Sunday, November 3, 2024
সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা, ২০০ সেনাকে অপহরণ
রোববার (০৩ নভেম্বর) মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (০১ নভেম্বর) বলিভিয়ার সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সেনাদের অপহরণ করেছে এবং মধ্য বলিভিয়ার শহর কোচাবাম্বার কাছের একটি ঘাঁটি থেকে অস্ত্র ও গোলাবারুদ জব্দ করেছে।
বলিভিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এ সময় ২০০ জনেরও বেশি সেনাকে অপহরণ করা হয়েছে।
বলিভিয়ার প্রেসিডেন্ট লুইস আর্স অভিযোগ করেন, সমশস্ত্র এ গোষ্ঠীটির সঙ্গে সাবেক প্রেসিডেন্ট ইভো মোরালেসের সম্পৃক্ততা রয়েছে। এমন অভিযোগ করলেও এ বিষয়ে কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করেননি তিনি। তবে এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে মোরালেসের দলের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সিএনএন।
সিএনএন জানিয়েছে, সশস্ত্র বাহিনী এ গোষ্ঠীটিকে অবিলম্বে এবং শান্তিপূর্ণভাবে ঘাঁটি ত্যাগ করার আহ্বান জানিয়েছে। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড দেশের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে বিবেচিত হবে। ২০২৫ সালের নির্বাচনকে সামনে রেখে মোরালেস এবং আর্সের সমর্থকদের মধ্যে চলমান অস্থিরতার মধ্যে সবশেষ ঘটনা এটি।
সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মোরালেসের সমর্থকরা সরকারের বিরুদ্ধে মানব পাচারের অভিযোগ করে কোচাবাম্বাসহ সারা দেশে প্রধান মহাসড়ক অবরোধ করেছে। বলিভিয়ার পুলিশ জানিয়েছে, অবরোধের সঙ্গে সশস্ত্র গোষ্ঠী জড়িত রয়েছে। এর ফলে কিছু শহরে খাদ্য এবং জ্বালানির সংকট দেখা দিয়েছে।
![]() |
| দেশটিতে সরকারবিরোধীদের সড়ক অবরোধ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দাবানলের ছাই থেকে সৃষ্টি হলো বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমি
রোববার (০৩ নভেম্বর) বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
সাভানার এ অঞ্চলটির আয়তন প্রায় দুই মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যা দেশটির মোট ভূখণ্ডের প্রায় এক পঞ্চমাংশ। গত সেপ্টেম্বরে এলাকাটিতে এক হাজার ৪৭০ হেক্টর এলাকাজুড়ে দাবানলের ধ্বংসলীলা দেখা যায়। এলাকাটিতে এখনও কালো মাটি ও পোড়া গাছের গুঁড়ি তার সাক্ষ্য দিয়ে আসছে।
ওই সময়ে রেকর্ড খরার কবলে পড়েছিল ব্রাসিলিয়া। তখন শহরটিতে ১৬৯ দিনই কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। এ বছর ছিল রেকর্ড খরার ও এক দশকের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ দাবানলের মৌসুম। এ জন্য বিশেষজ্ঞরা জলাবায়ু পরিবর্তনকে দায়ী করছেন। তবে এমন অবস্থার মধ্যে সেরাডো, আমাজন ও প্যান্টানাল জলাভূমি লাখ লাখ বছর ধলে এলাকাটিতে সুপার পাওয়ার হিসেবে কাজ করে আসছে। এটি অগ্নিকাণ্ড এবং উচ্চ তাপমাত্রার প্রতিরোধে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে আসছে।
দেশটির সরকারি সংস্থা মেন্ডেস ইনস্টিটিউট ফর বায়োডাইভারসিটি কনজারভেশনের পরিবেশ বিশেষজ্ঞ কেইকো পেলিজারো বলেনর, সেরাডো একটি উল্টানো বন। এ বনের আমরা মাত্র একটি ভগ্নাংশ দেখতে পাই। কেননা এটি আমাদের পায়ের নিচে রয়েছে। এটি হলো একটি গভীর পাম্পের মতো। যা চরম খরার সময়েও ভূগর্ভস্থ জল চুষে নেওয়ার কাজ করে।
ব্রাসিলিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তুবিদ্যার অধ্যাপক ইসাবেল শ্মিট বলেন, এ বনের গাছের পুরু ছাল ও ফলের খোসা তাপ নিরোধক হিসেবে কাজ করে। এমনকি এটি ৮০০ সেন্টিগ্রেড হলেও গাছপালা বেঁচে থাকতে পারে।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক দাবানলের এক মাস পরে বৃষ্টিতে ঘাস ও ছোট ছোট গাছপালা বাড়তে শুরু করেছে। এ ছাড়া ব্রাসিলিয়া জাতীয় উদ্যানের পোড়া গাছেও নতুন পাতা গজাচ্ছে। বৃষ্টি না হলেও আমরা কিছুটা স্থিতিস্থাপকতা দেখতে পেতাম বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রাজিলের পুলিশ এখনও ব্যাসিলিয়া জাতীয় উদ্যানে আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধান করছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লোডশেডিং বাড়ছে কয়লার অভাবে: পিডিবির লক্ষ্য আগামী গ্রীষ্ম মৌসুম
এদিকে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তারা বলছেন, শীতের বিদ্যুৎ পরিস্থিতির চেয়েও বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে আগামী গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি যাতে স্বাভাবিক থাকে। এজন্য শীত মৌসুমে সব কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রে কয়লার পর্যাপ্ত মজুত করা হবে। যাতে গ্রীষ্মে কয়লাভিত্তিক সবকটি কেন্দ্র পূর্ণমাত্রায় চালানো যায়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, কয়লার অভাবে গত ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে মাতারবাড়ী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। একই সংকটের কারণে রামপাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র, এসএস পাওয়ার, আদানি পাওয়ার এবং বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের একটি করে ইউনিট চালু করা যাচ্ছে না। কেন্দ্রগুলোর একটি করে ইউনিট চালু থাকলেও পূর্ণ সক্ষমতায় উৎপাদন করতে পারছে না। এ ছাড়া পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র দুটি ইউনিট চালু থাকলেও আর এক সপ্তাহের কয়লা মজুত আছে।
পিডিবির চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম এ প্রসঙ্গে কালবেলাকে বলেন, আমাদের বিদ্যুৎ ক্রয়ের বিপরীতে দায় ৩২ হাজার কোটি টাকার বেশি। সরকারের ভর্তুকি আটকে আছে। যে কারণে আমরা বিল পরিশোধ করতে পারছি না। ফলে বর্তমানে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। চলমান পরিস্থিতি আগামী মাসের মধ্যে স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে আশা করছি। তিনি বলেন, এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হচ্ছে আগামী গ্রীষ্মকাল। ওই সময় যাতে লোডশেডিং না হয়, তার আগেই আমরা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর জন্য কয়লার মজুত গড়ে তুলতে চাই।
বকেয়া বিল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রেজাউল করিম বলেন, আদানির বকেয়া ৮ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া অন্য কেন্দ্রগুলোর কোনোটি ৫ হাজার, কোনোটি ৪ হাজার আবার কোনোটি আরও কম টাকা বকেয়া রয়েছে। আমরা পরিশোধের চেষ্টা করছি এবং করাও হচ্ছে।
এ সময় পিডিবির চেয়ারম্যান আরও জানান, রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের কয়লা আসছে। আগামী ১০ নভেম্বরের পর দুটি ইউনিট চালু হবে। মাতারবাড়ী কেন্দ্রের জন্য কয়লার দরপত্র চূড়ান্ত করা হয়েছে। নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে কেন্দ্রটির উৎপাদন শুরু হবে। এসএস পাওয়ার আজ (গতকাল) রাত থেকে দুটি ইউনিট চালু করার কথা জানিয়েছে। এ ছাড়া ভারতের আদানি পাওয়ারের সঙ্গে বকেয়া বিল নিয়ে আলোচনা চলছে।
পিডিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, গত ২৮ অক্টোবর ভারতের ঝাড়খন্ডে স্থাপিত ১৬শ মেগাওয়াট ক্ষমতার আদানির বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশে সরবরাহ বন্ধ করার কথা জানিয়েছে আদানি কর্তৃপক্ষ। প্রায় ১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকার বকেয়া বিল বাকি। আদানি পাওয়ার (ঝাড়খন্ড) লিমিটেডের প্রতিনিধি ও যৌথ সমন্বয় কমিটির সভাপতি এমআর কৃষ্ণ রাও ওই চিঠিতে উল্লেখ করেন, ‘বাংলাদেশ পাওয়ার ডেভেলপমেন্ট বোর্ড (বিপিডিসি) বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক থেকে ১৭০ দশমিক শূন্য ৩ মিলিয়ন ডলারের জন্য প্রয়োজনীয় এলসি প্রদান করেনি এবং ৮৪৬ মিলিয়ন ডলারের (১০ হাজার ৮৬ কোটি টাকা) বকেয়া পরিমাণও মেটায়নি। সময়মতো এলসি না দেওয়া এবং বকেয়া পরিমাণ পরিশোধ না করার ফলে পাওয়ার পচেজ অ্যাগ্রিমেন্টের আওতায় ‘মেটেরিয়াল ডিফল্ট’ ঘটেছে, যা আদানি পাওয়ারের সরবরাহ বজায় রাখতে বাধা দিচ্ছে।’
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, ‘বহু বকেয়া পরিশোধ ও এলসির অভাবে আমরা কয়লা সরবরাহকারী এবং অপারেশন ও রক্ষণাবেক্ষণ কন্ট্রাক্টরদের জন্য কাজের মূলধন নিরাপদে রাখতে পারছি না। আমাদের ঋণদাতারাও সহায়তা প্রত্যাহার করছে।’
এদিকে গতকাল আদানি এই কেন্দ্র থেকে ৭৩১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে। এস আলম গ্রুপের ১ হাজার ২২৪ মেগাওয়াট ক্ষমতার বাঁশখালী এসএস পাওয়ার এদিন সরবরাহ করেছে ৪১৫ মেগাওয়াট। এই কেন্দ্রের বিপরীতে বকেয়ার পরিমাণ ২ হাজার কোটি টাকা। পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালিকানা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ-চীন পাওয়ার কোম্পানির ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার কেন্দ্রটির একটি ইউনিট গত ৩১ অক্টোবর থেকে দুই মাসের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়ার পরে পিডিবির অনুরোধে তা পেছানো হয়েছে। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক এএম খোরশেদুল আলম জানিয়েছেন, এই কেন্দ্রের বিপরীতে পিডিবির কাছে ৫ হাজার ৮০০ কোটি টাকা বকেয়া। কয়লা সংকটের কারণে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ বিনিয়োগে করা ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট ক্ষমতার রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি ইউনিট থেকে ৬২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে। এ ছাড়া পিডিবির মালিকানাধীন আড়াইশ মেগাওয়াট ক্ষমতার বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে গতকাল ৮৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে।
