Thursday, June 30, 2011
ফ্রান্সে পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য শত কোটি ইউরো
তবে বিপুল পরিমাণ এই বিনিয়োগের একটা অংশ পারমাণবিক নিরাপত্তাবিষয়ক গবেষণার পেছনেও ব্যয় করা হবে।
ফরাসি পারমাণবিক প্রতিষ্ঠান আরিভা চুল্লির চতুর্থ প্রজন্মের প্রযুক্তির উন্নয়ন করছে। দেশটি মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ৮০ শতাংশ পূরণ করে পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র।
সারকোজি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘ভবিষ্যতে পরমাণু কর্মসূচি, বিশেষ করে চতুর্থ প্রজন্মের প্রযুক্তি উন্নয়নে আমরা শত কোটি ইউরো বিনিয়োগ করতে যাচ্ছি।’
ফুকুশিমা বিপর্যয়ের পর চলতি বছরের গোড়ার দিকে ফ্রান্সের প্রতিবেশী রাষ্ট্র জার্মানি, সুইজারল্যান্ড ও ইতালি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কর্মসূচির বিপক্ষে ভোট দেয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় ত্রাণবাহী জাহাজ প্রবেশে বাধা দেবে ইসরায়েল
আগামীকাল বৃহস্পতিবার বা শুক্রবার গ্রিস থেকে ত্রাণবাহী জাহাজগুলো গাজা অভিমুখে রওনা হতে পারে। গত বছরের ৩১ মে গাজা অভিমুখী ত্রাণবাহী জাহাজের বহর ফ্রিডম ফ্লোটিলায় হামলা চালায় ইসরায়েলি বাহিনী। এতে নয়জন নিহত হয়। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে সমালোচনার মুখে পড়ে ইসরায়েল।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে গত সোমবার দেওয়া এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইসরায়েল আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী জাহাজকে গাজায় প্রবেশ করতে না দেওয়ার ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তবে জাহাজের লোকজনের সঙ্গে সংঘর্ষ যতটা সম্ভব এড়ানোর জন্য নৌবাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ত্রাণবাহী জাহাজে করে যারা অবৈধভাবে গাজায় প্রবেশের চেষ্টা করবে, তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীনেতানিয়াহু। তবে সাংবাদিকেরা এই নির্দেশের বাইরে থাকবেন।
ইসরায়েলের মুখমাত্র লেফটেন্যান্ট কর্নেল আভিতাল লেইবোভিৎজ বলেন, ‘সামরিক গোয়েন্দা সূত্রে আমরা তথ্য পেয়েছি, জাহাজে এমন কিছু রাসায়নিক উপাদান রয়েছে, যা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া ওই সব জাহাজে উগ্রপন্থী জঙ্গিরাও থাকবে বলে আমরা তথ্য পেয়েছি। তারা ইসরায়েলি সেনাদের হত্যা করতে চাইছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে টাটার আপিল
গতকাল সকালে নয়াদিল্লিতে সুপ্রিম কোর্টের অবসরকালীন ডিভিশন বেঞ্চে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে টাটা মোটরস। আপিলে সিঙ্গুরের জমি-ফেরত কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাওয়া হয়। কিন্তু গতকাল সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গের সরকারি আইনজীবী অনুপস্থিত থাকায় ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি পি সত্যশিবম ও বিচারপতি এ কে পট্টনায়ক আজ বুধবার শুনানির দিন ধার্য করেন।
এর আগে সোমবার পশ্চিমবঙ্গ সরকার সুপ্রিম কোর্টে ক্যাভিয়েট পিটিশন দাখিল করে। পিটিশনে বলা হয়, সরকারকে না জানিয়ে সুপ্রিম কোর্ট যেন একতরফা কোনো সিদ্ধান্ত না নেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মার্গারেট থ্যাচারের হাতব্যাগ ২৫ হাজার পাউন্ডে বিক্রি
লৌহমানবী হিসেবে পরিচিত থ্যাচারের এই হাতব্যাগ ব্রিটিশ মন্ত্রীদের কাছে বেশ ভয়ের বস্তু ছিল। ১৯৭৯-৯০ সালের শাসনামলে থ্যাচার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান যেমন—যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান ও সোভিয়েত নেতা মিখাইল গর্বাচেভের সঙ্গে বৈঠক করার সময় ওই কালো অ্যাস্প্রে হাতব্যাগ ব্যবহার করতেন।
থ্যাচারের মন্ত্রিসভায় ১৯৮৫ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করা লর্ড ক্যানেথ বেকার ওই ব্যাগকে থ্যাচারের ‘গোপন অস্ত্র’ বলে অভিহিত করেছেন। তিনি স্মৃতিচারণকরে বলেন, কর্তৃত্বের প্রতীক হিসেবে থ্যাচার প্রায়ই তাঁর হাতব্যাগ মন্ত্রিসভার টেবিলে রাখতেন এবং ব্যাগ থেকে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র বের করতেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গ্রিসে ব্যয়সংকোচন পরিকল্পনার প্রতিবাদে দুই দিনের ধর্মঘট শুরু
দেশটির প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপানদ্রু গত সোমবার বলেন, দুই হাজার ৮০০ কোটি ইউরোর ব্যয়সংকোচন প্যাকেজ পাস হলেই কেবল গ্রিস আবারও নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারবে।
সরকার যদি ভোটাভুটিতে হেরে যায়, তাহলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এক হাজার ২০০ কোটি ইউরোর ঋণ স্থগিত করে দিতে পারে।
সরকারের ব্যয়সংকোচন পরিকল্পনার প্রতিবাদে গতকাল হাজার হাজার বিক্ষোভকারী রাজধানী এথেন্সের রাস্তায় নেমে আসে। প্রায় দুই হাজার মানুষ পার্লামেন্টের বাইরে সিনটাগমা স্কয়ারে বিক্ষোভ দেখায়। এ সময়তাঁরা ড্রাম বাজিয়ে সরকারে বিরোধী বিভিন্ন শ্লোগান দেয়। প্রথমে ধর্মঘট শান্তিপূর্ণথাকলেও পরে সহিংসতায়রূপ নেয়।বিক্ষোভকারীরা পুলিশের ওপর ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে পুলিশ পাল্টা ধর্মঘটিদের ওপর কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।
পাঁচ হাজারেরও বেশি পুলিশ সদস্যকে গতকাল মঙ্গলবার এথেন্সের কেন্দ্রস্থলে মোতায়েন করা হয়।
ধর্মঘটে বেশির ভাগ পরিষেবার বিঘ্ন ঘটছে অথবা বন্ধ হয়ে গেছে। রাজধানীর গণপরিবহন-ব্যবস্থা অচল হয়েপড়েছে। চিকিৎসক, অ্যাম্বুলেন্সের চালক, সাংবাদিক, এমনকি অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও ধর্মঘটে যোগ দেন।
ধর্মঘটের কারণে বিমান চলাচলেও বিঘ্ন ঘটেছে। এথেন্স আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অনেকগুলো ফ্লাইট বাতিলকরা হয়েছে।
ট্রেন, বাস ও নৌযান চলাচল বন্ধ রয়েছে। এথেন্সে শুধু পাতাল রেল চলাচল করছে। এথেন্সের মানুষ যাতে বিক্ষোভে যোগ দিতে পারে, সে জন্য পাতাল রেলের কর্মীরা ধর্মঘট না করার সিদ্ধান্ত নেন।
শ্রমিক ইউনিয়নগুলো বলছে, সরকারের ব্যয়সংকোচন পরিকল্পনা কার্যকর হলে কম বেতনের লোকজনের ওপর কর আরোপ করা হবে।
বিক্ষোভকারীরা বলছে, এমপিরা যাতে পার্লামেন্ট ভবনে প্রবেশ করতে না পারেন, সে জন্য তারা পার্লামেন্ট ভবন ঘিরে রাখবে। আজ বুধবার ও আগামীকাল বৃহস্পতিবার আলাদা ভোটাভুটির মাধ্যমে ব্যয়সংকোচন প্যাকেজ ও বাস্তবায়ন আইন পাস করার কথা।
জনমত জরিপে দেখা যাচ্ছে, গ্রিসের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ মানুষ সরকারের ব্যয়সংকোচন পরিকল্পনার বিরুদ্ধে।ব্যাংকের কর্মী কলি পাতৌনা বলেন, ‘তারা যা করার চেষ্টা করছে, আমরা তার বিরোধিতা করছি।’
প্রধানমন্ত্রী পাপানদ্রু সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ব্যয়সংকোচন প্রকল্প পাস না হওয়ার অর্থ হলো জাতীয় ‘কোষাগার’ কয়েক দিনের মধ্যেই শূন্য হয়ে যাওয়া। তিনি এমপিদের প্রতি ‘দেশপ্রেমমূলক দায়িত্ব’ পালনের আহ্বান জানান।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতে রাজ্যপাল ও মন্ত্রিসভায় আশু পরিবর্তনের সম্ভাবনা
