Friday, April 4, 2014
মরণোত্তর by খুশবন্ত সিং, অনুবাদ: আন্দালিব রাশদী
About: my cuet
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আলিয়ার বক্তব্যে বলিউডে হৈ চৈ
About: my cuet
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভয়ংকর দুর্গ by সারিনা হোসেন
About: my cuet
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাফরানের নীল সুবাস by আউয়াল চৌধুরী
About: my cuet
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শাহ বুলবুলের মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলা
মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলা সফল একজন কমরেডের জীবনীগ্রন্থ হলেও এটিকে চের জীবন নিয়ে গবেষণাগ্রন্থ বললে ভুল হবে না। এ ধরনের বইগুলো সাধারণত গবেষণা ও অনুবাদনির্ভর হয়। কিন্তু বুলবুলের বইটিতে রয়েছে একটি অতিরিক্ত মাত্রা। আর তা হচ্ছে শব্দ ব্যবহারে মুন্সিয়ানা, বর্ণনা হচ্ছে গল্পের মতো। যে গল্পে রয়েছে পাত্রপাত্রীর সংলাপও। এ কারণেই একটি অনুবাদনির্ভর গবেষণাগ্রন্থ হয়ে উঠেছে প্রায়মৌলিক। মঞ্চে নাট্যকার নির্দেশক মামুনুর রশীদের নাটক চের সাইকেল দেখে দর্শক যখন হা-হুতাশ করেন, আহ্, চের জীবনী এত সংক্ষিপ্ত হয়- তখন তার জন্য সান্ত্বনা হতে পারে মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলা বইটি।
বলিভিয়ার ডায়েরি লিখেছিলেন চে। আর সেটি হচ্ছে ইতিহাসখ্যাত গেরিলা বাহিনীর রোজনামচা। ১৯৬৬ সালের ৭ নভেম্বর গেরিলা বাহিনীর নাকাহুয়াজু ক্যাম্প থেকে ডায়েরির সূচনা। শেষ হয় ১৯৬৭ সালের ৭ অক্টোবর লা হিগুয়েরা গ্রামে কুয়েব্রাডা যুদ্ধের আগে। ৮ অক্টোবর সে যুদ্ধে চে গুয়েভারাকে আহত অবস্থায় বন্দি ও নির্দয়ভাবে হত্যা করা হয়। লাশের মতোই গুম করা হয়েছিল ডায়েরিটি। বিপ্লবীর স্বীকৃতি এ ডায়েরির ফটোকপি আসে কিউবায় ফিদেল কাস্ত্রোর হাতে। ডায়েরিতে গেরিলা বাহিনীর দিনকার কথা লিখে রাখতে চে।
আর্নেস্তো চে গুয়েভারা ছিলেন কবি এবং কবিতার একনিষ্ঠ ভক্ত। মেক্সিকোর হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে কাজ করার সময় চের রোগী ছিল অসহায় বৃদ্ধা মারিয়া। যিনি মৃত্যুর জন্য দিন গুনছিলেন। চে চিকিৎসা দিয়ে মারিয়াকে বাঁচানোর সর্বাত্মক চেষ্ট করেন। কিন্তু মারিয়ার শেষ দিনগুলো তাকে বিরামহীন যন্ত্রণা দেয়। চে মৃত্যুপথযাত্রী বৃদ্ধা মারিয়াকে নিয়ে কবিতা লিখলেন, তুমি নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছ। চে গুয়েভারার ঐতিহাসিক এপিকের নাম ফিদেলের গান।
চে গুয়েভারা সম্পর্কে এ রকম অনেক অজানা তথ্য স্থান পেয়েছে মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলা বইটিতে। রয়েছে চের জীবনসংশ্লিষ্ট বেশকিছু দুর্লভ ছবি। বইটি রচনায় বুলবুল যেসব বই ও ওয়েবসাইটের সহযোগিতা নিয়েছেনÑ একটি গবেষণাগ্রন্থের নিয়মানুযায়ী বইয়ের শেষে উল্লেখ করেছেন সেসবও।
সংগ্রহে রাখা কিংবা কাউকে উপহার দেয়ার মতো বই মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলার দাম ৪০০ টাকা। অনার্য থেকে বইটি বেরিয়েছে গত বইমেলায়।
সেলিম কামাল
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অপরাহ্নের দীর্ঘতর ছায়া by মোসাদ্দেক আহমেদ
আপনার পাশে সিট খালি আছে দেখছি, ভালোই হল গল্পে গল্পে যাওয়া যাবে। এমনটা বলে রশীদ সাহেব ঝপ করে বসে পড়েন; শুধু বসেই পড়েন না, আফরোজা ভাবীর ওপর দেহের একটা অংশের ভার ছেড়ে দেন দিব্যি।
এমন অত্যাচার নতুন নয়, আজ রশীদ সাহেব, কাল হাবিব সাহেব, পরশু সত্যেন বাবুরা এ কাজটা করে যাচ্ছেন নিয়মিতই। আর এখানেই কষ্টটা তার। কেন সে কি পুরুষ সহকর্মীর কাছে মিনিমাম একটা সম্মান আশা করতে পারে না? অবশ্য সব সহকর্মীই যে তেমন, তা নয়; কিন্তু সেসব কলিগরা কদাচ বসে যাত্রাপথে। আবার যেসব নারী কলিগ রয়েছে, তারাও যে যথেষ্ট উদার, তেমনটা বলাতেও ঝুঁকি আছে। তারাও তার দিকে কেমন উপহাসের চোখে তাকায়; এড়িয়েও কম চলে না; ফলে তার পাশের সিটটি খালি থাকে একজন পুরুষ সহকর্মীর জন্য।
আমি বেশ লাকি, প্রায়শ আপনার পাশে বসার সুযোগ মিলে যায়। রশীদ সাহেবের কণ্ঠে বাড়তি উষ্ণতা ঝরে পড়ে।
