Friday, February 8, 2019
বৃক্ষ মানব

জন্মেছিলেন উত্তরখন্ডের উষর প্রান্তরে। তবে সেই উষর ভূমি আজ তার হাতের স্পর্শে হয়ে উঠেছে সবুজ-শ্যামল প্রান্তর। মাত্র আট বছর বয়সে একটি গাছের চারা পুতে যে উদ্যোগ তিনি শুরু করেছিলেন গত ছয় দশকে তা পরিণত হয়েছে মহীরুহে। প্রায় পঞ্চাশ মিলিয়ন গাছ লাগিয়েছেন তিনি।
যত সহজে বিশ্বেশরের এই গল্পটা বলা হল তার জীরনটা অত সহজ ছিল না। ষাটের দশকের শেষের দিকে একই বছর হারিয়েছিলেন বড় ভাই এবং স্ত্রীকে। এরপর প্রায় একাই থাকেন। টানাপোড়েনের সংসার তার। তবে এত প্রতিকূলতার মাঝে একদিনের জন্যও গাছ লাগানো বন্ধ করেননি তিনি। গাছ লাগাতে যেয়ে প্রতিবেশীর কটু কথা শুনেছেন, লোকের হাতে মার খেয়েছেন তবুও থেমে যাননি। পাহাড়, রাস্তার দুই ধার, নদীর তীর কিংবা অন্যের পতিত জমি যেখানেই খালি জায়গা পেয়েছেন সেখানেই গাছ লাগিয়েছেন। এভাবে গত ষাট বছরে একটি দুইটি করে তিনি লাগিয়েছেন প্রায় পঞ্চাশ লক্ষ গাছ।
প্রথমদিকে এলাকার লোকেরা তাকে পাগল সাবস্ত্য করলেও ধীরে ধীরে তারা বিশ্বেশরের এই মহৎ উদ্যোগের সুফল পেতে শুরু করে। আস্তে আস্তে নিজের এলাকার গন্ডি ছাড়িয়ে তার নাম ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভারতে। ভারত সরকার তাকে ‘বৃক্ষমানব’ উপাধী দিয়ে রাষ্ট্রীয় পদকে ভূষিত করে।
গত মাসের ১৯ তারিখ ইহলোকোর মায়া ত্যাগ করে পরলোকে পাড়ি জমিয়েছেন বিশ্বেশর। তবে তিনি যে কীর্তি রেখে গেছেন তা পৃথিবীর বুকে থাকবে জন্ম থেকে জন্মান্তর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে কর্তৃত্ব হারাচ্ছে সরকার, ব্যর্থ যুক্তরাষ্ট্র

আফগানিস্তানে ১৭ বছরের বেশি সময় ধরে যুদ্ধ যুক্তরাষ্ট্র। এই যুদ্ধ অবসানে তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বেশ অগ্রগতি হয়েছে বলে বিশেষ মার্কিন দূত জালমি খলিলজাদ ঘোষণা দেয়ার একদিন পর বৃহস্পতিবার ওই রিপোর্ট প্রকাশিত হয়।
এসআইজিএআর জানায়, ন্যাটো বাহিনী ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে আফগান বাহিনীকে প্রশিক্ষণ প্রদানের কাজ শুরুর পর জনবল কমে গিয়ে বর্তমানে ৩০৮,৬৯৩ জনে দাঁড়িয়েছে। যা প্রাথমিক জনবলের ৮৭.৭ শতাংশ।
‘কাদায় আটকে গেছে’
আফগানিস্তানে ন্যাটোর নেতৃত্বাধিন মিশনে যুক্তরাষ্ট্রের ১৪,০০০ সেনা অংশ নিচ্ছে। এই বাহিনী রেজুলেট সাপোর্ট নামে পারিচিত। এই বাহিনী মূলত আইএস ও আলকায়দার মতো জঙ্গিগ্রুুপগুলোর বিরুদ্ধে আলাদাভাবে সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন চালিয়ে থাকে। এছাড়া রেজুলেট সাপোর্ট বাহিনীতে আরো ৩৮টি দেশের ৮,০০০ সেনা রয়েছে। কাবুলের মোরা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকচারার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইনতিজার খাদিম বলেন যে, এসআইজিএআর রিপোর্ট থেকে বুঝা যায় যুক্তরাষ্ট্রকে তার কৌশল বদলাতে হবে। তিনি আলজাজিরাকে বলেন, এটা শুধু যে তালেবানরা আরো ভূমি দখল করছে তা নয়, আমরা কেন যুদ্ধে জয়ী হচ্ছি না সেটাও দেখা উচিত। আমরা কেন ১৭ বছর ধরে কাদায় আটকে আছি সেটা দেখতে হবে। এরপরও কেন যুক্তরাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও আফগান সরকার দাবি করে চলেছে যে তারা লড়াই চালিয়ে যেতে পারবে। অথচ তাদের রিপোর্টেই বলা হচ্ছে আফগান সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখ-ের আয়তন কমে আসছে। আলোচনা সঠিক পথে তা অগ্রসর না হলে আমরা সফল হবো না।
বিমান হামলা বৃদ্ধি
গত সপ্তাহে সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের মিটিংয়ে আফগান প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি বলেছেন ২০১৪ সালে তিনি ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আফগান নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৫,০০০ সদস্য নিহত হয়েছে। নিরাপত্তা সমস্যা অব্যাহত থাকার প্রেক্ষাপটে এসআইজিএআর জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের বিমান হামলার সংখ্যা নাটকীয়ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৮ সালের প্রথম ১১ মাসে আফগানিস্তানে মার্কিন বাহিনী ৬,৮২৩টি বোমা ফেলেছে। এসআইজিএআর রিপোর্টে বলা হয়, এই বছর নিক্ষেপ করা বোমার সংখ্যা ২০১৭ সালের চেয়ে ৫৬ শতাংশ এবং ২০১৬ সালের চেয়ে পাঁচগুণ বেশি। ইউএন এসিসটেন্স মিশন ইন আফগানিস্তান জানায়, ২০১৮ সালের প্রথম ৯ মাসে দেশটিতে ৮,০৫০ জন বেসামরিক ব্যক্তি হতাহত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৩৬ জন নিহত ও ৩৩৬ জন আহত হয়েছে মার্কিন ও আফগান বাহিনীর বিমান হামলায়। ২০০১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধিন বহুজাতিক বাহিনী হামলা চালিয়ে কাবুলের ক্ষমতা থেকে তালেবানদের উৎখাত করে। তার পর থেকে দেশটিতে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শয়তানি ও সহিংসতার মূর্ত প্রতীক হচ্ছে আমেরিকা: সর্বোচ্চ নেতা

তিনি বলেন, আমেরিকা সারা বিশ্বের জন্য সংকট সৃষ্টিকারী শক্তি এবং যুদ্ধংদেহী নীতি অনুসরণ করে। রাজধানী তেহরানে আজ (শুক্রবার) সর্বোচ্চ নেতার সঙ্গে ইরানের বিমান বাহিনীর একদল কর্মকর্তা দেখা করতে গেলে তাদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
সর্বোচ্চ নেতা আরো বলেন, আমেরিকা সবসময় নিজের নিরাপত্তা ঠিক রাখার জন্য অন্যের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। তিনি বলেন, যতক্ষণ পর্যন্ত আমেরিকা শয়তানী নীতি অব্যাহত রাখবে ততক্ষণ পর্যন্ত ইরানের জনগণ আমেরিকার ধ্বংস কামনা করে স্লোগান দেবে। তিনি বলেন, আমেরিকার ধ্বংস চাওয়া মানে ট্রাম্প, পম্পেও বোল্টনদের মতো লোকজনের ধ্বংস কামনা করা।
ইরানের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে ইউরোপের দেশগুলোর অভিযোগ নাকচ করে সর্বোচ্চ নেতা বলেন, তারা এমন কোনো অব্স্থানে নেই যে, ইরানের সমালোচনা করবে। প্যারিসের রাস্তায় বিক্ষোভকারীদের ওপর হামলা করেছে সরকারি বাহিনী, তারাই আবার নির্লজ্জভাবে ইরানকে মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য অভিযুক্ত করে। তারা কী জানে মানবাধিকার কী? তারা এখন কিংবা অতীতে- কখনো মানবাধিকার কাকে বলে তা জানতো না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উদ্বোধন: ২০০০ কিলোমিটার পাল্পার ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে


সেটি একসঙ্গে ৪৫০ কেজি ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম। তেহরানের দাবি, তাদের হাতে ২০০০ কিলোমিটার পাল্পার ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। যা দিয়ে সহজেই ইসরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যের মার্কিন ঘাটিগুলোতে হামলা চালানো সম্ভব। আর এটাই যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা সম্প্রদায়ের মূল উদ্বেগের কারণ।


এদিকে, প্রতিরক্ষায় পুরোপুরি স্বনির্ভর হয়েছে বলে আজ(বৃহস্পতিবার) ঘোষণা করেছেন ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসি’র প্রধান কমান্ডার মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আলি জাফরি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেন মমতা

