Monday, July 22, 2019
পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েল
সোমবার শতাধিক পুলিশ ও সৈন্যরা সুর বাহার গ্রামে বুলডোজার নিয়ে ১৭ জনের ঘরবাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ফিলিস্তিনিরা বলছে, এটি পশ্চিম তীরের জমি দখলের জন্য ইসরাইলের একটি প্রচেষ্টা।
ইসরাইলের হাইকোর্ট ধ্বংস করার আদেশের বিরুদ্ধে আপিল প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, সীমানা বেড়ার পাশে নো-বিল্ড জোনের মধ্যে ঘরগুলো স্থাপন করা হয়েছে।
২০০০ সালে শুরু হওয়া দ্বিতীয় ফিলিস্তিনি বিপ্লবের সময় পশ্চিম তীর এবং তার আশেপাশে সীমানা বেড়া সৃষ্টি করা হয়েছিল। ইসরায়েল বলছে, প্যালেস্টাইনের আক্রমণকারীদের পশ্চিম তীরে অনুপ্রবেশ রোধ করাই তার উদ্দেশ্য, কিন্তু ফিলিস্তিনিদের দাবি, এটি একটি দখলকৃত জমিতে নির্মাণ করা হয়েছে।
মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, প্রায় ১০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল বাড়িঘর গুলো। সে সময় এগুলো তৈরির জন্য ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ অনুমতি দিয়েছিলো।
![]() |
| ইসরায়েল ফিলিস্তিনি নিয়ন্ত্রিত পশ্চিম তীরে সীমান্তের কাছে অবস্থিত বাড়িঘর গুড়িয়ে দেয়া শুরু করেছে। ছবি: বিবিসি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিরপুর ১২ থেকে শাহবাগ: ভোগান্তির যেন শেষ নেই by হাফিজ মুহাম্মদ

তবুও গাড়ি চলছে না। মাঝেমধ্যে পিঁপড়া গতিতে আগালে তা সামান্য একটু যেয়েই আটকে যায়। গাড়ির চালকরাও বেশিরভাগ সময় ইঞ্জিন বন্ধ করে বসে থাকেন। গতকাল মিরপুর-১২ নম্বর থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কে অধিকাংশ স্থানের চিত্রই ছিল এমন। এরমধ্যে মিরপুর অংশের বেগম রোকেয়া সরণিতে প্রতিটি সিগন্যালেই ছিল গাড়ীর দীর্ঘ লাইন।
বেগম রোকেয়া সরণি ও কাজী নজরুল ইসলাম সড়কে চলছে মেট্রোরেলের কাজ। এটি বাংলাদেশের বড় প্রকল্পগুলোর একটি। মেট্রোরেলের কাজ চলায় মিরপুর থেকে শাহবাগ পর্যন্ত সড়কের চিত্র প্রায় একই রকম। রাস্তার মাঝে ব্যারিকেড থাকায় সড়ক সরু হয়ে গেছে। তবে যেসব স্থানে মেট্রোরেলের স্টেশন করা হচ্ছে সেসব জায়গার সড়ক এতটাই সরু যে কোনো মতে একটি বাস যাওয়ার জায়গা রয়েছে। এই সরু সড়কের কারণে যানজট লাগে পুরো রাস্তায়। ফার্মগেটে এসে একাধিক সড়কের গাড়ি কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউতে যুক্ত হয়। এ কারণে সড়কের এ অংশে গাড়ি আগায় না। ফার্মগেট থেকে শাহবাগ পর্যন্ত যেতে ঘণ্টা পার হয়ে যায়। গতকাল সরেজমিনে দেখা যায় মিরপুর-১২ থেকে শাহবাগ যেতে প্রথম দীর্ঘ লাইন পড়ে ১০ নম্বর গোল চত্তরে। এখানেই কেটে যায় দীর্ঘ সময়। এ সিগন্যালটি পার হয়ে আবার কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়ায় যেয়ে আরেক দফা যানজটে পড়তে হচ্ছে। এরপরে তালতলা পর্যন্ত জ্যাম কম থাকলেও আগারগাঁও সিগন্যালের দুইপাশের জট অনেকদূর ছাড়িয়ে যায়। আগারগাঁওয়ের একপাশের জট তালতলা পর্যন্ত পৌছে গেছে অন্য পাশে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র পর্যন্ত। আগারগাঁও সিগন্যাল বরাবর সড়কটি সরু হয়ে একলেন পরিমাণ আছে। এখান থেকে একটি বাস গেলে আর মানুষ পার হওয়ার জায়গা থাকে না। এ অংশে সরু সড়কের কারণেই দীর্ঘ যানজট পরে বলে জানান পথচারীরা।
মিরপুর ১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশে মেট্রোরেলের প্রথম ভাগের কাজ অনেকটা দৃশ্যমান হয়েছে। তবে দ্বিতীয়াংশের কাজ প্রথামিক পর্যায়ে চলছে। আর দ্বিতীয়াংশের কাজ শুরুর পরেই যানজটের মারাত্মক আকার ধারণ করছে। এ অংশে আগারগাঁও পার হয়ে প্রথমেই চন্দ্রিমা উদ্যানের সিগন্যালে পড়তে হয়েছে যাত্রীদের। এখানে প্রতিটা সিগন্যাল ছাড়তে ১০ থেকে ১৫ মিনিট সময় লেগে যায়। দুইবার ছাড়ার পরে পার গাড়ীগুলো যেতে পারে। খামারবাড়ি এসে বাসের চালক বাস থামিয়ে দিয়ে বসে থাকেন। বাস এখানে এসে আর সামনে আগায় না। খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট যেতে সময় লাগে ৩০মিনিট। এরপরে একটু একটু করে এক ঘণ্টা বসে শাহবাগ যেতে লাগে আরো একঘন্টা। এর মধ্যে শুধু কাওরানবাজার সিগন্যালেই ব্যয় করতে হয়েছে ৩০ মিনিট। এ সড়কে নিয়মিত চলাচলকারী সাধারণ যাত্রীরা বলেন, গতকাল তুলনামূলক সময় কমই লাগছে। মিরপুর থেকে শাহবাগ পৌঁছতে প্রতিদিন সাড়ে তিনঘণ্টা চলে যায়। কখনো আরো বেশি সময়ও লাগে।
মো. নুরুল হক। গতকাল দুপুরে বাসে কথা হয় এ গার্মেন্টস ব্যবসায়ীর সঙ্গে। তিনি মিরপুর থেকে মতিঝিল যাচ্ছিলেন। তিনি জানান, সপ্তাহে তিনি থেকে চারদিন এ পথে যাতায়াত করেন। কখনো সাড়ে ৩ ঘণ্টা আবার কখনো ৪ ঘণ্টা লেগে যায়।
সালেকা বেগম নামে বাসের আরেক যাত্রী বলেন, এত গরম আর সইতে পারছি না। দপুরের সময় অফিস নেই তারপরও এত জ্যাম। রোদে আর পারছি না। তার সঙ্গে ৫/৬ বছরের মেয়েটি একটু পরপর-ই কান্না করছিল।
কিছুদনি আগে সিরডাপ মিলনায়তনে একটি গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক খন্দকার রাকিবুর রহমান বলেছিলেন, কোনো উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের জন্য নাগরিকদের সাময়িক সমস্যা পোহাতে হয়। কিন্তু ঢাকার সমস্যাগুলো অনেকটা মারাত্মক আকার ধারণ করছে। এর বড় কারণ বাংলাদেশের মহা প্রকল্পগুলো সব একসঙ্গে চলছে। এর সুবিধা নাগরিকরা পাবেন। তবে সাময়িক ভোগান্তি তারা কিভাবে পার করবেন এটাই বড় কথা। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে মেট্রোরেলের কারণে তৈরি হওয়া ভোগান্তি লাগবের জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিতে বলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা ডেঙ্গু মৌসুমের আগেই সতর্ক করেছিল। কিন্তু সিটি কর্পোরেশন নাগরিকদের কথা ভাবেনি। তিনি অভিযোগ করে বলেন, পূর্ব প্রস্তুতি থাকলে হয়ত ডেঙ্গু রোগীর আক্রান্তের হার আরও কম হত। একই হাসপাতালের দ্বিতীয় তলায় শিশু ওয়ার্ড-২ এ চিকিৎসা নিচ্ছে শিশু সুমাইয়া আক্রার। ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে মারাত্মক অবস্থায় ভর্তি হয় সুমাইয়া। তার পেটে ও ফুসফুসে পানি জমেছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় লোকপ্রশাসন বিভাগের অনার্স শেষ বর্ষের ছাত্র জহিরুল ইসলাম বলেন, এবার মশা নিধনে মেয়ররা পুরোপুরি ব্যর্থ। ডেঙ্গু মৌসুমের শুরুতে যদি ভালো প্রস্তুতি নিতো তাহলে এতো আক্রান্ত ও মারা যেতো না। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এখন ফোগিং মিশনে ওষুধ দিতে তেমন দেখা যায় না। ইডেন কলেজে পড়ুয়া মাস্টার্সের শিক্ষার্থী লিজা আক্তার বলেন, এ বছর তার এলাকা গনকটুলিতে কোনো মশার ওষুধ দিতে দেখা যায় নি। লালবাগ সুবল দাস রোডের বাসিন্দা আলম অভিযোগ করে বলেন, মশার নিধনের ভালো ওষুধ দিচ্ছে না। দিলেও পানি মিশিয়ে দিচ্ছে সিটি করপোরেশন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এবছর তার এলাকায় মশা নিধনের কর্মীদের চোখে পড়েনি। মিরপুরের বাসিন্দা সরকারি চাকরিজীবী মাহমুদ বলেন, মশা নিধনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেই। কামরাঙ্গীর চরের রিকশা শ্রমিক কাদের মিয়া বলেন, ডেঙ্গু জ্বর ভালো জ্বর না। তার মেয়েরও হয়েছিল। ভালো হয়ে গেছে। মশার কামড় থেকে হয়। সব সময় ওষুধ দিলে মশা আসে না। কিন্তু ওষুধ দেয় না।
এদিকে এবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে চোখ রাখলেই ডেঙ্গু রোগীর প্লাটিলেটের জন্য রক্ত চেয়ে সহযোগিতার স্ট্যাটাসের সংখ্যা দেখলে সহজেই অনুমান করা যায় ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হওয়ার ফলে রাজধানীর স্কুলের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও কমেছে বলে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন। অন্যদিকে এ বছর ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে ডেঙ্গুতে অন্তত চারগুণের বেশি মৃত্যু হয়েছে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র বলছে। এবছর ইতিমধ্যেই সাড়ে ৬ হাজারের উপরে আক্রান্ত হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান মতে, চলতি মাসে গড়ে প্রতিদিন ২১১ করে ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
গত ২৪ ঘণ্টায় ২৮৫ জন হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। বেসরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। ঢাকার আশপাশেও ছড়িয়ে পড়েছে মশাবাহিত রোগ ডেঙ্গু। ঢাকার বাইর থেকেও খবর আসছে। ২০০০ সালে দেশে প্রথম বড় আকারে ডেঙ্গুর প্রকোপ দেখা দেয়। ওই বছর ৫ হাজার ৫৫১ জন আক্রান্ত হয়েছিল আর মারা গিয়েছিল ৯৩ জন। এরপর ডেঙ্গ জ্বরে মৃতের সংখ্যা কমতে থাকে। গত বছর ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের সংখ্যা ১০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। মারা গিয়েছিল ২৬ জন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নৈরাজ্য, নিষ্ঠুর, বর্বর by বিল্লাল হোসেন রবিন ও শুভ্র দেব

এর একজন তাসলিমা বেগম। যিনি সন্তানের ভবিষ্যতের খোঁজে গিয়ে নিজেই নির্মম গণপিটুনিতে না ফেরার দেশে যেতে হলো। সেই শিশু সন্তানটির ভবিষ্যত এখন আরও অনিশ্চিয়তায় পড়েছে।
অন্যদিকে নারায়ণগঞ্জে মেয়েকে দেখতে গিয়ে গণপিটুনীতে মারা গেছে বাকপ্রতিবন্ধী পিতা। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর ছোট্ট তাসনিম তুবাকে নিয়ে বড় বোনের বাসায় থাকতেন তাসলিমা বেগম রেনু। তার দুই সন্তানের মধ্যে চার বছর বয়সী তুবা ছিল ছোট। আর ছেলেকে নিয়ে স্বামী অন্যত্র থাকতেন। ৪০ বছর বয়সী রেনুর সব স্বপ্ন ছিল আদরের মেয়ে তুবাকে নিয়ে। স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর থেকে তিনি কিছুটা মানসিক বিষন্নতায়ও ভুগছিলেন। স্বামী ছাড়া বাকি জীবন কিভাবে পার করবেন এই চিন্তায় সময় পার করতেন। তাই তার আচরণে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লাগত। মেয়েকে স্কুলে ভর্তির জন্য কিছুদিন ধরে স্কুলে স্কুলে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। শনিবার ভোরে ফজরের নামাজ পড়ে হাঁটতে বের হয়েছিলেন তিনি। এরপর মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করার খোঁজ খবর নিতে চলে যান উত্তর বাড্ডায়। সেখানকার একটি প্রাইমারি স্কুলের সামনে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনির শিকার হন তিনি।
এদিকে সকাল গড়িয়ে দুপুর হলেও রেনু বাসায় ফিরছিলেন না। তাই মেয়ে তুবা ও বড় বোন জয়নব বেগম তার ফেরার অপেক্ষা করছিলেন। ততক্ষণে ছেলে ধরা সন্দেহে এক নারীকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা হয়েছে এই খবর ছড়িয়ে পড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। খবর চলে যায় রেনুর আত্মীয়-স্বজনদের কাছে। পরে তার ভাগ্নে নাসির উদ্দিন টিটু ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেন। গণপিটুনির এই ঘটনায় বাড্ডা থানায় নিহতের ভাগ্নে অজ্ঞাত ৪০০-৫০০ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরা থেকে ভিডিও ফুটেজ নিয়ে গণপিটুনিতে অংশগ্রহনকারীদের শনাক্ত করার চেষ্টা করছে। বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থল থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে তার স্বজনরা ঢাকা মেডিকেলের মর্গে গিয়ে মরদেহ শনাক্ত করেণ। তার ভাগ্নে থানায় একটি মামলা করেছেন। আমরা আসামি শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছি। তিনি বলেন, ঘটনাটি খুবই মর্মান্তিক।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, তাসলিমা বেগম রেনু শনিবার সকাল সাড়ে আটটার দিকে উত্তর বাড্ডার ওই স্কুলের গেট দিয়ে প্রবেশ করতে চান। এসময় স্কুলের গেটে বসে থাকা অন্যান্য শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা তাকে আটকে স্কুলে কেন প্রবেশ করছেন তার কারণ জিজ্ঞাসা করে। এসময় রেনু জানান তিনি তার বাচ্চাকে স্কুলে ভর্তি করার খোঁজ নিতে চান। ভেতরে গেলে রেনুকে জানানো হয় স্কুলে এখন ভর্তি নেয়া হবে না। এই কথা বলে তাকে প্রধান শিক্ষকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। এসময় তার কথাবার্তা কিছুটা অস্বাভাবিক হওয়াতে চারদিকে খবর ছড়ায় স্কুলে ছেলে ধরা এসেছে। এমন খবরে স্কুলের বাইরে শত শত লোক এসে অবস্থান করে। পরে ওই নারীকে স্কুলের বাইরে নিয়ে আসলে উৎসুক মানুষ তাকে পিটুনি দেয়।
