Saturday, August 10, 2019
রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহারের আহ্বান মিয়ানমারের ’৮৮ আন্দোলনকারীদের

দিবসটি উদযাপনের জন্য বৃহস্পতিবার সকালে ইয়াঙ্গুনের মহা বন্দুলা পার্কে হাজার হাজার লোক সমবেত হয়। ৮৮৮৮ গণআন্দোলন নামে ব্যাপকভাবে পরিচিত ওই আন্দোলনের ফলেই ২৮ বছর পর আং সান সু চি ও তার দল এনএলডির ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়। তবে মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী এখনো বেশ প্রভাবশালী অবস্থায় আছে। ২০০৮ সালের সংবিধানের আওতায় তারা রাজনীতিতে ব্যাপক ক্ষমতার অধিকারী। পার্লামেন্টে তাদের জন্য ২৫ ভাগ আসন সংরক্ষিত রয়েছে। তাছাড়া তারা প্রতিরক্ষা, সীমান্ত ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মতো তিনটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয় নিয়ন্ত্রণ করে।
অন্যতম ছাত্রনেতা ইউ মায়ো আয়া বৃহস্পতিবার সমাবেশে ঘোষণাপত্রে পাঠ করার সময় বলেন, গণতন্ত্রকে পরিপূর্ণভাবে বিকশিত হতে দেয়ার জন্য এবং গণতান্ত্রিক ফেডারেল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার জন্য সামরিক বাহিনীর প্রয়োজন রাজনীতি থেকে পুরোপুরি সরে যাওয়া।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, ৮৮ প্রজন্ম, অন্যান্য রাজনৈতিক প্রজন্ম, জাতিগত গ্রুপ, নাগরিক সমাজ, এবং সেইসাথে বর্তমান সরকারের উচিত হবে একসাথে কাজ করা যাতে ৮৮৮৮ গণআন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হতে পারে।
ওই আন্দোলনের সময় সমাজের সর্বস্তরের লোকজন রাস্তায় নেমে এসে স্বৈরশাসক নে উইনের একদলীয় সরকারকে চ্যালেঞ্জ করেছিল। তাদের আন্দোলনের জের ধরে আরেকটি রক্তাক্ত সামরিক অভ্যুত্থান হলেও ওই গণআন্দোলনই আধুনিক মিয়ানমারের ইতিহাসে টার্নিং পয়েন্টে পরিণত হয়। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলেন, ওই আন্দোলনের ফলে জনসাধারণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতার সৃষ্টি হয়, বর্তমান সরকারের আগমনের ভিত্তি রচিত হয়।
প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী উ আঙ মিয়ো মিন, ৫৩, ওই আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, গত তিন দশকে মিয়ানমারে বেশ রাজনৈতিক অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। কিন্তু দেশ এখনো পূর্ণাঙ্গ গণতান্ত্রিক পরিবেশে ফিরতে পারেনি।
তিনি বলেন, এখনো মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে, দমনমূলক আইন জারি রয়েছে, রাজনৈতিক ভিন্নমতালম্বীদের গ্রেফতার চলছে। এখনো রাজনীতিতে সামরিক বাহিনীর বিপুল প্রভাব দেখা যাচ্ছে।
>>>স্যান ইয়ামিন আঙ
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এনআরসি-কেন্দ্রীক নাগরিকত্ব নিয়ে উভয়সঙ্কট: ভারতের সুপ্রিম কোর্টের সামনে প্রশ্ন

প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গোগোইয়ের নেতৃত্বাধীন একটি বেঞ্চ এনআরসি সম্পর্কিত আইনি ইস্যুগুলোর শুনানি করছে। শুনানির সময় বেঞ্চের সামনে এই গুরুত্বপূর্ণ পারস্পরিক সঙ্ঘাতপূর্ণ বিষয়টি উত্থাপন করা হয়। একদিকে রয়েছে দেশের সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট, অন্যদিকে এনআরসির জন্য তালিকাভুক্তির জন্য যে ১৩টি দলিল চাওয়া হয়েছে, যেখানে পারিবারিক পরম্পরা এবং ভারতীয় জাতীয়তার প্রমাণ দিতে হবে।
সিটিজেনশিপ অ্যাক্ট অনুসারে, ১৯৫০ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত যে সব শিশুর জন্ম হয়েছে ভারতে, তাদের জন্মের কাগজপত্রের ভিত্তিতেই তারা ভারতের নাগরিক গণ্য হবে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, যদি জন্মগ্রহণকারী শিশুটি অবৈধ অভিবাসীর হয়, তাহলে এই নিয়ম অনুসারে তারা কি নাগরিক গণ্য হবে?
শীর্ষ আদালত বিভিন্ন পক্ষের শুনানির পর বিষয়টি নিয়ে আদেশ স্থগিত রেখেছে। এবং এটা পরিস্কার যে, ১৯৭১ থেকে ১৯৮৭ সাল সময়কালে জন্মগ্রহণকারীদের নাগরিকত্বের ব্যাপারে অন্তর্বর্তীকালীন কোন আদেশ দেবে আদালত, যদিও তাদের নাম এনআরসিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
অ্যাডভোকেট সোমিরান শর্মা তার আবেদনের মাধ্যমে আদালতের মনোযোগ আকর্ষণ করেন, যেটা সাংবিধানিক বেঞ্চে অপেক্ষমান রাখা হয়েছে।
শর্মার আবেদনে বলা হয়েছে, “সিটিজেনশিপ অ্যাক্টের অধীনে ভারতে জন্মগ্রহণকৃত প্রতিটি শিশুর নাগরিকত্বের ব্যাখ্যায় যদি অবৈধ অভিবাসীদের সন্তানদেরও হিসাব করা হয়, তাহলে এটা অসাংবিধানিক ও বৈষম্যমূলক হবে। এই আইনে বাস্তবতাটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে যে, বিপুল সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী প্রতিবেশী দেশগুলো থেকে আসামে এসে বসত গড়েছে, এবং অ্যাক্টের অধীনে তাদের বিশেষ ব্যবস্থাও দেয়া হয়েছে”।
তিনি বলেন যে, এই ক্যাটেগরিতে যারা পড়েন, আসাম আদমশুমারির ভিত্তিতে তাদের একটি আলাদা তালিকা করা উচিত, কারণ এনআরসি এখন এরইমধ্যে অনেক এগিয়ে গেছে এবং মাত্র কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এটা প্রকাশিত হবে।
শুনানির সময় আদালত বলেছে যে, আসামের আইন সভায় যে ধরণের এনআরসি ডাটা প্রকাশ করা হয়েছে, এবং সেগুলো নিয়ে রাজনীতিবিদরা যে সব মন্তব্য করেছেন, তারা সেটি বিবেচনায় নিবেন না।
বেঞ্চ বলেছে, “আমাদের কর্মকান্ড নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক হতে পারে, সেটা আমাদেরকে ব্যাহত করতে পারে না। আমরা নির্ধারিত সময় অনুযায়ীই এনআরসি চূড়ান্ত করার কাজ পর্যালোচনা করবো”।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন ৩৭০ ধারা বিলোপে ক্ষুব্ধ কাশ্মীর? কী দেখে এলো বিবিসি বাংলা by শুভজ্যোতি ঘোষ
![]() |
| শুক্রবার শ্রীনগরের রাস্তায় ফৌজি টহল |
![]() |
| ৩৫এ ধারা বহাল রাখার দাবিতে শ্রীনগরে দেওয়াল লিখন |
![]() |
| ডাল লেক। দেশভাগের আগে এই কাশ্মীর ছিল 'স্বাধীন মুলুক' |
![]() |
| জনশূন্য শ্রীনগরের পথঘাটে শুধু ফৌজের পদচারণা। ৯ আগস্ট, ২০১৯ |
![]() |
| শ্রীনগরে একটি কাশ্মীরি হিন্দু পন্ডিত পরিবারের সঙ্গে স্থানীয় সুন্নি মুসলিম বন্ধুরা |
![]() |
| কাশ্মীরে জাতিসংঘের কার্যালয়ের সামনে একজন ভারতীয় সৈন্য |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিনি বাংলাদেশের সানি লিয়ন

নায়লাকে ভারতীয় গণমাধ্যম এই সময় বাংলাদেশের সানি লিওন হিসেবে আখ্যা দিয়েছে। পত্রিকাটি দাবি করেছে, নায়লার জাদুতে মাতোয়ারা দর্শক বাংলাদেশের ‘সানি লিয়ন’ বলে ডাকেন তাকে।
তাকে নিয়ে একটি ফটো গ্যালারির আয়োজন করেছে এই সময়। সেখানে তার তথ্যে বলা হয়েছে, ১৯৯৫ সালে জন্ম নায়লার। মডেলিংয়ের মাধ্যমেই ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন। এর পর অভিনয়ের জগতে হাতেখড়ি।
মিউজিক ভিডিও, টেলিভিশনের অনুষ্ঠান, ফিল্ম থেকে আইটেম সং- সবকিছুতেই নায়লায় মজে আছে দর্শক।
প্রসঙ্গত, ছোটবেলা থেকেই মিডিয়াতে কাজ করার ইচ্ছে ছিল নায়লার। একসময়ের বিখ্যাত মডেলদের দেখে এই ইচ্ছেটা আরো প্রবল হয়। ডেন্টাল কলেজে পড়ার সময় মনে হয় পড়াশোনার পাশাপাশি কিছু করার সুযোগ আছে, তখন থেকেই মডেলিং করার কথা ভাবতে শুরু করেন তিনি।
বর্তমানে একজন ডেন্টিস্ট হিসেবে কাজ করছেন তিনি। পাশাপাশি চলে তার মডেলিং এবং অভিনয়। ২০১৮ সালে মুক্তি পায় নায়লার প্রথম চলচ্চিত্র ‘রানআউট’। এটি পরিচালনা করেন তন্ময় তানসেন। এরপর বেশ কিছু চলচ্চিত্রে তাকে দেখা গেছে আইটেম গানে অংশ নিতে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর: ভারতকে সমর্থন রাশিয়ার, পাকিস্তানকে চীনের

এ খবর দিয়েছে নিউ ইয়র্ক টাইমসের পাকিস্তানি সংস্করণ অনলাইন এক্সপ্রেস ট্রিবিউন ও অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।
কাশ্মীর ইস্যুতে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষিতে সমর্থন আদায়ে কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে পাকিস্তান। তারই অংশ হিসেবে বেইজিংয়ের সমর্থন আদায়ে চেষ্টা করেন শাহ মেহমুদ কুরেশি। গত সপ্তাহে কোনো পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই, একতরফাভাবে জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বাতিল করে ভারত সরকার। এর ফলে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। কারণ, কারফিউ জারি করে কাশ্মীরের মানুষজনকে ঘর থেকে বের হতে দেয়া হচ্ছে না। সেখানে কি ঘটছে তা দেখতে কোনো সাংবাদিক প্রবেশ করতে পারছেন না। ইন্টারনেট, মোবাইল সংযোগ বন্ধ রাখা হয়। ফলে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে কাশ্মীর। এতে সবচেয়ে কড়া নিন্দা জানায় পাকিস্তান। এরই মধ্যে তারা ইসলামাবাদে নিযুক্ত ভারতের হাই কমিশনার অজয় বিসারিয়াকে বহিষ্কার করেছে। স্থগিত করেছে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য।
উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন শাহ মেহমুদ কুরেশি। এ বিষয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, কাশ্মীরে সর্বশেষ উত্তেজনা বৃদ্ধির জন্য ‘সিরিয়াসলি’ উদ্বিগ্ন বেইজিং। এ ইস্যুতে একতরফাভাবে গৃহীত সিদ্ধান্তের বিষয়ে সতর্ক করেন তিনি। বলেন, ঔপনিবেশিক আমল থেকেই কাশ্মীর একটি বিরোধপূর্ণ এলাকা। জাতিসংঘ সনদ, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সংশ্লিষ্ট রেজ্যুলুশন ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তির ভিত্তিতে এ সমস্যার একটি যথাযথ ও শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া উচিত। চীন বিশ্বাস করে, একতরফা সিদ্ধান্তে এই পরিস্থিতি আরো জটিল হবে, যা হতে দেয়া উচিত হবে না।
কাশ্মীর ইস্যুতে ভারতের গৃহীত পদক্ষেপ ঘোষণার পর এটাই প্রথম সুস্পষ্ট ঘোষণা চীনের। এর আগে বেইজিং শুধু ভারতের সঙ্গে লাদাখ অঞ্চলে তাদের বিরোধের বিষয় উল্লেখ করেছিল। স্বল্প সময়ের নোটিশে এভাবে সাক্ষাত করার জন্য চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান কুরেশি। তিনি কাশ্মীর ইস্যুতে পাকিস্তানের পর্যবেক্ষণ, অবস্থান এবং তাদের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে চীনকে অবহিত করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পাকিস্তানের বন্ধু চীন। এই দুটি দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব অটুট। কুরেশি আশা করেন কাশ্মীর ইস্যুতে ন্যায়বিচারের পক্ষে অবস্থান নেবে চীন।
ওদিকে রাশিয়া সমর্থন দিয়েছে ভারতকে। তবে তারা সতর্ক করেছে জম্মু ও কাশ্মীরের মর্যাদা পরিবর্তনের যে সিদ্ধান্ত দিল্লি নিয়েছে তার প্রেক্ষিতে আঞ্চলিক পর্যায়ে পরিস্থিতির অবনতি ঘটুক ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে এমনটা প্রত্যাশা করে না মস্কো। এ ছাড়া তারা বলেছে, কাশ্মীর ইস্যুতে ভারত যা করেছে তা তাদের সংবিধানের আওতায় করেছে। রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়, আমরা আশা করি ১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তি ও ১৯৯৯ সালের লাহোর ঘোষণার অধীনে দ্বিপক্ষীয় রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে এই মতবিরোধ মিটিয়ে ফেলা উচিত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিল্পকলায় ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু’ প্রদর্শনী

