Wednesday, January 28, 2015
‘জানাজায় বিপুল উপস্থিতি শোক কাটিয়ে শক্তি সঞ্চয়ে সাহায্য করবে’ -খালেদা জিয়ার বিবৃতি

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমঝোতার দাবিতে লাগাতার ‘নিরবচ্ছিন্ন’ অবস্থানে কাদের সিদ্দিকী

বিকেল পাঁচটার দিকে অবস্থানস্থলে গিয়ে দেখা যায়, কাদের সিদ্দিকী যেখানে বসেছেন তার সামনেই একটি টুল পাতা। তার ওপর রয়েছে কোরআন শরিফ, মেজর জলিল রচনাবলী ও শুভ্রা মুখোপাধ্যায়ের লেখা ইন দ্য ইনার লাইট। এ ছাড়া সেখানে দুটি কার্টন রাখা হয়েছে। কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে কার্টনে ১০০, ৫০, ২০ ও ১০ টাকার নোট ফেলেছেন অনেকেই। সেখানে নেতা–কর্মীদের স্লোগান দিতে দেখা গেছে। তবে তাঁদের সংখ্যা ১০০ জনের বেশি নয়। কাদের সিদ্দিকীকে সেখানে কখনো শুয়ে পড়তে, কখনো উঠে বসতে দেখা গেছে। আবার মাঝেমধ্যে নেতা–কর্মীদের স্লোগানের সঙ্গে সুর মেলাতেও দেখা গেছে। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় অনেকে উঁকি দিচ্ছেন। কেউবা দাঁড়িয়ে থেকে আবার চলে যাচ্ছেন।
কাদের সিদ্দিকী প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা চাই জননেত্রী শেখ হাসিনাকে মানুষকে শান্তিতে রাখার জন্য সবার সঙ্গে আলোচনায় বসতে হবে। অমুকের সঙ্গে আলোচনায় বসব না, অমুকের সঙ্গে বসব, এটা প্রধানমন্ত্রীর মুখে শোভা পায় না। প্রয়োজনে তাঁকে চাড়ালের সঙ্গেও আলোচনা করতে হবে। জাতির পিতার কন্যা হিসেবে আপনাকে আমাদের এ দাবি মানতে হবে।’
খালেদা জিয়াকে উদ্দেশ করে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যুতে আপনি যেমন শোকাহত, তেমনি অবরোধ চলাকালে যাঁরা নিহত হয়েছেন, তাঁদের মায়েরাও সমপরিমাণ মর্মাহত। তাই, অবিলম্বে অবরোধ প্রত্যাহার করে সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে পরামর্শ করে নতুন কর্মসূচি গ্রহণ করুন। আপনি শুধু প্রধানমন্ত্রী কেন, আমাদের সঙ্গেও আলোচনা করতে পারেন।’ অবস্থান কর্মসূচিতে দলটির সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান, যুগ্ম সম্পাদক ইকবাল সিদ্দিকী, সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলামসহ দলটির ছাত্র ও যুব সংগঠনের নেতা–কর্মীরা রয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মর্যাদা বাড়িয়ে দেওয়া রায় পক্ষপাতমূলক: প্রধানমন্ত্রী

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমার অবাক লাগে, কার অবস্থান কোথায়, সেটা সংবিধানে সুনির্দিষ্ট করা আছে। সেখানে যাঁর যাঁর নিজের মর্যাদা নিজে দেওয়া, নিজের পক্ষে নিজের রায় দেওয়া, এটা তো সমীচীন নয়। এ রকম হলে যে যেখানে আছে, যাঁর যাঁর মত করে সুযোগ নেবে। কোনো শৃঙ্খলাই থাকবে না।’
বিচার বিভাগ এর আগে নিজেদের বেতন-ভাতা বাড়িয়ে নেওয়ায় একই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছিল বলে প্রধানমন্ত্রী মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, ‘বেতন-ভাতাও তাঁরা আলাদা একটি কমিশন করে বাড়িয়ে নিয়েছিল। সেটা নিয়েও নানা রকমের সমস্যা হয়েছিল। পরে আমরা বসে মিটমাট করে একটা জায়গায় গিয়েছি। জেলা জজের মর্যাদা যদি সচিবের সমান হয়, তাহলে উচ্চ আদালতে যাঁরা আছেন, তাঁরা কোন মর্যাদায় যাবেন? যেতে যেতে তো মনে হয় তাঁরা রাষ্ট্রপতির ওপরেই চলে যাবেন।’
শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশ কোনো বিচ্ছিন্ন দেশ নয়। আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিভিন্ন দেশ কীভাবে চলে, সেটা আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে। প্রতিটি ক্ষেত্র যাঁর যাঁর কর্তব্য পালন করবে। বিচার বিভাগ তার দায়িত্ব পালন করবে। সবার মধ্যে সমন্বয় থাকলে রাষ্ট্র সুষ্ঠুভাবে চলবে। সেই জায়গাটা যদি নষ্ট করা হয় এবং সেটা যদি উচ্চ আদালত থেকেই হয়, তবে সেটা দুঃখজনক। বিষয়টি নিয়ে আইনমন্ত্রী আলাপ-আলোচনা করছেন। সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আশা করি আমাদের বিচারকরা বিষয়টি বুঝবেন। কোনো আদালত নিজেই নিজেকে প্রমোট করা বা লাভবান হওয়া সম্পূর্ণ নৈতিকতা বিরোধী।’
খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী:
তাজুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে ২০ দলের কর্মসূচির সমালোচনা করে সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বলেন, ‘অসুস্থ ছেলের স্বাভাবিক মৃত্যুর পর শোক সইতে না পারায় বিএনপি নেত্রীকে ইনজেকশন দিয়ে ঘুম পাড়ানোর প্রয়োজন হয়েছে। আমার প্রশ্ন, সহিংসতায় সন্তান পুড়ে মরায় সাধারণ মায়ের মনের কী অবস্থা, তা কি খালেদা জিয়া উপলব্ধি করতে পারছেন। এখনো তিনি বুঝবেন না? এখনো কি তিনি নির্মম কাজ করা থেকে বিরত থাকবেন না?’
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি একটি সন্ত্রাসী, জঙ্গিবাদী ও খুনের দল। বিএনপির অত্যাচারে মানুষ অতিষ্ঠ। আর কোনো মায়ের কোল খালি করবেন না, নির্মম কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। সন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে আর মানুষ খুন করবেন না। প্রশ্ন করার সময় তাজুল ইসলাম বিএনপিকে বিরোধী দল বলে উল্লেখ করেন। বিএনপিকে এখন বিরোধী দল বলা যাবে না- বলে প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সাংসদদের সচেতন থাকার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দল তাদেরই বলে, যারা সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসে। বর্তমানে বিএনপি সরকারেও নেই, বিরোধী দলেও নেই, তারা একটি রাজনৈতিক দল হিসেবে আছে। খালেদা জিয়ার গুলশানের কার্যালয়ে গিয়ে ফিরে আসার বর্ণনা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, একজন মা তাঁর সন্তান হারিয়েছে। মা সন্তান হারালে তার ব্যাথা-বেদনা থাকবে, এটাই স্বাভাবিক। আমি সেখানে ছুটে গিয়েছি। গিয়ে দেখি দরজা তালাবদ্ধ। আমাকে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। আমি নিরাপত্তার কথাও চিন্তা করিনি। গাড়ি থেকে নেমে ছোট গেট দিয়ে যেতে চেয়েছি। সেখানে তালা মারা। অর্থাৎ ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রশ্নোত্তর পর্ব শুরুর আগে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদের অধিবেশন শুরু হয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এস এস সি পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় মেরন সানে দোয়া মাহফিল

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজধানীতে সন্ধ্যার পর ৭ গাড়ীতে আগুন : ৯ ককটেল বিস্ফোরন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সঙ্কট উত্তরণে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব

তিনি বলেন, জাতীয় ঐকমত্যের সরকারের প্রধান কাজ হবে প্রজাতন্ত্রের সব কর্মকান্ড যথাযথভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে সবার অংশগ্রহণমূলক একটি নির্বাচন অনুষ্ঠান। ঐক্যমতের সরকারের প্রধান কর্তব্য হবে নির্বাচন কমিশন, প্রশাসন এবং বিচারবিভাগসহ সব সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের অর্থবহ সংস্কারের মাধ্যমে একটি অবাধ, নিরপেক্ষ এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি করা। সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন সভাপতিত্বে আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত সভায় জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রস্তাবে নাগরিক সমাজের কয়েকজন প্রতিনিধিও সমর্থন জানিয়েছেন। আলোচনায় অংশ নেন সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ, কবি ও গবেষক ফরহাদ মজহার, সাবেক সেনা কর্মকর্তা লে. কর্ণেল (অব.) কাজী সেলিম উদ্দিন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) সভাপতি, কবি ও সাংবাদিক আব্দুল হাই শিকদার, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক প্রো-ভিসি অধ্যাপক ডা.আবদুল মান্নান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুকমল বড়–য়া, এডভোকেট তাজুল ইসলাম প্রমুখ। সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহবায়ক রুহুল আমিন গাজীর অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন। এমাজ উদ্দিন আহমেদের সাথে দেশের বিবেকবান ও সুশীল সমাজের পক্ষে যে সব বিশিষ্ট নাগরিক এ প্রস্তাব পেশ করেছেন তারা হলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন, অধ্যাপক এম এ মাজেদ, বিচারপতি আবদুর রউফ, মোহাম্মদ আসাফুদ্দৌলা, ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, অধ্যাপক ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়–য়া, সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, রুহুল আমিন গাজী, আব্দুল হাই শিকদার, অ্যাডবোকেট তাজুল ইসলাম, অ্যাডভোকেট এস এন গোস্বামী ও লে. কর্ণেল (অব.) কাজী সেলিম উদ্দিন। লিখিত প্রস্তাবের শুরুতে এমাজ উদ্দিন আহমদ বলেন, একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ছাড়া এমন ঘোর সংকট জাতির জীবনে কখনো আসেনি। জনগণের অংশগ্রহণ এবং সমর্থনবিহীন একটি প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত বর্তমান সরকার রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয়করণের মাধ্যমে অকার্যকর ও ধ্বংস করে ফেলেছে। সংবিধানকে ব্যক্তি বা দলের ইচ্ছায় নির্বিচারে কাটাছেঁড়ার মাধ্যমে একটি অর্থহীন সংবিধানে পরিণত করা হয়েছে। যা আজ জাতির সংকটকালে দিক নির্দেশনা দিতে ব্যর্থ ও অক্ষম। বিরোধী রাজনৈতিক শক্তিগুলো নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একটি স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে অব্যাহত আন্দোলন করে যাচ্ছে। অন্যদিকে সরকার তাদের দাবি বিবেচনার পরিবর্তে দমন পীড়ন ও নিঃশেষ করার নীতি গ্রহণ করেছে। সরকার ও বিরোধী শক্তির এই প্রাণঘাতী লড়াইয়ে জনগণ এক নিরাপত্তাহীন, সংকাকুল এবং অনিশ্চিত সময়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে। এই অনিশ্চিত অচলাবস্থার সমাধান হওয়া জরুরি।
সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার বিচারপতি আবদুর রউফ বলেন, বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছাড়া অন্য কোনো তন্ত্রের সুযোগ আছে বলে মনে করি না। প্রশাসনে যেভাবে দলীয়করণ করা হয়েছে তাতে পরিবর্তন না আনা গেলে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়। এজন্য ব্যক্তি নয়, নির্বাচন প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষ করতে হবে। জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠার যে প্রস্তাব এসেছে তা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হওয়া উচিত।
কবি ও গবেষক ফরহাদ মজহার বলেন, আমাদেরকে সঙ্কটের গোড়ায় যেতে হবে। শুধু নির্বাচনের মাধ্যমে সঙ্কটের কোনো সমাধান হবে না। মুক্তিযুদ্ধের পর সংবিধান প্রণয়নের সময় জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করা হয়েছে। এখনো ফ্যাসিস্ট সরকার জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করছে। তিনি বলেন, আরাফাত রহমান কোকোর জানাজায় অসংখ্য মানুষ উপস্থিত হয়েছেন। যদিও জানাজা রাজনৈতিক কিছু নয়। কিন্তু নিগৃহিত মানুষ নিঃশব্দ প্রতিবাদের উপকরণ হিসেবে এটিকে ব্যবহার করেছে। বিএনপির নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণে এই বিপুল মানুষকে আন্দোলনে সম্পৃক্ত করা যাচ্ছে না। পাকিস্তানের সংবিধান মেনে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ হয়নি।
ফরহাদ মজহার বলেন, বাংলাদেশ ভয়ঙ্কর পরিণতির দিকে এগোচ্ছে। ধীরে ধীরে আমরা আফগানিস্তান-ইরাকের মতো পরিস্থিতির দিকে যাচ্ছি। পেট্রোল বোমা থেকে বোমার দিকে যেতে বেশি সময় লাগবে না। এ অবস্থায় ভেতর অথবা বাইর থেকে তৃতীয় শক্তির আর্বিভাব ঘটতে পারে।
খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, দেশ একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছে। এ অবস্থায় চুপ করে থাকলে চলবে না। সরকার যদি ক্ষমতা মোহ ত্যাগ না করে তাহলে সংকট আরো ঘনীভূত হতে থাকবে। তাই এখনো সময় আছে সরকারের সমঝোতায় আসা উচিত। বর্তমান সংবিধানে সংকট সমাধানের জন্য গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের কোনো সমাধান নেই। তাই সংবিধানের সংশোধনের মাধ্যমে একটি জাতীয় সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। যেন একটি অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যবস্থা করা যায়। তিনি বলেন, সরকার যদি মনে করে বিরোধীদলের নেতা-কর্মীদের মামলা হামলা, দমন নিপীড়ন করে ক্ষমতায় থাকা যাবে না। জনগণের স্বতস্ফুর্ত প্রতিবাদকে জঙ্গিবাদের তকমা দেয়া হলে সেটাও হবে ভুল। এ আলোচনা সভায় যে প্রস্তাব এসেছে তা সংকটের সমাধান করতে পারে। কারণ এতে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন রয়েছে। তাই আসুন দেশ ও জনগণকে রক্ষা করি। ১৬ কোটি মানুষ চলমান সংকটের সমাধান চায়। আশা করি, সারা দেশের মানুষের আকাক্সা অনুযায়ী জাতীয় সরকার গঠনের মাধ্যমে সংকটের সমাধান হবে।
জাতীয় ঐক্যমতের সরকারের প্রস্তাবের প্রতি ১১০১ জন চিকিৎসকের সমর্থন : দেশের সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে সুপ্রীম কোর্ট অডিটরিয়ামে পেশাজীবী সমাবেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি এবং বিশিষ্ট রাষ্ট্র বিজ্ঞানী অধ্যাপক ড. এমাজ উদ্দিন আহমেদ জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রতিষ্ঠার যে প্রস্তাব দিয়েছেন তার প্রতি পূর্ণ সমর্থন জ্ঞাপন করেছেন দেশের ১১০১ জন চিকিৎস। এ বিষয়ে দেশের চিকিৎসক সমাজে পক্ষে দেয়া এক বিবৃতিতে উপরোক্ত প্রস্তাবের সাড়া দেয়ার জন্য সরকার ও বিরোধীদলসহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষের প্রতি আহবান জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেন- অধ্যাপক ডা: এম.এ. মাজেদ, অধ্যাপক ডা: আ: বায়েস ভূইয়া, অধ্যাপক ডা: এম. মবিন খান, অধ্যাপক ডা: খাদিজা বেগম, অধ্যাপক ডা: আব্দুল মান্নান মিয়া অধ্যাপক ডা: সায়েবা আক্তার, অধ্যাপক ডা: এ.কে.এম. আজিজুল হক, অধ্যাপক ডা. এ.জেড.এম. জাহিদ হোসেন, অধ্যাপক ডা: মতিউর রহমান মোল্লা, অধ্যাপক ডা: মিজানুর রহমান, অধ্যাপক ডা: রফিকুল কবির লাবু, অধ্যাপক ডা: মোস্তাক রহিম স্বপন, অধ্যাপক ডা: এ.কে.এম. ফজলুল হক, অধ্যাপক এ.এস.এম. রায়হান, অধ্যাপক ডা: মো: ইউনুছ, অধ্যাপক ডা: সাইফুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা: সিরাজ উদ্দিন আহমেদ, ডা: মো: আব্দুস সালাম, ডা: মো: আব্দুল কুদ্দুস, ডা: সাইফুল ইসলাম সেলিমসহ ১১০১ জন চিকিৎসক।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কুতুবদিয়ায় কোকোর গায়েবানা জানাযায় শোকার্ত মানুষের ঢল by হাছান কুতুবী


(হাছান কুতুবী, ২৭-জানুয়ারী)
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হিজবুল্লাহর হামলায় ১৭ ইসরাইলি সেনা নিহত, আটক ১

এদিকে, ইসরাইলের হাইফা ও রাশবিনা বিমানবন্দর বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এছাড়া, ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলের প্রধান সড়কগুলোতে জনসাধারণ ও যান চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। এদিকে, হামলার জবাবে ইসরাইলও লেবাননের ভেতরে অন্তত ২৫টি গোলা ছুঁড়েছে বলে রেডিও তেহরান জানিয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সহিংতা বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ


বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট
চলমান সহিংসতা বন্ধের দাবিতে গত কয়েক দিনের মতো আজও মানববন্ধন করেছে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট। অনুষ্ঠানে উপস্থিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘বেগম জিয়া সন্তান হারিয়েছেন। এরপর সবাই আশা করেছিল, তিনি সন্তানহারার বেদনা বুঝে সহিংসতা বন্ধ করবেন। কিন্তু তাঁর সেই বোধোদয় হয়নি।’
সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট
‘আওয়ামী লীগ-বিএনপির নেতৃত্বে দুই জোটের ক্ষমতা দখলের পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষ বন্ধ করো, জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করো, জানমালের নিরাপত্তা দাও, শিক্ষাজীবন রক্ষা করো’ ব্যানারে সকালে সমাবেশ করে সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। সমাবেশে অংশগ্রহণকারীরা ‘জীবনের নিরাপত্তা সরকারকেই দিতে হবে, জোট-মহাজোটের ক্ষমতার লোভে পুড়ছে বাংলাদেশ, চাইবাম বিকল্প’ ইত্যাদি ফেস্টুন নিয়ে আসেন। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি রাহাত আহমেদ।
ন্যাশনাল লেবার পার্টি
‘আগুনে মানুষ পোড়ানোর অপরাজনীতি থেকে দেশবাসীকে মুক্তি দিতে অবিলম্বে সব দলের অংশগ্রহণের ভিত্তিতে অর্থবহ সংলাপ’-এর দাবিতে প্রতীকী অনশন করে ন্যাশনাল লেবার পার্টি। এতে সভাপতিত্ব করেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ জিয়া।
সমাবেশের প্রধান অতিথি নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হয়নি। বর্তমান পরিস্থিতিতে সব দলকে নিয়ে সংলাপের আহ্বানও জানান তিনি। গাড়ি পোড়ানোর মামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করার সমালোচনাও করেন মাহমুদুর রহমান। বেগম জিয়াকে উদ্দেশ করে মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘আপনি ছেলে হারিয়েছেন। আপনি এখন শোকাহত। বার্ন ইউনিটে যাঁরা কাতরাচ্ছে, তাঁদের শোকও বোঝার চেষ্টা করুন।’
ইসলামী সমাজ
চলমান রাজনৈতিক সহিংসতা ও অস্থিরতার পরিপ্রেক্ষিতে শান্তিপূর্ণ মিছিল করেছে ইসলামী সমাজ। সংগঠনের আমির সৈয়দ হুমায়ুন কবির বলেন, বিভিন্ন জোট ও দলের সহিংস রাজনীতি ও উগ্র কর্মসূচির কারণে জাতীয় জীবনে চরম হতাশা নেমে এসেছে। তিনি ইসলামী বিধি অনুযায়ী সমস্যা সমাধানের দাবি জানান। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মোনাজাতের মাধ্যমে তাঁরা কর্মসূচি শেষ করেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাঁচ গ্রহ নিয়ে যে নক্ষত্রের সংসার

About: Bangal Art
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘ট্রাক চাপায়’ শিবির নেতা নিহত: অজ্ঞাত চালকের বিরুদ্ধে র্যাবের মামলা

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুলিশকে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পেট্রল দিয়ে মানুষ হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে যখন যেখানে যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন, তা নিতে সরকারপ্রধান হিসেবে আমি আপনাদের সে স্বাধীনতা দিচ্ছি।’ বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসী ও জঙ্গি তৎপরতা দমনে কর্মকর্তাদের দৃঢ় মনোবল নিয়ে কাজ করতে বলেন প্রধানমন্ত্রী।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘বাংলাদেশেও নাৎসী সহযোগীদের বিচার হবে’