তবে ধর্মতলায় তিনদিনের ধরনার মাধ্যমে মমতা মোদী সরকারের বিরুদ্ধে জেহাদী ব্রিগেডের প্রধান চরিত্র হয়ে উঠেছেন। গোটা দেশের মানুষের সামনে মমতা সফলভাবে বিধ্বংসী রুপটি তুলে ধরতে পেরেছেন। এখানেই মমতার জয়। একজন পুলিশ অফিসারের বাড়িতে কথা বলতে সিবিআইয়ের যাওয়াকে নাটকীয় ভাবে বিজেপি সরকারের রাজনৈতিক প্রতিহিংসার তকমা দিয়েছেন। দুটি পুলিশি সংস্থার বিরোধকে রাজনীতির অলিন্দে টেনে নিয়ে এসেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কুশলতার সঙ্গে। শুধু তাই নয়, যুক্তরাষ্ট্রীয কাঠামোতে আঘাত, সংবিধানকে ধ্বংস করার চেষ্টার মত নীতিগত বিষয়গুলিকে সহজেই সামনে নিয়ে এসেছেন। আর যেহেতু ভারতের বিরোধী রাজ্য এবং বিরোধী নেতাদের বিরুদ্ধে সিবিআই বা ইডির মত প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্রীয সরকারের প্রত্যক্ষ মদতে লেলিয়ে দেবার ঘটনা পর পর ঘটে যাওয়ায় সব নেতাই নিজেদের স্বার্থেই মমতার পাশে এসে দাঁড়িযেছেন। বিজেপির শীর্ষ নেতারা অবশ্য একে চোরেদের সম্মীলন বলে কটাক্ষ করেছেন। বুধবার মমতার ধরণা নিয়ে প্রতম প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফেসবুকে একটি পোস্টে লিখেছেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আমার লড়াই অনেককে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে। সেই তালিকায় তৃণমূল কংগ্রেসও রয়েছে। তাই সকলে কলকাতায় একজোট হয়ে আমার বিরুদ্ধে বিষোদগার শুরু করেছে। আসলে ওরা নিজেদের পরিবার ও দুর্নীতি ঢাকতে চায়। কিন্তু দুর্নীতিগ্রস্তদের শাস্তি না দেওয়া পর্যন্ত আমার শান্তি নেই। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মমতার গত কিছুদিন ধরে মোদী বিরোধীতার সুরকে যেভাবে চড়া মাত্রায় নিযে যাচ্চিলেন, এই ধরনার মাধ্যম তাকেই নির্বাচনের আগে ঐক্যবদ্ধ বিরোধীতার নতুন পর্যায়ে নিয়ে গিযেছেন। আর তাই ধরণা তুলে নেবার সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে দাঁড়িয়ে ‘ইউনাইটেড ইন্ডিয়া’র পক্ষ থেকে চন্দ্রবাবু নায়ডু ঘোষণা করেছেন, ধরনা আপাতত শেষ করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অনুরোধ করছে ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার ছাতার তলায় থাকা সব দল। কিন্তু লড়াই থামছে না। যুক্তিযুক্ত উপসংহারে না পৌঁছনো পর্যন্ত এই লড়াই চলবে। মমতা এটাই চেয়েছিলেন যে, লড়াই যতক্ষন চলবে ততক্ষন তাঁর জেহাদী মূর্তি গোটা দেশকে মোদী বিরোধীতায় অভিভুত করে রাখবে। সেটা যত ঘনীভ’ত হবে ততই বিরোধীদের বিজেপি বিরোধী লড়াই সাফল্যের দিকে এগিয়ে যাবে। আর তখনই আসল অঙ্ক নিয়ে কাটাকুটি হবে, কে হবেন, দেশের প্রধানমন্ত্রী। যদিও মমতার ইউনাইটেড ইন্ডিয়ার ছাতার তলায় থাকা অধিকাংশ দলই মনে করে, কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীকে কেন্দ্র করে নির্বাচন পরবর্তী জোট সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হবে। কিন্তু কংগ্রেস তার ক্ষয়িষ্ণুতাকে কাটিয়ে উঠে শক্তিশালী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরতে না পারলে, রাহুলকেই বলতে হবে অন্য কোনও নেতার কথা। সেক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গ থেকে লোকসভার সবচেয়ে বেশি আসনের দাবী ( মমতার দাবি রাজ্যের ৪২টির মধ্যে ৪২টি তিনি পাবেন)যদি দিনের আলোতে ডানা মেলতে পারে তাহলে মমতাই হবেন সেই নেতা। এই লক্ষ্যেই মমতা যেমন ঘুঁটি সাজিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ নিচ্ছেন। পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি যাতে কোনও আসন দখল করতে না পারে সেজন্য মমতা রাজ্যে বিজেপিকে সভাসমিতি করতে দিচ্চেন না। বিজেপি নেতাদের অভিযোগ, সভাস্থলের অনুমতি না দিয়ে, হেলিকপ্টার নামতে বাধা সৃষ্টি করে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী গণতন্ত্রকে ধ্বংস করছেন। মমতা বিজেপির রথযাত্রাকে যেমন নিপুনতার সঙ্গে আটকে দিযেছেন তেমনি বিজেপির নির্বাচনী প্রচারও ভোতা করে দেবার সব ব্যবস্থা করছেন। লক্ষ্য একটাই রাজ্যের সব কটি আসন পেয়ে জাতীয রাজণীতির শীর্ষে থাকা। এই আশাতে ভর করেই তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা ও কর্মীরাও বাঙালি প্রধানমন্ত্রী দেখার স্বপ্নে বিভোর হয়ে উঠেছে। এটা ঠিক যে, মমতা এই মুহূর্তে জাতীয রাজনীতির নির্ণায়ক চরিত্রের ভূমিকায় থাকলেও শেষ পর্য›ত সব অঙ্ক সঠিকভাবে মিলে যাওয়ার উপরই নির্ভর করছে সবকিছু।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতায় গরুর দুধের চেয়ে মূত্রের দাম বেশি!

আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, আধুনিক চিকিৎসাশাস্ত্র গোমূত্রের রোগ প্রতিরোধক গুণের দাবিকে বিন্দুমাত্র স্বীকৃতি না দিলেও গোমূত্র বিক্রি প্রতি বছর ২০-২৫ শতাংশ হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজে ফার্মাকোলজির শিক্ষক স্বপন জানার বলেন, এর পুরোটাই ভ-ামি। গাছগাছালি থেকে রাসায়নিক বের করে ওষুধ হতে পারে। তার ফার্মাকো কাইনেটিক্স ও ডায়নামিক্স রয়েছে।
গোমূত্রের এমন কিছুই নেই। অথচ কলকাতা শহরে এর চাহিদা দেখে অন্য রাজ্যের নামী গোশালা থেকে গোমূত্র আনিয়ে ব্যবসা করছেন একাধিক এজেন্ট। গোমূত্র ব্যবসায়ী ললিত আগরওয়াল বলেন, গত কয়েক বছরে এখানে গোমূত্রের চাহিদা পাঁচ গুণ বেড়েছে। মাসে প্রায় ১০ হাজার লিটার গোমূত্র বিক্রি হয় পশ্চিমবঙ্গে। এ রাজ্যে তেমন উৎপাদন নেই। তাই আমরা নাগপুর থেকে আনিয়ে দিই। ললিত জানান,এক লিটার গোমূত্রের দাম ৩৫০ টাকা। আর ওখান থেকে আনা দুধ আমরা বিক্রি করি ১৫০ টাকা লিটারে। সাধারণত কলকাতায় গরুর দুধ লিটার প্রতি ৩৫-৪৮ টাকার মধ্যে মেলে। তার প্রায় দ্বিগুণেরও বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে গোমূত্র। নাগপুরের যে ‘গো-বিজ্ঞান অনুসন্ধান কেন্দ্র’ থেকে ব্যবসায়ীরা কলকাতায় গোমূত্র ও দুধ নিয়ে আসেন, সেটি মূলত আরএসএস-পোষিত সংস্থা। গোটা ভারতে তাদের ৫০০শ’রও বেশি গো-শালা রয়েছে। সেখানকার চিফ কো-অর্ডিনেটর সুনীল মানসিংহ বলেন,পশ্চিমবঙ্গেও আমরা ১৬টি জায়গায় গো-শালা শুরু করেছি। সেখান থেকেও কিছুদিনের মধ্যে ডিস্টিল্ড গোমূত্র মিলবে। ক্যালকাটা পিঁজরাপোল সোসাইটি নামে একটি সংস্থার পাঁচটি গো-শালা রয়েছে পশ্চিমবঙ্গে। সেখানকার কো-অর্ডিনেটর সর্বেশ্বর শর্মা বলেন, প্রতি বছর ২০-২৫ শতাংশ হারে গোমূত্রের বিক্রি বাড়ছে। কলকাতায় মাসে প্রায় ৩ হাজার লিটার গোমূত্র বিক্রি হয় আমাদের। ১ লিটার গোমূত্রের দাম পড়ে ১৭৫ টাকা। সেখানে আমরা ১ লিটার দুধ বিক্রি করি ৫০ টাকায়। মধ্যপ্রদেশের ইনদওরে গো-মূত্র থেরাপি ক্লিনিক চালাচ্ছেন ব্যবসায়ী বীরেন্দ্র জৈন। তিনি বলেন, কলকাতাতেও আমাদের অনেক রোগী আছে। অনেক নেতারা ওষুধ নিয়ে যান। মেডিকেটেড গো-মূত্র ২১০ টাকা করে লিটার বিক্রি করি। মাসে আড়াই থেকে তিন হাজার লিটার বিক্রি হয়। সমাজতত্ত্বের শিক্ষক অভিজিৎ মিত্রের ব্যাখ্যায়, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ ভিন্ন সংস্কৃতি গ্রহণে একটু বেশি এগিয়ে। এ রাজ্যে এখন গণেশ পুজো, ধনতেরস, বিয়েতে মেহন্দির ধুম। তেমন ভাবেই চলে এসেছে গো-মূত্র। ক্রমবর্ধমান মাল্টিরেসিয়াল সোসাইটি বা হিন্দিবলয়ের মানুষের সংখ্যাবৃদ্ধির প্রভাবও এর পিছনে রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশে দেশে পরকীয়ার শাস্তি

ভারত
ভারতে কোন বিবাহিত নারী বা পুরুষ যদি অন্য কারো সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে লিপ্ত হন তাহলে তা আর ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য হবে না বলে সম্প্রতি রায় দিয়েছে সেদেশের সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের আগে ভারতে দেড়শত বছর ধরে পরকীয়া ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হতো। তবে যদি স্বামী বা স্ত্রীর পরকীয়ার কারণে জীবনসঙ্গী আত্মহত্যা করে তা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। তখন আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়ার যে সাধারণ আইন রয়েছে, সে আইনে বিচার করা হবে।
বাংলাদেশ
ধর্মীয় এবং সামাজিক উভয় দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশে বিবাহ বর্হিভূত সম্পর্ক একটি সাংঘাতিক অপরাধ। কিন্তু এ সংক্রান্ত আইন খুব বেশি নেই। তবে পেনাল কোডের ৪৫৭ ধারায় বলা হয়েছে যে কোন বিবাহিত ব্যক্তি যদি অন্য কোন বিবাহিত নারীর সঙ্গে জেনেশুনে যৌন সম্পর্ক করে তাহলে তা ব্যভিচার বলে গণ্য হবে।
এ ক্ষেত্রে সেই পুরুষটির পাঁচ বছরের কারাদন্ড, অর্থদন্ড বা উভয় দন্ডের বিধান আছে। তবে যে নারীর সঙ্গে ব্যভিচার করা হয়েছে - তার ক্ষেত্রে আইনে কোন শাস্তির বিধান নেই, ব্যভিচারকারী নারী ও পুরুষ উভয়ের শাস্তির কথাও বলা নেই।
সৌদি আরব
সৌদি আরবে পরকীয়া বা বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক একটি জঘন্য অপরাধ হিসেবে বিবেচিত। সেখানে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক যিনা বা ব্যভিচার হিসেবে বিবেচিত। প্রকাশ্যে পাথর নিক্ষেপের মাধ্যমে এ অপরাধের নারী-পুরুষ উভয়কে শাস্তি প্রদান কর হয়।
চীন
পরকীয়ার জন্য চীনের বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্ন রকমের শাস্তির বিধান রয়েছে। তবে চীনের কেন্দ্রীয় আইন অনুযায়ী পরকীয়াকে অপরাধ হিসেবে দেখা হয় এবং সেখানে এর শাস্তি অর্থদন্ডসহ তিন বছরের কারাদন্ড।
যুক্তরাষ্ট্র
যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গরাজ্যভেদে পরকীয়ার শাস্তির মাত্রায় পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। একুশটি অঙ্গরাজ্যে পরকীয়াকে কোন ধরনের অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয় না। তবে ম্যাসাচুসেটস, ওকলাহামা, উইসকন্সিন, মিশিগানের মতো অঙ্গরাজ্যগুলোতে পরকীয়াকে মারাত্বক অপরাধ হিসেবে দেখা হয় এবং সেখানে এর শাস্তি অর্থদন্ডসহ যাবজীবন কারাদন্ড।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রমিক আন্দোলনের পর ২৭ কারখানায় ৭৫৮০ শ্রমিক ছাটাই