গত ৩ জুলাই শনিবার বিকালে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু’ শীর্ষক প্রদর্শনীর উদ্বোধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। একাডেমির চিত্রশালা মিলনায়তনে আগস্ট মাসব্যাপী চিত্রে, গানে, কবিতায় বঙ্গবন্ধুকে স্মরণ করে এই প্রদর্শনীর আয়োজন করেছ ‘আর্কাইভ ১৯৭১’।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ, আর্কাইভ ১৯৭১ এর উপদেষ্টা এম এ সরোয়ার এবং শহিদুল ইসলাম শাহীন।
প্রদর্শনী উদ্বোধনের আগে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন এটিএন বাংলা এবং এটিএন নিউজের চেয়ারম্যান ড. মাহফুজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন আর্কাইভ ১৯৭১ প্রতিষ্ঠাতা সাংবাদিক মুন্নী সাহা এবং প্রণব সাহা।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, প্রণব সাহা এই প্রদর্শনী নিয়ে বিভিন্ন স্কুলে স্কুলে ঘুরেছে। বঙ্গবন্ধুর প্রতি তার অগাধ ভালোবাসা থেকেই তিনি আগামী প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে উজ্জিবীত করে যাচ্ছেন। বঙ্গবন্ধু ছোটবেলা থেকেই ছিলেন অনন্য প্রতিভার ব্যক্তি। তিনি মানুষের কথা, দেশের কথা চিন্তা করতেন। আর এখন তার দর্শনগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেন, বঙ্গবন্ধুর জীবন একটি চিত্রনাট্যের মতো, ধাপে ধাপে যার সফল মঞ্চায়ন হয়েছে। তিনি এক মহাযাত্রার পথ পাড়ি দিয়েছেন, যার শেষ ছিল স্বাধীনতা।
প্রদর্শনীটি আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত প্রতিদিন দুপুর ১২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। তবে ছুটির দিনে বেলা ৩টায় প্রদর্শনী শুরু হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যানজট, দুর্ভোগ এবারো সঙ্গী

বৈরী আবহাওয়ার কারণে ফেরিঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। নদী উত্তাল থাকায় সদরঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চও ধীরগতিতে চলছে।
কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনসূত্রে জানাগেছে, কোরবানির ঈদের ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটি পাশাপাশি হওয়াতে গতকাল কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে যাত্রীদের চাপ ছিল বেশি। পশ্চিমাঞ্চল বিভাগের প্রতিটা ট্রেন দেরি করে ছাড়াতে যাত্রীদের ভোগান্তি বেড়েছে। একতা এক্সপ্রেস ট্রেনটি সকাল ১০টায় ছাড়ার কথা থাকলেও এটি প্রায় দেড় ঘণ্টা দেরিতে ছেড়ে গেছে। খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস সকাল ৬টা ২০ মিনিটে ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রেনটি প্রায় তিন ঘন্টা দেরি করে ছেড়েছে। রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেস সকাল ৬টায় ছেড়ে যাওয়ার নির্ধারিত সময় থাকলেও ট্রেনটি ৫ ঘন্টা দেরি করে ছেড়ে যায়। চিলহাটী নীলসাগর এক্সপ্রেস সকাল ৮টায় ছাড়ার কথা থাকলেও ট্রেনটি চার ঘন্টা দেরি করে দুপুর সাড়ে ১২টায় ছেড়ে গেছে। রংপুর এক্সপ্রেস সকাল ৯টায় ছেড়ে যাওয়ার নিধারিত সময় ছিল। এই ট্রেনটিও অন্তত ছয় ঘন্টা দেরি করে ছেড়ে গেছে। এছাড়া রাজশাহীগামী বনলতা এক্সপ্রেস, সিল্কসিটি, পদ্মা এক্সপ্রেস খুলনাগামী চিত্রা ট্রেনও নির্ধারিক সময়ের কয়েক ঘন্টা পরে ছেড়ে গেছে। তবে চট্টগ্রাম ও সিলেট রুটের ট্রেন যথাসময়ে ছেড়ে যাচ্ছে বলে দাবি করছেন রেল সংশ্লিষ্টরা।
গতকাল দুপুর পৌনে একটার দিকে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্বপ্রান্তে ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাইনচ্যুত হয়ে যায়। এতে উত্তরবঙ্গের সঙ্গে ঢাকার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয় যায়। ট্রেনটি সেতুর পূর্বপাড় দিয়ে ওঠার সময় একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ ঘটনায় কেউ হতাহত না হলেও ওই রুট দিয়ে চলাচলকারী ট্রেনের যাত্রীদের দীর্ঘ ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে। বিকাল ৪টা ৪৫ মিনিটে ওই ট্রেনটি ফের খুলনার উদ্ধেশ্য ছেড়ে গেছে।
ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় নিয়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সাংবাদিকদের বলেন, পশ্চিমাঞ্চলের প্রতিটি ট্রেনকে বঙ্গবন্ধু সেতু অতিক্রম করে যেতে হয়। সেতু অতিক্রম করতে প্রতিটি ট্রেনের ৩০ থেকে ৪০ মিনিট করে সময় লাগে। এভাবে প্রতিদিন ৩২টি ট্রেন চলাচল করছে। তাই আর শিডিউল ঠিক রাখা যাচ্ছে না। তবে যমুনার উপর ২০২৩ সালের মধ্যে আরেকটি সেতু নির্মাণ হলে এই সমস্যার সমাধান হবে। কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আমিনুল হক বলেন, অগ্রিম টিকিট বিক্রির সময় যাত্রীদের চাহিদা বেশি ছিল ৯ তারিখের টিকিটের। তখনই বুঝেছিলাম শুক্রবার খুব বেশি চাপ পড়বে। অতিরিক্ত যাত্রী যখন ট্রেনে উঠে তখন স্টেশনে যাত্রী নামাতে বেশি সময় লাগে। একারণে ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয় হচ্ছে। তারপরও ঘরমুখো মানুষের নির্বিঘ্নে ঈদযাত্রা সম্পুন্ন করতে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
এদিকে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটের কারণে ধীর গতিতে চলছে যানবাহন। গতকাল এই মহাসড়কে ৭০ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট চিল। যদিও দুপুরে তা ৩০ কিলোমিটারে এসে ঠেকে। বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম ও পূর্বপ্রান্তে যানবাহনের চাপ বেশি ছিল। গাজীপুর জয়দেবপুর থেকে ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহনের চাপের পাশাপাশি যানজটও বেড়েছে। চালকরা জানিয়েছেন, টঙ্গী থেকে জয়দেবপুর পর্যন্ত প্রায় ১৩ কিলোমিটার সড়ক জুড়েই চলছে একটি প্রজেক্টের কাজ। তাই এই ১৩ কিলোমিটার সড়কই খানাখন্দে ভরা। দ্রুত গতির বাসগুলো ধীরে ধীরে চলছে। দিনভর সাভারের তিনি সড়কে দীর্ঘ যানজটের অবসান ঘটে বিকাল চারটার পর। প্রায় পাঁচ ঘন্টা যানজট থাকার পরে বিকালে চলাচল স্বাভাবিক হওয়াতে স্বস্তি ফিরেছে ঘরমুখো মানুষের মধ্যে। এর আগে সকাল থেকেই ঢাকা- আরিচা, নবীনগর-চন্দ্রা ও টঙ্গী-আশুলিয়া-ইপিজেড সড়কে ২১ কিলোমিটার যানজট ছিল।
ঈদে ঘরমুখো মানুষের চাপে দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার প্রবেশদ্বার শিমুলিয়া ঘাটে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। বৈরি আবহাওয়ার কারণে বৃহস্পতিবার থেকে এমন চাপ বাড়ছে। সহস্রাধিক যানবাহন নদী পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে। নদী উত্তাল থাকায় ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলো ধীরে ধীরে চলছে।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব পাড়ে ট্রেন লাইনচ্যুত, সোয়া ৩ ঘণ্টা উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন
ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুতে উঠার ঠিক আগ মুহূর্তে একটি বগি লাইনচ্যুত হয়। এতে দেশের উত্তর-দক্ষিণ ও পশ্চিমাঞ্চলের সঙ্গে ঢাকার ট্রেন চলাচল সোয়া ৩ ঘণ্টা বন্ধ থাকে। গতকাল দুপুর সোয়া ১টায় লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরে সাড়ে চারটার দিকে উদ্ধার কাজ শেষ হলে ট্রেনটি খুলনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তবে ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব রেল স্টেশনে দায়িত্বরত স্টেশন মাস্টার মাসুম আলী খান জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ছ’ বগির সামনের দুইটি চাকা সোয়া ১টায় বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব টোল প্লাজার কাছে লাইনচ্যুত হয়। স্থানীয় যন্ত্রপাতি দিয়ে কাজ করে বগিটি লাইনে তোলা হয়। পরে সাড়ে ৪টায় ট্রেনটি খুলনার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। সুন্দরবন এক্সপ্রেস ট্রেনটি লাইনচ্যুত হওয়ায় সেতু পূর্ব স্টেশনে ধূমকেতু এক্সপ্রেস, টাঙ্গাইল স্টেশনে একতা এক্সপ্রেস, মহেড়া স্টেশনে নীল সাগর ও জয়দেবপুর স্টেশনে বনলতা ট্রেন আটকা পড়ে। ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় প্রায় ৫০ মিটার লাইন কিছুটা বেঁকে যায়। সে বেঁকে যাওয়া অংশের কাজ শেষ হওয়ার পর প্রথমে রাজশাহীর উদ্দেশে ছেড়ে যায় ধূমকেতু এক্সপ্রেস ট্রেনটি। ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনায় যাত্রীদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়। বিশেষ করে নারী ও শিশুদের পোহাতে হয় অবর্ণনীয় দুর্ভোগ। যাত্রীদের দুর্ভোগ লাগবে বঙ্গবন্ধু সেনানীবাসের পক্ষ থেকে যাত্রীদের পানি ও খাবার সরবরাহ করা হয়। এতে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে যাত্রীদের মাঝে।
রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে সড়কে যানজট
ঈদকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এশিয়ান হাইওয়ে (বাইপাস) সড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত এ সড়কের কাঞ্চন সেতু থেকে গোলাকান্দাইল পর্যন্ত কমপক্ষে ৯ কিলোমিটার যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। যানজটে ভোগান্তিতে পড়েছেন গরুবোঝাই ট্রাক, দূরপাল্লার বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহনসহ ঈদে ঘরমুখো যাত্রী সাধারণ।
সরজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ঈদকে সামনে রেখে সড়কে যানবাহনের চাপ বেড়ে যাওয়ায় শুক্রবার সকাল থেকে উপজেলার এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের গোলাকান্দাইল থেকে কাঞ্চন সেতু পর্যন্ত যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এছাড়া এ সড়কের পাশে শিমুলিয়া ও পলখান এলাকায় গরুরহাট বসায়, কুশাবো এলাকায় পণ্যবাহী একটি ট্রাক সড়কে বিকল হয়ে থাকায়, কাঞ্চন সেতুর টোল প্লাজায় টোল আদায়ে ধীর গতি, গন্তব্যস্থলে বিভিন্ন যানবাহন প্রতিযোগিতা করে আগে যাওয়ার জন্য ওভারটেকিং করায় কেন্দুয়া মায়ারবাড়ী, চান টেক্সটাইল, চরপাড়া ও কালাদী এলাকায় সংযোগ সড়ক থাকায় সেখানে গাড়ি চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় সেসব স্থানে থেমে থেমে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে দেশের উত্তরাঞ্চল থেকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলা উপজেলায় ও চট্টগ্রাম থেকে দেশের উত্তরাঞ্চলে বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহনআসা যাওয়ার পথে চরম ভোগান্তিতে পড়েন। ভোগান্তির শিকার হয়েছে গরু বোঝাই ট্রাক, দূরপাল্লার বিভিন্ন পণ্যবাহী যানবাহন ও ঈদগামী যাত্রী সাধারণ। অপরদিকে এ সড়কের গোলাকান্দাইল এলাকায় ফ্লাইওভারে উভয় দিকে যানবাহন থামিয়ে কমিউনিটি পুলিশের সদস্য ও ট্রাফিক পুলিশের কতিপয় সদস্য টাকা আদায়ের কারণেও যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে ট্রাফিক পুলিশের ইন্সপেক্টর ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া বলেন, ঈদকে সামনে রেখে সড়কে বিভিন্ন যানবাহন ও গরু বোঝাই ট্রাকের চাপ অনেকটা বেশি। এছাড়া প্রায় সময় এসড়কে গাড়ি বিকল হয়ে সড়কে পড়ে থাকায় যাজটের সৃষ্টি হচ্ছে। ঈদে সড়কে যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ ও হাইওয়ে পুলিশ ও থানা পুলিশের পাশাপাশি কমিউনিটি পুলিশের সদস্যরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। এমনকি যানজট নিরসনে ট্রাফিক পুলিশ ও থানা পুলিশের সমন্বয়ে একটি টিম তৈরি করা হয়েছে। তারা বিভিন্ন স্থানে যানজট নিরসনে কাজ করছে।
সাভারে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধিতে যানজটে চরম দুর্ভোগ
আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে সাভারে মহা-সড়কগুলোতে ঘরমুখো মানুষের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে অতিরিক্ত চাপ সামলে নিতে হিমসিম খাচ্ছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। একযোগে নাড়ির টানে ঈদ করতে বাড়ি ফেরার জন্য কর্মজীবী, পেশাজীবীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার লোকজন পরিবার পরিজন নিয়ে রাস্তায় নেমে এসেছেন। তবে রাস্তায় এসে যানবাহন সংকট ও মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের কারণে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন তারা। বিষয়টি দেখভালের দায়িত্বে নিয়োজিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন মহাসড়কে কোনো যানজট নেই তবে যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের কারণে যানবাহনগুলো কিছুটা ধীরগতিতে চলাচল করছে। ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়ক ও বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়ক ঘুরে দেখা যায়, প্রতিটি সড়কেই যানবাহনের অতিরিক্ত চাপ রয়েছে। এতে করে গাড়ি চলাচলে কিছুটা ধীরগতির পাশাপাশি কয়েকটি পয়েন্টে তীব্র যানজটও লক্ষ্য করা গেছে। এ সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা যানজটে আটকে থেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন ঘরমুখো মানুষ। সকাল থেকেই ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের হেমায়েতপুর, ফুলবাড়িয়া, উলাইল, গেন্ডা, সাভার রেডিওকলোনী, সিএন্ডবি, বিশমাইল, নবীনগর, নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের বাইপাইল, ইপিজেড, ভলিভদ্র বাজার, জিরানী ও চন্দ্রা বাইপাইল-আব্দুল্লাহপুর সড়কের ইউনিক জামগড়া, নরসিংহপুর, জিরাবো এবং আশুলিয়ার বাজার এলাকায় খোঁজ নিয়ে জানা যায় প্রতিটি পয়েন্টেই যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে অতিরিক্ত চাপের কারণে রাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে যাত্রী উঠানামা নিয়ম না মেনে চলাচল করায় কোথাও কোথাও তীব্র যানজটেরও সৃষ্টি হয়। চালক ও যাত্রীরা জানান, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় সকাল থেকেই মহাসড়কগুলো যানবাহনের চাপ বৃদ্ধি পেয়েছে। ঈদের সময় যত ঘনিয়ে আসছে ঘরমুখো মানুষের চাপও তত বাড়ছে। এ ছাড়া বৃষ্টির কারণে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে যাওয়ায় ঘরমুখো মানুষের দুর্ভোগে যোগ হয়েছে নতুন মাত্রা। এসব জায়গায় খালি পায়ে চলাচল করাটা দুর্বিষহ হয়ে পড়েছে। ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (টিআই) আবুল হোসেন বলেন, ঈদে একটু গাড়ির চাপ বেশি হবেই। কিন্তু এবার আগেভাগেই গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। তা ছাড়া পল্লি বিদ্যুতের কাজের জন্য রাস্তার পাশে একটু গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সে গর্তে বৃষ্টির পানি জমে যাওয়ায় আরো একটু সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে। তবে ট্রাফিক পুলিশ যানজট নিরসনে বৃষ্টির মধ্যেও কাজ করে যাচ্ছেন। খুব দ্রুতই যানজট নিরসন করার আশা ব্যক্ত করেন এই ট্রাফিক পুলিশ কর্মকর্তা। এদিকে অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ সামাল দিতে গিয়ে বিভিন্ন সড়কে গণপরিবহন সংকট দেখা দিয়েছে। ফলে পরিবার পরিজন ও ব্যাগ-ব্যাগেজ নিয়ে ঘরমুখো মানুষের পাশাপাশি সাধারণ যাত্রীদেরও গণপরিবহনের অপেক্ষায় থাকতে দেখা যায়। পরিবহন সংকটের এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কিছু কিছু অসাধু চালক ও তার সহযোগীরা যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করায় অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। ঢাকা জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সাইদুর রহমান বলেন, ঈদের ছুটি পেয়ে পোশাক শ্রমিকরা বাড়িতে যেতে শুরু করেছেন। শুক্রবার হওয়ায় গাড়ির চাপ একটু বেশি। বৃহস্পতিবার রাতে সড়কে যে যানজট হয়েছিল শুক্রবার ভোরে তা ঠিক হয়ে গেছে। তবে সকাল থেকে আবারও গাড়ির চাপ বেড়ে গেছে। পুলিশ যানজট নিরসনে ২৪ ঘণ্টা সড়কে কাজ করছেন। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি সড়কগুলো যানজট মুক্ত হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীর সংকট সমাধানে বঙ্গবন্ধু যে পরামর্শ দিয়েছিলেন