গুঞ্জন রয়েছে, তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব, রাজস্থান, গোয়া, বিহার ও কর্ণাটক রাজ্যের রাজ্যপাল পদে পরিবর্তন হতে যাচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ পাতিল মন্ত্রিসভায় ফিরে আসার জোর চেষ্টা করছেন। আগামী ২২ জুলাই অনুষ্ঠেয় মহারাষ্ট্র রাজ্যসভার উপনির্বাচনে জয়লাভের আশা করছেন পাতিল। পৃথ্বীরাজ চৌহান এই পদ ছেড়ে দিয়ে মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েছেন। মহারাষ্ট্র রাজ্যসভার সদস্য হতে আরও তদবির চালিয়ে যাচ্ছেন এই রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী রোহিদাস পাতিল, এআইসিসির সাধারণ সম্পাদক আনিস আহমেদ, সাবেক এমপি উত্তম সিং পাওয়ার ও রাজ্য কংগ্রেসের মুখপাত্র অনন্ত গ্যাডগিল।
সূত্র জানায়, উত্তরাখন্ড রাজ্যের রাজ্যপাল মার্গারেট আলভা তামিলনাড়ু রাজ্যের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। চলতি মাসেই তামিলনাড়ুর বর্তমান রাজ্যপাল সুরজিত সিং বারনালার মেয়াদ শেষ হবে। এদিকে কর্ণাটকের বিতর্কিত রাজ্যপালএইচ আর ভরদ্বাজকে সরিয়ে অন্ধ্র প্রদেশের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী কে রোসাইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমারের সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় এই এ রাজ্যের রাজ্যপাল দেবানন্দ কনোয়ার পদত্যাগ করতে পারেন বলে জোর গুঞ্জন রয়েছে।
একটি সূত্র জানায়, শিবরাজ পাতিল কেন্দ্রীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন। বিদ্যুৎমন্ত্রী সুশীল কুমার সিন্ধকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পি চিদাম্বরমকে তাঁর পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে কি না, নিশ্চিত নয়। চিদাম্বরম নিজে এ পদে আর থাকতে চান না। তবে দল মনে করে, এই মুহূর্তে চিদাম্বরমকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হলে তা ক্ষতিকর হতে পারে।
মন্ত্রিসভা থেকে যাঁদের সরিয়ে দেওয়া হতে পারে তাঁরা হলেন: বস্ত্রমন্ত্রী দয়ানিধি মরন, প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিসংখ্যানমন্ত্রী এম এস গিল, উত্তর-পূর্বাঞ্চলবিষয়ক মন্ত্রী বি কে হান্ডিক, উপজাতিবিষয়ক মন্ত্রী কান্তিলাল ভুরিয়া, নগর উন্নয়ন মন্ত্রী কমল নাথ এবং পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাসবিষয়ক মন্ত্রী জয়পাল রেড্ডি। অতি ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগবিষয়ক মন্ত্রী বীরভদ্র সিংয়ের বিষয়টি অনিশ্চিত। সূত্র জানায়, অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে টেলিকম মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রী কপিল সিবাল এবং অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে বেসরকারি বিমান চলাচল দপ্তরের দায়িত্ব পাওয়া প্রবাসীবিষয়ক মন্ত্রী ভয়ালার রাভির একটি করে দপ্তর কমিয়ে দেওয়া হতে পারে।
মন্ত্রিসভায় রদবদলে লাভবান হতে পারেন রাসায়নিক পদার্থ ও সারবিষয়ক মন্ত্রী শ্রীকান্ত জেনা, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ই আহমেদ ও প্রতিমন্ত্রী বেণীপ্রসাদ ভার্মা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাখ্যান করেছে লিবিয়া
এদিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা কমিটি গাদ্দাফির স্ত্রী সাফিয়ার বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সঙ্গে বিদেশে থাকা তাঁর সব সম্পত্তি জব্দ করারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে লিবীয় নেতা গাদ্দাফি, তাঁর ছেলে সাইফ আল-ইসলাম ও দেশটির গোয়েন্দাপ্রধান আবদুল্লাহ আল-সেনুচ্ছির বিরুদ্ধে গত সোমবার গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন হেগের আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত।
লিবিয়ার বিচারমন্ত্রী মোহাম্মদ আল-কামুদি ত্রিপোলিতে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ন্যাটো এখনো গাদ্দাফিকে হত্যা করার চেষ্টা করছে। ন্যাটোর এই বোমা হামলা থেকে দৃষ্টি ফেরাতেই আইসিসি তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে। তিনি আরও বলেন, তাঁর দেশ রোম চুক্তিতে সই করেনি, যে চুক্তির ওপর ভিত্তি করে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই আদালতের বিচারও তাই তাঁরা মানছেন না।
তবে গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে পশ্চিমা বিশ্ব ও লিবিয়ার বিদ্রোহীরা। লিবিয়ার বিদ্রোহীদের সংগঠন ন্যাশনাল ট্রানজিশনাল কাউন্সিলের প্রধান মুস্তাফা আবদেল জলিল বলেছেন, গাদ্দাফির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করায় ‘ন্যায়বিচার’ হয়েছে। এখন আলোচনায় বসার আর কোনো সুযোগ নেই। তিনি প্রতিজ্ঞা করেছেন, গাদ্দাফিকে যেকোনো মূল্যে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে তাঁকে ধরতে বিদেশি বাহিনীর প্রয়োজন হবে না বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
জলিল বলেন, গাদ্দাফির ঘনিষ্ঠ লোকজনের উচিত, তাঁকে পদত্যাগের পরামর্শ দেওয়া। এটা হলে গাদ্দাফি ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা বেঁচে যাবেন। হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি আরও বলেন, গাদ্দাফিকে কেউ লুকিয়ে রাখলে তাঁকেও খুঁজে বের করে বিচারের সম্মুখীন করা হবে।
হোয়াইট হাউস বলেছে, গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হওয়ায় লিবীয় নেতা ‘তাঁর বৈধতা হারিয়েছেন’। ন্যাটোর প্রধান অ্যান্ডার্স ফগ রাসমুসেন বলেছেন, আদালতের এ রায়ের মাধ্যমে এটাই প্রমাণিত হয়েছে যে গাদ্দাফির শাসন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে।
জাতিসংঘে নিযুক্ত পর্তুগালের রাষ্ট্রদূত ও লিবিয়ায় অবরোধ কমিটির চেয়ারম্যান জোসে ফিলিপ মোরায়েস কাবরাল নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে নিষেধাজ্ঞার এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, নিষেধাজ্ঞা কমিটি তাদের কালো তালিকায় দুই ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করেছে। তাঁদের বিদেশ ভ্রমণের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সম্পদ জব্দের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে নিষেধাজ্ঞার তালিকায় কোন দুজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলেননি। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদের একজন কূটনীতিক জানান, গাদ্দাফির স্ত্রী সাফিয়া এবং দেশটির পরিকল্পনা ও অর্থমন্ত্রী আবদুল হাফিদ জিলিতানির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আফগানিস্তানে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে হামলা
কাবুল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ জহির এএফপিকে এ খবর নিশ্চিত করেন। জহির বলেন, রাতে বেশ কিছু বন্দুকধারী হোটেলে ঢুকে নির্বিচারে গুলি চালাতে থাকে। এতে বেশ কয়েকজন পুলিশ আহত হন বলে তিনি জানান।
ঘটনাস্থলের কাছে থাকা এএফপির একজন সাংবাদিক বলেছেন, তিনি কমপক্ষে একটি বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছেন। এ ছাড়া হোটেলের ভেতর থেকে ভারী গোলাবর্ষণেরও আওয়াজ শোনা গেছে। তিনি আরও জানান, বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় হোটেলটি অন্ধকারে ঢেকে যায়। তিনি জানান, পুরো এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘিরে রেখেছে।
কাবুলের এ হোটেলে সাধারণত বিদেশি অতিথি ও সরকারি কর্মকর্তারা থাকেন।
কাবুলের নিরাপত্তা কর্মকর্তার উদ্ধৃতি দিয়ে বিবিসি জানায়, হোটেলটির অভ্যন্তরে কমপক্ষে ছয়টি আত্মঘাতী হামলা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্থিরতার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য: ফোরলান
