Tuesday, July 28, 2026

মলত্যাগের পর মল ভেসে থাকা কি কোনো রোগের লক্ষণ

মলত্যাগের পর কমোড বা প্যানের পানির স্তরের নিচে মল ডুবে যাওয়াই স্বাভাবিক। তবে কখনো কখনো মলত্যাগের পর মল ভেসে থাকতে পারে। কেন এমন হয়? এটা কি পেটের কোনো রোগের লক্ষণ? রাফিয়া আলমকে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন সিলেট ইবনে সিনা হাসপাতালের কনসালট্যান্ট সার্জন ডা. রেজা আহমদ

কখনো কখনো কেন মল পানিতে ভাসে

সাধারণত মল পানির চেয়ে ভারী হয়। স্বাভাবিকভাবেই তাই মল পানিতে ডুবে যায়। তবে মলের ভেতর যদি বাতাসের পরিমাণ বেশি থাকে, তাহলে মল পানির চেয়ে হালকা হয়ে যায়। সে ক্ষেত্রে মল পানিতে ভেসে থাকে। আবার মলে চর্বির পরিমাণ বেশি থাকলেও ঘটে একই ঘটনা।

কেন এমন হয়

ইউরোপিয়ান জার্নাল অব গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি অ্যান্ড হেপাটোলজিতে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বিষয়টি উঠে এসেছে। ১ হাজার ২৫২ জন রোগীর ওপর করা সেই গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, ফাংশনাল বাওয়েল ডিজঅর্ডারে আক্রান্ত রোগীদের ২৬ শতাংশই জানিয়েছেন, মলত্যাগের পর তাঁদের মল পানিতে ভাসে। এখানে ফাংশনাল বাওয়েল ডিজঅর্ডার সম্পর্কে একটু বলে রাখা প্রয়োজন।

গঠনগত বা অন্য কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ সমস্যা না থাকা সত্ত্বেও যখন একজন ব্যক্তির অন্ত্র স্বাভাবিকভাবে কাজ করে না, তখন ধরে নেওয়া হয় তিনি ফাংশনাল বাওয়েল ডিজঅর্ডারে ভুগছেন।

অন্ত্র ছাড়া পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য অংশেও এমন ‘ফাংশনাল’ সমস্যা হতে পারে। অর্থাৎ সে ক্ষেত্রেও বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ কোনো সমস্যা নেই, তবু পরিপাকতন্ত্রের কাজে দেখা দেয় গন্ডগোল।

ওই গবেষণায়ই জানা গেছে, ফাংশনাল বাওয়েল ডিজঅর্ডার ছাড়াও পরিপাকতন্ত্রের অন্যান্য ফাংশনাল সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে ৩ শতাংশ ব্যক্তি মলত্যাগের পর মল ভেসে থাকতে দেখেছেন। বিভিন্ন ফাংশনাল সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের অতিরিক্ত গ্যাস হয়ে থাকে।

আঁশসমৃদ্ধ খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে অন্ত্রে গ্যাসের মাত্রা বাড়তে পারে। কারণ, অন্ত্রে স্বাভাবিকভাবে বাস করা ব্যাকটেরিয়াগুলো এসব আঁশের ওপর কিছু ফারমেন্টেশন, অর্থাৎ গাঁজন ঘটায়। তাতে তৈরি হয় গ্যাস।

শাক, শিমজাতীয় সবজি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ব্রকলি, মসুর ডাল প্রভৃতিতে প্রচুর আঁশ থাকে। ফল ও সবজির খোসায়ও প্রচুর আঁশ থাকে।

এ ধরনের খাবার অতিরিক্ত পরিমাণে খেলে মল পানিতে ভাসতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে দুধের ল্যাকটোজ এবং ফলের ফ্রুকটোজের কারণেও অন্ত্রে গ্যাসের মাত্রা বাড়ে। সে ক্ষেত্রেও মল ভাসতে পারে পানিতে।