৩৭০ ধারার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই স্বায়ত্তশাসন ভোগ করতেন জম্মু-কাশ্মীরের মুসলমানরা। নিজস্ব সংবিধান, আলাদা পতাকা ও স্বতন্ত্র আইন বানানোর অধিকার ছিল ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের। তবে ৩৭০ ধারা বাতিলের ফলে এখন থেকে জম্মু-কাশ্মীরের পরিচিতি হবে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে।
ভারত সরকারের এ সিদ্ধান্ত মেনে নিতে পারছেন না কাশ্মীরিরা।
কাশ্মীর সংকট কয়েক দশকের পুরনো। ১৯৪৭ সালে ভারত-পাকিস্তান দুটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই কাশ্মীর সমস্যা শুরু হয়।
প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত-পাকিস্তান উভয়ই কাশ্মীরকে দখল করতে চেয়েছিল। কাশ্মীরের একটি অংশের দখল নেয় পাকিস্তান। আরেকটি অংশ তথা কাশ্মীর ও জম্মুর দখল নেয় ভারত। পাকিস্তানের সঙ্গে কাশ্মীরের যে অংশ যুক্ত রয়েছে, সেটি আজাদ কাশ্মীর হিসেবে পরিচিত। এ দুই কাশ্মীরের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংকট জম্মু-কাশ্মীর ঘিরেই।
কাশ্মীর সংকট সমাধানে যুগে যুগে বহু মনীষী ও রাষ্ট্রনায়ক নিজের চিন্তা ও পরামর্শ দিয়েছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও কাশ্মীর সংকট সমাধানে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দিয়েছিলেন।
বঙ্গবন্ধুর জীবনীগ্রন্থ ‘কারাগারের রোজনামচা’য় বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে।
কাশ্মীর নিয়ে শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, ‘অত্যাচার আর গুলি করতে কেহ কাহারো চেয়ে কম পারদর্শী নয়। গুলি করে বা গ্রেফতার করে সমস্যার সমাধান করা সম্ভব নয়। ভারতের উচিত ছিল গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার মেনে নিয়ে দুদেশের মধ্যে একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তি করে নেয়া।’
এই সংকটের সমাধানে বঙ্গবন্ধুর পরামর্শ ছিল, ‘পাকিস্তান ও ভারত সামরিক খাতে অর্থ ব্যয় না করে দুই দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির জন্য অর্থ ব্যয় করতে পারত। দুদেশের জনগণও উপকৃত হত। ভারত যখন গণতন্ত্রের পূজারি বলে নিজকে মনে করে তখন কাশ্মীরের জনগণের মতামত নিতে কেন আপত্তি করছে? এতে একদিন দুটি দেশই এক ভয়াবহ বিপদের সম্মুখীন হতে বাধ্য হবে।’
জম্মু-কাশ্মীরের জনমতকে উপেক্ষা করায় ভারতের সমালোচনা করে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আরও বলেছিলেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ভারত, গণতন্ত্রের পথে যেতে রাজি হয় না কেন? কারণ তারা জানে গণভোটের মাধ্যমে কাশ্মীরের জনগণের মতামত নিলে ভারতের পক্ষে কাশ্মীরের লোক ভোট দেবে না। তাই জুলুম করেই দখল রাখতে হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দুদেশের সরকার কাশ্মীরের একটি শান্তিপূর্ণ ফয়সালা না করে দুই দেশের জনগণের ক্ষতিই করছেন। দুদেশের মধ্যে শান্তি কায়েম হলে, সামরিক বিভাগে বেশি টাকা খরচ না করে দেশের উন্নয়নমূলক কাজে ব্যয় করা যেত। তাতে দুই দেশের জনগণই উপকৃত হতো। আমার মনে হয়, ভারতের একগুঁয়েমিই দায়ী শান্তি না হওয়ার জন্য।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘চাইনিজ ডেট ট্র্যাপ’ -দক্ষিণ এশিয়ার জন্য চীনা ঋণের ‘নাগপাশ’ সত্যিই কি দুশ্চিন্তার? by রঞ্জন বসু

