Thursday, October 31, 2024
দীর্ঘতম পথ অতিক্রমে সক্ষম নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করলো উত্তর কোরিয়া
এতে বলা হয়, সিউল এবং পিয়ংইয়ংয়ের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে উত্তর কোরিয়ার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের খবর আসল। বৃহস্পতিবার দেশটির পূর্ব উপকূলের সমুদ্রের দিকে দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি নিক্ষেপ করেছে পিয়ংইয়ং।
উচ্চকোন থেকে ছোড়া আইসিবিএম নামের দূরপাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছেছিল। এর অর্থ হচ্ছে যদি এই ক্ষেপণাস্ত্রটি সমান্তরালভাবে উৎক্ষেপণ করা হয় তবে এটি আরও বেশি দূরত্ব অতিক্রম করবে।
একদিন আগেই দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক গোয়েন্দারা সেদেশের সংসদ সদস্যদের জানিয়েছিলেন, উত্তর কোরিয়া তাদের সপ্তম পরমাণু পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র পর্যন্ত গিয়ে আঘাত হানতে পারে, এমন দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রও তারা এবার পরীক্ষা করতে চলেছে।
জাপানের কোস্ট গার্ড জানিয়েছে, মিসাইলটি তাদের ওকুশিরি দ্বীপের থেকে তিনশ কিলোমিটার দূরে গিয়ে পড়েছে। জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জেনারেল নাকাতানি জানিয়েছেন, অন্ততপক্ষে একটি আইসিবিএম পর্যায়ের ব্যালেস্টিক মিসাইল পিয়ংইয়ং থেকে উত্তরপূর্ব দিকে ছোড়া হয়েছে। এটা এক হাজার কিলোমিটার দূরত্ব পার করেছে। মিসাইলের সবচেয়ে বেশি উচ্চতা ছিল সাত হাজার ফিট। নাকাতানি বলেছেন, উত্তর কোরিয়া এখনো পর্যন্ত যত ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে, তার মধ্যে এই মিসাইলটি সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গেছে। তাই বর্তমানে চালু ক্ষেপণাস্ত্রগুলি থেকে এটি আলাদা। যুক্তরাষ্ট্র এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার নিন্দা করেছে।
অন্যদিকে উত্তর কোরিয়ার এই উৎক্ষেপণের প্রতিক্রিয়ায় নতুন করে তাদের ওপর নিষেধাজ্ঞার হুঁশিয়ারি দিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়া।
![]() |
| উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ। পুরোনো ছবি |

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রক্তাক্ত কাফনের কাপড় সরিয়ে মাকে দেখে মুষড়ে পড়লেন অ্যাম্বুলেন্স কর্মী by আব্দুল কাইয়ুম
এতে বলা হয়, কাফনে মোড়ানো নিজের মাকে দেখে চিৎকার করে উঠেন আবেদ বারদিনি নামের এক অ্যাম্বুলেন্স কর্মী। তিনি বলেন, ওহ খোদা! শপথ করে বলছি- তিনি আমারই মা। না দেখলে কখনও জানতেই পারতাম না। এ দৃশ্য দেখে স্ট্রেচারের পাশেই কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন ওই যুবক।
ঘটনাস্থল থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করে রক্তে রঞ্জিত মৃতদেহটি যখন আল-বালাহের আল-আকসা শহিদ হাসপাতালের দিকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তখন তার পাশেই বসেছিলেন বারদিনি। তখনও তিনি জানতেন না যে কাফনে মোড়ানো মৃতদেহটি তার মায়ের লাশ।
স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের মতে, মাগাজি শরণার্থী শিবিরের কাছে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় ইসরাইল। এতে তিন ব্যক্তি নিহত হন। তাদের মধ্যে একজন ছিলেন সামিরা বারদিনি। যিনি প্রথমে গুরুতর আহত হয়েছিলেন। ধারণা করা হচ্ছে উদ্ধারের আগেই মারা যান ৬১ বছর বয়সী ফিলিস্তিনি ওই নারী। গাড়ির পাশে দাঁড়িয়ে থাকায় সরাসরি বোমার আঘাতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছিলেন তিনি। হামলার সময় ওই গাড়িতে আরও দুই ব্যক্তি নিহত হন। যারা গাড়ির ভিতরেই অবস্থান করছিলেন।
ঘটনাস্থলে পাঠানো দুটি অ্যাম্বুলেন্সের একটিতে ছিলেন আবেদ বারদিনি। বুধবার শেষ বিকেলের সূর্যের আলোতে যখন মৃতদেহটি স্ট্রেচারে করে হাসপাতালের ভিতরে নিয়ে যাচ্ছিলেন তখনই তিনি কাপড় সরিয়ে মুষড়ে পড়েন। দেখেন কাফনের ভিতরে পড়ে আছে তার মায়ের নিথর রক্তাক্ত দেহ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভোটে কী পরিবর্তন আসছে?
সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক ও নির্বাচন সংস্কার কমিশনের প্রধান ড. বদিউল আলম মজুমদার মানবজমিনকে বলেন, আমাদের প্রত্যাশা নির্বাচন কমিশন গঠিত হোক সৎ, সাহসী ও যোগ্য মানুষ দ্বারা। যারা সুষ্ঠু, গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করতে তাদের দায়িত্বটা সুচারুভাবে পালন করবেন। যার মাধ্যমে আমাদের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাটা কার্যকর হয়। একই সঙ্গে নির্বাচন সংস্কার কমিশনের দেয়া সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে তারা যথাযথ ভূমিকা রাখবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির প্রধান হচ্ছেন আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। বুধবার মন্ত্রী পরিষদ সচিব ড. শেখ আব্দুর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। যদিও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কমিটির প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি।
এর আগে গতকাল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও অন্যান্য কমিশনার নিয়োগের সুপারিশ করতে সার্চ কমিটির প্রধান হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে মনোনীত করেন প্রধান বিচারপতি। এছাড়া সদস্য হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি একেএম আসাদুজ্জামানকে মনোনীত করা হয়েছে। মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ সুপ্রিম কোর্টের এই দুই বিচারপতির নাম সুপারিশ করে তা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠিয়েছেন।
নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনানুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের শূন্য পদে নিয়োগ দেয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করার উদ্দেশ্যে ৬ (ছয়) জন সদস্যের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবেন প্রেসিডেন্ট। সদস্যের মধ্যে থাকবেন- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক, যিনি অনুসন্ধান কমিটির সভাপতিও হবেন। এছাড়া, প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন বিশিষ্ট নাগরিক, যাদের একজন হবেন নারী। এই দুই সদস্যের মধ্যে পিএসসি’র সাবেক একজন নারী চেয়ারম্যান এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সাবেক শিক্ষকের নাম তালিকায় আছে।
২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রতিটি জাতীয় নির্বাচন হয়েছে নানা বিতর্কের মধ্য দিয়েছে। ২০১৪ সালের নির্বাচনটি ছিল অনেকটা বিনা ভোটের। কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে ২০১৪ সালের ৫ই জানুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় বিরোধী দলবিহীন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচনের যে সংস্কৃতি বাংলাদেশে গড়ে উঠেছিল, তা এই কমিশন ধ্বংস করে দেয়। নির্বাচনের অনুকূল পরিবেশ না থাকলেও বিতর্কিত নির্বাচন আয়োজন করে রকিবউদ্দীন কমিশন। এ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোট ও তাদের শরিক দলের প্রার্থীরা ভোটের আগেই ৩০০ আসনের মধ্যে অর্ধেকের বেশি অর্থাৎ ১৫৩ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। এতে ভোটের আগেই সরকার গঠনের আসন পেয়ে যায় আওয়ামী লীগ। এছাড়া এতে পাঁচ কোটির বেশি ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ হারায়। এদিকে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৩৪টি আসন পায়। আর জাতীয় পার্টি ৩৪টি, ওয়ার্কার্স পার্টি ৬টি, জাসদ (ইনু) ৫টি, তরীকত ফেডারেশন ২টি, জাতীয় পার্টি (জেপি) ২টি, বিএনএফ ১টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১৬টি আসনে জয়লাভ করেন। এই নির্বাচনে (১৪৭টি আসনে) ভোট প্রদানের হার দেখানো হয় ৪০ দশমিক ০৪ ভাগ। নির্বাচনের পর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হয়। এরশাদের নেতৃত্বাধীন জাতীয় পার্টিকে সংসদে বিরোধী দল বানানো হয়। একই সঙ্গে দলটি থেকে মন্ত্রীও করা হয় এবং এরশাদকে বানানো হয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত। জাতীয় পার্টি আসলে সরকারের অংশ নাকি বিরোধী দল, তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। নির্বাচন বিশেষজ্ঞদের মতে, বর্তমান সংকটের পেছনে এই কমিশনের দায় সবচেয়ে বেশি।
২০১৪ সালের মতো ২০১৮ সালেও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে বিরোধী দলগুলোর মধ্যে সন্দেহ-সংশয় ছিল। নির্বাচনের আগে বিএনপি’র সঙ্গে আরও কিছু দল যুক্ত হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নামে একটি রাজনৈতিক জোট গঠন করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় ঐক্যফ্রন্টসহ আরও কিছু দল ও জোটের সঙ্গে সংলাপ করেন এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়। এমন প্রেক্ষাপটে নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও বিরোধী দলগুলো নির্বাচনে অংশ নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। আওয়ামী লীগ সরকারের অধীনে ২০১৮ সালের ৩০শে ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আয়োজন করে কেএম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ একাই ২৫৮টি আসন পায়। অন্যদিকে জাতীয় পার্টি ২২টি এবং মহাজোটভুক্ত অন্য দলগুলো ৮টি আসনে জয়ী হয়। আর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টভুক্ত বিএনপি পায় মাত্র ৬টি আসন। এ ছাড়া গণফোরাম ২টি এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ৩টি আসনে জয়ী হন। এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি দেখানো হয় ৮০ দশমিক ২০ শতাংশ। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ পায় মোট ভোটের ৭৪ দশমিক ৪৪ শতাংশ। বিএনপি পায় মাত্র ১২ দশমিক ০৭ শতাংশ ভোট। একাদশ সংসদ নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ২১৩টি কেন্দ্রে শতভাগ এবং ১ হাজার ৪১৮টি কেন্দ্রে ৯৬ শতাংশের ওপর ভোট পড়ে। অন্যদিকে বেসরকারি সংস্থা সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়, ৭৫টি আসনের ৫৮৬টি কেন্দ্রে যতগুলো বৈধ ভোট পড়ে তার সবগুলোই পেয়েছে নৌকা মার্কার প্রার্থীরা। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয় ছিল রাতের ভোট। বিএনপি এবং তাদের জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের অনেক প্রার্থী ভোটের আগের রাতেই ভোটকেন্দ্র নিয়ে নানা অভিযোগ তুলে ধরেন। তাদের অভিযোগ ছিল, রাতেই কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ এবং তাদের জোটের প্রার্থীর সমর্থকরা ব্যালট পেপারে সিল মেরে বাক্স ভরেন। আগের রাতে সিল মারার সত্যতা গণমাধ্যমেও উঠে আসে। পুলিশ ও প্রশাসনের সহায়তায় বিতর্কিত এই নির্বাচন হয়।
২০২২ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি সিইসি হিসেবে নিয়োগ পান সাবেক আমলা কাজী হাবিবুল আউয়াল। নিয়োগ পাওয়ার পরই তিনি জানান, তাদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ বিএনপি’র মতো বড় রাজনৈতিক দলসহ অন্যান্য দলকে নির্বাচনে আনা। যদিও শেষ পর্যন্ত বিএনপিসহ সমমনা দলগুলোকে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আনতে ব্যর্থ হন তিনি। দায়িত্ব গ্রহণের পরই বিভিন্ন সিটি ও উপ-নির্বাচনের আয়োজন করে। সেই নির্বাচনগুলোও নানাভাবে বিতর্কিত হয়। এসব নির্বাচনে ভোটের হারও ছিল অনেক কম। পরবর্তীতে আরওপিও সংশোধন করে নিজেদের ক্ষমতা খর্ব করে আউয়াল কমিশন। নির্বাচনের সংবাদ সংগ্রহ করার আইন কঠিন করা হয়। শুরু থেকেই সিইসি রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবে নিজস্ব কর্মকর্তাদের নিয়োগ দেয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত ডিসিদের রিটার্নিং কর্মকর্তা করা হয়। যোগ্য রাজনৈতিক দলগুলোকে নিবন্ধন না দিয়ে ভুঁইফোঁড় কয়েকটি দলকে নিবন্ধন দেয় ইসি। এ ছাড়া রিটার্নিং কর্মকর্তাসহ নানা ইস্যুতে সিইসি ও অন্যান্য কমিশনারদের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি ব্যয় ধরা হয়। এমন বাস্তবতায় ২০২৪ সালের ৭ই জানুয়ারি একতরফাভাবে এই নির্বাচন আয়োজন করে কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশন। বিএনপিসহ বেশির ভাগ রাজনৈতিক দল নির্বাচন বয়কট করায় নির্বাচনকে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক দেখাতে বিভিন্ন আসনে বিরোধী প্রার্থী হিসেবে ডামি প্রার্থী (নকল) দেয় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। এজন্য ডামি ও একতরফা নির্বাচন হিসেবে খেতাব পায় দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের হাতছানি- রাশিয়া, চীন, ইরানের হস্তক্ষেপ!