প্রশ্নটা উঠতেই পারে। কারণ, কোপায় রেকর্ড চ্যাম্পিয়ন দলটিই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকার যোগ্যতা রাখে। অথচ উরুগুয়ের কথা শোনা যাচ্ছে না কোথাও। শান্ত, নীরব পরিবেশ উরুগুয়ে শিবিরেও।
‘উরুগুয়ের প্রস্তুতিতে স্থিরতা থাকবে। আমরা জানি, আমাদের দলে কোনো অপূর্ণতা নেই। স্থিরতার ওপরই নির্ভর করছে সাফল্য’—কোপা অভিযানে উরুগুয়ের মনোভাব প্রশ্নে এক রেডিও সাক্ষাৎকারে বলেন ডিয়েগো ফোরলান।
গত কয়েক মাস ধরে খেলার বাইরে আছেন ফোরলান। ইনজুরির কারণে নয়, ইচ্ছে করেই। কিন্তু এ দীর্ঘ বিরতি কি কোপায় সমস্যা হয়ে দাঁড়াবে না? গত বছর অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল বিজয়ী ফোরলান বলছেন, ‘ব্যক্তিগত সমস্যার কারণে কয়েক মাস আমি খেলিনি। কোচের অনুমতি নিয়ে বিশ্রামে ছিলাম। কিন্তু এ বিশ্রাম আমাকে কঠোর পরিশ্রম করতে সহায়তা করবে। কোপায় নতুন উদ্যমে খেলার সুযোগ পাব।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহিলা ক্রিকেটারদের অনুশীলন ক্যাম্প
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আয়ারল্যান্ড নিজেদের প্রমাণ করবে’
আইসিসির এই সিদ্ধান্তে স্বস্তিই ঝড়ে পড়েছে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচ সাবেক ক্যারিবীয় অলরাউন্ডার ফিল সিমন্সের কণ্ঠে। তিনি বলেছেন, ‘আয়ারল্যান্ড যে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্য—সেটা পারফরম্যান্স দিয়েই প্রমাণ করতে হবে।’
বর্তমানে আইসিসির ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে জিম্বাবুয়েরও ওপরে আয়ারল্যান্ডের অবস্থান। গত দুটি বিশ্বকাপে নজরকাড়া পারফরম্যান্স নিজেদের দায়িত্বের পরিধি আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বলে মনে করেন সিমন্স। তিনি বলেন, ‘আসল কাজ শুরুর সময় চলে এসেছে। আমাদের এখন আইসিসি ও ১০টি টেস্ট খেলুড়ে দেশকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিতে হবে যে আমরা সর্বোচ্চ স্তরে ক্রিকেট খেলার যোগ্য।’
সিমন্স মনে করেন, ‘২০০৭ বিশ্বকাপে সুপার আটে খেলেছি আমরা। এবারের বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিশাল সংগ্রহ তাড়া করে জিতেছি। নতুন লক্ষ্য হচ্ছে বিশ্বকাপের মতো আসরে সেমিফাইনাল-ফাইনাল পর্যায়ে খেলা। লক্ষ্যটা অনেক বড়, সন্দেহ নেই। কিন্তু আমাদের ওই পথেই হাঁটতে হবে। একটি দুটি আপসেট দিয়ে সত্যিকারের মর্যাদা পাওয়া সম্ভব নয়।’
আইরিশ ক্রিকেটের প্রধান নির্বাহী ওয়ারেন ডিওট্রম ১০ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের চিন্তা-ভাবনা থেকে আইসিসির সরে আসাকে তাদের ‘বোধোদয়’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আইসিসি যদি সত্যি সত্যি দশ দল নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজন করত, তাহলে আয়ারল্যান্ডের মতো উদীয়মান ক্রিকেট শক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হত। আইরিশ ক্রিকেটের ক্রমোন্নতি বাধাগ্রস্ত হতো। তিনি আরও বলেন, ‘আইসিসির সিদ্ধান্ত ক্রিকেটের প্রতি আমাদের আরও দায়িত্বশীল করে তুলবে। আমরা এই খেলাটিতে আরও বিনিয়োগ করব। এর দর্শকপ্রিয়তা আরও বাড়বে।’
ডিওট্রাম বলেন, ২০১১ সালের বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জনপ্রিয়তা আইরিশদের মধ্যে শতকরা ৬৬ ভাগ বাড়িয়ে দিয়েছে। তারা এখন ক্রিকেটের প্রতি আগের চেয়ে অনেক বেশি আগ্রহী।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানি নির্বাচকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সুপারিশ
পিসিবি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়েছিল ইলিয়াসকে। তিনি তাঁর ব্যাখ্যায় স্বীকার করেন, ওই অনুষ্ঠানে যাওয়ার আগে বোর্ডের অনুমতি নেওয়া উচিত ছিল। ওই টক শো পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, ব্যক্তিগত অভিযোগের ক্ষেত্রে কিছু মন্তব্য করেছেন ইলিয়াস। তবে পিসিবি বা দলের ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে আপত্তিকর কিছু বলেননি তিনি। এ অবস্থায় ইলিয়াসের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়ার সুপারিশ করেছে শৃঙ্খলা কমিটি।
ইলিয়াসের বিরুদ্ধে বোর্ডের অভিযোগ ছিল দুটি। প্রথমত, বোর্ডের সঙ্গে আফ্রিদির দ্বন্দ্বে ইলিয়াসের সংশ্লিষ্টতা। দ্বিতীয়ত, সেই দ্বন্দ্ব নিয়ে আলোচনা করতে এক টিভি অনুষ্ঠানে তাঁর উপস্থিতি। ওই অনুষ্ঠানে আবার উপস্থিত ছিলেন আইসিসির নিষেধাজ্ঞায় থাকা সালমান বাট। এই দুই ঘটনায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তোলে নির্বাচক ইলিয়াসকে দুটি কারণ দর্শাও নোটিশ পাঠায় পিসিবি। সেই নোটিশের জবাবও দেন তিনি। তবে ইলিয়াসের জবাব মনঃপূত না হওয়ায় সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয় তাঁকে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এখনো অপেক্ষায় রানী হামিদ
ফেডারেশনের ওপর তাই ভরসা করে বসে থাকছেন না জাতীয় মহিলা দাবায় ১৮ বারের চ্যাম্পিয়ন। গিনেস রেকর্ডসের ওয়েবসাইটে গিয়ে নিজেই আবেদন করার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন, ‘ফেডারেশন যদি একান্তই আমাকে সহযোগিতা না করে, তাহলে আমি নিজেই গিনেস কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করব। প্রথম দিকে তো ফেডারেশন বলেছিল ওরাই উদ্যোগ নেবে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কিছু করেনি। আবার পরিষ্কার করে আমাকেও কিছু বলছে না।’
রানীর সাহায্যে আসতে পারেন জোবেরা রহমান লিনু। ১৬ বার জাতীয় মহিলা টেবিল টেনিস একক শিরোপা জিতে ২০০৩ সালে গিনেস বুকে নাম লিখিয়েছেন তিনি। লিনু জানালেন, ‘গিনেস বুকে নাম লেখাতে কোনো টাকা-পয়সা লাগবে না। শুধু ফেডারেশন থেকে দিতে হবে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপের সার্টিফিকেট ও রেকর্ডগুলো। সঙ্গে এর প্রত্যক্ষদর্শী তিনজনের সার্টিফিকেট লাগবে। আমিও এভাবেই আবেদন করেছিলাম।’ লিনু তাঁর অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন, গিনেস বুকে নাম লেখাতে টাকা-পয়সা লাগে না। কিন্তু ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক মোকাদ্দেস হোসাইনের দাবি, লাগে: ‘এটা দুইভাবে করা যায়। দ্রুত সার্টিফিকেট চাইলে টাকা-পয়সা লাগে। কিন্তু আমরা সেভাবে করব না। অন্যভাবে ব্যাপারটি প্রক্রিয়াধীন। এ ব্যাপারে ফেডারেশন থেকে সম্ভাব্য সব সহযোগিতাই করা হবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
১৪ দল নিয়েই ২০১৫ বিশ্বকাপ
ওয়ানডে বিশ্বকাপে সহযোগী সদস্যদেশগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ালেও কমানো হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ১৬ দলের জায়গায় এখন ১২ দল খেলবে আগামী দুটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০১২ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ হবে শ্রীলঙ্কায়, ২০১৪ বাংলাদেশে।
গত বিশ্বকাপের পরপর আইসিসি সিদ্ধান্ত নিয়েছিল পরবর্তী দুটি বিশ্বকাপ হবে ১০ দল নিয়ে। ক্রিকেটবিশ্বে ব্যাপক সমালোচনার পর সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল আইসিসি। ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় ২০১৯ বিশ্বকাপে অবশ্য ১০ দলই খেলবে। র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানীয় ৮ দল খেলবে সরাসরি। বাকি দুটি দল নির্ধারিত হবে বাছাই টুর্নামেন্টের মাধ্যমে। ওই বিশ্বকাপেই তাই প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের বাইরে থাকতে হতে পারে কোনো টেস্ট খেলুড়ে দেশকে!
