Wednesday, November 13, 2024
আবু ঘ্রাইব কারাগারে নির্যাতন: ৩ ইরাকিকে ৪৪ মিলিয়ন ডলার দেয়ার রায় মার্কিন ফেডারেল জুরির
উল্লেখ্য, নির্যাতিত আল শিমারি ইরাকের মাধ্যমিক একটি স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল। আল ইজাইলি একজন সাংবাদিক এবং আল জুবেই একজন ফল বিক্রেতা। তাদের ওপর যেসব নির্যাতন চালানো হয়েছে এ বিষয়ে সাক্ষ্য দিয়েছেন। তারা বলেছেন, সিএসিআই-এর জিজ্ঞাসাবাদকারীরা নিজেরা নির্যাতন চালায়নি। তবে তারা জড়িত। কারণ, তারা যাদেরকে দিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করিয়েছে তারা তাদেরই লোক। যুক্তরাষ্ট্রের অবসরপ্রাপ্ত দু’জন জেনারেলের কাছ থেকে পাওয়া রিপোর্টকে এক্ষেত্রে তথ্যপ্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তারা ওই নির্যাতনের দৃশ্য প্রামাণ্য আকারে ধারণ করেছিলেন। তাতে দেখা যায়, ওইসব নির্যাতনে জড়িত সিএসিআই-এর অনেক জিজ্ঞাসাবাদকারী। বেশির ভাগ নির্যাতন সংঘটিত হয় ২০০৩ সালে। ওই সময় জেলখানার ভিতরে কাজ করছিলেন সিএসিআই-এর কর্মচারীরা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিয়ম ভেঙে প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে রাত্রিবাস: মিস ইউনিভার্সের মঞ্চ থেকে বিতাড়িত সুন্দরী
সূত্র : এনডিটিভি

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৃত্যুকূপ গাজা

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাসিনার ট্রাভেল ডকুমেন্টে কী লিখেছে ভারত by ডা. ওয়াজেদ খান
ইরানের ফ্যাসিস্ট শাসক শাহ রেজা পাহলভী মিশরের কায়রোতে ১৯৮০ সালে মারা যান নির্বাসিত অবস্থায়। অন্তিম ইচ্ছা সত্ত্বেও তাকে ইরানের মাটিতে কবরের অনুমতি দেওয়া হয়নি। মৃত্যুকালে শাহ হাসপাতালের বিছানার নীচে নিজ জন্মভূমির এক বস্তা মাটি রেখেছিলেন সযত্নে। সেই মাটিই ছিটিয়ে দেয়া হয় তার কবরের উপর। হাসিনা অবশ্য সহি-সালামতে আছেন ভারতে। যদিও তিনি চট করে দেশে ফেরার আওয়াজ দিচ্ছেন থেকে থেকে।
বাংলাদেশ সরকার হাসিনা এবং তার মন্ত্রী, এমপি ও পরিবারের সদস্যদের নামে ইস্যুকৃত ৫৬৯ পাসপোর্ট বাতিল করেছে ১৪ সেপ্টেম্বর। বিশেষ প্রাধিকারভুক্ত লাল পাসপোর্ট বাতিলের পর বেকায়দায় পড়েন হাসিনা। পালানোর পর পরই ভারতের বাইরে অন্য কয়েকটি দেশে আশ্রয় প্রার্থনা করে ব্যর্থ হন তিনি। ভারত হাসিনার রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত না করলেও ট্রাভেল ডকুমেন্ট ইস্যু করেছে তার জন্য। গত ৯ অক্টোবর ইস্যুকৃত এই ডকুমেন্টের মাধ্যমে তিনি সুযোগ পাবেন বিভিন্ন দেশ ভ্রমণের। ট্রাভেল ডকুমেন্ট এক ধরনের বিশেষ পরিচয়পত্র। নিজ মাতৃভূমির পাসপোর্ট পেতে ব্যর্থ ব্যক্তিবর্গ সাধারণত পেয়ে থাকে ট্রাভেল ডকুমেন্ট। ১৯৫৪ সালে এ সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলো প্রদান করতে পারে এই ডকুমেন্ট। ভারত দালাই লামাসহ কয়েক লাখ তিব্বতী শরণার্থীকে এই ট্রাভেল ডকুমেন্ট দিয়ে আসছে। দেশটির ম্যাকলিয়টগঞ্জসহ বিভিন্ন স্থানে শরণার্থীদের জন্য রয়েছে এই ব্যবস্থা। দীর্ঘ তিনমাসেও হাসিনার ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয়ের বিষয়টি নিশ্চিত হয়নি। এদিকে সহসাই তাকে ফিরিয়ে এনে আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধ আদালতে দাঁড় করানোর জন্য ইন্টারপোলে রেড এলার্ট নোটিশ চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।
হাসিনার নির্দেশে যেখানে সাধারণ পাসপোর্ট মুহূর্তেই পরিণত হত অসাধারণ কূটনৈতিক ও দাপ্তরিক পাসপোর্টে। সবুজ জমিনের পাসপোর্ট ধারণ করতো লালবর্ণ। অতিশয় ক্ষমতাধর সেই হাসিনা এখন বহন করছেন ট্রাভেল ডকুমেন্ট নামে ভারতের দেয়া পীতবর্ণের একটি বুকলেট। নিজ দেশ, জাতীয়তা ও পরিচয় প্রত্যায়িত করে যে পাসপোার্ট হাসিনা তা থেকে বঞ্চিত। পাসপোর্ট ছাড়া স্বাভাবিকভাবে কোনো সুযোগ নেই বিদেশ ভ্রমণের। ইতিহাসে অত্যন্ত জরুরি এই পাসপোর্টের প্রমাণ মেলে ৪৫০ খ্রীস্টাব্দে হিব্রু বাইবেলে। মধ্যযুগীয় ইসলামী খেলাফতের সময় শুল্ক প্রদানের রশীদ ছিলো একধরনের পাসপোর্ট। বিশ্বের শতাধিক দেশ এখন ডিজিটাল পাসপোর্ট প্রদান করছে নাগরিকদেরকে। মৃত ব্যক্তির কোনো পাসপোর্টের প্রয়োজন পড়ে না এক দেশ থেকে অন্য দেশে বহন করতে। ডেথ সার্টিফিকেট ও সংশ্লিষ্ট দেশের কনসুলার প্রমাণপত্রই যথেষ্ট। কিন্তু এর ব্যতিক্রম ঘটে ফেরাউন দ্বিতীয় র্যামেসেস এর মৃতদেহ মিশর থেকে ফ্রান্সে নিতে। কে না জানে ইতিহাসের অত্যাচারী, ঘৃণিত, ফ্যাসিস্ট ফেরাউন শাসকদের কথা। খ্রীষ্টপূর্ব ১৫৫০ থেকে ১২৯৮ সাল পর্যন্ত প্রায় দু’শ বছর মিশর শাসন করেছে ফেরাউন রাজবংশ। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তা’য়ালা ২৭টি সুরার ৭৫টি স্থানে উল্লেখ করেছেন ফেরাউন সম্পর্কে। নিজেদেরকে দেবতা দাবিকারী ফেরাউনদের কথা উল্লেখ আছে পবিত্র কোরআনের সুরা ইউনুসের ৯২ আয়াতে। হযরত মুসা (আঃ) ও তার বংশধরদের উপর ফেরাউনের নির্মম অত্যাচারের বয়ান আছে তাতে। পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনাও উল্লেখিত হয়েছে পবিত্র কোরআনে। আর মুত্যুর পরও ফেরাউন র্যামেসেস শরীর অক্ষত রাখা হবে পরবর্তী সীমালঙ্ঘনকারীদের জন্য সতর্কবার্তা হিসেবে। এমনি একজন ফেরাউন শাসক ছিলেন দ্বিতীয় র্যামেসেস। লোহিত সাগরের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয় তার।
প্রায় তিন হাজার বছর পর ১৮৮১ সালে মিশরে আবিষ্কৃত হয় ফেরাউন র্যামেসেসের মৃতদেহ। পরে মমি করে রাখা হয় কায়রোর জাদুঘরে। ১৯৭৫ সালে ফরাসী চিকিৎসক মরিস বুকাইলি মমিটি দেখেন। র্যামেসেসের মমি ব্যাকটেরিয়া আক্রান্ত হতে পারে এমন আশংকা করেন ডাঃ বুকাইলি। মিশর সরকার সিদ্ধান্ত নেয় মমিটি পরীক্ষার জন্য ফ্রান্সে পাঠানোর। বিশ্বের কোনো দেশেই মৃতদেহ বহন করতে প্রয়োজন হয় না পাসপোর্ট। কূটনৈতিক ভাষায় বলা হয়ে থাকে ‘ডেড বডি ইজ নো-বডি।’ কিন্তু ব্যতিক্রম হলো ফ্রান্স। দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে জীবিত বা মৃত সবার জন্যই প্রয়োজন একটি পাসপোর্ট। মিশর সরকার ফেরাউন র্যামেসেসের জন্যও একটি পাসপোর্ট ইস্যু করে। ‘রাজা’ হিসেবে পাসপোর্টে উল্লেখ্য করা হয় তার পেশা।
১৯৭৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর ফেরাউনের মমি ফরাসি সামরিক বিমানে পৌঁছায় লো-বোর্গেট বিমান বন্দরে। ফরাসি ফরেন সেক্রেটারী এলিস সটার সেইট সেখানে স্বাগত জানান ফেরাউনকে। পরদিন ২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক টাইমসসহ বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশিত হয় সংবাদটি। পরীক্ষা-নীরিক্ষার পর মমিটি ফিরিয়ে আনা হয় মিশরে। কায়রোর গ্র্যান্ড ইজিপশিয়ান মিউজিয়ামের রয়্যাল মমি চেম্বারে প্রদর্শিত হচ্ছে মমিটি। ফেরাউন রামসিসের পানিতে ডুবে মৃত্যুর ঘটনা পবিত্র কোরআনে উল্লেখিত হয়েছে। এ বিষয়টি ডা: বুকাইলিকে ভীষণভাবে নাড়া দেয়। পরবর্তীতে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ইসলামের ওপর গবেষণা করার পর তিনি রচনা করেন তার বিখ্যাত গ্রন্থাদি ‘দ্য কোরআন অ্যান্ড মডার্ন সায়েন্স,’ ‘দ্য বাইবেল, দ্য কোরআন অ্যান্ড সায়েন্স,’ ‘মামিস অফ দ্য ফারাওস - মডার্ন মেডিকেল ইনভেস্টিগেশনস,’ বহু ভাষায় অনুদিত হয়েছে।
ইতিহাসে মৃত ফেরাউন পাসপোর্ট পেলেও জীবিত হাসিনা বসে আছেন ভিনদেশী ট্রাভেল ডকুমেন্ট হাতে। বিশ্বের কোনো দেশই স্বাগত জানাচ্ছে না পতিত এই ফ্যাসিস্টকে। ফেরাউনের পাসপোর্টে ‘রাজা’ শব্দটি উল্লেখ করা হয় পেশা হিসেবে। ভারত হাসিনার ট্রাভেল ডকুমেন্টে তাকে কী বলে উল্লেখ করেছে জানা যায়নি। তবে বাংলাদেশের সতের কোটি মানুষের কাছে হাসিনা একজন নির্মম, নিষ্ঠুর, ফ্যাসিস্ট শাসক হিসেবেই পরিচিত হয়ে থাকবে অনাদিকাল জুড়ে। পনের আগস্ট অভ্যুত্থানে মর্মান্তিক মৃত্যু হয় হাসিনার পিতা শেখ মুজিবের। এই মৃত্যুতে আওয়ামী লীগ নেতা তৎকালীন স্পিকার মালিক উকিল লন্ডনে এক সাক্ষাৎকারে মুজিবকে ফেরাউন বলে মন্তব্য করেন। ফেরাউনদের মৃত্যু নেই। তারা অবিনশ্বর। যুগে যুগে ফেরাউনরা ফিরে আসে বিভিন্ন দেশে, ভিন্ন নামে ও ভিন্ন বেশে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তবুও ইসরাইলের পক্ষেই সাফাই যুক্তরাষ্ট্রের
