Wednesday, July 1, 2015
লতিফ সিদ্দিকী এখনো আ.লীগের সাংসদ- কোনো মামলাতেই সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়নি by জাহাঙ্গীর আলম ও রোজিনা ইসলাম
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আওয়ামী লীগ থেকে লতিফ সিদ্দিকীর বহিষ্কারের ব্যাপারে আমি অবহিত নই। আমাকে কিছু জানানো হয়নি। তিনি আগে যেভাবে সংসদে ছিলেন, এখনো তিনি আমার কাছে সেভাবেই আছেন।’
এদিকে লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানার মামলাগুলোর কোনোটিতেই আইন অনুযায়ী সরকারের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এসব মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন না থাকায় মামলাগুলো ত্রুটিপূর্ণ থেকে গেছে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা প্রথম আলোকে নিশ্চিত করেছেন। প্রায় সাত মাস জেলে থাকার পর গত সোমবার তিনি জামিনে মুক্তি পান।
লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্যপদ সম্পর্কে প্রথম আলোর এক প্রশ্নের জবাবে স্পিকার বলেন, ‘লতিফ সিদ্দিকীকে বহিষ্কারের বিষয়টি আওয়ামী লীগ থেকে চিঠি দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে জানাতে হবে। তখন আমি আইন অনুযায়ী তাঁর সংসদ সদস্যপদের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে পাঠাব।’
লতিফ সিদ্দিকীর বহিষ্কারের বিষয়টি গত আট মাসেও কেন স্পিকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করা হয়নি, সে ব্যাপারে আওয়ামী লীগের কেউ কথা বলতে চান না। এ ব্যাপারে দলের জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে রয়েছে রহস্যময় নীরবতা। জানতে চাইলে দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ প্রথম আলোকে বলেন, ‘স্পিকারকে চিঠি দেওয়া হয়েছে কি না, বা আদৌ চিঠি দেওয়া হবে কি না, সে ব্যাপারে আমার কাছে কোনো তথ্য নাই। আমি কিছু জানি না। এ বিষয়ে আমি কোনো খবরের অংশীদারও হতে চাই না।’
দল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্পিকারকে কিছু না জানানোয় আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্যপদ নিয়ে এখনো জটিলতা কাটেনি। ফলে সাংসদ হিসেবে তাঁর আগের অবস্থান বহাল রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্পিকার। দীর্ঘ সাত মাস চার দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্ত এই সাবেক মন্ত্রী সংসদ অধিবেশনে যোগ দিতে চান বলে তাঁর ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে। তবে লতিফ সিদ্দিকীর অধিবেশনে যোগদানের বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও স্পিকার জানান, আইনি ব্যাখ্যায় সংসদ সদস্যপদ বহাল থাকলে অধিবেশনে যোগ দিতে আইনি বাধা নেই।
গত বছরের ২৮ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এক অনুষ্ঠানে নবী করিম হজরত মুহাম্মদ (সা.), পবিত্র হজ ও তাবলিগ জামাত সম্পর্কে লতিফ সিদ্দিকী অবমাননাকর বক্তব্য দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এরপর তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে অপসারণ করা হয়। পরে গত অক্টোবরে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যপদ ও তার কিছুদিন পরে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ থেকেও বহিষ্কার করা হয়।
আওয়ামী লীগের শীর্ষ পর্যায়ে কথা বলে জানা যায়, মূলত দল থেকেই লতিফ সিদ্দিকীর ভাগ্য ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁকে বহিষ্কারের বিষয়ে চিঠি পাঠানোর সিদ্ধান্ত অজ্ঞাত কারণে আটকে আছে। ফলে তাঁর সংসদ সদস্যপদ নিয়ে সৃষ্ট বিতর্কের অবসান হচ্ছে না। চিঠি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারছে না সংসদ সচিবালয়ও।
দলীয় সদস্যপদ হারানোর পর লতিফ সিদ্দিকীর সংসদ সদস্যপদ থাকছে কি না, সে বিতর্কের অবসান হয়নি। এ ব্যাপারে সংবিধান এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে (আরপিও) স্পষ্ট করে কিছু বলা নেই। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে চিঠি পাঠানো হলে এ বিতর্কের অবসান হতো বলে মনে করছেন আইনজ্ঞরা। সংসদ সদস্যপদ শূন্য প্রসঙ্গে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচনে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি যদি উক্ত দল থেকে পদত্যাগ করেন অথবা সংসদে উক্ত দলের বিপক্ষে ভোটদান করেন, তাহলে তার সংসদ সদস্যপদ বাতিল হবে’। তবে বহিষ্কার করা হলে কী হবে তা স্পষ্ট কিছু নেই এ ধারায়।
জানতে চাইলে বিশিষ্ট আইনজ্ঞ শাহদীন মালিক প্রথম আলোকে বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি সচরাচর ঘটে না। আইনে দল থেকে বহিষ্কার করা হলে কী হবে সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কিছু বলা নাই। কিন্তু ৭০ অনুচ্ছেদের ধারণাটা আমলে নিয়ে যৌক্তিক ব্যাখ্যা হবে তাঁর সংসদ সদস্যপদ শূন্য হয়েছে।
শাহদীন মালিক বলেন, যেহেতু তিনি (লতিফ সিদ্দিকী) সংসদ সদস্য, তাই আওয়ামী লীগের কর্তব্য বিষয়টি স্পিকারকে অবহিত করা। তখন স্পিকার বিষয়টি আইন অনুযায়ী তা নির্বাচন কমিশনে পাঠাবেন।
কোনো মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছিল না: স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন যে আবদুল লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহ এবং ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত আনার অভিযোগে দেশের নানা জায়গায় মামলা হলেও এসব মামলা দায়েরের আগে বা পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়া হয়নি। এ কারণে এসব মামলা আদালতে সাধারণ মামলা বলেই বিবেচিত হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেছেন, এসব মামলা অনুমোদনের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। ফৌজদারি কার্যবিধির ১৯৬ ধারা অনুযায়ী (২৯৫)ক অনুযায়ী রাষ্ট্রদ্রোহের অপরাধের মামলার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন লাগবে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বলেন, কেন তাঁরা এসব মামলায় মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেননি সে জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ফৌজদারি কার্যবিধির ১৮৮ ধারা অনুযায়ী যখন বাংলাদেশের কোনো নাগরিক বাইরের কোনো স্থানে কোনো অপরাধ করে, তখন তাকে যে স্থানে পাওয়া যাবে অপরাধটি সে স্থানে করা হয়েছে বলে ধরে নেওয়া হবে। সে ক্ষেত্রে সরকারের অনুমতি ছাড়া কোনো অভিযোগ সম্পর্কে কোনো তদন্ত করা যাবে না। কিন্তু লতিফ সিদ্দিকীর মামলাগুলোর ব্যাপারে কোনো অনুমতি নেওয়া হয়নি।
জানতে চাইলে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী খুরশীদ আলম খান প্রথম আলোকে বলেন, সরকারের অনুমতি ছাড়া এই দুই ধরনের মামলা চলতে পারে না। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা রয়েছে।
লতিফ সিদ্দিকীর বিরুদ্ধে ঢাকাসহ সারা দেশে মোট ২৭টি মামলা হয়েছিল। গত ২৩ জুন ১০টি এবং গত ২৬ মে সাতটি মামলায় তাঁকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ। বাকি ১০টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না থাকায় জামিন চাননি লতিফ সিদ্দিকী। তাঁর জামিন আবেদনে বলা হয়, দেশের বাইরে সংঘটিত অপরাধ নিজ দেশে বিচার করতে হলে মামলা দায়েরের আগে সরকারের অনুমোদন নিতে হয়। কিন্তু এসব মামলার ক্ষেত্রে কোনো অনুমোদন নেওয়া হয়নি।
তবে কারাগারে থাকা অবস্থায় লতিফ সিদ্দিকী একাধিকবার সংসদে যোগ দেওয়ার জন্য কারা অধিদপ্তরের মাধ্যমে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করলেও তাঁকে সে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
গত অক্টোবরে ওই বিতর্কিত মন্তব্যের পর কয়েক দিন আমেরিকা ও কানাডায় মেয়ের বাড়িতে অবস্থান শেষে লতিফ সিদ্দিকী ভারতের কলকাতায় এসে আত্মগোপনে চলে যান। এ অবস্থায় ১২ অক্টোবর ডাক ও টেলিযোগাযোগ এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী থেকে লতিফ সিদ্দিকীর অপসারণের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।
একই দিন দলের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে লতিফ সিদ্দিকীকে আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর পদ থেকে বহিষ্কার, প্রাথমিক সদস্যপদ স্থগিত এবং কেন তাঁকে দল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আগেই লতিফ সিদ্দিকী দলীয় সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম বরাবর ই-মেইলে এর দীর্ঘ জবাবও পাঠান। তবে দলের কাছে তাঁর ওই জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ২৪ অক্টোবর আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে টাঙ্গাইল-৪ (কালিহাতী) আসন থেকে পাঁচবারের নির্বাচিত এই সাংসদকে দল থেকে চূড়ান্তভাবে বহিষ্কার করা হয়।
গত ২৩ নভেম্বর রাতে অনেকটা নাটকীয়ভাবেই দেশে ফেরেন লতিফ সিদ্দিকী। প্রায় ৪১ ঘণ্টা ‘অজ্ঞাতবাস’-এর পর ২৫ নভেম্বর দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। পুলিশ ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেওয়ার মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করলে আদালতের আদেশে তাঁকে নেওয়া হয় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে। সেখানে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে কয়েক দিন পরই বঙ্গবন্ধু মেডিকেল হাসপাতালের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয় তাঁকে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাগরে বেঁচে আছে রুম্মান, বিশ্বাস পিতার by মহিউদ্দীন জুয়েল
টানা দুইদিনের ৩০ ঘণ্টার অভিযানের পর বুধবার সকাল থেকে আবারও বঙ্গোপসাগরে তাকে উদ্ধারে নামে বিমানবাহিনীর সদস্যরা। নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ সুরভী, মধুমতি ও অতন্দ্র কে দেখা যায় সাগরের একটু পরপরই কিছু একটা ফেলে তাকে খুঁজে পাওয়ার চেষ্টা করতে।
অন্যদিকে কোস্টগার্ডের জাহাজ তৌফিক সাগরের এক প্রান্ত থেকে অপর প্রান্ত ছুটে বেড়াচ্ছেন মূহুর্তে। বিমানবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছেন বলে জানান কর্মকর্তারা।
বুধবার সাগরপাড়ে নিখোঁজ পাইলট রুম্মানের জন্য অপেক্ষা করতে দেখা গেছে তার বাবা আবদুল কাদের চৌধুরীকে। তিনি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা। ছেলেকে না পেয়ে তাই একটু পরপরই ঢুকরে কেঁদে উঠছিলেন।
বলছিলেন, আমার ছেলে নিশ্চয় বেঁচে আছে। ও এতো সহজে হার মানার নয়। ছোটবেলা থেকেই ও খুব ডানপিটে। আকাশ ওকে খুব টানতো। বিমান নিয়ে নাড়াচাড়া করাটা ওর নেশা ছিলো। তাই পাইলট হয়ে সে আমাদের বলেছিলো দেশের জন্য কিছু একটা করতে চায়।
রুম্মানের বাবার পাশে দাঁড়ানো তার ছোট ভাই সালমান বলেন, ভাইয়াকে নিশ্চয় খুঁজে পাওয়া যাবে। সে বেঁচে থাকার জন্য কখনোই হাল ছাড়বে না। হয়তো ভেসে আছে।
ভাইয়ের জন্য দু:শচিন্তায় ছিলেন আরেক সদস্য বোন অন্তরা আর সেনাবাহিনীতে কর্মরত আদনানও। তাদের বিশ্বাস সে বেঁচে আছে।
তবে যুদ্ধবিমান এফ-৭ এর ধ্বংসাবশেষ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় তিনি বেঁচে আছেন কিনা তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন বিমানবাহিনীর সদস্যরা। যদিও এই বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু না বলে উদ্ধার কাজ চালিয়ে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন কোস্টগার্ড পূর্বাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দরুল হুদা।