কিছু একটা বলতে গিয়ে নিজের মধ্যে কুঁকড়ে যায় আফরোজা। ততক্ষণে বাসটি যাত্রা শুরু করেছে শহরের দিকে। চলন্ত বাসের জানালা গলে বাইরের অপস্রিয়মাণ গাছপালা আর খেতখোলার পানে তাকিয়ে থাকে সে। মনের বিরাগ ভাবটি গলার কাছে দলা পাকিয়ে তাকে জ্বালায়। রশীদ সাহেবদের আর দোষ কী! স্বীয় কপাল মন্দ বলেই না স্বামী তার কেবল নিজেই মরল না, তাকেও মেরে গেল। আবার মজা দেখ, তার স্বামীর অপমৃত্যুর বিনিময়ে যে সাধারণ শ্রেণীর চাকরিটা ভার্সিটি কর্তৃপক্ষ দয়াপরবশ হয়ে তাকে দিল, সেটাও প্রতিনিয়ত তার ধৈর্য পরীক্ষা নিচ্ছে। ফলে স্বামীর মৃত্যুশোক দানা বাঁধল না আজতক; এমনকি প্রতিবার স্বামীর মৃত্যুবার্ষিকী এগিয়ে এলে সেই ফাটল প্রশস্ততর হয়। যে অপবাদ স্বামী তার ছড়িয়ে গেছে কলিগদের মধ্যে, সেটাই এখন গলার কাঁটা, রক্তাক্ত করে চলেছে অহরহ। না, রশীদ সাহেব আজ বড্ড বাড়াবাড়ি করছে বলে মনে হয়; অনেকটাই হেলে পড়ে কোণঠাসা করে ফেলেছে যেন।
আহা ভাবি, আপনি এতটা জড়সড় হচ্ছেন কেন? জানেনই তো, আমি আপনার স্বামীর ভালো বন্ধু ছিলাম; অ্যাকাউন্টস সেকশনে বসতাম পাশাপাশি। ভাবি, বি ফ্রাংক।
শক্ত ধরনের একটা জবাব মুখে এসেও আটকে যায়, নিরুত্তাপ গলায় আফরোজা বলে, প্লিজ, একটু সোজা হয়ে বসেন। সিটগুলো এমনিতে চাপা।
হে হে, ঠিক বলেছেন, সিটগুলো সত্যিই চাপা। কী আর করা, যা হোক, ভাবছি সামনের মিটিংয়ে ভিসি স্যারের কাছে আরামদায়ক বাসের দাবি তুলব। জানেন তো, ভার্সিটির রাজনীতিতে আমি বেশ প্রভাবশালী। রশীদ সাহেবের গলায় বিরক্তিকর ঝাঁজ স্পষ্ট; প্রচ্ছন্ন হুমকিও থাকতে পারে শেষের বাক্যে।
নিজের মধ্যে গুটিয়ে যায় ফের; এমনিতে একজন নারীর জন্য চারপাশ একটা চ্যালেঞ্জ, এটা বহুগুণ কঠিন হয়ে ওঠে যখন সে জড়িয়ে যায় এমন কোনো অপবাদে যার উদ্গাতা স্বয়ং তার স্বামী। মেয়েলি বদনাম এমনিতে বাতাসের আগে ছোটে, কেননা মানুষ সেখানে প্রভূত মজা লোটার সুযোগ পায়, পরিস্থিতি যখন এমত, সেখানে পতি বাহাদুর যদি নিজেই নামে প্রচারকের ভূমিকায়, তাহলে তো কথাই নেই, লোকজনের মনোরঞ্জনের ষোলোকলা পূর্ণ হয়। মানুষজনের আর দায় কোথায় বিষয়টি খতিয়ে দেখার, তলিয়ে দেখতে তাদের বয়েই গেছে।
বাসটা একটা বাজার পার হচ্ছিল, আজ কলা বেচার হাট রাস্তায় ওপর বসায় চলার গতি রুদ্ধ হতে হতে বাসটা দাঁড়িয়ে পড়ে শেষমেশ। কলার আমদানি বেশি থাকায় অন্য হাটবারের তুলনায় লোকসমাগম বেশি। দুদিকেই ছোটখাটো যানজট, ধীরলয়ে বাস এগুতে থাকলে রশীদ সাহেব অপ্রসন্ন হন, এভাবে হাইওয়েতে হাট বসানো ভারি অন্যায়। নিয়মকানুনের যদি কোনো বালাই থাকে।
কথাটা আফরোজাকে সাক্ষী মেনে বলা, কিন্তু তাতে সাড়া দিতে মন টানে না আফরোজার। বস্তুত তেমন মানসিক অবস্থাও নেই। এক অসম লড়াইয়ের বেদনা লাগামছাড়া হতে গলার কাছে শ্বাসরোধী অনুভূতির সৃষ্টি করে। এক্ষেত্রে যাকে অবলম্বন করে সে ঘুরে দাঁড়াত পারত, সেই লোকটা, তার স্বামী কায়সারই কিনা সবচেয়ে ফাঁসিয়ে গেল তাকে। আÍহত্যা করার বছর দুয়েক আগে থেকেই কায়সার মনোরোগের শিকার হয়, সাংঘাতিক সন্দেহবাতিকে ভুগতে থাকে। যত লোকটা ক্ষয়ে যেতে থাকে তত তীক্ষè হতে থাকে সন্দেহের তীরগুলো, প্রতিটি তীরের অভিমুখই স্ত্রীর দিকে; সরাসরি তার চরিত্র নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকে; এক পরিত্রাণহীন ভয়ংকর পরিস্থিতি সেটা। হয়তো প্রসাধনীর একটা পর্যায়ে সে কোনো পারফিউম ব্যবহার করেছে, ব্যস, আর যাবে কোথায়, হাজারো প্রশ্নবাণে বিদ্ধ হতে হয়েছে, কে দিল বলো তো, ঘ্রাণটা বেশ সেক্সি মনে হচ্ছে। না, না, কী বল, এটা তো তোমাকে ব্যবহার করতে আগে দেখিনি। বেশ তোফা আছ দেখছি। শুধু কি তাই, এসব সংশয়ের কথা ঢাকে কাঠি মেরে কলিগদের মধ্যে বলে বেড়াত। ফলে সেটাই হয়ে দাঁড়ায় অনিষ্টের গোড়া। স্বামীর কণ্ঠে স্ত্রীর কলঙ্কের প্রচারণা সব সময় এমন এক অমোচনীয় শক্ত ভিত্তি পায় যে, তখন তা শুধু মুখরোচকই হয় না, অন্যকেও উস্কানি দেয়; বহুভোগ্যা হওয়ার ঝুঁকিকে বৃদ্ধি করে। আর সেটাই হচ্ছে এখন। অবস্থা এমন যে, চাকরিটা কতদিন চালিয়ে যাওয়া যাবে, তাও অনিশ্চিত। কিন্তু মুখ বুজে সবই সহ্য করতে হচ্ছে স্কুলপড়ুয়া মেয়ে সোনালির মলিন মুখখানার দিকে চেয়ে। এই সোনালি ছাড়া জগৎসংসারে তার আর কে আছে বল? কিন্তু মেয়েটার এমনি দুর্ভাগ্য যে, বাপিটা তো গেছেই, এখন মাকেও হারানোর ভয়ে থাকে। এসব একজন কোমলমতী বালিকার জন্য কখনো ভালো ফল বয়ে আনে না। ভাবনার এই জায়গাটি ধসিয়ে দিতে সে ছলছল চোখে হাটের মানুষজন দেখে।