মিস মসুয়া বলেন, ওই অঞ্চলে কমপক্ষে ৭৫ হাজার মানুষ এখনও সরবরাহের দিকে তাকিয়ে আছে। গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন ইসরাইলকে ৩০ দিনের সময়সীমা বেঁধে দেন। বলেন, এ সময়ের মধ্যে প্রতিদিন গাজায় ত্রাণবাহী ট্রাকের সংখ্যা বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে হবে। মঙ্গলবার সেই সময়সীমা শেষ হয়েছে। এমন অবস্থায় মানবিক ত্রাণ বিষয়ক আটটি এজেন্সির একটি গ্রুপ ইসরাইলি সরকারের কাছে একটি চিঠি লিখেছে। তাতে গাজার উত্তরাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করে রাখা বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। সতর্ক করা হয়েছে, সেখানে ইসরাইলি সেনাদের আক্রমণে সাধারণ নিরীহ মানুষগুলো অনাহারে আছেন। চিঠি পাঠানোর পর ওইসব মানুষের অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে। ইসরাইলের অবরোধে এমন অবস্থা সৃষ্টি হলেও মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্র যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে তাতে ইঙ্গিত মেলে যে, তার মিত্র ইসরাইলকে অব্যাহতভাবে অস্ত্র সরবরাহ দিয়ে যাবে ওয়াশিংটন। এ নিয়ে কোন সাহায্যদাতা, কোন মানবাধিকার বিষয়ক গ্রুপ সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে কি সতর্কতা দিলেন তাতে কিছু যায় আসে না। এসব সংস্থা অব্যাহতভাবে সতর্কতা দিয়ে যাচ্ছে যে, গাজার উত্তরাঞ্চলে ইসরাইলের হামলায় অকাতরে নিহত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। বাস্তুচ্যুত হচ্ছেন অসংখ্য। পক্ষান্তরে ইসরাইলি সেনাবাহিনী তাদের সেই পুরনো ডায়ালগ আউরে যাচ্ছে। তারা বলছে, ওই অঞ্চলে হামাস যোদ্ধাদের উৎখাতে অভিযান চালাচ্ছে।
গাজায় ত্রাণের পরিমাণ বৃদ্ধি করেছে। কিন্তু তা যথাযথভাবে ত্রাণ বিষয়ক এজেন্সিগুলো বিতরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে বলে তাদের অভিযোগ। কমপক্ষে এক মাসের বেশি সময় অবরুদ্ধ হয়ে আছে বেইত হানুন। এ বিষয়ে মিস মসুয়া বলেন, শুধু সোমবার ওই আশ্রয়শিবিরে খাদ্য ও পানি পৌঁছেছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ইলজে কেহরিস বলেন, ইসরাইলি সেনারা ধারায় হামলা চালাচ্ছে তাতে মনে হচ্ছে তারা সিস্টেমিকভাবে সাধারণ নাগরিকদের টার্গেট করছে। বেশির ভাগ নিহত ও ধ্বংসযজ্ঞ ঘটছে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্রে। এসব অস্ত্র হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ব্যবহারের জন্য ইসরাইলকে দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরাকে বিবাহ আইন সংশোধন: মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স কমিয়ে ৯ বছর করার পরিকল্পনা
একবার আইনটি পাস হলে, নারীদের বিবাহবিচ্ছেদ, সন্তানের হেফাজত এবং উত্তরাধিকারের অধিকার সংক্রান্ত আইনেও বদল আসবে বলে মনে করেন তিনি। শিয়া কোয়ালিশন ক্রমাগত যুক্তি দিয়েছে যে আইনটির লক্ষ্য মেয়েদের ‘অনৈতিক সম্পর্ক’ থেকে রক্ষা করা। আইনের বিরোধীরা এবং মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলি দেশে নারীদের অধিকার ক্ষুণ্ন করার প্রচেষ্টা হিসাবে বিলটির নিন্দা করেছে। তারা যুক্তি দিয়েছেন যে, এই বিলটি অল্পবয়সী মেয়েদের যৌন ও শারীরিক সহিংসতার ঝুঁকির মুখে ফেলবে। তাদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করবে। যদিও ১৯৫০-এর দশক থেকে বাল্যবিবাহ দীর্ঘদিন ধরে নিষিদ্ধ ছিল, ২০২৩ সালের জাতিসংঘের জরিপে দেখা গেছে যে ইরাকে প্রায় ২৮ শতাংশ মেয়ের বিয়ে হয় ১৮ বছর হওয়ার আগেই।
সূত্র : টাইমস অফ ইন্ডিয়া

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় দুই দিনে ইসরায়েলের ২০ সেনা নিহত
গাজায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যে নিপীড়নমূলক আগ্রাসন ও গণহত্যা চালাচ্ছে, তার প্রতিশোধ হিসেবে হামাসের যোদ্ধারা এই হামলা চালিয়েছে বলে জানা গেছে।
সোমবার (১১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় হামাসের সামরিক শাখা ইজ্জাদ্দিন আল-কাসসাম ব্রিগেডের এক বিবৃতিতে জানানো হয়, গাজার উত্তরাঞ্চলে দিনের শুরুতেই পাঁচজন ইসরায়েলি সেনাকে হত্যা করা হয়েছে। খবর পার্সটুডে।
এর আগের দিন রোববার যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা অঞ্চলে আরও ১৫ জন ইসরায়েলি সেনার প্রাণহানি ঘটে। তবে ইসরায়েল সরকার চারজন স্টাফ সার্জেন্ট সেনা সদস্য নিহতের বিষয়টি স্বীকার করেছে।
হামাসের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়, হামাসের প্রতিরোধ যোদ্ধারা ইসরায়েলি সেনাদের বিরুদ্ধে গুণগত আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে, যা ইসরায়েলের ব্যর্থতাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে। ইহুদিবাদী সেনাবাহিনী প্রতিনিয়ত আমাদের আক্রমণের মুখে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে, তাদের যুদ্ধযান ধ্বংস হচ্ছে এবং তাদের কোনো লক্ষ্য অর্জিত হচ্ছে না।
মঙ্গলবার (১২ নভেম্বর) ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) এক বিবৃতিতে জানায়, গাজার স্বাধীনতাকামী যোদ্ধাদের সঙ্গে সরাসরি সংঘর্ষে আরও চারজন ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাত খরচের টাকা চেয়ে না পাওয়ায় মাকে হত্যা করে ফ্রিজে রাখে ছেলে by প্রতীক ওমর
বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় গৃহবধূ উম্মে সালমা খাতুনকে তার ১৯ বছর বয়সী ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান হত্যা করে ডিপ ফ্রিজে রেখেছিল। আটকের পর র্যাব কর্মকর্তাদের জিজ্ঞাসাবাদে মা’কে হত্যার কথা স্বীকার করেছে সাদ। মঙ্গলবার দুপুরে র্যাবের বগুড়া ক্যাম্পে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাব বগুড়া ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান এই তথ্য জানান। হত্যাকাণ্ডের কারণ জানাতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘হাত খরচের টাকা নিয়ে সাদ বিন আজিজুর রহমানের সঙ্গে তার মা ৫০ বছর বয়সী উম্মে সালমা খাতুনের ঝগড়া বিবাদ চলে আসছিল। প্রায় প্রতিদিনই বাড়ি থেকে ৫০০/১০০০ টাকা হারিয়ে যেতো। ঘটনার দিন হাত খরচের টাকা চেয়ে না পাওয়ায় সাদ তার মাকে হত্যা করে ডাকাতি বলে প্রচারের চেষ্টা করে।’ নিহত উম্মে সালমা খাতুন দুপচাঁচিয়া ডিএস (দারুস সুন্নাহ) কামিল মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আজিজুর রহমানের স্ত্রী। আজিজুর রহমান স্থানীয় উপজেলা মসজিদের খতিব এবং ‘আজিজিয়া হজ কাফেলা’ নামে একটি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধার। আজিজুর ও উম্মে সালমা খাতুন দম্পতির দুই ছেলে এবং এক মেয়ে রয়েছে। বড় দুই ছেলে-মেয়ে ঢাকায় থাকে। আর ছোট ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান বাবার মাদ্রাসায় আলিম শ্রেণিতে অধ্যয়নরত। ওই ছোট ছেলেকে নিয়ে আজিজুর-উম্মে সালমা দম্পতি দুপচাঁচিয়া উপজেলার সদরে জয়পুরপাড়া এলাকায় নিজেদের ৪ তলা বিশিষ্ট ‘আজিজিয়া মঞ্জিল’-এর তৃতীয় তলায় বসবাস করতেন।