পুলিশ ও নিহতের স্বজনসূত্রে জানা গেছে, আড়াই বছর আগে পারিবারিক কলহে রেনুর সঙ্গে তার স্বামীর বিচ্ছেদ হয়। তবে এর আগে তিনি উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পার্শ্ববর্তী আলী মোড় এলাকায় স্বামী তসলিম হোসেনের সঙ্গে দুই সন্তানকে নিয়ে থাকতেন। বিচ্ছেদের পর রেনু মেয়ে তুবাকে নিয়ে ৩৩/৩ জিপি/জ মহাখালীর তার বড় বোন জয়নব বেগমের সঙ্গে থাকতেন। রেনুর ভাগ্নে নাসির উদ্দিন টিটু বলেন, ফজরের নামাজ পড়ে তিনি প্রতিদিন হাটতে বের হতেন। ঘটনার দিনও নামাজ পড়ে ভোরবেলা তিনি হাটতে বের হয়েছিলেন। তুবাকে স্কুলে ভর্তির জন্য তিনি বিভিন্ন স্কুলে ঘুরছিলেন। স্বামীকে নিয়ে যে বাসায় ছিলেন তার পাশে উত্তর বাড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেখানেই তিনি ভর্তির খোঁজখবর নিতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, তার কথা বার্তায় কিছু অস্বাবিক আচরণ ছিল। হয়ত তাই তাকে নির্মমভাবে স্কুল মাঠেই পিটিয়ে হত্যা করা হল। কিন্তু সেখানে কি একটা লোক ছিল না তাকে বাঁচানোর মত। আমি এই ঘটনায় জড়িতদের কঠিন শাস্তির দাবি করছি। বড় বোন রেহেনা আক্তার বলেন, স্বামীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হওয়ার পর থেকে সে বিষন্নতায় ভুগতো ও মেয়ের ভষিষ্যত নিয়ে খুব দুশ্চিন্তায় থাকত। কান্না জড়িত কন্ঠে তিনি বলেন, কেন আমার নিরাপরাধ বোনটাকে তারা মেরে ফেলল? গল্পে শুনেছিলাম ছেলে ধরা আছে। আজ সেই গল্পের মতই আমার বোনকে মারা হয়। ওদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমার বোনের আত্মার শান্তি হবে না।
পদ্মা সেতু নির্মাণে মানুষের মাথা প্রয়োজন গত দুই সপ্তাহ ধরে এমন গুজব ছড়াচ্ছে এক শ্রেনীর মানুষ। এতে করে একের পর এক ঘটছে অপ্রীতিকর ঘটনা। দুই সপ্তাহে সারা দেশে ছেলে ধরা সন্দেহে ২১টি গণপিটুনির ঘটনায় নিহত হয়েছেন ছয়জন আর মারাত্বভাবে আহত হয়েছেন ২২ জন। এছাড়া আরও নানা কারণে চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে জুন মাস পর্যন্ত ৩৬ জন মানুষ গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। শনিবার একই দিনে ঢাকার বাড্ডা, কেরানীগঞ্জে, নারায়নগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে গণপিটুনিতে চারজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। বিভিন্ন স্থানে গণপিটুনির ঘটনা তদন্তে নামে পুলিশ। তদন্তে ঘটনার ভুক্তভোগীদের সঙ্গে ছেলে ধরার কোন সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়নি। কেউ মানসিক ভারসাম্যহীন, কেউ মাদকাসক্ত বা অনেককে সন্দেহজনকভাবে গণপিটুনি দেয়া হয়েছে।
সম্প্রতি ঘটে যাওয়া বেশ কিছু ঘটনার পর পদ্মাসেতু কর্তৃপক্ষ সেতু নির্মাণে শিশুদের মাথা লাগবে এমন ঘটনা গুজব বলে বিজ্ঞপ্তি দেয়। এছাড়া পুলিশ সদরদপ্তরের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে মানুষকে সতর্ক করেছে। শনিবার মিডিয়া শাখা থেকে পাঠানো আরেক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনিতে মানুষ হত্যা একটি ফৌজদারি অপরাধ। জনসাধারণকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তরের সহকারি উপমহাপরিদর্শক সোহেল রানা বলেন, গুজব ছড়িয়ে দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা রাষ্ট্র বিরোধী কাজের শামিল এবং গণপিটুনি দিয়ে মানুষ হত্যা ফৌজদারি অপরাধ। তাই কাউকে ছেলে ধরা সন্দেহে গণপিটুনি না দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেন। তিনি বলেন, গণপিটুনিতে নিহত হওয়ার প্রত্যেকটি ঘটনা পুলিশ আমলে নিয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসছে।
বাকপ্রতিবন্ধী সিরাজের উপর নির্মমতা: মো. সিরাজ। জন্মগতভাবে কথা বলতে পারেন না। বাকপ্রতিবন্ধী। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করতো। চার ভাই ও তিন বোনের মধ্যে সবার বড় সিরাজকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করানো হয়। তাদের ঘরে আসে এক মেয়ে সন্তান। নাম মিনজু। বর্তমানে বয়স ৬ থেকে ৭ বছর। ভালোই চলছিল তাদের সংসার। কিন্তু সিরাজের অগোচরে স্ত্রী সামছুন্নাহার জড়িয়ে পড়ে পরকীয়ায়। সেই সূত্রে এক সময় মেয়েকে নিয়ে পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে পালিয়ে যায় সামছুন্নাহার। একা হয়ে পড়ে সিরাজ। পাগলের মতো স্ত্রী-সন্তানকে খুঁজে বেড়ায়। এক সময় স্ত্রী-সন্তানের খোঁজ পেলেও মাথায় আকাশ ভেঙে পড়ে সিরাজের। সামছুন্নাহার সিরাজকে ডিভোর্স লেটার পাঠায়। পিছু হটে সিরাজ। কিন্তু সন্তানের মায়া ছাড়তে পারেনি। মাঝে মাঝে ছুটে যায় মেয়েকে দেখতে। তারই ধারাবাহিকতায় মেয়েকে দেখার জন্য শনিবার সকাল ৮টার দিকে বাসা থেকে বের হয়ে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি পূর্বপাড়া পাগলাবাড়ি এলাকায় যায়। অনেকক্ষণ অপেক্ষার পর সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তার মেয়ের মতো সাদিয়া নামে একটি মেয়েকে দেখতে পেয়ে আদর করে চিপস কিনে দেয়। কে জানতো এই চিপস কিনে দেয়াই সিরাজের জন্য কাল হবে। আর হয়েছেও তাই। ছেলেধরা ভেবে তাকে আটক করে স্থানীয় লোকজন। এ সময় সিরাজ ঈশারায় বোঝানোর চেষ্টা করে এটা তার মেয়ের মতো। সে ছেলেধরা না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। অজ্ঞ, অথর্ব, আর হিংস্র কিছু হায়েনার দল পিটিয়ে নৃশংসভাবে তাকে হত্যা করে। শুধু তাই নয়, সিরাজের নিস্তেজ দেহটি টেনে হিঁচড়ে প্রায় ১০০ গজ অদূরে নিয়ে ক্যানেলপাড়ে ফেলে রাখা হয়। পরে পুলিশ গিয়ে সিরাজের লাশ উদ্ধার করে। নিহত সিরাজ সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো চারতলা এলাকায় একটি ম্যাচে ভাড়া থাকতো।
একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, পাগলাবাড়ি এলাকায় আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন নামে একটি স্কুল রয়েছে। শনিবার সকালে ওই স্কুলের শিশু শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া (৬)কে চিপস কিনে দেয় সিরাজ। এবং মেয়েটিকে কোলে নিতে চায়। এ সময় একজন রিকশাচালক তাকে আটক করে। পরে আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেন স্কুলের পরিচালক রেদোয়ান আহমেদ ছুটে আসেন। তিনি শিশুটিকে সিরাজের কাছে দেখে ছেলেধরা আখ্যা দিয়ে মারধর করতে থাকেন। মুহূর্তে খবর ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। স্থানীয় লোকজন ও কিছু যুবক ছুটে এসে দফায় দফায় পিটাতে থাকে সিরাজকে। এ সময় ছেলেটা বার বার কি যেন বলার চেষ্টা করছিল। এক সময় নিস্তেজ হয়ে পড়ে। পরে টেনে হিঁচড়ে দূরে ক্যানেলপাড়ে নিয়ে তার দেহটি ফেলে রাখা হয়। উত্তেজিত লোকজনের মধ্যে যুবক শ্রেণির একটি গ্রুপ ছিল। যারা বেশি মারধর করে।
নিহতের পরিবারের বক্তব্য: নিহত সিরাজের ছোট দুইভাই মো. আলম ও কালাম জানান, সিরাজ পরিবারের সবার বড়। রাজমিস্ত্রির জোগালির কাজ করতো। বিয়ের পর ভাবিকে নিয়ে সাইলো এলাকায় মোহন চাঁদের বাড়িতে ভাড়া থাকতো। বর্তমানে সিরাজের ৬ বছরের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। নাম মিনজু। এদিকে বিয়ের পর সিরাজের পাশের বাসার মান্নান ওরফে সোহেলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে স্ত্রী সাছুন্নাহার। মান্নানের বাড়ি আমাদের পরের গ্রামে। মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার পর ৮ মাস আগে সিরাজকে ডিভোর্স দেয় সামছুন্নাহার। এরপর থেকে অনেক কান্নাকাটি করে সিরাজ। মেয়েকে দেখার জন্য পাগল হয়ে যায়। এক সময় সে আমাদের জানায়, মিজমিজি পাগলাবাড়ি এলাকায় তার মেয়ে থাকে। সেখানে সে তাকে দেখেছে। আমরা তাকে বুঝাতাম বাদ দেন। কান্নাকাটি করে লাভ নাই। সে ঈশারায় বুঝাতো মেয়ের জন্য তার অনেক কষ্ট হয়। তাই যেদিন কাজ থাকতো না সেদিন ছুটে যেত ওই এলাকায়। শনিবার সকাল ৮টার দিকে একইভাবে সে ওই এলাকায় যায় মেয়েকে দেখার জন্য। কিন্তু আমাদের বোবা ভাইটাকে নির্মমভাবে মেরে ফেলেছে। সিরাজের সঙ্গে বাবা আব্দুর রশিদ থাকতো। নিজেই রান্না করে খেতো সিরাজ। ঈদের আগে দাদীর অসুস্থতার কথা শুনে পরিবারের সঙ্গে সিরাজ ভোলার লালমোহন যায়। ঈদের পর দাদী মারা যাওয়ার পর সিরাজ কাজের জন্য চলে আসে।
আলম আরো জানায়, ঘটনার দিন শনিবার সকাল ৮টার দিকে সিরাজ ভাইকে বাসা থেকে বেরিয়ে যেতে দেখি। ওই সময় ভেবেছি তিনি কাজে যাচ্ছেন। সকাল ১০টার দিকে এলাকার এক লোক তার মোবাইলে ফেসবুকে আমাকে দেখাচ্ছেন যে, একজন লোককে ছেলেধরা সন্দেহে মানুষ পিটিয়ে মেরে ফেলেছে। নিহতের ছবি দেখে আমি সিরাজ ভাইকে চিনতে পারি। এরপর পুলিশের উপস্থিতিতে ভাইয়ের লাশ শনাক্ত করি। আমরা আমাদের ভাই হত্যার বিচার চাই।
নিহত সিরাজের জ্যাঠাতো বোন তরিফা জানান, শুক্রবার দুপুরে তার বাসা থেকে ভাত খেয়ে যায় সিরাজ। মাঝে মধ্যে তার বাসায় যেতো। বোবা ভাইটাকে এভাবে মেরে ফেলবে চিন্তাও করতে পারি না। এ কথা বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।
সাইলো এলাকার সোহেব আহমেদ নামে এক যুবক জানায়, তাদের বাড়িতে অনেকদিন আগে কনস্ট্রাকশনের কাজের হেলপার হিসেবে কাজ করেছে সিরাজ। কখনো কাজে ফাঁকি দিতো না। অনেক শান্ত একটা মানুষ ছিল।
প্রতিবেশী লোকজন জানিয়েছেন, কোরবানির ঈদের সময় সিরাজ মানুষের বাড়িতে কোরবানির গরু কাটাকাটির কাজ করতো। বিনিময়ে টাকা ও কিছু মাংস পেতো। সামনের কোরবানির ঈদেও এই কাজ করতো। কিন্তু তার আগেই নির্মমভাবে হত্যার শিকার হয়েছে সে।
৪০০ জনের বিরুদ্ধে মামলা: গ্রেপ্তার ১৪
এদিকে এ ঘটনায় সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই সাখাওয়াত মৃধা বাদী হয়ে ৬৭ জনের নাম উল্লেখ এবং অজ্ঞাতপরিচয় আরো তিনশ’ থেকে চারশ’ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন। এর মধ্যে ১৪ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। যাদের মধ্যে ঘটনাস্থলের পাশে থাকা আইডিয়াল কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষক মো. রেদওয়ান রয়েছে। রেদওয়ান ওই মামলার প্রধান আসামি। তিনিই প্রথম সিরাজকে মারধর করেন।
গ্রেপ্তার রেদওয়ান পুলিশকে জানিয়েছে, ঘটনার দিন সকালে স্কুলের প্রথম শ্রেণির ছাত্রী সাদিয়া (৬)কে আদর করে কোলে তুলে নেয় সিরাজ। এ দৃশ্য দেখে সে সিরাজকে কারণ জিজ্ঞেস করলে সিরাজ আকার ইঙ্গিতে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে, মেয়েটি তার নিজের মেয়ের বয়সী। কিন্তু ওই সময় সে বিষয়টি বুঝতে না পেরে সিরাজকে মারধর শুরু করে। এরপর তার সঙ্গে স্থানীয় লোকজন সিরাজকে ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি দিলে সে ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
বিচার দাবি করে মিছিল: এদিকে গতকাল রোববার সকালে সিরাজের লাশ সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো গেইট এলাকায় নিয়ে আসলে কান্নায় ভেঙে পড়ে এলাকাবাসী। তাদের অনেককেই আক্ষেপ করে বলতে শোনা গেছে-এমন করে মানুষকে পিটিয়ে মারতে পারলো লোকজন। লাশকে ঘিরে থাকা এলাকাবাসী ও তার মেজো ভাই আলম সিরাজের হত্যাকাণ্ডকে পরিকল্পিত বলে উল্লেখ করেন। এ সময় তারা সিরাজ হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করে মিছিলও করে।
সিদ্ধিরগঞ্জের সাইলো এলাকার ঠিকাদার মোহর চানের বাড়িতে ভাড়া থাকতেন মৃত সিরাজ। তাদের গ্রামের বাড়ি ভোলার লালমোহন থানার মুগিয়া বাজার এলাকায়। তার পিতার নাম আ. রশিদ মণ্ডল। মায়ের নাম কমলা খাতুন।
বিভ্রান্ত না হতে পুলিশ সুপারের ব্রিফিং: এদিকে গতকাল রোববার দুপুরে নগরের চাষাঢ়া শহীদ মিনারে সাংবাদিকদের সাম্প্রতিক ছেলেধরা ইস্যুতে ব্রিফিং করেন পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ। তিনি আইন হাতে তুলে না নিতে জেলাবাসীকে অনুরোধ করে বলেন, কাউকে ছেলেধরা সন্দেহ হলে তাকে আটকে রেখে পুলিশে সোপর্দ করবেন। তা না হলে আপনারা এ ধরনের ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি হয়ে যাবেন। ছেলেধরা গুজবে কেউ কান দেবেন না। এ ধরনের ঘটনা রোধে পুলিশ সচেতনতার জন্য মাইকিং করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের এ বিষয়ে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি। তবে তিনি এও বলেন, অনেক জনপ্রতিনিধি এসব গণপিটুনির ঘটনার সঙ্গে জড়িয়ে যাচ্ছেন। এসব ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

লন্ডনের স্থানীয় সময় শনিবার বিকালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত বাংলাদেশি রাষ্ট্রদূতদের সম্মেলনে যোগ দিয়ে তিনি এ আহবান জানান। সম্মেলনের বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রেস সচিব ইহসানুল করিম প্রধানমন্ত্রীকে উদ্ধৃত করে বলেন, আমাদের চলমান উন্নয়ন কর্মসূচি যাতে অব্যাহত থাকে, সেজন্য রাজনৈতিক কূটনীতির পাশাপাশি অর্থনৈতিক বিষয়ে আরো গুরুত্ব দিতে হবে। ইউরোপের বিভিন্ন দেশে নিযুক্ত ১৫ জন রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার এবং স্থায়ী প্রতিনিধি এই সম্মেলনে যোগ দেন। এর শিরোনাম হচ্ছে- ‘দূত (ইউরোপ) সম্মেলন’।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সম্মেলনে বক্তৃতা করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক উপস্থিত ছিলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথির ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি দূতদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করেন এবং প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা দেন।