এই বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনি এই ব্যাপারে কিছু বলা যাচ্ছে না। আমরা সাগরের তলদেশেও তাকে খোঁজার চেষ্টা করছি। এখন সাগর ভীষণ উত্তাল রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেও তার অবস্থান জানতে আমরা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।
তিনি আরো বলেন, বিমানের ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। পাইলট রুম্মান কোন দিকে থাকতে পারেন তা নিয়ে গবেষণা চলছে। সেকি ¯্রােতে ভেসে গেলো কিনা তাও দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার পরপরই উদ্ধার অভিযানে নেমেছে আমাদের দলগুলো।
রুম্মানের পুরো নাম রুম্মান তাহমিদ। তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সে সবার বড়। ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার স্বপ্ন ছিলো তার। বিমান ভীষণ টানতো তাকে। ঢাকায় স্থায়ী হওয়ার আগে কুমিল্লা ইস্পাহানী স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন মেধার সঙ্গে। এরপর ভর্তি হন ঢাকার নটরডেম কলেজে। সেখানে এইচএসসি পাশ করে যোগদেন বিমানবাহিনীতে।
গত সোমবার সকালে এফ-৭ নামের একটি জঙ্গি বিমান আকাশ থেকে নিচে সাগরে পড়ে যায়। পরে মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তার কোন খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিতর্কিত মন্ত্রীদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দাবি টিআইবির
![]() |
| রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবির কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে আজ টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বক্তব্য রাখেন। ছবি: সাহাদাত পারভেজ |
রাজনীতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসাবে চিহ্নিত করেছে যুবরা। একই সঙ্গে সরকারি সেবাখাতগুলোকে বেসরকারি সেবা খাতগুলোর তুলনায় বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত মনে করছে তারা। ৮৬ শতাংশ যুব মনে করে দেশের রাজনীতি দুর্নীতিগ্রস্ত। ৬৬ শতাংশ যুব জানিয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআইবি প্রকাশিত ‘জাতীয় যুব-সততা জরিপ ২০১৫’- শীর্ষক প্রতিবেদনে এই চিত্র পাওয়া গেছে। গবেষণা প্রতিবেদনের ফলাফল তুলে ধরেন টিআইবি’র গবেষণা ও পলিসি বিভাগের প্রোগ্রাম ম্যানেজার মনজুর-ই-খোদা এবং শাম্মী লায়লা ইসলাম। বিভিন্ন সেবা খাতে যুবদের দুর্নীতির অভিজ্ঞতা, দুর্নীতি প্রতিরোধে যুবদের জ্ঞান, আগ্রহ ও অঙ্গীকারের মাত্রা যাচাইয়ের লক্ষ্যে জরিপটি পরিচালিত হয়। এই জরিপে ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সের ব্যক্তিদের যুব হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। জরিপে বাংলাদেশের ৬৪ জেলা থেকে ৩১টি জেলার মোট ৩হাজার ৬৫৬ জন তথ্যদাতার অভিমত সন্নিবেশিত হয়। উত্তরদাতাদের এক-তৃতীয়াংশ হলো নারী। জরিপে বলা হয়, যুবরা রাজনীতি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত খাত হিসেবে চিহ্নিত করেছে। একই সঙ্গে সরকারি সেবাখাতগুলোকে বেসরকারি সেবাখাতগুলোর তুলনায় বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত মনে করছে। ৮৬ শতাংশ যুব মনে করে দেশের রাজনীতি দুর্নীতিগ্রস্ত। ৬৬ শতাংশ যুব জানিয়েছে দেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত।
জরিপের ফল অনুযায়ী, যুবদের প্রায় সবাই সততার অভাবকে দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নের জন্য একটি বড় সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছে। কখনও দুর্নীতি করে না, কোন পরিস্থিতিতেই ঘুষ নেয়ও না, দেয়ও না এমন মানুষকে প্রায় ৯৮ শতাংশ যুব সৎ বলেছে। অধিকাংশ যুবরাই ধনী হওয়ার চেয়ে সৎ হওয়াকেই বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করছে। অসৎ ব্যক্তির চেয়ে সৎ ব্যক্তির জীবনে সফল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে জরিপে বেশির ভাগ যুবরা একমত পোষণ করেছে। আবার গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষায় পাস করা বা গুরুত্বপূর্ণ কোন চাকরি পাওয়ার জন্য ব্যর্থ হতে পারেন জেনেও কোন প্রতারণার আশ্রয় নেবেন না বরং সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে মনে করেন জরিপে অংশগ্রহণকারী ৭৩ শতাংশ নারী ও ৬৫ শতাংশ পুরুষ। কোন আত্মীয় নিয়ম-বহির্ভূতভাবে ভাল কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি, অথবা কোন প্রতিষ্ঠানে চাকরি দিতে চাইলে বেশির ভাগ যুবই সরাসরি না বলবেন বলে জরিপে জানানো হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, দুর্নীতি দমন ও সততা প্রতিষ্ঠায় যুবদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে বলে ৮২ শতাংশ যুব মতামত দিয়েছে। ৮০ শতাংশ দুর্নীতির মুখোমুখি হলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ করবেন এমন অভিব্যক্তি ব্যক্ত করেছেন। বেশির ভাগ যুব জানিয়েছে পরিবার, বন্ধু ও সহকর্মীরা সততার ধ্যান-ধারণা, চিন্তা-ভাবনা ও দৃষ্টিভঙ্গি গঠনে তাদের প্রভাবিত করে। জরিপ অনুযায়ী, সততা সম্পর্কে যুবদের ধারণার মাত্রা বেশ স্বচ্ছ হলেও বাস্তবে সততা চর্চার ক্ষেত্রে যুবদের একটি বড় অংশের মধ্যে বিপরীত বা নেতিবাচক আচরণ পরিলক্ষিত হয়। দেশের বিদ্যমান দুর্নীতিবিরোধী আইন-কানুন, বিধিমালা সম্পর্কে জানেন মাত্র ১ শতাংশ এবং ৫৮ শতাংশ কিছুই জানে না বা তাদের কাছে এ সম্পর্কে কোন তথ্য নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জরিপের ফল অনুযায়ী, সততা সম্পর্কে জোরালো নৈতিক ধারণা থাকা সত্ত্বেও যুবদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ বাস্তব জীবনের বিভিন্ন পরিস্থিতিতে সততা বিসর্জন দিতে বা সমঝোতা করতে রাজি আছে। অনেক ক্ষেত্রে তারা দুর্নীতি মেনে নিতে বাধ্য হচ্ছে। যারা অভিযোগ করতে আগ্রহী নয় তাদের মধ্যে ৬২% যুব মনে করে এ ধরনের অভিযোগে কোন কাজ বা ফল হবে না। গবেষণার ছয় দফা সুপারিশের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে, দুর্নীতিকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে সমাজে প্রতিষ্ঠা করে এর মাধ্যমে তরুণদের সামনে এর সঠিক দৃষ্টান্ত স্থাপন ও শাস্তি থেকে অব্যাহতির সংস্কৃতি বন্ধ করা। যুবদের মধ্যে সততার প্রসার ও চর্চার বিষয়টিকে জাতীয় যুব নীতিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দিয়ে এর কার্যকর বাস্তবায়ন কৌশল নির্ধারণ করা এবং জাতীয় শুদ্ধাচার কৌশলে দুর্নীতি প্রতিরোধ ও সততা প্রতিষ্ঠায় যুবদের ভূমিকা ও কর্মপরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা। এছাড়া যুবদের জন্য দুর্নীতির অভিযোগ জানানোর প্রক্রিয়া ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত সৃষ্টি করা। পাঠ্যক্রমে বিদ্যমান সততা ও দুর্নীতি দমন বিষয়ক শিক্ষা আরও কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা। যুবদেরকে মাঝে সততা বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য সকল অংশীজনদের সম্পৃক্ত করে সমন্বিত কর্মসূচি ও প্রচারাভিযান কর্মসূচি গ্রহণ ছিল অপরাপর সুপারিশের অন্তর্ভুক্ত। সভাপতির বক্তব্যে টিআইবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সুলতানা কামাল বলেন, আমাদের সমাজে যুবদের সংখ্যা এখন অনেক বেশি এবং তাদের এত বড় একটি অংশ বলছে, তারা এসব বিশ্বাস করে, কিন্তু চর্চা করতে পারে না। তাহলে আমাদের কত গুরুত্বের সঙ্গে দেখতে হবে তারা যে এ চর্চা যাতে করতে না পারে তার জন্য দায়ী উপাদানগুলো কী কী। এগুলো দূর করার যে চেষ্টা সেটা আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে। টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিকসহ দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিটি আন্দোলনে তরুণদের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা। কিন্তু অধিকাংশ যুবদের মধ্যে দুর্নীতি সম্পর্কে ধারণা কম। অনেকেই অন্য কোন উপায় নেই জেনে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়। সে বিষয়টি মাথায় রেখে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি তরুণদের মধ্যেও দুর্নীতিবিরোধী চেতনা জাগিয়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় দুর্নীতি প্রতিরোধে দায়িত্বপ্রাপ্তদের যুবদের ভাবনাকে বিবেচনায় নিয়ে কার্যকর দুর্নীতি প্রতিরোধ কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে। সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপ-নির্বাহী পরিচালক ড. সুমাইয়া খায়ের এবং রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ রফিকুল হাসান।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডি ভিলিয়ার্সরা ঢাকায়
শেষ পর্যন্ত অবশ্য জোহানেসবার্গ থেকে দুবাই হয়ে দলটা ঢাকায় পৌঁছেছে এমিরেটসের বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটের ফ্লাইটে। ১৪ জন খেলোয়াড় ও টিম ম্যানেজমেন্টের ১১ সদস্যসহ মোট ২৫ সদস্যের দল এসেছে দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে তারা প্রথম অনুশীলন করতে নামবে আজ দুপুরে। ৫ জুলাইয়ের প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচের আগে ৩ জুলাই ফতুল্লায় একটি টি-টোয়েন্টি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকা।
দক্ষিণ আফ্রিকা দল সকালে না পৌঁছানোয় নানা রকম গুজব ছড়িয়ে পড়ে ক্রিকেটাঙ্গনে। কেউ বলেছেন দুবাই থেকে তারা ফ্লাইট মিস করেছে, কেউ বলেছে আসলে বিমানই আকাশে উড়েছে দেরিতে। আবার অনেকের ধারণা ছিল দুবাইয়ের ট্রানজিটে কোনো একটা সমস্যায় পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা দল। তবে বিসিবি সূত্রে এর অন্য কারণই জানা গেছে।
দক্ষিণ আফ্রিকা দলের ঢাকায় পৌঁছানোর সময় নিয়ে বিভ্রাটটা নাকি ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ভুলের কারণে। সফর-সংক্রান্ত সব ই-মেইলে তারা ক্রিকেটারদের ঢাকা অবতরণের সময় উল্লেখ করেছে কাল সকাল ৮টা ৪০ মিনিট। বিসিবিও সেভাবেই সব ব্যবস্থা নেয়। কিন্তু আসলে দুবাই থেকে ক্রিকেটারদের ঢাকায় নিয়ে আসা বিমানটির অবতরণের সময় ছিল বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে। শেষ মুহূর্তে ভুলটা ধরা পড়ার পর বাংলাদেশ সময় পরশু রাত ১টা ২৫ মিনিটে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট বিসিবিকে ই-মেইলে আসল সময়টা জানায়। স্বাভাবিকভাবেই অত রাতে বিসিবির কেউ মেইল চেক করেনি। সকাল সকাল বিমানবন্দরে সবার উপস্থিতি সে কারণেই। বিসিবি ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ই-মেইলটি পাওয়ার পর আসল সময় জেনে যে যার মতো ফিরে যায় বিমানবন্দর থেকে। বিকেলে ফেরত আসে আবারও।
মজার ব্যাপার হলো দক্ষিণ আফ্রিকা দলের জন্য বিসিবি দিনভর অপেক্ষায় থাকলেও এসবের কিছুই জানে না দলটির খেলোয়াড়-কর্মকর্তা কেউ। ‘দেরি’তে পৌঁছানো নিয়ে সবার কৌতূহল দেখে টিম ম্যানেজমেন্টের এক সদস্য বিমানবন্দরেই নাকি বলেছেন, ‘আমাদের তো এই সময়েই পৌঁছানোর কথা! ফ্লাইট মিস করা বা বিমান দেরিতে ছাড়ার খবর সঠিক নয়।’
দক্ষিণ আফ্রিকার সফরসূচি
তারিখ ম্যাচ ভেন্যু সময়
৩ জুলাই প্রস্তুতি ম্যাচ (টি-২০) ফতুল্লা দুপুর ১টা
৫ জুলাই ১ম টি-টোয়েন্টি মিরপুর দুপুর ১টা
৭ জুলাই ২য় টি-টোয়েন্টি মিরপুর দুপুর ১টা
১০ জুলাই ১ম ওয়ানডে মিরপুর দুপুর ১২টা
১২ জুলাই ২য় ওয়ানডে মিরপুর দুপুর ১২টা
১৫ জুলাই ৩য় ওয়ানডে চট্টগাম দুপুর ১২টা
২১-২৫ জুলাই ১ম টেস্ট চট্টগাম সকাল ৯-৩০ মি.
