Monday, January 20, 2020
গিবত একটি ধর্মীয় ও সামাজিক পাপ by জুবায়ের রশীদ

গিবতের পরিচয় : গিবত শব্দটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে দোষ বর্ণনা করা, পরচর্চা করা, পরনিন্দা করা, কুৎসা রটনা করা, পিছে সমালোচনা করা ইত্যাদি। পরিভাষায় গিবত বলা হয় ‘কারও অনুপস্থিতিতে তার এমন দোষ বর্ণনা উল্লেখ করা, যা সে গোপন রেখেছে অথবা যা জনসম্মুখে বলাকে সে অপছন্দ করে। গিবতের বাস্তবসম্মত পরিচয় দিয়েছেন স্বয়ং রাসুল (সা.), যা নিম্নের এ হাদিস থেকে প্রতীয়মান হয়। আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুসুল্লাহ (সা.) সাহাবায়ে কেরামকে একদা জিজ্ঞেস করেছেন, গিবত কাকে বলে, তোমরা জান কি? জবাবে সাহাবায়ে কেরাম বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুলই ভালো জানেন। অতঃপর নবীজি বলেন, তোমার কোনো ভাই সম্পর্কে এমন কথা বলা, যা সে অপছন্দ করে, তা-ই গিবত। সাহাবায়ে কেরাম জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসুল, আমি যে দোষের কথা বলি, তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে তাহলেও কি গিবত হবে? উত্তরে তিনি বললেন, তুমি যে দোষের কথা বল, তা যদি তোমার ভাইয়ের থাকে; তবে তুমি অবশ্যই তার গিবত করলে আর তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে না থাকে; তবে তুমি তার ওপর মিথ্যা অপবাদ দিয়েছ।’ (মুসলিম : ৬২৬৫)।
গিবতের ভয়াবহ পরিণাম : গিবত ইসলামি শরিয়তে হারাম ও কবিরা গোনাহ। এ প্রসঙ্গে পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘ধ্বংস তাদের জন্য, যারা অগ্র-পশ্চাতে দোষ বলে বেড়ায়।’ (সূরা হুমাজাহ : ১)। রাসুল (সা.) বলেন, ‘মিরাজের সময় আমাকে এমন এক সম্প্রদায়ের কাছে নিয়ে যাওয়া হলো, যাদের নখ ছিল তামার। তারা তাদের মুখম-ল ও দেহ আঁচড়াচ্ছিল। আমি জিবরাইল (আ.) কে জিজ্ঞেস করলাম, এরা কারা? তিনি বললেন, এরা নিজ ভাইদের গিবত করত ও ইজ্জতহানি করত।’ (মুসনাদে আহমাদ : ৩/২২৪)। হজরত কায়স বলেন, ‘আমর ইবনুল আস (রা.) তার কতিপয় সঙ্গী-সাথিসহ ভ্রমণ করছিলেন। তিনি একটি মৃত খচ্চরের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলেন, যা ফুলে উঠেছিল। তখন তিনি বললেন, আল্লাহর কসম! কোনো ব্যক্তি যদি পেট পুরেও এটা খায়; তবু তা কোনো মুসলমানের গোশত খাওয়ার চেয়ে উত্তম।’ (আল-আদাবুল মুফরাদ : ৭৩৬)। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি একবার রাসুল (সা.) কে সাফিয়্যাহ (রা.) এর উচ্চতা সম্পর্কে কিছু বলেছিলেন। রাসুল (সা.) প্রত্যুত্তরে বলেন, ‘তুমি এমন এক কথা বলেছ, তা যদি সাগরের পানির সঙ্গে মেশানো হতো; তবে সাগরের পানি কালিমাযুক্ত হয়ে যেত।’ (আবু দাউদ : ৪৮৭৫)। গিবতের ক্ষতিগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো, যে ব্যক্তির গিবত করা হয় তার আমলনামায় গিবতকারীর গিবত পরিমাণ নেকি চলে যায় এবং গিবতকারীর আমলনামায় যার গিবত করা হয় তার সে পরিমাণ গোনাহ চলে আসে। এজন্যই হজরত হাসান বসরি (রহ.) যখন শুনতে পেতেন তার সম্পর্কে কেউ গিবত করেছে, তখন তিনি সেই ব্যক্তির জন্য অনেক ফল ও বিভিন্ন মিষ্টান্ন দ্রব্য হাদিয়া হিসেবে পাঠিয়ে দিতেন এবং বলতেন, মাশাআল্লাহ তিনি আমার অনেক উপকার করেছেন। গিবত হচ্ছে গোনাহে কবিরা বা বড় গোনাহ।
ইসলামের দৃষ্টিতে গিবত করা যেমন নিষেধ, তেমনি গিবত শোনাও নিষেধ। যে গিবত শোনে, সে-ও পাপের অংশীদার হয়ে যায়। হাদিসে আছে, যখন কেউ তোমার সঙ্গে বসে অন্যের গিবত করে তখন তাকে থামতে বলো। আল্লাহর হুকুমের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাবধান করো। আর যদি তাতেও কাজ না হয় সেখান থেকে উঠে চলে আসো। কোনোভাবেই গিবত শোনা যাবে না।
শয়তানের ধোঁকায় পড়ে যদি কারও গিবত করে ফেলা হয়, তাহলে আল্লাহর কাছে ইস্তেগফার তথা ক্ষমা চাইবে। কাফফারা তথা ক্ষতিপূরণস্বরূপ যার গিবত করা হয়েছে তার জন্য আল্লাহর কাছে বেশি বেশি করে দোয়া করবে। হাদিসে এসেছে, তুমি যার গিবত করেছ তার জন্য আল্লাহর কাছে মাগফেরাতের দোয়া করবে। এভাবে বলবে, হে আল্লাহ! আপনি আমার ও তার গোনাহগুলো মাফ করে দিন।
যাদের গিবত করা জায়েজ : সাধারণত গিবত হারাম ও কবিরা গোনাহ। তবে কয়েকটি ক্ষেত্র এমন রয়েছে, যেখানে প্রয়োজনবোধে গিবত করা জায়েজ। তার মধ্যে মজলুম ব্যক্তি জালেমের বিরুদ্ধে শাসক, বিচারক অথবা এমন কারও কাছে অভিযোগ করতে পারে, যে তাকে জালেম ব্যক্তির বিরুদ্ধে ন্যায় পাইয়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। কোনো খারাপ কাজ বন্ধের উদ্দেশ্যে এবং ত্রুটি সংশোধনের জন্য কোনো ব্যক্তির দোষ এমন ব্যক্তির কাছে বলা, যে তা সংশোধন করার ক্ষমতা রাখে। মুফতির কাছে মাসআলা জানতে গিয়ে প্রয়োজনে কোনো ব্যক্তির দোষত্রুটি বলা যাবে।
যেমন- ‘আমার ভাই’, ‘আমার স্বামী’ অথবা ‘অমুক’ আমার সঙ্গে ‘এই’ অন্যায় করেছে; তার কি এমন করার অধিকার আছে? বিয়ে, ব্যবসায় ইত্যাদি বিষয়ে কারও কাছে পরামর্শ চাইলে তার দোষ-গুণ স্পষ্টভাবে বলে দেবে, যা সে জানে। সমাজে প্রকাশ্যে পাপ কাজ, বেদাত বা গোমরাহির প্রসার ঘটাচ্ছে যারা, তাদের দোষত্রুটির সমালোচনা করা জায়েজ। কেউ যদি নির্দিষ্ট উপনামে অথবা ছদ্মনামে সমাজে পরিচিত হয়; তবে তাকে চেনার উদ্দেশ্যে ছদ্মনাম বা খারাপ উপনামে ডাকতে পারবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সারপোলে জাহাব শহরের সুন্দর দর্শনীয় নিদর্শন