গত ১০ই নভেম্বর ‘আজিজিয়া মঞ্জিলে’ খুন হন গৃহবধূ উম্মে সালমা খাতুন। হত্যার পর তার লাশ ডিপ ফ্রিজে রাখা হয়। ওইদিন দুপুর ৩টার দিকে নিহতের ছোট ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমান বাড়িতে গিয়ে তার মা’কে না পাওয়ার কথা তার বাবাসহ স্বজনদের জানায়। এরপর খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে সে ডিপ ফ্রিজের ভেতরে তার মায়ের হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধার করে। ঘরে রাখা স্টিলের আলমারিতে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কাটার চিহ্ন এবং তার নিচে কুড়াল পড়ে থাকার চিত্র দেখে পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটিকে ডাকাত দলের কাজ বলে সন্দেহ করেন। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। তবে বাড়ি থেকে টাকা-পয়সা কিংবা স্বর্ণালংকার খোয়া না যাওয়ায় এমনকি নিহতের কানে থাকা স্বর্ণের দুল অক্ষত থাকায় পুলিশের সন্দেহ হয়। ওইদিন রাতে সাদ বিন আজিজুর রহমানকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। ওই হত্যাকাণ্ড নিয়ে মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় র্যাব বগুড়া ক্যাম্পে এক ব্রিফিংয়ে কোম্পানি কমান্ডার মেজর মো. এহতেশামুল হক খান জানান, নৃশংস ওই হত্যাকাণ্ডের পর পরই তারা ছায়া তদন্ত শুরু করেন। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্তের একপর্যায়ে তারা হত্যাকারী সন্দেহে নিহত উম্মে সালমা খাতুনের ছেলে সাদ বিন আজিজুর রহমানকে সোমবার দিবাগত রাত ১২টার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে আসেন।
ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সাদ তার মা’কে হত্যার কথা স্বীকার করে। তিনি বলেন, ঘটনার দিন হাত খরচের টাকা চেয়ে না পেয়ে মায়ের সঙ্গে সাদ বিন আজিজুর রহমানের বাকবিতণ্ডা হয় এবং সে খাবার না খেয়েই মাদ্রাসায় চলে যায়। বেলা ১১টার দিকে ক্লাসের বিরতি হলে সাদ মাদ্রাসা থেকে বের হয়। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সে বাড়িতে ঢুকে তার মা’কে কুমড়া কাটতে দেখে। তখন পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী সাদ পেছন থেকে তার মায়ের নাক ও মুখ চেপে ধরে। এ সময় ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে কুমড়া কাটার বঁটি দিয়ে সাদের তর্জনীর আঙ্গুল কেটে যায়। কিন্তু তার পরেও সে দুই হাত দিয়ে নাক ও মুখ চেপে ধরে শ্বাসরোধ করে তার মায়ের মৃত্যু নিশ্চিত করে। এরপর ওড়না দিয়ে মায়ের দুই হাত বেঁধে লাশটি ডিপ ফ্রিজের মধ্যে রাখে। পরে ঘটনাটি ডাকাতি বলে প্রমাণের জন্য সে কুড়াল দিয়ে আলমারিতে কোপ দিয়ে প্রধান ফটকে তালা দিয়ে বাইরে চলে যায়। কিছুক্ষণ পরে আবার সে তালা খুলে ভেতরে ঢুকে তার মা’কে খুঁজে না পাওয়ার কথা ফোনে বাবাসহ স্বজনদের জানায়। ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, আসামি সাদ বিন আজিজুর রহমানকে দুপচাঁচিয়া থানায় হস্তান্তর করা হবে। দুপচাঁচিয়া থানার ওসি ফরিদুল ইসলাম জানান, উম্মে সালমা খাতুন হত্যাকাণ্ডে এখনো মামলা হয়নি। তবে নিহতের বড় ছেলে বাদী হয়ে এজাহার করবে বলে আমাদের জানানো হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাকিরের স্ত্রী-স্বজনদের সম্পদের পাহাড়
জাকির হোসেনের স্ত্রী সুরাইয়া সুলতানা রৌমারী উপজেলা
পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের এফডব্লিউভি (ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার ভিজিটর)
হিসেবে দাঁতভাঙ্গা কমিউনিটি সেন্টারে কর্মরত ছিলেন। বর্তমানে তিনি উপজেলা
কার্যালয়ে রয়েছেন। ২০০৮ সালে জাকির এমপি হওয়ার পর থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত
দীর্ঘ সময়ে তিনি কর্মস্থলে হাজির হননি। এমপি’র প্রভাব খাটিয়ে হাজিরা খাতা
আপডেট রেখে প্রতিমাসের বেতন উত্তোলন করেছেন তিনি। তার নামে রয়েছে লন্ডন,
ঢাকা, রংপুর, কুড়িগ্রাম ও রৌমারীতে একাধিক বাড়ি। রয়েছে অঢেল অর্থ-সম্পদ ও
বিলাসবহুল একাধিক গাড়ি।
জাকিরের চাচাতো ভাই রবিন উপজেলার সকল বিষয়ে
হস্তক্ষেপ করতেন। সে সময় বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, ভিজিএফ,
ভিজিডি, টিআর, কাবিখা, কাবিটা, যত্ন প্রকল্প, কার্ডের নাম, রাজস্ব উন্নয়ন,
ঠিকাদারিতে সিন্ডিকেট, এডিপিসহ যাবতীয় প্রকল্পের ভাগ-বাটোয়ারা করতেন।
প্রভাব খাটিয়ে করতেন ঠিকাদারি ব্যবসাও। এতে বাড়ি, গাড়ি ও অঢেল সম্পদের
মালিক হয়েছেন তিনি। বর্তমানে উপজেলা মডেল মসজিদ ও কয়েকটি ব্রিজের কাজ
অসমাপ্ত রেখেই লাপাত্তা হয়েছেন।
রবিনের ছোট ভাই রাশেদুল ইসলাম রাশেদ
ছিলেন প্রতিমন্ত্রীর এপিএস। একটি বেসরকারি ব্যাংকের ফিল্ড অফিসার হিসেবে
কাজ করতেন। পরে জাকির প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর রাশেদকে এপিএস
হিসেবে যোগদান করান। এরপর থেকে প্রতিমন্ত্রীর দোহাই দিয়ে বিভিন্ন
মন্ত্রণালয়ে অনুদান বরাদ্দ নিয়ে কাজ না করেই কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করেন।
প্রাইমারি সেক্টরে সকল বদলিবাণিজ্য তিনি পরিচালনা করেন। ঢাকার মিরপুরে তার
রয়েছে ২টি ফ্ল্যাট, কোটি টাকার ব্যবসা ও ঠিদাকারি প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে
ব্রিজের কাজ না করেই লাপাত্তা রয়েছেন তিনি।
রবিনের আরেক ভাইয়ের নাম
মোয়াজ্জেম হোসেন মাসুম। প্রতিমন্ত্রীর ভাই এ দাপটে ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে
কোটি কোটি ফুট বালু উত্তোলন করে ৫ বছর প্রায় সকল ঠিকাদারি স্থাপনায় বিক্রি
করেন তিনি। ঢাকা-রৌমারী ২ লেনের রাস্তার কাজে মূল ঠিকাদারের কাছ থেকে
ভয়ভীতি দেখিয়ে ইট, পাথর, বালু ও সিমেন্ট দেয়ার ঠিকাদারি নিয়ে সেখানেও ১
নম্বর ইটের স্থলে দেয়া হতো ২/৩ নম্বর ইট। কালো ও মূল্যমান পাথরের স্থলে
দেয়া হতো সাদা কালো মিশ্রিত পাথর। ১ নম্বর মোটা বালুর স্থলে দেয়া হতো ভিটি
বালু। যা কাজের জন্য অযোগ্য। এমনিভাবে নয়/ছয় করে কোটি কোটি টাকার পাহাড়
গড়েছেন মাসুম।
আকতার আহসান বাবু প্রতিমন্ত্রীর আরেক চাচাতো ভাই।
জাকিরের স্ত্রী সুরাইয়া সুলতানার পরিচয়ে শিক্ষক নিয়োগ, সরকারি ঘরের নাম,
টিনের নাম, ভিজিডি’র কার্ড, যত্ন প্রকপ্লের শিশু বাচ্চাদের নামের কার্ড,
সোলার সুবিধা, বয়স্ক বিধবা ও প্রতিবন্ধী ভাতা, প্রত্যন্ত এলাকার সাধারণ
মানুষের কাছ থেকে ধোঁকা দিয়ে অসহায় মানুষজনকে সুবিধা দেয়ার প্রতিশ্রুতি
দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। এ বিষয়ে সুবিধাভোগীরা জেলা
প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন। এমনকি আদালতে মামলাও করেছেন। কিন্তু
পাওনা টাকা আদায় করতে পারেননি। নিজ বাড়ির পাশে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী স্কুল খুলে
১৩জন শিক্ষক-কর্মচারী নিয়োগ দিয়ে প্রায় ৬০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ারও অভিযোগ
রয়েছে তার বিরুদ্ধে। কাস্টমস অফিসে গরু নিলাম ও দুর্নীতিকে কেন্দ্র করে
সাংবাদিক সংবাদ প্রকাশ করায় এক সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নির্যাতন করা হয়।
ময়মনসিংহের ত্রিশাল এলাকায় শ্বশুরের মাধ্যমে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক
পদে চাকরি দেয়ার নামেও প্রায় সোয়া কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন তিনি। নিজ
গ্রাম মণ্ডলপাড়ায় বাড়ি ও শ্বশুরবাড়িতে বিলাসবহুল বাড়ি ও অঢেল অর্থ সম্পদের
পাহাড় গড়েছেন এই বাবু।
মশিউর ওরফে ফশিউর জাকিরের আরেক জ্যাঠাতো
ভাই। গত ৩ বছর আগেও তার বাড়ি বলতে একটি ভাঙা টিনের ঘর ছাড়া কিছুই ছিল না।
এখন তিনি ৩তলা ভবনের মালিক। জাকির প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তার
কপাল খুলে যায়। টিআর, কাবিখা, কাবিটা প্রকল্পের বরাদ্দ বণ্টনের দায়িত্ব
দেয়া হয় তাকে। প্রকল্প সভাপতিকে প্রকল্প তৈরি করে দেয়া ও ২০% পার্সেনটেজ
