Thursday, October 10, 2013
জনপ্রিয়তা বেড়েছে আ. লীগেরও, কমেছে জাপা ও জামায়াতের- জনসমর্থনে বিএনপি এগিয়ে
About: Mids
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনই কাম্য
২ বিভিন্ন জরিপ, আলোচনা, সেমিনার এমনকি বহুল আলোচিত টক শোগুলোতে প্রশ্নকর্তারা যে ধরনের প্রশ্ন করেন, তাতে প্রতীয়মান হয় যে সংখ্যাতত্ত্বের দিকে না গেলেও এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ মনে করেন যে অন্তত আগামী নির্বাচন নির্দলীয় অথবা সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সরকারব্যবস্থার তত্ত্বাবধানে না হলে তা শান্তিপূর্ণ হবে না। এমনকি সরকারি জোটের অনেক নেতা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করেন যে সংসদ রেখে নির্বাচন ভালো ব্যবস্থা নয়। তথাপি শাসক জোট সংবিধানের আওতায় বিদ্যমান পদ্ধতিতেই নির্বাচনের জন্য সব প্রস্তুতি শেষ করতে যাচ্ছে। পত্রিকার খবরে প্রকাশ, সরকারি দল আগামী নির্বাচনে বিরোধী গোষ্ঠীর অবর্তমানে মাঠকর্মীদের ৫১ শতাংশ ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে কাজ করতে বলেছে। এই সংবাদ যদি সত্য হয়, তাহলে বলতেই হবে যে বাস্তবতার নিরিখে তেমনটি হওয়ার নয়। এ অবস্থায় সরকারি দল ভোটার উপস্থিতিকে বাড়িয়ে দেখালে তা হবে গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত। আওয়ামী লীগের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী দলের কাছ থেকে সেটি আশা করা যায় না। এ-ও সত্য, নির্বাচনে বিএনপি ও সমর্থক দল অংশগ্রহণ না করলে ৫০ শতাংশ ভোটারের উপস্থিতি হবে না। এই সরল অঙ্ক কষতে বড় ধরনের পণ্ডিত হওয়ার প্রয়োজন হয় না। মহাজোটের মধ্যে সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে আওয়ামী লীগ, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি ও জাতীয় পার্টির।
এম সাখাওয়াত হোসেন (অব.): অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল, সাবেক নির্বাচন কমিশনার ও কলাম লেখক।
hhintlbd@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শুকুইয্যা কডে?
বিশ্বজিৎ চৌধুরী: কবি, লেখক ও সাংবাদিক।
bishwabd@yahoo.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বার্ধক্যে বিষাদ
অধ্যাপক মো. ওয়াজিউল আলম চৌধুরী: পরিচালক ও অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
থ্রিজি প্রযুক্তি : সর্বোত্তম সেবা চাই by রাজীন অভী মুস্তাফিজ

দ্বিতীয় প্রজন্ম থেকে তৃতীয় প্রজন্ম (টুজি থেকে থ্রিজি) প্রযুক্তি উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে বেশ কিছু চালিকাশক্তি কাজ করেছে। প্রথমত, মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা ধীরগতির ইন্টারনেট নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল, তাদের দাবি ছিল আরও বেশি গতির ইন্টারনেট, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ে কাজ সম্পন্ন করা যায়। দ্বিতীয়ত, বিশ্বের বড় মোবাইল কোম্পানিগুলো এমন একটি প্রযুক্তির সন্ধানে ছিল, যা তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীদের চেয়ে তুলনামূলক ব্যবসায়িক সুবিধা দেবে, যেখানে অবকাঠামোগত বিনিয়োগের মাত্রা বেশি হওয়ার কারণে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিদ্বন্দ্বিতায় টিকতে না পেরে অস্তিত্ব হারাবে। উল্লেখ্য, থ্রিজি প্রযুক্তিতে অবকাঠামো নির্মাণের জন্য বেশ বড় অংকের একটি বিনিয়োগ প্রয়োজন হয়, যেহেতু থ্রিজি প্রযুক্তি একটি বিশেষ তরঙ্গ (ফ্রিকোয়েন্সি) ব্যবহার করে থাকে এবং এই তরঙ্গ ব্যবহারের জন্য সরকারের কাছ থেকে নতুন করে লাইসেন্স নিতে হয় মোটা অংকের ফির বিনিময়ে। তৃতীয়ত, বিশ্বের জনবহুল দুটি দেশ চীন ও ভারতে মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির কারণে মোবাইল ইন্টারনেটের প্রসারের অপার সম্ভাবনা।