তবে জোর গুঞ্জন, বিশ্বকাপে আবারও চারটি সহযোগী দেশকে নেওয়ার সিদ্ধান্ত ভোট পাওয়ার জন্য তাদের প্রতি ‘উপহার’! এবারের সভার সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্ত নেওয়াটাই এখনো বাকি আছে এবং সেটির জন্য সহযোগীদের ভোট খুবই জরুরি। আইসিসির সভাপতি নির্বাচনের পর্যায়ক্রমিক পদ্ধতি বাদ দেওয়ার যে প্রস্তাব উঠেছে, সেটা পাস হতে ১০ টেস্ট খেলুড়ে দেশের আটটি এবং ৫০টি সহযোগী দেশের ৩৮টির ভোট প্রয়োজন। প্রস্তাবটা পাস হওয়া এখন শুধুই আনুষ্ঠানিকতা বলেই মনে হচ্ছে!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উল্টো চতুর্থ হলো আবাহনী
লিগের শেষ ম্যাচটি কাল হওয়ার কথা ছিল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে। কিন্তু আগের রাতের ভারী বর্ষণে মাঠ অনুপযুক্ত হয়ে পড়ায় ম্যাচটি সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় কমলাপুরে। আগামীকাল বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের সঙ্গে বাংলাদেশের বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাই ম্যাচটাও অবশ্য ভেন্যু বদলাতে ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু কমলাপুর স্টেডিয়ামও কাল খেলার জন্য ঠিক উপযুক্ত ছিল না।
কমলাপুরে তখন চলছিল ঢাকা জুনিয়র ও বিকেএসপির তৃতীয় বিভাগের ম্যাচ। মিনিট দশেক খেলাও গড়িয়েছিল। কিন্তু সেটি বন্ধ রেখে শুরু করা হয় আবাহনী-ব্রাদার্স ম্যাচ। থিকথিকে কাদা ভরা মাঠে কোনো দলই খেলতে পারছিল না স্বাভাবিক খেলা। আবাহনীর থুয়াম ফ্রাঙ্ক নষ্ট করেছেন অন্তত গোটা চারেক সুযোগ। সুযোগ নষ্ট করেছেন ব্রাদার্সের কিংসলেও। ৮০ মিনিটে আবাহনী গোলরক্ষক জিয়াকে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড। ঠিক দুই মিনিট পরই প্রতি-আক্রমণ থেকে গোল করেছেন আবাহনীর ঘানাইয়ান স্ট্রাইকার আউডু ইব্রাহিম। তাঁকে বল বানিয়ে দিয়েছিলেন আমিনু। বাকি সময়ে অনেক চেষ্টা সত্ত্বেও গোল শোধ করতে পারেনি ব্রাদার্স।
গত বছর ২৭ ডিসেম্বর শুরু হওয়া লিগ শেষ হতে পারত আরও আগেই। কিন্তু লিগ নানা কারণে বন্ধ থেকেছে বারবার। কুয়েতের বিপক্ষে অলিম্পিক প্রাক-বাছাই ম্যাচ, স্বাধীনতা কাপ, কম্বোডিয়ায় আবাহনীর এএফসি প্রেসিডেন্টস কাপে অংশ নেওয়া, বৃষ্টি, হরতাল অব্যাহতভাবে খেলা চলতে দেয়নি। বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আগে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়াম সংস্কারের জন্য ছেড়ে দিলেও খেলা চলেছে কমলাপুরে।
নানা নাটকীয়তায় ভরা লিগে দুই প্রধান দল আবাহনী-মোহামেডানের ভরাডুবি হয়েছে। আবাহনী হলো চতুর্থ, গতবারের রানার্সআপ মোহামেডান ষষ্ঠ। পাতানো খেলা নিয়ে সরগরম ছিল লিগ, এখনো পাতানো ম্যাচ খেলার অভিযোগে শিরোপা জয়ের উৎসব করতে পারছে না কোটি টাকার নবাগত দল শেখ জামাল। লিগটা জমেছিল ভালোই। কারা চ্যাম্পিয়ন হবে, সেটা শেষ চার রাউন্ডের আগেও বোঝা যায়নি। শেখ জামাল নিজেদের শেষ ম্যাচে গিয়েই শিরোপা নিশ্চিত করেছে। যদিও পাতানো খেলার অভিযোগ তাদের মাথার ওপর ঝুলছে।
বিদেশিদের দাপটের সাক্ষী লিগে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যতিক্রম বলতে মিঠুন চৌধুরী। ১২টি হ্যাটট্রিকের একটি করেছেন মুক্তিযোদ্ধার এই স্ট্রাইকার। গোলদাতা তালিকার সেরা পাঁচেও সবেধন নীলমণি মিঠুন। বেশির ভাগ ম্যাচে সাইডবেঞ্চে কাটিয়েছেন জাতীয় দলের খেলোয়াড় জাহিদ হাসান এমিলি, এনামুল, জাহিদ, আলফাজ, তৌহিদুল আলমরা। অনেক আক্ষেপেরই এক লিগ গেল তাদের।
কোচ নিয়েও কম নাটক হয়নি। লিগে প্রথম ম্যাচের পরই সার্বিয়ান কোচ জোরান কার্লোভিচকে কার্যত বিদায় করেছে শেখ জামাল। এরপর পাকির আলী এসেই তাদের দেখিয়েছেন সাফল্যের রাস্তা। আবাহনীর ইরানি কোচ আলী আকবর পোরমুসলিমিও লিগ শেষ না করে চলে গেছেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ঢাকায় এসে পাকিস্তানের হুংকার
এটাকে তো বাংলাদেশের প্রতি পাকিস্তানের হুংকারই বলবেন। বিশ্বকাপ প্রাক-বাছাই ম্যাচ খেলার জন্য কাল ঢাকায় আসা পাকিস্তান কোচ তারিক লুৎফিকে দেখাল হাসি-খুশি, কিন্তু ভেতরে ভেতরে যেন জ্বলে-পুড়ে মরছিলেন!
কথা বলায় ক্লান্তি নেই। সেই ১৯৭৬ সালের প্রসঙ্গ টেনে আনলেন। সে বছর পিআইএর হয়ে ঢাকায় হারিয়ে গেছেন সালাউদ্দিনের আবাহনীকে। সেই স্মৃতি রোমন্থনের এক ফাঁকে আগামীকালের ম্যাচ প্রসঙ্গ উঠতেই তাঁর চোয়াল শক্ত! ‘আমি আমার খেলোয়াড়দের পরিষ্কার বলে দিয়েছি, বাংলাদেশকে হারাতে না পারলে আমাকে তোমরা হারাবে। আমি তোমাদের সঙ্গে থাকব না। ওরা কথা দিয়েছে, বাংলাদেশকে হারাবে’—স্থানীয় একটি হোটেলের লবিতে সাংবাদিকবেষ্টিত পাকিস্তান কোচের মুখে প্রতিজ্ঞার সুর।
কিন্তু এই প্রতিজ্ঞা কি পূরণ হতে দেবে বাংলাদেশ? ২০০৯ সালে ঢাকায় সাফ ফুটবলে দুই দেশের সর্বশেষ সাক্ষাৎটা ছিল ০-০। এর আগে ওদের মাটিতে ২০০৫ সাফ ফুটবলে পাকিস্তানকে ২-০ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বাংলাদেশ। একটা সময় পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকেই ফেবারিট ধরা হতো। কিন্তু সেই দিন আর নেই।
ঘরোয়া ফুটবল-কাঠামোয় বাংলাদেশ এগিয়ে, র্যাঙ্কিংয়েও ওপরে। কিন্তু এখন পাকিস্তান দল বাংলাদেশের কাছে সমীহ পাচ্ছে ওদের ‘বিদেশি’দের কারণে। ইউরোপে খেলা পাকিস্তানি বংশোদ্ভূতদের ভিড় এখন দলটিতে। গত সাফে ছিলেন ছয়জন ‘বিদেশি’। এবার চারজন—ফরোয়ার্ড আদনান ফারুক, ডিফেন্ডার আতিক বশির, জিসান রহমান ও মিডফিল্ডার আহমেদ আকবর খান। প্রথম তিনজন ইংল্যান্ডে, শেষের জন অস্ট্রেলিয়ায় খেলছেন। দলটির বড় তারকা জিসান এখন খেলছেন থাইল্যান্ডের মং সং দলে।
এই ‘বিদেশিরা’ই পাকিস্তানের মূল ভরসা। লুৎফি সেটিই জানাচ্ছেন, ‘জিসান, আদনানদের নিয়ে আমাদের দল বেশ শক্তিশালী। তাদের কাছ থেকে আমরা কমিটমেন্ট চাই।’ আদনানের কণ্ঠে দায়বদ্ধতার অনুরণন, ‘আমাদের মধ্যে ভালো বোঝাপড়া আছে। বাংলাদেশকে হারানোর সামর্থ্য আমাদের আছে।’
প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ কেমন? লুৎফি অবশ্য শ্রদ্ধাই জানালেন, ‘বাংলাদেশকে আমি সম্মান করি। তারা ভালো দল।’ প্রসঙ্গক্রমে টেনে আনলেন দুই দলের ক্রিকেট, ‘বাংলাদেশের ফুটবলকে হত্যা করছে ক্রিকেট। আমাদের দেশেও তাই...।’
লাহোরে দুই দেশের ফিরতি ম্যাচ ৩ জুলাই। বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর কতটা নিরাপদ? পাকিস্তান কোচের মুখে একটু যেন বিরক্তি, ‘নিরাপত্তা নিয়ে কেন জিজ্ঞেস করছেন? আপনারা তো আর আমেরিকান না, বাংলাদেশিদের জন্য আমাদের দেশে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই।’