তিনি বলেন, রক্তের ঘ্রাণ নেয়াটাই যেন তাদের একমাত্র দায়িত্ব, মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নয়। সরকারের পতন হলে নিজেদের পরিণতির কথা ভেবেই তারা দানবীয় শক্তি নিয়ে চলমান আন্দোলনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। কারণ তাদের নিজেদের এবং সরকারের স্বার্থ যেহেতু অভিন্ন সেহেতু এই আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো নিজেদের স্বার্থেই এই অবৈধ সরকারের স্বার্থ রক্ষা করছে, যেখানে আইনে সুস্পষ্টভাবে বলা আছে রাষ্ট্রের কর্মচারীরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করবে, কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে সরকারের বেআইনি রাজনৈতিক এজেন্ডা সফল করার কাজে তারা উঠেপড়ে লেগেছেন। সেজন্যই দেখা যাচ্ছে আওয়ামী লীগের উচ্চ পর্যায়ের নেতাদের হুমকি-ধামকির সঙ্গে সুর মিলিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধান কর্তারা কথা বলছেন। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কেউ কেউ ক্ষমতাসীনদের হুমকির প্রতিধ্বণি করে প্রকাশ্যে গুলি করার কথা বলছেন, আবার কেউ বাংলাদেশের গণমানুষের নেতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতির সবক দিয়েছেন। ঔদ্ধত্য ও ধৃষ্টতা কত চরম সীমায় গিয়ে পৌঁছলে তিন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এখতিয়ার বহির্ভূত কথা বলতে পারেন কোন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কর্তাব্যক্তিরা? এগুলো হচ্ছে একমাত্রিক রাষ্ট্রের বৈশিষ্ট্য, একদলীয় দুঃশাসনের নমুনা।
রিজভী বলেন, যখন রক্ষকরাই গিলে খাওয়া রাক্ষসদের মতো আচরণ করে তখনই সে দেশ এবং সেই সমাজে নৈরাজ্যের অন্ধকার নেমে আসে। এখন বাংলাদেশ ভয়াল অন্ধকারে ঢেকে আছে। বাংলাদেশে বিরোধী দল ও জোটের আন্দোলন রাষ্ট্রের দমনমূলক শক্তি দিয়ে দমন করতে গিয়ে সারাদেশকেই এক সমাধানহীন রক্তঝরা হানাহানির দিকে ঠেলে দেয়া হয়েছে। রাজপথে মানুষের ধেয়ে আসা স্রোতকে আটকাতে না পেরে পেট্রলবোমা ছুঁড়ে মানুষকে পুড়িয়ে মারার এক অমানবীয় নাশকতার মরণখেলায় তারা মেতে উঠেছে। এই খেলার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের মনকে আন্দোলন থেকে অন্যদিকে সরানো এবং এর দায় বিরোধী দলের ওপর চাপানো। আর এ কারণেই সংবিধান স্বীকৃত বিরোধী দলের কথা বলার অধিকারকে বন্ধ করে গণমাধ্যমকে গায়ের জোরে সম্পূর্ণভাবে কব্জায় নিয়ে নিরন্তর বিরোধী দলের আন্দোলনের বিরুদ্ধে গোয়েবলসীয় কায়দায় বিকৃত সংবাদ পরিবেশন করানো হচ্ছে।
রিজভী বলেন, দ্বিতীয় পর্যায়ের বাকশালের চুড়ান্ত রুপ দিতে এই অবৈধ নাছোড়বান্দা সরকার রেডিও, টেলিভিশন ও সংবাদপত্র দখল করে নিয়েছে। অবিরাম কুৎসার ধারাবর্ষণ ছাড়া গণমাধ্যমে এখন ন্যায়সঙ্গত প্রতিবাদ বা আন্দোলনের খবর প্রকাশিত হয় না। আর তাই এখন পুলিশ লীগ ও র্যাব লীগের ন্যায় প্রভাবিত গণমাধ্যমগুলোকে গণমাধ্যম লীগ হিসেবে মানুষ অভিহিত করছে। বিরোধী দলের কর্মসূচিকে গণবিরোধী দেখানোর জন্য যেন প্রতিযোগিতায় অবতীর্ণ হয়েছে কয়েকটি প্রিন্ট ও বৈদ্যুতিন গণমাধ্যম। বিগত ছয় বছর ধরে দলীয় চেতনার মালিকানায় বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম গড়ে তোলা হয়েছে একদলীয় দুঃশাসনের সাফাই গাওয়ানোর জন্য- এরাই ৫ জানুয়ারির ভোটারবিহীন নির্বাচনকে বৈধতা দিতে উঠেপড়ে লেগেছে। ৭৫ এ চারটি ছাড়া সব সংবাদপত্র বন্ধ করা হয়েছিল, এবারে তারা অনেকগুলি রেখেছে কিন্তু সেগুলি প্রচার করবে একটি দলেরই গুণকীর্তন, আর অপবাদ ছড়াবে বিরোধী দলের বিরুদ্ধে। সেই পুরনো বাকশাল ভিন্ন মোড়কে। তিনি আহমেদ বলেন, ক্ষমতাসীন উচ্চ পর্যায়ের নেতারা মনে হয় রক্তপাতেই সমাধান খুঁজছেন। এটি একটি পুরানো কৌশল, দেশে দেশে দুঃশাসনের প্রতিভুরা এই জীবনবিনাশী নোংড়া কৌশল ব্যবহার করেও নিজেদেরকে টিকিয়ে রাখতে পারেনি।”
তথ্যমন্ত্রী বলেছেন, বেগম জিয়ার জন্য নাকি কাশিমপুর কারাগারে জায়গা করে রাখা হয়েছে। বেগম জিয়াকে গ্রেফতার ও বিচারের অহর্নিশ হুমকি দিয়ে হাসানুল হক ইনুরা দেশকে নিয়ে যেতে চাচ্ছেন চরম সংঘাতের দিকে। বিদ্যমান সংকটকে তারা আরো বেশি ঘনীভূত করতে চাচ্ছেন।
তিনি বলেন, বেগম জিয়ার বিরুদ্ধে মামলা ও তাকে গ্রেফতারের ষড়যন্ত্র করলে চলমান গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনের ওপর জীবনসংহারী হানাদারদের আক্রমণ বন্ধ না করা হয়, মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে যদি প্রসারিত না করা হয়, গুলি করে হত্যা না থামান হয় তাহলে বিরোধী দল লড়াই ব্যতিরেকে নতিস্বীকার করবে না। তবে এ লড়াই জনগণের অব্যাহত শান্তিপূর্ণ লড়াই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সঙ্কটের সমাধান দাবি পোশাক শিল্প মালিকদের- দুই নেত্রীকে স্মারকলিপি

অন্যদিকে খালেদা জিয়ার কাছে স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়েছে, আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি যে, আপনি শান্তি পূর্ণভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচি ঘোষণা দিলেও বাস্তবে দেখা যাচ্ছে রাস্তায় চলাচলের পরিবেশ নেই। জনমনে জানমালের নিরাপত্তার অভাব অনুভূত হচ্ছে। সন্ত্রাসীরা নিরীহ মানুষকে পেট্রোল বোমা ছুড়ে পুড়িয়ে হত্যা করছে। এটি অনতিবিলম্বে বন্ধ করা না হলে নিশ্চিতভাবেই একটি নেতিবাচক মেসেজ সারা বিশ্বে চলে যাবে। ফলে ক্রেতারা বাংলাদেশ ছেড়ে অন্যদেশে চলে যাবেন। সেই সঙ্গে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে পোশাক শিল্পের রপ্তানি আয় ৫০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে স্বপ্ন আমরা দেখছি, তা স্বপ্নই থেকে যাবে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, চলমান রাজনৈতিক সহিংসতায় ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ প্রশ্নবিদ্ধ হয়ে পড়েছে। তারা বলেন, এ অবস্থায় বাংলাদেশ ইমেজ সঙ্কটে পড়েছে। যার কারণে আন্তর্জাতিক ব্যবসা হারানোর মতো পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে সঙ্কটে পড়তে যাচ্ছি আমরা। ক্রেতাদের আকর্ষণ করার চেষ্টা করা হলেও তারা বলছে আগে বাংলাদেশের সহিংসতা বন্ধ হতে হবে।
বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, ক্রিসমাস শেষ হওয়ার পর বছরের শুরুতে নতুন নতুন রপ্তানির অর্ডারের সময় হলেও ক্রেতারা অর্ডার দেয়ার জন্য এদেশে আসতে পারছেন না। দিনের পর দিন অবরোধ-হরতাল দিয়ে দেশকে স্থবির করে দেয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যে পোশাক শিল্পে ৩০ শতাংশ অর্ডার বাতিল হয়ে গেছে। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, এসময় আমাদের এখানে দাঁড়িয়ে মানববন্ধন করার কথা না। যার যার ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত থাকার কথা। রাজনৈতিক সহিংসতার কারণে সমস্ত অর্থনীতি আজ হুমকির মুখে। তাই সরকারের কাছে আমাদের দাবি: শিল্পে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ও ব্যবসার সুষ্ঠু পরিবেশ দিন। জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন। সহিংসতা বন্ধের ব্যবস্থা করুন। এমন পরিস্থিতির সুষ্ঠু সমাধান করুন। তা না হলে আমরা রাস্তায় নামবো। আমাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করবেন না।
আতিকুল ইসলাম বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় পোশাক শিল্পের সমগ্র সাপ্লাই চেইন ভেঙে পড়ছে। রাজনীতিবিদদের কাছে ব্যবসায়ীরা আজ জিম্মি। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ২০১৩ সালের মতো আবারো ক্রেতাদের মধ্যে অনিশ্চিয়তা সৃষ্টি হবে। ফলশ্রুতিতে এই শিল্প অন্যত্র স্থানান্তরিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, যেমনটি ঘটেছিল শ্রীলঙ্কায়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি আবদুস সালাম মোর্শেদী, সহসভাপতি শহীদুল্লাহ আজিম, প্রথম সহসভাপতি নাসির উদ্দীন চৌধুরী, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা তপন চৌধুরী, এফবিসিসিআইয়ের মনোয়ারা হাকীম আলী ও সহসভাপতি হেলাল উদ্দীন প্রমুখ।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোকোর কবরে সবুজ ঘাস

কবরটি পাকা করা হবে কি না, এ ব্যাপারে কোকোর পরিবার বা দলের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি বলে উল্লেখ করেন বনানীর সিটি করপোরেশন কবরস্থানের এই তত্ত্বাবধায়ক। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা আবদুল বারী প্রথম আলোকে বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে হিসেবে কোকোর কবর সংরক্ষণ করা হতে পারে। কোকোর কবর পাকা করা হবে বলে জানিয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসনের প্রেস উইংয়ের কর্মকর্তা শায়রুল কবীর খান। তিনি জানান, কোকোর কুলখানি কবে ও কখন অনুষ্ঠিত হবে, এ ব্যাপারে আজ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। দলীয় সূত্রে জানা গেছে, ৩০ জানুয়ারি গুলশানের আজাদ মসজিদে বাদ আসর কোকোর কুলখানি অনুষ্ঠিত হতে পারে। আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে গিয়ে দলের নেতা-কর্মীদের আনাগোনা দেখা যায়নি। সকাল থেকে এই সময় পর্যন্ত দল কিংবা জোটের শীর্ষ কোনো নেতা কার্যালয়ে আসেননি বলে জানা গেছে।
আগের দিন কার্যালয় ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা থাকলেও আজ তার ছিটেফোঁটাও লক্ষ করা যায়নি। কার্যালয়ের ফটকের সামনে পুলিশের চার কনস্টেবলকে অলস সময় পার করতে দেখা গেছে। সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান গত শনিবার মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। পরদিন মালয়েশিয়ায় তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তিন দিন পর গতকাল দুপুর পৌনে ১২টায় তাঁর মরদেহ ঢাকায় আসে। হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গিয়ে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা মরদেহ গ্রহণ করেন। এ সময় সেখানেও বিপুলসংখ্যক নেতা-কর্মী জড়ো হন। মরদেহের সঙ্গে একই ফ্লাইটে আসেন কোকোর স্ত্রী ও দুই মেয়ে, মামা শামীম এস্কান্দার।
বিমানবন্দর থেকে কোকোর মরদেহ বিএনপির চেয়ারপারসনের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে নেওয়া হয়। সেখানে বেলা পৌনে তিনটায় ছেলের মরদেহকে শেষ বিদায় দেন মা খালেদা জিয়া। সেখান থেকে বিপুলসংখ্যক দলীয় নেতা-কর্মী-সমর্থকের ভিড় ঠেলে প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা পর বিকেল পৌনে পাঁচটায় মরদেহ পৌঁছায় বায়তুল মোকাররমে। সেখানে জাতীয় মসজিদের খতিব মাওলানা সালাহউদ্দিনের ইমামতিতে সোয়া পাঁচটায় জানাজা হয়। একই সঙ্গে বিএনপির উদ্যোগে সারা দেশে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। বায়তুল মোকাররম মসজিদের জানাজায় বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পুতিনকে প্রধান অতিথি করবে চীন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারত সফর শেষ- সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় তুলে ওবামার বিদায় by সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায়

দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং দুই নেতার ব্যক্তিগত রসায়ন কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে, এই টুইট, মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মোদির ‘বারাক’ বলে সম্বোধন, বারবার দুজনের দুজনকে বুকে জড়িয়ে ধরা, একে অন্যের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়া এসবের মধ্য দিয়ে বেশ বোঝা গেছে। যে দেশের প্রেসিডেন্ট নিরাপত্তার কারণে কখনো পৌনে এক ঘণ্টার বেশি খোলা আকাশের নিচে থাকেন না, সেই মানুষটি ঝাড়া দুই ঘণ্টা সোয়া লাখ মানুষের সঙ্গে বৃষ্টিতে একরকম ভিজলেন। এটাও তো অভূতপূর্ব! এর বাইরে গতকাল মঙ্গলবার সকালটা ভারতবাসী মোহিত থাকল ওবামার বাক চাতুর্যে। দিল্লির সিরি ফোর্ট অডিটোরিয়ামে পৌনে এক ঘণ্টার এক অলিখিত ভাষণে তিনি সেই কথাগুলো বললেন, যা শুনতে ভালোবাসে সবাই। স্বামী বিবেকানন্দ থেকে শুরু করে ওবামা উল্লেখ করলেন শাহরুখ খান (এমনকি শাহরুখের সিনেমার হিন্দি সংলাপ পর্যন্ত আউড়ে গেলেন অবলীলায়) ‘উড়ন্ত শিখ’ মিলখা সিং ও অলিম্পিক পদকজয়ী মেরি কমের নাম। শুধু তাই নয়, মন্তব্য করলেন ভারতের সাফল্যের মূল এ দেশের ধর্মনিরপেক্ষতা। ধর্মের সংঘাতে ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন না হলে ভারতের সাফল্য আটকানো যাবে না।
ওবামার সফর ঘিরে আবেগের পাত্র অবশ্যই টইটম্বুর। কিন্তু বাস্তবের লাভ-লোকসানের হিসাব? ওবামা এই যে খুশি মনে সৌদি পাড়ি দিলেন, তার নেপথ্যে অবশ্যই থাকছে পরমাণু দায়বদ্ধতার হাত থেকে মার্কিন কোম্পানিগুলোকে অব্যাহতি দেওয়া। তিন দিনের সফরের সব থেকে রাখঢাক করার বিষয় এটিই। আইনটা ছিল, দুর্ঘটনা ঘটলে চুল্লি বা জ্বালানি সরবরাহকারীকে দেড় হাজার কোটি রুপি ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশ কাটানো ফর্মুলাটা হলো, ওই দেড় হাজার কোটির অর্ধেক দেবে ভারত সরকার, বাকি অর্ধেক দেবে ভারতের ‘জেনারেল ইনস্যুরেন্স কোম্পানির’ (জিআইসি) অধীন চারটি সাধারণ বিমা সংস্থা। বিরোধীদের সম্মিলিত দাবি, আইনকে কেন এভাবে পাশ কাটানো হলো এবং দায়বদ্ধতা কেন ভারতের করদাতাদের ঘাড়ে পড়বে? নরেন্দ্র মোদিকে এই প্রশ্নের জবাব দিতে হবে আজ বা কাল।
কিন্তু এর বাইরে মোদির হাসি চওড়া হওয়ার উপাদান যথেষ্টই। অবকাঠামো ক্ষেত্রে ওবামা ৪০০ কোটি ডলারের সাহায্য ঘোষণা করেছেন। নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে ২০০০ কোটি ডলার এবং ছোট ও মাঝারি শিল্পের বিকাশে ১০০ কোটি ডলারের ঘোষণাও উল্লেখযোগ্য। সামরিক ক্ষেত্রে যৌথ উদ্যোগ এবং উৎপাদনের অঙ্গীকারও ওবামা করে গেলেন। মোদি ও ওবামা দুজনেই বলেছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র একে অন্যের সেরা ‘সহযোগী’। এই সহযোগিতার চরিত্র কী রকম, ওবামাকে তার পরিচয় মেয়াদ শেষের আগে আগামী দুই বছরের মধ্যেই রাখতে হবে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করি না : ফিদেল ক্যাস্ত্রো

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ওবামার সফরে লাভবান বিজেপি!

ভারতের উদারপন্থী ও ধর্মনিরপেক্ষতায় বিশ্বাসী বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। গত বছর অনুষ্ঠিত নির্বাচনে মোদির বিপুল বিজয়ের পেছনে ওই সংগঠনগুলোর বড় অবদান আছে বলেই তিনি তাদের ব্যাপারে কঠোর হতে পারছেন না বলে বিরোধী দলগুলোর অভিযোগ। সম্প্রতি এই উগ্রপন্থী দলগুলোর বিরুদ্ধে দেশটির কয়েকটি স্থানে খ্রিষ্টান ও মুসলিমদের ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ ওঠে। এমন পরিস্থিতির মধ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামার এ-সংক্রান্ত বক্তব্যের পর ভারতের প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস এক বিবৃতিতে বলেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট মোদি সরকারকে তিরস্কার করেছে।
তবে ‘তিরস্কারের’ বিষয়টি মেনে নিতে নারাজ বিজেপি। তাদের মতে, প্রেসিডেন্ট ওবামার ভারত সফর বিজেপির জন্য ‘হিট’। বিজেপির মুখপাত্র বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র কিছু অভিন্ন মূল্যবোধ লালন করে। এর অন্যতম, বহু জাতের মানুষের সহাবস্থান। মোদি-ওবামার আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে বিরোধী দল সেটাকে বাঁকাভাবে দেখার চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টের সফরের মধ্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির কূটনৈতিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী মোদি পুরো আত্মবিশ্বাস নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন এমাজউদ্দীন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
উত্তর,পূর্ব ও পশ্চিমের ২২ জেলায় হরতাল চলছে

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোকোর জানাজা- জয়নাল হাজারীর মূল্যায়ন

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শোকাতুর জননীর পাশে সমগ্র বাংলাদেশ by সৈয়দ আবদাল আহমদ

এরপর দীর্ঘ ৯ বছর এরশাদ স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে লড়াই করে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনেন শহীদ জিয়ার সহধর্মিনী বেগম খালেদা জিয়া। নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় এসে আবার বাংলাদেশকে তিনি উন্নয়নের একটি পর্যায়ে নিয়ে আসেন। কিন্তু ষড়যন্ত্র থেমে থাকেনি। ২০০৭ সালে এক-এগারোর জরুরি সরকার ক্ষমতায় এসে তার বিরুদ্ধে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করে। তারা বেগম খালেদা জিয়াকে রাজনীতি থেকে মাইনাস করার অপচেষ্টা চালায়। তাকে বিদেশে নির্বাসনে পাঠানোর চাপ সৃষ্টি করে। কিন্তু দেশমাতৃকার বিপদের কথা চিন্তা করে তিনি অন্যায় চাপের কাছে নতি স্বীকার করেননি। নেমে আসে অত্যাচার। তার বড় ছেলে তারেক রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। খালেদা জিয়াকে টানা ৬ মাস ক্যান্টনমেন্টের বাসভবনে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। তাতেও তিনি নির্বাসনে যেতে রাজী না হওয়ায় ২০০৭ সালের ৩ সেপ্টেম্বর গ্রেপ্তার করা হয়। সঙ্গে তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোকেও গ্রেপ্তার করা হয়। দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় তিনি ও তার দুই ছেলে নির্জন কারাগারে বন্দী ছিলেন। এ সময় তার মা বেগম তৈয়বা মজুমদার ইন্তেকাল করেন।
২০০৮ সালে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর আবার নতুন উদ্যমে জিয়া পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার অপচেষ্টা শুরু হয়। বেগম খালেদা জিয়াকে ২০০৮ সালে ১৩ নভেম্বর তার ক্যান্টনমেন্টের ৩৮ বছরের স্মৃতি বিজড়িত বাড়ি থেকে অত্যন্ত অপমানজনকভাবে এক কাপড়ে উচ্ছেদ করা হয়। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী হওয়া সত্ত্বেও বেগম খালেদা জিয়া এদেশের এক দুঃখিনী রাজনীতিক। বার বার তিনি শিকার হন নির্মম অত্যাচারের। তবে যত অত্যাচার নির্যাতনই আসুক না কেন বাংলাদেশ ও জনগণের বিপদের সময় তিনি কখনও তাদের ছেড়ে যাননি এবং যাবেনও না। দীর্ঘ ৬/৭ বছর ধরে তিনি পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন। দুই ছেলে কাছে নেই। ছেলেদের বউ, নাতি-নাতনীর অন্তরঙ্গ সঙ্গ থেকে তিনি বঞ্চিত। এ অবস্থায় বাংলাদেশের মানুষই তাকে আগলে রেখেছে এবং রাখবে।
২০০৮ সালে নির্বাচনের সময় জাতির উদ্দেশ্যে বক্তৃতায় ১/১১র কঠিন সময়ের কথা নিজেই বলেছেন- ‘মানুষ হিসেবে আমি ভুলত্রুটির ঊর্ধ্বে ছিলাম না। ব্যর্থতায় গ্লানিও আমাকে অনেক সময় স্পর্শ করেছে। কিন্তু যে সীমাহীন কুৎসা ও অপপ্রচারের শিকার আমাকে হতে হচ্ছে, সেটা কি আমার প্রাপ্য? অপপ্রচারের পথ ধরেই আমাকে আপনাদের কাছে থেকে মাইনাস করার, বিদেশে নির্বাসনে পাঠানোর অপচেষ্টা হয়েছে। এ প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে আমাকে বিনা অপরাধে ৬ মাস গৃহবন্দী ও এক বছর নির্জন কারাবন্দী করা হয়। মায়ের মৃত্যুর সময়ও তার পাশে থাকতে পারিনি। গুরতর অসুস্থ সন্তানদেরও দেখতে দেয়া হয়নি। তবু যতদিন বেঁচে থাকব আপনাদের মাঝেই বাঁচব। এদেশের জন্য কাজ করতে গিয়ে আমার দুটি পা পর্যন্ত অসুস্থ হয়ে গেছে। আপনাদের ছেড়ে আমি যাইনি, যাবও না।’
বাংলাদেশ আজ চরম বিপদগ্রস্ত। ভোটহীন, ভোটারহীন, প্রার্থীহীন এক ভুয়া নির্বাচন করে ক্ষমতা দখল করেছে হাসিনা সরকার। ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পুরুদ্ধারে তিনি আন্দোলন শুরু করেছেন। সেই আন্দোলনের বিজয়ই তার শোককে শক্তিতে পরিণত করবে। শোকাতুর জননীর পাশে আছে সমগ্র বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশে তিনি আবারও ফোটাবেন গণতন্ত্রের ফুল।
লেখক : জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক
(নিবন্ধে প্রকাশিত মতামত লেখকের ব্যক্তিগত)
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোকোর জানাজায় জনসমুদ্র by মঈন উদ্দিন খান, খালিদ সাইফুল্লাহ ও এম তৌহিদ