কিন্তু সমস্যা হলো, বিভিন্ন দেশের ক্ষেত্রে চীনের এই ঋণের পরিমাণটা ঠিক কত, এই ঋণের শর্তগুলোই বা কী, তা নিয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য বা পরিসংখ্যান পাবলিক ডোমেইনে কখনও তেমন একটা ছিল না। এ জাতীয় তথ্য প্রকাশ করার ব্যাপারে চীনের তেমন সুনাম নেই, ফলে এই কথিত ডেট ট্র্যাপের বহরটা ঠিক কত তাও অজানাই রয়ে গিয়েছিল।
শুধুমাত্র যখন ঋণের অর্থ পরিশোধ করতে না পেরে শ্রীলঙ্কার মতো দেশকে হামবানটোটা বন্দর চীনের হাতে তুলে দিতে হয়েছে, কিংবা ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ার ভয়ে মালয়েশিয়া বাতিল করে দিয়েছে চীনা রেল প্রকল্প, তখনই হইচই হয়েছে চীনের ঋণ নিয়ে। পরে আবার তা চীনের কুশলী কূটনীতিতে থিতিয়েও গেছে।
কিন্তু সম্প্রতি দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন দেশে চীনের দেওয়া ঋণের সঠিক পরিমাণ কত, সেই তথ্য সামনে আসতে শুরু করেছে নানা বিশ্বাসযোগ্য সূত্রে। কোথাও সে দেশের সরকার নিজেই তা কবুল করছে, কোথাও আবার অনুসন্ধানী গবেষণায় তা বেরিয়ে আসছে।
বাংলা ট্রিবিউনের এই প্রতিবেদনেও আমরা দেখিয়েছি, পাকিস্তান থেকে শুরু করে মালদ্বীপ, নেপাল ও বাংলাদেশ থেকে এমনকি ভারত পর্যন্ত কীভাবে চীনের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ ঋণ নিয়েছে এবং কোন দেশ কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছে।
পাকিস্তান
চীনের ‘অল-ওয়েদার ফ্রেন্ড’ বলে পরিচিত পাকিস্তান গত সপ্তাহে প্রথমবারের মতো স্বীকার করেছে, শুধু চলতি আর্থিক বছরেই তারা চীনের কাছ থেকে ৬৫০ কোটি ডলারের বেশি ঋণ নিয়েছে। গত ১০ মাসে তাদের মোট বৈদেশিক ঋণের যা পরিমাণ, তার তিন-চতুর্থাংশেরও বেশি এসেছে শুধু চীন থেকেই।
তবে পাকিস্তান এই তথ্য নিজে থেকে প্রকাশ করেনি, আইএমএফ বা আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের চাপেই তাদের এ কথা জানাতে হয়েছে। ইসলামাবাদের পত্রিকা দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন জানাচ্ছে, আইএমএফের ৬০০ কোটি ডলার বেল-আউট প্যাকেজ পাওয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তানকে দেওয়া প্রধান শর্তই ছিল চীনা ঋণের সব শর্ত ও পরিমাণ তাদের প্রকাশ করতে হবে।
এরপরই প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের আর্থিক উপদেষ্টা ড. আবদুল হাফিজ শেখ এই তথ্য প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হন।
দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউন আরও বলছে, পাকিস্তান তাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে দেখানোর জন্য দীর্ঘদিন ধরেই চীনের দেওয়া আমানতকে সেখানে যোগ করে দেখিয়ে আসছিল। কিন্তু এই প্রথম সে দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের বৈদেশিক ঋণের পরিসংখ্যানে (ডেট স্ট্যাটিসটিকস) সেটা প্রতিফলিত হলো।
চীন-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোর নির্মাণে চীনের দেওয়া ঋণের বিরুদ্ধে পাকিস্তানে এর আগেও প্রতিবাদ হয়েছে, নতুন করে সেই ঋণের ব্যাপকতা সামনে আসার পর সে দেশে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।
মালদ্বীপ
ভারত মহাসাগরের এই ছোট্ট দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্রেরও চীনের কাছে মোট ঋণের পরিমাণ ১৪০ কোটি ডলারের বেশি। মালদ্বীপের অর্থমন্ত্রী ইব্রাহিম আমিরকে উদ্ধৃত করে গত বছরের ডিসেম্বরে এ তথ্য জানিয়েছে নিক্কে এশিয়ান রিভিউ।
মাসপাঁচেক আগে টোকিও সফরে গিয়ে মালদ্বীপের নতুন অর্থমন্ত্রী আরও জানিয়েছিলেন, এরইমধ্যে তার দেশ প্রায় ৬৭ কোটি ডলার ঋণ নিয়ে ফেলেছে। অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই (মার্চ ২০১৯) বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্পে খরচের মাধ্যমে এর পরিমাণ ৮৫ কোটি ডলারে ঠেকবে বলেও তিনি জানিয়েছিলেন।
আরও একটা খুব দামি তথ্য প্রকাশ করেছিলেন তিনি, সেটা হলো চীনের দেওয়া ঋণে সুদের হার কত। অর্থমন্ত্রী বলেছিলেন, সহজ শর্তে দেওয়া ঋণে চীনের সুদের হার হল ১ দশমিক ৫ থেকে ২ শতাংশ। তবে সভেরেন গ্যারান্টি স্কিমে দেওয়া ঋণগুলোতে সুদের হার ৬ থেকে ৭ শতাংশ পর্যন্ত।
মালদ্বীপের আর্থিক উন্নয়ন মন্ত্রী ফায়াজ ইসমাইল নিক্কে এশিয়ান রিভিউয়ের কাছে বলেছিলেন, ‘সভেরেন গ্যারান্টির আওতায় নেওয়া ঋণে যে প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হচ্ছে, সেগুলো আমাদের অর্থনীতিতে কতটা বিরূপ প্রভাব ফেলছে, সেটাই আমরা এখন খতিয়ে দেখছি।’
গত নভেম্বরে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম মোহাম্মদ সোলিহ’র নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার প্রাক্কালে ‘ফোর্বস’ ম্যাগাজিনে গবেষক রোনক দেশাই এমন কথাও লিখেছিলেন, ‘এই বিপুল পরিমাণ ঋণ পরিশোধের জন্য মালদ্বীপের ওপর বেইজিংয়ের চাপ এতটাই প্রবল হবে যে, নতুন প্রেসিডেন্ট চাইলেও ভারতের দিকে তেমন একটা ঝুঁকতে পারবেন না!’
শ্রীলঙ্কা
বৈদেশিক ঋণের পাহাড় কীভাবে একটা দ্রুত বিকাশশীল অর্থনীতির চাকাকে স্তব্ধ করে দিতে পারে, গত কয়েক বছর ধরে শ্রীলঙ্কাকে তার ক্ল্যাসিক দৃষ্টান্ত হিসেবে তুলে ধরা হচ্ছে। শ্রীলঙ্কা তাদের দক্ষিণ উপকূলের হামবানটোটা বন্দরকে ৯৯ বছরের লিজে চীনের কাছে হস্তান্তরে বাধ্য হওয়ার পর সেই ধারণাই আরও জোরালো হয়েছে।
সপ্তাহ দুয়েক আগে ‘দ্য ডিপ্লোমেট’ পত্রিকায় শ্রীলঙ্কান অর্থনীতিবিদ ও গবেষক উমেশ মোরামুদালি লিখেছেন, শ্রীলঙ্কার বৈদেশিক ঋণের চেহারা আসলে যা ভাবা হচ্ছে, তারচেয়েও অনেক বেশি সাংঘাতিক ও বিপর্যয়কর এবং সেটার জন্য চীনের ঋণ একা দায়ী নয়, বরং এই মুহূর্তে শ্রীলঙ্কার মোট বিদেশি ঋণের মাত্র ১০ শতাংশ চীনের কাছ থেকে এসেছে।
তিনি আরও জানাচ্ছেন, হামবানটোটা বন্দর নির্মাণের জন্য চীনের এক্সিম ব্যাংক থেকে শ্রীলঙ্কা যে ঋণ নিয়েছিল তার জন্য প্রতিবছর যে টাকা শোধ করতে হচ্ছে, সেটা শ্রীলঙ্কার মোট বার্ষিক ঋণ পরিশোধের ৫ শতাংশও নয়। অন্যভাবে বললে, হামবানটোটা আসলে হিমশৈলের চূড়ামাত্র।
বছর দুয়েক আগে বিবিসি’র এক প্রতিবেদনেও জানানো হয়েছিল, শ্রীলঙ্কা সরকারের মোট রাজস্বের ৯৫ শতাংশই খরচ হয়ে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ঋণ পরিশোধে, যা থেকে আন্দাজ পাওয়া যায় ওই ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রের সংকট আসলে কত গভীরে।
প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসের আমলেই শ্রীলঙ্কার চীন নির্ভরতা ক্রমশ বাড়তে থাকে। ২০০৮ থেকে ২০১২ সালের ভেতর শ্রীলঙ্কার মোট বিদেশি ঋণের ৬০ শতাংশই এসেছে চীন থেকে, আজ যার চড়া মাশুল দিতে হচ্ছে দেশটিকে।
নেপাল
নেপালে গত বছর কে পি শর্মা ওলি’র নেতৃত্বে যে নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেছে, চীনের প্রতি তাদের নরম মনোভাবের কথা সুবিদিত। পুরনো বন্ধু দিল্লির দিক থেকে বেশ কিছুটা সরে এসে কাঠমান্ডু যেভাবে বেইজিংয়ের দিকে ঝুঁকেছে, তা ভারতকেও সম্প্রতি বেশ বিচলিত করেছে।
নেপাল ও চীনের প্রস্তাবিত যে যৌথ প্রকল্পটির দিকে এখন এই অঞ্চলের নজর কেন্দ্রীভূত, সেটি হলো—ট্রান্স হিমালয়ান রেলওয়ে। বেইজিং থেকে তিব্বতের লাসা (পরে শিতাসে) পর্যন্ত বিস্তৃত রেলপথকেই সম্প্রসারিত করে হিমালয়ের বুক চিরে কাঠমান্ডুতে এনে ফেলাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। আর এর ভালোমন্দকে ঘিরে নেপালের ভেতরেও এখন বিতর্ক তুমুল। কেউ বলছেন এটা নেপালের জন্য নতুন দিগন্ত খুলে দেবে, কারও মতে এটা শ্বেতহস্তী হয়েই পড়ে থাকবে।
অস্ট্রেলিয়ার কারটিন ইউনিভার্সিটিতে গবেষণারত নেপালি অর্থনীতিবিদ জগন্নাথ অধিকারী তার এক সাম্প্রতিক নিবন্ধে (‘দ্য কনভারসেশন’) বলেছেন, চীনের ঋণ তারা আদৌ শোধ করতে পারবে কিনা, এই আশঙ্কার মধ্যেও অনেক ছোট দেশই প্রবল উৎসাহে চীনের বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভে যুক্ত হওয়ার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছে, নেপালও তাদের অন্যতম।
প্রধানমন্ত্রী ওলি গত বছরের জুনে বেইজিং সফরে গিয়ে চীনের সঙ্গে ২৪০ কোটি ডলার মূল্যের আর্থিক সমঝোতায় সইও করে এসেছেন, যার মধ্যে বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প থেকে বিদ্যুৎকেন্দ্র অনেক কিছুই আছে।
ট্রান্স হিমালয়ান রেলওয়ে (যা বেল্ট রোডেরই অংশ) বাস্তবায়নে চীন পুরো টাকাটা অনুদান হিসেবেই দিক, প্রধানমন্ত্রী ওলি এখন সেটাই চান। তবে চীন বলছে, তারা খুব সহজ শর্তে ঋণ দিতে পারে, কিন্তু অনুদান নয়। এই জটটা খোলেনি বলেই এখনও ওই রেলপথ নির্মাণের কাজও থমকে আছে।
গবেষক জগন্নাথ অধিকারীর কথায়, ‘নেপালের পরিণতি যাতে শ্রীলঙ্কার মতো না হয়, সেজন্য খুব সাবধানে তাদের পা ফেলতে হবে। নেপালও চীনের ঋণের জালে জড়িয়ে পড়ছে কিনা, সেটা বোধহয় আমরা খুব শিগগিরই টের পাবো।’
বাংলাদেশ
গত ১১ মে বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত এক এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদনেই প্রথম জানানো হয়েছিল, বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে চীনের কাছ থেকে এরমধ্যেই ৫৭০ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
এই ঋণের অর্থে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনায় নেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে পদ্মা ব্রিজ রেলওয়ে লিংক, দাসেরকান্দি স্যুয়ারেজ লাইন, কর্ণফুলীর নিচে টানেল, টেলিকম খাতের আধুনিকীকরণ উল্লেখযোগ্য।
বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত ঝ্যাং ঝু দাবি করেছেন, বাংলাদেশ বা কোনও দেশকেই ঋণের ফাঁদে ফেলা তাদের লক্ষ্য নয়। ‘আমরা সবাইকে সহযোগিতারই চেষ্টা করছি, কাউকেই ডেট ট্র্যাপে ফেলতে চাইছি না’, বলেছেন তিনি।
এর আগে চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং যখন ২০১৬-এর অক্টোবরে বাংলাদেশ সফরে এসেছিলেন, তখন দ্বিপাক্ষিক স্তরে প্রায় ২৬ কোটি ডলারের আর্থিক সমঝোতা স্বাক্ষরিত হয়েছিল। অনেক দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমেই তখন লেখা হয়েছিল, ‘ঢাকায় এসে কার্যত ব্ল্যাংক চেক লিখে দিয়ে গেলেন প্রেসিডেন্ট শি’।
তবে চীনের আর্থিক সহায়তা যে মোটেই অনুদান ছিল না, বরং তার বেশিরভাগটাই আসলে মোটামুটি সহজ শর্তে ঋণ, তা ক্রমশ স্পষ্ট হয়েছে। বাংলাদেশের অর্থনীতিবিদরাও এক্ষেত্রে ‘দেখেশুনে পদক্ষেপ নেওয়ার’ পক্ষেই মত দিয়েছেন।
ভারত
বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের সঙ্গে পাল্লা দিতে চায় যে ভারত, সেই দেশটিও কিন্তু চীনের স্পনসর্ড এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি) থেকে সবচেয়ে বেশি ঋণ নিয়েছে।
চীনে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত গৌতম বাম্বেওয়ালা গত জানুয়ারিতেই এআইআইবি’র প্রেসিডেন্ট জি লিকুনের সঙ্গে (যিনি আগে চীনের সহকারী অর্থমন্ত্রীও ছিলেন) দীর্ঘ বৈঠক করেন। সেই বৈঠকের পরই জানানো হয়, গত বছরই ভারত ওই ব্যাংক থেকে দেড়শ’ কোটি ডলার ঋণ নিয়েছে, আরও তিনশ’ কোটি ডলার পাইপলাইনে আছে।
ফলে এআইআইবি’র ঋণগ্রহীতা দেশগুলোর মধ্যে ভারতই শীর্ষে। ভারতের বিভিন্ন অবকাঠামো প্রকল্প রূপায়ণেই এই অর্থ খরচ হচ্ছে, চলতি মাসে মুম্বাইতে ওই ব্যাংকের বার্ষিক সম্মেলনেও ভারতকে আর কী কী ঋণ দেওয়া যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে।
ভারত অবশ্য দাবি করে থাকে, যদিও এআইআইবি’র প্রধান স্পনসর হলো চীন, কিন্তু এটি কোনও চীনা ব্যাংক নয়। কাজেই এআইআইবি থেকে নেওয়া ঋণকেও ভারত ‘চাইনিজ ডেট’ বলতে রাজি নয়।
বিশ্বব্যাংকের বিকল্প হিসেবেই বছর কয়েক আগে চীন এই এশিয়া ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক স্থাপনের পরিকল্পনা করেছিল। এআইআইবি’র ভাইস প্রেসিডেন্ট ও সাবেক ব্রিটিশ কেবিনেট মন্ত্রী ড্যানি অ্যালেক্সান্ডার বহুবার বলেছেন, ‘আমাকে অনেকেই জিজ্ঞেস করেন এটা কি একটা চীনা ব্যাংক? আমি তাদের সবসময় বলি এটা একটা বহুপাক্ষিক (মাল্টিলেটারাল) ব্যাংক, আর অন্তত ৮৪টি দেশ এর সদস্য।
কিন্তু চীন যেহেতু এই ব্যাংকের মূল প্রতিষ্ঠাতা ও অর্থদাতা হিসেবে পরিচিত, তাই এআই আইবি থেকে নেওয়া ভারতের বিপুল ঋণকেও অনেক বিশেষজ্ঞই চীনের দেওয়া ঋণ হিসেবেই দেখে থাকেন।
উপসংহার
ওপরের তথ্য ও পরিসংখ্যান থেকে মোটামুটি পরিষ্কার, দক্ষিণ এশিয়ার ছোট-বড় প্রায় সব দেশেরই যথেষ্ট পরিমাণে চীনের ঋণ নেওয়া আছে। কারও পরিমাণ কিছুটা কম, কারও বেশি। সংকটের মাত্রাতেও ফারাক আছে।
দিল্লির থিংকট্যাংক রিসার্চ অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস ফর ডেভেলপিং কান্ট্রিজে অধ্যাপক ও গবেষক হিসেবে যুক্ত অর্থনীতিবিদ ড. প্রবীর দে বহুদিন ধরে চীনের দেওয়া বৈদেশিক ঋণ ও তার প্যাটার্ন নিয়ে গবেষণা করছেন।
ড. দে বাংলা ট্রিবিউনকে বলছিলেন, ‘এটা সবার জন্য ট্র্যাপ বা ফাঁদ হবে কিনা বলা মুশকিল। তবে বহু ক্ষেত্রেই দেখা গেছে, অনেক ছোট দেশই চীনের দেওয়া অর্থকে প্রথমে গ্র্যান্ট বা অনুদান হিসেবে ধরে নেয়। তারা মনে করে, চীন বিনা পয়সায় বেল্ট রোডের আওতায় তাদের দেশেও কিছু অবকাঠামো বানিয়ে দেবে।’
কিন্তু আসলে এখানে ‘ফ্রি লাঞ্চ’ বলে কিছু হয় না। চীনের ঋণে সুদের হার হয়তো ওয়ার্ল্ড ব্যাংক বা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের চেয়েও কিছুটা কম, কিন্তু একেবারে শূন্য তো নয়। কাজেই ছোট উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এই ঋণ নেওয়ার ব্যাপারে অতি সতর্ক থাকতেই হবে, বিশেষ করে যেসব দেশের ব্যালান্স অব পেমেন্টের সমস্যা আছে।
বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক অর্থ উপদেষ্টা মির্জ্জা আজিজুল ইসলামও বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘চীনের ঋণ যেন ওপেন টিকিট না হয়ে যায়, সেটা আমাদের দেখতে হবে। অর্থাৎ যেনতেন প্রকল্পে যেন ঋণ না নেওয়া হয়, সেটা নিশ্চিত করাটা জরুরি।’
কী শর্তে ঋণ নেওয়া হচ্ছে, সুদের হার কী এবং সেটা যেন খুব চড়া না হয়, সে বিষয়েও তিনি সাবধান থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। সেই সঙ্গেই তিনি আরও বলেছেন, রফতানিমুখী খাতে সহায়তা দেবে যেসব প্রকল্প, সেখানে ঋণ নিলেই ভালো। কারণ, রফতানি থেকে প্রাপ্ত বৈদেশিক মুদ্রায় চীনের ঋণ পরিশোধও তুলনায় সহজ হবে।
ফলে একদিকে বিগ-টিকিট উন্নয়ন ও অবকাঠামো নির্মাণের হাতছানি, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে ঋণের জালে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, এই দুইয়ের মধ্যে সূক্ষ্ম ভারসাম্য বিধান করেই চীনা ঋণ নিয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ ও অর্থনীতিবিদরা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে বদলে যাবে ভারতের অধীন কাশ্মীর