এসব ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা বাইরের হস্তক্ষেপ এবার রাজনীতিতে কতোটা প্রভাব ফেলবে তা আগাম বলা যায় না। কিন্তু অনেকেই আশঙ্কা করছেন ট্রাম্পকে নিয়ে। কারণ, তিনি এরই মধ্যে জানিয়ে দিয়েছেন পরাজিত হলে তিনি নির্বাচনের ফল মানবেন না। যদি তিনি পরাজিত হনই, তাহলে ফল না মেনে কি করবেন সে বিষয়ে পরিষ্কার করেননি। এক্ষেত্রে ২০২১ সালের ৬ই জানুয়ারির দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে ওঠে। ওইদিন তার উস্কানিতে তার সমর্থকরা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হিলে দাঙ্গা চালায়। ব্যাপক ভাঙচুর, লুটপাট চালায়। ওই সময় ক্যাপিটল হিলে উপস্থিত সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্স, নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সহ কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। তারা নিরাপদে সরে গিয়ে জীবন রক্ষা করেন। ওইদিন দাঙ্গায় নিহত হন কমপক্ষে ৫ জন। নির্বাচনের ফল প্রকাশের আগে কয়েকটি রাজ্যে নির্বাচনী ফল উল্টে দেয়ার জন্য তিনি নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেন। এমনকি ফল না মেনে ভাইস প্রেসিডেন্ট মাইক পেন্সকে নির্দেশ দেন, তাকে বিজয়ী ঘোষণা দিতে। কিন্তু মাইক পেন্স সেই অনুরোধে বা নির্দেশে সাড়া দেননি। তিনি নির্বাচনের ফল মেনে নিয়ে জো বাইডেনের হাতে ক্ষমতা তুলে দেয়ার আয়োজন সম্পন্ন করেন। এখানেই শেষ নয়, ট্রাম্প যেসব ঘটনা ঘটিয়েছেন, তারপরও তিনি প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী এবং তাকে প্রায় সমান সংখ্যক ভোটার সমর্থন করছেন- এটাই তার অর্জন। বিশ্লেষকরা বলেন, দাম্ভিকতা, অহংবোধ এবং বিতর্কিত কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের সমাজকে, রাজনীতিকে বিভক্ত করার চেষ্টা করছেন ট্রাম্প। নিকট অতীতে এতটা বিভক্ত ছিল না যুক্তরাষ্ট্র। তিনি নির্বাচিত হলে গাজা, ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে তা করবেন সে বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি। এটা এমনও হতে পারে মুসলিমদের ভোট পাওয়ার কৌশল। যতটা মুসলিমপ্রেমী হিসেবে তাকে মনে করা হচ্ছে এখন, আদতে তিনি ততটা নন। মনে আছে, প্রেসিডেন্ট থাকাকালে তিনি ফিলিস্তিন, সৌদি আরব সহ মুসলিমদের বিরোধিতার মুখে জেরুজালেমকে ইসরাইলের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা দেন। তেলআবিব থেকে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস সেখানে স্থানান্তরিত করেন। ট্রাম্পের বিতর্ক এখানেই শেষ নয়। ২০২০ সালে করোনা মহামারিতে যুক্তরাষ্ট্রে যখন মৃত্যুর মিছিল, তখন তিনি নিজে মুখে মাস্ক না পরে টিকাবিরোধী প্রপাগান্ডা চালান। ফলে তিনি যে জনমানুষের কথা খুব বেশি ভাবেন বা তাদেরকে প্রাধান্য দেন- তেমনটা হলফ করে বলা যায় না।
তবু তিনি নির্বাচন করছেন। কারণ, নির্বাচিত হলে তার বিরুদ্ধে যারা আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছেন- তাদেরকে তিনি দেখে নেবেন।
২০১৬ সালের নির্বাচনে ডেমোক্রেট প্রার্থী ছিলেন হিলারি ক্লিনটন ও রিপাবলিকান ডনাল্ড ট্রাম্প। সেই নির্বাচনে রাশিয়ার হস্তক্ষেপের অভিযোগ আছে। তার আট বছর পর আবার মঙ্গলবার নির্বাচন। এবারও বিদেশি হস্তক্ষেপের ভয় আছে। এমন হস্তক্ষেপ করতে পারে রাশিয়া, চীন ও ইরান। আগের চেয়ে এই হস্তক্ষেপের আশঙ্কা অনেক বেড়েছে। যদি হস্তক্ষেপ হয় তাহলে তা শনাক্ত করা খুব জটিল হবে। যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা, প্রযুক্তি বিষয়ক কোম্পানি এবং একাডেমিক গবেষকদের মতে, রাশিয়া, চীন এবং ইরানের মতো বিদেশি বিভিন্ন দেশ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। তারা ক্রমশ তাদের এই কৌশল বৃদ্ধি করছে। তারা যদি সামান্য ভোটের ব্যবধান ঘটাতে পারে, তাহলে তাতে নির্বাচনের ফল বদলে যেতে পারে। গোয়েন্দা মূল্যায়নে বলা হয়েছে, গত নির্বাচনে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন করেছিল রাশিয়া। এবার তারা তা আরও বৃদ্ধি করতে পারে। তবে তার প্রতিপক্ষ কমালা হ্যারিসকে পছন্দ করে ইরান। কারণ, প্রথম মেয়াদে নির্বাচিত হয়ে ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে দেয়া নিষেধাজ্ঞা বহাল করেন। এতে ইরান নতুন করে আর্থিক সংকটে পড়ে।
রাশিয়া এবং ইরানের পছন্দের প্রার্থী থাকলেও চীনের দৃশ্যত কোনো পছন্দ নেই এই নির্বাচনে। কিন্তু তাদের লক্ষ্য পরিবর্তন হয়নি। তাদের উদ্দেশ্য বিশ্বের চোখে যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রকে বিশৃঙ্খল ও অসম্মানিত করা। প্রচারণায় আবির্ভাব ঘটেছে পাল্টে যাওয়া মিডিয়া ব্যবস্থা এবং প্রযুক্তির নতুন নতুন হাতিয়ার। এর ফলে মানুষকে বোকা বানানো সহজ হয়েছে। ২০১৬ সালের নির্বাচন নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে দেয়ার প্রাথমিক কারিগর রাশিয়া। তারা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে প্রধানত এটা করেছে। এখন যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে প্রভাব সৃষ্টি করতে একই রকমভাবে যুক্ত ইরান ও চীন। এই তিনটি দেশ কয়েক ডজন প্ল্যাটফরমে তাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। যেসব মাধ্যম মার্কিনিরা ব্যবহার করে, মার্কিনিরা চ্যাট করে, আবহাওয়া জানতে চায়- এমন সব মাধ্যমে তারা তাদের আগ্রহকে শেয়ার করছে। এসব দেশ একটি অন্যটির থেকে কৌশল জানছে। তবে তাদের মধ্যে সরাসরি কৌশলগত কোনো সহযোগিতা আছে কিনা তা নিয়ে বিতর্ক আছে। টেলিগ্রামে বিভক্তি সৃষ্টিকারী জিনিসপত্র ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে রাশিয়ান অ্যাকাউন্ট থেকে। তার মধ্যে কখনো কখনো পোস্ট দেয়া হচ্ছে বিষোদ্গারমূলক ভিডিও, মেমে ও বিভিন্ন রকম নিবন্ধ। চীন থেকে এমন শত শত অ্যাকাউন্ট আছে। তাতে গাজা যুদ্ধ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাম্পাসগুলোতে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে উদ্বুদ্ধ করা হয়। কম গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ‘গ্যাব’-এ অ্যাকাউন্ট আছে দু’টি দেশেরই। উগ্র ডানপন্থিদের কাছে এই মাধ্যম পছন্দের। এখানে তারা ষড়যন্ত্র তত্ত্বকে অনুমোদন দিতে কাজ করে। রেডিট নামের অনলাইনে ডনাল্ড ট্রাম্পকে সমর্থন দিতে চেষ্টা করেছে রাশিয়ার অপারেটিভরা। রেডিফ ফোরামটি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে উগ্র ডানপন্থিরা। এর মধ্যদিয়ে হিস্প্যানিক আমেরিকান, ভিডিও গেমার এবং ট্রাম্পের প্রতি সহানুভূতিশীল হিসেবে চিহ্নিতদের সহ ৬টি সুইং স্টেটের ভোটারদের টার্গেট করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয় এসব তথ্য প্রকাশ করেছে সেপ্টেম্বরে।
ভুয়া তথ্য ছড়িয়ে দিতে সম্পদ ব্যবহার করেছে ইরান। ‘নট আওয়ার ওয়্যার’ নামের একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের বর্ষীয়ান সামরিক কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। এতে আমেরিকাবিরোধী দৃষ্টিভঙ্গি ও ষড়যন্ত্র তত্ত্ব ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। ‘আফ্রো মেজরিটি’ নামের আরেকটি সাইটে কন্টেন্ট সৃষ্টি করা হয়েছে কৃষ্ণাঙ্গ মার্কিনিদের টার্গেট করে। ‘সাভানা টাইমস’ নামের আরেকটি সাইটে জর্জিয়া সুইং স্টেটের ভোটারদেরকে আন্দোলিত করার চেষ্টা করেছে। আরেকটি সুইং স্টেট মিশিগানে ইরান সৃষ্টি করেছে অনলাইন আউটলেট ‘ওয়েস্টল্যান্ড সান’। ডেট্রয়েটে বসবাসকারী আরব আমেরিকানদের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তৈরি করা হয়েছে এই সাইট। ফাউন্ডেশন ফর ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসির সিনিয়র বিশ্লেষক ম্যাক্স লেসার বলেন, মিশিগানে আরব ও মুসলিম জনগোষ্ঠীকে টার্গেট করবে ইরান। কারণ, যুক্তরাষ্ট্রে রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে ইরান জানে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দিল্লির চাঁদনি চকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের মোবাইল চুরি
অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। বাজার এলাকার সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখা হয়। চার জনকে সেখান থেকেই চিহ্নিত করেন তদন্তকারীরা। তাদের গ্রেফতার করা হয়। পুলিশ সূত্রের খবর, চার জনেরই বয়স ২০ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে। চুরি যাওয়া মোবাইলটিও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
ভারতে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের হাতে তার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলটি ফিরিয়ে দেওয়ার পর দিল্লি পুলিশ একটি বিবৃতি দিয়ে সে কথা জানিয়েছে। আটককৃতরা ট্রান্স-যমুনা এলাকার বাসিন্দা। তাদের হেফাজতে রেখে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ঘটনার পর, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে, বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। রাষ্ট্রদূত থিয়েরি মাতাউরে বলেন, “এই ধরনের ঘটনা খুবই দুঃখজনক। এটি আমাদের সবার জন্য একটি সতর্কবার্তা, বিশেষ করে পর্যটকদের জন্য।”
তিনি আরও বলেন, তিনি এই ঘটনার পরে ভারতীয় পুলিশ বাহিনীর কাজের প্রশংসা করেন। পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ায় তিনি সন্তুষ্ট হয়েছেন। বিশেষ করে চাঁদনি চক এলাকার মতো জনবহুল স্থানে এই ঘটনার পর, অনেকেই সামাজিক মাধ্যমে মন্তব্য করেছেন যে, তারা এখনো বিদেশিদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। কিছু ব্যবহারকারী বলছেন, এই ধরনের ঘটনাগুলি ভারতীয় সংস্কৃতির উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
সূত্র : ইন্ডিয়া টুডে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভাঙাড়ি বিক্রেতা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক by রাশিদুল ইসলাম
কে এই দেলো: ১৯৭৪ সালে দেশে দুর্ভিক্ষের সময় কাজের সন্ধানে গোপালগঞ্জ থেকে পরিবার নিয়ে খুলনায় চলে আসেন দেলোয়ার হোসেন দেলোর পিতা আবুল হাসেম। জাতীয় পার্টির আমলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী কাজী জাফর আহমদের দোলখোলাস্থ বাড়ির সিঁড়ির রুমে আশ্রয় পান। দেলোর বাবা দিনে রিকশা চালানো এবং রাতে কাজী বাড়ির নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করতেন। তার সাত ছেলে-মেয়ে ও নিজেরা দু’জনসহ ৯জনের সংসারে অভাব-অনটনের মধ্যে দিন কাটতো। তখন বড় ছেলে মোজাহার হোসেন মোজো বড় বাজারের ব্যবসায়ীদের জন্য বাড়ি থেকে ভাত নিয়ে যাওয়ার কাজ শুরু করে। বড় বোন মরিয়ম শীতলাবাড়ীর কবিরাজ মোহন ঠাকুরের সহযোগী হিসেবে কাজ করতেন।
সূত্র জানায়, পরবর্তীতে রায়পাড়ার কাস্টম বাবুদের বাড়িতে একটি ঘরভাড়া নেন আবুল হাসেম। সেখান থেকেই হয়ে যান খুলনার স্থায়ী বাসিন্দা। এক সময় বড়বাজারে সাঈদের কাপড়ের দোকানে সামান্য বেতনে কাজ শুরু করেন আবুল হাসেমের মেজো ছেলে দেলোয়ার হোসেন দেলো। পরে তিনি ভাঙ্গারি ব্যবসার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এরপর নতুন বাজারে মাছের আড়ৎ-এ ক্লিনার হিসেবে কাজ করেছেন কিছুদিন। সুচতুর দেলো নতুন বাজারের আড়ৎদারদের কাছ থেকে বাকিতে মাছ নিয়ে খুচরা বিক্রি শুরু করেন। পাশাপাশি মাছ কোম্পানির গ্রেডার হিসেবে কাজ করতেন। বিভিন্ন কৌশলে আড়ৎদারদের কাছ থেকে মাছ ক্রয় করে মাছ কোম্পানিতে সরবরাহ করার মধ্য দিয়ে আর্থিকভাবে কিছুটা সচ্ছল হন। তার বাড়ি গোপালগঞ্জ হওয়ার সুবাদে শেখ সোহেলের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।
