Sunday, June 28, 2015
সিলেটের সাবেক ডিসি শহিদুল চলতেন স্ত্রীর ইশারায় by দীন ইসলাম
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বপ্নের বাজেটের দুঃস্বপ্নের পরিণতি! by বদিউল আলম মজুমদার
অনেক বিশেষজ্ঞের মতে, প্রস্তাবিত বাজেটটি অত্যন্ত উচ্চাভিলাষী—এমনকি অর্থমন্ত্রীর মতেও এটি ‘সত্যিকারের উচ্চাভিলাষী’ এবং এর বাস্তবায়ন সম্পর্কে তাঁরা সন্দিহান। আবার অনেকে সন্দিহান কর ও অন্যান্য উৎস থেকে প্রাক্কলিত আয়ের বাস্তবতা সম্পর্কে। প্রস্তাবিত বাজেটের বাস্তবায়ন সম্পর্কে সন্দিহান হওয়ার অবশ্যই যথেষ্ট যৌক্তিকতা রয়েছে, কারণ অতীতেও আমাদের অর্থমন্ত্রীরা উচ্চাভিলাষ প্রদর্শন করে সাফল্য দেখাতে পারেননি। বস্তুত বাজেট কাটছাঁট করা, বিশেষত এডিপির কাটছাঁট আমাদের ঐতিহ্যে পরিণত হয়েছে। এমনকি চলতি বছরের বাজেট থেকেও ইতিমধ্যে ১০ হাজার ৮৩৮ কোটি টাকা কাটছাঁট করার প্রস্তাব ইতিমধ্যে সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।
বিরাট অঙ্কের প্রস্তাবিত বাজেটের পেছনে একটি বড় কারণ হলো বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা এবং সেই স্থবিরতা পূরণের জন্য সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি। এটি সত্য যে অনেক দিন থেকেই রাজনৈতিক অস্থিরতা, অবকাঠামোর সীমাবদ্ধতা ও অন্যান্য জটিলতার কারণে বেসরকারি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে স্থবিরতা বিরাজ করে আসছে, যদিও বেসরকারি বিনিয়োগ একটি গতিশীল অর্থনীতির প্রাণশক্তি সমতুল্য। কিন্তু সরকারি ব্যয় ও বিনিয়োগ অনেকগুলো কারণে বেসরকারি বিনিয়োগের যথাযথ বিকল্প হতে পারে না।
প্রথমত, সাধারণত অনুৎপাদন খাতেই সরকারি ব্যয় বেশি করা হয়। ফলে বেসরকারি বিনিয়োগের ন্যায় সরকারি ব্যয়ের মাধ্যমে জাতীয় উৎপাদন ক্ষমতা সমহারে বৃদ্ধি পায় না। আমাদের আগামী অর্থবছরের জন্য এটি বিশেষভাবে প্রাসঙ্গিক, কারণ প্রস্তাবিত বাজেটে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধির জন্য বিরাট পরিমাণের অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা সরাসরিভাবে আমাদের জাতীয় উৎপাদন ক্ষমতা বৃদ্ধি করবে না।
দ্বিতীয়ত, সরকারি খাতে ব্যাপক হারে দুর্নীতি-দুর্বৃত্তায়ন বিরাজমান এবং এ-সম্পর্কিত বহু ভয়াবহ কাহিনি জনগণের জানা। সরকারি ব্যাংক লুটের বহু শিরোনাম সংবাদপত্রের পাতায় আমরা পড়েছি এবং এসব প্রতিষ্ঠানের বিরাট অঙ্কের মূলধন ঘাটতি প্রস্তাবিত বাজেট থেকে পূরণ করা হবে। এভাবে সরকারি খাতে ব্যয়ের মাধ্যমে অনেক মূল্যবান সম্পদের অপচয় ও অপব্যবহার হয়। এমনকি সরকারি বিনিয়োগ থেকে সৃষ্ট অবকাঠামো ও পণ্যও অনেক ক্ষেত্রে নিম্নমানের হয়। তাই সরকারি বিনিয়োগ থেকে সর্বোচ্চ প্রতিদান ও ফলপ্রসূতা আশা করা যায় না।
তৃতীয়ত, মেগা বাজেট থেকে সরকারি অর্থায়নে গৃহীত অনেক প্রকল্পই দীর্ঘমেয়াদিভাবে জাতীয় স্বার্থ সংরক্ষণে সহায়ক হবে না। উদাহরণস্বরূপ, প্রস্তাবিত কয়েকটি বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প আমাদের বিদ্যুতের চাহিদা মেটালেও ভবিষ্যতে এগুলো আমাদের পরিবেশ ও জননিরাপত্তার জন্য বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে। বিজ্ঞানে আস্থা থাকলে বলতে হবে যে ভারত-বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত রামপাল প্রকল্প আমাদের সুন্দরবনকে ধ্বংস করবে, যে ক্ষতি জাতির জন্য হবে অপূরণীয়। মহেশখালীতে প্রস্তাবিত কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প আমাদের প্রাকৃতিক পরিবেশকে ধ্বংস করবে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র উত্তরবঙ্গের বিশাল জনগোষ্ঠীর জন্য এক বিরাট মরণফাঁদ তৈরি করতে পারে। যদিও এসব প্রকল্পে বিনিয়োগের অধিকাংশ বিদেশ থেকে আসার কথা, আমাদের সরকারের বিনিয়োগও এগুলোতে থাকবে।
চতুর্থত, বর্তমানে আমাদের সমাজে ফায়দাতন্ত্রের এক ভয়াবহ সংস্কৃতি বিরাজমান, যার ভিত্তি মেধা ও যোগ্যতার পরিবর্তে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষপাতদুষ্টতা। আমাদের দেশে সরকারি খাতে বহু প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় জনস্বার্থের পরিবর্তে ব্যক্তি ও কোটারি স্বার্থে। অনেক বড় বড় প্রকল্পে মাঝপথে বিরাট পরিমাণের ‘কস্ট ওভাররান’ বা ব্যয় বৃদ্ধি ঘটে মূলত স্বার্থান্বেষীদের স্বার্থে। তাই আমাদের এডিপিতে অন্তর্ভুক্ত অনেক প্রকল্পেই স্বচ্ছতা-জবাবদিহি তথা সুশাসনের অভাব দৃশ্যমান। ফলে সরকারি খাতে প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে মূল্যবান সম্পদের যথার্থ ব্যবহার ব্যবহৃত এবং অপব্যবহার নিশ্চিত হয়।
ফায়দাতন্ত্রভিত্তিক রাজনীতির দীর্ঘমেয়াদি ফলাফল অত্যন্ত ভয়াবহ। দীর্ঘদিন ধরে ফায়দাবাজি, চাঁদাবাজি ও দখলবাজি ইত্যাদির কারণে আমাদের দেশে বর্তমানে একশ্রেণির ব্যক্তি, বিশেষত পেশিশক্তিসম্পন্ন ব্যক্তি বিরাট অর্থকড়ির মালিক হয়েছেন। গত কয়েক দশকে এ নব্য ধনিকশ্রেণি—প্রয়াত প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের ভাষায় ‘বাজিকর’ অর্থ ও পেশিশক্তি ব্যবহার করে ক্রমাগতভাবে স্থানীয় থেকে জাতীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা হস্তগত করছেন। এর মাধ্যমে সারা দেশে এখন অনেক গডফাদার সৃষ্টি হয়েছে, যাঁদের হাতে একাধারে অর্থ, পেশিশক্তি ও রাজনৈতিক ক্ষমতা কুক্ষিগত হয়ে পড়েছে। আর ক্ষমতাসীন দলের সৌজন্যে এসব গডফাদাররা বর্তমানে একধরনের ‘ইমপিউনিটি’ বা অন্যায় করে পার পেয়ে যাওয়ার অধিকার ভোগ করেন। এ ছাড়া এসব গডফাদারদের অনেকেই বিদেশে অর্থ পাচারে লিপ্ত। বস্তুত এঁদের কারণে গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ থেকে অর্থ পাচারের পরিমাণ বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের দ্বিগুণের সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিরাজমান ফায়দাতন্ত্র, যা গডফাদার সৃষ্টিতে সহায়তা করে, আমাদের এক অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে ঠেলে দিতে পারে। স্বপ্নের বাজেটে ফায়দা বিতরণের জন্য অধিক অর্থ বরাদ্দ দিয়ে বর্তমান পদ্ধতি অব্যাহত রাখা হলে—যা করতে আমরা বদ্ধপরিকর বলে মনে হচ্ছে—আমাদের রাজনীতি ভবিষ্যতে পুরোপুরি গডফাদারদের করায়ত্ত হয়ে যেতে পারে। আর এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে টাকা বানানোই এই গডফাদারদের জীবনের মূল লক্ষ্য, এঁরা কারও প্রতি অনুগত নন এবং আধুনিক রাষ্ট্র কীভাবে পরিচালিত হয়, সে ব্যাপারে তাঁদের অনেকেরই সামান্যতম ধারণাও নেই। তাই ভবিষ্যতে আমাদের রাষ্ট্রযন্ত্র এসব ব্যক্তিদের পুরোপুরি করায়ত্ত হলে আমরা চরম বিপজ্জনক অবস্থায় নিপতিত হব।
স্বপ্নের বাজেটে অতিরিক্ত বরাদ্দের মাধ্যমে টিকিয়ে রাখা ফায়দাতন্ত্র আমাদের জন্য আরেক দিক থেকেও দুঃস্বপ্নের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। বাজেটে বরাদ্দ অনেক বাড়লেও বরাদ্দের পরিমাণ সীমাহীন হতে পারে না। তবে ফায়দাতন্ত্রভিত্তিক রাজনীতিতে ফায়দার লোভে বহু ব্যক্তি ক্ষমতাসীন দলের প্রতি আকৃষ্ট হয়, যা ফায়দার চাহিদাকে ক্রমাগতভাবে বাড়িয়ে দেয়। বস্তুত সংবাদপত্রের একটি সাম্প্রতিক শিরোনাম ছিল—দল কর, টাকা বানাও। এ ছাড়া ফায়দাপ্রাপ্তরা তাদের প্রাপ্তির পরিমাণ বাড়ানোর লক্ষ্যে ফায়দার চেইনের ওপর একক আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা চালাবে, এটাই স্বাভাবিক। এভাবে ক্রমাগত ফায়দার চাহিদা বৃদ্ধি এবং ফায়দা প্রাপ্তির পরিমাণ বৃদ্ধির সর্বাত্মক প্রতিযোগিতার কারণে ক্ষমতাসীন দলের মধ্যে সহিংসতা সৃষ্টি হতে বাধ্য, যা আমরা আতঙ্কের সঙ্গে প্রতিনিয়ত লক্ষ করছি। তাই বিরাজমান ফায়দাতন্ত্রের সংস্কৃতি অব্যাহত থাকলে আকাশচুম্বী বাজেট বরাদ্দ ক্ষমতাসীন দলের অভ্যন্তরে দ্বন্দ্ব ও হানাহানি আরও উসকে দেবে, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ভয়াবহ অবনতি ঘটতে পারে।
