Sunday, August 30, 2026

ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্যেই সিনেমার কাজ, কঠিন লড়াইয়ের কথা বললেন বাঙালি অভিনেত্রী

২০১৯ সালে ‘রোম রোম ম্যায়’-এর মাধ্যমে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করা তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি, যা বুসান আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে এশিয়া স্টার অ্যাওয়ার্ড জিতেছিল। বাঙালি এই অভিনেত্রী ও নির্মাতা এবার হাজির তাঁর নতুন সিনেমা ‘ফুল প্লেট’ নিয়ে। তবে এবার সিনেমা তৈরি করার সময় সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। তন্নিষ্ঠা স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হন, ক্যানসারের চিকিৎসার মধ্যেই চলছে সিনেমার কাজ। ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার পর সিনেমার ভবিষ্যৎই অনিশ্চিত হয়ে পড়েছিল কিন্তু তন্নিষ্ঠা দৃঢ় মনোবল নিয়ে ঠিকই শেষ পর্যন্ত সিনেমাটির কাজ শেষ করেছেন।

‘হ্যাঁ, পোস্ট প্রোডাকশনের সময়ই আমার ক্যানসার ধরা পড়ে। ইতিমধ্যেই কঠিন পরিস্থিতি দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছিল’, ভ্যারাইটিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন তন্নিষ্ঠা। তিনি আরও যোগ করেন, ‘এটি কোনো ছোট বিষয় ছিল না। মূল প্রশ্ন ছিল—আমি বাঁচব কি না।’

চলচ্চিত্রের কেন্দ্রে আছে আমরিন, এক মুসলিম নারী, যিনি তাঁর পরিবারে প্রধান উপার্জনকারী হয়ে ওঠেন। কীর্তি কুলহারি, শারাব হাশমি, ইন্দ্রনীল সেনগুপ্ত, মনিকা দোগড়া ও সচিন চৌধুরী অভিনীত সিনেমাটির মাধ্যমে বৈষম্য, পারিবারিক কর্তব্য বনাম ব্যক্তিগত পছন্দের টানাপোড়েনকে উপস্থাপন করেছেন নির্মাতা।

নিউ দিল্লির ন্যাশনাল স্কুল অব ড্রামা থেকে স্নাতক তন্নিষ্ঠা চ্যাটার্জি ১৫ বছরের অভিনয় জীবনে বহু চলচ্চিত্রে কাজ করেছেন, যার মধ্যে আছে ‘ব্রিক লেন’ (২০০৭), ‘মনসুন শুটআউট’ (২০১৩), ‘লায়ন’ (২০১৬) ইত্যাদি সিনেমা।

তাঁর নতুন পরিচালনায় বাস্তব জীবন থেকে প্রেরণা নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমে এক গৃহকর্মীকে পর্যবেক্ষণ করতে শুরু করি, ভিন্ন ভিন্ন বাড়ির খাবারের অভ্যাস নিয়ে তাঁর অভিযোগে হিউমার খুঁজতে। তবে গভীরভাবে দেখার পর আমি আরও শক্তিশালী একটি গল্প খুঁজে পাই।’

কীর্তি কুলহারি, যিনি আগে ‘জল’-এ তন্নিষ্ঠার সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন, চিত্রনাট্য শেষ হওয়ার আগেই প্রজেক্টে যুক্ত হন।

