার মধ্যে এমন কিছু সমস্যা রয়েছে যেগুলো লজ্জায় বলা হয়ে ওঠে না।

প্রিয়মণি, জমিয়ে নাচতে গেলে…

জমিয়ে নাচতে গেলে, নাচের বোলে জলসা মাতাতে গেলে কী করতে হয়? সেই প্রশ্নের জবাবটা দিচ্ছেন খোদ বলিউডের বাদশা কিং খান। বাদশার বক্তব্য,

যন্ত্রণা যখন পিরিয়ডের সময়ে

বয়ঃসন্ধিতে মাসিক শুরু হওয়া থেকে মেনোপজ পর্যন্ত গড়ে প্রায় নব্বই শতাংশ মেয়ের অবিচ্ছেদ্য সঙ্গী হয়ে দাঁড়ায় যন্ত্রণাদায়ক ঋতুস্রাব।

মৃতদেহের সাথে যৌন সঙ্গম!

ভয়াবহ এক মানসিক ব্যাধির নাম নেকরোফিলিয়া। এ রোগে আক্রান্ত ব্যাক্তি মৃতদেহের প্রতি প্রচন্ডভাবে যৌন আকর্ষন অনুভব করে।

নিজেকে ভাঙছিল ঋতু

ঋতুর সঙ্গে কাজ করার এইটা সুবিধে ছিল যে ওকে কোনও রেফারেন্স দিলে ও চট করে সেটা বুঝতে পারত৷ নিজেও প্রচুর রেফারেন্স দিত৷ জানাচ্ছেন

পুরো নগ্ন পাউলি দাম

মনের মানুষ’ খ্যাত কলকাতার বাঙালি নায়িকা পাওলি দাম। বাংলা সিনেমার ইতিহাসে বাঙালি নায়িকা হয়ে প্রথমবার সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে তিনি ক্যামেরার সামনে দাঁড়িয়েছেন।

ওয়েবসাইটে স্নেহার নগ্ন ভিডিও by হুমায়রা সেতু

নগ্ন-অর্ধনগ্ন ফটোশুট কিংবা ভিডিও শুটের মাধ্যমে লাইম লাইটে আসা যেন এখন বলিউডের উঠতি অভিনেত্রীদের জন্য নিয়মে পরিণত হয়ে গেছে।

সাধারণ খাবারেই আছে যৌন সমস্যার সমাধান

সুখী দাম্পত্যের জন্যে নিজেদের বোঝাপড়ার বিকল্প নেই। তবে সেই সঙ্গে নজর দিতে হবে সেক্সলাইফ এর দিকে। অনেক সময় দেখা যায় একমাত্র এই কারনে সংসারে কলহ সৃষ্টি হয়।

প্রেমে ব্যর্থ দিশেহারা দীপিকা

চলচ্চিত্রের মাঠে একের পর এক ছক্কা মারলেও প্রেমের মাঠে বার বার হেরে গেছেন দীপিকা পাডুকোন।

এক ‘অবসর প্রাপ্ত’ পতিতা কর্মজীবনে ৩ লক্ষ ৫৫ হাজার পুরুষের চাহিদা মিটিয়েছে!

লউসি এবং মার্টিন ফকেনস। দুই বোন। দু’জনেই নেদারল্যান্ডসের আমস্টারডাম শহরে থাকেন। বর্তমানে তারা ‘অবসর প্রাপ্ত’ পতিতা।

আমার বুকে আগুন জ্বলছে

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ বলেছেন, আমার বুকের ভিতর আগুন জ্বলছে। সে আগুন নেভে না। দেশকে কোথায় রেখে এসেছিলাম।

কেয়ার সুবর্ণ সুযোগ

দর্শক হৃদয় জয় করার মতো সবকিছুই তার আছে। আছে অভিনয় যোগ্যতাও। সৌন্দর্য, গ্লামার প্রতিভা, কোন কিছুতেই কমতি নেই তার।

বিদেশি সাংবাদিককে রেশমা নিয়ে কিছু বলেননি মিলন

আমার সাথে কোনো বিদেশি সাংবাদিকের দেখা হয় নাই এবং কোনো সাংবাদিককে আমি সাক্ষাৎকার দেইনি। কিংবা এরকম কেউ আমাকে অনুদানও দেয়নি।

‘সেনাবাহিনীকে নিয়ে ফাউল খেলবেন না’

সেনাবাহিনীর নবম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি হাসান সোহরাওয়ার্দী বৃটিশ দৈনিক মিররে প্রকাশিত প্রতিবেদন প্রসঙ্গে বলেছেন, সেনা বাহিনীকে নিয়ে ফাউল খেলবেন না।

নারী রিপোর্টার নও, তুমি রিপোর্টার! by সাজেদা সুইটি

সারাদিন দৌড়ঝাঁপ শেষে বিকেলে অফিসে ঢুকছি, এডিটর ইন চিফ আলমগীর হোসেনের এসএমএস, ‘পাঁচদিনের সফরে দিনাজপুর যেতে তৈরি থাকো।’

পেসমেকার বসাতে হাসপাতালে ডি ক্লার্ক

দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক প্রেসিডেন্ট এফ ডব্লিউ ডি ক্লার্ককে গতকাল মঙ্গলবার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। এদিনই তাঁর শরীরে পেসমেকার বসানোর কথা রয়েছে। হূদ্যন্ত্রের ক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে এই ইলেকট্রনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার শেষ বর্ণবাদী সরকারের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডি ক্লার্ক। নিন্দিত বর্ণবাদী শাসনের অবসানে তাঁর বড় ভূমিকা ছিল। ৭৭ বছর বয়সী ডি ক্লার্কের ব্যক্তিগত সহকারী ব্রেন্ডা স্টেইন জানান, পেসমেকার স্থাপনের ২৪ ঘণ্টা পরই তিনি হাসপাতাল ছাড়বেন বলে আশা করা হচ্ছে। নেলসন ম্যান্ডেলার সংকটাপন্ন অবস্থার কারণে গত সপ্তাহে ক্লার্ক ইউরোপ সফর পিছিয়ে দেন। ডি ক্লার্ক ১৯৯০ সালে প্রেসিডেন্ট থাকার সময় নেলসন ম্যান্ডেলাকে কারাগার থেকে মুক্তি দেন। তাঁর সময়েই অবসান হয় চরম বৈষম্যমূলক বর্ণবাদী শাসনের। এর স্বীকৃতি হিসেবে ১৯৯৩ সালে ম্যান্ডেলার সঙ্গে যৌথভাবে নোবেল শান্তি পুরস্কার পান ক্লার্ক। এএফপি ও রয়টার্স।

আমিরাতে সরকার উৎখাত ‘ষড়যন্ত্রের’ অপরাধে ৬৮ ইসলামপন্থীর কারাদণ্ড

সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) সরকার উৎখাতের কথিত ষড়যন্ত্রের অপরাধে ৬৮ জন ইসলামপন্থীকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ১৩ জন নারীসহ ২৬ জনকে মুক্তি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় সুপ্রিম কোর্ট। মামলায় অভিযুক্ত ৯৪ জনের বিরুদ্ধে সরকার উৎখাত করে দেশের ক্ষমতা দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ তোলা হয়েছিল। এ রায়ের মধ্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলো কর্তৃক সমালোচিত এ মামলার অবসান ঘটল। সংগঠনগুলো বলেছিল, আদালত বিবাদীদের ওপর নির্যাতনের ‘বিশ্বাসযোগ্য’ অভিযোগ খতিয়ে দেখেননি। মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন মানবাধিকার-বিষয়ক আইনজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও ছাত্র। তাঁরা আরব আমিরাতের ইসলামপন্থী দল আল-ইসলাহর সদস্য। দণ্ডিতদের বেশির ভাগকেই সাত থেকে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দেশে না থাকা আটজনকে দেওয়া হয়েছে ১৫ বছরের কারাদণ্ড। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এ দণ্ডের নিন্দা করেছে। সংগঠনটির উপসাগরীয় অঞ্চল-বিষয়ক গবেষক নিক ম্যাকগিহান বলেন, এ শাস্তি ইউএইর ক্রমেই অবনতিশীল মানবাধিকার রেকর্ডের আরেকটি খারাপ নজির। বিবিসি ও রয়টার্স।