এ ছাড়া বেসরকারি বিনিয়োগের স্থবিরতা পোষাতে বাজেটে সরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হলেও এই প্রস্তাব বাস্তবে বেসরকারি বিনিয়োগকে আরও নিরুৎসাহিতই করতে পারে। যখন নিজস্ব ব্যয় ও বিনিয়োগের জন্য সরকারকে বাজার থেকে ধার করতে হয়, তখন অর্থনীতিতে একধরনের প্রভাব পড়ে, যাকে অর্থনীতির ভাষায় ‘ক্রাউডিং আউট’ বলা হয়ে থাকে। সরকারের ধার করার কারণে মূলধন বাজারে বিনিয়োগযোগ্য মূলধনের চাহিদা বেড়ে গেলে এবং এর ফলে সুদের হার ঊর্ধ্বমুখী হলে অর্থনীতিতে এ ধরনের ক্রাউডিং আউট বা বেসরকারি বিনিয়োগের নিরুৎসাহকরণ ঘটে। প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষাসহ সামাজিক খাতে বিনিয়োগের হার কমার কারণে আমাদের বিরাজমান ‘সক্ষমতার ঘাটতি’ আরও বাড়তে পারে, যার বিরূপ প্রভাবও দুর্ভাগ্যবশত বেসরকারি বিনিয়োগের ওপর পড়তে পারে।
ড. বদিউল আলম মজুমদার: সম্পাদক, সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘সুলতান’ এরদোয়ানের হোঁচট খাওয়া by মনজুরুল হক
২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো ক্ষমতাসীন হওয়ার পর থেকে টানা ১১ বছর তুরস্কের প্রধানমন্ত্রীর পদে আসীন ছিলেন রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে তুরস্কে এতটা দীর্ঘ সময় ধরে কোনো নেতাই ভোটের মাধ্যমে জনগণের আস্থা লাভ করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারেননি। তুর্কি ভাষার আদ্যাক্ষরের সংক্ষিপ্ত নামকরণ একেপি নামে পরিচিত তুরস্কের ইসলামপন্থী ন্যায় ও গণতান্ত্রিক দলের নেতা সেটা পেরেছেন নিজেকে অনেকটা জনগণের কাছের মানুষ হিসেবে তুলে ধরার মধ্য দিয়ে।
তাঁর এই অগ্রযাত্রা কণ্টকমুক্ত পথে হেঁটে যাওয়ার মধ্য দিয়ে হয়নি। কামাল আতাতুর্কের ভাবাদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ধর্মনিরপেক্ষতার পতাকা সমুন্নত রাখা তুর্কি সামরিক বাহিনীর বিরোধিতা এবং চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করেই জনতার সারিতে দাঁড়িয়ে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন এরদোয়ান ও তাঁর অনুসারীরা।
ফলে জনতার আস্থাও তাঁরা সহজেই লাভ করতে পেরেছিলেন, যার ফলে ধর্মনিরপেক্ষ ইসলামি রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত তুরস্কে ২০০৩ সালে প্রথমবারের মতো সরকার গঠনে সক্ষম হয় একেপি এবং এরদোয়ান হয়ে ওঠেন জনতার পছন্দের নেতা। তবে তাঁর পতনের সূচনাও মনে হয় সেখান থেকেই।
ধর্মকে রাজনৈতিক প্রচারের বাহন হিসেবে ব্যবহার করা দল একেপি শুরু থেকেই হয়ে পড়েছিল একক নেতার ওপর নির্ভরশীল একটি দলে। এরদোয়ানের প্রভাব দলে এতটাই বিস্তৃত যে তাঁর নির্দেশের বাইরে কিছুই সেখানে হয় না। এ-ও যেন হচ্ছে আমাদের সেই সংস্কৃতি—অর্থাৎ, গণতন্ত্র সরকারের গঠনের বেলায় মেনে চলব, দলের ভেতরে নয়। সে রকম অবস্থায় এরদোয়ান নিজেও চাননি দলের ভেতরে কিংবা বাইরে তাঁকে চ্যালেঞ্জ করার মতো কেউ দাঁড়িয়ে যাক। ফলে ক্রমাগতই তিনি হয়ে উঠছিলেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রকাঠামোর ভেতরের একজন একনায়ক।
কেবল নিজের মন্ত্রিসভা গঠনেই পছন্দের মানুষ তিনি বেছে নেননি, এমনকি দেশের সাংবিধানিক প্রধান প্রেসিডেন্টের পদ অলংকৃত করা মানুষটিও যেন হন তাঁরই একজন কলের পুতুল, সেটাও তিনি নিশ্চিত করে নিতে চেয়েছিলেন। সেই পথ ধরেই অবশ্য তুর্কি জনগণ প্রথমবারের মতো দেখতে পেয়েছিলেন জনতার কাতারের একজন নেতার ক্ষমতার মোহে ক্রমেই একনায়ক হয়ে ওঠার স্পষ্ট কিছু ছবি। নিজের দলের ঘনিষ্ঠজন আবদুল্লাহ গুলের প্রেসিডেন্টের পদে আসীন হয়ে প্রভাববলয় বাড়িয়ে নেওয়া পছন্দ হয়নি প্রধানমন্ত্রীর। ফলে একসময় তিনি ঠিক করে ফেলেন যে নিজেই তিনি বসবেন সেই পদে।
তবে পদের সঙ্গে সাংবিধানিক যেসব দায়বদ্ধতা প্রেসিডেন্টের ক্ষমতাকে করে দিচ্ছে অনেকটাই সীমিত, সেটাও তাঁর আবার পছন্দ নয়। ফলে তিনি চেয়েছিলেন সংবিধান রদবদল করে নিয়ে এমন একটি প্রেসিডেন্টের পদ তৈরি করে নিতে, নামে যেটা নির্বাহী প্রেসিডেন্ট হলেও কার্যত যেটা হবে সর্বময় ক্ষমতার কেন্দ্র। অর্থাৎ গণতান্ত্রিক কাঠামোকে সামনে রেখে পরোক্ষ একনায়কতান্ত্রিক ব্যবস্থা তুরস্কে তিনি গড়ে নিতে চেয়েছিলেন, যা কিনা ক্ষমতা থেকে তাঁকে অপসারণের প্রক্রিয়াকেও করে তুলবে খুবই কঠিন। আর সে রকম এক হিসাব থেকেই ২০১৪ সালে প্রধানমন্ত্রীর পদে নিজের বশংবদ এক দলীয় নেতাকে বসিয়ে নিজে হয়ে ওঠেন প্রেসিডেন্ট।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যমের একটি অংশ তখন থেকেই পরোক্ষে তাঁকে ‘সুলতান’ আখ্যায়িত করতে শুরু করে। নিজের হাতে আরও বেশি ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত হওয়ার প্রক্রিয়ায় বেপরোয়া হয়ে ওঠেন তুর্কি নেতা। এমনকি নিজের ধর্মীয় মতাদর্শের মিত্র ফাতুল্লাহ গুলেনের সঙ্গেও একসময় দেখা দেয় তাঁর বিরোধ এবং নির্বাসিত সেই নেতার সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃত্ব খর্ব করতে তিনি হয়ে ওঠেন খড়্গহস্ত। এতটা মাত্রাতিরিক্ত আত্মপ্রত্যয় যে পরোক্ষে তাঁকে নিয়ে যাচ্ছিল স্খলনের পথে, তা তিনি বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারেননি কিংবা চাননি। সে রকম বিধ্বংসী আত্মপ্রত্যয়ের আরেকটি প্রকাশ দেখা যায় শতাধিক কক্ষের নতুন প্রেসিডেন্ট ভবন নির্মাণের প্রক্রিয়ায়। এরদোয়ান দাবি করে বসেন আগের ভবনটি তেলাপোকায় এতটাই পরিপূর্ণ হয়ে গেছে যে মনুষ্যবাসের উপযোগী সেটা এখন আর নেই। নিজেকে তিনি হয়তো আতাতুর্কের প্রেতাত্মা থেকে দূরে রাখতে সচেষ্ট ছিলেন বলেই আতাতুর্কের সময় থেকে রাষ্ট্রপ্রধানদের বসবাসের সেই প্রাসাদ তাঁর মনঃপূত হয়নি।
অনেকেই অবশ্য প্রশ্ন করছেন, এরদোয়ান কেন আগে থেকে সংবিধান সংশোধন করে না নিয়ে নিজে প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর সংবিধানের ওপর হস্তক্ষেপ করার জন্য ২০১৫ সালের নির্বাচনের অপেক্ষায় ছিলেন? দুটি ভিন্ন হিসাব সেই পথে অগ্রসর হতে তুর্কি নেতাকে অনুপ্রাণিত করেছে।
প্রথমটি হলো এমন কারও ওপর তিনি আস্থা রাখতে পারছিলেন না, যিনি কিনা সংবিধান সংশোধিত হয়ে যাওয়ার পর প্রচুর ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকা প্রেসিডেন্টের পদটি স্বেচ্ছায় তাঁর জন্য ছেড়ে দেবেন। কে জানে ক্ষমতার মোহে আটকা পড়ে গিয়ে নিজেরই সে রকম কোনো অধস্তন হয়তো পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টোর মতো একই পরিণতির দিকে তাঁকেও ঠেলে দিতে পারে। একনায়কের মনমানসিকতার এ হচ্ছে মস্ত এক দায়। কাউকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করা তাঁদের পক্ষে কখনোই সম্ভব হয় না। আর তাই কোনো রকম ঝুঁকি এরদোয়ান নিশ্চিতভাবেই নিতে চাননি।