গত শনিবার দুপুরে আকস্মিকভাবে মালয়েশিয়ায় হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে আরাফাত রহমান কোকোর মৃত্যু হয়। ছোট ছেলের মৃত্যুর খবর বজ্রপাতের মতো আঘাত হানে মায়ের মনে। খালেদা জিয়া হয়ে পড়েন শোকে বিহ্বল। সেই শোকে কেটেছে টানা ৭২ ঘণ্টা। গতকাল ঘড়ির কাঁটায় যখন ১১টা ৪১ মিনিট, ঢাকায় এসে পৌঁছে কোকোর লাশ। বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ হাজারো মানুষের সারি ভেঙে সরাসরি লাশ নিয়ে আসা হয় মায়ের কাছে গুলশান কার্যালয়ে। বেদনাহত মা সাত বছর পরে স্বদেশে ছেলের মরামুখ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন। অবতারণা হয় এক হৃদয়বিদারক পরিবেশের। ঘণ্টাখানেক পরে শোকে মুহ্যমান মা ছেলেকে শেষ বিদায় জানালে লাশ নিয়ে আসা হয় বায়তুল মোকাররমে।
জাতীয় মসজিদে এ জানাজার নামাজ ঘিরে নামে জনতার ঢল। দুপুরের পর থেকেই বিএনপি ও শহীদ জিয়ার পরিবারপ্রেমী মানুষের দৃষ্টি নিবদ্ধ হয় বায়তুল মোকাররমে। জানাজায় অংশ নিতে ধীর পায়ে জড়ো হাতে থাকে মানুষ। বেলা সাড়ে ৩টার মধ্যে মসজিদ প্রাঙ্গণ ছাপিয়ে চারপাশ পরিণত হয় জনসমুদ্রে। লাশের জন্য শুরু হয় অপেক্ষা। বেলা ৩টার দিকে লাশবাহী গাড়ি গুলশান থেকে বায়তুল মোকাররমের উদ্দেশে বের হয়। গাড়ির সামনে-পেছনে হাজারো জনতা ঠেলে নামাজে জানাজাস্থলে লাশ আসতে পেরিয়ে যায় প্রায় সোয়া দুই ঘণ্টা। বিজয়নগর পেরিয়ে যখন লাশবাহী গাড়ি বায়তুল মোকাররমের পথ ধরে তখন শোকের মিছিলে রব উঠেÑ লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ। বিজয় নগর থেকে বায়তুল মোকাররম মসজিদের চার দিকে ঠাসা জনতার ভিড় ঠেলে আসতেই সময় লেগে যায় এক ঘণ্টার ওপরে। মসজিদের পশ্চিম গেট দিয়ে প্রবেশ করে কোকোর লাশ। ঘড়ির কাঁটায় তখন ৫টা ১০ মিনিট। এর আগেই শেষ হয় আসরের নামাজ। নামাজ শেষে অগণিত মানুষ সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকেন নামাজে জানাজার অপেক্ষায়। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ জিকির চলে খানিকটা সময়। লাশ পৌঁছার মিনিট দুইয়ের মধ্যেই শুরু হয় জানাজা।
বিকেল ৫টা ১২ মিনিটে কোকোর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন জাতীয় মসজিদের খতিব অধ্যাপক মাওলানা মুহাম্মদ সালাহউদ্দিন আহমদ। নামাজে জানাজা শেষে মাওলানা সালাহউদ্দিন মুনাজাত পরিচালনা করেন। এ সময় তিনি আবেগ আপ্লুত কণ্ঠে আরাফাত রহমান কোকোর রূহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। মুনাজাতের সময় মুসল্লিরা আমিন আমিন করতে থাকেন। জানাজার আগে আরাফাত রহমান কোকোর মামা ও বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম এস্কান্দার মুসল্লিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন। কোকো জীবনে কারো সাথে কোনো ধরনের অপরাধ বা দোষ-ত্রুটি করে থাকলে তা মাফ করে দেয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে তার কাছে কোনো পাওনা থাকলে তা জানালে পরিশোধ করা হবে বলে জানান তিনি। জানাজায় অংশ নেয়ায় তিনি সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে কোকোর জন্য দোয়া কামনা করেন শামীম এস্কান্দার।
নামাজে জানাজায় মানুষের উপস্থিতি মূল মসজিদের বাইরে উত্তর-দক্ষিণ, পূর্ব-পশ্চিমের রাস্তা ছাপিয়ে যায়। প্রেস কাব থেকে মসজিদের উত্তর গেট হয়ে মতিঝিল সিটি সেন্টার, অন্য দিকে জিরো পয়েন্ট, মসজিদের দক্ষিণ গেট হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউ, গুলিস্তান মোড়ে গিয়ে শেষ হয় নামাজে জানাজার কাতার।
জানাজায় আরাফাত রহমান কোকোর আত্মীয়স্বজন ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন সাবেক রাষ্ট্রপতি ও বিকল্পধারার সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী, মহাসচিব আবদুল মান্নান, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম, ২০ দলীয় জোটের শরিক লিবারেল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির চেয়ারম্যান কর্নেল (অব:) অলি আহমদ বীরবিক্রম, মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক সাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, ডা: সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, অধ্যাপক তাসনীম আলম, রিদওয়ান উল্লাহ শাহিদী, মোবারক হুসাইন, ইঞ্জিনিয়ার গোলাম মোস্তফা, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মাওলানা আবদুল লতিফ নেজামী, খেলাফত মজলিসের চেয়ারম্যান অধ্য মাওলানা মুহাম্মদ ইসহাক, মহাসচিব অধ্যাপক আহমেদ আবদুল কাদের, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব:) সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম বীরপ্রতীক, মহাসচিব এম এম আমিনুর রহমান, এনডিপি চেয়ারম্যান খন্দকার গোলাম মুর্তজা, ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুল মোবিন, এনপিপির চেয়ারম্যান ড. ফরিদুজ্জামান ফরহাদ, ন্যাপের চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি, মহাসচিব গোলাম মোস্তফা ভুঁইয়া, জাগপার সাধারণ সম্পাদক খন্দকার লুৎফর রহমান, লেবার পার্টির মহাসচিব হামদুল্লাহ আল মেহেদি, ডিএলের সাধারণ সম্পাদক সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, মুসলিম লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট নুরুল হক মজুমদার, মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী প্রমুখ।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, মাহবুবুর রহমান, ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান শাহ মোয়াজ্জেম হোসেন, আবদুল্লাহ আল নোমান, চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ, এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ বীরবিক্রম, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাহজাহান ওমর, আলহাজ মোসাদ্দেক আলী, মীর মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, ইনাম আহমেদ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদিন, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, মেজর জেনারেল (অব:) রুহুল আলম চৌধুরী, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, শিক্ষাবিষয়ক সম্পাদক খায়রুল কবির খোকন, ধর্মবিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট মাসুদ আহমেদ তালুকদার, সাবেক এমপি মোজাহার আলী প্রধান, লায়ন হারুনুর রশীদ, অ্যাডভোকেট রফিক শিকদার, যুবদল নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, মীর নেওয়াজ আলী নেওয়াজ, কৃষক দলের নেতা শাহজাহান মিয়া সম্রাট, জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের সভাপতি মাওলানা আব্দুল মালেক, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা নেছারুল হক প্রমুখ।
পেশাজীবীদের মধ্যে ছিলেন সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, বাংলাদেশ সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কবি আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেস কাবের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আবদাল আহমদ, বিএফইউজের সহসভাপতি এম আব্দুল্লাহ, দিগন্ত টিভির উপনির্বাহী পরিচালক মজিবুর রহমান মঞ্জু, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. আ ফ ম ইউসুফ হায়দার, অধ্যাপক ড. মোর্শেদ হাসান খান, ড. জাহিদুল ইসলাম, বিশিষ্ট আলেম অধ্যাপক মাওলানা কামাল উদ্দিন জাফরী প্রমুখ।
ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) পক্ষ থেকে নামাজে জানাজায় অংশ নেন সভাপতি অধ্যাপক ডা: এ কে এম আজিজুল হক, মহাসচিব অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা: মোস্তাক রহিম স্বপন, সহসভাপতি অধ্যাপক ডা: রফিকুল কবির লাবু, অধ্যাপক ডা: আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ডা: আব্দুস সালাম, প্রথম যুগ্ম মহাসচিব ডা: এস এম রফিকুল ইসলাম বাচ্চু, ড্যাব বিএসএমএমইউ শাখা সভাপতি ডা: মো: সাইফুল ইসলাম সেলিম প্রমুখ।
জানাজার নামাজ শেষে কত মানুষ হয়েছে তা নিয়ে আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে মুখে মুখে। বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটের বিপরীতে ৭০ বছর বয়স্ক এক মুরব্বি এ জানাজায় সাথে তুলনা করেন শহীদ জিয়ার জানাজার। তিনি বলেন, কোনো দিন এত মানুষ দেখিনি। এ ছেলের বাবার নামাজে জানাজায় হয়েছিল অনেক মানুষ। জানাজা শেষে মসজিদের দক্ষিণ প্লাজায় আগত মানুষদের লাশ দেখার জন্য সুযোগ দেয়ার কথা থাকলেও প্রচণ্ড ভিড়ের কারণে সম্ভব হয়নি। সন্ধ্যা ৬টার দিকে লাশবাহী গাড়ি বনানী কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেও নামে জনতার স্রোত। চোখের জলে ভারী হয়ে উঠে পরিবেশ। সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে কোকোর লাশ কবরে নামানো হয়। বিএনপি নেতা মোসাদ্দেক আলী ও কোকোর শ্বশুরবাড়ির দু’জন আত্মীয় কবরে নামান লাশ। এরপর বনানী কবরস্থানের ১৮ নম্বর ব্লকের ১৮৩৮/১৪৭ নম্বর কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় তাকে। বনানী সামরিক কবরস্থানে দাফনের অনুমতি চাওয়া হলেও দেয়নি কর্তৃপক্ষ।
দাফনের পর কোকোর রূহের মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মুনাজাত করা হয়। মুনাজাতে অংশ নেন বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সরকার, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, আলতাফ হোসেন চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ব্যারিস্টার শাজাহান ওমর, মোসাদ্দেক আলী, আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী, নাজিম উদ্দিন আলম, মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী। এ ছাড়া ২০ দলীয় জোটের সিনিয়র নেতাকর্মীসহ অসংখ্য সাধারণ মানুষ শেষ মুনাজাতে অংশ নেন।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পিতার জানাজার কথা মনে করিয়ে দিলো by আলফাজ আনাম

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কোকো আমাদের সবাইকে অপরাধী বানিয়ে গেছে by মিনার রশীদ

