Sunday, August 30, 2026
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বদলে যাচ্ছে যৌন পুতুলের বাজার, বাড়ছে বিতর্ক
সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসের একটি সড়কের পাশে স্যুটকেসে নারীর মরদেহ পড়ে থাকার খবর ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফরেনসিক পরীক্ষায় জানা যায়, সেটি কোনো মানুষের দেহ নয়, বরং একটি যৌন পুতুল। পুতুলটির শরীরে কৃত্রিম আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনাটি ঘিরে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হলেও পরে পুলিশি তদন্ত বন্ধ হয়ে যায়। বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালে বিশ্বব্যাপী যৌন পুতুলের বাজারের মূল্য ছিল প্রায় ৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
২০৩৩ সালের মধ্যে তা ১৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। প্রযুক্তির উন্নতির ফলে ক্রেতারা এখন পুতুলের চেহারা ও ব্যক্তিত্ব নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী নির্ধারণ করতে পারছেন। কিছু পুতুলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা যুক্ত থাকায় সেগুলো কথোপকথন মনে রাখতে এবং ব্যবহারকারীর আচরণ অনুযায়ী প্রতিক্রিয়া জানাতে পারে।
আরও বিতর্ক তৈরি হয়েছে বাস্তব নারীর ছবি ব্যবহার করে পুতুল তৈরির সুযোগ নিয়ে। সমালোচকদের আশঙ্কা, সংশ্লিষ্ট নারীর অনুমতি ছাড়া তার আদলে পুতুল তৈরি করা ব্যক্তিগত মর্যাদা ও সম্মতির গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করতে পারে। অপরাধবিজ্ঞানী ও গবেষকেরা বলছেন, যৌন পুতুল ব্যবহারের সঙ্গে বাস্তব জীবনের যৌন সহিংসতার সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত হয়নি। এ বিষয়ে আরও দীর্ঘমেয়াদি গবেষণা প্রয়োজন।
তবে বিশেষজ্ঞদের একটি অংশ মনে করেন, নারীদেহকে ভোগের বস্তু হিসেবে উপস্থাপন এবং পুতুলের ওপর সহিংস আচরণ সমাজে নারীর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে প্রযুক্তির এই নতুন বাজার শুধু ব্যবসার বিষয় নয়, এর সামাজিক ও নৈতিক প্রভাব নিয়েও গুরুত্ব দিয়ে ভাবার প্রয়োজন রয়েছে।

About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
লেবাননে সমৃদ্ধ ইতিহাসের নতুন তথ্য, মিলছে হাজার বছরের পুরোনো প্রত্ননিদর্শন
সাম্প্রতিক গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারগুলোর একটি হয়েছে বৈরুতের দক্ষিণ-পূর্বে পাহাড়ি এলাকা মাআসের আল-শুফে। সেখানে একটি প্রাচীন রোমান মন্দিরের স্তম্ভ ও ভিত্তির ধ্বংসাবশেষ পাওয়া গেছে। প্রত্নতত্ত্ববিদদের ধারণা, মন্দিরটি খ্রিস্টপূর্ব প্রথম শতাব্দী থেকে খ্রিস্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীর মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। মন্দিরকে ঘিরে সে সময় একটি বড় স্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে উঠেছিল।
লেবাননের সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের আঞ্চলিক প্রত্নতত্ত্ব কর্মকর্তা মিরিয়াম জিয়াদ জানান, পরবর্তী সময়ে মন্দিরটির স্থানে ১২ থেকে ১৩ শতকের মধ্যে ক্রুসেডাররা একটি দুর্গ নির্মাণ করেছিল। ফলে একই স্থানে রোমান যুগ ও মধ্যযুগের ইতিহাসের নিদর্শন পাওয়া গেছে।
স্থানীয় পৌর কর্তৃপক্ষ ২০১৭ সালে পাহাড়ের ওপর বড় বড় পাথরের ব্লকের সন্ধান পায়। পাঁচ বছর পর একটি ইতালীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ববিদদের দল সেখানে খনন শুরু করে। খননকাজে বিশাল মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ উন্মোচিত হয়। প্রত্নতাত্ত্বিকরা শিগগিরই সেখানে আবার খননকাজ শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন।
লেবাননের পূর্বাঞ্চলের বালবেক শহরেও রয়েছে দেশটির অন্যতম বিখ্যাত প্রত্নস্থল। সেখানে পাহাড়ি সীমান্তের কাছে রোমান যুগের বিশাল মন্দির কমপ্লেক্স এখনো অনেকটাই সংরক্ষিত রয়েছে। এটি লেবাননের প্রাচীন সভ্যতার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
লেবাননে ফিনিশীয়, পারস্য, রোমান ও বাইজেন্টাইন যুগের পাশাপাশি ক্রুসেড, আরব ও ইসলামি সাম্রাজ্যের সময়কার অসংখ্য প্রত্ননিদর্শন রয়েছে। এসব আবিষ্কার দেশটির দীর্ঘ ও বৈচিত্র্যময় ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
তবে চলমান সংঘাত দেশটির প্রত্নসম্পদ রক্ষায় নতুন ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে দক্ষিণাঞ্চলের প্রত্নস্থলগুলোতে যুদ্ধের কারণে খনন ও সংরক্ষণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে প্রত্নতাত্ত্বিকরা বলছেন, যুদ্ধের পাশাপাশি লেবাননের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো রক্ষার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া জরুরি।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আরব বিশ্বে বাড়ছে খাদ্য ও পানির সংকট, মরুকরণে ব্যাহত ফসল উৎপাদন
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও)-এর তথ্য অনুযায়ী, আরব দেশগুলোতে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৫ শতাংশেরও কম। একই সঙ্গে মরুকরণও বাড়ছে। ফলে কৃষির জন্য প্রয়োজনীয় পানির সরবরাহ কমে যাওয়ায় খাদ্য উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।
আরব বিশ্ব খাদ্যের জন্য ব্যাপকভাবে আমদানিনির্ভর। এফএওর হিসাবে, ২০৩১ সালের মধ্যে অঞ্চলটির মোট খাদ্য চাহিদার প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ আমদানির মাধ্যমে পূরণ হতে পারে। উপসাগরীয় কয়েকটি দেশ ইতোমধ্যে তাদের প্রয়োজনীয় খাদ্যের ৯০ শতাংশের বেশি আমদানি করে। ফলে বৈশ্বিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি বা সরবরাহে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটলে এসব দেশ ঝুঁকিতে পড়বে।
মিসরের মতো দেশগুলোর ঝুঁকি আরও বেশি। দেশটি গমের প্রায় অর্ধেক আমদানি করে। গমের দাম বাড়লে সরকারকে ভর্তুকি বাড়াতে হয়, আর সীমিত অর্থের কারণে অন্য খাতের ব্যয় কমানোর চাপ তৈরি হয়।
বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) আঞ্চলিক পরিচালক সামের আবদেলজাবের বলেন, খাদ্য আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতা বৈশ্বিক খাদ্যবাজারের সংকটের কাছে অঞ্চলটিকে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলেছে। জলবায়ুজনিত দুর্যোগ কৃষি উৎপাদন কমাচ্ছে, মানুষের জীবিকা ক্ষতিগ্রস্ত করছে এবং খাদ্যের দাম বাড়াচ্ছে।
সংঘাতপ্রবণ দেশগুলোতে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। ইয়েমেন, সিরিয়া, ফিলিস্তিন এবং ইরাক ও লিবিয়ার কিছু এলাকায় খাদ্যনিরাপত্তা পরিস্থিতি গুরুতর বলে জানিয়েছে ডব্লিউএফপি। সংঘাতপূর্ণ দেশগুলোতে অপুষ্টির হার সংঘাতমুক্ত দেশের তুলনায় প্রায় চার গুণ বেশি।
ইউনিসেফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সালে মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় ৪ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ মৌলিক পানীয়জল সুবিধা থেকে বঞ্চিত ছিল। একই সময়ে অঞ্চলটির প্রায় ১০ জন শিশুর মধ্যে ৯ জন উচ্চ বা অত্যন্ত উচ্চ পানিসংকটের এলাকায় বসবাস করছিল।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংকট মোকাবিলায় শুধু খাদ্য ও পানি সরবরাহ করলেই হবে না; বরং আগাম সতর্কতা, পানির কার্যকর ব্যবস্থাপনা, জলবায়ু সহনশীল কৃষি, ভূগর্ভস্থ পানির নির্ভরযোগ্য উৎস এবং দুর্যোগ মোকাবিলায় স্থানীয় সক্ষমতা বাড়াতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি ও সমাধান ইতোমধ্যে রয়েছে—এখন প্রয়োজন তা দ্রুত বাস্তবায়ন করা।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তুরস্কের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে চাপে নেতানিয়াহু
মেকেলবার্গের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তুরস্কের সীমান্তের কাছে সিরিয়ার আবু দুহুর বিমানঘাঁটিতে ইসরাইলি হামলা পরিস্থিতিকে নতুন মাত্রায় নিয়ে গেছে। ইসরাইল দাবি করেছে, ওই ঘাঁটিতে তুরস্ক সেনা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছিল। তবে তুরস্ক যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন নিয়ে এ অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে তুরস্ককে সংঘাতে জড়ানোর চেষ্টা করার অভিযোগ তুলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রের তুরস্কে রাষ্ট্রদূত ও সিরিয়া-বিষয়ক বিশেষ দূত টম ব্যারাকও ইসরাইলের পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর মতে, তুরস্ককে সংঘাতে টেনে নেওয়ার জন্য ইসরাইল ইচ্ছাকৃতভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করে থাকতে পারে।
মেকেলবার্গ বলেন, সিরিয়ার নতুন নেতা আহমাদ আল-শারার নেতৃত্বাধীন সরকার ইসরাইলের সঙ্গে সংঘাতে যেতে আগ্রহী নয়। দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর সিরিয়া এখন দেশ পুনর্গঠন, অর্থনীতি সচল করা এবং বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের দিকে মনোযোগ দিতে চায়। সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়াকে ৪৭ বছর পর রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসবাদের পৃষ্ঠপোষক দেশের তালিকা থেকে সরিয়েছে, যা দামেস্কের জন্য নতুন অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরি করেছে।
বিশ্লেষকের মতে, সিরিয়ায় তুরস্কের সম্ভাব্য উপস্থিতিকে সরাসরি ইসরাইলের জন্য হুমকি হিসেবে দেখার যথেষ্ট প্রমাণ নেই। তুরস্কের একটি প্রতিনিধি দল ওই বিমানঘাঁটি পুনর্গঠনের সম্ভাবনা যাচাই করতে সেখানে গিয়েছিল—এটি সেখানে স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের সমান নয়।
মেকেলবার্গের মতে, তুরস্কের মতো ন্যাটো সদস্য দেশের সঙ্গে সরাসরি উত্তেজনা সৃষ্টি করলে ইসরাইলের আন্তর্জাতিক অবস্থান আরও দুর্বল হতে পারে। একই সঙ্গে ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্কেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে। তার বিশ্লেষণে, নেতানিয়াহুর সাম্প্রতিক নীতি ইসরাইলের জাতীয় স্বার্থের চেয়ে রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার হিসাব দ্বারা বেশি প্রভাবিত হতে পারে।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান যুদ্ধে অস্ত্রের মজুত ‘সংকটজনক’, চীন-রাশিয়া মোকাবিলায় মার্কিন সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন
জার্নালটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ দীর্ঘদিনের পেন্টাগন প্রক্রিয়ার আওতায় ‘অর্ডার্স বুক’ ব্যবহার করে মধ্যপ্রাচ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ পাঠানোর বিষয়টি তদারক করেছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, অস্ত্রের ঘাটতি এতটাই প্রকট হয়েছে যে ইউরোপে থাকা মার্কিন PAC-3 প্যাট্রিয়ট আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের ইন্টারসেপ্টর এবং ATACMS ক্ষেপণাস্ত্রের মজুতকে ‘ক্রিটিক্যাল সীমারও নিচে’ বলে বিবেচনা করা হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান সরাসরি হামলা অনেকটাই কমিয়ে আনলেও অস্ত্রের মজুত পুনরায় পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লাগতে পারে। জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া ও জার্মানির মতো দেশ থেকে অস্ত্র সংগ্রহ এবং নতুন করে উৎপাদনের মাধ্যমে মজুত পুনর্গঠন করতে দীর্ঘ সময় লাগবে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ফলে মধ্যপ্রাচ্যের বাইরে ইউরোপ ও এশিয়ায় সম্ভাব্য সংঘাত মোকাবিলায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তুতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে সম্ভাব্য তাইওয়ান সংকট কিংবা রাশিয়ার সঙ্গে সংঘাতের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্রুত সরবরাহ করা কঠিন হতে পারে বলে মার্কিন কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন।
সূত্র: আলজাজিরা।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নিষেধাজ্ঞায় কি নত হবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে বড় প্রশ্ন
যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ও অব দ্য রেকর্ড স্ট্র্যাটেজিসের প্রেসিডেন্ট মার্ক ফাইফল মনে করেন, ইরানের ওপর কার্যকর চাপ তৈরি করতে হলে শুধু একের পর এক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেই হবে না। প্রয়োজন সরকারের সব পর্যায়ের সমন্বিত উদ্যোগ।
ওয়াশিংটন থেকে আল-জাজিরাকে দেওয়া এক বিশ্লেষণে ফাইফল বলেন, বিচ্ছিন্নভাবে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হুমকি প্রকাশ করা দিয়ে ইরানকে নত করা কঠিন। প্রকৃত চাপ তৈরি করতে হলে পুরো মার্কিন সরকারকে একটি সমন্বিত কৌশল নিয়ে কাজ করতে হবে।
ফাইফলের মতে, ইরানকে চাপে ফেলার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো দেশটির পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতা। অর্থনৈতিক চাপ যতই দেওয়া হোক, ইরান যদি তার ইউরেনিয়াম ধরে রাখতে পারে, তাহলে নিষেধাজ্ঞার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে।
একইভাবে ইরান যদি ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি চালিয়ে যেতে পারে এবং আঞ্চলিক প্রক্সিদের অর্থায়ন অব্যাহত রাখতে পারে, তাহলেও শুধু অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা দিয়ে কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া কঠিন হবে।
ফাইফল সতর্ক করে বলেন, ইরানের অর্থনীতির ওপর চাপ তৈরি করাই যথেষ্ট নয়। যুক্তরাষ্ট্রকে এমন একটি সমন্বিত নীতি নিতে হবে, যা একই সঙ্গে ইরানের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, ইউরেনিয়াম মজুত, ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ও প্রক্সিদের অর্থায়নকে লক্ষ্য করবে।
