Saturday, August 3, 2019
চলতি মাসে নেপাল যাচ্ছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী by অনিল গিরি

পররাষ্ট্র দফরত ও কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাস শুক্রবার জয়শঙ্করের সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রদীপ গিওয়ালি কাঠমান্ডু পোস্টকে বলেন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে সভায় আমাদের সম্পর্ক ও দ্বিপক্ষীয় সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হবে।
উল্লেখ্য, দুই দেশের মধ্যকার সব বিষয় আলোচনার জন্য যৌথ কমিশনই সর্বোচ্চ ফোরাম। এই কমিশনের সর্বশেষ বৈঠকটি হয়েছিল ২০১৬ সালে দিল্লিতে। এবারের বৈঠকটি হওয়ার কথা ছিল গত ফেব্রুয়ারিতে। কিন্তু ভারতের পার্লামেন্ট নির্বাচনের কারণে তা হতে পারেনি।
গত মে মাসে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা। ওই সময় দুই নেতা স্থবির হয়ে থাকা যৌথ কমিশনের বৈঠক আয়োজনে সম্মত হন।
জয়শঙ্কর ২২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি বিদ্যা দেবী ভান্ডারির সাথে সাক্ষাত করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তিনি নেপালের অন্যান্য রাজনীতিবিদের সাথেও সাক্ষাত করে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন।
সফরকালে রাজনৈতিক, নিরাপত্তা, সীমান্ত, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, অবকাঠামো, বাণিজ্য, বিদ্যুত ও পানিসম্পদ, সংস্কৃতি ও শিক্ষার মতো বিষয়গুলো প্রাধান্য পাবে।
নেপাল ইমিনেন্ট পারর্সনস গ্রুপের প্রতিবেদনের বিষয়টি উত্থাপন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে উত্থাপনের অপেক্ষায় আছে। দুই দেশের সম্পর্কের জন্য এই প্রতিবেদন খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।
পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে জয়শঙ্কর বেশ কয়েকবার কাঠমান্ডু সফর করেছেন।
সাম্প্রতিক সময়ে নেপাল-ভারত সম্পর্কে কিছুটা ভাটা দেখা দেয়ার প্রেক্ষাপটে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাঠমান্ডু সফর করছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র, গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে পারবে ওয়াশিংটন

ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক ডিফেন্স প্ল্যানিং গ্রুপের (ডিপিজি) সংলাপে ভারতীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রতিরক্ষা সচিব সঞ্জয় মিত্র। চার বছর বিরতি দিয়ে গত শুক্রবার ওয়াশিংটনে এই সংলাপ শুরু হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের হিসেব মতে এই চুক্তির মধ্য দিয়ে ভারতের কাছে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রযুক্তি হস্তান্তর করতে পারবে ওয়াশিংটন।
দুই দেশ এরই মধ্যে দুটো মৌলিক চুক্তি স্বাক্ষর করেছে: লজিস্টিক্স এক্সচেঞ্জ মেমোর্যান্ডাম অব এগ্রিমেন্ট (এলইএমওএ) এবং কমিউনিকেশান্স কমপ্যাটিবিলিটি অ্যান্ড সিকিউরিটি এগ্রিমেন্ট (সিওএমসিএএসএ)। ২০১৬ এবং ২০১৮ সালে চুক্তি দুটি স্বাক্ষরিত হয়।
ভারত যাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাথে সবগুলো ফাউন্ডেশনাল চুক্তি স্বাক্ষর করে, সেজন্য চাপ দিয়ে আসছে যুক্তরাষ্ট্র।
ভারত যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে প্রায় ১৮ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্রাদি কিনেছে। এর মধ্যে সি-১৭ ও সি-১৩০জে পরিবহন বিমান, স্টেট-অব-দ্য-আর্ট পি-৮আই নৌ টহল বিমান, হারপুন মিসাইল, অ্যাপাচি এবং চিনুক হেলিকপ্টার, এবং এম৭৭৭ হাউইটজার রয়েছে।
বেসিক এক্সচেঞ্জ অ্যান্ড কোঅপারেশান এগ্রিমেন্টের (বিইসিএ) মধ্য দিয়ে ভারত যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতকৃত ভৌগলিক মানচিত্র অর্জন করতে পারবে, যেটা এই সব অস্ত্রের সক্ষমতাকে আরও নিখুঁত করে তুলবে।
এছাড়া “মেক ইন ইন্ডিয়া কর্মসূচির অধীনে ভারতে সামরিক সরঞ্জাম তৈরির জন্য প্রযুক্তি সহযোগিতার সম্ভাব্যতা” নিয়েও সংলাপে আলোচনা হবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে সবশেষ ২+২ মন্ত্রী পর্যায়ের সংলাপে, দুই দেশ ঘোষণা দিয়েছিল যে, প্রতিরক্ষা শিল্প সহযোগিতা ও সাহায্যের জন্য ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিকিউরিটি অ্যানেক্সার (আইএসএ) নিয়ে আলোচনার জন্য দুই দেশ প্রস্তুত।
সামরিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছে ভারতের ১৫ বিলিয়ন ডলারের জঙ্গি বিমান কেনার দরপত্র আহ্বানের আগ দিয়ে এই আইএসএ চুক্তি করাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। চলতি বছরের শেষ দিকে ওই দরপত্র আহ্বান করা হবে, যেখান রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, সুইডেনের ফার্মগুলো অংশ নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে’ পৌঁছালো সুদানের সেনাবাহিনী ও আন্দোলকারীরা

গত ১৭ জুলাই স্বাক্ষরিত চুক্তিটি হচ্ছে সুদানের ক্ষমতা ভাগাভাগির পরিপূরক। এটির লক্ষ্য একটি যৌথ সামরিক-বেসামরিক ক্ষমতাসিন কমিটি গঠন করা। আর এই কমিটি তিন বছর মেয়াদের একটি অন্তবর্তীকালীন সরকার পরিচালনায় বেসামরিক সরকার ও পার্লামেন্ট গঠনের বিষয়টি দেখভাল করবে।
সুদানের ক্ষমতাসিন সামরিক পরিষদ ও বিক্ষোভ আন্দোলনের নেতাদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পর তারা এ চুক্তি করেন। দেশব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে গত এপ্রিলে প্রবীণ নেতা ওমর আল-বশির ক্ষমতাচ্যুত হন।
এইউ’র মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মাদ আল-হাসান লাবাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি সুদানের জনগণ, আফ্রিকান ও আন্তর্জাতিক জনমতের ব্যাপারে ঘোষণা দিচ্ছি যে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিরা সুদানের সাংবিধানিক ঘোষণার বিষয়ে পূর্ণ সম্মত হয়েছে।’
তিনি বলেন, এ চুক্তির বিস্তারিত কর্মপন্থা নির্ধারণ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তিটি স্বাক্ষরের অনুষ্ঠান নিয়ে আলোচনা করতে বৈঠক করা হবে।
চুক্তিটির ব্যাপারে ঘোষণা দেয়ার পর সাংবাদিকরা এ ব্যাপারে জানতে জেনারেলদের ঘিরে ধরলে তারা দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। সুদানের রাজধানী খার্তুমে এ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। তবে বিক্ষোভ আন্দোলনের নেতারা এ চুক্তির ব্যাপারে করা সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় ৩০ ঘন্টার অপারেশনে আলাদা হলো রাবেয়া-রুকাইয়া

এর শুরু হয় গত বছর ঢাকায়। তখন তাদের মাথায় ‘সেরিব্রাল ভেইন’ আলাদা করা হয়। এ বছরের শুরুতে হাঙ্গেরির রাজধানী বুদাপেস্টে বিশেষ এক রকম পদ্ধতির মাধ্যমে তাদের ত্বক ও নরম টিস্যুগুলোকে বিস্তৃত করা হয়। দ্বিতীয় সফল অপারেশনের পর ¯স্নায়ুবিজ্ঞানী অ্যানদ্রা কোকাই বলেছেন, এটা অনেক জটিল একটি অপারেশন ছিল, যেখানে মৃত্যুঝুঁকি অনেক বেশি। অ্যাকশন ফর ডিফেন্সলেস পিপল ফাউন্ডেশন বলেছে, বর্তমানে ওই জমজের অবস্থা স্থিতিশীল। তবে জটিলতা দেখা দিতে পারে। অপারেশনে ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও এর মধ্য দিয়ে তারা উন্নত জীবনের সুবিধা পেতে পারে। এর মধ্য দিয়ে অন্য জোড়া লাগা শিশুদের আলাদা করার এক নতুন পদ্ধতি উন্মুক্ত হবে।
এর আগে পাকিস্তানি দুই বোন সাফা ও মারওয়া উলাহকে একই রকমভাবে আলাদা করা হয়েছিল। জুলাইয়ে আলাদা করা ওই দুই বোনের বয়স দুই বছর। লন্ডনের গ্রেট ওরমন্ড স্ট্রিট হাসপাতালে তাদের সিরিজ অপারেশনের পর সফলভাবে আলাদা করা হয়েছে। এতে সময় লেগেছিল ৫০ ঘন্টার ওপরে। অপারেশনে অংশ নিয়েছিলেন হাসপাতালের শতাধিক স্টাফ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বউ বন্ধক রেখে জুয়া, অতঃপর...

একদিন তার বন্ধু অরুণ ও অরুণের এক আত্মীয় অনীলের সঙ্গে তার স্বামী জুয়া খেলছিল। খেলার এক পর্যায়ে তার স্বামীর অর্থ শেষ হয়ে যায়। এ সময় তার স্বামী তাকে বন্ধুক রেখে খেলা অব্যাহত রাখে। তাতে হেরে যায় তার স্বামী। এরপর অরুণ ও অনীল দু’জনে মিলে তাকে ধর্ষণ করে। এর এক সপ্তাহ পরে তার স্বামী আবারও একই কাজ করে। খেলায় তখনও সে হেরে যায়। এ সময়ও তাকে ধর্ষণ করা হয়। ফলে ওই নারী খুব ভেঙে পড়েন। তিনি আর মেনে নিতে পারছিলেন না। অবশেষে সিদ্ধান্ত নেন আদালতে যাওয়ার। তাই করেছেন তিনি। মামলা করেছেন। এখন সবাই পলাতক। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মৌলভীবাজারে ক্লাসে মশক নিধনের স্প্রে, ১২ শিক্ষার্থী অসুস্থ

এ সময় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা আতঙ্কিত হয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন। আহতরা হলেন- ওই স্কুলের ৮ম শ্রেণির ছাত্রী এমি, সানন্দ দত্ত, ইসমা, রিমা, মৌসুমী দত্ত, ৮ম শ্রেণির ছাত্র রিয়া দত্ত, তনিমা জান্নাত, শাহরিয়ার সাদী, প্রজ্ঞা চৌধুরী, সুমাইয়া, সৈয়দা ফাহিমা, ৭ম শ্রেণির ছাত্রী সৈয়দা লাবিবা আহমদ।
অসুস্থ এমির মামা মান্নান আহমদ বলেন, আমরা চাই মশক নিধন হোক কিন্তু আমাদের সন্তানদের ক্ষতি করে এটা কীভাবে হয়। আমরা স্কুলে ছাত্রীদের পাঠিয়েছি তাদের ভালো শিক্ষার জন্য কিন্তু তারা যদি স্কুলে গিয়ে অসুস্থ হয়ে যায় তাহলে এর দায়ভার কার। অভিভাবক সৈয়দ রাশেদ আহমদ ও মঞ্জুর দত্ত বলেন ক্লাস চলাকালে ফগার মেশিন দিয়ে মশক নিধনের ওষুধ স্প্রে করায় শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হন। পৌর কর্তৃপক্ষ চাইলে ক্লাস শেষে শিক্ষকদের সাথে সমন্বয় করে ওষুধ স্প্রে করতে পারতো। এমন দূর্ঘনায় এখন হিতে বিপরীত হয়েছে। অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অসুস্থদের নিয়ে উদ্বিগ্ন। এই ঘটনায় ১৫-২০ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে তারা জানান। দি ফ্লাওয়ার্স কেজি অ্যান্ড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মো. রেজাউল করিম বলেন স্প্রে করার কিছুক্ষণ পরেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়ে পড়েন। আমরা তাদের হাসপাতালে নিয়ে আসি। কতজন আহত হয়েছেন এমন প্রশ্নে শিক্ষকরা বলেন- তার সঠিক পরিসংখ্যান দিতে পারেননি। এই ঘটনা চাউর হলে অভিভবাকরা হাসপাতালে ভিড় জমান। কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. রত্ম দীপ বিশ্বাস বলেন ‘কারো আগে থেকে শ্বাসকষ্ট থাকলে এই রকম সমস্যা হতে পারে।
তবে এখানে অনেক শিক্ষার্থীর মধ্যে সে উপসর্গ মিলেছে কম। তবে দু’-একজন শিক্ষার্থী ছাড়া অন্যরা কেউ শ্বাসকষ্ট আক্রান্ত নেই। এ পর্যন্ত ১১ জন শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে। বর্তমানে ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি আছেন। অন্যরা বাড়িতে ফিরেছেন। এ বিষয়ে মৌলভীবাজার পৌরসভা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে উপ-সহকারী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) মশক নিধনের দায়িত্বপ্রাপ্ত রণধীর রায় কানু জানান, আমি একটি জরুরি মিটিংয়ে থাকায় বিষয়টি সম্পর্কে অবগত নই। এই স্প্রেগুলো ক্ষতিকারক নয়। বিষয়টি সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানাচ্ছি। পৌর মেয়র ফজলুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করি। তবে যততুটু অসুস্থ তার চেয়ে বেশি আতঙ্কগ্রস্ত হয়েছেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, আগামীতে ক্লাস চলাকালে আর এভাবে মশক নিধন স্প্রে করা হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সর্বত্র রক্ত চেয়ে আবেদন by মারুফ কিবরিয়া