অল্প বয়সে তরুণ সেনাকর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সাথে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের প্রথম ১০টি বছর একজন সেনাকর্মকর্তার ক্যারিয়ারের স্বাভাবিক টানাপড়েনের মধ্যে কেটে গেছে। এর মধ্যে ১৯৬৫ সালে (পাক-ভারত যুদ্ধের সময়) যুদ্ধরত সৈনিক পরিবারের টেনশনের স্বাদ পুরোমাত্রায় গ্রহণ করেছেন। আর্মি অফিসাররা যে সময়ে পরিবার নিয়ে একটু থিতু হন তখনই দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়। নিজের পরিবারের নিরাপত্তার কথা সামান্য চিন্তা না করে ওই মুহূর্তে অত্যন্ত জরুরি স্বাধীনতার ঘোষণাটি দিয়ে বসেন জিয়া। ফলে পাক বাহিনীর আক্রোশটি নিজের ও পরিবারের ওপর নিয়ে আসে। এর সব ধকল সইতে হয়েছে এই ইয়ং পরিবারটিকে। সবচেয়ে কষ্টের কথা হলো স্বাধীনতার চেতনাধারীরা এই বিষয়টিকে নিয়েও নোংরাভাবে আঘাত করেছে।
কর্নেল অলির লেখা থেকে তখনকার একটা কাহিনী জানা যায়। পাকিস্তান সেনাবাহিনী থেকে বিদ্রোহের পরপর প্রায় শ’ চারেক সৈন্য নিয়ে নিজের বাসার পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন জিয়া। তখন ক্যাপ্টেন অলি বলেছিলেন, ‘স্যার, আপনাকে কিছু সময় দিচ্ছি, আপনি ভাবির সাথে দেখা করে আসেন।’ এ কথা শুনে জিয়া বলেছিলেন, ‘আমাকে ছাড়া এখানে বাকি কেউ তো আর তাদের পরিবারের সাথে দেখা করতে পারছে না। আমার মতো পরিবার তো এদের সবারই রয়েছে।’ এ কথা বলে তদানীন্তন মেজর জিয়া নিজের স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে আর দেখা করতে যাননি। আজ তা গল্পের মতো মনে হয়। তখন এই কোকোর বয়স ছিল মাত্র দেড় থেকে দুই বছর। বাকি ইতিহাস আমাদের চোখের সামনে। সেই দেড়-দুই বছর বয়স থেকে শুরু করে আজ ৪৫ বছর পর্যন্ত এই ব্যক্তি কোকোকে সেই একই কষ্ট, একই বেদনা নীরবে সইতে হয়েছে। কাজেই এই জাতির প্রতি কোকোর অভিমান খুব অযৌক্তিক নয়। আসলেই আমরা একটা চরম স্বার্থপর জাতি। আমরা এই কোকোর জন্য কিছুই করতে পারিনি। আমরা জিয়ার জন্য কিছুই করতে পারিনি। যে পরিবারটি দেশের জন্য এত কিছু উৎসর্গ করেছে আমরা সেই পরিবারটির জন্য কিছুই করতে পারিনি। অথচ জাতির যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে এই পরিবারই আমাদের আশার প্রধান জায়গা হয়ে পড়ে। আজ নিজের কলিজার টুকরার লাশকে পাশে রেখে বেগম খালেদা জিয়াকে এখন এ দেশের গণতন্ত্রের জন্য লড়তে হচ্ছে। কারণ তিনি দুর্বল হয়ে পড়লে এ দেশে গণতন্ত্রের অকাল মৃত্যু হবে। এই শকুনেরা এই দুর্বল সময় থেকেও ফায়দা নিতে চেষ্টা করবে। কাজেই অনেকটা অপরাধীর মতোই বলতে হচ্ছে দেশনেত্রী, আপনার এই কঠিন সময়ে সান্ত্বনা দেয়ার ভাষা আমাদের নেই। কিন্তু লাখো কোটি কোকোর জন্যই আপনাকে শক্ত হতে হবে। আপনাকে বেঁচে থাকতে হবে। আমরা জানি দেশনেত্রী, আপনি এটা পারবেন।
minarrashid@yahoo.com
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অঘোষিত জরুরি অবস্থার কবলে বাংলাদেশ by সাদেক খান