তার বক্তব্যে মূল বিষয়টি স্পষ্ট—নিষেধাজ্ঞা আরোপের সংখ্যা নয়, বরং সেগুলো কতটা সমন্বিতভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।
ট্রাম্প প্রশাসন ইরানের ওপর ‘পূর্ণাঙ্গ অর্থনৈতিক যুদ্ধ’ চালানোর কথা বলছে। কিন্তু সেই হুমকি বাস্তবে কতটা কার্যকর হবে, তা নির্ভর করবে ওয়াশিংটন কতটা পরিকল্পিত ও সমন্বিতভাবে চাপ প্রয়োগ করতে পারে তার ওপর।
ফাইফলের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান যদি ইউরেনিয়াম ধরে রাখে এবং ক্ষেপণাস্ত্র ও আঞ্চলিক প্রক্সিদের অর্থায়ন চালিয়ে যেতে পারে, তাহলে শুধু নিষেধাজ্ঞা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হুমকি খুব বেশি কাজে আসবে না। অর্থাৎ, ট্রাম্পের সামনে এখন বড় প্রশ্ন—ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করা, নাকি সেই চাপকে এমন পর্যায়ে নেওয়া, যাতে তেহরানের পারমাণবিক ও সামরিক সক্ষমতায়ও বাস্তব প্রভাব পড়ে।
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাগে ছয় দেশের পাসপোর্ট, বেনজীর এখন সেন্ট লুসিয়ায় by আল-আমিন
পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের দুর্নীতিবাজ আইজিপি বেনজীর গত ২৭ জুলাই দুবাইয়ের আদালত থেকে জামিন পান এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে ৩০ জুলাই কারামুক্ত হন। এর আগে বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত নথি ও আইনি প্রক্রিয়া নিয়ে দুবাইয়ের আদালতে উভয় পক্ষের শুনানি হয়। শুনানি শেষে আদালত শর্তসাপেক্ষে তাকে জামিন দেয়। তার জামিনের জন্য ইউরোপের একাধিক আওয়ামী লীগ নেতা দুবাইয়ে বিভিন্ন চ্যানেলে জোর লবিং করেন। দুবাইয়ের আদালত থেকে তার জামিন ও কারামুক্তির খবরে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হইচই পড়ে যায়। তাৎক্ষণিক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দুবাই পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়; তবে কোনো ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।
সূত্র জানায়, জামিন পাওয়ার পরই দুবাই থেকে অপেক্ষাকৃত নিরাপদ দেশে যাওয়ার চেষ্টা করেন বেনজীর। স্পেনসহ একাধিক দেশে যাওয়ার কথা চিন্তা করলেও বেশি সুযোগ-সুবিধা ও নিরাপদ বিবেচনা করে শেষমেশ তিনি ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্র সেন্ট লুসিয়াকেই বেছে নেন।
বেনজীর ও তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষাকারী সম্প্রতি বাধ্যতামূলক অবসরে যাওয়া এক ডিআইজি আমার দেশকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর বেনজীর তৃতীয় দেশে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি সেন্ট লুসিয়ায় গেছেন বলে ওই কর্মকর্তা নিশ্চিত করেন।
দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) তদন্ত শুরু হলে ২০২৪ সালের মে মাসে চুপিসারে দেশ ছাড়েন বেনজীর। বিদেশে যাওয়ার পর একাধিক দেশে তার অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। পরে অনেকটা নাটকীয়ভাবে দুবাই পুলিশের হাতে বিতর্কিত সাবেক আইজিপি বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবর বাংলাদেশ পুলিশের কাছে আসে ১২ জুন। দুবাই (সংযুক্ত আরব আমিরাত) পুলিশ ইমেইলের মাধ্যমে বাংলাদেশ পুলিশ সদর দপ্তরের এনসিবি শাখাকে বিষয়টি জানিয়েছিল। এরপর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জাতীয় সংসদে তার গ্রেপ্তারের তথ্য জানান। বাংলাদেশের সঙ্গে বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তি না থাকলেও আরব আমিরাত থেকে বেনজীরকে ফেরত আনা সম্ভব হবে বলে সরকার আশা প্রকাশও করেছিল। তাকে দ্রুত ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে নানামুখী উদ্যোগ নেওয়া হয়। কূটনীতিক চ্যানেলেও যোগাযোগ করে সরকার। দুবাই পুলিশ বেনজীরের নথিপত্র চেয়ে বাংলাদেশ পুলিশকে অনুরোধ করে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২৪৪ পৃষ্ঠার ডকুমেন্ট পাঠায় দুবাই পুলিশের কাছে।
বাংলাদেশ সরকার আশা করেছিল বেনজীরকে ফেরত দেবে দুবাই। কিন্তু তাকে ফেরত দেওয়া তো দূরের কথা, ২৭ জুলাই আরব আমিরাতের একটি আদালত তার জামিন মঞ্জুর করে এবং তিনি কারাগার থেকে মুক্তি পান।
যোগাযোগ করা হলে পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া ও জনসংযোগ) শাহদাত হোসাইন আমার দেশকে বলেন, ‘এ বিষয়ে আরব আমিরাত সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের যোগাযোগ অব্যাহত আছে। পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করা হয়েছে।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, সম্প্রতি বেনজীর দুবাই থেকে সেন্ট লুসিয়ায় গেছেন। আমরা বিষয়টির খোঁজ নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অপরাধবিজ্ঞানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল হক বলেন, ‘সাবেক আইজিপি বেনজীরের জামিন এবং অন্য দেশে চলে যাওয়ার বিষয়টি শোনা যাচ্ছে। এতে অবশ্যই তাকে আইন ও বিচারের মুখোমুখি করা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। আমরা আগেই বলেছি, দুবাই থেকে তাকে ফেরত আনার বিষয়ে শুরু থেকেই অনিশ্চয়তা ছিল। কারণ, দুবাইয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দিবিনিময় চুক্তি নেই। তিনি আরো জানান, ‘বেনজীর প্রভাবশালী। ভেতরের পরিস্থিতিতে কোনো ত্রুটি ছিল কি না, সেটি খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। আইনগতভাবে তাকে ফেরানো খুব কঠিন। তাকে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে ইন্টারপোলের মাধ্যমে শক্ত উদ্যোগ নিতে হবে।’
জানা গেছে, বেনজীরের ৬ দেশের পাসপোর্ট রয়েছে। আইজিপি থাকাকালে জালিয়াতির মাধ্যমে তিনি তুরস্ক, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, পর্তুগাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সেন্ট লুসিয়ার পাসপোর্ট নেন। সরকারি চাকরিতে থেকেও বেসরকারি চাকরিজীবী দেখিয়ে সাধারণ পাসপোর্ট তৈরির ঘটনায় বেনজীরের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক। ৬ দেশের পাসপোর্ট থাকলেও তিনি দুবাইয়ে বড় ব্যবসার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন। দুবাইয়ে তার বাড়ি কেনাবেচা, রেস্টুরেন্ট ও গাড়ির ব্যবসা রয়েছে। সাবেক বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বিপুর বন্ধু শহিদুল ইসলামের সঙ্গে তিনি যৌথভাবে ব্যবসা গড়ে তুলেছেন।
পুনরায় জামিন বাতিল এবং গ্রেপ্তার আতঙ্কে বেনজীরের দুবাইয়ে ফেরার সম্ভাবনা কম বলে জানিয়েছেন তার ঘনিষ্ঠজনরা। দুবাই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর তাকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা হতে পারেÑএমন আতঙ্কে ছিলেন তিনি। যার কারণে জামিন পেয়েই তিনি দুবাই ত্যাগ করেন। তার বিদেশে আত্মগোপন বা লোকচক্ষুর অন্তরালে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে বাংলাদেশের পুলিশ ধারণা করছে।