ছড়িয়ে পড়েছে জেলায় জেলায়। প্রতিদিন আক্রান্ত হচ্ছেন শত শত মানুষ। অন্য বছরগুলোর তুলনায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। দেশের এই সংকটময় পরিস্থিতিতে ডেঙ্গু আক্রান্তদের বাঁচাতে রক্তের প্রয়োজন হচ্ছে ব্যাপক হারে। কারো মা, কারো বোন, কারো বাবা কিংবা ভাইকে বাঁচাতে স্বজনরা রক্তের জন্য ছুটছেন এখানে সেখানে। নিকটজনরা কেউ ব্যর্থ হলে দ্বারস্থ হচ্ছেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকেও।
আবেদন করছেন রক্তের। দেশের সর্বত্রই চলছে এই আবেদন। ‘স্বেচ্ছায় রক্ত দিন, জীবন বাঁচান’ নামের ওই সংগঠনের ফেসবুক পেজে আরো দেখা যায়, গত এক সপ্তাহে কয়েকশ রক্তের আবেদন। ৩১শে জুলাই পেজটি থেকে পোস্ট করা হয়, আদ দ্বীন হাসপাতালের পুরুষ ওয়ার্ডে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য তিন ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন। রক্তের গ্রুপ বি নেগেটিভ। একইদিন ওই পেজে আরো দেখা যায়, আসাদগেটের কেয়ার হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগীর জন্য ও পজিটিভ গ্রুপের ৩ ব্যাগ রক্ত দরকার।
এই রোগী হাসপাতালের আইসিইউতে রয়েছেন। ‘ব্লাড ডোনেশন বাংলাদেশ’ নামের আরেকটি স্বেচ্ছায় রক্তদাতা সংগঠনের ফেসবুক পেজেও একই চিত্র। পেজের শুরু থেকে নিচের দিকে নামতেই শুধু রক্তের আবেদন। যার বেশির ভাগই রয়েছে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্য। গতকাল শুক্রবার দুপুরে এ পজিটিভ রক্তের আবেদন করে পেজটি শেয়ার করে একটি পোস্ট। এতে জানানো হয়, রোগীর জন্য গতকালই দিনের মধ্যে লাগবে দুই ব্যাগ রক্ত। একই সময়ে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়া এক নারীর জন্য এ পজিটিভ রক্তের আবেদন জানিয়ে পোস্ট করা হয়। ব্লাড ডোনেশন বাংলাদেশের ফেসবুক পেজে শুধু ঢাকার ভেতর নয়, ঢাকার বাইরের অনেক ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জন্যও রক্তের আবেদন করতে দেখা গেছে। স্বেচ্ছাসেবী এসব সংগঠন ছাড়াও ফেসবুককেন্দ্রিক বেশ কয়েকটি গ্রুপ থেকেও অনেকে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর জীবন বাঁচাতে রক্ত চেয়ে আবেদন করছেন। এগুলোর মধ্যে এসএসসি ব্যাচ-২০০৫ ও এইচএসসি ব্যাচ-২০০৭, আওয়ার কালারস, স্টুডেন্ট কমিউনিটি অব স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ব্যাচ- ২০০৫ অব বাংলাদেশসহ কয়েকটি গ্রুপ সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
এ ছাড়া অনেকে নিজ উদ্যোগেও সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিচ্ছেন। ফেসবুকে নিজের টাইমলাইনেই শেয়ার করছেন রক্তের আবেদন চেয়ে। শাহানা আক্তার নামের এক নিয়মিত রক্তদাতা ১লা জুলাই তিনটি পোস্ট করেছেন নিজের ওয়ালে। তিনি জানান, এদের মধ্যে কেউই তার কাছের কেউ নন। শুধু এই দুঃসময়ে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি নিজেও কিছুদিন পর পর রক্ত দিচ্ছেন। শাহানা বলেন, আমি নিয়মিত রক্তদাতা। বাঁধনের হয়েও অনেক কাজ করেছি। এখন ডেঙ্গু যে প্রকট আকার ধারণ করেছে, দেশের একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আক্রান্ত রোগীর পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। কারো কাছে খবর পেলেই ফেসবুক টাইমলাইনে পোস্ট করে সবাইকে জানান দিচ্ছি। নিজে না পারলেও অন্যদের বলছি, এই ডেঙ্গু আক্রান্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে।
এটা একজন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব বলেই করছি। সাংবাদিক ও গীতিকার মাহতাব হোসেন জানান, আমি নিয়মিত ডোনার। এ পর্যন্ত ৪০ বার রক্ত দিয়েছি। বাঁধন থেকে সনদও পেয়েছি। ডেঙ্গু আক্রান্তদের পাশে থাকার জন্যও বেশ চেষ্টা চালাচ্ছি। নিজে না দিতে পারলে অন্যদের আহ্বান জানাচ্ছি। আমি মনে করি, এত ভয়াবহ অবস্থা বাংলাদেশে আর কখনোই হয়নি। এটা একটা শঙ্কাও বটে। তবে আমাদের সবার উচিত যাদের রক্তের দরকার ফেসবুকে হোক আর যেভাবেই হোক রক্ত সংগ্রহ করে আক্রান্তদের পাশে দাঁড়ানো। একজন মানুষ হিসেবে আমাদের এই দায়িত্বটুকু সবারই পালন করা উচিৎ।
রক্তদাতা সংগঠন বাঁধন জানায়, ডেঙ্গু দেশজুড়ে মহামারী রূপ ধারণ করার পর থেকে রক্তের চাহিদা বেড়ে গেছে কয়েকগুন। প্রতিদিনই প্রচুর মানুষের রক্ত লাগছে। বাঁধনও পর্যাপ্ত রক্ত সংগ্রহ করছে। যাতে কোনোভাবে সংকট সৃষ্টি না হয়। বাঁধনের এক সদস্য হাসান আল আরিফ জানিয়েছেন, আমি নিজেও নিয়মিত ডোনার। যখনই কারো রক্তের দরকার পড়ছে ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। এর মধ্যে একাধিকবার ফেসবুক পোস্ট ও পরিচিতদের মধ্য থেকে কয়েক ব্যাগ রক্তের ব্যবস্থা করেছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত শাসিত কাশ্মীরে চরম আতঙ্ক : দলে দলে পালাচ্ছে লোকজন by অমিতাভ ভট্টশালী
![]() |
| দলে দলে কাশ্মীর ছাড়ছেন পর্যটকরা |
![]() |
| কাশ্মীরে অমরনাথ তীর্থ যাত্রীদের দ্রুত ফিরে আসার পরামর্শ দিয়েছে সরকার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে ১০,০০০ সেনা পাঠানোর এক সপ্তাহ পরেই আরও ২৫,০০০ সেনা পাঠাচ্ছে ভারত by নাজির মাসুদি

সরকার গত সপ্তাহে বলেছিল যে, কাশ্মীরের সন্ত্রাস-দমন বাহিনীর শক্তি বাড়াতে ১০০ কোম্পানি সেনাকে সেখানে নেয়া হচ্ছে। গত সপ্তাহে ন্যাশনাল সিকিউরিটি অ্যাডভাইজর অজিত দোভাল কাশ্মীর ঘুরে যাওয়ার পরপরই ওই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
সূত্র জানিয়েছে, তিনি কাশ্মীরে সিনিয়র কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির খোঁজ-খবর নিয়েছেন। উল্লেখ্য, কাশ্মীরে এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্টের শাসন চলছে।
জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল দিলবাগ সিং গত সপ্তাহে বলেন যে, উত্তর কাশ্মীরে সেনার সংখ্যায় ঘাটতি রয়েছে এবং সে কারণে রাজ্যে অতিরিক্ত সেনা দরকার।
সেনা সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্তে কাশ্মীরে নানা ধরনের গুঞ্জন শুরু হয়েছে।
বুধবার জম্মু ও কাশ্মীরের গভর্নর সত্য পাল মালিক বলেন, সংবিধানের ৩৫এ অনুচ্ছেদ বাতিলের কোন পরিকল্পনা নেই। এই অনুচ্ছেদে কাশ্মীরের স্থায়ী অধিবাসীদের বিষয়ে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে এবং বহিরাগতদের এখানে জমি ও সম্পদ ক্রয়ের ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
এদিকে, অমরনাথ যাত্রা ৪ আগস্ট পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিতের কারণ হিসেবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা বলেছে সরকার, যদিও আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে তেমন বড় ধরনের কোন প্রতিকূল আবহাওয়ার কথা বলা হয়নি।
সরকারী সূত্র জানিয়েছে যে, যাত্রার জন্য মোতায়েনকৃত সেনাদের একটা অংশকে কিছু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে অন্যত্র নেয়া হয়েছে।
যাত্রার নিরাপত্তার জন্য প্রায় ৪০০ কোম্পানি বা ৪০,০০০ সেনাকে ওই অঞ্চলে মোতায়েন করা হয়।
সূত্র জানিয়েছে, রাজ্যের সকল নিরাপত্তা সংস্থাকে সার্বিকভাবে প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে।
কাশ্মীরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য বৃহস্পতিবার শ্রীনগর পৌঁছেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল বিপিন রাওয়াত। প্রতিরক্ষা মুখপাত্র জানিয়েছেন, সেনাবাহিনী প্রধান কাশ্মীরে দুই দিন অবস্থান করবেন।
এদিকে, জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আব্দুল্লাহ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে দেখা করেছেন এবং চলতি বছরের শেষ নাগাদ রাজ্যে নির্বাচন দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে কাশ্মীরের ভঙ্গুর পরিস্থিতির আরও অবনতি না করারও অনুরোধ করেছেন।
গত সপ্তাহে পিডিপি প্রধান এবং সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি কেন্দ্রীয় সরকারকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন সংবিধানের ৩৫এ অনুচ্ছেদ বাদ দেয়ার চিন্তা ভাবনা করা হলে বারুদের গুদামে আগুন লেগে যাবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অবহেলার কারণে ডেঙ্গু সারা দেশে ছড়িয়েছে

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি রশীদ-ই-মাহবুব বলেন, ‘ডেঙ্গুকে মহামারি বললেই কি নতুন কিছু যোগ হবে? মোটেই না। আমরা চাই এটা নির্মূল হোক। আমরা আতঙ্ক ছড়ানোর জন্য মহামারি ব্যবহার করব না।
চিকিৎসকরা চিকিৎসা করছেন। কিন্তু সেখানেও কিছু গাফিলতি আছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর যে চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ দিয়েছে, তা ঢাকাকেন্দ্রিক। কিন্তু ডেঙ্গু রোগটি সারা দেশে ছড়িয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রথম কাজ হবে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের চিকিৎসকদের ডেঙ্গু রোগের চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন করা। তিনি বলেন ‘ঈদের সময় অসংখ্য মানুষ বাড়ি যাবে। তাদের সঙ্গেও কিন্তু ডেঙ্গু রোগের বাহক সারা দেশে ছড়াবে। বাস, ট্রেন, লঞ্চে যাত্রার আগে কেন মশা নিধন করা হবে না? এটা একটা সাধারণ ব্যাপার। মশা নিধনে জনগণকে নিয়ে এখনো আমরা এগোতে পারিনি। এলাকাবাসীকে নিয়ে প্রতিটা পাড়া-মহল্লা গ্রামে মশক নিধন অভিযান শুরু করতে হবে। তিনি বলেন, মশা মারার ওষুধ নিয়ে দোষারোপ চলছে। এর মধ্যে বহু ঘটনা আছে, ব্যবসা জড়িত। মশা মারার যে ওষুধ দেয়া হচ্ছে, তা পরীক্ষায় অনুপযোগী, মশা মারার উপযোগী ওষুধ আনতে হবে।’
সভাপতির বক্তব্যে ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের সভাপতি অধ্যাপক এম আবু সাঈদ বলেন, ‘ডেঙ্গুর পরিস্থিতি আজ সাংঘাতিক প্রাদুর্ভাব বা মহামারির মতো দেখা দিয়েছে। সরকার চাইলে ডেঙ্গু রোগের পরীক্ষা বিনা মূল্যে করতে পারে। আমরা মনে করি, বছরের কোনো একটি নির্দিষ্ট দিনকে ডেঙ্গু দিবস ঘোষণা করে, তার আগে-পরে দুই থেকে তিন দিন ডেঙ্গু সপ্তাহ ঘোষণা করে সারা দেশের মানুষকে নিয়ে মশক নিধন কর্মসূচি নেয়া যেতে পারে। এতে সচেতনতা বাড়বে। সবাই এগিয়ে এলে ডেঙ্গু প্রতিরোধ সম্ভব।’
লিখিত বক্তব্যে ডক্টরস ফর হেলথ অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক কাজী রকিবুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদে লাখ লাখ মানুষ ডেঙ্গুর জীবাণু নিয়ে বাড়ি যাবে। এদের মধ্যে অনেকেই আক্রান্ত হবে এবং স্থানীয় লোকজনের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকবে বলে আমাদের আশঙ্কা। তাই জেলা ও উপজেলায় ডেঙ্গুর রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসার ব্যবস্থা স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগকে অতিগুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।’
রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান আইইডিসিআরের সাবেক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অধ্যাপক মোশতাক হোসেন বলেন, ‘ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা কত, এ নিয়ে তর্কবিতর্ক না করে এখন আমাদের এই রোগ প্রতিরোধে সম্মিলিতভাবে কাজ করা প্রয়োজন। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এম এইচ চৌধুরী লেনিন, জনস্বাস্থ্য সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ফয়জুল হাকিম, পাবলিক হেলথ ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি অধ্যাপক মজহারুল হক প্রমুখ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর

অংকুরে বিনষ্ট হলো পরিবারের সকল ইচ্ছা-ভাবনা। গত বৃহস্পতিবার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত অন্তঃসত্ত্বা মালিহা মাহফুজ অন্যা মারা
যান। বয়স ২৭ বছর। মেধাবী ডিজাইনার ছিলেন অন্যা। বিয়ে করেছিলেন মাত্র ১ বছর আগে। আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। মাত্র আর দুই মাস পর তাদের ঘর আলো করে আসতো প্রথম সন্তান। তার আগেই সকল আশা, সুখের সকল স্বপ্ন ধূলিস্যাৎ করে দিলো ডেঙ্গু জ্বরে।
ডেঙ্গু কেড়ে নিলো সম্ভাবনাময় এ প্রাণ! মালিহা মাহফুজ অন্যা বিজিএমইএ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাশন ও টেকনোলজি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে মেঘনা নিট কম্পোজিট নামে একটি প্রতিষ্ঠানে ডিজাইনার হিসেবে চাকরি করতেন। গতবছরের ২০শে জুন তিনি বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন নাফিজ ইমতিয়াজের সঙ্গে। নাফিজ ইমতিয়াজ পেশায় একজন প্রকৌশলী। তারা উত্তরাতে বসবাস করতেন। মালিহার স্বামী নাফিজ ইমতিয়াজের ফেসবুক পেজ থেকে দেখা যায়, জুলাই মাসের ১৩ তারিখে দুজনের ছবি দিয়ে একটি পোস্ট দেন তিনি। যাতে লেখা ‘ইটস এ বয়’। অর্থাৎ একটি ছেলে আসছে তাদের ঘরে। সুখের এ সন্তানের জন্ম দিতে পারলেন না মালিহা মাহফুজ অন্যা। ডেঙ্গু কেড়ে নিলো এ পরিবারের সকল সুখ! তাদের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মালিহা মাহফুজ অন্যার জ্বর অনুভূত হয় ২১শে জলাই। ২২শে জুলাই তাকে উত্তরার লুভানা হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে পরীক্ষার পর ডেঙ্গু ধরা পড়লে ভর্তি করা হয়। ২৩শে জুলাই অন্যাকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু সেখানে অন্যার শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকলে ২৫ জুলাই বিএসএমএমইউতে নেয়া হয়। সেখানে নিবিড় পর্যবেক্ষণে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অন্যার মৃত্যু হয় বৃহস্পতিবার রাতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের জমি চায় ভারত by মুক্তাদির রশিদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সোমবার এই পত্রিকাকে জানিয়েছেন যে সরকার এখনো এ বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নেয়নি।
বাংলাদেশের কাছ থেকে ট্রানজিট ও ট্রান্সশিপমেন্ট সুবিধা নেয়া ভারত গত এক বছর ধরে বেশ কিছু বৈঠকে ওই প্রস্তাব দিয়েছে।
২০১৮ সালের ৭ আগস্ট মহারাজা বীর বিক্রম বিমানবন্দর নামকরণ করা হয় আগরতলা বিমানবন্দরের। বিমানবন্দরটি সম্প্রসারণের জন্য কিভাবে বাংলাদেশের জমি দেয়া যায় তা খতিয়ে দেখতে গত অক্টোবরে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয় ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সঙ্গে বৈঠক করেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়।
ভারত কি পরিমাণ ভূমি চেয়েছে তা প্রকাশ করতে কোন কর্মকর্তা রাজি হননি। তবে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান যে বর্তমান বিমানবন্দর ও এর রানওয়ে বাংলাদেশের আখাউড়ার চানপুর সীমান্ত থেকে এক কিলোমিটারেরও কম দূরত্বে অবস্থিত।
জানা গেছে কলকাতা থেকে গোয়াহাটিগামি বিমানগুলোকে অবতরণ ও উড্ডয়নের জন্য বাংলাদেশের আকাশসীমা ব্যবহার করতে হয়।
২০১৮ সালের জুলাইয়ে ভারতের তৎকালীন স্বরাষ্ট্র ও বর্তমান প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের বাংলাদেশ সফরকালে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ভারত প্রথম এই প্রস্তাব দেয়।
বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন সচিব মহিবুল হক বলেন, আমাদের কাছে বিষয়টি পেশ করা হলে আমরা আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিতে বলি।
২০১৮ সালের অক্টোবরে পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের বৈঠকে উপস্থিত দুই সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন যে এক সেনা কর্মকর্তা ভারতের সঙ্গে ভূখণ্ড ভাগাভাগির বিস্তারিত নিরাপত্তা সমস্যাগুলো তুলে ধরেন।
এক কর্মকর্তা বলেন, কিভাবে বিমানবন্দরটি সামলানো হবে তা নিয়ে আমরা বিস্তারিত আলোচনা করি। সীমান্তের জমি লিজ দেয়া অথবা সরকার ভারতের সঙ্গে ভূখণ্ড শেয়ার করতে চাইলে তা কোন প্রক্রিয়ায় করা যাবে তা খতিয়ে দেখা হয়।
বৈঠকে আরেক কর্মকর্তা মানচিত্র এঁকে দেখান যে আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণ করা হলে ভারতকে বাংলাদেশের ভেতরে লাইট বসাতে হবে এবং বিমানবন্দরের নিরাপত্তার জন্য বেড়া দিতে হলে তাও বাংলাদেশের ভেতরে ঢুকে দিতে হবে।
পররাষ্ট্র সচিব শহিদুল হক বলেন, এ ব্যাপারে এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এর সঙ্গে অনেকগুলো মন্ত্রণালয় জড়িত। তারা এ ব্যাপারে আলোচনা করছে।
তিনি জানান যে ২০১৮ সালের অক্টোবরের বৈঠকে অংশ নেয়া সবাই ভারতের প্রস্তাবটিকে ইতিবাচক হিসেকে গ্রহণ করে। সবাই মনে করে যে এতে আমরাদের ভূখণ্ড সুসংযুক্ত হবে।
তিনি আরো বলেন, জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরের কিছু অংশ সুইজারল্যান্ডে এবং কিছু অংশ ফ্রান্সে পড়েছে। ১৯২০ সালে স্থাপিত এই বিমানবন্দরে সুইজারল্যান্ড ও ফ্রান্স দুই দিক থেকেই অবতরণ করা যায়। ফলে সুইজারল্যান্ড ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য না হওয়ার পরও জেনেভা ইইউ’র ফ্রেইট হাবে পরিণত হয়েছে।
জেনেভা স্টেটের সম্পত্তি এই বিমান বন্দর একটি স্বশাসিত সরকারি প্রতিষ্ঠান।
ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্র-কানাডা সীমান্তে এ ধরনের বেশ কিছু বিমানবন্দর রয়েছে।
ভূখণ্ড প্রদান করা হলে তা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য সমস্যা হবে কিনা জানতে চাওয়া হলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন এ ব্যাপারে নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট লোকেরা বলতে পারবেনা। তবে আমি বিষয়টি বড় আঙ্গিকে দেখি এবং বাণিজ্য ও সচলতার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করি।
তিনি আরো বলেন, অনেক দেশে আন্ত:সীমান্ত বিমানবন্দর রয়েছে। অনেক দেশ একই বিমানবন্দর ব্যবহার করে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলেন যে ইউরোপ ও দক্ষিণ এশিয়ার সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, ইমিগ্রেশন সিস্টেম ও মুদ্রানীতিসহ অনেক বিষয় এক রকম নয়।
বিমানবন্দরটির ব্যবস্থাপনা দুই দেশ করবে কিনা বা এটি কোন যৌথ উদ্যোগ হবে কিনা সেটা একটি প্রশ্ন।
তিনি বলেন, এটা যৌথ উদ্যোগ হলে বিবেচনা করা যায়। তা না হলে জমি দেয়া ঠিক হবে না।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খান বলেন, আমরা এভাবে কাউকে জমি দেইনি। এখনো কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।
সাবেক বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন এ ব্যাপারে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেন, ভারতের বিমানবন্দর কিভাবে বাংলাদেশের মধ্যে সম্প্রসারণ করা যাবে? এ ব্যাপারে সরকারকে প্রবল বাধার মুখে পড়তে হবে। রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও বিমানচলাচল কোন বিবেচনাতেই এটা যৌক্তিক নয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে হামলার আশঙ্কা ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন

কাশ্মীর সফরে গিয়ে সেখানকার নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে জরুরি বৈঠক করেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল। দুই দিনের সফর শেষে তিনি কেন্দ্রে ফিরে যাওয়ার পর পরই সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। এদিকে, অঞ্চলটিতে আচমকা এত সংখ্যক সেনা মোতায়েনের খবরে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে। বার্ষিক অমরনাথ যাত্রাও স্থগিত রাখা হয়েছে ৪ঠা আগস্ট পর্যন্ত।
সূত্রের বরাত দিয়ে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, অমরনাথ যাত্রায় মোতায়েন এক দল জওয়ানকেও অন্যত্র আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পাঠানো হয়েছে। নিরাপত্তা খতিয়ে দেখতে বৃহস্পতিবার কাশ্মীর সফরে যান সেনাপ্রধান বিপিন রাওয়াত। আগামী দু’দিন সেখানেই অবস্থান করবেন তিনি। এদিকে, বৃহস্পতিবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দেখা করেন জম্মু ও কাশ্মীরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লাহ। মোদির কাছে চলতি বছরের শেষের দিকে সেখানে নির্বাচন আয়োজনের অনুরোধ জানান তিনি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওষুধ কিনতে গড়িমসি: সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, প্রয়োজন সমন্বিত অ্যাকশন by শুভ্র দেব