৩০ জুলাই-৩ আগস্ট ২য় টেস্ট মিরপুর সকাল ৯-৩০ মি.
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত: ১১৩ আরোহীর সবার নিহতের আশঙ্কা
![]() |
| ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার মেদান শহরে একটি আবাসিক এলাকায় গতকাল বিধ্বস্ত হয় একটি সামরিক পরিবহন বিমান। ঘটনাস্থলে উদ্ধারকর্মীদের তৎপরতা l ছবি: এএফপি |
ইন্দোনেশিয়ার সামরিক বাহিনীর সূত্র জানায়, সুমাত্রা দ্বীপের মেদান বিমানঘাঁটি থেকে হারকিউলিস সি-১৩০ বিমানটি স্থানীয় সময় দুপুর ১২টা ৮ মিনিটে উড্ডয়ন করে। এর দুই মিনিট পর সেটি আবাসিক এলাকায় আছড়ে পড়ে। বিমানটিতে ছিলেন মূলত বদলি হয়ে অন্য এলাকায় যোগ দিতে যাওয়া সামরিক কর্মকর্তা ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা।
বিমানবাহিনীর প্রধান আগুস সুপ্রিয়াতনা বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ১২ জন ক্রুসহ মোট ১১৩ জন আরোহী নিয়ে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। কেউ বেঁচে আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, না, কেউ বেঁচে নেই। একটু আগে ঘটনাস্থল থেকে এসেছি। ইতিমধ্যে ৪৯টি লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’ বিমানবাহিনী প্রধান জানান, উড্ডয়নের পর কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় পাইলট বিমানটি নিয়ে আবারও ঘাঁটিতে ফিরতে চেয়েছিলেন। এ সময় সেটি বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা জানুয়ার (২৬) বলেন, বিমানটি উড়তে শুরু করার সময় দেখলাম এটি কাত হয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। একটু পর দেখি সেটি থেকে ধোঁয়া বের হচ্ছে। এরপর বিমানটি বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ জানায়, দুর্ঘটনাস্থলে বেশ কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় রাস্তায় চলাচলরত কয়েকটি গাড়িতেও আগুন ধরে যায়। দুর্ঘটনার পরপর উদ্ধার তৎপরতা শুরু হয়।
মেদানের পুলিশপ্রধান বলেন, উদ্ধার করা মরদেহগুলো দেখে মনে হয় ভবন ও বিমানে ধ্বংসাবশেষের চাপে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে। মেদান হাসপাতালের মুখপাত্র সায়রি সারাগিহ বলেন, শুধু তাঁদের হাসপাতালেই ওই ৪৫টি মরদেহ আনা হয়েছে।
বিমানের আরোহী বাদে আর কেউ নিহত হয়েছেন কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ বলতে পারছে না। বিমানের ধ্বংসাবশেষে ক্ষতিগ্রস্ত নতুন গড়ে ওঠা আবাসিক ভবনগুলোতে কেউ ছিল কি না, তা-ও নিশ্চিত করতে পারেননি কর্মকর্তারা।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিসের সাধারণ মানুষ আতংকে
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগান জঙ্গিদের দেখভাল করে সৌদি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লোহিত সাগরে আলোর জগৎ!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলেজে ভর্তি হতে এসে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা
এ ব্যাপারে কলেজ অধ্যক্ষ মির কফিল উদ্দীন সাংবাদিকদের জানান, সোমবার সকাল ১০টা থেকে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক ঘোষিত নিয়ম-নীতিকে অনুসরণ করে ১ম মেধা তালিকায় স্থান পাওয়া শিক্ষার্থীদের উচ্চ মাধ্যমিক (একাদশ) শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করি। এরমধ্যে ওই দিন দুপুরে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা স্থানীয়দের প্রাধান্য দেওয়াসহ বিভিন্ন অনৈতিক দাবি করেন। কিছু তাদের (ছাত্রলীগ নেতাকর্মী) ওই সব অনৈতিক দাবী পূরণে আমি অক্ষম বলে জানালে ছাত্রলীগ কর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসে এমন তাণ্ডব চালিয়ে বেশ কিছু আসবাবপত্র ভাঙচুর করে।
হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. উসমাইল পিপিএম (বার) এর কাছে মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে বলেন, ঘটনার খবর পেয়ে আমারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর থেকে কলেজ ক্যাম্পাসে আবার ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রুদ্ধশ্বাস অভিযান খোঁজ মেলেনি পাইলট রুম্মানের by মহিউদ্দীন জুয়েল
গতকাল সকাল থেকে দ্বিতীয় দফায় পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে অভিযান শুরু করলেও এই প্রতিবেদন লেখার সময় সন্ধ্যা পর্যন্ত তার কোন খোঁজ দিতে পারেনি বিমানবাহিনীর লোকজন। তাহমিদের জীবন ফিরে পেতে আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ জানাচ্ছেন তার পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনা দেখার জন্য সাগরপাড়ে ভিড় করছেন উৎসুক জনতা।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী জাহাজ আলেকজান্ডারের ওয়াচম্যান বাবুল মানবজমিনকে বলেন, আমি নিজে দেখেছি বিমানটা উপর থেকে কাত হয়ে সোজা সাগরে গিয়ে পড়েছে। ওই সময় আমি বহির্নোঙ্গরে কিছু বিদেশী লোকজনের সঙ্গে কথা বলছিলাম। সময়টা ছিল আনুমানিক সকাল ১১টা।
তিনি আরও বলেন, সাগরে ডুবে যাওয়ার পর দূর থেকে আমি একজন মানুষের দুটো হাত পানির নিচ থেকে ওপরে দেখতে পাই। তারপর ঘটনাটি অন্যদের জানালে কোস্টর্গাড অভিযান শুরু করে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, নিখোঁজ পাইলট তাহমিদের বাবার নাম আবদুল কাদের চৌধুরী। তিনি ব্যাংকের সাবেক কর্মকর্তা। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার হাইলধর এলাকায় থাকতেন তাহমিদের পরিবার। গত কয়েক বছর আগে তারা ঢাকায় চলে যান।
বিমানবাহিনীর চৌকস এই পাইলটের নিখোঁজ হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়েছে তার পরিবারে। ঢাকা থেকে চট্টগ্রামে এসেছেন তার পরিবারের সব সদস্য। সাগরপাড়ে দাঁড়িয়ে তার জন্য অপেক্ষায় দেখা গেছে অন্য সদস্যদের।
রুম্মানের বন্ধুরা জানান, তিন ভাই এক বোনের মধ্যে সে সবার বড়। ছোটবেলা থেকেই পাইলট হওয়ার স্বপ্ন ছিল তার। বিমান ভীষণ টানতো তাকে। ঢাকায় স্থায়ী হওয়ার আগে কুমিল্লা ইস্পাহানী স্কুল থেকে এসএসসি পাস করেন মেধার সঙ্গে। এরপর ভর্তি হন ঢাকার নটরডেম কলেজে। সেখানে এইচএসসি পাস করার পর যোগ দেন বিমান বাহিনীতে।
শুরু হয় অন্যরকম জীবন। দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়ার দিন। কিন্তু কে জানতো সেই উচ্ছল দিনের প্রিয় মুহূর্তটি হয়তো কেড়ে নেবে একটি বড় দুর্ঘটনা। পরিবারের সদস্যরা জানান, তার ছোট দুই ভাইয়ের মধ্যে একজন সালমান। কয়েক মাস আগে মালয়েশিয়ায় উচ্চ শিক্ষা শেষ করে তিনি দেশে ফিরেছেন।
আরেক ভাই আদনান রয়েছেন সেনাবাহিনীতে। আর একমাত্র বোন অন্তরা এসএসসি পাস করেছেন সদ্য। প্রিয় ভাইয়ের জন্য তাদের দুশ্চিন্তা কমছে না এতটুকু। সারা রাত ঘুম হয়নি বাড়ির কারও। বাবা-মার অনেক স্বপ্ন নিয়ে বড় হয়েছিলেন রুম্মান। বন্ধুদের কাছেও ছিলেন ডানপিটে। পরিবারের প্রাণ। সেই মানুষটিকে হারাতে চায় না কোন সদস্য। মেনে নিতে পারছেন না তিনি আর ফিরবেন না।
আল্লাহর কাছে তাই নামাজ পড়ে ভাইয়ের জন্য দোয়া করছেন ছোট ভাই সালমান। তার ভাষায়, ‘ভাইয়া বিমান চালাতে পারতো। তার এমন ভুল হওয়ার কথা নয়। খবরটা যখন পাই তখন আমরা ভীষণ কেঁদেছি। এখনও আশায় আছি তাকে হয়তো পাওয়া যাবে।’
তিনি আরও বলেন, সকালে ঘটনার পরপরই আমরা বেরিয়ে পড়ি তার খোঁজে। ভাইয়া ছাড়া আমাদের পরিবার কল্পনা করা যায় না। সে ভীষণ মেধাবী ছিল। হাসিখুশি থাকতো।
রুম্মানের চাচাতো ভাই চট্টগ্রামের আনোয়ারার মোহাম্মদ হাছান বলেন, সোমবার ঢাকা থেকে ফোন করে সবাই জানায় টিভিতে হেড লাইন দিচ্ছে রুম্মানকে নাকি পাওয়া যাচ্ছে না। খবরটা শুনে বুকে ধড়ফড় করে উঠলো। এরপর মোবাইলে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বিমানবাহিনীর কর্মকর্তারা বলেন আল্লাহকে ডাকেন। তাদের দল নাকি কাজ করছে। কিন্তু এখনও তো আমার ভাইকে পেলাম না।
সরেজমিন গতকাল সকালে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে গিয়ে দেখা যায়, নিখোঁজ পাইলট রুম্মানের খোঁজে কাজ করছে কোস্টগার্ডের একাধিক দল। যে বিমানে তিনি ছিলেন সেই এফ-৭ এর অবশিষ্ট ধ্বংসাবশেষ উদ্ধারেরও চেষ্টা চলছে। তবে ঠিক কোন জায়গায় তিনি নিখোঁজ হয়েছেন তা এখনও নিশ্চিত করতে পারেননি উদ্ধারকারীদের কেউ।
সংশ্লিষ্ট সদস্যরা জানান, ধারণা করা হচ্ছে পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত থেকে ছয় নটিক্যাল মাইল দূরে বঙ্গোপসাগরে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়েছে। আগের দিন গত সোমবার পাওয়া যায় দুটি ভাঙ্গা ডানা। নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী ও কোস্টগার্ডের অন্তত ১০টি দল সাগর চষে বেড়াচ্ছে দফায় দফায়।