দুবাইয়ে পাঠানো নথি খতিয়ে দেখার পরামর্শ
বেনজীরের বায়োডাটা তৈরি, দুদকের মামলা এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তার বিরুদ্ধে অভিযোগসহ ২৪৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ ডকুমেন্ট গত ২০ জুন দুবাই পুলিশের কাছে পাঠানো হয়। ওই নথিতে গলদ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অপরাধবিজ্ঞানীরা।
ভারত, থাইল্যান্ড ও নেপালÑএই তিন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্দিবিনিময় চুক্তি রয়েছে। কিন্তু আরব আমিরাতের সঙ্গে নেই। বেনজীর দুবাইয়ে শুধু পলাতক আসামিই নন, তিনি ওই দেশে বিনিয়োগকারীও। মানিলন্ডারিং মামলায় বিভিন্ন দেশের অনেক আসামি দুবাইয়ে বসবাস করছেন। সংশ্লিষ্ট দেশগুলো ওইসব আসামিকে ফেরতের ব্যাপারে একাধিকবার বিভিন্ন দেশ চিঠি দিলেও তাদের ফেরত দেওয়ার নজির খুবই কম। তবে খুনের মামলার আসামিদের বেলায় দুবাই পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখে থাকে। বেনজীরের নামে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ১০টি মামলার তদন্ত চলমান। তাকে কেন ফেরানো গেল না এবং পাঠানো নথিতে গলদ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন অপরাধবিজ্ঞানীরা।
আরো শক্ত উদ্যোগ নেওয়ার প্রয়োজন ছিল
পুলিশ সদর দপ্তরের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেনজীর দুবাইয়ে গ্রেপ্তার হওয়ার পর সরকারের ভেতরে আত্মবিশ্বাস ছিল যে, তাকে ফিরিয়ে আনা যাবে। দুবাই পুলিশ এবং কূটনৈতিক চ্যানেলেও যোগাযোগ শুরু করে সরকার। দুবাই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বাংলাদেশ পুলিশের সঙ্গে এ নিয়ে স্কাইপিতে তিনবার কথা বলে। তারা প্রত্যেকবারই বেনজীরকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর ক্ষেত্রে ইতিবাচক সাড়া দিয়েছিল।
কিন্তু ২০ জুন ডকুমেন্ট পাঠানোর পর তাদের আর কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ধরনের হতাশা তৈরি হয়। তাকে ফেরানো যাবে কি না, তা নিয়েও ধোঁয়াশা তৈরি হয়।
পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, বেনজীরকে ফেরানো নিয়ে আরো শক্ত উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন ছিল। কূটনৈতিক চ্যানেলেও বড় উদ্যোগ নেওয়া দরকার ছিল। বেনজীর যে মানবতাবিরোধী অপরাধ করে পালিয়ে গেছেন, সেটিও বিস্তারিত আকারে তুলে ধরা দরকার ছিল। তাহলেই তাকে ফেরত দেওয়ার ক্ষেত্রে আরো চিন্তা করত দুবাই সরকার।
সূত্র জানায়, বেনজীরকে ফেরানোর ক্ষেত্রে ইন্টারপোলে আরো একাধিক চিঠি দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
বেনজীর ২০১০ সালের ১৪ অক্টোবর থেকে ২০১৫ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার, ২০১৫ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের এপ্রিল পর্যন্ত ছিলেন র্যাবের মহাপরিচালক এবং ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) ছিলেন। ২০২২ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর তিনি অবসরে যান। অবসরের পর তিনি রংধনু গ্রুপের সঙ্গে ব্যবসায় সম্পৃক্ত হন। অবসরে যাওয়ার পর তার বিরুদ্ধে দুদকের অনুসন্ধান শুরু হওয়ার পর ২০২৪ সালের ৪ মে তৎকালীন আওয়ামী লীগ সরকারের ছত্রছায়ায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দুবাই পালিয়ে যান। মানবতাবিরোধী অপরাধসহ বহু মামলায় অভিযুক্ত বেনজীরকে ধরতে গত বছরের ১১ এপ্রিল ইন্টারপোলের মাধ্যমে রেড নোটিস জারি করা হয়েছিল। ওই নোটিসের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করে দুবাই পুলিশ।
জানা গেছে, বেনজীরের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, শাপলা চত্বর গণহত্যা ও গুমের অভিযোগ রয়েছে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও ট্রেজারি বিভাগ র্যাবের সাবেক ও বর্তমান ৭ কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়, যার মধ্যে বেনজীরের নামও ছিল।
সূত্র জানায়, শেখ হাসিনা ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর নতুন করে সরব হয়েছিলেন বেনজীর। আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের সঙ্গে জুম মিটিং করে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে তার দুটি অডিও ভাইরাল হয়। ৮ ফেব্রুয়ারি তার ওই কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ জানায় পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।
এর আগে ৬ ফেব্রুয়ারি ভাইরাল হওয়া এক অডিওতে বেনজীরকে বলতে শোনা গেছে, আওয়ামী লীগ যখন সংগঠিত হবে, তখন পুলিশের উপস্থিতি আপনাদের সামনে থাকবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই। তার ওই অডিও প্রকাশের পর পুলিশের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বেনজীরকে ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের পলাতক ও দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশ কর্মকর্তা’ বলে অভিহিত করে এবং তার এমন বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়।
বেনজীর যখন র্যাব ডিজির দায়িত্বে ছিলেন, তখন র্যাবে গুম, অপহরণ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বেশি ঘটেছিল। সে সময় র্যাবের তথাকথিত মাদকবিরোধী অভিযানে ক্রসফায়ারে অসংখ্য নিহতের ঘটনায় দেশে-বিদেশে সমালোচনার ঝড় বয়ে যায়। এছাড়াও ডিএমপির কমিশনার থাকাকালে বিরোধী দল দমন-নিপীড়নে মুখ্য ভূমিকা পালন করেন তিনি। ২০১৩ সালের ২৮ জানুয়ারি ডিএমপি কমিশনার থাকাকালে তিনি বলেছিলেন, ‘শিবির দেখা মাত্রই গুলি’। তার এই বক্তব্যে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের ক্র্যাকডাউনে তিনি মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তার নামে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এছাড়াও বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ১৭ মামলা, দুদকের ৬টি এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) ৩টি পরোয়ানা রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ঘেটুপুত্র কমলা’ এখন রড-সিমেন্টের কারবারি by নাজমুল হক
অভিনয়ের হাতেখড়ি টোকাই নাট্যদলে
মামুনের অভিনয়ের হাতেখড়ি চার বছর বয়সে। বড় বোনের হাত ধরে ‘টোকাই’ নাট্যদলে তাঁর আসা–যাওয়া শুরু। শুরুতেই দলটির হয়ে বেশ কিছু প্রযোজনায় সুযোগ পান তিনি। ছোট পর্দায় প্রথম সুযোগ আসে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ‘হারমোনিয়াম’ নাটক দিয়ে। এরপর বিটিভির আরও কয়েকটি নাটকে অভিনয়ের সুযোগ পান মামুন। নাটকের পাশাপাশি বিজ্ঞাপনেও ডাক পেতে থাকেন এই শিশুশিল্পী।
কি বাবা, বলছিলাম...
