Wednesday, December 15, 2010

রাগ ঝাড়তে ফাঁকা গুলি ছুড়লেন নেপালের সাবেক যুবরাজ পরশ

নেপালের সাবেক যুবরাজ পরশ শাহ গত রোববার রাতে একটি অবকাশ যাপন কেন্দ্রে বাগিবতণ্ডার একপর্যায়ে ফাঁকা গুলি ছুড়েছেন। দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় চিতবান ন্যাশনাল পার্কে টাইগার টপস রিসোর্টে এ ঘটনা ঘটে। নেপালের উপপ্রধানমন্ত্রী সুজাতা কৈরালার মেয়ে ও জামাতার সঙ্গে পরশের বাগিবতণ্ডা হয়। গতকাল সোমবার ফাঁক গুলি ছোড়ার কথা স্বীকার করেছেন পরশ।
সুজাতার ঘনিষ্ঠ সূত্র জানায়, রোববার রাতে ওই অবকাশ যাপন কেন্দ্রে সুজাতার মেয়ে মেলানি ও তাঁর স্বামী সুবল চৌধুরীর সঙ্গে পরশের বাগিবতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তিনি পাঁচটি ফাঁকা গুলি ছোড়েন। এ সময় পরশ উত্তেজিত কণ্ঠে অভিযোগ করেন, সুজাতার বাবা গিরিজা প্রসাদ কৈরালা নেপালের রাজতন্ত্র বিলোপে ষড়যন্ত্র করেছিলেন।
এক বিবৃতিতে পরশ (৩৯) বলেন, ‘মেলানি ও সুবল আমার পূর্ব ভূমিকা ও রাজতন্ত্র নিয়ে কটু মন্তব্য করেন। একপর্যায়ে আমি ধৈর্য হারিয়ে ফেলি। রেস্তোরাঁ থেকে সব অতিথি চলে যাওয়ার পর আমি একটি ফাঁকা গুলি ছুড়ি। কারণ, আমার প্রতি এই অপমানজনক আচরণ আমি সহ্য করতে পারিনি।’

বিজয় দাবি করছে প্রধান দুই দলই

কসোভোর পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রধান দুই দলই নির্বাচনে নিজেদের বিজয়ী দাবি করেছে। ফলে সেখানে রাজনৈতিক অচলাবস্থার সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ২০০৮ সালে স্বাধীনতা ঘোষণার পর কসোভোয় গত রোববার প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রোববার ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে থাচি দাবি করেন, নির্বাচনে তাঁরা দল জয়ী হয়েছে।
এদিকে প্রধান বিরোধী দল ডেমোক্রেটিক লিগ অব কসোভো (এলডিকে) দাবি করেছে, নিজেদের হিসাব অনুযায়ী নির্বাচনে তারাই এগিয়ে আছে।
দুটি নিরপেক্ষ বেসরকারি সংস্থার বুথ ফেরত জরিপ অনুযায়ী এগিয়ে আছেন প্রধানমন্ত্রী হাশিম থাচি।