পিডিবি ও পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি বাংলাদেশ (পিজিসিবি) বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহের চিত্র থেকে দেখা যায়, গতকাল দুপুর ১২টায় পর থেকে লোডশেডিং বাড়তে থাকে। পিজিসিবির তথ্যানুযায়ী, শনিবার দুপুর ১টায় ১১ হাজার ৭০০ মেগাওয়াটের বিপরীতে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হয়েছে ১১ হাজার ৩৫৫ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ছিল ৩২৯ মেগাওয়াট। দুপুর ২টায় ১১ হাজার ৮০০ বিপরীতে ১১ হাজার ৩২২ মেগাওয়াট সরবরাহ হয়েছে। ঘাটতি ৪৫৬ মেগাওয়াট। বিকেল ৩টায় ১১ হাজার ৮৫০ বিপরীতে ১১ হাজার ১২৪ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ছিল ৬৯৩। বিকেল ৪টায় ১১ হাজার ৫০০-এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১০ হাজার ৯০১ মেগাওয়াট। লোডশেডিং ছিল ৫৭২ এবং এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত সর্বশেষ বিকেল ৫টায় ১১ হাজার ৯০০ মেগাওয়াটের বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ১১ হাজার ২৫৬ মেগাওয়াট। লোডশেডিং হয়েছে ৬১৫ মেগাওয়াট। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে লোডশেডিংও বাড়তে থাকে। এর আগের দিন শুক্রবার সারা দেশে ১৬ হাজার ৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার লোডশেডিং হয়েছে ১ হাজার ৫৭৬ মেগাওয়াট।
পিডিবির হিসাব অনুযায়ী, গতকাল বিকেল ৫টা পর্যন্ত গ্যাস থেকে ৫ হাজার ৩৮ মেগাওয়াট, তেল থেকে ১ হাজার ৭৪৬, কয়লা থেকে ২ হাজার ১৩৩, জলবিদ্যুৎ থেকে ১৭৩ ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি থেকে ১১১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হয়েছে। এ ছাড়া আদানি থেকে ৭৩১, ত্রিপুরা থেকে ৫০ এবং ভেড়ামারা এইচভিডিসি দিয়ে ভারত থেকে ৯১৯ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হয়েছে। গতকাল সারা দেশে চাহিদা ধরা হয়েছে ১৩ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় অর্ধশতাধিক শিশু হত্যা করল ইসরাইল
এদিকে গাজায় গত একদিনে ইসরাইলি হামলায় আরও অর্ধশতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে নিহতের মোট সংখ্যা ৪৩ হাজার ৩০০ জন ছাড়িয়ে গেছে। গত বছরের অক্টোবর থেকে চলা এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও লক্ষাধিক ফিলিস্তিনি। গাজার পাশাপাশি লেবাননেও ভয়াবহ হামলা অব্যাহত রেখেছে দখলদার ইসরাইল। এ পর্যন্ত ইসরাইলের বোমার আঘাতে লেবাননে ২ হাজার ৯৬৮ জন মানুষ নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩১৯ জন। গাজায় হামলার পর থেকেই হামাসের সমর্থনে ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে জড়ায় লেবাননের যোদ্ধাগোষ্ঠী হিজবুল্লাহ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ফিলিস্তিনি বন্দীদের ছবিতে দেখা সেই শিশুটির কী হলো
ছবিতে থাকা লোকগুলোকে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত বলে মনে হচ্ছে। ছবিতে ছোট্ট মেয়েটিকে শনাক্ত করেছেন বিবিসির একজন প্রযোজক। মেয়েটি অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। হয়তো ক্যামেরার বাইরে থাকা কোনো কিছু তার নজর কেড়েছে। আবার হতে পারে, সে সেনা এবং তাদের অস্ত্রশস্ত্রের দিকে তাকাতে চাইছিল না।
ইসরায়েলি সেনারা লোকগুলোকে সেখানে বসে থাকতে বলেছিল। তাদের পেছনে বোমায় বিধ্বস্ত ভবন দেখা যাচ্ছে। পুরুষ বন্দীদের বসিয়ে তল্লাশির কাজ করছিল ইসরায়েলি সেনারা। ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র সংগঠন হামাসের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছিল। লোকগুলোর কাছে অস্ত্র, নথিপত্র বা হামাস সংশ্লিষ্টতার অন্য কোনো প্রমাণ আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছিল।
ব্যক্তিপর্যায়ে মানুষের নানা দুর্দশার মধ্য দিয়ে বারবারই এই যুদ্ধের ভয়াবহতা। এই ছবিতে শিশুটির উপস্থিতি, তার দূরে তাকিয়ে থাকার অভিব্যক্তি অনেক প্রশ্ন তৈরি করেছে।
মেয়েটি কে? সে সেখানে এল কীভাবে? এমন সব প্রশ্ন উঠেছে।
ছবিটি সপ্তাহখানেক আগে তোলা। এই এক সপ্তাহে যুদ্ধে নতুন করে কয়েক শ মানুষ নিহত হয়েছে। অনেক মানুষ আহত হয়েছেন। হাজার হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছে। শিশুরা হয় বিমান হামলায় বিধ্বস্ত ভবনের ধ্বংসস্তূপের নিচে পড়ে মারা গেছে, নয়তো আহত হওয়ার পর ওষুধ ও চিকিৎসাকর্মীর অভাবে চিকিৎসা না পেয়ে মারা গেছে।
বিবিসি আরবির গাজা টুডে অনুষ্ঠানের অংশ হিসেবে যৌথভাবে ছবির শিশুটির খোঁজ শুরু হয়। বিবিসি বা অন্য কোনো আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে গাজায় স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহের কাজ করার সুযোগ দেয় না ইসরায়েল। এ জন্য সেখানকার সংবাদ সংগ্রহের জন্য বিবিসিকে ফ্রিল্যান্স সাংবাদিকদের একটি বিশ্বস্ত নেটওয়ার্কের ওপর নির্ভর করতে হয়।
বিবিসির প্রতিনিধিরা গাজার উত্তরাঞ্চলে ত্রাণকাজে যুক্ত সংস্থাগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ করেন। বাস্তুচ্যুতরা যেসব জায়গায় আশ্রয় নিয়েছেন, সেখানে মেয়েটির ছবিটি দেখিয়ে খোঁজ খবর নেওয়া হয়।
৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই খবর মেলে। ফোনে আসা খুদে বার্তায় লেখা- ‘আমরা তাকে খুঁজে পেয়েছি!’
মেয়েটির নাম জুলিয়া আবু ওয়ার্দা। বয়স তিন বছর। সে জীবিত আছে।
বিবিসির সাংবাদিক গাজা নগরীতে পরিবারটির কাছে পৌঁছান। জাবালিয়া থেকে পালিয়ে আসা আরও অনেক পরিবার গাজা নগরীতে আশ্রয় নিয়েছেন। বাবা, মা এবং দাদার সঙ্গে ছিল শিশু জুলিয়া।
মুঠোফোনে কার্টুন দেখছিল সে। অবশ্য মাথার ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া ইসরায়েলি ড্রোনের তীব্র শব্দে কার্টুনের কথা-গান কিছুই ভালো শোনা যাচ্ছিল না। তাকে নিয়ে অচেনা আগন্তুকের আগ্রহ অবাক চোখে দেখছিল জুলিয়া। তার বাবা মোহাম্মেদ খেলার ছলে জিজ্ঞাসা করলেন, ‘তোমার নাম কী?’
টেনে টেনে সে তার নাম বলল, ‘জু...লিয়া’।
জুলিয়া শারীরিকভাবে অক্ষত আছে। তার পরনে জাম্পার ও জিনস। চুলগুলো ব্যান্ড দিয়ে বাঁধা।
জুলিয়ার বাবা মোহাম্মেদ ছবির পেছনের গল্পটা বলতে শুরু করলেন।
জানালেন, ২১ দিনে তাঁর পরিবারকে পাঁচবার ঘর ছাড়তে হয়েছে। প্রতিবারই বিমান হামলা ও গুলি থেকে বাঁচতে ছুটে বেড়াতে হয়েছে তাঁদের।
যেদিন ছবিটি তোলা হয়, সেদিন তাঁরা আল-খালুফা এলাকায় ছিলেন। সেখানে হামাসের বিরুদ্ধে অগ্রসর হচ্ছিল ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী। একটি ইসরায়েলি ড্রোন থেকে এলাকাটি খালি করার বার্তা প্রচার করা হচ্ছিল।
মোহাম্মেদ ঘটনার বর্ণনা দিয়ে বলেন, ‘নির্বিচার গোলা হামলা চলছিল। আমরা চেকপয়েন্টের দিকের রাস্তাটা ধরে জাবালিয়া শরণার্থীশিবিরের কেন্দ্রস্থলের দিকে চলে যাই।’
পরিবারটির সঙ্গে ছিল তাদের পোশাক, কিছু টিনজাত খাদ্য এবং ব্যক্তিগত জিনিসপত্র। প্রথমে জুলিয়া, তার বাবা মোহাম্মেদ, মা আমল, ১৫ মাস বয়সী ভাই হামজা, এক দাদা, দুই চাচা এবং এক চাচাতো ভাই একসঙ্গেই ছিল।
কিন্তু বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির একপর্যায়ে মেয়ে জুলিয়াকে নিয়ে মোহাম্মেদ অন্যদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন।
মোহাম্মেদ বলেন, ‘ভিড়ের কারণে আমি ওর মায়ের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাই। আমাদের সঙ্গে থাকা জিনিসপত্রগুলোও হারিয়ে ফেলি। ও (জুলিয়ার মা) সেখান সরে যেতে পেরেছিল। আমি সেখানেই থেকে যাই।’
বাবা-মেয়ে মানুষের স্রোতের সঙ্গেই এগিয়ে যেতে থাকেন। রাস্তাজুড়ে ছিল মৃত্যুর চিহ্ন।
মোহাম্মেদ বলেন, ‘ধ্বংসস্তূপ দেখতে পাচ্ছিলাম আমরা, মাটিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল লাশ।’
সেগুলো জুলিয়ার চোখ থেকে আড়াল করার কোনো উপায় ছিল না। অন্তত কিছুটা হলেও সে দেখেছে। এক বছরের বেশি সময় ধরে চলা এ যুদ্ধে শিশুরাও সহিংস মৃত্যুর দৃশ্যের সঙ্গে পরিচিত হয়ে উঠেছে।
এর পর হাঁটতে হাঁটতে মোহাম্মেদরা ইসরায়েলের একটি তল্লাশিচৌকিতে (চেকপয়েন্ট) পৌঁছান।
মোহাম্মেদ বলেন, ‘ট্যাংকের ওপরে, মাটিতে সেনারা অবস্থান করছিল। তারা লোকজনের দিকে এগিয়ে আসে, ওপরের দিকে গুলি ছুড়তে শুরু করে। গুলির সময় মানুষগুলো ঠেলাঠেলি করে একে অপরের সঙ্গে সেঁটে দাঁড়ায়।’
মোহাম্মেদ আরও বলেন, ইসরায়েলি সেনারা ওই দলে থাকা পুরুষদের অন্তর্বাস বাদে বাকি সব পোশাক খুলে ফেলার আদেশ দিয়েছিল। লুকিয়ে রাখা অস্ত্র বা আত্মঘাতী হামলাকারী খুঁজে বের করতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর একটি নিয়মিত কার্যক্রম ছিল এটি।
মোহাম্মেদ জানান, তল্লাশিচৌকিতে তাদের ছয় থেকে সাত ঘণ্টা আটকে রাখা হয়েছিল। ওই সময়েরই কোনো একটা পর্যায়ে ওই ছবিটি তোলা হয়।
ছবিতে জুলিয়াকে অবিচলিত দেখা যাচ্ছে। কিন্তু, এরপরে কী দুর্দশা হয়েছিল, বলছিলেন তার বাবা।
‘ও চিৎকার করে কাঁদতে থাকে। বলতে থাকে, সে মায়ের কাছে যেতে চায়।’ বলেন মোহাম্মেদ।
পরিবারটি অবশেষে আবারও একত্র হয়েছে। বাড়িঘর হারানো মানুষগুলোকে ছোট ছোট জায়গায় গাদাগাদি করে অবস্থান করতে হচ্ছে। তবে তাদের পারিবারিক বন্ধন সুদৃঢ়।
জাবালিয়া থেকে কারও আত্মীয়স্বজন এলে আলাপ জমে ওঠে।
জুলিয়াকে আগলে রেখেছে তার প্রিয় মানুষেরা। তার জন্য মিষ্টি, পটেটো চিপস আলাদা করে রেখে দেওয়া হয়।
তারপরও জুলিয়ার মতো একটি শিশুকে ভাগ্যবান বলা কঠিন। জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের তথ্য বলছে, গাজা-ইসরায়েল যুদ্ধে এ পর্যন্ত অন্তত ১৪ হাজার শিশুর প্রাণ গেছে। জুলিয়া তার এইটুকু জীবনে যা দেখেছে, যার মধ্য দিয়ে গেছে... কে জানে সামনের দিনগুলোয় এগুলো দুঃস্বপ্ন হয়ে বারবার তার স্মৃতিতে ফিরে আসবে কি না!
![]() |
| ছবিতে ছোট্ট মেয়েটিকে শনাক্ত করেছেন বিবিসির একজন প্রযোজক। মেয়েটি অন্যদিকে তাকিয়ে আছে। ছবি: বিবিসির এক্স অ্যাকাউন্ট থেকে সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জরিপে এগিয়ে কমলা, বদলে যাবে মার্কিন ইতিহাস?