মামুনের প্রথম বিজ্ঞাপন, মোবাইল ফোন অপারেটর বাংলালিংকের ‘দিনবদলের পালা’। যা তাঁকে পরিচিতি এনে দেয়। বিজ্ঞাপনটিতে মামুনের সংলাপ ‘কি বাবা, বলছিলাম না আজকে অনেক মাছ উঠব, আমারে কিন্তু মেলায় নিয়া যাইতে হবে’ এখনো দর্শকদের নস্টালজিক করে।
বিজ্ঞাপনটির জন্য মেরিল প্রথম আলো পুরস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন মামুন। এর পরপর আরও কয়েকটি বিজ্ঞাপনে অভিনয় দক্ষতা দেখান এ অভিনেতা। এর মাঝে বেবি জিঙ্ক ও প্রাণ জুসের বিজ্ঞাপন উল্লেখযোগ্য। তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় প্রাণ জুসের বিজ্ঞাপন মামুনের ক্যারিয়ারে গতিপথ বদলে দেয়, বিজ্ঞাপনে ‘তাইলে দশ টাকা দেন, ম্যাঙ্গো জুস খামু’ মামুনের জনপ্রিয়তা বাড়িয়ে তোলে। এরপর ছোট পর্দায় বাড়ে তাঁর ব্যস্ততা, ডাক পেতে থাকেন সিনেমায়।
চলচ্চিত্রে যাত্রা
মামুনের প্রথম চলচ্চিত্র শফিকুল ইসলাম পরিচালিত ‘ওপারে আকাশ’। এরপর মুরাদ পারভেজের ‘চন্দ্রগ্রহণ’ এবং আবু সুফিয়ানের ‘বন্ধু মায়া লাগাইছে’ ও ‘ভাড়াটে প্রেমিক’ সিনেমায় অভিনয় করেন মামুন। তবে তাঁর জীবনে বড় সুযোগটা আসে এরপর। হুমায়ূন আহমেদের ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘কমলা’র জন্য নির্বাচিত হন তিনি। সে সময়ের স্মৃতি এখনো আবেগে আপ্লুত করে মামুনকে। এখনো যেন বিশ্বাস করতে পারেন না সেই সময়। যেন সব স্বপ্ন মনে হয়। মামুন বলেন, ‘আমার টোকাই নাট্যদলসহ আরও অনেক দলের শিশু অভিনেতারা অডিশন দিতে আসেন। এতজনের মাঝে নির্বাচিত হব, তা চিন্তায় ছিল না। কত কিছু করতে হয়েছে। সবশেষে হুমায়ূন (আহমেদ) স্যার এ চরিত্রের জন্য আমাকে বাছাই করেন।’
ঘেটুপুত্র কমলা
হুমায়ূন আহমেদের অষ্টম ও শেষ চলচ্চিত্র ‘ঘেটুপুত্র কমলা’। হুমায়ূন আহমেদের আর সব ছবির চেয়ে এই ছবির কাহিনি একেবারেই ব্যতিক্রমী। ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল ২০১২ সালের ৭ সেপ্টেম্বর। ওই বছরের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আটটি শাখায় ছবিটি পুরস্কৃত হয়। হুমায়ূন আহমেদ শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার হিসেবে পুরস্কৃত হন। ছবিটি শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের সম্মানও লাভ করে। ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত এ ছবিতে অভিনয় করেন জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, প্রাণ রায়, মুনমুন আহমেদ, কণ্ঠশিল্পী আগুন, আবদুল্লাহ রানা, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ।
হুমায়ূন আহমেদের স্নেহ
‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবির শুটিংয়ের স্মৃতি এখনো অমলিন। জানান, হুমায়ূন আহমেদ যত বড় লেখক ও নির্মাতা, উনি তার চেয়েও বড় হৃদয়ের মানুষ ছিলেন। মামুন বলেন, ‘শুটিংয়ে স্যার (হুমায়ূন আহমেদ) সব সময় আমার খবর রাখতেন। আমি ঠিকমতো খেয়েছি কি না থেকে সব। আমি খাওয়ার পর তিনি খেতেন। এত স্নেহ তিনি আমাকে করেছেন, তা কখনো ভোলা যাবে না।’
দর্শকের ভালোবাসার সঙ্গে চরিত্রটির জন্য মামুন শ্রেষ্ঠ শিশুশিল্পী ক্যাটাগরিতে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। তবে দিনটি মামুনের কাছে আনন্দের বদলে বেদনার। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারটি মামুনের কাছে ‘হারিয়ে অর্জিত পুরস্কার’। মামুন বলেন, ‘মেরিল প্রথম আলোতে যেবার বাংলালিংকের বিজ্ঞাপনের জন্য মনোনয়ন পাই, তখন মাকে নিয়ে অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তবে পুরস্কারের সৌভাগ্য হয়নি। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার যখন পেলাম, তখন মা বেঁচে নেই। হুমায়ূন আহমেদ স্যারেরও এর আগে মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে দিনটি আমার জন্য খুব কষ্টের ছিল। অনেক কান্না করেছি সেদিন। তাই এ পুরস্কারটি আমার কাছে হারিয়ে অর্জিত পুরস্কার।’
শতাধিক নাটক ও বিজ্ঞাপনে অভিনয়
এর মাঝে ১০০টির বেশি টেলিভিশন নাটক, বিজ্ঞাপনে অভিনয় করেন মামুন। সবশেষ ২০১৮ সালে অভিনয় করেন রুবেল আনুশের ‘প্রেমকাহন’ ছবিতে। এরপর আর অভিনয়ে দেখা যায়নি তাঁকে। জুতসই চরিত্র না পাওয়ায় অভিনয় থেকে অঘোষিত বিরতি নিয়েছেন তিনি। তবে জানিয়েছেন, অভিনয়ের জন্য সব সময় প্রস্তুত তিনি। মামুন বলেন, ‘ইন্ডাস্ট্রিতে আগের অবস্থা নেই। তাই কাজ কমিয়ে দিয়েছি। এ ছোট্ট জীবনে দেশের এমন সব অভিনেতা থেকে নির্মাতার সঙ্গে কাজের সুযোগ পেয়েছি, এখন চাইলেই সব কাজ করতে পারি না। তবে ভালো কাজ থেকে ভালো চরিত্রের অপেক্ষায় সব সময় আছি আমি।’
অভিনয় ছেড়ে ব্যবসায়
মামুনের বয়স পেরিয়েছে ২৮। তিন বছর আগে বিয়ে করেছেন। স্ত্রীও শৈশবে থিয়েটার করতেন এক দলে। সেখান থেকেই পরিচয়, প্রণয় ও বিয়ে। স্ত্রী–পরিবার নিয়ে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে থাকেন মামুন, সেখানেই জন্ম তাঁর।
বছিলায় ভগ্নিপতির সঙ্গে রয়েছে তাঁর নির্মাণসামগ্রীর ব্যবসা। রড, সিমেন্ট থেকে অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী পাওয়া যায় সেখানে। সারা দিন সময় কাটে ব্যবসায়। মাঝেমধ্যে সময় পেলে ইউটিউবে নিজের পুরোনো কাজগুলো দেখেন আর সময়গুলো মিস করেন। মামুন বলেন, ‘এত এত গুণী মানুষের সান্নিধ্য পেয়েছি, তা এখন কল্পনাও করতে পারি না। আলহামদুলিল্লাহ, কোনো আক্ষেপ নেই, নিজেকে খুব ভাগ্যবান মনে করি।’
হারিয়ে যাওয়া শিশুশিল্পীদের একজন
বাংলাদেশের নাটক ও সিনেমায় শিশুশিল্পীরা একসময় জনপ্রিয়তা পেলেও অনেকেই সময়ের সঙ্গে হারিয়ে যান। কেউ পড়াশোনায় মন দেন, কেউ ভিন্ন পেশায় চলে যান। মামুনও তাঁদের একজন। তবে তাঁর গল্প একটু আলাদা। তিনি শিশুশিল্পী হয়েও দেশের সবচেয়ে বড় পুরস্কার অর্জন করেছেন। এরপরও অভিনয় থেকে দূরে সরে যেতে বাধ্য হয়েছেন।সমসাময়িক অনেক শিশুশিল্পী এখন আর আলোচনায় নেই। কারও খোঁজ পাওয়া যায় না, কেউ হয়তো বিদেশে পড়াশোনা করছেন। এ প্রসঙ্গে মামুনের ভাষ্যে, ‘ইন্ডাস্ট্রির ধরন পাল্টে গেছে। আগে আমাদের মতো শিশুদের নাটক-সিনেমায় নিয়মিত রাখা হতো। এখন গল্প ও চরিত্রে সে সুযোগ কম। তাই কাজ না থাকলে সরে আসতে হয়।’ বিনোদন দুনিয়া ছেড়ে আপাতত তিনি ব্যস্ত রড-সিমেন্টের অঙ্ক কষে। আর রাতের নীরব মুহূর্তে স্মৃতিতে ফিরে যান সেই দিনগুলোতে, যখন ক্যামেরা চালু হতো আর পরিচালক বলতেন—অ্যাকশন!
