Monday, May 9, 2016

পাকিস্তানে ২৩ নিষিদ্ধ সংগঠনের ওপর চাঁদা তোলায় নিষেধাজ্ঞা

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের কর্তৃপক্ষ নিষিদ্ধঘোষিত ২৩টি সংগঠনের তহবিল সংগ্রহের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। এ সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন জঙ্গি হামলার দায়ে অভিযুক্ত লস্কর-ই-তাইয়েবা ও জইশে মুহাম্মদ।
পাঞ্জাব প্রদেশের সরকার মঙ্গলবার এ হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, যারা ওই প্রতিষ্ঠানগুলোকে চাঁদা বা সাহায্য দেবে, তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে অভিযোগ আনা হবে।
তহবিল সংগ্রহের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত অন্য সংগঠনগুলো হলো: লস্কর-ই-জাংভি, সিপাহ-ই-মুহাম্মদ পাকিস্তান, সিপাহ-ই-সাহাবা পাকিস্তান, তেহরিক-ই-জাফারিয়া পাকিস্তান, মিল্লাত-ই-ইসলামিয়া পাকিস্তান, খুদ্দাম-উল-ইসলাম, ইসলামি তেহরিক-ই-পাকিস্তান, হিজবুত তাহরির ও জামিয়াত-উল-আনসার। তবে সরকার ফালাহ-ই-ইনসানিয়াত নামের একটি সংগঠনকে তহবিল সংগ্রহের নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত করেনি। এ সংগঠনটি জামাত-উদ-দাওয়াহর একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান।
মুসলমানদের পবিত্র মাস রমজান শুরু হওয়ার পাশাপাশি তহবিল সংগ্রহের কাজে ওই নিষেধাজ্ঞা এল। মুসলিম চরমপন্থী ও জঙ্গিগোষ্ঠীগুলো এ মাসে চাঁদা তুলতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে থাকে।

রিয়াল-বার্সার উল্টো ফল

গত মৌসুমের শেষের দিকে বার্সেলোনা এগোচ্ছিল দুর্দম গতিতে, আর রিয়াল মাদ্রিদ হোঁচট খাচ্ছিল মাঝেমধ্যেই। নতুন মৌসুমে চিত্রটা কি উল্টে যাবে? প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতির ম্যাচগুলোতে রিয়াল এগিয়ে চলেছে অদম্য, আর হোঁচট খাচ্ছে বার্সেলোনা।
পরশুও রিয়াল-বার্সা দুই দলের ছিল উল্টো যাত্রা। চীন সফররত রিয়াল মাদ্রিদ গুয়াংজু এভারগ্রান্ডেকে উড়িয়ে দিয়েছে ৭-১ গোলে। আর যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে মেক্সিকোর ক্লাব শিভাস গুয়াদালহারা কাল বার্সেলোনাকে হারিয়েছে ৪-১ গোলে। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো, করিম বেনজেমা, অ্যাঙ্গেল ডি মারিয়া, মেসুত ওজিল—রিয়াল খেলছে পুরো শক্তি নিয়ে। আর বার্সেলোনায় খেলেননি দলের সাফল্যের প্রতীকে পরিণত হওয়া লিওনেল মেসি। গার্দিওলার দলে অভিজ্ঞতা ও তারুণ্যের মিশ্রণ ছিল প্রায় সমান সমান।
গত মৌসুমে রিয়ালের অর্জনের খাতাটা শূন্য ছিল বটে, কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে রোনালদোকে অপ্রাপ্তি তেমন ছোঁয়নি। স্প্যানিশ লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার পেয়েছেন পর্তুগিজ উইঙ্গারই। গোল করার সেই ধারাটা ধরে রেখেছেন রোনালদো। এ পর্যন্ত রিয়াল মাদ্রিদের খেলা ছয়টি প্রাক-মৌসুম প্রস্তুতি ম্যাচে একটি হ্যাটট্রিকসহ ৬ গোল করেছেন রোনালদো। গুয়াংজুর সঙ্গে ম্যাচেও একটি গোল পেয়েছেন। রোনালদোর সঙ্গে একটি করে গোল পেয়েছেন স্যামি খেদিরা, ওজিল, জেসে ও ডি মারিয়া। বেনজেমা করেছেন জোড়া গোল।
মেক্সিকান চ্যাম্পিয়ন শিভাসের বিপক্ষে বার্সেলোনার একমাত্র গোলটি করেছেন ডেভিড ভিয়া। ভিয়ার ৪ মিনিটের গোলে প্রথমে এগিয়ে গিয়েছিল বার্সাই, প্রথমার্ধে বার্সেলোনার খেলা দেখে মনে হচ্ছিল গোলের মালা গলায় পরতে হবে শিভাসকে। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের শেষ দিকে খেলাটা উল্টে যায় পাশার দানের মতো। ১২ মিনিটের মধ্যে তিন গোল করে শিভাস। দুই মিনিটের মধ্যে মার্কো ফ্যাবিয়ান অসাধারণ দুই গোল করে এগিয়ে দেন শিভাসকে। ৬০ মিনিটে তাঁর প্রথম গোল ৩০ গজ দূর থেকে আচমকা শটে, ৬২ মিনিটে বাইসাইকেল কিকে দ্বিতীয় গোল। ৭২ মিনিটে জিওভানি ক্যাসিয়াসের গোলের পর ৯০ মিনিটে বার্সার কফিনে শেষ পেরেকটি ঠোকেন লুইস ভার্দুজকো। বার্সা বলতে পারে, প্রীতি ম্যাচের এই পরাজয়ে কী যায় আসে! তবে সত্যটা হলো, দলের রক্ষণ এমন বেহাল থাকলে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নদের আসন্ন মৌসুমে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হবে। ৭০ হাজারেরও বেশি দর্শকে ঠাসা মায়ামি ডলফিনের মাঠটিকে বিষণ্ন দেখা যায়নি ঠিকই। কিন্তু এটাও ঠিক, কেউ বার্সেলোনার ‘লাঞ্ছনা’ দেখতে আসেনি।