যুক্তরাষ্ট্র-দ.কোরিয়া সহযোগিতা পারমাণবিক যুদ্ধের সৃষ্টি করবে

উত্তর কোরিয়া আবারও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র-দক্ষিণ কোরিয়ার সহযোগিতার ফলে এ অঞ্চলে পারমাণবিক যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়তে পারে।
গত মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যৌথ সামরিক মহড়া চালায় দক্ষিণ কোরিয়া। এর তিন সপ্তাহ পরই গতকাল সোমবার দেশটির নৌবাহিনী ফের সপ্তাহব্যাপী মহড়া শুরু করেছে। আগামী শুক্রবার নাগাদ ২৭টি স্থানে এ মহড়া চালানো হবে। এই মহড়ার পরিপ্রেক্ষিতে পিয়ংইয়ং এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেছে।
গত ২৩ নভেম্বর দুই কোরিয়ার মধ্যে গোলা-পাল্টা গোলার ঘটনার পর দক্ষিণ কোরিয়া নিয়মিত সামরিক মহড়ার ওপর নজর দিয়েছে। ওই গোলা-পাল্টা গোলার ঘটনায় দুজন সেনাসহ দক্ষিণ কোরিয়ার চার ব্যক্তি মারা যায়।
উত্তর কোরিয়া এই গোলা-পাল্টা গোলার ঘটনার ব্যাপারে বলেছে, দক্ষিণ কোরিয়া আগে গোলা ছুড়েছে। এর জবাবে তারা পাল্টা গোলা ছুড়েছে। তবে দক্ষিণ কোরিয়া বলেছে, উত্তর কোরিয়াই প্রথম গোলা ছুড়েছে।
এ ঘটনার পর পরই দক্ষিণ কোরিয়া-যুক্তরাষ্ট্র যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়েছে। উত্তর কোরিয়ার অব্যাহত হুমকি সত্ত্বেও দক্ষিণ কোরিয়া তাদের সামরিক মহড়া চালিয়ে যাচ্ছে। এরই অংশ হিসেবে গতকাল শুরু করেছে গোলন্দাজ বাহিনীর মহড়া। এ ব্যাপারে দেশটির চিফ অব স্টাফের একজন শীর্ষ কর্মকর্তা বলেছেন, নিয়মিত মহড়ার অংশ হিসেবে এ মহড়া চালানো হচ্ছে। এ সময় বিতর্কিত সীমান্তের কাছাকাছি কোনো ধরনের মহড়া চালানো হবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন। পরিচয় প্রকাশ না করা ওই কর্মকর্তা এর চেয়ে বেশি কিছু বলেননি।
তবে পিয়ংইয়ং এ মহড়ার তীব্র সমালোচনা করে বলেছে, উত্তর কোরিয়ার ওপর চাপ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দক্ষিণ কোরিয়া যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের সহায়তায় এ মহড়া চালাচ্ছে। পিয়ংইয়ংয়ের প্রধান দৈনিক রডং সিনমাম এক মন্তব্য প্রতিবেদনে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের এই সহযোগিতা প্রতারণা ছাড়া আর কিছুই নয়। এর ফলে উত্তর কোরিয়া ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ছে। কোরীয় উপদ্বীপে ছড়িয়ে পড়ছে পারমাণবিক যুদ্ধের কালো মেঘ।
এর আগেও উত্তর কোরিয়া একইভাবে একাধিকবার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছে। এ পরিস্থিতিতে দক্ষিণ কোরিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও জাপানের কূটনীতিকেরা গত সপ্তাহে ওয়াশিংটনে মিলিত হন। সেখানে তাঁরা বলেছেন, উত্তর কোরিয়া তার আচরণে পরিবর্তন না আনা পর্যন্ত তাদের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি বন্ধসংক্রান্ত কোনো আলোচনায় বসা যাবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান মাইক মুলেন গত সপ্তাহে দক্ষিণ কোরিয়া সফরকালে উত্তর কোরিয়াকে ‘যুদ্ধংদেহী ও বেপরোয়া আচরণ’ বন্ধের আহ্বান জানান।
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, উত্তর কোরিয়াসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার প্রতিরক্ষা কর্মকর্তারা গতকাল সিউলে মিলিত হয়েছেন। এ বৈঠকের শুরুতে মার্কিন উপসহকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রী মাইকেল শিফার বলেছেন, উত্তর কোরিয়ার উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডের জবাবে দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে যুক্তরাষ্ট্র।

