Wednesday, August 13, 2014
গাজার বাড়ি বাড়ি, স্কুলে ইসরাইলি সেনাদের মলমূত্র ত্যাগ

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ণিমার জোয়ারের ফুঁসে ওঠা পানিতে কুতুবদিয়া সয়লাব: বসতঘর ও ফসল বিনষ্ট by আহমদ কবির বাবুল

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে উত্তর ধূরুংয়ের চরধূরুং, আকবরবলী পাড়া, নজুমিয়া বাপের পাড়া, ফয়জানি বাপের পাড়া, দক্ষিণ ধূরুংয়ের মদন্যা পাড়া, অলি পাড়া, বাতিঘর পাড়া, লেমশীখালীর পেয়ারাকাটা, কৈয়ারবিলের মলমচর, বিন্দাপাড়া, বড়ঘোপের দক্ষিণ মুরালিয়া, আলী আকবর ডেইলের তাবালেরচর এলাকায় শনি ও রবিবার ভাঙ্গা বেড়িবাঁধ দিয়ে অনবরত সমুদ্রের পানি ঢুকে পড়ছে। লবণাক্ত পানির কারণে কয়েকশ’ একর আউশ ফসল বিনষ্ট হয়েছে। গেল জোর পানি নেমে গেলে সংশ্লিষ্ট কাজের টিকাদারের নিয়োগকৃত সাব টিকাদার নামমাত্র মাটির কাজ করে বরাদ্ধের সমুদয় টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ করেন এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ লোকজন। বেড়িবাধের বাইরে থাকা প্রায় ৯শ’পরিবারের পুনর্বাসন দাবী করেন কৈয়ারবিলর ইউপি চেয়ারম্যান আজমগীর মাতবর। দ্বীপটির ৪০কি.মি. বেড়িবাঁধের মধ্যে প্রায় ১৫ কি.মি. অধিক ঝুঁকিপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। দূর্গত মানুষের প্রায়োজনীয় সহায়তা জরুরী বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুমিনুর রশিদ জানিয়েছেন। এদিকে বারবার যোগাযোগ করেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাউকে পাওয়া যায়নি।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষমতাসীন দল একদলীয় শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে by উইলিয়াম বি মাইলাম
এই প্রবণতার একটি নেতিবাচক প্রভাবের প্রতিফলন ঘটেছে বর্তমানে পূর্ব ইউরোপ সঙ্কটে। আমাকে বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, ১৯৯০-এর দশকে রাশিয়া উন্মুক্ত হচ্ছিল, আধুনিক হচ্ছিল। কিন্তু প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও সাবেক গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবিতে থাকা তার ঘনিষ্ঠজনদের অধীনে এ দেশটি আবার একটি কর্তৃত্বপরায়ণ সমাজে পরিণত হয়েছে। মাত্র ২৩ বছর আগে কর্তৃত্বপরায়ণ রাষ্ট্রের জন্মদাত্রী সোভিয়েত ইউনিয়নকে এখন তারা ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে অতিমাত্রায় জাতীয়তাবাদী নীতি দিয়ে তারা পূর্ব ইউরোপে নতুন করে প্রভাব সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এ চেষ্টার মূলেই রয়েছে কর্তৃত্বপরায়ণতা।
রাশিয়ার পশ্চিম সীমান্তে যে জায়মান গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র রয়েছে তা তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের হুমকিতে পড়তে পারে- এমন ধারণা রয়েছে ভ্লাদিমির পুতিনের। অতীতের কল্পিত যশ নিয়ে পুতিন যে নস্টালজিয়ায় রয়েছেন তা পূর্ব ইউরোপে রাজনৈতিক সঙ্কট সৃষ্টি করেছে। এমনটা ১৯৩৯ সালের পর আর দেখা যায় নি। রাশিয়ার বর্তমান নীতি এবং নগ্ন আগ্রাসী মনোভাব, প্রতিশোধপরায়ণতা, ৭৫ থেকে ৮০ বছর আগের দিনগুলোর অবস্থায় দেশকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়াকে একই সমান্তরালে দেখছেন পশ্চিমা অনেক কূটনীতিক। ৭৫ থেকে ৮০ বছর আগের ওই ঘটনাগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরুতে নিয়ামক ভূমিকা রেখেছিল। এ যুদ্ধে কমপক্ষে ৩ কোটি বেসামরিক মানুষ নিহত হন।
১৯১৪ সালের গ্রীষ্মে শুরু হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। শতাব্দী প্রাচীন ওই ঘটনার সঙ্গে যুগপৎ মিলে যাচ্ছে ইউক্রেন সঙ্কট। এ ঘটনা বিতর্কিত ও সৃষ্টিশীল অর্থনৈতিক ইতিহাসবিদ নাইঅল ফারগুসনকে প্ররোচিত করেছে বর্তমানের এই সঙ্কটের সঙ্গে ওই সময়কার ঘটনার মধ্যে সাদৃশ্য খুঁজতে, এটা ইকোনমিক টাইমসেও প্রকাশিত হয়েছে। তিনি দেখিয়েছেন বর্তমান সঙ্কটে যখন জ্বলছে সব তখন ইউরোপীয় নেতারা পরিণতি জেনেও ঘুমিয়ে আছেন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে নিহত হন কমপক্ষে ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ। মাঝে মাঝে ধরা হয় প্রথম বিশ্বযুদ্ধ ইঙ্গিত দিয়ে গিয়েছিল যে, ১৯৩০-এর পরে আগ্রাসী মনোভাব, প্রতিশোধপরায়ণতা, অতিমাত্রায় জাতীয়তাবাদী রাষ্ট্রের উত্থান এবং ১৯৩৯-৪৫ সময়কালের রক্তপাত অপরিহার্য হয়ে উঠবে।
