Saturday, December 8, 2018

বিজেপির রথযাত্রায় মমতার আপত্তি, আদালতের হস্তক্ষেপ

পশ্চিমবঙ্গে এক মাসজুড়ে তিনটি রথের মাধ্যমে গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রার আয়োজন করেছে বিজেপি। কিন্তু সেই যাত্রায় রাজ্য প্রশাসন অনুমতি দেয় নি। এই বিরোধ শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ালে কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এক নিদের্শে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের তিন সর্বোচ্চ প্রতিনিধিকে বিজেপির তিন প্রতিনিধির সঙ্গে বসে আগামী বুধবারের মধ্যে রথযাত্রার বিষয়টি চূড়ান্ত করতে হবে বলে জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে গত বৃহষ্পতিবার তপোব্রত চক্রবর্তীর সিঙ্গেল বেঞ্চ ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যের কোথাও বিজেপি রথযাত্রা করতে পারবে না বলে যে নির্দেশ দিয়েছিলেন তা খারিজ করে দিয়েছেন। সিঙ্গেল বেঞ্চের নির্দেশকে  চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে আবেদন করেছে রাজ্য বিজেপি। শুক্রবার দিনভর শুনানির শেষে রথযাত্রায় আপাতত অনুমতি না দিলেও উভয়পক্ষকে সমন্বয় রেখে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পরামর্শ দিয়েছেন। এদিন দুপুরে অবশ্য বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ মমতার সরকারকে প্রবল আক্রমণ করে বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে তিনটি যাত্রাই হবে। তিনি বলেন, বিজেপির সাফল্য দেখে মমতা ভয় পেয়ে গিয়েছেন।  আগামী লোকসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে রথযাত্রার মাধ্যমে বিজেপি পুরোদমে প্রচারে নামতে চেয়েছে।
ইতিমধ্যেই বিজেপির সভাপতি রাজ্যে ২৩টি লোকসভা আসনে জয় নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় কর্মী ও স্থানীয় নেতাদের। রাজ্যে সাম্প্রতিক নির্বাচনগুলিতে বিজেপির সমর্থন ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৪ শতাংশে পৌঁছানোয় বিজেপি নেতৃত্ব খুবই উৎসাহিত। আগামী লোকসভা নির্বাচনে বিজেপি বেশি সংখ্যক আসন পাওয়ার লক্ষ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়তে চলেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও রাজ্যকে গুরুত্ব দিয়ে এক মাসের মধ্যে চারটি জনসভায় ভাষণ দেবেন বলে জানা গেছে।

সার্ক সম্মেলনের নতুন আশা পাকিস্তানের

সার্ক শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠানে নতুন করে আশাবাদ ব্যক্ত করেছে পাকিস্তান। তারা বলেছে, ১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন আয়োজনের জন্য পাকিস্তান প্রস্তুত রয়েছে। একই সঙ্গে দক্ষিণ এশিয়ার এই সংগঠনের ভবিষ্যত নির্ভর করছে সদস্য দেশগুলোর পারস্পরিক সম্মান প্রদর্শনের ওপর। এ খবর দিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য ডন অনলাইন। 
শুক্রবার সার্কের ৩৪তম চার্টার ডে উদযাপনের এক অনুষ্ঠানের শুরুতে এ কথা বলেছেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব তাহমিনা জানজুয়া। সার্ক আরবিট্রেশন সেন্টার ও সার্ক এনার্জি সেন্টারের সঙ্গে সহযোগিতার মাধ্যমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এতে যোগ দেন সার্কের সদস্য ও পর্যবেক্ষক দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধিরা। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সার্ক আরবিট্রেশন কাউন্সিল, সার্ক চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি, সার্ক এনার্জি সেন্টার ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রধান ও প্রতিনিধিরা।
ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তেহমিনা জানজুয়া বলেন, সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতাভিত্তিক নীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ওপর নির্ভর করছে সার্কের ভবিষ্যত। এ সংগঠনের উদ্দেশ্য ছিল দক্ষিণ এশিয়ার সমৃদ্ধি ও উন্নয়নকে সামনে এগিয়ে নেয়া। এ সময় তিনি নতুন করে সার্ক সম্মেলন আয়োজনে তার দেশের প্রস্তুতির কথা জানান। 
১৯তম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজক ছিল পাকিস্তান। ওই সম্মেলন হওয়ার কথা ছিল ২০১৬ সালের নভেম্বরে। কিন্তু আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস সহ আরো কিছু অভিযোগে এতে যোগ দেয়া বাতিল করে ভারত। প্রথমে তারা এমনটা করলে পরে বাংলাদেশ সহ আরো কয়েকটি সদস্য দেশ ওই সম্মেলনে যোগ দেয়া বাতিল করে। এই ধারায় যোগ দেয় আফগানিস্তান, ভুটান। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে ওই সম্মেলন বাতিল হয়ে যায়। তৃতীয় বছরের মতোও ওই সম্মেলন পাকিস্তান আয়োজন করতে পারে নি। কারণ, এতে কার্যত ভেটো রয়েছে ভারতের। নিয়ম অনুযায়ী, সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সব সদস্য দেশের অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। প্রতি বছর এমন একটি শীর্ষ সম্মেলন হওয়ার নিয়ম রয়েছে।