স্বাভাবিকভাবে স্বাধীন চলচ্চিত্রে অর্থ সংগ্রহ চ্যালেঞ্জ ছিল, কিন্তু পরিচালককে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করতে হয়েছে, যা প্রোডাকশনকে আরও জটিল করে তোলে। সিঙ্গেল মাদার হিসেবে তিনি ৯ বছর বয়সী সন্তান এবং ৭০ বছর বয়সী মাকে দেখভাল করছিলেন, তাই সিনেমাটি শেষ করা তাঁর জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়।
‘আমি জানি না কোথা থেকে সেই শক্তি পেলাম সবকিছু সামলানোর জন্য, শুধু নিজেকে বললাম, প্রতিটি দিনকে তাঁর স্বাভাবিকভাবেই মেনে নাও’, বলেন তন্নিষ্ঠা।
তন্নিষ্ঠার চিকিৎসার জন্য পোস্ট প্রোডাকশন কয়েক মাস থেমে যায়। ‘চলচ্চিত্র শেষ করা ছিল আমার সুস্থতার অংশ। মিউজিক সেশনে বসা, এডিট করা—সবই সুস্থতার প্রক্রিয়ার অংশ। তাই আমরা দ্রুতই কাজ শুরু করেছিলাম’, বলেন তন্নিষ্ঠা। তাঁর সিনেমা ‘ফুল প্লেট’ এবারের বুসান উৎসবে মেরি ক্লেয়ার ভিশনারি অ্যাওয়ার্ড জিতেছে।

https://media.prothomalo.com/prothomalo-bangla%2F2025-09-21%2Fklex3lq2%2Fa7f7e9a170667c370ca3bb5648e978c5.webp?rect=56%2C0%2C845%2C563&w=622&auto=format%2Ccompress&fmt=avif
সিনেমার অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গে তন্নিষ্ঠ্যা। ইনস্টাগ্রাম থেকে

কিয়েভের কাছে গোলাবারুদের গুদামে রাশিয়ার হামলা, নিহত ৩৭

ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভের কাছে একটি গোলাবারুদের গুদামে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় কমপক্ষে ৩৭ জন নিহত হয়েছে। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এ কথা জানিয়েছেন। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

আজ শনিবার কিয়েভ অঞ্চলের গভর্নর তৈমুর তকাচেঙ্কো বার্তা আদান-প্রদানের অ্যাপ টেলিগ্রামে বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত, বুচা জেলায় নিহত বেড়ে ৩৭ জনে দাঁড়িয়েছে। উদ্ধারকারী দলসহ সংশ্লিষ্ট সব পরিষেবা সংস্থা এই মর্মান্তিক ঘটনাস্থলে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’

ইউক্রেনের কর্তৃপক্ষ আজ জানিয়েছে, কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির কাছে মাইলা শহরের ওই গোলাবারুদের গুদামে হামলার পরপরই সেখানে একের পর এক বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।

তকাচেঙ্কো জানান, এই হামলায় অন্তত ৫০টি আবাসিক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলার কারণে সেখানে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়, যা পরে আশপাশের বাড়িঘর এবং একটি রেস্তোরাঁয় ছড়িয়ে পড়ে।

হামলার শিকার ওই এলাকা থেকে প্রায় ৪০০ মানুষকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

এ ঘটনায় কয়েক ডজন মানুষের আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। তকাচেঙ্কো জানান, নিহতদের মধ্যে দিমিত্রিভস্কা গ্রামের মেয়র তারাস দিদিচও রয়েছেন।

ইউক্রেনীয় সরকারি কৌঁসুলিদের মতে, ওই গুদামে ‘বিস্ফোরক বস্তু’ মজুত করা ছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে। অপরাধমূলক অবহেলার দায়ে তাঁরা একটি তদন্ত শুরু করছেন বলেও জানিয়েছেন।

তদন্তে মূলত ‘ওই প্রতিষ্ঠানের জায়গায় বিস্ফোরক পণ্য ও সরঞ্জাম মজুত রাখা কতটা বৈধ ছিল’, সেটির ওপর জোর দেওয়া হবে। এ ছাড়া ওই কোম্পানির ‘প্রয়োজনীয় অনুমতি এবং অনুমোদন’ ছিল কি না, সেটিও খতিয়ে দেখা হবে। কোম্পানিটির নাম প্রকাশ করা হয়নি।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলার পর সেখানে ‘বিস্ফোরণ ঘটে’। তিনি ঘটনাস্থল সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি। তবে নিশ্চিত করেছেন, এ ঘটনার পর ফৌজদারি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ইউক্রেনীয় বিমানবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার গভীর রাত থেকে শনিবার ভোরের মধ্যে ইউক্রেনে অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৬৭টি ড্রোন ছুড়েছে রাশিয়া।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গুদামে হামলার পাশাপাশি শনিবার ভোরে রাশিয়ার অন্যান্য হামলায় আরও তিনজন নিহত হয়েছে। এর মধ্যে কিয়েভে দুই বছরের একটি শিশু এবং রাজধানীর বাইরের শহরতলিতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী রয়েছে।