গণতন্ত্রায়নের পশ্চাৎযাত্রা দেখা গিয়েছিল বিংশ শতাব্দীর শেষের দিকে ও একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে। আমাদের প্রশ্ন করা উচিত- কেন গণতন্ত্রায়ন এ সময়টাতে পশ্চাৎমুখী হয়েছে? কেউ কেউ যুক্তি দেখাতে পারেন যে, এতে অর্থনৈতিক যে প্রতিবন্ধকতা ছিল তারই প্রতিফলন ঘটেছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠিত বেশির ভাগ গণতন্ত্রে রয়েছে দৃশ্যত রুগ্ণ অবস্থা। এর কারণ, রাজনৈতিক অপরিপক্বতা। এ জন্য তারা তাদের নাগরিকদের কাঙ্ক্ষিত অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে না। কিন্তু আমার জানা মতে, রাশিয়া, চীন বা তুরস্কে উচ্চাকাঙ্ক্ষী অভিবাসীর বিশাল প্রবাহ নেই। সেখানে অভিবাসীর যে স্রোত দেখা যায় তা হলো গণতন্ত্র। লাখ লাখ মানুষ স্বাধীনতা ও আইনের শাসন খোঁজেন।
উইলিয়াম বি মাইলাম, ওয়াশিংটনে উড্র উইলসনের সিনিয়র স্কলার। বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ছিলেন।
গতকাল প্রকাশিত দ্য এক্সপ্রেস ট্রিবিউনে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ- মেটাফোর অর অ্যালিগোরি?’ শীর্ষক লেখার অনুবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিয়ার চোখে তখন অশ্রুবিন্দু
১৯৭৫ সালের ৭ই নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে লেখক ও গবেষক মহিউদ্দিন আহমদের প্রকাশিতব্য গ্রন্থে এসব কথা বলা হয়েছে। দৈনিক প্রথম আলোর ঈদ সংখ্যায় ‘৭ই নভেম্বরের সাত-সতেরো’ শিরোনামে বইটির নির্বাচিত অংশ প্রকাশিত হয়েছে। এতে কর্নেল তাহেরকে মুক্ত করতে ভারতীয় কমিশনারকে জিম্মি করার অভিযানের বর্ণনা দেয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ঢাকা নগর গণবাহিনীর কমান্ডার আনোয়ার হোসেন একটি পরিকল্পনা আঁটেন যা এ দেশে আগে কখনও ঘটেনি। ছয় জনের একটি সুইসাইড স্কোয়াড তৈরি হয়। এর সদস্যরা হলেন- সাখাওয়াত হোসেন বাহার, ওয়ারেসাত হোসেন বেলাল, মীর নজরুল ইসলাম বাচ্চু, মাসুদুর রহমান, হারুনুর রশীদ ও সৈয়দ বাহালুল হাসান সবুজ। প্রথমে মতিঝিলে আদমজী কোর্টে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস রেকি করা হয়। পরে সিদ্ধান্ত বদল করে ধানমন্ডির ২ নম্বর সড়কে ভারতীয় হাইকমিশন রেকি করা হয়। ঠিক হয়, গণবাহিনীর একটি দল হাইকমিশনারকে জিম্মি করে তাহেরের মুক্তি এবং আরও কিছু দাবিদাওয়া উপস্থাপন করবে। তারা খোঁজ নিয়ে জেনেছে হাইকমিশনার সমর সেন সকাল সাড়ে নয়টায় অফিসে আসেন। ২৬শে নভেম্বর সময়মতো ছয়জন অকুস্থলে হাজির। দলের নেতা বাহার। তিন জন অবস্থান নিলেন রাস্তার দক্ষিণ পাশে জার্মান সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের চত্বরে। তিনজন অপেক্ষা করতে থাকলেন ভারতীয় ভিসা অফিসের সামনে। সবাই সশস্ত্র। এমন সময় হাইকমিশনার এসে গাড়ি থেকে নামলেন। সঙ্গে সঙ্গে বাহারদের দলের দুই জন তার দুই হাত ধরে বললেন, আপনি এখন আমাদের হাতে জিম্মি। আপনার ঘরে চলুন। আপনার সঙ্গে আমাদের কিছু কথা আছে। সিঁড়ি দিয়ে একতলা থেকে দোতলায় যাওয়ার পথে উপরে অপেক্ষমান নিরাপত্তারক্ষীরা ব্রাশফায়ার করলে ঘটনাস্থলেই বাহার, বাচ্চু, মাসুদ ও হারুন নিহত হন। হাইকমিশনারের কাঁধে গুলি লেগেছিল। চোখের পলকে ঘটনা ঘটে গেল। রেকি করার সময় ক’জন নিরাপত্তারক্ষী ঠিক কোন কোন জায়গায় ডিউটি করেন, তা তারা জেনে গিয়েছিলেন। কিন্তু তারা জানতেন না, একদল ভারতীয় নিরাপত্তারক্ষী দোতলায় পাহারায় থাকেন। তিতুমীর কলেজ ছাত্রসংসদের সহ-সভাপতি কামালউদ্দিন আহমেদ এই অভিযানে অংশগ্রহণকারী ছয়জনের জন্য মগবাজারের নয়াটোলায় একটা শেল্টারের ব্যবস্থা করেছিলেন। ছাত্রসংসদের সহ-সম্পাদক ফোরকান শাহর বাড়িটি শেল্টার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল। সেখান থেকেই এই স্কোয়াডের ছয় জন ২৬শে নভেম্বর সকালে রওনা হয়েছিলেন। ঘটনার পর ফোরকানের পিতা ইসরাফিল সাহেবকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। সংবাদ পেয়ে সেনাবাহিনীর নবনিযুক্ত চিফ অব জেনারেল স্টাফ ব্রিগেডিয়ার আবুল মঞ্জুর এলেন। তিনি আহত বেলাল ও সবুজকে গাড়িতে উঠিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে নিয়ে গেলেন। ভারতীয় হাইকমিশনে