স্যারের কথা সত্যি নয় -সংবাদ সম্মেলনে রাঙ্গা

‘আমাকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না, বাইরে যেতে দেয়া হচ্ছে না’। বৃহস্পতিবার হঠাৎ জাতীয় পার্টির বনানী কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত হয়ে এরশাদ পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে গাড়ির মধ্যে বসেই জানিয়েছিলেন তার বর্তমান অবস্থার কথা। তিনি হাসপাতালের পোশাকেই বাসায় যাচ্ছিলেন, এ সময় পার্টির নেতাকর্মীদের দেখতে এসে ক্ষুব্ধ হয়ে এ বার্তা দেন। তাকে কেন চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে না, বাইরে যেতে কেন এবং কারা বাধা দিচ্ছে এমন প্রশ্নের মুখে গতকাল জাতীয় পার্টির মহাসচিব মশিউর রহমান রাঙা বলেছেন, স্যারের চিকিৎসায় বাধা-এর কোনো কথাই কিন্তু সত্যি নয়। আমি ওনার পাশেই ছিলাম। সঙ্গেই ছিলাম। নির্বাচন চলে আসছে। আমি বলেছি নির্বাচনের দু-একটা দিন থেকে আপনি চলে যান।
বয়স হলে ব্লাডের সমস্যা অ্যারাইজ করে। জাপা চেয়ারম্যানের জন্য সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা হলে ভালো হবে, সে কারণে তাকে যেতে হবে। মনোনয়ন জমা নেয়া হয়ে যাক। তারপরেই যাবেন। গতকাল দুপুরে জাপা চেয়ারম্যানের বনানী কার্যালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে রাঙা বলেন, মহাজোটের শরিক সবার সঙ্গে আলোচনা চলছে। আওয়ামী লীগ থেকে চেয়েছিলাম ৫৪টি আসন, আমরা ৪৫টি পেতে পারি। এজন্য আরো অপেক্ষা করতে হবে। 
রাঙা বলেন, আমরা জোট ছাড়া যদি থাকতাম, তাহলে এখনই বলে দিতাম আমাদের আসন সংখ্যা কত। যেহেতু আমাদের একটা জোট আছে, এ কারণে তাদের সঙ্গে আলোচনা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত বলা যাবে না। আওয়ামী লীগও বলতে পারবে না তাদের আসন সংখ্যা কত। যদিও তারা বলে ২৩০, আমরা এখনো এভাবে বলতে পারি না। তাদের সঙ্গে আমাদের চূড়ান্ত আলোচনা সম্পন্ন হয়নি। আজকে বা কালকের মধ্যে সম্পন্ন হবে।
জাপার সদ্য বিদায়ী মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদারের মনোনয়ন বাতিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখনো আপিল করার সুযোগ রয়েছে। কোর্ট তো শেষ হয়নি। কোর্ট শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমরা বলতে পারি না ওনি বাতিল হয়েছে কি না। আইনের মাধ্যমে তিনি আবার নির্বাচন করতে পারেন।
জাপার ইশতেহার প্রসঙ্গে মশিউর রহমান রাঙা বলেন, প্রত্যেক দলের ইশতেহার আলাদা হবে। মার্কাও আলাদা। ইশতেহার তৈরি হচ্ছে, দুই একদিনের মধ্যে দিতে পারব বলে আশা করি। আমরা যে প্রাদেশিক সরকারের কথা বলছি। উন্নয়নের কথা বলেছি। গতবারের ইশতেহারের সঙ্গে এবারো অনেকটা মিল থাকবে।
এ সময় জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম সদস্য এসএম ফয়সল চিশতী, মজিবুর রহমান সেন্টু, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা রেজাউল ইসলাম ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব লিয়াকত হোসেন খোকা এমপি, সাংগঠনিক সম্পাদক আমির হোসেন ভূইয়া এমপি, এসএম ইয়াসির, যুগ্ম-দপ্তর সম্পাদক এমএ রাজ্জাক খান, এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নেতা মোহাম্মদ মোহিববুল্লাহ, ফজলে এলাহী সোহাগ, মো. নেওয়াজ আলী ভূইয়া, আবদুর রাজ্জাক উপস্থিত ছিলেন।

গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে ফেসবুক

কঠোর বিধি-নিষেপ আরোপ করা না হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হয়ে উঠতে পারে। বৃটিশ গোয়েন্দা সংস্থা গভমেন্ট কমিউনিকেশন্স হেডকোয়ার্টার্স (জিসিএইচকিউ) এর সাবেক প্রধান রবার্ট হানিগ্যান এমন সতর্কতাবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেন, ফেসবুক ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষা দেয়ার চেয়ে ব্যবহারকারীদের থেকে অধিক মুনাফা লাভ করতে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। একই সঙ্গে তিনি ভুয়া সংবাদের বিষয়ে ফেসবুক কর্তৃপক্ষের ভূমিকার সমালোচনা করেন। তার মতে, ভুয়া সংবাদ প্রতিরোধে ফেসবুকের নেয়া পদক্ষেপ যথেষ্ঠ না। হানিগ্যান ছাড়াও এ সপ্তাহে কয়েকজন বৃটিশ এমপি ফেসবুকের বিরুদ্ধে গোপন তথ্য সংরক্ষণের অভিযোগ তুলেছেন। শুক্রবার বিবিসিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে হানিগ্যান বলেন, এটা ফ্রি সেবা প্রদান করার মতো কোন ছোট খাটো বিষয় না। গ্রাহকদের তথ্য নিয়ে সুপরিকল্পিতভাবে আন্তর্জাতিক ব্যবসা করা হচ্ছে।
আর বিশ্বের বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো হলো এর বড় বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠান। তিনি বলেন, এদের যেসব সেবাকে উপকারী মনে করা হয়, এরা সেই সেবার বিনিময়ে  ডাটা নিয়ে যায়। একই সঙ্গে এ থেকে অর্জিত সকল মুনাফার সবটুকুই তারা গ্রহণ করে। ফেসবুক গণতন্ত্রের জন্য হুমকি কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে হানিগ্যান বলেন, ‘সম্ভবত হ্যা। আমি মনে করি, যদি এটা নিয়ন্ত্রণ করে বিধি-নিষেধ আরোপ না করা হয়, তাহলে তা গণতন্ত্রের জন্য হুমকি হতে পারে। কিন্তুএকচেটিয়া আধিপত্যের কারণে এসব বড় কোম্পানিগুলো নিজেদের সুধরাবে না। তাদের এজন্য বাধ্য করতে হবে।’ 

পুলিশ ইংরেজি না বোঝায়...