হাটের ভিড় কাটিয়ে বাসটা এবার গতি তুলছে। আফরোজা যতই জানালার দিকে চেপে আসার চেষ্টা করুক, রশীদ সাহেব তত চেপে এসে পিষ্ট করার তালে সচেষ্ট। কেবল রশীদ সাহেবকে একাকী দোষ দিয়ে লাভ কি, যখন যে তার পাশে বসেছে, তখন সেসব সাহেবেরই আসল চেহারা এমনিভাবে প্রকটিত। মুখোশ-আঁটা পুরুষদের দঙ্গলে সবাই যে এমন, তা অবশ্য নয়, তবে তার বেলায় তা সংখ্যায় অল্পই; হৃদয়বান মানুষজন তবে কি সংখ্যালঘুই হয় কে জানে। চিন্তাস্রোতটি পরিণতি পাওয়ার আগেই এক কাণ্ড ঘটে। দ্রুতগতিসম্পন্ন বাসটা আচমকা সজোরে ব্রেক কষতে আফরোজা ঝুঁকে পড়ে ধাক্কা খায় সামনের সিটে। বাসের এই হার্ডব্রেকটি বুঝি রশীদ সাহেবদের অ্যাডোলেসেন্ট পরিতৃপ্তির উপায় হয়ে আসে; মুহূর্তকালের ঘটনা, বাসটাও সামলে নিয়ে হাইওয়ে ধরে ছুটে চলেছে, যাত্রীসবও ধকল কাটিয়ে উঠেছে, কিন্তু সেই ক্ষণকালের মধ্যেই তার গায়ের ওপর লুটিয়ে পড়ে রশীদ সাহেব, যা করল তা কহতব্য নয়; ডাকাতিয়া হাতে তছনছ করে দিয়েছে তার মেয়েলি ভরাট বুক। কিন্তু তা এতটা ত্বরিত, এমন সূচারুভাবে সম্পাদিত যে, আকস্মিক ব্রেকটাকে ঢাল হিসেবে দাঁড় করাতে বেগ পেতে হয় না রশীদ সাহেবের, এভাবে কেউ বাস চালায় বলেন, আর একটু হলেই তো সোজা খাদে নেমে যেত গাড়ি। জব্বর বেঁচে গেছি। কিছু মনে করবেন না, আমি তো প্রায় ব্যালান্স হারিয়ে ফেলেছিলাম, ভাগ্যিস আপনি পাশে ছিলেন। হে হে।
চরম বিতৃষ্ণা ও বিবমিষায় আফরোজার গা ঘিনঘিন করে উঠল। আচ্ছা এরা এমন কেন, এরা কি রগরগে সেক্সচিন্তায় সর্বক্ষণ হাবুডুবু খায়? কিন্তু তেমন সেক্সচিচিন্তায় যে স্নিগ্ধতার লেশমাত্র থাকে না, বিধ্বংসী অঙ্গার ছাড়া যে ওতে কিছু নেই- তা কি তারা আমলে নেবে না কখনো? মন ও দেহ দুটো পাশাপাশি স্নিগ্ধ জলধারার মতো, সমান্তরাল জলধারাযুগল চলে চলে যখন কাছাকাছি আসে, তখনই কেবল তাতে আলোর ফুলকি উঠতে পারে; আফসোস এরা যদি তা জানত! সে নিজেও কি সব জানত, সাহিত্যের পাঠাভ্যাস বজায় থাকলেই তা জানা যায়। বিবমিষার তিতকুটো অস্বস্তি সঙ্গে নিয়েই বাড়ি ফিরে মেয়ে সোনালির খোঁজ করে সে। ডাকাডাকির পর সোনালি তার ঘর থেকে বিষণ্নতার প্রতিমূর্তি হয়ে সামনে এসে দাঁড়ালে বিচলিত হয় আফরোজা, কিরে মা, দুপুরে খেয়েছিস? মুখ তবে এত ম্লান কেন?
দুই রুমের একটা ছোট্ট বাসায় তারা ভাড়া থাকে; মেয়ের স্কুলের কাছে বলে বাসাটা এখানে নেওয়া। সকালে মেয়েকে স্কুলে পৌঁছে দিলেও বেলা একটা নাগাদ মেয়ে একাই বাসায় ফেরে। পড়াশোনার যত চাপ থাক, অফিসফেরতা মা কাছে এসে দাঁড়ালে মেয়ের মুখে হাসি ঝলমল করবেই। তবে ব্যতিক্রম শেষের একমাস; এখন সে অনেক কিছুই আঁচ করতে শিখেছে। বাপি তার অন্যায্য কলঙ্ক তার মায়ের কাঁধে চাপিয়ে দিয়ে নিজে তো বিদায় নিলোই, এখন তার মাও পড়েছে আচ্ছা ফাঁপরে; বালিকামনের অনুভূতি দিয়ে সে হয়তো মেলা কিছুই কল্পনা করে নেয়। আর ঠিক এখানেই আফরোজার ভয়। এসব তো চপলমতি মনের জন্য মারাত্মকই বটে। আরও একটা শঙ্কা বুকের গহিনে কাজ করছে ইদানীং। এভাবে চলে চলে সোনালি যদি দ্বন্দ্বমুখর হয়ে পড়ে, তখন তো মনোবিকলনের শিকার হয়ে পড়বে। আর সেটা অসম্ভব নয়; এটা মেয়ের রক্তে আছে, বাবার অসুখ মেয়ে পেতে পারে সহজেই। তখন? ভাবতেই শিউরে ওঠে। আশঙ্কা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে; আজ অফিসে যাওয়ার সময় মোবাইলটা ফেলে রেখে গিয়েছিল ভুলে। মোবাইলে প্রতিনিয়ত অশ্লীল অসভ্য সব মেসেজ আসতে থাকে; অনেক সময় ডিলিট করেও কূল পাওয়া যায় না। তেমন কিছু আপত্তিকর মেসেজ পড়ে ফেলেনি তো মেয়েটা?
একছুটে ঘরে এসে দেখল মোবাইলের স্থান পরিবর্তিত হয়েছে; তাহলে পরের দুর্ভাবনাই সত্য হতে চলেছে। অবেলায় স্বামীকে হারিয়েছে সে, এখন পেটের একমাত্র সন্তানকে যদি হারাতে হয় দ্বিতীয় দফা মনোবৈকল্যের মধ্য দিয়ে, তবে সে কী নিয়ে বাঁচবে! ভয়ে ভয়ে মুখ ঘুরিয়ে মেয়ের পানে তাকায় আফরোজা; ধক করে ওঠে পাঁজরের মাঝখানে। মেয়ের কচি মুখে যে সেই অশুভ কালো ছায়াই পড়েছে, যা শুরুর দিকে তার স্বামীর মুখমণ্ডলে পড়েছিল! পূর্বঅভিজ্ঞাবলে জানে, ওই মিশকালো ছায়াই পরে অপরাহ্নের দীর্ঘতর ছায়াকে টেক্কা দেয়, অমাবস্যার ঘনঘোর আঁধারে রূপান্তরিত হয়। মনের ওই অদৃশ্য কালো দাগ যারপরনাই সর্বনাশা; ধ্বংসযজ্ঞে তা দুকূলপ্লাবী বান-ডাকা নদীকেও ছাড়িয়ে যায়, অন্তস্তলের সব আলোক শুঁষে নিয়ে ছিবড়ে বানিয়ে ফেলতে অব্যর্থ। হতভম্ভ আফরোজা টলমলো পায়ে উঠে এসে মেয়েকে জাঁপটে ধরে বুকে টেনে নেয়, মেয়ের ঘনায়মান কৃষ্ণকালো গহ্বরকে মুছে দিতে চায় মাতৃøেহের ওমে; কিন্তু মায়ের নিরাপদ উষ্ণ কোলে আশ্রয়লাভের পরও তেমন আশ্বাসের আভাস ফুটে ওঠে না; ফিনফিনে বাঁশপাতার মতো কাঁপতে থাকে একরত্তি মেয়েটা!