নৌবাহিনীর তিনটি জাহাজ সুরভী, মধুমতি ও অতন্দ্র, কোস্টগার্ডের জাহাজ তৌফিক সাগরের একটির অংশে সর্বশেষ অবস্থান করছিলেন বিকালে। পাশাপাশি বিমানবাহিনীর তিনটি হেলিকপ্টার উদ্ধারকাজে নিয়োজিত রয়েছে বলে জানান কর্মকর্তারা। জানতে চাইলে এই বিষয়ে মানবজমিনের সঙ্গে কথা বলেন কোস্টগার্ড পূর্বাঞ্চলের ভারপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কমান্ডার দরুল হুদা। বিকাল ৪টায় তিনি বলেন, এখনও তার কোন খোঁজ পাইনি আমরা। তবে চেষ্টা চলছে। গত সোমবার সকাল সাড়ে ১১টার পর থেকে তার সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। নিয়ন্ত্রণ টাওয়ারের সংযোগের সঙ্গেও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
কি কারণে বিমানটি বিধ্বস্ত হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, এখনও ঠিক জানি না। এই বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি কাজ করবে।
বিমানবাহিনীর উদ্ধারকাজকে সহযোগিতা করতে সাগরে রয়েছে জাহাজ কান্ডারি-১০, তেল অপসারণকারী জাহাজ বে-ক্লিনার এবং অ্যাম্বুলেন্স শিপ। নৌবাহিনীর জাহাজ সুরভীতে থাকা ‘সাইড স্ক্যান সোনার’ ব্যবহার করে পানির নিচের স্বচ্ছতা দেখার চেষ্টা করা হচ্ছে বলে জানান বন্দরের পরিচালক (প্রশাসক) জাফর আলম।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই মন্ত্রীর ওপর নাখোশ প্রধানমন্ত্রী: এরশাদের বক্তব্যের জবাব দেবেন by দীন ইসলাম ও কাজী সোহাগ
![]() |
| প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে বাজেট-উত্তর ইফতার মাহফিলের অতিথিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন l ছবি: পিআইডি |
এরশাদের বক্তব্যের ‘জবাব’ দেবেন প্রধানমন্ত্রী
নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা, স্পিকার ও উপনেতাকে ‘শো-পিস’ বলে মন্তব্য করেছিলেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত এইচএম এরশাদ। সোমবার সংসদে বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন। ওই দিন তাৎক্ষণিকভাবে কিছুটা সময় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে সংসদ কক্ষ। নারী এমপিদের পাশাপাশি উপস্থিত প্রধানমন্ত্রীও তার ওই বক্তব্যে বিরক্তি প্রকাশ করেন। হাত নেড়ে তিনিও প্রতিবাদ জানান। তবে এতেই শেষ হয়ে যায়নি ওই মন্তব্যর রেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চলতি সংসদের সমাপনী ভাষণে এ নিয়ে পাল্টা জবাব দেবেন। বিষয়টি তিনি এরশাদকেও জানিয়েছেন। তবে হাসিমুখে। গতকাল বাজেট পাসের পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশন মুলতুবি ঘোষণার পর এমপিরা প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়ে ভিড় জমান। এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছিলেন নারী এমপি। এ সময় নিজের আসন ছেড়ে উঠে আসেন এরশাদ। তিনি জিয়াউদ্দিন আহমেদ বাবলুকে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে যাবো। বাবলু তাকে সঙ্গে করে নিয়ে যান অধিবেশন কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। এরশাদকে সামনে দেখে সালাম দেন তিনি। এ সময় নারী এমপিরা ঘিরে ধরেন এরশাদকে। তারা বলেন, নারীদের আপনি এত দুর্বল ভাবেন কেন। প্রধানমন্ত্রী তার ওই বক্তব্য নিয়ে রসিকতা করেন। এরশাদকে উদ্দেশ্য করে বলেন, জন্মের সময় মায়ের হাত ধরে বড় হয়েছেন। আর বড় হয়ে এখন পর্যন্ত স্ত্রীর হাত ধরেন। তার এ রসিকতায় হাসিতে ফেটে পড়েন এমপিরা। এরশাদও তার বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি সাবিনা আক্তার তুহিন। পরে তাকে ফোন করলে তিনি এসব তথ্য জানান। তুহিন বলেন, আপা এরশাদ সাহেবকে বলেছেন, অধিবেশনের সমাপনী দিনে আপনার এ কথার জবাব দেয়া হবে। এরশাদকে মহিলা এমপিরা বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলে ও সেনাসমর্থিত সরকারের সময় নারী নেতারা রাস্তায় প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ঝুঁকি নিয়ে মিছিল করেছেন। তাই আমাদের দুর্বল ভাবার কোন মানে হয় না। প্রসঙ্গত, সোমবার এরশাদের ওই মন্তব্য অসংসদীয় ভাষা হিসেবে গণ্য করে তা সংসদের রেকর্ড থেকে বাতিল করেন। আলোচনায় অংশ নিয়ে এরশাদ নারীর ক্ষমতায়ন প্রসঙ্গে বলেন, দেশের অনেকেই নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে প্রশংসা করেন। কিন্তু বাস্তবে তা কি ঠিক? শহীদ মিনারে, পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠানে নারীরা যেতে পারেন না, নিগৃহীত হন। আমরা কথায় কথায় প্রধানমন্ত্রী, বিরোধী দলের নেতা, স্পিকার ও সংসদের উপনেতা নারীর কথা উদাহরণ দেই। কিন্তু আসলে তারা তো ‘শো-পিস’। দেশের বাস্তব অবস্থা ভিন্ন। তার এ বক্তব্যের পর পরিস্থিতি বুঝতে পেরে দুঃখ প্রকাশ করেন এরশাদ। পরের চিত্রে বিরোধীদলীয় নেতা ও তার সহধর্মিণী বক্তব্য দিতে উঠে শুরুতে ক্ষমা চেয়ে নেন। তিনি বলেন, তার হয়তো শব্দচয়ন ঠিক হয়নি। তিনি বলেন, জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক রাষ্ট্রপতির বক্তব্য সংসদে প্রধানমন্ত্রী, কৃষিমন্ত্রী ও অন্যান্য সদস্য বোনেরা মনে কষ্ট পেয়েছেন। এজন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত। আমি আন্তরিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করছি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্রুত নির্বাচন দিন: খালেদা
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোগবাদে বামেরা by সাজেদুল হক ও কাজী সুমন
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এই শিশুদের রক্ষা করবে কে? by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
![]() |
| সিরিয়ার দুই শিশুযোদ্ধা। ছবি: রয়টার্স |
যুদ্ধের ময়দানে যেতে একপায়ে খাঁড়া ডেনিস। সে গুলি ছুড়তে চায়। ট্যাংক দেখতে চায়। অথচ এ বয়সে তার কিশোরসুলভ এমন চপলতায় মেতে থাকার কথা, যেখানে এ ধরনের সংঘাতের কোনো স্থান নেই। তার হাতে থাকার কথা খেলার সামগ্রী, প্রাণঘাতী অস্ত্র নয়।
যুদ্ধকবলিত ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ডেনিসের মতো এমন অনেক শিশুকে যুদ্ধের জন্য তৈরি করছে বিদ্রোহীরা। ইউক্রেনে সেনাদের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য শিশুদের যে তৈরি করা হচ্ছে, বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অনেক আগেই শোনা গিয়েছিল। তবে গত জানুয়ারিতে জাতিসংঘের শিশুবিষয়ক সংস্থা ইউনিসেফের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, এ ধরনের প্রশিক্ষণের কোনো তথ্য তাদের কাছে নেই।
সম্প্রতি এএফপিসহ অন্যান্য বার্তা সংস্থার খবরে »বলা হচ্ছে, দনেতস্কের বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত খার্তসিজ্ক এলাকায় বিভিন্ন স্কুলে শিশু শিক্ষার্থীদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।
যুদ্ধে এভাবে শিশুদের ব্যবহারের ঘটনা নতুন নয়। বিশ্বের সব দেশেই তোতাপাখির মতো বলা হয়, শিশুরাই জাতির ভবিষ্যৎ। তাদের আদর সোহাগে শিক্ষাদীক্ষায় লালন-পালন করা সবার নৈতিক দায়িত্ব। কিন্তু হীন স্বার্থ হাসিলে অবলীলায় তাদের প্রাণ হরণে দ্বিধা নেই কারও।
ইউনিসেফের তথ্যমতে, এ মুহূর্তে বিশ্বের ২৪টি দেশে প্রায় আড়াই লাখ শিশুকে নানা প্রলোভন দেখিয়ে যুদ্ধে জড়ানো হচ্ছে। এর মধ্যে বেশির ভাগই আফ্রিকান শিশু। এক জরিপে দেখা গেছে, শিশু যোদ্ধাদের বয়স সাত থেকে ১৮ বছর। কেবল অস্ত্র চালানোর জন্যই যে তাদের নেওয়া হয়, তা নয়। আরও যেমন-রান্নাবান্না, চরবৃত্তি, আত্মঘাতী হামলা চালানো, মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার, যৌন লালসা চরিতার্থ ইত্যাদিতে তাদের ব্যবহার করা হচ্ছে।
সাধারণত দরিদ্র, বাস্তুচ্যুত ও ভাসমান পরিবারের শিশুদের যোদ্ধা হিসেবে নেওয়া হয়। অনেক সময় ভালো কাজ দেওয়ার কথা বলে পটানো হয় শিশুর অভাবী বাবা-মাকে। দেওয়া হয় এক থোক লোভনীয় অর্থ। কখনোবা শিশুটিকেই লোভনীয় খাবার, পোশাক বা পছন্দের জিনিস দিয়ে ফাঁদে ফেলা হয়।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়, আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে এক লাখ ২০ হাজারের বেশি শিশুযোদ্ধা যুদ্ধে লিপ্ত। এসব দেশের মধ্যে রয়েছে আলজেরিয়া, অ্যাঙ্গোলা, বুরুন্ডি, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র, লাইবেরিয়া, রুয়ান্ডা, সুদান, দক্ষিণ সুদান, উগান্ডা ও সিয়েরা লিওন।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্যমতে, দক্ষিণ সুদানে খোদ সরকারই ১৩ বছর বয়সী শিশুদের যোদ্ধা হিসেবে নিয়োগ করছে।
এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারত, পাকিস্তান, আফগানিস্তান, থাইল্যান্ড, সিরিয়া, ইরাক, ফিলিস্তিন, ইয়েমেনে ব্যাপক হারে শিশুযোদ্ধাদের ব্যবহারের তথ্য রয়েছে। হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৪ সালে আফগানিস্তানে যুদ্ধবিষয়ক সহিংসতায় কমপক্ষে আড়াই হাজার শিশু মারা গেছে।
শিশুযোদ্ধাদের সবচেয়ে ভয়ংকর ব্যবহার আফগানিস্তান ও পাকিস্তানে। এই দুটি দেশে তালেবান তাদের আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।
ব্রিটিশ চ্যানেল ফোরে এমন এক আফগান শিশুর সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হয়, যাকে আত্মঘাতী হামলাকারী হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছিল তালেবান।
ওই এতিম শিশুর নাম নিয়াজ। তালেবান যখন তাকে দলে ভেড়ায়, তার বয়স ছিল মাত্র আট বছর। নিয়াজের বাবা ছিলেন মেষপালক। একদিন তালেবান জঙ্গিরা এসে আশ্রয় নেয় তাদের বাড়িতে। এ সময় মার্কিন নেতৃত্বাধীন যৌথ বাহিনী ওই গ্রামে হামলা চালায়। বোমা এসে পড়ে নিয়াজদের বাড়িতে। তার বাবা-মা মারা যান। নিয়াজের তখন আপন বলতে আর কেউ রইল না। তালেবান নেতা নিয়ে গেলেন ওকে। ভালো ভালো খাবার খাইয়ে অস্ত্র চালানো শেখালেন। আত্মঘাতী হামলাকারী হতে তালিম দিলেন। একদিন নিয়াজকে একটি তল্লাশি চৌকিতে গিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালাতে বলা হলো। তার দুহাত ভরে দেওয়া হলো কয়েন।
ছোট্ট নিয়াজের মনে প্রশ্ন জাগল, সে মরে গেলে এই কয়েন দিয়ে কী হবে? প্রশ্নটা করেও বসল। জবাব এল, এ কাজ করলে বেহেশতে যেতে পারবে সে। নিয়াজ বের হলো ঠিকই, কিন্তু গেল এক থানায়। পুলিশকে খুলে বলল সব। এখন সে লশকর গাহের একটি এতিমখানায় বড় হচ্ছে।
নিয়াজের মতো শিশুযোদ্ধাদের এমন করুণ কাহিনি ভূরি ভূরি। এসব কাহিনির শুরু আছে, শেষ নেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার্নিকাটের দাদার মা পাচারের শিকার হয়েছিলেন
![]() |
| মানব পাচার বন্ধে তিন বছর মেয়াদি নতুন কর্মপরিকল্পনা প্রকাশের অনুষ্ঠানে অতিথিরা। মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। -: প্রথম আলো |
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়। মানব পাচার বন্ধে তিন বছর মেয়াদি নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনার প্রকাশ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিরা অংশ নেন। ইউএসএইড ও উইনরক ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে যৌথভাবে অনুষ্ঠানটি আয়োজন করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
অনুষ্ঠানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘ব্যাপারটি আমার ব্যক্তিগত। আমার প্রমাতামহ মানব পাচারের শিকার হয়েছিলেন। মিশ্র জাতীয় শিশু হিসেবে তিনি শিনকক নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের পূর্বদিকে আমেরিকান আদিবাসী গোত্রে জন্ম নেন। তাকে শিশু অবস্থায় একটি শ্বেতাঙ্গ পরিবারে চুক্তিভিত্তিক দাস হিসেবে কাজ করানো হয়। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় মুক্তি পাওয়ার আগ পর্যন্ত তাকে ধোয়া-মোছার কাজ ও গৃহপরিচারিকা হিসেবে কাজ করতে হয়েছে। দুঃখজনকভাবে আজও মানবপাচার ও দাসত্ব চলছে। তবে আগের তুলনায় তা বেড়েছে। শ্রমিক পাচার, যৌনতার উদ্দেশ্যে মানব পাচার হচ্ছে। এ সব পাচার বন্ধে সবাইকে কঠোরভাবে কাজ করতে হবে।’
হাজার হাজার মানুষকে জনাকীর্ণ অবস্থায় নৌকায় ছেড়ে আসার দ্বারা যে অপরাধ হচ্ছে তা সবাইকে আহত করেছে উল্লেখ করে বার্নিকাট বলেন, ফিরে আসা ভুক্তভোগীদের পুনর্বাসন, স্বাভাবিক জীবন ও সমাজে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টায় বাংলাদেশকে সহায়তা দেবে যুক্তরাষ্ট্র।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রসচিব মোজাম্মেল হক খান বলেন, মানব পাচারের নানা ধরন রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার সব ধরনের পাচার বন্ধে কাজ করছে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নেতৃত্ব দিচ্ছে। তবে সব মন্ত্রণালয় এবং সরকারি ও বেসরকারি সব সংস্থাকে সমন্বিতভাবেই কাজ করতে হবে।
পররাষ্ট্রসচিব শহিদুল হক বলেন, বাংলাদেশ একই সঙ্গে পাচারের গন্তব্য, ট্রানজিট। আবার এখান থেকে পাচারও হয়। কেবল কর্মপরিকল্পনা করলেই হবে না কেন পাচার হচ্ছে সেটিও খুঁজে দেখতে হবে। এ ক্ষেত্রে রোহিঙ্গারা একটি বড় সমস্যা।
আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু সালেহ শেখ মো. জহিরুল হক বলেন, পাচার বন্ধে সচেতনতা যেমন তৈরি করতে হবে তেমনি যারা পাচার করছে তাদেরও চিহ্নিত করে বিচার করতে হবে। পাচারের মামলাগুলোরও বিচার করতে হবে। বর্তমানে মামলাগুলো নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনালে আছে। তবে পাচারের মামলা বিচারে সাত বিভাগে সাতটি ট্রাইব্যুনালও করা হচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব খন্দকার ইফতেখার হায়দার বলেন, সমুদ্রপথে পাচারের জন্য যখন লোক নেওয়া হয় তাদের বলা হয় কোন টাকা লাগবে না। কিন্তু মাঝসমুদ্রে যাওয়ার পরেই লাখ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়। এভাবে অবৈধভাবে বিদেশে যাওয়া বন্ধে সামাজিক সচেতনতা দরকার।
মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাসিমা বেগম বলেন, আগে অনেক বেশি নারী ও শিশু পাচার হতো। কিন্তু সরকারের নানা পদক্ষেপে সেটি কমেছে।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব আবু হেনা রহমাতুল মুনিম পাচার বন্ধে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরেন। পরে তিনি নতুন জাতীয় কর্মপরিকল্পনার লক্ষ্যে ও উদ্দেশ্য তুলে ধরেন। এ ছাড়া পাচারের শিকার একটি মেয়ে তাঁর ফিরে আসার ঘটনা তুলে ধরেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩১ জুলাইয়ের প্রহর গুনছে ছিটমহলবাসী by অমর সাহা
![]() |
| কোচবিহারের শিবপ্রসাদ মুশতারি ছিটমহলে একজন জেলা প্রশাসনের সেই বিজ্ঞপ্তি পড়ছেন। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি। |
ভারত তাদের ভূখণ্ডে থাকা ৫১টি বাংলাদেশি ছিটমহলের মালিকানা পেয়ে যাবে। বাংলাদেশ মালিকানা পাবে তাদের ভূখণ্ডে থাকা ১১১টি ভারতীয় ছিটমহলের। এই খুশিতে স্থানীয় বাসিন্দারা নতুন স্বপ্নে বিভোর। ৩১ জুলাইয়ের মাহেন্দ্রক্ষণকে স্মরণে রাখার জন্য ওই দিন রাতে ভারতের ছিটমহল মেতে উঠবে এক আনন্দ উৎসবে। পরের দিন ১ আগস্ট ছিটমহলজুড়ে পালন করা হবে বিজয় উৎসব। সে কথা জানালেন ছিটমহলবাসীরাই।
কোচবিহারের জেলা প্রশাসন থেকে ভারতে বসবাসকারী বাংলাদেশের ছিটমহলবাসীর জন্য জারি করা হয়েছে এক বিজ্ঞপ্তি। এতে বলা হয়েছে, ৩১ জুলাই মধ্যরাত থেকে ভারতের ভেতরে থাকা সব বাংলাদেশি ছিটমহল ভারতের ভূখণ্ড হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে। ২০১১ সালের জনগণনা অনুযায়ী, সব ছিটমহলবাসী এবং একই সঙ্গে ওই জনগণনার পর যেসব শিশু ভূমিষ্ঠ হয়েছে, তারাও ভারতীয় নাগরিক হিসেবে বিবেচিত হবে। তবে যেসব ছিটমহলবাসী বাংলাদেশের নাগরিকত্ব বহাল রেখে ভারত ছেড়ে বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান, তাঁদের ৬ জুলাই থেকে ১৬ জুলাই পর্যন্ত সময়ে ফরম পূরণ করে জানাতে হবে। ১ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বরের মধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করতে হবে। এই সময়ের মধ্যেই এক দেশ থেকে অন্য দেশে যেতে ইচ্ছুক ছিটমহলবাসীদের প্রয়োজনীয় ট্রাভেল পাস ইস্যু করা হবে। যেসব ছিটমহলবাসী বাংলাদেশে ফিরে যেতে চান, তাঁরা চিলাহাটি-হলদিবাড়ি, বুড়িমারি-চ্যাংড়াবান্ধা, সাহেবগঞ্জ-বাগবন্দর সীমান্ত পথ দিয়ে বাংলাদেশে ফিরে যেতে পারবেন।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, যাঁরা বাংলাদেশ যাবেন, তাঁরা টাকা-পয়সাসহ অস্থাবর সব সম্পত্তি সঙ্গে নিয়ে যেতে পারবেন। ১ আগস্ট থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে নিজ নিজ এলাকার জেলা প্রশাসকের অনুমতিক্রমে জমি বিক্রি করা যাবে। সরেজমিনে এই প্রতিনিধি ছিটমহলে দেখেন, ছিটমহলবাসীর হাতে হাতে ফিরছে এই বিজ্ঞপ্তি। কোন্ দেশে থাকবেন, কী করা দরকার—এসব নিয়ে চলছে শলাপরামর্শ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবে, আমি সবার: মিজানুর রহমান