গত আসরে আমরা গিয়েছিলাম ইরানের পশ্চিমাঞ্চলের সুন্দর প্রাকৃতিক ও ঐতিহাসিক নিদর্শনে সমৃদ্ধ শহর কেরমানশাহে। কেরমানশাহ প্রদেশের দুটি ঐতিহাসিক স্থাপনার সঙ্গেও আমরা খানিকটা পরিচিত হয়েছিলাম। একটি ঐতিহাসিক শাফেয়ী জামে মসজিদ। তুর্কিদের মসজিদের ডিজাইনে তৈরি করা হয়েছে এই মসজিদটি। এই মসজিদের বিশাল বিশাল মিনার পুরো শহরের সৌন্দর্য ব্যাপক বৃদ্ধি করেছে।
আরেকটি হলো কেরমানশাহ বাজার। এই বাজারের ভেতরে আবার শাখা বাজারও রয়েছে। এগুলোর মধ্যে সোনার বাজার, ইসলামি বাজার এবং তোপখানা বাজারের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। বাজারটির কাঠামো বেশ দৃষ্টিনন্দন। প্রাচীন কাঠামোর সঙ্গে আধুনিকতার সংমিশ্রণে গড়ে তোলা হয়েছে এর স্থাপত্যশৈলী। যার ফলে যে কোনো পর্যটকই প্রথম দেখাতেই বাজারের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে পারেন না। যাই হোক এরকম আরো একটি স্থাপনা হলো সারপোলে জাহাব শহর। সাম্প্রতিক ভূমিকম্পে এই শহরটিরও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বলাবাহুল্য এই শহরটিই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারপরও সারপোল জাহাব শহরের সৌন্দর্য ও প্রাকৃতিক অনাবিল দৃশ্য নান্দনিক মনের লোকদেরকে এখনও আকৃষ্ট করে। পর্যটকদের ভিড় তাই এই শহরে একটুও কমে নি। কেরমানশাহ প্রদেশ সফরে গিয়ে কেউ যদি সারপোলে জাহাব শহরে বেড়াতে না যায় সেটা হবে খুবই দু:খজনক। কেননা এই শহর এবং শহরের আশেপাশে যেসব সুন্দর সুন্দর এবং দর্শনীয় নিদর্শন রয়েছে সেগুলো না দেখাটা ঠিক হবে না। সারপোলে জাহাব শহরটি গড়ে উঠেছে প্রাচীন হালাভন শহরের ধ্বংসাবশেষের কাছে। এরই পাশে রয়েছে শাসানীয় শাসনামলের ধ্বংসপ্রাপ্ত দুর্গটি। সারপোলে জাহাব ছিল সীমান্ত ঘাঁটি এবং কেল্লা। এর অবস্থান ছিল পাকিস্তান-ইরান সীমান্তবর্তী এলাকায়। আরবরা যখন ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছিল তখন কেল্লাটি ধ্বংস হয়ে যায়। এই শহরটি এখন তেহরান-বাগদাদ মহাসড়কের কাছে পড়েছে। সারপোলে জাহাব শহরের আরেক প্রান্ত মিলেছে পার্বত্য এলাকা এবং তার পার্শ্ববর্তী সমতল ভূমির সঙ্গে। এখানেই রয়েছে বিখ্যাত দালাহু পর্বতগুলো এবং রিজাব নামক সুন্দর এলাকা।