উ.কোরিয়ার জ্যেষ্ঠ পরমাণু আলোচক মস্কো গেলেন

পরমাণু বিষয়ে আলোচনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন উত্তর কোরীয় একজন শীর্ষ কর্মকর্তা গতকাল মঙ্গলবার রাশিয়া গেছেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে। পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে সাম্প্রতিক উত্তেজনার পর কট্টর সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রটির কূটনৈতিক পদক্ষেপ জোরদারের ইঙ্গিত এই সফর। কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) খবরে জানানো হয়, উত্তর কোরিয়ার প্রথম উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কিম কাই-গওয়ান মস্কোতে দেশটির একটি প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। রাশিয়ার সংবাদ সংস্থা আরআইএ নভোস্তির খবরে বলা হয়েছে, কিম উত্তর কোরিয়ার পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধের ব্যাপারে আবার আন্তর্জাতিক সংলাপ শুরুর সম্ভাব্যতা নিয়ে আলোচনা করবেন। মস্কোতে তিনি রাশিয়ার প্রথম উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ভ্লাদিমির তিতভ এবং উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী ইগর মোরগুলভের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে তৃতীয় দফায় পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোর পর গত কয়েক মাসে উত্তর কোরিয়ার ওপর আন্তর্জাতিকভাবে চাপ বেড়েছে। উত্তর কোরিয়া বলে আসছে, তারা কখনোই পারমাণবিক কর্মসূচি পরিত্যাগ করবে না। তবে তারা এ নিয়ে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি আলোচনায় বসার আগ্রহ দেখিয়েছে। এএফপি।

ধূমপান ঠেকানোর মাধ্যমে বহু অকালমৃত্যু রোধ সম্ভব

তামাকজাত পণ্যের ওপর উচ্চহারে কর আরোপ, এ জাতীয় পণ্যের বিজ্ঞাপন বন্ধ, প্রকাশ্য স্থানে ধূমপান নিষিদ্ধ—এমন নানা পদক্ষেপের মাধ্যমে সারা বিশ্বে কোটি কোটি মানুষের অকাল মৃত্যু রোধ করা সম্ভব। সোমবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) প্রকাশ করা নতুন একটি গবেষণায় এ কথা বলা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, ইতিমধ্যে বিভিন্ন দেশ ধূমপানবিরোধী এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করে সফলতা পেয়েছে। গবেষক দলের প্রধান ও ওয়াশিংটনের জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি মেডিকেল সেন্টারের অধ্যাপক ডেভিড লেভি ডব্লিউএইচও-এর মাসিক বুলেটিনে লিখেছেন, ‘এভাবে সফলতা আসতে থাকলে...এবং এসব পদক্ষেপ বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত হলে কোটি কোটি মানুষের ধূমপানজনিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে।’ তিনি আরও বলেন, এসব পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে চিকিৎসা খরচ কমানো ও নবজাতকের জন্মগত ওজন বাড়ানোও সম্ভব। গবেষণায় উল্লেখ করা হয়, পাকিস্তান, আর্জেন্টিনা ও ইতালিসহ বিশ্বের ৪১টি দেশে বিভিন্ন তামাকবিরোধী পদক্ষেপ করে দেড় কোটি মানুষকে ইতিমধ্যে ধূমপান থেকে বিরত রাখা গেছে। এর ফলে ২০৫০ সাল নাগাদ এসব দেশে ৭৪ লাখ মানুষের ধূমপানজনিত মৃত্যু রোধ করা সম্ভব হবে। রয়টার্স।

বিপণিবিতানেও ‘ম্যান্ডেলা আবেগের’ ঢেউ

বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের প্রবাদপ্রতিম নেতা নেলসন ম্যান্ডেলার দীর্ঘ অসুস্থতাকে কেন্দ্র করে বিশ্বজুড়ে তাঁর জীবন ও কর্ম নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র আগ্রহ। দেশে তো কথাই নেই। গণমানুষের উদ্বেগ আর উৎসাহের ছাপ পড়েছে সর্বজনশ্রদ্ধেয় এ নেতার সঙ্গে কোনো রকমের সম্পর্ক আছে এমন বই, শার্ট ও অন্য পণ্যসামগ্রীতেও। বিপণিবিতানে এসব পণ্যের বিক্রি এখন রমরমা। দক্ষিণ আফ্রিকাজুড়ে বইয়ের দোকানগুলোতে দেশটির প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ প্রেসিডেন্টকে নিয়ে লেখা বই সাজিয়ে রাখা হয়েছে। জোহানেসবার্গের সমৃদ্ধ শহরতলি হাইড পার্কের বিপণিবিতান তারই একটি। আমান্ডা কোয়েটজি হলেন এমন বইয়ের একজন ক্রেতা। ৪১ ডলার দিয়ে তিনি গতকাল কিনেছেন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী লং ওয়াক টু ফ্রিডম। বার্তা সংস্থা এএফপিকে তিনি বলেন, ‘আমি আগে বইটি পড়ে দেখিনি। এ জন্য আমি লজ্জিত।’ আমান্ডা বলেন, ‘আমরা যে রকম নেতা প্রত্যাশা করি, সম্ভবত তিনি (ম্যান্ডেলা) তাঁদের মধ্যে সেরা।’ বইয়ের দোকানের কর্মী লুসি এনগোমেন বলেন, গত সপ্তাহ থেকে ম্যান্ডেলার বইয়ের কাটতি বেড়ে গেছে। লোকজন প্রচুর বই কিনছেন। গতকালই একজন ক্রেতা তিন কপি লং ওয়াক টু ফ্রিডম কিনলেন। আরেকজন ৫৭০ র‌্যান্ড দামে নিয়ে গেছেন ম্যান্ডেলার ছয়টি প্রতিকৃতি। ম্যান্ডেলার নিজস্ব প্রতিষ্ঠান ম্যান্ডেলা ফাউন্ডেশনও ‘ম্যান্ডেলা’ ব্র্যান্ডের পোশাক বিক্রি করছে। তবে প্রতিষ্ঠানটি এ কাজ করছে সেবামূলক কাজের জন্য অর্থ সংগ্রহে। এএফপি।