দ্রুত পরিবর্তনশীল বিশ্বের প্রেক্ষাপট উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বিভিন্ন দেশের নিযুক্ত বাংলাদেশের কূটনীতিকদের একটি কার্যকরী এবং সময়োপযোগী অ্যাকশন প্ল্যান গ্রহণের পরামর্শ দেন।
যাতে করে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরো গভীর ও নিবিড় হয়। তিনি বলেন, এই জন্য আমাদের দেশে বিনিয়োগের আরো সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর সঙ্গে ব্যবসা এবং দক্ষ জনশক্তি রপ্তানী বাড়াতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের এখন একটি বৃহৎ এবং দক্ষ যুবশক্তি রয়েছে, যারা বিশ্ব শ্রম বাজারের চাহিদা পূরণে সক্ষম। একটি দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে এমন একটি অ্যাপ চালু করেছি যার মাধ্যমে জনগণ ৯টি ভাষা শিখতে পারছে।
প্রধানমন্ত্রী দূতগণকে নিজ নিজ কর্মস্থলে বিভিন্ন দেশের বাজার পরীবিক্ষণ করে সে দেশের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক সমপ্রসারণের বাধাগুলো চিহ্নিত করার পরামর্শ দেন। বাংলাদেশকে ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত-সমৃদ্ধ হিসেবে গড়ে তোলার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়েই সরকার কাজ করে যাচ্ছে একথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী প্রবাসে কর্মরত কূটনীতিকদের এ লক্ষ্য অনুসরণে তাদেরও নিজস্ব কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশ দেন। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী বাংলাদেশীদের প্রয়োজনে দ্রুত এবং উন্নত সেবা প্রদানের জন্যও কূটনীতিকদের প্রতি আহবান জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ৮ দশমিক ১ শতাংশ জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছি এবং চলতি ২০১৯-’২০ অর্থবছরের শেষ নাগাদ যা ৮ দশমিক ২ শতাংশে উন্নীত করা আমাদের লক্ষ্য। একইসঙ্গে ২০২০ সাল নাগাদ আমাদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার মার্কিন ডলারে পৌঁছবে। দেশের কিছু লোক এবং যারা নির্বাচনে পরাজিত হয়েছে তারা দেশের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, তারা দেশের উন্নয়নের গতিটাকে থামিয়ে দিতে চাইছে।
সবার সঙ্গে বন্ধুত্ব কারো সঙ্গে শত্রুতা নয়- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অনুসৃত এই পররাষ্ট্র নীতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার এই পররাষ্ট্র নীতি অনুসরণ করে বাংলাদেশ আজ বিশ্বের দরবারে মর্যাদার আসনে অধিষ্ঠিত। এই নীতি অনুসরণ করে সরকার কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে ভারতের সঙ্গে ছিটমহল বিনিময়সহ অনেক বিরোধ নিষ্পত্তি করেছে। আমরা আশা করি একইভাবে আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা ইস্যুরও সমাধান হবে। সম্মেলনে অংশ নেয়া রাষ্ট্রদূতরা হলেন- আবু জাফর (অস্ট্রিয়া), মো. শাহাদৎ হোসেন (বেলজিয়াম), মুহম্মদ আবদুল মুহিত (ডেনমার্ক), কাজী ইমতিয়াজ হোসেন (ফ্রান্স), ইমতিয়াজ আহমেদ (জার্মানী), জসিম উদ্দিন (গ্রীস), আবদুস সোবহান সিকদার (ইতালি), শেখ মোহাম্মদ বেলাল (নেদারল্যান্ড), মুহম্মদ মাহফুজুর রহমান (পোল্যান্ড), রুহুল আলম সিদ্দিক (পর্তুগাল), ড. এস এম সাইফুল হক (রাশিয়া), হাসান মাহমুদ খন্দকার (স্পেন), নাজমুল ইসলাম (সুইডেন), শামিম আহসান (সুইজারল্যান্ড) এবং সাইদা মুনা তাসনীম (যুক্তরাজ্য)।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে থাকার জন্যই নালিশ করেছি -প্রিয়া সাহা

প্রধানমন্ত্রীর এই কর্মকাণ্ড দেখেই প্রিয়া সাহা অনুপ্রাণিত হয়েছেন। প্রিয়া দাবি করছেন যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ই-মেইল পেয়ে তিনি সেখানে যান। ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে যান নি। ট্রাম্পের কাছে প্রিয়া সাহার অভিযোগের বিষয়ে বিতর্ক চলছে চারদিকে। তার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহিতার অপরাধ বলে শনিবার ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কিন্তু গতকাল তিনি জানিয়েছেন প্রিয়াকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়ার বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তড়িঘড়ি করে কোনো ব্যবস্থা না নিতেও বলেছেন তিনি। গতকাল প্রিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার আদালতে রাষ্ট্রদ্রোহিতার দুটি মামলার আবেদন করা হলেও তা খারিজ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও প্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় এক ফেসবুক বার্তায় প্রিয়ার ওই বক্তব্যের পেছনে মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি থাকার বিষয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। প্রিয়ার বক্তব্য ভয়ঙ্কর মিথ্যা বলেও দাবি করেন জয়।
এদিকে, সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে প্রিয়া ট্রাম্পের কাছে যে অভিযোগ করেছেন অনেকটা তার পক্ষেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন গতকাল এ ভিডিও বার্তায়। অনেকটা প্রশ্নোত্তরধর্মী এ বার্তায় একজন প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাবে পুরো বিষয় ব্যাখ্যা করেন।
প্রশ্নকারী প্রিয়াকে প্রশ্ন করেন আপনি কেমন আছেন, জবাবে তিনি বলেন, আমি ভালো নাই। আপনারা দেশে আছেন, প্রতিটা বিষয় আপনারা অবজারভ করছেন যে, প্রতিটা বিষয় কি অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামাজিক মাধ্যম বা সংবাদ মাধ্যম বা বিভিন্ন ব্যক্তি, সকল পর্যায় থেকে সে ব্যাপারে আপনারা ওয়াকিবহাল। আমার পরিবার ভীষণ সমস্যার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। কারণ বাসার সামনে কালকে তালা ভাঙতে চেষ্টা করা হয়েছে, আমার বাসার সামনে মিছিল করা হয়েছে। সবচাইতে বড় ব্যাপার হলো যে আমার পরিবারের ছবি ছেপে দেয়া হয়েছে পত্রিকায়। কথা বলেছি আমি, তারা আমার ছবি দিতে পারতো। কিন্তু আমার পরিবারের ছবি পত্রিকায় দিয়ে তাদের সবার জীবনকে বিপন্ন করে ফেলা হয়েছে। প্রিয়া বলেন, বাসার সামনে ব্যাপক পরিমাণে লোকজন ছিল বিভিন্নভাবে। দারোয়ান তালা দিয়ে রেখেছিল কিন্তু তালা ভাঙার চেষ্টা করা হয়েছে, হুমকি দিয়ে গেছে কালকে বাসা সিলগালা করে দিবে। এসব অনেক অনেকভাবে কথাবার্তা বলছে সেটা আপনারা জানেন, আপনারা দেশে আছেন, আপনারা একটু চাইলেই খোঁজ করতে পারেন।
প্রশ্নকারী জানতে চান আপনি যুক্তরাষ্ট্রে গেলেন কিভাবে? কারা আপনাকে পাঠিয়েছে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ? জবাবে প্রিয়া বলেন, না। হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ আমাকে পাঠায় নি। এবং আমাকে আইআরএফ থেকে সরাসরি ই-মেইল করা হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে ফোন করা হয়েছে, তাদের পক্ষ থেকে আমাকে ইনভাইট করে...এই স্টেট ডিপার্টমেন্ট থেকে আমাকে ইনভাইট করে তারা নিয়ে আসছে এখানে। তাদের ইনভাইটেশনে আমি এখানে আসছি। তিনি বলেন, রানা দা জানে না। কাজল দা, রানা দা ঐক্য পরিষদের কেউ ব্যাপারটা জানে না যে আমি এখানে এসেছি। এবং আমি যে আসবো সেটাও আমি যেদিন আসছি তার আগের দিনও জানতাম না যে আমি আসবো। মানে আসলেই বলতে পারেন ব্যাপারটা আমি হঠাৎ করেই আসছি। আমি ই-মেইল পেয়েছি, আমাকে ইনভাইটেশন দিয়েছে, সেই ইনভাইটেশনের মাধ্যমে আমি আসছি।
আপনি এই ই-মেইলটা কবে পেয়েছেন? এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, ই-মেইল পেয়েছিলাম ১৪ তারিখে গত মাসের। কিন্তু আমি আসলে ওভাবে রেসপন্স করিনি। তারপর বারবার তারা মেইল করেছে এবং আমি এসেছি যেদিন সেদিন আমি আসলে সন্ধ্যার পরে এসেছি। এটা কি আপনার প্রথম যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া নাকি আগেও গিয়েছিলেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, না আমি বহুবার যুক্তরাষ্ট্রে এসেছি। আমি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের স্কলারশিপে আমি আইভিএলপি প্রশিক্ষণে এসেছিলাম ২০১৪ সালে।
আপনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের কাছে এই কথাগুলো কেন বললেন? যেটা নিয়ে শোরগোল পড়ছে? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আসলে এ কথাগুলো তো আমি কেন বলি প্রথমে তো এই কথাগুলো তো মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কথা, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০১ সালে যখন সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের ওপরে নির্বাচনোত্তর চরম নির্যাতন চলছিল ৯৪ দিন ধরে তখন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী...সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষার জন্য ঘুরেছেন। আমি তার কথায় অনুপ্রাণিত হয়ে তার অনুসরণে বলেছি। যেকোনো অন্যায়ের বিরুদ্ধে যেকোনো জায়গায় বলা যায় আমি তার কাছ থেকে শিখেছি। আপনি এও জানেন তখনকার সাম্প্রদায়িক সরকার ২০০১ সালে আমাদের ওপর যে চরম নির্যাতন চালিয়েছিল সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে, বিরোধী দলের ওপরে, আওয়ামী লীগের ওপরে- তার বিরুদ্ধে এই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রদায়িক শক্তির বিরুদ্ধে কীভাবে কষ্ট করেছেন সেটা আপনারা সবাই অবগত আছেন।
আপনি ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বলেছেন বাংলাদেশ থেকে বিপুল সংখ্যক হিন্দু খ্রিস্টান নিশ্চুপ/ মিসিং/ নিখোঁজ হয়ে গেছে। আপনি সংখ্যা একটা উল্লেখ করেছেন। ৩৭ মিলিয়ন। এটা কি আসলে সত্যি? এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, আসলে বিষয়গুলো আপনারা নিজেরাও জানেন। বাংলাদেশের যে পরিসংখ্যান বই রয়েছে, ২০০১ সালের পরিসংখ্যান বইয়ে যে ধর্মীয় সংখ্যালঘু যে চ্যাপ্টার রয়েছে সেখানে বিষয়গুলো লেখা রয়েছে। প্রতিবছর সরকার যে রিপোর্ট বের করে, সেই রিপোর্ট অনুসারে দেশভাগের সময় দেশের জনসংখ্যা ছিল ২৯.৭ ভাগ। এখনকার সংখ্যালঘুর সংখ্যা হচ্ছে ৯.৭ ভাগ। এখন দেশের মোট জনসংখ্যা প্রায় ১৮০ মিলিয়নের মতো। সে ক্ষেত্রে যদি জনসংখ্যা একইভাবে বৃদ্ধি পেতো তাহলে অবশ্যই যে জনসংখ্যা আছে এবং যে জনসংখ্যার কথা বলেছি সেটা ক্রমাগতভাবে হারিয়ে গেছে। সে তথ্যটা মিলে যায়।
পরিসংখ্যান মিলছে না বলে আপনি এ কথা বলছেন? এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, না অন্য তথ্য তো অবশ্যই আছে। আপনারা তো এও জানেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত উনি কিন্তু এই পরিসংখ্যান বইয়ের উপর ভিত্তি করেই গবেষণা করেছেন। এবং সেই গবেষণায় উনি দেখিয়েছেন প্রতিদিন বাংলাদেশ থেকে ৬৩২ জন লোক হারিয়ে যাচ্ছে। এবং কি পরিমাণে ক্রমাগত লোক হ্রাস পেয়েছে। এবং পরিসংখ্যান বইয়ে ২০১১ সালে আমি স্যারের সঙ্গে কাজ করেছিলাম। যার কারণে বিষয়টা সম্পর্কে আমি অবহিত। নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এই মানুষগুলো কোথায় গেছে?
এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, এটাতো সাধারণ কথা এবং সত্য কথা। এই মানুষগুলো কোথায় গেছে, কীভাবে গেছে? একজন সাংবাদিক এবং দেশের মানুষ এই বিষয়ে দারুণভাবে সচেতন। এই মানুষগুলো কোথায় গেল। কীভাবে কি হলো।
তিনি বলেন, আমি কখনো রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অভিযোগ করতে যাইনি। আমি যদি আমার গ্রামের কথা বলি, আমার গ্রামের বাড়ি পিরোজপুর সেটা সবাই জানেন। সেখানে ২০০৪ সাল থেকে ৪০টা পরিবার ছিল। এখন তেরোটা পরিবার আছে। এই মানুষগুলো কোথায় গেছে? সেটাতো আপনাদের দেখার কথা। রাষ্ট্রের দেখার কথা। সেটা যদি আমার কাছে জানতে চান তাহলে কেমন লাগে ব্যাপারটা। আপনি যদি আমার বাড়িতে যান। ওইখানকার পরিসংখ্যান তৈরি করেন। কোন কোন বাড়িতে কে কে ছিল। তাদের নাম ঠিকানা নিয়ে আসতে পারবেন। তাহলেই বুঝবেন।
প্রিয়ার কাছে প্রশ্নকারী জানতে চান, আমরাতো কখনো কোনো পত্রিকায় দেখিনি যে, বাংলাদেশ থেকে মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে? জবাবে তিনি বলেন, আপনারাই সংবাদে প্রচার করেন। কখন কোথায় কাকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। গত মাসেও সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক মানুষ চলে গেছে যা বিভিন্ন পত্রিকায় আসছে। ২০১৪ সালে আবুল বারাকাত সাহেব এই গবেষণা করেন। তখন সিরডাপ মিলনায়তনে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সামনে এই রিপোর্টটি তিনি প্রকাশ করেন। তখন সকল গণমাধ্যম দায়িত্বশীলতার সঙ্গে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছিল। এরপর থেকে যখন যেখানে কোনো মানুষ দেশ ছাড়ার কথা বলে, তখনই গণমাধ্যম এই সংবাদ প্রকাশ করছে।
বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ। এই দেশ নিয়ে আপনার অভিযোগটা অনেক বড়। আপনি কি মনে করেন না, বাংলাদেশ একটি অসাম্প্রদায়িক দেশ?
এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, এদেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল। তখনতো ৩০ লাখ মানুষ প্রাণ দিয়েছিল। আর এই স্বাধীনতার লক্ষ্যটাতো ছিল বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে সোনার বাংলা গড়ার এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার। আর তার চার মূলনীতির মধ্যে অসাম্প্রদায়িকতা ছিল অন্যতম মূলনীতি। তিনি সেটা করেছিলেন। আর দেশও সেভাবে এগোচ্ছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে সে অধ্যায়ের এক ধরনের সমাপ্তি ঘটে। তারপর দীর্ঘদিন যে সামরিক বা অগণতান্ত্রিক সরকার ক্ষমতায় ছিল তারা সেই অসাম্প্রদায়িকতাকে কোথায় নিয়ে গিয়েছিল এবং ১৯৮৮ সালে রাষ্ট্রধর্ম কি করা হয়েছি সেটা আপনারা জানেন এবং এই ধারাবাহিকতায় আমাদের স্বাধীনতার যে লক্ষ্য ছিল তা ক্রমাগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তা আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। আপনারা জানেন আওয়ামী লীগের অন্যতম মূলনীতি হচ্ছে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। আর এটা প্রতিষ্ঠার জন্য প্রধানমন্ত্রী এবং তার দল অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তার পরেও এই দেশ থেকে মানুষ হারিয়ে যাচ্ছে এবং কমে যাচ্ছে। এটা দেশের সচেতন মানুষ কিন্তু ঠিকই জানে। আপনাদের অবশ্যই মনে আছে রামুর কথা, অভয়নগরের কথা, রংপুরের কথা, সাঁওতাল পাড়ার কথা, নাসিরনগরের কথা, ৮৯ সালের কথা, ১৯৯২, ২০০১ সালের কথা। প্রতিটা নির্বাচনের আগে পরে নির্বাচনকালীন সহিংসতা হয়েছে, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে ব্যাপকভাবে হ্রাস পেয়েছে।
প্রশ্নকারী জানতে চান, ধর্মীয় সহিংসতা আমাদের দক্ষিণ এশিয়ায় প্রায় হয়ে থাকে। যেটা সর্বশেষ মিয়ানমারে দেখা গেছে। কিন্তু এই সমস্যা কেন আপনি আমেরিকার প্রেসিডেন্টের কাছে নিয়ে গেলেন?
প্রিয়া বলেন, আপনি জানেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী মৌলবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বিশেষ করে আমাদের পুলিশ বাহিনী এই বিষয়ে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সফলতা দেখিয়েছে। আমেরিকা সরকার মৌলবাদের বিরুদ্ধে সোচ্চার আছে। তাই আমি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে এই কথাটা এজন্য বলেছি যে, যাতে করে বাংলাদেশে মৌলবাদের উত্থান না হয়, এই জন্য আমেরিকা সরকার যাতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে কাজ করতে পারে। আমি এজন্যই তাদের কাছে বলেছি।
আপনি যে কথা বলেছেন, মানুষ মনে করছে এটা দেশের অনেক সম্মান ক্ষুণ্ন করেছে। আপনাকে তো মানুষ ভালোভাবে নেয়নি। এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমি বাংলাদেশের মানুষের তো কোনো দোষ দেখছি না। কিছুসংখ্যক মানুষ এই বিষয়টাকে ভিন্নদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার জন্য এই কথাগুলো বলছে। কিন্তু সাম্প্রদায়িকতা এবং মৌলবাদের বিরুদ্ধে এই সরকার যুদ্ধ করছে। এবং আমি মনে করি সরকার আমাকে যেমন সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করবে এবং আমার পরিবারকেও সর্বাত্মকভাবে সহায়তা করবে। কারণ সরকার যে কাজটা করছে, আমি শুধু এটা শক্তিশালী করার জন্য এই কথাগুলো বলেছি।
সরকারতো বলছে আপনার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে? এ প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, আমি মনে করি না। যখন তারা প্রকৃত সত্যটা জানতে পারবে আমার এ কথার মাধ্যমে। বিভিন্ন ধরনের জনগোষ্ঠী বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর কথা বলছে। যখন নীতিনির্ধারক পর্যায়ে কথাগুলো শুনবেন তখন তারা বুঝতে পারবেন। আমার ব্যবস্থা নেয়ার পরিবর্তে আমাকে পাশে নিয়ে মৌলবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন।
আপনি এ ধরনের কথার মধ্য দিয়ে দেশের মুসলিম সম্প্রদায়ের লোকদের এক ধরনের প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছেন? এমন প্রশ্নে প্রিয়া বলেন, আমার বাড়িটা যখন পুড়িয়ে দেয়া হলো। ২০০৪ সাল থেকে ৩০০ একর জমি মুজিবর রহমান শামিম প্রাক্তন উপজেলা চেয়ারম্যান, সিরাজ মোল্লা, শওকত মোল্লা নজরুল সর্দারসহ একটি সন্ত্রাসী গ্রুপ আমাদের গ্রামের সকল সম্পত্তি নিয়ে যায়। প্রায় ১০০ মাছের ঘেরের সব মাছ নিয়ে যায়। এবং আমার বাড়িটা পুড়িয়ে দেয়া হয়েছে মার্চ মাসের ২ তারিখে। এ বছরের ২২শে এপ্রিল আমার গ্রামে আবার আক্রমণ চালানো হয়েছে। আমার বাড়ি যখন পুড়িয়ে দেয়া হয় তখন দেলোয়ার ফোন করে জানায়। সে প্রায় ৩০ মিনিট ধরে হাউমাউ করে কাঁদে। আমি তার আর কান্না থামাতে পারি না। আমাদের বাড়িতে যখন হামলা হয় তখন অনেক মুসলমানরাও আহত হয়। অবশ্যই মুসলমান-হিন্দুরা কোনো শত্রু না। ৯৯ শতাংশ মানুষ বন্ধু। কিন্তু কিছু দুষ্টুলোক আছে যারা এই ঘটনাগুলো ঘটায়।
প্রশ্নকর্তা বলেন, বুঝতে পারছি আপনার রাগ ক্ষোভ আছে। আপনি গ্রিনকার্ড বা নাগরিকত্ব পাওয়ার আশায় এমনটা বলেছেন কিনা?
জবাবে প্রিয়া বলেন, গ্রিনকার্ড পাওয়ার জন্য কী প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে হয়। আমি বহুবার আমেরিকায় এসেছি। আমি বলেছি আমি দেশে থাকতে চাই। ওটাই আমার প্রথম কথা, ওটাই আমার শেষ কথা। আপনি তাহলে দেশে ফিরবেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, অবশ্যই ফিরবো, কেন ফিরবো না।
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেবে না সরকার: ওবায়দুল কাদের
দেশের সংখ্যালঘু সমপ্রদায়ের বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে অভিযোগকারী প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে তড়িঘড়ি ব্যবস্থা নেবে না সরকার। তার বিরুদ্ধে মামলা না করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গতকাল এ তথ্য জানান। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ঢাকা মেট্রোরেল নেটওয়ার্কের সময়বদ্ধ পরিকল্পনার ব্র্যান্ডিং বিষয়ক সেমিনার এবং লাইসেন্স হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি। এসময় ওবায়দুল কাদের বলেন, তাকে দেশে ফিরে এসে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেয়া হবে। প্রিয়া সাহা ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে এ ধরনের বক্তব্য কেন দিয়েছেন? সেটা দেশে ফিরে এলে আমার মনে হয়, তারও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা উচিৎ। আমাদের নেত্রী তিনি গতরাতে আমাকে একটা মেসেজ পাঠিয়েছেন, যেখানে তড়িঘড়ি করে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন। ওবায়দুল কাদের বলেন, প্রিয়া সাহা আসলে কি বলেছেন, কি বলতে চেয়েছেন, তার একটা পাবলিক স্টেটমেন্ট করা উচিৎ। তারও আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থাকা উচিৎ। তার আগে কোনো লিগ্যাল প্রসিডিংস না করতে, মামলা না করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। আজকে আমাদের মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রী একটা মামলা করতে চেয়েছিলেন, আমি তাকে এ ধরনের মামলা করতে না করেছি। আইনমন্ত্রীর সঙ্গেও আমার এ ব্যাপারে কথা হয়েছে। প্রিয়া সাহার ব্যক্তিগত বাড়িঘর, তার সম্পদ যাতে প্রটেকক্টিভ রিজার্ভ থাকে সেজন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ জানিয়ে দিয়েছি। তিনি বলেন, একজন ব্যারিস্টার রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা করতে চেয়েছিলেন। আমাকে আইনমন্ত্রী জানিয়েছেন এটা অগ্রাহ্য করা হয়েছে। সরকারের অনুমতি ছাড়া রাষ্ট্রদ্রোহী মামলাও করা যায় না। তাছাড়া যিনি এ ব্যাপারে অভিযোগ করেছেন, সে অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রিয়া সাহার বক্তব্যও আমাদের ভালো করে জানা দরকার, জাতির জানা দরকার। তার আগে স্টেপ নেয়া যাবে না। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এ বিষয় নিয়ে আমি হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের রানা দাশগুপ্তের সঙ্গে আলাপ করেছি। তিনি বলেছেন, এই বিষয়টি প্রিয়া সাহার ব্যক্তিগত বক্তব্য। এই বক্তব্যের সঙ্গে হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের কোনো সম্পর্ক নেই।
ওবায়দুল কাদের জানান, মহান স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ২০২১ সালের ১৬ই ডিসেম্বর মেট্রোরেল রুট-৬’র যাত্রী পরিবহন শুরু হবে। এটা চালু করার আগে ভৌত কাজ এবং পরীক্ষামূলক চলাচল সম্পন্ন হবে। এছাড়া ২০৩০ সালের মধ্যে আরও চারটি রুট নির্মাণ করা হবে। এ রুটগুলোতে উড়াল অংশের পাশাপাশি পাতাল রেলও থাকবে। তিনি বলেন, সময়াবদ্ধ পরিকল্পনার আওতায় হযরত শাহজালাল বিমানবন্দর হতে কমলাপুর এবং নতুন বাজার হতে পিতলগঞ্জ পর্যন্ত প্রায় ৩১ কি.মি. দীর্ঘ মেট্রোরেল রুট-১ এর কাজ শুরুর লক্ষ্যে কার্যক্রম এগিয়ে চলেছে। এ রুটে ১১ কি.মি. পাতাল রেল থাকছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইতোমধ্যে এ রুটের সম্ভাব্যতা যাচাই, পরিবেশগত সমীক্ষা এবং মূল নকশার কাজ শেষ হয়েছে। প্রায় ৫২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি অংশে বিভক্ত মেট্রোরেল রুট-১ এর কাজ ২০২৬ সালের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি বলেন,মহানগরীর হেমায়েতপুর হতে ভাটারা পর্যন্ত ২০ কি.মি. দীর্ঘ মেট্রোরেল রুট-৫ এর সাড়ে ১৩ কি.মি. থাকছে পাতাল রেল। এ রুটের অপর অংশ গাবতলী হতে দাশেরকান্দি পর্যন্ত প্রায় ১৭ কি.মি. দীর্ঘ। মেট্রোরেল রুট-৫ এর পরামর্শক নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে এবং বিস্তারিত নকশা প্রণয়নের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য এনামুল হক, রেজওয়ান আহম্মদ তৌফিক, মো. ছলিম উদ্দীন তরফদার, ডিএমটিসিএল’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম.এ.এন ছিদ্দিক, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অতিরিক্ত সচিব শিশির কুমার রায়, মেট্রোরেল রুট-৬ এর প্রকল্প পরিচালক আফতাব উদ্দিন তালুকদার, মেট্রোরেল রুট-১ এর প্রকল্প পরিচালক প্রকৌশলী সায়েদুল হক উপস্থিত ছিলেন।
প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে দুই মামলার আবেদন খারিজ
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছে বাংলাদেশি সংখ্যালঘুদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে প্রিয়া সাহার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ দুই মামলার আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আদালত। রাষ্ট্রদ্রোহের মামলায় সরকারের অনুমতি না থাকায় মামলা দুটি খারিজ করা হয়।
গতকাল ঢাকা মহানগর হাকিম জিয়াউর রহমানের আদালতে আইনজীবী ব্যারিস্টার সায়েদুল হক সুমন একটি মামলা করেন। এছাড়া মহানগর হাকিম আবু সুফিয়ান মো. নোমানের আদালতে আইনজীবী ইব্রাহিম খলিল অপর মামলাটি করেন। পরে আদালত দুই বাদীর জবানবন্দি রেকর্ড করে মামলা ২টি খারিজ করে দেন। ব্যারিস্টার সুমনের আইনজীবী আবুবকর সিদ্দিক জানিয়েছেন আইনগত বাঁধা থাকায় সুমনের মামলা খারিজ হয়েছে। আর ইব্রাহিম খলিলের আইনজীবী রাশেদা আক্তার জানিয়েছেন, বাদী সরকারি প্রতিনিধি না হওয়ায় খলিলের মামলা খারিজ করেছেন আদালত।
আদালতসূত্রে জানা যায়, দুই বাদী মামলার আবেদনে উল্লেখ করেছেন, গত ১৭ই জুলাই সাম্প্রদায়িক নিপীড়নের শিকার বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিদের সঙ্গে হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশি প্রিয়া সাহা ৩ কোটি ৭০ লাখ ধর্মীয় সংখ্যালঘু গুম এবং তার নিজের বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও জমি দখলের অভিযোগ করেন। মুসলিম মৌলবাদী গ্রুপ এগুলো করছে এবং সবসময় তারা রাজনৈতিক শেল্টার পাচ্ছে বলেও ট্রাম্পকে বলেন প্রিয়া সাহা। আসামির এ ধরনের অভিযোগ শান্তিপ্রিয় বাংলাদেশের মানুষের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং তিনি এর মাধ্যমে দেশের মধ্যে ধর্মীয় ভেদাভেদ তৈরি করেন। যা দেশকে অস্থিতিশীল ও বিদেশী রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ করার পাঁয়তারা করেছে বলে খারিজ করা মামলায় উল্লেখ করা হয়।
ট্রাম্পের কাছে দেয়া মিথ্যা বক্তব্য সম্পূর্ণ রাষ্ট্রদ্রোহের শামিল উল্লেখ করে আসামি স্বাধীন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ আনা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি -সজীব ওয়াজেদ জয়

সেখানে বলেছেন তারা অংশগ্রহণকারীদের কথাবার্তার উপর কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করেন না। কিন্তু যখন তাদের একজন মনোনীত অংশগ্রহণকারী তাদেরই রাষ্ট্রপ্রধানের কাছে কোনো ভয়ংকর মিথ্যা বক্তব্য দিলেন, তাদের উচিত ছিল তাৎক্ষণিকভাবে তার প্রতিবাদ জানানো, যা তারা করেননি।