সারপোলে জাহাব শহরের উপকণ্ঠেই রয়েছে 'পিরন' নামে একটি গ্রাম। এই গ্রামটি দালাহু পর্বতগুচ্ছের সবুজের সমারোহপূর্ণ উপত্যকার ওপরে গড়ে উঠেছে। গ্রামটি এতোই সুন্দর যে যে-কোনো ইরান-পর্যটককেই আকর্ষণ না করে পারে না। এই গ্রামের পাশেই রয়েছে সবুজ উদ্ভিদময় জঙ্গল। এইসব জঙ্গলে রয়েছে সুন্দর সুন্দর এবং বড় বড় চেনর গাছ, তাব্রিজি বৃক্ষ, আখরোট ও ডুমুর এবং অন্যান্য গাছের সমাহার। চমৎকার উপভোগ্য এই পরিবেশে অবকাশ যাপন করতে আপনি খুবই প্রশান্তি উপলব্ধি করবেন নি:সন্দেহে। এই গ্রামের সবচেয়ে আকর্ষণীয় জিনিসটি হলো ঝরনা। অনেক উপর থেকে এই ঝরনার জলপতনের দৃশ্য বেশ দূর থেকেও দেখা যায়। ওই ঝরনার কাছে যেতে হলে সারপোলে জাহাব শহর থেকে আনুমানিক নয় কিলোমিটার গেলে শলন নামে একটি গ্রাম পড়বে। ওই গ্রাম থেকে পণেরো মিনিট হেঁটে গেলে ঝরনা সমৃদ্ধ গ্রামের দেখা মিলবে।
পিরন ঝরনার কথা বলছিলাম আমরা। সম্ভবত বিদেশি পর্যটক তো বটেই এমনকি ইরানি ভ্রমণবিদরাও হয়তো ভাবতেও পারেন না যে ইরানের ভেতর এক শ মিটার লম্বা কোনো ঝরনা থাকতে পারে। তাদের জন্য আশার কথা হলো এই যে, এই ঝরনাটি সত্যিই শতাধিক মিটার লম্বা। বেশ দ্রুত গতিতেই এই ঝরনার পানি নীচে পড়ে। এখানে গেলে আরও দেখা যাবে পর্বতারোহীদের ডিগবাজি খেলা। সেই উঁচু চূড়া থেকে পর্বতারোহীদের নীচে নেমে আসার দৃশ্য যে কাউকেই আকর্ষণ না করে পারে না। কেবল এই ঝরনাই নয়, মূলত সারপোলে জাহাবের আশেপাশের এলাকা দর্শনীয় বহু নিদর্শনে পূর্ণ বলা যায়। এখানে রয়েছে অবকাশ যাপনের জন্য উপযোগী জঙ্গল বা বনাঞ্চল। পতক নামক গ্রামের ভেতরে বিদ্যমান এই বনের নাম হলো ইমাম আব্বাস। এই পতক গ্রামটিকে পবিত্র গ্রাম নামেও অভিহিত করা হয়।
এর কারণ হলো এই গ্রামের প্রাকৃতিক সকল উৎসকে খুব যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হয়েছে। এই গ্রামে সুপেয় পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়েছে গ্রামের সকল পরিবারের ঘরে ঘরে। তাই এরকম নাম। এখানে রয়েছে 'জিয মানিযেহ' নামক একটি প্রাচীন দূর্গ। হাজার বছর আগের এই দূর্গটি পাথর দিয়ে বানানো হয়েছে। এটি একটি শাহী দূর্গ। এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যও মন কেড়ে নেয়া সুন্দর। সব মিলিয়ে পতক গ্রামটি পরিণত হয়েছে একটি পর্যটক আকর্ষণীয় স্পটে। পুরো কেরমানশাহ প্রদেশের মধ্যে এই গ্রামটি অনন্য সাধারণ একটি স্থান। যেখানে গেলে কেরমানশান প্রদেশ বেড়াতে যাওয়াটা সার্থক বলে মনে হবে যে-কোনো পর্যটকের কাছে।