শেখ বাড়ির আশীর্বাদে যেভাবে উত্থান: শেখ হাসিনার চাচাতো ভাই সাবেক এমপি শেখ জুয়েল ও শেখ সোহেলের আশীর্বাদে দেলো এখন মাছ কোম্পানির মালিক। সাতক্ষীরা জেলার কালীগঞ্জ এলাকায় তার মাছ কোম্পানির নাম রোজেলা ফিস। ২০১০ সালে চার বন্ধুর যৌথ মালিকানায় এই মাছ কোম্পানিটি চালু করেন। পরবর্তীতে শেখ পরিবারের দাপটে তিন বন্ধুকে হটিয়ে নিজেই মালিক বনে যান। মাছ ব্যবসার অন্তরালেই চলতো তার মাদক ব্যবসা। শেখ সোহেলের মাধ্যমে বাংলাদেশে ইয়াবার মূল হোতা হিসেবে পরিচিত কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুর রহমান বদির সঙ্গে সখ্য হয় দেলোর। ফলে কক্সবাজার থেকে মাছের কার্টনে এ অঞ্চলে আনা হতো মাদক ‘ইয়াবা’র বড় চালান। সেই ইয়াবা খুলনা থেকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে সরবরাহ করতেন তার ভাই মোজাহার হোসেন মোজো। এছাড়া দেলো-মোজোর নেতৃত্বে নগরীতে চলতো ফেনসিডিল ব্যবসা। খুলনা মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের কোষাধ্যক্ষ পদে থেকে এ ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করতেন মোজো। এ কাজে তাকে সহযোগিতা করতেন দলীয় প্রভাবশালী যুবলীগ নেতা ও শেখ সোহেলের দেহরক্ষী শওকত হোসেন সহ কতিপয় নেতা। এ অবৈধ আয়ের একটি অংশ পেতেন প্রশাসন থেকে শুরু করে দলের শীর্ষ নেতারা। দেলোর বোন মরিয়মের রয়েছে বাগমারা এলাকায় মাদক ব্যবসা।
অবৈধ আয়ের যত সম্পদ: খুলনা মহানগরীর ইসলামপুর, দোলখোলা ও রায়পাড়া এলাকা সরজমিন ঘুরে জানা যায়, দেলোয়ার হোসেন দেলোর বিত্তবৈভবের অজানা কাহিনী। রায়পাড়া রোডস্থ ইসলামপুর মসজিদের পাশেই বিলাসবহুল ৫তলা অট্টালিকা, একই এলাকার নবারণ সংসদের পাশেই একটি ৬তলা, রাজ্জাকের গলির মধ্যে একটি ৬তলা, একটি ৪তলা, দু’টি দু’তলা ও তিনটি জমি, রায়পাড়া মেইন রোডস্থ মেট্রোপলিটন ক্লিনিকের সামনে একবিঘার উপরে সিদ্দিক মঞ্জিলের জমি কেনা ১০ কোটি টাকা দিয়ে, মুসলমানপাড়া মেইন রোডের খোকা মোল্লা লেনে ৩ কাঠার একটি জমি ও আব্দুল গনি বিদ্যালয় লেনে ৫ কাঠার একটি জমি এবং শহরেও রয়েছে জমি ও দখল করা অসংখ্য প্লট। খুলনা শহরে তার বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে ১০ থেকে ১২টা। নগরীর ক্লে রোডে রয়েছে একটি মার্কেট। এছাড়া ডুমুরিয়া মৌজায় নামে-বেনামে ৪০ থেকে ৫০ বিঘা জমি রয়েছে। যেখানে গড়ে তোলা হয়েছে বাগানবাড়ী। সেখানে মাঝে-মধ্যে আয়োজন করা হয় পিকনিকের নামে মাদক সেবন ও জলসা। এককথায় দেলো খুলনা শহরের দৃশ্যমান একজন ভূমিদস্যু নামে পরিচিত। খুলনা ও ঢাকায় তার অনেকগুলো ফ্ল্যাট আছে বলেও জানা যায়। দেলোয়ার হোসেন দেলোর রয়েছে বিলাসবহুল ৭-৮টা গাড়ি। একেক সময় একেকটা গাড়ি নিয়ে তিনি মহড়া দিতেন খুলনা শহরে। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের কিছুদিন আগে খুলনা-২ আসনের সাবেক এমপি শেখ জুয়েলকে ২ কোটি ২৫ লাখ টাকার একটা বিলাসবহুল গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন দেলো। এ নিয়ে নগরীতে ব্যাপক আলোচনায় আসেন ওই সংসদ সদস্য।
সুন্দরবনের দস্যু ও কিশোর গ্যাং দেলোর নিয়ন্ত্রণে: সুন্দরবনের বাওয়ালী ও জেলেদের অভিযোগ-সুন্দরবনের ৫-৬টা ডাকাতদল আছে দেলো ও তার ভাই মোজোর নিয়ন্ত্রণে। এছাড়া খুলনার একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী ও কিশোর গ্যাং নিয়ন্ত্রণ করতেন তারা। এসব সন্ত্রাসীর কাছে রয়েছে অনেক অবৈধ অস্ত্র। অল্প সময়ে শেখবাড়ীর ছত্রছায়ায় দেলো হয়ে ওঠেন খুলনায় এক মূর্তিমান আতঙ্ক।
প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রর্দশন: সূত্র জানায়, ২০২৩ সালের ১৪ই আগস্ট জামায়াতের শীর্ষ নেতা প্রয়াত আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীকে নগরীর বসুপাড়ায় তার প্রতিষ্ঠিত মাদ্রাসা চত্বরে কবর দেওয়ার অসিয়ত ছিল। কিন্তু সেখানে কবর না দেওয়ার জন্য আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের ক্যাডারদের সঙ্গে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন এই দেলো। তিনি প্রকাশ্যে শর্টগান ও একাধিক সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে ১৪ই আগস্ট ২০২৩ রাতে আল্লামা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর প্রতিষ্ঠিত দারুল কুরআন সিদ্দিকীয়া কামিল মাদ্রাসার মূল ফটকে অবস্থান নিয়েছিলেন। ২০২২ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি আওয়ামী লীগের খুলনা মহানগর শাখার সদস্য ও মহানগর যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান সাগরের মৃত্যুর সঙ্গেও এই দেলো জড়িত আছেন বলে প্রচার আছে। এ ছাড়া গত ৮ই জুলাই খুলনা ২৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আলামিনকে কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। দেলোয়ার হোসেন দেলোর নেতৃত্বে এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। গত ৪ঠা আগস্ট খুলনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মিছিলে প্রকাশ্যে শর্টগান দিয়ে গুলি করেছিলেন দেলো। কয়েকজন ছাত্র সেদিন গুরুতর আহত হয়েছিলেন। তার বিরুদ্ধে বিএনপি অফিস ভাঙচুর, হামলা ও লুটপাটের অভিযোগে একাধিক মামলা রয়েছে। ৫ই আগস্টের পর দেলো-মোজোসহ পরিবারের সদস্যরা আত্মগোপনে চলে যান।
অভিযোগ সম্পর্কে যা বলেন দেলো: অভিযোগ সম্পর্কে জানতে চাইলে দোলোয়ার হোসেন দেলো বলেন, চল্লিশ বছর ব্যবসা করে আমি এ পর্যন্ত এসেছি। ব্যবসার স্বার্থে শেখ পরিবারের অনেকের সঙ্গে আমার সুসম্পর্ক ছিল, তবে অবৈধ কিছু করিনি। আমার কোম্পানি ১০০ কোটি টাকার মাছ রপ্তানি করে। অর্থনীতিতে আমার বড় অবদান আছে। অস্ত্র প্রদর্শন ও আল্লামা সাঈদীর লাশ দাফনে বাধা দেওয়ার সময় আমি সেখানে ছিলাম না। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও মামলা দেয়া হয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফল হলেই ভারতের স্বার্থ রক্ষিত হবে- ভারতীয় ব্যবসায়ী

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে নির্বাচনে নজর দিন’
তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংগ্রাম চলতে থাকে। সংস্কার কার্যক্রম তেমনি চলমান থাকে। আমরা প্রত্যাশা করবো, সরকার দ্রুত সংস্কার কমিশন থেকে রিপোর্ট নিয়ে জনগণের সামনে তুলে ধরবেন এবং সামনে এগিয়ে নিয়ে যাবেন। সব সংস্কার কিন্তু জনগণের দ্বারা স্বীকৃত হতে হবে এবং জনগণকে সেটা মেনে নিতে হবে। জনগণের মতামত ছাড়া কোনো সংস্কার দীর্ঘায়িত হবে না। উপর থেকে চাপিয়ে দিয়ে কোনো কিছু সফল হয় না। এনপিপি’র চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদের সভাপতিত্বে এবং মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফার পরিচালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা আব্দুল হালিম, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার সভাপতি খন্দকার লুৎফর রহমান, গণদলের চেয়ারম্যান এটিএম গোলাম মাওলা চৌধুরী, এনডিপি’র চেয়ারম্যান কারী আবু তাহের, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক পার্টির চেয়ারম্যান এস এম শাহাদাত, ডেমোক্রেটিক লীগের (ডিএল) সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস, বাংলাদেশ ন্যাপের মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল বারিক প্রমুখ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শিখ নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রে অমিত শাহ জড়িত: কানাডা
এতে বলা হয়, কানাডার মাটিতে শিখ নেতা হরদীপ সিং নিজ্জার হত্যাকাণ্ডে ভারতীয়দের সরাসরি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ বরাবরই অস্বীকার করে আসছে ভারত। দিল্লি এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন এবং অমূলক বলে দাবি করেছে।
কানাডার মাটিতে শিখ নেতা হত্যা এবং তাদের ভয়-ভীতি দেখানোর পেছনে অমিত শাহের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে এমন খবর প্রথম প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদপত্র ওয়াশিংটন পোস্ট। গণমাধ্যমটি বলছে, কানাডার সরকার জানিয়েছে খালিস্তানপন্থী শিখদের লক্ষ্য করে সহিংসতা ও তাদের ভয় দেখানোর পিছনে অমিত শাহই কাজ করেছেন।
মঙ্গলবার কানাডার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডেভিড মরিসন সংসদীয় এক প্যানেলকে বলেছেন, তিনি যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদপত্রকে বলেছেন এই চক্রান্তের পেছনে ছিলেন ভারতীয় মন্ত্রী অমিত শাহ। ওয়াশিংটন পত্রিকার সাংবাদিক ডেভিড মরিসনকে ভারতীয় ওই মন্ত্রীর নাম ধরে জানতে চাইলে তিনি তার নাম নিশ্চিত করেন। তিনি বলেছেন, আমি নিশ্চিত করেছি যে অমিত শাহই ওই হত্যার মূল ষড়যন্ত্রকারী। তবে অটোয়া এক্ষেত্রে সংসদীয় কমিটিকে কোনো তথ্য প্রমাণ হস্তান্তর করেনি। অটোয়ার এই অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় হাইকমিশন অথবা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তাৎক্ষণিক কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদীরা খালিস্তান নামে একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের জন্য আন্দোলন করে যাচ্ছে, যা নিজেদের জন্য হুমকি স্বরূপ মনে করে দিল্লি। এছাড়া দিল্লির দাবি খালিস্তানপন্থীরা ‘সন্ত্রাসী’ কার্যক্রমের সঙ্গে জড়িত। ১৯৮০ এবং ১৯৯০ এর দশকে ভারতে এক বিদ্রোহে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে তার শিখ দেহরক্ষী হত্যা করলে সারা দেশে শিখদের সঙ্গে ভয়াবহ দাঙ্গা হয়। যাতে হাজার হাজার মানুষ নিহত হন। সেসময় শিখদের মন্দিরগুলোতে হামলা চালানো হয় এবং তাদের উচ্ছেদ করতে ভয়াবহ অভিযান চালানো হয়।
কানাডা অক্টোবরের মাঝামাঝি সময়ে ভারতীয় কূটনীতিকদের বহিষ্কার করেছে। কানাডার মাটিতে শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জারকে ২০২৩ সালে হত্যার সাথে ভারতীয়দের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কানাডার সরকার। এর প্রতিক্রিয়ায় ভারতও কানাডার কূটনীতিকদের বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়ে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শহীদ রেফায়েত উল্লাহর শিশুকন্যা লামিয়ার মানবেতর জীবন by মুহাম্মদ শাহ্ আলম