![]() |
| কাশ্মীরের পরিস্থিতি মোকাবেলায় অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করা হয়েছে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় মসজিদের এ কী হাল! by ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া

ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন ঘুরে জাতীয় মসজিদের দু’টি শৌচাগারের এই বেহাল দশা লক্ষ করা যায় গত সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। তিন দফায় গিয়ে টয়লেটগুলো পরিষ্কার কিংবা দেখভাল করতে কাউকে দেখা যায়নি। তবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, ‘মীম ট্রেডার্স’ নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ১৫ জন লোক প্রতিদিন টয়লেটগুলো পরিষ্কারের দায়িত্বে রয়েছে।
শৌচাগারের বেহাল দশা কেন- জানার জন্য যোগাযোগ করলে মসজিদ পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত কর্মকর্তা ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম মসজিদ ও মার্কেট বিভাগের পরিচালক মহীউদ্দিন মজুমদার লোকবল সঙ্কট ও দীর্ঘ দিন ধরে মসজিদের সংস্কারের উদ্যোগ না থাকার অভিযোগ করেন। এ ছাড়া বাইরের ভবঘুরে ও মাদকাসক্ত এবং মুসল্লিদের পাশাপাশি বিশাল মার্কেটের কয়েক শ’ দোকানদার ও কর্মচারী সারা দিনই টয়লেটগুলো ব্যবহার করার কারণেই এই অবস্থা বলে জানান।
বায়তুল মোকাররম মসজিদের নিচতলার পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে আলাদা দু’টি শৌচাগার ও অজুখানা রয়েছে। এ ছাড়া দ্বিতীয়তলায় মসজিদের পূর্ব দিকে উত্তর ও দক্ষিণ পাশে রয়েছে আলাদা দু’টি অজুখানা। নিচতলায় মার্কেটের বিভিন্ন দোকানের পাশে স্থাপিত শৌচাগার ও অজুখানা দু’টির মধ্যে পূর্ব পাশেরটির অবস্থা বেশি খারাপ। দু’টি শৌচাগার মিলে ১৫০টির মতো টয়লেট রয়েছে। দক্ষিণ পাশের টয়লেট সৌদি অর্থায়নে বায়তুল মোকাররমের সংস্কার কাজের সাথে ২০১০ সালে নির্মিত হয়। সেখানকার অজুখানার ট্যাপগুলো অত্যাধুনিক ছিল। কিন্তু এখন সেগুলোর বেশির ভাগই ভাঙা অথবা পরে সাধারণ ট্যাপ লাগানো হয়েছে। তবে টয়লেটগুলোর অবস্থা পূর্ব পাশের তুলনায় কম হলেও চরম অস্বাস্থ্যকর। এখানে ব্যবহার অনুপোযোগী অনেকগুলো টয়লেট দেখা গেছে। দুয়েকটির দরজায় বাঁশ রাখা আছে। নিচের দু’টিসহ চারটি অজুখানারই অনেকগুলো ট্যাপ ভাঙা এবং কিছু ট্যাপ সুতলি দিয়ে বাঁধাও লক্ষ্য করা যায়।
পূর্বপাশের অজুখানায় অজু করে বের হয়ে মসজিদের দিকে যাচ্ছিলেন আব্দুল মজিদ নামে একজন। টয়লেটের অবস্থার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তিনি বলেন, দেখতেই পাচ্ছেন কী অবস্থা। এই পর্যন্ত দুর্গন্ধ আসছে। এটি জাতীয় মসজিদের টয়লেট ভাবা যায়?
পাশের এক ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দেখেন পাশেই ব্যবসায়ী মলিকদের জন্য আলাদা একটি টয়লেট রয়েছে। সেটি কত পরিষ্কার। সেখানে একজন সবসময় পাহারা দেয়। দোকান মালিক ছাড়া অন্য কাউকে সেটি ব্যবহার করতে দেয়া হয় না। অথচ বায়তুল মোকাররমের এই টয়লেটগুলো যেন দেখারই কেউ নেই। তিনি বলেন, এই মসজিদ দেখার জন্য বাইরের পর্যটকও আসে। কিন্তু প্রাকৃতিক প্রয়োজনে তারা যদি টয়লেটগুলোতে আসেন তাহলে কী অভিজ্ঞতা নিয়ে যাবেন? তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এই টয়লেটগুলোর দুর্গন্ধে দোকানদাররাও অতিষ্ঠ।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মসজিদ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই প্রতিবেদককে বলেন, বায়তুল মোকাররমের মতো এত বড় প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনার জন্য পর্যাপ্ত লোকবল নেই, থাকে না পর্যাপ্ত বরাদ্দও। তিনি বলেন, এখানে দুই বছর ধরে স্যানিটারি অফিসারের পদ শূন্য। পাঁচজন স্থায়ী ক্লিনার রয়েছেন, যাদের পক্ষে মার্কেটসহ পুরো স্থাপনা পরিষ্কার রাখা কি সম্ভব? যেখানে ৩০ জনের মতো গার্ড প্রয়োজন সেখানে রয়েছে মাত্র ১২ জন। তারা ৮ঘণ্টা হিসেবে পালাক্রমে দায়িত্ব পালন করে। খাদেমের সংখ্যাও মাত্র ১৫ জন। আবার এই খাদেমদেরও অনেকের বয়স হয়েছে। তিনি বলেন, শুধু টয়লেট কেন, মসজিদের ভেতরের দেয়ালের প্লাস্টারও অনেক জায়গায় খসে পড়েছে দেখবেন। মসজিদের মেঝের মার্বেল পাথরগুলো ক্ষয় হয়ে গেছে। পূর্ব পাশের সিঁড়িসহ অনেক কাজই অসমাপ্ত পড়ে আছে। পূর্বগেটের বিশাল জায়গা বছরের পর বছর পড়ে আছে। অথচ সেটিই মসজিদের প্রধান গেট হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এগুলো সংস্কারের জন্য বার বার ঊর্র্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হলেও কাজ হচ্ছে না।
এসব ব্যাপারে মসজিদের পরিচালক মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, আমাদের উপপরিচালক আছেন তিনি প্রায়ই টয়লেটগুলোসহ পুরো স্থাপনা ঘুরে দেখেন। আমি নিজেও মাঝে মধ্যে পরিদর্শন করে আসি। কিন্তু প্রতিদিন একটি টয়লেট গড়ে ১০০ জনেরও বেশি লোক ব্যবহার করে। এর মধ্যে ট্যাপ চুরি হয়ে যায়। মাদকাসক্ত অনেকে কমোডে নানা কিছু ফেলে ভেঙে ফেলে। এসব সমস্যার মধ্যেই দুই-এক দিন পরপরই বদনা, ট্যাপ ইত্যাদি দেয়া হয়, দরজা লাগানো হয় কিন্তু থাকে না। যারা পরিচ্ছন্নতার দায়িত্বে রয়েছে তাদের তদারকি এবং মাদকাসক্তদের অনিষ্ট থেকে টয়লেটগুলো রক্ষায় গার্ডদের কাজে লাগানো হচ্ছে কি না- প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, লাগানো হচ্ছে কিন্তু লোকবল কম হওয়ায় যেভাবে হওয়া দরকার হয়তো সেভাবে হচ্ছে না। তারপরও এখন থেকে তদারকি আরো জোরদার ও টয়লেটগুলো পরিষ্কার রাখতে আরো সচেষ্ট হবেন বলে জানান তিনি।
মহীউদ্দিন মজুমদার বলেন, ধর্মপ্রতিমন্ত্রী শেখ আব্দুল্লাহ দায়িত্ব নেয়ার পর মসজিদের সংস্কারের ব্যাপারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তিনি হজের পরে মসজিদের উন্নয়ন কাজে হাত দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। সপ্তাহখানেক আগে মসজিদের বিভিন্ন সংস্কার কাজের জন্য লিখিতভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে রিকুইজিশন পাঠানো হয়েছে বলেও তিনি জানান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ by মো. ওসমান গনি

জাপান সৌদি আরব ফিনল্যান্ড সফর শেষে গত মাসের ৯ তারিখে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই জানিয়েছিলেন, নির্যাতনের মুখে মিয়ানমারের রাখাইন থেকে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনের ব্যাপারে আলোচনা করতে তিনি চীন সফর করবেন। কারণ সারা বিশ্ব চাইছে রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরুক কিন্তু মিয়ানমার তাদের ফেরাতে চাইছে না। এ সংকট নিরসনে চীনের দিক থেকে সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।
মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী ও উগ্র বৌদ্ধদের হাতে হত্যা ধর্ষণ নির্যাতনের মুখে পড়ে ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে আসতে থাকে রোহিঙ্গাস্রোত। তারও আগে আশি ও নব্বই দশকে একই পরিস্থিতির মুখে পড়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল লাখ লাখ রোহিঙ্গা। কিছু কিছু রোহিঙ্গা মিয়ানমার ফেরত নিলেও প্রত্যাবাসন জটিলতা ও দেশটির অনাগ্রহের কারণ বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা রয়ে যায় বাংলাদেশের ক্যাম্পগুলোতে। এমনকি গত কয়েক দশকে অনেক রোহিঙ্গা মিশে গেছে বাংলাদেশের মূল জনস্রোতে। সে সংখ্যা অনুমান করা হয় ৫ লাখেরও বেশি। এ সংখ্যা নিবন্ধিত নয়। নতুন করে আসা প্রায় ৮ লাখসহ টেকনাফ উখিয়ার ক্যাম্পে বর্তমানে নিবন্ধিত রোহিঙ্গা রয়েছে ১১ লাখের বেশি। বিপন্ন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে মানবিক কারণে আশ্রয় দিলেও এ সঙ্কটকে দীর্ঘমেয়াদি করার বিপদ সম্পর্কে ওয়াকিবহাল বাংলাদেশ। ইতোমধ্যেই দেশের অর্থনীতি, পরিবেশ, আইনশৃঙ্খলা, সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকিরূপে আবির্ভূত হচ্ছে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী। এ নিয়ে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম অঞ্চলের স্থানীয় অধিবাসীদের মধ্যেও বিরাজ করছে চরম অসন্তোষ। এ পরিস্থিতিকে আর বাড়তে দিতে চায় না সরকার। দ্রুততম সময়ে এ সংকট নিরসনে আন্তর্জাতিক উদ্যোগের প্রত্যাশা করছে সরকার।
ইতোমধ্যে জাতিসংঘ ও ইউরোপ আমেরিকার দেশগুলো রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে কথা বললেও চীন ও ভারত সমস্যা সমাধানে আগ্রহপূর্ণ ভূমিকা রাখেনি। উপরন্তু রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে চীন ও রাশিয়ার ভেটো প্রদান সংকটকে আরো প্রলম্বিত করেছে। রোহিঙ্গা ইস্যুতে ভারতের মতো দীর্ঘদিনের প্রতিবেশীর আচরণ এবং চীনের মতো বন্ধু ও বাণিজ্যিক অংশীদারের ভূমিকা বাংলাদেশকে অনেকটা বিপাকে ফেলে দিয়েছে।
অন্যদিকে চীন-ভারতকে পাশে পেয়ে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনকে কিছুই মনে করছে না মিয়ানমার। চুক্তি অনুযায়ী নিজেদের নাগরিক রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে নানা টালবাহানার আশ্রয় নিচ্ছে দেশটি। রোহিঙ্গাদের ফেরানোর পরিবেশ তৈরির জন্য আন্তর্জাতিক চাপ থাকলেও মিয়ানমার সে রকম কোনো উদ্যোগই নিচ্ছে না। উপরন্তু আরাকান বা রাখাইনের পরিস্থিতি দিন দিন ‘অনিরাপদ’ করে তোলা হচ্ছে। ফলে রোহিঙ্গারাও নিরাপত্তার অভাবে নিজ ভূমিতে ফিরে যেতে অনাগ্রহ প্রকাশ করছে। এ অবস্থায় মিয়ামনার চীনের ‘প্রশ্রয়’কেই হাতিয়ার করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন দেশ ও বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিদের তরফ থেকে চাপ দেওয়ার পরও কোনোভাবে মতি ফেরানো যাচ্ছে না মিয়ানমারের।
গত ডিসেম্বরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে আওয়ামী লীগ টানা তৃতীয়বারের মতো ক্ষমতাসীন হয়েছে। নতুন সরকার গঠনের পরপরই রোহিঙ্গা সংকট নিরসনের লক্ষে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে তারা। তারই অংশ হিসেবে ভারতের লোকসভা নির্বাচনের পর পুনর্বিজয়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে ভারতের অকৃপণ সহযোগিতা কামনা করেছেন। মোদিও রাষ্ট্রপতিকে রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ও দিয়েছিলেন।
যদিও নানা আঞ্চলিক স্বার্থের কারণে মিয়ানমারের প্রতি অধিকতর প্রশ্রয়পূর্ণ মনোভাব ও দুর্বলতা রয়েছে চীনের। চীন মিয়ানমারের বড় প্রতিবেশীও বটে। তাই মিয়ানমারের ওপর সবচেয়ে বেশি প্রভাববিস্তার করতে পারে দেশটি।
চীনের মতো দেশ অন্য কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের ব্যাপারে খুব একটা আগ্রহী নয় বলে মনে করেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। তবে বাণিজ্যিক স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার ব্যপারে চীন সবসময় সজাগ। গত দু’দশকে চীনের ৮০ থেকে ৮৫ শতাংশ বাণিজ্য সমুদ্রপথে হচ্ছে। সেই বাণিজ্য মালাক্কা প্রণালি দিয়ে হয়। চীন জানে যে তার সঙ্গে শত্রুভাবাপন্ন দেশ যুক্তরাষ্ট্র এবং তার আঞ্চলিক মিত্ররা চাইলেই চীনের বাণিজ্য বন্ধ করে দিতে পারে। মালাক্কা সংকটের কথা মাথায় রেখেই চীন স্থলপথে বিভিন্ন পাইপলাইনের মাধ্যমে তেল এবং গ্যাস যাতে চীনে পৌঁছাতে পারে- তার ব্যবস্থা করেছে। এরকম দুটি পাইপলাইন আরাকান অর্থাৎ মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে বঙ্গোপসাগরে এসে পৌঁছেছে। ভারতেরও এ ধরনের বিনিয়োগ রয়েছে কালাদান এবং সিটওয়ে বন্দরে। কিন্তু চীনের অর্থনীতির জন্য এ দুটি পাইপলাইন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। সে জন্য চীন চায় না যে, মিয়ানমার সরকার যেন আরাকানের ওপর তাদের নিয়ন্ত্রণ হারায় বা আরাকানকে কেন্দ্র করে চীন-মিয়ানমার সম্পর্ক খারাপ হোক।
এছাড়া চীন মিয়ানমারের আকিয়াব উপকূলে বাণিজ্য ঘাঁটি স্থাপন করছে এবং বন্দর স্থাপনের কাজও এগিয়ে নিচ্ছে। রোহিঙ্গারা যেসব এলাকায় থাকতো সেসব এলাকায় গড়ে তোলা হচ্ছে এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন। কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে এসব এলাকা। এসব স্বার্থকে অক্ষুণ্ন রাখার জন্য নিরাপত্তা পরিষদে বারবার ভেটো প্রদান করে মিয়ানমারকে সন্তুষ্ট রাখছে চীন। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে রোহিঙ্গা ইস্যুকে আন্তর্জাতিকীকরণ না করার পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে চীন। অথচ বাংলাদেশের জন্য রোহিঙ্গা সংকট এখন ‘জীবন-মরণ সমস্যা’ হয়ে দেখা দিয়েছে।
বিশ্লেষকরা মনে করেন, মিয়ানমারের সঙ্গে যে বাণিজ্যিক স্বার্থ রয়েছে বাংলাদেশের সঙ্গে তার চেয়ে কম স্বার্থ জড়িত নয় চীনের। মিয়ানমারে চীনের বিনিয়োগ প্রায় দু’হাজার কোটি ডলারের মতো। অপরদিকে বাংলাদেশে চীনের বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় চার হাজার কোটি ডলার। এ ছাড়া ২০১৬ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং ঢাকা সফর করার পর ২ হাজার কোটি ডলারের ঋণচুক্তি হয়েছে। বাংলাদেশকে আগে কখনোই একসঙ্গে এত অর্থসহায়তা দেয়নি অন্য কোনো দেশ। ফলে স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় আমলে নিতে হবে চীনকে। দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে পারলে নিজদের বিনিয়োগও নিরাপদ থাকবে-এ বিষয়টি ভাবতে হবে চীনকে। বাংলাদেশকে সমর্থ হতে হবে চীনকে এ বিষয়ে বোঝাতে।
>>>লেখকঃ মো. ওসমান গনি (সাংবাদিক ও কলামিস্ট)
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গাদের গণহারে হত্যায় কোটি ডলার ব্যয় করেছে ৪৫ কোম্পানী -জাতিসংঘের অনুসন্ধান রিপোর্ট