প্রসঙ্গত, গত ডিসেম্বরের শেষের দিকে মজুরি বাড়ানোর দাবিতে রাজধানী ও এর আশপাশের অঞ্চলগুলোতে আন্দোলনে নামে বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকরা। বাংলাদেশ পোশাক শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন সেন্টারের প্রধান কাজী রুহুল আমিন জানান, যেসব শ্রমিকরা স্লোগান দিয়েছে বা আন্দোলনের সময় কাজ বর্জন করেছে, মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনে নেমেছে ও যাদের কোন রকম শ্রমিক সংগঠনের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, তারা এখন চাকরি হারাচ্ছে।
বাংলাদেশ গার্মেন্ট ম্যানুফেকচারস এন্ড এক্সপোর্টারস এসোসিয়েশনের প্রধান সিদ্দিকুর রহমান বলেন, যেসব শ্রমিকদের বিরুদ্ধে আন্দোলনের সময় ভাঙচুর ও অন্যান্য ধ্বংসাত্মক কর্মকা-ের অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে। তাদের এখন শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
এদিকে কয়েকজন শ্রমিক বলেছেন, তারা শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ করেছেন। কিন্তু অন্যান্য শ্রমিকদের একজোট করার প্রচেষ্টা চালানোর কারণে তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী শ্রমিক বলেন, (ছাটাইকৃত শ্রমিকদের) তালিকায় আমার নাম শীর্ষে দেখে আমি বিস্মিত হয়েছিলাম। তিনি বলেন, বিক্ষোভের সময় আমি প্রতিদিন কাজে গেছি। আমি কখনোই কোন ভাঙচুর বা অপরাধকর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলাম না। আমার ও আমার সহকর্মীদের নাম তালিকায় আসার পেছনে কারণ ছিল, আমরা একটি জোট গঠনের চেষ্টা করছিলাম।
বাংলাদেশের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে শ্রমিক ছাটাইয়ের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পোশাক শিল্প রফতানিকারক দেশ। বাংলাদেশের রফতানি আয়ের ৮০ শতাংশই আসে তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। প্রতি বছর গড়ে পোশাক শিল্পের পণ্য রফতানি করে বাংলাদেশের আয় হয় আনুমানিক ৩ হাজার কোটি ডলার।
এদিকে শ্রমিক সংগঠনের নেতারা মঙ্গলবার বলেন, ক্রনি গ্রুপ, ইস্ট ওয়েস্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক লিমিটেড ও মেট্রো নিটিং এন্ড ডায়িং মিলস লিমিটেড থেকে সম্প্রতি শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো সুইডেন-ভিত্তিক এইচ এন্ড এম ও ব্রিটিশ ব্র্যান্ড নেক্সটের জন্য পোশাক তৈরি করে থাকে। শ্রমিক ছাটাইয়ের বিষয়ে জানতে চেয়ে ক্রোনি ও মেট্রোর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
ইস্ট ওয়েস্টের প্রধান প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনের সময় ৭ই জানুয়ারি বেশ কয়েকজন শ্রমিক কারখানায় হামলা চালিয়েছে ও ভাঙচুর করেছে। তিনি বলেন, ওই ঘটনার পর সব মিলিয়ে তাদের প্রতিষ্ঠানের ৮শ’রও বেশি বেশি শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছে।
ইস্ট ওয়েস্ট গ্রুপের চেয়ারম্যান হারুন উর রশিদ জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান কোন অবৈধ বা অন্যায্য কাজ করছে না। তিনি বলেন, আমরা জানি, এমনটা করলে আমাদের ক্রেতারা এটা হালকাভাবে নেবে না। তারা এটা পছন্দ করবে না। বিদেশি ব্রান্ডগুলো জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে। এক ই-মেইল বার্তায় নেক্সট ব্র্যান্ড জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের পরিস্থিতি স¤পর্কে অবগত। বাংলাদেশে তাদের নিজস্ব অডিট কর্মচারীরা এ বিষয়ে তদন্ত করছে। এইচ এন্ড এম জানিয়েছে, তারা এসোসিয়েশনের স্বাধীনতাকে আলোচনার অযোগ্য মানবাধিকার হিসেবে বিবেচনা করে। তারা বাংলাদেশের টেক্সটাইল শিল্পে ঘটা সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।
এছাড়া, জারা, ম্যাঙ্গো, গেস ও সাকসসহ অন্যান্য ইউরোপীয় ও মার্কিন ব্রান্ডগুলোর সঙ্গে এ বিষয়ে জানতে যোগাযোগ করা হলে তাৎক্ষণিকভাবে কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পঁয়ত্রিশ টাকা অনুদানে সূচনা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের by কাজল ঘোষ