কিন্তু সেই ওষুধ এসে কবে দেশে পৌঁছাবে এ বিষয়ে সঠিকভাবে বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ। নগর সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সিটি কর্পোরেশনের চরম অবেহলা ও সমন্বয়হীনতায় ডেঙ্গুর ভয়াবহতা ছড়িয়েছে। কর্তৃপক্ষ সঠিক সময়ে তাদের কাজ করতে পারেনি। অকার্যকর ওষুধ দিয়ে কিছু দৃশ্যমান কাজ তারা করেছে। আর এখন প্রক্রিয়াগত কারণে সহসাই বিদেশ থেকে ওষুধ আনা সম্ভব হচ্ছে না। এজন্য অন্তত ১৫দিন অপেক্ষা করতে হবে।
এদিকে সারাদেশে ডেঙ্গু ভয়ঙ্কর রুপ ধারণ করলেও এ রোগের প্রধান বাহক এডিস মশা নিধনের ওষুধ নিয়ে জটিলতা কাটছে না। সিটি কর্পোরেশন সূত্র বলছে, পরীক্ষা নিরীক্ষার পর পুরাতন ওষুধ দিয়েই মশা নিধনের কার্যক্রম চলছে। কিন্তু কিছু কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বলছে এসব অকার্যকরী ওষুধ ব্যবহার করে কোন ফল আসছে না। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো. সোহরাওয়ার্দীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ এক নির্দেশে বলেছেন, বিশেষ ব্যবস্থায় দুই সিটি কর্পোরেশনকে দিয়েই মশা নিধনের উন্নত মানের ওষুধ আমদানি করতে হবে। আদালত বলেন, ওষুধ আনতে সিটি কর্পোরেশনের ব্যর্থ হওয়ার সুযোগ নাই। কারণ সরকার বলেছে ওষুধ সিটি কর্পোরেশনকে আনতে হবে। অতএব সকল দায়দায়িত্ব সিটি কর্পোরেশনের। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে সংকট মোকাবেলায় সম্ভব হলে সরকারকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ওষুধ আমদানি করে ঢাকার দুই সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের সকল সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভায় সরবরাহ করতে বলা হয়েছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই সিটি কর্পোরেশন দুটি কোম্পানির মাধ্যমে মশার ওষুধ সরবরাহ করে। উত্তর সিটি কর্পোরেশন নোকন নামের একটি কৃষি ও কীটনাশক বিক্রয়কারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ওষুধ কিনে। আর দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনকে লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্টস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান নারায়নগঞ্জের ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস লিমিটেডের মাধ্যমে ওষুধ দেয়। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষনা কেন্দ্র বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর‘বি) এসব ওষুধ পরীক্ষা করে বলেছে এসব ওষুধ অকার্যকর। সরকারের রোগ নিয়ন্ত্রণ শাখা (সিডিসি) একই কথা বলেছে। সূত্রমতে, ওষুধ কেনার আগে আইইডিসিআর প্রথমে পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেয়। এরপর আইসিডিডিআরবি, সায়েন্স ল্যাবরেটরি, কীটতত্ত্ব বিভাগের রিপোর্ট পাওয়ার পর বিশেষজ্ঞ কমিটি ওষুধ ক্রয়ের অনুমোদন দেয়। নতুন কোনো কোম্পানি এই ধাপগুলো পার করে ওষুধ আমদানির সুযোগ পায় না।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহি কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, নতুন ওষুধ আসতে সাত দিন সময় লাগতে পারে। হাইকোর্টের নির্দেশের পর সরকারের কৃষি মন্ত্রনালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ও আইন মন্ত্রলায় সকল প্রকার প্রস্তুতি নিয়েছে। আশা করছি ওষুধ আনতে কোন বাধা থাকবে না। এছাড়া ইতিমধ্যে আমাদের কাছে বিদেশ থেকে বেশ কিছু মশার ওষুধের নমুনা এসেছে। শুক্রবার, শনিবার ও রোববার সরকারি দুটো সংস্থা নমুনা নিয়ে পরীক্ষা করছে। ফলাফল আসার পরই এগুলো কাজে লাগানো যাবে। তিনি বলেন, এর আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের স্টকে থাকা পুরাতন ওষুধ দিয়ে কাজ চালাচ্ছি। আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত যে পরিামান স্টক আছে সেটা দিয়ে আরও ১০/১৫ দিন চালানো যাবে। আর উত্তর সিটি কর্পোরেশনের আইনজীবী তৌফিক এনাম টিপু বলেছেন, মশা নিধনের ওষুধ চায়না থেকে কুরিয়ার সার্ভিসে আনা হবে। পরীক্ষা নীরিক্ষা করে ওষুধ আনতে ১৪দিন সময় লাগবে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেডিকেল অনুষদের সাবেক ডিন অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহ বলেন, সিটি কর্পোরেশন তাদের মত করে কাজ করবে। এখানে আমাদের বলার কিছু নাই। আমরা বললে কোন কাজ হবে না। তারা যদি নিজেদের কাজ নিজেরা করতে না পারে তবে বলার কিছুই নাই। মশা নিয়ে তাদের পূর্ব প্রস্তুতি আগেও ছিল না এখনও নাই। হঠাৎ করে এমন পরিস্থিতি প্রকট হওয়াতে অভিজ্ঞতার অভাবে তারা পেরে উঠছে না। ভারতে সারা বছরজুড়ে মশা মারে। আর ঢাকায় পরিস্থিতি ভয়ানক হবার পর মশা মারা শুরু করেছে। এখন অনেক দেরী হয়ে গেছে। এমনকি তারা যে ওষুধ ব্যবহার করছে সেটি অকার্যকর হয়ে গেছে। নতুন ওষুধ কবে আসবে সেটি কার্যকরি হবে কিনা এটাও দেখতে হবে। প্রক্রিয়াটি অনেক সময় সাপেক্ষ।
তিনি বলেন, ইতিমধ্যে ডেঙ্গু ভয়ানক হয়ে দাড়িয়েছে। তাই এখন আমাদের ব্যক্তিগত সতর্কতাই জরুরি হয়ে গেছে। আমরা নিজেরাই মশার কামড় থেকে বাঁচার জন্য কাজ করব। দিনের বেলা মশারি টানানো, লম্বা জামা কাপড়, মোজা পরতে হবে। বিভিন্ন লোশন আছে সেগুলো হাত পায়ে মাখা যেতে পারে। বাড়ি-ঘরের আনাচে কানাচে, আঙ্গিনায় যেখানে মশা জন্মাতে পারে এসব স্থানে স্প্রে করতে হবে। কোথাও যদি পানি জমে থাকে তবে সেগুলো ফেলে দিতে হবে। যাতে মশা যেন ডিম পাড়তে না পারে। বসত বাড়ি নিজেরাই পরিষ্কার করতে হবে।
স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন বলেন, যুদ্ধ লাগলে যেমন শুধু নির্দিষ্ট একটি বাহিনী দিয়ে যুদ্ধ হয় না তেমনি এডিস মশার বিরুদ্ধে ওষুধ নিয়ে নামলে হবে না। মশা নিধনের চারটি কাজের মধ্যে একটি হচ্ছে ওষুধ। যা দিয়ে কখনই মশা নিধন সম্ভব নয়। অথচ সিটি কর্পোরেশনের সবচেয়ে বেশি আগ্রহ ওষুধ নিয়ে। তাদের সবচেয়ে বেশি বাজেট ওষুধ ক্রয়ের জন্য নির্ধারিত থাকে। তাদের চিন্তা চেতনা শুধু মশা মারা নিয়ে। যদি মশা মারলেই সমাধান হত তাহলে বছরের পর বছর ধরে মশাই মারা হচ্ছে তবুও মশা কমছে না। আমরা মশা থেকে রেহাই পাচ্ছি না। বরং ডেঙ্গু, ম্যালেয়িয়া আরও বাড়ছে।
তিনি বলেন, মশার ওষুধ কোন জায়গায় দিতে হবে সেটা তাদের জানা নাই। সিটি কর্পোরেশন রাস্তার ও ড্রেনের মশা মারে। এই মশায় ডেঙ্গু হয় না। রাস্তায় কোনো এডিস মশা থাকে না। কর্পোরেশন ইদুর ও বিড়াল মারা নিয়ে ব্যস্ত অথচ বাঘ এসে ক্ষতি করে যাচ্ছে সেদিকে খেয়াল নাই। তারা বলছেন সব শত্রুকে ধ্বংস করে ফেলেছি। বাস্তবে বড় শত্রুকে তারা স্পর্শই করতে পারে নাই। এডিস মশা থাকে মানুষের বাড়ি ঘরের ভেতরে। যেখানে সিটি কর্পোরেশনের লোকজন যেতে পারে না। তাই তাদের দায়িত্ব হল দুটি এডিস মশা ও ডেঙ্গু থেকে সহনশীল অবস্থার মধ্যে যদি নিয়ে আসতে চায় তবে সঠিক ব্যবস্থাপনা দরকার। এছাড়া যারা ওষুধ ছিটাবে তারা কোথায় ছিটাবে, কখন ছিটাবে, কিভাবে ছিটাবে, কোন ওষুধ কোথায় দিবে এটা যদি তারা না জানে তাহলে হবে না। তারা মশাই চিনে না। তিনি বলেন, ইদুরকে যদি বিড়াল মনে হয় আর বাঘকে যদি বিড়াল মনে হয় তাহলে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হবেই। তাই সিটি কর্পোরেশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে মশা সম্পর্কে ট্রেনিং নিতে হবে। মশা নিধনের দেওয়ার তাদেরকে নিশ্চিত হতে হবে। আর নিশ্চিত হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ ও একটা পরিকল্পনার মধ্যে দিয়ে তাদেরকে যেতে হবে। বাংলাদেশের কোনো সিটি কর্পোরেশনে এই কাজগুলো করা হয় না। তারা শুধু মশার ওষুধ কেনা নিয়ে ব্যস্ত কারণ এটি করলে প্রচুর দৃশ্যমান কাজ দেখানো যায়।
সিটি কর্পোরেশনের কোথাও কিটতত্ত্ববিদ বলে লোক খোঁজে পাওয়া যায় না বলেও মন্তব্য করেছেন এই নগরবিদ। তিনি বলেন, পদ আছে ৬/৭টি করে। কিন্তু এখানে কাউকে নিয়োগ দেয়া হয় না। কয়েকজন নিয়োগ দেয়া হয়েছিল পরে কয়েকমাস ধরে তাদের বেতন বাকি পড়ায় তারা চলে গেছে। মশার ওষুধ নিয়ে আনা হয় কিন্তু সিটি কর্পোরেশন সেগুলো পরীক্ষা করার প্রয়োজন মনে করছে না। কোন ওষুধ কিভাবে কাজ করবে অঞ্চল ভিত্তিক তার পরীক্ষা তারা করছে না এমনকি ল্যাবে নিয়ে কোন পরীক্ষা করে না যার মাশুল তাদেরকে এখন দিতে হচ্ছে। যার যে কাজ সে সেটা করছে না। চরম সমন্বয়হীনতার মধ্যে দিয়ে চলছে।
নগরবিদ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম বলেন, সময় অনেক পার হয়ে গেছে। যে কাজটি সারা বছর ধরে করার কথা সেটি চুড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছালে করে কোনো লাভ নাই। মশানিধন, মশার পরিবেশ নষ্ট এসব কাজের জন্য সিটি কর্পোরেশনের বিভাগ আলাদা করা আছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারি রয়েছেন। তাদের নিয়মিত বাজেট দেয়া হয়। তাদের কর্মকান্ডে নির্ধারিত করা আছে। কিন্তু তারা সেই কাজটি করে না। দায়িত্বপালনে তাদের সাংঘাতিক ধরনের অবহেলা আনাড়িপনা ও উদাসীনতা রয়েছে। তারা তাদের নির্ধারিত দায়িত্ব পালন করে না। তাদের কাজে উৎকন্ঠাও নাই গরজও নাই। হঠাৎ করে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হওয়ায় তারা দিশেহারা হয়ে গেছে। তিনি বলেন, তাদের নিজেদের দায়িত্বের পাশপাশি নাগরিকদেরও দায়িত্ব আছে। আমরা আমাদের নিজেদের বাড়ি ঘর পরিষ্কার করতে পারতাম। কিন্তু সেই পরিবেশও নাই। কারণ আমার বাড়ি পরিষ্কার রেখে কি লাভ। আশেপাশের অবস্থা যদি অপরিষ্কার থাকে। এক্ষেত্রে নাগরিককে সচেতন করার জন্য সিটি কপোরেশনের কেন্দ্রীয় দায়িত্ব থাকার কথা ছিল। সেটি তারা করেনি। এই মূহুর্তে তারা কোন জায়গা থেকে ভাল ওষুধ আনবে সেটাও তারা জানে না। সবকিছু মিলিয়ে তাদের মধ্যে যে আনাড়িপনা আমরা দেখি সেটা কোনোভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, সবাই শুধু প্রধানমন্ত্রীর দিকে তাকিয়ে তাকে। তিনি বললে কাজ হবে। কিন্তু একজন মন্ত্রী রয়েছেন তিনি চাইলেই এসব বিষয়ে সমাধান সম্ভব। স্থানীয় সরকার, সিটি কর্পোরেশনকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামলে হবে। সঙ্গে নাগরিকরা থাকবে। এছাড়া শিক্ষার্থীরা যদি তাদের নিজেদের পরিবেশটা ঠিক রাখতে পারে সেটাও কম নয়।
পোকা, বাস্তুসংস্থান ও কিটপতঙ্গ ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করেন প্রফেসর ড. কবিরুল বাশার। তিনি বলেন, ওষুধ কেনার প্রক্রিয়াটা খুব জটিল। সেটা সহজে কেনা যায় না। একটা উইং প্রক্রিয়াটাকে এমন জটিল করে রেখেছে যেটা আমাদের জন্য বাজে পরিস্থিতি হয়ে দাড়িয়েছে। কারো সাধ্য নাই খুব দ্রুত সময়ে ওষুধ কেনার। একটা নির্দিষ্ট সময় লাগবেই। যেহেতু এই ওষুধ আমাদের দেশে তৈরি হয় না তাই বিদেশ থেকে আনতে গেলে কমপক্ষে ১৫ দিন সময় লাগবে। তিনি বলেন, আমি সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষকে বলেছি নতুন ওষুধ আসার আগ পর্যন্ত বসে থাকলে হবে না। পুরাতন ওষুধের মাত্রা বাড়িয়ে সঠিক সময়ে প্রয়োগ করতে হবে। আর ওইটা যদি বন্ধ করে দিয়ে নতুনটার অপেক্ষা করি তাহলে হবে না। বরং ক্ষতি হয়ে যাবে। তাই পুরাতনটাই সঠিক, মাত্রায় সঠিকভাবে তিন মিনিট পর স্প্রে করলে কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।
পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হবার পর কেন সিটি কর্পোরেশন মশা নিয়ে কাজ করছে এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমাদের দেশের মুল সমস্যা এটাই। আমরা বিপদে না পড়লে কোনো কিছু নিয়ে মাথা ঘামাই না। মশা নিধন সারা বছরই করতে হবে এবং ডেঙ্গু সিজন আসার ছয় মাস আগেই একটা পরিকল্পনা রাখতে হবে। কারণ বৃষ্টিপাত শুরু হলেই ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা থাকে। আমাদের দেশে পূর্ব প্রস্তুতি ছিল না। তাই এই সংকট তৈরি হয়েছে। তিনি বলেন, মশা নিধনের জন্য কলকাতা থেকে বিশেষজ্ঞ আনা হচ্ছে। অথচ দেশেই মশা বিশেষজ্ঞ আছে তাদের কথা না শুনেই বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনা হচ্ছে। যদি দেশের বিশেষজ্ঞরা ব্যর্থ হয় তাহলেই টাকা খরচ করে বিদেশ থেকে আনুন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক বছর পর ঈদের নাটকে নওশাবা
জামাল হোসেনের রচনায় এবং ইয়ামিন ইলানের চিত্রনাট্য ও পরিচালনায় স্মারক নাটকে গুরুত্বপূর্র্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন নওশাবা। ঈদুল আজহা উপলক্ষে বেসরকারি টিভি চ্যানেলে নাটকটি প্রচারিত হবে।
নওশাবা জানান, ঈদ উপলক্ষে নাটকটির শুটিং গতকাল থেকে শুরু হয়েছে। একটি পারিবারিক আবহের গল্প নিয়ে সাজানো হয়েছে নাটকটি। অনেকদিন পর নাটকে অভিনয় করছি। কাজ করে ভালো লাগছে। বাকিটা দর্শক টিভি পর্দায় দেখে মূল্যায়ন করবে। আশা করছি দর্শক হতাশ হবে না।
নওশাবা অভিনয়ের পাশাপাশি একটি স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র আলোর খোঁজে পরিচালনা নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। আর দূরন্ত টিভিতে স্বপ্ন আকার দল নামে একটি বাচ্চাদের অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হু হু করে বাড়ছে মশক নিধন পণ্যের দাম