সারপোলে জাহাব শহরের কথা বলছিলাম আমরা। এই শহরের পাশ্ববর্তী মহাসড়কগুলোও আমাদেরকে অসম্ভব সুন্দর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের দিকে নিয়ে যাবে খুব সহজেই। উদাহরণ হিসেবে রিজব মহাসড়কের কথা উল্লেখ করা যেতে পারে। এই রিজব মহাসড়ক ধরে যেতে যেতে পথেই পড়বে চমৎকার আবহাওয়াময় সুন্দর পরিপাটি করে সাজানো গোছানো সবুজ গ্রামের পর গ্রাম। এই গুচ্ছগ্রামই রিজব নামে পরিচিত। এই রিজব মহাসড়কের শেষ প্রান্তে রয়েছে একটি কবর। বাবা ইয়দেগারের কবর এটি। বিখ্যাত এই কবরে যেতে হলে কিংবা এখানকার বিনোদন কেন্দ্রে যেতে হলে একটু হাঁটতে হবে। বর্ণনা থেকে নিশ্চয়ই আঁচ করা যায় যে বাবা ইয়দেগার হলো একটি পবিত্র কবরস্থান এবং এর পাশেই রয়েছে একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্র। কবরটি আকাশচুম্বী পাথুরে পাহাড়ের উচ্চতায় অবস্থিত। চারদিকে রয়েছে অনেক বড় বড় প্রাচীন গাছ গাছালি। সব মিলিয়ে পুরো দৃশ্য বেশ আকর্ষণীয়। এখানকার হিম শীতল হাওয়া অতিথি পর্যটকদের জন্য সর্বোত্তম উপহার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ট্রাভেল এজেন্সি ছাড়াই অল্প খরচে সিকিম! by ওয়ালিউল বিশ্বাস
![]() |
| গ্যাংটক |
১. ৮-৯ সদস্যের বড় দল নিয়ে বেড়াতে যাওয়া।
২. গাড়িচালকদের সহযোগিতা নেওয়া।
৩. হোটেলগুলোতে ফোন করে আগেই দরদাম করে ফেলা।
* প্রদেশগুলোর গ্রামে থাকার তথ্য জানতে ক্লিক করুন:
সংশ্লিষ্ট অফিসগুলোর ফোন নম্বরের জন্য ক্লিক করুন:
সব মিলিয়ে সিকিম ট্যুরের জন্য ৮-৯ জনের দল জরুরি। আর সহায়িকা হিসেবে খুব গোছানো ওয়েবসাইট দেখে নিতে ক্লিক করুন:
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কখনোই ফ্রিজারে রাখবেন না এই খাবারগুলো
১) দুধ
দুধ সংরক্ষণ করার জন্য ফ্রিজারে রাখলে পানি কেটে যেতে পারে। তা খাওয়াটা বিপজ্জনক নয়। কিন্তু এই দুধ দিয়ে কোনো খাবার আসলে তৈরি করা যায় না।
২) আলু
আলুতে পানির পরিমাণ বেশি। তাই ফ্রিজারে রাখলে কাঁচা আলু পরে নরম হয়ে যেতে পারে। অন্যদিকে রান্না করা আলু ফ্রিজারে রেখে দিতে পারেন, তার স্বাদে তেমন তারতম্য হবে না।
৩) ভাজা খাবার
ফ্রিজে রাখলে ভাজা খাবারের মুচমচে ভাবটা চলে যায়। আপনি যদি ভাজা কোনো খাবার ফ্রিজারে দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করতে চান, তাহলে তেলে না ভেজে একে বেক করে নিতে পারেন।
৪) কাঁচা ডিম
কাঁচা ডিম জমাট বাঁধলে এর খোসায় ফাটল ধরতে পারে। ফলে এর ভেতরে ব্যাকটেরিয়া ঢুকে পড়তে পারে। আপনি যদি কাঁচা ডিম ফ্রিজারে রাখতে চান, তাহলে ডিম ভেঙে ভালো করে বিট করুন। এরপর তা একটি এয়ারটাইট কন্টেইনারে রেখে দিন।
৫) নরম পনির
দুধ যেমন ফ্রিজারে রাখা উচিত নয়, তেমনি নরম পনিরও রাখা উচিত নয়। ফ্রিজার থেকে বের করার পর তা পানি পানি হয়ে যাবে। ফলে ক্রিম চীজ, সাওয়ার ক্রিম বা রিকোটা ধরণের পনির ফ্রিজারে না রাখাই ভালো। একইভাবে দইও ফ্রিজারে না রেখে ফ্রিজে রাখুন।