অন্ধকার ঠেলে আলোর যাত্রা শুরু করতে হবে। একটা নতুন কিছু করতে হবে। এমন একটা কিছু যা তৈরি করবে মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ আর সংস্কৃতি চেতনাসম্পন্ন মানুষ। আর তা সম্ভব তারুণ্য দিয়েই। যারা দ্বিধাহীন চিত্তে পুরোনো আবর্জনা ঝেড়ে ফেলবে। প্রচণ্ড শক্তি দিয়ে একটা নতুন কিছু সৃষ্টি করবে। আড্ডায় সতীর্থদের প্রশ্ন, কিভাবে সম্ভব?
একটি আন্দোলন গড়তে হবে। আর তা হবে আলোকিত মানুষ তৈরির আন্দোলন। যা থেকে সঞ্চারিত হবে অনুপ্রেরণা, সাহায্য, সহযোগিতা। এই কেন্দ্রে থাকবে বিশ্বসাহিত্যের যাবতীয় উপকরণ। কেন্দ্রে গড়ে উঠবে বিভিন্ন শাখার ওপর পাঠচক্র। যা প্রাথমিক থেকে মাধ্যমিক, কলেজ থেকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত বিস্তৃত হবে।
আবারও সেই যুবককে প্রশ্নবিদ্ধ জিজ্ঞাসা, এ কাজের জন্য অর্থ আসবে কোত্থেকে? এটা নিছক ইউটোপিয়ান স্বপ্নবিলাস। উপস্থিত অনেকের মন্তব্য ছিল এমনই। কিন্তু দমলেন না সেই যুবক। চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন। বললেন, মানুষের মধ্যেও মানুষ থাকে। তাদের খুঁজে বের করতে হবে। সময়ের চাকা ঘুরতে থাকে। চ্যালেঞ্জ করা সেই মানুষটি বীজতলা তৈরির কাজ শুরু করেন। একদিন সেই বীজ থেকে জন্ম নেয়া চারা। সগৌরবে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে।
সেই স্বপ্নদ্রষ্টা আর কেউ নন। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। যিনি এক পলকের জন্যও তার চ্যালেঞ্জের কথা ভুলেননি। অক্লান্ত পরিশ্রমে গড়ে তুলেছেন আজকের বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। আলোকিত মানুষ গড়ায় নিরত লড়াই চলছে যেখানে। চারদশক আগে অনেকের কাছে এটি ইউটোপিয়ান চিন্তা হলেও আজ আর তা বিক্ষিপ্ত কোনো স্বপ্ন নয়, কোনো বিচ্ছিন্ন ভাবালুতা নয়। লাল ইটের পরতে পরতে আজ সেখানে ছড়িয়ে আছে সাফল্য আর সম্ভাবনার প্রতিচ্ছবি।
......২......
আহমদ ছফাকে চেনেন না এমন মানুষ কমই আছেন। স্পষ্ট কথা আর স্পষ্ট জীবন বোধের জন্য আলোচিত একটি নাম। বাংলামটর বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের গলিতেই থাকতেন তিনি। বোধকরি বাড়িটির নম্বর ১২/এ। আড়াই তলা শ্যাওলা পড়া এই বাড়িটিতে একদিন আহমদ ছফার সাক্ষাৎ মেলে। শীতের সকালে রোদ পোহাচ্ছিলেন। লাল চা আর টোস্ট বিস্কুটের কুড়মুড়ে শব্দে তিনি জানতে চাইলেন কি করা হয়? পাঠচক্রে বই পড়ি বলতেই একটু থেমে বললেন, ‘ও-তুমি লালুর মুড়ির দোকানে যাও’।
পরে জেনেছিলাম, সায়ীদ স্যারের ডাক নাম লালু। তাই অনেকেই তাকে লালুভাই বলে ডাকতেন। আর ছাদের ছোলা মুড়ির দোকানটি বাংলামটর এলাকায় পরিচিত হয়ে গিয়েছিল লালুভাইয়ের মুড়ির দোকান বলে। আহমদ ছফা সেদিন উইট আর হিউমার মিশিয়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে মুড়ির দোকান বললেও বাস্তবতা হচ্ছে আশপাশের অনেকেরই কেন্দ্রের কর্মসূচি সম্পর্কে বহুদিন পর্যন্ত স্পষ্ট ধারণা ছিল না। প্রশ্ন ছিল কি হয় এখানে? আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘আমার অনুভূতিতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র’ বই থেকে জানা যায়, ১৯৮৮ সালের ঘটনা। মন্ত্রিপরিষদ নিয়ে বৈঠকে বসেছেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। নানা আলোচনার ফাঁকে তিনি বলে ওঠেন, ‘বাংলাদেশে যে নাস্তিকদের বড়সড় হেডকোয়ার্টার রয়েছে খবর রাখেন আপনারা?’ মন্ত্রীরা সবাই এ ওর দিকে মুখ চাওয়াচাওয়ি করছিলেন। সবাই এ ধরনেরই কিছু একটা খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন। তাহলে জানেন না আপনারা?
সবার দিকে ভালো করে তাকিয়ে বিরক্তি ও হতাশার সঙ্গে সবাইকে এরশাদ দেখে নিলেন একবার। তারপর সবাইকে খানিকটা হতচকিত করে বললেন, ‘ওই হেড কোয়ার্টার হচ্ছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র।’
এমন নানা বিভ্রান্তি আর সমালোচনাকে পাশ কাটিয়ে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ কাজ করে গেছেন নিরলস। তিনি স্পষ্টই বলেছেন, বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের নিজস্ব কোনো মতাদর্শ নেই। কেন্দ্র কাউকে কোনো মতাদর্শে দীক্ষিত করে না। কেন্দ্রের যদি কোনো মতাদর্শ থাকে তবে তা- মনুষ্যত্বের সমৃদ্ধি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চারদশক ধরে এই আদর্শের জন্য লড়াই করছে।
এক ইউটোপিয়ান স্বপ্নবিলাস থেকেই যে প্রতিষ্ঠানের সূচনা তা আজ বিশ্বজুড়ে প্রচলিত ধারার শিক্ষার বিপরীতে সৃজনশীল মননের বিকাশে অনন্য ধারা যুক্ত করেছে। ফিরে তাকালে অবাক হতে হয় কিভাবে এই সাফল্যের যোজনা। আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ তখন ঢাকা কলেজের জনপ্রিয় শিক্ষক। বিভিন্ন ক্লাসের ছাত্ররা মুখিয়ে থাকতেন সায়ীদ স্যারের বক্তৃতা শোনার জন্য। সে ক্লাসের কোনো সময় আর সীমানা ছিল না। চার দেয়ালে আবদ্ধ নয় সে ক্লাস। কবে ক্লাস নেবেন সায়ীদ স্যার এটি ছিল আলোচনার বিষয়। সেই দীপ্তিমান আলোক ছড়ানো কথাগুলো পরে স্যার বিলিয়ে দেন কেন্দ্রের মাধ্যমে শহর, গ্রাম, জেলা, উপজেলা সবখানে।
এক সময় যে কর্মসূচি সীমাবদ্ধ ছিল পাঠকক্ষে আজ তা ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকাতে। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের সূচনা ১৯৭৮ সালের ১৭ই ডিসেম্বরে ঢাকা কলেজের পাশে নায়েম সেন্টারে। বন্ধুদের আড্ডায় দেয়া চ্যালেঞ্জ শত ব্যস্ততা আর বাস্তবতায়ও ভুলেননি আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ। সম্পাদনা, শিক্ষকতার বেড়া ডিঙিয়ে তিনি স্বপ্ন বুনেছেন সংগঠক হওয়ার। সেগুনবাগিচার আড্ডার মাস চারেক পরই সতীর্থদের একদিন ডাকলেন ঢাকা কলেজের পাশে নায়েম সেন্টারে। চালু করলেন বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রথম অনুশীলন। প্রথম অনুদান দিয়েছিলেন রেডিও’র সাবেক মহাপরিচালক আশরাফউজ্জামান খান। পঁয়ত্রিশ টাকা। যা দিয়েই শুরু হয়েছিল আলোকিত মানুষ গড়ার কঠিন সংগ্রাম। আর কঠিন সেই সংগ্রামে জয়ী হয়েছেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
নায়েম সেন্টার থেকে ১৯৮৩ সালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র চলে যায় ইন্দিরা রোডের ভাড়া বাড়িতে। সেখান থেকে একই বছর ১৪ ময়মনসিংহ রোডে। পঁয়ত্রিশ টাকায় যাত্রা শুরু হওয়া বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রকে আর সেখান থেকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। চারদশকে এর কর্মসূচি ছড়িয়েছে দেশজুড়ে নানা প্রকারে। দেশভিত্তিক উৎকর্ষ কার্যক্রম, দেশভিত্তিক ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরি, পাঠাভ্যাস উন্নয়ন কর্মসূচি, আলোর ইশকুল, দেশভিত্তিক পাঠচক্র, অনলাইনে বইপড়া কার্যক্রম আলোর পাঠশালা, কি নেই?
আড়াই তলা ছোট ভবন থেকে বর্তমানে দশ তলা ভবনে স্থায়ীরূপ পেয়েছে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র। বর্তমানে এর বিভিন্ন কার্যক্রমে ২৭ লাখ সভ্য নানামুখী কার্যক্রমে অংশ নিয়ে প্রতিনিয়ত ঋদ্ধ হচ্ছে।
.......৩.......
নিজের ব্যক্তিগত জীবন বদলের গল্প বললে বিষয়টি আরো স্পষ্ট হবে। আমি তখন নটর ডেমে। সময়টা ১৯৯৩ সাল।রেসেস পিরিয়ড চলছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের হৈমন্তী গল্পের নায়কদের তখন বিরতি। দুই টাকার সমুচা আর চার টাকার পেটিস ততক্ষণে জিভে জল এনেছে। বারান্দায় গিজগিজ। পায়ে পায়ে এগিয়ে চলছি ভিড় এড়িয়ে। বাইরে ফাগুন হাওয়া। কোলাহলের হল্লায় চোখে পড়লো একটি হাত। হলুদ লিফলেটের সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টি। দিন বলতেই, হাতে আসে সেই উড়ন্ত হলুদ বার্তা। তাকিয়ে দেখি কালো হরফে লেখা, বই পড়লেই পুরস্কার। তাও আবার হাজার টাকার বই।
সহপাঠীদের সঙ্গে পরামর্শ করি, চল না যাই। দল বেঁধে ছুটে যাই চোরাগলির লাল ইটের সেই বাড়িটিতে। গলিপথ পেরিয়ে উঁকি দিতেই মন আটকে যায়। সবুজ দূর্বাঘাসে ছাওয়া লনের পাশে নাগলিঙ্গম, মহুয়া, রঙ্গন, শিউলি, কামিনী।
নানান সুভাসে মউ মউ করছে চারদিক। মন বলছে, ওদের বন্ধুতা আমার চাই-ই চাই। হলুদ লিফলেটের সেই নেশায় বুঁদ হয়ে গেলাম সে থেকেই। এভাবেই চিরায়ত, আদর্শিক জীবন বদলে যাওয়া চরিত্রগুলোর সঙ্গে ধীরে ধীরে পরিচয়। সক্রেটিস, প্লেটো, টলস্টয়, মার্কটোয়েন, ম্যাক্সিম গোর্কি, এডগার এলান পো, নিকোলাই গোগল, বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল, শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়সহ আরও কত বুদ্ধিদীপ্ত লেখকের সঙ্গে পরিচয়। তাঁদের লেখায় চরিত্রগুলো নিয়ে দিনভর মশগুল থাকি। আর সেইসব দিনগুলোতে যে মানুষটি বইয়ের পেছনের মানুষদের গল্প বলতেন, আদর্শিক অবস্থান তুলে ধরতেন সেই আলোর ইশকুলের কারিগর ছিলেন আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ।
প্রথমদিনের স্মৃতিতে মনে পড়ে, লাল ইটের দেয়াল পেরিয়ে ধাক্কা লাগে এক কক্ষের অভ্যর্থনা কেন্দ্রে। নাম ছিল ‘সুরঞ্জনা’। সেখানেই জমা দিতে হবে হলুদ লিফলেটের শর্ত অনুযায়ী দশ টাকার অফেরতযোগ্য ফি, চল্লিশ টাকার নিরাপত্তা জামানত। সেই শুরু যার শেষ নেই। সেই দশ টাকায় বই পড়েছি কত শত তার ইয়ত্তা নেই। বলা চলে বইয়ের রাজ্যে সেই থেকেই ঢুকে পড়া। আজও মাতাল হয়ে আছি বইয়ের নেশায়।
সপ্তাহ শেষে ছুটির সকাল-বিকাল সায়ীদ স্যারের তীক্ষ্ণ শক্তি দিয়ে চরিত্রগুলোর বিশ্লেষণ আমাদের ভাবিয়ে রাখত দিনকে দিন। পাঠ আলোচনা শেষে ছোলা-মুড়ি আর লাল চায়ে চলত নানা দার্শনিক তথ্য আর তত্ত্বের বৈঠকি আসর। চলমান কেরানি বৃত্তান্তের বাইরে জীবনকে ভাবা সেই থেকেই শুরু। কুয়োর ব্যাঙ আর সাগরের তিমির মধ্যে তফাতটা কোথায় তা-ও বুঝেছিলাম সক্রেটিয়ান এই স্কুল থেকেই। শুরুতে মাত্র ২৫ জন ছাত্রছাত্রী নিয়ে একটি পাঠচক্র শুরু হয়েছিল। গত চার দশকে এমন অগুণতি পাঠচক্রে লাখ লাখ শিক্ষার্থী আজ আলো ছড়াচ্ছে ছয়টি মহাদেশে। অনুসন্ধিৎসু এমন পথ পরিক্রমায় বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র লড়ে চলেছে।
.......৪......
বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের লক্ষ্য কি? বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র কি করতে চায়? এমন প্রশ্নে আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ-এর সাফ জবাব, আমাদের লক্ষ্য, ‘আরো একটু ভালো।’ দৃষ্টান্ত হিসাবে তিনি বলেন, কেউ যদি জীবনে পুলিশের একজন দারোগাও হয় তাহলে সে যেন ‘আরো একটু ভালো’ দারোগা হয়। প্রগতি বা প্রতিক্রিয়া এই দুদলের কারো ব্যাপারেই দায় নেই বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের। বিশ্বসাহিত্য মানুষের গুণগত সমৃদ্ধির লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যত মামলা by তোফায়েল হোসাইন

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ডাদেশ বাতিল চেয়ে করা আপিলে সাজা ৫ বছর থেকে বাড়িয়ে ১০ বছর করেন উচ্চ আদালত।
গত বছরের ২৯ অক্টোবর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় একই আদালত খালেদা জিয়াকে সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ সাজা বাতিল ও খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে উচ্চ আদালতে তার আইনজীবীরা আবেদন করলেও এখনও শুনানিতে অংশ নেননি। জামিনের বিষয়ে উচ্চ আদালতে কোনও আদেশ হয়নি।
খালেদা জিয়ার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদিন মেজবাহ বলেন, ‘খালেদা জিয়া সাংবিধানিক ও আইনগত অধিকার থেকে সম্পূর্ণ বঞ্চিত। মূলত মামলা দিয়ে তাকে সামাজিক ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ারকে চিরতরে শেষ করার ষড়যন্ত্র চলছে। আমরা আশা করি, অতি শিগগিরই আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে খালেদা জিয়া কারামুক্তি পাবেন।’
এ দুই মামলা ছাড়াও খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আরও ৩৩টি মামলা রয়েছে যার মধ্যে ২২টি বিচারাধীন। তদন্ত চলছে আটটির এবং আদালতের নির্দেশে তিনটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত আছে। এদিকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে, গ্যাটকো দুর্নীতির মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ জজ আবু সৈয়দ দিলজার হোসেনের আদালতে বৃহস্পতিবার, ৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়। এ মামলায় বকশীবাজার আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালতে হাজিরা দেন তিনি। আদালতে খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি হয়।
এদিকে নাইকো দুর্নীতি মামলার অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ঢাকার ৯ নম্বর বিশেষ জজ শেখ হাফিজুর রহমানের আদালতে মঙ্গলবার, ১২ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে। বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ এ এইচ এম রুহুল ইমরানের আদালতে ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য আছে।
এছাড়া খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে বিচারাধীন মামলাগুলোর মধ্যে মিথ্যা তথ্যের ভিত্তিতে ভুয়া জন্মদিন পালন ও যুদ্ধাপরাধীদের মদদ দেওয়ার দুই মামলায় অভিযোগ গঠন শুনানি ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর হাকিম আসাদুজ্জামান নুরের আদালতে ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত ও জাতিগত বিভেদ সৃষ্টির অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম। এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিলের জন্য ১৮ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন আদালত।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও আওয়ামী লীগকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার অভিযোগে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আদেশের জন্য ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিমের আদালতে ২৫ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য রয়েছে। ঢাকা মহানগর হাকিম আদালত থেকে মানহানির একটি মামলা খারিজ করে দিয়েছেন বিচারক। এছাড়া খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ঢাকার বাইরে নড়াইলে মানহানির একটি এবং কুমিল্লায় হত্যা মামলা, বিস্ফোরণ ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে তিনটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
এদিকে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ অন্য আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা, রাষ্ট্রদ্রোহ ও নাশকতার ১১টি মামলায় ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ -এর আদালতে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য ১৭ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য আছে। মামলাগুলো হলো দারুস সালাম থানার নাশকতার আট মামলা, যাত্রাবাড়ী থানার একটি হত্যা মামলাসহ দুই মামলা এবং রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলা।
এছাড়া খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে রাজধানীসহ বিভিন্ন জায়গায় নাশকতা ও মানহানির আটটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। আর গুলশান ও দারুস সালাম থানার করা নাশকতাসহ ড্যান্ডি ডায়িং মামলাটি উচ্চ আদালতের আদেশে স্থগিত রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্যাট্রিনাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা

তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করতে না পেরে তার মা পুলিশে একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। এরপর পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। তার এপার্টমেন্টে গিয়ে বাথটাবের ভিতর ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার করে মৃতদেহ। এতে পাওয়া যায় একজন পুরুষের আঙ্গুলের ছাপ। পুলিশ তাও সংগ্রহ করেছে। তবে কে সেই নরপিশাচ তা এখনই প্রকাশ করতে চাইছে না পুলিশ।
রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, ওই নরপিশাচ বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক স্থাপন অর্থাৎ পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে তুলতে চেয়েছিল। এর সূত্রপাত এভাবে ঘটে- ক্যাট্রিনা বিজ্ঞাপন দিয়েছিলেন বাসা ভাড়া দেয়ার জন্য। এক পর্যায়ে তার বাসা দেখতে যায় ওই নরপিশাচ। এ সময় সে তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে চায়। কিন্তু তাতে রাজি হন নি ক্যাট্রিনা। ফলে তার ওপর লোলুপ চোখ পড়ে তার। অমনি হামলে পড়ে নৃশংস মনোবাসনা নিয়ে। ঘটনাস্থলের আলামত দেখে পুলিশ বলছে, ওই নরপিশাচ ক্যাট্রিনাকে ধর্ষণ করেছে। এক পর্যায়ে যখন তার মধ্যে আতঙ্ক দেখা দিয়েছে যে ক্যাট্রিনা পুলিশে যাবে, তখন সে তাকে হত্যা করেছে। তাকে ডুবিয়ে দেয় বাথটাবে। এরপর ওই ফ্ল্যাট ত্যগ করে। কিন্তু তার আগে সে রেখে গেছে আঙ্গুলের ছাপ।
এ ঘটনায় ওই ধর্ষককে তার বাসা থেকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় সে তার সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে টেলিভিশন দেখছিল। প্রাথমিক তদন্তে সে ওই মডেলকে ধর্ষণ ও পরে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাপারাজ্জিরা যে কারণে তারকাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে

তারকাদের অভিযোগ, তাদের একান্ত ব্যক্তিগত জীবন বা গোপন বিষয়গুলোর পিছু নেয় পাপারাজ্জিরা। এটা তাদের ব্যক্তিজীবনের ওপর আক্রমণ বলে তারা মনে করেন।
পশ্চিমা বিশ্বে তারকারা একান্ত ব্যক্তিগত সময় কাটাতে গিয়েও অনেক সতর্ক থাকেন।
পাপারাজ্জির ক্যামেরা তাদের অনুসরণ করছে কিনা, তাদের ব্যক্তিগত বিষয় বা গোপন কিছু পাপারাজ্জির ক্যামেরায় ধরা পড়লো কিনা? এই আতংক কাজ করে তারকাদের মাঝে।
এসব নিয়ে তারকাদের অনেক অভিযোগ ছিল।
তাদের মধ্যে একটা উত্তেজনাকর সম্পর্কও রয়েছে।
কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে অভিযোগের স্রোত বইতে শুরু করেছে উল্টোদিকে।
অভিযোগ আনা হচ্ছে তারকাদের বিরুদ্ধে।
অভিযোগ হচ্ছে, অনেক তারকা সামাজিক নেটওয়ার্কে ছবি ব্যবহার করে কপিরাইট আইন লংঘন করছেন।এমন অভিযোগে জেনিফার লোপেজ এবং মডেল গিগি হাদিদসহ বেশ কয়েকেজন তারকার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছিল।
একজন তারকা হয়তো ভাবতে পারেন, পাপরাজ্জি তাঁর ছবি তুলেছে, অথবা কোন একটি প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে তাকে কেন্দ্র করেই ছবি তোলা হয়েছে। ফলে সামাজিক নেটওয়ার্কে নিজের পোস্টে তা ব্যবহারে কোনো বাধা নেই।তবে কপিরাইট আইনে ছবির মালাকানার প্রশ্ন আছে।
যে ফটোগ্রাফার ছবি তুলেছেন, তার মালিকানার প্রশ্ন আছে।
এছাড়া একজন ফটোগ্রাফার কোনো প্রতিষ্ঠানের জন্য ছবি তুললে, তখন ত্রিপক্ষীয় চুক্তি ছাড়া এর মালিকানা নিয়ে জটিলতা থাকবে।
গত সপ্তাহে মডেল গিগি হাদিদের বিরুদ্ধে একজন ফটোগ্রাফার কপিরাইট আইনে মামলা করেছেন।
এই মডেল তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ফটোগ্রাফারের অনুমতি না নিয়ে ছবি পোস্ট করেছেন। এমন অভিযোগ আনা হয়েছে মামলাটিতে।
যদিও ঐ মডেলকে নিয়েই ছবিগুলো তোলা হয়েছিল।
একই ধরণের মামলা হয়েছিল জেনিফার লোপেজ এর বিরুদ্ধে।
তিনি তাকে নিয়ে তোলা বিভিন্ন ছবি তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে পোস্ট করেছিলেন।
যুক্তরাষ্ট্রে মেধাস্বত্ত্ব বা কপিরাইট বিষয়ে আইনজীবী নীল চ্যাটার্জি বলেছেন, সামাজিক নেটওয়ার্ক মেধাস্বত্ত্বের বিষয়গুলোকে জটিল থেকে জটিল করছে।
তিনি উল্লেখ করেছেন, টুইটারে যেহেতু কোনো ছবি রি-টুইট করা যায়, তখন কপিরাইট বা ছবি মালিকানার বিষয়ে জটিলতা দেখা দিতে পারে।
মি: চ্যাটার্জি বলেছেন, এ ধরণের মামলাগুলো কপিরাইট ট্রলিং হিসেবে পরিচিত হয়ে উঠছে।
তিনি বিশ্বাস করেন, ফটো এজেন্সিগুলো তাদের আয় বাড়ানোর জন্য নতুন এই উপায় বেছে নিয়েছে।
সূত্রঃ বিবিসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রিজার্ভ চুরি: ওয়াশিংটন পোস্টের চোখে মামলার ভবিষ্যৎ