এই অভিযানের নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া হয়েছিল। প্রায় সব রাজনৈতিক দলের নেতারা এক সুরে এর সমালোচনা করতে শুরু করলেন। ডান-বাম কোন ভেদাভেদ থাকলো না। ঢাকার পূর্বপাশে বেরাইদ গ্রামে ঢাকা নগর গণবাহিনীর একটা জরুরি সভায় আনোয়ার হোসেন এ ঘটনার সব দায় স্বীকার করেন। সভায় শরীফ নুরুল আম্বিয়া এবং ঢাকা নগর গণবাহিনীর অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বেশির ভাগ সদস্য আনোয়ারের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করে তাঁকে ফায়ারিং স্কোয়াডে পাঠানোর দাবি জানান। শেষমেষ তাকে লঘু শাস্তি দেয়া হয়। তাকে নগর গণবাহিনীর কমান্ডারের পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়। আনোয়ারের ওপর নিয়ন্ত্রণ না থাকার ‘অপরাধে’ রাজনৈতিক কমিশার রফিকুল ইসলামকে ভৎর্সনা করা হয়।
৭ই নভেম্বরের অভ্যুত্থানের পরের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে মহিউদ্দিন আহমদ আরও লিখেছেন, ঢাকা নগর গণবাহিনীর উদ্যোগে সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমাবেশের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল এবং জিয়া ও তাহেরের সেখানে উপস্থিত হওয়ার কথা ছিল। জিয়া সেনানিবাসের বাইরে আসতে অস্বীকার করেন। তিনি জানান, একজন সৈনিক হিসেবে তিনি কোন জনসমাবেশে গিয়ে বক্তৃতা দেয়ার পক্ষপাতি নন। ততক্ষণে জিয়ার আশপাশে অনেক সেনাকর্মকর্তা উপস্থিত হয়েছেন। জিয়া তখন অনেকটা স্বচ্ছন্দ এবং ভারমুক্ত। ৭ই নভেম্বর রাষ্ট্রপতি সায়েম বেতার ও টেলিভিশনে একটা ভাষণ দেন। ভাষণে তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতির পদে জনাব খোন্দকার মোশ্তাক আহ্মাদের পুনর্বহালের পক্ষে স্বতঃস্ফূর্ত দাবি সত্ত্বেও তারই অনুরোধক্রমে আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছি। বিচারপতি সায়েমের ভাষণের পরপর খোন্দকার মোশ্তাক আহ্মাদের একটি ভাষণ প্রচার করা হয়। ভাষণে তিনি দেশের সেনাবাহিনী, বিমানবাহিনী, সকল নিরাপত্তা বাহিনী ও সর্বস্তরের জনগণকে ‘স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব অক্ষুন্ন রাখার জন্য যে অভূতপূর্ব বিপ্লব সংগঠিত হয়েছে, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাহের জিয়াকে বেতারকেন্দ্রে নিয়ে আসতে এবং তাকে দিয়ে একটি ভাষণ দেওয়াতে চেয়েছিলেন। জিয়া তাহেরের সঙ্গে কোথাও যেতে চাননি। কয়েকজন সেনাকর্মকর্তা পরামর্শ দেন, সেনাপ্রধানের বেতার কেন্দ্রে যাওয়ার কি দরকার? ভাষণ তো এখানেই রেকর্ড করা যায়। শেষ পর্যন্ত জিয়ার ভাষণ সেনানিবাসেই রেকর্ড করা হয়। ৭ই নভেম্বর সন্ধ্যায় এই ভাষণ প্রচার করা হয়। জিয়ার এই ভাষণে কোথাও জাসদ, গণবাহিনী বা তাহেরের উল্লেখ নেই। সকালেই ‘সিপাহী বিপ্লবের’ ঘণ্টা বেজে গিয়েছিল। এই ভাষণ ‘বিপ্লবের’ কফিনে শেষ পেরেকটি ঠুকে দিলো। উল্লেখ্য, ৩রা নভেম্বরের অভ্যুত্থানের কুশীলবদের অনেকেই যে যেখানে পারেন, গা ঢাকা দেয়ার চেষ্টা করেন। অনেকেই গ্রেপ্তার হন। শাফায়াত জামিল পালিয়ে যাওয়ার সময় আহত হন এবং পরে নারায়ণগঞ্জ থানায় আত্মসমর্পণ করেন। তাকে ঢাকায় এনে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। ৭ই নভেম্বর ভোরে খালেদ মোশাররফ তার দুই সহযোগী কর্নেল হায়দার ও কর্নেল হুদাকে নিয়ে শেরেবাংলানগরে সেনাবাহিনীর একটি ইউনিটে যান। সেখানেই তাদের হত্যা করা হয়। কার নির্দেশে তাদের হত্যা করা হয়েছিল, তা আজও অজানা। কেউ বলেন তাহের, কেউ বলেন জিয়া। কয়েক মাস পরে ঢাকার মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে মেজর হাফিজের সঙ্গে আ কা ফজলুল হকের দেখা হয়। হাফিজ তখন সেনাবাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত। মোহামেডান ক্লাবের ফুটবল টিমের তিনি অধিনায়ক ছিলেন। তিনি জিয়ার ওপর ক্ষুদ্ধ ছিলেন। তার সঙ্গে আলাপ করে জানা গেল, ‘জিয়াকে গৃহবন্দি করে রাখার পরিকল্পনাটি ছিল হাফিজের। আবার হাফিজের কারণেই জিয়া কিলড হননি। এতে মনে হতে পারে জিয়াকে আটক রাখার ব্যাপারটা ছিল সাজানো।’ অভ্যুত্থানকারীরা জিয়াকে তার বাসভবনে অন্তরীণ করার সময় ড্রইং রুমের টেলিফোন লাইন কেটে দিয়েছিলেন। কিন্তু তার শয়নকক্ষের টেলিফোন লাইনটি সচল ছিল। এই টেলিফোনের মাধ্যমেই জিয়া তাহেরের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছিলেন। ৮ই নভেম্বর রাতে রাজশাহী কারাগার থেকে জাসদের সভাপতি মেজর জলিল ও সাধারণ সম্পাদক আসম আবদুর রব ছাড়া পান। পরদিন তারা ঢাকায় আসেন। এর আগে ৭ই নভেম্বর বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার একটি দল ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটক খুলে দিলে জাসদের নেতা এম এ আউয়াল, মোহাম্মদ শাজাহান ও মির্জা সুলতান রাজা বেরিয়ে আসেন। তারা সবাই তখন হতবিহবল। ৮ই নভেম্বর চিত্রপট একটু বদলে যায়। রাষ্ট্রপতি সায়েম নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক এবং তিন বাহিনীর প্রধানদের উপপ্রধান সামরিক আইন প্রশাসক হিসেবে ঘোষণা দেন। তাহেরের সঙ্গে জিয়ার যোগাযোগ ক্ষীণ হয়ে আসে এবং ১২ই নভেম্বর থেকে পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। জাসদের নেতাদের একটা গোপন সভা ১৭ই নভেম্বর রায়েরবাজারে একটা কাঠের আড়তে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তারা বলেন, জিয়া বিট্রে করেছে। জলিল বলেন, ভয়ের কোন কারণ নাই। বঙ্গভবনের সামনে যে সব ট্যাংক আছে, ওরা আমাদের সঙ্গে কথা বলে গেছে। নভেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে ঢাকার এলিফ্যান্ট রোডে শাজাহান সিরাজের শ্বশুরবাড়িতে জলিলের সঙ্গে সাংবাদিক আমানউল্লাহ দেখা করতে যান। আমানউল্লাহর বর্ণনামতে: ‘জলিলকে খুব অস্থির মনে হচ্ছিল। জিয়া সম্পর্কে বলল, বেজন্মাটা বেঈমানি করেছে।’ ইতিমধ্যে সৈনিকেরা বেশির ভাগই সেনানিবাসে ফিরে গেছেন। তাহের বিভিন্ন সেনানিবাসে তার অনুগত লোকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন। ২৩শে নভেম্বর এলিফ্যান্ট রোডে শাজাহান সিরাজের শ্বশুরবাড়ি থেকে জলিল ও রবকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। একই দিনে আবু ইউসুফ খান ও ইনু গ্রেপ্তার হন। ২৪শে নভেম্বর বিপ্লবী সৈনিক সংস্থার কয়েকজনকে নিয়ে তাহের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ হলের আবাসিক শিক্ষক ও পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের লেকচারার মোস্তফা সরোয়ার বাদলের বাসায় সভা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনী তাদের ঘিরে ফেলে। তাহের কয়েকজন সহযোগীসহ গ্রেপ্তার হন।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বেয়াদব.., তুই বেয়াদব.. -শামীম ও আইভী

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সালমা হায়েকের অদ্ভুত ঘোষণা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পদ্মা সেতু প্রকল্প- আসুন, দুর্নীতির কাছে জিম্মি হই by এ কে এম জাকারিয়া
মন্ত্রিসভার বৈঠকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য সিনোহাইড্রোর কোনো মুখপাত্র বা স্থানীয় প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না, থাকারও কথা নয়। আমাদের যোগাযোগমন্ত্রীকে সম্ভবত সে কারণেই এই দায়িত্ব নিতে হলো! অর্থমন্ত্রীর প্রস্তাব অসার প্রমাণ করতে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এভাবেই যুক্তি দিয়েছেন যোগাযোগমন্ত্রী। চীনের যে প্রতিষ্ঠানটির প্রায় মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করলেন আমাদের যোগাযোগমন্ত্রী, তাদের কিছু কীর্তি-কলাপ পাঠকদের আবার নতুন করে মনে করিয়ে দিতে চাই।
১০ ভাগে বিভক্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন কাজের সাত ভাগ পেয়েছিল এই চীনা ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রো করপোরেশন। কাজ শেষ করার কথা ছিল ২০১৩ সালের জানুয়ারিতে। এখন ২০১৪ সালের আগস্ট মাস, সে হিসাবে নির্ধারিত সময়ের পর পার হয়ে গেছে দেড় বছর। এ সময়ে কাজের অগ্রগতি কী? অর্ধেকও শেষ হয়নি, এ বছরের মে মাস পর্যন্ত মাত্র শতকরা ৩৫ ভাগের কাছাকাছি। প্রকল্প বাস্তবায়নের এই যোগ্যতা ও দক্ষতা নিয়ে গত বছরের অক্টোবর মাসে কাজ শেষ করার জন্য সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) কাছে বাড়তি ৫১১ কোটি টাকা দাবি করে বসে সিনোহাইড্রো। শুধু দাবি নয়, দাবি আদায়ে চার মাস কাজও বন্ধ রাখে তারা। এর সঙ্গে ছিল এক অনানুষ্ঠানিক শর্ত; পদ্মা সেতুর নদীশাসনের কাজ পেলে চার লেনের কাজ দ্রুত শেষ করে দেবে তারা। ‘জিম্মি’ করা বলতে আমরা যা বুঝি, এটা কি তার চেয়ে আলাদা কিছু?