গত বছর এদিন বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকার পতনের একদফা দাবিতে বিরোধী জোটের ডাকা ৭২ ঘণ্টার অবরোধের প্রথমদিনে কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে বিএনপি নেতাকর্মী ও তার বন্ধুদের সঙ্গে অবরোধ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে রেফায়েত উল্লাহ। আন্দোলনে অংশগ্রহণের আগে রেফায়েত উল্লাহ তার দাদি সখিনা বেগমের কাছে দোয়া চেয়ে বলেছিল ফিরে আসতেও পারি না-ও আসতে পারি। আগের দিন রাতে তার নিজস্ব ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিল আগামীকাল আন্দোলনে যাচ্ছি বাঁচতেও পারি মরতেও পারি। সকলের নিকট দোয়া চাই। ৩১শে অক্টোবর সকালে অবরোধ কর্মসূচির শুরুতেই উপজেলার ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পুলিশ কর্মসূচিতে বাধা দেয়। বাধা উপেক্ষা করে অবরোধ কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সকাল ৮ কিংবা সাড়ে ৮টার দিকে কুলিয়ারচর থানা পুলিশ আন্দোলনরত বিএনপি নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি ছুড়ে। এতে উপজেলার বড়ছয়সূতী গ্রামের কাউসার মিয়ার বড় ছেলে ওয়ার্ড যুবদলের সভাপতি রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) এবং মাধবদী গ্রামের কাজল মিয়ার ছেলে কৃষকদলের নেতা বিল্লাল হোসেন রনি (৪০) ছয়সূতী বাসস্ট্যান্ডে ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় পুলিশের গুলিতে আরও বেশক’জন গুরুতর আহত হন। এই হত্যাযজ্ঞের পর পুলিশ আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠে। তড়িঘড়ি করে নিহতদের জানাজা শেষে দাফন কার্য সম্পন্ন করতে নিহতদের পরিবারের সদস্যদের বাধ্য করে। ফলে অনেকটা ইচ্ছার বিরুদ্ধে মধ্যরাতে তড়িঘড়ি করে নামাজে জানাজা শেষে শহীদদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। এমনকি বিএনপি নেতাকর্মীরা যাতে জানাজায় অংশগ্রহণ করতে না পারে সেইজন্য জানাজার স্থানে পুলিশের একাধিক গাড়ি অবস্থান নেয়। তাছাড়া পুলিশের গুলিতে নিহত ও আহত বিএনপি’র নেতাকর্মীদের নামে পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দু’টি মামলা দায়ের করে। মামলায় পুলিশের গুলিতে নিহত রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) ও বিল্লাল হোসেন রনি (৪০), বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলমসহ ৪৩জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ১৫০০/১৬০০ জনকে আসামি করে মামলা করে। মামলায় পুলিশ শরীফুল আলম সহ প্রায় ৫০জনকে গ্রেপ্তার করে। নিহত রেফায়েত উল্লাহ তনয় (২৪) ও বিল্লাল হোসেন রনি (৪০) সাধারণ পরিবারের সন্তান। রেফায়েত উল্লাহ বিয়ের এক বছরের মাথায় একমাত্র সন্তান লামিয়াকে রেখে এবং বিল্লাল হোসেন ৩ সন্তান, ছেলে টুটুল (১০), মেয়ে জান্নাত (৬) সবার ছোট ছেলে জাকির (২) ও স্ত্রী আন্না বেগম (২৭)কে রেখে ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে দেশের গণতন্ত্র মানবাধিকার আইনের শাসন বাকস্বাধীনতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে নিজের জীবন উৎসর্গ করে গেছেন। এই অবস্থায় অসহায় দুই পরিবারের শিশুসন্তানের ভরণ- পোষণের জন্য বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক (ময়মনসিংহ বিভাগ) ও কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপি’র সভাপতি মো. শরীফুল আলম প্রতি মাসে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান অব্যাহত রেখেছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনার দিনটিতে আজ দুপুরে শহীদ রেফায়েত উল্লাহর গ্রামের বাড়িতে এক মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে হয়েছে এবং ওইদিনই বিকালে ছয়সূতী ইউনিয়ন বিএনপি’র কার্যালয়ে মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের অনুষ্ঠিত হবে। এতে উপজেলা বিএনপি’র নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করবেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Wednesday, October 30, 2024
বাংলাদেশে হাসিনার ‘ফ্যাসিস্ট’ দলের কোনো স্থান নেই: ড. ইউনূস
জুলাই-আগস্ট ছাত্রজনতা নেতৃত্বাধীন অভ্যুত্থানের পর যখন হাসিনার পতন হয়েছে তখন বাংলাদেশের প্রাচীন দল আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন ৮৪ বছর বয়সী শান্তিতে নোবেলজয়ী ড. ইউনূস।
তিনি আরও বলেছেন, এখনই তার সরকার ভারতে পালিয়ে যাওয়া শেখ হাসিনাকে দিল্লির কাছে ফেরত চাইবে না। কেননা এ বিষয়টি প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। ড. ইউনূস বলেছেন, নিশ্চিতভাবেই বাংলাদেশে স্বল্পমেয়াদে তার কোনো জায়গা হবে না, তার দল আওয়ামী লীগেরও কোনো জায়গা হবে না। কেননা তারা দেশের জনগণ এবং রাজনৈতিক কলকব্জা নিয়ন্ত্রণ করেছে। তারা নিজেদের সুবিধার জন্য রাষ্ট্রের সকল প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করেছে। সুতরাং তাদের মতো কোনো ‘ফ্যাসিস্ট দল’ গণতান্ত্রিক ধারায় স্থান পাবে না।
রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী ও মানবাধিকার সংস্থাগুলো আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে তাদের আমলে হওয়া নির্বাচনে কারচুপি, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং শেখ হাসিনার ১৫ বছরের বেশি সময়ের শাসনামলে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দখলের অভিযোগ এনেছে। হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর তার দলকে রাজনীতি থেকে সাময়িক নিষিদ্ধের আলোচনাও শুরু হয়েছে। অনেকে বলছেন, রাজনীতিতে ফিরতে হলে আওয়ামী লীগকে সংস্কারের মধ্য দিয়ে আসতে হবে। আবার কারো কারে মতামত হচ্ছে ওই দলটিকে চিরতরে নিষিদ্ধ করা উচিত। এ নিয়ে বেশ বিতর্ক চলছে।
ড. ইউনূসের ধারণা আওয়ামী লীগ ভেঙে যেতে পারে। তবে তিনি এ বিষয়েও জোর দিয়েছেন যে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে হাসিনার দলের কোনো ভাগ্য বদল হবে না। কেননা তারা কোনো বর্তমান সরকার ‘রাজনৈতিক সরকার নয়’। তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আগামী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে কি-না তা নির্ধারিত হবে রাজনৈতিক দলগুলোর ‘ঐক্যমতের’ ভিত্তিতে। এক্ষেত্রে তাদের রাজনৈতিক অবস্থান কী হবে তা নির্ধারণ করতে হবে।
ভারতে হাসিনা কোথায় আছেন সে অবস্থান এখনও নিশ্চিত নয়। সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের সাংগাঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, তাদের দল যে কোনো সময় নির্বাচনে অংশ নিতে প্রস্তুত।
উল্লেখ্য, ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পান ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ক্ষমতায় থাকাকালীন ড. ইউনূসকে টার্গেট করেছিলেন হাসিনা। এতে ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী।
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টাদের মধ্যে দুইজন ছাত্রনেতা রয়েছেন। বাংলাদেশে নতুন নির্বাচনের পথ তৈরি করার পাশাপাশি পুলিশ, বিচার বিভাগ এবং জনপ্রশাসনসহ সংস্কারমূলক কাজের জন্য ১০টি কমিশন গঠন করেছে ড. ইউনূস সরকার।
ইতিমধ্যেই কোনো রাজনৈতিক দলে যোগ না দেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ড. ইউনূস। এছাড়া তার কোনো রাজনৈতিক দল গঠনেরও ইচ্ছা নেই। তিনি বলেছেন, আমাদের কাজ হচ্ছে সংস্কার এজেন্ডাগুলো নিষ্পত্তি করা। নির্বাচনের প্রস্তুতি শেষ হলে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারও আলোচনায় বসব আমরা।
শেখ হাসিনার শাসনের পতনের ফলে তার সবচেয়ে বড় বিদেশি সমর্থক ভারতের সাথে সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে বাংলাদেশের। হাসিনাসহ তার দলের ৪৫ নেতার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এই আদালতের রায় ঘোষণার পরই ভারতের সঙ্গে হাসিনার প্রত্যাবর্তনের বিষয়ে আলাপ শুরু করবে অন্তর্বর্তী সরকার।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে ড. ইউনূস বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলার রায় ঘোষণার পর ভারতের সঙ্গে প্রত্যার্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। আমি মনে করি না যে, রায় হওয়ার আগে এটা করার দরকার আছে।
আগস্টে হাসিনা পুত্র সজিব ওয়াজেদ জয় ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, বিক্ষোভ দমনে তার মায়ের বিরুদ্ধে সহিংসতার যেসকল অভিযোগ আনা হয়েছে তা মিথ্যা। হাসিনা পুত্রের দাবি, যেহেতু শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের সত্যতা নেই তাই যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছেন তিনি।
হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর তার দলের অনেক নেতা-কর্মী দেশ ছেড়েছেন অথবা আত্মগোপনে রয়েছেন। ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানের পর বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের হাতে আওয়ামী লীগের কিছু নেতাকর্মী হত্যার অভিযোগ উঠেছে। তবে এর সংখ্যা কত তা সঠিকভাবে জানা যায়নি।
ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ড. ইউনূসের সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে প্রায় ৮০০ জন নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। তবে, হিন্দুদের ওপর ব্যাপক নৃশংসতা নিয়ে ভারত যে অভিযোগ করছে তার কোনো সত্যতা নিশ্চিত করেনি মানবাধিকার সংস্থাগুলো।
ইউনূস হিন্দুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার ‘কিছু ঘটনা’ এবং ‘খুব অল্প সংখ্যক প্রাণহানির কথা স্বীকার করেছেন। তবে তিনি যুক্তি দিয়েছিলেন যে, আওয়ামী লীগ সংশ্লিষ্টতার জন্য তাদের টার্গেট করা হয়েছিল, ধর্মের জন্য নয়।
ড. ইউনূস বলেছেন, বিদ্যুৎ, পানি এবং অন্যান্য অবকাঠামো প্রকল্পের ক্ষেত্রে দিল্লির সমর্থনের অভাব রয়েছে। তিনি নরেন্দ্র মোদিকে বাংলাদেশে স্বাগতম জানিয়েছেন। দুই প্রতিবেশীর যেমন সম্পর্ক থাকা উচিত তা সর্বোত্তম পন্থায় থাকতে হবে বলে মনে করেন ইউনূস।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
একেই বলে ভাগ্যের ফের!
সিও সিএনএন-কে বলছেন, তখন আমি ছোট ছিলাম, বিষয়টা বুঝিনি। আমি হোটেলের দিকে ইশারা করে শপথ করেছিলাম যে আমি একদিন এই হোটেল কিনবো।
যদিও বিশ্বজুড়ে অগণিত শিশু অন্যায়ের মুখে একই রকম প্রতিজ্ঞা করেছে, তবে সিও এমন কয়েকজনের মধ্যে একজন যিনি বাস্তবে কাজটি করে দেখিয়েছিলেন। বর্তমানে ৬৫ বছর বয়সী ব্যবসায়ী সিও ১৯৯১ সালে তার নিজস্ব রিয়েল এস্টেট ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি, লেক হ্যাং গ্রুপ প্রতিষ্ঠা করেন। এবার আসা যাক ২০২৪ সালে। সম্প্রতি ৯৬ বছরের সিওকে হোটেল সেন্ট্রালের নতুন মালিক হিসাবে ফিতা কাটতে দেখা গেছে। তিনি হোটেলটি কিনতে চাননি। সিও বলেছেন যে তিনি ম্যাকাওর হারিয়ে যাওয়া ইতিহাসের একটি অংশ পুনরুদ্ধার করতে চেয়েছিলেন, একটা সময় যা তার হৃদয়ের কাছাকাছি ছিল। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে ম্যাকাওর চারপাশে বিলাসবহুল রিসোর্ট কমপ্লেক্স এবং আকাশচুম্বী ভবনগুলি ক্রমাগত মাথাচাড়া দিয়েছে। বিপরীতে আভেনিদা দে আলমেদা রিবেইরো বরাবর বিস্তৃত গলি এবং পুরানো স্থাপত্য, যাকে সান মা লো বলা হয় (ক্যান্টনিজে 'দ্য নিউ রোড' হিসাবে অনুবাদ করা হয়েছে) অনেকটাই জৌলুস হারিয়েছে।
কিন্তু ১৯২০ সালে যখন রাস্তাটি প্রথম খোলা হয় তখনই এটি শহরের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা ছিল। হোটেল সেন্ট্রাল পূর্বে প্রেসিডেন্ট হোটেল নামে পরিচিত ছিল। মিন্ট রঙের সাততলা হোটেলটি ম্যাকাওর প্রথম ভবন যেখানে একটি লিফট ছিল। ১৯৩২ সালে এটি শহরের প্রথম হোটেল হয়ে ওঠে যেখানে একটি দুই তলা ক্যাসিনো ছিল। এটি ১৯৩৮ সালে আট তলা এবং ১৯৪২ সালে ১১ তলায় সম্প্রসারিত হয়, যা এটিকে শহরের সবচেয়ে লম্বা হোটেলে পরিণত করে।
১৯৬০ এর দশকে প্রতিযোগিতা তীব্র হওয়ার সাথে সাথে হোটেল সেন্ট্রাল তার ঔজ্বল্য হারাতে শুরু করে। হোটেল সেন্ট্রাল আমাকে ছোট্ট ছেলে থেকে বৃদ্ধ হতে দেখেছে। সুতরাং হোটেলটির সাথে আমার গভীর আবেগ জড়ি। আজ অবধি, হোটেল সেন্ট্রাল সান মা লো-তে সবচেয়ে উঁচু, বৃহত্তম ভবন হিসাবে বিদ্যমান। আমি অনুভব করেছি যে এই হোটেলের ম্রিয়মান দীপ্তিকে পুনরায় ফিরিয়ে আনা দরকার । তাই আমি এটি পুনরুদ্ধার করার দিকে মন দিয়েছিলাম সিএনএনকে বলছেন সিও।
সেই সুযোগটি অবশেষে ২০০০ সালে আসে, যখন হোটেলের দুই মালিক এটিকে বিক্রি করার সিদ্ধান্ত নেন। ২০১৬ সালে সিও সাত বছরের অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আনুষ্ঠানিকভাবে হোটেলের নতুন মালিক হন। এটাই ছিল প্রথম ধাপ। প্রায় ১০০ বছরের পুরনো বিল্ডিং সংস্কার করা একটি চ্যালেঞ্জিং কাজ ছিল। বিশেষ করে যেহেতু ১৯৩০-৪০ এর দশকে গড়ে ওঠা হোটেল সেন্ট্রালের মেঝেগুলি দৃঢ় ছিল না। হোটেল বিল্ডিং এবং এর সংলগ্ন এলাকাটি একটি সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যবাহী স্থান এবং এটি ইউনেস্কো-তালিকাভুক্ত ঐতিহাসিক কেন্দ্রের মধ্যে অবস্থিত। যার অর্থ কোম্পানিটি তার ভিত্তিকে শক্তিশালী করার জন্য কিছু কাঠামো পরিবর্তন বা ধ্বংস করতে পারেনি।