অভিবাসীদের আবর্জনার সঙ্গে তুলনা করে যে বিতর্ক তিনি সৃষ্টি করেছেন, তা না থামতে এবার নারীদের নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দিয়েছেন, যেটাকে লুফে নিয়ে তাকে আক্রমণ করছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস ও তার প্রচার শিবির।
এদিকে সর্বশেষ এক জরিপ বলছে, কমলা হ্যারিস তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এখনো ১ শতাংশ ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। খবরটি নিশ্চিত করেছে বিবিসি ও সিএনএন।
জানা যায়, অক্টোবরে রয়টার্স এবং ইপসোসের করা যৌথ জরিপে দেখা গেছে, নারী-পুরুষ ভেদে ভোটারদের কাছে কমলা ও ট্রাম্পের সমর্থন আলাদা। নারী ভোটারদের সমর্থনের দিক থেকে কমলা ১২ শতাংশ ভোটে এগিয়ে আছেন ট্রাম্পের চেয়ে। আর পুরুষ সমর্থকদের জায়গা থেকে ট্রাম্পের সমর্থন কমলার চেয়ে ৭ শতাংশ বেশি।
সর্বশেষ এক নির্বাচনী জরিপ অনুযায়ী, ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমলা হ্যারিস তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে এখনো এক পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন। জরিপে ৪৮ শতাংশ ভোটার কমলা ও ৪৭ শতাংশ ভোটার ট্রাম্পের পক্ষে রায় দিয়েছেন।
যদি কমলাই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন তাহলে বদলে যাবে মার্কিন ইতিহাস। ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো নারী প্রেসিডেন্ট পাবে বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী দেশটির জনগণ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে তৈরি হয়েছিল মুসলমানদের প্রথম কিবলা ‘আল-আকসা’
ঐতিহাসিক এই মসজিদ জেরুজালেমে অবস্থিত। এতে ২টি বড় এবং ১০টি ছোট গম্বুজ রয়েছে। আল আকসা নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে স্বর্ণ, সিসা ও মার্বেল পাথর ব্যবহার করা হয়েছে। এর আয়তন সাড়ে তিন হাজার বর্গমিটার। মসজিদটি ৩৫ একর জমির ওপর নির্মিত। এর নির্মাণশৈলী মুসলিম ঐতিহ্যের রাজসাক্ষী।
যতদূর জানা যায়, ফেরেশতাদের মাধ্যমে অথবা প্রথম মানব ও নবী হজরত আদম আলাইয়ে ওয়া সাল্লামের কোন সন্তানের মাধ্যমে আল-আকসা সর্বপ্রথম নির্মিত হয়। হাদিস থেকে জানা যায়, এটি কাবা শরীফ নির্মাণের চল্লিশ বছর পর নির্মিত। হজরত ইয়াকুব আ. কে আল্লাহতাআলা নির্দেশ দিলে তিনি তা পুননির্মাণ করেন। তার প্রায় হাজার বছর পর হজরত দাউদ আ. এর পুনর্নির্মাণ শুরু করেন। যদিও তিনি তা শেষ করতে পারেননি। তার ছেলে হজরত সুলাইমান আ.-এর হাতে বায়তুল মুকাদ্দাসের সংস্কার শেষ হয়।
পবিত্র কোরআনের ভাষ্য অনুযায়ী, মানুষের পাশাপাশি জিনরাও হযরত সুলাইমান আ. এর অনুগত ছিলেন। তাদের মধ্যে অনেক দুষ্ট জিনও বেড়িবদ্ধ অবস্থায় নির্দেশ মেনে চলত। তাদের মাধ্যমে আল-আকসা পুনর্নির্মাণ ও সংস্কার করা হয়।
নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ারে আগেই হজরত সুলাইমান (আ.)-এর মৃত্যুর সময় চলে আসে। আল্লাহর নির্দেশে হজরত সুলাইমান (আ.) কাচের মেহরাবে মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত হন। লাঠিতে ভর করে দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মসজিদুল আকসা নির্মাণ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত নবীর দেহ পচেনি, পড়েও যায়নি। দুষ্ট জিনেরা ভয়ে কাছেও যায়নি। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেন, ‘যখন আমি সুলাইমানের মৃত্যু ঘটালাম, তখন ঘুনপোকাই জিনদেরকে তার মৃত্যু সম্পর্কে অবহিত করল। হযরত সুলাইমানের লাঠি খেয়ে যাচ্ছিল। অতঃপর যখন তিনি মাটিতে পড়ে গেলেন, তখন জিনেরা বুঝতে পারল যে, যদি তারা অদৃশ্য বিষয় জানতো, তাহলে তারা এই হাড়ভাঙ্গা খাটুনির আজাবের মধ্যে আবদ্ধ থাকত না।
![]() |
| জেরুজালেমে অবস্থিত মুসলমানদের প্রথম কিবলা পবিত্র আল-আকসা। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর কোরিয়ার অদ্ভুত যত আইন!
এসব আইনের মধ্যে একটি আইন হচ্ছে, নিজের চুলে পছন্দমতো হেয়ারকাট দেওয়া যাবে না। শুনতে অদ্ভুত মনে হলেও এটাই উত্তর কোরিয়ার আইন। এ ছাড়া যে কেউ চাইলেই অন্য দেশের গান শুনতে পারে না। এমনকি নিজ দেশের বাইরে সামান্য ফোন কল দেওয়াও বিরাট বড় অপরাধ।
শুধু এই আইন নয়, রয়েছে আরও বেশকিছু অস্বাভাবিক আইন, যা ক্ষেপাটে শাসক হিসেবে পরিচিত কিম জং এর দেশে প্রচলিত। সাধারণত ভিন্ন দেশের খবরাখবর পেতে আমরা টেলিভিশন কিংবা ইন্টারনেট ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু কিম জং উনের দেশে চলে না এই সুবিধা। জানা যায়, সেখানে ইন্টারনেট ব্যবহার তো করাই যায় না, টেলিভিশনেও দেখা যায় না অন্য দেশের কোন চ্যানেল। জানা যায়, মাত্র ৪টি চ্যানেল দেখার অনুমতি রয়েছে জনগণের। সেই চ্যানেলগুলো নিয়ন্ত্রণ করে সরকার।
উত্তর কোরিয়ার আরেকটি অদ্ভুত আইন হচ্ছে, সেদেশে কেউ অপরাধ করলে শাস্তি পেতে হয় তার ৩ প্রজন্মকে। মাথা পেতে নেওয়া এই শাস্তি ভোগ করতে হয় নিরীহ দাদা-দাদী, বাবা-মা এমনকি নিজের সন্তানকেও।
নিজের অঢেল অর্থ থাকলেও যে কেউ বাড়ি করে থাকতে পারবে না রাজধানী পিয়ং ইয়ংয়ে। সেখানে আইফোন ব্যবহারেও রয়েছে কঠিন নিষেধাজ্ঞা। তবে বিশেষ বাধা নেই নিজ দেশের তৈরি ডিভাইস ব্যবহারে।
প্রচুর ভ্রমণের সুযোগ থাকলেও কেউ ভ্রমণের স্বাদ নিতে পারবে না, এমন আইনও রয়েছে উত্তর কোরিয়ায়। সবকিছু মিলিয়ে যেন গোপন, বদ্ধ জনপদ হিসেবেই টিকে আছে দেশটি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাতি ও গাধা কীভাবে আমেরিকার নির্বাচনী প্রতীক হলো
যুক্তরাষ্ট্রের দুই প্রধান দলের প্রতীক প্রায় শত বছরের পুরোনো। প্রশ্ন হলো, দলীয় প্রতীক হাতি ও গাধাকে কেন বেছে নেওয়া হলো? এমন তো নয় যে, যুক্তরাষ্ট্রে সুন্দর প্রতীকের দারুণ অভাব। দুটি প্রধান দলকে বিদঘুটে হাতি আর গাধাকেই কেন বেছে নিতে হলো?
আসলে দুই প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনৈতিক দলের নির্বাচনী প্রতীক একই শিল্পীর মাথা থেকে এসেছে। তার নাম থমাস ন্যাস্ট। তবে ব্যালটে থাকে না এসব প্রতীক। সেখানে থাকে শুধু প্রার্থীর নাম।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৮২৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেন চারজন। ওই নির্বাচনে অ্যান্ড্রু জ্যাকসন নামের একজনকে প্রার্থী করা হয়। সবাইকে অবাক করে জ্যাকসন সর্বোচ্চ ভোট পেলেও, অন্য প্রার্থীদের কূটকৌশলের কারণে তিনি প্রেসিডেন্টের দ্বায়িত্ব পাননি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তার সমর্থকরা নতুন দল গঠন করে, যার নাম ডেমোক্রেটিক পার্টি।
এরপর ক্ষমতাসীন দল ও সমর্থকরা জ্যাকসনকে নিয়ে সংবাদপত্রে হাসি-তামাসা শুরু করে। কিছু পত্রিকা তাকে ‘জ্যাকঅ্যাস’ বলে সম্বোধন করে কার্টুনে গাধার ব্যঙ্গচিত্রের সঙ্গে তুলনা করে। জ্যাকসন নামটি পছন্দ করেন এবং গাধাকে নির্বাচনী প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেন।
তখন কার্টুনশিল্পী থমাস ন্যাস্ট অ্যান্ড্রু জ্যাকসনের মাথায় একটি গাধার (জ্যাকঅ্যাস) শরীরের ওপর বসিয়ে কার্টুন আঁকেন। অবশিষ্ট রাজনৈতিক জীবনে অ্যান্ড্রু জ্যাকসনকে এই গাধার ছায়া বহন করতে হয়। যুক্তরাষ্ট্রে গৃহযুদ্ধের অবসানের পর অন্য ডেমোক্র্যাট নেতাদেরও প্রতীক হয়ে ওঠে গাধা। এই প্রতীক নিয়েই ১৮২৮ সালের নির্বাচনে ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে হারান জ্যাকসন।
উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আব্রাহাম লিংকন এবং দাসপ্রথাবিরোধী হুইগরা মিলে গড়েন নতুন রাজনৈতিক দল রিপাবলিকান পার্টি। ১৮৭৪ সালে থমাস ন্যাস্ট হাতিকে রিপাবলিকানদের প্রতীক হিসেবে উপস্থাপন করেন। তিনি তার কার্টুনে দেখান, সিংহের চামড়া পিঠে চাপিয়ে একটি গাধা বনের সব প্রাণীকে ভয় দেখাচ্ছে। সিংহের ছদ্মবেশী সেই গাধাকে দেখে সবাই ভয়ে পালাচ্ছে। কেবল স্থির ও অচঞ্চল একটি হাতি ছাড়া।
হাতির এই নির্ভীক বিষয়টাই তুলে ধরেন কার্টুনশিল্পী। থমাস ন্যাস্টের এমন অর্থবহ কার্টুন দারুণ পছন্দ হয় রিপাবলিকানদের। আর হাতি প্রতীকের সেই আইডিয়া লুফে নেন রিপাবলিকানরা। সেই থেকে হাতি হয়ে ওঠে রিপাবলিকান পার্টির নির্বাচনী প্রতীক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিস্ফোরক নিয়ে ইসরায়েলের পথে জার্মান জাহাজ
এর আগে বিভিন্ন দেশে ভেড়ার চেষ্টা করলেও ওই জাহাজটি কোথাও ভেড়ার অনুমতি পায়নি। শেষ পর্যন্ত মিসরে নোঙর করে ওই জাহাজটি। মেরিটাইম ডাটা ও অধিকার গ্রুপ এসব তথ্য জানিয়েছে।
জার্মানির মানবাধিকার আইনজীবীরা মঙ্গলবার জানান, এমভি ক্যাথরিন নামের ওই জাহাজে ৮টি শিপিং কন্টেইনার রয়েছে। এসব কন্টেইনারে ১ লাখ ৫০ হাজার কেজি পরিমাণ আরডিএক্স বিস্ফোরক রয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য অস্ত্র প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এলবিট সিস্টেমসের জন্য এই বিস্ফোরক নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। এর আগে পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছিলেন- তিনি সেপ্টেম্বরেই জানতে পেরেছিলেন, এসব ম্যাটেরিয়াল ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
শিপ-ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট মেরিন ট্রাফিক এবং ফাইনান্সিয়াল ডাটা প্রতিষ্ঠান এল-এস-ই-জি ডাটা অ্যান্ড অ্যানালাইটিকস বলছে, গত সোমবার আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে নোঙর করে এমভি ক্যাথরিন। আগামী মঙ্গলবার এই বন্দর থেকে জাহাজটি আবারও ছেড়ে যাওয়ার কথা রয়েছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার একটি অস্পষ্ট বিবৃতি দিয়েছে মিসরের সেনাবাহিনী। সেখানে ইসরায়েলের সেনাবাহিনীকে সহায়তার কথা অস্বীকার করা হয়।
তবে মিসরের সেনাবাহিনী এমভি ক্যাথরিন নিয়ে স্পষ্ট কিছু জানায়নি। আবার আলেকজান্দ্রিয়া বন্দরে জাহাজটির নোঙর করার দাবিও অস্বীকার করেনি মিসরের সেনাবাহিনী। এ ছাড়া কন্টেইনার নামানোর বিষয়েও ওই বিবৃতিতে কিছু নেই। মিসরের সেনাবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া দাবি এবং ইসরায়েলকে সহায়তার বিষয়ে স্পষ্টভাবে অস্বীকার করছি আমরা। ইসরায়েলকে কোনো সহায়তা করা হচ্ছে না, এটা জোর দিয়েই জানাচ্ছি।