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিষ্ণু দের কবিতায় মার্কসবাদ by বীরেন মুখার্জী
বিষ্ণু দের স্বদেশপ্রেম একদিকে ঐতিহ্যবাহী অন্যদিকে ঔপনিবেশিকতার বিরুদ্ধে সংগ্রামী। যা একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক চেতনার সঙ্গে আদর্শিক ভিত্তিতে জনগণতন্ত্রবাদী। তিনি ইতিহাসচেতনার পথে বিশ্বযুদ্ধ, সাম্রাজ্যবাদী শক্তির কূটকৌশল, ঔপনিবেশিক শাসন ও বৈশ্ব্যতান্ত্রিক দোদুল্যমান ভারতীয় মধ্যবিত্তের ভূমিকাবিষয়ক বোধ ও অভিজ্ঞতার আলোকে সমাজতান্ত্রিক আদর্শে স্থিত হয়েছেন। ফলে তিনি কবিতায় তুলে ধরতে সচেষ্ট থেকেছেন ফ্যাসিস্ট শক্তির নিষ্ঠুর আগ্রাসনের বিরুদ্ধে শান্তিবাদী মানুষের প্রবল প্রতিবাদ। শ্রেণীশোষণ ও ঔপনিবেশিক দাসত্ব থেকে মুক্তির উপায় আশা করেছেন। ৭ নভেম্বর কবিতায় তিনি উচ্চারণ করেন-
সেই তিক্ত বঞ্চনার, বাণিজ্যলক্ষ্মীর রক্তাতুর
সাম্রাজ্যের অভিসার ধূলিস্মাৎ প্রাণের বিপ্লবে।
স্বাধিকারে মুক্তি আজ, ন্যায়যুক্তি-প্রতিষ্ঠ জীবন।
নাগরিক বৈদগ্ধের বিপরীতে তিনি এঁকেছেন সুস্থ জীবনের ছবি। তার প্রগতিচেতনার মূলে বিকশিত হয় সাধারণ মানুষের জয়গান ও সমাজচেতনার নিবিড় ধারাপাত যা সন্দীপের চর কবিতায় প্রাণস্রোতস্বিনী নদীর প্রতীকে উপস্থাপন করেন। তিনি কবিতার খাল কেটে দেশ-বিদেশের জলস্রোতের মিশ্রণে মানবমৈত্রীর বোধ রচনা করেন। সাম্যের সংগীত সত্য করতে গিয়ে কট্টর মার্কসবাদীদের সঙ্গে আদর্শিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়লেও তিনি শ্রেণীচেতনার আদর্শ থেকে বিচ্যুত হননি। বৈকালিক কবিতায় তিনি বলেন- ফিরে যাই সাথে লয়ে মৃত্যুহীন প্রাণ/ দূর থেকে ভেসে আসে ভাঙাসুরে বেকসুর গান/ তবু চলে বুঝি বীর নয়, শুধু/ লাখো কৃষাণ/ ধূসর আকাশে দুর্মর শিরে/ ওড়ে নিশান।.../ বহু বঞ্চনা বহু অনাচারে/ অমর প্রাণ/ বীরদল চলে হাজারো মজুর/ লাখো কৃষাণ।
তার কবিতায় স্তবক পরম্পরায় আপাত-সম্পর্কহীন বিন্যাস ও বিমূর্ততা আধুনিক কবিতার এক অনিবার্য শিল্পফসল হিসেবে চিহ্নিত। তার প্রথম দিকের কবিতা সন্দীপের চর এবং উর্বশী ও আর্টেমিস গ্রন্থের কবিতায় ফরাসি প্রতীকবাদ আশ্রিত প্রবণতা বিশেষভাবে লক্ষণীয়। যা টিএস এলিয়টের কবিতার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত। ইংরেজি সাহিত্যের সঙ্গে ফরাসি প্রতীকবাদের সম্পর্কের যোগসূত্র স্থাপন করেছিলেন আর্থার সায়মন্স। দ্য সিম্বলিস্ট মুভমেন্ট ইন লিটারেচার গ্রন্থে সায়মন্স মালার্মে প্রচলিত শব্দের কাম্য বিকল্প এবং মূল অর্থ থেকে দূরে সরে যাওয়া শব্দরাশির উপর্যুপরি বিন্যাস-এর কথা বলেন। কবিতার প্রতিপাদ্য ও অর্থ খুঁজতে থাকা পাঠকের হতবুদ্ধি হয়ে পড়ার কারণ হিসেবে তিনি এ দুটি প্রবণতার উল্লেখ করেন। বিষ্ণু দের উর্বশী ও আর্টেমিস-এ পরম্পরাহীন স্তবক বিন্যাস যে মালার্মে এবং এলিয়টের পঙ্ক্তি বিন্যাস প্রভাবিত এ কথা বলা অসঙ্গত হয় না। তবে মার্কসীয় দর্শন গ্রহণের পর তিনি ধীরে ধীরে স্বাদেশিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে কাব্যসৌধ নির্মাণ করেন। কবি বিষ্ণু দের কাব্যাদর্শ থেকে বামপন্থী রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা গভীর প্রেরণা ও সমর্থন লাভ করেছেন বলেও ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়।
বিদেশী সাহিত্যের বিপুল পাঠে বিষ্ণু দের মানসলোক পরিশীলিত। ফলে এলিয়ট ও এজরা পাউন্ডের কাব্যচিত্রকল্প ও বাক্যবিন্যাসের সংহতিও তার কাব্যজগতে ব্যাপক প্রভাবসঞ্চারী। কবিতায় তার দর্শন এবং শব্দ ব্যবহারে এক ধরনের ঋজুতা ও দৃঢ়তা দীক্ষিত পাঠককে টানে। জীবনানন্দ দাশ পাঠকের মননকে ধূসর রহস্যের জগতে নিয়ে যান, নৈরাশ্যবাদী করে তোলেন, কিন্তু বিষ্ণু দে তেমনটি নন। বিষ্ণু দের কাব্যভাষার প্রধান বৈশিষ্ট্য হল তার নিজস্ব যুক্তিবাদী দর্শন ও সামাজিক কল্যাণবোধ। একজন কবিও যে চিন্তার সুস্পষ্টতা, স্বচ্ছতা ও যুক্তিবাদী দর্শনের মাধ্যমে কবিতায় অতলস্পর্শী সাফল্য অর্জন করতে পারেন, বিষ্ণু দে তার উজ্জ্বল উদাহরণ। যে কারণে তার কবিতায় ব্যবহৃত শব্দসমবায়ে এক ধরনের সৌম রুচির সন্ধান মেলে। কট্টর মার্কসবাদী সংস্কৃতি অঙ্গনের কেউ কেউ এলিয়টকে অবক্ষয় ও প্রতিক্রিয়াশীল কবি হিসেবে চিহ্নিত করলেও বিষ্ণু দের অভিমত ছিল এর বিপরীতে। তিনি এলিয়টকে আধুনিক সাহিত্যের মহৎ কবি মনে করতেন। মনে করতেন বাস্তব জীবনের রূপকার এবং বস্তুবাদী চৈতন্যের ধারক। বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে ব্যাপক ও প্রচ্ছন্ন সহমর্মিতা এবং এ প্রভাবের সদর্থক দিকের পাশাপাশি বিষ্ণু দের কবিতায় জটিলতার দিকটিও লক্ষ্যণীয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ভারতের আর্থ-সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিত বিবেচনায় বিষ্ণু দের মননেও গভীর রেখাপাত করে। সামাজিক দায়বদ্ধতায় উদ্বুদ্ধ কবি ব্যক্তিবাদী সীমাবদ্ধতার দেয়াল ভেঙে সমষ্টিচেতনায় উঠে আসেন। সাধারণ মানুষের কাতারে উত্তরণ ঘটে কবিচিন্তার। কবিতায় সগর্বে উঠে আসে গণজাগরণের কাব্যকথা। সাম্প্রদায়িকতা প্রতিরোধের মানবিক আবেদন এবং বলিষ্ঠ ভাষ্যে প্রকাশ পায় শ্রেণীসংগ্রামের নির্দেশনা। তার শ্রেণীচেতন মানসিকতার সফল রূপায়ণ মৌভোগ কবিতায় তিনি ভাগচাষীদের যন্ত্রণা তুলে ধরেছেন যা পরে তেভাগা আন্দোলনে প্রেরণা জোগায়। কবিতায় লালকমল-নীলকমলের মাধ্যমে তিনি অসাম্প্রদায়িক মনোবৃত্তি এবং হিন্দু-মুসলমান ঐক্যের সংগ্রামী চেতনা তুলে ধরেন-
জন্মে তাদের কৃষাণ শুনি কাস্তে বানায় ইস্পাতে
কৃষাণের বউ পঁইছে বাজু বানায়।
যাত্রা তাদের কঠিন পঠে রাখীবাঁদা কিশোর হাতে
রাক্ষসেরা বৃথাইরে নখ শানায়।...