সিওর- টিমকে হোটেল সেন্ট্রালের সংস্কারের জন্য একটি নতুন পাইলিং পদ্ধতি আবিষ্কার করতে হয়েছিল। হোটেল সেন্ট্রালে কাজ করার আগে চীনের একটি নির্মাণ সাইটে একাধিকবার তাদের নকশা পরীক্ষা করতে হয়েছিল। হোটেল বিল্ডিংয়ের আসল চেহারাটি পুনরায় তৈরি করতে ডিজিটাল স্কেচিংয়ের মতো নতুন উপকরণ এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করেছেন তারা। অনেক সমস্যা কাটিয়ে উঠার পর, অবশেষে ২০১৯ সালে হোটেলের নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর মাঝেই সামনে আসে আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ কোভিড-১৯ । অবশেষে ২০২২ সালে হোটেল সংস্কারের কাজ শেষ হয়। সিও বলেছেন যে, সংস্কারের খরচ ছিল প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ম্যাকানিজ পাটাকা (প্রায় ৫০মিলিয়ন ডলার), যখন মোট বিনিয়োগ ছিল প্রায় ২.২ বিলিয়ন ম্যাকানিজ পাটাকা (বা প্রায় ২৭৪মিলিয়ন ডলার)।
নতুন সংস্কার করা হোটেল সেন্ট্রালে ১৯২০,৩০, ৪০ এর দশক থেকে অনুপ্রাণিত রেট্রো ইন্টেরিয়র ডিজাইন সহ ১১৪ টি কক্ষ রয়েছে। একটি কিপাও ভাড়া পরিষেবা অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী পোশাকে হোটেলের পরিবেশের সাথে মেলে ধরার সুযোগ দেয়। হোটেলের নিচে ‘ঐতিহাসিক সাংস্কৃতিক করিডোর’ নামে একটি প্রদর্শনী ইতিমধ্যেই জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত। এছাড়াও একটি ছোট শপিং মল, যা হোটেলের তিন তলায় চালু হবে, যদিও খোলার তারিখ এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। হোটেলটিতে একটি রেস্তোরাঁ, একটি বেকারি থাকবে। সিও বলছেন, ‘আমরা আশা করি যে দর্শকদের ম্যাকাও সম্পর্কে একটি ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরবে হোটেল সেন্ট্রাল।’
সূত্র : সিএনএন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাবালিয়ায় হামাসের হাতে নিহত ইসরাইলের চার সেনা
এতে বলা হয়, গাজার উত্তরাঞ্চলের বেইত লাহিয়া নামক শহরে মঙ্গলবার তীব্র হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এতে সেখানে কয়েক ডজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে জাবালিয়া জনপদে হামাস যোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখে নিহত হয়েছেন চার ইসরাইলি সেনা সদস্য। এছাড়া গুরুতর আহত হয়েছেন তাদের এক কমান্ডার। নিহত ইসরাইলি সেনারা হচ্ছেন- ক্যাপ্টেন ইয়েহোনাতান জয়েন ক্যারেন (২২), স্টাফ সার্জেন্ট নিসিম মেয়েতাল (২০), স্টাফ সার্জেন্ট আভিভ গিলবোয়া (২১) এবং স্টাফ সার্জেন্ট নাওর হাইমোভ (২২)। এরা সকলেই মাল্টিডোমেইন ইউনিটের সদস্য ছিলেন বলে জানিয়েছে আইডিএফ।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আ.লীগ ভেবেছিল ক্ষমতা চিরস্থায়ী : আনু মুহাম্মদ
মঙ্গলবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠিত ‘ফ্যাসিবাদ নিয়ে বোঝাপড়া’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন। জবি শিক্ষার্থীরা ত্রৈমাসিক ‘চিন্তক’ এই সেমিনারটির আয়োজন করে।
তিনি বলেন, আমাদের টাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন যা হয়েছে- সে বিষয়ে আমাদের কোনো প্রশ্ন করার সুযোগ ছিল না। কত টাকায় হওয়ার কথা- কত টাকায় হলো সেটাও জানার বা প্রশ্ন করার অধিকার ছিল না আমাদের। তাদের কথা একটাই ছিল, বঙ্গবন্ধুর কন্যার দ্বারা কোনো ক্ষতি হবে না।
অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেন, আমরা বিগত বছরগুলোতে যে নির্বাচন দেখেছি তা কোনো নির্বাচন ছিল না। এটা ছিলো একটা স্বৈরাচারী ব্যবস্থা। তাছাড়া আমরা যখন দুর্নীতি, গুম, খুন নিয়ে সরকারি কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলতাম, তখন তারাও স্বীকার করতো বিষয়গুলো কিন্তু ব্যবস্থাটা এমন ছিল যে এর বিরুদ্ধে কারও কিছু বলার ছিল না। কারণ এসব কার্যক্রম একটি স্বৈরাচারী ব্যবস্থার মধ্যে আটকে ছিল।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিষয়ে অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের বিষয়ে সতর্ক করতাম, তারা শুধু এটাই বলতো যে বঙ্গবন্ধুর কন্যার দ্বারা ক্ষতিকর কিছু হবে না।
অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে মাসিক সাম্যবাদের সম্পাদক ডা. জয়দ্বীপ ভট্টাচার্য বলেন, ফ্যাসিবাদ আসলে একটা ব্যবস্থা। এটা শুধু একটা দলের কাজ নয়। এখানে বিভিন্ন অনুষঙ্গের মাধ্যমে এই ধরণের একটি ব্যবস্থা গড়ে ওঠে। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের পিছনে সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল বড় বড় ব্যবসায়ী সিন্ডিকেট, ভারতীয় সাম্রাজ্যবাদ।
জয়দ্বীপ ভট্টাচার্য আরও বলেন, আমাদের কাঠামোটাই ফ্যাসিবাদের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। বর্তমান সরকারও এর ভেতর থেকে বের হতে পারছে না। আওয়ামী লীগ যে এত মানুষ হত্যা করেছে, তারপরও তাদের বিন্দু মাত্র অনুশোচনা নাই। আমরা দেখেছি সরকার নিপীড়নের জন্য পুলিশকে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছে। আমরা চাই সংবিধান এমনভাবে সংশোধন করা হউক, যাতে করে ভবিষ্যতে চাইলেই কেউ আমাদের হাতে হাতকড়া পড়াতে না পারে। একটা গণআন্দোলনকে জোরপূর্বক যাতে দমন না করা হয়।
![]() |
| জবিতে ‘ফ্যাসিবাদ নিয়ে বোঝাপড়া’ শীর্ষক সেমিনারে উপস্থিত অতিথিরা। ছবি : কালবেলা |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিজবুল্লাহর নয়া প্রধান নাইম কাসেম
এতে বলা হয়, কাসেমকে ডেপুটি লিডারের পদ থেকে হিজবুল্লাহর নতুন প্রধান হিসেবে মনোনীত হয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন হাসান নাসরাল্লাহর সেক্রেটারি জেনারেলের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেপ্টেম্বরে বিমান হামলা চালিয়ে লেবাননের বৈরুতে হাসান নাসরাল্লাহকে হত্যা করে ইসরাইল। কার্যত এর পর থেকেই হিজবুল্লাহর প্রধানের পদটি খালি হয়ে যায়। সেসময় থেকে সংগঠনটির ভারপ্রাপ্ত লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন হিজবুল্লাহর নবনির্বাচিত এই প্রধান।
লেবাননে ইসরাইলি হামলার পর থেকে হিজবুল্লাহর বেশ কয়েকজন উচ্চ পর্যায়ের নেতাকে টার্গেট করেছে ইসরাইল। এরমধ্যে ছিলেন নাসরাল্লাহর আপন চাচাতো ভাই এবং সম্ভাব্য উত্তরসূরি হাশেম সাফিউদ্দিন। তিনিও ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন। হত্যার বেশ কয়েকদিন পর সাফিউদ্দিনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইসরাইলি সেনারা। হিজবুল্লাহর বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সংগঠনটির লক্ষ্য অর্জনে তাদের মৌলিক বিধিমালা অনুযায়ী নাইম কাসেমকে হিজবুল্লাহর প্রধানের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। সংগঠনটি মনে করে মানবকল্যাণের লক্ষ্য অর্জনে তাদের কাজে আল্লাহই নতুন এই প্রধানের অভিভাবক।
নাইম কাসেম, লেবাননের রাজধানী বৈরুতে ১৯৫৩ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তার রাজনৈতিক সক্রিয়তা লেবাননের শিয়া আমাল আন্দোলনের মাধ্যমে শুরু হয়। তিনি ১৯৭৯ সালে ইরানের ইসলামি বিপ্লবের পরিপ্রেক্ষিতে দলটি ত্যাগ করেন, যা অনেক তরুণ লেবাননের শিয়া কর্মীদের রাজনৈতিক চিন্তাভাবনাকে রূপ দেয়। পরে ১৯৮২ সালে লেবাননে ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইরানের বিপ্লবী গার্ডদের সমর্থনে প্রতিষ্ঠিত হিজবুল্লাহ গঠনের দিকে পরিচালিত সভায় অংশ নিয়েছিলেন তিনি।
হিজবুল্লাহর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য নাইম কাসেম। ইসলামিক রিলিজিয়াস এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশনের প্রধান হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। এছাড়া মুস্তাফা স্কুলের পরামর্শদাতা হিসেবেও হিজবুল্লাহর নতুন এই প্রধান। ১৯৯১ সালে তিনি ডেপুটি সেক্রেটারি পদের দায়িত্বে আসেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরজি করের গ্লাভসে থাকা লাল দাগ রক্তের নয়! by সেবন্তী ভট্টাচার্য্য
নার্স জানিয়েছিলেন, সকালে ওই গ্লাভসের প্যাকেটটি খোলা হয়। চিকিৎসকদের দাবি, এমন রক্তমাখা গ্লাভস হাতে পরে চিকিৎসা করলে রোগীদের শরীরে সংক্রমণ হতে পারে। বিশেষত হেপাটাইসিস কিংবা এইচআইভি-র মতো রোগ ছড়াতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেন তাঁরা। অভিযোগকারীর দাবি ছিল, এর আগেও আরজি কর হাসপাতালে এমন ঘটনা ঘটেছে। দিনের পর দিন এই ধরনের অপরিষ্কার গ্লাভস হাসপাতালে আনা হয়েছে। কর্তৃপক্ষকে জানিয়েও কোনও লাভ হয়নি। মাঝে বেশ কিছু দিন নোংরা গ্লাভসের জোগান বন্ধ থাকলেও আবার সেই একই জিনিস শুরু হয়েছে। জুনিয়র ডাক্তারদের তরফে অভিযোগ পেয়েই তদন্তের নির্দেশ দেন রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম। সেন্ট্রাল মেডিক্যাল স্টোরকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া। ওই রক্তমাখা গ্লাভসগুলি আলাদা করে সরিয়ে রাখতেও বলা হয়েছিল। বিষয়টি নিয়ে আন্দোলনরত জুনিয়র চিকিৎসকরাও গর্জে ওঠেন। অভিযোগ করেন নার্সরাও। ডা. আসফাকুল্লা নাইয়া বলেন, 'স্টেরাইল গ্লাভস না দিয়ে ইউজড গ্লাভস দেওয়া এটার মানে কী? এটার মানে একটা গ্লাভস রিপিটেডলি ইউজ করলে পরের বার গ্লাভসের টাকাটা যে বেঁচে যায়, সেই টাকাটা কোনও বাবুদের পকেটে যায়।' চাঞ্চল্যকর দাবি করেন নার্সরাও। বলেন, ইদানিং নাকি হাসপাতালে অনেক ব্যবহৃত সিরিঞ্জও আসছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আবর্জনার দ্বীপ’ বিতর্ক পেনসিলভ্যানিয়ায়
উল্লেখ্য, পুয়ের্তো রিকো হলো ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডের অধীন একটি দ্বীপ। তারা সরাসরি প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দিতে পারেন না। কিন্তু তাদের যেসব সদস্য অভিবাসী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আছেন তারা ভোট দিতে পারবেন। পেনসিলভ্যানিয়া জুড়ে প্রায় ৬ লাখ বৈধ লাতিন ভোটার আছেন। তার মধ্যে কমপক্ষে চার লাখ ৭০ হাজারই পুয়ের্তো রিকান। যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি লাতিনোর বাস এখানে। ফলে এই রাজ্যে ভোটের ফল নির্ধারণে তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন। এ জন্য নর্থ ফিলাডেলফিয়া হলো কমালা হ্যারিসের বড় টার্গেট। তিনি রোববার ফেয়ারহিলে ফ্রেডি অ্যান্ড টনিস নামে পুয়ের্তো রিকান রেস্তরাঁয় প্রচারণার জন্য থামেন। এই অঞ্চলটিকে লাতিনো সম্প্রদায়ের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে দেখা হয়। একই দিনে পুয়ের্তো রিকোর জন্য নতুন একটি নীতির ঘোষণা দেন কমালা হ্যারিস। তিনি তাদের অর্থনৈতিক উন্নতির প্রতিশ্রুতি দেন। দুর্যোগে ত্রাণ সহায়তা উন্নত করার প্রতিশ্রুতি দেন। ২০১৭ সালে ঘূর্ণিঝড় মারিয়ার আঘাতের সময় ওই দ্বীপের মানুষকে পরিত্যক্ত এবং অবমাননা করেছেন ট্রাম্প এমন অভিযোগ করেন।
ওদিকে ফ্রেডি অ্যান্ড টনিস-এর মালিক ডালমা সান্তিয়াগো বলেন, পুয়ের্তো রিকো দ্বীপকে নিয়ে উপহাস করার ফলে নির্বাচনে কোনো ব্যবধান সৃষ্টি করবে কিনা সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। তবে তিনি বিশ্বাস করেন, ফেয়ারহিলে বিষয়টি জোরালো কণ্ঠে এবং স্পষ্টভাবে উচ্চারিত হয়েছে। অন্য সম্প্রদায়ের মধ্যেও এর প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। তিনি বলেন, প্রতিজন মানুষের নিজস্ব মতামত আছে। তবে কেউই ওই অবমাননার কথা ভুলে যাবেন না। যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করা মোসেস সান্তানা বলেন, তিনিও নিশ্চিত নন ওই উপহাসের ফলে কি প্রভাব পড়বে। ফেয়ারহিলের সড়কের এক পাশে দাঁড়িয়ে সাক্ষাৎকার দেন সান্তানা। তিনি বলেন, সব রকম রাজনীতিকের বিষয়ে ওই এলাকায় উদ্বেগ আছে। অনেকেই বিশ্বাস করেন যুক্তরাষ্ট্রের দু’টি বড় দলই আর্থসামাজিক সমস্যা, অপরাধ এবং মাদকের অপব্যবহার সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে।