![]() |
| ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ ছবিটি হাসান ফেরদৌস মামুনকে এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার এনে দেয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। কোলাজ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরানের হুমকি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন নেতানিয়াহুর ছেলে
প্রতিবেদন অনুযায়ী, শিন বেত হুমকিটি মূল্যায়ন করে এবং ইয়ার নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা দলের সঙ্গে সমন্বয় করে তাকে দ্রুত ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয়।
চ্যানেল ১২ জানিয়েছে, ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে নিউইয়র্কে থাকা শিন বেতের কয়েকজন কর্মকর্তাকেও এই অভিযান পরিচালনায় সহায়তার জন্য মিয়ামিতে পাঠানো হয়েছিল।
শিন বেতের এই নিশ্চিতকরণের আগে খবর প্রকাশিত হয়েছিল যে, ইয়ার নেতানিয়াহুকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ফ্লোরিডা থেকে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনা হয়। সে সময় ইসরায়েলি গোয়েন্দারা অভিযোগ করেছিল, ফ্লোরিডায় অবস্থানকালে তাকে হত্যার একটি ইরানি ষড়যন্ত্র তারা শনাক্ত করেছে।
সূত্র: আলজাজিরা
![]() |
| ছবি: সংগৃহীত। |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পশ্চিম তীরের গ্রামের একমাত্র প্রবেশপথ বন্ধ করে দিলো ইসরাইলি বাহিনী
গ্রাম পরিষদের প্রধান আমিন আবু আলিয়া ফিলিস্তিনের সরকারি বার্তা সংস্থা ওয়াফাকে বলেন, শুক্রবার থেকে গেটটি প্রায় পুরো সময় বন্ধ রয়েছে। মাঝেমধ্যে মাত্র কয়েক মিনিটের জন্য তা খুলে দেওয়া হচ্ছে।
তুরস্কের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা আনাদোলুকে আমিন আবু আলিয়া বলেন, সকালে গেট বন্ধ করে দেওয়া হয়, যাতে গ্রামের শ্রমিকেরা কাজে যেতে না পারেন। কাজ শেষে তারা গ্রামে ফিরতে চাইলেও একই পরিস্থিতির মুখে পড়ছেন।
আমিন আবু আলিয়ার অভিযোগ, এর লক্ষ্য ফিলিস্তিনিদের ওই এলাকা ছেড়ে যেতে বাধ্য করা।
শুক্রবার এক ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারীর ভেড়া চুরির অভিযোগের ভিত্তিতে আল-মুঘাইয়িরে অভিযান চালায় ইসরাইলি বাহিনী। তবে গ্রাম পরিষদের প্রধান এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
অভিযানের সময় তিন ফিলিস্তিনি আহত হন। আহতদের কাছে যাওয়ার সময় একটি অ্যাম্বুলেন্সকেও বাধা দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।
আমিন আবু আলিয়া বলেন, অভিযানের সময় ৫০ জনের বেশি ইসরাইলি বসতি স্থাপনকারী গ্রামের উত্তর অংশে ঢোকেন। তারা এক কৃষককে মারধর করেন এবং তার ২৫টি ভেড়া নিয়ে যান।
ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রায় ২০ দিন ধরে আল-মুঘাইয়ির ‘শ্বাসরুদ্ধকর অবরোধের’ মধ্যে রয়েছে। এই সময়ে কোনো কোনো দিন বাসিন্দাদের চলাচলের জন্য গেট মাত্র দুই ঘণ্টা খোলা রাখা হয়েছে।
দীর্ঘ সময় ধরে একমাত্র প্রবেশপথ বন্ধ থাকায় গ্রামের বাসিন্দাদের চলাচল ও কর্মজীবন ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, অবরোধের কারণে গ্রামের পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়ে উঠেছে।
![]() |
| ছবি: আনাদোলু |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইরান যুদ্ধ ও বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে চাপে ট্রাম্প
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের সঙ্গে ছয় মাস ধরে চলা যুদ্ধের কারণে যুক্তরাষ্ট্রে জ্বালানির দাম তুলনামূলকভাবে বেশি রয়েছে। একই সময়ে যুদ্ধের কারণে সামরিক ব্যয় বাড়ায় দেশটির সরকারি ঋণ ৪০ ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে।
সরকারের ঋণ নেওয়ার পরিমাণ বাড়ায় বন্ড বাজারেও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে সাধারণ মানুষের ঋণ নেওয়ার খরচেও। বিশেষ করে বাড়ির ঋণ বা মর্টগেজের সুদের হার এখনো বেশি রয়েছে।
জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি ছিল ৩ দশমিক ৭ শতাংশ, যা ফেডারেল রিজার্ভের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি।
এর সঙ্গে যোগ হয়েছে কানাডার ওপর ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্ক। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব শুল্ক মার্কিন ভোক্তাদের ওপর আরও চাপ তৈরি করতে পারে। ইয়েল বাজেট ল্যাবের হিসাব অনুযায়ী, নতুন শুল্কের কারণে একটি গড় মার্কিন পরিবারের বছরে প্রায় ১ হাজার ১০০ ডলার অতিরিক্ত খরচ হতে পারে।
অর্থনীতিবিদদের মতে, শুল্ক, ইরান যুদ্ধ এবং সরকারের বিভিন্ন নীতিগত সিদ্ধান্তের কারণে মূল্যস্ফীতি আগের প্রত্যাশার তুলনায় বেশি সময় ধরে উচ্চ পর্যায়ে থাকতে পারে।
তবে সব সূচকই নেতিবাচক নয়। যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। উৎপাদন খাতও শক্তিশালী হচ্ছে। শ্রমবাজার স্থিতিশীল রয়েছে এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা খাতে বিনিয়োগও বাড়ছে।
তারপরও মূল্যস্ফীতি, সরকারি ঋণের সুদ পরিশোধের বাড়তি ব্যয় এবং বাণিজ্য ও ইরান যুদ্ধ ঘিরে অনিশ্চয়তা সাধারণ মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের ওপর চাপ তৈরি করছে।
এই পরিস্থিতিতে নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্পের অর্থনৈতিক নীতির জন্য বড় পরীক্ষা হয়ে উঠতে পারে। অর্থনীতি ইস্যুর ওপর ওপর ভর করে ট্রাম্প আবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ট্রাম্প প্রশাসনের দাবি, তাদের নীতির সুফল দীর্ঘমেয়াদে মার্কিন অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে অর্থনীতিবিদদের আশঙ্কা, জীবনযাত্রার ব্যয় ও ঋণের চাপ দীর্ঘস্থায়ী হলে নির্বাচনের আগে ট্রাম্পের অর্থনৈতিক প্রতিশ্রুতির বিশ্বাসযোগ্যতা প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে।
সূত্র: শাফাক নিউজ
![]() |
| ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন লোকচক্ষুর আড়ালে ব্যারন ট্রাম্প
নিউইয়র্ক পোস্টের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যারন খুব একটা বাইরে বের হন না। ট্রাম্প পরিবারের ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র তাকে ‘বেশ অন্তর্মুখী’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
গত কয়েক বছরে ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একাধিক হত্যাচেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। ২০২৪ সালের জুলাইয়ে পেনসিলভেনিয়ার বাটলারে নির্বাচনী সমাবেশে গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন ট্রাম্প। একই বছরের সেপ্টেম্বরে ফ্লোরিডায় তার গলফ কোর্সে এক বন্দুকধারী তাকে হত্যার চেষ্টা করে।
এ ছাড়া ২০২৬ সালের ২৫ এপ্রিল হোয়াইট হাউস করেসপন্ডেন্টস ডিনারেও বন্দুক হামলার ঘটনা ঘটে।
এসব ঘটনার পর ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। এরই মধ্যে ব্যারন ট্রাম্পও হুমকির লক্ষ্য হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের কট্টরপন্থীদের একটি ভিডিওতে ব্যারনকে হত্যার হুমকি দেওয়া হয় এবং তার মাথার জন্য ১ কোটি ডলারের পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মেলানিয়া ট্রাম্পও ওই পক্ষের হুমকির লক্ষ্য হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।
ব্যারন সম্প্রতি নিউইয়র্ক ইউনিভার্সিটিতে দ্বিতীয় বর্ষ শেষ করেছেন। গ্রীষ্মের বেশিরভাগ সময় তিনি তার মা, ফার্স্ট লেডি মেলানিয়া ট্রাম্পের সঙ্গে নিউ জার্সির বেডমিনস্টারে ট্রাম্প পরিবারের গলফ ক্লাবে কাটিয়েছেন।
ঘনিষ্ঠ সূত্রগুলোর ভাষ্য, ব্যারন কোথাও গেলে সাধারণত জনসমাগমপূর্ণ এলাকায় বেশি সময় থাকেন না। দ্রুত নিজের ব্যক্তিগত জায়গায় চলে যান।
২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে রক্ষণশীল রাজনৈতিক কর্মী চার্লি কার্ক হত্যাকাণ্ড ব্যারনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছিল বলে জানা গেছে। কার্কের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল বলেও দাবি করা হয়েছে।