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, রোহিঙ্গা নিধনযজ্ঞের কথা জেনেও ভারত, ইসরায়েলসহ অন্তত সাতটি দেশ ও ১৪টি বিদেশি ফার্মের অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহের বিষয়টি চিহ্নিত করেছে সত্যানুসন্ধানী মিশন। প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠান ও দেশগুলোর সহায়তায় মিয়ানমার বাহিনী কোনো ধরনের জবাবদিহি ছাড়াই আন্তর্জাতিক আইনের দৃষ্টিতে গুরুতর অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করে চলেছে।
মিয়ানমারবিষয়ক জাতিসংঘের স্বাধীন আন্তর্জাতিক সত্যানুসন্ধানী মিশন বলেছে, নিরাপত্তা পরিষদ ও জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর অবিলম্বে মিয়ানমার সামরিক বাহনী পরিচালিত কম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা উচিত। সাতটি দেশের অন্তত ১৪টি প্রতিষ্ঠান ২০১৬ সাল থেকে মিয়ানমারকে যুদ্ধবিমান, সাঁজোয়া যান, যুদ্ধজাহাজ, ক্ষেপণাস্ত্র ও ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার সরঞ্জামাদি সরবরাহ করেছে বলে উল্লেখ করে জাতিসংঘ নিযুক্ত মিশন তাদের বিরুদ্ধে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার আহ্বান জানিয়েছে। মিয়ানমার বাহিনীর হাতে অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম তুলে দেয়া ১৪টি ফার্মের ৫টি চীনের। এ ছাড়া রাশিয়া ও ভারতের দু’টি করে ফার্ম এবং উত্তর কোরিয়া, ফিলিপাইন, ইসরায়েল ও ইউক্রেনের একটি করে ফার্ম মিয়ানমার বাহিনীকে সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে। জাতিসংঘ ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের নিষেধাজ্ঞা জারির সুপারিশের প্রতিবাদ করেছে মিয়ানমার। তাদের পাল্টা বিবৃতি বলা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা কোন সংকটের সমাধান হতে পারে না। জাতিসংঘের স্বাধীন সত্যানুসন্ধানী মিশন তাদের রিপোর্টে এ-ও বলেছে, উপরুল্লিখিত সাতটি দেশ যখন মিয়ানমারকে অস্ত্র ও অন্যান্য সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে, তখন মিয়ানমার বাহিনী রাখাইন, কাচিন ও শান রাজ্যে বেসামরিক লোকজনের ওপর ধারাবাহিকভাবে ও ব্যাপক মাত্রায় মানবাধিকার লঙ্ঘন ঘটিয়েছে। ২০১৭ সালের ২৫ শে আগস্টের পর সাত লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে বলপূর্বক বাস্তুচ্যুত করে বাংলাদেশে পাঠিয়েছে তারা। রোহিঙ্গা নিধন চেষ্টার বিচারে বিস্তারিত সুপারিশ তুলে ধরে জাতিসংঘ বলেছে, তাদের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন হলে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর অর্থনৈতিক ভিত্তি দুর্বল ও সংস্কার প্রক্রিয়ার প্রতিবন্ধকতা দূর হবে। এ ছাড়া এটি কোনো ধরনের নজরদারি ছাড়াই সামরিক অভিযান চালানোর সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঝুঁকি কমাবে এবং স্বল্প মেয়াদে জবাবদিহিতায় কাজে আসবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গুর চিত্র
শিশু
খেংনুসিং মার্মা ছয় দিন ধরে ডেঙ্গু জ্বরে ভুগছে। মা শিশুকে ডাবের পানি পান
করানোর চেষ্টা করছেন। আধুনিক সদর হাসপাতাল, খাগড়াছড়ি, ৬ আগস্ট। ছবি: নীরব
চৌধুরী
ডেঙ্গু জ্বরের রোগী দিন দিন বাড়ছে। আধুনিক সদর হাসপাতাল, খাগড়াছড়ি, ৬ আগস্ট। ছবি: নীরব চৌধুরী
ডেঙ্গু জ্বরের রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: নীরব চৌধুরী
ক্যাম্পাসের বিভিন্ন নালা-নর্দমায় ৮ হাজার মশকভুক মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। ছবি: শাহীদুজ্জামান
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় মশা মারার জন্য ওষুধ ছিটানো হচ্ছে। ছবি: সাজেদুল আলম
স্কুলের আশপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করে কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। অক্সফোর্ড কিন্ডার গার্ডেন বিদ্যালয়, মেহেরপুর। ছবি: আবু সাঈদ
বন্ধুসভার
বন্ধুরা স্কুলের আশপাশের জঙ্গল পরিষ্কার করে কীটনাশক স্প্রে করেন।
অক্সফোর্ড কিন্ডার গার্ডেন বিদ্যালয়, মেহেরপুর। ছবি: আবু সাঈদAbout: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যে কারণে দুই বছরে ১১ জনকে বিয়ে করেন এই তরুণী

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, ফেসবুকের মাধ্যমেই যুবকদের টার্গেট করা হতো। প্রথমে অচেনা কোনো যুবকের সঙ্গে ফেসবুকে বন্ধুত্ব করতেন ওই তরুণী। মাস গড়াতে না গড়াতেই প্রেমের প্রস্তাব দিতেন। ফাঁদে পা দিলেই আরো বেশি ঘনিষ্ঠ হতেন সে। ঠিক যেমন হয়েছিল প্রাসার্ন নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে।
প্রাসার্নের সঙ্গে একটি রিসোর্টে দেখা করেন ওই তরুণী। তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েক মাস পর প্রাসার্নকে ওই তরুণী জানান যে তিনি অন্তঃসত্ত্বা। বিয়েতে রাজিও হয়ে যান প্রাসার্ন। বিয়ের জন্য ওই তরুণীকে ৬ হাজার ডলার পণ দেন প্রাসার্ন। বিয়ের সময় কনেকে পণ দেয়াটাই রীতি থাইল্যান্ডে।
প্রাসার্নের অভিযোগ, বিয়ের দুদিন পর তরুণী জানান, তিনি পারিবারিক ব্যবসায় সাহায্যের জন্য নিজের গ্রামে যেতে চান। তারপর আর ফেরেননি।
ঠিক এভাবেই বাকি যুবকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব, বিয়ে এবং তার কয়েক দিনের মধ্যে অন্য কোনো অজুহাতে বিয়েতে দেয়া পণ নিয়ে ফের লাপাত্তা। এভাবেই গত দুই বছরে ১১ জনকে ঠকিয়েছেন তিনি। কারো থেকে ৬ হাজার ডলার পণ নেন তো কারো থেকে ৩০ হাজার ডলার।
তবে বলা হয় ১০ দিন চোরের ১ দিন গেরস্থের। তেমনই ১২ দিন কনের, একদিন বরের। অবশেষে তিনিও তাই ধরা পড়লেন পুলিশের হাতে।
তার স্বামীরা প্রতারিত হয়ে এবং টাকা খুইয়ে একে একে পুলিশের দ্বারস্থ হন। আলাদা আলাদা অভিযোগে তদন্তে নেমে পুলিশ বুঝতে পারে কোনো একটি বা দুটি নয়, ১১ জনকে একইভাবে বোকা বানিয়েছেন তরুণী।
সম্প্রতি ওই তরুণীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধরা পড়েন তার আসল স্বামী থিতিরাট নঙ্ঘাপিটকও।
পুলিশ জানিয়েছে, স্বামীর সঙ্গেই এসব কাণ্ডের ছক কষতেন তিনি। তাদের কাছ থেকে ৯০ হাজার ডলারেরও বেশি অর্থ উদ্ধার করা হয়েছে।
এই ১১ জন ছাড়াও ওই তরুণী আর কাউকে প্রতারণা করেছেন কিনা তা জানতে তদন্তে নেমেছে দেশটির পুলিশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
৩৫ বছর বয়সে নতুন করে দেশ খুঁজবেন তিনি!
![]() |
| জ্যাজশিল্পী বুমি থমাস |
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৮৩ সালে গ্লাসগোতে জন্ম নেন বুমি থমাস (৩৫)। ওই সময় জন্মসূত্রেই যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব পাওয়ার কথা তাঁর। তখন নিয়ম ছিল, যুক্তরাজ্যে জন্ম নেওয়া শিশুরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে সেদেশের নাগরিকত্ব পাবে। কিন্তু বুমির জন্মের ৬ মাস পর এই আইন বদলে যায়। বুমি থমাসের বাবা-মা নতুন আইন সম্পর্কে জানতেন না। তাই বুমিকে ব্রিটিশ নাগরিকের মর্যাদা পেতে বাড়তি যেসব আনুষ্ঠানিকতা প্রয়োজন ছিল, সেগুলো তাঁরা করেননি। ভেবেছিলেন, বড় মেয়ের মতো ছোট মেয়েটিও স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্রিটিশ নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে।
কিন্তু আদতে তা হয়নি। ফলে নাগরিক হিসেবে নথিবদ্ধ হতে পারেননি বুমি থমাস। একপর্যায়ে তিনি জানতে পারেন, যুক্তরাজ্য তাঁকে নাগরিকত্ব দেবে না। এর পর থেকেই শুরু হয় তাঁর নাগরিকত্ব পাওয়ার লড়াই। সরকারি কর্তৃপক্ষের তরফে বলা হচ্ছে, যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যেতে হবে বুমি থমাসকে। আজন্ম যুক্তরাজ্যে থেকেও দেশটির নাগরিক নন তিনি। গত মাসে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তাঁকে ১৪ দিনের মধ্যে দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেয়। বলা হচ্ছে, বুমি জন্মগতভাবে স্কটল্যান্ডের নাগরিক। তাঁকে যুক্তরাজ্য ছেড়ে চলে যেতে হবে।
জানা গেছে, বুমির বাবা-মা ছিলেন নাইজেরিয়ার নাগরিক। পরবর্তীতে তাঁরা যুক্তরাজ্যে আবাস গড়েন। এদিকে এই সরকারি সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল করেছেন বুমি। চলতি বছরের অক্টোবর মাসে এর শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।
স্থানীয় ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, জ্যাজশিল্পী বুমি থমাসের পক্ষে যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করা হয়েছে। তাতে অনেক মানুষ সমর্থনও জানিয়েছে। এরই মধ্যে সেই আরজিতে ১৩ হাজার মানুষ সাক্ষর করেছেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাম্প্রদায়িক নৃশংসতার সময় চুপ থাকার জন্য শ্রীলংকার ব্যবসায়িক চেম্বারগুলোকে অভিযুক্ত করলেন মুসলিম মন্ত্রী
![]() |
| মন্ত্রী রিশাদ বাথিউদ্দিন |
বাথিউদ্দিন অভিযোগ করেন যে, মে মাসে দাঙ্গার সময় যখন মুসলিম মালিকানাধীন ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলো (এমএসই) হামলা ও বয়কটের শিকার হয়েছিলো তখন সেগুলো রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ অবস্থা নিতে শ্রীলংকার ব্যবসায়িক সংগঠন তথা চেম্বারগুলো ব্যর্থ হয়েছে।
এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন: মুসলিম মালিকানাধিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো যখন ক্রোধের শিকার হয় তখন চেম্বার অব কমার্সগুলোর নিরবতা দেখে আমি খুবই মর্মাহত হয়েছি।
বোমা হামলায় জড়িত চরমপন্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ থাকা এবং গ্রেফতার হওয়া একজন সন্দেহভাজনকে মুক্তি দেয়ার ব্যাপারে প্রভাব খাটানোর অভিযোগ ওঠার পর বাথিউদ্দিনসহ বেশ কয়েকজন মুসলিম মন্ত্রী ও এমপি পদত্যাগ করেন। তবে হামলা তদন্তে নিয়োজিত পার্লামেন্টারি সিলেক্ট কমিটি (পিএসসি) বাথিউদ্দিনকে নির্দোষ বলে রায় দেয়ার পর তিনি মন্ত্রী পদে ফিরে আসেন।
অল সিলন মাক্কাল কংগ্রেস (এসিএমসি) নেতা বাথিউদ্দিন এখন তার নির্দোষ রায়ের উপর ভিত্তি করে বলছেন যে মুসলমানদেরকে অন্যায়ভাবে সন্ত্রাসীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে দেখানো হচ্ছে।
হামলার মূল হোতা দেশের পূর্বাঞ্চল থেকে আসা চরমপন্থী ধর্মপ্রচারকের প্রসঙ্গ টেনে বাথিউদ্দিন বলেন, ইস্টার সানডের হামলার পর বিভিন্ন পর্যায়ের সাম্প্রদায়িক শক্তিগুলো স্থানীয় ভোক্তাদের মুসলিম মালিকানাধিন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো থেকে কিছু না কিনতে প্রকাশ্যে প্রচারণা চালায়। কিন্তু তখন চেম্বারগুলো পুরোপুরি নীরব ছিলো। জাহরানের মতো সন্ত্রাসীর বর্বর কাজের কারণে মুসলিম-মালিকানাধিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে কেউ এ ধরনের প্রতিশোধমূলক কাজ যেন করতে না পারে সে ব্যাপারে চেম্বারগুলোর প্রকাশ্যে বক্তব্য দেয়া উচিত ছিলো।
মে মাসে উত্তর-পশ্চিম প্রদেশে মুসলমানদের বিরুদ্ধে সাম্প্রদায়িক হামলা চালানো হয়। দাঙ্গাকারীরা প্রায় ৩০০ মুসলিম ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ধ্বংস করে।
বাথিউদ্দিন বলেন, জেনেভায় যখন শ্রীলংকাকে মানবাধিকার তদন্তের জন্য চাপ দেয়া হয় তখন মুসলিম দেশগুলো শ্রীলংকার পাশে দাঁড়ায়। সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহিন্দা রাজাপাকসা আমাকে ও আরো কয়েজনকে মুসলিম দেশগুলোতে পাঠান সমর্থন আদায়ের জন্য। বিভিন্ন সময়ে নানাভাবে দেশগুলোর সহায়তা আমরা পেয়েছি। যুদ্ধের পর শ্রীলংকা যখন অর্থসংকটের কারণে ক্রুড তেল আমদানি করতে পারছিলো না তখন মুসলিম এমপিদের আহ্বানে ইরান ২৫০ মিলিয়ন ডলারের ক্রুড তেল ছয় মাসের বাকিতে দিতে রাজি হয়েছিলো।
ইস্টার হামলার আগে শিল্প ও বাণিজ্য, বাস্তচ্যুত লোকজনের পুনর্বাসন, সমবায় উন্নয়ন, বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন বাথিউদ্দিন।
এই রাজনীতিক ইস্টার হামলার সঙ্গে জড়িত বলে সন্দেহভাজন এক ব্যক্তিকে মুক্ত করতে হস্তক্ষেপের অনুরোধ জানিয়েছিলেন বলে সেনা প্রধান লে. জেনারেল মহেশ সেনানায়েক অভিযোগ করার পর বৌদ্ধ ভিক্ষু ও অন্যদের চাপে বাথিউদ্দিন পদত্যাগ করেন। তবে পার্লামেন্টারি তদন্ত কমিটি তাকে নির্দোষ বলে রায় দেয়।
আগামী ডিসেম্বরে শ্রীলংকায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তার আগে দেশের সব দলই মুসলিম এই জনপ্রিয় মন্ত্রীকে কাছে পেতে চায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মশার ওষুধে টালমাটাল অবস্থা by ফারুক আলম