এক হাজার ১৫১ কোটি টাকার প্রকল্পে বাড়তি ৫১১ কোটি টাকা দাবি! সমালোচকেরা বলেন, চীনা কোম্পানিগুলোর এটাই নাকি কৌশল! যেকোনোভাবে কাজ নাও, পরে নানা কৌশলে টাকাপয়সা বাড়িয়ে নাও! যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, অস্বাভাবিক কম দর দেখিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেন করার কাজটি নিয়েছিল তারা। এখন দেখা যাচ্ছে, পদ্মা সেতুর নদীশাসনের কাজেও তাদের দরপত্র সবচেয়ে কম। শুরুতে যে দাম দিয়েছিল, শেষ সময়ে দরপত্র খোলার আগে চিঠি দিয়ে আরও ৫ দশমিক ৬ শতাংশ কমিয়েছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক প্রকল্পের কাজ পেতে যে কৌশল নিয়েছিল সিনোহাইড্রো, পদ্মা সেতুর ক্ষেত্রেও সম্ভবত একই পথ ধরেছে তারা।
পদ্মা সেতু প্রকল্পের নদীশাসনের কাজ পেতে দরপত্র জমা দিয়েছিল তিনটি প্রতিষ্ঠান। সিনোহাইড্রো দর দিয়েছে আট হাজার ৭০০ কোটি টাকা। বাকি দুটির মধ্যে কোরীয় কোম্পানি হুন্দাই ১২ হাজার ১২১ কোটি টাকা ও বেলজিয়ামের জান ডে নাল ১৬ হাজার ৪৩৮ কোটি টাকার দর প্রস্তাব দিয়েছে। সিনোহাইড্রো নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হুন্দাইয়ের চেয়ে চার হাজার কোটি টাকা কম দর দিয়েছে। এক হাজার ১৫১ কোটি টাকায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কাজ নিয়ে যদি কোম্পানিটি ৫১১ কোটি টাকা বাড়তি দাবি করতে পারে, তবে আট হাজার ৭০০ কোটি টাকার প্রকল্পে কাজ শুরু করে পরে বাড়তি হাজার চারেক টাকা দাবি ও আদায় করে নেওয়া খুব কঠিন হবে বলে মনে হয় না।
আগে একটি লেখায় উল্লেখ করেছিলাম এমন কিছু তথ্য, আবারও তুলে ধরছি। প্রাসঙ্গিক কি না তা বিবেচনার ভার পাঠকদের। আন্তর্জাতিক প্রকল্প বাস্তবায়ন করে এমন প্রতিষ্ঠানগুলোর দুর্নীতির হালহকিকত নিয়ে মাঝেমধ্যে জরিপ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (টিআই)। প্রতিষ্ঠানটির ২০১১ সালের সর্বশেষ ‘ব্রাইব পেয়ার্স ইনডেক্স’-এ বিশ্বের ২৮টি দেশের কোম্পানিগুলোকে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। বিদেশে কাজ পাওয়া নিয়ে ঘুষের লেনদেনে যে দেশের কোম্পানিগুলো সবচেয়ে এগিয়ে, এমন দুটি দেশের একটি হচ্ছে চীন। ২৮টি দেশের মধ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবস্থান ২৭ নম্বরে।
যোগাযোগমন্ত্রীরা কেন জানি সরকারপ্রধানের বাড়তি সমর্থন ও আনুকূল্য পান। আবুল হোসেন যত দিন ছিলেন পেয়েছেন, এখন ওবায়দুল কাদের পাবেন, এটাই যেন স্বাভাবিক। মন্ত্রিসভার বৈঠকে মুহিত-কাদের বিতর্কে প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন গেছে ওবায়দুল কাদেরের দিকেই। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, তাঁর সরকার জনগণের জন্য কাজ করে যাবে (সূত্র, দ্য ডেইলি স্টার, ৫ আগস্ট)। সবচেয়ে কম দরদাতা হিসেবে পদ্মা সেতু প্রকল্পের নদীশাসনের কাজ চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোহাইড্রোর পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিতই বলতে হচ্ছে।
অস্বাভাবিক কম খরচ দেখিয়ে কাজ নেওয়ার পর বাড়তি অর্থ দাবি, সময়মতো কাজ শেষ করতে না পারা ও এক কাজ আটকে (ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক) রেখে অন্য কাজ (পদ্মা সেতুর নদীশাসন) পাওয়ার শর্ত জুড়ে দেওয়া—এমন প্রতিষ্ঠানই সম্ভবত বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত! টিআইয়ের দুর্নীতির ধারণা সূচকে দেশ হিসেবে একেবারে শেষের দিকে থাকা বাংলাদেশ ব্রাইব পেয়ার্স ইনডেক্সের সবচেয়ে নিচের দিকে থাকা চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য উপযুক্ত হবে, সেটাই তো স্বাভাবিক! আসুন, আমরা চীনা প্রতিষ্ঠানের কাছে আবার জিম্মি হই। এখন যে দরে তারা কাজ নিয়েছে, সামনে তা বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তৈরি থাকি। সেতু যেহেতু ‘নিজস্ব অর্থায়নে’ হবে, তাই ‘দাতা’ বা ‘উন্নয়ন–সহযোগীদের’ খবরদারি করারও কিছু থাকবে না। আর উন্নয়নের যে ‘জোয়ার’ বাংলাদেশে শুরু হয়েছে, তা আপাতত থামার যেহেতু কোনো আশঙ্কা নেই, তাই সামনে পদ্মা সেতুর কাজ আটকে এর চেয়ে বড় কোনো প্রকল্পের কাজ পেতেও সিনোহাইড্রোর কোনো সমস্যা হবে বলে মনে হয় না! আসুন, দুর্নীতির কাছে আমরা জিম্মি হই।
এ কে এম জাকারিয়া: সাংবাদিক।
akmzakaria@gmail.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তান ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গেলেও সফল হবে না
![]() |
| নরেন্দ্র মোদি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তে জাতিসংঘ প্যানেল চূড়ান্ত
![]() |
| সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তে জাতিসংঘ প্যানেল চূড়ান্ত |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘মানবিক সহায়তা’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আবাদিকে ঠেকাতে তৎপর মালিকি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দেশের মানুষ দমবন্ধ অবস্থার অবসান চায় -বিশেষ সাক্ষাৎকারে মির্জা আব্বাস by মিজানুর রহমান খান
প্রথম আলো :ঢাকা মহানগর বিএনপির নতুন কমিটি কবে দিচ্ছেন?