মঙ্গলবার পেনসিলভ্যানিয়ার শহর অ্যালেনটাউনে প্রচারণা চালিয়েছেন ট্রাম্প। এই শহরে জনসংখ্যা প্রায় এক লাখ ২৫ হাজার। এর মধ্যে প্রায় ৩৩ হাজার পুয়ের্তো রিকান। কিন্তু সেখানে লাতিনো সম্প্রদায়, বিশেষ করে ট্রাম্পের সমর্থকরাও ওই কৌতুককে ভালোভাবে নেননি। তাদের মধ্যে আছেন রিপাবলিকান ভোটার জেসিনিয়া অ্যান্ডারসন। ফিলাডেলফিয়া থেকে প্রায় ২৪০ মাইল পশ্চিমে জন্সটাউনে বসবাস করেন এই পুয়ের্তো রিকান। তার জন্ম নিউ ইয়র্কে। একসময় সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেন। এখন বসবাস লোয়ার ইস্ট সাইডে। পেনসিলভ্যানিয়ায় ট্রাম্পের র্যালির বেশির ভাগেই তিনি উপস্থিত হয়েছেন। তিনি পর্যন্ত ওই কৌতুককে গভীরভাবে আক্রমণাত্মক হিসেবে দেখেছেন। তার সহচর রিপাবলিকানদেরকে চিন্তাভাবনা করে এবং সম্মান দিয়ে কথা বলার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে তিনি নিজের ভোট অন্য কাউকে দেবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রেলের টিকিট প্রাপ্তি সহজ হচ্ছে, আসছে রুটে পরিবর্তন
তিনি বলেন, চালডালের নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াসিম আলী, ড্যাফোডিল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ডক্টর ফিজার আহমেদ ও আনিকা জারা বিভিন্ন বিষয় জানিয়েছেন। তাদের প্রেজেন্টেশনে দেখা গেল, কমলাপুর থেকে টিকিট চাইলেন সেখানে নেই। কিন্তু তেজগাঁও থেকে আছে। আবার ৭টার ট্রেনে টিকিট নাই কিন্তু ১০টার ট্রেনে আছে। তবে সেটির কী অবস্থা তা জানা যাচ্ছে না। রেলওয়ের অনলাইন টিকিট পদ্ধতির সহযোগী সহজকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে জানিয়ে উপদেষ্টা বলেন, যাত্রী যেন এখন থেকে এটা দেখতে পান কখন, কোথায় কোন স্টেশন থেকে টিকিট আছে। সহজ বলেছে, আগামী দুই/তিন দিনের মধ্যে এটা ঠিক হবে। না হলে আপনারা অভিযোগ করবেন।
রেলের সচিব বা কর্মকর্তাদের কাছে অনেক টিকিটের তদবির আসে উল্লেখ করে ফাওজুল কবির বলেন, এ জন্য কিছু টিকিট আগেই বুক করে রাখা হয়। এটা চলবে না। কোনো সচিব বা কর্মকর্তার কথায় টিকিট রাখা যাবে না। সবার আগে সাধারণ জনগণের অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। রেল কারও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। এটা জনগণের সম্পত্তি। রেলের সচিব, মন্ত্রীর জরুরি কাজ আছে বলে অন্যদের নেই, এমন তো নয়। আমরা দেশটাকে সাধারণ মানুষের কাছে ফিরিয়ে দিতে চাই। মৌখিক বা টেলিফোনে টিকিট বিতরণ বন্ধ হয়ে যাবে এখন থেকে। রেলের কালোবাজারিদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যারা রেলের লোক তাদের বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নিবো। আমরা সমস্যার গোড়ায় যেতে চাই। সবাই বলে এই সরকার কিছু করে না। কিন্তু এটা সময় লাগবে।
আমরা গত এক মাসে সমস্যার গভীরে যাওয়ার চেষ্টা করছি।
রেলের রুট রেশনালাইজেশন করা হবে জানিয়ে তিনি বলেন, যেখানে যাত্রী নাই; সেখানে ট্রেন যাচ্ছে। আবার যেখানে যাত্রী আছে; সেখানে ট্রেন নাই। প্রবাসীরা যেসব জায়গায় যায় যেমন ঢাকা-সিলেট, ঢাকা চট্টগ্রাম এসব রুটে আলাদা ব্যবস্থা নিবো। আমাদের যথেষ্ট লোকমোটিভ বা কোচ নেই; সেগুলো নিয়ে কাজ করা হচ্ছে বলেও জানান উপদেষ্টা।
রেলের প্রকল্পগুলো নিয়ে রিভিউ চলছে উল্লেখ করে ফাওজুল কবির বলেন, অনেক প্রকল্প আগে হয়েছে; যেগুলো কম গুরুত্বপূর্ণ। সামনে রেলের প্রকল্প নিয়ে আমরা আরও বেশি সতর্ক আছি। আমরা সামনে এটা নিয়ে বসবো। কোনো প্রকল্প কেন বাদ দেয়া হয়েছে; সেটা আমরা জানাবো। রেল উপদেষ্টা ঠিকাদার প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এখন যে কেউ বিড করতে পারে। সেই সুযোগ তৈরি করতে হবে। এতদিন দুই/তিন জন ঘুরেফিরে কাজ পাচ্ছিলো। এটা আর হবে না। সবাই কাজ পাবে। রেল ও সড়ককে সেই সুযোগ তৈরি করতে হবে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এসডো’র গবেষণা: শিশুদের খেলনায় বিষাক্ত সিসা, ঝুঁকিতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম
গবেষণার গুরুত্বপূর্ণ ফলাফলসমূহ: শিশুদের খেলনায় উচ্চ মাত্রায় সিসা পাওয়া গেছে, যা ১.৬৮ পিপিএম থেকে ৩৭৯ পিপিএম পর্যন্ত বিস্তৃত। পরীক্ষিত ২৫০টি পণ্যের মধ্যে ১৫৭টি পণ্যেই সিসার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে, যার মধ্যে ৯২টি পণ্যে সিসার পরিমাণ নিরাপদসীমা ৯০ পিপিএমের চেয়ে বেশি। একটি শিশুদের পানির মগে ১৩৮০ পিপিএম সিসা, ২৪৭ পিপিএম আর্সেনিক এবং ১৩৯০ পিপিএম ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে-প্রতিদিনের ব্যবহৃত একটি সাধারণ পণ্যে এই বিপজ্জনক রাসায়নিকের উপস্থিতি উদ্বেগজনক। শিশুদের ব্যবহৃত স্টেশনারি ব্যাগে ৫৮০ পিপিএম সিসা, ১২৮০ পিপিএম বেরিয়াম এবং ৮৮ পিপিএম পারদ পাওয়া গেছে-যা পড়াশোনার সরঞ্জামকেও স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পরিণত করেছে। একটি পুতুল সেটে ১৬০ পিপিএম সিসা এবং ১৫০০ পিপিএম ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে-যা শিশুর প্রিয় খেলনাকেও বিপজ্জনক করেছে। শিশুদের ব্যবহৃত একটি মগে ২২০ পিপিএম সিসা, ৩১৫ পিপিএম ক্যাডমিয়াম এবং ১৬৮০ পিপিএম ক্রোমিয়াম পাওয়া গেছে- যা দৈনন্দিন ব্যবহারে শিশুকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে ফেলছে। একটি নামকরা শপিংমল থেকে সংগ্রহ করা একটি পুতুল সেটেও ৫০০ পিপিএম সিসা পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে উচ্চমানের পণ্যও সিসা থেকে মুক্ত নয়।
একটি বর্ণমালা সেটের একটি উজ্জ্বল বর্ণমালার অক্ষরে ৬৬০ পিপিএম সিসা পাওয়া গেছে-যা শিক্ষার পণ্যকেও ঝুঁকিতে ফেলেছে। বিভিন্ন দেশ- যেমন ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এবং অস্ট্রেলিয়ায় সিসার মাত্রার জন্য সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে, তবে বাংলাদেশে এ নিয়ে এখনো এমন কোনো আইন বা নিয়ম নেই। এসডো’র চেয়ারপারসন এবং সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোরশেদ বিষয়টির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, শিশুদের পণ্যে সিসার উপস্থিতি একটি গুরুতর জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি। ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষার জন্য আমাদের দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। এসডো’র মহাসচিব ড. শাহরিয়ার হোসেন খেলনার সুরক্ষা নিয়ে বলেন, খেলনা শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে সহায়ক, কিন্তু যখন তাতে সিসার মতো বিষাক্ত পদার্থ থাকে, তখন তা ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। এই খেলনাগুলো শিশুদের স্বাস্থ্য এবং বিকাশের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। নিরাপদভাবে বেড়ে ওঠার পরিবেশ নিশ্চিত করতে খেলনাগুলো সিসামুক্ত হওয়া জরুরি। এসডো’র নির্বাহী পরিচালক সিদ্দিকা সুলতানা শিশুদের স্বাস্থ্যের উপর সিসার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, রক্তে সিসার কোনো নিরাপদ মাত্রা নেই- যেকোনো পরিমাণে সিসা শরীরের জন্য ক্ষতিকর। শিশুদের ক্ষেত্রে এটি আরও ভয়াবহ। কারণ তাদের শরীর দ্রুত সিসা শোষণ করে, যা মানসিক ও শারীরিক বিকাশে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এটি একটি স্বাস্থ্য সংকট, যার জন্য এখনই আইনি ব্যবস্থা প্রয়োজন। এসডো ইতিমধ্যে বিএসটিআই’র সঙ্গে এই বিষয়ে নীতিমালা তৈরিতে কাজ করছে। অনুষ্ঠানে মূল উপস্থাপনা করেন এসডো’র প্রোগ্রাম এসোসিয়েট শ্যানন ইফাত আলম।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুতের্তে ডেথ স্কোয়াড গড়েছিলেন গ্যাংস্টারদের নিয়ে
২০১৬ সালের নির্বাচনে ভূমিধস জয় পেয়ে তিনি ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট হন। তবে তার আগে প্রতিশ্রুতি দেন, ডাভাও শহরে তিনি যেভাবে অপরাধবিরোধী অভিযান চালিয়েছেন, একইভাবে জাতীয় পর্যায়ে অভিযান চালাবেন। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়ে তিনি সেই কাজ শুরু করেন। হত্যা করা হয় কয়েক হাজার সন্দেহভাজনকে। মাদকের বিরুদ্ধে দেশ জুড়ে যুদ্ধে তিনি পুলিশের বিতর্কিত অভিযানে এসব মানুষকে হত্যা করান। এখন বিষয়টি তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। সোমবার সিনেটে শুনানিকালে দুতের্তে বলেন, তিনি পুলিশ কর্মকর্তাদের উৎসাহিত করেছিলেন সন্দেহভাজনদের হত্যা করতে। যাতে তারা এই হত্যার ন্যায্যতা দিতে পারেন। বক্তব্যে দুতের্তে বলেন, আমার পলিসি নিয়ে প্রশ্ন করবেন না। কারণ, আমি ক্ষমাও চাইবো না। কোনো অজুহাতও দাঁড় করাবো না। যা করা উচিত ছিল, আমি তাই করেছি। আপনি বিশ্বাস করুন বা না করুন, যা করেছি তা আমার দেশের জন্য। আমি মাদককে ঘৃণা করি। তাই এ বিষয়ে কোনো ভুল করিনি। সন্দেহভাজনদেরকে হত্যা করতে পুলিশ প্রধানদের অনুমতি দেয়ার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেন তিনি। তবে স্বীকার করেন, পুলিশ সদস্যদের দিয়ে নয়, ডেথ স্কোয়াড গঠন করা হয়েছিল গ্যাংস্টারদের নিয়ে। বলেন, আপনারা যদি চান তাহলে আমি এখনই স্বীকারোক্তি দিতে পারি। আমার ছিল সাত সদস্যের একটি ডেথ স্কোয়াড। তারা পুলিশ নয়। নিজের নির্দেশের পক্ষে অবিচল থেকে দুতের্তে বলেন, বহু অপরাধী তাদের বেআইনি কর্মকাণ্ড শুরু করেছে তিনি প্রেসিডেন্ট পদ থেকে সরে যাওয়ার পর। তার ভাষায়, যদি আমাকে আরেকবার সুযোগ দেয়া হয়, তাহলে তাদের সবার শিকড় উপড়ে ফেলবো।
২০২২ সালে তার ক্ষমতার মেয়াদ শেষ হয়। কিন্তু মাদকের বিরুদ্ধে যে অভিযান চালিয়েছেন এবং মানুষ হত্যা করেছেন তার তদন্তে প্রথমবার সোমবার তিনি উপস্থিত হন সিনেটে। তার বিরুদ্ধে যাদের অভিযোগ, তাদের কয়েকজনের সরাসরি মুখোমুখি দাঁড়ান এদিন দুতের্তে। ওইসব অভিযোগকারীর মধ্যে আছেন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নিহতদের পরিবারের সদস্যরা। সাবেক সিনেটর লেইলা ডি লিমা। তিনি দুতের্তের কঠোর সমালোচক। মাদক বিষয়ক অভিযোগে তাকে সাত বছর জেলে কাটাতে হয়েছে। পরে সেই অভিযোগ প্রত্যাহার করা হয়েছে। ফিলিপাইন সরকারের হিসাবে মাদকের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হত্যা করা হয়েছে কমপক্ষে ৬ হাজার ২৫২ মানুষকে। অধিকার বিষয়ক গ্রুপগুলো বলেছে, এর প্রকৃতসংখ্যা হতে পারে কয়েক লাখ। মানবাধিকার বিষয়ক জাতিসংঘের হাইকমিশনারের এক রিপোর্টে দেখা গেছে, দুতের্তে মাদকের বিরুদ্ধে দমনপীড়ন চালাতে পুলিশ কর্মকর্তাদের যে নির্দেশ দিয়েছেন তা তাদেরকে হত্যা করার অনুমোদন হিসেবে দেখা যেতে পারে। পুলিশ বলেছে, আত্মরক্ষা করতে গিয়ে বন্দুকযুদ্ধে তাদের কিছু সদস্যও নিহত হয়েছেন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাকাশ থেকেই দিওয়ালির শুভেচ্ছা সুনীতা উইলিয়ামসের, হোয়াইট হাউসে প্রদীপ জ্বালালেন বাইডেন
অন্যদিকে হোয়াইট হাউসে বিগত বছরগুলির মতো ধূমধাম করে দীপাবলি উৎসবের সূচনা হল। প্রেসিডেন্ট বাইডেন নিজে প্রদীপ জ্বালিয়ে উৎসবের সূচনা করেন। সোমবার মহাকাশ থেকে ভিডিও কলে সেই অনুষ্ঠানে যোগ দেন সুনীতা। এই অনুষ্ঠানে যোগ দেন অন্তত ৬০০ জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। ওই অনুষ্ঠানে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থী কমালা হ্যারিসের প্রশংসা করেন বাইডেন। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসনে দক্ষিণ এশিয়া থেকে সে দেশে যাওয়া মানুষদের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন তিনি। বাইডেন বলেন, “প্রেসিডেন্ট হিসাবে হোয়াইট হাউসের সবচেয়ে বড় দীপাবলি উৎসবে যোগ দিতে পেরে আমি সম্মানিত। আমার কাছে এটা বড় বিষয়।”ভোটের প্রচারে ব্যস্ত থাকায় কমালা হোয়াইট হাউসের অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি। তিনি দীপাবলির অনুষ্ঠান করবেন কি না স্পষ্ট নয়।