পাকিস্তানে সন্ত্রাসবাদ নির্মূল করা গেলেই আফগান বিজয় সম্ভব

আফগানিস্তানে গত এক বছরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির নাটকীয় অগ্রগতি হয়েছে। পাকিস্তানে জঙ্গি-ত ৎপরতা নির্মূল করা গেলেই আফগান বিজয় সম্ভব হবে। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান অ্যাডমিরাল মাইক মুলেন গত রোববার বিবিসিকে দেওয়া সাক্ষা ৎকারে এসব কথা বলেন।
আফগানিস্তানে সাম্প্রতিক সময়ে তালেবানের হামলা বেড়ে যাওয়ার ঘটনাকে ‘বিপদসংকেত’ উল্লেখ করে মুলেন বলেন, ‘আমি আমার চোখের সামনে আক্ষরিক অর্থেই অগ্রগতি দেখতে পাচ্ছি। এক বছর আগের তুলনায় নাটকীয় পরিবর্তন এসেছে। তবে উদ্বেগের বিষয়ও রয়েছে।’
মুলেন বলেন, ‘এখনো সেখানে নিরাপত্তা-ঝুঁকি রয়েছে এবং বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে সহিংসতা বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি উদ্বেগজনক। এবার তারা আবারও লড়াইয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছে।’
মুলেন বলেন, পাকিস্তান সীমান্তে জঙ্গিদের ‘নিরাপদ স্বর্গ’ থাকায় ন্যাটো নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা সহায়তা বাহিনীকে (আইএসএএফ) এখনো অনেক সমস্যায় পড়তে হয়। আফগান যুদ্ধে সাফল্যের জন্য জঙ্গিদের ওই সব ‘নিরাপদ স্বর্গ’ চিহ্নিত করতে হবে।