জোসেফ মারকস-এর লেখা প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৬ সালের উত্তর কোরিয়ার হ্যাকিং ক্যাম্পেন চলাকালে বাংলাদেশ থেকে চুরি করা ৮১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ফেরত নেয়ার জন্য গত বৃহস্পতিবার দাখিল করা এক মামলায় নিউ ইয়র্ক ফেডারেল রিজার্ভ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংককে সহায়তা করছে। কিন্তু তারা সরাসরি পিয়ংইয়ংকে দায়ী করছে না।
বাংলাদেশ ব্যাংক উত্তর কোরিয়ার বিরুদ্ধে যাওয়ার পরিবর্তে ফিলিপাইনের একটি ব্যাংকের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। কারণ ওই টাকা উধাও হয়ে যাওয়ার আগে অল্প সময়ের জন্য ফিলিপিনো ক্যাসিনোগুলোতে ব্যবহৃত হয়েছিল। ফিলিপাইনে স্থানান্তরের আগে নিউ ইয়র্ক ফেডের কাছেই ওই টাকা গচ্ছিত ছিল।
ব্যাংকগুলোর মধ্যে একটি চুক্তির ভিত্তিতে নিউ ইয়র্ক ফেড ফিলিপাইনের জনগণ ও সংস্থাগুলোকে ওই তহবিল পুনরুদ্ধারে সাহায্য করার জন্য আবেদন জানিয়েছে।
মামলাটি- যা আধুনিক ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যাংকচুরি কেলেঙ্কারি হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে- সেটা সাইবার ক্রাইমের ভিকটিমদের জন্য একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ, সাবেক প্রসিকিউটররা বলেছিলেন।
সাইবারক্রাইম থেকে বিশ্বব্যাপী ক্ষতি, যা স্ট্র্যাটেজিক ও আন্তর্জাতিক স্টাডিজের প্রতিবেদনে প্রতিবছর ৬শ’ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। তবে আন্তঃসীমান্ত অপরাধের কারণে হ্যাকারদের কাছ থেকে চুরি করা অর্থ পুনরুদ্ধার করা প্রায়শই কঠিন বা অসম্ভব। অপরাধীদের- যদি তাদের এমনকি শনাক্ত করা সম্ভব হয়, তাহলেও তা ফেরত পাওয়া যায় না। কারণ তারা সরকারের আইন প্রয়োগকারীর নাগালের বাইরে থাকে।
এর অর্থ হলো- সাইবারক্রাইমের যারা শিকার তারা প্রতিকারের জন্য বিকল্প পথ দেখবেন। মার্কিন বিচার বিভাগ এবং সাইবার নিরাপত্তা সংস্থাগুলো উত্তর কোরীয় সরকার সমর্থিত হ্যাকাররা এই অপরাধ সম্পন্ন করেছে বলে সরাসরি অভিযুক্ত করেছে।
মায়ার ব্রাউনের সাইবার নিরাপত্তা প্রক্রিয়ার একজন এটর্নি এবং সাবেক মার্কিন নির্বাহী সহকারী এটর্নি আমাকে বলেন, “আপনি যদি প্রকৃতপক্ষে তহবিল পুনরুদ্ধার করতে চান তবে আপনাকে ????‘গভীর পকেটে’ গিয়ে কাউকে খুঁজে বের করতে হবে।” “মানুষ টাকা কোন পথে গেছে, সেটা অনুসরণ করতে নামে এবং অন্যদের দোষ খুঁজে পায়।”
এই মামলার আর্জিতে বলা হয়েছে, এখানে একটা ব্যতিক্রম ঘটেছে। টাকাটা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আগে তা বাধাগ্রস্ত হয়েছিল। হ্যাকাররা যদি সম্পূর্ণ সফল হতো, তাহলে বাংলাদেশের প্রায় একশ’ কোটি বিলিয়ন চুরি হতো। সেটা ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের মোট রিজার্ভের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি। আর তাহলে সেটা বাংলাদেশের জনগণের জীবনে বয়ে আনতো একটি মহাবিপর্যয়।
তবুও বাংলাদেশ ব্যাংক পিয়ংইয়ংয়ের বর্তমান শাসনামলে তারা ৮১ মিলিয়ন ডলারের মতো তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণের টাকাও পুনরুদ্ধারের সম্ভাবনা কম। কারণ দেশটি চরম তহবিল সংকটে আছে। তাছাড়া দেশটি বিশ্ব আইনের শাসনের মানদণ্ডেও বেশ পিছিয়ে। ক্রিস্টিয়ান বলেন, বাংলাদেশ এই বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই ফিলিপিনো রিজাল কমার্শিয়াল ব্যাংকিং কর্পোরেশন (আরসিবিসি)-এর বিরুদ্ধে মামলা ঠুকেছে। এই ব্যাংকটি বিশ্ব ফিন্যান্সিয়াল সিস্টেমের সঙ্গে রয়েছে।
এই মামলাটি কিছুটা স্বতন্ত্র। তার কারণ বাংলাদেশ ব্যাংক অভিযোগ করেছে যে আরসিবিসি আসলেই নিছক অবহেলা করার পরিবর্তে তারা হ্যাকের সঙ্গে জড়িত ছিল। এটি তাই একটি সাধারণ ব্যক্তিগত তথ্য লঙ্ঘন মামলা নয়। অনেক সময়, গ্রাহকদের তথ্য চুরি করা হয়েছে, এমন কোনো অভিযাগে কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা চলে। এতে তাদের ব্যক্তিগত তথ্য যথাযথভাবে সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ বলে দাবি করা হয়।
মামলার এজাহার অনুসারে, আরসিবিসি উত্তর কোরিয়ার হ্যাকারদের সহায়তা দিয়েছে। নিউ ইয়র্ক ফেডের আরসিবিসি হিসাবে হ্যাকাররা প্রথমে টাকাটা স্থানান্তর করেছে। পরে তারা আবার ফিলিপিনের হিসাবে সরিয়ে নিয়েছে। অবশ্য আরসিবিসি’র আইনজীবীরা বাংলাদেশের এই দাবিকে “সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন” এবং “পিআর প্রচারণা” হিসেবে নাকচ করেছে। তারা বলেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজের অবহেলার দায় থেকে চোখ সরাতেই এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
ম্যানিলা ব্যাংক আরো যুক্তি দিয়েছিল যে, নিউ ইয়র্কে ফেডের হিসাবে গোড়াতে টাকাটা প্রথমে ঢুকেছিল, কেবল এই কারণে তার বিুদ্ধে অভিযোগ খাড়া করার চেষ্টা খুবই ঠুনকো। ক্রিশ্চিয়ান আমাকে বলেছেন যে, আন্তর্জাতিক হ্যাকিং ভিকটিমরা প্রায়ই মার্কিন আদালতে মামলা দায়ের করেন এই আশায় যে, এখানে তারা অধিকতর স্বচ্ছ আইনের শাসন ও মনোযোগ পাবেন।
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক এটর্নি এবং বর্তমানে ডাটা নিরাপত্তা সংক্রান্ত মার্কিন সংস্থা কিং অ্যান্ড স্পালডিংয়ের অংশীদার হিসেবে যুক্ত থাকা জন হর্ন বলেছেন, মামলাটি কিছুটা অস্বাভাবিক। কারণ বাংলাদেশ ব্যাংকের অর্থ পুনরুদ্ধারের জন্য নিউ ইয়র্ক ফেড একটি সক্রিয় ভূমিকা নিতে অঙ্গীকার করেছে।
“ফেডের তরফে স্পষ্টতই এটি একটি নির্দিষ্ট সংকেত যে, ফেডের সিস্টেমকে যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমনভাবে ব্যবহার না করে। তাকে নিরুৎসাহিত করাই ফেডের লক্ষ্য।” হর্ন আমাকে বলেছিলেন।
উত্তর কোরিয়ান হ্যাকাররা সম্পূর্ণভাবে মার্কিন বিচারের নাগালের হাত থেকে পালিয়ে যেতে পারেনি।
গত সেপ্টেম্বর মাসে সোনি পিকচার এন্টারটেইনমেন্টের হ্যাকে (২০১৪) যুক্ত থাকা আসামি পার্ক জিন হিউক নামের একজনকে বাংলাদেশ ব্যাংকের চুরির সঙ্গে যুক্ত থাকার দায়ে মার্কিন জাস্টিস ডিপার্টমেন্টে অভিযোগ করেছে।
মি. পার্ক মার্কিন কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন, তেমন সম্ভাবনা কম। আর উত্তর কোরিয়ান শাসনে হ্যাকড হওয়া কোনো তহবিল পুনরুদ্ধারের কোনো কথাবার্তা নেই।
ক্রিশ্চিয়ান আমাকে বলেন, “বেশির ভাগ সাইবারক্রাইমের মামলার মতো বাংলাদেশের এই ঘটনাটি দেখায় যে, যখন সাইবার ভিকটিমরা প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করতে পারে না বা তাদের টিকিটিও স্পর্শ করতে পারে না, তখন তারা প্রতিকারের জন্য অন্য পক্ষগুলোর দ্বারস্থ হয়।”
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
'ভারত আমাদের, পৃথিবীর কোনো শক্তিই আমাদের ক্ষতি করতে পারবে না' -মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী

আরএসএস-বিজেপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘দেশ ভক্তি, দেশ প্রেম আমাদের রক্তে মিশে রয়েছে, আরএসএসের কাছ থেকে তা শিখতে হবে না। জন্মসূত্রে আমরা ভারতীয়, পৈতৃক সূত্রে ভারতীয় এবং উত্তরাধিকার সূত্রে ভারতীয়। ভারতে ছিলাম, আছি এবং ইনশাআল্লাহ্ আমরা থাকবই, থাকব। পৃথিবীর কোনও ক্ষমতা নেই যে আমাদের পশম নড়াতে পারবে! যারা ট্যারা-বাঁকা চোখ দেখাচ্ছেন আমরা তাঁদের সাবধান করে দিচ্ছি, অনুরোধ নয়, ঘুমন্ত বাঘকে চিমটি কেটো না। ঘুমন্ত বাঘকে কামড় দিও না। কারণ হাঁ করলে সব পেটে চলে যাবে!’
আরএসএসকে টার্গেট করে তিনি বলেন, ‘আরএসএস তোমরা নোংরা হিন্দু। আরএসএস মনে করে দেশ থেকে তাড়িয়ে দেবে? এত মায়ের দুধ খেয়েছে তাঁরা! ভয় দেখাচ্ছে? যারা ব্রিটিশদের তাড়িয়েছে, সেই জমিয়তে উয়ামায়ে হিন্দ এখনও বেঁচে আছে তাঁরা যেন মনে রেখে দেয়।’
তিনি বলেন, ‘একথা দায়িত্ব নিয়ে বলছি, ভালো করে শুনবেন, আরএসএস যতই চিৎকার করুক, ভারতবর্ষ কোনোদিনই হিন্দু রাষ্ট্র হবে না ইনশাআল্লাহ্। আমরা তা হতে দেবো না। কান খুলে তাঁরা শুনে নিন। হিন্দু রাজ্য হবে? এটা কী মগের মুল্লুক? একইভাবে আমরা দ্বিতীয় পাকিস্তানও হতে দেবো না। আমরা এর ঘোরতর বিরোধী।’
তিনি বলেন, ‘ইসলাম ধর্ম অন্য ধর্মের সম্মানের শিখিয়েছে। কিন্তু তাই বলে আমার মসজিদ, মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দেবে, আমরা চুড়ি পরে থাকবে এটা যেন কেউ না ভাবে। আমরা ধৈর্য ধরে আছি ঠিকই। ‘সবর’ করছি ঠিকই। কিন্তু মসজিদের মিনার ভেঙে দেবে, দরজা ভেঙে দেবে আর বিধবার মত কেউ বসে থাকবে এদিন যেন দেখতে না হয়।’
বর্ধমান জেলা জমিয়তে উলামা হিন্দের ডাকে গলসীতে ওই সমাবেশে মাওলানা সিদ্দীকুল্লাহ চৌধুরী, কোলকাতার ঐতিহ্যবাহী রেড রোডের ইমাম-এ-ঈদাইন ক্বারী ফজলুর রহমান, জমিয়তের রাজ্য সহ-সভাপতি মাওলানা মনজুর আলম, রাজ্য সহ-সভাপতি মাওলানা আবুল কাসেম, রাজ্য সাধারণ সম্পাদক মুফতি আব্দুস সালাম, রাজ্য সম্পাদক মুফতি রফিকুল ইসলাম, বর্ধমান জেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা ইমদাদুল্লাহ চৌধুরী, জেলা সম্পাদক মাওলানা ইমতিয়াজ আলী, বীরভূম জেলা জমিয়তের সভাপতি মাওলানা আনিসুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কালি ও কলমে প্রকাশিত শহীদ কাদরীর কবিতা
এই কবিতাটি সরাসরি একুশের কবিতা নয়,
কিন্তু যদি তুমি অপলক তাকিয়ে থাকো এই শব্দমালার দিকে,
তুমি দেখতে পাবে এই কবিতার ভেতর ফল্গুধারার মত বয়ে
চলেছে
শ্রাবণের রাঙা জল – একে তুমি একুশের কবিতা বলতে পারো।
এই কবিতাটি সরাসরি একুশের কবিতা নয়,
কিন্তু যারা প্রেমিক তাদের চোখে ঠিক ধরা পড়বে –
এই কবিতার উপর আষাঢ়ের ঘনমেঘের এবং শাড়ি পরা বাংলার
মায়েদের
দীর্ঘ ছায়া পড়ে আছে;
এই কবিতার গভীরে এখনও ‘জল পড়ে পাতা নড়ে’,
এখনও বিরতিহীনভাবে বয়ে চলেছে বাংলার বর্ষণমুখর রাত্রির
কালো হাওয়া
এ কবিতা একুশেরই কবিতা।
এই কবিতাটি সরাসরি একুশের কবিতা নয়।
কিন্তু বৈশাখের খররৌদ্রে সোনালি খড়বাহী গাড়ির মতো
মন্থরভাবে এগিয়ে চলেছে এই কবিতা, এখন আমি জানি
একুশই হচ্ছে এই পঙ্ক্তিগুলোর জরায়ু – একে আমি একুশের
কবিতাই বলতে চাই!
আমার মনে আছে ১৯৫২-র শেস্নøvগান চঞ্চল একুশের অপরাহ্ণে
আমি দেখেছি পাখির পালকের মতো হালকা এক
ভিখিরি বালকের মৃত্যু এক অমোঘ থ্রি-নট-থ্রির গুলিতে।
তার কথা একুশের ইতিহাসে লেখাজোখা নেই;
এই কবিতাটিকে আমি সেই নিহত বালকের
শ্বেত কফিন ও স্মৃতির মিনার বলতে চাই,
এবং সেই অর্থেও একে আমি একুশের কবিতাই বলবো।
সেই এক সময় ছিল যখন বাংলা ভাষা থেকে নির্বাসনে পাঠানো
হয়েছিল
বাংলা ভাষাকেই। সরকারি উর্দিপরা বিদেশি সৈনিকের মতো ভারি
বুট পরে
সদর্পে কুচকাওয়াজ করে বেড়িয়েছে আমাদের অচেনা শব্দগুলো
অথচ আমার এ শব্দমালা বাংলা ছাড়া অন্য কিছু নয়,
আর সে অর্থেও একে আমি একুশের কবিতা বলতে চাই।
এই কবিতাটি সরাসরি একুশের কবিতা নয়।
কিন্তু যদি বরকত, রফিক, সালাম, জববারের অফুরান রক্তের
লালে
আমার স্বদেশ ডুবে না যেতো – এই কবিতাটি লেখা হতো না
কোনোদিন
অতএব এই কবিতাটিকে আমি একুশের কবিতাই বলতে চাই
দোহাই তোমাদের, তোমরা আপত্তি করো না।
পথে হলো দেরি
পথে পথে আর পান্থশালায়
হয়ে গেল বড় দেরি
কাঁধে নিয়ে সব মৃত হরিণের
দুয়ারে দুয়ারে স্বপ্ন করেছি ফেরি।
তোমার বাগানে মালাকার নেই
বাগানে ঝরছে চেরি
দরোজা জানালা বন্ধ সকলই
হয়েছে কি খুব দেরি?
তবু আজকে লণ্ঠন জ্বেলে
লিখব তোমার কথা
সে-সব কথা কি নিমেষে মেলাবে?
আমার বেলায় হবে নাকি অন্যথা?
শীতের পাহাড়ি তীব্র হিম বাতাস
ছিঁড়েছে আমার তাঁবু;
‘আপনি বড্ড দেরি করেছেন’
হেঁকে বলেস্নøন ইস্টিশনের বাবু।
পথে পথে আর পান্থশালায়
হয়ে গেল বড় দেরি,
কাঁধে নিয়ে আমি মৃত হরিণের শব
একা একা হাঁটি। তোমার বাগানে
সারা দিনরাত অঝোরে ঝরবে চেরি।
আপনারা জানেন
Philosophers have only interpreted the world in various ways; the point however is to change it – Marxs, Thesis on Feurbach
আপনারা জানেন
মহামতি পেস্নøটো কী বলেছেন…
দার্শনিক কান্ট কী বলেছেন…
হেগেল কী বলেছেন…
মহামতি বুদ্ধ কী বলেছেন…
দেকার্তে কিংবা
বের্গসঁ কী বলেছেন…
বার্ট্রান্ড রাসেল কী বলেছেন…
হোয়াইটহেড কী বলেছেন…
জীবনানন্দ দাশ কী বলেছেন…
বুদ্ধদেব বসু কিংবা বিষ্ণু দে কী বলেছেন…
কী বলেছেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ!
কী বলেছেন কবিকুলচূড়মণি মাইকেল!
আপনারা জানেন
ঈশ্বরের পুত্র যিশু কী বলেছেন…
ইউরিপিডিস কিংবা সফোক্লিস কী বলেছেন…
মিশেল ফুকো কী বলেছেন,
দেরিদ্দা কী বলেছেন
কী বলেছেন পিকাসো
কিংবা পল এলুয়ার!
এই গ্রহের মহাপুরুষরা কে কী বলেছেন
আপনারা সবই জানেন। এখানে বক্তৃতা আমার উদ্দেশ্য
নয়। আমি এক নগণ্য মানুষ, আমি
শুধু বলি : জলে প’ড়ে যাওয়া ঐ পিঁপড়েটাকে ডাঙায় তুলে দিন
বিপস্নøব
মনজুর এলাহীর বাগানে,
ছায়াচ্ছন্ন সন্ধ্যায়, বসেছিলাম আমরা
কয়েকজন। কথা হ’লো, অনেক ধরনের
কথা হ’লো। কেউ বললেন বঙ্গবন্ধুর কথা,
সেই প্রসঙ্গে নিহত এ্যালেন্দে এবং
চিলিতে সামরিক উত্থানের ইতিহাসও
উলেস্নøখ করলেন কেউ কেউ। বলা বাহুল্য
ইরাক ইরানের কথাও উঠলো। ক্যাস্ট্রোর পর
কিউবার অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ,
বিশ্বব্যাপী অসৎ বণিকদের দাপট,
এবং বাংলার বিপন্ন মানুষ
নিরন্ন আজীবন – এইসব কথা বলাবলি
করলাম আমরা কাজু বাদাম আর
কফি খেতে খেতে। ক্রমশ রাত্রি নেমে এলো
কালো বেড়ালের মতো নিঃশব্দ পায়ে।
টেবিল চেয়ারগুলো ঘিরে জোনাকিরা
জ্বলতে লাগলো – যেন চিরটাকাল এরকম
জ্বলতে থাকবে তারা। আমরা উঠে গেলাম
ডিনার টেবিলে।
মনজুর এলাহী আবার বললেন : বন্দুকের নলই
শক্তির উৎস! রক্তপাত ছাড়া শ্রেণিসাম্য প্রতিষ্ঠা
অসম্ভব, অনায়াসে কেউ শ্রেণিস্বার্থ ছেড়ে দেয় না।
আমি জানালা থেকে দেখলাম
মনজুর এলাহীর গোটা বাগান
জোনাকিরা দখল করে নিয়েছে –
বিনা যুদ্ধে, বিনা রক্তপাতে।
হমত্মারকদের প্রতি
বাঘ কিংবা ভালুকের মতো নয়,
বঙ্গোপসাগর থেকে উঠে আসা হাঙরের দল নয়
না, কোনো উপমায় তাদের গ্রেপ্তার করা যাবে না
তাদের পরনে ছিল ইউনিফর্ম
বুট, সৈনিকের টুপি,
বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে তাদের কথাও হয়েছিলো,
তারা ব্যবহার করেছিল
এক্কেবারে খাঁটি বাঙালির মতো
বাংলা ভাষা। অস্বীকার করার উপায় নেই ওরা মানুষের মতো
দেখতে, এবং ওরা মানুষই
ওরা বাংলা মানুষ
এর চেয়ে ভয়াবহ কোনো কথা আমি আর শুনবো না কোনোদিন।
বিব্রত সংলাপ
তুমি বারবার নতুন কিছু শুনতে চাইলে
বোল্লে : ‘আমাকে নতুন কিছু শোনাও’
আমি বোলস্নাম : ‘অমাবস্যার পুঞ্জপুঞ্জ অন্ধকার
একদল কালো মুখোশ-পরা
ডাকাতের মতো
শিকার করতে চাইছে শাদা খরগোশের মতো কম্পমান
চাঁদটাকে’
তুমি বোলেস্ন : ‘এর কোনো অর্থ নেই!’
আমি আবার বোলস্নাম : ‘তুমি কী শোনোনি
তিনটে মাছের আক্রমণে নিহত মাছরাঙা প’ড়ে আছে নদীর
ওপারে’
তোমার চোখের তারা
অবিশ্বাসে বারবার নেচে উঠলো : ‘এটা একটা
প্রকৃতি-বিরুদ্ধ ঘটনা, হতেই পারে না’
আমি এবার একটু উঁচু গলায় : ‘বিশ্বাস করো অরণ্যের অব্যাহত
আক্রমণে দারুণ সংকুচিত হয়ে পড়ছে
আমাদের শহরগুলো।’
মস্নান হেসে তুমি বোলেস্ন : ‘ব্যাপারটা বরং উলটো
মানুষের হমত্মারক হাতের কল্যাণে এ-দেশে
পুষ্পল ঋতু আর দেখাই যায় না’
আমি এবার রেগে উঠলাম : ‘তুমি জানো
সমুদ্র প্রত্যাখ্যান করেছে আমাদের নদীগুলোকে,
তারা ফিরে আসছে তাতার দস্যুর তরঙ্গের মতো
আমাদের গ্রাম ও শহরের দিকে।’
হেলায়-ফেলায় তুমি বোলেস্ন : ‘অমন অলক্ষুণে কথা
শুনতেও নেই।’
আমি আবার বোলস্নাম : ‘ঐ দ্যাখো হরিণশাবকের তাড়া খেয়ে