অন্যদিকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন নতুন ওষুধের নমুনা পরীক্ষা করতেই কয়েকদিন সময় লাগিয়েছে। এখনো চূড়ান্ত কোনো প্রতিবেদন দিতে পারেনি। মশার ওষুধের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট কোনো দিকনিদের্শনা দিতে পারছে না।
গতকাল বুধবার এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে (ডিএসসিসি) দ্বিতীয় ধাপের মশার ওষুধ মাঠপর্যায়ের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে। নতুন ওষুধটির উৎপাদনকারী ট্র্যাগরোজ নামে ভারতীয় একটি কোম্পানি।
নগরভবনের মূল ফটকের সামনে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন ডিএসসিসির প্রধান ভাণ্ডার ও ক্রয় কর্মকর্তা মোহাম্মদ নুরুজ্জামান। তিনি বলেন, মাঠপর্যায়ে মশার ওষুধের পরীক্ষা সন্তুষ্টজনক। এখন ল্যাব টেস্ট এবং সর্বশেষ প্ল্যান্ট প্রটেকশন টেস্ট করা হবে।
ডিএসসিসির ৭ তলার ৬১৯ কক্ষে সিলগালা করে রাখা তিন ধরনের ওষুধের তিনটি করে নয়টি খাঁচা ও দুটিতে ওষুধ প্রয়োগ ছাড়াই মোট ১১টি পরীক্ষার খাঁচা বের করা হয়। এরপর নুরুজ্জামান বলেন, ভারত থেকে সংগৃহীত নমুনা ওষুধের ফিল্ড টেস্ট রিপোর্ট পর্যালোচনায় ওষুধ শতভাগ কার্যকর। সংগৃহীত নমুনার ম্যালাথিউন ৫% ও ডেলটাম্যাথরিন ১.২৫% নামের দুটি ওষুধ ১০০ ভাগ কাজ করেছে। এই নমুনা ওষুধকে মাঠপর্যায়ে শতভাগ উত্তীর্ণ।
এ সময় কৃষি অধিদপ্তরের প্ল্যান্ট প্রটেকশন উইংয়ের যুগ্ম পরিচালক ড. আমিনুর ইসলাম বলেন, এটি মাঠপর্যায়ে ওষুধ পরীক্ষা হয়েছে। এতে ২৪ ঘণ্টায় ৮০ শতাংশ মশা মরলেই ওষুধ কার্যকর ধরা হয়। এখন তিনটি ওষুধই গবেষণা প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হবে।
সেখানে প্রতিটি ওষুধের উপাদান উত্তীর্ণ হলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। প্ল্যান্ট প্রটেকশন উইংয়ে মশার ওষুধের গবেষণা করতে সর্বোচ্চ ৩০ মিনিট সময় লাগবে। তিনি আরও বলেন, ফগার মেশিনের ওষুধের গুণগতমান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিন্তু লার্ভাসাইটের ওষুধ নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠেনি।
আইইডিসিআর’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডা. মিনতি সাহা বলেন, মশার ওষুধ টেস্ট করতে ১৫-২০ মিনিট সময় লাগবে। এখন সিটি কর্পোরেশন মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা করছে। এসব ওষুধ তিন ধাপে পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর চূড়ান্ত হবে।
ডিএসসিসির মশার ওষুধসহ আরও দুটি নতুন ওষুধ পরীক্ষা করে। সেখানে সিটি কর্পোরেশন বর্তমানে যে ওষুধ ব্যবহার করছে সেটিতে ৯৯ শতাংশের বেশি মশা মারা গেছে। আর নতুন দুটি ওষুধের একটি ১০০ ভাগ অন্যটিতে ৯৯.৩৩% মশা মারা গেছে।
এ ব্যাপারে নুরুজ্জামান বলেন, যে ওষুধে ৮০ শতাংশ মশা মরে সেটি কার্যকর ধরা হয়ে থাকে। মাঠপর্যায়ে ওষুধ উত্তীর্ণ হয়েছে। ওষুধের চূড়ান্ত রিপোর্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। আশা করি দুই-তিন দিনের মধ্যে মন্ত্রণালয় থেকে ওষুধের চূড়ান্ত প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।
জানা যায়, দুই দিনের ব্যবধানে দুইবার মশার ওষুধ পরীক্ষা চালানো হয়েছে। প্রথম ধাপের ওষুধ মাঠপর্যায়ের পরীক্ষায় অকার্যকর হওয়ায় দ্বিতীয় ধাপে পরীক্ষা চালায়। এতে দ্বিতীয় ধাপের ওষুধ মাঠপর্যায়ে উত্তীর্ণ হয়েছে। প্রথম ধাপের মশার ওষুধ পরীক্ষায় ৩০ মিনেটের ব্যবধানে সর্বোচ্চ ২৬ শতাংশ মশা ভূপাতিত হয়।
দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষায় ২০ মিনেটে ৮০ শতাংশ মশা ভূপাতিত হয়েছে। প্রথম ধাপের পরীক্ষার ওষুধ অকার্যকর। দ্বিতীয় ধাপের পরীক্ষার মশার মাঠপর্যায়ে কার্যকর ও সন্তোষজনক। তবে ল্যাবে পরীক্ষার পরেই নতুন মশার ওষুধ সিটি কর্পোরেশন আমদানি করবে।
সিন্ডিকেটে জিম্মি হয়ে আছে মশার ওষুধ আমদানি। হাতেগোনা কয়েকটি কোম্পানির নিয়ন্ত্রণে মশার ওষুধ। লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্ট এবং নোকন- এ দুই কোম্পানি ওষুধ সরবরাহ করছে সিটি কর্পোরেশনগুলোয়।
এর মধ্যে দীর্ঘদিন মশক নিধনে ভেজাল ওষুধ সরবরাহের অভিযোগে লিমিট অ্যাগ্রো প্রোডাক্ট কোম্পানিকে কালো তালিকাভুক্ত করেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)। ফলে প্রয়োজনেই আর একটি কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধ নিতে হচ্ছে।
এ ব্যাপারে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ১৭ কোটি মানুষের দেশে দুটি কোম্পানি ওষুধ আনবে, বাকিরা কেন পারবে না? একটি বা দুটি কোম্পানির সিন্ডিকেটের কারণে আজ পুরো জাতির কাছে আমরা প্রশ্নবিদ্ধ। আমদানিকারক থাকলেও তারা ওষুধ আমদানি করতে পারছে না। দুটি কোম্পানি পুরো সিস্টেমকে ম্যানেজ করে রেখেছে। এটা চলতে পারে না।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ৫ অক্টোবর কৃষি সমপ্রসারণ অধিদপ্তরের এক বিজ্ঞপ্তিতে দেশে ওষুধ আমদানির বিষয়ে নির্দেশনা দেয়া হয়। পেস্টিসাইড কারিগরি উপদেষ্টা কমিটি (পিটাক) সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক কৃষিকাজে ব্যবহার্য ও জনস্বাস্থ্যে ব্যবহার্য বালাইনাশক দ্রব্যাদির নতুন রেজিস্ট্রেশনের জন্য কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
এখানে প্রোডাক্টের তথ্য-উপাত্ত, কারিগরি মূল্যায়ন, মিশ্রণের পরিমাণ এবং মূল্যায়ন, ভ্যাট সার্টিফিকেট, কোম্পানি মালিকের জাতীয় পরিচয়পত্র, ব্যাংকের সচ্ছলতা সনদ, এনওসি, প্রোডাক্ট নমুনা মূল্যায়ন এবং বাংলাদেশ ক্রপ প্রোটেকশন অ্যাসোসিয়েশনের (বিসিপিএ) নতুন নিবন্ধন থাকা বাধ্যতামূলক করা হয়।
কিন্তু এই বিজ্ঞপ্তিকে বিধিমালা হিসেবে প্রচার করে সিন্ডিকেটে জিম্মি করে ফেলা হয়েছে দেশের কীটনাশক আমদানি খাতকে। তিন-চারটি কোম্পানির হাতে রয়েছে এই আমদানির চাবিকাঠি। নতুন কোনো কোম্পানিকে এই ধাপগুলো পার করে ওষুধ আমদানির সুযোগ দেয় না এই সিন্ডিকেট।
দীর্ঘদিন ধরে এসব মশার ওষুধ অকার্যকর প্রমাণিত হলেও সিন্ডিকেটের কারণে নতুন ওষুধ কিনতে পারছে না সিটি কর্পোরেশন। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশ (আইসিডিডিআর,বি)-এর গবেষণায় এসব ওষুধ অকার্যকর প্রমাণিত হলেও তাদের কাছ থেকেই ওষুধ কিনতে হচ্ছে।
দুই সিটি কর্পোরেশনের স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এই মুহূর্তে যে ওষুধগুলো ছিটানো হচ্ছে- সেগুলো আইসিডিডিআর,বি ঘোষিত অকার্যকর ওষুধ। নতুন ওষুধ কেনার আগ পর্যন্ত এগুলো ব্যবহার করা হবে।
এ মুহূর্তে কোনো বিকল্প না থাকায় সংশ্লিষ্টরা ওষুধগুলোকে কার্যকর প্রমাণের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। যদিও এখন পর্যন্ত কোনো পরীক্ষায় এ ওষুধ কার্যকর বা মানসম্পন্ন প্রমাণিত হয়নি। তবে গতকাল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে মাঠপর্যায়ের পরীক্ষায় সিটি কর্পোরেশনের ব্যবহূত মশার ওষুধকে কার্যকর বলা হয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাখির হানিমুনের ছবি ভাইরাল