জয় বলেন, এই বিষয়টি থেকে কিন্তু মার্কিন দূতাবাসেরই দুরভিসন্ধি প্রকাশ পায়। তারা জেনেশুনেই প্রিয়া সাহাকে বাছাই করে কারণ তারা জানতো উনি এই ধরণের ভয়ঙ্কর মিথ্যা মন্তব্য করবেন। এই ধরণের কাজের পিছে একটাই কারণ চিন্তা করা যায়: মানবিকতার দোহায় দিয়ে আমাদের এই অঞ্চলে সেনা অভিযানের ক্ষেত্র প্রস্তুত করা। মনে রাখা ভালো কয়েকদিন আগেই মার্কিন এক কংগ্রেসম্যান একটি বক্তব্যে বলেছিলেন বাংলাদেশের মায়ানমারের রাখাইন রাজ্য দখল করা উচিত। মার্কিন দূতাবাস যে আওয়ামী লীগ বিরোধী তা নতুন কিছু নয়। তাদের সকল অনুষ্ঠানেই জামায়াত নেতাকর্মীরা ও যুদ্ধাপরাধীরা নিয়মিত আমন্ত্রিত হতেন। প্রিয়া সাহার মিথ্যা বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তাদের সরাসরি আধিপত্য বিস্তারের ষড়যন্ত্র পরিষ্কারভাবেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সৌভাগ্যবশত, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প ও তার সরকার অন্যান্য দেশের আভ্যন্তরীন বিষয়ে হস্তক্ষেপ করার নীতিতে বিশ্বাসী নন। তারা এই ধরণের ভয়ঙ্কর মিথ্যা দাবি বিশ্বাস করার মতন বোকাও নন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি

হয়ে পড়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। গতকাল সকাল থেকে ক্যাম্পাসের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে শিক্ষার্থীরা। এতে কার্যত অচল হয়ে পড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম। দুপুরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন স্থগিত করলেও অনির্দিষ্টকালের জন্য ক্লাস পরীক্ষা বর্জন ও বিক্ষোভ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে। এদিকে বিকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ সাংবাদিকদের বলেন, শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনে সমর্থন ও সহানুভূতি রয়েছে। কিন্তু অধিভুক্তি বাতিলের এখতিয়ার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নেই।
এ সময় আলাদাভাবে সাত কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালিত হবে বলে জানান সাত কলেজের সমন্বয়কারী ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম। সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র শাকিল মিয়া মানবজমিনকে বলেন, আলাদাভাবে শিক্ষাকার্যক্রম পরিচালনা নয়, আমাদের দাবি ছিল সাত কলেজ বাতিল। যেহেতু প্রশাসন আমাদের দাবি মেনে নেয়নি, সেহেতু আগামীকাল থেকে আমাদের কর্মসূচি যথারীতি চলবে।
জানা গেছে, পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী সাত কলেজ বাতিলের দাবিতে গতকাল সকাল ৭টা থেকে ক্যাম্পাসের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা দেয় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। সকাল ৮টার দিকে এসব ভবনে তালা খুলতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় ভবনগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের। শিক্ষার্থীরা নিজেদের দাবিতে অনড় থেকে ক্লাস ও পরীক্ষায় অংশ নেয়া থেকে বিরত থাকে। বাকবিতণ্ডা হয় বেশ কয়েকটি বিভাগের শিক্ষকদের সঙ্গেও। সহস্র শিক্ষার্থী বিক্ষোভ করতে থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনগুলোর সামনে। সকাল সোয়া ৯টার দিকে নিজ কার্যালয়ে প্রবেশ করতে গিয়ে শিক্ষার্থীদের বাধার মুখে পড়েন প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। শিক্ষার্থীরা প্রো-ভিসির গাড়ি আটকিয়ে স্লোগান দিতে থাকে। একপর্যায়ে গাড়ি থেকে নেমে প্রো-ভিসি শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সমর্থন আছে জানিয়ে আলোচনায় বসার আহ্বান জানান। কিন্তু এতে সায় দেয়নি আন্দোলনকারীরা। তারা সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলনে থাাকার ঘোষণা দেয়। তীব্র আন্দোলনের মুখে বন্ধ থাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম।
দুুপুরে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে। এ সময় উত্তেজিত শিক্ষার্থীরা ‘প্রসাশন করে কী, খায় দায় ঘুমায় নাকি’, ‘নির্লজ্জ প্রশাসন, ধিক্কার, ধিক্কার’, ‘ঢাবির সম্মান, নষ্ট হতে দেবো না’, ‘সাত কলেজ বাতিল চাই’, ‘রক্তে ঢাবির সম্মান, সাত কলেজ বেমানান’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন। দুপুর সাড়ে ১১টার দিকে ভিসির বাস ভবনের সামনে প্রায় ঘণ্টা খানেক অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করে আন্দোলনকারীরা। এতে সংহতি জানান ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক আসিফ তালুকদার। এ সময় আখতার ও আসিফ শিক্ষার্থীদের দাবির যৌক্তিক সমাধান প্রত্যাশা করেন। আখতার হোসেন বলেন, কোনো ধরনের পূর্ব পরিকল্পনা ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সাত কলেজকে অধিভুক্তি করা যে ভুল ছিল তা আজ প্রমাণিত। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের যেখানে ৩৭ হাজার শিক্ষার্থীর দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা নেই সেখানে অতিরিক্ত ২ লাখ শিক্ষার্থীর দায়িত্ব নেয়া ছিল অন্যতম ভুল। তাই আমরা অবিলম্বে এসব কলেজের অধিভুক্তি বাতিল চাই। এসব কলেজের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। ভিসি চত্বর থেকে আন্দোলনকারীরা দুপুর ১টার দিকে রাজু ভাস্কর্যে সমাবেশ করে। এ সময় আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র শাকিল মিয়া বলেন, আমরা আজকের মতো স্থগিত করছি।
আগামীকাল থেকে ফের চলবে আমাদের কর্মসূচি। এ সময় তিনি দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস পরীক্ষা বর্জন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। এদিকে বিকালে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়ে প্রো-ভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ বলেছেন, অধিভুক্তি বাতিলের এখতিয়ার আমাদের নেই। এটা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্ত। আমরা যেটা পারি সেটা হচ্ছে এটাকে নতুন করে সাজাতে এবং শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে। যাতে করে আমাদের শিক্ষার্থীদের কোনো স্বাভাবিক কাজে ব্যাঘাত না ঘটে। তিনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির প্রতি আমাদের সমর্থন ও সহানুভূতি রয়েছে।
শিক্ষার্থীদের প্রশাসনিক ভবনে তালা ও ক্লাস পরীক্ষা বর্জন আমাদের অনেক কার্যক্রম ব্যাহত করেছে। উদ্বুদ্ধ সমস্যা সমাধানে আমরা ডাকসু নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করেছি। তারা আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং শিক্ষার্থীরা জানেন না এমন কিছু তথ্য প্রদান করবেন। আশা করি, শিক্ষার্থীরা ক্লাসে ফিরবে এবং বাকি সিদ্ধান্ত ভিসি অধ্যাপক আখতারুজ্জামান চীন থেকে ফিরলে নেয়া হবে। এ সময় সাত কলেজের শিক্ষাকার্যক্রম আলাদাভাবে পরিচালনা করা হবে বলে জানান সাত কলেজের সমন্বয়ক অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াতুল ইসলাম। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সঙ্গে ওই সাত কলেজের শিক্ষা পরিচালনার কোনো সম্পৃক্ততা থাকবে না। ঢাবি শিক্ষার্থীদের শিক্ষায়ও কোনো ব্যাঘাত হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা

এরপর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে পিটিয়ে আহত করা হয়। একদিন মেডিকেলে চিকিৎসা গ্রহণ শেষে লাকী ফিরেছেন বাসায়। কিন্তু এ ঘটনায় ক্ষোভ দেখা দিয়েছে এলাকায়। কাউন্সিলরের ওপর হামলার বিষয়টি মেনে নিতে পারছেন না কেউ।
তবে লাকীর এ ঘটনার জন্য পূর্বের ঘটনাকে দায়ী করেছেন। এ জন্য তিনি দায়ী করেছেন পাশের ওয়ার্ডের আরেক কাউন্সিলরকে। সিলেট নগরীর উপশহরের এবিসি পয়েন্ট। নগরবাসীর কাছে পরিচিত এই পয়েন্ট। নানা ঘটনার উর্বর স্থান এটি। আছে রাজনীতিও। স্থানীয় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের একটি গ্রুপের আড্ডাস্থল। হয় ছিনতাইও। মাদক বিকিকিনির অভিযোগও আছে ওই পয়েন্টে। এ কারণে আগে বেশ কয়েকবার এই পয়েন্টে অভিযান চালিয়েছে র্যাব ও পুলিশ। এই পয়েন্টকে ঘিরে গত শনিবার থেকে ফের উত্তেজনা দেখা দিয়েছে এলাকায়।
আর এবারের উত্তেজনার কারণ হচ্ছে স্থানীয় ২২, ২৩ ও ২৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেবেকা আক্তার লাকীর ওপর হামলা। হাসপাতাল থেকে বাসায় ফিরে আসার পর কাউন্সিলর রেবেকা আক্তার লাকী মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তার বাসা হচ্ছে এবিসি পয়েন্টেই। ছায়ালোক ২৮ নম্বর বাসার বাসিন্দা তিনি। শনিবার বিকালে তিনি বাসার নিচে দাঁড়িয়ে সবজি কিনছিলেন। এমন সময় দেখেন তার বাসার সামনেই দু’দল যুবক মারামারি করছে। তাদের হাতে দেশে তৈরি অস্ত্র। তিনি এগিয়ে যান। তাদের শান্ত করার চেষ্টা করেন। এমন সময় নাবিল নামের এক যুবক এসে তাকে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এবং সাইদুলসহ কয়েকজন এসে তাকে লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি মারধর করে। পরে স্থানীয় এলাকাবাসী ও পুলিশ চলে আসলে তারা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় আহত হলে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ষ্ঠ তলার ৬০১ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়। শনিবার সন্ধ্যায় ভর্তির পর গতকাল দুপুরের পর তিনি রিলিজ নিয়ে বাসায় ফিরে এসেছেন।
ডাক্তাররা তাকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বলে জানান। কাউন্সিলরের স্বামী আব্দুল মালেক জানিয়েছেন, কাউন্সিলর লাকীর ওপর এই হামলা পরিকল্পিত। যারা শনিবার লাকীর ওপর হামলা করেছে তারা আগেও বাসায় হামলা করেছিল। তিনি বলেন, উপশহরে ২২ নং ওয়ার্ডের আওতাধীন একটি বাসার স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি সালিশের জন্য এসেছিল কাউন্সিলর লাকীর কাছে। পরে লাকী বিষয়টি শেষ করে দেয়ার জন্য স্থানীয় উপশহর ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সোহেল রানার কাছে তাদের পাঠান। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেন ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিল সালেহ আহমদ সেলিম। এই ঘটনার জের ধরে উপশহরের যুবলীগ ও ছাত্রলীগের অংশটি তার বাসায় হামলা করে। এ ঘটনার পর সিলেটের বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডের কাউন্সিলররা তাদের বাসায় এসেছিলেন। তারা বিষয়টি নিয়ে মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর কাছে বিচারপ্রার্থী হয়েছিলেন। মেয়র বিষয়টি দেখে দেবেন বলে আশ্বস্ত করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই লাকীর ওপর হামলার ঘটনা ঘটলো। মেয়রের কাছে বিচার চাওয়ার কারণে লাকীর পক্ষ থেকে থানায় মামলা করা হয়নি বলে জানান তিনি।
মালেক জানান, এবারের ঘটনায় তার এলাকা তেররতনের মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা বিষয়টি নিয়ে সামাজিকভাবে বসবেন। এবং পরবর্তী করণীয় তারা নির্ধারণ করবেন। আর লাকী সুস্থ হয়ে উঠলে এ ব্যাপারে মামলা দায়ের করবেন বলে জানান। তবে কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলার ঘটনা তাকে জানানো হয়নি বলে জানিয়েছেন ২২ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সালেহ আহমদ সেলিম। এ জন্য বিষয়টি তিনি জানেন না। লাকীর সঙ্গে তার কোনো বিরোধ নেই। বরং সহকর্মী হিসেবে তারা এক সঙ্গে উপশহরের মানুষের সেবা করছেন বলে জানান। তিনি বলেন, যুবলীগের সম্মেলনকে কেন্দ্র করে এবিসি পয়েন্টে শনিবার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিবদমান দু’গ্রুপের মারামারির বিষয়টি তিনি শুনেছেন।
পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এর বেশি তার কিছু জানা নেই বলে জানান সেলিম। এদিকে উপশহর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সোহেল রানা জানিয়েছেন, কাউন্সিলর সেলিমের পক্ষের নেতাকর্মীরা উপশহরের এবিসি পয়েন্টে ছিল। এ সময় বহিরাগত কিছু যুবক ওই পয়েন্টে এলে উত্তেজনা দেখা দেয়। রেবেকার ওপর আঘাত করেছে বহিরাগতরা। হামলাকারীকে তারা খুঁজছেন বলে জানান। এ ঘটনায় মামলা হলে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে জানান সোহেল রানা। এদিকে স্থানীয় তেররতন এলাকার লোকজন জানিয়েছেন, বেশ কয়েকটি এলাকার প্রবেশমুখ হচ্ছে এবিসি পয়েন্ট। এ কারণে ওই পয়েন্টের গুরুত্ব বেড়েছে। আগেও এ পয়েন্টে মিন্নত নামের এক যুবকের হাত কর্তন করা হয়েছিল। নানা ঘটনার কারণে পয়েন্টটি এলাকার মানুষের কাছে আতঙ্কের জনপদে পরিণত হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এটি ক্ষমার অযোগ্য পাপ: আল-ওয়েফাক
| আল-ওয়েফাক জোটের কার্যালয় |
আল-ওয়েফাক বলেছে, দখলদার ইসরাইলি মন্ত্রীর সঙ্গে পরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক করার পর এ সরকার ক্ষমতায় থাকার সমস্ত বৈধতা হারিয়েছে। গত শুক্রবার এক বিবৃতিতে আল-ওয়েফাক এসব কথা বলেছে। এতে বলা হয়- তেল আবিবের সঙ্গে মানামার সম্পর্ক দিন দিন ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠায় দেশের সম্মান বাড়ছে না।
কিছু গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক, সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠন এ বৈঠকের যে প্রশংসা করেছে তারও নিন্দা জানিয়েছে আল-ওয়েফাক।
আমেরিকা সফরের সময় গত বুধবার ইসরাইল ও বাহরাইনের মন্ত্রী বৈঠক করেন। তেল আবিব এবং মানামার মধ্যে এই প্রথম এমন প্রকাশ্য কোনো বৈঠক হলো। ইসরাইলি মন্ত্রী বৃহস্পতিবার এক টুইটার পোস্টে বৈঠকের খবর নিশ্চিত করেন।
| ইসরায়েল কাৎজের সঙ্গে (বামে) শেখ খালিদ বিন আহমাদ আলে খলিফা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্কুলছাত্র, রিকশা চালকরা জবি ছাত্রলীগের কর্মী!