পাকিস্তান কতটা নিরাপদ বোঝাতে দিলেন আরেকটা উদাহরণ, ‘সম্প্রতি অলিম্পিক বাছাই ফুটবলে মালয়েশিয়া খেলে গেছে লাহোরে। কাজেই বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও হবে না (মালয়েশিয়ার সঙ্গে লাহোরে ০-০ ড্র করেছে পাকিস্তান। মালয়েশিয়ায় গিয়ে হেরেছে ২-০ গোলে)।
অধিনায়ক বিপ্লব: আমিনুল হক অবসর নেওয়ায় বাংলাদেশ দলের নতুন অধিনায়ক গোলরক্ষক বিপ্লব ভট্টাচার্য। কাল রাতে বিকেএসপিতে টিম মিটিং শেষে বিপ্লবের নাম ঘোষণা করা হয়। আমিনুলের ছায়ায় ঢাকা পড়ে থাকা বিপ্লবের জন্য এটা বড় প্রাপ্তি।
ক্যাম্পে থাকা ২৪ জনের মধ্যে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডেনিস তরুণ জামাল ভূঁইয়া বাদ। বাকি ২৩ জনই আছেন স্কোয়াডে।
আগামীকাল সন্ধ্যা ৬টায় বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে ম্যাচ। বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের টিকিটের দাম ৩০ টাকা (গ্যালারি) ও ৫০ টাকা (ভিআইপি)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইনজুরিতে নাদাল
ম্যাচের উদ্বোধনী সেটের একেবারে শেষ পর্যায়ে গিয়ে পায়ে আঘাত পান নাদাল। ১০ মিনিট ধরে শুশ্রূষাও করতে হয়েছে তাঁকে। আঘাত পেয়ে নাদাল নিজেই জানিয়েছেন, ‘ভবিতব্যের ওপর তাঁর কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই।’ কেমন যেন হতাশা মাখা মন্তব্য।
‘আমি জানি না, ইনজুরিটা কী ধরনের। এ মুহূর্তে এমআরআই করার কথা ভাবছি। ওটার রিপোর্ট হাতে পেলে বুঝব, আসলে কী হয়েছে।’ চিন্তিত নাদাল।
তিনি আরও বলেন, ‘ব্যাপারটি নিয়ে আমি অবশ্যই উদ্বিগ্ন। কাল (পড়ুন আজ মঙ্গলবার) পায়ে স্ক্যান করাতে হবে, তারপর দেখি ইনজুরির মাত্রাটা কেমন আর আমি বুধবারের মধ্যে সেরে উঠতে পারব কি না।’
২০০৯ সালের অস্ট্রেলিয়ান ওপেন চ্যাম্পিয়ন হুয়ান মার্টিন দেল পোর্তোকে হারাতে কিন্তু যথেষ্টই বেগ পেতে হয়েছে নাদালকে। তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে নাদাল দুটো টাইব্রেকার বাধা পেরিয়েছেন অবশ্য নিজের খেলোয়াড়ি ক্যারিশমা দিয়েই। শেষ পর্যন্ত নাদালের জয়টা এসেছে ৭-৬ (৮/৬) ৩-৬ ৭-৬ (৭/৪) ৬-৪-এ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্কুল হ্যান্ডবলে সেরা নারিন্দা-স্কলাস্টিকা
ছেলেদের বিভাগে শেষ হাসি হাসল নারিন্দা সরকারি উচ্চবিদ্যালয়, মেয়েদের বিভাগে স্কলাস্টিকা। কাল ছেলেদের ফাইনালে ১২-৮ গোলে নারিন্দা হারিয়েছে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল স্কুলকে। মেয়েদের ফাইনালে সানিডেলকে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে স্কলাস্টিকা। নারিন্দা পঞ্চমবারের মতো জিতল শিরোপা, চতুর্থবারের মতো স্কলাস্টিকা।
পরীক্ষার মধ্যেও সময় বের করে নিয়ে অনুশীলন সেরেছেন স্কলাস্টিকার মাঈরা হায়দার ও আনুশা আলমগীর। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর তাদের আনন্দটা একটু বেশিই। নবম শ্রেণীর ছাত্রী আনুশা জানাল, ‘পরীক্ষা আর পড়াশোনার এত চাপ থাকে, তার পরও একটা দিন অনুশীলনে ফাঁকি দিইনি।’ বালিকা বিভাগে সেরা হয়েছে স্কলাস্টিকার সামাহা, বালক বিভাগে নারিন্দার সানভির। খেলা শেষে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন পৃষ্ঠপোষক পোলার আইসক্রিমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজিমউদ্দিন আহমেদ।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উইলিয়াম বোনেরা ফিরবেনই!
এবারের উইম্বলডনে দুই উইলিয়াম শিরোপা জিততে এসেছিলেন বটে, কিন্তু এ জন্য তাঁদের প্রস্তুতিটা কিন্তু মোটেও যুত্সই ছিল না। ইনজুরি ও অসুস্থতা উইলিয়াম বোনদের গত এক বছরে পিছিয়ে দিয়েছিল অনেকটাই। চলমান টেনিস দুনিয়ায় র্যাঙ্কিংটাও হারিয়ে ফেলেছিলেন তাঁরা। গতবার উইম্বলডন জেতার পর এক বছর কোনো ধরনের টেনিসে অংশ নেননি সেরেনা। ভেনাসও ইনজুরির কারণে অনিয়মিতই ছিলেন কোর্টে। এবার শুরুটা কিন্তু একেবারে মন্দ ছিল না দুই বোনের। তার পরও কাল তাঁরা হেরে গেলেন বারতোলি ও পিরঙ্কোভার কাছে। ভেনাস এ নিয়ে টানা দুবার হারলেন বুলগেরীয় টেনিস তারকা পিরঙ্কোভার কাছে।
কাল দিনটা উইলিয়াম পরিবারের জন্য দুঃখজনক ও হতাশার একটি দিন ছিল, এতে কোনো সন্দেহ নেই। জেতার অভ্যাসটা যাঁদের বরাবরের, তাঁদের কাছে পরাজয় সত্যিই হূদয় ভেঙে দেওয়ার মতোই একটা ব্যাপার। তার পরও মাথা নিচু করতে নারাজ উইলিয়াম বোনেরা। বলেছেন, ‘এটাই তো সবকিছুর শেষ নয়। উইম্বলডনের পরাজয় কোনো কিছুরই সমাপ্তি নির্দেশ করে না। বরং এটি আমাদের নতুন আগমনের বার্তা-ধ্বনি হয়েই থাকুক।’ সেরেনার কণ্ঠে স্পষ্টই প্রতিজ্ঞার সুর।
সেরেনা আও বলেন, ‘এরপর আমি আমার টেনিসকে আরও উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে যাব। ভুলগুলো শুধরে নতুনভাবে নিজেকে প্রমাণের চেষ্টায় থাকব। আমার প্রতিদ্বন্দ্বীরা যারা আমায় চেনে, তারা জানেন, ব্যাপারটি তাদের জন্য কতটা ভয়াবহ।’ সবাইকে হুমকিই দিয়ে রাখলেন সেরেনা।
সেরেনার এ পরাজয় ও গত এক বছরের অসুস্থতাজনিত অনুপস্থিতি তাঁকে নিয়ে এসেছে র্যাঙ্কিংয়ের অনেকটাই নিচে। ব্যাপারটি এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে আগামী ইউএস ওপেনে খেলাটাই অনিশ্চয়তার কালো মেঘে ঢাকা পড়ে গেছে। এখন এ পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসতে সত্যিই সেরেনার প্রয়োজন একটি ‘ওয়াইল্ড কার্ড’। এই ওয়াইল্ড কার্ড হতে পারে শক্ত কোর্টের মৌসুম শুরু হওয়ার আগে কিছু খুচরো প্রতিযোগিতা খেলে র্যাঙ্কিং পয়েন্ট অর্জন।
সেরেনার পাশাপাশি ভেনাস উইলিয়ামসও জানিয়ে দিয়েছেন, এটাই সবকিছুর শেষ নয়। তিনিও ফিরবেন এবং বেশ ভালোভাবেই।
ভেনাস কিছুটা অজুহাতের সুরেই বলেছেন, ‘ইনজুরি থেকে সেরে ওঠার পর খুব অল্পদিনের প্রস্তুতি নিয়ে আমি উইম্বলডনে খেলতে এসেছি। এখানে আমি যা খেলেছি, তার চেয়ে অনেক ভালো টেনিস খেলার সামর্থ্য আমার রয়েছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভালোর পসরা
ভালো নেবেন গো ভালো?
আরও ভালো...
আরও ভালোর পসরা নিয়ে কলম ধরেছেন অনেকে। যতই কাজ করেন। তাঁদের কিছুই ভালো লাগে না। তাঁদের বক্তব্য হলো, ‘এই সরকার (আওয়ামী লীগ) কিছুই করছে না, মানুষের অনেক আশা ছিল, কিন্তু তা পূরণ হচ্ছে না। মানুষ হতাশ হয়ে যাচ্ছে, দেশ একদম ভালো চলছে না। দেশের অবস্থা খুবই খারাপ।’
লেখালেখি, মধ্যরাতের টেলিভিশনে টক শো, গোল টেবিল, লম্বা টেবিল, চৌকো টেবিল, সেমিনার—কোথায় নেই তাঁরা? তাঁদের এসব কথায় সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা প্রভাবও পড়ছে। বিভ্রান্ত হচ্ছে, অনেক সময় নিজের অজান্তে এই ডায়ালগ বলে দিচ্ছে। যাঁরা এটা করছেন, তাঁদের এই ‘বলার’ কথার ফুলঝুরি কি সব সময় অব্যাহত থাকে?