সমতলের আদিবাসীদের জন্য পৃথক ভূমি কমিশন গঠনের দাবিতে জাতীয় আদিবাসী পরিষদ ও দিনাজপুরের নাগরিক সমাজ এই গণসমাবেশের আয়োজন করে। সমাবেশে দুই হাজারের বেশি আদিবাসী নারীদের যোগ দিতে দেখা গেছে।
সমাবেশে মিজানুর রহমান বলেন, ‘রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবে, আমি সবার। বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রতিটি জাতিসত্তার মানুষের। কেবল নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী বা ধর্মের মানুষের নয়।’
জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান বলেন, আদিবাসীদের প্রতি রাষ্ট্রের ভূমিকা মহান স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল। যারা মুক্তিযুদ্ধের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিল, রাজাকার, আলবদর, আল শামস বাহিনী গঠন করেছিল, দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি আজও যারা কটাক্ষ করে, স্বাধীন বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে তাঁরা সকল সুযোগসুবিধা ভোগ করছে। কিন্তু যে আদিবাসীরা মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে দেশের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিয়েছে, তাঁরা দেশ ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হচ্ছে।
মিজানুর রহমান বলেন, ভূমিদস্যুরা আগ্রাসী হয়ে সম্পূর্ণ বে-বেআইনিভাবে আদিবাসীদের ভূমি অধিকার কেড়ে নিচ্ছে, আর আদিবাসীরা আইনি লড়াই করেও কোনো প্রতিকার পাচ্ছে না। তিনি প্রশ্ন করেন, তবে কি রাষ্ট্রের হাত সংকুচিত হয়ে গেল? রাষ্ট্রকে বলতে হবে, সে কার পাশে দাঁড়াবে? সাধারণ অধিকার বঞ্চিতদের নাকি ভূমি দস্যুদের? তিনি বলেন, সমতলের আদিবাসীদের প্রধান দাবি পৃথক ভূমি কমিশন গঠন-যা বর্তমান সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আমলে দেশের অনেক গুরুত্বপূর্ণ ও যুগান্তকারী সমস্যার সমাধান হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর আমলেই সমতলের আদিবাসীদের দাবি বাস্তবায়িত হবে মর্মে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসরকারি সংস্থা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক শাহীন আনাম বলেন, কোন সরকার বা রাজনৈতিক দল সংবিধানের চেয়ে বড় হতে পারে না। সংবিধানে দেশের প্রতিটি নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করার কথা উল্লেখ থাকলেও প্রতি মুহূর্তে সেই সংবিধান লঙ্ঘিত হচ্ছে। আর আমরা নাগরিক সমাজ নীরব দর্শক হয়ে বসে আছি। তিনি বলেন, একটি স্বাধীন দেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রেণি দম্ভ করবে আর ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর ন্যূনতম মানুষের অধিকার থেকে বঞ্চিত হবে এটা অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়। দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে নিজেদের অধিকার প্রতিষ্ঠার লড়াই চালিয়ে যেতে আদিবাসী সমাজের প্রতি আহ্বান জানান তিনি। দেশের প্রগতিশীল সব মানুষ ও সংগঠন সেই লড়াইয়ে আদিবাসীদের পাশে থাকবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জীব দ্রং বলেন, বিশ্বব্যাপী আদিবাসীরা তাদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করছে। বাংলাদেশের আদিবাসীরা প্রচণ্ড বঞ্চনার শিকার। ১৬০ বছর আগে সাঁওতাল বিদ্রোহ হয়েছিল, কিন্তু আজও আদিবাসীদের জমির জাল দলিল হয়, হত্যা, ধর্ষণ, নির্যাতনের বিচার হয় না। তিনি রাষ্ট্রকে আদিবাসীদের প্রতি সংবেদনশীল এবং সরকারকে আদিবাসী বান্ধব হওয়ার দাবি জানান। তিনি আরও বলেন, আদিবাসীদের ভাষায় ‘খাস’ বলে কোনো শব্দ নেই। বংশ পরম্পরায় যে জমি পুকুরপাড়ে আদিবাসীরা বাস করে আসছে, তা কখনো খাস হতে পারে না। সরকারের খাতায় লেখা হলেও নয়। এটাই আদিবাসীদের সংস্কৃতি বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ‘হেকস বাংলাদেশ’ এর কান্ট্রি ডিরেক্টর অনিক আসাদ বলেন, দিনাজপুরের পার্বতীপুরে চিড়াকুটা গ্রামে সংখ্যাগরিষ্ঠদের হামলা ও লুটপাটে ধুলায় মিশে যাওয়া আদিবাসীদের ঘর-বাড়ি পুনরায় নির্মাণে সরকার যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল তা আজও পূরণ হয়নি। আদিবাসীদের সমস্যা সমাধানে তিনি কর্মরত বেসরকারি সংগঠনগুলোকে সমন্বয় করে কাজ করার আহ্বান জানান।
জাতীয় আদিবাসী পরিষদের সভাপতি রবীন্দ্রনাথ সরেনের সভাপতিত্বে আদিবাসীদের গণসমাবেশে দিনাজপুর সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি মির্জা আনোয়ারুল ইসলাম, গ্রাম বিকাশ কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি চিত্ত ঘোষ, মহিলা পরিষদ সভাপতি কানিজ রহমান, আদিবাসী নারী পরিষদ সভাপতি বাসন্তী মুর্মু, আদিবাসী ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি বিভূতী ভূষণ মাহাতো বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে বাংলাদেশ উদীচী শিল্পী গোষ্ঠী দিনাজপুর জেলা সংসদের শিল্পীরা গণসংগীত পরিবেশন করে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের পরমাণু কর্মসূচি- যেসব প্রশ্নের সদুত্তর পায়নি পাশ্চাত্য
২০১৩ সালের নভেম্বরে জেনেভায় উভয় পক্ষের মধ্যে হওয়া অন্তর্বর্তী সমঝোতার কোনো শর্ত এখন পর্যন্ত লঙ্ঘন করেনি ইরান। তবে জাতিসংঘের পরমাণুবিষয়ক সংস্থা আইএইএ তদন্তে দ্রুতগতিতে সহযোগিতা করতে ইরানকে বারবার বলে আসছে। বিশেষ করে তেহরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডের সামরিকীকরণ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর চায় তারা। খবর রয়টার্সের।
পটভূমি: ইরান ইউরেনিয়ামসমৃদ্ধ করার প্রযুক্তি জ্ঞানের কিছু অংশ পেয়েছে পাকিস্তানের বিশিষ্ট পরমাণুবিজ্ঞানী আবদুল কাদির খানের কাছ থেকে। তিনি ইরান, লিবিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে সহযোগিতার কথা স্বীকারও করেছেন। পাশাপাশি ইরানের হাতছাড়া হয়ে বিদেশে চলে যাওয়া একটি ল্যাপটপ থেকে প্রাপ্ত কিছু গোয়েন্দা তথ্যও রয়েছে।
ইরান বরাবরই বলে আসছে, যেগুলোকে তথ্যপ্রমাণ বলে দাবি করা হচ্ছে, সেগুলো আসলে জাল। বাস্তবে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো চেষ্টাই তেহরান করেনি। কিন্তু, আইএইএ বলেছে, তেহরানের পারমাণবিক কর্মকাণ্ডকে সম্ভাব্য সামরিকীকরণ করার বিষয়ে তারা যেসব তথ্য পেয়েছে, তা বিশ্বাসযোগ্য।
অমীমাংসিত প্রশ্নগুলো:
১. বেসামরিক কাজের পাশাপাশি পারমাণবিক বোমা তৈরিতেও ব্যবহার করা যায়, এমন কিছু যন্ত্রপাতি ও উপাদান তেহরান সরাসরি না কিনে বিকল্প কিছু কোম্পানিকে ব্যবহার করেছে। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ গতিসম্পন্ন বৈদ্যুতিক সুইচ, উচ্চ গতিসম্পন্ন ক্যামেরা ও তেজস্ক্রিয়তা পরিমাপের সামগ্রী।
২. ইরান ইউরেনিয়ামের মতো পারমাণবিক উপাদান কেবল অর্জনই করেনি, এ-সংক্রান্ত কর্মকাণ্ড সব সময়ই গোপন করার চেষ্টা করেছে।
৩. ইউরেনিয়ামের আকরিককে কীভাবে ধাতুতে পরিণত করতে হয়, তার বিশদ বিবরণ সংবলিত নথি রয়েছে ইরানের হাতে। রয়েছে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম দিয়ে গোলাকার ধাতব উপাদান তৈরির কৌশল-সংক্রান্ত নথিও। পারমাণবিক বোমা তৈরিতে এমন উপাদান ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪. তেহরান ‘এক্সপ্লোডিং ব্রিজ ওয়্যার ডেটোনেটর’ তৈরি করেছে, যার বিস্ফোরণের সময়কাল অত্যন্ত নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করে দেওয়া যায়। পারমাণবিক বোমা বিস্ফোরণের সময়কাল নির্ধারণের জন্য এমন নিখুঁত ডেটোনেটর তৈরির সক্ষমতা অর্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়ে থাকে। তেহরান দাবি করে আসছে, তেল খাতে ব্যবহারের জন্যই তাদের এই প্রযুক্তির দরকার। তবে এই প্রযুক্তি যে শান্তিপূর্ণ কাজে ব্যবহৃত হয় না, তা স্বীকার করেছে তারা।
৫. ডেটোনেটরকে সুসংহত করতে ‘মাল্টি-পয়েন্ট ইনিশিয়েশন সিস্টেম’ প্রযুক্তি রয়েছে ইরানের। কিছু পারমাণবিক বোমায় এমন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
৬. তেহরানের কাছে অবস্থিত সামরিক অবকাঠামো পারচিনে ‘হাইড্রোডায়নামিক’ পরীক্ষা চালানো হয়েছে বলে আইএইএর সন্দেহ। পারমাণবিক বিস্ফোরণের কারণে সৃষ্ট উচ্চ চাপে সুনির্দিষ্ট কিছু উপাদান কী ধরনের বিক্রিয়া দেখায়, তা মূল্যায়নে এমন পরীক্ষা চালানো হয়ে থাকে। তেহরান এখনো পারচিনে পরিদর্শনের অনুমতি দেয়নি।