সরেজমিনে দেখা যায়, সম্মেলনের প্রস্তুতি কমিটির ১ নম্বর যুগ্ন আহ্বায়ক জামাল উদ্দিনের কর্মীদের অধিকাংশই টোকাই, স্কুলপড়ুয়া, রিকশা চালক আর শ্রমিক। এছাড়া স্কুলছাত্র, টোকাইদের টাকার বিনিময়ে কর্মী সাজিয়ে নিয়ে আসার অভিযোগ উঠেছে সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নাজমুল আলম, আল আমিন শেখ, তারেক আজীজ, সৈয়দ শাকিলের বিরুদ্ধেও।
অছাত্রদের কর্মী হিসেবে উপস্থাপনের ঘটনায় অনেক জবি ছাত্রলীগ কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। সাদ্দাম হোসেন নামের এক ছাত্রলীগ কর্মী বলেন, টাকা দিয়ে টোকাই, শ্রমিকদের নিজের কর্মী দাবি করে কি লাভ। এদের কারণে আমরা ঠিকমতো কোথাও বসতেও পারিনি।

বিরক্তি প্রকাশ করেছেন খোদ জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান। বহিরাগতরা প্রশাসনিক ভবনের ভেতরে ঢুকে ভিসির সামনে জোরে জোরে স্লোগান দিতে থাকলে তিনি বলেন, যারা আমাকে চিনে না, তারা আমার শিক্ষার্থী নয়। এরা বহিরাগত। পরে এদেরকে ভবন থেকে বের করে দিতে বলেন ভিসি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ছাত্রলীগ নেতাদের কয়েকজন নিজেকে ব্যস্ত দাবি করে পরে কথা বলবেন বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে হোয়াইট হাউসে পৌঁছান প্রিয়া সাহা

সেগুনবাগিচার বিবৃতিতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে- বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের উদ্দেশ্যেই প্রিয়া এই ধরনের বানোয়াট ও কল্পিত অভিযোগ করেছেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানিয়েছেন, দেশে ফিরলেই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ধরণের খবর দেয়ার পেছনে নিশ্চয়ই কোন কারণ ও উদ্দেশ্য আছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে সেই উদ্দেশ্য সম্পর্কে নিশ্চিত হব।
শুধু তা-ই নয়, ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও শক্ত প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। বলেছেন, প্রিয়ার বক্তব্য রাষ্ট্রদ্রোহীতা। তাকে অবশ্যই আইনের আওতায় আনা হবে। তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহীতার অভিযোগে মামলা করার ইঙ্গিতও দেন সরকারের প্রভাবশালী এ মন্ত্রী। তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই একাট্টা। হিন্দু বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রানা দাসগুপ্ত এরই মধ্যে তার সংগঠনের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন। জানিয়েছেন- তিনি বা তার সংগঠন প্রিয়া সাহার কোন দায় নিবে না। প্রশ্ন ওঠেছে, প্রিয়া সাহা যে বক্তব্য দিয়েছেন এটা কী আচমকাই তিনি দিলেন? নাকি অনেক দিন ধরে তিনি এমনটা ধারণ করছিলেন, সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। এটাও বড় জিজ্ঞাসা আজ- পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন প্রধান ৪ ধর্মের সরকারি প্রতিনিধি দল স্টেট ডিপার্টমেন্টের আমন্ত্রণে ওয়াশিংটন গেলেও আলাদাভাবে যাওয়া প্রিয়া সাহা হোয়াইট হাউজে নিমন্ত্রণ পেলেন কিভাবে? বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি হিসাবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট প্রিয়া সাহাকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়ে তার দুর্ভোগের কথা শুনতে নিয়ে যাচ্ছে, তিনি প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ পাচ্ছেন, এমন আগাম কোন তথ্য কী পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা ওয়াশিংটনস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের কাছে ছিল? অনেক প্রশ্নের অবতারণা হচ্ছে এখন। সরকারের প্রতিনিধিদের সফলতা-ব্যর্থতার মূল্যায়ণের সময় এখন নয়, কিন্তু তারপরও প্রশ্ন আসছে বানের পানির মত। এ ঘটনা কী পূর্ব-পরিকল্পিত।
এটা কি রাষ্ট্র বা সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কোন ষড়যন্ত্র? যদি এর জবাব সত্যিই হ্যাঁ বোধক হয়, যেমনটা সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীরা ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তাহলে প্রশ্ন আসে একজন প্রিয়া সাহা কি এটি করেছেন নাকি তার পেছনে আর কেউ আছে? সরকারের প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন তারা সমন্বিতভাবে এটা জানা এবং বুঝার প্রাণান্তকর চেষ্টা করছেন। নেট দুনিয়ায় অবশ্য এর কিছু কিছু এরই মধ্যে আসতে শুরু হয়েছে। সব সত্য নয়, আবার সব মিথ্যাও নয়- বলছেন সরকারের প্রতিনিধিরা। তারা এ-ও বলছেন, এটা নিছক তার পলিটিক্যাল অ্যাসাইলামের জন্য নয়। আমেরিকায় রাজনৈতিক আশ্রয় পাওয়ার জন্য প্রেসিডেন্টের কাছে নালিশ, তাও আবার মিথ্যা তথ্য এবং অসত্য বক্তব্য দিয়ে! এটা ঠিক মিলে না। বার্তা সংস্থা বিডি নিউজ অবশ্য একটি বিষয় নোটিশে এনেছে, তা হল ওয়াশিংটন ডিসিভিত্তিক ‘হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন’র কর্মকর্তা জয় ক্যানসারার উদ্যোগে প্রিয়া সাহা যুক্তরাষ্ট্র সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়েছেন। কে এই জয় ক্যানসারা, তার সঙ্গে প্রিয়া সাহার ব্যক্তিগত না সাংগঠনিক যোগাযোগ এটা স্পষ্ট নয়। কিন্তু ওই বক্তব্যের যে যোগসূত্র রয়েছে সেটি ‘হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন’-এর টুইটার ঘেঁটে কিছুটা হলেও অনুমেয়। সেখানে একটি সেলফি রয়েছে ৩ জনের। জয়, প্রিয়া এবং স্টেট ডিপার্টমেন্টের ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক দূত স্যাম ব্রাউন বেক। ১৮ই জুলাই প্রকাশিত ওই টুইট বার্তায় বলা হয়- “হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশনের জয় ক্যানসারা অ্যাম্বাসেডর স্যাম ব্রাউন বেক এর সঙ্গে তার স্মরণীয় মূহুর্তটি শেয়ার করেছেন। আমাদের বন্ধু প্রিয় বালা বিশ্বাস ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ক মন্ত্রী পর্যায়ের ওই বৈঠকে স্টেট ডিপার্টমেন্টের আমন্ত্রিত অতিথি হয়ে এসেছেন।
তিনি সেই ঘটনাগুলো শেয়ার করতে এসেছেন যে, বাংলাদেশে কিভাবে ইসলামিস্ট গ্রুপগুলো হিন্দুদের নির্যাতন করেন।” ওই টুইট বার্তার বরাতে সরকারের দায়িত্বশীল এক প্রতিনিধি বলছেন, প্রিয় সাহা যে এটি বলতেই গেছেন তা হিন্দু আমেরিকার ফাউন্ডেশন ও জয় ক্যানসারা আগে থেকেই জানতেন। তারা যে এটি বলার জন্য প্রেসিডেন্ট পর্যন্ত তাকে পৌঁছাতে সাহায্য করেছেন, লবিং করেছেন সেটা এখন অনেকেই বিশ্বাস করছেন। ওয়াশিংটনের এক কর্মকর্তা অবশ্য এর সঙ্গে আরেকটু যুক্ত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, বিষয়টি এমন নয় যে, প্রিয় সাহা আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। সব পথ-ঘাট তার জানা। তাকে ঢাকা থেকে নেয়া হয়েছে বিশেষ আমন্ত্রণ জানিয়ে। এটাও বলাবলি আছে যে তার নাকি ফ্লাইট মিস হয়েছিল। তিনি পরবর্তী বিমান ধরেছেন। কিন্তু তার পেছনে যে বা যারা আছেন তারা যে প্রভাবশালী এটি মানছেন ওই কর্মকর্তা। জয় ক্যানসারার প্রোফাইল ঘেঁটে জানা যায়, তিনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে বিশেষ করে ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগের কাজটি করে থাকেন। পরিচালক পদ মর্যাদায় তিনি সেখানে কর্মরত। স্বেচ্ছাসেবী ওই প্রতিষ্ঠানে ক্যানসারা খুবই সক্রিয়। দুনিয়ার বিভিন্ন দেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সঙ্গে তার ঘনিষ্ট যোগাযোগ রয়েছে।
মিথ্যা তথ্যে প্রিয়ার হোয়াইট হাউজে প্রবেশ: প্রিয়া সাহা বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খৃষ্টান ঐক্য পরিষদের অন্যতম সাংগঠনিক সম্পাদক। ওই সংগঠনের আরও অন্তত ১০ জন সাংগঠনিক সম্পাদক রয়েছেন। প্রিয়া কোনকালেই ওই সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন না। কিন্তু তিনি হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করেছেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক পরিচয়ে। ফ্রিডম হাউজ নামক একটি ওয়েব সাইটে হোয়াইট হাউজের বরাতে ওই দিনে বিভিন্ন দেশের যে ২৭ জন ব্যক্তি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শুনানিতে বক্তব্য দিয়েছেন, তাদের প্রত্যেকের পরিচয় প্রকাশ করা হয়েছে। পাঠকদের বিবেচনায় বাংলাদেশি প্রিয়া সাহা প্রদত্ত পরিচয় ইংরেজিতে প্রকাশ করা হলো- "Priya Biswas Saha, a Hindu from Bangladesh who serves as General Secretary of Bangladesh Hindu-Buddhist-Christian Unity Council"
‘প্রিয়া সাহা’ নাম নিয়েই বিভ্রান্তি: প্রিয় সাহা নাকি প্রিয়া সাহা- ট্রাম্পের কাছে নালিশ করা ওই নারীর নাম নিয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। প্রিয়া নামেই এখন তার সব খবর প্রচার হচ্ছে। এমনকি স্টেট ডিপার্টমেন্টের বরাতে ‘প্রিয়া বিশ্বাস সাহা’ বলে খবর প্রচার হয়েছে। কিন্তু ঢাকায় একটি পত্রিকার ডিক্লারেশনের জন্য করা তার আবেদনে নিজের নাম প্রিয় বালা বিশ্বাস লিখেন। প্রকাশিতব্য ‘দলিত কণ্ঠ’ নামক পত্রিকার প্রকাশক ও সম্পাদক তিনি। তাছাড়া ওই নামে ‘শারি’ নামের বাংলাদেশের দলিত সমপ্রদায় নিয়ে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার পরিচালকও তিনি। পিরোজপুরের মেয়ে প্রিয়া সাহার স্বামী মলয় কুমার সাহা, দুর্নীতি দমন কমিশনের কর্মকর্তা। তাদের দুই মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে পড়াশোনা করেন। ছাত্রজীবনে বাম রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। রোকেয়া হলে ছাত্র ইউনিয়নের নেত্রী ছিলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ওয়াশিংটন ডিসিতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেওর উদ্যোগে তিন দিনব্যাপী ‘ধর্মীয় স্বাধীনতায় অগ্রগতি’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশ নেয়া বাংলাদেশি প্রিয়া সাহা হোয়াইট হাউসে গিয়ে প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে বলেন, বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা মৌলবাদীদের নিপীড়নের শিকার হচ্ছেন। সম্মেলনে অংশ নেয়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ২৭ জন প্রতিনিধিকে গত বুধবার ওভাল অফিসে ডেকে পাঠান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তিনি তাদের দুর্ভোগের কথা শোনেন। সেখানে প্রিয়া সাহা ওই নালিশ জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৯৪৭ সালের পর থেকে দুর্ভোগে ভারতের মুসলিমরা: আজম খান
![]() |
| মুহাম্মাদ আজম খান |
আজম খান বলেন, ‘দেশে খুব শক্তিশালী সরকার রয়েছে। আমরা খুব দুর্বল। ১৯৪৭ সালের পর থেকে আমরা অনেক অপমান ও দুর্ভোগের জীবন কাটিয়েছি। এজন্য আমরা লজ্জিত! মুসলমানরা যদি সে সময় পাকিস্তানে চলে যেতো, তবে তারা এই শাস্তি পেতো না। মুসলিমরা এখানে থাকলে ফল ভোগ করতে হবে। আমাদের পূর্বপুরুষরা এদেশকে নিজেদের স্বদেশ মনে করেছিলেন। এজন্য তারা শাস্তি তো পাবে এবং সহ্যও করবে।’
আজম খান বলেন, ‘আমাদের পূর্বপুরুষরা কেন পাকিস্তানে যায়নি, তা মাওলানা আজাদ, জওহরলাল নেহরু, সরদার প্যাটেল এবং বাপুজিকে (গান্ধীজি) জিজ্ঞেস করুন। তারা মুসলিমদের সঙ্গে ওয়াদা করেছিলেন যে এই দেশ আপানাদের। আমরা দেশ বিভাজনের অংশীদারই ছিলাম না, এজন্য অপরাধীও নই। কিন্তু তার সাজা ভোগ করতে হচ্ছে।’ এখন যে পরিস্থিতিই হোক না কেন মুসলিমরা তার মুখোমুখি হবে বলেও আজম খান মন্তব্য করেন।
মুহাম্মাদ আজম খান উত্তর প্রদেশ সরকারের সাবেক মন্ত্রী। তিনি ১৯৭৪ সালে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাস করেন। রাজনীতিতে যোগ দেয়ার আগে তিনি আইনজীবী হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি ১৯৮০, ১৯৮৫, ১৯৮৯, ১৯৯১, ২০০২, ২০০৭ ও ২০১২ সালে ভারতীয় সংসদের উচ্চকক্ষ রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি লোকসভার সদস্য। সাম্প্রতিক লোকসভা নির্বাচনে তিনি রামপুর আসনে বিজেপি’র তারকা প্রার্থী জয়াপ্রদাকে পরাজিত করে এমপি নির্বাচিত হন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের হাতেই ‘ট্রাম্প কার্ড’! by অর্ণব সান্যাল
![]() |
| প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প |
চীনের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের এই অতিনির্ভরশীলতা তৈরি হয়েছে বিরল ধাতু বা দুর্লভ খনিজ পদার্থ নিয়ে। এই বস্তুগুলোর উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের দিক থেকে চীনের কাছাকাছিও কেউ নেই। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিরল ধাতুর বৈশ্বিক রিজার্ভের ৩৭ শতাংশ আছে চীনে। আর এই বিরল ধাতু ব্যবহৃত হয় নানা কাজে। স্মার্টফোন, উড়োজাহাজ ও চিকিৎসা উপকরণ তৈরিতে প্রয়োজন হয় বিরল ধাতু। যেমন: স্মার্টফোনের স্পিকার তৈরির জন্য নিওডিমিয়াম নামের বিরল ধাতু প্রয়োজন হয়। এই নিওডিমিয়াম দিয়ে তৈরি হয় এক বিশেষ ধরনের চুম্বক। সেই চুম্বকই ব্যবহার করা হয় স্মার্টফোনের স্পিকারে। এ ছাড়া সামরিক কাজেও ব্যবহৃত হয় এসব পদার্থ। বিশেষ করে স্টিলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার তৈরিতেও প্রয়োজন হয় দুর্লভ খনিজ পদার্থ।
![]() |
| সাদা চোখে মনে হচ্ছে, চীনের ওপর ক্রমান্বয়ে চাপ বাড়িয়ে চলেছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু ট্রাম্পের দেশও কিছু ক্ষেত্রে চীনের মুখাপেক্ষী। ছবি: রয়টার্স |
একবিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে বিরল ধাতুর বৈশ্বিক উৎপাদনের প্রায় পুরোটাই ছিল চীনের দখলে। এখন অবশ্য তা কিছুটা কমেছে। ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান সিটি গ্রুপের দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, এখনো বিরল ধাতুর মোট উৎপাদনের ৯০ ভাগ চীন থেকে আসে। বিশ্লেষকেরা বলছেন, চলমান বাণিজ্যযুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিরল ধাতুকে ‘ট্রাম্প কার্ড’ হিসেবে ব্যবহার করতে পারে চীন। কারণ, যদি দেশটি বিরল ধাতুর সরবরাহ বন্ধ করে দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘ মেয়াদে অনেক পণ্যের উৎপাদন বন্ধও করে দিতে হতে পারে।
এরই মধ্যে এ নিয়ে চীন ভাবনাচিন্তা শুরু করে দিয়েছে। চীনা গণমাধ্যম বলছে, গত মাসে দেশটির একটি বিরল ধাতু প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা সফর করেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং। এরপরই চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আনুষ্ঠানিক মুখপত্র পিপলস ডেইলি বিরল ধাতু রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের ধারণা সামনে নিয়ে আসে। পিপলস ডেইলি বলছে, এই একটি পথেই যুক্তরাষ্ট্রকে সীমাহীন ‘যন্ত্রণা’ দিতে পারবে চীন।
![]() |
| দুর্লভ খনিজ উৎপাদন ও প্রক্রিয়াজাতকরণের দিক থেকে চীনের কাছাকাছিও কেউ নেই। মার্কিন জিওলজিক্যাল সার্ভের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিরল ধাতুর বৈশ্বিক রিজার্ভের ৩৭ শতাংশ আছে চীনে। ছবি: রয়টার্স |
যুক্তরাষ্ট্রেও বিরল ধাতুর খনি আছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়্যারড বলছে, ক্যালিফোর্নিয়ার ওই খনিতে আছে বিরল ধাতুর বৈশ্বিক রিজার্ভের মাত্র ১ শতাংশ। কিন্তু এই অল্প পরিমাণ বিরল ধাতুও খনি থেকে উত্তোলনের পর চীনে পাঠাতে হয়। কারণ, চীনেই এসব ধাতু প্রক্রিয়াজাত করা হয়। প্রক্রিয়াজাত করার এই পদ্ধতি যেমন জটিল, তেমনি এর ফলে তেজস্ক্রিয় বর্জ্যও সৃষ্টি হয়। তাই সি চিন পিংয়ের দেশ যদি বিরল ধাতু রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাত করা বন্ধ করে দেয়, তবে দ্রুতই বিপদে পড়বে যুক্তরাষ্ট্র। তবে দীর্ঘ মেয়াদে চীনের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনার চেষ্টা করতে পারে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেশ।
অবশ্য বিরল ধাতুকে অস্ত্র হিসেবে আগেও ব্যবহার করেছে চীন। ২০১০ সালে এসব ধাতুর রপ্তানি বন্ধ করে দিয়েছিল চীন। ২০১২ সালের দিকে এই নিষেধাজ্ঞা চীন প্রত্যাহার করে। ওই সময় থেকেই চীনের ওপর থেকে নির্ভরতা কমাতে কাজ করছে মার্কিন সরকার। তবে এখনো তাতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি।
![]() |
| বিরল ধাতু ব্যবহৃত হয় নানা কাজে। স্মার্টফোন, উড়োজাহাজ ও চিকিৎসা উপকরণ তৈরিতে প্রয়োজন হয় বিরল ধাতু। বিশেষ করে স্টিলথ প্রযুক্তিসম্পন্ন অস্ত্র, ক্ষেপণাস্ত্র ও রাডার তৈরিতেও প্রয়োজন হয় দুর্লভ খনিজ পদার্থ। ছবি: রয়টার্স |
কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্যযুদ্ধে আর্থিক লাভ-ক্ষতি নিয়ে কম ভাবছে দুই পক্ষই। বরং একে-অপরকে কোণঠাসা করায় আগ্রহ বেশি। শেষ পর্যন্ত এটি ক্ষমতা প্রদর্শনের মঞ্চে পরিণত হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে বিরল ধাতু দিয়ে মোক্ষম অস্ত্রই বানাতে পারেন প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং!