অন্যদিকে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ টেলিগ্রামে জানিয়েছে, রাশিয়ার বেলগোরোদ অঞ্চলে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় কমপক্ষে তিনজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে নয়জন। কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপের রুশ-নিয়ন্ত্রিত সেভাস্তোপোলে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় আরও একজন নিহত এবং তিনজন আহত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শহরটির রুশ-নিযুক্ত গভর্নর মিখাইল রাজভোজায়েভ।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয় দেশই একে অপরের ওপর দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে। এতে ক্রমেই বেসামরিক অবকাঠামো, যেমন বিভিন্ন গুদাম এবং তেল ও বন্দর স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। এর ফলে বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি অনেক বেড়ে গেছে।

কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী। রাতের হামলার পর সেখানকার একটি গোলাবারুদের গুদামে আগুন জ্বলছিল। ২৯ আগস্ট ২০২৬
কিয়েভের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহরতলির আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী। রাতের হামলার পর সেখানকার একটি গোলাবারুদের গুদামে আগুন জ্বলছিল। ২৯ আগস্ট ২০২৬ ছবি: এএফপি

কলকাতার মুসলিম কলোনিতে এক মাস ধরে পানি সরবরাহ বন্ধ, কারা কেন করলেন

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা পুরসভার অন্তর্গত উত্তর কলকাতার কাশীপুর অঞ্চলের জ্যোতিনগর কলোনিতে গত ২৯ জুলাই থেকে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ। বিদ্যুৎ সরবরাহ পরে চালু হলেও পানি এখনো বন্ধ। এর ফলে হুগলি নদীর খাল দিয়ে বয়ে আসা পানিতে জীবন নির্বাহ করতে বাধ্য হচ্ছেন কলোনির কয়েক হাজার মানুষ।

আপাতত অর্থের বিনিময়ে পুরসভার কাছ থেকে বাসিন্দাদের পানি কিনতে হচ্ছে। এলাকাটি কলকাতা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত। ওই কলোনির বাসিন্দাদের বেশির ভাগই মুসলিম।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, পানি বন্ধ করার পেছনে স্থানীয় বিজেপির এমএলএ রীতেশ তিওয়ারির ভূমিকা রয়েছে। কারণ, ওই অঞ্চলে বেশির ভাগ মানুষ মুসলিম সম্প্রদায়ের। তিওয়ারি নির্দিষ্টভাবে তাঁদের হুমকি দিয়েছিলেন।

ভোটে জেতার পর এক সভায় তিওয়ারি বলেছিলেন, মুসলিমরা তাঁকে ভোট দেননি। আগামী পাঁচ বছর তাঁদের জন্য তিনি কোনো কাজ করবেন না। বাসিন্দারা কলকাতার সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, এই ওয়ার্ডের তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) কাউন্সিলর সুমন সিং নির্বাচনের ফলাফলের পরই এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।

ওই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ প্রায় এক মাস ধরে পানি সরবরাহ থেকে বঞ্চিত। অভিযোগ উঠেছে, গত ২৯ জুলাই রাত থেকে এই কলোনির মধ্যে থাকা পাঁচটি রাস্তার কলের পানি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি রাস্তার আলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পরে রাস্তার আলো জ্বললেও পানি সরবরাহ এখনো বন্ধ।