মিসর অস্বীকার করলেও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল ওই জাহাজ নিয়ে মুখ খুলেছে। ওই কার্গো জাহাজটি যেন ইসরায়েলে পৌঁছতে না পারে, সেই আহ্বানও জানিয়েছে অ্যামনেস্টি। সংস্থাটির হুসেইন বাউমি মিডল ইস্ট আইকে বলেন, এমভি ক্যাথরিনের জাহাজে থাকা মারাত্মক কার্গো ইসরায়েলে পৌঁছতে দেওয়া উচিত হবে না। এতে ফিলিস্তিনি বেসামরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের মতো স্পষ্ট ঝুঁকি রয়েছে।
![]() |
| বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ে ইসরায়েল যাচ্ছে একটি জাহাজ। ছবি : সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোদির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ‘বাংলাদেশের মোহন ভাগবত’, ‘হিন্দুর বন্ধু’ বলছেন ইউনূস-বিএনপি-জামায়াতকে
অন্যদিকে ভারতে শুধু সংবাদমাধ্যম নয়, নরেন্দ্র মোদির সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একাধিকবার প্রতিবেশী দেশে সংখ্যালঘু, বিশেষ করে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনায় সরব হয়েছে। এমনকি বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে প্রথম ফোনালাপেই এই ব্যাপারে তার উদ্বেগের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
সেই বাংলাদেশেরই এক উগ্র হিন্দুত্ববাদী নেতা হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ নিয়ে সম্পূর্ণ উল্টো কথা বলছেন। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের মহাসচিব গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক।
শনিবার সকালে ঢাকা থেকে ফোনে দ্য ওয়াল’কে একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘৫ অগাস্টের পর হিন্দুদের ওপর হামলার যে অভিযোগ ভারত সরকার ও ভারতীয় মিডিয়া করেছে তা সবই মিথ্যা। সবটাই আওয়ামী লিগের অপ্রচার।’ তার কথায়, ‘বাংলাদেশের জন্মের পর এই প্রথম রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও সংখ্যালঘুরা নিরাপদ ছিলেন এবং আছেন। আর তা নিশ্চিত করেছে অন্তর্বর্তী সরকার, বিএনপি ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকেরা।’
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের এই আইনজীবী দীর্ঘদিন সে দেশে হিন্দুর ঐক্য প্রতিষ্ঠায় কাজ করছেন। ৯০ ভাগ মুসলিমের দেশে তার সংগঠন প্রায় চারশো বৈদিক স্কুল পরিচালনা করে। প্রতি শুক্র ও শনিবার সরকারি সাপ্তাহিক ছুটির দিনে স্কুলগুলোতে কয়েক হাজার হিন্দু ছেলেমেয়েকে ধর্মের পাঠ দেওয়া হয়। এছাড়া সংগঠন পূজা পাঠের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে।
২৩টি হিন্দু সংগঠনের এই মহাজোটের মূল রাজনৈতিক দাবি, বাংলাদেশ সংসদে সংখ্যালঘুদের জন্য আসন সংরক্ষণ এবং পৃথক ভোটার তালিকা। গোবিন্দ প্রামাণিকের কথায়, দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানে বহু বছর পৃথক ভোটার তালিকা ছিল। ফলে সংখ্যালঘু বিশেষ করে হিন্দুরা সংসদে, প্রাদেশিক সভায় তাদের প্রতিনিধি পাঠাতে পারত। যৌথ ভোটার তালিকা হওয়ার পর হিন্দুরা হয়ে গিয়েছে দাবার ঘুঁটি। মুসলমানদের সংসদে পাঠানোই তাদের কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সংসদের দরজা তাদের জন্য এক প্রকার বন্ধ।
হিন্দু ঐক্য প্রতিষ্ঠার কাজের সূত্রেই আরএসএস, বিশ্বহিন্দু পরিষদ ও বিজেপি শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বাংলাদেশ জাতীয় হিন্দু মহাজোটের এই নেতার বহুদিনের যোগাযোগ। মোহন ভাগবত তাকে চেনেন, জানেন। নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশ সফরে গেলে তার সঙ্গে দেখা করে সে দেশে হিন্দুদের সমস্যার কথা তুলে ধরে ভারত সরকারকে উপযুক্ত পদক্ষেপ করার আর্জি জানান গোবিন্দ প্রামাণিক। বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আরএসএসের সুরে ‘অখণ্ড ভারত’ গড়ার ডাক দেয়ায় বারে বারে বাংলাদেশের গোয়েন্দা এজেন্সিগুলোর কুনজরে পড়েছেন তিনি। আবার এই জাতীয় কথাবার্তা এবং কর্মকাণ্ডের জন্যই অনেকে তাকে ‘বাংলাদেশের মোহন ভাগবত’ বলে থাকেন। তাঁর কথায়, ‘বাংলাদেশে জমানা নির্বিশেষে হিন্দুরা নিপীড়নের শিকার। এইভাবে চললে আর বছর কয়েকের মধ্যে বাংলাদেশ হিন্দু শূন্য হয়ে যাবে।’
সেই তিনিই আবার বলছেন, ‘৫ অগাস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর হিন্দুসহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নেতারাও গা ঢাকা দেন। মন্দির, গির্জা সব অরক্ষিত হয়ে পড়েছিল। সেই পরিস্থিতিতে বিএনপি ও জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরা এবং মাদ্রাসার ছাত্ররা অন্তত দিন পনেরো মন্দির পাহারা দিয়েছেন। সংখ্যালঘুদের ঘর-বাড়ি তারাই রক্ষা করেছেন। বিএনপি ও জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এজন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রামাণিকের কথায়, ‘বাংলাদেশে ধর্মীয় সম্প্রীতি রক্ষার এমন নজির অতীতে একটিও নেই।’
অন্তর্বর্তী সরকারকেও সমান কৃতিত্ব দিয়ে তিনি বলেছেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি এবং তিনি ও তার উপদেষ্টারা সকলেই অসাম্প্রদায়িক। তাই সংখ্যালঘুর জানমাল রক্ষা পেয়েছে।’
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বড় সংগঠন বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সংখ্যালঘুদের স্বার্থে কাজ করে থাকে। ৫ অগাস্ট পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ে সেই সংগঠনের বক্তব্য অবশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।
গত মাসে প্রেস বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ঐক্য পরিষদ দাবি করে, ৪ অগাস্ট রাত থেকে ২০ অগাস্টের মধ্যে বাংলাদেশে সংখ্যালঘুর উপর হামলার ২০১০টি ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে বেশিরভাগই হিন্দুদের বাড়িঘর এবং দোকান-অফিস। নিহত হয়েছেন নয়জন। ঐক্য পরিষদ সরকারের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করার পাশাপাশি রাষ্ট্রসংঘের তত্ত্বাবধানে হামলার ঘটনার তদন্তের দাবি তুলেছে। তারা বলেছে, অতীতেও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনাগুলির তদন্ত হয়নি। সাজা পায়নি অপরাধীরা।
অন্যদিকে, ঐক্য পরিষদের এই রিপোর্ট সম্পূর্ণ বানানো, অতিরঞ্জিত আখ্যা দিয়ে হিন্দু মহাজোটের নেতা গোবিন্দ প্রামাণিক বলছেন, ‘হাসিনা এবং আওয়ামী লীগের পনেরো বছরের কুশাসনের ফলে মানুষের মধ্যে যে ক্ষোভের আগুন তৈরি হয়েছিল তার তেমন প্রতিফলন ৫ অগাস্টের পর হয়নি। আমরা আশঙ্কা করেছিলাম, আরও অনেক ক্ষয়ক্ষতি হবে। কিন্তু হয়নি। হলে একটা মন্দিরও হয়তো আস্ত থাকত না।’ তাঁর কথায়, ‘সংখ্যালঘুদের উপর হামলার বিক্ষিপ্ত যে ঘটনাগুলো ঘটেছে সেগুলো একটিও সাম্প্রদায়িক কারণে হয়নি। হয়েছে রাজনৈতিক কারণে। আক্রান্ত হিন্দু নেতারা আওয়ামী লীগের দালালি করতেন। ক্ষিপ্ত মানুষ হাসিনার সমর্থকদের ওপর হামলা করে। তাতে হিন্দু-মুসলিম দুই-ই ছিল। হিন্দু বলে কাউকে আক্রমণ করা হয়নি।’
এই ব্যাপারে ভারত সরকারকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন বাংলাদেশের এই কট্টর হিন্দুত্ববাদী নেতা। তার কথায়, ‘বাংলাদেশের ৯০ ভাগ মানুষ যাকে প্রত্যাখ্যান করেছিল সেই শেখ হাসিনাকে ভারত সরকার বছরের পর বছর সমর্থন দিয়ে গিয়েছে।’ গোবিন্দ প্রামাণিকের কথায়, ‘২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত হাসিনা জমানায় অনুষ্ঠিত ভোটগুলোতে আওয়ামী লীগের মুসলিম সমর্থকেরাও সকলে ভোট দেয়নি। কিন্তু ভারত সরকার আর তাদের এজেন্সির চাপাচাপিতে হিন্দুরা সদলবলে গিয়ে ভোট দিতে বাধ্য হয়েছে। ফলে বাংলাদেশে আওয়ামী লিগ ও হিন্দু সমাজ একাকার হয়ে গিয়েছে। ভারত সরকারের কথায়, চলতে গিয়ে হিন্দুরা এ দেশে আরও একঘরে হয়ে যাচ্ছে।’
গোবিন্দ প্রামাণিকের কথায়, ‘নরেন্দ্র মোদি হিন্দুর স্বার্থ রক্ষার কথা বলেন। অথচ হাসিনার সময়ে বাংলাদেশে হিন্দুরা যে নিপীড়ন, অত্যাচারের শিকার হয়েছে তা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি, ভারত সরকার টুঁ শব্দটি করেনি।’
এই হিন্দু নেতার কথায়, হালের হিংসায় একজন হিন্দু মারা গিয়েছেন। তবে সেটা সাম্প্রদায়িক হামলার কারণে নয়, জমি নিয়ে হিন্দু প্রতিবেশীর সঙ্গে বিবাদের কারণে খুন হন তিনি।’ তার কথায়, ‘আমি নিজে দশটি হামলার ঘটনার তদন্ত করে দেখেছি, হিন্দুরা নিজেদের গোলমালকে সাম্প্রদায়িক বলে অভিযোগ করেছে।’
তিনি বলেন, ‘নরেন্দ্র মোদি যদি সত্যিই বাংলাদেশের হিন্দুদের স্বার্থ রক্ষা করতে চান তাহলে ইউনূসকে বলুন সংখ্যালঘুদের জন্য সংসদে আসন সংরক্ষণ আর পৃথক ভোটার তালিকার ব্যবস্থা করতে।’
হিন্দু মহাজোটের মহাসচিবের কথায়, ‘নরেন্দ্র মোদি, আরএসএস, বিশ্বহিন্দু পরিষদের কাছে বাংলাদেশের হিন্দুদের অনেক প্রত্যাশা ছিল। কিন্তু আমরা হতাশ। বাংলাদেশের হিন্দুদের নিয়ে বিজেপি সরকার ভাবে না। তারা বাংলাদেশ বলতে বোঝে শেখ হাসিনা, যার আমলে হিন্দুদের ওপর সীমাহীন নির্যাতন হয়েছে। ২০২১-এ পূজার সময় সাম্প্রদায়িক হিংসায় ১১জন হিন্দু খুন হন। একটি খুনেরও বিচার হয়নি।’
সূত্র: দ্য ওয়াল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বুলেটে ঝাঁজরা শরীর নিয়ে লড়ছেন আরিফ
১৯শে জুলাই ঢাকার উত্তরা বোনের বাসায় বেড়াতে যান আরিফ। ২০শে জুলাই বিকালবেলা চা খাওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হন। এমন সময় দেখেন উত্তরা ৭নং সেক্টরের বিভিন্ন সড়ক দিয়ে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে এয়ারপোর্টের দিকে যাচ্ছে। তখন সন্ধ্যা ৭টা। আরিফ হোসেন বসে না থেকে সংযুক্ত হন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে। তিনি বলেন, মিছিলে কিছু পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের বাধা অতিক্রম করে সামনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে আন্দোলনকারীরা। এমন সময় পুলিশের তিনটা গাড়ি আসে। ওই গাড়ি থেকে ভারী অস্ত্রে মুহুর্মুহ গুলি ছুড়ে পুলিশ। তাদের ছোড়া গুলি পিঠবিদ্ধ হয়ে আমার বুকের পাঁজর ও ডানা ভেদ করে বেরিয়ে যায়। সড়কে লুটে পড়ি আমি। তখনো আমার জ্ঞান আছে। পরে আমার সহযোদ্ধা বন্ধুরা প্রথমে উত্তরাস্থ ঢাকা স্পেশালাইজড হসপিটালে নিয়ে যায়।