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্রেব্রেনিসা গণহত্যায় ডাচ সরকারের দায় ১০ ভাগ -নেদারল্যান্ডস সুপ্রিম কোর্টের রায়

স্রেব্রেনিসার জাতিসঙ্ঘ সেফ জোন থেকে ৩৫০ মুসলমানকে অরক্ষিত অবস্থায় রাখার পর তারা সার্বিয়ান আর্মির হাতে হত্যার শিকার হন। রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয় যেহেতু ডাচ সেনারা আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষী হিসেবে দায়িত্বরত ছিল সেহেতু তাদের এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক আইনি বিচারে রাষ্ট্রীয় দায়বদ্ধতার মধ্যে পড়ে। পাশাপাশি আদালত ডাচ সরকারের পক্ষ থেকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেয়ার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করেন।
সার্ব সেনাদের হাত থেকে বাঁচতে জাতিসঙ্ঘের ‘ডাচ সেফ জোনে’ হাজারো বসনীয় মুসলমান আশ্রয় নিয়েছিল। এদের মধ্যে ৩৫০ জন পুরুষ ছিল যাদের অরক্ষিত অবস্থায় রেখে এক রকম ইচ্ছাকৃতভাবেই মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়া হয়।
১৯৯৫ সালে সার্ব সেনারা বসনিয়ার স্রেব্রেনিসায় মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালায়। সে সময় ৮০০০ মুসলমান নিহত হয়। গণহত্যার শিকার বেশির ভাগই ছিল পুরুষ ও বালক। সেই গণহত্যায় ডাচ সরকারের সম্পৃক্ততা নিয়ে করা একটি মামলায় ২০১৪ সালে রায় দেন নেদারল্যান্ডসের বিচারিক আদালত। ২০১৭ সালে আপিলে বিচারিক আদালতের রায়ের বেশির ভাগ অংশ বহাল রাখেন হেগের আদালত।
সুপ্রিম কোর্ট তার পর্যবেক্ষণে বলেন, ডাচ সেনারা জানত অথবা তাদের জানা উচিত ছিল, বসনিয়ার মুসলমান পুরুষদের শুধু আটক করে রাখা হয়নি, তারা নির্যাতন বা হত্যার প্রকৃত ঝুঁঁকিতে ছিল। সেনারা ইচ্ছাকৃতভাবে অথবা অবৈধভাবে ওই মানুষদের সার্ব সেনাদের হাতে নির্যাতন ও হত্যার জন্য তুলে দেয় বলেও পর্যবেক্ষণে জানায় সুপ্রিম কোর্ট। আদালতের ভাষ্য, একটি ভবনে অরক্ষিত অবস্থায় রাখার মধ্য দিয়ে ওই পুরুষদের বাঁচার সুযোগ রাখা হয়নি।
তবে বিচারকেরা ওই ঘটনায় নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ৩০ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশে নামিয়ে আনেন। এর আগে ২০১৭ সালে হেগের আদালত হত্যায় ডাচ সেনাদের সম্পৃক্ততার মাশুল হিসেবে নেদারল্যান্ডসকে নিহত ব্যক্তিদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণের ৩০ শতাংশ অর্থ দেয়ার রায় দিয়েছিল।
স্রেব্রেনিসা ছিল জাতিসঙ্ঘের ঘোষিত প্রথম কোন ‘সেফ জোন’। সেফ জোন হচ্ছে, কোনো অঞ্চলে চলা গৃহযুদ্ধ এবং রক্তবন্যার মাঝখানে বেসামরিক নাগরিকদের জন্য এমন এক সুরক্ষিত এলাকা যার নিরাপত্তার ভার থাকে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষী বাহিনীর কাছে। উত্তর পশ্চিম বসনিয়ার আরো পাঁচটি শহরকেও জাতিসঙ্ঘ সেফ জোন ঘোষণা করেছিল। স্রেব্রেনিসাতে জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষা মিশনের ৬০০ জন ডাচ সেনা ছিল। ১৯৯৩ এ করা এক চুক্তি মোতাবেক শহরের মুসলিম জনগোষ্ঠীর রক্ষার পূর্ণ দায়িত্ব জাতিসঙ্ঘের- এই ঘোষণা দিয়ে বসনিয়ান মুসলিমদের পুরোপুরিভাবে নিরস্ত্র করা হয়।
১৯৯৫ এর জুলাইয়ে সার্বিয়ান আর্মি যখন চূড়ান্ত আক্রমণ শুরু করল, তখন স্রেব্রেনিসার হাজারো জনগণ গিয়ে ডাচ ক্যাম্পে হাজির হলো। কিন্তু শান্তিরক্ষীরা তাদেরকে রক্ষার বদলে এক প্রকার সার্বিয়ান কসাইদের হাতে তুলে দেয়। জাতিসঙ্ঘ শান্তিরক্ষীদের সামনেই সার্ব আর্মি মহিলা ও শিশুদের থেকে ১২ বছরের ঊর্ধ্বে সব পুরুষকে আলাদা করে ‘জিজ্ঞাসাবাদের’ নামে নিয়ে যায়। প্রায় সপ্তাহব্যাপী চলা এই গণহত্যায় ৮ হাজার পুরুষকে হত্যা করা হয় এবং ২৩ হাজার নারীকে ধর্ষণ করা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লঙ্গরখানা খুলে অমরনাথ যাত্রীদের ক্ষীর খাওয়াচ্ছেন জম্মুর মুসলিমরা

হিন্দু তীর্থযাত্রীরা যাতে স্বাচ্ছন্দ্য সহকারে বার্ষিক অমরনাথযাত্রা করতে পারে তা নিশ্চিত করতেই এমন উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি বলে জানা গিয়েছে। ওয়াফফা ফাউনডেশন নামে একটি এনজিও চালান পারভেজ। ক্ষীর খাওয়ানোর পর তীর্থ যাত্রীদের ফুলের মালা দিয়ে বরণ করে নিচ্ছেন লঙ্গরখানার সদস্যরা। তারপর বাবা বারফানির মন্দিরে যাত্রার উদ্দেশ্যে তীর্থযাত্রীদের সুরক্ষিত এবং সফল যাত্রার শুভ কামনা জানাচ্ছেন।
মুসলিম কবি আলমা ইকবালের একটি শ্লোক টেনে দেশের সমস্ত সম্প্রদায়ের মানুষকেই পারভেজ আহ্বান জানান, যারা জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে এবং দেশে শান্তি ব্যাহত করছে তাদের শিকার না হতে। তিনি বলেন, “মাজাব নাহি শিখাতা আপাস মে বাইর করনা, হিন্দি হ্যাঁয় হাম ওয়াতন হ্যাঁয়, হিন্দুস্তান হামারা।”
সংবাদ সংস্থা এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পারভেজ জানান, এই সম্প্রদায়ের মানুষ হয়েও তিনি চান দেশে সর্বত্র সৌহার্দ্য বিরাজ করুক।”
তিনি আরও বলেন, এই লঙ্গার কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা সারা দেশে শান্তি ও ভালবাসার বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছি। আমরা অমরনাথের সকল তীর্থযাত্রীদের স্বাগত জানাই। আমরা চাই তাদের সকল প্রার্থনা ঈশ্বর পূর্ণ করুন।”
মধ্যপ্রদেশের এক তীর্থযাত্রী চিনটু তোমারের কথায়, “সত্যি বলছি, আমি এই রকম কিছু আশাই করতে পারি নি। কিন্তু আমি খুব খুশি। আমরা একসাথে চলব। ভাত্রিত্ববোধ বজায় রাখব।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সঙ্কটের মূল কারণ by রাজীব শর্মা
এপ্রিল-মে মাসের পার্লামেন্ট নির্বাচনের পর কর্নাটক, মধ্য প্রদেশ ও গোয়ার ঘটনাবলীতে অমীমাংসিত মৌলিক ইস্যুগুলো প্রতিফলিত হয়েছে, যা নিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাদের চিন্তা করা উচিত।
এর একটি হলো রাজ্যের রাজনীতির ওপর কেন্দ্রে কোনো দল বা গ্রুপের বিপুল জয়ের অনিবার্য পরিণতি। দ্বিতীয়ত হলো, অপেক্ষাকৃত ছোট দলের কোনো ব্যক্তিকে মুখ্যমন্ত্রীর মতো শক্তিশালী পদ দেয়ার বৈষম্য। তৃতীয় হলো, কংগ্রেস সভাপতি পদ থেকে রাহুল গান্ধীর পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে কংগ্রেস নেতৃত্ব থেকে কোনো নির্দেশনা না আসা।
দৃশ্যপট
গত সপ্তাহে ক্ষমতাসীন কংগ্রেস-জনতা দলের (সেক্যুলার) মোট ১৮ জন রাজ্য বিধান সভার সদস্য পদত্যাগ করায় ১৩ মাস স্থায়ী সরকারটি সংখ্যালঘুতে পরিণত হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী ১২ জুলাই রাজ্য বিধান সভা শুরু হওয়া সত্ত্বেও পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছেন। এর বদলে তিনি স্পিকার কে আর রমেশ কুমারকে ফ্লোর টেস্ট আয়োজন করতে বলেছেন। তার কংগ্রেস পার্টনার সিদ্দারামিয়া আরেক ধাপ এগিয়ে বলেছেন, আমরা আত্মবিশ্বাসী। এ কারণে আমরা সরকারের পক্ষে আস্থা ভোট দিতে বলছি। বিজেপি ভয় পাচ্ছে, কারণ তারা তাদের দলের কুলাঙ্গারকে চেনে।
কুমারস্বামী ও সিদ্দারামাইয়ার জোরালো ঘোষণায় বিধান সভা উত্তেজনাপ্রবণ হওয়ার সম্ভাবনা সৃষ্টি করেছে।
এদিকে সুপ্রিম কোর্ট সিদ্ধান্ত দিয়েছে যে ১৮ জন এমএলএর পদত্যাগ বা স্পিকারের তাদের অযোগ্য ঘোষণা করার কোনো ইস্যুই মঙ্গলবার পর্যন্ত চূড়ান্ত হবে না। এর মানে হলো, অন্তর্বর্তী সরকার হতে পারে, পাল্টা পদক্ষেপ আসতে পারে, দল বদলের ঘটনা ঘটতে পারে।
গত রাজ্য বিধান সভার নির্বাচনের পর কর্নাটক সরকার গঠনের মধ্যে ত্রুটি ছিল। কংগ্রেস দল একক বৃহত্তম দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে। তবে তাদের অপেক্ষাকৃত ছোট অংশীদার জনতা দলকে মুখ্যমন্ত্রিত্ব প্রদান করা হয়। এটি ছিল গণরায়ের পরিপন্থী, এতে সমস্যার সৃষ্টি হয়।
বিজেপি ২০১৯ সালের সাধারণ নির্বাচনে কর্নাটকের ২৮টি লোকসভার আসনের মধ্যে ২৫টিতে জিতে এই নাজুক রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে গুঁড়িয়ে দেয়। বিজেপির জয়ের ফলে ক্ষমতাসীন জোটে বিবাদের সৃষ্টি করে।
এই সঙ্কট কংগ্রেসের মধ্যে থাকা জটিলতার সাথেও অনেকাংশে সম্পর্কিত। ১৩৪ বছরের পুরনো দলটি মে মাসের সাধারণ নির্বাচনের পর থেকেই সঙ্কটে রয়েছে। নির্বাচনে বিজেপি পুরো বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে, বিশেষ করে কংগ্রেসকে জগাখিচুরিতে পরিণত করে ফেলে।
উপর্যুপরি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য কংগ্রেস ৫৪৩ আসনবিশিষ্ট লোকসভায় ৫৫টিও আসন পেতে ব্যর্থ হয়। কংগ্রেস পেয়েছে ৫২টি আসন। বিরোধী দলের নেতা হতে হলে দলকে পেতে হয় কমপক্ষে ৫৫টি আসন।
টানা দ্বিতীয় বারের মতো পরাজয়ের নৈতিক দায়দায়িত্ব নিয়ে কংগ্রেসের সভাপতির পদটি রাহুল গান্ধী ছেড়ে দিয়েছেন সাত সপ্তাহের বেশি হলো। কিন্তু একজন নেতাও দলের শীর্ষ পদ তথা সভাপতির পদটি গ্রহণ করার উচ্চাভিলাস প্রদর্শন করেননি। এটা কংগ্রেসমুক্ত ভারত প্রতিষ্ঠার জন্য বিজেপিকে আরো সাহসী করে তুলেছে।
আর তা যদি হয়েই যায়, তবে তা ভারতের রাজনীতি বা ভারতীয় গণতন্ত্রের জন্য শুভ হবে না। সিপিআই(এম)নেতৃত্বাধীন বাম ফ্রন্ট ইতোমধ্যেই প্রধান শক্তি হিসেবে তার অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে ভারত বিরোধী দলহীন দেশে ও এক দলের প্রাধান্যপূর্ণ দেশে পরিণত হবে। এতে দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হবে। অনেক বড় দল হয়েও কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদটি অপেক্ষাকৃত ছোট দলকে প্রদান করে নির্বাচনী রায়ের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেনি কংগ্রেসে।
তবে ভেদাভেদের সুযোগ নিয়ে জোটের এমএলএদের শিকার করা দীর্ঘ মেয়াদে বিজেপির জন্য বিপর্যয়ের কারণ হবে। এটা বিজেপিকে কৃত্রিমভাবে স্ফীত করবে, দলের ভেতরে ও বাইরে ভিন্নমত সৃষ্টির সুযোগ করে দেবে, নিজের ওজনেই ভেঙে পড়ার অবস্থায় পড়ে যাবে।
অন্যান্য রাজ্যে সঙ্কট
কর্নাটক আসলে ভারতের রাজনৈতিক গোলযোগের মাত্র একটি বিন্দু। মধ্য প্রদেশেও সঙ্কট চলছে। কংগ্রেস দীর্ঘ ১৫ ছর পর মাত্র সাত মাস আগে বিজেপির কাছ থেকে ক্ষমতা কেড়ে নিয়েছে অতি স্বল্প সংখ্যাগরিষ্ঠতায়। মধ্য প্রদেশের কংগ্রেসেও ঝামেলা রয়েছে। ফলে এই রাজ্যটিও আনায়াসে বিজেপির হাতে চলে যেতে পারে।
গোয়ায় বিরোধী দলের ১০ আইনপ্রণেতা ইতোমধ্যেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছে। ফলে বিজেপি বেশ ভালো সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েছে। অথচ অল্প কিছু দিন আগে হওয়া নির্বাচনে একক বৃহত্তম দল হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল কংগ্রেস।
>>>লেখক: নিরপেক্ষ সাংবাদিক, রাজনৈতিক বিশ্লেষক
![]() |
| কর্ণাটকে কংগ্রেস ও জনতা দল সেক্যুলার নেতাদের অবস্থান ধর্মঘট |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু রোগীদের ৮০ ভাগই শিশু by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

তার বোনের অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত এখানে নিয়ে আসেন। সুমাইয়াকে বিশেষ নজরে রাখা হয়েছে। রক্তের প্লাটিলেট দিতে হয়েছে শিশুটিকে।