তবে এটাকে সুযোগ হিসেবে নিয়েছে একটি চক্র। তারা মশক নিধন পণ্যের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।
নিরুপায় হয়ে বেশি দামেই এসব পণ্য কিনতে হচ্ছে। এদিকে পাইকারি বিক্রেতাদের দাবি, মানুষের আতঙ্ক, প্রয়োজন আর চাহিদার সুযোগ নিচ্ছেন এলাকার খুচরা বিক্রেতা ও দোকানিরা।
বাজারে আকস্মিক বেশি চাহিদা থাকায় এসব পণ্যের সরবরাহও করতে পারছে না অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এই সুযোগে এসব মশা নিধনের পণ্যের দামও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিক্রেতারা। ডেঙ্গু জ্বরের বাহক এডিস মশা থেকে বাঁচতে বাধ্য হয়ে বাড়তি দামেই প্রয়োজনীয় এসব পণ্য কিনছেন নগরবাসী। ফলে বাড়তি টাকা পকেট থেকে যাচ্ছে ভোক্তা সাধারণের।
রাজধানীর কয়েকটি বাজার সরজমিন দেখা গেছে, আগের যে কোনো সময়ের তুলনায় অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে, মশারি, কয়েল ও অ্যারোসলসহ নানা কোম্পানির মশা তাড়ানোর স্প্রে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা মশারির। বর্তমানে ৩ বাই ৪ ফিট থেকে সর্বোচ্চ সাড়ে ৮ বাই ৯ ফিট সাইজের মশারি বাজারে পাওয়া যায়। এর মধ্যে সিঙ্গেল বা ৩ বাই ৪ ফিট সাইজের চাহিদা বেশি। এসব মশারির দাম ২০০ টাকা থেকে শুরু করে ৮০০ টাকা পর্যন্ত চাচ্ছেন বিক্রেতারা। অথচ এক সপ্তাহ আগে এসব সাইজের মশারির দাম ১০০ টাকা থেকে ৬০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যেত। তবে মশারির মান ও আকৃতিভেদে ৬০০ থেকে ১২০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে।
কাওরানবাজার কিচেন মার্কেটের বিপরীতে ফুটপাথের মশারি বিক্রেতা মানিক মিয়া জানান, ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধির পর থেকে মশারির চাহিদা ব্যাপক বেড়েছে। আগে যেখানে দিনে ৫০ থেকে ১০০ পিস বিক্রি হেতো। এখন সেখানে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ২০০ পিস। কোনো কোনো দিন দোকানে নিয়ে আসা সব মশারি শেষ হয়ে যায়।
তিনি বলেন, চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি দাম বেড়েছে। পাইকারি বাজারেই প্রতি পিস ২০ টাকা থেকে ৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। এর সঙ্গে আমরা আরো কয়েক টাকা বেশি ধরে বিক্রি করছি। তার মতে, আসলে আমাদের করার কিছুই নেই। কারণ বেশি দামে কিনে আনি, বেশি দামে বিক্রি করি। আরেক ব্যবসায়ী নাজিম জানান, ক্রেতা বেড়ে যাওয়ায় চাহিদা পূরণ করা যাচ্ছে না। আগে যে মশারি ১২০ থেকে ১৩০ টাকায় ক্রয় করতে পারতেন ব্যবসায়ীরা- ওই মশারি এখন পাইকারি দামে ১৫০ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। যে কারণে দোকান থেকে তা ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়। আর যে মশারি ১৮০ থেকে ২০০ টাকায় ক্রয় করতেন ব্যবসায়ীরা সেটা এখন ২২০ থেকে ২৩০ টাকায় ক্রয় করতে হচ্ছে। খুচরা বাজারে তা বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেতে ৩৫০ টাকায়।
এদিকে মশারির পাশাপশি মশা মারার বৈদ্যুতিক ব্যাটের প্রতিটির দাম কয়েক সপ্তাহ আগে ছিলো ২০০ থেকে ২৫০ টাকা। এখন তা ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে রাজধানীর বিভিন্ন মার্কেটে। মূল্যবৃদ্ধির কারণ সম্পর্কে কাওরান বাজারের ইলেক্ট্রনিক্স মার্কেটের ব্যবসায়ী শফিকুল ইসলাম বলেন, ব্যাটগুলো এখনো দেশে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হয় না। বাইরে থেকে আসে। ডেঙ্গুর প্রকোপের মধ্যে সরবরাহ কম থাকায় দাম বেড়ে গেছে।
ওডোমস ও রোলঅন ক্রিমের চাহিদা বেশ বেড়েছে। মশা থেকে রক্ষা পেতে ক্রিমগুলো কিনছেন ক্রেতারা। বাজারে ওডোমস অয়েন্টমেন্ট ১০০ গ্রাম ক্রিম অন্য সময়ে ২০০ টাকার কম দামে বিক্রি হয়। এখন তার দাম বেড়ে হয়েছে ৩০০ টাকা। ক্রেতারা জানিয়েছেন, দাম বেশি দিয়েও ক্রিম পাওয়া যাচ্ছে না ওষুধের দোকানগুলোতে।
বাজারে মশা মারার স্প্রে ক্যানপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ টাকা দাম বেড়েছে। হিট ব্র্যান্ডের ৪৭৫ মিলি লিটারের স্প্রে ২৭০ টাকায় বিক্রি হলেও এখন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এই ব্র্যান্ডের ৮০০ মিলির স্প্রে ক্যান ৪২০ টাকা ছিল। তা বেড়ে ৪৫০ থেকে ৪৭০ টাকা হয়েছে। অন্যান্য ব্র্যান্ডের মধ্যে আগে ছোট স্প্রে ক্যান ৮০ টাকায় বিক্রি হলেও তা এখন ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাওরান বাজার কিচেন মার্কেটে দ্বিতীয় তলার বিসমিল্লাহ ট্রেডার্সের মালিক সেলিম হোসেন বলেন, মশার স্প্রের বিক্রি দ্বিগুণ হয়েছে। আগে মাসে ২০ থেকে ২৫ কার্টন (প্রতিটিতে ১২টি করে) স্প্রে বিক্রি হতো। গত ৩ দিনেই প্রায় ৪০ কার্টন স্প্রে বিক্রি হয়েছে। অ্যারোসল ক্যানের দাম সামান্য বেড়েছে বলে জানান তিনি। অ্যারোসল ৪৭৫ এমএল ক্যানের দাম ২৬০ টাকা। আর ৮০০ এমএমল ক্যান ৪০০ টাকা।
এদিকে বিভিন্ন কোম্পানির প্রায় ৫০টি ব্র্যান্ডের কয়েল বাজারে আছে। প্রায় সব কোম্পানির কয়েলই বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। সপ্তাহের ব্যবধানে চার-পাঁচ টাকার কয়েলের দাম হয়েছে ৮ টাকা। এ ছাড়া পাঁচ টাকার নিম কয়েল বিক্রি হচ্ছে ৮ টাকায়। বিভিন্ন নামের বুস্টার শ্রেণিভুক্ত কয়েলের দাম ১২ থেকে বেড়ে ১৫ টাকা হয়েছে।
বাংলামোটরের বাসিন্দা নাসরিন বেগম বলেন, আগে শুধু রাতে ঘুমানোর আগে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমাতেন। ডেঙ্গুর কারণে এখন দিনের বেলায়ও কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন।
আরেক ক্রেতা নাসিম হোসেন জানান, পরিবারের জন্য আগে প্রতি মাসে তিন প্যাকেট কয়েল কিনতাম ২৪০ টাকায়। এখন কয়েল চাহিদা আর দাম দুটোই বেড়েছে। মাসে এখন ৬-৭ প্যাকেট কয়েল লাগে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঘণ্টায় ভর্তি ৭০ জন by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ

তবে বেসরকারি হিসেবে এটি কয়েক গুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এছাড়া সরকারি হিসাবে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যুর নিশ্চিত করা হলেও বিভিন্ন হাসপাতালের তথ্য বলছে মৃতের সংখ্যা অর্ধশতাধিক ছাড়িয়েছে। প্রতিদিনই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর খবর পাওয়া যাচ্ছে। গতকালও দুই জন মারা যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এরা হলেন-বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ডেঙ্গু আক্রান্ত এক অন্তঃসত্ত্বা নারী।
তার নাম মালিহা মাহফুজ অন্যা (২৭)। বৃহস্পতিবার রাতে তিনি মারা যান। অপরজন বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান গতকাল বিকােেল। তার নাম আসমা। আসমা হলেন-এমপি পীর ফজলুর রহমানের গাড়ি চালক কবিরের স্ত্রী। এ পর্যন্ত ঢাকার বাইরে ৪ হাজার ১৯০ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে জানানো হয়েছে। এদিকে প্রতিদিনই রোগী বাড়ায় রাজধানীর হাসপাতালগুলো সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছে। ঢাকার হাসপাতালগুলোতে সিট খালি নেই। জেলা শহরের হাসপাতালগুলোতে সুযোগ-সুবিধা সীমিত। এ কারণে রোগীরা বিভাগীয় শহর ও রাজধানীতে ছুটছেন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ৬৪ জেলায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রতিদিন দ্বিগুণ হারে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা। অধিদপ্তর সূত্র বলছে, ডেঙ্গু জ্বরের চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১৪ হাজার ৩৩৯ জন। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৬ হাজার ৫৮২ জন। রাজধানী ব্যতীত ৬৪ জেলা থেকে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ১৯০ আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার খবর দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আগের দিন এই সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৪৬৪ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের পরিসংখ্যান মতে, আগস্ট মাসে দুইদিনে ৩ হাজার ৪০৫ জন আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। গত জুলাই মাসেই আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১৫ হাজার ৬৪৩ জন। গড়ে প্রতিদিন ৫০৪ জনের উপরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। জুন মাসে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এক হাজার ৮৬৩ জন। আর মে মাসে এই সংখ্যা ছিল ১৯৩ জন।
রাজধানীর বাইরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হিসাবে ঢাকা জেলা থেকে ২৮২ জন, গাজীপুর থেকে ১৬০ জন, গোপালগঞ্জ ৩১ জন, মাদারীপুর ৫০ জন, মানিকগঞ্জ ৮৭ জন, নরসিংদী ৫৫ জন, রাজবাড়ী থেকে ৫৬ জন, শরীয়তপুর ২৯ জন, টাঙ্গাইল ৯০ জন, মুন্সীগঞ্জ ৩৭ জন, কিশোরগঞ্জ ১৬২ জন, নারায়ণগঞ্জ ৫৮ জন, ফরিদপুর ১১ জন, ময়মনসিংহ ৩০২ জন, জামালপুর ৬১ জন, শেরপুর ২৫ জন, নেত্রকোনায় ১৩ জন, চট্টগ্রাম থেকে ২৮৯ জন, ফেনীতে ১২২ জন, কুমিল্লা ৮৬ জন, চাঁদপুর থেকে ১৪৯ জন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৪১ জন, লক্ষ্মীপুর ৫২ জন, নোয়াখালীতে ৭২ জন, কক্সবাজার ৩০ জন, খাগড়াছড়ি ১৭ জন, রাঙ্গামাটিতে ৬ জন, বান্দরবন একজন, খুলনায় ২৩০ জন, কুষ্টিয়া থেকে ৯৭ জন, মাগুরা ২০ জন, নড়াইল ১৮ জন, যশোর ১৩৪ জন, ঝিনাইদহ থেকে ৪৩ জন, বাগেরহাট ১০জন, সাতক্ষীরা ৩১ জন, চুয়াডাঙ্গা থেকে ১৭ জন, মেহেরপুর ৬ জন, রাজশাহী থেকে ১১১ জন, বগুড়া ১৭৭ জন, পাবনা ৫৫ জন, সিরাজগঞ্জ ৮১ জন, নওগাঁয় ১৮ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২০ জন, নাটোর ৮ জন, জয়পুরহাট ৪ জন, রংপুর ১৩৩ জন, লালমনিরহাট ৬ জন, কুড়িগ্রাম ১৭ জন, গাইবান্ধায় ১১ জন, নীলফামারী ১৬ জন, দিনাজপুরে ৪৭ জন, পঞ্চগড় ৩ জন, ঠাকুরগাঁও ১৮ জন, বরিশাল থেকে ২০১ জন, পটুয়াখালী ৩৭ জন, ভোলা ২১ জন, পিরোজপুর ১৬ জন, ঝালকাঠি ৮ জন, বরগুনা ৩৫ জন, সিলেট থেকে ১২৫ জন, সুনামগঞ্জ ৯ জন, হবিগঞ্জ ১৫ জন, মৌলভীবাজার ২৮ ডেঙ্গু আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ২রা আগস্ট পর্যন্ত ডেঙ্গুতে ১৪ জনের মৃত্যুর তথ্য দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের মধ্যে এপ্রিলে দু’জন, জুনে দু’জন ও জুলাই মাসে ১০ জন মারা যান। তবে বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্র বলছে মৃত্যুর সংখ্যা অর্ধশতাধিক। বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৮০৬ জন, মিটফোর্ড হাসপাতালে ৩০৮ জন, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ১৩৯ জন, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ৩৪৮জন,হলি ফ্যামিলি রেড ক্রিসেন্ট হাসপাতালে ২০৯ জন, বারডেম হাসপাতালে ৬২ জন, বিএসএমএমইউতে ১৪০ জন, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগ ১৪৫ জন, মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ৩৩৭ জন, বিজিবি হাসপাতালে ৩১ জন,সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে ১০০ জন, কুর্মিটোলায় ৩০৯ জন, রাজধানীর ধানমন্ডি বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৫৫ জন, সেন্ট্রাল হাসপাতালে ১১৩ জন, ইবনে সিনা হাসপাতালে ৮৯ জন,স্কয়ার হাসপাতালে ১০১ জন, কমফোর্ট নার্সিংয়ে ৯ জন, শমরিতায় ৪১ জন, ল্যাব এইডে ২৭ জন, হাই কেয়ার হাসপাতালে ৬০ জন, হেলথ এন্ড হোপে ২৪ জন, গ্রীনলাইফে ৬৬ জন, ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল কাকরাইলে ১১০ জন, ইউনাইটেড হাসপাতালে ৭৫ জন, খিদমা হাসপাতালে ৩৪ জন, শহীদ মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ ৬৫ জন, সিরাজুল ইসলাম মেডিকেলে ১০৭ জন, এ্যাপোলো হাসপাতালে ৮০ জন, আদ-দ্বীন হাসপাতালে ১১২ জন, সালাউদ্দিন হাসপাতালে ৫৫ জন, পপুলার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫২ জন, ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৮০ জন, বিআরবি হাসপাতালে ৩৫জন, আজগর আলীতে ২০ জন, বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ৪৩ জন, উত্তরা আধুনিকে ৮৬ জন, আনোয়ার খান মর্ডানে ৪০ জন ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চট্টগ্রামে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু

গত বৃহসপতিবারও নতুন করে আক্রান্ত আরো ৩৬ জন ডেঙ্গু রোগী চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা-উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আর এ নিয়ে বৃহত্তর চট্টগ্রামে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ২৩২ জনে দাঁড়িয়েছে।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে শুক্রবার সকালে সর্বশেষ এ তথ্য জানানো হয়েছে। তবে এর বাইরেও আরো অনেক ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর তথ্য মিলছে নগরীর বিভিন্ন হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের চেম্বারগুলো থেকে।
যার সংখ্যা তিন শতাধিক হতে পারে।
যাদের বেশিরভাগই নিজ বাসা বা বেসরকারি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন। এরমধ্যে শিশুদের সংখ্যাও উল্লেখ করার মতো। কিন্তু কীটস সংকটের কারণে এদের অনেকের ডেঙ্গু পরীক্ষাও হচ্ছে না।
এছাড়া গত ২০শে জুলাই চট্টগ্রাম মহানগরীর মোগলটুলি এলাকায় একটি বেসরকারি ক্লিনিকে তাজবির খান নামে (১০) এক শিশু ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাওয়ার তথ্যও মিলেছে। যার কোনো হিসাব নেই চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষের কাছে।
অথচ চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক (রোগ ও নিয়ন্ত্রণ) মো. নুরুল হায়দার ডেঙ্গু রোগে শিশু তাজবিরের মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করেন। এমনকি স্থানীয় কাউন্সিলর আব্দুল কাদেরও এ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন।
জুলাই মাসের শুরুর দিকে টানা বৃষ্টির পর নগরীর প্রত্যন্ত এলাকায় ডেঙ্গু ছড়িয়ে পড়লেও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ নগর ও জেলা-উপজেলার সরকারি কোনো হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষার সুযোগ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েন রোগী ও স্বজনরা। ফলে নগরীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ১২০০-১৮০০ টাকা পর্যন্ত খরচে ডেঙ্গু পরীক্ষা করাতে হয়।
চট্টগ্রাম বিভাগে একমাত্র ফৌজদারহাটের বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ (বিআইটিআইডি) হাসপাতালে ৩০০ টাকায় প্রাথমিক পর্যায়ের ডেঙ্গু পরীক্ষার সুযোগ থাকলেও সেখানেও রি-এজেন্ট বা কীটস সংকট থাকায় পরীক্ষা তেমন হয়নি।
তবে গত ৩০শে জুলাই থেকে সরকারিভাবে চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা-উপজেলা সরকারি হাসপাতালসমূহে কিটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম পৌঁছার পর বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছেন আক্রান্তরা। তবে এক্ষেত্রে সবার কপালে জুটছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
এ সুবাধে নগরীর বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে এখনো সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে তিন-চারগুণ বেশি ফি আদায়ে ডেঙ্গু পরীক্ষা চলছে। এ কারণে গত বুধবার নগরীর অভিজাত সিএসসিআর হাসপাতালকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভোক্তা অধিকার।
চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী এ প্রসঙ্গে বলেন, সরকারিভাবে ডেঙ্গু পরীক্ষার কিটস ও সরঞ্জাম পৌঁছায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ নগর ও জেলা-উপজেলার সরকারি হাসপাতালগুলোতে ডেঙ্গু পরীক্ষা বিনামূল্যে করা হচ্ছে। এতে ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর শনাক্তকরণ বাড়ছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামের ১৫ উপজেলার জন্য সরকারিভাবে ৫২০টি কীটস পাওয়া গেছে। এতে পরীক্ষার সুযোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ডেঙ্গু রোগী শনাক্তও বাড়ছে। বৃহস্পতিবার নতুন করে ডেঙ্গু আক্রান্ত আরও ৩৬ জন রোগী চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা-উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। আগের দিন বুধবার ভর্তি হয়েছে ২৮ জন ডেঙ্গু রোগী। এর আগের দিন মঙ্গলবার ভর্তি হয়েছে ৩২ জন। সোমবার ভর্তি হয়েছে সর্বাধিক ৪১ জন। সব মিলিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে ভর্তি হয়েছে ১৯২ জন। বৃহত্তর চট্টগ্রামের জেলা ও উপজেলাসহ মোট ২৩২ জন ডেঙ্গু রোগী শনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে পুরুষের সংখ্যাই সর্বাধিক। শিশুর সংখ্যা ১৪। নারীর সংখ্যাও কম।
তিনি বলেন, ঢাকার মতো চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর বিস্তার তেমন ঘটেনি। আক্রান্তদের অধিকাংশই পুরুষ। যাদের বেশিরভাগই ঢাকা থেকে আক্রান্ত হয়ে এসেছেন। শিশু ও নারীর সংখ্যাও কম। এ থেকে প্রমাণ হয় চট্টগ্রামে ডেঙ্গুর প্রকোপ নেই।
তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম বৃষ্টিপাতের আগে থেকেই ছিল। সচেতনতামূলক প্রচার-প্রচারণাও কার্যক্রম চালায়। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেও সচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম পরিচালনা করায় ডেঙ্গু রোগের তেমন বিস্তার ঘটেনি। তবে গত বছরের তুলনায় এবার ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি বলে জানান তিনি।
এদিকে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার ঘটার বিষয়ে অন্যরকম তথ্য মিলছে বেসরকারিভাবে চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও সচেতন নাগরিক সমাজ থেকে। তাদের দেওয়া তথ্যমতে, নগরে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ছাড়াও আরো শত শত ডেঙ্গু রোগী রয়েছে। যারা বাড়ি ও ক্লিনিকে থেকে প্রাইভেট চিকিৎসা চালাচ্ছেন। তার কোনো হিসেব সিভিল সার্জন কর্তৃপক্ষের কাছে।
এমনকি গত ২০শে জুলাই নগরীর মোগলটুলি কাটাবটগাছ এলাকার লোকমান খানের ১০ বছরের ছেলে তাজবির খান একটি ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায়। তারও কোনো তথ্য নেই সিভিল সার্জনের কাছে। তাজবির খানের বাবা লোকমান খান জানান, ১২ই জুলাই হঠাৎ করেই মাথাব্যথা আর জ্বরে আক্রান্ত হয় তাজবীর। শুরু থেকে চিকিৎসকের পরামর্শ নিলেও দুর্ভাগ্যজনকভাবে প্যাথলজি পরীক্ষায় প্রথমে ডেঙ্গু ধরা পরেনি। পরে ১৮ই জুলাই ক্লিনিকে ভর্তির পর শিশু তাজবিরের দেহে ডেঙ্গু ধরা পড়ে। দিন দিন ছেলের অবস্থার অবনতি হতে হতে ২০শে জুলাই ভোরে মারা যায় তাজবির।
মোগলটুলি ওয়ার্ডের কাউন্সিলর আব্দুল কাদের বলেন, দীর্ঘদিন বিদেশ থেকে ফিরে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে শিশু তাজবিরের মৃত্যু সংবাদ পাই। আগে থেকেই আমাদের মশক নিধন কার্যক্রম ছিল। তাজবিরের মৃত্যুর পর আমরা এই কার্যক্রম আরো জোরালো করেছি।
নগরবাসীরা জানান, মশক নিধনে চসিকের ক্রাশ প্রেগ্রাম চলছে। তবুও বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী। বর্তমানে নগরীর সব হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী বেশি। এরমধ্যে শিশুর সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। অনেক শিশু জ্বর-কাশিতে ভুগলেও তাদের ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে না। তাদের পরীক্ষা করা হলে ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা দ্বিগুণ বেড়ে যেতে পারে।
চমেক হাসপাতালের শিশু বিভাগের অধ্যাপক নাসির উদ্দিন মাহমুদ বলেন, প্রাপ্তবয়স্ক নারী-পুরুষরা ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে সাধারণত জ্বর আসে। কিন্তু শিশুদের অনেকের ক্ষেত্রে জ্বরের লক্ষণ দেখা যায় না। রক্তের মধ্যে যে পানি রয়েছে তা শিশুদের শরীরের বিভিন্ন অংশে ছড়িয়ে পড়ে। শরীরে তরলের তারতম্য হয়ে যায়। এসময় তাদের ব্লাড প্রেসার কমে যায়। তখন শিশুরা মারাও যেতে পারে। ডেঙ্গুরোগ প্রাপ্ত বয়স্কদের চেয়ে শিশুদের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি বলে জানান এই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক।
চমেক হাসপাতালের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে জানানো হয়, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ পর্যন্ত ১৫২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এরমধ্যে অর্ধেক সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন। বর্তমানে হাসপাতালের ৯, ১৩, ১৪ ও ১৬নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু ব্লকে ৭৩ জন রোগী চিকিৎসাধীন।
একইভাবে নগরীর জেনারেল হাসপাতাল, আগ্রাবাদ মা ও শিশু হাসপাতাল, বেসরকারি ম্যাক্স হাসপাতাল, সিএসসিআর, পার্কভিউ হাসপাতাল, ন্যাশনাল হাসপাতাল, মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, এপিক হাসপাতালে আরও ৭৪ জনের মতো ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসা নেয়। এরমধ্য থেকেও এক-তৃতীয়াংশ রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।
এছাড়া চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন এবং চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২ জন ডেঙ্গু রোগী চিকিৎসাধীন। টেকনাফেও ডেঙ্গু আক্রান্তের খবর পাওয়া গেলেও তার কোনো হিসাব নেই সিভিল সার্জনের কাছে।
এদিকে নগরীর বেসরকারি মা ও শিশু হাসপাতালের শিশু স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. আবু সাঈদ চৌধুরী জানান, ২৫০ শয্যার এ হাসপাতালে শয্যার অতিরিক্ত রোগী ভর্তি করানো হয় না। এরপরও ৩০০ রোগী বর্তমানে ভর্তি রয়েছে। এরমধ্যে জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। কিন্তু তাদের কারো ডেঙ্গু পরীক্ষা হয়নি। কারণ হাসপাতালে কীটস সংকট রয়েছে।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সূত্রমতে, চট্টগ্রাম মহানগর ও জেলা-উপজেলার সবকটি সরকারি হাসপাতালের জন্য বৃহস্পতিবার রাতে ১৫ হাজার ডেঙ্গু পরীক্ষার কীটস আনা হয়েছে। যা মোটেও পর্যাপ্ত নয়। ফলে ডেঙ্গু পরীক্ষা মূলত ব্যাহত হচ্ছে। অন্যদিকে সরকারিভাবে ডেঙ্গু পরীক্ষার ফি ৫০০ টাকা নির্ধারণের পর অতিরিক্ত ফি নেওয়ায় সিএসসিআর হাসপাতালকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করায় বেসরকারি সব হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষা বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে ভোগান্তি অনেকগুণ বেড়ে গেছে রোগী ও স্বজনদের।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুরে গরু মোটাতাজাকরণে ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট ও ক্ষতিকর তুলা by ইকবাল আহমদ সরকার