থ্রিজি প্রযুক্তি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে কাজ করেছে এর মাধ্যমে ব্যবহৃত ইন্টারনেটের গতি। যেখানে টুজি প্রযুক্তি মূলত ভয়েস কল, টেক্সট মেসেজ, এমএমএস এবং কম গতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করতে সক্ষম, সেখানে থ্রিজি প্রযুক্তি ভয়েস কল, টেক্সট মেসেজ, এমএমএসের পাশাপাশি ভিডিও কল, মোবাইল টিভি সম্প্রচার, দ্রুত ডেটা আদান-প্রদান করতে পারে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবার মাধ্যমে। যদিও এই দুই প্রযুক্তির তুলনা করলে ভয়েস কলে তেমন একটা তারতম্য ঘটে না, কিন্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে কোনো আদান-প্রদানের (ডাউনলোড বা আপলোড) ক্ষেত্রে বিশেষ ইতিবাচক পার্থক্য লক্ষ্য করা যায়। তবে নতুন এ প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য থ্রিজি সহায়ক মোবাইল সেটের প্রয়োজন হয়।
বিটিআরসির তথ্যানুযায়ী জুন ২০১৩ পর্যন্ত বাংলাদেশে সক্রিয় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৩ কোটি ৫৬ লাখের কিছু বেশি। এর ভেতর সিংহভাগই মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, যার সংখ্যা প্রায় ৩ কোটি ৪০ লাখের মতো। যেহেতু দেশের ছয়টির ভেতর পাঁচটি মোবাইল ফোন সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান এখন থ্রিজি প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তাই আশা করা যায় নিজেদের বাণিজ্যিক সুবিধা লাভের জন্য হলেও এই প্রতিষ্ঠানগুলো দ্রুত সব জায়গায় তাদের থ্রিজি নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করবে এবং উল্লিখিত মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা অল্প কিছুদিনের ভেতরেই এ সেবার আওতায় আসবে। তবে এখনই সব ব্যবহারকারী থ্রিজি ব্যবহারকারীতে রূপান্তরিত হতে পারবে না মূলত দুটি কারণে। প্রথমটি হচ্ছে, একসঙ্গেই সব জায়গায় থ্রিজি সেবা চালু হচ্ছে না- বিভাগীয় শহরগুলো থেকে ধীরে ধীরে অন্যান্য অঞ্চলে এর বিস্তৃতি ঘটবে এবং যা কিছুটা সময়সাপেক্ষ। দ্বিতীয় কারণটি হচ্ছে, থ্রিজি সেবা পেতে হলে মোবাইল হ্যান্ডসেটটিতে অবশ্যই থ্রিজি ব্যবহারের সুবিধা থাকতে হবে। সাধারণত সব স্মার্টফোনেই থ্রিজি সেবা পাওয়ার সুবিধা থাকে। তবে আশার কথা হচ্ছে, এ মুহূর্তে বাজারে স্বল্পমূল্যের অত্যাধুনিক স্মার্টফোন পাওয়া যাচ্ছে, যা এই প্রতিবন্ধকতা খুব সহজেই দূর করবে। এবার থ্রিজি প্রযুক্তি নিয়ে কিছু আশার কথা বলি। আমাদের দেশের মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানগুলো দেশজুড়েই তাদের নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করেছে অনেক আগে। যেসব এলাকায় এখনও বিদ্যুৎ পৌঁছেনি এমন অনেক জায়গায়ই অনেক প্রতিষ্ঠানের নেটওয়ার্ক থাকার কারণে মোবাইল ফোন গণযোগাযোগে একটি ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। আর সেসব এলাকায় সৌরবিদ্যুৎ বিকল্প বিদ্যুৎ হিসেবে নিরবচ্ছিন্ন মোবাইল যোগাযোগ অব্যাহত রাখতে সহায়তা করছে। এসব স্বল্পোন্নত এলাকায় দ্রুতগতির এই থ্রিজি সেবা সহজ করে দিতে পারে স্বাস্থ্য যোগাযোগ, কৃষি যোগাযোগ কিংবা শিক্ষার অগ্রযাত্রাসমূহ। এ কারণে আশা করা যাচ্ছে, প্রত্যন্ত এসব অঞ্চলে থ্রিজি সেবা বিবেচিত হতে পারে যোগাযোগ খাতের এক যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে। গণমাধ্যম, বিশেষত বাংলাদেশের স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর জন্য মোবাইল টেলিভিশন সম্প্রচার এক অভিনব সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। কারণ এই মোবাইল টেলিভিশনের কল্যাণে এখন প্রায় দেশজুড়েই এসব স্যাটেলাইট চ্যানেল দেখতে পাওয়া যাবে। তাই বাংলাদেশ টেলিভিশনের টেরিস্ট্রিয়াল সুবিধার সঙ্গে লড়াই করার জন্য কিছুটা ইতিবাচক দিক এখান থেকে খুঁজে নিতে পারে বাংলাদেশী স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলগুলো। ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের এ যুগে এদেশের উপযোগী করে বিভিন্ন স্মার্টফোন অ্যাপ্লিকেশন সৃষ্টি করতে পারে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন কর্মসংস্থানের পাশাপাশি স্বনির্ভরতা।