একইভাবে মলে চর্বির পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটতে পারে, যদি কেউ অতিরিক্ত তেল-চর্বিজাতীয় খাবার খান। তবে কারও যদি খাবারের চর্বি স্বাভাবিকভাবে শোষণে কোনো বাধা সৃষ্টি হয়, সে ক্ষেত্রেও তাঁর মলে চর্বির মাত্রা বেড়ে যাবে। অন্ত্র, অগ্ন্যাশয় বা পিত্তথলির নির্দিষ্ট ধরনের রোগে এমনটা হতে পারে।

করণীয়

মল পানিতে ভাসলেই তা কোনো রোগের লক্ষণ না-ও হতে পারে। তবে প্রায়ই এমন হলে আপনি কী খাচ্ছেন বা কীভাবে খাচ্ছেন, সে বিষয়ে একটু যত্নশীল হতে পারেন। অর্থাৎ আপনি খেয়াল করতে পারেন, অতিরিক্ত বায়ু উৎপন্নকারী খাবার বা খাবারে অতিরিক্ত চর্বি থাকার কারণে এমন সমস্যা হচ্ছে কি না।

তবে কারণটা আপনি খুঁজে না পেলেও সাধারণত কোনো ক্ষতি হয় না। অবশ্য কিছু লক্ষণের দিকে খেয়াল রাখা প্রয়োজন, যেসব দেখলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

কখন যাবেন চিকিৎসকের কাছে

* একটানা বেশ কয়েক দিন যদি মলত্যাগের পর পানিতে মল ভাসে।

* যদি মলের স্বাভাবিক গন্ধের চেয়ে আলাদা ধরনের দুর্গন্ধ হয়।

* যদি মল বেশ আঠালো হয়।

* যদি মলের পরিমাণ খুব বেশি হয়।

* যদি মলের সঙ্গে রক্ত আসে বা টয়লেট পেপারে রক্ত দেখা দেয়।

* কোনো চেষ্টা না করার পরও ওজন কমতে থাকে।

* পেটব্যথা হয়।

* অতিরিক্ত গ্যাস বের হয়।

এমন কোনো লক্ষণ থাকলে চিকিৎসক সমস্যার কারণ খুঁজে বের করবেন এবং প্রয়োজনমাফিক চিকিৎসার নির্দেশনা দেবেন।

মলত্যাগের পর কমোড বা প্যানের পানির স্তরের নিচে মল ডুবে যাওয়াই স্বাভাবিক, তবে কখনো কখনো মলত্যাগের পর মল ভেসে থাকতে পারে
মলত্যাগের পর কমোড বা প্যানের পানির স্তরের নিচে মল ডুবে যাওয়াই স্বাভাবিক, তবে কখনো কখনো মলত্যাগের পর মল ভেসে থাকতে পারে। ছবি: পেক্সেলস

ইরান ইস্যুতে ভয়াবহ সংকটে ওয়াশিংটন, নতুন করে বিপদ বাড়ছে ট্রাম্পের

ইরানকে ঘিরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারো এমন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়েছেন, যেখানে প্রতিটি সিদ্ধান্তই আগের চেয়ে আরো কঠিন ও ব্যয়বহুল হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিনের সামরিক অভিযান কাঙ্ক্ষিত ফল না দেওয়ায় এখন যুক্তরাষ্ট্রের সামনে কূটনৈতিক উদ্যোগ, সামরিক চাপ বৃদ্ধি কিংবা অর্থনৈতিক অবরোধ প্রতিটি বিকল্পই বড় ধরনের রাজনৈতিক ও কৌশলগত ঝুঁকি তৈরি করছে।

হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, টানা ১৩ রাত বিমান হামলার পর তিন রাতের জন্য হামলা স্থগিত রাখা হয়েছে, যাতে কূটনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরি হয়। তবে একই সঙ্গে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সতর্ক করে বলা হয়েছে, প্রয়োজন হলে যুক্তরাষ্ট্র আবারো সামরিক অভিযান জোরদার করতে প্রস্তুত।