ম্যান্ডেলার আরেক স্বপ্ন পূরণের পথে

ম্যান্ডেলার স্বপ্নের সেই স্কুলের মডেল
নেলসন ম্যান্ডেলার অন্যতম স্বপ্ন ছিল নিজের জন্মস্থান ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের এমভেজো গ্রামে একটি উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এই সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতার স্বপ্নটি শিগগিরই বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে। ফুসফুসের সংক্রমণে আক্রান্ত হয়ে গত ৮ জুন থেকে প্রিটোরিয়ার একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ম্যান্ডেলা। তাঁকে নিয়ে দেশ ছাড়াও সারা বিশ্বের অগণিত মানুষের উদ্বেগের সীমা নেই। এই প্রেক্ষাপটে এমবাসি নদীর তীরে ছোট্ট সেই গ্রামে, তাঁর জন্মস্থানে রাত-দিন চলছে স্বপ্নের সেই বিদ্যালয় নির্মাণের কাজ। ম্যান্ডেলার নামে এর নাম হয়েছে ম্যান্ডেলা স্কুল অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি। শ্রমিকেরা দুই শিফটে কাজ করছেন। জার্মানির কোম্পানি সিমেন্সের সহযোগিতায় এমভেজো উন্নয়ন ট্রাস্ট ও এমভেজো কমিউনিটি যৌথভাবে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সিমেন্সের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) পিটার লোয়েচারের সঙ্গে ২০১০ সালে এক সাক্ষাতের সময় তাঁর স্বপ্নের কথা বলেছিলেন ম্যান্ডেলা। বিদ্যালয়ের জন্য তৈরি করা হচ্ছে দোতলা একটি ভবন। সেখানে ২৫টি শ্রেণীকক্ষ থাকবে। ৭০০ শিক্ষার্থীর পড়াশোনার ব্যবস্থা থাকবে এখানে। শান্তিতে নোবেলজয়ী ম্যান্ডেলা বিশ্বাস করতেন, বিশ্ব পাল্টে দেওয়ার জন্য সবচেয়ে শক্তিশালী অস্ত্র হলো শিক্ষা। এলাকার ২২টি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থী আনা হবে ম্যান্ডেলার স্বপ্নের বিদ্যালয়ে। সেখানে তাদের প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রকৌশলবিদ্যাসহ নানা বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ম্যান্ডেলার নাতি ও এমভেজো ট্র্যাডিশনাল কাউন্সিলের প্রধান মান্দলা ম্যান্ডেলা বলেছেন, এই উদ্যোগ স্থানীয়দের জীবন চিরদিনের জন্য পাল্টে দেবে। সন্তানদের এখানে ভর্তির জন্য স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ রয়েছে। মান্ডলা বলেন, ভর্তির প্রথম আবেদনকারীদের মধ্যে থাকবে এলাকার বাস করা ম্যান্ডেলা পরিবারের শিশুরা। মান্দলা বলেন, ম্যান্ডেলা পরিবারের উত্তরাধিকারীরা শিক্ষা নেবে এখানে। দ্য স্টার।

উত্তরাখন্ড নিয়েও কংগ্রেস বিজেপি কাদা-ছোড়াছুড়ি by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বন্যাদুর্গত উত্তরাখন্ডে তিন হাজার মানুষ এখনো লাপাত্তা, গ্রামের পর গ্রাম এখনো বিচ্ছিন্ন, খাদ্য ও পানীয়ের হাহাকার রাজ্যজুড়ে; অথচ ভারতীয় রাজনীতির ধর্ম মেনে কংগ্রেস ও বিজেপি পরস্পরের প্রতি কাদা-ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।
লোকসভার পরবর্তী নির্বাচনের ‘থিম’ শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্র মোদি বনাম রাহুল গান্ধী হবে কি না, সেই জল্পনার মধ্যেই এই দুই অসমবয়সী রাজনীতিকও ফের উঠে এলেন বিতর্ক ও আলোচনার কেন্দ্রে। বিতর্কের অভিমুখ যদি হয় উত্তরাখন্ডের অভূতপূর্ব প্রাকৃতিক বিপর্যয়, আলোচনার অভিমুখ তাহলে ভোটব্যাংকের রাজনীতি। বিতর্কের জন্মদাত্রী অবশ্যই বিজেপি নেত্রী সুষমা স্বরাজ। সোশ্যাল নেটওয়ার্ক মারফত তিনি গত সোমবার সরাসরি উত্তরাখন্ডের মুখ্যমন্ত্রী বিজয় বহুগুণাকে বরখাস্ত করার দাবি জানিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, পরিস্থিতি মোকাবিলায় মুখ্যমন্ত্রী পুরো ব্যর্থ। পাল্টা আক্রমণ করেছে কংগ্রেসও। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী মনীশ তিওয়ারি বিদ্রূপ করে বলেন, সুষমা বা অরুণ জেটলিরা তো দুর্গত ব্যক্তিদের পাশে দাঁড়াতেই গেলেন না। তখন সুষমার যুক্তি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধে উদ্ধারকাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি যাতে না হয়, সে জন্য ভিআইপিদের দুর্গত অঞ্চলে না যাওয়ারই পরামর্শ দিয়েছেন। বিজেপি নেতাদের পাল্টা কটাক্ষ, রাহুল গান্ধী তো দিব্যি দুই দিন ধরে উত্তরাখন্ড ঘুরলেন! এই চাপান-উতোরে এখন সরগরম দিল্লির রাজনীতি। নরেন্দ্র মোদি অবশ্য তাঁর লক্ষ্য পূরণে অবিচল। প্রধানমন্ত্রীর দাবিদার হতে গেলে দেশের ২০ কোটি মুসলমানের আস্থা অর্জনও যে জরুরি, সেই উপলব্ধি সম্প্রতি মোদিকে মুসলিম সমাজের প্রতিনিধিদের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছিল। গত শনিবার গান্ধীনগরে রাজ্যের ১৫০ যুবককে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন তাঁদের মন বুঝতে। তাঁদের মধ্যে ৩০ জনেরও বেশি ছিলেন মুসলমান। কী তাঁদের আশা-প্রত্যাশা, অভিযোগ, বিশেষ করে গোধরা দাঙ্গার পর, কীভাবে তাঁদের সমস্যার সমাধান হতে পারে এবং কীভাবেই বা ফিরতে পারে আস্থা, তা জানাই ছিল মোদি-যুব সম্প্রদায় সংলাপের লক্ষ্য। মুসলমানদের মন বোঝার এই তাগিদ তিনবারের মুখ্যমন্ত্রীর ১১ বছরের শাসনকালে আর কখনো দেখা যায়নি। মোদির এই উদ্যোগের পাশাপাশি কংগ্রেসের সংগঠনে ৫০ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব নিয়ে রাহুল গান্ধীর মন্তব্যও রাজনৈতিক আলোচনাকে অন্য একটি মাত্রা দিয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে, মোদির মুসলিম আস্থা অর্জনের চেষ্টার পাল্টা হিসেবে রাহুল গান্ধী নারী কার্ড তুলে ধরতে চাইছেন কি না। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে অবশ্য বলা হচ্ছে, নারীর ক্ষমতায়নে তারাই সবার আগে উদ্যোগী হয়েছিল। রাজীব গান্ধীই ছিলেন পথিকৃৎ। পঞ্চায়েতে ৩৩ শতাংশ নারী প্রতিনিধিত্ব আইন তাঁর সময়েরই। নারীবিষয়ক আইনও তারা করতে চান, যা ‘অন্যদের বিরোধিতায়’ হচ্ছে না। কংগ্রেসের চোখে, মোদি তো ‘পাপস্খলন’ করতে মুসলমানদের কাছে গ্রহণযোগ্য হতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছেন।  বিজেপির অভ্যন্তরের মোদিবিরোধীরা নিভৃত আলোচনায় বলছেন, তাঁরা গোধরার কথা মাথায় রেখেই মোদির নামে আপত্তি জানিয়েছিলেন। কারণ, মোদি যা চাইছেন, তা তাঁর পক্ষে পাওয়া যেমন কঠিন, তেমনই বিজেপিও মুসলিম-তোষণ করতে পারবে না হিন্দু ভোট হারানোর আশঙ্কায়। বিজেপির সমালোচনার মুখে দাঁড়িয়ে দল হিসেবে কংগ্রেসের কাছে এই মুহূর্তের বড় চ্যালেঞ্জ উত্তরাখন্ডের দুর্গত ব্যক্তিদের যথাযথ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং রাজ্যের পুনর্গঠন। কিন্তু সে জন্য যে পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন, তার জোগান কীভাবে সম্ভব, সেটাই চিন্তার। দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী কংগ্রেসের সব বিধায়ক-সাংসদকে তাঁদের তহবিল থেকে অর্থ দিতে নির্দেশ দিয়েছেন। অর্থ আসছে বিভিন্ন রাজ্য সরকারের কাছ থেকেও। বহুগুণা ঘোষণা করেছেন, আগামী এক মাস দুর্গত ব্যক্তিদের বিনা পয়সায় রেশন দেওয়া হবে।