এবার গাজীপুরে পর্যাপ্ত সংখ্যক পশু লালন পালন হচ্ছে কোরবানির জন্য। সরকারি হিসেবে প্রায় অর্ধলক্ষ গরু এবার গাজীপুরের কয়েক হাজার ছোট-বড় খামারে মোটাতাজাকরণ ও লালন-পালন করা হচ্ছে।
জেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, শ্রীপুর উপজেলার মাওনা ইউনিয়নের সলিম মোড় এলাকায় জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এস. এম. তরিকুল ইসলামের নির্দেশে গত ২৪শে জুলাই মৎস্য খাদ্য ও পশুখাদ্য আইন, ২০১০ এর আওতায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। এ সময় গো-খাদ্য হিসেবে গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট, পরিত্যক্ত ও ক্ষতিকর তুলা বিক্রির অভিযোগে মকবুল নামে একজনকে আটক করা হয়। তাকে বর্ণিত পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করাসহ প্রাপ্ত উচ্ছিষ্ট তুলা জব্দ করা হয়। এ ছাড়া তারেক নামের অপর এক ব্যবসায়ীর দোকানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমান উচ্ছিষ্ট তুলা, তুলা মেশানোর মেশিন ও জেনারেটর জব্দ করা হয়। অভিযানের পূর্বেই তারেক পালিয়ে যয়। অভিযানের সময় আশেপাশে উপস্থিত জনগণকে উচ্ছিষ্ট তুলা গো-খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হলে পশুস্বাস্থ্য, মানব স্বাস্থ্য ও পরিবেশের উপর যে ক্ষতিকর প্রভাব পড়বে তার সম্পর্কে অবহিত করা হয় এবং সচেতনতামূলক লিফলেট বিতরণ করা হয়। ওই অভিযানে নেতৃত্ব দেন শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ শামসুল আরেফিন। খামারি, কৃষক ও শ্রমিকরা জানান, ঈদে দেশীয় গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় খামারের পাশাপাশি গরু মোটাতাজা করছেন জেলার অনেক কৃষক। তবে জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ায় এবং গতবার লাভ কিছুটা কম হাওয়ায় এবার খামারে গরু পালন কিছুটা কমেছে। এবার মাঝারি সাইজের গরু লালন পালন বেশি হচ্ছে। যেগুলোর দাম এক লাখ টাকার মতো। তারা মনে করেন, এক লাখ টাকার চেয়ে বেশি দামের পশু কোরবানি দেয়ার লোকের সংখ্যা খুবই কম। এছাড়াও আগের চেয়ে কোরবানির জন্য লোকজনের বাজেট কমে গেছে। খামারিরা বলছেন, এলাকায় বেশির ভাগ খামারি দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন। সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে ঘাস-খড়ের পাশাপাশি খৈল, ভূষি খাওয়ানো হচ্ছে। খামারিরা বলছেন, দেশীয় পদ্ধতিতে গরু পালনে ব্যয় হয়েছে বেশি, কিন্তু বাজারমূল্যে লাভবান নয় তারা। গো-খাদ্যের দাম বৃদ্ধি ও শ্রমিক খরচ বেড়ে যাওয়ায় গরু লালন পালনে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে খামারিকে।
সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যসম্মত পদ্ধতিতে গরু লালন পালন করা হলে দেশি দানাদার খাদ্য ও ঘাসের পাশাপাশি প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে ভিটামিন ও ক্যালসিয়ামও দেয়া হচ্ছে। তবে দেশীয় ও প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে পশু চাষাবাদে লাভ কম হওয়ায় এক শ্রেণির খামারি ও কৃষকরা বেশি লাভের আশায় ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার করেই মোটাতাজা করা হচ্ছে। বিভিন্নস্থানে বিক্রিও হচ্ছে এসব। ভেজাল খাবারও খাওয়ানো হচ্ছে কোথাও কোথাও। ঈদ আরো কাছে চলে আসলে এসবে ব্যবহার আরো বেড়ে যায়। এতে করে প্রকৃত খামারিরা লোকসানে পড়ে। তবে লোকসান এড়াতে দেশে যাতে অবৈধভাবে ভারতীয় গরু আসতে না পারে সেদিকে কঠোর নজরদারি বাড়াতে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দীপক রঞ্জন রায় জানান, ঈদ সামনে রেখে প্রতিটি উপজেলায় তাদের কর্মীরা কাজ করছেন। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার নেতৃত্বে প্রতিটি উপজেলায় মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছে খামারগুলো। খেয়াল রাখা হচ্ছে, যাতে মোটাতাজাকরণে কোনো ধরনের ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে। এছাড়াও খামারি ও কৃষকদের সঙ্গে জনসচেতনতামূলক সভা করাসহ নানা ভাবে সচেতন করা হচ্ছে, যাতে কোনোভাবেই ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করা হয়। জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যমতে, গাজীপুর মহানগর ও জেলার ছোট-বড় ৫ উপজেলায় ৫ হাজার ৪শ’ ৮০ জন খামার রয়েছে। এসব খামারে ৪৮ হাজার ৪৯৮টি গরু, মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে। এ ছাড়া ছাগল এবং ভেড়াও রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মুক্তিযোদ্ধার মায়ের আহাজারি by খাইরুল মোমেন স্বপন

ভরণ-পোষণসহ সকল দায়িত্ব পালন করতেন ছেলে মতিয়র রহমান। মেয়েরা বেড়াতে এলে মা-বাবার ঘরটিতেই থাকতো। স্বামীর মৃত্যুর পর ২০১১ সালের ৬ই অক্টোবর পুত্র মতিয়র রহমানও না ফেরার দেশে চলে যান। এরপর চরম অর্থকষ্টে পড়েন তিনি। অসুখ-বিসুখে ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই। এমন এক অনিশ্চয়তার মধ্যে হঠাৎ একদিন তার থাকার ঘরের চাবি চেয়ে নেন পুত্রবধূ রাবেয়া বেগম। কারণ হিসাবে জানানো হয়, কিছুদিন ধান রাখবেন এই ঘরে। ৮ বছর অতিবাহিত হলেও অদ্যাবধি হীরাবানু সেই ঘরের চাবি ফেরত পাননি। আত্মীয়-পরিজন নিয়ে বারবার ঘরটি ফেরত চাওয়া হলেও শাশুড়ি হীরাবানুকে চাবি ফেরত দেননি পুত্রবধূ রাবেয়া বেগম। বাধ্য হয়ে ছোট ছেলে আকবর হোসেনের একচালা ঘরের কোণে দিনাতিপাত করছেন তিনি। হীরাবানু আরো বলেন, একচালা ঘরটি ছোট ছেলের গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত হয়। নিজের মতো থাকতে পারি না। ঘরটি ফেরত পেলে খেয়ে না খেয়ে নিজের ঘরে মরতে পারতাম। রাবেয়া বেগমকে ফোন করলে তার ছেলে কাস্টম অফিসার মুশফিকুর রহমান জোসেফ জানান, তিনি বাড়ি এলে বিস্তারিত উত্তর দিতে পারবেন। ফোনে কিছু বলতে পারবেন না। পুত্র আকবর হোসেন জানান, প্রায় ২০ বছর ধরে অসুস্থতার কারণে আমিও ঘরবন্দি। ব্যক্তিগত আয়-রোজগার নেই। স্ত্রী জুলেখা গ্রামে গ্রামে টুকরো কাপড় ফেরি করে। ছোট একটি ঘরে ২ মেয়ে নিয়ে থাকি। রাত-বিরাত মায়ের আর্তনাদ কানে আসে। মায়ের অসহায়ত্বও সইতে পারি না। ভরণ-পোষণের সামর্থ্যও নেই।
ছেলে হয়ে বৃদ্ধ মায়ের কষ্টে নির্ঘুম রাত কাটাই। একজন বীরবিক্রমের সম্মানের কথা ভেবে কারও দ্বারস্থও হতে পারছি না। হাতছাড়া ঘরটির জন্য মা দিনরাত হাপিত্যেশ করে। নিকলী উপজেলা সমাজসেবা অফিসার আসিফ ইমতিয়াজ মনির জানান, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের পরিপত্র অনুযায়ী ভাতা বা সুবিধাপ্রাপ্তির দাবিদার প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। আর স্ত্রী না থাকলে বাবা-মা। যেহেতু মতিয়র রহমানের স্ত্রী রয়েছেন। বিষয়টি সামাজিকভাবে মীমাংসা ছাড়া আমাদের কিছু করার নেই। নিকলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেন, মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের জন্য বর্তমান সরকার অনেক কিছুই করছে। পরিবার বলতে, মাকে বাদ দিয়েতো নয়। কেউ না দেখলে সরকার অবশ্যই দেখবে। দেখি কী করতে পারি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাদাম চাষে কৃষকের মুখে রুপালি হাসি: দাম নিয়ে শঙ্কা by হারুন অর রশিদ

এ ব্যাপারে বাদাম চাষীরা বলেন, এমনিতে এবার ধানের দাম পায়নি। এবার যদি বাদামের সঠিক ও ন্যায্য মূল্য না পাই তবে চরম ক্ষতিগ্রস্থ হব আমরা। একবিঘা বাদাম চাষে সার, বীজ, কীটনাশক ও শ্রমিকসহ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা খরচ পরে। ভালো ফলন হলে বিঘা প্রতি ১০ থেকে ১২ মন বাদাম উৎপাদিত হয়।
বোদা উপজেলার বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়নের বাদাম চাাষী হরি মোহন, জগদীশ, হোসেন আলী বলেন, চলতি বছর ইরি-বোরো ধানের দাম পাইনি। বাদামের ন্যায্য দাম পেলে ধান চাষের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নিতে পারব।
জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. আবু হানিফ বলেন, এ বছর জেলায় ৯৮০০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল ঢাকা ১, বিনা বাদাম, বারী বাদাম ৩ ও ৪ জাতের বাদাম চাষ হয়েছে যা গত বছর ছিলো ৬৫০০ হেক্টর। এ বছর প্রায় ৩৩০০ হেক্টর জমিতে বেশি বাদাম চাষ হয়েছে। কৃষি বিভাগ নানা ধরনের পরামর্শ মাঠ পর্যায়ে থেকে কৃষকদের সহায়তা করে আসছেন।
বাদামের চাষ ভালো হয়েছে এবং কৃষকরা দাম ভালো পেলে বাদাম চাষ আগামীতে বৃদ্ধি পাবে বলে জানালেন কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক ও বাদাম চাষিরা।
প্রযুক্তিগত ধারণা, ঋণ সুবিধাসহ উৎপাদিত পণ্যের সুষ্ঠু বাজারজাত ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে পারলে এ জেলার উৎপাদিত বাদাম অর্থনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তেমন প্রস্তুতি নেই মিয়ানমারের, স্যাটেলাইট ছবির তথ্য by হান্নাহ ইলিয়াস-পিটারসন