এসব খাবার ফ্রিজারে রাখলে নষ্ট হয় স্বাদ-গন্ধ। ছবি: সংগৃহীত
৬) কাঁচা ফল ও সবজি
ফল ও সবজিতে সাধারণত পানির পরিমাণ বেশি থাকে। ফ্রিজারে রাখলে ফল ও সবজির ভেতরে থাকা পানি জমে বরফ হয়ে যায় এবং এসব খাবারের স্বাদ নষ্ট করে দেয়। ফলে এগুলোকে ফ্রিজারে না রেখে সাধারণ ফ্রিজে রাখাই ভালো।
৭) কিছু মশলা
রসুন ফ্রিজারে রাখলে অতিরিক্ত তেতো এবং দুর্গন্ধযুক্ত মনে হতে পারে। এছাড়া পিঁয়াজ ও পাপরিকার ফ্লেভার পাল্টে যায়, গরম মশলার সুগন্ধ কমে যায়। রসুনের মতোই মরিচ, লবঙ্গ এবং ভ্যানিলা এসেন্সের স্বাদ পাল্টে যায়।
৮) মেয়নেজ
ভাজাভুজির সাথে মেয়নেজ খেতে পছন্দ করেন অনেকেই। তারা যদি ভাবেন কমদামে মেয়োনেজ পেয়ে ফ্রিজারে রেখে দেবেন আর কয়েক মাস ধরে খাবেন, তা সম্ভব নয়। অনেকটা দুধের মতোই মেয়নেজ পানি ছেড়ে দেয় এবং দলা পাকিয়ে যায় ফ্রিজে রাখলে।
৯) ভাত ও পাস্তা
শর্করা জাতীয় এ দুইটি খাবার রান্না করে ফ্রিজারে রাখলে নরম ও আঠা আঠা হয়ে যেতে পারে। তা খাওয়াটা বিপজ্জনক নয়, কিন্তু খুবই বিস্বাদ লাগবে।
১০) একবার বের করা মাংস
ফ্রিজারে মাংস রেখে দিয়েছেন। একে বের করে গলিয়ে নিলেন। কিছুটা মাংস রান্নার জন্য রেখে বাকিটুকু আবার ফ্রিজারে ঢুকিয়ে দিলেন। এটা কিন্তু করা যাবে না! কারণ একবার মাংসের বরফ গলানোর সময়ে এতে ব্যাকটেরিয়া আক্রমণ করে খুব দ্রুত। এ কারণে একবার খাওয়ার মতো কম পরিমাণে ভাগ ভাগ করে মাংস ফ্রিজারে রাখুন। খুব বেশি পরিমাণে মাংস বের করে ফেললে তা রান্না করে তারপর আবার ফ্রিজ বা ফ্রিজারে রাখতে পারেন, কাঁচা নয়।

সূত্র: রিডার্স ডাইজেস্ট
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হৃদরোগকে কিভাবে প্রতিরোধ ও বিপরীতমুখী করা যায়? by ডা: গোবিন্দ চন্দ্র দাস

এই আদর্শ পরিবেশ বা অবস্থা সৃষ্টি অত্যন্ত আবশ্যক। করোনারি আর্টারি ডিজিজ প্রিভেনশন অ্যান্ড রিগ্রেশন (সিএডিপিআর) হৃদরোগ নিরাময় কর্মসূচি সাহায্য করে এবং রোগীকে প্রশিক্ষণ দেয় কিভাবে এক সাথে সব বিপদসৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে নির্মূল করা যায়। যতœসহকারে কিছু যোগ ব্যায়াম নির্বাচন করে, ধ্যানের অভ্যাস এনে এবং একই সাথে বাস্তবিক সম্ভব উপায়ে মানসিক চাপ প্রশমন করে একটা আদর্শ অবস্থা কিভাবে সৃষ্টি করা যায়। ধমনিগত হৃদরোগ সম্পর্কে পরিপূর্ণ শিক্ষা ও বোধ তৈরি করা, তামাক সেবন ও ধূমপান সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা এবং খাদ্য সচেতনতা আনা হচ্ছে এই প্রশিক্ষণের অঙ্গ। এই প্রশিক্ষণ নির্দেশ দেয় কিভাবে একটা যথাযথ জীবন ধারণ প্রণালী অনুসরণ করা যায়, যার দ্বারা ধমনির অন্তঃস্থ অবরোধকে বিপরীতমুখী করে তোলা যায় এবং রোগীকে আগের সুস্থ অবস্থায় আনা যায়। এসব করতে হয় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের, চিকিৎসকদের, পথ্য বিশেষজ্ঞদের এবং যোগ ব্যায়ামের শিক্ষকদের নির্দেশনায়। যার দ্বারা হৃদরোগীদের ক্ষেত্রে উদ্ভূত জটিলতা এড়ানো যায়।