এদিকে ওড়ে লালকমলের নীলকমলের হাতে
ভায়ের মিলে প্রাণের লালনিশান।
তাদের কথা হাওয়ায়, কৃষাণ কাস্তে বানায় ইস্পাতে
কামারশালে মজুর ধরে গান।
কবিতাটিতে তিনি অন্ত্যজ শ্রেণীর কৃষকের কাস্তেকে পুঁজিবাদের শাণিত তরবারির সঙ্গে তুলনা করেছেন। এছাড়া শেষ স্তবকটি অসাম্প্র্রদায়িক চেতনা বিকাশের পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধের রূপকল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছেন। যে কারণে কৃষক-শ্রমিক আন্দোলনের অনুষঙ্গে কবিতাটি হয়ে উঠেছে শ্রেণীসংগ্রামের প্রতীকীকাব্য। আবার হাসনাবাদেই শীর্ষক কবিতায়ও সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা প্রতিরোধ-আন্দোলনের ছবি ফুটে ওঠে। লালকমলের হাতে নীলকমলের রাখী বেঁধে অতন্দ্র রাম ও রহিম পঙ্ক্তির মাধ্যমে তিনি অসাম্প্রদায়িক চেতনায় ঐক্যবদ্ধ হওয়ার অনুপ্রেরণা দেন। তার স্বদেশচিন্তা মার্কসবাদী চেতনার দর্পণে বিম্বিত হওয়ার কারণে তিনি সফল হয়ে ওঠেন।
কার পদধ্বনি আসে? কার?/ একি মখ যুগান্তর! নব অবতার।/ এ যে দস্যুদল! / হে ভদ্রা আমার!/ লুব্ধ যাযাবর! নির্ভীক আশ্বাসে আসে ঐশ্বর্য-লুণ্ঠনে,/ দ্বারকার অঙ্গনে অঙ্গনে/ চায় তারা রঙ্গিলাকে প্রিয়া ও জননী/ প্রাণৈশ্বর্যে ধনী,/ চায় তারা ফসলের ক্ষেত, দীঘি ও খামার/ চায় সোনা-জ্বালা খনি। চায় স্থিতি অবসর!... চোখে আজ কুরুক্ষেত্র, কানে তার মত্ত পদধ্বনি,/ ক্ষমা কোরো অতিক্রান্ত জীর্ণ অসুয়ারে।/ ব্যর্থ ধনঞ্জয় আজ, হে ভদ্রা আমার!/ হে সঞ্চয়, ব্যর্থ আজ গাণ্ডীব অক্ষয়॥ (পদধ্বনি/ পূর্বলেখ)
সমালোচক দীপ্তি ত্রিপাঠির মতে- পদধ্বনিতে বিষ্ণু দে অর্জুনের প্রতীকে আসন্ন বিপ্লবের সম্মুখীন বুর্জোয়ার ক্লৈব্যের ছবি এঁকেছেন। পদধ্বনি এখানে তাই শোষিত সমষ্টির সামাজিক বিপ্লবেরই পদধ্বনি। পরিশেষে একথা বলা অসঙ্গত হয় না যে, বিষ্ণু দে দীক্ষিত কবি যেমন স্বাদেশিকতায় তেমনি আন্তর্জাতিকতায়। বিষয়ের ব্যাপকতায়, নানা ভাষ্যে এবং একাধিক প্রতীকে। তার কবিতায় মানবিক প্রাণের স্পন্দন প্রভাবসঞ্চারী পাশাপাশি দেশজাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষ মানুষের জয়গানে একাত্ম। মার্কসীয় দর্শনে প্রভাবিত হলেও তিনি বিশ্বাস করতেন সবার ওপরে মানুষ সত্য। যে কারণে ঈশভাবনাও তার কবিতার মর্মমূলে সঘন। জীবনকে সত্য করে তুলতে তার যাত্রা অবিশ্রাম ভাঙনের সাগর সঙ্গমে। তবে ভাষাগত সারল্য সংকটে তার কাব্যপ্রাসাদ সাধারণ পাঠকে ব্যাপক সমাদৃত নয়। কিন্তু মনোযোগী ও নির্বিচারী পাঠক কবি চৈতন্যের মেলবন্ধনে আমার ভাবনা বাঁচে জীবন মৃত্যুতে দুইতটে বলীয়ান হয়ে সংগ্রামী আহ্বানে পড়ে থাক এ আÍঘাতীর অনাদ্যন্ত খেয়োখেয়ি.../ চলো যাই জীবনের তরঙ্গমুখর সমুদ্র সৈকতে পৌঁছে যান অনায়াসে।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্রিমিয়া নিয়ে ভোট ও ‘আমাদের মাথাব্যথা’ by হাসান ফেরদৌস
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হ্রস্ব-দীর্ঘ স্বর ও ভাষার বাধ্যবাধকতা by আখতার হোসেন খান
উমর আনন্দবাজারের বানান রীতির কথা তুলেছেন। আরও তুলেছেন একাডেমী বানানটিকে একাডেমিতে রূপান্তরের সাম্প্র্রতিক সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ। আনন্দবাজার পত্রিকা ও তার প্রকাশালয় বাংলা ভাষার আধুনিকায়নে ও ভারত প্রজাতন্ত্রের মতো একটা অসুবিধাজনক (ডিফিকাল্ট) দেশে বাংলা ভাষাভিত্তিক সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখতে যুগের পরে যুগ ধরে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে ও রেখে যাচ্ছে, এতে কোনো সন্দেহ নেই; কিন্তু ওই পত্রিকাভিত্তিক বানান-রীতিকে হুবহু অনুসরণ করতে গেলে সুবিধা-অসুবিধা তথা লাভ-লোকসান অবশ্যই হিসাবে আনতে হবে। এর কিছু রীতি উৎকটভাবে লোমহর্ষক : যেমন চীনকে চিন লেখা, যার কথা উমর উল্লেখ করেছেন; আমার প্রজন্মের গবেষক, লেখক ও শিক্ষাবিদ ভূইয়া ইকবাল বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় কথাটি টেনে আনেন।
উপরে বর্ণিত লাভ-লোকসান কে হিসাব করবেন? নিশ্চয়ই বক্তারা ও লেখকেরা। কিন্তু ভাষার বক্তা ও লেখকরা তো কোনো সরকারি আইনের বা আদালতের আওতাধীন নন। তাছাড়া এমন নয় যে, বাংলা ভাষা শুধু পশ্চিম বঙ্গ বা পূর্ব বাংলা (যার দাফতরিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ)-রই ভাষা। এ ভাষা ভারত প্রজাতন্ত্রের আরও রাজ্যে দাফতরিকভাবেই প্রথম বা দ্বিতীয় ভাষা। সুতরাং শুধু কলকাতা বা ঢাকা থেকে আকাদেমি বা একাডেমির মাধ্যমে বা সরকারি নির্দেশে (বা টিভিতে প্রমিত বানান ও উচ্চারণের প্রোগ্রাম করে, বা বছর দুয়েক আগের আদালতের হুকুমনামায়) ভাষার রীতি বা বানান পরিবর্তন সর্বগ্রাহ্য করা সম্ভব নয়। এর জন্য সময় দিতে হবে; দরকার হলে দশক-দশক বা শতাব্দী ধরে অপেক্ষা করা বাঞ্ছনীয়। শ্রীকৃষ্ণ কীর্তনের বানান রীতি কোনো আকাদেমি বা একাডেমির অনুশাসনে বা কোনো পত্রিকার অনুসৃত রীতিতে পরিবর্তিত হয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাষায় এসে ঠেকেনি; এবং বিশ্বকবির ভাষার বানান-রীতি নিয়েই কি সবাই একমত ছিলেন? সে-নিয়েও তো ছোট আকারে হলেও ভিন্ন মত আর বিতর্ক ছিল।