বই লেখক ম্যাগি হ্যাবারম্যান ও জোনাথন সোয়ানের দাবি, বাবাকে কার্কের মৃত্যুর খবর দেওয়ার সময় ব্যারন বলেছিলেন, ‘তুমি বাইরে বের হলে এটাই হয়।’
এই ঘটনা ব্যারনের নিরাপত্তা ও জনসম্মুখে চলাফেরার বিষয়ে উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল বলে প্রতিবেদনে ইঙ্গিত করা হয়েছে।
ব্যারনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য ফার্স্ট লেডির কার্যালয় গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছে। মেলানিয়া ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ছেলের নিরাপত্তা ও ব্যক্তিগত গোপনীয়তার বিষয়ে সতর্ক।
২০২২ সালে ব্যারনের ১৬ বছর পূর্ণ হওয়ার পর তার সিক্রেট সার্ভিস নিরাপত্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার কথা ছিল। তবে মেলানিয়ার অনুরোধে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন তার নিরাপত্তা বাড়ানোর অনুমতি দেন।
২০২৫ সালে মেলানিয়া ট্রাম্পকে নিয়ে নির্মিত একটি তথ্যচিত্রেও ব্যারনের বাইরে যেতে অনীহার বিষয়টি উঠে আসে।
শপথ অনুষ্ঠানের সময় ট্রাম্প পরিবারের সদস্যদের পেনসিলভেনিয়া অ্যাভিনিউ দিয়ে হাঁটার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে মেলানিয়া বলেছিলেন, “আমি জানি ব্যারন বাইরে যাবে না। আর আমি সেটা সম্মান করি।”
বিশেষজ্ঞদের মতে, দীর্ঘদিন ধরে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে থাকার কারণে ব্যারন সম্ভাব্য বিপদ সম্পর্কে অন্যদের তুলনায় বেশি সচেতন হয়ে উঠতে পারেন। তবে তাদের মতে, অন্তর্মুখী হওয়া মানেই তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, এমনটা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।
ট্রাম্প পরিবারের অন্য সন্তানদের তুলনায় ব্যারনের জীবনযাপন অনেকটাই আলাদা। ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র ও এরিক ট্রাম্প পরিবারের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। ইভাঙ্কা ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় এবং বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। টিফানি ট্রাম্পও মাঝে মাঝে বাবার সঙ্গে জনসম্মুখে দেখা দেন।
অন্যদিকে ব্যারন নিজের ব্যক্তিগত জীবন আড়ালে রাখতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন।
মার-আ-লাগো ও নিউইয়র্কের ট্রাম্প টাওয়ারেও তার জন্য আলাদা ব্যক্তিগত জায়গা রয়েছে। এমনকি হোয়াইট হাউসেও তার ৬ ফুট ৯ ইঞ্চি উচ্চতার উপযোগী করে বিশেষ আসবাবপত্র তৈরি করা হয়েছে।
ব্যারনের বর্তমান জীবনযাপন ও জনসম্মুখে আসার অনীহা দেখে ধারণা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে তিনি রাজনীতির বদলে ব্যবসার দিকেই যেতে পারেন।
তবে আপাতত তার অগ্রাধিকার নিজের ব্যক্তিগত জীবন, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা বজায় রাখা। ট্রাম্প পরিবারের ঘনিষ্ঠদের বক্তব্যেও সেটিই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
![]() |
| ফ্লোরিডায় বাবা মায়ের সঙ্গে ব্যারন ট্রাম্প। ছবি: দ্য গার্ডিয়ান |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্যেই সিনেমার কাজ, কঠিন লড়াইয়ের কথা বললেন বাঙালি অভিনেত্রী
‘হ্যাঁ, পোস্ট প্রোডাকশনের সময়ই আমার ক্যানসার ধরা পড়ে। ইতিমধ্যেই কঠিন পরিস্থিতি দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল’, ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন তন্নিষ্ঠা। তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি কোনো ছোট বিষয় ছিল না। মূল প্রশ্ন ছিল—আমি বাঁচব কি না।’
চলচ্চিত্রের কেন্দ্রে আছে আমরিন, এক মুসলিম নারী, যিনি তাঁর পরিবারে প্রধান উপার্জনকারী হয়ে ওঠেন। কীর্তি কুলহারি, শারাব হাশমি, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, মনিকা দোগড়া ও সচিন চৌধুরী অভিনীত সিনেমাটির মাধ্যমে বৈষম্য, পারিবারিক কর্তব্য বনাম ব্যক্তিগত পছন্দের টানাপোড়েনকে উপস্থাপন করেছেন নির্মাতা।
নিউ দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে স্নাতক তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি ১৫ বছরের অভিনয় জীবনে বহু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, যার মধ্যে আছে ‘ব্রিক লেন’ (২০০৭), ‘মনসুন শুটআউট’ (২০১৩), ‘লায়ন’ (২০১৬) ইত্যাদি সিনেমা।
তাঁর নতুন পরিচালনায় বাস্তব জীবন থেকে প্রেরণা নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে এক গৃহকর্মীকে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করি, ভিন্ন ভিন্ন বাড়ির খাবারের অভ্যাস নিয়ে তাঁর অভিযোগে হিউমার খুঁজতে। তবে গভীরভাবে দেখার পর আমি আরও শক্তিশালী একটি গল্প খুঁজে পাই।’
কীর্তি কুলহারি, যিনি আগে ‘জল’-এ তন্নিষ্ঠার সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন, চিত্রনাট্য শেষ হওয়ার আগেই প্রজেক্টে যুক্ত হন।
স্বাভাবিকভাবে স্বাধীন চলচ্চিত্রে অর্থ সংগ্রহ চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু পরিচালককে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে, যা প্রোডাকশনকে আরও জটিল করে তোলে। সিঙ্গেল মাদার হিসেবে তিনি ৯ বছর বয়সী সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সী মাকে দেখভাল করছিলেন, তাই সিনেমাটি শেষ করা তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
‘আমি জানি না কোথা থেকে সেই শক্তি পেলাম সবকিছু সামলানোর জন্য, শুধু নিজেকে বললাম, প্রতিটি দিনকে তাঁর স্বাভাবিকভাবেই মেনে নাও’, বলেন তন্নিষ্ঠা।
তন্নিষ্ঠার চিকিৎসার জন্য পোস্ট প্রোডাকশন কয়েক মাস থেমে যায়। ‘চলচ্চিত্র শেষ করা ছিল আমার সুস্থতার অংশ। মিউজিক সেশনে বসা, এডিট করা—সবই সুস্থতার প্রক্রিয়ার অংশ। তাই আমরা দ্রুতই কাজ শুরু করেছিলাম’, বলেন তন্নিষ্ঠা। তাঁর সিনেমা ‘ফুল প্লেট’ এবারের বুসান উৎসবে মেরি ক্লেয়ার ভিশনারি অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।
![]() |
| সিনেমার অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে তন্নিষ্ঠ্যা। ইনস্টাগ্রাম থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কিয়েভের কাছে গোলাবারুদের গুদামে রাশিয়ার হামলা, নিহত ৩৭
আজ শনিবার কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তৈমুর তকাচেঙ্কো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, বুচা জেলায় নিহত বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পরিষেবা সংস্থা এই মর্মান্তিক ঘটনাস্থলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’
ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ আজ জানিয়েছে, কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির কাছে মাইলা শহরের ওই গোলাবারুদের গুদামে হামলার পরপরই সেখানে একের পর এক বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।
তকাচেঙ্কো জানান, এই হামলায় অন্তত ৫০টি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার কারণে সেখানে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়, যা পরে আশপাশের বাড়িঘর এবং একটি রেস্তোরাঁয় ছড়িয়ে পড়ে।
হামলার শিকার ওই এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তকাচেঙ্কো জানান, নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও রয়েছেন।
ইউক্রেনীয় সরকারি কৌঁসুলিদের মতে, ওই গুদামে ‘বিস্ফোরক বস্তু’ মজুত করা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে তাঁরা একটি তদন্ত শুরু করছেন বলেও জানিয়েছেন।