এর আগে ১৫ জানুয়ারি রাতে যৌথবাহিনীর অভিযানের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের কানসাটে র্যাবের ক্রসফায়ারে নিহত হন আরেক ছাত্রদল নেতা। নিহত মতিউর রহমান শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর ইউনিয়ন ছাত্রদলের সহসভাপতি ছিলেন। বিএনপির দাবি, গ্রেফতারের পর পরিকল্পিতভাবে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। মতিউর রহমানকে সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী আটক করে। তার বিরুদ্ধে থানায় কোনো মামলা বা একটি জিডিও ছিল না। মফস্বল এলাকায় পুলিশ-র্যাবের হাতে গুম-গ্রেফতার, নির্যাতনে বিরোধী জোটের নেতাকর্মীরা কেউ পালিয়ে কেউ নিরুদ্দেশ। প্রতিবাদে জেলাওয়ারি হরতাল চলেছে থেকে থেকে, দেশব্যাপী টানা অবরোধ কর্মসূচির ১৫ দিন ধরে। অবরোধের ষোড়শ দিবস থেকে চলছে ঢাকা ও খুলনা বিভাগে ৪৮ ঘণ্টার টানা হরতাল, সিলেট ও চট্টগ্রাম বিভাগে আগে থেকে চলা হরতাল এদিন শেষ হচ্ছে। পুলিশ-বিজিবি-র্যাবের কড়া নিরাপত্তাব্যবস্থায় স্বাভাবিকতার একটা চেহারা বজায় রাখতে সরকার সম বলে দাবি করছে রাষ্ট্রীয় প্রচারযন্ত্র। কিন্তু রাস্তাঘাটে যানবাহনের স্বল্পতা, দোকানপাটের বন্ধ দরজা আর পেট্রলবোমার আতঙ্কগ্রস্ত পথচারী অন্য চেহারা তুলে ধরছে। আর দূরযাত্রার মহাসড়ক রেলপথ নৌপথে অবরোধ সমানে চলেছে। যার ফলে সারা দেশে বাণিজ্যিক তৎপরতা স্থবির। কলকারখানা চলছে বন্ধ ফটকের আবডালে। কৃষকের ঘরে সবজি, ফলমূল পচছে, বাজারজাত হতে পারছে না। অথচ চাহিদা মোতাবেক আমদানির অভাবে দাম চড়ছে কাঁচামালের হাটবাজারে। সরবরাহ বিভ্রাটে চালের দরও ঊর্ধ্বমুখী। সরকার বাহাদুর জোরগলায় বলছে, আর ১০ দিনে সব অবরোধকারী পিটিয়ে ঠাণ্ডা করে দেয়া হবে; সন্ত্রাসবিরোধী কমিটি গঠন হচ্ছে পাড়ায় পাড়ায়, মতাসীন দলের কর্মীদের হাতেই নাস্তানাবুদ হবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট। হুমকি-ধমকি দিতে সরব পুলিশপ্রধান, র্যাবপ্রধান, বিজিবিপ্রধান। দেখামাত্র ‘সন্ত্রাসী’কে গুলি করা হবে, বলছেন তারা। কেউ কেউ এমন কথায় ’৭৪ সালের রীবাহিনীর অভিযানকালে তৎকালীন সরকারের গুলি করার নির্দেশ সম্পর্কে মওলানা ভাসানীর মন্তব্য স্মরণ করছেন। মওলানা ভাসানী বলেছিলেন : মুজিব, সন্ত্রাসী কি কারো গায়ে লেখা থাকে?
বিএনপি গোষ্ঠী এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো সমস্বরে প্রতিবাদ করেছে, সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীগুলোর কর্মকর্তাদের এমন নির্দেশ সংবিধানের ও মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন, বর্বরতা। অন্য দিকে, পুলিশি হামলার পাল্টা সহিংসতা, চোরাগোপ্তা বোমাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ, কোথাও কোথাও সামনা-সামনি প্রতিরোধ সংঘর্ষ বেড়েই চলেছে। পুলিশও মারা পড়ছে। অপমৃত্যুর শিকার হচ্ছে অগ্নিদগ্ধ হচ্ছে যাত্রী গাড়িচালক পথচারী অনেকে। সুশীলসমাজের নৈরাশ্য প্রকাশ পেয়েছে প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হকের মন্তব্যে : ‘মনে হয় এই অবস্থা চলতেই থাকবে। চলতে চলতে দেশটা ধ্বংস হয়ে যাবে। ধ্বংসের পর একটা সমাধানের পথ বের হয়ে আসবে। ভালো থাকতে তো আর কেউ সমঝোতায় বসবে না!’
বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মুনাজাতের পরদিন বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তার গুলশান কার্যালয়ের গেটে পুলিশের তালাবদ্ধ অবস্থা থেকে মুক্তি পেয়েই সংবাদ সম্মেলন করেন। অবরোধে দেশব্যাপী নাশকতার জন্য সরকারকেই দায়ী করে খালেদা জিয়া সাংবাদিকদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ অতীতেও এ ধরনের কাজ করেছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলন সম্পর্কে দেশে-বিদেশে বিভ্রান্তি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মতাসীনেরা নাশকতা ও অন্তর্ঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। পুলিশি পাহারার মধ্যে নারী, শিশু, ছাত্রছাত্রীদের বহনকারী যানবাহনে পেট্রলবোমা মেরে অনেক নিরপরাধ মানুষকে হতাহত ও দগ্ধ করা হয়েছে। এসব পৈশাচিক বর্বরতার আমরা তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বাংলাদেশের চলমান পরিস্থিতিতে ইতোমধ্যে জাতিসঙ্ঘ প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে যে আন্তর্জাতিক উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে, তার প্রতি সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। দেশের চলমান সঙ্কট নিছক কোনো আইনশৃঙ্খলার সমস্যা নয়। এটি রাজনৈতিক সঙ্কট। এর রাজনৈতিক সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণের জন্য আমরা মতাসীনদের আবারো আহ্বান জানাচ্ছি।’
সরকারের উদ্দেশে তিনি আরো বলেন, ‘অত্যাচার, দমন অভিযান, গণগ্রেফতার বন্ধ করুন। মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার করা বন্দীদের মুক্তি দিন। গণতান্ত্রিক ও সাংবিধানিক অধিকারের ওপর থেকে সব বাধা তুলে নিন। যে অস্বাভাবিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন, তা স্বাভাবিক করুন। মানুষকে স্বস্তি ও শান্তি দিন। উসকানি, ষড়যন্ত্র ও মিথ্যাচারের অপরাজনীতি বন্ধ করুন। জনগণের ভোট দেয়ার যে অধিকার কেড়ে নিয়েছেন, তা ফিরিয়ে দিন এবং অবিলম্বে গ্রহণযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের পদপে নিন।’
অন্য দিকে, আগের দিন ১৮ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের সাথে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে কটা করে বলেন, ‘কেউ যদি ভেবে থাকে যে (ভারতের) বিজেপি ও (মার্কিন) কংগ্রেসম্যানরা সরকার উৎখাত করে বিএনপিকে মতায় বসাবে, তা হবে দুর্ভাগ্যের কথা। (সংবিধান মোতাবেক) বিএনপি-জামায়াত সরকারেও নেই, বিরোধী দলেও নেই। তাদের হাহাকারের আগুন পুড়িয়ে মারছে দেশের মানুষকে। চোখের সামনে দেশ ধ্বংস হয়ে যাবে তা সহ্য করা হবে না। অগ্নিসংযোগ করা ছাড়া বিএনপির আর কোনো আন্দোলন নেই। বিএনপি নেত্রীর আন্দোলনের অর্থ হচ্ছে মানুষ পুড়িয়ে মারা, বাস-ট্রাকে অগ্নিসংযোগ এবং তারা একের পর এক ভয়াবহ ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। এমনকি গর্ভবতী মহিলাও তাদের সহিংসতা থেকে রেহাই পাচ্ছে না। বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাস করে না। এ দেশের স্বাধীনতা সার্বভৌমত্ব বিশ্বাস করে না। তারা এখনো পাকিস্তানপ্রীতিতে বিশ্বাসী, যা বাঙালি জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক। বিএনপি বেশ কয়েকবার মতায় এসেছিল এবং প্রতিবারই তারা দেশকে পেছনের দিকে ঠেলে দিয়েছে। সরকার দারিদ্র্যমুক্ত দেশ গড়তে কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছে। বাংলাদেশ অচিরেই বিশ্বে মর্যাদাশীল দেশ হিসেবে পরিণত হবে। দেশের জনগণ বিশ্বাস করে, কেবলমাত্র আওয়ামী লীগই দেশকে সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং সরকার জনগণের আকাক্সা পূরণে আন্তরিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু বিএনপি এ প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেতে চেষ্টা চালাচ্ছে।’
তারপর ২০ জানুয়ারি জাতীয় সংসদে বোমা হামলায় দগ্ধদের ছবির পেপার কাটিং দেখালেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি দেখানোর সময় প্রধানমন্ত্রী নিজে কাঁদলেন, কাঁদালেন সংসদ সদস্য সবাইকে। তার মন্ত্রী-এমপিদের দিয়ে সংসদে বলালেন : সহিংসতা কোনো রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি হতে পারে না, দেশে শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে অপারেশন কিনহার্ট অথবা যৌথবাহিনী নামিয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পদপে দিতে হবে, খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করে মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার করতে হবে; বিএনপি-জামায়াতের সাথে কোনো সংলাপ বা আলোচনা হবে না। বিএনপি-জামায়াতকে জঙ্গি সংগঠন উল্লেখ করে দল দু’টিকে নিষিদ্ধ করার দাবিও তোলা হয়। সেই দাবির প্রতিধ্বনি করে মিডিয়ায় বিবৃতি পাঠালেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী : ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর কূটনীতিকেরা কেউ কেউ বলেছেন, জামায়াতে ইসলামী নিষিদ্ধ করার বিষয়ে সরকার উদ্যোগ নিলে তার প্রতি তারা সমর্থন দেবে। সাংবাদিকেরা খবর নিয়ে জানল, কেউ কেউ নয়, শুধু ঘোর কর্তৃত্ববাদী মিলিটারি শাসক জেনারেল সিসির তথা মিসরের রাষ্ট্রদূত তার দেশে মুসলিম ব্রাদারহুডকে নিষিদ্ধ করার নজির দিয়ে এ কথা বলেছে।
প্রসঙ্গত, ভূরাজনৈতিক পর্যবেক দু’জন প্রবীণ বৈদেশিক কূটনীতিবিদ বাংলাদেশ পরিস্থিতি নিয়ে যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, তার উদ্ধৃতি দিচ্ছি। ভারতের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক-রাষ্ট্রদূত কুলদীপ নায়ার শেখ হাসিনার সরকারের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচনের সাফাইও তিনি গেয়েছেন এ কথা বলে : (মূলধারার বিরোধী জোটের) ‘বর্জন সত্ত্বেও সামগ্রিক অর্থে নির্বাচন হয়েছে অবাধ ও সুষ্ঠু। জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক জেনারেল এইচ এম এরশাদ কিছু আসন পেতে সম হয়েছেন। এর ভিত্তিতে এটি এখন পার্লামেন্টের প্রধান বিরোধী দল।’ এখন অবস্থাদৃষ্টে এ বছর ৭ জানুয়ারি লিখিত একটি ভাষ্যে তিনি বলেছেন : ‘শেখ হাসিনার শাসন হলো এক ব্যক্তির শাসন। তিনি ুব্ধ হতে পারেন এমন রায় দেয়ার েেত্র বিচার বিভাগও দ্বিধাবোধ করেন। আমলাতন্ত্র, সেটা তো পরিণত হয়েছে তল্পিবাহকে।’
বেগম জিয়ার অভিযোগ হলো, তাকে সারা রাত অফিসে অবরুদ্ধ থাকতে বাধ্য করা হয়েছে। এ অভিযোগ সত্য হতে পারে। পুলিশ নিজেরাও স্বীকার করেছে যে, তারা খালেদার নিরাপত্তা জোরদার করেছে এবং তিনি চাইলে তাকে তারা তার বাসায় পৌঁছে দিতে পারে। দৃশ্যত, তিনি চাইছিলেন বাইরে এমন কোনো স্থানে যেতে, যেখান থেকে বর্জন করা নির্বাচনের প্রথম বর্ষপূর্তিতে সমাবেশে যোগ দিতে পারেন।
তৎকালীন পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে লাখ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে বাংলাদেশ। এত দিনে এ দেশে শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করা উচিত ছিল। অনেক স্বাধীন দেশে স্বাধীনতাযোদ্ধারা একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রাধান্য বিস্তারে নিজেদের মধ্যে লড়াই করেছেন। তাদের থেকে বাংলাদেশে কোনো ভিন্নতা নেই।
বাংলাদেশের জন্মের সময় স্বাধীনতাযোদ্ধা ও গণতন্ত্রের রকেরা যে সামাজিক কাঠামো অর্জন করেছিলেন, তা ছিন্নভিন্ন করে ফেলার প্রচেষ্টা সব থেকে বেদনাদায়ক। সময়ের সাথে সাথে তারা বেশি বেশি মতা দখলের দিকে মনোযোগ দিয়েছেন, চেয়েছেন প্রাধান্য বিস্তার করতে। তাদের ল্য অর্জনের েেত্র তারা দৃশ্যত কোনো কিছুতে থামেন না। বাংলাদেশ এমনই একটি অবস্থার মাঝে অবস্থান করছে। সেনাবাহিনী যখন মতা দখল করেছে, তখন তারা শাসন করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু সেনারা দেখতে পেয়েছে যে, বাংলাদেশীরা নিজেদের নিজেরাই কঠোরতা ও বিচারবুদ্ধিহীনতার সাথে শাসন করা ভালোবাসেন।
‘ইসলামের প্রতি স্পর্শকাতর অনুভূতি থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশ ধর্মনিরপে ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা করেছিল ইন্ডিয়ান মুসলিম লীগ। পূর্ব বাংলা থেকে জন্ম হওয়া ইন্ডিয়ান মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা করেছিল পাকিস্তান। পরে পূর্ববাংলা হয় পূর্ব পাকিস্তান। এই পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার দাবিকে দমিয়ে রাখা যায়নি, স্বাধীনতার আকাক্সা এখানে সুপ্রতিষ্ঠিত। এখানকার মানুষ উদার মনের। তারা আধুনিক সময়ে ক্রমাগত ধর্মীয় মানসিকতার হয়ে উঠছেন। প্রায় ১০ লাখ হিন্দু বাস করেন বাংলাদেশে। কোনো বাধা-বিপত্তি ছাড়াই তারা তাদের ধর্মীয় রীতি পালন করেন।