এবার বলি কিছু আশংকার কথা। থ্রিজি সেবার সাফল্যের অনেকটাই নির্ভর করছে এটির ব্যবহার মূল্যের ওপর। একটা উদাহরণ দিলে বিষয়টি আরও পরিষ্কার হবে। ধরা যাক, যে কোনো গ্রাহক আরেকজন গ্রাহকের সঙ্গে ভিডিও কল করবে অর্থাৎ একই সঙ্গে কথাও বলবে এবং দেখতেও পাবে। এখন এই ভিডিও কলটি গ্রাহকের জন্য দ্বিমুখী তথ্য আদান-প্রদানের খরচ (আপলোড ও ডাউনলোড) বহন করবে অর্থাৎ তার ছবি আপলোড হয়ে অপর গ্রাহকের কাছে যাবে, আর অপর গ্রাহকের ছবি ডাউনলোড হয়ে তার কাছে আসবে। কিংবা মোবাইল টিভি দেখার জন্য ব্যয় হবে বেশ খানিকটা ইন্টারনেট ডেটা। ইন্টারনেট সেবার এই ব্যয়ভার যদি সহনীয় মাত্রায় কমিয়ে আনা না যায়, তাহলে হয়তো দরিদ্র জনগোষ্ঠীর একটা বড় অংশ থ্রিজির অনেক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবে। অন্যদিকে দেশে যে পরিমাণ গতি গ্রাহকদের দেয়া হবে, সেই পরিমাণ গতি যদি থ্রিজি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের দিক থেকে নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে ডেটা প্রেরণের সময় একটি শুভঙ্করের ফাঁকি সৃষ্টি হবে। উল্লেখ করা যেতে পারে, উপমহাদেশের দেশগুলোর ভেতর এখনও বাংলাদেশের ইন্টারনেট ব্যবহারের ব্যয় তুলনামূলকভাবে বেশি।
রাষ্ট্রায়ত্ত টেলিটক সর্বপ্রথম বাংলাদেশে থ্রিজি সেবা চালু করলেও তা সেভাবে জনপ্রিয় করতে পারেনি। এর পেছনে অনেক কারণ থাকতে পারে। তবে প্রাথমিকভাবে ব্যবহারের উচ্চমূল্য, দুর্বল নেটওয়ার্ক এবং গ্রাহকদের সঠিক তথ্যের মাধ্যমে আগ্রহী করে তুলতে না পারাই প্রধান হিসেবে বিবেচিত হয়। আমি ব্যক্তিগতভাবে আশা করি, বাংলাদেশের মোবাইল ফোন প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের বিজ্ঞাপনে শুধু থ্রিজি প্রযুক্তি বাংলাদেশে এসেছে এভাবে গ্রাহকদের আগ্রহী করার পরিবর্তে বরং এই থ্রিজি সেবার ব্যবহারিক দিকগুলোর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতে পারে, প্রয়োজনে ডেটা গ্রহণ ও প্রেরণের একটা স্বচ্ছ ধারণা দিয়ে ব্যবহার ব্যয়ের দিকেও দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে। মনে রাখতে হবে, বিশ্বায়নের এই যুগে সব গ্রাহকই ‘ভ্যালু ফর মানি’ অর্থাৎ যে পরিমাণ অর্থ ব্যয় করবে ততটুকু সেবা পাওয়ার পরও আরেকটু কিছু বেশি চায়। সেক্ষেত্রে নতুন এ প্রযুক্তি সম্পর্কে গ্রাহকদের অবহিত করাটাই হওয়া উচিত সর্বপ্রথম কাজ। থ্রিজি প্রযুক্তি কী এবং এর মাধ্যমে একজন গ্রাহক কীভাবে উপকৃত হবে সেটাই যদি সে স্বচ্ছভাবে না জানে, তাহলে সেই প্রযুক্তির প্রতি উদাসীন থাকাটা খুব অস্বাভাবিক কিছু নয়। আমার প্রায়ই মনে হয়, মানুষই শুধু প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে না, প্রযুক্তিও আমাদের ব্যবহার করে। তাই নতুন এই থ্রিজি প্রযুক্তি সম্পর্কে মানুষকে সঠিকভাবে অবহিত করতে পারলে উন্নয়নশীল এ দেশের যোগাযোগ খাতে এক নতুন মাত্রা যুক্ত হবে।
রাজীন অভী মুস্তাফিজ : ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক শিক্ষক
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কি গণতান্ত্রিক? by ড. কাজী আবদুস সামাদ

২৯ সেপ্টেম্বর ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) মত প্রকাশ করেছে, সংসদ বহাল রেখে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলে কখনোই লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হবে না এবং এই নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে না এবং কোনো গ্রহণযোগ্যতাও পাবে না। সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হলে জাতীয় সংসদ যথাসময়ে ভেঙে দিয়ে নিরপেক্ষ, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে হবে। দেশের শতকরা ৯০ ভাগ মানুষও এরই মধ্যে নিরপেক্ষ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়কের অধীনেই নির্বাচন চায়। বিদেশী দাতা সংস্থাগুলো, জাতিসংঘ, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, চীন ও অন্য দেশগুলো এরই মধ্যে সব দলের অংশগ্রহণে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য গণতান্ত্রিক পরিবেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের ওপর পুনঃপুন জোর দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকারি দল এসব বক্তব্যকে কোনোরূপ গুরুত্ব না দিয়ে একতরফা নির্বাচনের দিকে ধাবিত হচ্ছে। সরকারের ভাব দেখে মনে হয়, সরকার যা ইচ্ছা তাই করতে পারে। ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ কি কেএম হাসানকে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান হিসেবে মেনে নিয়েছিল? কেএম হাসান সাহেবের কি যোগ্যতার কোনো ঘাটতি ছিল? একের পর এক কতবার তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকার পরিবর্তিত হয়েছিল? একে পছন্দ হয় না, ওকে পছন্দ হয় না, এভাবে কতদিন লেগেছিল সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার পর্যন্ত গড়াতে? অর্থাৎ আওয়ামী লীগ মনে করে, তারা যা চায় তা আদায় করে নিতে পারবে, আর বিরোধী দল যা চায় তা আদায়যোগ্য নয়। তাই সরকারের আজ্ঞাবহ, অযোগ্য নির্বাচন কমিশন দিয়েই জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। এখানে বিএনপির কোনো জোরালো বক্তব্যও কোনো গুরুত্ব পাচ্ছে না। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ নির্দলীয়, নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জন্য কী করেনি? ১৭৩ দিন হরতালসহ ধ্বংস করেছিল দেশের অর্থনীতি আর কত মানুষ যে হত্যা করা হয়েছে তার সঠিক হিসাব নেই।
বিশ্ববাসীর দৃষ্টি এখন বাংলাদেশের নির্বাচনের দিকে। সবাই একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন দেখতে চায়। এদেশের রাজনৈতিক অবস্থা এমনই যে, একটি সুন্দর, সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনের পূর্বশর্ত হল একটি শক্তিশালী নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন এবং একটি নিরপেক্ষ, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা। এ দুটি শর্ত পূরণ হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের আর তেমন কোনো বাধা নেই। বিরোধী দল সব সময়ই এ দুটি রাষ্ট্রযন্ত্রকে সঠিক ধারায় গঠন করার আহ্বান জানিয়ে আসছে। সরকারি দল অন্যদিকে বলছে, জাতীয় সংসদ বহাল রেখে প্রধানমন্ত্রী তার পদে আসীন অবস্থাতেই নাকি সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হবে। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘে বলে এসেছেন, দেশে সুন্দর, সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং তিনি জাতিসংঘকে বাংলাদেশে পর্যবেক্ষক দল পাঠাতে আগাম অনুরোধ জানিয়ে এসেছেন। যেখানে গোটা বিশ্ব তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা ছাড়া অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের ব্যাপারে আস্থাশীল হতে পারছে না, সেখানে সরকারি দল ও মহাজোট এ ব্যাপারে কিভাবে আস্থাশীল হচ্ছে, তা কেউ বুঝতে পারছে না। দেশের ৯০ ভাগ মানুষ যেহেতু তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার অধীনে নির্বাচন চায়, সেটা কি সরকারি দলের কাছে কোনো গুরুত্ব পাচ্ছে না? সরকারি দল এ পরিস্থিতিতে কিভাবে আশা করে যে, একদলীয় সরকার ব্যবস্থার নির্বাচনে ফাঁকা মাঠে গোল দিয়ে যেনতেন করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করবে? জোর করে ক্ষমতায় টিকে থাকা? সেও কি এ যুগে সম্ভব?
আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গত কয়েক দিনে যে ভাষায় কথা বলেছেন তা গণতন্ত্র থেকে যোজন যোজন দূরে। তিনি বলেছেন, সরকারি কর্তাব্যক্তিরা সরকারের কথামতো কাজ না করলে তাদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হবে। অর্থাৎ সরকারের অভিপ্রায় মোতাবেক তাদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় টিকে থাকার মতো করে সাজানো নির্বাচনে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে হবে, অন্যথায় গুরু শাস্তি হিসেবে বাড়িতে ফেরত যেতে হবে। কোনো সভ্য সমাজে কিংবা দেশে মানুষ এ ভাষায় কথা বলেছে? এটা কি গণতন্ত্রের ভাষা? বরং যেসব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ক্ষমতার অপব্যবহার করে বিশেষ বিশেষ লোকদের ক্ষমতায়নের সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়, তারা দেশদ্রোহী। এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ। মোহাম্মদ নাসিম আরও বলেছেন, কেয়ামত হয়ে গেলেও আওয়ামী লীগ দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচনের ব্যবস্থা করবে। কথা হচ্ছে, দলীয় সরকার এখন এত জনপ্রিয় একটি মতবাদ হল কেন? কোনো মানুষ যদি এ পৃথিবীর মায়া কাটিয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন সে ভাবে জগতের সব প্রাণীরই আত্মহত্যা করা সমীচীন। এটিই মুক্তির একমাত্র সোপান, একমাত্র পথ। বিকল্প বলে কিছু নেই। সরকারি দলের মন্ত্রী, এমপিদের কথা শুনে সেই আত্মহত্যারই কথা মনে হয়। এর থেকে তারা বেরিয়ে আসতে পারছেন না এবং বিকল্পও দেখছেন না। আসলে সরকারি দলের কাছে ক্ষমতাই বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, দেশের জনগণের আশা-আকাক্সক্ষার কোনো মূল্য নেই। সংঘাত, সংকটময় পরিস্থিতি