সব সরকারের আমলে? না না, তা শোনা যায় না। যেমন ধরুন, সামরিক সরকারের সময় তাঁদের কলমের কালি বা রিফিল থাকে না। কলম চলে না। মুখে কথা থাকে না। তখন বাঘের গর্জন বিড়ালের মিউ মিউয়ে পরিণত হয়। এখন যাঁদের কথায় টেলিভিশনের পর্দা ফেটে মনে হচ্ছে বেরিয়ে পড়বেন লাফ দিয়ে এক্কেবারে সরকারের ঘাড়ের ওপর। ‘সর্বনাশ’! পারলে এই মুহূর্তে সরকারের ঘাড়টাই ভেঙে দেবেন আরও ভালো কিছুর আশায়। এঁরাই আবার কখনো কখনো চুপ থাকেন।
তাঁদের ডায়ালগ বা বাক্যবিন্যাস অথবা উপদেশ শোনা যায়নি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডের পর বা ৩ নভেম্বর জেলহত্যা, একের পর এক মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা, সিপাই-জনতার বিপ্লবের নামে একটার পর একটা ক্যু, তাণ্ডব ও হত্যাকাণ্ডে। অন্যায়ভাবে ফাঁসি বা ফায়ারিং স্কোয়াডে সামরিক অফিসার ও সেনাদের হত্যা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে নির্যাতন, রিমান্ড ও হত্যাকাণ্ড ঘটানোর সময় তাঁরা চুপ থেকেছেন। তাঁদের বিবেক জাগ্রত হয়নি ভালো না মন্দ, তা দেখার জন্য। বরং ঘাপটি মেরে নিজেকে বাঁচিয়ে রেখেছেন বাতাস কোন দিকে যায়, সেটা বুঝে নিয়ে সময়ের সুযোগে উদয় হওয়ার জন্য।
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট থেকে ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ পর্যন্ত সময়ে তাদের সোচ্চার হওয়ার একটা নির্দিষ্ট ক্ষণ ছিল, সেটা হলো মিলিটারি ডিক্টেটরদের রাজনীতি ও রাজনৈতিক নেতা কেনাবেচার সময়। যাঁরা নিজেদের উচ্চ দরে বিক্রি করতে পারলেন তাঁদের একধরনের সুর। আর যাঁরা কপালে কিছু জোটাতে পারলেন না তাঁদের সুর হলো দৃষ্টি আকর্ষণীয়-অর্থাৎ ‘আমরাও আছি, ক্রয় করুন, সেল-এ পাবেন।’ অর্থাৎ (‘use me’.)|
এরপর যাঁরা অবশিষ্ট থেকে গেলেন, তাঁরা তখন বাতাস ঘোরার সঙ্গে সঙ্গে সুর পাল্টিয়ে বিপ্লবী হয়ে গেলেন। এটা আমি ১৯৫৮ সালের জেনারেল আইয়ুব খানের মার্শাল ল জারির পর দেখেছি, আমাদের কত রাজনৈতিক ‘চাচার’ দল। যাঁরা আব্বা মন্ত্রী থাকা অবস্থায় নিজের বাড়িঘর সংসার ভুলে রাতদিন আমাদের বাড়িতে ঘুরে বেড়িয়েছেন আর প্রশংসার ফুলঝুরি উড়িয়েছেন, তাঁরাই কেমন ডিগবাজি খেয়েছেন। সুর পাল্টিয়েছেন তাও দেখেছি। ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৭৫, ১৯৮২, ১৯৯১ সালসহ বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রূপ দেখার সৌভাগ্য বা দুর্ভাগ্য আমাদের হয়েছে।
১৯৯৬ সালে সরকার গঠনের পর যারা ভালো থেকে আরও ভালো, আরও ভালোও হয় না কেন বলে লেখালেখি করেছেন, মুখের বুলি আর কথার ফুলঝুরি ছড়িয়েছেন, সমালোচনায় জর্জরিত করেছেন, তাঁরাই সুর পাল্টিয়ে ফেলেছেন। যেমন একটা উদাহরণ দিচ্ছি:
১৯৯৬ সালে ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতি ছিল। খাদ্য উৎপাদন এক কোটি ৯০ লাখ মেট্রিক টন ছিল। ২০০০ সালের মধ্যে ঘাটতি মিটিয়ে চাল উৎপাদন দুই কোটি ৬৯ লাখ মেট্রিক টনে বৃদ্ধি করলাম। কী শুনেছি? ‘না, আরও একটু ভালো হতে পারত।’
পাঁচ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ৭৯ লাখ মেট্রিক টনের বেশি অতিরিক্ত খাদ্য উৎপাদন বাড়াল, তার পরও শুনে যেতে হলো, আরও একটু ভালো হতে পারত। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চালের উৎপাদন কতটুকু বেড়েছিল? বিএনপি সরকারের পাঁচ বছরের মধ্যে চার বছর কোনো উৎপাদন বাড়েনি, বরং হ্রাস পেয়েছিল। অর্থাৎ উৎপাদন ছিল নেতিবাচক।
আর একটি উদাহরণ বিদ্যুতের ব্যাপারে। ১৯৯৬ সালে বিদ্যুৎ কম বেশি ১৬০০ মেগাওয়াট উৎপাদন হতো। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতি। সঞ্চালন লাইনগুলো জরাজীর্ণ ছিল। দ্রুত সরকারি ও প্রথমবারের মতো করে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম। সঞ্চালন লাইন উন্নত করার কাজ শুরু করলাম। চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য নীতিমালা গ্রহণ ও প্রকল্প প্রণয়ন করে গেলাম। ২০০১ সালের জুলাই মাসে আওয়ামী লীগ সরকারের পাঁচ বছর মেয়াদ শেষে চার হাজার ৩০০ মেগাওয়াট উৎপাদন বৃদ্ধি করলাম, তখন শুনেছি না ‘আরও ভালো করা যেত।’
কোনো তৃতীয় পক্ষের সাহায্য ছাড়া ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে গঙ্গা পানি চুক্তি করলাম। দীর্ঘদিনের একটা সমস্যার সমাধান হলো। দুই দশক ধরে চলা অশান্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা সমাধান করে শান্তি চুক্তি করলাম। অথচ একশ্রেণীর কাছ থেকে কখনো এ বিষয়ে ভালো কথা শুনিনি।
২০০১ সালের পয়লা অক্টোবর নির্বাচনে বিএনপির নেতৃত্বে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় এল। কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি করেছিল পাঁচ বছরে? যেসব প্রকল্পের কাজ শুরু করে গিয়েছিলাম, তার কয়েকটা শেষ হয়েছিল তাতে উৎপাদন যা বেড়েছিল তাও ধরে রাখতে পারেনি।
২০০৭ থেকে ২০০৮ পর্যন্ত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতায় ছিল, তারাও উৎপাদন বাড়াতে পারেনি। আমরা এসে পেলাম কত? তিন হাজার ১০০ মেগাওয়াট, যা রেখে গিয়েছিলাম তার থেকেও ১২০০ মেগাওয়াট কম। পাঁচ বছর যারা ক্ষমতায় ছিল তারা যে কিছু করতে পারেনি, সে সম্পর্কে এই ‘ভালোর আশাবাদীরা’ কী ভূমিকা পালন করেছিলেন? আরও ভালো করার জন্য ১/১১-এর পর যারা উচ্চ দরের ডিগ্রিসম্পন্ন ও ওজনদার ব্যক্তিবর্গ— তারাই বা কি উন্নতি করতে পেরেছিলেন?
সে কথায় পরে আসব, কারণ তারা তখন এ কথা বলেনি যে, আওয়ামী লীগ সরকার ভালো করেছিল, কাজেই নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসুক। তারা তখন আরও ভালো মানুষের সন্ধানে ব্যস্ত ছিল, সৎ মানুষের সন্ধানে সার্চ লাইট নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছিলেন। উদ্দেশ্য ছিল গণতন্ত্রের সৎকার, অর্থাৎ কবর দেওয়া।
এই ধরনের আরও অনেক দৃষ্টান্ত আমরা দিতে পারব। সব থেকে মজার কথা হলো, এই আরও ভালোর সন্ধানকারীদের নিশ্চুপ থাকতে দেখেছি ২০০১ সালের নির্বাচনের উদ্দেশ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠনের প্রথম দিন থেকেই। প্রশাসনের ১৩ জন সচিবের চাকরি থেকে বের করে দেওয়া নিয়ে যে শুরু, তা সামরিক-বেসামরিক প্রতিষ্ঠানকেও কীভাবে প্রভাবিত করেছে ও ভীতসন্ত্রস্ত করেছিল, তা তখনকার অবস্থা স্মরণ করলেই জানা যাবে। শপথ অনুষ্ঠান হলো বঙ্গভবনে, সচিবেরা উপস্থিত ছিলেন। ফিরে এসে আর নিজের অফিসে ঢুকতে পারলেন না, কারণ চাকরি নেই। রেডিও-টেলিভিশনের মাধ্যমেই ১৩ সচিবসহ অনেক অফিসারের চাকরি খেয়ে ফেলেছেন। শপথ নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা তাঁর পরিষদ গঠন করেননি। ১০ জন উপদেষ্টা নিয়োগ হয়নি তখনো, অফিসেও বসেননি, কারণ শপথ অনুষ্ঠান অফিস সময়সূচির পরে হয়েছিল। তখনই কীভাবে চাকরি থেকে অফিসারদের বরখাস্ত করে? এমনকি নিজের জিনিসপত্রগুলো গুছিয়েও আনার জন্য যে অফিসে যাবেন, তারও সুযোগ দেওয়া হয়নি।
গণভবনের টেলিফোন লাইনও কেটে দেওয়া হয়। আরও ভালোর ভক্তরা তখন এই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ না করে বরং বাহবা দিয়েছিল।
প্রথম দিনের এই আচরণের মধ্য দিয়েই কিন্তু নির্বাচনের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছিল। অথচ বাংলাদেশের ইতিহাসে যতবার ক্ষমতা পরিবর্তন হয়েছে ততবারই রক্তপাত ও সংঘাতের মধ্য দিয়ে হয়েছে। সুষ্ঠুভাবে, শান্তিপূর্ণভাবে কখনো হয়নি। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকার প্রথম পাঁচ বছর মেয়াদ শেষ করে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করেছিল। কিন্তু রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ ও প্রধান উপদেষ্টা লতিফুর রহমান যে পক্ষপাতদুষ্ট ও অসহিষ্ণু আচরণ দেখিয়েছিলেন, তাতে জাতি বিভ্রান্ত হয়েছিল। আওয়ামী লীগের যে গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল নিষ্ঠা ও বিশ্বাস, সে কারণেই গণতন্ত্রের স্বার্থে তখন আমরা নির্বাচন বয়কট করিনি। নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলাম। এত প্রতিকূল অবস্থার মধ্যেও ভোট পেয়েছিলাম সংখ্যার দিক থেকে বেশি কিন্তু সিট সংখ্যা ছিল কম।
আরও একটি কথা, সাহাবুদ্দীন ও লতিফুর রহমান দুজনই প্রধান বিচারপতি ছিলেন। আইনের ব্যবসাও করেছেন জীবিকার জন্য, আবার জাস্টিস হয়ে আইনের রক্ষাও করেছিলেন। কিন্তু একটা প্রশ্নের উত্তর এখনো পেলাম না, সেটা হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারের সদস্যদের অর্থাৎ জীবিত দুই কন্যার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য একটা আইন পার্লামেন্টে পাস করেছিল, সেই আইন বলবৎ থাকা অবস্থায় এবং সদ্য বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবনের ফোনের লাইন ও বিদ্যুতের লাইন কীভাবে কেটে দেয়? পানির লাইন কেটেছিল কি না বুঝতে পারিনি, কারণ পানির ট্যাংক তো ভরা থাকত, শেষ হতে সময় লাগে। একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারীও সরকারি বাড়ি ছাড়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট সময় পায়, কিন্তু আমাকে সে সময়টুকুও দেওয়া হয়নি কেন? বিবেকবান বা আরও ভালোর দল কে কে তখন এ অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছিলেন?