ছেলেদের নিয়ে উদ্বেগে প্রিন্স চার্লস

প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারির কাছে মোটরসাইকেল চালানোটা খুবই পছন্দের। দুই ভাই ফাঁক পেলেই মোটরসাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন লন্ডনের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে। আর এ নিয়ে উদ্বিগ্ন তাঁদের বাবা প্রিন্স চার্লস। তিনি বলেছেন, উইলিয়াম ও হ্যারি মোটরসাইকেল নিয়ে রাস্তায় বেরোলে অন্যান্য যানবাহন তাদের লক্ষ্য নাও করতে পারে।
প্রিন্স চার্লস গত শুক্রবার সেন্ট জেমস রাজপ্রাসাদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাঁর এই উদ্বেগের কথা প্রকাশ করেন। কমান্ডো হেলিকপ্টার ফোর্সের (সিএইচএফ) পাইলট ও গ্রাউন্ড ক্রুদের অভ্যর্থনা জানাতে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের ফাঁকে প্রিন্স চার্লস বিমান বাহিনীর এক যন্ত্র প্রকৌশলী অলিভার বিয়ালকে (১৯) প্রশ্ন করেন, ‘তোমার মোটরসাইকেল আছে কি না?’ এ ব্যাপারে বিয়াল জবাব দেওয়ার আগেই তাঁর বাবা জন হুল (৫৬) বলেন, ‘তার একটি মোটরসাইকেল আছে। কিন্তু সে এখন একটি প্রাইভেট কার নিতে যাচ্ছে।’ এ সময় প্রিন্স চার্লস বলেন, ‘আমি সব সময়ই তাদের (প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি) নিয়ে চিন্তায় থাকি। রাস্তায় মোটরসাইকেল নিয়ে বেরোলে এমন হতে পারে, কেউ তাদের লক্ষ করলো না। এ বিষয়টি সব সময়ই আমি তাদের বলি।’
প্রিন্স উইলিয়ামের ১৫ হাজার পাউন্ডের ‘ডুক্যাটি ১১৯৮’ মডেলের একটি মোটরসাইকেল রয়েছে। ঘণ্টায় যার সর্বোচ্চ গতি ১৮০ মাইল। অপরদিকে প্রিন্স হ্যারির ‘ডুক্যাটি ৮৪৮’ মডেলের গতি ১৬৬ মাইল।
অনুষ্ঠানে প্রিন্স চার্লস বলেন, ‘আমি মোটরসাইকেল চালানো পছন্দ করি না। অথচ আমার ছেলেরা সেই জিনিসটিই করছে। আমি কখনোই ভালো করে মোটরসাইকেল চালাতে পারিনি।’
পরে অলিভার বিয়ালের মা অ্যানি হুল (৪৫) বলেন, ‘প্রিন্স চার্লস তাঁর দুই সন্তানের ব্যাপারে কেন উদ্বিগ্ন তা আমি বুঝতে পেরেছি। আমার ছেলে বিয়াল কাজের প্রয়োজনে মোটরসাইকেল নিয়েছে। কিন্তু প্রিন্স উইলিয়াম ও প্রিন্স হ্যারি স্রেফ শখের বশে মোটরসাইকেল চালান।’

আলোচনা- ছিটমহলবাসীর নাগরিক অধিকার by গোলাম ফারুক সরকার টুকু

বাংলাদেশ ও ভারতের অভ্যনতরের ১৬২ টি ছিটমহলে ৫ থেকে ৬ লক্ষ মানুষের বসবাস থাকলেও ছিটমহল বলতে সাধারণ মানুষ শুধু আঙ্গরপোতা-দহগ্রামের তিন বিঘা করিডর সম্পর্কে কমবেশি জানেন। আর উইকিপিডিয়ার কল্যাণে অনেকে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলাস্থ ভারতের 'দাশিয়ার ছড়া' ছিটমহলের নামটি জেনেছেন।

আলোচনা- শিক্ষা আসলে কোনটা by ড. মোহীত উল আলম

কেবল সনদপত্র অর্জন শিক্ষা নয়, প্রবণতার উৎকর্ষতা সাধনই শিক্ষা--এ কথাটা সর্বজন স্বীকৃত, যদিও বাস্তবে ঠিক এর উল্টোটা ঘটতে দেখি। জনপ্রিয় ইংরেজ গায়ক স্টিং-এর একটা গান আছে, "দ্যাটস নট দ্য শেইপ অব মাই হার্ট।" ঠিক সেরকম আমি বলতে চাই, প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বলতে যে জিনিষটা আমরা বুঝি সেটা ঠিক সেভাবে আমি বুঝতে চাই না।