মোবারকের বিচারের স্থান পরিবর্তন

নিরাপত্তাজনিত কারণে মিসরের ক্ষমতাচ্যুত প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের বিচারের স্থান পরিবর্তন করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এ তথ্য জানিয়েছে।
মোবারকের বিচার-কার্যক্রম এর আগে কায়রো কনভেনশন সেন্টারে হওয়ার কথা ছিল। তবে এখন তা পুলিশ একাডেমিতে স্থানান্তর করা হয়েছে। আগামী বুধবার বিচার শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। গত এপ্রিলে গ্রেপ্তারের পর থেকে মোবারক পর্যটন শহর শারম আল-শেখের একটি হাসপাতালে চিকিৎ সাধীন। টানা ১৮ দিনের গণবিক্ষোভের মুখে গত ১১ ফেব্রুয়ারি পদত্যাগে বাধ্য হন মোবারক। তাঁর বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও বিক্ষোভকারীদের হত্যার হুকুম দেওয়ার অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে এ বিচার শুরু হচ্ছে।
মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে তাহরির স্কয়ারে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করে।

অরাজকতার পথে বাংলাদেশ -নিউ ইয়র্ক টাইমসের সম্পাদকীয়

যাদের টার্গেট করা হতে পারে এমন ব্যক্তিত্বের সুরক্ষা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে বাংলাদেশকে। ফিরিয়ে আনতে হবে গণতান্ত্রিক স্বাধীনতা ও আইনের প্রতি আস্থা। তা করতে ব্যর্থ হলে দ্রুত গতিতে বাংলাদেশ অরাজকতার (Lawlessness) দিকে চলে যাবে। এলজিবিটি অধিকারকর্মী জুলহাজ মান্নান হত্যাকাণ্ডে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী তদন্তে যে পূর্ণ সমর্থন দেয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন বাংলাদেশের উচিত তাকে স্বাগত জানানো। এসব কথা বলা হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী পত্রিকা দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক সম্পাদকীয়তে। ‘বাংলাদেশজ ডিসেন্ট ইনটু ললেসনেস’ শীর্ষক ওই সম্পাদকীয়তে আরও বলা হয়, ২০১৩ সাল থেকে কমপক্ষে ২০ জনকে হত্যা করেছে ইসলামি উগ্রপন্থিরা। বেশির ভাগকেই কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে যারা শিকারে পরিণত হয়েছেন তারা হলেন ব্লগার। তারা ইসলামের সমালোচনা করেছিলেন। তারপর দুজন বিদেশি- একজন ইতালির এনজিওকর্মী ও একজন জাপানিকে গত বছর হত্যা করা হয়েছে। গত মাসে মাত্র নয় দিনের মধ্যে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে ৫ জনকে।
অনেকাংশে এর জন্য দায়ী ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ সরকার, তার তিক্ত বিরোধী রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী। ব্যাপক সহিংসতা ও বিরোধীদের বর্জনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত ২০১৪ সালের জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে বিজয়ী হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার দল। ১৯৭১ সালের যুদ্ধাপরাধের দায়ে অভিযুক্তদের বিচারের জন্য ২০১০ সালে গঠন করা হয় বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত। এ আদালত সরকারের রাজনৈতিক হাতিয়ারে পরিণত হয়েছে। এক্ষেত্রে টার্গেট করা হয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাদের। এর সঙ্গে বিচার বহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও গুম যোগ হয়েছে। এসব কিছু আইনের শাসনের ওপর যে আস্থা তা ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
ইতিমধ্যে মতপ্রকাশ ও প্রেসের স্বাধীনতাকে দমন করেছে সরকার। গত মাসে নাস্তিক ব্লগারদের নিন্দা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, যদি কেউ আমাদের নবী (স.) ও অন্য ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু লেখে তাহলে তা মোটেও সহ্য করা হবে না।
এ সবকিছুই উগ্রপন্থার শক্তি বৃদ্ধি করছে। সংঘাত নিরসরণে কাজ করা নিরপেক্ষ সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ সতর্ক করেছে, কঠোর পদক্ষেপের কারণে সরকারের বৈধতা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। সহিংসতার প্রতিক্রিয়ায় সুবিধা পাচ্ছে সহিংস দলগুলোর শাখা ও উগ্রপন্থি গ্রুপগুলো। এ গ্রুপের মধ্যে রয়েছে আল কায়েদার সঙ্গে সম্পৃক্ত আনসার আল ইসলাম বাংলাদেশ। তরা গত ১৬ই এপ্রিল আইনের ছাত্র নাজিমুদ্দিন সামাদকে হত্যার দায় স্বীকার করেছে। ৩০শে এপ্রিল হত্যা করা হয়েছে হিন্দু দর্জি নিখিল চন্দ্র জোয়ারদারকে। এর দায় স্বীকার করেছে ইসলামিক স্টেট। যদিও সরকার বাংলাদেশে ইসলামিক স্টেটের উপস্থিতি কথা অস্বীকার করেছে।
গত ২৫শে এপ্রিল হত্যা করা হয়েছে এলজিবিটি অধিকার কর্মী ও ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসের কর্মী জুলহাজ মান্নান ও তার এক বন্ধুকে। এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষের উদ্দীপনা ও গর্ব, যার জন্য তারা সহনশীলতা, শান্তি ও বহুত্ববাদের রীতি চর্চা করেন, তা বহন করতেন জুলহাজ মান্নান। এসব হত্যাকাণ্ডের তদন্তে যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণ সমর্থন প্রস্তাব করেন জন কেরি।
এ সমর্থনকে স্বাগত জানানো উচিত শেখ হাসিনার সরকারের। খুব কম সংখ্যক হামলাকারীকে বিচারের আওতায় আনা হয়েছে। সৃষ্টি করা হয়েছে দায়মুক্তির পরিবেশ।