আর দ্বিতীয় অঙ্কটি হচ্ছে তাঁর হিসাবের ভুল, একনায়কসুলভ গণতান্ত্রিক নেতারা যে ভুল প্রায় সব সময় করে থাকেন। দীর্ঘকাল ধরে ক্ষমতাসীন থেকে বিরোধীদের সব রকমভাবে কোণঠাসা করে দেওয়ার পর তিনি অনেকটা নিশ্চিত ছিলেন যে সংবিধান বদলের জন্য প্রয়োজন হওয়া দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করা তাঁর জন্য কোনো ব্যাপারই নয়। আর এসব ভুলের সমন্বিত ফলাফল হচ্ছে তাঁর এই হোঁচট খাওয়া।
একেপি এখনো তুরস্কে হচ্ছে সংসদে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল। তবে সরকার গঠনের মতো নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দলের না থাকায় শেষ পর্যন্ত হয়তো দ্বিতীয় কোনো শরিককে নিয়ে আবারও দল ক্ষমতাসীন হবে। আর সংবিধান পরিবর্তন সম্ভব না হওয়ায় এরদোয়ান হয়ে উঠবেন ঠুঁটো জগন্নাথ প্রেসিডেন্ট, নতুন প্রধানমন্ত্রী যঁার ওপর কোনো অবস্থাতেই আর সেভাবে নির্ভরশীল হবেন না। ফলে মাত্র কিছুদিন আগের পরাক্রমশালী নেতা এর মধ্য দিয়ে কোণঠাসা হয়ে পড়লেও তুরস্কের গণতন্ত্রের জন্য সেটা অবশ্যই নতুন সুবাতাস।
মনজুরুল হক: শিক্ষক ও সাংবাদিক৷
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছেলেরা বোরকা পরে মেয়েরা খোলামেলা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার ললি কাণ্ডে জড়ালেন প্রিয়াংকা
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান-আইএস নিয়ে ওবামা-পুতিন ফোনালাপ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য করতে সরকারের নীলনকশা’
আজ দুপুরে নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। ‘খালেদা জিয়া আগামী নির্বাচনে বাদ পড়বেন’ তথ্যমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে ড. রিপন বলেন, ‘হাসানুল হক ইনু প্রকৌশলী ছিলেন জানতাম। তবে তিনি যে জ্যোতিষী তা জানা ছিল না। এই ধরনের মাতলামি কথার নিন্দা জানাই। এগুলো অসুস্থ লোকের প্রলাপ। বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, খালেদা জিয়াসহ দলের নেতাদের বিরুদ্ধে কাল্পনিক মামলা দিয়ে নির্বাচনের অযোগ্য করার নীলনকশা চলছে। আদালতে প্রতি আমাদের আস্থা নেই। এটা ক্যাঙ্গারু কোর্ট। এই কোর্ট এমন কোনো রায় দিলে তা বিচার হবে না। এটা হবে অবিচার। জনগণ এটা মেনে নেবে না। মানবাধিকার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর থেকে প্রকাশিত কান্ট্রি প্রতিবেদনে যে তথ্য উঠেছে তা নিয়ে সরকার কোন প্রতিবাদ দেয়নি। এতে ওই প্রতিবেদন সত্য বলে প্রতিয়মান হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। ড. রিপন বলেন, লালবাগ কেল্লা বিপন্ন হওয়ার পথে। সরকার লালবাগ কেল্লার দেয়াল ভেঙে গাড়ি পার্কিংয়ের উদ্যোগ নিয়েছে। তার প্রতিবাদ জানালে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে-সংরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত ফান্ড নেই। অথচ কেল্লার দেয়াল ভেঙে গাড়ি পার্কিং করার কথা বলছে। ওখানে পার্কিং নয়, বিপনি বিতান করা হবে। অন্যদিকে সুন্দরবনে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং আন্দর্জাতিক বিমানবন্দর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। সরকারের এধরনের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন পরিবেশবাদী ও বিশিষ্টজনেরা। আমরাও বলেছি যদি এগুলো করা হয় তাহলে ওই অঞ্চলে শিল্পায়ন হবে না। সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য নষ্ট হবে। সরকারের এ ধরনের পরিকল্পনাকে ‘তুঘলকী পরিকল্পনা’ আখ্যা দিয়ে বিএনপির মৃখপাত্র বলেন, এই সরকার একের পর এক তুঘলকী পরিকল্পনা গ্রহণ করছেন। যেখানে তারা জনগণের কথা ভাবছেন না।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘স্মার্ট’–এর ফাঁদে কলেজে ভর্তি
আবেদন গ্রহণের সময় অনেক শিক্ষার্থীকে না জানিয়েই কে বা কারা তাদের পক্ষে আবেদন করে ফেলে। এ কারণে কাঙ্ক্ষিত কলেজে ভর্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় পড়ে ওই সব শিক্ষার্থী।
আর এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে এসে ‘ডিজিটাল কারিগরি সমস্যায়’ ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থীরা কে কোন কলেজে ভর্তির জন্য মনোনীত হয়েছে, তার তালিকা প্রকাশ করতে পারছে না শিক্ষা বোর্ড। তিন দফা সময় বাড়িয়ে বোর্ড গতকাল শনিবারও ফল প্রকাশ করতে পারেনি। আজ রোববার প্রকাশ করা হতে পারে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে বলা হচ্ছে। তবে সেটাও নিশ্চিত নয়। এ সমস্যার জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের কর্মকর্তারা দুষছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়কে (বুয়েট)। বুয়েটের সহায়তায় এ কাজটি হচ্ছে। আর কাজটি হচ্ছে ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে।
তালিকা প্রকাশ না হওয়ায় ভর্তির কাজও আটকে গেছে। এ জন্য সাড়ে ১১ লাখ শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবক দুশ্চিন্তায় আছেন। নীতিমালা অনুযায়ী, গতকাল থেকে ভর্তির কাজ শুরু হওয়ার কথা ছিল।
শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, এ নিয়ে শিক্ষার্থীদের কোনো ধরনের ক্ষতি হবে না। তাদের দুশ্চিন্তা করার কারণ নেই।
বোর্ডের পূর্বঘোষিত সময় অনুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু ওই দিন কারিগরি সমস্যার কারণে তালিকা প্রকাশ করতে পারেনি ঢাকা বোর্ড। এ জন্য এক দিন সময় বাড়িয়ে শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় তালিকা প্রকাশের সময় নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু শুক্রবার রাতেও তা প্রকাশ করা যায়নি। পরে আরেক দফায় পিছিয়ে শনিবার সকালে প্রকাশ করা হবে বলে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক প্রথম আলোকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু সেটাও হয়নি। এখন আর সুনির্দিষ্ট করে বলা হচ্ছে না কবে ফল প্রকাশ হবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা জানান, সমস্যা দূর হলেই তালিকা প্রকাশ করা হবে। আজ সকালে তালিকা প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের দুজন পদস্থ কর্মকর্তা প্রথম আলোকে বলেন, বুয়েট কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করে বলছে না, কী সমস্যা হয়েছে। তবে তাঁদের ধারণা, ওয়েবসাইটের ‘কোডিং’ (প্রোগ্রামিং সংকেত) সমস্যার কারণে এ সমস্যা তৈরি হতে পারে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের একজন কর্মকর্তা জানান, যে ওয়েবসাইটে কাজ চলছে, সেখানে বড় ধরনের কারিগরি সমস্যা হচ্ছে। একাধিকার হ্যাকও হয়েছে। এ জন্যই মনে হয় তালিকা প্রকাশ করা যাচ্ছে না। এর সমাধানে বুয়েটের অধ্যাপক কায়কোবাদকে যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া সরকারের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রকল্পের কর্মকর্তারাও এতে যুক্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে জানতে চাইলে অধ্যাপক কায়কোবাদ প্রথম আলোকে বলেন, চেষ্টা চলছে।
শিক্ষাসচিব নজরুল ইসলাম খান অসহায়ত্ব প্রকাশ করে প্রথম আলোকে বলেন, ‘খুবই সমস্যা হয়ে গেল। বুয়েটের মতো প্রতিষ্ঠানও যদি এ রকম সমস্যায় পড়ে, তাহলে আমরা কোথায় যাব!’ গতকাল বিকেলে তিনি বলেন, ‘আশা করছি রোববার ফল প্রকাশ করা যাবে।’