গল্পসল্প- জীবন ব্যাকরণঃ হিরালি by আমিনুর রহমান সুলতান

বাংলাদেশের ভাটি অঞ্চল সম্পর্কে জানেন কমবেশি সবাই। নেত্রকোনা, কিশোরগঞ্জ থেকে শুরু করে সুনামগঞ্জ পর্যন্ত বিস্তৃত ভাটির অঞ্চল। ভাটি মানেই হাওর অঞ্চল। হাওর এলাকার জীবন-যাপন সমতলের বা পাহাড়ী অঞ্চলের জীবন-যাপন থেকে ভিন্ন। ভাটির অঞ্চলে ভালভাবে চোখ না রাখলে,

আন্তর্জাতিক- ন্যাটো ও রাশিয়ার সমঝোতা ইরানের ওপর কি প্রভাব ফেলবে by খ ম মাহফুজুল হক

ম্প্রতি পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল রাশিয়া ও আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্টসহ ন্যাটো জোটের ২৮টি সদস্য দেশের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক। ওই বৈঠকে আগামী দশ বছরের জন্য ন্যাটোর স্ট্র্যাটেজি এবং আফগানিস্তানে মোতায়েন ন্যাটো সেনাদের রণকৌশল অনুমোদন করা হয়। এছাড়া, ইরানের সম্ভাব্য হামলা থেকে ইউরোপকে রক্ষার জন্য বহুল আলোচিত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা স্থাপনের বিষয়ে ন্যাটো ও রাশিয়ার মধ্যে সমঝোতা হয় লিসবন বৈঠকে।

আলোচনা- জার্নি বাই ট্রেন by মো. আবুল কালাম

বাংলাদেশ রেলওয়ে দেশের যাত্রী পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা একটি অন্যতম প্রধান মাধ্যম। ১৬ কোটি মানুষের এদেশের রেলওয়ে যাত্রী সংখ্যা অগণিত। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে দীর্ঘদিন ধরে এ সরকারি সেক্টরটি বিভিন্ন অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা, প্রশাসনিক অদক্ষতার কারণে যাত্রী সেবায় বরাবরই ব্যর্থ হচ্ছে। আর এর কারণ হিসাবে নানা সীমাবদ্ধতার অযুহাত দেখিয়ে প্রতিবছর বিপুল টাকার লোকসান করেও পার পেয়ে যাচ্ছে।

রাজনৈতিক আলোচনা- পারিষদদলে বলেঃ by সাযযাদ কাদির

মাদের দেশে রাজনৈতিক অঙ্গনে তর্জন-গর্জনের অভাব নেই কোনও কালে। প্রতি দশকেই দেখি কোনও- না কোনও বিষয় ধারণ করেছে তীব্র তর্জন ও প্রবল গর্জনের মূর্তি। সত্তুর দশকে সমাজতন্ত্র ছাড়া কোনও কথা, বলতে গেলে, বলারই উপায় ছিল না। সে তর্জন-গর্জন তখন এত গগনবিদারী হয়ে উঠেছিল যে, মওলানা ভাসানী পর্যন্ত ইসলামি সমাজতন্ত্রের ঘোষণা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন। আশির দশকে গণতন্ত্র ছিল সবচেয়ে সরব ও সোচ্চার বিষয়।