৭. ক্ষেপণাস্ত্রের মাথায় বিস্ফোরক বহন (মিসাইল পেলোড) এবং এমন ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করার পর সৃষ্ট প্রতিক্রিয়া-সংশ্লিষ্ট প্রকৌশল গবেষণা চালিয়েছে তেহরান। আইএইএর মতে, এমন গবেষণাগুলো ‘একটি পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে অত্যন্ত সংগতিপূর্ণ’।
৮. ওপরে উল্লিখিত সব কর্মকাণ্ডই ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি কাঠামোগত ব্যবস্থাপনার আওতায় পরিচালিত হয়েছে, এমন ইঙ্গিত মিলেছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসলাম ও চিত্রকলা: কিছু কথা by হাসান হামিদ
মুসলিম শাসন শুরুর পর এমন কোন উল্লেখযোগ্য ইমারত পাওয়া যাবে না যেখানে ক্যালিগ্রাফির ব্যবহার অনুপস্থিত। এই পদযাত্রায় অসামান্য অবদান ছিল তুর্কি ও আফগান শাসকদের। ১২০৫ সালে তুর্কি বংশোদ্ভূত ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খিলজীর বাঙলা বিজয়ের মাধ্যমে শিলালিপিতে আরবি-ফারসি ক্যালিগ্রাফির যাত্রা শুরু হয়। সুলতানী ও মোঘল আমলের ১২০৫ হতে ১৭০৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রায় চারশত নিদর্শন পাওয়া গেছে। এসব শিলালিপি মসজিদ, মাদ্রাসা, খানকাহ, মাজার, কবরস্থান, প্রশাসনিক ইমারত ইত্যাদিতে স্থাপন করা হয়েছে। অধিকাংশ এ সকল নকশাচিত্রে কুরআন হাদিসের বাণী, সমকালীন বিষয়, স্থাপনের তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে। এতে সে সময়ের ধর্মীয় ও রাজনৈতিক পরিস্থতি, সাংস্কৃতিক জীবন সম্পর্কে ধারণা করা যায়।
মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমান্বয়ে পারস্য, মেসোপটেমিয়া, মিশর, উত্তর আফ্রিকা এবং স্পেন প্রভৃতি দেশে ইসলামী চিত্রকলা ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। খ্রিস্টীয় দ্বাদশ শতকে উত্তর ভারতে আবির্ভাব ঘটে ইসলাম ধর্মের। এ অঞ্চলের শিল্প ও সংস্কৃতি বদলে যেতে থাকে এর প্রভাবে। স্থানীয় সকল মসজিদ ও স্থপত্যগুলোতে ইরানী ধারার ইসলামী চিত্রকলার ছাপ স্পষ্ট হয় এ সময়। গুজরাট, বাঙালা, কাশ্মীর, পাঞ্জাব ও দক্ষিণাঞ্চলের বহু স্থাপনা এ সত্যের সাক্ষ্য বহন করছে। উদাহরণ হিসেবে দিল্লীতে হুমায়ুনের সমাধিসৌধের কথা বলা যায় ।
মোঘল চিত্রকলার প্রভাবে সতেরো আঠারো শতক ছিল মুসলিম বাংলার চিত্রকলার উজ্জ্বলতম সময়। এ সময় বাংলার মুসলমান চিত্রশিল্পীরা লায়লী-মজনু, শিরি-ফরহাদ, শাহনামা, আমির হামজা, শহীদে কারবালা, ইউসুফ জোলেখা ইত্যাদি পুঁথিকে নানা বর্ণে চিত্রিত করেছেন। স¤্রাট জাহাঙ্গীরের সময় মোঘল চিত্রকলা উচ্চাঙ্গে পৌঁছে । সম্রাট আকবর চিত্রকলার যে ধারা শুরু করেছিলেন, জাহাঙ্গীর তাকে পূর্ণতা দেন। জাহাঙ্গীরের সময়ে বিমূর্ত ধারার বদলে চিত্রে বাস্তব ঘটনাবলী গুরুত্ব পেতে থাকে। ইতোপূর্বে রাজদরবারের দৃশ্য, শিকার ইত্যাদি অঙ্কন শুরু হলেও পরবর্তীতে এসবের পাশাপাশি উৎসব, যুদ্ধের দৃশ্য, মসজিদের ছবি আঁকা শুরু হয়।
ইসলাম ধর্মের প্রধান উপাসনালয় মসজিদ। আর মসজিদগুলো সুশোভিত হয়েছিলো ইসলামী চিত্রকলার মোহনীয় স্পর্শে। মসজিদের দেয়ালের গায়ে ও শিলালিপিতে বিচিত্র ধরণের লতা-পাতা ও ফুলের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়। আজকাল সারা বিশ্বে মসজিদ নির্মাণে বিভিন্ন নকশা ও বাহারী চিত্র সম্বলিত মোজাইক ও টাইলস ব্যবহৃত হচ্ছে। মসজিদের গালিচা, কার্পেট, জায়নামাজে ব্যবহার করা হয় নান্দনিক চিত্রকর্ম । ১৫২৩ খ্রিস্টাব্দের উল্লেখযোগ্য শিল্পকর্মের নিদর্শন রয়েছে ঢাকার অদূরে সোনারগাঁয়ে সুলতান নুসরাত শাহ কর্তৃক নির্মিত মসজিদের শিলালিপিতে। এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত বাংলার উৎকীর্ণ লিপির সবচেয়ে প্রাচীন নমুনাটি হচ্ছে লালমনিরহাটের হারানো মসজিদ ইস্টকলিপি। পোড়ামাটির তৈরি ইটে উৎকীর্ণ করে কালেমা তৈয়্যবা এবং ৬৯ হিজরী লেখা হয়েছিলো। বর্তমান সময়ের ইরাকের বিখ্যাত ক্যালিগ্রাফি গবেষক ইউসুফ জিন্নুনের মতে, ‘সমুদ্রপথে এ লিপির বাংলায় আগমন এবং উন্নতি সাধনের কারণেই একে ‘খত আল বাহরি’ নাম দেয়া হয় । ‘খত আল বাহরি’ অর্থ সমুদ্রলিপি।
অন্য সব মুসলিম দেশের মতো ইরানী শিল্পীরা কাবাঘরের ছবিও এঁকেছেন । বিভিন্ন যুগে মসজিদের অনেক ছবি আঁকা হয়েছে । শিরাজের ‘আতিক মসজিদ’ ও ‘খোদায়ী খনেহ’ ছবি দুটি খুবই বিখ্যাত । এ সমস্ত ছবিতে নকশাচিত্রের পাশাপাশি দেয়াল, সিঁড়ি, গম্বুজ, মিনার ইত্যাদির যে গঠনচিত্র আঁকা হয়েছে তা সারা পৃথিবীর স্থাপত্যকলা সম্পর্কিত তথ্যভাণ্ডারকে সমৃদ্ধ ও পরিপূর্ণ করেছে ।
ইসলাম ধর্মে ছবি আঁকাকে সম্পূর্ণ নিষেধ করা হয়নি; মুলতঃ নিষেধ করা হয় প্রাণীর ছবি আঁকাকে । শরীয়তের আইনের চারটি উৎস যথা কুরআন, হাদিস, ইজমা, কিয়াস আছে বলেই পরবর্তীতে জরুরী প্রয়োজনে যেমন হজে যাওয়ার জন্যে ছবি তোলাকে হালাল করা হয়। আমরা জানি নবুয়তের যুগেও পবিত্র কাবা শরিফের দেয়ালে হযরত ঈসা (আ) এর প্রতিকৃতি অংকিত ছিল। সাহাবায়ে কেরাম, তাবেঈনদের জামানায়ও ইসলামের অনেক স্মৃতিসৌধ মক্কা-মদিনায় বিরাজমান ছিল। কিন্তু ওহাবী মতবাদের অনুসারী সৌদি সরকার ১৯২৫ সালের ২১শে এপ্রিল শরীয়তের দোহাই দিয়ে একমাত্র রাসুল (সা) ছাড়া বাকি সব স্মৃতিসৌধ, মাজার ইত্যাদি ধ্বংস করে দেয়। হযরত আয়েশা (রা) থেকে যেমন ছবির বিরুদ্ধে হাদিস আছে, তেমনি ছবির পক্ষেও হাদিস রয়েছে। যেমন নিচের ছবি সংক্রান্ত হাদিসখানাঃ
তিনি আরও বলেন, ‘একদিন রাসুল (সা.) এমন একটি কালো রেশমি চাদর গায়ে দিয়ে বের হলেন যাতে অনেক জীবজন্তু ও মানুষের ছবি ছিল’ ( সূত্র. দাউদ শরিফ, ৫ম খণ্ড, হাদিস নং ৩৯৯০)
পবিত্র কুরআনে ঘোষিত হয়েছে, ‘হে বিশ্বাসীরা, মদ, জুয়া, মূর্তি ও ভাগ্য নির্ণয়ের তীর শয়তানের খারাপ কাজ। এসব পরিত্যাগ করো, তাহলে সফলকাম হবে’ (সূরা মায়েদা, আয়াত- ৯০) । এই আয়াতে “আনছাব” শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে; যার অর্থ পূজা বা অর্চনার উদ্দেশ্যে নির্মিত মূর্তি। এর মানে এই নয়, আমাদের শিশুরা খেলার জন্য যে পুতুল ব্যবহার করে তা স্পষ্টত হারাম। কেননা এই সকল খেলনা মূর্তি পুতুল পূজার উদ্দেশ্যে নির্মিত নয়। তবে এ কথাও ঠিক, ইসলামের প্রাথমিক যুগে চিত্রশিল্প, ভাস্কর্য বা মূর্তি বানানোকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিলো। কেননা তখনকার আরবেরা পূজার উদ্দেশ্যেই মূর্তি বানাতো। তাই সে সময় এ ব্যাপারে ইসলাম কঠোরতা অবলম্বন করে। কিন্তু পরবর্তী সময়ে যখন ইসলামের বিস্তার ঘটে তথা খোলাফায়ে রাশেদিনের আমলে ইউরোপের বিভিন্ন দেশ অধিকৃত হলেও সেখানকার গির্জায় মা মরিয়ম ও ঈসা (আ) এর মূর্তি ভাঙ্গার কোন হুকুম হযরত ওমর (রা) দেননি ।
হযরত সোলায়মান (আ) এর ভাস্কর্য বানানোর কথা পবিত্র কুরআনের আয়াত থেকে জানা যায়, ‘তারা তৈরি করতেন (সোলায়মান (আ) এর) পছন্দমতো বড় বড় অট্টালিকা, বড় বড় মূর্তি বা ভাস্কর্য, হাউসের মতো বৃহদাকার পাত্র ও ডেগ’ ( সূরা: ছাবা, আয়াত- ১৩ )
প্রকৃতপক্ষে, কোন কর্মের ফল নির্ভর করে তার উদ্দেশ্যের উপর। কুকুর পোষলে সেই ঘরে ফেরেশতা আসবে না বলে কথিত হাদিস যেমন প্রচলিত আছে, তেমনি পবিত্র কুরআনের সূরা কাহাফে একটি কুকুরের কথা জানা যায় যার নাম ছিল ‘কিবতমিন’। আল্লাহর সাত অলির সঙ্গী হিসেবে কুকুরটিকে পবিত্র কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক তাফসিরকারকের মতে, আল্লাহর সাত অলির সঙ্গে সেও বেহেশতে অবস্থান করবে।
এবার আসি চিত্রকলা তথা ছবি আঁকার বর্তমান প্রেক্ষাপট বিষয়ে। আমাদের ব্যবহার করা সমস্ত জিনিসপত্র, পোশাক-আশাক, প্লাস্টিক সামগ্রী কিংবা ইলেকট্রনিক্সের সরঞ্জাম থেকে শুরু করে আপনার ল্যাপটপ বা মোবাইল সেটটিও কিন্তু নকশা চিত্র এঁকেই তৈরি করতে হয়েছে। ডিজাইন ছাড়া, অংকন বিদ্যা ছাড়া আজকের বিশ্ব কল্পনাও করা যায় না। প্রতিটি জিনিসের প্যাটার্নের চিত্র যেমন আঁকতে হয়, তেমনি তৈরি হওয়ার পর এটাকে রঙ্গিন করতে হয় বিভিন্ন নকশা দিয়ে; মোড়কেও চাই চিত্র ও রঙের বাহার। প্রকৃতপক্ষে চিকিৎসাবিদ্যা, ভূগোল বা জ্ঞান চর্চার প্রায় অনেক শাখায় চিত্র খুব গুরুত্বপূর্ণ। চারুকলার কাজের ক্ষেত্র সম্পর্কে আমাদের দেশের অনেক শিক্ষিত লোকও ভাল মতোন জানেন না। অথচ চারুকলা বিশ্বে এখন অনেক সমাদৃত ও গুরুত্বপূর্ণ । কম্পিউটার অন করলে স্ক্রিনে যে ঝকঝকে চিত্র দেখতে পাই তা চারুকলার গ্রাফিক্স বিভাগের অবদান ।