সেখান থেকে রাত ১২টার পর নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। সেখানে প্রথমে সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়। বুলেটের ছোড়া গুলিতে ঝাঁঝরা হওয়ায় প্রথমে তার খাদ্যনালিতে ৭ ঘণ্টা অস্ত্রোপচার করা হয়। পরে বুকের বাঁ-পাশে পাঁজরে ইনফেকশন দেখা দেয়। এতে দ্বিতীয় দফায় তাকে আরও একটি অপারেশন করা হয়। দিন দিন অবস্থার অবনতি হতে থাকে। এরইমধ্যে ফুসফুসে পচন ধরে যায়। ফলে ৩য় দফায় অস্ত্রোপচার করে তার ফুসফুস কেটে ফেলা হয়। এভাবে দীর্ঘ প্রায় ২ মাসের অধিক সময় চিকিৎসা নিতে হয় তাকে। এতে তার নিজের পকেট থেকে দেড় লাখ টাকা খরচ করতে হয়েছে। এরমধ্যে ১৪ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সরকারি খরচে চিকিৎসা সুবিধা পেয়েছেন তিনি। আরিফ দুঃখ করে বলেন, চিকিৎসার সময়ে ঢাকা মেডিকেলে আমার পরিবারের লোকজন ছাড়া আমাকে কেউ দেখতে আসেননি। ২১শে জুলাই থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই ছিলেন। একটু উন্নতি হলে নিজ বাড়ি ঘাটাইলের শালিয়াবহ গ্রামে আসেন তিনি। এক রাত যেতে না যেতেই পেটে গ্যাস জমে তার অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়। পরে ১১ই সেপ্টেম্বর অ্যাম্বুলেন্সে করে পুনরায় নেয়া হয় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। বর্তমানে তিনি বাড়িতে থাকলেও মৃত্যুর সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছেন। ডাক্তার বলেছে, শঙ্কামুক্ত নন তিনি। সুস্থ হতে অনেক সময় লাগবে। আরিফের মা বলেন, আমার নাড়ি ছেড়া ধন সন্তানটি নিয়ে নানাবিধ সমস্যার সঙ্গে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ করে যাচ্ছি আমরা। দু’বলা আহার জোগার করাই আমাদের জন্য যেখানে ভীষণ কষ্ট, সেখানে চিকিৎসার খরচ জোগার করবো কীভাবে। সারা রাত ঘুমাতে পারি না। ছেলেটার বাবা নেই। আমার বয়স হয়েছে। চোখেও কম দেখি। ছেলের চিন্তায় আমিও অসুস্থ। এভাবে চলতে থাকলে পরিবারের সবাইকে না খেয়ে মরে যেতে হবে।
আরিফ হোসেন অশ্রুসজল কণ্ঠে মানবজমিনকে বলেন, আমার পরিবারে মা, নানী, স্ত্রী, সন্তান ও এক ভাই নিয়ে ৬ জনের সংসার। বাঁচা-মরার সঙ্গে যুদ্ধ করে কোনোমতে বেঁচে থাকলেও এই দরিদ্র সংসার চলবে কীভাবে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে যোগ দিয়ে তার জীবনে যেন নেমে এসেছে চরম বিপর্যয় আর অন্ধকারের অমানিশা। চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কপালে। বাবা মারা যাওয়ার পর টিউশনি করে, মানুষের দ্বারে দ্বারে কাজ করে লেখাপড়ার পাশাপাশি সংসার চালাতাম। এখন কীভাবে চালাবো সংসার। সমাজের বিত্তবানসহ সরকারের সুদৃষ্টি ছাড়া আর যেন কোনো গত্যন্তর নেই আমাদের। ভীষণ কষ্টে আছি। তিনি বলেন, আমি তো মরেই যাবো। কিন্তু মরে গেলেও তো শান্তি নিয়ে মরতে পারছি না। বৃদ্ধ মা, সন্তান, স্ত্রী, ছোট ভাই ও বৃদ্ধা নানিটাকে কার কাছে রেখে যাবো। বড় স্বাদ জাগে, মরার আগে যদি আমার পরিবারের একটা মাথাগোঁজার ঠাঁই দেখে যেতে পারতাম তাহলে শান্তি নিয়ে মরতে পারতাম। কথাগুলো বলে হাউমাউ করে কাঁদছিলেন হতভাগা আরিফ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলের শিশু নিষ্পাপ তাহলে ফিলিস্তিনি শিশু কী
এ লেখা যখন লেখা হচ্ছে তখন গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার (০১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে জানায় যে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় ৮৪ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ৫০ জন শিশু ও অপ্রাপ্তবয়স্ক। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ১৮৬ জন।
এসব ঘটনায় বিশ্বের বেশিরভাগ গণমাধ্যম ইসরায়েল নিজেকে প্রতিরক্ষায় ভুক্তভোগী হিসেবে তুলে ধরলেও ফিলিস্তিনি শিশুদের কষ্টগুলো প্রায়শই উপেক্ষিত থেকে যায়। এ ছাড়া ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি সহিংসতা ও হত্যার ঘটনা বেশিরভাগ সময় পশ্চিমা গণমাধ্যমে যথাযথভাবে প্রকাশ হয় না। এতে মানবিক মূল্যবোধের প্রশ্ন দেখা দেয় এবং পশ্চিমা গণমাধ্যমের ভূমিকা ও নীতি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে ইসরায়েলের প্রধান মিত্র সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে সমর্থন দিয়ে আসছে। ইসরায়েল মার্কিন সমর্থনে হৃষ্টপুষ্ট হয়ে আগ্রাসন ও গণহত্যার মতো কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। প্রতিনিয়ত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রের এই সমর্থন ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি সহানুভূতির ঘাটতি তৈরি করে। তখন বিশ্বের মানবাধিকার যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে যায় তখন তা প্রকৃত মানবাধিকার আর স্বার্থের বিপরীতে গেলে তা দেখেন না দেখার ভান করা কিংবা মুখ রক্ষার্থে কিছু শব্দের অপচয় করা, যা পর্যবেক্ষণ করে মুসলিম বিশ্বের বিষহীন ক্ষোভের সঞ্চার হয়।
এ ইস্যুগুলো নিয়ে মুসলিম বিশ্বে সাধারণ জনগণের ফিলিস্তিনিদের প্রতি সহানুভূতি থাকলেও বিভিন্ন মুসলিম দেশের মধ্যে ঐক্যের অভাব রয়েছে। সৌদি আরব, ইরান, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মতো দেশগুলো ফিলিস্তিনিদের জন্য কথা বলে, কিন্তু তাদের মধ্যে ভূরাজনৈতিক স্বার্থ নিয়ে মতপার্থক্য থাকায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়। ফলে ফিলিস্তিনিদের অসহায়ত্ব নিয়ে লাভ-লোকসান খেলার চক্র চলে।
এ ছাড়া ইউরোপীয় দেশগুলোও মাঝে মাঝে মানবাধিকার ও সমতার কথা বললেও ইসরায়েলের প্রতি সহানুভূতিশীল। গণহত্যায় আক্রান্ত ফিলিস্তিনিদের কিছু ত্রাণ বা অন্যান্য সেবা পাঠিয়ে কাফফারা দেওয়া নতুন কৌশলের আশ্রয় নেয়। তাদের নীতিতেও দ্বিচারিতা লক্ষ করা যায়, যা অভ্যন্তরীণভাবে মুসলিম জনগোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি করলেও ক্ষমতা কাঠামোর অংশীদার না হওয়ায় তা কার্যকর প্রভাব ফেলে না।
এদিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বিরোধে থাকা রাশিয়া ফিলিস্তিনিদের সমর্থনে কথা বললেও তাদের এ অবস্থান প্রায়ই নিজস্ব কৌশলগত স্বার্থে হয়ে থাকে। তারা মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বজায় রাখতে চায় এবং পশ্চিমা শক্তিগুলোর নীতির বিপরীতে অবস্থান নিয়ে ফিলিস্তিনিদের অধিকারের পক্ষে কথা বলে। তবে এটি মূলত রাশিয়ার রাজনৈতিক স্বার্থের অংশ।
বিশ্বের জাতিসংঘ ও অন্যান্য মানবাধিকার সংস্থা ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতে মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রতিবাদ জানালেও কার্যকর পদক্ষেপে নেওয়ার স্বাধীনতা ও সক্ষমতা নেই। দেখে মনে হয় শক্তিশালী দেশগুলোর স্বার্থ রক্ষার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার জন্ম। একটি কথা উল্লেখ করা প্রয়োজন যখন ধনী আর গরিবের মধ্যে আইনি লড়াই হয় তখন ধনী পক্ষ জিতে যায় আর যখন ধনী বনাম ধনীর আইনি লড়াই হয় তখন আইন হেরে যায়। সে কথাটি মনে পড়ছে এখন। মাঝখানে ফিলিস্তিনিদের মতো অভাগা জাতি ন্যায়বিচারের আশা করে বিভিন্ন পক্ষের কাছে দারস্ত হয়। সে দ্বারস্থ হওয়ার ফায়দাও তুলে নানা পক্ষ।
উল্লিখিত বাক্যটি শুধু বাক্য নয়, অসহায় মানুষের মনের প্রশ্ন। বৈশ্বিক রাজনীতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি অবহেলা এবং ইসরায়েলি শিশুদের প্রতি অতিরিক্ত সহানুভূতি শুধু দ্বৈতনীতিকেই নয় বরং মানবিক মূল্যবোধের সংকটকেও প্রকাশ করে। মানবাধিকারের ঠিকাদারি যে দেশ ও প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে রেখেছে এবং প্রতিনিয়ত সার্টিফিকেট বিক্রি করে মোড়লের ভূমিকা পালন করে আজ তাদের দ্বৈতনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের বিভক্তি ফিলিস্তিনিদের গণহত্যা প্রতিরোধে একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
![]() |
| ত্রাণের জন্য অপেক্ষরত গাজার শিশুরা। ছবি : রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আন্দোলনের সঙ্গীদের নিয়ে নির্বাচনী ছক বিএনপি’র by কিরণ শেখ
যুগপৎ আন্দোলনের দল ও জোটের শীর্ষ ৫ জন নেতার সঙ্গে কথা হয় মানবজমিনের। তারা জানান, বিএনপি’র পক্ষ থেকে বলা হয়েছে যুগপৎ আন্দোলনে থাকা দল ও জোট নির্বাচনে একসঙ্গে অংশগ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যারা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করছেন, তারা চাইলে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট করতে পারবেন। আর যেসব দলের নিবন্ধন রয়েছে, তারা চাইলে নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করবেন। এক্ষেত্রে বিএনপি তাদের সর্বোচ্চ সমর্থন দেবে। আর এবার তরুণ প্রার্থীদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেবে বিএনপি। বিএনপি’র একসময়ের জোটসঙ্গী জামায়াত সরকারবিরোধী আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
নির্বাচনে জামায়াত কি অবস্থানে থাকবে এ নিয়ে এখনো চূড়ান্ত আলোচনা হয়নি। দলীয় সূত্র জানায়, পরিবেশ পরিস্থিতির ওপর তা নির্ভর করবে।
বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন মানবজমিনকে বলেন, এখনো সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় হয়নি। প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে দ্রুত একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য আমরা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে চাপ দিচ্ছি। এজন্য অতিদ্রুত নির্বাচনের রোডম্যাপেরও দাবি জানাচ্ছি।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, যুগপৎভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে চায় বিএনপি। কিন্তু নির্বাচন কবে হবে, কাঠামো কী হবে- তা এখনো ঠিক হয়নি। আর আমাদের দল ও গণতন্ত্র মঞ্চেরও আলাপ-আলোচনার বিষয় রয়েছে, সময় আসলে আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেবো। তবে ঐক্য বিভক্ত হোক, তা আমরা চাই না।