প্রথম বিদেশ সফরে চীন যাচ্ছেন নওয়াজ শরিফ

নওয়াজ শরিফ
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ চলতি সপ্তাহে চীন যাচ্ছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। নওয়াজ তাঁর এ সফরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও জ্বালানি খাতের গুরুতর সংকট সমাধানে পুরোনো মিত্র চীনের সহায়তা পাওয়ার ওপর জোর দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে। ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত বলেছেন, নওয়াজের সফর দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার করবে। নওয়াজ শরিফ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কিছু বড় সমস্যার মুখোমুখি। এর মধ্যে রয়েছে দুর্বল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, বিদেশি মুদ্রার সঞ্চয়ের অবনতি ও দিনে ২০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কারণে শিল্প খাতে ধস। নওয়াজ তাঁর নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অর্থনীতিকে চাঙা করা এবং বিদ্যুৎ-সংকট সমাধানকে সবার আগে রেখেছিলেন। গত মে মাসে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে জয়ের পর থেকে তিনি বেইজিংয়ের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করার চেষ্টা করে আসছেন। নওয়াজ শরিফ ৪ থেকে ৮ জুলাই পর্যন্ত সফরে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, প্রধানমন্ত্রী লি কেকিয়াং ছাড়াও আর্থিক ও করপোরেট খাতের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। নওয়াজের সফরের আগে ইসলামাবাদে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত গতকাল সোমবার সান ওয়েইদং বলেন, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদার ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণে এই সফর বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। নওয়াজ-মনমোহন বৈঠক সেপ্টেম্বরে: আগামী সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সময় নওয়াজ শরিফ ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীমনমোহন সিংয়ের মধ্যে বৈঠক হতে পারে। নওয়াজ শরিফের পররাষ্ট্রবিষয়ক বিশেষ দূত সারতাজ আজিজ এ কথা জানিয়েছেন। তিনি গতকাল ব্রুনেইয়ে আসিয়ানের সম্মেলন চলার পাশাপাশি ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সালমান খুরশিদের সঙ্গে বৈঠকের পর সম্ভাব্য ওই বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এএফপি ও ডন।

ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যাব

এডওয়ার্ড স্নোডেন
রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধ বিবেচনার করার জন্য ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়াকে একটি আবেগঘন চিঠি লিখেছেন স্নোডেন। চিঠিটি একটু সংক্ষিপ্ত আকারে তুলে ধরা হলো: বিশ্বে খুব কমসংখ্যক নেতাই আছেন, যাঁরা কিনা একজন মানুষের মানবাধিকারের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর সরকারের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার ঝুঁকি নিতে পারেন। ইকুয়েডর ও তার জনগণের সাহসিকতা বিশ্ববাসীর কাছে দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। যুক্তরাষ্ট্র সরকার বিশ্বের সবচেয়ে বড় নজরদারিব্যবস্থা তৈরি করেছে। নিরপরাধ মানুষের বিরুদ্ধে একটি রাজনৈতিক ব্যবস্থার স্বয়ংক্রিয় ও ব্যাপক নজরদারি আমাদের বিশ্বজনীন মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন। আমি এই বিশ্বাস থেকেই আমার দেশ ও বিশ্ববাসীর কাছে তথ্য ফাঁস করেছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকার ও তাদের হুমকিতে তটস্থ বিশ্বের অন্যান্য সরকার। তবে ইকুয়েডর মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। আমার রাজনৈতিক আশ্রয়ের অনুরোধ বিবেচনায় নিয়ে মানবাধিকারের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে তারা। আমি আর কত দিন বেঁচে থাকব, সেটা কোনো ব্যাপার নয়। কিন্তু আমি এই বৈষম্যের পৃথিবীতে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যেতে প্রস্তুত।
-এডওয়ার্ড জোসেফ স্নোডেন

২১ দেশে আশ্রয়ের অনুরোধ করেছেন স্নোডেন

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নজরদারির তথ্য ফাঁস করে ফেরার মার্কিন নাগরিক এডওয়ার্ড স্নোডেন রাশিয়ার কাছে করা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি মোট ২১টি দেশে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন। তবে ইতিমধ্যেই কয়েকটি দেশ নেতিবাচক সাড়া দেওয়ায় তাঁর আশ্রয়ের সুযোগ দৃশ্যত কমে আসছে। এদিকে স্নোডেন অভিযোগ করেছেন, তিনি যেসব দেশে আশ্রয় চাইছেন, সেই দেশগুলোর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা চাপ দিচ্ছেন। সিআইএর এ সাবেক কর্মী ভবিষ্যতে আরও তথ্য ফাঁসেরও ইঙ্গিত দিয়েছেন। তথ্য ফাঁস থেকে বিরত থাকার শর্ত রয়েছে জেনে স্নোডেন রাশিয়ার কাছে করা আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহারের কথা বলেন। সোমবার তাঁর প্রতি সহানুভূতিশীল ওয়েবসাইট উইকিলিকসে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এসব খবর জানানো হয়। গত ২৩ জুন হংকং থেকে মস্কো গিয়ে সেখানকার বিমানবন্দরে অবস্থান নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম নীরবতা ভাঙলেন স্নোডেন। উইকিলিকসে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়, চীন, নরওয়ে, ফ্রান্স, আয়ারল্যান্ড, ভেনেজুয়েলা, বলিভিয়া, ব্রাজিল, কিউবা, জার্মানি, ইতালি, ভারত, নেদারল্যান্ডস, নিকারাগুয়া, স্পেন, সুইজারল্যান্ডসহ ২১টি দেশ স্নোডেনের কাঙ্ক্ষিত আশ্রয়ের তালিকায় রয়েছে। ই-মেইলে এসব দেশে আশ্রয়ের আবেদন পাঠানো হয়। এর আগে তিনি ইকুয়েডরেও একই আবেদন করেন। রাশিয়া, নরওয়ে, অস্ট্রিয়া ও পোল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ তাঁর আবেদন বা অনুরোধ পাওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে। পোল্যান্ড ওই আবেদন তাৎক্ষণিকভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। এ ছাড়া ভারত, ফিনল্যান্ড ও নরওয়ে নেতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে। অন্যদিকে কয়েক দিন ধরেই তাঁকে আশ্রয় দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়ে আসা ভেনেজুয়েলা বলেছে, তারা এখনো কোনো আবেদন পায়নি। নরওয়ে বলেছে, সে দেশে স্নোডেনের আশ্রয় পাওয়ার সম্ভাবনা কম। ফিনল্যান্ড বলেছে বিদেশে থেকে আবেদন করায় তা গ্রহণ করা সম্ভব নয়। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৈয়দ আকবরউদ্দিন বলেন, স্নোডেনের অনুরোধে রাজি হওয়ার মতো কারণ পাওয়া যায়নি। এদিকে রাশিয়া জানায়, ক্রেমলিনের বিভিন্ন শর্তের কারণে রাশিয়ায় আশ্রয়ের আবেদন ফিরিয়ে নিয়েছেন স্নোডেন। মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য ফাঁসের কার্যক্রম বন্ধ করার শর্তে তাঁকে রাশিয়ায় স্বাগত জানানো হবে বলে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার (সিআইএ) সাবেক কর্মী স্নোডেন বর্তমানে মস্কোর শেরেমেতিয়েভো বিমানবন্দরে অবস্থান করছেন। স্নোডেন সোমবার অভিযোগ করেন, তিনি যেসব দেশে আশ্রয় চাইছেন, সেই দেশগুলোর ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা চাপ দিচ্ছেন। তিনি বলেন, ‘এসব হচ্ছে রাজনৈতিক আগ্রাসনের পুরোনো ও বাজে অস্ত্র। তাঁর (স্নোডেন) উত্তরসূরিদের ভয় দেখানোই এর উদ্দেশ্য। বিচারিক নির্দেশ ছাড়াই তাঁকে মৌলিক অধিকার চর্চা থেকে বিরত রাখতে চায় মার্কিন প্রশাসন। প্রত্যেকেরই আশ্রয় প্রার্থনার অধিকার রয়েছে।’ ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট রাফায়েল কোরেয়ার উদ্দেশে লেখা এক চিঠিতে স্নোডেন দেশটির ভূয়সী প্রশংসা করে বলেছেন, ইকুয়েডরের কর্তৃপক্ষ তাঁকে যে সহযোগিতা করেছে, তা বিশ্বের জন্য একটি দৃষ্টান্ত। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিধর সরকারের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে মানবাধিকার রক্ষার ঝুঁকি নেওয়ার মতো সাহস পৃথিবীর খুব কম নেতার মধ্যেই দেখা যায়। ইইউর যৌথ অবস্থান চায় ফ্রান্স: ইইউর ওপর নজরদারির যে অভিযোগ ওয়াশিংটনের বিরুদ্ধে উঠেছে, তার বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে যৌথ অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ। তিনি গতকাল প্যারিসে লিথুয়ানিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠককালে এ কথা বলেন। এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি।