আমার নামে ছড়ানো হলো, আমি গণভবন এক টাকা দিয়ে কিনে নিয়েছি, কিন্তু কেউ কি কোনো প্রমাণ দেখাতে পেরেছিল? পারেনি। কিন্তু মিথ্যা অপপ্রচারে ঠিকই মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চেয়েছিল। সত্যটা কিন্তু কেউ বলেনি বা কোনো ডকুমেন্টও দেখাতে পারেনি। আমি পাঁচবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছি, এ পর্যন্ত কোনো সরকারি প্লট নিইনি।
২০০১ থেকে ২০০৬ বিএনপির ক্ষমতার আমল—১৫ জুলাই ২০০১ সালে যেদিন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করল সেদিন থেকেই আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের ওপর নেমে এল অমানবিক অত্যাচার। নির্বাচনের দিনে একদিকে বিএনপি ও জামায়াতের ক্যাডার দল, অপরদিকে সামরিক বাহিনী ও পুলিশের নির্যাতনে নেতা-কর্মীরা ঘরে ঘুমাতে পারেননি। রেহানার বাড়ি দখল করে যখন পুলিশ স্টেশন করা হলো, তখনো কারও কাছ থেকে এই অন্যায় কাজের প্রতিবাদ শোনা যায়নি। অপারেশন ক্লিন হার্ট নামে যে তাণ্ডব সেনাবাহিনী নামিয়ে করা হয়েছিল এবং মানুষ হত্যা করা হয়েছিল, তা নিশ্চয়ই মনে আছে। আওয়ামী লীগের রিসার্চ সেন্টার থেকে ১৫টা কম্পিউটার, ১০ হাজার বই, ৩০০ ফাইল, এক লাখ ফরম, নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেন্টারটা তালাবদ্ধ করে রাখা হয় পাঁচটা বছর। এটা কি গণতন্ত্রচর্চা? তাদের কাছ থেকে একটা প্রতিবাদও শুনিনি এর পরই শুরু হলো র্যাব গঠন ও ক্রসফায়ার। তখন তো সবাই র্যাবের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কেবল আমিই স্রোতের বিপরীতে দাঁড়িয়ে প্রশ্ন তুলেছিলাম ও প্রতিবাদ করেছিলাম, তখন এই বিবেকবানেরা আমার সমালোচনা করেছিল। কাজগুলো নাকি খুবই ভালো হচ্ছিল বলে মন্তব্য করেছিল। এখন অবশ্য উল্টোটা শুনি।
সাধারণ মানুষ আওয়ামী লীগকেই চায়, কিন্তু তাদের ভোট দেওয়ার উপায় নেই। ভোটকেন্দ্রের ধারেকাছেও যেতে পারেনি। বিশেষ করে, হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ যারা আওয়ামী লীগ বা নৌকায় ভোট দেয়, তাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন করা হয়েছিল ২০০১ সালের নির্বাচন চলাকালীন। তার পরও জনগণের ভোট আমরাই পাই কিন্তু সিট ঠিক গুনেই দেওয়া হয়। সরকার গঠন করার আগে থেকেই বিএনপি ও জামায়াতের তাণ্ডব শুরু হলো। গ্যাং রেপ করেছে, ঠিক হানাদার পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ১৯৭১ সালে যেভাবে নির্যাতন করেছিল, ঠিক সেভাবেই নির্যাতন চলছিল। একটা সুখবর হলো পূর্ণিমা ধর্ষণ কেসের আসামিরা সাজা পেয়েছে। সাধারণত, সামাজিক লজ্জার ভয়ে কোনো পরিবার মামলা করতে চায় না। পূর্ণিমা সাহস করেছে বলেই বিচার পেয়েছে। আমার মনে হয়, এই একটা দৃষ্টান্তই যথেষ্ট। হাঁড়ি ভরা ভাত একটা টিপলেই তো বোঝা যায় সব ভাত সিদ্ধ হয়েছে কি না। ঠিক তেমনি একটা মামলার রায়ই প্রমাণ করে, কী ধরনের নির্যাতন বিএনপি ও জামায়াত দেশের মানুষের ওপর করেছিল। আমি এর বিস্তারিত বিবরণ দিতে চাই না, কারণ এত বেশি ঘটনা যে এখানে সব উল্লেখও করা যাবে না, শুধু এটুকুই বলতে চাই, তখন দেখেছিলাম অনেক বিবেকবান চুপ করে আছেন। মুখে কথাও নেই। কলমের জোরও নেই। তাদের জোর বাড়ে শুধু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে।
ঠিক স্বাধীনতার পর যখন যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়তে সবাই ব্যস্ত। তখনো বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা, খাদ্য ঘাটতি, দেশে দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে। আর বাংলাদেশে তো ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়া। দিনরাত পরিশ্রম করে শূন্যের ওপর যাত্রা শুরু করে দেশকে গড়ে তুলতে ব্যস্ত, তখন ‘আরও ভালোর’ দলের সমালোচনা শুনেছি। কিছু নাকি হচ্ছে না। তখনো দেখেছিলাম তাদের কলম ও মুখের জোর। আর পরিণতি মার্শাল ল জারি এবং স্বাধীনতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন। স্বাধীনতার মূল চেতনা থেকে দেশকে পিছিয়ে নেওয়া। ক্ষমতা দখলের ও ক্ষমতা নিষ্কণ্টক করার লক্ষ্যে মানুষ হত্যা। ১৯৭৫ সাল থেকে ১৯৮১ সাল পর্যন্ত সামরিক বাহিনীতে ১৯ ক্যু ও পাল্টা ক্যু হয়েছিল। দেশবাসীর অকল্যাণ হয়েছে, দেশ পিছিয়েছে। স্বাধীনতার ৪০ বছর পরও সেই ১৯৭১ সালের পরাজিত শক্তির প্রেতাত্মারা থেমে নেই। যতবার জনগণ তাদের পরাজিত করে, ততবার আবার তারা পরগাছার মতো বেড়ে ওঠে। এবার আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর তারা যেন মরিয়া হয়ে উঠেপড়ে লেগেছে।
১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটারবিহীন প্রহসনের নির্বাচন, ১৯-২০ মে সামরিক ক্যুর অপচেষ্টা হয়। সাবেক প্রধান বিচারপতি মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে সংঘটিত সামরিক ক্যু গণতন্ত্র ধ্বংসের চেষ্টা করেছিল। নির্বাচনের পর সরকার গঠন করতেও টালবাহানা করে আবদুর রহমান বিশ্বাস। এসব কারা এবং কেন করেছিল এসব কথা আমরা কেন বিস্মৃত হই?