‘বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে স্বাধীন হয়নি, কেননা দেশটি এখনো চরমমাত্রায় বিদেশী সাহায্যের ওপর নির্ভরশীল। ঢাকাকে বৈদেশিক মুদ্রাবিনিময় এবং বড় অঙ্কের টাকা সরবরাহ করার জন্য সহযোগিতামূলক একটি আন্তর্জাতিক গোষ্ঠী রয়েছে, যেখানে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করছে আমেরিকা।
বাংলাদেশী নেতারা যত দিন পর্যন্ত না নিজেদের খতিয়ে দেখবেন, তত দিন অব্যাহতভাবে বিদেশী শক্তির ওপর নির্ভরশীল থাকবেন, যারা স্বভাবতই মূল্য আদায় করে নেবে। তারা যেভাবে অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে আছে, তাতে বিদেশী প্রভাব থেকে নিজেদের মুক্ত করতে কোনো বলিষ্ঠ কার্যক্রম রাজনৈতিক দলগুলোর নেই। বরঞ্চ অভ্যন্তরীণ সমস্যা মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক শক্তির সহায়তা চাওয়া হয়েছে। এটা দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান নয়। বাংলাদেশের ট্র্যাজেডি হলোÑ উভয় বেগম তাদের ব্যক্তিগত বৈরিতার কারণে বহির্বিশ্বের শক্তির সাহায্যে সমর্থন গড়ে তোলা অব্যাহত রেখেছেন। যত দিন তারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রোপটে আধিপত্য করবেন, বাংলাদেশের সামান্যই ভবিষ্যৎ রয়েছে। কিন্তু এটা তা হলে পরিবর্তন হবে কিভাবে? দুর্ভাগ্যের কথা, কোনো বিকল্প আবির্ভূত হচ্ছে না।’
‘প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে নতুন নির্বাচনের ঘোষণার প্রত্যাশা করাটা হয়তো অনেক বেশি চাওয়া হবে। এ প্রক্রিয়ায় নিয়মের মধ্যে থেকে ভাগ্য যাচাইয়ে বিএনপিকে একটা সুযোগ দেয়া উচিত। চরম বিভক্ত এবং রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে লিপ্ত একটি দেশে মনে হচ্ছে এটাই একমাত্র সমাধানের উপায়। ন্যায়সঙ্গত স্বাভাবিক পরিস্থিতি না আসা পর্যন্ত দেশের মানুষের দরিদ্রতা ঘুচানো সম্ভব নয়, যার যেটা করার প্রতিশ্রুতি উভয় দলই দিয়েছে। রাজনৈতিক েেত্র নতুন সূচনা ব্যতীত এটা সম্ভব নয়, ঘটবেও না।’ কুলদীপ নিজেই আভাস দিচ্ছেন যে, এমন সমাধান (সামরিক হস্তেেপর অস্ত্রোপচার ছাড়া) দুরাশা মাত্র।
অন্য দিকে, বাংলাদেশে অতীতে নিযুক্ত সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূত (বর্তমানে গ্রন্থকার-গবেষক) উইলিয়াম বি মাইলাম ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের ভোটারবঞ্চনার নির্বাচনকে প্রথম থেকেই একদলীয় রাষ্ট্রব্যবস্থা চালু করার অশুভ পাঁয়তারা বলে চিহ্নিত করেছিলেন। এখন বাংলাদেশ প্রসঙ্গে কুলদীপ নায়ারের ওই ভাষ্য রচনার প্রায় একই সময়ে রচিত ১৬ জানুয়ারি প্রকাশিত একটি মন্তব্য প্রতিবেদনে মাইলাম লিখেছেন :
‘সব ধরনের বিরোধিতার বিরুদ্ধে নিপীড়নমূলক ব্যবস্থা তীব্র করার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতারা (প্রকৃতপে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, যাকে আজকের দিনে কারো কাছেই জবাব দিতে হয় না) তাদের সিদ্ধান্তের এই সঙ্কেতবার্তাই পাঠাচ্ছেন যে, আওয়ামী লীগের একদলীয় সরকারকে সংহত করে একদলীয় রাষ্ট্রে রূপান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। এই প্রক্রিয়া তারা সম্পন্ন করতে চাইছে জনগণ তাদের মোহভঙ্গের রোষানলে গণ-প্রতিরোধ গড়ে তোলার আগেই। যদি তা-ই হয়ে থাকে, তাহলে সেটাই সম্ভবত নিপীড়নের চক্রকে তীব্রতা দিচ্ছে। বৃদ্ধি ঘটাচ্ছে সহিংসতা এবং উসকে দিচ্ছে আরো অনেক বেশি অস্থিতিশীলতা।
এই নিবন্ধ ছাপা হওয়ার আগেই সহিংসতা শুরু হয়ে যেতে পারে। সরকারি ব্যবস্থার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে বিএনপি একটি সমাবেশ করতে চায়। সরকার সম্প্রতি রাজপথের আন্দোলনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। নিষেধাজ্ঞা ধরে রাখতে যদি তারা চাপ সৃষ্টি করে চলে তাহলে সেটা হবে সহিংসতা পাকানোর মালমসলা।
স্বৈরতান্ত্রিক মানসিকতাসম্পন্ন যেকোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান এজেন্ডাই থাকে নিরঙ্কুশ মতা কুগিত করা। আর সেই মতাকে ব্যবহার করে তারা যেকোনো বিরোধী দল, যারা বৈধতা দাবি করতে পারে, তাদের ধ্বংস করতে চায়। বিএনপি যদিও মতায় থাকতে খারাপ রেকর্ড করেছে, কিন্তু তারা বৈধতা দাবি করতে পারে। উভয় দলই দুঃশাসন চালিয়েছে। বেশ কয়েক মাস ধরে এই গুজব চালু রয়েছে যে, কোনো-না-কোনো অভিযোগে বেগম জিয়াকে গ্রেফতার করা হবে। সেটা সম্ভবত দুর্নীতি কিংবা সম্ভবত ইকোনমিস্টের ভাষ্য মতে, রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে। আদালতগুলোর ওপর সরকারের যে নিয়ন্ত্রণ রয়েছে এবং তাদের স্বৈরতান্ত্রিক মনমানসিকতার যা লণ, তাতে আওয়ামী লীগ কার্যত তাদের সরকারের বিরোধী ভূমিকায় থাকা দলনেতার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগ আনতে পারে এবং আদালত সে অভিযোগ বহাল রাখবেন। আদপে দেশের অভ্যন্তরে অসন্তোষ দানা বাঁধার আশঙ্কা করে সরকার সব বিরোধী দলের ওপর আগাম আঘাত হানতেই এই আকস্মিক দমনপীড়ন শুরু করেছে।
অনেক পর্যবেকের মতে, আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত জনরোষ এড়াতে পেরেছে কারণ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ৫ থেকে ৬ শতাংশের মধ্যে থেকেছে। দারিদ্র্য ক্রমাগতভাবে হ্রাস পেয়েছে, যদিও তা ঘটেছে নিতান্ত মন্থরগতিতে। প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি মিডিয়ায় তাঁর পরিকল্পিত নারীর মতায়ন এবং অনগ্রসর শ্রেণীর ভাগ্য উন্নয়নের ছক তুলে ধরেছেন। কেউ হয়তো ভাবতে পারেন যে, পরিসংখ্যান যা-ই বলুক, সরকারের অবস্থা বাস্তবে যা, তার চেয়ে অনেক বেশি ইতিবাচকভাবে চিত্রিত করা হচ্ছে। যে রকম পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, জাতীয় অর্থনীতির চেহারা বিশেষ করে গ্রাম এলাকায় চেহারা মোটেও সে রকম নয়। সেটা যা-ই হোক না কেন, (রাষ্ট্রনৈতিকভাবে) শেখ হাসিনার বৈধতা কখনোই ততটা শক্ত ভিত্তির ওপর ছিল না, যতটা তিনি নিজে ভাবেন। আর তাই তিনি এক দিকে বিরোধী দলকে শায়েস্তা করতে চেয়েছেন, অন্য দিকে জনসাধারণের চোখে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন (নতুনভাবে) তুলে ধরছেন।
‘আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় সম্ভবত ধরে নিয়েছে যে, বাংলাদেশের জন্য গণতন্ত্র এখন একটি হারানো বিষয়। যদি অস্থিতিশীলতা অব্যাহত থাকে এবং বাংলাদেশ অকার্যকর হয়ে পড়ে তাহলে ভারতের হারাবার অনেক কিছুই রয়েছে, কিন্তু তাকে এখনো পর্যন্ত নিরুদ্বেগ মনে হচ্ছে। বাংলাদেশে যারা আওয়ামী লীগের কর্তৃত্ববাদী মনোভাবের বিরোধী তাদের কাছে এ অবস্থা উৎসাহব্যঞ্জক নয়। পাশ্চাত্য শক্তিগুলো আদৌ কি করতে পারে? তারা কি চেষ্টা করে দেখবে, যাতে বাংলাদেশের বিরোধী দলের নেতাদের জেলের বাইরে রাখা যায় এবং যাতে তাদের কোনো তি না হয় তেমন কোনো পন্থা উদ্ভাবন করা যায় কিনা?
এক রসিক ব্যক্তি সম্প্রতি লিখেছেন যে, ‘শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগকে প্রশিতি করেছেন, কী করে পীড়ন করা যায়, কী করে চরিত্র হনন করা যায়, কী করে মুক্তকণ্ঠকে স্তব্ধ করা যায়। আর লোক ঠগানোরও প্রশিণ দিয়েছেন, যেমন সাজানো আন্দোলন (শাহবাগ আন্দোলনের মতো) কী করে পাকিয়ে তোলা ও রদ করা যায়; সৃষ্টি করা যায় পোষ্য বিরোধী দল, যেটি হবে তার সরকারের অংশ, যে দলের নেতারা তার মন্ত্রিসভায় বসবে, শাসকদলের পে ভোট দেবে।’ এই অজ্ঞাতনামা লেখক আরো লিখেছেন, ‘তিনি বিশ্বের প্রথম স্বৈরতান্ত্রিক গণতন্ত্রের মডেল সৃষ্টি করেছেন।’
আমার অনুমান, সুশীলসমাজের গণতান্ত্রিক ব্যক্তিরা এবং বিরোধী দল লড়াই ব্যতিরেকে নতি স্বীকার করবে না। আজ হোক কাল হোক, শান্তিপূর্ণভাবে একটি সরকারের পালাবদলের অনুপস্থিতিতে সহিংসতা হবে এবং তা যথেষ্ট মারাত্মক হতে পারে। আমরা (আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়) আমাদের ঔদাসিন্যের জন্য পরে পস্তাতে পারি। সহিংসতার পরিণামে যেসব অবাঞ্ছিত পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটতে পারে তার মধ্যে সাধারণত সেনাবাহিনীর মতা দখল অন্যতম।
লেখক : প্রবীণ সাংবাদিক, কলামিস্ট
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1330)
- ► 2025 (3280)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
-
▼
2015
(11541)
-
▼
January
(1455)
-
▼
Jan 28
(46)
- ‘জানাজায় বিপুল উপস্থিতি শোক কাটিয়ে শক্তি সঞ্চয়ে সা...
- সমঝোতার দাবিতে লাগাতার ‘নিরবচ্ছিন্ন’ অবস্থানে কাদে...
- মর্যাদা বাড়িয়ে দেওয়া রায় পক্ষপাতমূলক: প্রধানমন...
- এস এস সি পরীক্ষার্থীদের সাফল্য কামনায় মেরন সানে দো...
- রাজধানীতে সন্ধ্যার পর ৭ গাড়ীতে আগুন : ৯ ককটেল বিস্...
- সঙ্কট উত্তরণে জাতীয় ঐক্যমতের সরকার প্রতিষ্ঠার প্রস...
- কুতুবদিয়ায় কোকোর গায়েবানা জানাযায় শোকার্ত মানুষের ...
- হিজবুল্লাহর হামলায় ১৭ ইসরাইলি সেনা নিহত, আটক ১
- সহিংতা বন্ধের দাবিতে প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ
- পাঁচ গ্রহ নিয়ে যে নক্ষত্রের সংসার
- ‘ট্রাক চাপায়’ শিবির নেতা নিহত: অজ্ঞাত চালকের বিরুদ...
- পুলিশকে যেকোনো ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
- ‘বাংলাদেশেও নাৎসী সহযোগীদের বিচার হবে’
- সঙ্কটের সমাধান দাবি পোশাক শিল্প মালিকদের- দুই নেত্...
- কোকোর কবরে সবুজ ঘাস
- পুতিনকে প্রধান অতিথি করবে চীন
- ভারত সফর শেষ- সম্পর্ক অনন্য উচ্চতায় তুলে ওবামার বি...
- যুক্তরাষ্ট্রকে বিশ্বাস করি না : ফিদেল ক্যাস্ত্রো
- ওবামার সফরে লাভবান বিজেপি!
- জাতীয় সরকার গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন এমাজউদ্দীন
- উত্তর,পূর্ব ও পশ্চিমের ২২ জেলায় হরতাল চলছে
- কোকোর জানাজা- জয়নাল হাজারীর মূল্যায়ন
- শোকাতুর জননীর পাশে সমগ্র বাংলাদেশ by সৈয়দ আবদাল আহমদ
- কোকোর জানাজায় জনসমুদ্র by মঈন উদ্দিন খান, খালিদ সা...
- পিতার জানাজার কথা মনে করিয়ে দিলো by আলফাজ আনাম
- কোকো আমাদের সবাইকে অপরাধী বানিয়ে গেছে by মিনার রশীদ
- অঘোষিত জরুরি অবস্থার কবলে বাংলাদেশ by সাদেক খান
- যৌথবাহিনীর হাতে আটকের পর শিবির নেতা নিহত
- পুলিশকে জনগণের আস্থা অর্জনের পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
- নরেন্দ্র মোদিকে নওয়াজের চিঠি
- সৌদি আরব সফরে ‘মস্তকাবরণ’ ছাড়া মিশেল, বিতর্ক
- ‘আবাহনী-মোহামেডান লড়াই হয়, মাঝখানে শেখ জামাল জিতে ...
- চট্টগ্রামে কোকোর গায়েবানা জানাজায় মহিউদ্দিন চৌধুরী
- লিবিয়ায় হোটেলে হামলায় ৫ বিদেশীসহ নিহত ৯
- শান্তিরক্ষীদের অবদান কি ম্লান হবে! by ইকতেদার আহমেদ
- ওবামা-মোদির অঙ্গীকারে বাংলাদেশ কি বার্তা পাবে?
- আমার কোকো বলেই কেঁদে ওঠেন খালেদা
- কোকোর জানাজায় লাখো মানুষের আহাজারি
- বন্দুকযুদ্ধে নিহত সুলতানও ৩৫ দিন ধরে নিখোঁজ ছিলেন
- অবরোধের ২১তম দিনেও ভাঙচুর, আগুন, রাজশাহী, কুমিল্লা...
- অবরোধ-হরতাল পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ২২৯৬ জন -সরকারি ত...
- ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন ১৪ বিবৃতিদাতা
- শিষ্টাচারের নসিহত : বাচ্চালোগ তালিয়া বাজাও by ফরহা...
- বিতর্কিত বিশেষ বিধানের মেয়াদ চার বছর বাড়িয়ে বিল পাস
- কোকোর শেষ যাত্রা- একনজর দেখতে
- এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে শঙ্কা
-
▼
Jan 28
(46)
-
▼
January
(1455)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...