সেনাবাহিনীর সময়সীমা প্রত্যাখ্যান মুরসির

মোহাম্মদ মুরসি
মিসরে চলমান সংকট নিরসনে সেনাবাহিনীর বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। গতকাল মঙ্গলবার মুরসির কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ওই সময়সীমা প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়, সরে না দাঁড়িয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করবেন প্রেসিডেন্ট। মুরসির বিবৃতিতে বলা হয়, গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের পথ সুগম করতে ও জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে জাতীয় সব বাহিনীর সঙ্গে পরামর্শ করছেন তিনি।  প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে মিসরজুড়ে চলমান সহিংস বিক্ষোভের পরিপ্রেক্ষিতে গত সোমবার একটি বিবৃতি দেয় দেশটির প্রভাবশালী সেনাবাহিনী। এতে সমঝোতায় পৌঁছাতে সরকার ও বিরোধীদের ৪৮ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত সেনাবাহিনীর ওই বিবৃতিতে বলা হয়, শেষ সুযোগ হিসেবে সব পক্ষকে ৪৮ ঘণ্টা সময় দেওয়া হলো। এ সময়ের মধ্যে যদি সমস্যার সমাধান না হয়, তাহলে ‘দেশপ্রেম ও দায়িত্ববোধের ঐতিহ্য অনুযায়ী’ সেনাবাহিনী হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হবে। এদিকে, মিসরের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা জানায়, গতকাল সকালে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মেদ কামেল আমর পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। রাজনৈতিক সংকটের জেরে এর আগে আরও চারজন মন্ত্রী পদত্যাগ করেন। মুরসিকে পদত্যাগের জন্য গত সোমবার এক দিনের সময় বেঁধে দেয় বিরোধীরা। মুরসি স্থানীয় সময় গতকাল বিকেলের মধ্যে পদত্যাগ না করলে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। কায়রোর তাহরির স্কয়ারে রোববার মুরসিবিরোধী লাখো মানুষের বিক্ষোভের পর রাতভর রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চলে। এতে অন্তত ১৬ জন নিহত হয়। ‘আরব বসন্তের’ বিক্ষোভের মুখে প্রায় ৩০ বছর ক্ষমতায় থাকা শাসক হোসনি মোবারকের পতনের পর মিসরের প্রথম গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেন মুরসি। ক্ষমতা গ্রহণের ঠিক এক বছরের মাথায় তাঁকেও ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ইসলামপন্থী মুরসি ক্ষমতায় গিয়ে অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তাজনিত সমস্যা সমাধানে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন। আদালতের নির্দেশ: এদিকে গতকাল মিসরের একটি আদালত সরকারি কৌঁসুলি আবদেল মেগুইদকে চাকরিতে পুনর্বহালের নির্দেশ দিয়েছেন। আবদেলকে বরখাস্ত করা নিয়ে বিচার বিভাগ ও প্রেসিডেন্ট মুরসির মধ্যে তিক্ততা দেখা দিয়েছিল। আদালতের এই আদেশ মুরসিকে আরও কোণঠাসা করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। মুরসিকে ওবামার ফোন: হোয়াইট হাউসের এক বিবৃতিতে বলা হয়, আফ্রিকার তাঞ্জানিয়া সফরকালে ওবামা টেলিফোনে মুরসির সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় ওবামা জানিয়ে দেন, ওয়াশিংটন মিসরে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশটিতে একটি দল বা গোষ্ঠীর শাসনকে সমর্থন দেওয়া হবে না। জনগণের ভোটের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শনের জন্য মিসরের সেনাবাহিনীকে আহ্বান জানিয়েছে ইরান। সেই সঙ্গে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা দেওয়ার জন্যও আহ্বান জানানো হয়। এএফপি, রয়টার্স ও বিবিসি।

পরিবেশ-অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও পরিবেশ বিপর্যয় by অলক পাল

বিকাশমান সভ্যতার সঙ্গে পালা দিয়ে মানুষের মৌলিক চাহিদার পাশাপাশি নিত্যনতুন 'প্রয়োজন-অপ্রয়োজনের অভাব' বেড়েই চলছে। নগরায়ন আর সভ্যতার দাবি মেটাতে গিয়ে উন্নয়নের লাগামহীন ছাঁচে প্রায়ই জীবন ও পরিবেশ পিষ্ট হয়।

বৃদ্ধ আইন! by মাহফুজুর রহমান মানিক

নচিকেতার বৃদ্ধাশ্রম গানটি যে কারও হৃদয় ছুঁয়ে যাবে। মানবজীবনের এক নির্মম বাস্তবতার কথা বলছে এটি। গানের প্রথম দিকের চেয়ে শেষের কথাগুলো বোধহয় বেশি বাস্তব।

শিক্ষা-দক্ষিণ এশিয়ার জন্য একটি সর্বজনীন উচ্চশিক্ষা কাঠামো by এমএম শহীদুল হাসান

অধ্যাপক, তড়িৎ ও ইলেক্ট্রনিক কৌশল বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়
ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ছিল ভিন্নতর।

সাক্ষাৎকার-যুক্তরাষ্ট্রের সিদ্ধান্ত রফতানি খাতের জন্য সতর্কবার্তা by আহসান এইচ মনসুর

সাক্ষাৎকার গ্রহণ :অজয় দাশগুপ্ত
সমকাল :যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে দেওয়া জিএসপি সুবিধা স্থগিত রেখেছে।

পুলিশের ভুল!- বন্ধ হোক এমন অমানবিকতা

কোনোদিন বন্দরনগরী চট্টগ্রাম শহরে যাননি আনোয়ারা বেগম। অথচ সেই নগরীরই পাহাড়তলী থানার একটি মামলায় গ্রেফতার হয়ে নিরীহ এই নারী কারাযন্ত্রণা ভোগ করে যাচ্ছেন।

খাদ্যে ভেজাল রোধ- আইনের কঠোর প্রয়োগ চাই

ভেজাল প্রতিরোধ ও খাদ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ২০ ধরনের অপরাধের শাস্তির জন্য বিভিন্ন মেয়াদে সাজা ও জরিমানার বিধান রেখে 'নিরাপদ খাদ্য আইন, ২০১৩'-এর খসড়া সোমবার মন্ত্রিসভায় নীতিগত অনুমোদন পেয়েছে।

সূত্র: মায়ো ক্লিনিক না জেনে কি বিপজ্জনক ওষুধ খাচ্ছেন? by ডা. তানজিনা হোসেন

স্টেরয়েড জীবন রক্ষাকারী ওষুধ হিসেবে প্রচলিত। কিন্তু স্টেরয়েড দীর্ঘদিন উচ্চ মাত্রায় ব্যবহার করার কুফল আছে বলেই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটি স্বল্পমাত্রায় ও স্বল্পমেয়াদে দেওয়া হয়।

ভালো থাকুন চোখের নিচে কালি

অনেকেরই দুই চোখের নিচের অংশটুকু কালচে হয়ে থাকে। কারও বা হয়তো একটু ফুলেও থাকে। মুখের বাকি অংশের রঙের সঙ্গে এটি বেমানান দেখায়। এটি ঢাকতে অনেকে বাধ্য হয়ে প্রসাধনী, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে থাকেন।

নীরব থাকলেই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক?