বাসিন্দাদের অভিযোগ, তাঁদের এলাকার কলগুলোতে পানি বন্ধ থাকলেও একই রাস্তার ধারে অবস্থিত হিন্দুপ্রধান কলোনিগুলোর কলে নিয়মিত পানি সরবরাহ করা হচ্ছে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, শিশুরা মুখ ধোয়ার জন্য ঘাটে যাচ্ছে। অনেকেই গঙ্গায় (হুগলি নদী) পড়ে গেছে। অল্পের জন্য কেউ কেউ ডুবে যাওয়া থেকে রক্ষা পেয়েছে। যারা সাঁতার জানে না, তারাও নদীতে গোসল করতে বাধ্য হচ্ছে। এলাকায় রয়েছে একটি মসজিদ। পানির অভাবে মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া মানুষজন অজুও করতে পারছেন না।

কলকাতা পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের অন্তর্গত কাশীপুর এলাকায় এই কলোনির অবস্থান। প্রায় ছয় দশক ধরে এখানে মানুষ বসবাস করছে। বর্তমানে প্রায় ৫০০ পরিবারের সাড়ে তিন হাজার মানুষ বসবাস করে। বাসিন্দাদের অধিকাংশই মুসলিম। তবে কিছু হিন্দু পরিবারও এখানে থাকে। স্থানীয়ভাবে এলাকাটি ‘মোল্লা পাড়া’ বা ‘মুসলিম কলোনি’ নামে পরিচিত।

বেশির ভাগ বাসিন্দা নির্মাণশ্রমিক হিসেবে বা বোতল গলানোর কারখানায় নামমাত্র মজুরিতে কাজ করেন। সরস্বতী বিশ্বাস নামে এলাকার এক বাসিন্দা সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘বহু বছর ধরে হিন্দু ও মুসলিম—উভয় সম্প্রদায়ের গরিব মানুষ নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে একসঙ্গে থাকছেন। কিন্তু কখনো এমন অসুবিধার মুখে পড়েননি।’

বাসিন্দাদের অভিযোগ, গত ২৭ জুলাই কেএমসির কর্মীরা কলোনির পানির পাইপলাইন মেরামতের কাজ করতে এসেছিলেন। ২৯ জুলাই পর্যন্ত সেই মেরামতের কাজ চলে, সেদিন বাসিন্দারা পানি পান। কিন্তু ওই দিনই রাত সাড়ে ১১টার দিকে তাঁরা হঠাৎ লক্ষ করেন, পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলমগীর বিশ্বাস বলেন, পরদিন তাঁরা পুরনিগমের কার্যালয়ে যোগাযোগ করলেও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে কোনো ইতিবাচক সাড়া পাননি। পরের দিন কলোনির রাস্তার আলো বা বিদ্যুৎ-সংযোগও বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে। পরে অবশ্য আলো জ্বলে।

কলোনির বাসিন্দা শেখ মইনউদ্দিন নিজেদের অসুবিধার কথা জানাতে গিয়ে বলেন, নদীর দূষিত পানি ব্যবহার শুরুর পর থেকে অনেক শিশুর জ্বর, মাথাব্যথা ও ত্বকের সমস্যা দেখা দিয়েছে। ঘাটের কাদা ও পিচ্ছিল ধাপে পা পিছলে পড়ে অনেকেই গুরুতর আহত হয়েছেন।

বয়স্ক ব্যক্তি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন মানুষের জন্য পরিস্থিতিটি বিশেষ ঝুঁকিপূর্ণ। কারণ, স্নান ও অন্যান্য প্রাত্যহিক প্রয়োজনে তাঁরা নদীটি ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন।

ইসমা খাতুন নামে এক স্কুলছাত্রী গণমাধ্যমকে বলে, পানির সংকটের কারণে সে স্কুলে যেতে পারছে না। তার অভিযোগ, পরীক্ষার সময় এই সংকট শুরু হওয়ায় তার পড়াশোনায় মারাত্মক প্রভাব পড়েছে। এমনকি বস্তির স্কুলটিতেও পানির সংযোগ দেওয়া হয়নি।

এ অবস্থায় আগামী দিনে উচ্ছেদের আশঙ্কা করছেন কলোনির বাসিন্দারা। বিজেপির তরফ থেকে বিষয়টি নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী
পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ছবি: এএনআই