মিয়ানমার সরকার যদিও বারবার আশ্বাস দিয়ে আসছে যে, তারা সাত লক্ষ রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসন করবে, কিন্তু এ ব্যাপারে তাদের প্রস্তুতি একেবারেই সামান্য পর্যায়ে রয়েছে। অস্ট্রেলিয়ান স্ট্র্যাটেজিক পলিসি ইন্সটিটিউট (এএসপিআই) তাদের অনুসন্ধানে এই পরিস্থিতি দেখতে পেয়েছে।
এএসপিআইয়ের রিপোর্টে বলা হয়েছে, “রোহিঙ্গা শরণার্থীদের নিরাপদ ও সম্মানজনক প্রত্যাবাসনের জন্য ব্যাপক প্রস্তুতির কিছুই আমরা দেখতে পাইনি”।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, রাখাইনে রোহিঙ্গা গ্রাম ধ্বংসের ধারা চলতি বছরেও অব্যাহত রয়েছে। ২০১৭ সালের আগস্টে এই ধারা শুরু হয়েছিল যখন মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী সেখানে ‘গণহত্যার’ উদ্দেশ্যে ব্যাপক হত্যাকাণ্ড, গণধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ করে। এবং তাদের হত্যাকাণ্ড থেকে বাঁচতে লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে যায় এবং এখন তারা কক্সবাজারের শরণার্থী ক্যাম্পগুলোতে অবস্থান করছে।
এএসপিআইয়ের গবেষকরা অন্তত ৫৮টি রোহিঙ্গা বসতি চিহ্নিত করেছে যেগুলো ২০১৮ সালে নতুন করে ধ্বংস করা হয়েছে। স্যাটেলাইট ছবিতে আরও দেখা গেছে যে, ২০১৯ সালেও রোহিঙ্গা গ্রাম ধ্বংস অব্যাহত রয়েছে। যেগুলো পর্যালোচনা করলে বোঝা যায় যে, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এটা নিশ্চিত করতে চাচ্ছে যাতে রোহিঙ্গাদের ফিরে আসার মতো কোন গ্রাম অবশিষ্ট না থাকে।
রিপোর্টের লেখকদের একজন নাথান রুসের বলেন, “যেটা আমাকে সবচেয়ে বিস্মিত করেছে, সেটা হলো ২০১৭ সালের পরও অব্যাহতভাবে গ্রাম পুড়িয়ে দেয়া। কোন বিচ্ছিন্ন গ্রাম বা একটা দুটো ঘর নয়, যেটা ২০১৮ ও ২০১৯ সালে ধ্বংস করা হয়েছে, সামরিক বাহিনী পুরো মানচিত্র ধরে এগিয়েছে এবং প্রতিটি গ্রাম পুড়িয়ে দিয়েছে। এখনও সেখানে রোহিঙ্গা বসতির এই ধ্বংসযজ্ঞ চলছে”।
স্যাটেলাইটে প্রাপ্ত ছবিতে দেখা গেছে, রোহিঙ্গা গ্রামগুলোর পুনর্নির্মাণ না করে রাখাইনে বরং ৪৫টি নতুন ক্যাম্প নির্মাণ করা হয়েছে। যেই ক্যাম্প নিয়ে মানবাধিকার সংগঠনগুলো আগে উদ্বেগ জানিয়ে বলেছে যে, এটা ‘উন্মুক্ত কারাগার’ ছাড়া অন্য কিছু নয়। সেই সাথে, সাবেক রোহিঙ্গা বসতির জায়গায় ছয়টি সামরিক স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে বা আগেরগুলোর সম্প্রসারণ করা হয়েছে।
কিছু অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে ১২৮,০০০ ঘরবাড়িহারা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের থাকার জন্য, যারা এই মুহূর্তে রাখাইনে মানবেতর জীবনযাপন করছে। রুসের বলেন, “খুব সম্ভাবনা রয়েছে যে, এই নতুন ক্যাম্পগুলোর অধিকাংশই বিশেষ করে যেগুলোর নির্মাণ চলছে, সেগুলো শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনার জন্য তৈরি করা হচ্ছে”।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ কেন ‘মব’ হয় by উদিসা ইসলাম
![]() |
| গণপিটুনি |
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বলছে, গত ছয় মাসে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ৩৬ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৩৯।
বাংলা ট্রিবিউনের নিজস্ব গবেষণা অনুযায়ী কেবল গত এপ্রিলে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন ১২ জন।
গণপিটুনি নিয়ে সাম্প্রতিক আলোচনার আগে ২০১৫ সালে বেশকিছু ঘটনা ঘটে। সারাদেশে একদিনে ৯ ডাকাত নিহত হওয়ার ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হয়। এর কিছুদিন পর নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুলিশের গাড়ি থেকে ‘ডাকাত’ বলে নামিয়ে দেওয়ার পর কিশোর শামসুদ্দিন মিলনকে (১৬) জনতা গণপিটুনি দিলে ঘটনাস্থলেই মারা যায় সে।
যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতি ও সরকার বিভাগের অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “একটি সমাজে পৌনঃপুনিকভাবে ‘মব’ তৈরির ঘটনা কেন ঘটে, কীভাবে ঘটে তার ৩টি ব্যাখ্যা আছে। প্রথমটি হচ্ছে মনস্তাত্ত্বিক ব্যাখ্যা। যখন সমাজে ‘মোরাল প্যানিক’ ছড়িয়ে পড়ে তখন ‘মব’ তৈরি হয়। ‘মোরাল প্যানিক’ হচ্ছে এমন ধারণা বা ভীতি যা সমাজের বড় অংশের মানুষের জীবনযাপনে ভয়াবহ কিছু তৈরির হুমকি নিয়ে হাজির হয়। এগুলো বিভিন্ন কারণে ছড়ানো হয়। ওই অবস্থায় ‘ইভিল’ মোকাবিলার নামে, লোকজন দল বেঁধে ওই ইভিলের প্রতীক হিসেবে একজন মানুষকে আক্রমণ করে, হত্যা করে।”
তিনি বলেন, ‘দ্বিতীয় ব্যাখ্যা হচ্ছে সামাজিক। একটা সমাজে যখন সামাজিক বাঁধনগুলো দুর্বল হয়ে যায় তখন দেখা যায়, মানুষ আর এই ধরনের ঘটনার যে মানবিক একটা দিক আছে, তারা যে অন্য একজন মানুষকে হত্যা করছে তা ভাবে না। মানুষ ভাবে না, কেননা ইতোমধ্যে বিভিন্নভাবে, আইনবহির্ভূতভাবে হত্যার একধরনের বৈধতা তৈরি হয়েছে।”
অধ্যাপক রীয়াজ বলেন, “তৃতীয় ব্যাখ্যা হচ্ছে রাজনৈতিক। যখন আইন-আদালত, পুলিশ, সরকারের অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের ওপরে মানুষের আর কোনও আস্থা থাকে না এবং তারা ধরে নেন যে, এই ব্যবস্থায় সুবিচার হবে না, ফলে তাকেই এই ‘বিচার’ করতে হবে। এবং দ্বিতীয়ত যখন রাষ্ট্র, সরকার ও প্রভাবশালীরা এই ধরনের ঘটনাকে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে উসকে দেয়, এই ধরনের ঘটনার সঙ্গে যুক্তদের বিচার হয় না, উপরন্তু ক্ষমতাসীনদের আনুকূল্য পায়। সেটা অন্যদের ‘মব’ হয়ে উঠতে উৎসাহী করে।”
পিটারসন ও এলফোর্ডের গবেষণা উল্লেখ করে জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক তাজুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, “মানুষ যখন একত্রিত হয় তারা বিক্ষিপ্ত ও অসংবদ্ধ হলেও তারা পারস্পরিকভাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। সেখানে যৌথ-মন তৈরি হয় এবং তারা সম্মোহন সংক্রমণের শিকার হয়। যে সম্মোহিত হয়, সে যুক্তি ছাড়া নির্বোধের মতো অনুগত হয়ে কাজ করে। ‘মব’-এর ভেতর যারা লিড করে তাদের আনুগত্য গ্রহণ করেই যৌথ-মন তৈরি হয়।”
তিনি বলেন, ‘বেশির ভাগ মানুষ সমাজের স্রোতধারা ও অবস্থানের সঙ্গে নিজেকে একাত্ম করে নিয়ে চলে। সমাজের মতের সঙ্গে একমত হয়ে তার নিজের ন্যায়-অন্যায়ের বোধ বলে একটা বিষয় আছে সেটা ভুলে যায়।”
এই বিশেষজ্ঞ আরও বলেন, ‘মানুষের কতকগুলো প্রবৃত্তি আছে। মনোবিজ্ঞানী ফ্রয়েডের কথা অনুযায়ী ‘ডেথ ইন্সটিংক্ট’ ও ‘লিভিং ইন্সটিংক্ট’ কাজ করে মানুষের মনে। অর্থাৎ সে নিজে বাঁচতে চায়, অন্যকে বাঁচাতে চায়। যেমন-তেমন মানুষ নিজে মরতে চায় ও অন্যদের মারতে চায়। ‘ডেথ ইন্সটিংক্ট’ প্রবল হয়ে গেলে খামখেয়ালে বিধ্বংসী আচরণ করে তারা।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি: বাংলাদেশের মানুষ কেন নির্মম হয়ে উঠছে?

| বাংলাদেশে বিভিন্ন বছরে গণপিটুনিতে নিহতের সংখ্যা |
মনস্তাত্বিক দিক: ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে ক্ষোভ
'সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া'
বিচার ব্যবস্থার ওপর অবিশ্বাস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে তরল দুধ আতঙ্ক, কীভাবে সামলাচ্ছেন মায়েরা by মুন্নী আক্তার
![]() |
| তরল দুধ নিয়ে আতঙ্কে আছেন অনেক মা |
দুধের খরচ বেড়েছে
![]() |
| বাংলাদেশে তরল দুধ নিয়ে আতঙ্ক; - অনেক মা শিশুকে শুধুই গুঁড়ো দুধ দিচ্ছেন |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 03
(41)
- চলতি মাসে নেপাল যাচ্ছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী by...
- প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত ও যুক্তরা...
- ‘পূর্ণাঙ্গ চুক্তিতে’ পৌঁছালো সুদানের সেনাবাহিনী ও...
- ঢাকায় ৩০ ঘন্টার অপারেশনে আলাদা হলো রাবেয়া-রুকাইয়া
- বউ বন্ধক রেখে জুয়া, অতঃপর...
- মৌলভীবাজারে ক্লাসে মশক নিধনের স্প্রে, ১২ শিক্ষার্থ...
- সর্বত্র রক্ত চেয়ে আবেদন by মারুফ কিবরিয়া
- ভারত শাসিত কাশ্মীরে চরম আতঙ্ক : দলে দলে পালাচ্ছে ল...
- কাশ্মীরে ১০,০০০ সেনা পাঠানোর এক সপ্তাহ পরেই আরও ২৫...
- অবহেলার কারণে ডেঙ্গু সারা দেশে ছড়িয়েছে
- এবার ডেঙ্গুতে প্রাণ গেল অন্তঃসত্ত্বা নারীর
- আগরতলা বিমানবন্দর সম্প্রসারণের জন্য বাংলাদেশের জমি...
- কাশ্মীরে হামলার আশঙ্কা ২৫ হাজার সেনা মোতায়েন
- ওষুধ কিনতে গড়িমসি: সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে, প্রয়োজন সমন্...
- এক বছর পর ঈদের নাটকে নওশাবা
- হু হু করে বাড়ছে মশক নিধন পণ্যের দাম
- ঘণ্টায় ভর্তি ৭০ জন by ফরিদ উদ্দিন আহমেদ
- চট্টগ্রামে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে ডেঙ্গু
- গাজীপুরে গরু মোটাতাজাকরণে ফ্যাক্টরির উচ্ছিষ্ট ও ক্...
- মুক্তিযোদ্ধার মায়ের আহাজারি by খাইরুল মোমেন স্বপন
- বাদাম চাষে কৃষকের মুখে রুপালি হাসি: দাম নিয়ে শঙ্কা...
- রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে তেমন প্রস্তুতি নেই মিয়ানমা...
- মানুষ কেন ‘মব’ হয় by উদিসা ইসলাম
- ছেলেধরা সন্দেহে গণপিটুনি: বাংলাদেশের মানুষ কেন নির...
- বাংলাদেশে তরল দুধ আতঙ্ক, কীভাবে সামলাচ্ছেন মায়েরা...
- নীরব ঘাতক সেপটিক ট্যাংক: বাঁচার উপায় কী
- হারানো বস্তু উদ্ধারে পুলিশের আগ্রহ কম কেন? by শেখ ...
- ‘অনুপ্রবেশকারী’ সাব্যস্ত হওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে শঙ্কিত...
- সব ঋণ মওকুফ চায় সরকারি চিনিকল by রিয়াদুল করিম
- ইরানের সাথে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের অস্থিরতা ক...
- বিমানবন্দরে কৃত্রিম ঝরনা, উচ্চতা ১৩ তলার সমান!
- যুক্তরাষ্ট্র, শ্রীলংকা ও সোফা: চীনের বিপরীতে ভারসা...
- এবার ইসরাইলে চীনা বিনিয়োগ নিয়ে উদ্বেগে যুক্তরাষ্ট্...
- আসামে জেলবন্দি এক মুসলিম যুবকের করুণ কাহিনী
- একটি কবুতরের দাম ১২ কোটি টাকা, কেন?
- মিয়ানমারের ‘বিদেশী নাগরিক’ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান র...
- ৩৭ শ’ কোটি টাকা দিয়ে ‘ভুয়া’ চিত্রকর্ম কিনলেন সৌদি ...
- জাকির নায়েকের বিরুদ্ধে রেড নোটিশ ইস্যু করতে ইন্টার...
- কাজ কমলেও বাড়ছে ব্যয় by জাহাঙ্গীর আলম
- বাংলাদেশে ৩০শে ডিসেম্বরের নির্বাচন: ১৯৭ কেন্দ্রে শ...
- বরগুনায় শিকলবন্দি কিশোরী উদ্ধার
-
▼
Aug 03
(41)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