ওদিকে ২২শে অক্টোবর সমমনা শরিক জোটের ৬ নেতাকে নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগে সহযোগিতা করার জন্য দলের জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকদের অতীব জরুরি নির্দেশনা সংবলিত চিঠি দিয়েছে বিএনপি। এই ৬ নেতা হলেন- জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সভাপতি আ স ম আবদুর রব (লক্ষ্মীপুর-৪), নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না (বগুড়া-৪), গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি (ঢাকা-১২ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬), গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর (পটুয়াখালী-৩) ও সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান (ঝিনাইদহ-২) এবং বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান ও ১২-দলীয় জোটের সমন্বয়ক সৈয়দ এহসানুল হুদা (কিশোরগঞ্জ-৫)। এই চিঠি দেয়ার পরেই বিএনপি এবং শরিক দল ও জোটের মধ্যে বিভ্রান্ত শুরু হয়। এটা কী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন বণ্টন, নাকি নির্বাচনী কৌশল? যদিও পরবর্তীতে বিভ্রান্ত দূর করতে নতুন করে ৬৪ জেলায় বিএনপি চিঠি দিয়েছে বলে জানা গেছে।
জানা গেছে, এই চিঠি দেয়ার পরে শরিক দলের নেতারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান। জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, যুগপৎ আন্দোলনের দল ও জোট নেতারা তাদের এলাকায় প্রচারণা করতে বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে তারা আমাদের কাছে আবেদন করেছেন। এজন্য তাদের চিঠি দেয়া হয়েছে। এর সঙ্গে নির্বাচনী আসনের কোনো বিষয় নেই। যেসব দল ও জোট নিজ শক্তিতে প্রচারণা করছেন তারা চিঠি দেয়নি। এজন্য তাদের নামে চিঠি দেয়া হয়নি।
জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সমন্বয়ক ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ মানবজমিনকে বলেন, আমরা চাই জোটগতভাবে নির্বাচনে যেতে। এজন্য আলাপ-আলোচনা চলছে। নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান সৈয়দ এহসানুল হুদা মানবজমিনকে বলেন, জোটগতভাবে আমরা নির্বাচনে যাবো কিনা, এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। আমি মাঠ গোছাচ্ছি। আর আমরা চাচ্ছি বিএনপি জোটবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক।
ওদিকে রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফার ছোট পুস্তিকা, দফাভিত্তিক প্রচার কার্ড এবং ছাত্রদলের গৌরবোজ্জ্বল অতীত, সংগ্রামী বর্তমান ও আগামী প্রতিশ্রুতির বুকলেট আকারে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। নেয়া হচ্ছে শিক্ষার্থীদের মতামত। যাওয়া হচ্ছে সাধারণ মানুষের কাছেও। এরই অংশ হিসেবে রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা সম্পর্কে ছাত্রদলের নেতাদের নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা করেছে বিএনপি। ৩১ দফা নিয়ে প্রচারাভিযানে নামার চিন্তা থেকেই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। মাঠপর্যায়ে সাধারণ মানুষের কাছে ৩১ দফা পৌঁছাতে এবং নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ হিসেবেই এ প্রচার কর্মসূচি হচ্ছে। এরআগে ২৮শে সেপ্টেম্বর থেকে ‘আমরা যদি থাকি সৎ, দেশ সংস্কার সম্ভব’ এই স্লোগানে দেশ সংস্কারের বার্তা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল, যুবদল ও ছাত্রদলের সমন্বয়ে দেশব্যাপী যৌথ কর্মিসভা করেছে বিএনপি। কর্মসূচিতে বিএনপি’র এই তিন অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা ধানের শীষ সম্বলিত লিফলেট বিতরণ করেন।
ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব মানবজমিনকে বলেন, ছাত্রদলের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস এবং সাম্য শিক্ষার্থীদের কাছে তুলে ধরা হচ্ছে। সংগঠনের আদর্শিক দিকও তুলে ধরা হচ্ছে। দেয়া হবে বুকলেট। পাশাপাশি বিএনপি রাষ্ট্রক্ষমতায় গেলে কী কী করবে, সে বিষয়েও শিক্ষার্থীদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেয়া হচ্ছে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির মানবজমিনকে বলেন, সারা দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি চলছে। এরমধ্যে মাদ্রাসা, মেডিকেল এবং নারী শিক্ষার্থীদের বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানিকগঞ্জে কাদেরপত্নীর গাড়িচালকের ডুপ্লেক্স বাড়ি
সরজমিন আতিকুর রহমানের গ্রামে গিয়ে দেখা গেল, কাঁচা-পাকা রাস্তা পেরিয়ে দৃষ্টিনন্দন একটি ডুপ্লেক্স ভবন। সবেমাত্র বাড়িটির কাজ শেষ হয়েছে। ভবনের নিচে বাইরের আঙিনায় বসে থাকতে দেখা যায় আতিকুরের বৃদ্ধ মা সালেহা খাতুন, ছোট বোন রাবেয়া আক্তার, চাচাতো ভাইয়ে স্ত্রী বন্যা আক্তারকে। গত ৫ই আগস্টের পর থেকে বাড়িটিকে ঘিরে নানা আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে কাসিমনগর এলাকায়। আতিকুর রহমানের পরিবারের সদস্যরা এনিয়ে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়েছেন। পরিবারটির দাবি, কষ্ট করেই আতিক বাড়িটি করেছেন।
আতিকের বৃদ্ধ মা সালেহা খাতুন ও ছোট বোন রাবেয়া আক্তার জানান, আতিকের বাবা মৃত রেহাজ উদ্দিন সড়ক ও জনপদ বিভাগের পিয়নের চাকরি করতেন। শুধু বাবাই নন আতিকসহ তার তিন ভাই একই বিভাগে গাড়িচালকের চাকরি পান। ২০০৫ সালে আতিকুর রহমান তার বড় ভাই হাফিজুর রহমানের তদবিরে সেখানে গাড়িচালক হিসেবে নিয়োগ পান। তার মেজোভাই আজিজুর রহমানও একই বিভাগে ড্রাইভার হিসেবে চাকরি করছেন।
আতিকুর চাকরির শুরুতে ওই বিভাগের এক ইঞ্জিনিয়ারের গাড়ি চালাতেন। ২০১২ সালের পরে সাবেক সড়ক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রী ইসরাতুন্নেসা কাদেরের নিজস্ব ড্রাইভার হিসেবে কর্মরত হন।
পরিবারটি জানিয়েছেন, অনেক কষ্ট করে আতিক ডুপ্লেক্স বাড়িটি করেছে। বাড়ি করতে গিয়ে অনেক ঋণও হয়েছে। চাকরির পাশাপাশি ইট সাপ্লাইয়ের ব্যবসা এবং ঢাকায় পিসি ও পার্লারের ব্যবসা রয়েছে আতিকের। এসব ব্যবসা থেকেই ডুপ্লেক্স বাড়িটি করেছেন। বাড়িটি করতে প্রায় তিন বছর সময় লেগেছে।
তারা জানান, আশপাশের আরও কতো সুন্দর সুন্দর বাড়ি রয়েছে তা নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। মূলত ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীর গাড়ি চালানোর কারণেই বাড়িটি মানুষের চোখে পড়েছে। ৫ই আগস্টের পর থেকেই বাড়ির দিকে অনেকের কুদৃষ্টি পড়েছে বলে পরিবারটি জানান।
আতিকের চাচাতো ভাইয়ের স্ত্রী বন্যা আক্তার জানান, মায়ের ইচ্ছে পূরণ করতেই ডুপ্লেক্স ভবনটি করেছে। এই ভবন করতে অনেক কষ্ট হয়েছে।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, আতিকুর রহমান সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া করেছে। একসময় এলকায় বেবিট্যাক্সি চালাতো। তার বাবা মৃত রিহাজ উদ্দিনও একসময় সড়ক বিভাগে পিয়ন ছিলেন। এ বিষয়ে সত্যতা স্বীকার করেন পরিবার। আতিকুর যখন সড়ক বিভাগে গাড়িচালকের চাকরিতে যোগ দেন তখন তার বাড়িতে চারচালা টিনের ঘর ছিল। তবে অভাব অনটন বলতে যেটা বোঝায় সেটা পরিবারে ছিল না।
সড়ক বিভাগের চাকরি পাওয়ার পরপরই তার ভাগ্য খুলে যায়। গাড়িচালক হলেও এলাকায় মর্যাদা বেড়ে যায় ওবায়দুল কাদেরের স্ত্রীর গাড়িচালক হওয়ায়। গাড়িচালকের পাশাপাশি তার প্রধান ব্যবসা ছিল ইট সাপ্লাইয়ের। সিংগাইর উপজেলার কয়েকটি ইটভাটার সঙ্গে তার ব্যবসায়িক লেনদেন ছিল। সড়ক বিভাগের রাস্তাঘাট তৈরিতে একটি অংশের ইটের জোগান দিতেন গাড়িচালক আতিকুর রহমান। একসময় সড়ক বিভাগের ইঞ্জিনিয়ারের সঙ্গে সখ্যতায় সড়ক বিভাগে ইটের জোগান দিতেন। তখন থেকেই টাকার উৎস খুঁজে পান আতিক। ১৮ হাজার টাকা বেতনে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে বসবাস করেন ঢাকা শহরে।
ইট ব্যবসার পাশাপাশি ঢাকায় দুটি অত্যাধুনিক পুরুষ পার্লার ব্যবসা এবং পিসি’র (খাবার) ব্যবসাসহ নামে বেনামে আরও ব্যবসা রয়েছে।
সড়ক বিভাগের চাকরির সুবাধে বিভিন্ন তদবির বাণিজ্যের সঙ্গে আতিক জড়িত বলে এলাকার মানুষজন জানিয়েছেন। যার কারণে আওয়ামী লীগের সময় তিনি অর্থবিত্তের মালিক হয়েছেন।
বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, বিগত কয়েকটি স্থানীয় নির্বাচনেও মনোনয়ন বাণিজ্যের সঙ্গে আতিক জড়িত ছিল।
তাছাড়া করোনাকালীন সময় যখন সারা দেশ স্থবির ছিল এবং যানবাহন চলাচলে বাধা-নিষেধ ছিল তখন সড়ক মন্ত্রী ও তার স্ত্রী প্রভাব খাটিয়ে সিংগাইর থেকে প্রতিদিন ইটের গাড়িগুলো ঢাকায় আনা-নেয়া করতে গাড়িপ্রতি ৫ হাজার টাকা করে বখরা নিতো বলে অভিযোগ রয়েছে। তখন বিভিন্ন ইটভাটার মালিকেরা আতিকের শরণাপন্ন হতো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন নির্বাচনের স্পটলাইটে বাংলাদেশ: ট্রাম্পের কৌশলগত অবস্থান এবং বৈশ্বিক প্রভাব by সিরাজুল আই. ভূঁইয়া
ট্রাম্পের বার্তার উদ্দেশ্য
এক্স-এ ট্রাম্পের বার্তা একাধিক উদ্দেশ্য পূরণ করে। প্রাথমিকভাবে মার্কিন নির্বাচনী প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ এবং মার্কিন-ভারত সম্পর্কের ক্ষেত্রে এর প্রভাব রয়েছে। তার বিবৃতিগুলি আমেরিকার হিন্দু ভোটারদের লক্ষ্য করে, বিশেষ করে ভারতের সাথে সম্পর্কযুক্ত এমন একটি সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে প্রতিফলিত যাঁরা মার্কিন রাজনীতিতে ক্রমবর্ধমানভাবে জড়িত রয়েছেন। তাদের কাছে নিজের আবেদন তুলে ধরার একটি কৌশলগত অবস্থান নিয়েছেন ট্রাম্প। পোস্টে, ট্রাম্প বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে অনুভূত "বর্বরোচিত" সহিংসতার নিন্দা করেছেন এবং বাইডেন প্রশাসনের ওপর বিশ্বব্যাপী হিন্দুদের রক্ষা করতে ব্যর্থ হওয়ার দায় চাপিয়েছেন। এই কৌশল ট্রাম্পের শক্তি প্রজেক্ট করার পাশাপাশি তার প্রতিপক্ষ কমলা হ্যারিস এবং জো বাইডেনের দুর্বলতাকে ফোকাস করে।
হিন্দু ও খ্রিস্টানদের নিপীড়নকে তুলে ধরার ট্রাম্পের কৌশল মোদির সাথে তার বন্ধুত্বের গভীরতাকে নির্দেশ করে। এটি শুধুমাত্র হিন্দু-আমেরিকান ভোটারদের মধ্যে সমর্থন জোগাড় করার চেষ্টাই নয়, বরং নিজেকে একটি কট্টর ভারত-পন্থী, মোদি-পন্থী হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টাও বটে। এটি হিন্দু-আমেরিকান ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রয়াস, যারা তাদের সাংস্কৃতিক এবং ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেতৃত্বের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেন। সেইসাথে ভারতের প্রতি ট্রাম্পের সমর্থন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে ভূ-রাজনৈতিক মিত্র হিসাবে উপস্থাপন করে। কানাডায় সাম্প্রতিক শিখ নেতার হত্যার বিষয়ে ট্রাম্পের নীরবতা দক্ষিণ এশিয়া ইস্যুতে তার নির্বাচনী কৌশলের দিকে ইঙ্গিত করে। আসলে ট্রাম্প একটি শক্তিশালী হিন্দু ভোটার বেস গড়ে তোলার লক্ষ্য রেখেছেন। সূক্ষ্মভাবে বলতে গেলে ভারতের সংখ্যাগরিষ্ঠ হিন্দু জনসংখ্যার প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখিয়ে কৌশলগতভাবে সংখ্যালঘু অধিকারের রক্ষক হিসেবে নিজের ভাবমূর্তিকে শক্তিশালী করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রভাব