ভর্তির জন্য ৬ জুন আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছিল। শেষ হয় ২১ জুন। এবার অনলাইনে (www.xiclassadmission.gov.bd) এবং বিকল্প হিসেবে আগের মতো খুদে বার্তায় আবেদন গ্রহণ করা হয়। অনলাইনে সর্বোচ্চ পাঁচটি কলেজের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে হয়েছে। এখান থেকে এসএসসির ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীর ভর্তির জন্য একটি কলেজ নির্ধারণ করে দেবে শিক্ষা বোর্ড।
এবার মোট ১১ লাখ ৫৬ হাজার শিক্ষার্থী আবেদন করে। ২৭ থেকে ৩০ জুনের মধ্যে ভর্তি শেষে ১ জুলাই একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরুর কথা। কিন্তু এখন সবকিছু আটকে গেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেস ক্লাবে দু’পক্ষের উত্তেজনা-ধাক্কাধাক্কি
অনেকটা বাধ্য হয়ে মেম্বারস লাউঞ্জে অতিরিক্ত সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার শুরুতে কয়েকজন এসে টিভি দেখার কথা বলে হট্টগোল সৃষ্টির চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে ডিইউজে সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ ফটো জানালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মীর আহাম্মেদ মীরুর দিকে তেড়ে আসেন। এ সময় কুদ্দুস আফ্রাদকে জড়িয়ে ধরে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করা হয়। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে আগের কমিটির প্রতিবাদ সমাবেশে সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন, যে কোন মূল্যে নির্বাচনের মাধ্যমেই সঠিক কমিটি গঠন করে প্রেস ক্লাবের গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে। জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘ইউনিয়ন অফিস বন্ধের পাঁয়তারা’র বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশে তিনি বলেন, ‘অবৈধভাবে দখলদারদের সমর্থকরা সদস্যপদের নাম করে প্রেস ক্লাবের নিচে সমাবেশ করছে, যেখানে আমরা সমাবেশ করতাম। কিন্তু কোনভাবেই প্রেস ক্লাবকে দখলমুক্ত করার এ আন্দোলনকে বন্ধ করতে পারবে না।’ তিনি বলেন, যে কোন মূল্যে আমরা প্রেস ক্লাবকে দখলমুক্ত করবো। বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শওকত মাহমুদ, কবি আবদুল হাই শিকদার, প্রেস ক্লাবের বিদায়ী কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী প্রমুখ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন। বিকাল ৪টার দিকে প্রেস ক্লাব মেম্বার্স লাউঞ্জে অতিরিক্ত সাধারণ সভা শুরু হয়। এতে প্রেস ক্লাবের শতাধিক সদস্য অংশ নেন। প্রেস ক্লাব সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ অসুস্থতার কারণে উপস্থিত হতে পারেননি। সভার প্রথম পর্বে সভাপতিত্ব করেন সিনিয়র সহসভাপতি বখতিয়ার রানা ও দ্বিতীয় পর্বে সিনিয়র সহসভাপতি কাজী রওনাক হোসেন। সভায় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ সাধারণ সম্পাদকের রিপোর্ট পেশ করেন।
সভায় আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে দ্বিবার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠানের সর্বসম্মত সিদ্ধান্ত হয়েছে। সভায় নির্বাচিত কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের আগ পর্যন্ত গঠণতন্ত্র অনুযায়ী বর্তমান ব্যবস্থাপনা কমিটিকে কাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমোদন দেয়া হয়। এছাড়া সভায় আগামী নির্বাচন পরিচালনার জন্য গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিদের নিয়ে একটি নির্বাচন কমিটি গঠন করার প্রস্তাব পাস হয়। ওই কমিটি দ্রুত নির্বাচনের শিডিউল ঘোষণা করবে। স্বঘোষিত কমিটির কর্মকর্তা ও সদস্যরা ক্লাব গঠনতন্ত্র লঙ্ঘন করায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের সব কার্যক্রমকে অবৈধ ঘোষণা করেও সভায় প্রস্তাব পাস হয়।
সভায় মিলনায়তনসহ সব কক্ষ জোরপূর্বক বন্ধ রাখায় ক্ষোভ প্রকাশ করা হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন কবি আল মুজাহিদী, নয়াদিগন্ত সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন, দিনকাল সম্পাদক ড. রেজোয়ান সিদ্দিকী, ফরিদ হোসেন, রুহুল আমিন গাজী, শওকত মাহমুদ, এম এ আজিজ, ছড়াকার আবু সালেহ, আবদুস শহিদ, মুন্সী আবদুল মান্নান, বাকের হোসাইন, মাসুমুর রহমান খলিলি, এ কে এম মহসীন, খুরশিদ আলম, কাজিম রেজা, রফিক হাসান, আবুল কালাম মানিক, শাহাদাত হোসেন খান, আসাদুজ্জামান, আসাদ, খন্দকার গোলাম আজাদ, হারুন-অর রশিদ প্রমুখ। সভায় ব্যবস্থাপনা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক কাদের গণি চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ বদিউল আলম, সদস্য হাসান হাফিজ, নুরুল হুদা, নুরুল হাসান খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এদিকে ঘোষিত কমিটির সভাপতি মুহম্মদ শফিকুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল ইসলাম চৌধুরী ইজিএমের নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেন, মেয়াদ উত্তীর্ণ কমিটির কিছু সদস্য সমাবেশের নামে ক্লাবে শান্তি বিনষ্টের অপচেষ্টা চালায়। নেতৃবৃন্দ বলেন, কর্তৃপক্ষের ধৈর্যকে দুর্বলতা ভাবলে ভুল করা হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবারও পেছাতে পারে ইরান চুক্তি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তরুণদের আছে কাটার by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
![]() |
| ক্ষমতা কেন ভয় পাবে তাদের? কারণ তাদেরও আছে মুস্তাফিজের মতো কাটার |
আর যদি মানুষটার অস্বাস্থ্য থাকে শরীরের গভীরে-হৃদ্যন্ত্রে, ফুসফুসে, তাহলে তার ঠিকানা কাজের ভূগোলে নয়, ক্লিনিক-হাসপাতালের বিছানায়, বারান্দায়।
বাংলাদেশ এখন বিশ্বে সমীহ জাগানো একটি নাম। অমর্ত্য সেন অনেক দিন থেকেই পৃথিবীকে জানাচ্ছেন এ দেশের অনন্য সব অর্জনের কথা। তাঁর বিস্ময় উৎপাদন করেছে সামাজিক ও মানব উন্নয়নের নানা সূচকে আমাদের অগ্রগতি। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় আমরা বিশ্বের জন্য অনুকরণীয় মডেল; দারিদ্র্য ও চরম দারিদ্র্য হ্রাসে, খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে আমাদের সফলতা এবং বিশ্বমন্দার কালে আমাদের অর্থনীতির চাকা সবলে ঘোরার কারণে বিশ্ব এখন আমাদের প্রশংসা করে।
এত সব অর্জনের পেছনে আছে জাতি হিসেবে আমাদের প্রত্যয়: আমরাও পারি।
এর শেষতম উদাহরণ জুনের ২১ তারিখ রাতের মিরপুর। আমি বসে টিভিতে দেখছি ভারতের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের ক্রিকেটীয় দাপট এবং ভাবছি, এটি কী করে সম্ভব? খেলা দেখছি, কিন্তু মোবাইল ফোনে কিছুক্ষণ পর পর যে মেসেজ আসছে, সেদিকেও চোখ রাখছি, দ্রুত উত্তরও দিচ্ছি এবং কোথায় যেন একটা সুর শুনছি আরও বড় জাগরণের। মেসেজ পাঠাচ্ছে আমার ছাত্রছাত্রীরা। মুস্তাফিজ একটা উইকেট নিল, একজন লিখে পাঠাল, ‘এনাদার ওয়ান বাইটস দ্য ডাস্ট’। তার আগে সৌম্য ছয় মারলে একজন লিখল, ‘বলটা সাতক্ষীরায় পাঠিয়ে দিল, স্যার।’ এই তরুণ ক্রিকেট দল ২১ তারিখে দেখাল, তারা শুধু জাগেনি, এখন আকাশটাও ছুঁতে জানে।