যে কারও কাম্য নয়, এটা বিবেচনায় নিচ্ছে না সরকারি দল। জার্মানির চ্যান্সেলর এঞ্জেলা মার্কেল তৃতীয়বারের মতো চ্যান্সেলর নির্বাচিত হলেন সপ্তাহখানেক আগে। অর্থাৎ ৮ বছর সফল রাজনীতির বখশিশ হিসেবে ওই দেশের জনগণ তাকে আরও ৪ বছরের জন্য এই পদে আসীন রেখেছেন। তার আগে তার অগ্রজ রাজনীতিক ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়নের তৎকালীন সভাপতি হেলমুট কোহল পরপর সর্বোচ্চ ৪ টার্ম (মোট ১৬ বছর) চ্যান্সেলর পদে আসীন ছিলেন। জার্মানি এমনই একটি দেশ। কই সেখানে নির্বাচনের আগে বিরোধী দল তো কোন পদ্ধতিতে নির্বাচন হবে তা নিয়ে কোনো কথা বলেনি। নির্বাচনের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়ে গেছে, জনগণ যাকে খুশি তাকে ভোট দিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত করেছেন। এটাকেই বলে গণতন্ত্র। জোর করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না। আর এটাও ঠিক যে, শুধু নির্বাচনী কৌশলই নির্বাচনে জেতা কিংবা ক্ষমতায় টিকে থাকার একমাত্র নিয়ামক নয়। জনকল্যাণমুখী রাজনীতিই হতে পারে এক্ষেত্রে সহায়ক একটি নিয়ামক। সরকার যতই চেষ্টা করুক না কেন, তাদের সাজানো নাটক মঞ্চায়ন করার আগেই মঞ্চ ভেঙে পড়বে। বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, সরকারের মন্ত্রী, এমপিদেরই বাড়ি যাওয়ার সময় হয়ে গেছে। নির্বাচনকে ঘিরে জনগণের উৎকণ্ঠা ও উদ্বেগের কোনো শেষ নেই। শুধু যে এদেশের জনগণই উদ্বেগ, উৎকণ্ঠার মধ্যে আছে তাই নয়, বিশ্বব্যাপী বিরাজ করছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। সরকারি দল সংশ্লিষ্ট দেশী-বিদেশী সব সংস্থা/এজেন্সিকে প্রত্যাখ্যান করছে কেন? সবাইকে প্রত্যাখ্যান করে একেবারে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে রাষ্ট্র ক্ষমতায় জোর করে টিকে থেকে কি ফায়দা হাসিল করা যাবে? নাকি গণতান্ত্রিক ভাবধারায় উৎসবমুখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে জনমতের ওপর আস্থা স্থাপন করা অধিকতর যুক্তিসঙ্গত? আমাদের নেতানেত্রীরা গণতন্ত্র বলতে কী বোঝেন? বিশ্ব সভ্যতা, বিশ্বের ইতিহাস কি তাদের জানা নেই? তারা কি এমনি এমনি নেতানেত্রী হয়েছেন? দেশের স্বাধীনতা লাভের পর মাত্র সাড়ে ৩ বছর রাষ্ট্র ক্ষমতায় থেকে ’৭৫-এর পটপরিবর্তনের পর আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আসতে ২১ বছর অপেক্ষা করতে হয়েছিল। আওয়ামী লীগ কি সেই ইতিহাস ভুলে গেছে? আওয়ামী লীগ একটি ঘোরের মধ্যে পড়ে গেছে? অশুভ ঘোর থেকে দলটি যত তাড়াতাড়ি বেরিয়ে আসবে এবং যত তাড়াতাড়ি জনমতকে আস্থায় নিয়ে একটি সর্বজনীন, দেশী-বিদেশী সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনে সহায়তা করবে, দেশের জন্য ততই মঙ্গল হবে।
ড. কাজী আবদুস সামাদ : অধ্যাপক, পরিসংখ্যান বিভাগ, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্প্রীতির বন্ধনে উদ্ভাসিত হোক স্বদেশ by নির্মল চক্রবর্তী

প্রতিমা ভাঙার আরও কিছু বিচ্ছিন্ন কারণ রয়েছে। যেমন- হিন্দু সম্প্রদায়ের কিছু টাউট প্রকৃতির মানুষও এর সঙ্গে জড়িত। তারা নিজেদের মধ্যে দলাদলি, কোন্দল, শরিকানা বিবাদ কিংবা নিতান্তই হিংসার বশবর্তী হয়ে স্বধর্মীয় মানুষের বিপক্ষে অবস্থান নেন। প্রতিদ্বন্দ্বীকে হেয়প্রতিপন্ন কিংবা নিছক নাজেহাল করার উদ্দেশ্যে কখনও কখনও নিজেরাই তাদের ধর্মীয় বিগ্রহের প্রতিকৃতিগুলো ভেঙে চুপচাপ বসে থাকেন। যাতে করে এর দায় মুসলিম সম্প্রদায়ের কারও ঘাড়ে পড়ে, আর তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীকে করা হয় নাজেহাল। আবার কখনও এমনও দেখা যায়, নিজের মন্দিরের বিগ্রহ নিজেই ভেঙে পাড়া-প্রতিবেশীর নামে মামলা করা হয়েছে। সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে তাদের নাম, যারা তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক কিংবা রাজনৈতিক শত্র“। তবে এগুলো একবারেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এগুলোর সঙ্গে দেশে চলমান সামগ্রিক মূর্তি ভাঙার কোনো বিশেষ সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না।