মির্জা আব্বাস :১৮ বছর এ কমিটি নিষ্ক্রিয় ছিল। দু-তিনবারই আহ্বায়ক কমিটি করা হয়েছে এবং একই ব্যক্তিরা এতে ছিলেন।
প্রথম আলো :কিন্তু এই কমিটি রেখেই তো আন্দোলন করেছেন, সরকারে এসেছেন।
মির্জা আব্বাস : বিএনপির সরকার গড়তে এই কমিটির ভূমিকা ছিল না।
প্রথম আলো :অতীতে আন্দোলনে বিএনপির অন্যান্য অঙ্গসংগঠনের তুলনায় এই কমিটির ভূমিকা কেমন ছিল?
মির্জা আব্বাস :আমি মনে করি না তেমন ভূমিকা ছিল। দল সরকারে গেলে সাধারণত যত্নের অভাবে সংগঠন নষ্ট হয়। সেই দলের প্রধান যদি মন্ত্রী হন, তাহলে স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠী গড়ে ওঠে।
প্রথম আলো :জিয়াউর রহমান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন?
মির্জা আব্বাস :তিনি ক্যারিশম্যাটিক ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর আমলে সংসদে বিএনপিবিরোধী বহু লোক নির্বাচিত হন এবং তাঁরা যথেষ্ট কথা বলার সুযোগ পান।
প্রথম আলো :১৫ আগস্টে জন্মদিন পালন, জিয়াকে প্রথম রাষ্ট্রপতি ও স্বাধীনতার ঘোষক ইত্যাদি বলা অনেক পরের ঘটনা। তিনি এসব বিতর্কমুক্ত ছিলেন, কিন্তু আপনারা তা আমদানি করলেন কেন?
মির্জা আব্বাস :সেই সময়ের পরিপ্রেক্ষিত ছিল একরকম। তখন যে প্রশ্ন ছিল না, সেই প্রশ্নগুলো পরে এসেছে। আমি তখন স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বিবেচনায় বিশেষ কতিপয় ব্যক্তির তীব্র বিরোধিতা করেছিলাম। সাহস করে বলেছিলাম, আমি তাদের সঙ্গে রাজনীতি করতে পারব না। জিয়ার অনন্য গুণ ছিল যে আমার সঙ্গে বিরোধিতা না করে বরং আশ্বস্ত করেছিলেন।
প্রথম আলো :ভিন্নমত প্রকাশে জিয়ার সঙ্গে যে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছিলেন, সেটা খালেদা জিয়ার সঙ্গে কতটুকু করছেন?
মির্জা আব্বাস :আপনি অন্য প্রশ্নে যাচ্ছেন। জিয়া বোঝালেন, তুমি নিশ্চয় আমার চেয়ে বড় মুক্তিযোদ্ধা নও। এটা দেশ বিভক্তির সময় নয়। দেশকে বিভক্ত করে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া যাবে না। তাঁর এই কথা একটি সর্বকালীন সত্য। জিয়ার এই পরামর্শ চাইলে আজকের প্রধানমন্ত্রী গ্রহণ করতে পারেন।
প্রথম আলো :আপনি কি এর মাধ্যমে চলমান যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বন্ধের দিকে ইঙ্গিত করছেন?
মির্জা আব্বাস :যুদ্ধাপরাধীদের বিচার নিয়ে আমি সাক্ষাৎকার দিচ্ছি না। আমি আমার নেতার কথা বলছি। অনেকে সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ার দৃষ্টান্ত দেন, বর্তমান সরকারও দেয়। দুই দেশেই ভালো-মন্দ আছে। তবে জাতি গঠনের দৃষ্টান্তের জন্য জিয়াউর রহমানের চেয়ে দ্বিতীয় উৎকৃষ্ট উদাহরণ আছে বলে মনে করি না।
প্রথম আলো :আপনাকে সরকারবিরোধী আন্দোলনের একটি বিশেষ সন্ধিক্ষণে চালকের আসনে বসানো হয়েছে। কী কৌশলে, কত তাড়াতাড়ি মিত্রদের সংগঠিত করে এই সরকারকে মধ্যবর্তী নির্বাচন দিতে বাধ্য করবেন, তেমন একটা চ্যালেঞ্জ আপনার সামনে?
মির্জা আব্বাস :আপনার প্রশ্নটা ব্যাখ্যামূলক। আপনিই তো সব বলে দিলেন।
প্রথম আলো :আপনি দলের একটি ব্যর্থতা ও হতাশার প্রেক্ষাপটে রাজধানীর হাল ধরেছেন?
মির্জা আব্বাস :নিজেকে সংগঠক মনে করি। ১৮ বছর যুবদলে থেকে অন্তত সাতবার কাউন্সিল করেছি। ১৯৭৮ সালে প্রথম গোপন ব্যালটে যুবদলের প্রেসিডেন্ট হলাম।
প্রথম আলো :ইতিহাসের ভালো পুনরাবৃত্তি কি দেখব? আপনি আহ্বায়ক থেকে গোপন ব্যালটে নির্বাচিত হবেন?
মির্জা আব্বাস :না, আমি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় যাব না।
প্রথম আলো :কর্মীরা চাইলে সর্বস্তরে গোপন ব্যালটে হতে দেবেন, নাকি পকেট কমিটি চাপাবেন?
মির্জা আব্বাস :পকেট কমিটির প্রশ্নই আসে না। এর কোনো পথ খোলা নেই।
প্রথম আলো :কত দিনের মধ্যে কমিটি করবেন?