এই জাগরণটা যে শুধু আমরা দেখছি তা নয়, বিশ্বও দেখছে। নেটে কলকাতার কাগজগুলো পড়লাম। দেখলাম, উচ্ছ্বাস তাদেরও। ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ লিখেছে এক কাগজ; ‘সোনার বাংলার জয়গাথা’ লিখেছে আরেকটি। আনন্দবাজার পত্রিকার শিরোনাম, ‘এগারো বাঙালি হারাল ভারতকে’। ‘বাঙালি’ কথাটায় কোথায় জানি একটা তুষ্টির ছোঁয়া। আমার খুব ভালো লাগল, যখন কাঠমান্ডু থেকে এক বন্ধু ফোনে অভিনন্দন জানাল। বলল, নেপালের দর্শক বাংলাদেশের পক্ষে। আমি জানি কেন তারা ভারত ছেড়ে বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়েছে, এখন বাংলাদেশ অর্জনের এক উদাহরণ তাদের সামনে। বাংলাদেশ পারলে নেপালও পারবে। শুধু ক্রিকেটে নয়, অর্থনীতি-সমাজ-শিক্ষা—সব ক্ষেত্রে।
আমি এই কথাটা জোরের সঙ্গে বলি: বাংলাদেশকে শুধু নিজের দিকে তাকালে চলবে না; এটি ভাবলে শেষ ভাবাটা হয়ে যাবে না যে বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কা অথবা পাকিস্তানের মতো দক্ষিণ এশিয়ার একটি দেশ, যার উন্নতি হবে নিজের ভূগোলের ভেতরে। বাংলাদেশ একটি দেশ বটে, কিন্তু ভারতের মতোই এর বাইরেও কিছু। ভারত এখন এশিয়ার অর্থনীতির পরাশক্তি। বাংলাদেশকেও হতে হবে আঞ্চলিক একটি শক্তি, যার উন্নতি স্পর্শ করবে এবং যার দিকে পথ দেখানোর জন্য তাকিয়ে থাকবে নেপাল, ভুটানসহ ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলো। কিছুদিন আগে ত্রিপুরা ও মিজোরামের দুই সমাজকর্মীর সঙ্গে আমার দেখা দিল্লিতে। তাঁরা জানালেন, তাঁদের কাছে দিল্লি সত্যি সত্যি দূরের। বাংলাদেশের সঙ্গে বরং অর্থনৈতিক সম্পর্কটা হতে পারে অনেক কাছের। চট্টগ্রামে গভীর সমুদ্রবন্দর হলে ভাগ্য বদলাতে পারে উত্তর-পূর্বের সাতটি রাজ্যের। ত্রিপুরা তো তার উন্নয়নে আমাদের সহায়তা দাবিই করতে পারে—একাত্তরে ত্রিপুরা যেভাবে দাঁড়িয়েছিল আমাদের পাশে, তার কোনো তুলনা হয় না।
বাংলাদেশকে বিশ্ব সমীহ করছে। বাংলাদেশের গত নির্বাচন নিয়ে অখুশি ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো। কিন্তু কিছুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্র প্রশংসা করেছে উগ্রবাদ মোকাবিলায় বাংলাদেশের সাফল্যকে। নির্বাচন সর্বদলীয় না হওয়াটা আমাদের গণতন্ত্রের একটি ব্যর্থতা। আমাদের রাজনৈতিক দলগুলোর ক্ষমতাকেন্দ্রিক চিন্তাভাবনা এবং কাজ-অকাজ গণতন্ত্রের জন্য দুঃসংবাদ। একইভাবে স্বাধীনতার সাড়ে চার দশক পরও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বিতর্ক তোলা, স্বাধীনতার স্থপতিকে খাটো করে দেখা, মুক্তিযুদ্ধের আদর্শগুলোকে অবজ্ঞা-অমান্য করা গণতন্ত্রের সুস্থতার লক্ষণ হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শের কেন্দ্রে ছিল মানুষ, সাম্য, মুক্তি এবং দেশের ভাগ্য ফেরানোর স্বপ্ন—এই আদর্শ ধরে কেউ কি এগোচ্ছে?
তারপরও মানুষ হাল ছেড়ে দেয়নি, নিজেদের মতো কাজে নেমে পড়েছে। দরিদ্র পরিবারগুলো সামান্য উপার্জন করে সন্তানকে এবং কন্যাসন্তানকেও স্কুলে পাঠিয়েছে। তরুণেরা দেশে প্রত্যাখ্যাত হয়ে বিদেশে উপার্জনের একটা রাস্তা খুঁজে নিয়েছে। গ্রামের মেয়েটি শহরের মধ্য-উচ্চবিত্তের বাড়িতে গৃহস্থালির কাজ না নিয়ে পোশাক কারখানায় চাকরি খুঁজে নিয়েছে। কৃষক তাঁর পরিশ্রমে উদ্ভাবনী শক্তিতে নিরন্তর সোনা ফলিয়েছেন মাঠে, প্রাথমিক-মাধ্যমিক স্কুলের শিক্ষক স্বল্প বেতনে, পেটেভাতে মানুষ গড়ার সংগ্রামে নেমে পড়েছেন। তরুণ উদ্যোক্তা সামান্য পুঁজি সঞ্চয় করে ব্যবসা-বাণিজ্য-উৎপাদনে ব্রতী হয়েছেন। যোগাযোগপ্রযুক্তি যখন এল, মোবাইল ফোন কিছুটা সহজলভ্য হলো, তরুণেরা এর দেশীয় রূপান্তর ঘটালেন, বিশ্বের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করলেন। আমার এক অর্থনীতিবিদ বন্ধু বললেন, গ্রামের যে মধ্যস্বত্বভোগী—মাঝের মানুষ—দালাল ছিল, তাদের দাপট কমিয়ে দিল মোবাইল ফোন। না, আইন না, পুলিশ না; প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তির অপব্যবহার করছে অনেক তরুণ; উগ্রতা, আগ্রাসী অন্ধকার ছড়াচ্ছে, নানা অপকর্ম করছে। কিন্তু নতুন নতুন অসুখের ওষুধটাকেও হতে হয় নতুন। ওষুধ তৈরি হচ্ছে, তরুণেরাই করছে। ফলে প্রযুক্তি-রোগও একদিন নির্মূল হবে, সন্দেহ নেই।
অর্থনীতিবিদ-সমাজবিদেরা অনেক ভালো ভালো কথা বলেছেন। যা ঘটেছে, ঘটছে তা নিয়ে, যা ঘটতে পারে তা নিয়ে। এখন সময় দেশটা বদলাবার এবং এ জন্য কিছু মন্ত্রের জন্য আমাদের যেতে হবে দুই কবির কাছে। কবিরা ত্রিকালদর্শী হন, তাঁদের তৃতীয় একটা চোখ থাকে, যা দিয়ে তাঁরা অসম্ভবকে দেখেন। কাজী নজরুল দেখেছিলেন, রবীন্দ্রনাথ দেখেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ জমিদার ছিলেন, ইউরো-শিক্ষিত পরিবারের সন্তান ছিলেন, কিন্তু তাঁর বিশ্বদর্শনের কেন্দ্রে ছিল গ্রাম। গ্রাম জাগলে দেশ জাগবে, তিনি বলতেন। আরও বলতেন আত্মশক্তির কথা। নজরুলের দর্শনের কেন্দ্রে ছিল মানুষ, তাঁর আকাঙ্ক্ষা ছিল সাম্যের প্রতিষ্ঠা দেখা। তিনি মানুষের ইতিহাসের একটি সত্যকে তুলে ধরে বলেছিলেন। জগতের যা কিছু সুন্দর ও কল্যাণকর, তার অর্ধেক করেছে নারী। আমরা যদি এ দুই কবিকে মাথায় রাখি, তাহলে আত্মশক্তিতে আমরা জাগব; গ্রাম জাগবে, সাম্য প্রতিষ্ঠা পাবে; মানুষ থাকবে সব কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রে; নারীদের কাজের আর অবদানের ক্ষেত্রটা হবে উন্মুক্ত, বাধাহীন; এবং তারুণ্যের ওপর থাকবে আমাদের ভরসা।
এই লক্ষ্যে যে আমরা যাচ্ছি না তা নয়, যাচ্ছি। কিন্তু যাত্রার গতি বাড়াতে হবে, সবাইকে শামিল করতে হবে সেই যাত্রায়। যদি সুবিধাবঞ্চিতরা সমান সুযোগ না পায়, যদি মেহনতি মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা না পায়, যদি প্রান্তিক অধিবাসী এবং অন্যান্য উপেক্ষিত জনগোষ্ঠীর পায়ে শক্তি না জোগানো যায়, আমরা চলব খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে।
গ্রাম জাগছে। বাংলাদেশের ক্রিকেট-ফুটবল দলের কথাই ধরি। ছেলেগুলোর অনেকে এসেছে গ্রাম থেকে, অথচ তাদের চোখে বিশ্বজয়ের স্বপ্ন। একটি মেয়ে, সাবিনা, মালদ্বীপে গিয়ে তাক লাগানো ফুটবল খেলল। শুনলাম, সে-ও সাতক্ষীরার। এখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্ধেকের বেশি শিক্ষার্থী আসছে গ্রাম থেকে। এটি যুগ পরিবর্তনের লক্ষণ। এরা গ্রাম-শহরের ব্যবধান ঘোচাবে। দীর্ঘদিন গ্রাম অবহেলিত ছিল, এখন গ্রাম নিজে থেকেই সেই অবহেলার জবাব দিচ্ছে। কিন্তু প্রক্রিয়াটি ত্বরান্বিত করতে হবে। সে জন্য প্রয়োজন শিক্ষার—প্রকৃত, সাংস্কৃতিক, মননশীল, সৃজনশীল—শিক্ষার প্রসার। দারিদ্র্য নির্মূল করা। স্বাস্থ্য ও পুষ্টিচিত্রের উন্নতি। আরও অনেক কিছু। এর জন্য কাজে নামতে হবে তারুণ্যকে।
আমাদের দুই কবি বেঁচে থাকলে বাংলাদেশের উন্নতিতে খুশি হতেন, কিন্তু রবীন্দ্রনাথ দুঃখ পেতেন আত্মশক্তি বিকাশের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ানো আমাদের রাজনীতি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো দেখে। তিনি এক প্রবন্ধে লিখেছেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো কর্জ করা শেখায়, উৎপাদন করা নয়। অবস্থাটা কি বদলেছে? নজরুল ব্যথিত হতেন তারুণ্যের অপচয় দেখে। তরুণদের জন্য কী উদাহরণ আমরা রাখছি? আমাদের রাজনীতি তাদের শেখাচ্ছে ক্ষমতার মারামারি, সহিংসতা, টেন্ডার-বাণিজ্যের মতো অসৎ উপায়। তাদের শেখাচ্ছে ঔদ্ধত্য, অসহিষ্ণুতা। তারুণ্যকে ধ্বংস করার জন্য চলছে মাদকের ব্যবসা। এই মাদকসম্রাটদের তো নামেই চেনে দেশের মানুষ, কিন্তু তাদের কেউ স্পর্শ করে না। কাগজে দেখলাম, ইয়াবা-বাণিজ্যে জড়িয়ে পড়েছেন পুলিশের কিছু কর্মকর্তাও! একদিকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের সাফল্য উদ্যাপন করছি আমরা, অন্যদিকে মাদকের অবসাদে নিষ্প্রাণ পড়ে আছে তরুণদের এক বড় অংশ। এই বিপরীত চিত্র কি দেখেই যাব আমরা?