এরপরও আছে লেখকদের নিজস্ব রীতি বা তরিকা, যাকে আত্মম্ভরিতাও বলা চলে। প্রয়াত নীরদ চৌধুরী সারা জীবন সাধু ভাষায় লিখে গেছেন। ১৯৮৯ সালে অক্সফোর্ডে এক দুর্লভ সাক্ষাতের সুযোগে তাকে এর কারণ জিজ্ঞেস করেছিলাম; তার সোজা উত্তর : অন্য কোনো ভাষায় একই ক্রিয়াপদের একাধিক ফর্ম/রূপকল্প নেই, সুতরাং বাংলায় কেন এ বিশৃংখলা থাকবে। অনেকের পরই চলতি ভাষায় লেখা শুরু করার পর রবীন্দ্রনাথও সাধু ভাষা সম্পর্কে এ জাতীয় বক্তব্য রেখে গিয়েছিলেন : এবং আশা করব, সাধু ভাষা... ঐতিহাসিক কবরস্থানে বিশ্রামলাভ করবে। সেই কবরস্থান তীর্থস্থান হবে, এবং অলংকৃত হবে তার স্মৃতিশিলাপট। এ বাণীর প্রায় অর্ধশতক পরও নীরদ চৌধুরী সাধু ভাষায়ই আরাধণা চালিয়ে যান; এবং যে আনন্দবাজার পত্রিকার কথা বলা হয়েছে তা, ঢাকার দৈনিক ইত্তেফাকসহ, আজও সাধু ভাষায় তার সম্পাদকীয় লিখে থাকে। বুদ্ধদেব বসু... এবং আরও অনেক লেখক... ফেলে-র জায়গায় ফ্যালে লিখতেন; রবীন্দ্রনাথ এ প্রবণতাকে পূর্ববঙ্গীয় রীতি বলে আখ্যায়িত করেছেন। কিন্তু তা-ওতো ভাষায় গৃহীত হয়েছে। আসলে রবীন্দ্রনাথের কথায়ই ফিরতে হবে : ভাষা সব সময়ে যুক্তি মানে না।
কিছুদিন আগে বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান তুষ্ট চিত্তে সবাইকে জানান তার প্রতিষ্ঠানের নাম থেকে দীর্ঘ ঈ-কার বাদ দিয়ে হ্রস্ব ই-কার যুক্ত হয়েছে। অর্থাৎ বাংলা একাডেমী এখন থেকে বাংলা একাডেমি। অনেক বছর আগে থেকেই ভারত প্রজাতন্ত্রে পশ্চিমবঙ্গ বাংলা আকাদেমি নামে আরেকটি সংস্থা কার্যকর আছে। দুনিয়ার কেউ পরিবর্তন ও আধুনিকায়ন থামাতে চাইবে না, বিশেষত তা যদি হয় অগ্রগতির প্রয়োজনে। অবশ্য সে-অগ্রগতিকে হতে হবে দৃশ্যমান, যুক্তিনির্ভর এবং পরিমাপযোগ্য।
শামসুজ্জামান খান একজন নিবেদিত প্রাণ বাংলাভাষাসেবী এবং তার ভাষা-সংক্রান্ত বেশিরভাগ চিন্তার সঙ্গে শুধু পণ্ডিতরাই নন, যে-কোনো সাধারণ বাংলা ভাষা-প্রেমিক একমত হবেন। এর পরও একটা প্রশ্ন এসেই যাবে, আর তা হল এসব পরিবর্তন বিভিন্ন ভাষা-বিশারদ-কেন্দ্র থেকে বিভিন্ন পথে পরিচালিত বাংলা হওয়াতে তা ভাষাকে কতটা অখণ্ড-অবিভাজ্য রাখছে। আর সে-বিবেচনায় একাডেমি বা আকাদেমি, কোনো বানান নিয়েই আহ্লাদে আটখানা হওয়ার কিছু নেই; কেননা প্রথমটি দীর্ঘ ঈ-কার বা হ্রস্ব ই-কার, যা দিয়েই লেখা হোক না কেন, বাংলাভাষীরা শব্দটিকে যেভাবে উচ্চারণ করেন, তার অনেক কাছের। দ্বিতীয়টি, আকাদেমি, নিরর্থক অতিসচেতনতার ফল, যাতে আবার সারাক্ষণ-উচ্চারিত ইটালীকে ইতালি লেখার ভাষা-দর্শন ঢুকে আছে। মূল কথা, কোনো পরিবর্তনই ভাষার অবিভাজ্যতার মূল চিন্তাকে সামনে রেখে করা হয়নি।
যারা বাংলা ভাষাকে ভালোবাসেন, তাদের একটা সাধারণ দাবি এ হতে পারে যে যেখানে যাই হোক, আধুনিকতা বা অন্যকিছু, সবকিছু ছাপিয়ে ভাষার এ অবিভাজ্যতার প্রশ্নটি যেন মাথায় থাকে। বিভক্ত জার্মানির পূর্বাংশে এক ধরনের ভাষাবিদ বোঝাতে চাইতেন যে সমাজতান্ত্রিক শাসনের ফলে দুজার্মানির ভাষায় কিছু মৌলিক পার্থক্য জন্ম নিয়েছে। এটা ছিল রাজনীতি-প্রণোদিত ভাষাচার। ইতিহাসের কলের তলে এখন তা কোথায়? ভৌগলিকভাবে সংযুক্ত একটা ভাষাগোষ্ঠীর ভাষায় শুধু রাজনৈতিক কারণে জোর করে ভিন্ন ভিন্ন কৃত্রিম বৈশিষ্ট্য আমদানিতে গৌরবের কিছু নেই; এবং তার উদ্দেশ্য যে মহৎ নয়, তা সবাই বুঝতে পারেন। মার্কিন দেশের ইংরেজি বানানের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের ভাষার কিছু শব্দের বানানের একটা ফারাক তৈরি হয়ে গেছে; কিন্তু, তার পরও কেউ বলবেন না যে নতুন ভাষা তৈরি হচ্ছে। তাছাড়া সেখানে তো আছে মহাসমুদ্রের ভৌগলিক ব্যবধান।
সুতরাং, বর্তমানে কিছু স্ত্রীপ্রত্যয় ছাড়া অতৎসম শব্দে সর্বত্র ই (হ্রস্ব ই) প্রত্যয়ের ব্যবহার চালু হয়েছে, এ দাবি করা সহজ বটে, কিন্তু তাতে ভাষার দীর্ঘস্থায়ী কী উপকার হচ্ছে, তা বোঝা শক্তই শুধু নয়, প্রমাণ করাও কঠিন। যদি বৈচিত্র্যই সভ্যতা-সংস্কৃতির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হয়ে থাকে, তবে তো একাধিক বানান-পদ্ধতির মধ্যে ক্ষতিকর কিছু না থাকারই কথা। আর অতৎসম শব্দের শেষে কোথাও দীর্ঘ ঈ-স্বরের উচ্চারণ নেই, তাই বা কীভাবে দৃঢ় প্রতিষ্ঠ বা প্রমাণিত হল। যদি থাকে, এবং অবশ্যই আছে, কেন একভাবে লিখে আরেকভাবে উচ্চারণ করা হবে? একটা ভাষার বৈশিষ্ট্য ও ঐশ্বর্য একাধিক সম্ভাব্য রীতিতে কমে না, বরং বাড়ে।