মির্জা আব্বাস :বলতে পারব না। তবে খুব সময় লাগবে না। আমি ২৪ ঘণ্টায় নয় ঘণ্টার বেশি কাজ করছি। ইতিমধ্যে বহু পদক্ষেপ নিয়েছি, যা এখন প্রকাশ করব না। ৫৩ সদস্যের কমিটির মধ্যে চারজনের সঙ্গে কথা বলে আমি সাধারণত সিদ্ধান্ত নিই।
প্রথম আলো :খালেদা জিয়ার করা কমিটি নিয়ে আপনার অভিযোগ কী? অভিমান করেছিলেন কি?
মির্জা আব্বাস :ঠিক অভিমান নয়। আমার মনে হয়েছিল যে বিষয়টি যেভাবে এসেছে, তা আমার জন্য সুবিধাজনক নয়। আমি ফেয়ার পলিটিকস করি। পেছনের দরজা দিয়ে রাজনীতি করার চেষ্টা কখনো করিনি।
প্রথম আলো :কিন্তু আপনার সমালোচকেরা বলে থাকেন যে সন্ত্রাসী ও মাস্তানেরা আপনার পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে থাকে।
মির্জা আব্বাস :আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, আমার হাত দিয়ে ঢাকায় বা বাংলাদেশে কোনো মাস্তান তৈরি হয়নি। ঢাকায় আমি যত দিন মিছিল করেছি, তাতে কোনো দিন বোমাবাজি হয়নি। একজন সন্ত্রাসীও সৃষ্টি করিনি।
প্রথম আলো :কথিতমতে আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ ডা. ইকবালের মিছিল থেকে করা গুলিতে কতজন নিহত হয়েছিল এবং তাদের পরিবারের প্রতি কী কর্তব্য পালন করেছেন?
মির্জা আব্বাস :একজন মহিলা পথচারীসহ ছয়জন নিহত হন। এর মধ্যে চারজন বিএনপির কর্মী। তাদের পরিবারের পাশে সব সময় ছিলাম ও আছি।
প্রথম আলো :ক্ষমতায় গিয়ে তাঁদের জন্য কী করেছিলেন? প্রশ্নটি আপনার জন্য বেশি প্রাসঙ্গিক, কারণ আপনি হাইকোর্টের আদেশে রাষ্ট্রের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পেয়েছিলেন?
মির্জা আব্বাস :বাস্তবে নিইনি। সরকারকে জরিমানা করা হয়েছে জেনেই সন্তুষ্ট ছিলাম। না, নিহতদের পরিবারের জন্য সরকারিভাবে কিছু করা হয়নি।
প্রথম আলো :সাধারণ নির্বাচন কখন চান?
মির্জা আব্বাস :যত তাড়াতাড়ি সম্ভব হওয়া উচিত। দেশের মানুষ দমবন্ধ অবস্থার অবসান চায়। আপনার পত্রিকা যদিও ভিন্নমতের, তবু বলব, আপনি রাস্তায় বেরিয়ে যাকে জিজ্ঞেস করবেন, তিনিই সরকারের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করবেন।
প্রথম আলো :নির্বাচন ইস্যুতে প্রথম আলো কিন্তু সরকারের বিরাগভাজন হয়েছে।
মির্জা আব্বাস :সেটা হয়েছেন। আবার অনেকের বিরুদ্ধে অযথা লিখেছেন।
প্রথম আলো :নির্দিষ্ট করে বলুন।
মির্জা আব্বাস :সত্য প্রকাশে প্রথম আলো হিম্মত রাখে। যখন করে না, তখন দুঃখ লাগে। আমি মন্ত্রী থাকতে রমনা পার্কে কিছু ইউক্যালিপটাস কাটা হলো। স্বাস্থ্যের জন্য এই গাছ মারাত্মক ক্ষতিকর। দিনে একটি গাছ সাড়ে সাত লিটার পানি শোষণ করে। অথচ এসব কারণ আপনার পত্রিকা লিখল না; বরং একটি বাজে কথাও ছাপা হলো। লিখে দিল, আমি নাকি বোমা মারার কথা বলেছি। এটা ছিল ডাহা মিথ্যা।
প্রথম আলো :আপনি প্রতিবাদ করে সঠিক বক্তব্য দিতে পারতেন।
মির্জা আব্বাস :দিয়েছিলাম। কিন্তু তা ছাপা হলো অনুল্লেখযোগ্যভাবে। আমি সব সময় বৃক্ষপ্রেমী ছিলাম। রমনা পার্কে আগে হাঁটতে যেতাম, গুপ্তহত্যা শুরুর পরে আর যাই না।
প্রথম আলো :এক-এগারোর দুর্নীতিবিরোধী কর্মসূচি সমর্থন করে প্রথম আলো আপনাদের বিরাগভাজন হয়েছিল। ১৮ বাড়ি মামলায় রাষ্ট্রের ২০০ কোটির বেশি টাকা ক্ষতি করায় আপনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ কিন্তু বিশ্বাসযোগ্য। সেই বিষয়ে নির্দিষ্ট বক্তব্য আমরা পেলে এখনো ছাপতে পারি।
মির্জা আব্বাস :এর ব্যাখ্যা দিয়েছি। জেলে যাওয়ার আগে কোন কোন পত্রিকা কখন কী কারণে আমার বিরুদ্ধে লিখেছে, সব বলেছি। কিন্তু আপনারা ছাপেননি।
প্রথম আলো :আপনি পূর্তমন্ত্রী হিসেবে কেন আগের সরকারের সিদ্ধান্ত রদ করেননি? ১৫টি বাড়ি বেচে দেওয়া কি অপরিহার্য ছিল?