রাখি জানান, তার স্বামী ইউ কে তে থাকেন। তিনি আরও জানিযয়েছেন, যে তার ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। ভিসা পেলেই উড়ে যাবেন সেখানে। তার স্বামীর নাম রীতেশ। ভাইরাল হয়ে যাওয়া হানিমুনের ছবিগুলিতে স্বল্প পোশাকে আবেদনময়ী হিসাবে দেখা যাচ্ছে রাখিকে। যদিও ছবিতে রাখির স্বামীকে কোথাও দেখা যায়নি। রাখি বলেছেন, তার দীর্ঘদিনের স্বপ্ন যে তিনি টিভি শো প্রডিউস করবেন। এবার তার সেই স্বপ্ন সত্যি হবে বলে মনে করছেন তিনি। কিভাবে তাদের প্রেমের শুরু সেই গল্পও বলেছেন রাখি। রাখি বলেছেন, প্রভু চাওলার সঙ্গে তার সাক্ষাৎকার দেখার পরই প্রেমে পড়ে যান তিনি। এরপর থেকেই তাকে হোয়াটসঅ্যাপ করতে শুরু করেন। এরপর ফোনে কথা শুরু হয় দুজনের। প্রায় বছর দেড়েক আগে থেকেই তাদের বন্ধুত্বের শুরু। এরপর বন্ধুত্ব থেকে প্রেম ও বিয়ে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীলঙ্কার ইসলামফোবিয়া অগ্রাহ্য করায় আরো ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মুসলিম সম্প্রদায় by তাসনিম নাজির

তবে এবার সবকিছু ছিল ভিন্ন। আইএসের সাথে সম্পৃক্ত স্বল্প পরিচিত একটি সংগঠনের ইস্টার বোমা হামলায় ২৫৩ জনের প্রাণহানি ও ৫০০ জনের আহত হওয়ার ঘটনায় সবাই কেঁপে ওঠে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইতে সবাই একত্রে দাঁড়াতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হয়। কিন্তু এবারের সফরের সময় প্রথমবারের মতো আমি দৃশ্যমান মুসলিম নারী হিসেবে সেখানে মুসলিমবিরোধী বদ্ধমূল ধারণার মুখোমুখি হই।
মুসলিমবিরোধী প্রত্যাঘাতের কারণেই পরিবারের সদস্যরা শ্রীলঙ্কায় না যাওয়ার অনুরোধ করেছিল। ইস্টার হামলার পর থেকে মুসলিমবিরোধী মনোভাব বেড়েছে, অনেক মুসলিম নারী এমনকি তাদের বাড়িঘর থেকে বের হতেও ভয় পায়।
স্পষ্টভাবেই বলা যায়, স্থিতিশীলতা ও শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য শ্রীলঙ্কার মুসলিমদের প্রয়োজন সব সম্প্রদায়ের সাথে মতবিনিময় করতে সক্ষম হওয়া, দৃশ্যপটের বাইরে নিজেদের লুকিয়ে রাখা ঠিক হবে না তাদের জন্য। এসব চরমপন্থীর কার্যক্রম শান্তি ও ঐক্যের পতাকাবাহী ইসলামের শিক্ষার বিপরীত।
মুসলিমরা যেন না ভাবে যে তাদের পরিচয় গোপন করা উচিত। তারা যেন এমনটাও না ভাবে যে কাজ তারা করেনি, সেই কাজের জন্য তাদের সম্মিলিতভাবে অভিযুক্ত করা হচ্ছে।
দুঃখজনকভাবে শ্রীলঙ্কার অনেক মুসলিম তাদের বিশ্বাসের আলোকে তৈরী পোশাক পরে রাস্তায় বের হতে ভয় পায়। হিজাব পরা অনেক নারীর সাথে আমি কথা বলেছি, তারা এখন নিজেদের ঘরে আটকে রেখেছেন, তারা এখন হিজাব ছাড়া বাইরে বের হতে চান না।
বিমানবন্দরে এক শ্রীলঙ্কান নারী আমার প্রতি চিৎকার করতে লাগলেন। তিনি আমাকে আমার হেডস্কার্ফ খুলে ফেলতে বললেন। তিনি বললেন, এমন পোশাক পরা নিষিদ্ধ। বাস্তবে এমনটি নিষিদ্ধ নয়, নিষিদ্ধ হলো মুখ ঢেকে রাখা।
কষ্ট পেয়ে আমি বিনীতভাবে বললাম যে আমি আইন লঙ্ঘন করছি না। আর তিনি অপছন্দ করছেন বলেই আমি আমার হিজাব খুলব না।
তিনি তখন অদ্ভূতভাবে দাবি করলেন যে কালো হিজাব অনুমোদিত নয়, কেবল রঙিনগুলোই অনুমোদন করা হয়। আমার পরিবার পরে আমাকে জানিয়েছিল যে ইসলামিক সংস্থা নারীদেরকে কালোর বদলে রঙিন পোশাক পরতে উৎসাহিত করে। কারণ কালো রঙের ইসলামি পোশাক নিয়ে অনেক সময় নেতিবাচক ধারণার সৃষ্টি হয়।
আমার ব্রিটিশ উচ্চারণ বুঝতে পেরে তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করলেন, আমি বিদেশী কিনা। আমি হ্যাঁ বললে তিনি শান্ত হন। শ্রীলঙ্কান লোকদের জন্য এখন কঠিন সময়, মুসলিম নারী পরিচিতি সহজ টার্গেটে পরিণত হয়েছে।
আমাদের লাগেজ সংগ্রহের লাইনে থাকার সময় একটি শ্রীলঙ্কান মেয়ে আমার দুই বছরের ছেলেটিকে ধরার জন্য এগিয়ে আসছিল। কিন্তু আমাকে দেখে তার বাবা তাকে নিয়ে সরে যায়।
আমাকে আগেই বিদ্যমান উত্তেজনা সম্পর্কে সতর্ক করে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু এমন অভিজ্ঞতা দেখব, তা ভাবিনি। আমি কষ্ট পেয়েছি। বুঝতে পেরেছি যে ইসলামফোবিয়া মোকাবিলা করা ও আন্তঃধর্মীয় সম্পর্ক প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের আরো অনেক কিছু করতে হবে।
আমি খ্রিস্টান, বৌদ্ধ, হিন্দু ও মুসলিম- সবার সাথে কথা বলেছি। আমি দেখেছি, এখনো এসব সম্প্রদায়ের মধ্যে উষ্ণতা রয়েছে। ইসলামফোবিয়া বাড়লেও এখনো বন্ধুত্বও রয়েছে।
মুসলিম ব্যবসায়ীরা বলছেন, তাদের ব্যবসা হ্রাস পাচ্ছে, ইস্টার হামলার পর থেকে অনেক দোকান এখনো বন্ধ রয়েছে। তবে ধীরে ধীরে অন্যান্য ধর্মের লোকজন মুসলিমদের দোকানপাটে ফিরছে, শুরুতে তাদের মুসলিম মালিকানাধীন দোকানে কেনাকাটা করতে বারণ করা হয়েছিল।
শ্রীলঙ্কান মুসলিম ও সফরকারীদের প্রতি ইসলামফোবিয়া সত্য ঘটনা এবং শ্রীলঙ্কা সরকারকে তা সমাধান করতে হবে।
ইস্টার হামলার পর মুসলিমবিরোধী উত্তেজনার সময় সহিংসতা দমন করতে সরকার কারফিউ জারি করেছিল। তবে অনেক মুসলিম পরিবার তাদের বাড়িঘরে নিরাপদ বোধ করেনি, কারণ কারফিউ উপেক্ষা করেই দাঙ্গাবাজেরা হামলা চালিয়েছে, তাদেরকে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা হয়েছে সামান্যই।
শ্রীলঙ্কায় মুসলিমদের ওপর হামলাকারীদের বিচারের আওতায় আনতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য হিউম্যান রাইটস ওয়াচ শ্রীলঙ্কা সরকার ও পুলিশকে অভিযুক্ত করেছে।
হামলার পর বোরকা পরার ওপর শ্রীলঙ্কা সরকারের নিষেধাজ্ঞাও উত্তেজনা বাড়িয়ে দিয়েছে। মুসলিম নারীরা টার্গেট হচ্ছে, নিঃসঙ্গ বোধ করছে।
শ্রীলঙ্কান সরকারের দায়িত্ব সব নাগরিককে রক্ষা করা, মুসলিম সম্প্রদায়ের বিরুদ্ধে উত্তেজনা যাতে ছড়িয়ে না পড়ে তা নিশ্চিত করা।
প্রথমেই কর্তৃপক্ষকে দাঙ্গাবাজদের দমন করতে হবে। কেউ যাতে মুসলিমদের বিরুদ্ধে সহিংসতা ছড়াতে না পারে, হুমকি দিতে না পারে, বৈষম্য প্রদর্শন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করতে হবে।
হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, ইস্টার বোমা হামলার পর শ্রীলঙ্কা সরকারের উচিত ছিল মুসলিম নারীদের রক্ষা করা। কিন্তু এর বদলে কর্মকর্তাদের অনেকে জাতীয়বাদী উপাদানর সাথে নিজেদের সম্পৃক্ত করেছে, মুসলিম এমপিদের পদত্যাগ করার দাবিকে সমর্থন করেছে।
তারা যদি মুসলিমদেরকে দ্রুততার সাথে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়, তবে মুসলিম সম্প্রদায় আরো বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকিতে থাকবে। এতে সমাজের মধ্যে বিভক্তি আরো বাড়বে। অথচ অন্যদের মতো মুসলিমদেরও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান করার অধিকার আছে।
>>>লেখক: পুরস্কারজয়ী সাংবাদিক, লেখক, ইউনিভার্স্যাল পিস ফেডারেশন অ্যাম্বাসেডর
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1398)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
August
(1053)
-
▼
Aug 10
(31)
- রাজনীতি থেকে সামরিক বাহিনীর পূর্ণ প্রত্যাহারের আহ্...
- এনআরসি-কেন্দ্রীক নাগরিকত্ব নিয়ে উভয়সঙ্কট: ভারতের স...
- কেন ৩৭০ ধারা বিলোপে ক্ষুব্ধ কাশ্মীর? কী দেখে এলো ব...
- তিনি বাংলাদেশের সানি লিয়ন
- কাশ্মীর: ভারতকে সমর্থন রাশিয়ার, পাকিস্তানকে চীনের
- শিল্পকলায় ‘শতবর্ষের পথে বঙ্গবন্ধু’ প্রদর্শনী
- যানজট, দুর্ভোগ এবারো সঙ্গী
- কাশ্মীর সংকট সমাধানে বঙ্গবন্ধু যে পরামর্শ দিয়েছিলেন
- ‘চাইনিজ ডেট ট্র্যাপ’ -দক্ষিণ এশিয়ার জন্য চীনা ঋণের...
- যেভাবে বদলে যাবে ভারতের অধীন কাশ্মীর
- জাতীয় মসজিদের এ কী হাল! by ফয়েজ উল্লাহ ভূঁইয়া
- রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে প্রয়োজন আন্তর্জাতিক উদ্যোগ by...
- রোহিঙ্গাদের গণহারে হত্যায় কোটি ডলার ব্যয় করেছে ৪৫ ...
- ডেঙ্গুর চিত্র
- যে কারণে দুই বছরে ১১ জনকে বিয়ে করেন এই তরুণী
- ৩৫ বছর বয়সে নতুন করে দেশ খুঁজবেন তিনি!
- সাম্প্রদায়িক নৃশংসতার সময় চুপ থাকার জন্য শ্রীলংকার...
- মশার ওষুধে টালমাটাল অবস্থা by ফারুক আলম
- রাখির হানিমুনের ছবি ভাইরাল
- শ্রীলঙ্কার ইসলামফোবিয়া অগ্রাহ্য করায় আরো ক্ষতিগ্রস...
- ‘বিএনপির ভবিষ্যৎ নিয়ে নিরাশ হওয়ার মতো কিছু দেখছি ন...
- নিউইয়র্কে জঙ্গি পরিচয়ে গ্রেপ্তার ব্রঙ্কসের দেলোয়ার...
- নাফিস, আকায়েদের পর আশিক: নানা প্রশ্ন প্রবাসী জনমনে...
- বিকাশ ফোন দেয় না, ফোন দেয় প্রতারকরা by মো. শফিকুল ...
- এমন বন্ধু আর কে আছে…তোমার মতো মিস্টার
- পরবর্তী দালাই লামাকে অবশ্যই চীন থেকে বাছাই করতে হব...
- নেপালের এক-তৃতীয়াংশ ব্যবসার মালিক নারীরা
- মিয়ানমারের কৌশলগত উপকূলরেখা এশিয়ার বৃহৎ অর্থনীতিগু...
- ছুটছেন সিন্ডি রোলিং!
- বহু গুণে গুণান্বিত এক মানুষ by আমীরুল ইসলাম
- কাশ্মিরি নারীদের সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান শিখ ধর্মগুরুর
-
▼
Aug 10
(31)
-
▼
August
(1053)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