বাংলাদেশ সম্পর্কে ট্রাম্পের বার্তা এবং হ্যারিস ও বাইডেনকে নিয়ে তার সূক্ষ্ম সমালোচনা হিন্দু-আমেরিকান ভোটারদের সমর্থন লাভের জন্য তার প্রচেষ্টাকে প্রদর্শন করে। টেক্সাস, নিউ জার্সি এবং ফ্লোরিডার মতো ক্রমবর্ধমান দক্ষিণ এশীয় জনসংখ্যা সম্বলিত রাজ্যগুলির ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রয়াস। অনেক হিন্দু-আমেরিকান ভোটার, হ্যারিসের সাথে তার ভারতীয় সম্পৃক্ততার কারণে একটি সখ্যতা অনুভব করতে পারেন। ট্রাম্পের বিবৃতি কৌশলগতভাবে এই প্রচেষ্টাকে ক্ষুণ্ণ করার একটি কৌশল হতে পারে, তিনি আদপে বোঝাতে চেয়েছেন অভ্যন্তরীণ এবং বিদেশে হিন্দু ও সংখ্যালঘু অধিকারের পক্ষে। হিন্দু ইস্যুতে হ্যারিস এবং বাইডেনের সমালোচনা করে, ট্রাম্পের টিম সম্ভবত হিন্দু ভোটারদের মোহভঙ্গ করার চেষ্টা করেছে। একইসঙ্গে রিপাবলিকানদের দিকে ভোট টানতে চেয়েছে। এই পদ্ধতি মার্কিন রাজনৈতিক ক্ষেত্রের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। কেউ কেউ এটিকে একটি বৈচিত্র্যময় জোট গঠনের চতুর পদক্ষেপ হিসাবে দেখেন, অন্যরা এটিকে একটি অতিরঞ্জিত কৌশল হিসাবে ব্যাখ্যা করেছেন, যা মুসলিম এবং শিখ সম্প্রদায় সহ দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য ভোটারদের বিচ্ছিন্ন করার প্রয়াস। উপরন্তু, বাহ্যিক বিষয়গুলির উপর এই ফোকাস ট্রাম্পের বিদেশ নীতি নিয়ে প্রশ্ন উত্থাপন করতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ল্যান্ডস্কেপের ওপর এর প্রভাব
ট্রাম্পের বার্তাটি বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক অবহেও প্রভাব ফেলেছে। ডক্টর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে সেখানে একটি অন্তর্বর্তী সরকার বিদ্যমান। হিলারি ক্লিনটনের মতো উল্লেখযোগ্য গণতান্ত্রিক ব্যক্তিত্বের সাথে ইউনূস দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্ক বজায় রেখেছেন। মোদির সাথে নিজেকে সারিবদ্ধ করে এবং বাংলাদেশের বিষয়ে কঠোর অবস্থান নিয়ে ট্রাম্প তার অবস্থান সম্পর্কে একটি সূক্ষ্ম বার্তা দিতে চেয়েছেন: ভারতের সাথে আমেরিকার একটি শক্তিশালী বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং একইসঙ্গে বাংলাদেশের সাথে দূরত্ব। বাংলাদেশে অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য, ট্রাম্পের বার্তাটি একটি সংকেত হিসাবে কাজ করে যে তার প্রশাসন পুনঃনির্বাচিত হলে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিয়ে বাংলাদেশকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারে। বিশেষ করে সংখ্যালঘু অধিকার এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার মতো সংবেদনশীল বিষয়ে। দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে ভারতের শক্তিশালী রাজনৈতিক প্রভাবের পরিপ্রেক্ষিতে, বাংলাদেশের মধ্যে এই উদ্বেগ দেখা দিতে পারে যে ভবিষ্যতে ট্রাম্প প্রশাসন তার দক্ষিণ এশিয়া নীতিতে আরও ভারত-কেন্দ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি নেবে। ট্রাম্পের মন্তব্য বাংলাদেশের বিরোধী দলগুলোকে উৎসাহিত করতে পারে যারা ডক্টর ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারকে মার্কিন ডেমোক্র্যাটদের দ্বারা অতিমাত্রায় প্রভাবিত বলে মনে করে। এই পরিস্থিতি বাংলাদেশের রাজনীতিকে আরও মেরুকরণের দিকে নিয়ে যেতে পারে। কারণ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এবং গোষ্ঠী মার্কিন-পন্থীদের সাথে নিজেদের সারিবদ্ধ করে। যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্কের গণতান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি বা মোদিপন্থী রিপাবলিকান দৃষ্টিভঙ্গি।
বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সম্পর্কের প্রভাব
ট্রাম্পের মন্তব্যগুলি মার্কিন পররাষ্ট্র নীতির একটি প্রবণতাকে আন্ডারস্কোর করে যা বহুপাক্ষিক বিবেচনার উপর ভিত্তি করে দ্বিপাক্ষিক জোটের গুরুত্ব তুলে ধরে। বাংলাদেশের মতো ক্রান্তিকালীন সরকারগুলিকে সাইডলাইন করে মোদি এবং ভারতের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে নিজেকে সারিবদ্ধ করে, ট্রাম্প শক্তিশালী কেন্দ্রীভূত সরকারগুলির সাথে সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছেন। যদি ট্রাম্প ২০২৪ সালের নির্বাচনে জয়ী হন, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরো পরিবর্তনের সাক্ষী হবে। দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষেত্রে মোদির দৃষ্টি দিয়ে বাংলাদেশকে দেখতে পারেন ট্রাম্প। সম্ভাব্যভাবে আঞ্চলিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাংলাদেশের স্বায়ত্তশাসনকে সীমিত করবে। এটি চীন ও মিয়ানমারের মতো প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে জটিল করে তুলতে পারে, যারা উভয়েই দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন রাজনীতির প্রভাব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে।
বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের অধিকারের ওপর ট্রাম্পের সওয়াল মার্কিন প্রশাসন কীভাবে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন করবে তার নজির গড়তে পারে। যদিও ট্রাম্পের মন্তব্য সম্ভবত নির্বাচনী উদ্দেশ্য দ্বারা চালিত, তবুও এটি সংবেদনশীল বিষয়ে প্রকাশ্যে বিদেশী সরকারের সমালোচনা করার ক্রমবর্ধমান প্রবণতাকে প্রকাশ করে। এটি সংখ্যালঘুদের অধিকারের বিষয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নীতিগুলিকে যাচাইকরণের দিকে পরিচালিত করতে পারে, সম্ভাব্যভাবে একটি কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করতে পারে এবং বাংলাদেশের প্রতি বিদেশী সহায়তাকে প্রভাবিত করতে পারে, যার সাথে প্রায়শই মানবাধিকারের শর্তাবলী সম্পৃক্ত থাকে।
ভবিষ্যতের অনুমান: সম্ভাব্য মার্কিন পররাষ্ট্র নীতি
যদি ট্রাম্প প্রেসিডেন্টের পদ ফিরে পান, তাহলে আমরা লেনদেনমূলক কূটনীতির ধারাবাহিকতা আশা করতে পারি যা তিনি পূর্বেও করেছিলেন। এর অর্থ হতে পারে বাংলাদেশকে গৌণ হিসেবে দেখে ট্রাম্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-ভারত বাণিজ্য অংশীদারিত্বের উপর ফোকাস করতে পারেন। মোদির সাথে তাঁর গভীর বন্ধুত্ব এবং বাংলাদেশের নির্বাচনী সমালোচনা ট্রাম্পের মার্কিন নীতির দিকে ইঙ্গিত করে যা হিন্দু-সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলিকে অগ্রাধিকার দেয় বা রক্ষণশীল আমেরিকান ভোটারদের সাথে অনুরণিত বিষয়গুলিকে অগ্রাধিকার দেয়। বিষয়টি বাংলাদেশের সাথে কূটনৈতিক উত্তেজনা এবং আরও মেরুকৃত সম্পর্কের দিকে নিয়ে যেতে পারে। বিপরীতভাবে, বাইডেন-হ্যারিস প্রশাসন যদি ক্ষমতায় থাকে, বাংলাদেশ বর্তমান কূটনৈতিক সম্পর্কের ধারাবাহিকতা অনুভব করতে পারে। ড. ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ইতিমধ্যেই মানবাধিকার এবং গণতান্ত্রিক শাসনের উপর ফোকাস করেছে। এর মধ্যেও বাংলাদেশ সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্য এখনও এই অঞ্চলে মানবাধিকারের সমস্যা সমাধানের জন্য একটি স্থায়ী চাপ তৈরি করে মার্কিন নীতিকে প্রভাবিত করতে পারে। বিষয়টি এখন নির্বাচনী আলোচনার অংশ হয়ে উঠেছে।
বাংলাদেশের উপর মার্কিন নির্বাচনী রাজনীতির দীর্ঘ ছায়া
বাংলাদেশ সম্পর্কে ট্রাম্পের মন্তব্য, যার লক্ষ্য ছিল হিন্দু-আমেরিকান ভোটারদের প্রভাবিত করা, এমন আলোচনার জন্ম দিয়েছে যার প্রভাব মার্কিন সীমানার বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক গতিশীলতা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় মার্কিন পররাষ্ট্রনীতি উভয়কেই প্রভাবিত করেছে। যদি ট্রাম্প পুনঃনির্বাচিত হন তাহলে মোদির সাথে তার বন্ধুত্বতা এবং বর্তমান বাংলাদেশী প্রশাসনের অন্তর্নিহিত সমালোচনা এই অঞ্চলে তাঁর ভারত-কেন্দ্রিক মার্কিন নীতির দিকে ইঙ্গিত করে। বাস্তবে, ট্রাম্পের পোস্টটি দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনীতির সাথে মার্কিন নির্বাচনী উচ্চাকাঙ্ক্ষাকে যুক্ত করেছে। আমেরিকান এবং বাংলাদেশী উভয় পর্যবেক্ষকরাই আন্তর্জাতিক সম্পর্কের উপর আমেরিকান ভোটারদের পছন্দের প্রভাব বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরিদ জাকারিয়ার ভাষায়, “দেশীয় রাজনীতি বৈদেশিক নীতিকে এমনভাবে প্রভাবিত করে যা প্রায়শই অচেনা থেকে যায়।" এই নির্বাচনী মরশুম প্রমাণ করে, আমেরিকান প্রার্থীরা দেশীয় লাভের জন্য আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলিকে কাজে লাগাতে পারে, যার প্রভাব মার্কিন উপকূলের বাইরেও বিস্তৃত। পরবর্তী মার্কিন প্রশাসনের নেতৃত্বে ট্রাম্প বা হ্যারিস যেই থাকুক না কেন, বাংলাদেশের আখ্যান মার্কিন পররাষ্ট্রনীতিতে একটি স্থায়ী প্রবণতাকে তুলে ধরে যেখানে বৈশ্বিক কূটনীতির সাথে নির্বাচনী কৌশল জড়িত। বাংলাদেশের জন্য, ২০২৪ সালের মার্কিন নির্বাচন একটি অনুস্মারক। এটি প্রমাণ করে কীভাবে মার্কিন রাজনীতি বিশ্বব্যাপী উপলব্ধিগুলিকে প্রভাবিত করতে পারে। ছোট দেশগুলিকে সূক্ষ্ম কূটনৈতিক বুদ্ধি দিয়ে বিষয়গুলিকে নেভিগেট করতে হবে।
ডঃ সিরাজুল আই. ভূঁইয়া মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জর্জিয়ার সাভানা স্টেট ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের একজন অধ্যাপক এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা: জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি ইরানের