দেশের অবস্থা কী? খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত আছে? ২০০১ সালে যে মোটা চাল মাত্র ১০ টাকা ছিল (আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে), সেই চাল ২০০৮ সালে ৪০-৪৫ টাকা দাম হয়েছিল, তা কমিয়ে ১৮ টাকায় আনা হয়। কৃষকের খরচ পোষানো হয়। প্রতি কেজি চাল ৩২-৩৪ টাকায় ঢাকার বাজারে এবং ঢাকার বাইরে ২৬-২৭ টাকায়ও পাওয়া যায়। সরকার ৪০-৫২ টাকায় বিদেশ থেকে চাল কিনে এনে মাত্র ২৪ টাকায় খোলাবাজারে বিক্রি করছে। ফেয়ার প্রাইস কার্ড, রেশন কার্ড, ভিজিএফ, ভিজিডিসহ বিভিন্ন উপায়ে খাদ্যনিরাপত্তা দিচ্ছে। না খেয়ে কেউ কষ্ট পাচ্ছে না। ৩৬ টাকায় বিক্রি হওয়া আটা ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
কাজেই খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত আছে। আওয়ামী লীগ আমলে দেশে মঙ্গা হয় না।
সামাজিক নিরাপত্তাও নিশ্চিত, মানুষ নানাভাবে সাহায্য পাচ্ছে। বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা, প্রতিবন্ধী, স্তন্যদানকারী মা, সন্তানসম্ভবা গরিব মা, স্কুলে গমনকারী গরিব শিশুর মাসহ এ ধরনের নানাভাবে সামাজিক নিরাপত্তা সৃষ্টিকারী আর্থিক অনুদান সরকার দিয়ে যাচ্ছে, যা দারিদ্র্য বিমোচনে অবদান রাখছে। গরিব মানুষের কষ্ট লাঘব হচ্ছে। ১৯৯৮ সালের বন্যার পর আওয়ামী লীগ সরকার নয় মাস দুই কোটি লোককে বিনা পয়সায় খাইয়েছে। ১৯৯৬ সাল থেকে এসবই আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে করা। ইতিপূর্বে আর কোনো সরকার এদিকে দৃষ্টি দেয়নি।
শিক্ষার হার, ভর্তির হার বৃদ্ধি পাচ্ছে, পাসের হার বাড়ছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার্থীদের জন্য ২৩ কোটি ২২ লাখ বই বিনা পয়সায় বিতরণ করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানে সরকার বলিষ্ঠ পদক্ষেপ নিয়েছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে প্রায় ৭১টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। দুই বছরেই ১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ অতিরিক্ত উৎপাদন করা হয়েছে।
গ্যাস উৎপাদন বেড়েছে, আরও বৃদ্ধির কাজ চলছে।
আইনশৃঙ্খলা অবস্থার উন্নতি হয়েছে, তার প্রমাণ আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ, হজ, ঈদ, পূজা, বড়দিন, পয়লা বৈশাখ, বিজয় দিবস, স্বাধীনতা দিবস, মাতৃভাষা দিবস শান্তিপূর্ণভাবে পালিত হয়েছে। সবার বেতন-ভাতা বৃদ্ধি করা হয়েছে একদিকে, আর অপরদিকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে সক্ষম হয়েছি। মূল্যস্ফীতি ১১ ভাগ থেকে কমিয়ে ছয় ভাগে আনা হয়েছিল, এখন কিছুটা বেড়ে আট ভাগ হয়েছে। শ্রমিক ও দিনমজুরদের আয় বেড়েছে। সরকার সদা সচেষ্ট আছে এসব বিষয়ে। ১৫০০ টাকা যারা শ্রমের মূল্য পেত, তারা ৩০০০ টাকা পায়। ধান কাটার সময় ৩০০-৪০০ টাকা দিনে মজুরি পেয়েছে। রাস্তাঘাটের উন্নয়নের কাজ শুরু হয়েছে।
অনেক কাজ, যা এই সরকার আসার আগে সাত বছরে হয়নি, তার থেকেও বেশি কাজ সরকার দুই বছরে করেছে এবং করে যাচ্ছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার কাজও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। ৪,৫০১টি ইউনিয়নে তথ্যকেন্দ্র খোলা হয়েছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, টেন্ডার সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার পরিবেশ ফিরে এসেছে। কোনো ঘটনা ঘটলে অপরাধী যে-ই হোক, সরকার সঙ্গে সঙ্গে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে।
বিডিআর (বিজিবি) হত্যা ও বিদ্রোহের বিচার চলছে। জঙ্গিবাদ দমনে সরকার তৎপর ও সফল। যুদ্ধাপরাধীদেরও বিচার চলছে। সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ এ পর্যন্ত কেউ করতে পারেনি। বরং সরকার দুর্নীতি ও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর। এবার বোরো ফসল বাম্পার হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। ১০ টাকায় ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ভর্তুকির টাকা সরাসরি পাচ্ছে। ডিজেলে ২০ শতাংশ সাবসিডি পাচ্ছে। হাওর এলাকায় ও এলাকাবিশেষে বিনা মূল্যে সার ও বীজ দেওয়া হয়েছে। ব্যাংক রিজার্ভ সর্বোচ্চ। রেমিট্যান্স বেড়েছে। দুই বছরে নয় লাখ মানুষ বিদেশে গেছে। ফিরে এসেছে এক লাখ, যা স্বাভাবিক।
সার্বিক অর্থনৈতিক অবস্থা বিশ্বমন্দা সত্ত্বেও যথেষ্ট উন্নত হয়েছে। প্রবৃদ্ধি ছয় ভাগে ধরে রাখা হয়েছে, এবার বৃদ্ধি পেয়ে ৬ দশমিক ৭ ভাগে উন্নীত হয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে সরকার দক্ষতার সঙ্গে দেশ পরিচালনা করছে।
চাকরিজীবীরা সন্তুষ্ট মনে চাকরি করে যাচ্ছেন। ব্যবসায়ীরা এত শান্তিতে কোনো দিন ব্যবসা করতে পারেননি। একটু অতীতের দিকে তাকালে স্মরণ করতে পারবেন। একদিকে ছিল হাওয়া ভবনের কমিশন ও ভাগ দেওয়া, অপরদিকে তত্ত্বাবধায়কের সময় ছিল আতঙ্ক, মামলা, দেশছাড়া। অন্তত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সে আতঙ্কের পরিবেশ নেই। মুক্ত পরিবেশে শান্তিপূর্ণভাবে নির্বিঘ্নে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারছেন। রপ্তানি-বাণিজ্যে যা টার্গেট ছিল তার থেকে বেশি রপ্তানি হচ্ছে। বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাচ্ছে বরং, জমির অভাবে জায়গা দেওয়া যাচ্ছে না। কাজেই সার্বিক দিক থেকে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। মানুষের মনে স্বস্তি আছে।
চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচন, উপনির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে হয়েছে।
এসব প্রশ্নের উত্তরের পরও আরও ভালোর দল বলবে, তার পরও দেশের অবস্থা ভালো নেই। এর কারণ কী? কারণ একটাই, অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক সরকার থাকলে তাদের দাম থাকে। এই শ্রেণীটা জীবনে জনগণের মুখোমুখি হতে পারে না। ভোটে জিততে পারে না। কিন্তু ক্ষমতার লোভ ছাড়তে পারে না। তাই মুখে গণতন্ত্রের কথা বলে, কিন্তু অগণতান্ত্রিক বা অসাংবিধানিক সরকারের যে খোশামোদি, তোষামোদি ও চাটুকারের দলও প্রয়োজন হয়—এরা সেই দল। বিশেষ করে, মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী ও চেতনায় বিশ্বাসীরা ক্ষমতায় থাকলে দেশের মানুষের উপকার হয়। আর দেশে মানুষ যদি দরিদ্র না থাকে, তাহলে এই শ্রেণীর বাণিজ্য শেষ হয়ে যাবে, কারণ দরিদ্র্য মানুষগুলোই তো তাদের বড় পণ্য। যাদের নিয়ে তারা বাণিজ্য করে নিজেদের ভাগ্য গড়ে।
আমি বেঁচে থাকতে আমার দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে আর খেলতে দেব না।
২২.৫.২০১১
টরন্টো, কানাডা
শেখ হাসিনা: প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1331)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
-
▼
2011
(13932)
-
▼
June
(646)
-
▼
Jun 30
(20)
- ফ্রান্সে পরমাণু বিদ্যুৎ কর্মসূচির জন্য শত কোটি ইউরো
- গাজায় ত্রাণবাহী জাহাজ প্রবেশে বাধা দেবে ইসরায়েল
- হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে টাটার আপিল
- মার্গারেট থ্যাচারের হাতব্যাগ ২৫ হাজার পাউন্ডে বিক্রি
- গ্রিসে ব্যয়সংকোচন পরিকল্পনার প্রতিবাদে দুই দিনের ধ...
- ভারতে রাজ্যপাল ও মন্ত্রিসভায় আশু পরিবর্তনের সম্ভাবনা
- আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা প্রত্যাখ্যান করেছে লিবিয়া
- আফগানিস্তানে ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে হামলা
- স্থিরতার ওপর নির্ভর করছে সাফল্য: ফোরলান
- মহিলা ক্রিকেটারদের অনুশীলন ক্যাম্প
- ‘আয়ারল্যান্ড নিজেদের প্রমাণ করবে’
- পাকিস্তানি নির্বাচকের বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের সু...
- এখনো অপেক্ষায় রানী হামিদ
- ১৪ দল নিয়েই ২০১৫ বিশ্বকাপ
- উল্টো চতুর্থ হলো আবাহনী
- ঢাকায় এসে পাকিস্তানের হুংকার
- ইনজুরিতে নাদাল
- স্কুল হ্যান্ডবলে সেরা নারিন্দা-স্কলাস্টিকা
- উইলিয়াম বোনেরা ফিরবেনই!
- ভালোর পসরা
-
▼
Jun 30
(20)
-
▼
June
(646)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...