মূলতঃ প্রাচীনকাল থেকেই দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহার্য বিভিন্ন প্রকার দ্রব্য, মুদ্রা ও অন্যান্য বহু প্রকার চিত্রকলায় মুসলিম ভাবধারার প্রভাব ছিল। সভ্যতার অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষ সৃষ্টি করেছে অসংখ্য শিল্প নিদর্শন। বাংলাদেশীয় চিত্রশিল্পের সর্বাধিক বাস্তবধর্মীতার প্রতিফলন ঘটেছে স্বভাবতঃ প্রকৃতি হতে। বাংলার সবুজ প্রান্তর, হাজারো নদীর বাঁক ও এখানকার মানুষের সাহসিকতা, অনাড়ম্বতা ও শান্তিপ্রিয়তা দেশীয় চিত্রকলার ভাবধারাকে ধীরে ধীরে পরিবর্তিত করেছে। এ দেশের বেশিরভাগ মানুষ ইসলাম ধর্মানুসারী। শান্তিপ্রিয় এই মানুষগুলোর সকল স্বপ্ন বাস্তবতার সমান্তরালে আবির্ভূত হোক, বেঁচে থাকুক এখানকার মুসলিম চিত্রকলা ।
লেখক: স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর (প্রথম শ্রেণি)চারুকলা অনুষদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হারিয়ে যাচ্ছে চীনের মহাপ্রাচীর
![]() |
| চীনের মহাপ্রাচীর |
চীনের মহাপ্রাচীর একেবারে যে একটানা লম্বা কোনো প্রাচীর তা নয়। বিভিন্ন অংশে ভাগ হয়ে এই প্রাচীর পূর্ব উপকূলে সাংহাইগুয়ান থেকে গোবি মরুভূমির প্রান্তের জিয়াগুয়ান পর্যন্ত বিস্তৃত। চুরি করে এর ইট দিয়ে বাড়ি বানানো এই প্রাচীর বিলীন হওয়ার একটা বড় কারণ। এই মহাপ্রাচীর নির্মাণ শুরু হয় খ্রিষ্টপূর্ব তৃতীয় শতকে। চীনের মিং সাম্রাজ্যের সময় (১৩৬৮ থেকে ১৬৪৪) এই প্রাচীরের ছয় হাজার ৩০০ কিলোমিটার নির্মাণ করা হয়। এর মধ্যে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ের উত্তর অংশের প্রাচীরের অংশ রয়েছে। এখানেই বেশি পর্যটক যায়। বেইজিং টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই অংশের ১৯৬২ কিলোমিটার প্রাচীর গত কয়েক শতকে বিলীন হয়ে গেছে। গ্রেট ওয়াল অব চায়না সোসাইটি গত বছর প্রাচীরের অবস্থা নিয়ে জরিপ করে। এতে বলা হয়েছে, অযত্নে প্রাচীরের গায়ে গাছ জন্মে ধ্বংসের অনেকটাই ত্বরান্বিত হয়েছে। সোসাইটির ভাইস প্রেসিডেন্ট দং ইয়াওহুই বলেন, প্রাচীরের কিছু অংশ ইট ও পাথরে তৈরি হলেও বছর ধরে চলা ঝড়বৃষ্টি থেকে রক্ষা পায়নি। বেশির ভাগ স্তম্ভ নড়বড়ে হয়ে গেছে।’
সোসাইটির প্রতিবেদনে বলা হয়, পর্যটক এবং স্থানীয় মানুষের কর্মকাণ্ডের ফলে মানব ইতিহাসের প্রাচীনতম এই নির্মাণ ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। চীনের উত্তরাঞ্চলীয় হিবাই প্রদেশের লুলং গ্রামের অধিবাসীরা প্রাচীরের ইট খুলে নিজেদের বাড়ি বানিয়েছে। চীনা ভাষা খোদাই করা একেকটি ইট বিক্রি হয়েছে প্রায় পাঁচ ডলার বা ৩০ ইউয়ান।
মহাপ্রাচীরের অনুন্নত নতুন নতুন জায়গা খুঁজে বের করা সাম্প্রতিক পর্যটনের একটি নতুন দিক। বিপুল পরিমাণ পর্যটক ঝুঁকে পড়ছে এসব জায়গা দেখতে। এর ফলে ধ্বংস আরও বেড়ে যাচ্ছে। এএফপি।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডুবন্ত নগরীতে ঘুম যাবেন না মেয়ররা by পীর হাবিবুর রহমান
নবনির্বাচিত দুই মেয়রের দায়িত্ব গ্রহণের মধুচন্দ্রিমাকাল এখনো শেষ হয়নি। কিন্তু জনদুর্ভোগ যখন সামনে দাঁড়ায়, মানুষ তখন আশার চোখ তুলে মেয়রদের দিকে তাকায়। উত্তরের সিটি মেয়র আনিসুল হক রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও প্রশাসনিক দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, সৃজনশীলতা ও সততায় মানুষের কাছে আস্থাভাজন। অন্যদিকে দক্ষিণের মেয়র তরুণ সাঈদ খোকনও ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফপুত্র হিসেবে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই সক্রিয়। ক্লিন ইমেজের এই তরুণও আনিসুল হকের মতো গতিময় পরিশ্রমী। দুই মেয়রের সাফল্য ব্যর্থতার হিসাব মেলানোর সময় এখন নয়। তবে যানজটে কার্যত ডেড সিটি ঢাকা নগরীর মৌলিক সমস্যা সমাধানে কি পদক্ষেপ তারা নিচ্ছেন তা জানার আগ্রহ নগরবাসীর রয়েছে। মেয়রদের যতটা ক্ষমতা দেয়ার কথা, উন্নত গণতান্ত্রিক দেশের তূলনায় তা কিছুই নয়। তবুও তাদের দল ক্ষমতায় থাকার কারণে নগরবাসী আশা করেন তাদের কর্মকাণ্ডে সরকারের সর্বাত্মক সহযোগিতা থাকবে। এ ক্ষেত্রে দুই মেয়রের প্যাকেজ প্রোগ্রাম কী, তা বাস্তবায়নের সময় কতটা- তাই জানতে চায় ঢাকার মানুষ। অন্তত একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মেয়ররা অল্প বৃষ্টিতে তলিয়ে যাওয়া ঢাকা নগরীকে উদ্ধার করতে কী পদক্ষেপ নিলেন তা যেমন জানানো দরকার, তেমনি যানজটমুক্ত করে এই নগরীকে ময়লা, দূষণ, হকারমুক্ত ফুটপাত ও সবুজ পরিচ্ছন্ন সুশ্রী ঢাকা গড়তে কী পদক্ষেপ নিয়েছেন তার রূপরেখা নগরবাসী জানতে চায়।
মেয়রের আসন ক্ষমতা-গর্বিত অভিষেক নয়, নগরবাসীর দুয়ারে সেবা পৌঁছে দেয়ার আস্থার জায়গা মাত্র। দুই মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর হোটেল সুন্দরবনের পাশের একটি নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিং নিয়ে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় উত্তর থেকে আনিসুল হক ছুটে যান। দক্ষিণ থেকে আসেন সাঈদ খোকন। দু’জনের আন্তরিকতা ও পরিশ্রম নগরবাসীকে মুগ্ধ করেছে। কিন্তু নগরবাসী যদি তাদের অঙ্গীকার অনুযায়ী সন্ত্রাস, জলাবদ্ধতা, ফুটপাতের হকার থেকে ঢাকা নগরীকে উদ্ধার করে পরিচ্ছন্ন সবুজ আদর্শনগরী উপহার দিতে না পারেন তাহলে তারা তাদের ভোটারদের সমালোচনার তীরে ক্ষতবিক্ষত হবেন। তাই বেশি কিছু চায় না নগরবাসী! অল্প বৃষ্টিতেই ঢাকা নগরী ডুবে যাক আর মেয়ররা ঘুমান তা চায় না। সামান্য চাওয়াটুকু নগরবাসীর। জলাবদ্ধতা, ফুটপাত দখলে রাখা হকার এবং যানজটমুক্ত ক্লিন সবুজ নগরীর নাগরিক হতে চায় মাত্র।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1390)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
July
(1347)
-
▼
Jul 01
(46)
- লতিফ সিদ্দিকী এখনো আ.লীগের সাংসদ- কোনো মামলাতেই...
- সাগরে বেঁচে আছে রুম্মান, বিশ্বাস পিতার by মহিউদ্দী...
- বিতর্কিত মন্ত্রীদের স্বেচ্ছায় পদত্যাগ দাবি টিআইবির
- ডি ভিলিয়ার্সরা ঢাকায়
- ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক পরিবহন বিমান বিধ্বস্ত: ১১৩ আ...
- গ্রিসের সাধারণ মানুষ আতংকে
- আফগান জঙ্গিদের দেখভাল করে সৌদি
- লোহিত সাগরে আলোর জগৎ!
- কলেজে ভর্তি হতে এসে দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা
- রুদ্ধশ্বাস অভিযান খোঁজ মেলেনি পাইলট রুম্মানের by ম...
- দুই মন্ত্রীর ওপর নাখোশ প্রধানমন্ত্রী: এরশাদের বক্ত...
- দ্রুত নির্বাচন দিন: খালেদা
- ভোগবাদে বামেরা by সাজেদুল হক ও কাজী সুমন
- এই শিশুদের রক্ষা করবে কে? by শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া
- বার্নিকাটের দাদার মা পাচারের শিকার হয়েছিলেন
- ৩১ জুলাইয়ের প্রহর গুনছে ছিটমহলবাসী by অমর সাহা
- রাষ্ট্রকে প্রমাণ করতে হবে, আমি সবার: মিজানুর রহমান
- ইরানের পরমাণু কর্মসূচি- যেসব প্রশ্নের সদুত্তর পায়...
- ইসলাম ও চিত্রকলা: কিছু কথা by হাসান হামিদ
- হারিয়ে যাচ্ছে চীনের মহাপ্রাচীর
- ডুবন্ত নগরীতে ঘুম যাবেন না মেয়ররা by পীর হাবিবুর র...
- ৬ মাসে ক্রসফায়ারে শতাধিক মৃত্যু
- সাগরে বিধ্বস্ত যুদ্ধবিমানের পাইলট নিখোঁজ, ডানা উদ...
- আদালতের নির্দেশ লঙ্ঘনের আশঙ্কা পরিবেশবাদীদের
- মানুষের দেহে প্রবেশ করবে কৃত্রিম রক্ত by নাজমুল হক...
- ইন্দোনেশিয়ায় সামরিক বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৫
- ডাকাত আতঙ্কে চলছে রাত জেগে পাহারা
- সাঁওতাল বিদ্রোহের উত্তরাধিকার by নজরুল ইসলাম
- ঢাকা দক্ষিণ সিটি- অবৈধ দখলে বালুর মাঠের ১০ বিঘা জম...
- ‘ফ্লাইট আছে, আমি একা যাচ্ছি’ by একরামুল হুদা
- ভোগান্তির তিন কারণ
- সেলফি তোলায় লেবার পার্টি থেকে বহিষ্কার আমরান
- জরাজীর্ণ রমনা পদচারী–সেতু by মামুনুর রশীদ
- ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কঃ চার লেনের সুফল পেতে বাধা ১৪ ...
- হাসপাতালের সামনেই ভাগাড়
- বাজেট পাস
- যানজটে স্থবির: ঢাকার রাস্তায় হাজারো মানুষের ইফতার ...
- প্লেট ভাঙার শাস্তি
- মোবাইল ইন্টারনেট গ্রাহক বেড়েছে সাড়ে ১৭ লাখ by মোর্...
- ইনুর সমালোচনায় সুরঞ্জিত সেন
- দলের কারণে জালিয়াতদের ধরা যাচ্ছে না: অর্থমন্ত্রী
- আ. লীগকে দীর্ঘদিন ক্ষমতায় রাখার চেষ্টা হচ্ছে: খালে...
- সালাহউদ্দিনের নতুন শারীরিক সমস্যা ধরা পড়েছে
- জাপানে বুলেট ট্রেনে ‘আত্মাহুতির’ আগুনে নিহত ২
- আইন মানে না যুবলীগ: বিলবোর্ড অপসারণে যুবলীগের বাধ...
- ইয়েমেনে আইএসের হামলায় নিহত ২৮
-
▼
Jul 01
(46)
-
▼
July
(1347)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


