কৃষি আলোচনা- চরাঞ্চলের ভূমি ব্যবস্থাপনা ইত্তেফাকের সৌজন্যে

সোনালী ধানে ভরিয়া গিয়াছে গলাচিপার চরাঞ্চল। মাঠে মাঠে পাকা আমনের সমারোহ। যে দেখে তাহারই চোখ জুড়াইয়া যায়। কিন্তু প্রান্তিকচাষী, যাহারা রোদে পুড়িয়া, বৃষ্টিতে ভিজিয়া এই ধানের আবাদ করিয়াছেন তাহাদের চোখে ঘুম নাই। দুশ্চিন্তা তাহাদের, এই সোনালী শস্য আপন গোলায় তুলিতে পারিবেন কিনা। স্থানীয় ভূমি অফিসের প্রতিনিধি আসিয়া ধান ভরা চরের অনেক জমিতে লাল নিশান উড়াইয়া দিয়াছে।

আলোচনা- সচেতন হলে শিশু প্রতিবন্ধী হয় না by আফতাব চৌধুরী

প্রতিবন্ধী শব্দটা অভিশাপ হলেও কোন কোন মায়ের ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের অসতর্কতার কারণেই জন্ম নেয় প্রতিবন্ধী শিশু। বয়সের অনুপাতে শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশ ব্যাহত হলে শিশু শারীরিকভাবে হয় স্বল্প বুদ্ধির। এদেরকে 'প্রতিবন্ধী শিশু' হিসাবে চিহ্নিত করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধ- স্মৃতির জানালায় বিজয়ের মাস by মেরীনা চৌধুরী

৯৭১ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অগি্নগর্ভ বছর। এই বছরের প্রতিটি দিন এক একটি সম্ভাবনার সিঁড়ি বেয়ে বাংলাদেশের জনগণ মুক্তির সংগ্রামকে ধাপে ধাপে এগিয়ে স্থিতি দেয় স্বাধীনতায়। স্বাধীনতার উনচলিস্নশ বছর চলে যাচ্ছে কিন্তু সেদিনের সেই ২৫ মার্চের রাত আর ১৪ই ডিসেম্বরের সোনারং সকালের সুন্দর মুহূর্ত যেন আমার বুকে ঠিক স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে।

যুক্তি তর্ক গল্পালোচনা- বিচারপতিদের সামনে যখন ‘ঘুষ’ by মিজানুর রহমান খান

সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. গোলাম রাব্বানী আলোচনার সূচনাতেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থায় বিচারকদের রাখার বিধান বহাল রাখা সমর্থন করলেন। তিনি বললেন, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতিরাই সবচেয়ে নিরপেক্ষ। তাই এই পদে বিচারকদের রাখলে ক্ষতি নেই। সবিনয়ে তাঁর সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করলেন ড. আকবর আলি খান। তাঁর কথায় আশ্বস্ত হলাম। ড. খানের যুক্তি: বিচারকদের উপদেষ্টা রাখার কারণে বিচার বিভাগ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

আলোচনা- কয়লানীতিঃ প্রথম থেকে দশম খসড়ার পূর্বাপর by মো. নুরুল ইসলাম

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ২৫ অক্টোবর ২০১০ খসড়া কয়লানীতির দশম সংস্করণ সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট সবার মতামত প্রদানের জন্য উন্মুক্ত করেছে। খসড়া কয়লানীতি সম্পর্কে মতামত প্রদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

আলোচনা- শ্বাপদসংকুল পথ by দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু

বিষয়টি নতুন কিছু না হলেও এর ক্রমবর্ধমান উন্মত্ততায় সমাজদেহ থর থর করছে। এ নিয়ে ইতিমধ্যে কথাবার্তা, লেখালেখি, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারকসহ সরকারের বিভিন্ন স্তর থেকে কঠোর হুঁশিয়ারিও কম উচ্চারিত হয়নি। ভ্রাম্যমাণ আদালত পর্যন্ত বসেছে, প্রশাসনিক তোড়জোড়ও কম নয়_কিন্তু এর পরও বন্ধ হচ্ছে না মানবরূপী দানবদের ছোবল। প্রায় প্রতিদিনের পত্রপত্রিকায় এর মর্মন্তুদ চিত্র ফুটে উঠেছে।