কেটে নিয়ে অর্থ দেয়াসহ অফিস থেকে নিজে বিল করে নিয়ে এ অর্থ ছাড় দিতেন
মশিউর। এছাড়াও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ইউনিয়ন ভূমি অফিসে খাজনা খারিজ,
বন্দোবস্তসহ নানা বিষয়ের উপর তহশিলদার ও উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার,
নাজিরের সঙ্গে সখ্য রেখে প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন। এভাবেই
বহুতল ভবন ও কোটি কোটি টাকার মালিক বনে যান তিনি। প্রতিমন্ত্রী জাকির ধরা
খাওয়ার পর তিনিও পালিয়ে রয়েছেন।
জাকিরের এক চাচার নাম সুজাউল ইসলাম
সুজা। ইউপি মেম্বার থেকে তিনি বনে যান সাংবাদিক। জাকির প্রতিমন্ত্রী হওয়ার
পর যেন তারও কপাল খুলে যায়। প্রথমে তিনি রৌমারী প্রেস ক্লাব দখল করে সকল
সাংবাদিককে তাড়িয়ে দেন। পরে প্রতিমন্ত্রীর আত্মীয়-স্বজনদের সেখানকার সদস্য
বানিয়ে শুরু করেন দুর্নীতি। অফিস-আদালতে চাঁদাবাজি, দুর্নীতিবাজ ও
চোরাকারবারিদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায়, মাদক ব্যবসায়ীদের সহযোগিতা করে
বাণিজ্য, বিচার সালিশের নামে অর্থ আদায়সহ হেন কোনো অনিয়ম নেই তিনি করেননি।
পরে শেয়ারে শুরু করেন ঠিকাদারি ব্যবসা। সেখানেও শেয়ার পার্টনারকে ঠকিয়ে
মেরে দেন লাখ লাখ টাকা। কয়েকটি রাস্তার কাজ না করেই তুলে নেন বিল। তিনিও
এখন কোটিপতি। ৫ই আগস্ট শেখ হাসিনা দেশ ছেড়ে পালানোর পর প্রতিমন্ত্রীর গোটা
পরিবার ও তার অনুসারীরাও গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাদের ব্যবহৃত মুঠো ফোন নম্বর
বন্ধ। একাধিকবার তাদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হলেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ফরহাদপত্নী মোনালিসা বাড়ি কিনেছেন কানাডায় by জিয়াউল ইসলাম সাজু
অডিও ক্লিপে মন্ত্রীর ভাইকে বলতে শোনা যায় জেলার মুজিবনগর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আমাম হোসেন মিলু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুস সালাম বাধন, আওয়ামী লীগ নেতা আমিনুল ইসলাম খোকন এরা সকলেই অনলাইন ক্যাসিনোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। অনলাইন ক্যাসিনোর এজেন্টরা মৃদুল, বাঁধন, খোকন ও মোনালিসার সঙ্গে সখ্যতা তৈরি করে মেহেরপুরকে অনলাইন ক্যাসিনোর স্বর্গরাজ্যতে পরিণত করেছিলেন, যার প্রভাব এখনো বিদ্যমান। মন্ত্রী দম্পতির সুপারিশে অনলাইন জুয়ার মূল হোতারা সবসময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী থেকে ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়।
আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা বলছেন, পরিবারের সদস্য, স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের দলীয় বিভিন্ন পদে বসিয়েছেন সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন (দোদুল)। তাদের অনেককে জনপ্রতিনিধিও বানিয়েছেন। তাদের দিয়েই জেলার ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। বিপরীতে কোণঠাসা করেছেন দলের ত্যাগী নেতাদের। তার বিপক্ষে গেলে দলীয় নেতাকর্মীদের নানাভাবে নির্যাতনের অভিযোগও রয়েছে। ফরহাদের ভাই ও ভগ্নিপতির দাপটে দলীয় নেতাকর্মী ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা তটস্থ থাকতেন।
কলেজশিক্ষক থেকে মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের বাবা ছহিউদ্দীন বিশ্বাস ছিলেন মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি। তবে সংসদ সদস্য (এমপি) হওয়ার আগপর্যন্ত দলে কোনো পদ ছিল না ফরহাদের। এলাকায় সজ্জন হিসেবেই পরিচিত ছিলেন। ২০০৪ সালে আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের চাচাতো বোন সৈয়দা মোনালিসা ইসলামকে বিয়ে করেন। ২০১৪ সালে মেহেরপুর-১ আসনের এমপি হওয়ার পর ২০১৫ সালের অক্টোবরে সরাসরি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বনে যান। সবশেষ ২০২২ সালেও দলের সম্মেলনে তিনি একই পদ পান। ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান ফরহাদ হোসেন। সর্বশেষ ২০২৪ সালে তৃতীয়বারের মতো এমপি হয়ে একই মন্ত্রণালয়ের পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পান।
গত ৫ই আগস্ট সন্ধ্যায় মেহেরপুরে সাবেক এই মন্ত্রীর বাসভবনের সামনের গাড়ি রাখার টিনের ছাউনি ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। শহরের পুরোনো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ফরহাদ হোসেনের ‘ব্যক্তিগত কার্যালয়ে ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে শহরের বড়বাজার সড়কে পৌর কমিউনিটি হলের সামনে ফরহাদ হোসেনের ছোট ভাই জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সরফরাজ হোসেনের বাণিজ্যিক তিনতলা ভবনের নিচতলার একটি দোকান পুড়িয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রাজধানীর আদাবর থানার পোশাককর্মী রুবেল হত্যা মামলায় গত ১৪ই সেপ্টেম্বর রাতে ফরহাদ হোসেনকে রাজধানীর ইস্কাটন থেকে গ্রেপ্তার করে র্যাব। বর্তমানে তিনি কারাগারে।
ফরহাদ হোসেন এমপি হওয়ার আগ পর্যন্ত এলাকার মানুষ ওষুধ বিক্রেতা হিসেবে চিনতো সরফরাজ হোসেন মৃদুলকে। মেহেরপুর পৌরসভার পাশে ছোট একটি ফার্মেসির দোকান ছিল তার। ভাই ২০১৪ সালে এমপি হওয়ার পরপরই তিনি ঠিকাদারি ব্যবসায় যুক্ত হন। প্রভাব বিস্তার করে দরপত্র বাগিয়ে নিতেন। এরপর তিনি পৌরসভা কমিউনিটির সামনে বড় বাজার সড়কের পাশে ৬ কাটা জমি কিনে বাণিজ্যিক ভবন নির্মাণ করেন।
মেহেরপুরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের উন্নয়ন কাজের ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ করতেন ফরহাদ হোসেনের ভগ্নিপতি বাবলু বিশ্বাস ও ভাই সরফরাজ হোসেন। মূলত অন্যদের প্রতিষ্ঠানের নামে কাজ নিয়ে বাবলু বিশ্বাস তা নিয়ন্ত্রণ করতেন বলে জানিয়েছেন ঠিকাদারেরা।
গত বছরের ২০শে অক্টোবর সরফরাজ হোসেনের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার চেক প্রত্যাখ্যানের (ডিজঅনার) মামলা করেছেন দেবাশীষ বাগচি নামের এক ব্যক্তি। এক সময় তিনি সরফরাজের ব্যবসায়িক অংশীদার ছিলেন। তিনি বলেন, ২০১৫ সাল থেকে তিনি সরফরাজের সঙ্গে যৌথভাবে ঠিকাদারি ব্যবসা শুরু করেন। ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত গণপূর্ত, জনস্বাস্থ্য, শিক্ষা প্রকৌশলী, এলজিইডিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৩৫টি দরপত্র তিনি প্রভাব খাঁটিয়ে বাগিয়ে নেন। এর আনুমানিক মূল্য ২৭ কোটি টাকা। ২০২১ সালে জানুয়ারিতে সরফরাজ হঠাৎ কিছু না বলে তাকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেন। পাওয়া টাকা চাইলে পুলিশ দিয়ে হয়রানি শুরু করেন। একপর্যায়ে পাওনা টাকা বাবদ গত বছরের ১২ জুলাই ১ কোটি ৮০ লাখ টাকার একটি চেক দেন। কিন্তু পরে দেখা গেছে, ব্যাংক হিসাবে কোনো টাকা নেই। পরে আদালতে মামলা করেন।
মেহেরপুর সরকারি বালিকা ও বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে দুটি ছয়তলাবিশিষ্ট একাডেমি ভবনের নির্মাণকাজ চলছে। প্রতিটি ভবন নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ছয় কোটি টাকা। বালিকা বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণের ঠিকাদার বাবলু বিশ্বাস, বালক বিদ্যালয়টির ঠিকাদার সরফরাজ হোসেন। পাশাপাশি অবস্থিত বিদ্যালয় দুটির শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের অভিযোগ, তারা বিদ্যালয়ের খেলার মাঠ দখল করে ভবন নির্মাণের সামগ্রী রেখেছিলেন। বালক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ফজলুল হক বলেন, ‘একাডেমি ভবন নির্মাণের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সদ্য সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেনের ভগ্নিপতি আবদুস সামাদ বাবলু বিশ্বাস। তাকে মাঠ পরিষ্কার রাখতে নির্মাণ সামগ্রী সরিয়ে নিতে বলার ক্ষমতা আমাদের ছিল না।