মির্জা আব্বাস :এটা যদি আজকের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে জিজ্ঞেস করেন ভালো হবে। কারণ, এই বিক্রির প্রক্রিয়া তিনিই শুরু করে যান। তাঁর আমলেও সাবেক পাসপোর্ট অফিসসহ ১০টি বাড়ি বিক্রি হয়। মাত্র ১০ লাখ টাকায় কাঠা বিক্রি করেন। সেখানে আমি ২৭ লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। ওই সময়ে গুলশানে ২০ লাখ টাকায় কাঠা বিক্রি হতো। ১৫টি বাড়ির ব্যাপারে যেভাবে তদবির আসতে শুরু করে, সেটা রাখা সম্ভব ছিল না। এগুলো কাজেও লাগছিল না। জাল দলিল করেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। আমি বাড়ি বেচে সরকারি স্টাফ কোয়ার্টার করেছি।
প্রথম আলো :২০০৮ সালে কেন নির্বাচন করেননি? কর ফাঁকির মামলায় দণ্ডজনিত অযোগ্যতার কারণেই?
মির্জা আব্বাস :না। অন্য কারণ ছিল। সেটা আমি বলব না। তবে দণ্ড থাকার কারণে নির্বাচন করিনি, সেটা ঠিক নয়।
প্রথম আলো :এখন বলুন, মামলার কী অবস্থা?
মির্জা আব্বাস :৪১টির বেশি মামলা বর্তমান সরকারই দিয়েছে। এর প্রায় ১২টিতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহের প্রায় সাত দিনই আদালতে হাজিরা দিই।
প্রথম আলো :মামলা সামলাবেন না আন্দোলন করবেন?
মির্জা আব্বাস :মামলা ছাড়া বিএনপির কোনো নেতা-কর্মী নেই। নিচ থেকে মাথা পর্যন্ত প্রত্যেকের নামে কমপক্ষে ১০টি মামলা আছে। এত লোকের জায়গা জেলেও হবে না। তবে আমার কাছে একটি সূত্র আছে। আর সেটি হলো মানুষের মুখে ৩০-৩২টি দাঁত থাকে। এর মধ্যে সবচেয়ে নরম অংশ জিহ্বা কিন্তু অবাধে বিচরণ করে। দাঁতের ভয়ে জিব তার কাজ বন্ধ রাখে না।
প্রথম আলো :৫ জানুয়ারির আগেও এই জিবতত্ত্ব ছিল। আপনারা নির্বাচন ঠেকানো বা আন্দোলন—কোনোটিই পারেননি।
মির্জা আব্বাস :এ কথা সত্য নয়। আমাদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে মানুষ ভোট বয়কট করেছে। শতভাগ প্রতিহত হয়েছে বলেই অবৈধ সরকার ১৫৩ আসনে ভোট করতে পারেনি।
প্রথম আলো :সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে আপনার বিরোধের বিষয়ে বলুন?
মির্জা আব্বাস :বিরোধ নেই। কিছু সাংবাদিক এটি তৈরি করেছেন। গত ১৭-১৮ বছরে আমরা কেউ কারও সম্পর্কে মন্তব্য করিনি। তবে এক-এগারোর ঘটনায় কিছু ভূমিকা নিয়ে আমি তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করেছি। সেটা কাজকর্মের বিরোধিতা।
প্রথম আলো :কমিটি গঠনে তারেক রহমান কি ভূমিকা রাখবেন? তাঁর দেশে ফেরা?
মির্জা আব্বাস :তিনি তো কমিটি গঠনে খুব একটা হস্তক্ষেপ করেন না। আর স্বাস্থ্যগতভাবে তিনি এখনো ফিট নন। যখন ঠিক হবে, তখনই আসবেন। কেউ যদি মনে করেন, তিনি ফাঁকি দেওয়ার জন্য বসে আছেন, সেটা ঠিক নয়। আমার নেত্রী এখনো সম্পূর্ণ সামর্থ্য রাখেন। কোনো ঘাটতি নেই।
প্রথম আলো :তারেকের সঙ্গে আপনার সাম্প্রতিক কথোপকথন?
মির্জা আব্বাস :কীভাবে হবে? কোন ফোন দিয়ে হবে? সব ফোনেই তো সরকার আড়ি পেতে রাখে।
প্রথম আলো :সরকারের আশু করণীয় কী?
মির্জা আব্বাস :ঢাকাকে বাঁচাতে প্রশাসনিক দপ্তরগুলো সরিয়ে নিেত হবে। জনসভার জন্য স্থান নির্ধারণ ও মিছিলে বাধা বন্ধ করতে হবে। আওয়ামী লীগ যেভাবে সভা–সমাবেশ করেছে, সেটা বিএনপিরও প্রাপ্য।
প্রথম আলো :আপনাকে ধন্যবাদ
মির্জা আব্বাস :ধন্যবাদ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
August
(332)
-
▼
Aug 13
(12)
- গাজার বাড়ি বাড়ি, স্কুলে ইসরাইলি সেনাদের মলমূত্র ত...
- পূর্ণিমার জোয়ারের ফুঁসে ওঠা পানিতে কুতুবদিয়া সয়লাব...
- ক্ষমতাসীন দল একদলীয় শাসনের দিকে ধাবিত হচ্ছে by উইল...
- জিয়ার চোখে তখন অশ্রুবিন্দু
- বেয়াদব.., তুই বেয়াদব.. -শামীম ও আইভী
- সালমা হায়েকের অদ্ভুত ঘোষণা
- পদ্মা সেতু প্রকল্প- আসুন, দুর্নীতির কাছে জিম্মি হই...
- পাকিস্তান ছায়াযুদ্ধ চালিয়ে গেলেও সফল হবে না
- সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধ তদন্তে জাতিসংঘ প্যানেল চূড়ান্ত
- পূর্ব ইউক্রেনে রাশিয়ার ‘মানবিক সহায়তা’
- আবাদিকে ঠেকাতে তৎপর মালিকি
- দেশের মানুষ দমবন্ধ অবস্থার অবসান চায় -বিশেষ সাক্ষা...
-
▼
Aug 13
(12)
-
▼
August
(332)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