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কোনো বিষয়ে দ্বিমত হলে প্রসঙ্গ পরিবর্তন করা অথবা নীরব থাকার কৌশল অবলম্বন করেন অনেকেই। সাধারণভাবে মনে করা হয়, এ ধরনের আচরণ সম্পর্কের ক্ষতি করে। কারণ, এতে ক্ষোভ দানা বাঁধতে থাকে, যার সুদূরপ্রসারী ফল নেতিবাচক।

নতুনের জানালা এবার মানুষের মাথা প্রতিস্থাপন!

মেরি শেলির বিজ্ঞান কল্পকাহিনি ফ্রাঙ্কেনস্টাইন-এর কথা মনে আছে? মাথা, হাত, পা, মেরুদণ্ড প্রভৃতি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ একে একে যুক্ত করে দানব তৈরির বর্ণনা রয়েছে ওই উপন্যাসে। পরে সেই দানব নিজ স্রষ্টা চিকিৎসকের জীবনকেই দুর্বিষহ করে তোলে।

ডিবির সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ কনস্টেবলসহ আহত ৩

রাজধানীর গুলিস্তানে গত সোমবার গভীর রাতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সঙ্গে কয়েকজন যুবকের ‘বন্দুকযুদ্ধে’ ডিবির এক কনস্টেবলসহ তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঝুঁকিপূর্ণ পাঁচতলা সরকারি ভবনে ২০ পরিবারের বসবাস by নজরুল ইসলাম

মিরপুরের পাইকপাড়ায় পাঁচতলা একটি সরকারি ভবন ঝুঁকিপূর্ণ চিহ্নিত করার ১৬ মাস পরও ভবনের বাসিন্দাদের সরিয়ে নেয়নি আবাসন পরিদপ্তর। বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে ২০ পরিবার সেখানে বাস করছে।
উল্টো সুপারিশ অগ্রাহ্য করে ওই ভবনে নতুন বরাদ্দ দিয়েছে অধিদপ্তর।
গত বছরের ১৩ ফেব্রুয়ারি গণপূর্ত ডিজাইন ডিভিশন-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব মিরপুরের পাইকপাড়ায় ডি-টাইপ কোয়ার্টারের ৫ নম্বর ভবন পরিদর্শন করেন। এ ব্যাপারে তৈরি করা প্রতিবেদনে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ বলেন। তাতে আরও বলা হয়, ভবনটির নিচতলার অধিকাংশ কলামে গভীর ফাটল ধরেছে। কলামের রডে গভীরভাবে মরচে ধরেছে। বিম, কলাম ছাড়াও মেঝে ও স্ল্যাবের নিচের অংশের কংক্রিট ভেঙে পড়েছে। কলাম ও বিম কার্যক্ষমতা হারিয়েছে।
এরপর ১ মার্চ গণপূর্ত বিভাগের মিরপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী কাজী ওয়াহিদুল ইকবাল আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালককে বসবাসকারীদের জরুরিভিত্তিতে অন্যত্র সরিয়ে নিতে চিঠি দেন। একই সঙ্গে ভবনটিতে নতুন কাউকে বরাদ্দ না দেওয়ারও সুপারিশ করেন।
এ ব্যাপারে আবাসন পরিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মাসুদুল আলম দাবি করেন, গণপূর্ত বিভাগের চিঠিতে ভবন সম্পর্কে সুস্পষ্ট মতামত নেই।
কল্যাণপুর হাউজিং এস্টেটের বিপরীত পাশে পাইকপাড়া ডি-টাইপ কোয়ার্টারের ৫ নম্বর ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনটির বিভিন্ন স্থানে ফাটল। কয়েক জায়গায় পলেস্তারা খসে পড়েছে। ভবনটির গায়ে সাঁটানো রয়েছে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি। এতে লেখা রয়েছে, ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ, ব্যবহার না করার জন্য অনুরোধ করা হলো, আদেশক্রমে নির্বাহী প্রকৌশলী, মিরপুর গণপূর্ত বিভাগ।
ভবনটির নিচতলার বাসিন্দা ফিরোজা আক্তার ও তাঁর স্বামী কে এম আফজাল হোসেন সরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা। ফিরোজা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, ভবনটিতে সন্তান ও পরিজন নিয়ে থাকতে ভয় পাচ্ছেন। তাঁরা ভবনটি ছাড়তেও চান। কিন্তু আবাসন পরিদপ্তর অন্যত্র তাঁদের বরাদ্দ দিচ্ছে না। কে এম আফজাল হোসেন বলেন, বসবাসের অনুপযোগী ঘোষণার পর বেতন থেকে প্রতি মাসে ১০ হাজার টাকার বেশি কেটে নেওয়া হচ্ছে। অথচ ভবনটিতে কোনো সংস্কারও করা হয়নি।
চলতি বছরের ২৯ এপ্রিল গণপূর্ত বিভাগ মিরপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী আহমেদ আনোয়ার নজরুল আবাসন পরিদপ্তরে চিঠি পাঠিয়ে বলেছেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনটির বিষয়ে জরুরি পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ করা হয়েছিল। বর্তমানে বসবাসকারীদের অন্যত্র সরানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আবারও আনুরোধ করা হলো।
কোয়ার্টারের বাসিন্দারা জানান, বসবাসের অনুপযোগী ও ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণার পর তিনটি পরিবার চলে গেছে। আবাসন পরিদপ্তর ওই তিন ফ্ল্যাটে নতুন বরাদ্দ দিয়ে মানুষ উঠিয়েছে। তাঁদের একজন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজির কম্পিউটার অপারেটর সরদার ফোরকান আহম্মদ। ফোরকান প্রথম আলোকে বলেন, তিনি বাসা বরাদ্দের জন্য আবেদন করেছিলেন। অন্যত্র বরাদ্দ দেওয়ার কথা থাকলেও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। আবার বাসায় ওঠার আগে গণপূর্ত বিভাগ লিখিয়ে নিয়েছে ‘ঝুঁকিপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও নিজ দায়িত্বে বাসার দখলভার গ্রহণ করেছি।’

গণজাগরণ মঞ্চের মিছিল

সন্ত্রাসী হামলায় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) মেধাবী শিক্ষার্থী এবং গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী আরিফ রায়হান ওরফে দীপের মৃত্যুর প্রতিবাদে মিছিল করেছে গণজাগরণ মঞ্চ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে এগিয়ে আসার আহ্বান

সমাজে ধূমপান করার অপরাধকে তেমন গুরুত্ব দেওয়া হয় না। বলা হয়, ধূমপান করা আর মাদকাসক্ত হওয়া এক নয়। অথচ ধূমপান থেকেই ধীরে ধীরে মাদকের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে মানুষ।

অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের প্রত্যাশা প্রথম বিদেশ সফরে চীন যাচ্ছেন নওয়াজ শরিফ

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ চলতি সপ্তাহে চীন যাচ্ছেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর এটাই তাঁর প্রথম বিদেশ সফর। নওয়াজ তাঁর এ সফরে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুরবস্থা ও জ্বালানি খাতের গুরুতর সংকট সমাধানে পুরোনো মিত্র চীনের সহায়তা পাওয়ার ওপর জোর দেবেন বলে মনে করা হচ্ছে।

উত্তরাখন্ড নিয়েও কংগ্রেস বিজেপি কাদা-ছোড়াছুড়ি by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

বন্যাদুর্গত উত্তরাখন্ডে তিন হাজার মানুষ এখনো লাপাত্তা, গ্রামের পর গ্রাম এখনো বিচ্ছিন্ন, খাদ্য ও পানীয়ের হাহাকার রাজ্যজুড়ে; অথচ ভারতীয় রাজনীতির ধর্ম মেনে কংগ্রেস ও বিজেপি পরস্পরের প্রতি কাদা-ছোড়াছুড়িতে ব্যস্ত হয়ে পড়ল।