সূত্র: wionews

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ইসরায়েলি সেনারা
এ বিষয়ে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, প্রায় ৫,২০০ সেনা পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার (পিটিএসডি) নিয়ে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন। যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে মোট ১২,০০০ সেনা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য গেছেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানসিক সমস্যা ভুগছেন।
এদিকে গাজা যুদ্ধে দানিয়েল নামে একজন সেনা, যিনি প্রথম দিকে যুদ্ধের উত্তেজনা ও সাহসিকতা অনুভব করেছিলেন। এখন তিনি গভীর মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। তিনি বলেন, ‘যুদ্ধের অভিজ্ঞতা আমাকে রাতে ঘুমাতে দেয় না। আমি আমার সহকর্মীদের চোখে ভয়ের ছায়া দেখতে পাই।’ এ ধরনের অনুভূতি অনেক সেনার ক্ষেত্রেই প্রতিফলিত হচ্ছে।
পুনর্বাসন কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা সেনাদের মধ্যে ১৪ শতাংশ গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসা নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ২৩ জন মাথায় আঘাত পেয়েছেন, ৬০ জনের অঙ্গহানি হয়েছে এবং ১২ সেনা দৃষ্টি হারিয়েছেন। এ ছাড়া, প্রায় ১,৫০০ সেনা দুবার পুনর্বাসন কেন্দ্রে গেছেন, অর্থাৎ তারা একবার চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হলেও আবার যুদ্ধের কারণে নতুন করে সমস্যায় আক্রান্ত হয়েছেন।
মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা জানান, যুদ্ধের ভয়াবহতা মানুষের মানসিক অবস্থায় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলে। তারা জানাচ্ছেন, পোস্ট-ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিজঅর্ডার সাধারণত যুদ্ধের পরবর্তী সময়ে দেখা দেয় এবং এটি ব্যক্তি বিশেষের দৈনন্দিন জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। তাদের মতে, সেনাদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।
এদিকে, গাজার স্থানীয় জনগণও একইভাবে মানসিক সমস্যায় ভুগছে। যুদ্ধের ফলে আহত ও চিকিৎসাহীন অবস্থায় থাকা লোকজনের জীবনযাপন আরও কঠিন হয়ে পড়েছে। মানবিক পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে একটি গভীর মানবিক সংকটের ইঙ্গিত দেয়।
এ বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা, যে যুদ্ধ কখনো শেষ হয় না; এর ক্ষত এবং শোক প্রজন্মের পর প্রজন্ম বয়ে যায়। যুদ্ধের ফলে মানুষের মধ্যে যে মানসিক সমস্যা তৈরি হয়, তা মোকাবিলা করতে আমাদের সবার উচিত মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে একত্রিত হওয়া।
সূত্র : টাইমস অব ইসরায়েল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রেসিডেন্টের অপসারণ: আমেরিকা-সেনাসদর বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তির সায় নেই
সাহাবুদ্দিনের অপসারণ বা পদত্যাগের দাবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করছে। ইতিমধ্যে প্রধান প্রধান দলগুলোর সঙ্গে তাদের বৈঠক সম্পন্ন হয়েছে। এসব বৈঠকে প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করার বিষয়ে নিজেদের মত তুলে ধরেছেন ছাত্রনেতারা। বিপরীতে বেশির ভাগ দল প্রেসিডেন্ট অপসারণের পর সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরির বিষয়টি সামনে এনেছে। এ ছাড়া অপসারণের পর বিকল্প কী হবে সেটা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি প্রেসিডেন্টকে অপসারণের বিপক্ষে। ছাত্র আন্দোলনের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি সিদ্ধান্ত না জানিয়ে দলটির নেতারা দলীয় ফোরামের আলোচনার কথা বলেছিলেন। সর্বশেষ সোমবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকের আলোচনায় এই ইস্যুটি ছিল। বৈঠক সূত্র দাবি করেছে, এই মুহূর্তে প্রেসিডেন্টকে অপসারণে কোনো উদ্যোগ না নিতে স্থায়ী কমিটির নেতারা একমত হয়েছেন। নেতারা মনে করছেন, প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হবে। এতে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। প্রেসিডেন্ট ইস্যুতে সরকারের কাছেও নানা পক্ষ থেকে বার্তা দেয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে ইস্যুটি নিয়ে না ভাবার পরামর্শ এসেছে এসব পক্ষ থেকে। বলা হচ্ছে, সরকারের সামনে অনেক কাজ। প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করার উদ্যোগ নেয়া হলে যে পরিস্থিতি তৈরি হবে সেটা সামাল দেয়ার জন্য সরকারকে সময় ব্যয় করতে হবে। এতে তাদের মূল কাজ ব্যাহত হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হেলেন লাফেভ গত বুধবার প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সূত্রের দাবি সাক্ষাতে চলমান নানা ইস্যু নিয়ে আলোচনা হয়। প্রেসিডেন্ট ইস্যুটিও আলোচনায় এসেছিল। এ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের দূত তাদের নিজেদের অভিমত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, নানা গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ সামনে নিয়ে সরকার এগোচ্ছে। এই মুহূর্তে নতুন ইস্যু সামনে আনলে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
সেনা প্রশাসনের তরফেও প্রধান উপদেষ্টাকে মতামত জানিয়ে দেয়া হয়েছে। সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা সফরের সময়ে সেনাসদরের একটি প্রতিনিধিদল প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে এ ইস্যুতে আলোচনা করেন বলে জানা গেছে। তারা জানিয়েছেন, প্রেসিডেন্টকে অপসারণ করলে সাংবিধানিক শূন্যতা তৈরি হতে পারে। এর প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি অন্যদিকে মোড় নিতে পারে। এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি হোক তা তারা চান না।
রাজনৈতিক বিভিন্ন পক্ষ থেকেও প্রধান উপদেষ্টাকে মতামত জানানো হচ্ছে। ছাত্র আন্দোলনের নেতারা ড. ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করে জোরালো দাবি তুলেছিলেন প্রেসিডেন্টকে অপসারণের বিষয়ে। ওই বৈঠকে ছাত্রনেতারা সরকারের দোসর দাবি করে মো. সাহাবুদ্দিনকে অপসারণ করার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন। নানামুখী চাপ থাকায় প্রফেসর ড. ইউনূস ওই বৈঠকে সরাসরি কোনো মত দেননি। বরং তিনি ছাত্রদের এ ইস্যুতে নমনীয় মনোভাব পোষণ করতে বলেন। অপসারণ ইস্যু নয়া সংকট বয়ে আনতে পারে- এটাও তাদের বলেছিলেন।
বৈঠকে তিনি রাজনৈতিক ঐকমত্যের বিষয়টি সামনে আনেন। এজন্য দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দেন ছাত্রনেতাদের। ওই বৈঠকের পরই রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ নেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও জাতীয় নাগরিক কমিটি। ইতিমধ্যে উল্লেখযোগ্য দলের সঙ্গে তাদের বৈঠক শেষ হয়েছে। সর্বশেষ গতকাল বাম গণতান্ত্রিক জোটের সঙ্গে ছাত্রনেতারা বৈঠক করেন। ওই বৈঠক শেষে জাতীয় নাগরিক কমিটির আহ্বায়ক নাসীরুদ্দীন পাটোয়ারী সাংবাদিকদের বলেন, তারা দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার শেষ পর্যায়ে এসেছেন। পুরো বিষয় নিয়ে তারা সরকারের কাছে সুপারিশ দেবেন। প্রেসিডেন্ট ইস্যুতে রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে একটি কাউন্সিল গঠনের পরামর্শ দেয়ার কথাও জানান তিনি। নাগরিক কমিটির এ নেতার সর্বশেষ বক্তব্য থেকেও এ ইস্যুতে তাদের নমনীয়তার ইঙ্গিত মিলে। এর আগে তারা বলে আসছিলেন, যেকোনোভাবেই হোক প্রেসিডেন্টকে সরে যেতে হবে।
দলগুলোর সঙ্গে আলোচনায় ছাত্রনেতাদের সঙ্গে প্রেসিডেন্টকে অপসারণের বিষয়ে একমত প্রকাশ করা হলেও প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন রাখা হয়। এ ছাড়া তাকে সরালে বিকল্প কী হবে- এটা নিয়েও ভাবতে বলা হয়েছে। যেসব দলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে এর মধ্যে বিএনপি এখনই প্রেসিডেন্টকে অপসারণে সায় দেয়নি। বিএনপি’র জোটসঙ্গী ১২ দলীয় জোটের নেতারাও একই মনোভাব পোষণ করেছেন। জামায়াতে ইসলামী ছাত্রদের দাবির পক্ষে মত দিলেও সরাসরি কোনো অবস্থান জানায়নি। ইসলামী আন্দোলন প্রেসিডেন্টকে অপসারণের পক্ষে বললেও প্রক্রিয়া নিয়ে কিছুই বলেনি। প্রেসিডেন্টকে অপসারণ ইস্যুতে জাতীয় ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত বলে মত দেয় গণতন্ত্র মঞ্চ। তারা এও মনে করে, নৈতিক দায় থেকে প্রেসিডেন্টকে নিজে থেকে সরে যাওয়া উচিত ছিল। গণঅধিকার পরিষদের দুই পক্ষের সঙ্গেই আলোচনা করেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতারা। বৈঠকে গণঅধিকারের পক্ষ থেকে প্রধান উপদেষ্টাকে রাজনৈতিক সংলাপ আহ্বানের পরামর্শ দেয়া হয়।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসি গঠন: বিচারপতি জুবায়েরের নেতৃত্বে সার্চ কমিটি
নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইনানুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের শূন্যপদে নিয়োগ দেয়ার যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের নাম সুপারিশ করার উদ্দেশ্যে ৬ (ছয়) জন সদস্যের সমন্বয়ে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করবেন প্রেসিডেন্ট। সদস্যের মধ্যে থাকবেন- প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত আপিল বিভাগের একজন বিচারক, যিনি অনুসন্ধান কমিটির সভাপতিও হবেন। এ ছাড়া প্রধান বিচারপতি কর্তৃক মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, বাংলাদেশের মহা-হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান এবং প্রেসিডেন্ট কর্তৃক মনোনীত ২ (দুই) জন বিশিষ্ট নাগরিক, যাদের একজন হবেন নারী। নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, এ দু’জন হলেন পিএসসি’র সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক সি আর আবরার।
অনুসন্ধান কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি: অনুসন্ধান কমিটি তার সভার কার্যপদ্ধতি নির্ধারণ করবে। তিন সদস্যের উপস্থিতিতে অনুসন্ধান কমিটির সভার কোরাম গঠিত হবে। সভায় উপস্থিত সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হবে এবং ভোটের সমতার ক্ষেত্রে সভায় সভাপতিত্বকারী সদস্যের দ্বিতীয় বা নির্ণায়ক ভোট দেয়ার ক্ষমতা থাকবে। আইনের ৪ ধারায় কমিটির দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, অনুসন্ধান কমিটি স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করে দায়িত্ব পালন করবে এবং এই আইনে বর্ণিত যোগ্যতা, অযোগ্যতা, অভিন্নতা, সততা ও সুনাম বিবেচনা করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগ দেয়ার জন্য রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার পদে নিয়োগের উদ্দেশ্যে এই আইনে বর্ণিত যোগ্যতা সম্পন্ন ব্যক্তিদের অনুসন্ধান করবে এবং এজন্য রাজনৈতিক দল এবং পেশাজীবী সংগঠনের কাছ থেকে নাম আহ্বান করতে পারবে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের জন্য প্রতিটি শূন্যপদের বিপরীতে প্রেসিডেন্টের কাছে দুইজন ব্যক্তির নাম সুপারিশ করবে কমিটি। এই কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে সুপারিশ প্রেসিডেন্টের কাছে পেশ করবে। সার্চ কমিটি আইনে বর্ণিত যোগ্যতা-অযোগ্যতা বিবেচনা করে ইসি গঠনে ১০ জনের নাম প্রস্তাব করবেন। তাদের মধ্য থেকেই পাঁচজনকে নিয়ে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন প্রেসিডেন্ট। সার্চ কমিটির কাজে সাচিবিক সহায়তা দেবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। কমিটি গঠনের ১৫ কার্যদিবসের মধ্যে ১০ জনের নাম সুপারিশ করে প্রেসিডেন্টের কাছে পেশ করার বিধান রয়েছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বান্দরবানে হোটেল-রিসোর্ট রেস্টুরেন্ট বন্ধের আশঙ্কা