একইভাবে, অভিন্ন উচ্চারণের পরও শ, ষ আর স কে তো আমরা ছাড়তে পারিনি। বাংলার মতো একই ব্রাহ্মী লিপি থেকে জন্ম হলেও এবং উচ্চারণে মূর্ধ্য বর্ণ আর দন্ত বর্ণের প্রভেদ চলে যাওয়ার পরেও তো থাইরা তাদের ভাষায় ট-বর্গ ও ত-বর্গ অব্যাহত রেখে ৪৪টি ব্যঞ্জন বর্ণ আর ১৫টি স্বরবর্ণ দিয়ে কাজ চালাচ্ছে।
অনেক বিজ্ঞ ভাষাবিদ কি ও কী নিয়ে বিব্রত এবং বিক্ষুব্ধ। কিন্তু ভাষার সাধারণ কথক ও পাঠক হিসেবে বলতে পারি, এ দুটি বর্ণবন্ধ শুধু যে দুধরনের অর্থ দ্যোতক তাই নয়, বাংলা ভাষার সূক্ষ্মতা ও পরিশীলতার অকাট্য প্রমাণ। এসব প্রমাণ ঝেড়ে ফেলে দিলে কী-লাভ হবে, তা বোঝা শক্ত। এতে হয়তো এক ধরনের কুচকাওয়াজসুলভ শৃংখলা আসবে, কিন্তু ভাষার মর্যাদাবৃদ্ধি কি আসলেই হবে? আর ভাষার কী ওই ধরনের শৃংখলার প্রয়োজন আছে।
সম্প্রতি অন্যত্র প্রকাশিত এক সুন্দর লেখায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বিশ্বজিৎ ঘোষ বাংলা ভাষায় গোটা পাঁচেক প্রয়োগ-অপপ্রয়োগের দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছেন। তার সবগুলো যুক্তির সঙ্গে একমত হয়েও আমি বলব, যেখানে বিরাম চিহ্নের বদলে অনুস্বর আসেনি, এসেছে সংক্ষিপ্তকরণের জন্য, তা থাকুক না বাংলা ভাষার একটা বৈশিষ্ট্য হয়েই, এ-বৈশিষ্ট্য তো ভাষার সম্পদ হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে। অনেকের কাছেই তাকে গ্রাম্য বা কৃষিজ (এগ্রিকালচারাল) মনে হতে পারে, কিন্তু এটাওতো ভাষার একটা অর্জন হিসেবে থাকতে পারে। আমার ছোট বেলায় ফরিদপুরে আমার শহুরে সরকারি চাকরিজীবী মাতামহের চিঠিতে হাওলাদারের জায়গায় হাং এবং বারবারের স্থানে বার২ লেখা দেখে বিস্মিত হতাম। নিকট অতীতে সচিবালয়ের নথিতেও তা দেখেছি। কিন্তু এখন তো আমার মনে হয়, এসব প্রয়োগ বাংলা ভাষার ঔদার্য ও বৃহত্তরকেই প্রমাণ করে; এবং তাই ভাষার এ সম্পদগুলোকে আমাদের রক্ষা করা উচিত। মালয় ভাষায় কোনো শব্দের বহুবচন লিখতে হলে শব্দটিকে দুবার লিখতে হয়; যেমন সুকান অর্থ ক্রীড়া; আর বহুবচনে তা হয়ে যায় সুকান সুকান : কী অসুবিধা এতে? শুনেছি চীনা ভাষায় বহুবচন নেই, অতীত-বর্তমান-ভবিষ্যৎকাল নেই। কিন্তু তার পরেওতো দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি লোক ওই ভাষাতেই কথা বলেন; এবং তারা এক মহান সাহিত্যের ধারক।
একই পত্রিকায় বেগম জাহান আরার আরেকটি সুপাঠ্য লেখাতেও হ্রস্ব ই ও দীর্ঘ ঈ-র প্রসঙ্গ এসেছে। মনে হচ্ছে, তিনিও ঢালাওভাবে হ্রস্ব-ই-রই সমর্থক। কেন সব অতৎসম শব্দে দীর্ঘ ঈ-র জায়গায়ও হ্রস্ব-ই লিখতে হবে, তা বুঝতে আমি অক্ষম। আমার ভাষাজ্ঞানের অভাবকে এজন্য দায়ী করা সহজ। কিন্তু অতৎসম শব্দের উচ্চারণে ক্ষেত্রমতো এত সব বিধিকরণের পরেওতো দীর্ঘ-ঈ স্বর থেকেই যাবে, আমরা যাই লিখি না কেন। এদের তো এ ভাষা তাড়াতে পারবে না, তা শতটি একাডেমির বিধি হোক বা না হোক। লীগ, আওয়ামী, ইসলামী ইত্যাদি শব্দ তাহলে কোথায় যাবে? শ্রেণী-কে শ্রেণি লিখে এক ধরনের আÍতুষ্টি পাওয়া যেতে পারে, কিন্তু কী তাতে কী বিজয় মিলবে?
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের সংবিধানের বাংলা ভাষ্যে বাঙালী, স্পীকার, ডেপুটি স্পীকার, সুপ্রীম কোর্ট, আপীল বিভাগ, ইংরাজী ইত্যাদি দীর্ঘ-ঈ বানানের শব্দ রয়েছে। আমি জানি না, সাম্প্রতিককালের সংশোধনীতে সে-সব পালটেছে কিনা। না পালটালে বেশ কিছু অতৎসম শব্দে পরিত্যাজ্য দীর্ঘ-ঈ নিয়েই বসবাস করতে হবে। ভাষার ব্যাপারে যেহেতু বাধ্যবাধকতা নেই, তাই ক্ষেত্রমতো একাধিক বানান-পদ্ধতির সহাবস্থান ভাষার খুব ক্ষতি সাধন করবে না; বরং এর মাধুর্য বাড়াতেও পারে; এবং সাধু ভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথের ভবিষ্যৎ বাণীর পরও তা এখনও বেঁচে-বর্তে আছে : কবি ও ঔপন্যাসিকরা সম্ভবত এসবে উপকৃতই হবেন।
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি ও ইসির ওপর প্রভাব by আলী রীয়াজ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানের সামনে আরও কঠিন সময় by ব্রহ্মা চেলানি
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছাত্রলীগের আরও একটি খুন- খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করুন
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কত কী দেখলাম! by আনিসুল হক
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিসরে ৫২৯ জনের ফাঁসি কার্যকর করা কি সম্ভব?- সিএনএনের বিশ্লেষণ
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কি গ্রহণযোগ্যতা পাবে? by ফাতেমা আবেদীন
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুবে মুখ ফেরাচ্ছেন পুতিন by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিন-লুদমিলা বিচ্ছেদ
![]() |
| প্রেসিডেন্ট পুতিন ও তাঁর সাবেক স্ত্রী লুদমিলা |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মমতার সমর্থন পাচ্ছে বিজেপি?