ম্যান্ডেলার আরেক স্বপ্ন পূরণের পথে

নেলসন ম্যান্ডেলার অন্যতম স্বপ্ন ছিল নিজের জন্মস্থান ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের এমভেজো গ্রামে একটি উচ্চবিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা দক্ষিণ আফ্রিকার এই সর্বজনশ্রদ্ধেয় নেতার স্বপ্নটি শিগগিরই বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে।

সেনাবাহিনীর সময়সীমা প্রত্যাখ্যান মুরসির

মিসরে চলমান সংকট নিরসনে সেনাবাহিনীর বেঁধে দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা প্রত্যাখ্যান করেছেন দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মুরসি। গতকাল মঙ্গলবার মুরসির কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে ওই সময়সীমা প্রত্যাখ্যান করে বলা হয়,

২১ দেশে আশ্রয়ের অনুরোধ করেছেন স্নোডেন

বিশ্বজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা নজরদারির তথ্য ফাঁস করে ফেরার মার্কিন নাগরিক এডওয়ার্ড স্নোডেন রাশিয়ার কাছে করা রাজনৈতিক আশ্রয়ের আবেদন প্রত্যাহার করেছেন। তিনি মোট ২১টি দেশে আশ্রয়ের আবেদন করেছেন।

১০ ট্রাক অস্ত্র আটক মামলা ‘অস্ত্র খালাসের কথা এনএসআই কর্মকর্তা আকবর জানতেন’

চট্টগ্রামের সিইউএফএল জেটিঘাটে বিশাল চালানের অস্ত্র খালাসের বিষয়টি এনএসআইয়ের মাঠ কর্মকর্তা আকবর হোসেন খান জানতেন। এই অস্ত্র পরিবহনের জন্য তিনি ট্রাকও ভাড়া করেছিলেন।

জিল্লুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনায় বঙ্গভবনে মিলাদ

সাবেক রাষ্ট্রপতি মরহুম জিল্লুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করে গতকাল মঙ্গলবার বাদ আসর বঙ্গভবনের দরবার হলে এক মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। খবর বাসসের।

মাছের প্রাকৃতিক উৎস সংরক্ষণের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী মাছের নির্বিঘ্ন বংশ বিস্তারে ও দৈহিক বৃদ্ধিতে সহায়তা এবং এর প্রাকৃতিক উৎস রক্ষা ও প্রজননকেন্দ্র সংরক্ষণের জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

জিএসপি পুনর্বহালে যুক্তরাষ্ট্রকে বিএনপির মৌখিক অনুরোধ

বাংলাদেশের জন্য অগ্রাধিকারমূলক বাজার সুবিধা (জিএসপি) বহাল রাখতে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিকভাবে অনুরোধ করেছে বিএনপি। গত সোমবার রাতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাংলাদেশে নিযুক্ত

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পুলিশ-শিবির সংঘর্ষ, ওসিসহ আহত ১১

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ গেটে গতকাল মঙ্গলবার শিবির-পুলিশ সংঘর্ষে সদর থানার ওসি ও আট পুলিশসহ ১১ জন আহত হয়েছেন।
সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বজলুর রশীদ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা সোয়া ১১টার দিকে সরকারি কলেজ থেকে একটি মিছিল বের করে শিবির।

গাজীপুর সিটি নির্বাচন ধর্মকে ব্যবহার করে প্রচারণা by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো কথা প্রার্থীরা বলতে পারবেন না। কিন্তু গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রধান দুই মেয়র প্রার্থীই ধর্মকে প্রধান ইস্যু বানিয়েছেন। ধর্মকে ব্যবহার করে তাঁরা প্রচার-প্রচারণা চালাচ্ছেন।

চার মাস ধরে মেয়েকে খুঁজছেন মা-বাবা

নওগাঁর বদলগাছী পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণীর এক ছাত্রী (১৩) চার মাস ধরে নিখোঁজ। ওই ছাত্রীর মা-বাবা তাঁদের একমাত্র মেয়েকে উদ্ধারের জন্য প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

পরিবহন ধর্মঘটে পণ্যের দাম গেছে কমে

সড়ক পরিবহনশ্রমিকদের ধর্মঘটের কারণে জয়পুরহাট জেলায় কৃষিপণ্যের দাম অর্ধেকে নেমে এসেছে। ধর্মঘটের কারণে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ব্যবসায়ীরা কাঁচামাল কিনছেন না।

ভেজাল খাবার-আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করুন

অতি জরুরি দুটি আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন করেছে। নতুন এ আইন দুটো পাস হলে মাতৃদুগ্ধের বিকল্প শিশুখাদ্য- এমন বিজ্ঞাপন প্রচার নিষিদ্ধ হবে। পাশাপাশি খাদ্যে ভেজাল মেশালে ১৪ বছর কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা যাবে।

সংসদ উপনির্বাচন আজ-স্বচ্ছতাই কাম্য

বিশাল হাওরাঞ্চলের বুকজুড়ে যেন উৎসবের আয়োজন। ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইন উপজেলা নিয়ে গঠিত কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের উপনির্বাচন আজ। এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে সব আয়োজন।

ব্যক্তিত্ব-ফ্রান্ৎস কাফকা

ফ্রান্ৎস কাফকা ছিলেন জার্মান ভাষার ঔপন্যাসিক ও ছোট গল্পকার। সাহিত্য সমালোচকদের মতে, তিনি বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী লেখক। তাঁর বিখ্যাত গল্প দ্য ম্যাটাফরসিসের খ্যাতি ও পাঠকপ্রিয়তা আজও বিশ্বে অম্লান।

'এত কিছুর পরেও মানুষ অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে'

বর্তমান সরকারের আমলে নারীর ক্ষমতায়ন বেড়েছে। খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে। জিডিপির হার বেড়েছে। এত কিছুর পরেও দেশের মানুষ একটা অনিশ্চয়তার মধ্যে আছে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট সমাজবিজ্ঞানী অধ্যাপক মাহমুদা ইসলাম।

পবিত্র কোরআনের আলো-যেকোনো বিপদে সবর করা ওয়াজিব

৮৭. য়া বানি য়্যাযহাবূ ফাতাহাস্সাসূ মিন য়ূসুফা ওয়া আখীহি ওয়া লা- তাইআসূ মির রাওহিল্লা-হি, ইন্নাহূ লা য়ায়আসু মির রাউহিল্লা-হি ইল্লাল কাউমিল কা-ফিরূন। সুরা ইউসুফ।

পবিত্র কোরআনের আলো-যেকোনো বিপদে সবর করা ওয়াজিব

৮৭. য়া বানি য়্যাযহাবূ ফাতাহাস্সাসূ মিন য়ূসুফা ওয়া আখীহি ওয়া লা- তাইআসূ মির রাওহিল্লা-হি, ইন্নাহূ লা য়ায়আসু মির রাউহিল্লা-হি ইল্লাল কাউমিল কা-ফিরূন। সুরা ইউসুফ।

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত উন্নয়নে সুশাসন by ড. এম শামসুল আলম

ব্যক্তিমালিকানায় জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাত উন্নয়ন কৌশল ও নীতি গ্রহণ করায় এ উন্নয়নে ব্যক্তি খাত এবং সরকারি খাতের মধ্যে কোনো প্রতিযোগিতা সৃষ্টি হয়নি। বরং পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষভাবে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ব্যক্তি খাতের একচেটিয়া প্রভাব বেড়েছে।

অনলাইন থেকে-ম্যান্ডেলার বন্ধুরা

সেটি ছিল নেলসন ম্যান্ডেলার সম্মানে দেওয়া প্রধানমন্ত্রীর ভোজসভা। ১৯৯৭ সালে নয়াদিল্লির গ্র্যান্ড হায়দরাবাদ হাউসে। ম্যান্ডেলা এসেছিলেন দুই দেশের মধ্যে কৌশলগত অংশীদারিত্বের রেডফোর্ট ডিক্লারেশনে স্বাক্ষর করতে।