হোটেল ডি’মোরের ম্যানেজার হ্যাপী মারমা জানান, তিন তারকামানের তাদের হোটেলটিতে দৈনিক অন্তত ৫০ হাজার টাকা খরচ আছে। পর্যটকের উপস্থিতি না থাকায় তাদের হোটেলটি চলতি মাসের গত ৫ তারিখ থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। রেস্টুরেন্ট মালিক সমিতির সভাপতি গিয়াস উদ্দীন মাস্টার জানান, দীর্ঘদিন ধরে পারিপার্শ্বিক কারণে পর্যটকের উপস্থিতি অশানুরূপ না থাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ীরা। খরচ পোষাতে না পারায় ইতিমধ্যে বেয়াই বাড়ি, গার্ডেনসিটি, কলাপাতাসহ জেলা সদরের প্রায় ২৫টি রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে গেছে। আগামী ৩১ তারিখের পর চলতি ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা না হলে আরও রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করছেন তিনি।
বান্দরবান আবাসিক হোটেল মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. জসিম উদ্দিন জানান, ২০১৯ সালের শেষের দিক থেকে ক্রমান্বয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন বান্দরবান জেলার পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে হোটেলের চলমান খরচ বহন করতে না পারায় অনেক হোটেলের মালিকানা পরিবর্তন হয়েছে। বন্ধ করে দিয়েছে হোটেল ডি’মোর, লাভা তং, হোটেল হিলবার্ডসহ আরও কয়েকটি আবাসিক হোটেল। আগামী ৩১শে অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটক ভ্রমণে দেয়া নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা না হলে অন্যান্য হোটেলগুলো বন্ধ করে দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। তিনি আরও বলেন, ৩১শে অক্টোবর পরবর্তী ভ্রমণের নিষেধাজ্ঞা শিথিল করতে জেলা প্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে হোটেল-রেস্টুরেন্টসহ পর্যটন সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে জেলাপ্রশাসকসহ বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
Tuesday, October 29, 2024
গাজায় মিসরের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান নেতানিয়াহুর
সোমবার (২৮ অক্টোবর) ইসরায়েলি সম্প্রচারমাধ্যম চ্যানেল-১২ এর প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।
প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, ইসরায়েলি মন্ত্রিসভার অধিকাংশ সদস্য ও দেশটির নিরাপত্তাবাহিনী এ প্রস্তাবের পক্ষে মত দিলে, নেতানিয়াহুর সিদ্ধান্ত পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে।
এর আগে রোববার (২৭ অক্টোবর) মিসরের প্রেসিডেন্ট এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, গাজায় দুদিনের এই যুদ্ধবিরতির মূল লক্ষ্য হলো একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি বাস্তবায়নের জন্য পথ তৈরি করা। প্রস্তাবে বলা হয়, হামাস চারজন ইসরায়েলি বন্দিকে মুক্তির বিনিময়ে কিছু ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্ত করবে এবং এরপর ১০ দিনের মধ্যে আলোচনা করে স্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
তবে, ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এই প্রস্তাবের প্রত্যাখ্যান করে তিনি বলেন, ‘আলোচনা কেবল গাজায় হামলা চলাকালেই অনুষ্ঠিত হবে, অন্যকোনো পরিস্থিতিতে নয়।’ তার এই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে যখন গাজার সাধারণ মানুষ ভয়ংকর মানবিক সংকটের মুখোমুখি।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বেশিরভাগ ইসরায়েলি মন্ত্রী এবং নিরাপত্তাবাহিনী এই যুদ্ধবিরতি প্রস্তাবের পক্ষে ছিলেন। যদিও নেতানিয়াহুর একক সিদ্ধান্তের কারণে মিসরের এই উদ্যোগের বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
এদিকে গাজার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ইসরায়েলের ধারণা অনুযায়ী, গাজায় হামাসের হাতে প্রায় ১০১ জন ইসরায়েলি বন্দি রয়েছে। তবে আশঙ্কা করা হচ্ছে, বিমান হামলার কারণে বন্দিদের মধ্যে কয়েকজন হয়তো ইতোমধ্যে মারা গেছেন।
এ ছাড়া গাজার জনগণের জন্য এই সংকটময় পরিস্থিতিতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য মিসরের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কিন্তু নেতানিয়াহুর নাকচ করার সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক মহলে কূটনৈতিক প্রচেষ্টাকে নস্যাৎ করেছে। এ সিদ্ধান্ত গাজার মানুষের জীবনে আরও ভয়াবহতা নিয়ে আসবে বলে আশংকা করা হচ্ছে।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজায় এক টুকরো রুটির জন্য হাহাকার : ক্ষুধার যন্ত্রণায় শিশুরা, অসহায় বাবা-মা
গাজার বাসিন্দাদের জন্য এক বেলার খাবার সংগ্রহ করতে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যুদ্ধের কারণে ত্রাণ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অসহায় জীবন কাটাচ্ছেন তারা। আশ্রয় শিবিরগুলোতে এক টুকরো রুটির জন্য হাহাকার চলছে এবং পরিবারগুলো প্রতিদিন ক্ষুধার বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে।
স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা এখন বেহাল। চিকিৎসার অভাবে অসুস্থ এবং আহতরা মারাত্মক দুর্ভোগে আছেন। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, খাদ্য এবং সাহায্যের জন্য গুদামগুলোতে মজুত নেই, যা সামান্য ত্রাণ আসে, তা দ্রুত ফুরিয়ে যায়।
হামাসের উপস্থিতির অজুহাতে হাসপাতালগুলোতে নিয়মিত হামলা ও তল্লাশি চলছে। স্বাস্থ্যকর্মী ও স্বেচ্ছাসেবীরা আক্রান্ত হচ্ছেন এবং ইসরায়েলের বোমা হামলায় গাজা শহর মৃত্যুর মুখে।
মিশরের রাফাহ সীমান্ত দিয়ে কিছু সহায়তা প্রবাহিত হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। জাতিসংঘ জানিয়েছে, গাজার মানবিক সংকট মোকাবিলার জন্য প্রতিদিন প্রায় ১০০টি ত্রাণবাহী ট্রাকের প্রয়োজন।
গাজার বাসিন্দা এমাদ আবুয়াসি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, “অন্যের থেকে খাবারের জন্য মারামারি শুরু হতে পারে।” গাজায় শিশুদের পরিস্থিতি ভয়াবহ; তারা শুধু ক্ষুধার যন্ত্রণায় ভুগছে না, বরং যুদ্ধের আতঙ্কেও রয়েছে।
এই সংকটময় মুহূর্তে আন্তর্জাতিক সমাজের দ্রুত পদক্ষেপ প্রয়োজন, যাতে গাজার মানুষের খাদ্য, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়। মানবতার কাছে আজকের এই সংকট একটি গুরুতর পরীক্ষা।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| একটি ক্ষুধার্ত শিশুর চাহনিতে পুরো বিশ্বের মানবতা। ছবি : রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যেভাবে প্রায় ১৭০০ কোটি ডলার লোপাট করেছে হাসিনার সহযোগী ধনকুবেররা
গণমাধ্যমটির সঙ্গে একটি সাক্ষাৎকারে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর দাবি করেন যে, ব্যাংকিং খাতে হাসিনা প্রশাসনের ধনকুবেরদের দুর্নীতির ক্ষেত্রে সাহায্য করেছেন ডিরেক্টর জেনারেল অব ফোর্সেস ইন্টেলিজেন্সের (ডিজিএফআই) নেতৃস্থানীয় কয়েকজন সদস্য।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অনুমান, নতুন শেয়ারহোল্ডারদের ঋণ দেয়া এবং আমদানি চালান স্ফীত করার মতো পদ্ধতির মাধ্যমে ব্যাংকগুলো থেকে অর্থ পাচার করা হয়েছে। এর মাধ্যমে ২ লাখ কোটি টাকা বা ১৬ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বাংলাদেশ থেকে লোপাট করেছে অভিযুক্তরা। যেকোনো আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে এটি সবচেয়ে বড় এবং উল্লেখযোগ্য একটি ব্যাংক ডাকাতি বলে মন্তব্য করেছেন মনসুর। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় সহায়তায় পৃথিবীর কোথাও এ পরিমাণ অর্থ পাচারের নজির নেই। আর গোয়েন্দা কর্মকর্তারা সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তাদের চাপ প্রয়োগ না করলে এটা ঘটতে পারতো না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এক্ষেত্রে মোহাম্মদ সাইফুল আলমের (এস আলম) নাম উল্লেখ করেছেন। এস আলম গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এই সাইফুল আলম। তার সহযোগীরা ডিজিএফআই-এর সহায়তায় ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পরে ব্যাংকিং খাত থেকে কমপক্ষে ১০০০ কোটি ডলার (১০ বিলিয়ন) হাতিয়ে নিয়েছে। অবশ্য সাইফুল আলমের পক্ষে আইনি সংস্থা কুইন ইমানুয়েল উরকুহার্ট এবং সুলিভানের দেয়া একটি বিবৃতিতে এস আলম গ্রুপ বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের অভিযোগ অস্বীকার করে তা ভিত্তিহীন বলে অভিহিত করেছে।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাংলাদেশে এস আলম গ্রুপ এবং অন্য বেশ কয়েকটি বিশিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অন্তর্বর্তী সরকারের সমন্বিত প্রচারণা যথাযথ প্রক্রিয়ার মৌলিক নীতিগুলোকে অবজ্ঞা করেছে। যা ইতিমধ্যেই বিনিয়োগকারীদের আস্থাকে নাড়া দিয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে অবদান রেখেছে। এস আলম গ্রুপের রেকর্ড এবং অবদানের পরিপ্রেক্ষিতে, আমরা গভর্নরের অভিযোগকে আশ্চর্যজনক এবং অযৌক্তিক বলে মনে করি।’
ফিন্যান্সিয়াল টাইমস জানিয়েছে, এ বিষয়ে তারা বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর মিডিয়া উইং আন্তঃসেবা জনসংযোগ পরিদপ্তরে যোগাযোগ করেও কোনো মন্তব্য পায়নি। এ ছাড়া এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য ডিজিএফআই-এর সঙ্গেও যোগাযোগ করতে পারেনি গণমাধ্যমটি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
-
▼
2024
(2551)
-
▼
October
(563)
-
▼
Oct 31
(10)
- দীর্ঘতম পথ অতিক্রমে সক্ষম নিষিদ্ধ ক্ষেপণাস্ত্র উৎক...
- রক্তাক্ত কাফনের কাপড় সরিয়ে মাকে দেখে মুষড়ে পড়লেন অ...
- ভোটে কী পরিবর্তন আসছে?
- যুক্তরাষ্ট্রে ইতিহাসের হাতছানি- রাশিয়া, চীন, ইরানে...
- দিল্লির চাঁদনি চকে ফরাসি রাষ্ট্রদূতের মোবাইল চুরি
- ভাঙাড়ি বিক্রেতা থেকে হাজার কোটি টাকার মালিক by রাশ...
- ড. ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সফল হলেই ভারতের স্বার...
- ‘রাষ্ট্র হিসেবে টিকে থাকতে হলে নির্বাচনে নজর দিন’
- শিখ নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রে অমিত শাহ জড়িত: কানাডা
- শহীদ রেফায়েত উল্লাহর শিশুকন্যা লামিয়ার মানবেতর জীব...
-
►
Oct 30
(16)
- বাংলাদেশে হাসিনার ‘ফ্যাসিস্ট’ দলের কোনো স্থান নেই:...
- একেই বলে ভাগ্যের ফের!
- জাবালিয়ায় হামাসের হাতে নিহত ইসরাইলের চার সেনা
- আ.লীগ ভেবেছিল ক্ষমতা চিরস্থায়ী : আনু মুহাম্মদ
- হিজবুল্লাহর নয়া প্রধান নাইম কাসেম
- আরজি করের গ্লাভসে থাকা লাল দাগ রক্তের নয়! by সেবন্...
- ‘আবর্জনার দ্বীপ’ বিতর্ক পেনসিলভ্যানিয়ায়
- রেলের টিকিট প্রাপ্তি সহজ হচ্ছে, আসছে রুটে পরিবর্তন
- এসডো’র গবেষণা: শিশুদের খেলনায় বিষাক্ত সিসা, ঝুঁকিত...
- দুতের্তে ডেথ স্কোয়াড গড়েছিলেন গ্যাংস্টারদের নিয়ে
- মহাকাশ থেকেই দিওয়ালির শুভেচ্ছা সুনীতা উইলিয়ামসের, ...
- নির্বাচনমুখী যাত্রা শুরু হয়ে গেছে
- তীব্র মানসিক সমস্যায় ভুগছেন ইসরায়েলি সেনারা
- প্রেসিডেন্টের অপসারণ: আমেরিকা-সেনাসদর বৃহৎ রাজনৈতি...
- ইসি গঠন: বিচারপতি জুবায়েরের নেতৃত্বে সার্চ কমিটি
- বান্দরবানে হোটেল-রিসোর্ট রেস্টুরেন্ট বন্ধের আশঙ্কা
-
▼
Oct 31
(10)
-
▼
October
(563)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