এদিকে ইরান জানিয়েছে, সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ওমানের মধ্যস্থতায় দুই দেশের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে। তবে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসার কোনো ইঙ্গিত দেয়নি তেহরান। এই ইস্যুকেই বর্তমান উত্তেজনার অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

প্রায় পাঁচ মাস আগে শুরু হওয়া সংঘাত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হলেও বাস্তবে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, ট্রাম্প প্রশাসন সামরিক চাপ বাড়িয়ে ইরানকে ছাড় দিতে বাধ্য করতে চাইলেও সেই কৌশল প্রত্যাশিত ফল দিচ্ছে না।

সীমিত হয়ে আসছে বিকল্প

যুক্তরাষ্ট্র চাইলে স্থলবাহিনী মোতায়েন করে সামরিক চাপ আরো বাড়াতে পারে। তবে এমন সিদ্ধান্তে মার্কিন সেনাদের ব্যাপক প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, যা ইতোমধ্যেই যুদ্ধবিরোধী জনমতকে আরো শক্তিশালী করতে পারে।

অন্যদিকে ইরানের পরিবহন অবকাঠামো ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালিয়ে অর্থনীতিকে আরো দুর্বল করার বিকল্পও রয়েছে। তবে এতে সাধারণ ইরানি নাগরিকদের দুর্ভোগ বাড়বে এবং তাতেও তেহরানের নীতিগত অবস্থান পরিবর্তনের সম্ভাবনা কম বলে মনে করছেন মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা।

এছাড়া ইরানের জাহাজ ও বন্দরগুলোর ওপর কঠোর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে। কিন্তু এ ধরনের পদক্ষেপ কার্যকর হতে দীর্ঘ সময় লাগতে পারে। পাশাপাশি এর জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা পুনরায় শুরু করতে পারে, যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন সংকট সৃষ্টি করবে।

বাড়ছে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক চাপ

যুদ্ধের প্রভাব ইতোমধ্যেই বিশ্ববাজারে পড়তে শুরু করেছে। গত সপ্তাহে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে, যদিও রোববার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৫ শতাংশের বেশি কমেছে। একই সময়ে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা লোহিত সাগরের বিকল্প তেল পরিবহন পথেও হামলার হুমকি দিয়েছে।

বিশ্লেষকদের আশঙ্কা, বৈশ্বিক অপরিশোধিত তেলের মজুত কমে যাওয়ায় পরিস্থিতি আরো জটিল হতে পারে। আর এ সংকটের মধ্যেই আগামী নভেম্বরে অনুষ্ঠেয় মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

হোয়াইট হাউসেও মতপার্থক্য

মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউসের এক বৈঠকে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন যুদ্ধ আরো বিস্তৃত করার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। বিশেষ করে গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়া এবং দীর্ঘমেয়াদি সামরিক সক্ষমতা নিয়ে তারা সতর্ক করেছেন।

একই সঙ্গে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সাম্প্রতিক মূল্যায়নেও বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক বিমান হামলা ইরানকে আলোচনার টেবিলে নিজেদের অবস্থান পরিবর্তনে বাধ্য করতে পারবে—এমন সম্ভাবনা খুবই কম।

নতুন পথের খোঁজে যুক্তরাষ্ট্র

পরিস্থিতি মোকাবিলায় আবারো যুদ্ধবিরতির মতো একটি সমঝোতায় ফেরার সম্ভাবনাও আলোচনায় রয়েছে। তবে তেহরান হরমুজ প্রণালিতে নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার দাবি পূরণ না হলে এমন কোনো চুক্তিতে রাজি হবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। আর যুক্তরাষ্ট্র যদি সেই দাবি মেনে নেয়, তবে তা ওয়াশিংটনের জন্য রাজনৈতিক পরাজয় হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।