সব হৃদরোগী রোগ প্রতিরোধের কিছু কিছু উপায় সম্পর্কে অল্প বিস্তর বা সামান্য জানেন এবং এগুলো অভ্যাস করেন যথেষ্ট নির্ভুলভাবে নয় এবং সঙ্গতিপূর্ণ নিয়মিত নয়। ফলে সব প্রচেষ্টাই বিফল হয় এবং শেষ পর্যন্ত শল্যচিকিৎসার কাছে নিজেকে সমর্পণ করতে হয়। এ ধরনের ঘটনা না ঘটলে রোগীরা কখনো হাসপাতালে যেতেন না।
‘সিএডিপিআর প্রোগ্রাম’ গত ৫-৬ মাস ধরে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং প্রচেষ্টার দ্বারা এই বিশেষ জ্ঞান তৈরি করেছে। প্রত্যেক রোগী, যারা এই কর্মসূচির প্রারম্ভিক অধ্যায়ে যোগদান করেছেন, তারা এই কর্মসূচিকে ধীরে ধীরে উন্নত করে তুলতে সাহায্য করেছেন। হৃদক্রিয়ার অচলাবস্থা বা অন্য সব জটিলতা বহুল পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে।
‘সিএডিপিআর প্রোগ্রাম’ কোনো জাদু নয়- এটা কোনো জাদুকরের মতো বা দেবতার মতো কাজ করে না- যারা এক মুহূর্তে অবরোধ দূর করতে পারেন। অন্তত দুই সপ্তাহ সময় প্রয়োজন হয় প্রাথমিক উন্নতির লক্ষণ দেখার জন্য। উন্নতি নির্ভর করে রোগীর প্রচেষ্টার ওপর, তার বয়স, তার পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতা এবং অনুরূপ বিষয়গুলোর ওপর। সিএডিপিআর প্রোগ্রামে যোগদানের পর আমাদের রোগীদের পূর্বাপেক্ষা উন্নতির যে লক্ষণ আমরা পেয়েছি, যেগুলো প্রমাণ করে যে, ব্লকেজ বা অবরোধকে বিপরীতমুখী করা যায় অর্থাৎ সম্পূর্ণভাবে সারানো যায়।
কোনো কিছু শেখার ব্যাপারে বই পড়া একটা ভালো পথ... কিন্তু সেটাকে হাতে-কলমে প্রয়োগগত প্রশিক্ষণের পরিবর্তে ব্যবহার করা যায় না।
তৎসত্ত্বেও যা নিশ্চিতভাবে সাহায্য করে, তা হচ্ছে একটা ঘটনা- যখন আপনি এমন একজনকে পেয়েছেন, যিনি আপনার প্রয়োজন মতো সব জ্ঞাতব্য বিষয় আপনাকে জানাতে পারেন- ‘সিএডিপিআর সেন্টারে হৃদরোগ কর্মসূচি তৈরি হয় যোগ ব্যায়াম, ধ্যান, হৃৎপিণ্ডের পুনর্নবীকরণ ব্যায়াম এবং খাদ্য তালিকার সমন্বয়ে।
লেখক : অধ্যাপক, ইমুনোলজি বিভাগ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ, ঢাকা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1403)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ▼ 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...