আবার ভরসা তরুণদের ওপর। মাঝে মাঝেই দেখি, প্রাথমিক শিক্ষকদের দাবি নিয়ে, নারীদের বিরুদ্ধে সহিংস যৌন অপরাধের প্রতিবাদে, বাজেটে শিক্ষার অবনমনের বিরুদ্ধে কিছু তরুণ রাজপথে মিছিল করে। এবং অবাক, পুলিশ তাদের দেখলেই পেটায়। আমার তো মনে হয়, পুলিশের কনস্টেবলদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর দাবিতে পথে নামলেও পুলিশ তাদের পেটাবে। এটা ক্ষমতার একটি অভ্যাস। তবে এ-ও বদলাবে, মিছিলে ছেলেগুলোকে দেখি আমাদের মুস্তাফিজের মতোই লিকলিকে। তাহলে ক্ষমতা কেন ভয় পাবে তাদের? কারণ তাদেরও আছে মুস্তাফিজের মতো কাটার। অফ, লেগ—সব ধরনের কাটার।
যত বেশি তরুণ এই কাটার নিয়ে বেরোবে রাস্তায়, মাঠে, গ্রামে, শহরে, দেশে, বিশ্বে; ততই জায়গা ছেড়ে দেওয়ার দৌড়টা শুরু হবে।
সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম: কথাসাহিত্যিক। অধ্যাপক, ইংরেজি বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জল থই থই ঢাকা -ছবি: ফোকাস বাংলা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদেশ যেতে সমুদ্রপথে কেন মরিয়া চেষ্টা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনের চেয়েও বাংলাদেশের পরিস্থিতি ভয়াবহ: বিএনপি
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়নে তিন ফরাসি ব্যাংকের অস্বীকৃতি
২০১২ সালে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের সর্ববৃহৎ কয়লা-বিদ্যুৎ কোমপানি এনটিপিসি (রাষ্ট্রায়ত্ত) বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে মিলিতভাবে খুলনা বিভাগে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করবে। পরিবেশবিদরা এ প্রকল্পের ব্যাপারে বেশ উদ্বিগ্ন। কেননা, বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের চেয়ে ১০ মাইলেরও কম দূরত্বে এটি অবস্থিত। এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণের জন্য বনের ভেতর দিয়ে নদীতে জাহাজ চলাচল এবং খনন বৃদ্ধি পাবে, ফলে বাড়বে বায়ু ও পানি দূষণ। অবনতি ঘটবে সুন্দরবনের পরিবেশের। মোদির ঢাকা সফরের আগেই পরিবেশবিদরা বাংলাদেশ-ভারতের নেতাদের কাছে প্রকল্পটি বন্ধের আহ্বান জানান। ২১শে মে তেল-গ্যাস-খনিজ সমপদ ও বিদ্যুৎ বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি ঢাকার জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সমাবেশ আয়োজন করে। সেখানে সংগঠনের সাধারণ সমপাদক ঘোষণা দেন, প্রকল্পটি বন্ধ না হলে, তারা দেশব্যাপী আন্দোলন ছড়িয়ে দেবেন। গত ৫ই জুন সুন্দরবন রক্ষা জাতীয় কমিটি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন, বাংলাদেশ পরিবেশ আইনজীবী সমিতি, পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন নতুন করে প্রকল্পটি বন্ধের আহ্বান জানায়।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, পরিবেশবিদদের আশঙ্কা একেবারেই উড়িয়ে দেয়ার মতো নয়। দিল্লিভিত্তিক সেন্টার ফর সাইয়েন্স অ্যান্ড এনভারনমেন্ট-এর গ্রিন প্রজেক্ট রেটিং ভারতের সকল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিবেশগত রেটিং প্রকাশ করে। সর্বসমক্ষে প্রাপ্য ও প্রাথমিক কিছু তথ্য দিয়ে ওই রেটিং প্রকাশ করা হয়। কিন্তু এরপরও উঠে এসেছে মোটামুটি উদ্বেগজনক একটি চিত্র। ভারতে এনটিপিসি ২৫টি কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিচালনা করে। আরও নয়টি যৌথ প্রকল্পও পরিচালিত হয় এনটিপিসি’র হাতে। রেটিং অনুযায়ী, পরিবেশ মানদণ্ডে ছয়টি তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সর্বনিম্ন অবস্থায় রয়েছে। সর্বোচ্চ রেটিং যেখানে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮০ শতাংশ। সেখানে ওই বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর স্কোর ছিল মাত্র ১৬-২৮ শতাংশ।
গত মাসে তিনটি ফরাসি ব্যাংক ঘোষণা দেয় তারা এ প্রকল্পে অর্থায়ন করবে না। এর মধ্যে ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল ব্যাংকের টেকসই উন্নয়ন বিভাগের বৈশ্বিক প্রধান স্টানিসলাস পোতিয়ের বলেন, বাংলাদেশের রামপাল কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে অর্থায়ন করবে না ক্রেডিট অ্যাগ্রিকোল এসএ গ্রুপ। আমাদের মধ্যস্থতা নীতিমালা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ঝুঁকি বিবেচনায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আরেকটি ব্যাংক সোসিয়েতে জেনেরালে’র টেকসই উন্নয়ন, সামাজিক ও পরিবেশগত দায়বদ্ধতা বিষয়ক পরিচালক জিন-মিশেল মেপুইজ বলেন, সোসিয়েতে জেনারালে বাংলাদেশের খুলনার রামপালে অবস্থিত কয়লাভিত্তিক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্পে কোন ধরনের আর্থিক অ্যাডভাইজরি সেবা দেয় না। বর্তমানে সেখানে অর্থায়নের বিষয়েও চিন্তা করছে না। প্যারিসে অনুষ্ঠেয় জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলনের অন্যতম কর্পোরেট সপন্সর বিএনপি পারিবাস ব্যাংকও রামপাল প্রকল্পে অর্থায়ন করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।
আর্থিক খাত অনুসরণ করে এমন কয়েকটি সংগঠনের জোট- ব্যাংক ট্রাক, একুয়েটর প্রিন্সিপলসের (আর্থিক খাতে পরিবেশগত ও সামাজিক ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা পরিকাঠামো) অধীনে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ওপর একটি বিশ্লেষণী প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। সে প্রতিবেদনের সারসংক্ষেপে বলা হয়েছে, রামপাল প্রকল্পের ডিজাইন, পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে মারাত্মক ঘাটতি প্রকাশ পেয়েছে বিশ্লেষণীতে। এ ছাড়া প্রকল্পটি একুয়েটর প্রিন্সিপলসের ন্যূনতম সামাজিক ও পরিবেশগত মানদণ্ড ও ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশনের পারফরম্যান্স স্ট্যান্ডার্ডসের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ।
গার্ডিয়ানের খবরে আরও বলা হয়েছে, ন্যূনতম মানদণ্ড অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় রামপাল প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে উৎসাহী নয় আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো। ১৫০ কোটি ডলারের ওই প্রকল্পের ৭০ শতাংশ অর্থায়নই ঋণ থেকে হবে বলে আশা করা হচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশ অর্থায়ন বাংলাদেশ ও ভারত সমানভাবে করবে। কিন্তু বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন এ অর্থায়নের অনুমোদন দিতে রাজি হয়নি। সংস্থাটি বলেছে, এ প্রকল্প বাংলাদেশের বর্তমান নীতির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। এমনকি প্রকল্পের অর্থায়ন ও মালিকানাও পরিষ্কার নয়। এর ফলে প্রকল্পে বাংলাদেশের ১৫ শতাংশ অর্থায়নের বিষয়টিও অনিশ্চিত হয়ে গেছে। আশ্চর্যের বিষয় হচ্ছে, প্রথম বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য অর্থায়ন এখনও নিশ্চিত না হলেও, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ইতিমধ্যেই দ্বিতীয় কেন্দ্রের জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু করে দিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুদকের অচলাবস্থা- সচিবের ব্যাপারে নিশ্চুপ কেন মন্ত্রণালয়?