রিপাবলিকান সিনেটর বিল ক্যাসিডি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে কংগ্রেস ও জনগণের সঙ্গে একটি জাতীয় সংলাপ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন। তার মতে, এমন একটি নতুন কৌশল প্রয়োজন, যাতে ইরান হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ না পায় এবং যুক্তরাষ্ট্রকে দীর্ঘমেয়াদি ব্যয়বহুল যুদ্ধে জড়াতে না হয়।

জনমতেও বাড়ছে অনিশ্চয়তা


সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ৩১ শতাংশ মার্কিন নাগরিক হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা রাখেন। ৪০ শতাংশ মনে করেন, এই সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে। আর ৭৬ শতাংশের মতে, যুদ্ধটি ট্রাম্প প্রশাসনের প্রত্যাশার তুলনায় অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠেছে।

তবে হোয়াইট হাউসের দাবি, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মূল লক্ষ্য এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রশাসন এখনও দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

সূত্র: সিএনএন

ইরান ইস্যুতে ভয়াবহ সংকটে ওয়াশিংটন, নতুন করে বিপদ বাড়ছে ট্রাম্পের

‘পুরুষদের উচিত নারীর পোশাক, ওজন নিয়ে মন্তব্য করা বন্ধ করা’

হিন্দি চলচ্চিত্র ও ওয়েব ধারাবাহিকে নিজের আলাদা জায়গা তৈরি করেছেন অভিনেত্রী হুমা কুরেশি। সম্প্রতি অনলাইনের নারীদের হয়রানি নিয়ে খোলাখুলি কথা বলেছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে হুমা বলেন, অনলাইনে অনেক সময় এমন মন্তব্য আসে, ‘বিকিনিতে ছবি পোস্ট করো। এগুলো খুবই নোংরা এবং দুঃখজনক ঘটনা।’
বাস্তবে আর অনলাইনে হয়রানির পার্থক্য নেই উল্লেখ করে হুমা আরও বলেন, ‘আমার মতে, রাস্তার ওপর একজন মেয়েকে হেনস্তা করা আর অনলাইনে হ্যারাসমেন্ট করা—দুই ক্ষেত্রের জন্যই শাস্তি একই হওয়া উচিত। কোনো পার্থক্য নেই।’

নিজের মন্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন হুমা। তিনি বলেন, ‘যদি কেউ আমাকে অশ্লীল ছবি পাঠায় বা পোস্টে অশ্লীল মন্তব্য করে, তবে তারও শাস্তি ঠিক সেই একই হওয়া উচিত, যা রাস্তার ওপর হেনস্তা করার ক্ষেত্রে হয়। পুরুষদের উচিত নারীর পোশাক, মেকআপ, জীবনধারা বা ওজন নিয়ে মন্তব্য করা বন্ধ করা।’

২০১২ সালে ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’–এর মাধ্যমে আলোচনায় আসা হুমা ১৩ বছর ধরে বলিউডে কাজ করেছেন। ‘জলি এলএলবি’ ও ‘মহারানি’ ফ্র্যাঞ্চাইজির মতো জনপ্রিয় প্রকল্পে দেখা গেছে তাঁকে। তাঁর অবদান রয়েছে। সামনে তাঁকে দেখা যাবে যশের সঙ্গে ‘টক্সিক’ সিনেমায়।

সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে হুমা অভিনীত ‘জলি এলএলবি ৩’। তবে সিনেমায় তাঁর উপস্থিতি খুব বেশি নেই। এ জন্যও সমালোচনার শিকার হচ্ছেন তিনি। হুমা বলেন, কখনো কখনো তাঁর সবচেয়ে ভালো দৃশ্যগুলো সিনেমা থেকে কেটে দেওয়া হয়। তিনি আরও বলেন, ‘আমি খুবই বিরক্ত হতাম, যখন আমার চরিত্রের চিত্রায়ণ দেখানো হয়নি। কিন্তু কখনো কখনো সবকিছুতে নিয়ন্ত্রণ থাকে না।’

মাসালাডটকম অবলম্বনে

হুমা কুরেশি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে
হুমা কুরেশি। অভিনেত্রীর ইনস্টাগ্রাম থেকে