দিশেহারা ডোরাকাটা বাঘগুলো
দিগ্বিদিক
পালাচ্ছে ছুটে।’
তুমি মস্নান হেসে বোলেস্ন : ‘এমন সুদিন কখনো কি আসবে?’
বস্টন ১৯৯০
সেই সময়
শ্রাবণ তোমার
শরীরে লিখেছে গল্প
– তার স্বাদ ভুলি নাই
শত্রম্নসেনার সতর্ক চোখ এড়িয়ে
তুমি এসেছিলে
তিনটে রাসত্মা পেরিয়ে
বৃষ্টিতে ভিজে ভিজে
– ভুলি নাই
সময়টা ছিল যুদ্ধের
কারফিউ চতুর্দিকে
বোকা, হাবা ও অবুঝদের
দলে মিশে গিয়ে আমরা
জ্ঞানী বুদ্ধের
বাণীর বদলে বন্দুক
নিয়েছি নির্দ্বিধায়
– ভুলি নাই
ক্রন্দন আর কলেস্নাল-ভরা
এলো স্বাধীনতা, শামিত্ম
এলো যুদ্ধশেষের ক্লামিত্ম
তখন তোমাকে
বলিনি কি ‘‘অপ্সরা
‘‘সম্বল শুধু
‘‘তোমার মুখের কামিত্ম
কিন্তু তবুও দাওনি ত তুমি ধরা
– ভুলি নাই
যদি মুখ খুলি
আমি মুখ খুললে কী বলবো বলুন,
যদি আমাকে কিছু বলতেই হয়,
তাহলে কী ব’লবো – ঐ দেখুন
রুপালি অলংকার পরা নিগ্রো রমণীর মতো
রাত্রির শরীর জ্বলছে
কিংবা যদি বলি : কিন্নরকণ্ঠ নদীগুলো
আজো গান গাইছে – কেউ শুনবে না
এইসব কাব্যিক কথা।
যদি মুখ খুলতেই হয়
আমি ব’লবো : আমাদের নদীগুলোর নাব্যতা
ক্রমশ কমে যাচ্ছে, উত্তর বাংলায়
শীতের পোশাক যাওয়া দরকার;
আমেরিকা না বেজিং – সাহায্যের হাত
প্রসারিত হবে কার দিকে? এ ব্যাপারে
সুশীল সমাজ আজ কী মনে করেন?
কার কণ্ঠে তুলে দেবো
কবিতার এই মণিহার?
আমি জানি গুপ্তঘাতকেরা
ছড়িয়ে রয়েছে আমার শহরে।
তাদের নিধন চেয়ে
কবিতাকে অস্ত্রের মতো
ব্যবহার করতে চেয়েছি আমি বহুবার।
কিন্তু কবিতা কেবল
ঘুরে বেড়ায় যেখানে রাঙা বল নিয়ে
বিকেলে খেলার মাঠে ছেলেরা জটলা পাকায়
অথবা মুখ গুঁজে পড়ে থাকে
মহিলাদের চুলের অন্ধকারে।
অপেক্ষা করছি
সেই সাত-সকালে তুমি বেরিয়েছো,
এখনও ফেরার নাম নেই।
টেলিফোন করছি এমনভাবে
যাতে বৃষ্টিধারার মতো নম্বরগুলো বেজে ওঠে,
যাতে তোমার মনে হয়
কে যেন গাইছে গীতবিতানের গানগুলো,
কিন্তু তবুও তোমার কোনো উত্তর নেই।
তিনটে এসএমএস করলাম,
দয়া করে উত্তর দাও।
তুমি যখন বাইরে যাও
ভয়ে আমি (কবির ভাষায়) কাঁপতে থাকি,
আর যখন ফিরে আসো
মনে হয় আমি সেই লোক যে-একদা
চন্দ্রপৃষ্ঠে হেঁটেছিল।
দ্যাখো, ভয় আমি পাই
কেননা ইতিহাসের অন্ধকারে হাঁটতে হাঁটতে
আজ আমি জ্বরাগ্রস্ত –
বন্দি একটি বিদেশি বারান্দায়।
হ্যাঁ, বিচ্ছেদ তা যতো ক্ষণকালীনই হোক
তাকে আমি ভয় পাই।
সব বিচ্ছেদের মধ্যেই রয়েছে মৃত্যুর স্বাদ।
শামত্ম বিকেলে
দেবতার মতো দেবদারু গাছ
আজ আর কোনো মন্ত্র উচ্চারণ করে না;
সোনালি সূর্যাস্তকে
আহবান জানায় না কোনো ঊর্ধ্বযানী সন্ধ্যার আজান;
সংহারের কালী-মূর্তির মতো রাত্রি নামে
পৃথিবীব্যাপী।
সকাল সাতটায় তুমি বেরিয়ে গেছো,
এখন বিকেল পাঁচটা। তবে কি আমাদের আর
দেখা হবে না কোনোদিন?
ইরাক জ্বলছে। আফগানিসত্মানের পাহাড়ে-পাহাড়ে
হমত্মারকদের সাব-মেশিনগান
গর্জন করছে বারবার। আত্মহত্যাকামী
ব্রেনওয়াশ্ড্ বালকেরা ঊরুতে গ্রেনেড বেঁধে
ঘুরে বেড়াচ্ছে আমাদের শহরে।
ঘন ঘন সাইরেন বাজিয়ে ছুটছে
পুলিশের হলুদ গাড়ি।
টুইন টাওয়ারে যেদিন বিমান আক্রমণ হ’লো
সেদিন তুমি নিউইয়র্কে।
আর গ্রেট ক্যালকাটা কিলিং-এর সময়
আমি কলকাতায়। প্রায় আজীবন
বিচ্ছেদ ভাবাতুর আমি।
বেরিয়েছো সেই সাত-সকালে
এখনও ফেরার নাম নেই।
মৃত্যুর আগে প্রত্যেকেরই প্রাপ্য
একটি শেষ চুম্বন – আমি কী তাও পাবো না!
মানুষ, নতুন শতকে
আজ আবার উদ্যত ছুরি মানুষের হাতে,
ওর পায়ের নিচে
পিষ্ট হচ্ছে নারী,
শিশুরা নিহত হচ্ছে চতুর্দিকে!
কবি, তোমার বর্মগুলো বের করে নাও।
তোমার কবিতাই শ্রেষ্ঠ বর্ম আজ!
মধ্যযুগের অন্ধকার ছিঁড়ে
আবার উদ্যত ছুরি
মানুষের হাতে।
আমাদের চেনা নগরগুলো থেকে
উঠছে ক্রন্দনধ্বনি
কবি, ওকে প্রতিহত করো।
কবি তুমি জানো আমাদের প্রিয় কবিতার
অমর পঙ্ক্তিগুলো
হত্যার বিরুদ্ধে চিরকাল – চিরকাল…
কবি, ওকে প্রতিহত করো \
এখন সেই সময়
যাকে অসময় বলতে পারো, দুঃসময় বলতে পারো
দোয়েলের গান কেউ পছন্দ ক’রছে না
কোয়েলের গান কেউ পছন্দ ক’রছে না
পৃথিবীব্যাপী এখন শুধু
পাতা ঝরার শীতার্ত গান ছাড়া
অন্য কোনো ধ্বনি নেই
ওক গাছ কিংবা পাইন গাছ
শিমুল অথবা কৃষ্ণচূড়া
শীতের আক্রমণ থেকে নিসত্মার নেই কারুর
শুধু আর্তনাদ ঝরা-পাতার
আমাদের লাল, নীল, সবুজ পাতাগুলো,
আমাদের প্রিয় পাতাগুলো ঝ’রে পড়ছে,
স্বাধীনতা যুদ্ধের সৈনিকদের মতো ঝ’রে পড়ছে,
শুধু পাতা ঝ’রার আর্তনাদ
শুধু পাতা ঝরার শোকার্ত চিৎকার চতুর্দিকে।
অথচ সমস্ত পৃথিবীর ঝরা-পাতাদের চিৎকারকে ছাপিয়ে
ভূকম্পনে বিধ্বস্ত গ্রামের মন্দিরে
ঘণ্টাধ্বনির মতো,
জলোচ্ছ্বাসের পরের প্রথম ভোরের
আজানের মতো,
কবি তার উত্থানের গানটি গাইবে
অসময় বলো, দুঃসময় বলো,
গান থামবে না।
বিশ্বাস-অবিশ্বাসের গল্প
সেদিন দুপুরবেলা
অন্যমনে ছিলাম ব’সে মন্দির-চত্বরে
আমার কৈশোরের এক
ছায়াচ্ছন্ন দিনে।
এয়ারগানের ছর্রাবেঁধা নিহত কাকের কলকাতাকে
স্মৃতির একটি গুচ্ছে
মিলিয়ে নিয়ে,
সংহত ক’রে,
বসেছিলাম আমরা তিনজন (আমি,
জাহাঙ্গীর আর সুকুমার)।
আবাল্য অবাধ্য কথক আমি নতুন
বন্ধুদের শোনাচ্ছিলাম কলকাতার ফুটপাথ থেকে ফুটপাথে
ঘুরে ঘুরে আমার (জন্মদিনে পাওয়া)
এয়ারগান কত-না চড়ুই আর কাকাতুয়া নির্দ্বিধায়
শিকার করেছে।
আর সূর্যটাকে সেদিন
মনে হয়েছিল একটা লাল বিশাল ললিপপ্ (নিউ-
মার্কেট থেকে কেনা) – আমার মুখে এই
উক্তিটা শুনে জাহাঙ্গীর উঠলো ব’লে ‘আর
গুল-তাপ্পি মারিস না-তো’ আর আমি যেই বলতে গেছি
‘ঠিক্ বলেছিস্!’ অমনি চোখজোড়াটা
আটকে গ্যালো বটগাছের নিচে,
দেখি, একটা মরা শালিক
টেলিভিশনের অ্যান্টেনার মতো
শূন্যে দু’পা তুলে
নিশ্চিন্তে রয়েছে প’ড়ে।
আর লাইন দিয়ে সারিসারি লাল পিঁপড়ে
শালিকটার চোখের মণি খুঁটেখুঁটে খাচ্ছে!
কোথাও কোনো বেদনার চিহ্ন নেই,
না-নৃত্যরত গাছের পাতায়, না-গগনম-লের অসীম
নীলিমায়
এ-ভাবেই আমার বিশ্বাসগুলো
পাখির চোখের মতো খুঁটেখুঁটে
খেয়ে ফেলেছে দুপুর-বেলার সেই লাল পিঁপড়েগুলো।
কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর
কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর –
ব্যক্তিগত গ্রাম থেকে অনাত্মীয় শহরে
পুকুরের যৌথ স্নান থেকে নিঃসঙ্গ বাথরুমে
কোনো নির্বাসনই কাম্য নয়
কাম্য নয়
কাম্য নয় আর –
জুঁই, চামেলি, চন্দ্রমলিস্নøকা কিংবা কাঠগোলাপ থেকে
টিউলিপ ম্যাগনোলিয়া অথবা ক্রিসেনথিমাম
নিজস্ব শহর থেকে অচেনা ফুটপাতে
এশিয়ার আকাশে ময়ূর নীল থেকে
কুয়াশাচ্ছন্ন প্রতীচ্য
না, কোনো নির্বাসনই
কাম্য নয়
আর।
কাম্য নয় আপন ভদ্রাসন থেকে ভাড়াটে ফ্লাটে
এই শব্দহীন শোল মাছের ঝোল থেকে
স্বাদমুক্ত চিকেন স্যুপ
আর ডিনার রোলে এ নির্বাসন
না, কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর।
পোকা-মাকড়ের গুঞ্জনে ভরা
তলোয়ারের মতন দীপ্তিমান বৈশাখ থেকে
শিকারি কুকুরের মতো শীত হাওয়ার চিৎকারে
এই যে নির্বাসন – কাম্য নয় তা।
নিজস্ব মহিলার আলিঙ্গন থেকে
হননমত্ত জনতার ব্যুহে
এই যে নির্বাসন – কাম্য নয় আর।
প্রাচ্য থেকে প্রতীচ্যে
অন্য এক উল্লাস-মত্ত পতাকার নিচে
এই যে নতজানু নির্বাসন – কাম্য নয় আর
প্রেম থেকে অপ্রেমে,
ধর্ম থেকে ধর্মান্ধতায়
প্রগতি থেকে প্রতিক্রিয়ার মধ্যযুগীয় আবর্তে,
চুম্বন থেকে চুম্বনহীনতায়
জীবনের ওপারে কোনো অমত্মহীন কফিনে
এই যে নির্বাসন
আমার কাম্য নয় আর
কোনো নির্বাসনই কাম্য নয় আর।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
February
(329)
-
▼
Feb 08
(16)
- বৃক্ষ মানব
- আফগানিস্তানে কর্তৃত্ব হারাচ্ছে সরকার, ব্যর্থ যুক্ত...
- শয়তানি ও সহিংসতার মূর্ত প্রতীক হচ্ছে আমেরিকা: সর্ব...
- ইরানের নতুন ক্ষেপণাস্ত্র উদ্বোধন: ২০০০ কিলোমিটার প...
- ভারতের জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে চলে এলেন মমতা
- কলকাতায় গরুর দুধের চেয়ে মূত্রের দাম বেশি!
- দেশে দেশে পরকীয়ার শাস্তি
- শ্রমিক আন্দোলনের পর ২৭ কারখানায় ৭৫৮০ শ্রমিক ছাটাই
- নগ্নতার শিরোনামে এমিলি রাতাজকাওস্কি
- পঁয়ত্রিশ টাকা অনুদানে সূচনা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের...
- খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে যত মামলা by তোফায়েল হোসাইন
- ক্যাট্রিনাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা
- পাপারাজ্জিরা যে কারণে তারকাদের বিরুদ্ধে মামলা করছে
- রিজার্ভ চুরি: ওয়াশিংটন পোস্টের চোখে মামলার ভবিষ্যৎ
- 'ভারত আমাদের, পৃথিবীর কোনো শক্তিই আমাদের ক্ষতি করত...
- কালি ও কলমে প্রকাশিত শহীদ কাদরীর কবিতা
-
▼
Feb 08
(16)
-
▼
February
(329)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