প্লাজমাও লেগেছে তার। অভিভাবকরা জানিয়েছেন, গত ৭দিনে চিকিৎসায় এক লাখ টাকার উপরে খরচ হয়েছে। পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রক্তে ব্যয় বেশি। রাজধানীর বাসাবোতে তাদের বাসা। একই ওয়ার্ডে পাশের একটি সিটের চিকিৎসা নিচ্ছে অনন বিশ্বাস। বয়স ১৩ বছর। দুই দিন আগে এখানে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে ভর্তি হয়েছে বিশ্বাস। শিশুটির মা জানান, দিনে ৩০ থেকে ৩৫ বার পাতলা পায়খান করছে তার ছেলে। পেট ফুলে গেছে। পেটে জলও এসেছে। পায়খানার সঙ্গে রক্ত যায়। জ্বর ১০২, ১০৩ ওঠেছে। শিশুটির মা আরও জানান, প্রথমে তারা মুগদা জেনারেল হাসপাতালে দুই দিন চিকিৎসা নিয়েছিলেন। পরে ৪দিন আগে এখানে ভর্তি হয়েছেন। এ হাসপাতালে দৈনিক ১২শ’টাকা সিট ও ডাক্তারের ভিজিট দিতে হয়। এ পর্যন্ত তার এক লাখ টাকার উপরে খরচ হয়েছে।
শুধু সুমাইয়া বা অনন বিশ্বাস নয়, হলি ফ্যামিলি হাসপাতালে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক শিশু এবং শতাধিক নারী-পুরুষ ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা নিচ্ছেন। এদের মধ্যে সিট খালি থাকলে কর্তৃপক্ষ ভর্তি করছেন। বাকিরা অন্যত্র চলে যাচ্ছেন। গতকাল সরজমিন গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালটির শিশু বিভাগে ৬০ জন শিশু ডেঙ্গু জ্বর আক্রান্ত হয়ে বহির্বিভাগ দিয়ে চিকিৎসা নিয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জনকে ভর্তির কথা স্বীকার করেছেন বিভাগীয় প্রধান। হাসপাতারের নার্সরা জানান, হাসপাতালটিতে ৪৫০সিট আছে। বর্তমানে ১১৫জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত নতুন ১২ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হয়েছেন। প্রতিদিন যেভাবে ডেঙ্গু রোগী আসছে, সে পরিমাণে সিট দেয়া যাচ্ছে না বলে তারা উল্লেখ করেন। বাধ্য হয়ে রোগীরা অন্য হাসপাতালে চলে যাচ্ছে। জানা যায়, ডেঙ্গু রোগীর কারণে রক্তেরও সংকট দেখা দিয়েছে এই হাসপাতালে। প্রয়োজনে রক্তের গ্রুপ না মিলার কারণে রোগীর স্বজনদের বিভিন্ন জায়গায় দৌঁড়-ঝাপ করতে হচ্ছে।
ডেঙ্গু রোগীর চাপে হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে। ফলে নিচ তলায় ১৫২ নম্বর গাইনী ওয়ার্ডকে পুরুষ ওয়ার্ড ঘোষণা করে ডেঙ্গু রোগীর চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। এখানে কথা হয় স্যালাইন লাগানো ডেঙ্গু রোগী অন্তর খানের সঙ্গে। তার বয়স ২৪ বছর। রাজধানীর ফার্মগেট আমতলা খিষ্ট্রান পাড়ায় থাকেন। বিসিএস পরীক্ষার কোচিং করেন। এ হাসপাতালে ৩দিন আগে ভর্তি হয়েছেন। তার প্রচুর পাতাল পায়খানা হচ্ছে। জ্বর ১০৪ ওঠেছে। পায়ের গোড়ালিতে প্রচণ্ড ব্যথা, বমি। এ ওয়ার্ডের ২/১-বেডে এবিএম নাঈম ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার বয়ম ৫৫ বছর। থাকেন মালিবাগ এলাকায়। তার পাশেই ৩/২ বেডে-এ চিকিৎসা নিচ্ছেন বরিশাল থেকে আগত শামসুল আলম। বয়স ৭২ বছর। একমাস আগ থেকেই তার জ্বর ওঠা নামা করছে। জ্বর ১০৩ ওঠেছে। তিন আগে বরিশালে ধরা পড়ে তার ডেঙ্গু হয়েছে। গত দুই দিন আগে এখানে ভর্তি করা হয় তাকে। তার পাশে ২/৪ নম্বর বেডে চিকিৎসা নিচ্ছে রাহাত। বয়স ১৬ বছর। খিলগাঁ তাদের বাসা। তার মা জানান, জ্বর ১০৪ ওঠেছে। পাতালা পায়খানা, গায়ে ব্যথা, বমি হয়েছে। রক্ত লেগেছে চার ব্যাগ।
হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. এল ই ফাতমী মানবজমিনকে বলেন, ডেঙ্গু এখন মহামারী আকার ধারণ করেছে। আগের চেয়ে মারাত্মক চেহারা নিয়ে আসার কথা জানিয়েছেন তিনি। মধ্য জুনে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব শুরু হওয়ার পর প্রথম হলি ফ্যামিলিতে এই রোগীদের জন্য আলাদা ওয়ার্ড চালু করেছিলেন অধ্যাপক ফাতমী। তাদের হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে যে রোগী আসছে তার ৮০ শতাংশই শিশু। গতকালও বহির্বিভাগে দিয়ে ৬০ জন শিশু ডেঙ্গু রোগী এসেছে, তাদের মধ্যে মাত্র ৬ জনকে ভর্তি দিতে পেয়েরেছেন। বাকীরা সিট না থাকায় অন্যত্র চলে গেছে। এই বিশেষজ্ঞ বলেন, এবার শুধু সংখ্যায়ই বেশি না। এবার প্রায় সবাই ডেঙ্গু হেমারজিক ফিভারে আক্রান্ত। আগে ছিল ক্লাসিকাল ডেঙ্গু রোগী। এদের পঞ্চাশ ভাগেরই শক সিন্ড্রোম।
শক সিন্ড্রোম অর্থ হচ্ছে পালর্স (নাড়ির গতি) পাওয়া যায় না। এবার ডেঙ্গুর প্যাটার্নটা সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের সবার প্ল্যাটিলেট কমে যাচ্ছে, সবাই শকে চলে যাচ্ছে। আগে সামান্য ডেঙ্গু হয়েই ভালো হয়ে যেত। এবার সবারই রক্ত লাগছে। এই পরিস্থিতিতে জ্বর হলে গাফিলতি না করার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা। চিকিৎসকরা বলছেন, জ্বর হলেই চিকিৎসকের কাছে যান। জ্বর সেরে যাওয়ার পরও কিছু দিন চিকিৎসকের ফলো আপে থাকুন। হাসপাতালটির চিকিৎসকরা আরও জানান, ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে এই হাসপাতালে দুইজন মারা গেছে। হাসপাতালটির মেডিসিন ওয়ার্ডের ইর্ন্টানী চিকিৎসক মানতাসা বলেন, তাদের মেডিসিন ওয়ার্ডে বেশির ভাগই ডেঙ্গু রোগী। এবারের ডেঙ্গু জ্বরে ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। তবে ব্যক্তি ভেদে আলাদা। তিনি বলেন, এবার রোগীদের পাতলা পায়খানা, ভালো হওয়ার পর আবার কষা হওয়া, বুকে পানি, পেটে ও ফুসফুসে পানি জমা, জ্বর ১০২,১০৩, ১০৪-এ ওঠা নামা করছে। কারো কারো রেশও ওঠছে। লিভার বড় হয়ে যাওয়া। বমি করছে।
জ্বর না কমা বা অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকা, বমি হওয়া, পেটে তীব্র ব্যথা, রক্তক্ষরণ, মাথা ধরা, চেহারা ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাওয়া, ৪ থেকে ৬ ঘণ্টা প্রস্রাব না হওয়া বা কম হওয়া, খুব বেশি দুর্বল হয়ে পড়া, নিদ্রাহীনতা ও আচরণের আকস্মিক পরিবর্তন ডেঙ্গু জ্বরের লক্ষণ। অন্তঃসত্ত্বা, বৃদ্ধ, শিশু, সদ্যোজাত এবং ডায়াবেটিস, রক্তচাপ, লিভার ও কিডনির রোগীরা ডেঙ্গু আক্রান্ত হলে তাদের চিকিৎসায় বিশেষ নজর দিতে হবে।
এদিকে, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান মতে, চলতি মাসের ২০শে জুলাই পর্যন্ত রাজধানীসহ সারাদেশে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি নারী-পুরুষ ও শিশু রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৯৬০ জন। এ বছর আক্রান্ত হয়েছে ৬ হাজার ৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টা আক্রান্ত হয়েছে ২৩৩ জন। এ বছর ডেঙ্গুতে পাঁচজনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের মধ্যে এপ্রিলে দু’জন, জুনে দু’জন ও জুলাই মাসে একজন মারা যান। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র বলছে মৃত্যুর সংখ্যা অন্তত চারগুণ হবে। বেসরকারি হিসাবে আক্রান্তের সংখ্যা কয়েকগুণ বেশি বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাই যথেষ্ট নয়: যুক্তরাষ্ট্রকে জাতিসংঘ দূত

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র রোহিঙ্গা নিপীড়নকে জাতিগত নিধন বললেও গণহত্যার স্বীকৃতি দেয়নি। তবে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে সহিংসতা জোরালো হওয়ার পর মিয়ানমারের সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা জারি করে যুক্তরাষ্ট্র। একই বছর পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক পম্পেও রোহিঙ্গা নিপীড়নকে ঘৃণ্য জাতিগত নিধনযজ্ঞ আখ্যা দেন। কাছাকাছি সময়ে রাখাইনে নিধনযজ্ঞের হোতা আখ্যা দিয়ে মং মং সো নামের এক সেনাকর্মকর্তার বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়। ২০১৮ সালের অক্টোবরে মার্কিন অর্থ মন্ত্রণালয় মিয়ানমারের তিনজন সামরিক কর্মকর্তা ও দুইটি সেনা ব্রিগেডের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। সবশেষ গত মঙ্গলবার দেশটির সেনাবহিনীর শীর্ষস্থানীয় কর্মকর্তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে ওয়াশিংটন।
গত বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে লি বলেন, যে সেনাকর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে, ‘তারা কখনোই যুক্তরাষ্ট্র ভ্রমণে যায়নি…...আসুন আরো বাস্তববাদী হই।’
মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে তাদের পদক্ষেপ যথাযথ আখ্যা দিয়ে অন্যান্য দেশকেও একই উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে লি বলেছেন, সেনাপ্রধান মিন অং হলাইং, উপ সেনা প্রধান সোয়ে উইন এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থান ও এবং অং অং ছাড়াও রোহিঙ্গা নিপীড়ন বিষয়ে ২০১৮ সালে প্রকাশিত জাতিসংঘের তদন্ত প্রতিবেদনে অন্য যে দুইজন সেনা কর্মকর্তার নাম এসেছে তাদের সবাইকে গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি করা উচিত।
উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট রাখাইনের কয়েকটি নিরাপত্তা চৌকিতে হামলার পর পূর্ব-পরিকল্পিত ও কাঠামোবদ্ধ সহিংসতা জোরালো করে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। সন্ত্রাসবিরোধী শুদ্ধি অভিযানের নামে শুরু হয় নিধনযজ্ঞ। হত্যা-ধর্ষণসহ বিভিন্ন ধারার মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত হতে থাকে ধারাবাহিকভাবে। জাতিগত নিধনযজ্ঞের ভয়াবহতায় জীবন বাঁচাতে রাখাইন ছেড়ে বাংলাদেশে পালিয়ে আসতে বাধ্য হয় প্রায় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গা। আগে থেকে উপস্থিত রোহিঙ্গাদের নিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের সংখ্যা দাঁড়ায় প্রায় ১০ লাখে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 22
(28)
- পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনিদের বাড়িঘর গুড়িয়ে দিচ্ছে ইসর...
- মিরপুর ১২ থেকে শাহবাগ: ভোগান্তির যেন শেষ নেই by হা...
- মশায় অতিষ্ঠ মানুষ ঘরে ঘরে ডেঙ্গু আতঙ্ক by ফরিদ উদ্...
- নৈরাজ্য, নিষ্ঠুর, বর্বর by বিল্লাল হোসেন রবিন ও শু...
- অর্থনৈতিক কূটনীতির ওপর গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন...
- দেশে থাকার জন্যই নালিশ করেছি -প্রিয়া সাহা
- মার্কিন দূতাবাসের দুরভিসন্ধি -সজীব ওয়াজেদ জয়
- সাত কলেজের অধিভুক্তি বাতিলের আন্দোলনে অচল ঢাবি
- যে কারণে সিলেটে মহিলা কাউন্সিলর লাকীর ওপর হামলা
- এটি ক্ষমার অযোগ্য পাপ: আল-ওয়েফাক
- স্কুলছাত্র, রিকশা চালকরা জবি ছাত্রলীগের কর্মী!
- যেভাবে হোয়াইট হাউসে পৌঁছান প্রিয়া সাহা
- ১৯৪৭ সালের পর থেকে দুর্ভোগে ভারতের মুসলিমরা: আজম খান
- বাণিজ্যযুদ্ধে চীনের হাতেই ‘ট্রাম্প কার্ড’! by অর্ণ...
- স্রেব্রেনিসা গণহত্যায় ডাচ সরকারের দায় ১০ ভাগ -নেদা...
- লঙ্গরখানা খুলে অমরনাথ যাত্রীদের ক্ষীর খাওয়াচ্ছেন জ...
- ভারতের কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচন-পরবর্তী রাজনৈতিক সঙ্...
- ডেঙ্গু রোগীদের ৮০ ভাগই শিশু by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- মিয়ানমারের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞাই যথেষ্ট নয়: যুক্তরা...
- পাকিস্তান ও রাশিয়া কি নতুন সামরিক জোট?
- আবার আলোচনায় কিশোর গ্যাং : চিন্তিত অভিভাবকরা
- বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হলো ইরাকের প্রাচীন ব্যাবিলন নগরী
- সেই রুশ সুন্দরীকে তালাক দিয়েছেন মালয়েশিয়ার রাজা!
- এমপি হলেই যা ইচ্ছা করা যায় না
- আফগান শান্তি প্রক্রিয়ায় মূল ভূমিকায় পাকিস্তান by শ...
- 'হার না মানা' নারী নাপিত শেফালী রানী শীল পেলেন থাক...
- এনআরসি তালিকা প্রকাশের পর ভারত কি সত্যিই কাউকে ফের...
- তৃতীয় প্রজন্মের এন্টি-ট্যাংক গাইডেড মিসাইল ‘নাগ’ ত...
-
▼
Jul 22
(28)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...