অডিও ক্লিপে জেলা বিএনপি সভাপতি মাসুদ অরুণের বিরুদ্ধে কোটি কোটি টাকা নেয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, এর আগেও গুজব তোলা হয়েছিল। এখনো গুজব তোলা হচ্ছে। তবে অডিওতে একজন কাউকে অভিযুক্ত করলেই সে অভিযুক্ত হয়ে গেল না। বিষয়টি যাচাই বাছাই করার আহ্বান জানান তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরের টিএন্ডজেড অ্যাপারেলস: শতকোটি টাকা পড়েছিল ব্যাংকে তিন মাসের বেতন বকেয়া by ইকবাল আহমদ সরকার
কি কারণে এমন অবস্থার তৈরি হলো? এ নিয়ে টিএন্ডজেড গ্রুপের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হেদায়েতুল হকের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। হেদায়েতুল হক জানান, তাদের কারখানায় আগে সাড়ে সাত হাজার শ্রমিক-কর্মচারী ছিল। এখন রয়েছে প্রায় সাড়ে ৬ হাজার শ্রমিক-কর্মচারী। তাদের কারখানাটি ইকো ফ্রেন্ডলি কারখানা। গ্রিন প্রজেক্ট। অ্যাওয়ার্ড প্রাপ্ত কোম্পানি। খুব ভালো চলছিলো।
কোম্পানির একশ’ পঞ্চাশ কোটি টাকা তিন বছর পড়েছিল ব্যাংকে। কোম্পানির আগের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন শামীম অত্যন্ত ধার্মিক ছিলেন বিধায় ব্যাংক থেকে কোনো ইন্টারেস্ট নেননি। অথচ আমাদের ক্রাইসিস পিরিয়ডের ব্যাংক কোনো কারণে ব্যাক টু ব্যাক এলসি বন্ধ করে দিলো। গত জুলাই মাস থেকে সংকট চরমে উঠেছে। তখন থেকেই এত বড় প্রতিষ্ঠানটি পড়ে গেল। এ ছাড়াও ওনার কিছু আত্মীয়স্বজন কারখানা ধ্বংসের দিকে নিয়ে গেছে। কারখানার মালিক শাহাদাত হোসেনের বাবা মারা যাওয়ার পর এবং তার ছেলে অপহরণ হওয়ার পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। এরপর ২০১৪ সাল থেকে তিনি পরিবার-পরিজন নিয়ে মদিনায় শিফট করেন। সেখানেই বসবাস করছেন। তবে সেখানে থেকেই আবার দেশে এসে মাসের পর মাস থেকে তিনি কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগ সামলাচ্ছেন। তিনি বিদেশে থাকার সময়ে কারখানার ম্যানেজমেন্ট মূলত দেখাশোনা করেছেন তার কতিপয় আত্মীয়স্বজন।
কারখানা ম্যানেজমেন্টের দায়িত্বে থাকা অসাধু প্রকৃতির ওইসব আত্মীয়স্বজন মাসে যেখানে ১০ কোটি টাকা শ্রমিক কর্মচারীদের বেতন পরিশোধ হওয়ার কথা, সেখানে কৌশলে ১৫-২০ কোটি টাকা বেতন পরিশোধ দেখিয়ে ক্ষতির দিকে নিয়ে গেছে। ওনার ছেলেকে যখন অপহরণ করা হয়েছিল, তখন বিপুল অঙ্কের টাকার বিনিময়ে তিনি তার ছেলেকে উদ্ধার করেন। এ কারণে মূলত দেশ ছেড়ে সৌদি আরবে গিয়ে বসবাস করছেন। হয়তো আবার শিগগিরই ফিরে আসবেন। মার্কেটিংসহ কারখানার নানা কাজের হাল ধরবেন তিনি। কারখানার বর্তমান এমডি শাহাদাত হোসেন শামীম কারখানাটি ভালোবাসতেন বলেই কারখানার ভেতরেই উনার বাবা মোয়াজ্জেম হোসেন ও মায়ের কবর দিয়েছেন। কারখানা এলাকায় নিজেদের অর্থে বিশাল আয়তনের মসজিদ ও মাদ্রাসা করেছেন। স্থানীয় লোকজনও কারখানা মালিকের মসজিদ-মাদ্রাসা নির্মাণ, এখানে মা-বাবার কবর দেয়ার এবং আগে ভালোভাবে কারখানা চলেছে বলে জানান।
কারখানার চেয়ারম্যান আরও জানান, ২০০৭ সালে কোম্পানিটি যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে এ প্রজেক্টটির আনুমানিক মূল্য ১৪শ’ কোটি টাকা। এই কারখানাটির ২০১৯ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত পোশাক রপ্তানির পরিমাণ ছিল ৩.৩৯ দশমিক ৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। করোনা পরিস্থিতি, ইউক্রেন- রাশিয়া যুদ্ধ ও দেশীয় নানা কারণসহ ব্যাংকের একটি চক্রান্তের শিকার হয়ে কারখানাটি বিপর্যস্ত অবস্থায় পড়েছে। গত জুলাই মাস থেকে সংকট চরম আকারে দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক থেকে পর্যাপ্ত সাপোর্ট পাওয়া যায় নি। কারখানার রিস্ক ফান্ড ছিল ২০ কোটি টাকা। ব্যাংক থেকে সেটাও পাওয়া যায় নি। ৬৫ কোটি টাকার বাড়ির দলিল দিয়েও লোন পাননি। এখানে কোনো চক্রান্ত হয়েছে। যেসব কারণে বেতন-ভাতা পরিশোধ করা যাচ্ছিল না। শেষ পর্যায়ে শ্রম সচিবসহ সরকারের আন্তরিকতায় বকেয়া বেতন-ভাতা পরিশোধ করে কারখানাটি আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাওয়া যাবে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি জানান, বিল বকেয়া পড়ায় এই মুহূর্তে কারখানায় গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। আশা করছি, দু-একদিনের মধ্যেই হয়তো গ্যাস বিদ্যুৎ সংযোগ হবে। মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যেসব চুক্তি হয়েছে, সেগুলো দ্রুত সমাধান হয়ে যাবে। আশা করা যাচ্ছে, দু-একদিনের মধ্যে কারখানা চালু করা সম্ভব হবে। টিএন্ডজেড গ্রুপের মালিক দু’জন। চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের বাসিন্দা বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাসরত শাহাদাত হোসেন শামীম ও ঢাকার বাসিন্দা মো. হেদায়েতুল হক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পোশাক খাত: সুখবরের বিপরীতে শঙ্কা
এদিকে বকেয়া বেতনের দাবিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন শ্রমিকরা। এতে বিভিন্ন শিল্প এলাকায় গত দুই দিনে ৪৪টি কারখানা বন্ধ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। ফলে উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা করছেন উদ্যোক্তারা।
শ্রমিক নেতারা বলছেন, গুটিকয়েক অযোগ্য মালিকের জন্য মাশুল গুনতে হচ্ছে পুরো তৈরি পোশাক শিল্পকে। আর অসন্তোষ নিরসনে ভাঙচুরকারী শ্রমিকদের সঙ্গে ইন্ধনদাতাদেরও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চায় ব্যবসায়ীরা।
ইপিবি’র ভাইস চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) প্রশাসক আনোয়ার হোসেন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর শ্রমিক অসন্তোষ থাকলেও অক্টোবর মাসে পোশাক খাতে রপ্তানি বেড়েছে। পোশাক খাতে রপ্তানি গত বছরের তুলনায় এবার অক্টোবরে ৬০০ মিলিয়ন এবং গত চার মাসে (জুলাই থেকে অক্টোবর) ১.৩ বিলিয়ন ডলার বেড়েছে।
ইপিবি’র তথ্য বলছে, সেপ্টেম্বরের ধারাবাহিকতায় টানা দ্বিতীয় মাসে পণ্য রপ্তানিতে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধির মুখ দেখেছে বাংলাদেশ। আগের বছরের অক্টোবরের তুলনায় গত অক্টোবরে শুধু পোশাক খাতের ওপর ভর করে রপ্তানি আয় ২০.৬ শতাংশ বেড়েছে। বিভিন্ন শিল্প এলাকায় শ্রমিক-অস্থিরতায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়া সত্ত্বেও এমন অগ্রগতি হয়েছে।
ইপিবি’র তথ্যমতে, অক্টোবরের রপ্তানি আয়ে নিট পোশাক রপ্তানি আয় ১৮৬ কোটি ডলার, আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১৫০ কোটি ডলার। আগের বছরের একই সময়ের চেয়ে আয় বেড়েছে ২৪.৬ শতাংশ। আর ওভেন পোশাকের রপ্তানি হয়েছে ১৪৪ কোটি ডলার, আগের বছরের অক্টোবরের ১২০ কোটি ডলারের চেয়ে তা বেড়েছে ২০.৫৪ শতাংশ।
জানা গেছে, সরকার পরিবর্তনের পর আগস্টের শেষ দিকে সাভার ও আশুলিয়ায় তৈরি পোশাক শিল্পে শুরু হয় শ্রমিক অসন্তোষ। এরপর দফায় দফায় বৈঠকে বসে সরকার, মালিক ও শ্রমিক প্রতিনিধিসহ নানা পক্ষ। বেতন-ভাতা পরিশোধে ব্যাংক থেকেও দেয়া হয়েছে বিশেষ ঋণ সুবিধা।
সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, মেনে নেয়া হয়েছে শ্রমিকদের ১৮ দফা। তারপরও মেলেনি সুফল। নভেম্বরে এসেও তাই শ্রমিক আন্দোলনে উত্তাল গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন পোশাক কারখানা। মাসের পর মাস চেষ্টার পরও কেন থামানো যাচ্ছে না দেশের প্রধান রপ্তানি খাতের এ অস্থিরতা?