![]() |
| মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রায়বেরিলিতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সোনিয়া
![]() |
| উত্তর প্রদেশ রাজ্যের রায়বেরিলিতে গতকাল মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার আগে সমর্থকদের ফুলেল অভিনন্দন গ্রহণ করছেন ক্ষমতাসীন দল কংগ্রেসের প্রধান সোনিয়া গান্ধী, ছবি: এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নতুন মন্ত্রিসভায় ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের সাবেক সঙ্গিনী
![]() |
| সেগোলেন রয়াল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইতিহাস নিয়ে কংগ্রেসের লুকাছাপা
ইংরেজি থেকে অনূদিত
কুলদীপ নায়ার: ভারতের সাংবাদিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কী পেল আওয়ামী লীগ?
সেনাশাসনের আমলে জেনারেল এরশাদের হাতে উপজেলা ব্যবস্থার উৎপত্তি। উদ্দেশ্য হিসেবে প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের কথা বলা হলেও অনেকেই এর মধ্যে সেনাশাসকের ক্ষমতা সংহত করার অসদুদ্দেশ্য দেখতে পেয়েছিলেন। উপজেলা ব্যবস্থার মধ্যে পাকিস্তান আমলে জেনারেল আইয়ুব খানের তৈরি করা বনিয়াদি গণতন্ত্রের ছায়া দেখতে পাওয়ার জন্য খুব কষ্ট করতে হয়নি। তাই সে সময় অনেকেই একে ‘উপজ্বালা’ বলেও বর্ণনা করেছিলেন। সামরিক শাসনের বিরোধীরা এই ব্যবস্থার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন এবং আন্দোলনের সময় এর বিলোপের যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে খালেদা জিয়া তা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করেন। কিন্তু একটি নির্বাচিত প্রশাসনিক কাঠামো, ইতিমধ্যে যার দুই দফা নির্বাচন হয়েছে এবং যেখানে দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে পরিবর্তনের হাওয়া বইতে শুরু করেছে, সেখানে এই কাঠামোর একটা উপযোগিতা তৈরি হয়ে গিয়েছিল। এই ব্যবস্থার বিলোপের সময় তা যে ভাবা হয়নি, তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো, এর কোনো বিকল্প কাঠামো বিএনপি প্রতিষ্ঠা করেনি। পালাক্রমে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ক্ষমতায় এলেও প্রশাসন বিকেন্দ্রীকরণের কোনো উদ্যোগই নেওয়া হয়নি। ক্ষমতার এককেন্দ্রীকরণের ব্যাপারে যাঁদের আগ্রহ বেশি, তাঁদের হাতে উপজেলাই বলি, কি অন্য স্থানীয় প্রতিষ্ঠানই বলি, তার বিকাশ সম্ভব নয়।
ফলে শেষ পর্যন্ত অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাত ধরেই উপজেলার প্রত্যাবর্তন ঘটে ২০০৮ সালে। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আগ্রহ ছিল জাতীয় নির্বাচনের আগেই উপজেলা পরিষদের নির্বাচন। যে আশঙ্কায় প্রতিষ্ঠালগ্নে রাজনীতিবিদেরা এই ব্যবস্থার বিরোধিতা করেছিলেন, একই যুক্তিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে উপজেলার নির্বাচনে তাঁদের সায় ছিল না। এই টানাপোড়েনে শেষাবধি রাজনীতিবিদেরা জয়ী হয়েছিলেন। ২০০৯ সালের গোড়াতে, জাতীয় নির্বাচনের অব্যবহিত পরই, তৃতীয় উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। জাতীয় নির্বাচনে আশাতীত ভোটারের উপস্থিতি ঘটলেও উপজেলা নির্বাচনে ভোটারদের উৎসাহ ছিল খুবই কম। সেই নির্বাচনে সদ্য ক্ষমতায় আসা আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছিলেন। সহিংসতা হয়েছিল লক্ষণীয়ভাবে কম এবং নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের জন্য নির্বাচন কমিশন প্রশংসিতও হয়েছিল। এই ইতিহাস স্মরণ করিয়ে দেওয়ার কারণ দুটো: প্রথমত, যদিও উপজেলা পরিষদের হাতে ক্ষমতা সীমিত এবং স্থানীয় উন্নয়নের ক্ষেত্রে তাদের করণীয় কম, আওয়ামী লীগ সরকারের হাতে এই ক্ষমতার আরও সংকোচন ঘটেছে, তবু একার্থে এই পরিষদই হয়ে উঠেছিল সাধারণ মানুষের কাছে স্থানীয় প্রশাসনের অংশগ্রহণের একধরনের প্রতীক। যেকোনো অংশগ্রহণমূলক প্রতিষ্ঠানের যে একটা প্রতীকী মূল্য আছে, তা অনস্বীকার্য। দ্বিতীয়ত, ১৯৯০ ও ২০০৯ সালের নির্বাচনে মানুষের ভোটদানের বিবেচনায় জাতীয় রাজনীতি ছিল গৌণ।
আগামীকাল: বিএনপি ও নির্বাচন কমিশনের ওপর প্রভাব
আলী রীয়াজ: যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অসভ্য হাত এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তা নাগমার
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিনিয়োগে ভারতের পিছিয়ে থাকা
আসজাদুল কিবরিয়া: লেখক ও সাংবাদিক।
asjadulk@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1347)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
April
(397)
-
▼
Apr 04
(24)
- মরণোত্তর by খুশবন্ত সিং, অনুবাদ: আন্দালিব রাশদী
- আলিয়ার বক্তব্যে বলিউডে হৈ চৈ
- ভয়ংকর দুর্গ by সারিনা হোসেন
- জাফরানের নীল সুবাস by আউয়াল চৌধুরী
- শাহ বুলবুলের মৃত্যুঞ্জয়ী গেরিলা
- অপরাহ্নের দীর্ঘতর ছায়া by মোসাদ্দেক আহমেদ
- বিষ্ণু দের কবিতায় মার্কসবাদ by বীরেন মুখার্জী
- ক্রিমিয়া নিয়ে ভোট ও ‘আমাদের মাথাব্যথা’ by হাসান ফে...
- হ্রস্ব-দীর্ঘ স্বর ও ভাষার বাধ্যবাধকতা by আখতার হোস...
- বিএনপি ও ইসির ওপর প্রভাব by আলী রীয়াজ
- আফগানিস্তানের সামনে আরও কঠিন সময় by ব্রহ্মা চেলানি
- ছাত্রলীগের আরও একটি খুন- খুনিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তা...
- কত কী দেখলাম! by আনিসুল হক
- মিসরে ৫২৯ জনের ফাঁসি কার্যকর করা কি সম্ভব?- সিএনএন...
- আফগান প্রেসিডেন্ট নির্বাচন কি গ্রহণযোগ্যতা পাবে? b...
- পুবে মুখ ফেরাচ্ছেন পুতিন by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
- পুতিন-লুদমিলা বিচ্ছেদ
- মমতার সমর্থন পাচ্ছে বিজেপি?
- রায়বেরিলিতে মনোনয়নপত্র জমা দিলেন সোনিয়া
- নতুন মন্ত্রিসভায় ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদের সাবেক সঙ্গিনী
- ইতিহাস নিয়ে কংগ্রেসের লুকাছাপা
- কী পেল আওয়ামী লীগ?
- অসভ্য হাত এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তা নাগমার
- বিনিয়োগে ভারতের পিছিয়ে থাকা
-
▼
Apr 04
(24)
-
▼
April
(397)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