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুদকে প্রেষণে লোকবল নিয়োগ নিয়ে কমিশনের চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের সঙ্গে সচিবের মতভেদ দেখা দেয় এবং শেষ পর্যন্ত তা চরম আকার ধারণ করে। এ অবস্থায় দুদকের মতো জাতীয় প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনা করা কেবল দুরূহ নয়, অসম্ভব। ফলে দুদকের পক্ষ থেকে সচিবকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়। কমিশনের চিঠিতে সচিবের বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা গুরুতর।
কমিশন অভিযোগ করেছে, সচিবের উদাসীনতা, অনাগ্রহ ও কোনো কোনো ক্ষেত্রে অবাধ্যতার কারণে কমিশনের কার্যক্রমে অচলাবস্থা চলছে। এমনকি কমিশনের দৈনন্দিন কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তাঁর বিরুদ্ধে। এ ধরনের অভিযোগ ও তাঁকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার অনুরোধের পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় কীভাবে দীর্ঘ ৪৫ দিন নিশ্চুপ রয়েছে, তা সত্যিই বিস্ময়কর। এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার অর্থ হচ্ছে দুদকের কাজকর্মে অচলাবস্থাকে আরও দীর্ঘায়িত করা।
দুদকের চিঠি পাওয়ার পর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উচিত ছিল বিষয়টি জরুরি ভিত্তিতে বিবেচনায় এনে সচিবের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোর ব্যাপারে তদন্তের উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানটির কাজ কীভাবে চলবে, সে ব্যাপারে ত্বরিত ব্যবস্থা নেওয়া। কিন্তু মন্ত্রণালয় অজ্ঞাত কারণে সচিবকে প্রত্যাহারও করেনি, কমিশনের চিঠির জবাব বা নতুন সচিব নিয়োগের জন্য আলোচনায় বসারও উদ্যোগ নেয়নি। বলা হয়েছে, দুদকে পদায়নের জন্য নাকি একজন উপযুক্ত কর্মকর্তা খোঁজা হচ্ছে। তাদের এই অনুসন্ধান কবে শেষ হবে, আদৌ শেষ হবে কি না, সেই প্রশ্নের উত্তর জানার অধিকার নিশ্চয়ই জনগণের আছে।
দুদকের সচিবসংকট নিরসনে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দ্রুত পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছি।
দুদকের চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান গত ১১ মে সচিবকে প্রত্যাহারের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) পাঠান। চিঠিতে সচিবের বিরুদ্ধে কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে বিভেদ তৈরি, কাজে উদাসীনতা, কমিশনের কাজে বিঘ্ন সৃষ্টি করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ উল্লেখ করা হয়। চিঠিতে তাঁকে প্রত্যাহার করে এবং কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন একজন সচিবকে পদায়নের অনুরোধ করা হয়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বদিউজ্জামান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছি। মন্ত্রণালয় সব দিক বিবেচনা করে দেখছে বলে হয়তো একটু সময় লাগছে।’
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী চিঠি পাওয়ার বিষয়টি গত রোববার প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। তবে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
দুদকের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, কমিশনের সঙ্গে বিরোধের জের ধরে সচিবকে প্রত্যাহারের অনুরোধ জানানোর পর থেকে অস্বস্তিকর অবস্থা বিরাজ করছে। এর প্রভাব পড়ছে কমিশনের কাজকর্মে।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সচিব মাকসুদুল হাসান খানের জন্য একটি পদের ব্যবস্থা করেই তাঁকে সরিয়ে নেওয়া হতে পারে। এর পাশাপাশি দুদকের সচিব পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য যোগ্য কর্মকর্তা খোঁজা হচ্ছে।
দুদকে মাকসুদুল হাসান খানের দপ্তরে গিয়ে অভিযোগের বিষয়ে একাধিকবার তাঁর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তিনি এ বিষয়ে দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন। তবে দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) প্রণব কুমার ভট্টাচার্য প্রথম আলোকে বলেন, এ বিষয়ে কথা বলার এখতিয়ার তাঁর (প্রণব ভট্টাচার্য) নেই।
গত বছরের ৬ আগস্ট দুদকের সচিব হিসেবে নিয়োগ পেয়ে ১০ আগস্ট যোগ দেন অতিরিক্ত সচিব মাকসুদুল হাসান খান। পরে সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা।
দুদকের একাধিক সূত্র জানায়, দুদকের সচিব পদে যোগ দেওয়ার পর চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের সঙ্গে প্রেষণে লোকবল নিয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে মাকসুদুল হাসানের মতবিরোধ হয়। মন্ত্রণালয়ে দেওয়া দুদকের চেয়ারম্যানের চিঠিতে বলা হয়েছে, দুদকের নিয়মিত মাসিক ব্রিফিংয়েও তিনি অংশ নিতে চাইতেন না। প্রেস ব্রিফিং করার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে বারবার বলা হলেও তিনি বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। এর মাধ্যমে তিনি কমিশনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।
কমিশনের চিঠিতে আরও অভিযোগ করা হয়, সচিবের উদাসীনতা, অনাগ্রহ, কোনো কোনো ক্ষেত্রে অবাধ্যতার কারণে কমিশনের কার্যক্রমে স্থবির অবস্থা বিরাজ করছে। তিনি কমিশনের দৈনন্দিন কার্যক্রমে প্রতিনিয়ত বিঘ্ন সৃষ্টি করছেন। সচিবের এহেন কার্যক্রমে কমিশনের সার্বিক প্রশাসনিক কার্যক্রম মারত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
দুদকের একাধিক সূত্র জানায়, সর্বশেষ গত মাসে পদোন্নতি নিয়ে কমিশনের সঙ্গে সচিবের দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। বিভাগীয় পদোন্নতি কমিটির (ডিপিসি) সভাপতি হিসেবে পদোন্নতির ক্ষেত্রে কেবল জ্যেষ্ঠতাকে বিবেচনায় নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নেন তিনি। একজন কমিশনার জ্যেষ্ঠতার পাশাপাশি যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতে পদোন্নতির পক্ষে মত দেন। কিন্তু সচিব নিজের প্রস্তাবে অনড় থাকেন। এর জের ধরে সচিবকে প্রত্যাহার করতে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয় বলে জানিয়েছে দুদকের একাধিক সূত্র।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিজিএমইএকে আরও পরিণত হতে হবে -খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম
![]() |
| খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম |
প্রথম আলো: বিজিএমইএর নেতারা ক্রেতাদের জোট অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের বিরুদ্ধে সমালোচনায় মুখর। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, এসব গলার কাঁটা। এসব কথাবার্তায় সমস্যা বাড়বে, নাকি কমবে?