সাক্ষ্য প্রমাণের অভাবে মূল অপরাধীর ছাড় পাওয়া বা নিরপরাধের শাস্তি হওয়ার নজির অনেক রয়েছে। কিন্তু শুধুমাত্র ইংরেজির অজ্ঞানতায় জেল খাটতে হয়েছে এমন উদাহরণ সম্ভবত নেই। এবার সেই নজিরও গড়েছে ভারতের বিহার পুলিশ। ইংরেজিতে লেখা আদালতের নির্দেশের ব্যাখ্যা ভুল বুঝে ব্যবসায়ীকে হাজতে পুরে দিয়েছে তারা।
বিচারকের নির্দেশ ছিল, সম্পত্তির হিসাব করার। কিন্তু বিহার পুলিশের ইংরেজি না বোঝায় এক রাত হাজত খেটে তার মাশুল দিলেন এক ব্যবসায়ী। ভুল ভাঙল পরের দিন আদালতে পেশ করার পর।
গত ২৫শে নভেম্বরের এই ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের জেহানাবাদে। আর ইংরেজির ভুলের স্বীকার সেখানকার মিষ্টি ব্যবসায়ী নীরজ কুমার। বিবাহ বিচ্ছেদের মামলায় তাঁর স্ত্রী রেণু দেবীকে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা করে দেওয়ার কথা তাঁর।
সম্প্রতি সেই টাকা দিতে পারছিলেন না বা দিচ্ছিলেন না নীরজ। স্ত্রী ফের আদালতের দ্বারস্থ হন। আদালত নির্দেশ দেয়, নীরজের অস্থাবর সম্পত্তি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট জমা দিতে।
বিচারকের নির্দেশের কপিতে ইংরেজিতে লেখা ছিল ‘ডিসট্রেস ওয়ারেন্ট’, অর্থাৎ সম্পত্তির হিসাব করার নির্দেশ। কিন্তু ‘ওয়ারেন্ট’ শব্দটি থাকাতেই জেহানাবাদের পুলিশ মনে করে সেটি ‘অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট’ অর্থাৎ ‘গ্রেপ্তারি পরোয়ানা’। স্বাভাবিক ভাবেই নীরজ কুমারকে ধরে এনে হাজতে পুরে দেয় পুলিশ। পরের দিন আদালতে পেশ করা হয়। সেখানে পেশ করা হয় ওই ‘ডিসট্রেস ওয়ারেন্ট’। তখনই বিচারক পুলিশের ইংরেজির ভুল ভাঙিয়ে দেন।
লালুপ্রসাদের ছেলে তেজপ্রতাপের বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা লড়ছেন আইনজীবী যশোবন্ত কুমার শর্মা। তিনি বলেন, সম্পত্তির হিসেব করার নির্দেশকে ‘ডিসট্রেস ওয়ারেন্ট’ বলা হয়। কিন্তু সেটাকে পুলিশ কীভাবে ভুল করে ‘অ্যারেস্ট ওয়ারেন্ট’ ভাবল, সেটাই আশ্চর্যের। পটনা হাইকোর্টের আইনজীবী বিনয় কুমার পান্ডে বলেন, সাধারণত এই ধরনের নির্দেশ সাব ডিভিশনাল ম্যাজিস্ট্রেটকে পাঠানোর কথা। কিন্তু এক্ষেত্রে সম্ভবত পুলিশ সুপারকে পাঠানো হয়েছিল। সেই কারণেও এই ভুল হতে পারে। এখন নীরজ কুমার পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষতিপূরণের মামলা করতে পারেন। এমনটাই বলছে ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার।
জেহানাবাদের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর) পঙ্কজ কুমার ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়ে বলেন, ‘ওই নির্দেশে কোথাও বলা ছিল না ওটা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা। নির্দেশে ছিল, নীরজের স্ত্রীকে মাসে ২৫০০ টাকা খোরপোষ দিতে না পারলে তাঁর অস্থায়ী সম্পত্তির পরিমাণ হিসাব করে আদালতে পাঠাতে হবে।’
নীরজ কুমার জানিয়েছেন, ২০১২ সালে বিয়ের পর থেকেই স্ত্রী রেণু দেবীর সঙ্গে অশান্তি চলছিল। ২০১৪ সালে তাঁর স্ত্রী তাঁর বিরুদ্ধে পণের মামলা করেন। তার জেরে তিনিও বিবাহ বিচ্ছেদের মামলা করেন। সেই মামলাতেই আদালত তাঁকে প্রতি মাসে স্ত্রীর খোরপোষ হিসাবে ২৫০০ টাকা দিতে বলে।