প্রত্নতত্ত্ব পুরাকীর্তি নিয়ে আরও কিছু কথা by সাইফুদ্দীন চৌধুরী

বেশ কিছুদিন আগে এই কাগজেই দেশের পুরাকীর্তির বিষয়ে একটি উপসম্পাদকীয় নিবন্ধ লিখেছিলাম—ব্রিটিশ শাসনামলে প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের জরিপ করা সব প্রত্নস্থল ধ্বংস করে আবাদি জমিতে রূপান্তর করা হচ্ছে।

এভাবে আর কত দিন চলবে? জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়

দেশের অন্যতম প্রধান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য ও শিক্ষক সমিতির মধ্যে যে দ্বন্দ্ব চলছে, তার ফলে এই বিদ্যাপীঠের শিক্ষার সামগ্রিক পরিবেশ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বলা চলে, বিশ্ববিদ্যালয়টিতে একধরনের অচলাবস্থা বিরাজ করছে।

অবিলম্বে তিন শর্ত পূরণ করুন- জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে

জিএসপি সুবিধা ফিরে পেতে সংশোধিত শ্রম আইন প্রয়োগ, কর্মপরিবেশের উন্নতি ও ট্রেড ইউনিয়নের অধিকার নিশ্চিত করার মতো বিষয়গুলো মূলত আমাদের জাতীয় দাবি।

কুড়িয়ে পাওয়া সংলাপ-সময়ের সবচেয়ে বড় কর্মপরিকল্পনা by রণজিৎ বিশ্বাস

ঢাকায় বিজয়ের মাসের প্রান্তিকে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে দাবি উচ্চারণ হয়েছিল- 'আমরা রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছি।' সে উচ্চারণ এখনো বড় কষ্ট দিচ্ছে, এখনো বড় ভোগাচ্ছে।

আয়োজন ফুলে ফুলে... by জাহিদ হোসাইন খান

ফুল, পাতা ও নানা ধরনের শাখা-প্রশাখা। ইকেবানার মাধ্যমে প্রকৃতির এসব অনুষঙ্গ তুলে ধরেছেন প্রতিযোগীরা। গত ২৮ জুন ঢাকার পর্যটন হোটেল অবকাশে দিনব্যাপী ইকেবানা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।

গুণাগুন অ্যালোভেরা ভেতরে-বাইরে by তাওহিদা জাহান

মিসরের রানি ক্লিওপেট্রার সৌন্দর্যের গোপন রহস্য জানেন কি? ভাবতেই পারবেন না উত্তরটা কী হবে? এটি হলো এক ছোট সবুজ উদ্ভিদ। মিসরীয় লোককাহিনিতে রয়েছে এসব তথ্য। সৌন্দর্যবর্ধন করে বলে এই প্রকৃতি-কন্যার নামটি হলো কুমারী।

স্টাইল মনিরুল ইসলাম শিল্পীর বহুমাত্রিক জীবন by তৌহিদা শিরোপা

ছোটবেলায় সুযোগ পেলেই মাছ ধরতেন। ছোট ছোট হাতে বানাতেন রং-বেরঙের ঘুড়ি। কেউ কেউ পছন্দ করে সেসব ঘুড়ি দু-চার আনায় কিনতেন তাঁর কাছ থেকে। হয়ে যেত লজেন্স খাওয়ার টাকা। কোনো দিন ভাবেননি শিল্পী হবেন।

সাফল্য কুস্তিগির সেই মেয়েটি by হাসান ইমাম

ছোটবেলায় টিভিতে বসে রেসলিং দেখতে খুব ভালো লাগত শিরিন সুলতানার। তবে কখনো ভাবেননি নিজে এই খেলায় অংশ নেবেন। ২০০৮ সালে যোগ দেন বাংলাদেশ আনসারে, ব্যাটালিয়ন সৈনিক হিসেবে।

ক্ষমতায়ন অপরাহ উইনফ্রে- বিশ্বের সেরা প্রভাবশালী তারকা

আবারও বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন ফোর্বস-এর প্রকাশিত প্রভাবশালী ১০০ তারকার মধ্যে শীর্ষে জায়গা করে নিয়েছেন অপরাহ উইনফ্রে। ১৯৯৯ সাল থেকে চলতি বছর পর্যন্ত এ তালিকায় স্টিভেন স্পিলবার্গ ও হাওয়ার্ড স্টার্নের পর প্রতিটি তালিকায় ঠাঁই পাওয়া একমাত্র তারকা তিনি।

বহে কাল নিরবধি-শুভবুদ্ধির জয় হোক by এম আবদুল হাফিজ

আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এখন আওয়ামী লীগের ক্ষয়িষ্ণু জনপ্রিয়তা, যার একাধিক উপসর্গ এখন দৃশ্যমান। আমরা যাঁরা অহরহ নানা ধরনের 'পাবলিকের' সঙ্গে ইচ্ছা-অনিচ্ছায় মিশি কিংবা আমাদের মধ্যে যাঁদের মিশতে হয় এবং যাঁদের রাজনৈতিক পর্যবেক্ষণ শুধু বাসি হলেই ফলে,

নতুন গণমাধ্যম কোথায় যাবেন এডওয়ার্ড স্নোডেন by মশিউল আলম

২৯ বছর বয়সী মার্কিন নাগরিক এডওয়ার্ড স্নোডেনের জন্য এক করুণ মুহূর্ত। মস্কোর শেরেমেতোভা বিমানবন্দরের ট্রানজিট এলাকায় তাঁর অবস্থা এখন ঝুলন্ত। কারণ, মস্কো এখন আর সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েত ইউনিয়নের রাজধানী নয়, বরং এক মুক্তকচ্ছ পুঁজিবাদী রাশিয়ার ক্ষমতাকেন্দ্র।

বিয়েটা হলো মা-বাবার অমতে... by তানজিনা হোসেন

বাড়ির সবচেয়ে ছোট, শান্ত আর চুপচাপ কলেজপড়ুয়া মেয়েটি একদিন হঠাৎ উধাও হয়ে গেলেন। খোঁজ করতে করতে তাঁর ঘরে পাওয়া গেল সাবেক গৃহশিক্ষকের লেখা একতাড়া চিঠি, যার কোনো কোনোটিতে এ রকম একটি ঘটনার পরিকল্পনার আভাস।

গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন জাতীয় নেতাদের দৌড়ঝাঁপ by শরিফুল হাসান ও মাসুদ রানা

নারায়ণগঞ্জের মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী গতকাল মঙ্গলবার গাজীপুরে এসে আওয়ামী লীগ-সমর্থিত মেয়র প্রার্থীর পক্ষে ভোট চেয়েছেন। সাংসদ আসাদুজ্জামান নূরের পর আইভীর প্রচারণা আজমতের ভোটের মাঠে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে জেলার নেতারা মনে করছেন।

লিমনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা, বিচারের জন্য পাঠানো হয়েছে

অস্ত্র মামলায় অভিযোগ গঠনের পরদিন গতকাল মঙ্গলবার র‌্যাবের গুলিতে পঙ্গু লিমনের বিরুদ্ধে আরেকটি মামলা বিচারের জন্য ঝালকাঠির মুখ্য বিচারিক হাকিম আদালতে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পার্টিকে পাশে পেতে দুই দলই তৎপর by তানভীর সোহেল

আওয়ামী লীগ ও বিএনপি—দুটি দলই জাতীয় পার্টিকে পাশে রাখতে চাইছে। আবার জাতীয় পার্টিও বড় দুটি দলের সঙ্গে সুসম্পর্ক রেখে চলার কৌশল নিয়েছে। মহাজোট ত্যাগ করা কিংবা ১৮-দলীয় জোটে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক

দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র by ড. তারেক শামসুর রেহমান

দ্বিতীয় আরেকটি পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী। বলেছেন, দ্বিতীয় পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রটি নির্মিত হবে দক্ষিণাঞ্চলের কোনো একটি চরে। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যটি ছাপা হয়েছে গত ৩০ মে।