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সৃষ্ট সংঘাতে উৎপাদন ব্যাহত হয়। এরই ধারাবাহিকতা ৫ই আগস্ট সরকার পতনের পর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়। এ সময় গাজীপুর ও ঢাকার সাভারে শ্রমিক অসন্তোষের বেশ কয়েকদিন অনেক পোশাক কারখানা বন্ধ থাকে, রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হয়। হুমকির মুখে পড়ে তৈরি পোশাক শিল্প। সেই শ্রমিক অসন্তোষ পুরোপুরি কাটেনি। এখনো অব্যাহত রয়েছে। গত শনিবারও গাজীপুরে বকেয়া বেতনের দাবিতে টিঅ্যান্ডজেড অ্যাপারেলস গ্রুপের পাঁচটি কারখানার পোশাক শ্রমিকরা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এমন পরিস্থিতিতে পোশাক শিল্পমালিকদের কপালে ভাঁজ পড়ে। ফলে আবারো শ্রমিক অস্থিরতার আশঙ্কা করছেন তারা।
বিজিএমইএ গত ১৯শে অক্টোবর সংবাদ সম্মেলন করে জানায়, ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর পোশাক শিল্পে শ্রমিক অসন্তোষের কারণে অন্তত ৪০ কোটি ডলারের উৎপাদন ব্যাহত হয়েছে। বর্তমান বিনিময় হার (প্রতি ডলার ১২০ টাকা) হিসাবে টাকার অঙ্কে ওই অর্থের পরিমাণ ৪ হাজার ৮০০ কোটি টাকা।
আন্দোলনরত শ্রমিকরা বলেন, গত এপ্রিল মাস থেকে কারখানা বন্ধ ছিল। পরে কারখানা খুললেও দুই মাসের বেতন না দিয়ে কর্তৃপক্ষ টালবাহানা শুরু করে। পুলিশ ও সেনাবাহিনীর মাধ্যমে বারবার বেতন পরিশোধের তারিখ দিলেও কারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের বেতন পরিশোধ করেনি। বারবার সময় দেয়ার পরও বেতন পরিশোধে ব্যর্থ হওয়ায় শ্রমিকরা এখন আর কারও কথা আর বিশ্বাস করে না।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আন্দোলনকারী শ্রমিকদের সঙ্গে রোববার সকালে লাঠিসোটা হাতে কিছু বহিরাগত যোগ দিয়েছে। শ্রমিকদের অবরোধের জায়গার উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
জাতীয় গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি আমিরুল ইসলাম আমিন বলেন, কম মজুরি হওয়ায় শ্রমিকরা অতি কষ্টে জীবনযাপন করছেন। তবে অনেক গার্মেন্টস মালিক শ্রমিকদের বেতন-ভাতা না দিয়ে পুঁজির বড় অংশ বিদেশে পাচার করে দিচ্ছেন। এর প্রভাব পড়ছে পুরো শ্রম খাতে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চলের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সারোয়ার আলম বলেন, শ্রমিকদের আমরা একাধিকবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি, আমাদের অফিসে এসে বসো। কিন্তু তারা নাছোড়বান্দা, মহাসড়ক ছাড়বে না। ফলে এ এলাকার গত দুদিনে ৪৪টি কারখানা ছুটি দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
খাত সংশ্লিষ্টরা জানান, সাম্প্রতিক সময়ে পোশাক খাতে বিশৃঙ্খলা থামছেই না। আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পোশাক খাতে অস্থিরতা লেগেই আছে। এ পরিস্থিতি চলতে থাকলে পোশাক খাত চরম সংকটে পড়বে। কাজেই পোশাক খাতের অস্থিরতা নিরসনে আশু পদক্ষেপ নেয়া আবশ্যক। তা না হলে একদিকে যেমন বিদেশি বিনিয়োগ বিঘ্নিত হবে, অন্যদিকে পোশাক খাতের ক্রেতারাও মুখ ফিরিয়ে অন্য দেশে চলে যাবে।
অস্থিরতার মধ্যেও রপ্তানি আয় বাড়ায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন নিট পোশাক শিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ’র সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে আমাদের ব্যবসায় নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এরপরও রপ্তানি আয় বাড়ায় আমরা খুশি। তবে আমাদের অর্ডার কিন্তু কমছে। জানি না আগামী মাসগুলোতে কী হবে। বিকেএমইএ সভাপতি বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিরতার মধ্য দিয়ে গিয়েছে। আমাদের হিসাবে জুলাই মাসের মধ্যে এক সপ্তাহেই পোশাক শিল্পে ক্ষতি হয়েছে ১ বিলিয়ন ডলারের উপরে। আর ব্যাংক বন্ধ থাকায় তো রপ্তানির ওপর সরাসরি নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। এই অস্থিরতা-অনিশ্চতা না থাকলে রপ্তানি আরও বাড়তো বলে মনে করেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাসুদের স্ত্রীর কান্না থামবে কবে by ফাহিমা আক্তার সুমি
মাসুদের স্ত্রী হেনা বেগম মানবজমিনকে বলেন, আমাদের তিন সন্তান ওরা সবাই ছোট। অনেক কষ্ট হচ্ছে আমাদের। সেই ছিল পরিবারে একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। তখন মোটামুটি সংসার চলতো। ওদের বাবা চলে যাওয়ার পর বর্তমানে আমাদের অবস্থা আরও খারাপ হয়েছে। আত্মীয়-স্বজনরা কতোদিন দেখবে আমাদের, তাদেরও তো সংসার আছে। একসময় আমাদের মানুষ ভুলে যাবে। আমার শ্বশুর আব্দুল গফুর অনেক আগে মারা যান। তিনি সচিবালয়ের গাড়িচালক পদে কর্মরত ছিলেন। আমরা খুব খারাপ অবস্থায় আছি। আমি সন্তানদের নিয়ে একটি ভাঙা ঘরের নিচে বসবাস করতাম। উপরে থাকা টিনের চাল দিয়ে পানি পড়তো। ওদের বাবা মারা যাওয়ার পর এলাকাবাসী ঘরটি ঠিক করে একটু ভালোভাবে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন। আমার বড় ছেলে মাহফুজ চতুর্থ শ্রেণিতে পড়ে, মেজ ছেলে মারুফ তৃতীয় শ্রেণি আর ছোট ছেলে মাশরাফি প্লেতে পড়ে। সন্তানরা ঘরে ঘুরে-ফিরে আর তাদের বাবাকে খুঁজে। অপেক্ষায় থাকে বাবা কখন আসবে। সারাক্ষণ বাবার রেখে যাওয়া জিনিসপত্র ধরে বসে থাকে। একটু অসুস্থ হলে আব্বুকে এনে দাও করতে করতে গলা শুকিয়ে ফেলে।
তিনি বলেন, আমি সন্তানদের কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারি না। তাদেরকে আমি কী বলে সান্ত্বনা দেবো। সারাজীবন কীভাবে যাবে, কী করবো- কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছি না। মাসুদ খুব ভালো মানুষ ছিল। ঘটনার দিন জুমার নামাজ শেষে আমাদের সঙ্গে দুপুরের খাবার খেয়েছে। বিকালের দিকে মসজিদে আসরের নামাজ পড়তে বের হলে রাস্তার মোড়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে গুলিটা এসে তার মাথায় লাগে। এর আগে মেজ ছেলেটাকে বাইরে থেকে এনে বাসায় রেখে যায়। আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতারা তাকে টার্গেট করে হত্যা করেছে। যতক্ষণ সময় পেতো সন্তানদের আগলে রাখতো। সে অনেক ভালো বাবা ছিল। বাসা থেকে বের হওয়ার দুই মিনিটের মাথায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর আসে। সেদিন তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পথে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়। চারদিকে বৃষ্টির মতো গুলি হচ্ছে। ওইদিন ঢাকা মেডিকেলে রাত একটার দিকে মারা যায় আমার স্বামী। আমি তার মৃত্যু কিছুতেই মেনে নিতে পারছি না। এমন সুস্থ মানুষ ঘর থেকে বের হয়ে দুই মিনিটের মধ্যে এই পরিস্থিতি হলো। আমার সন্তানদের কাছ থেকে তাকে কেড়ে নিয়েছে খুনিরা। কিছুতেই ভুলতে পারছি না, সন্তানদের সামনে কাঁদতেও পারি না। কী করবো? কোথায় যাবো সন্তানদের নিয়ে। আমার জীবনটা কীভাবে যাবে আমি কিছুই বুঝতে পারছি না। হেনা বলেন, দেশের জন্য আমার স্বামী জীবন দিয়েছে, আমার এমন অবস্থায় সন্তানদের লেখাপড়াসহ সব দায়িত্ব সরকারের নেয়া উচিত। আমাকে সাপোর্ট দেয়ার মতো কেউ নেই। আজ শ্বশুর-শাশুড়ি বেঁচে থাকলে যেভাবে হোক কষ্ট করে তাদের নাতি-নাতনিদের দেখতেন, খোঁজখবর নিতেন। এদিকে আমার বাবার বাড়িতেও তেমন কেউ নেই, বাবা অনেক আগে মারা গেছেন। ওর বাবা এলাকায় একটি দোকান ভাড়া করে ব্যবসা করতো; এখন সেটি ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আমাদের জন্য তেমন কিছু রেখে যেতে পারেনি। এই ক’দিন মনে হচ্ছে আমার জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ করছি আমি।
মাসুদের ভাই মো. শরীফ উল্লাহ বলেন, গত ১৯শে জুলাই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা কদমতলী থানা এলাকা থেকে এসে আমাদের মহল্লায় আসে। এদিকে অপর পাশ থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা এলে তাদের দু’-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় আমার ভাই বাসা থেকে বের হলে গুলিবিদ্ধ হয়। তখন ঘটনাটি শুনে আমি বাসার পেছনের গলিতে গিয়ে দেখি গুলিবিদ্ধ হয়ে পড়ে আছে। তার ডান চোখের উপর কপালে একটি গুলি লাগে। ঢাকা মেডিকেলে নেয়ার পর রাত ১টার দিকে মারা যায়। আমার ভাই কন্সট্রাকশন ম্যাটেরিয়ালের ব্যবসা করতেন। আমাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লায়। বর্তমানে ঢাকার কদমতলীর ৬৫ নম্বর ওয়ার্ডে আমরা বাড়ি করে থাকি। আমার ছোট ভাই মাসুদের জন্ম এই ঢাকাতেই। আমাদের চার ভাইয়ের মধ্যে মাসুদ সবার ছোট ছিল। বাবা সচিবালয়ে গাড়িচালকের কাজ করতেন। তিনি বলেন, ভাইয়ের তিন ছেলে সন্তান রয়েছে। তারা তিনজনই পড়াশোনা করে। তার স্ত্রী গৃহিণী। আত্মীয়-স্বজন ও রাজনৈতিক ব্যক্তিরা কিছু সাহায্য-সহযোগিতা করেছেন সেটি দিয়ে বর্তমানে সংসার চলছে। ভাইয়ের সন্তানরা এখনো অবুঝ, বুঝতেই পারছে যে তাদের বাবা নেই। বাবার এই শূন্যতা কি অন্য কিছুতে পূরণ করা যায়। তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা চিন্তিত। আমাদের কষ্ট হলেও ভাতিজাদের পড়াশোনা চালিয়ে যেতে চাই, তাদের মানুষের মতো মানুষ করতে চাই। এখন হয়তো শুরুতে অনেকে তাদের কিছু না কিছু সহযোগিতা করছে, খোঁজ-খবর রাখছে কিন্তু একটা সময় তো ওদের সবাই ভুলে যাবে। তখন ওদের মায়ের ও সন্তানদের জীবন চালাতে অনেক কঠিন হবে। ভাইয়ের মৃত্যুটা এখনো মেনে নিতে পারছি না, এলাকার মধ্যে এসে খুনিরা এভাবে গুলি করে মানুষ মারবে- এটি চিন্তাতেও ছিল না। আজ আমার ভাইটা নেই, সে আর ফিরে আসবে না। এখন ভাইয়ের চেয়ে এই অবুঝ বাচ্চাগুলোকে নিয়ে ভাবছি, তাদের কী হবে? রাষ্ট্রের কাছে চাওয়া আমার ভাই যেন শহীদী মর্যাদাটা পায়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জানুয়ারিতে যুব উৎসবে ঢাকা আসছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট: জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
জানুয়ারিতে যুব উৎসবে ঢাকা আসছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট: জলবায়ু সম্মেলনে বিশ্বনেতাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা
এ ছাড়া আল-আজহার আল শরীফের গ্র্যান্ড ইমাম আহমেদ আল তাইয়েব সকালে বাকুর রিৎজ কার্লটন হোটেলে প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা জলবায়ু সংকট সমাধানের উপায় এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, জলবায়ু সম্মেলনের সাইডলাইনে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও আরব-আমিরাতের প্রেসিডেন্ট সহ ২০ জন বিশ্বনেতা প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। তিনি বলেন, নোবেল বিজয়ী প্রফেসর ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ হওয়ায় তারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব নেয়ায় তাকে অভিনন্দন জানান। অপূর্ব জাহাঙ্গীর বলেন, সাক্ষাৎকালে প্রধান উপদেষ্টা বিশ্ব নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান প্রফেসর ড. ইউনূসকে তুরস্ক সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে এবং চলমান সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে সম্ভাব্য সব ধরনের সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দেন। ড. ইউনূস তুরস্কের প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্টলেডিকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এ ছাড়াও ছাত্র আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ করে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের দায়ে সাজাপ্রাপ্ত ৫৭ প্রবাসী বাংলাদেশি শ্রমিককে মুক্তি দেয়ায় প্রধান উপদেষ্টা আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ানকে ধন্যবাদ জানান। এদিকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সমৃদ্ধ হবে এবং উন্নতি করবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন মিশরের মর্যাদাবান আল আজহারের গ্র্যান্ড ইমাম ড. আহমেদ আল তাইয়েব।
সকালে আজারবাইজানের রাজধানী বাকুর রিৎজ কার্লটন হোটেলে বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ ইসলামিক ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রধানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. ইউনূসের এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় প্রফেসর ইউনূসকে হাজার বছরের পুরনো প্রতিষ্ঠান আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তৃতা প্রদানের জন্য আমন্ত্রণ জানান গ্র্যান্ড ইমাম ড. আহমেদ আল তাইয়েব। আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ফুল ফান্ডেন্ড স্কলারশিপ ঘোষণা করবে বলেও জানান তিনি। গ্র্যান্ড ইমাম বলেন, আপনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা আশাবাদী। আপনি একজন বিচক্ষণ মানুষ। বিপ্লবের পর বাংলাদেশ নতুন উচ্চতায় পৌঁছবে। আমি আপনাকে বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করার জন্য স্যালুট জানাই। ড. ইউনূস তাকে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য গ্র্যান্ড ইমামকে ধন্যবাদ জানান। তিনি গ্র্যান্ড ইমামকে গণ-অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশ সশরীরে ঘুরে দেখার আহ্বান জানিয়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা গণ-অভ্যুত্থান এবং অন্তর্বর্তী সরকারের গৃহীত সংস্কারের উদ্যোগ নিয়ে কথা বলেন। বাংলাদেশের সংস্কার প্রক্রিয়া সফল হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন গ্র্যান্ড ইমাম। তিনি ড. ইউনূসের নেতৃত্ব, তার সামাজিক সেবা, ক্ষুদ্র ঋণদাতা হিসেবে গ্রামীণ ব্যাংকের অগ্রণী ভূমিকা এবং দারিদ্র্য মোকাবিলায় তার আজীবন প্রচেষ্টার প্রশংসা করেন। প্রফেসর ইউনূস আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং বাংলাদেশে গত জুলাই-আগস্ট মাসে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানী ঢাকার দেয়ালে শিক্ষার্থীদের আঁকা বর্ণিল ও বৈচিত্র্যময় গ্রাফিতি চিত্রের একটি সংকলন ‘দ্য আর্ট অব ট্রায়াম্ফ’ উপহার দেন। গ্র্যান্ড ইমাম বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের শৈল্পিক দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি প্রধান উপদেষ্টার কাছে আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের মেধারও প্রশংসা করেন।
জানুয়ারির যুব উৎসবে যোগ দিতে ঢাকায় আসছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ৩০শে ডিসেম্বর মাঠে গড়াচ্ছে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগ (বিপিএল)-এর ১১তম আসর। এর আগে ১০টি আসর পার করে ফেললেও দেশের একমাত্র ফ্র্যাঞ্চাইজি টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটি এখনো ধুঁকছে। নানা বিতর্ক আর সমালোচনা এর সঙ্গী। সব বিতর্ক ঝেড়ে ফেলে একটা নতুন বিপিএল উপহার দিতে যাচ্ছেন বিসিবি’র নতুন সভাপতি ফারুক আহমেদ। তা করতে গিয়ে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে টুর্নামেন্টটির সঙ্গে জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোয় এবং সেটি করা হচ্ছে খোদ প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পরিকল্পনা অনুযায়ী। তারই ধারাবাহিকতায় বিপিএল চলাকালে সারা দেশে যুব উৎসব করবে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে। আর এই উৎসবে যোগ দিতে বাংলাদেশে আসছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো।
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস কপ-২৯ জলবায়ু সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। সেখানে ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনোর সঙ্গে দেখা করেছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জানুয়ারিতে বাংলাদেশে যুব উৎসবে যোগদানের জন্য। প্রধান উপদেষ্টার আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রধান। এ ছাড়া এ মুহূর্তে নারী ফুটবলের অন্যতম কয়েকটি সেরা দলকে বাংলাদেশে আনার বিষয়েও ইনফান্তিনোর সঙ্গে কথা বলেছেন প্রধান উপদেষ্টা। প্রধান উপদেষ্টার দপ্তরের ফেসবুক পেজে জানানো হয়, ‘ফিফা প্রেসিডেন্ট জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানুয়ারিতে বাংলাদেশে যুব উৎসবে যোগদানের জন্য প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন। আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে কপ-২৯ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে দেখা করেন তিনি। প্রধান উপদেষ্টা আসন্ন যুব উৎসবে যোগদানের জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানান এবং বিশ্বজুড়ে স্বনামধন্য কয়েকটি নারী ফুটবল দলকে বাংলাদেশে আনার বিষয়ে তার সহযোগিতা চান।’ অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী দলের বিপক্ষে বাংলাদেশ নারী ফুটবলারদের ম্যাচ খেলার আকুতি অনেক দিনের। এমনও হয়েছে, মেয়েরা ৯ মাস কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচও পাননি। বাফুফে তাদের জন্য ম্যাচের আয়োজন করতে পারেনি। আর্থিক সংকটের অজুহাত দেখিয়ে মেয়েদের অলিম্পিক বাছাই খেলতে মিয়ানমারে পাঠানো হয়নি। নিয়মিত ঘরোয়া ফুটবল না হওয়া, আর্থিক অনিশ্চয়তা নানা রকমের হতাশা নিয়ে দল ছেড়েছেন অনেক নারী ফুটবলার। এবার সাফ জেতার পর নারী ফুটবল দলকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় সংবর্ধনা দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেখানে সকালের নাস্তায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে নিজেদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরেন নারী ফুটবলাররা। সেসব সমস্যার কথা শুনে প্রধান উপদেষ্টা ফুটবলারদের সমস্যাগুলো লিখিতভাবে জমা দিতে বলেন। মেয়েদের চাহিদার মধ্যে অন্যতম শক্তিশালী দলগুলোর বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলা। পরপর দুটি সাফ জেতা মেয়েদের অনুরোধ রাখতেই ফিফা প্রেসিডেন্টের কাছে এই অনুরোধ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা। এ ছাড়া বিপিএলকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতেই ফিফা প্রেসিডেন্টকে বাংলাদেশে আমন্ত্রণ জানালেন। এবারের প্যারিস অলিম্পিকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি জড়িত ছিলেন ইভেন্টের ডিজাইনের সঙ্গে। এবার তার পরামর্শ নিয়ে সাজাতে চান বিপিএলও। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া কয়েক দিন আগে বিসিবি’র কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠকের ব্যবস্থা করে দেন। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা বিসিবি’র কর্মকর্তাদের তাগিদ দেন জনসম্পৃক্ততা বাড়ানোর। পাশাপাশি নতুন আঙ্গিকে আয়োজনেরও। ক্রীড়া উপদেষ্টাকে দেখানো প্রেজেন্টেশন ছিল সেই মোতাবেকই। আগামীতে আবারো প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠক করবেন বিসিবি’র কর্মকর্তারা।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নর্থ সাউথের ট্রাস্টিদের বিরুদ্ধে মামলা: দুদককে ব্যবহারের অভিযোগ by মারুফ কিবরিয়া
সূত্র বলছে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টিদের উচ্ছেদের মাধ্যমে সেখানে দখল ও লুটপাট চালানোর প্রাথমিক অভিযোগ হলো সাবেক শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও প্রতিমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে। সে সময় ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন শিল্পপতি ও পারটেক্স গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত এম এ হাসেম। তিনি অষ্টম জাতীয় সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য ছিলেন। বিএনপি সরকারের আমলে প্রতিষ্ঠিত প্রথম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠাকালীন সময়ও এম এ হাসেমের বিএনপি’র সংসদ সদস্য থাকার বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়েই নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়কে বিএনপি সমর্থিত প্রতিষ্ঠান অজুহাতে আওয়ামী সরকার ও সরকারদলীয় কিছু সুবিধাভোগীরা দখল ও লুটপাটের প্রধান লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা হয় বলে দাবি করছে একাধিক সূত্র।
নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় দখলের জন্য বিগত সরকারের প্রভাবশালী মন্ত্রীদের নির্দেশ অনুযায়ী ভুয়া মানবাধিকার সংগঠন ‘আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন’-এর প্রতিষ্ঠাতা সূফী সাগর সামসকে দিয়ে একের পর এক সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধন করানো হয়। দুদকেও তাকে দিয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিজদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দেয়া হয়। ফলে এক ধরনের চাপ থেকে সংস্থাটি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে।
এদিকে জানা গেছে, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিজদের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ করা ও সংবাদ সম্মেলন করে বেড়ানো সূফী সাগর সামসের পড়াশোনা পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত। অথচ নিজেকে পরিচয় দিতেন ডক্টরেট ডিগ্রিধারী হিসেবে। মানবাধিকার সংগঠনের উপদেষ্টা পরিচয়ের আড়ালে বিগত সরকারের দুর্নীতিবাজ মন্ত্রী ও সরকারদলীয় বাহিনীর প্রত্যক্ষ মদতে সূফী সাগর তার মূল কাজ চাঁদাবাজি করার উদ্দেশ্যে প্রতারণার মাধ্যমে বিভিন্ন পর্যায়ের ধনাঢ্য ব্যক্তি, শিল্পপতি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের টার্গেট করে তাদের বিরুদ্ধে বানোয়াট ও ভুয়া তথ্য দিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তৈরি করতেন। পরবর্তীতে সেসব অভিযোগ চিঠি আকারে বিভিন্ন দপ্তর ও মন্ত্রণালয়ে পাঠাতেন। তিনিসহ চক্রের অন্যান্য সদস্যরা ওইসব চিঠির কপি দিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিকট মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করতেন। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে ভুয়া মানবাধিকার সংগঠনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলন করে অসত্য তথ্য দিয়ে সামাজিকভাবে হেয় করে হয়রানির ভয় দেখাতেন। চলতি বছর ১লা এপ্রিল এসব অভিযোগে তাকে গ্রেপ্তারও করে ডিবি পুলিশ। সূত্র বলছে, ভুয়া ডক্টরেট দাবি করা সূফী সাগর সামসের আবেদন করা অভিযোগই আমলে নিয়ে এবং সরকারের মদতপুষ্ট সেই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর প্রভাবে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান, মামলা এবং চার্জশিট দিয়েছে দুদক।
অভিযোগ রয়েছে, যে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের মদতপুষ্ট সেই কিছু কুচক্রী, ক্ষমতালিপ্সু, দখলদারদের হস্তক্ষেপে সঠিক অনুসন্ধান এবং বিবেচনা ও তদন্ত না করেই তড়িঘড়ি করে জমি ক্রয় সংক্রান্ত অনিয়মের অভিযোগ এনে দুদক এই মামলা দায়ের ও চার্জশিট দাখিল করে। সূত্র আরও জানায়, নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় জমি ক্রয় সংক্রান্ত সকল সরকারি আইনকানুন তথা ইউজিসি ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা মেনে তৎকালীন সময়ের বাজার মূল্য অনুযায়ী রেজিস্ট্রেশন ফি ও অন্যান্য কর পরিশোধ করে আশালয় হাউজিং লিমিটেডের কাছ থেকে সমপ্রসারিত ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য পূর্বাচলে ২৫০ বিঘা জমি ক্রয় করে। যে জমি বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আশালয় হাউজিং-এর সঙ্গে মোসাদ্দেক আলী ফালুর (বিশেষ সহকারী, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া) মালিকানা সংশ্লিষ্টতা থাকা এবং প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আমিন মোহাম্মাদ হিলালীর বিএনপি রাজনীতির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতাকেও সেই সুবিধাবাদীরা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টিদের বিরুদ্ধে তাদের হেয় করতে ব্যবহার করেছে। এ ছাড়াও নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক উপদেষ্টা বোর্ডের ব্যবহারের জন্য উক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন পুলের জন্য বিলাসবহুল গাড়ি ক্রয়ের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফান্ডের টাকা অপ্রয়োজনীয় ব্যয় ও আত্মসাতের অভিযোগ তুলে দুদক আরেকটি মামলা দায়ের করে বলে জানা যায়। নর্থসাউথ সংশ্লিষ্টরা জানান, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর বিধান মেনে ট্রাস্টিবোর্ড সদস্যদের সর্বসম্মতিক্রমে গাড়ি ক্রয়ের সিদ্ধান্ত হয় এবং গাড়ি ক্রয়ের জন্য সরকারের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেট ও ক্রয় কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী গাড়িগুলো ক্রয় করা হলেও শুধুমাত্র ট্রাস্টি বোর্ড সদস্যদের অপসারণের অপকৌশল করে তৎকালীন সরকারের নীল নকশা বাস্তবায়নের উদ্দেশ্যে দুদককে ব্যবহার করে এই মামলা করা হয়।
হয়রানিমূলক মামলা: দুদককে ব্যবহার করে এই মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের অসুস্থ ও বয়স্ক সদস্যবৃন্দ এম এ কাশেম, মোহাম্মদ শাহজাহান, রেহানা রহমান এবং বেনজির আহমেদকে শারীরিক ও মানসিক হয়রানির অভিযোগও উঠেছে। জানা যায়, ওই চার জন ট্রাস্টি এই মামলায় আগাম জামিনের জন্য আদালতের দ্বারস্থ হন। যে মামলার চার্জশিট না থাকা সত্ত্বেও সরকারের মদতপুষ্ট সেই স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর হস্তক্ষেপে বাংলাদেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পথপ্রদর্শক, দেশ ও জাতি গঠনে সর্বদা নিয়োজিত এবং নিয়মিত উচ্চ কর প্রদানকারী এই ট্রাস্টিদের (একজন মহিলাসহ) নজিরবিহীনভাবে জেল হাজতে পাঠানো হয়। পরবর্তী সময়ে ট্রাস্টি বোর্ডের অন্য সদস্যদের জেল- জুলুমের ভয় দেখিয়ে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ড থেকে ওই চারজনসহ ছয় জন প্রতিষ্ঠাতা ট্রাস্টি বাদ দিয়ে সম্পূর্ণ আওয়ামী ঘরানার ট্রাস্টি বোর্ড গঠন করে দেয়া হয়। একই সঙ্গে এই মামলার অপর এক অভিযুক্ত আবাসন ব্যবসায়ী আমিন মোহাম্মদ হিলালীকে অপহরণ করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের মাধ্যমে জোর করে অভিযোগের বিষয়ে স্বীকারোক্তি আদায় এবং তা ভিডিও ধারণ করা হয়। এরপর তাকে সাভারের হেমায়েতপুরের তেঁতুলিয়া এলাকায় হাত-পা ও চোখ বাঁধা অবস্থায় ফেলে রেখে যাওয়া হয়।
মামলা এজাহার দায়ের করা দুদক কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন পাটোয়ারী সম্প্রতি অবসরে গেছেন। তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন মানবজমিনকে বলেন, মামলার বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দুদকের আইন অনুবিভাগে তথ্য চেয়েছি। কিন্তু এখন পর্যন্ত আমাকে কিছু জানানো হয়নি।
সাউথইস্ট ব্যাংকেও রাজনীতিক হানা: নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো সাউথইস্ট ব্যাংকও দখল করে নেয় আওয়ামী লীগ সরকারের মদতপুষ্ট একটি গোষ্ঠী। এমনটাই অভিযোগ করেন ব্যাংকটির উচ্চপদস্থ কয়েকজন কর্মকর্তা। তারা জানান, বেসরকারি খাতের অন্যতম সফল ব্যাংক সাউথইস্ট ব্যাংকটি দখল করতে বেছে নেয়া হয় ২০০২ সালে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদে যুক্ত হওয়া আলমগীর কবিরকে। ২০০৪ সাল থেকে টানা ২০ বছর সাউথইস্ট ব্যাংকের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে ছিলেন আলমগীর কবির। ব্যাংকের নীতিনির্ধারণী এই পদে থেকে বিভিন্ন অনিয়মের মাধ্যমে ঋণ দেয়ার পাশাপাশি স্বার্থসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পর্ষদে যুক্ত করার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
সংশ্লিষ্টরা আরও জানান, আলমগীর কবিরের যাবতীয় অনিয়ম, দুর্নীতি নিয়ে যাতে কোনো প্রশ্ন না ওঠে এজন্য ব্যাংকটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং প্রাক্তন এফবিসিসিআই সভাপতি ও শিল্পোদ্যোক্তা এম এ কাশেম, প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আজিম উদ্দিন আহমেদ ও পরিচালক রেহানা রহমানকে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি হিসেবে জমি সংক্রান্ত দুদকের দাবিকৃত কিন্তু অপ্রমাণিত অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যাংকটির পরিচালনা পর্ষদ থেকে বাদ দেয়া হয়। আলমগীর কবির তার ইন্ধন ও নির্দেশনায় দ্বিতীয় প্রজন্মের এই ব্যাংকটিকে লুটপাট ও অর্থ পাচারের আখড়ায় পরিণত করেন। আর এমন কাজে বিগত সরকারের প্রকাশ্য ইন্ধন ও সহায়তা পান আলমগীর কবির। শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত পদ্মা ব্যাংকের সাবেক চেয়ারম্যান চৌধুরী নাফিজ সরাফাত পুঁজিবাজার থেকে একদিনেই সাউথইস্ট ব্যাংকের ২ কোটি ৩৭ লাখ ৭৮ হাজার ৮১০টি শেয়ার কিনে নেন যা পরিচালক হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যাংকটির মোট শেয়ারের ২ শতাংশের বেশি। এর মাধ্যমে নাফিজ সরাফাতের স্ত্রী আঞ্জুমান আরা শহীদকে পরিচালক হিসেবে যুক্ত করা হয়। দায়িত্বে থাকাকালীন আলমগীর কবিরের বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং অনিয়ম তদন্তে হাইকোর্ট অনুসন্ধানের জন্য দুদক-কে নির্দেশ দিলেও ক্ষমতার প্রভাবে তা ধামাচাপা পড়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
November
(469)
-
▼
Nov 13
(15)
- আবু ঘ্রাইব কারাগারে নির্যাতন: ৩ ইরাকিকে ৪৪ মিলিয়ন ...
- নিয়ম ভেঙে প্রেমিকের সঙ্গে হোটেলে রাত্রিবাস: মিস ইউ...
- মৃত্যুকূপ গাজা
- হাসিনার ট্রাভেল ডকুমেন্টে কী লিখেছে ভারত by ডা. ওয়...
- তবুও ইসরাইলের পক্ষেই সাফাই যুক্তরাষ্ট্রের
- ইরাকে বিবাহ আইন সংশোধন: মেয়েদের বিয়ের বৈধ বয়স কমিয়...
- গাজায় দুই দিনে ইসরায়েলের ২০ সেনা নিহত
- হাত খরচের টাকা চেয়ে না পাওয়ায় মাকে হত্যা করে ফ্রিজ...
- জাকিরের স্ত্রী-স্বজনদের সম্পদের পাহাড়
- ফরহাদপত্নী মোনালিসা বাড়ি কিনেছেন কানাডায় by জিয়াউল...
- গাজীপুরের টিএন্ডজেড অ্যাপারেলস: শতকোটি টাকা পড়েছিল...
- পোশাক খাত: সুখবরের বিপরীতে শঙ্কা
- মাসুদের স্ত্রীর কান্না থামবে কবে by ফাহিমা আক্তার ...
- জানুয়ারিতে যুব উৎসবে ঢাকা আসছেন ফিফা প্রেসিডেন্ট: ...
- নর্থ সাউথের ট্রাস্টিদের বিরুদ্ধে মামলা: দুদককে ব্য...
-
▼
Nov 13
(15)
-
▼
November
(469)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...