মূর্তি ভাঙা, প্রতিমা ভাংচুর, বিগ্রহ চুরি এবং মন্দিরে আগুন দেয়া, মন্দিরের থালাবাটি কিংবা দানের টাকা লুট করার মতো মানসিকতাসম্পন্ন শ্রেণী আলাদা। এরা নিজেদের ধর্মীয় সাংস্কৃতিক অনুভূতির দিক থেকে একেবারে আঠারো আনা। অর্থাৎ পান থেকে চুন খসলেই উগ্রমূর্তি ধারণ করে। শুধু তাই নয়, ছোটখাটো বিষয়েও মীমাংসায় না গিয়ে রীতিমতো জিহাদ ঘোষণা করে বসে। প্রয়োজনে বিশেষ কোনো দিন-তারিখ ঠিক করে সাঙ্গপাঙ্গদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে। যে কোনো অজুহাতেই ভাংচুর, লুটতরাজ কিংবা অগ্নিসংযোগের মতো ঘটনা ঘটায়। সবচেয়ে মজার ব্যাপার হল, তারা যে কোনো সংঘাতকে ধর্মের নামে জিইয়ে রাখতে চায়। এরা শুধু নিজেদের ধর্ম ও ধর্মীয় সম্প্রদায় ছাড়া আর কোনো ধর্ম কিংবা ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষকে মূলত স্বীকৃতি দেন না। তাদের প্রতি কোনো ধরনের সম্মানজনক মনোভাব পোষণ করা তো দূরে থাক, বরং সব সময় অসম্মানজনক পথটিই খুঁজে থাকে।
মন্দিরে হামলা হলে, প্রতিমা ভাংচুর হলে ‘সন্ত্রাসী’ নামটি ব্যবহৃত হয়। প্রশ্ন হল, সমসময় দুর্বৃত্ত কিংবা সন্ত্রাসীরাই কি মূর্তি ভাঙে? সন্ত্রাস, দুর্বৃত্তায়ন আর বেছে বেছে কোনো নির্দিষ্ট ধর্মীয় জনগোষ্ঠীকে মানসিকভাবে আহত করা এক ব্যাপার নয়। কারণ চিহ্নিত সন্ত্রাসী কিংবা দুর্বৃত্ত বলতে এ পর্যন্ত দেশী-বিদেশী এমনকি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যাদের নাম উঠে এসেছে, তাদের কেউ মূর্তি ভেঙেছে কিংবা মন্দিরে হামলা করেছে বলে শোনা যায়নি। তাই বলা যায়, যারা এগুলো করে, তাদের সব সময় সন্ত্রাসী, দুর্বৃত্ত কিংবা জঙ্গি আখ্যায়িত করে প্রকৃত অপরাধ ও অপরাধীর দিক থেকে দৃষ্টিকে আড়াল করার অপচেষ্টা কোনোক্রমেই বাঞ্ছনীয় নয়।
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের আদর্শের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে আমরা কেন বলতে পরি না, হিন্দুর জায়গায় হিন্দু থাকুক, মুসলমান থাকুন মুসলমানের জায়গায়, বৌদ্ধ-খ্রিস্টান থাকুক তাদের নিজস্ব ধর্মীয় সামাজিক কৃষ্টির জায়গায়। ধর্মীয় আদর্শগতভাবে থাকুক না যে যার মতো করে। কী দরকার অযথা হয়রানি-বিরক্ত করে, উপাসনালয়ে ভাংচুর-হামলা করে তাদের মানসিকভাবে কষ্ট দেয়ার? অন্য ধর্মাবলম্বীরা দেশ থেকে বিতাড়িত হলেই কি নিজেদের শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়ে যাবে? পৃথিবীর ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখা যায়, কোনো বিতাড়ন, কোনো হামলা-ভাংচুর কখনও শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ হতে পারে না। মানুষের মনে কষ্ট দিয়ে কোনো মতবাদ প্রতিষ্ঠা করা যায় না। কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন, কারও মনে তুমি দিও না আঘাত, সে আঘাত লাগে কাবার ঘরে। অথবা পাবিনারে তুই, পাবিনা খোদারে, ব্যথা দিয়ে তারি মানুষের মনে। তাই ভাঙাভাঙির এ অপসংস্কৃতি থেকে আমাদের বের হয়ে আসা প্রয়োজন। প্রয়োজন এ অপসংস্কৃতির ধারক-বাহক-পৃষ্ঠপোষক তথা লালন-পালনকারীদের অপরাধ আড়াল করার মতো হীন মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসা। তা না হলে ওপরে ওপরে যতই সম্প্রীতির বার্নিশ করা হোক- বিদ্বেষের ঘুণ পোকা ভেতরে ভেতরে কেটেই যাবে। জ্বালিয়ে যাবে ক্রমাগত অশান্তির আগুন। প্রতিমা ভাংচুর, হামলা অব্যাহত থাকবে ভিন্ন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয়ে। ভেতরে ক্যান্সার রেখে ওপরে মলম পট্টিতে নিরাময় হবে না। মানসিকতার পরিবর্তন প্রয়োজন, প্রয়োজন চিন্তা-চেতনার উদারতা।
হিন্দু বাঙালি সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। দেখা যায় প্রতিটি মন্দিরে পুলিশের প্রহরা, প্রশাসনের উপস্থিতি, স্থানীয় প্রতিনিধিদের ঘনঘন নজরদারি। এসব দেখে সত্যিই খুব দুঃখ হয়। মাটির প্রতিমা, তাও প্রায় অধিকাংশ অনুদান, চাঁদা ও অনেকের সহায়তায় গড়া, তাও মাত্র কয়েক দিনের জন্য। এর জন্য এত উৎকণ্ঠা? নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার এতই আশংকা যে পাহারার জন্য পুলিশের প্রয়োজন হয়। শহরের কথা না হয় বাদই দেয়া গেল, কারণ সেখানে নানা অচেনা-অজানা মানুষের আনাগোনা। কিন্তু গ্রামে তো সবাই সবাইকে চেনে জানে, একত্রে পাশাপাশি বসবাস করা মানুষ তারা। সেখানে কে মূর্তি বা প্রতিমা ভাঙবে? কারা ভাঙবে? তাদের কি চেনা যাবে না, ধরা যাবে না? আর কেন ভাঙবে,তার কারণ উদ্ঘাটন করা কি এতই কঠিন! আসলে আন্তরিকতার অভাবেই এমনটি ঘটে। ধর্ম নিয়ে, ধর্মীয় অনুভূতি নিয়ে বাড়াবাড়ি করা ঠিক নয়। ঠিক নয় সুপরিকল্পিতভাবে কারও সংস্কৃতিতে আঘাত করাও। কোনো ধর্মীয় সম্প্রদায়ের দেব-দেবীর প্রতিকৃতি তথা উপাসনার উপকরণাদি ভাংচুর করাসহ উপাসনালয়ে আগুন দেয়াটা নিঃসন্দেহে গর্হিত অপরাধ। এটি যে কোনো দৃষ্টিকোণ থেকেই নিন্দনীয় ও অমানবিক। সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন। যতই দিন যাচ্ছে, বাড়ছে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা। কারণ প্রতিবারই দেখা যায়, নির্বাচনের ফলাফল যে দলের বিপক্ষে যায়, তারাই চড়াও হন সংখ্যালঘুদের ওপর।