পাকিস্তান লাদেনকে কোনো সহযোগিতা করেনি

পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট পারভেজ মোশাররফ বলেছেন, আল-কায়েদার প্রয়াত নেতা ওসামা বিন লাদেনকে তাঁর দেশ কোনো সহযোগিতা করেনি। যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় গত বৃহস্পতিবার ওয়াশিংটনে তিনি এ কথা বলেন।
গত ২ মে পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদ শহরে মার্কিন কমান্ডোদের অভিযানে নিহত হন ওসামা বিন লাদেন। এর পর থেকে প্রচণ্ড চাপের মুখে রয়েছে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। অভিযোগ উঠেছে, ওসামা বিন লাদেনের পাকিস্তানে অবস্থানের বিষয়টি তারা জানত এবং সেনা ও গোয়েন্দাদের কেউ কেউ তাঁকে সহযোগিতাও করেছেন।
সেনাবাহিনীর পক্ষে অবস্থান নিয়ে সাবেক সেনাপ্রধান মোশাররফ বলেন, ‘কেউ বিশ্বাস করুক বা না করুক, আমি নিশ্চিত করে বলছি, ওসামা বিন লাদেনের অবস্থানের বিষয়ে আমি কিছু জানতাম না। আর এটা কি কখনো সম্ভব যে সেনাবাহিনী ও আইএসআই জেনেও তারা আমাকে জানাবে না? আমি ১০০ বার বলব, সেটা আদৌ সম্ভব নয়। আমি সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলাম, আর তারা আমার লোক।’
১৯৯৯ সালে রক্তপাতহীন এক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করেন তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল পারভেজ মোশাররফ। তিনি বলেন, ওসামা বিন লাদেন খুব সাধারণ একটি বাড়িতে আত্মগোপন করে ছিলেন। এ কারণে কারও সন্দেহ হয়নি। সারা দেশে এমন হাজার হাজার বাড়ি পাওয়া যাবে। আর তাঁকে যদি সেখানে নিয়ে রাখা হয়, তাহলে নিশ্চয় কোনো না কোনো রকম নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হতো, যাতে তিনি পালাতে না পারেন।
সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেন, ওসামা বিন লাদেনকে হত্যায় মার্কিন বাহিনীর ওই অভিযানে পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাকিস্তান মনে করে, এর মাধ্যমে তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করা হয়েছে।