তদন্তে মূলত ‘ওই প্রতিষ্ঠানের জায়গায় বিস্ফোরক পণ্য ও সরঞ্জাম মজুত রাখা কতটা বৈধ ছিল’, সেটির ওপর জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া ওই কোম্পানির ‘প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং অনুমোদন’ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। কোম্পানিটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলার পর সেখানে ‘বিস্ফোরণ ঘটে’। তিনি ঘটনাস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে নিশ্চিত করেছেন, এ ঘটনার পর ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে ইউক্রেনে অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৬৭টি ড্রোন ছুড়েছে রাশিয়া।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুদামে হামলার পাশাপাশি শনিবার ভোরে রাশিয়ার অন্যান্য হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে কিয়েভে দুই বছরের একটি শিশু এবং রাজধানীর বাইরের শহরতলিতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী রয়েছে।
অন্যদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টেলিগ্রামে জানিয়েছে, রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে নয়জন। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
ক্রিমিয়া উপদ্বীপের রুশ-নিয়ন্ত্রিত সেভাস্তোপোলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির রুশ-নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ।
সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় দেশই একে অপরের ওপর দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। এতে ক্রমেই বেসামরিক অবকাঠামো, যেমন বিভিন্ন গুদাম এবং তেল ও বন্দর স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। এর ফলে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি অনেক বেড়ে গেছে।
![]() |
| কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী। রাতের হামলার পর সেখানকার একটি গোলাবারুদের গুদামে আগুন জ্বলছিল। ২৯ আগস্ট ২০২৬ ছবি: এএফপি |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কলকাতার মুসলিম কলোনিতে এক মাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ, কারা কেন করলেন
আপাতত অর্থের বিনিময়ে পুরসভার কাছ থেকে বাসিন্দাদের পানি কিনতে হচ্ছে। এলাকাটি কলকাতা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। ওই কলোনির বাসিন্দাদের বেশির ভাগই মুসলিম।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি বন্ধ করার পেছনে স্থানীয় বিজেপির এমএলএ রীতেশ তিওয়ারির ভূমিকা রয়েছে। কারণ, ওই অঞ্চলে বেশির ভাগ মানুষ মুসলিম সম্প্রদায়ের। তিওয়ারি নির্দিষ্টভাবে তাঁদের হুমকি দিয়েছিলেন।
ভোটে জেতার পর এক সভায় তিওয়ারি বলেছিলেন, মুসলিমরা তাঁকে ভোট দেননি। আগামী পাঁচ বছর তাঁদের জন্য তিনি কোনো কাজ করবেন না। বাসিন্দারা কলকাতার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) কাউন্সিলর সুমন সিং নির্বাচনের ফলাফলের পরই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।
ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ প্রায় এক মাস ধরে পানি সরবরাহ থেকে বঞ্চিত। অভিযোগ উঠেছে, গত ২৯ জুলাই রাত থেকে এই কলোনির মধ্যে থাকা পাঁচটি রাস্তার কলের পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তার আলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরে রাস্তার আলো জ্বললেও পানি সরবরাহ এখনো বন্ধ।
বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের এলাকার কলগুলোতে পানি বন্ধ থাকলেও একই রাস্তার ধারে অবস্থিত হিন্দুপ্রধান কলোনিগুলোর কলে নিয়মিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।
স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, শিশুরা মুখ ধোয়ার জন্য ঘাটে যাচ্ছে। অনেকেই গঙ্গায় (হুগলি নদী) পড়ে গেছে। অল্পের জন্য কেউ কেউ ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। যারা সাঁতার জানে না, তারাও নদীতে গোসল করতে বাধ্য হচ্ছে। এলাকায় রয়েছে একটি মসজিদ। পানির অভাবে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া মানুষজন অজুও করতে পারছেন না।
কলকাতা পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কাশীপুর এলাকায় এই কলোনির অবস্থান। প্রায় ছয় দশক ধরে এখানে মানুষ বসবাস করছে। বর্তমানে প্রায় ৫০০ পরিবারের সাড়ে তিন হাজার মানুষ বসবাস করে। বাসিন্দাদের অধিকাংশই মুসলিম। তবে কিছু হিন্দু পরিবারও এখানে থাকে। স্থানীয়ভাবে এলাকাটি ‘মোল্লা পাড়া’ বা ‘মুসলিম কলোনি’ নামে পরিচিত।
বেশির ভাগ বাসিন্দা নির্মাণশ্রমিক হিসেবে বা বোতল গলানোর কারখানায় নামমাত্র মজুরিতে কাজ করেন। সরস্বতী বিশ্বাস নামে এলাকার এক বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘বহু বছর ধরে হিন্দু ও মুসলিম—উভয় সম্প্রদায়ের গরিব মানুষ নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। কিন্তু কখনো এমন অসুবিধার মুখে পড়েননি।’
বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২৭ জুলাই কেএমসির কর্মীরা কলোনির পানির পাইপলাইন মেরামতের কাজ করতে এসেছিলেন। ২৯ জুলাই পর্যন্ত সেই মেরামতের কাজ চলে, সেদিন বাসিন্দারা পানি পান। কিন্তু ওই দিনই রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা হঠাৎ লক্ষ করেন, পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর বিশ্বাস বলেন, পরদিন তাঁরা পুরনিগমের কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। পরের দিন কলোনির রাস্তার আলো বা বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। পরে অবশ্য আলো জ্বলে।
কলোনির বাসিন্দা শেখ মইনউদ্দিন নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, নদীর দূষিত পানি ব্যবহার শুরুর পর থেকে অনেক শিশুর জ্বর, মাথাব্যথা ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঘাটের কাদা ও পিচ্ছিল ধাপে পা পিছলে পড়ে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন।
বয়স্ক ব্যক্তি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য পরিস্থিতিটি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, স্নান ও অন্যান্য প্রাত্যহিক প্রয়োজনে তাঁরা নদীটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।
ইসমা খাতুন নামে এক স্কুলছাত্রী গণমাধ্যমকে বলে, পানির সংকটের কারণে সে স্কুলে যেতে পারছে না। তার অভিযোগ, পরীক্ষার সময় এই সংকট শুরু হওয়ায় তার পড়াশোনায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এমনকি বস্তির স্কুলটিতেও পানির সংযোগ দেওয়া হয়নি।
এ অবস্থায় আগামী দিনে উচ্ছেদের আশঙ্কা করছেন কলোনির বাসিন্দারা। বিজেপির তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।
![]() |
| পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: এএনআই |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
BNM Special
BNM Archive
BNM Archive
-
▼
2026
(1996)
-
▼
August
(340)
-
▼
Aug 30
(15)
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বদলে যাচ্ছে যৌন পুতুলের বাজার...
- লেবাননে সমৃদ্ধ ইতিহাসের নতুন তথ্য, মিলছে হাজার বছর...
- আরব বিশ্বে বাড়ছে খাদ্য ও পানির সংকট, মরুকরণে ব্যাহ...
- তুরস্কের সঙ্গে উত্তেজনা বাড়িয়ে চাপে নেতানিয়াহু
- ইরান যুদ্ধে অস্ত্রের মজুত ‘সংকটজনক’, চীন-রাশিয়া মো...
- নিষেধাজ্ঞায় কি নত হবে ইরান, ট্রাম্পের সামনে বড় প্রশ্ন
- ব্যাগে ছয় দেশের পাসপোর্ট, বেনজীর এখন সেন্ট লুসিয়ায়...
- ‘ঘেটুপুত্র কমলা’ এখন রড-সিমেন্টের কারবারি by নাজমু...
- ইরানের হুমকি পেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরলেন নে...
- পশ্চিম তীরের গ্রামের একমাত্র প্রবেশপথ বন্ধ করে দিল...
- ইরান যুদ্ধ ও বাণিজ্য উত্তেজনা, মধ্যবর্তী নির্বাচনে...
- কেন লোকচক্ষুর আড়ালে ব্যারন ট্রাম্প
- ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্যেই সিনেমার কাজ, কঠিন লড়াইয়...
- কিয়েভের কাছে গোলাবারুদের গুদামে রাশিয়ার হামলা, নিহ...
- কলকাতার মুসলিম কলোনিতে এক মাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ...
-
▼
Aug 30
(15)
-
▼
August
(340)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (129)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