আজন্ম লালিত সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশে এ প্রেতের নৃত্য থামবে কবে? থামবে কবে এ প্রতিমা ভাংচুরের অপসংস্কৃতি? বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় তথা মন্দির, মসজিদ, গির্জা, প্যাগোডা প্রহরামুক্ত হবে কবে? নিশ্চিন্তে নিরাপত্তায় একান্তে একমনে পরমেশ্বরের আরাধনায় আর কি কোনো দিনই বসা যাবে না? এসব প্রশ্ন ঘুরপাক খায় সময়ের আবর্তে। তারপরও আশা, ভরসা- সব ঠিক হয়ে যাবে। একদিন আবার ফিরে আসবে সম্প্রীতির সেই ঐতিহ্য, হারিয়ে যাওয়া বন্ধন। আমরা সবাই একসঙ্গে সম্মিলিতভাবে অংশ নেব দেশ ও জাতির যে কোনো উন্নয়নে। যে কোনো ব্যর্থতার গ্লানি, যে কোনো সাফল্যের আনন্দ সমানভাবে ভাগ করে নেব। এগিয়ে চলব জাতীয় জীবনের সমৃদ্ধির পথে।
নির্মল চক্রবর্তী : উত্তরবঙ্গ সংবাদের বাংলাদেশ প্রতিনিধি
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া নির্বাচন গ্রহণযোগ্যতা পাবে না

এমাজউদ্দীন আহমদ : বিশ্ববিদ্যালয়কে যদি সঠিক মানে উন্নীত করা না যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নত মানের শিক্ষা যদি অব্যাহত না রাখা যায়, তাহলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য করা উচিত। কারণ এতে জাতীয় সম্পদের অপচয় হয়। বাংলাদেশের যে কয়েকটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় অত্যন্ত সুনামের সঙ্গে পরিচালিত হচ্ছে তার মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এটি গর্ব করার মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। কিন্তু এ বছরের আন্তর্জাতিক সূচকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাত হাজারেরও নিচে নেমে গেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী-শিক্ষক এবং প্রশাসক হিসেবে আন্তর্জাতিক সূচকে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের এমন অবস্থানে অত্যন্ত দুঃখ পেয়েছি। বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান কমে গেছে এমনটা আমার মনে হয় না। তবে অন্যান্য দেশের মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়গুলো যে গতিতে অগ্রসর হচ্ছে, বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সে গতিতে অগ্রসর হচ্ছে না। এটি দুঃখজনক। দেশের সবচেয়ে মেধাবী শিক্ষার্থীরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত সুযোগ-সুবিধা সন্তোষজনক। কাজেই এ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান আরও উন্নত হওয়া উচিত। অন্যান্য দেশের মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মতো দ্রুত অগ্রসর হওয়া উচিত।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিচালনা ব্যবস্থা উন্নয়নের জন্য সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের বিভিন্ন যৌথ উদ্যোগে শিক্ষার কাক্সিক্ষত পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে দলীয় আনুগত্যের কারণে কোনো প্রার্থী যাতে বাড়তি সুবিধা না পায় সেজন্য কর্তৃপক্ষকে কঠোর হতে হবে। কম যোগ্যতা সম্পন্ন কোনো প্রার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে একবার নিয়োগ পেলে এতে প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘ সময়ের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় প্রতিষ্ঠান। কাজেই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব পালনে সক্ষম যোগ্য, দক্ষ ও প্রতিশ্র“তিশীল ব্যক্তিদের নিয়োগ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
যুগান্তর : দেশের অস্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশের ওপর কী ধরনের প্রভাব ফেলে?