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: পোশাক কারখানার পরিদর্শন ও সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে কারখানার মালিকেরা একধরনের চাপের মধ্যে রয়েছেন। এ সময় রপ্তানির নিম্নমুখী প্রবৃদ্ধিও দুশ্চিন্তার কারণ। এটা সত্যি, যেকোনো সংস্কারই কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। এসবের প্রতিক্রিয়া বড় পোশাক কারখানার চেয়ে ছোট, মাঝারি বা সাব-কন্ট্রাক্ট কারখানার ওপর বেশি। সব মিলিয়ে তাদের অস্থিরতা অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের সমালোচনা করার মধ্য দিয়েই প্রকাশ পেয়েছে। তবে সংগঠন হিসেবে বিজিএমইএ ও বিকেএমইএর আরও পরিণত আচরণ প্রয়োজন। সংগঠনের সদস্য কারখানার মালিকদের সংস্কার কার্যক্রম সময়মতো শেষ করতে চাপ দেওয়া দরকার। মনে রাখতে হবে, সংস্কারকাজে দীর্ঘসূত্রতা কাঙ্ক্ষিত ফল প্রাপ্তিতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারে। সংগঠন দুটির পাশাপাশি সরকারের শীর্ষপর্যায়ের ব্যক্তিদের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিয়ে মন্তব্য করার ক্ষেত্রে সরকারের দীর্ঘমেয়াদি অঙ্গীকার ও চুক্তির বিষয়গুলো মনে রাখা প্রয়োজন। অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে উদ্ভূত পরিস্থিতি সমাধানে অগ্রসর না হয়ে অন্য উপায়ে গেলে সমস্যা বাড়াবে বৈ কমবে না।
প্রথম আলো: অ্যালায়েন্স অর্থমন্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ সরকারকে তার অবস্থান পরিষ্কার করতে বলেছে। সরকারের কী করা উচিত?
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: অ্যালায়েন্স-প্রধানের সাম্প্রতিক বিবৃতিতে কারখানা পর্যায়ের সংস্কারকাজে নিরবচ্ছিন্ন সহযোগিতা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করার কথা বলা হয়েছে। অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য সরকারের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া না হলেও শীর্ষপর্যায়ের ব্যক্তি হিসেবে একে গুরুত্বের সঙ্গে নিতে হচ্ছে। এখানে মনে রাখা দরকার, সরকার যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অ্যালায়েন্সের কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে অঙ্গীকারবদ্ধ। একইভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও আইএলওর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী অ্যাকর্ডের কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন গুরুত্বপূর্ণ। এসব চুক্তির অধীনে গৃহীত কাজের অগ্রগতি সরকার নিয়মিতভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে অবহিত করছে। এ রকম ক্ষেত্রে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে যেকোনো মন্তব্য চুক্তি বাস্তবায়নে তার অবস্থানকে দুর্বল করে। সরকারের উচিত হবে তার অবস্থান শক্তভাবে তুলে ধরা। যেকোনো উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সরকারের উচিত হবে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানে উৎসাহিত করা।
প্রথম আলো: পোশাকমালিকেরা বলছেন, দুই জোটের কার্যক্রমের কারণে জটিল সময় পার করছেন তাঁরা। এই বক্তব্য কতটা যুক্তিযুক্ত?
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: অ্যাকর্ড-অ্যালায়েন্সের কারখানা পরিদর্শনে বিভিন্ন রকমের ত্রুটি চিহ্নিত হয়েছে। সংশোধন পরিকল্পনা অনুসারে ত্রুটি সমাধানে কারখানাগুলোকে বেশ বিনিয়োগ করতে হচ্ছে। রপ্তানি প্রবৃদ্ধি সন্তোষজনক না হওয়ায় সীমিত আয়ের মধ্যে থেকে এ বাড়তি বিনিয়োগ করতে বেগ পেতে হচ্ছে। পাশাপাশি সংস্কারের অংশ হিসেবে ন্যূনতম মজুরি বাস্তবায়ন, আইনি সংস্কার ও বাস্তবায়ন, কারখানা পর্যায়ে ট্রেড ইউনিয়ন চালু এবং শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও স্বাস্থ্যবিষয়ক কমিটি চালু করতে হচ্ছে। সার্বিকভাবে কারখানামালিকদের জন্য সময়টা জটিল ও কষ্টসাধ্য। তবে এসব সংস্কার নেতিবাচকভাবে দেখার সুযোগ নেই।
প্রথম আলো: পোশাকের রপ্তানি ২০২১ সালে পাঁচ হাজার কোটি ডলারে নিয়ে যেতে অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্স কি কোনো ভূমিকা রাখতে পারে?
খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম: পাঁচ হাজার কোটি ডলার রপ্তানির লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের ক্ষেত্রে শুরুর বছরেই দুর্বল প্রবৃদ্ধির কারণে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। এ লক্ষ্য অর্জনের জন্য বিজিএমইএ বা বিকেএমইএর যে ধরনের কর্মপরিকল্পনা নেওয়া প্রয়োজন ছিল, তা এখনো অনুপস্থিত। এ জন্য পণ্য রপ্তানির পরিমাণের প্রবৃদ্ধির ওপর নয়, বরং গুণগতমানের উচ্চমূল্যের পণ্য উৎপাদন করতে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। আর এ ক্ষেত্রে যে ধরনের কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করা দরকার, তার জন্য বর্তমানে চলমান সংস্কারের গুরুত্ব আছে। তাই অ্যাকর্ড ও অ্যালায়েন্সের কার্যক্রম গুরুত্বের সঙ্গে শেষ করে বিশ্বে নতুন বার্তা দেওয়া খুবই প্রয়োজন।
সাক্ষাৎকার দুটি নিয়েছেন:
শুভংকর কর্মকার
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
June
(974)
-
▼
Jun 28
(46)
- সিলেটের সাবেক ডিসি শহিদুল চলতেন স্ত্রীর ইশারায় by ...
- স্বপ্নের বাজেটের দুঃস্বপ্নের পরিণতি! by বদিউল আলম ...
- ‘সুলতান’ এরদোয়ানের হোঁচট খাওয়া by মনজুরুল হক
- ছেলেরা বোরকা পরে মেয়েরা খোলামেলা
- এবার ললি কাণ্ডে জড়ালেন প্রিয়াংকা
- ইরান-আইএস নিয়ে ওবামা-পুতিন ফোনালাপ
- ‘খালেদা জিয়াকে নির্বাচনে অযোগ্য করতে সরকারের নীলনকশা’
- ‘স্মার্ট’–এর ফাঁদে কলেজে ভর্তি
- প্রেস ক্লাবে দু’পক্ষের উত্তেজনা-ধাক্কাধাক্কি
- আবারও পেছাতে পারে ইরান চুক্তি
- তরুণদের আছে কাটার by সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম
- জল থই থই ঢাকা -ছবি: ফোকাস বাংলা
- বিদেশ যেতে সমুদ্রপথে কেন মরিয়া চেষ্টা
- যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিবেদনের চেয়েও বাংলাদেশের পরিস্থ...
- রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে অর্থায়নে তিন ফরাসি ব্যাংকের...
- দুদকের অচলাবস্থা- সচিবের ব্যাপারে নিশ্চুপ কেন মন্ত...
- বিজিএমইএকে আরও পরিণত হতে হবে -খন্দকার গোলাম মোয়াজ...
- রাস্তা না নদী!
- স্ত্রীর মামলায় সাংবাদিক মুকুল রিমান্ডে
- সু চির কাছে প্রত্যাশা কি বাড়াবাড়ি?
- বৃটেনের রাণী কতটা ধনী? by নাজমুল আহসান
- বৃষ্টিমুখর রাজধানী
- ছিটমহল বিনিময় ইতিহাসের সন্ধিক্ষণ
- বেপরোয়া ৩ শতাধিক ছিনতাইকারী চাঁদাবাজ by রুদ্র মিজান
- ডিএনডি বাঁধের ভেতর জলাবদ্ধতা- শতাধিক অবৈধ স্থাপনা,...
- আসুন আমরা একসঙ্গে বসি
- দুর্ভোগ
- কৃত্রিম পায়ে আসল পায়ের অনুভূতি
- জামদানির হাট
- চকরিয়ায় বন্যায় ও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ৬ জনের মৃত্যু
- যে ট্রলারে মানব পাচার, সে ট্রলারেই ইয়াবা বহন by শর...
- চট্টগ্রাম-দোহাজারী পথে ঝুঁকিপূর্ণ ৩৭ রেলসেতু by এ...
- গরিলার রূপে মুগ্ধ নারীরা
- আনসারুল্লাহর লক্ষ্য মাসে একটি খুন by টিপু সুলতান
- দিনেকানার ছানা by শরীফ খান
- ‘আর নয় ছিটবাসী এবার আমরা বাংলাদেশি’ by অমর সাহা ও ...
- লন্ডনে গৃহহীন অভিবাসীদের রাত কাটে যেভাবে
- ১৯ কোটি টাকার মধ্যাহ্নভোজ! by আশরাফুল ইসলাম
- ইলিশের আকাল- জেলেপল্লীতে হাহাকার
- নামেই ১৪ দল by উৎপল রায়
- ‘আগামী নির্বাচনে খালেদা বাদ -ইনু ’ ‘খুচরা পার্টির ...
- ‘লুৎফর মনে করে রাজ্জাককে ধরে নিয়ে যায় বিজিপি’
- ঘাট নেই, তবু তিন গুণ টোল আদায়
- শত চেষ্টায় খালেদকে ভুলতে পারেনি শিফা by ওয়েছ খছরু
- লালবাগ কেল্লাকে আগের আদলে ফেরানোর দাবি
- বাংলাদেশ যেন বিস্ময়কর প্রতিভার খনি!
-
▼
Jun 28
(46)
-
▼
June
(974)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...