তিনি বলেন, অহংকার মানে ব্যাপকভাবে অর্থনৈতিক, সামরিক ও সাংস্কৃতিক আধিপত্য এবং সেই জাতির অধঃপতন। খোমেনি আরও প্রতিশ্রুতি দেন, ইয়েমেনে হুতি, লেবাননে হিজবুল্লাহ ও গাজায় হামাসের মতো ওই অঞ্চলে যেসব গ্রুপকে তেহরান সমর্থন করে তাদের বিরুদ্ধে হামলার জবাব দেবে। রাজধানী তেহরানে শিক্ষার্থীদের এক জমায়েতে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং জায়নবাদি রাষ্ট্র ইসরাইলিরা উভয় শত্রুর জানা উচিত যে, ইরান নামের দেশটির বিরুদ্ধে এবং প্রতিরোধ ফ্রন্টের বিরুদ্ধে তারা যা করছে অবশ্যই তার দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেল। কারণ, ইসরাইল ইরানের কয়েকটি সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালানোর পর সাবধান করেছে। ইসরাইল বলেছে, তারা চায় ইরান এর কোনো জবাব দেবে না। যদি দেয়, তাহলে এর চেয়েও বড় কোনো পরিণতি ভোগ করতে হবে। ওদিকে শনিবার ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরাইল হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে কমপক্ষে ১৬ জনকে।
এর মধ্যে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে ৫ জন, আস-সাফতাবিতে তিনজন এবং বেইত লাহিয়ায় আট জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে শুক্রবার লেবাননের বেকা ভ্যালিতে কমপক্ষে ২৫টি শহর ও গ্রামে আকাশ থেকে ভারি বোমা হামলা করেছে ইসরাইল। এতে বেশ কয়েক ডজন মানুষ নিহত হয়েছেন। এমন এক পরিস্থিতিতে গাজায় পোলিও টীকার তৃতীয় ডোজ শুরু হওয়ার কথা। গত বছর ৭ই অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরাইলের হত্যাযজ্ঞে নিহতের পরিমাণ কমপক্ষে ৪৩,২৫৯। আহত হয়েছেন কমপক্ষে এক লাখ এক হাজার ৮২৭ জন। লেবাননে তারা হত্যা করেছে কমপক্ষে দুই হাজার ৮৯৭ জনকে। আহত হয়েছেন তের হাজার ১৫০ জন। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সেখানে নিহত হয়েছেন কমপক্ষে ৩০ জন। এ সময়ে গাজা উপত্যকায় ফিলিস্তিনি সাংবাদিক বারা আলি দাঘিশ এবং বিলাল মোহাম্মদ রজকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী। এর নিন্দা জানিয়েছে প্যালেস্টাইন জার্নালিস্টস প্রটেকশন সেন্টার (পিজেপিসি)।
বিবৃতিতে তারা বলেছে, দখলদার ইসরাইলি সেনাদের গাজায় সাংবাদিকদের টার্গেট করা এবং হত্যা করা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সবচেয়ে অপ্রত্যাশিত পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। এর মধ্য দিয়ে তারা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন এবং মানবাধিকার ভয়াবহভাবে লঙ্ঘন করছে। এসব অপরাধ যারা ঘটাচ্ছে, আইন লঙ্ঘন করছে তাদেরকে চিহ্নিত করে বিচারের মুখোমুখি করতে ব্যর্থ হচ্ছে দখলদার সরকার। কারণ, এক্ষেত্রে তারা বাইরের সমর্থন পাচ্ছে। সেই সমর্থনে তারা ভয়াবহ ও অমানবিক আচরণ করছে। গাজায় সাংবাদিকদের হত্যা করা তাদের কাছে প্রধান অস্ত্র হয়ে উঠেছে।
ওদিকে ইসরাইলের দাবি তারা লোহিত সাগরের ওপরে তিনটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করেছে। তবে এসব ড্রোন কোথা থেকে ছোড়া হয়েছে সে বিষয়ে তারা বিস্তারিত কিছু বলেনি। ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে বলে, কিছুক্ষণ আগে পূর্ব দিক থেকে ছোড়া তিনটি ড্রোনকে লোহিত সাগরের ওপরে ভূপাতিত করা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসপাতালের ১০ কোটি টাকার কাজ ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার by মাহবুব খান বাবুল
সরজমিন অনুসন্ধান, হাসপাতাল ও ভুক্তভোগী রোগী সূত্র জানায়, ২০২২ সালে সমগ্র বাংলাদেশের ন্যায় সরাইল হাসপাতালেরও ৬ তলা ফাউন্ডেশনের সাড়ে তিন তলাবিশিষ্ট একটি বিশাল ভবন ও অন্যান্য কিছু স্থাপনা নির্মাণের বরাদ্দ অনুমোদন হয়। টেন্ডারে বিট করে ৩০ ভাগ লেসে কাজটি পান ‘অংকুর ট্রেডার্স’ নামের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কাজের চুক্তিমূল্য প্রায় ১০ কোটি টাকা। ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের শেষের দিকে কাজ শুরু করেন তারা। ৬তলা ফাউন্ডেশনের ভবন নির্মাণের শুরুতেই অনিয়ম আর ধীরগতি অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী। ক্ষমতাসীন দলের পাওয়ারফুল লোক পেছনে থাকায় স্থানীয়দের কোনো ধরনের অভিযোগকেই পাত্তা দেননি ঠিকাদার। যেনতেনভাবে ইচ্ছেমতোই করে আসছেন কাজ। কাজের সময়সীমা ছিল ১৮ মাস। প্রায় ৭-৮ মাস আগেই শেষ হয়ে গেছে কাজের সময়সীমা। এখন পর্যন্ত কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ ভাগ। গত ৫ই আগস্টের পর কাজ ফেলে সটকে পড়েছেন ঠিকাদার ও কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত নির্মাণ শ্রমিকরা। তিন মাস চলে গেছে কিন্তু আসছেন না তারা। অযত্নে অবহেলায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে আছে রডসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মালামাল। অনেক জায়গায় রডগুলোতে মরিচা ধরে ফেলেছে। পাশের প্রশাসনিক ভবনে সাময়িক সময়ের জন্য সকল শাখা স্থানান্তরিত করলে এখন দীর্ঘসূত্রিতার কারণে সবকিছু এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। সিট বসানো হয়েছে সিজারের পর গর্ভবতী মহিলাদের অবস্থানের কক্ষেও। ভর্তিকৃত রোগীদের গিজগিজ আর গরমে ছটফটানি দেখলে চোখে জল এসে যায়। গিজগিজ করেও জায়গা হচ্ছে না। ফলে অনেক রোগীকে থাকতে হচ্ছে ফ্লোরে। কেউ থাকছেন কাঠের তৈরি বড় বেঞ্চে। অল্প জায়গায় অধিক রোগী হওয়ায় ভবন জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে দুর্গন্ধ। তার ওপর বিদ্যুৎ সমস্যায় অনেক রোগী হয়ে আরও অসুস্থ পড়ছেন। জায়গার অভাবে গোটা সরাইলের ৯টি ইউনিয়নের নারী-পুরুষ ও শিশু রোগীরা সীমাহীন দুর্ভোগ ও কষ্টে সময় পার করছেন। সরাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. নোমান মিয়া কাজে দীর্ঘসূত্রিতার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, গত তিন মাস ধরে কাজ বন্ধ। ঠিকাদারও আসছেন না। ওদিকে জায়গার অভাবে রোগীরা প্রচুর কষ্ট করছেন। আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে স্বাস্থ্যসেবাটা দিতে হিমশিম খাচ্ছি। এ বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে একাধিকবার লিখিতভাবে জানিয়েছি। ভবনটির কাজ শেষ হয়ে গেলে এখানকার রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা শতভাগ নিশ্চিত হতো। ঠিকাদার মো. জুয়েল বলেন, এসি সাহেব বন্ধ রাখতে বলেছেন। সরকার পরিবর্তনের ফলে শুধু সরাইল নয়, সারা বাংলাদেশেই ২৪ হাজার কোটি টাকার প্রকল্পের কাজ বন্ধ হয়ে গেছে। এটা খুব বড় প্রকল্প। এটা আমার লসের কাজ। তারপরও করতে চাচ্ছি। আমার লোকজন বসা। চিফ ইঞ্জিনিয়ার দৌড়াদৌড়ি করছেন। এই প্রকল্পটি আবারো একনেকে পাঠিয়েছেন। অনুমোদন হলেই কাজ শুরু করবো।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাকি আর দু’দিন: ট্রাম্পের ভিত্তিহীন অভিযোগ
বৃহস্পতিবার তার সামাজিক মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি বলেছেন, আমরা তাদেরকে পেনসিলভ্যানিয়াতে বিরাট আকারে চিটিং করতে দেখেছি। এ জন্য তিনি ফৌজদারি অপরাধের অভিযোগে বিচার দাবি করেন। ডেমোক্রেট কমালা হ্যারিসের একজন সিনিয়র নির্বাচনী কর্মকর্তা এর জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ট্রাম্প যে দাবি করছেন সেটা এই নির্বাচনে সন্দেহের বীজ বপণ করা এবং প্রতিষ্ঠানকে সন্দেহের চোখে দেখা। তিনি এসব করছেন যখন দেখছেন বিজয়ী হতে পারছেন না। পেনসিলভ্যানিয়ার পলিসি স্ট্র্যাটেজিস্ট কিলি মিলার সতর্ক করে বলেছেন, ডনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে নির্বাচনের ফল গেলে সেটাকে তারা উল্টে দেয়ার বীজ বপণ করছেন। মিলার বিশ্বাস করেন, ট্রাম্প ও তার মিত্ররা ২০২০ সালের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়েছেন। তার ফলে তারা ধারণা পোষণ করছেন যে, আগে থেকে এ জাতীয় ধারণা ছড়িয়ে দিতে হবে।
সম্প্রতি ট্রাম্প অপ্রমাণিত অভিযোগ তীব্র আকারে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন। ভোটার নিবন্ধন ফরম নিয়ে তিনি সন্দেহ পোষণ করে এর তদন্ত দাবি করেছেন। রাজ্যের কর্মকর্তারা এবং গণতন্ত্রের পক্ষের লোকজন যুক্তি দিচ্ছেন যে, এসব ঘটনা প্রমাণ করে যে সিস্টেম কাজ করছে। ট্রাম্পের টিম মামলা করার পর বাকস কাউন্টিতে ল্যাঙ্কাস্টার এবং ইয়র্ক কাউন্টিতে নিবন্ধন জালিয়াতির তদন্ত করেছেন। তাতে কোনো অবৈধ ভোটের তথ্যপ্রমাণ না পেয়ে একজন বিচারক মেইলে ভোট দেয়ার সময়সীমা বাড়িয়ে দিয়েছেন।
উল্লেখ্য, ১৭৮৯ সালের সংবিধানের ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রে নির্বাচন প্রক্রিয়া চলে। এর অধীনে নির্বাচনের ফলকে চ্যালেঞ্জ করতে বা নির্বাচনের ফল ঘোষণা বিলম্বিত করার সুযোগ আছে ট্রাম্প ও তার সমর্থকদের। ২০২০ সালে ট্রাম্প টিম ভোট জালিয়াতির অভিযোগে ৬০টি মামলা করে। তার একটিতেও তারা জালিয়াতি প্রমাণ করতে পারেনি। ফলে আবার যে সেরকম ঘটনা ঘটবে না এর নিশ্চয়তা নেই। এ জন্য উভয় পক্ষের আইনজীবীরা বিরোধের বিষয়ে প্রস্তুতি নিয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 03
(19)
- সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা, ২০০ সেনাকে অপহরণ
- দাবানলের ছাই থেকে সৃষ্টি হলো বিস্তীর্ণ সবুজ তৃণভূমি
- লোডশেডিং বাড়ছে কয়লার অভাবে: পিডিবির লক্ষ্য আগামী গ...
- গাজায় ৪৮ ঘণ্টায় অর্ধশতাধিক শিশু হত্যা করল ইসরাইল
- গাজায় ফিলিস্তিনি বন্দীদের ছবিতে দেখা সেই শিশুটির ক...
- জরিপে এগিয়ে কমলা, বদলে যাবে মার্কিন ইতিহাস?
- যেভাবে তৈরি হয়েছিল মুসলমানদের প্রথম কিবলা ‘আল-আকসা’
- উত্তর কোরিয়ার অদ্ভুত যত আইন!
- হাতি ও গাধা কীভাবে আমেরিকার নির্বাচনী প্রতীক হলো
- বিস্ফোরক নিয়ে ইসরায়েলের পথে জার্মান জাহাজ
- মোদির ভূমিকায় ক্ষুব্ধ ‘বাংলাদেশের মোহন ভাগবত’, ‘হ...
- বুলেটে ঝাঁজরা শরীর নিয়ে লড়ছেন আরিফ
- ইসরায়েলের শিশু নিষ্পাপ তাহলে ফিলিস্তিনি শিশু কী
- আন্দোলনের সঙ্গীদের নিয়ে নির্বাচনী ছক বিএনপি’র by ক...
- মানিকগঞ্জে কাদেরপত্নীর গাড়িচালকের ডুপ্লেক্স বাড়ি
- মার্কিন নির্বাচনের স্পটলাইটে বাংলাদেশ: ট্রাম্পের ক...
- মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা: জবাব দেয়ার প্রতিশ্রুতি ইরানের
- হাসপাতালের ১০ কোটি টাকার কাজ ফেলে লাপাত্তা ঠিকাদার...
- বাকি আর দু’দিন: ট্রাম্পের ভিত্তিহীন অভিযোগ
-
▼
Nov 03
(19)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