এমাজউদ্দীন আহমদ : দেশে অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি হলে আন্দোলনের প্রথম শিকার হয় বিশ্ববিদ্যালয়সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো। আন্দোলন শুরু হলে বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের রাজনৈতিক নেতাদের মনে রাখা দরকার, রাজনৈতিক সমস্যাগুলোর সমাধান রাজনৈতিক ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে হওয়া দরকার। বিশ্ববিদ্যালগুলোর সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করার জন্য এসব আনুষঙ্গিক দিকেও সংশ্লিষ্ট সবার বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
যুগান্তর : বাংলাদেশের অনেক গবেষক আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানে সাফল্যের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ নেয়া দরকার?
এমাজউদ্দীন আহমদ : আমাদের দেশের অনেক তরুণ শিক্ষার্থী গবেষক বিশ্বের নামিদামি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে গবেষণা করছেন। আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, নিউজিল্যান্ড এবং ইউরোপের নামিদামি প্রায় পাঁচশ’ বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ছাত্রছাত্রীরা অত্যন্ত সুনাম ও দক্ষতার সঙ্গে শিক্ষকতা ও গবেষণা করছেন। এসব শিক্ষক ও গবেষককে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলে তারা দেশের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারবেন। এসব শিক্ষক-গবেষক বিদেশে যে সুযোগ-সুবিধা পান, তাদের দেশে ফিরিয়ে এনে একই রকম সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিলে তাদের অবদানে আমাদের দেশ সমৃদ্ধ হবে। আমি কানাডার কুইন্স বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডি করার সময় বিভিন্ন দেশের যেসব শিক্ষার্থীকে সেখানে পেয়েছিলাম, পরে জেনেছি ওইসব শিক্ষার্থীর অধিকাংশ তাদের নিজ নিজ দেশ যেমন দক্ষিণ কোরিয়া, চীন, জাপানে ফিরে গেছেন। তাদের অর্জিত জ্ঞানের মাধ্যমে তারা নিজের দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রেখে যাচ্ছেন। সরকার আমাদের কৃতী ব্যক্তিদের মর্যাদার সঙ্গে দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে পদক্ষেপ নেবে এটাই আমার প্রত্যাশা।
যুগান্তর : সম্প্রতি ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, শিক্ষা খাতে দুর্নীতি কমছে। এ বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন কী। শিক্ষা খাতে দুর্নীতি শূন্য পর্যায়ে নামিয়ে আনার জন্য কী করণীয়?
এমাজউদ্দীন আহমদ : ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের প্রতিবেদনে আমি খুব একটা সন্তুষ্ট হতে পারছি না। কারণ এখনও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি বাণিজ্য, আবাসনের ক্ষেত্রে বাণিজ্য- এসব অব্যাহত রয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কোনো রকম দুর্নীতি থাকার কথা নয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা তুমুল প্রতিযোগিতাপূর্ণ পরিবেশে নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করবে এটাই তো নিয়ম। শিক্ষাঙ্গনে টেন্ডার বাণিজ্যের কথা আমরা প্রায়ই শুনি। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। এখন অনলাইনে টেন্ডার আহ্বান করে অনেক অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানো যায়। ২০ বছর আগেও আমাদের দেশের শিক্ষাঙ্গনের সার্বিক পরিবেশ বর্তমানের পরিবেশ থেকে অনেক উন্নত ছিল। অন্যান্য দেশে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কোনো সুযোগই নেই। তীব্র প্রতিযোগিতার মধ্য দিয়ে তারা বেড়ে উঠছে। বিদেশের অনেক বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে দুর্নীতি শব্দটি ঘৃণার সঙ্গে উচ্চারিত হয়।
যুগান্তর : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণার মান নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
এমাজউদ্দীন আহমদ : আমাদের দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এখন পর্যন্ত পূর্ণাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে উন্নীত হয়নি। দশ বা বারো বছর একটি বিশ্ববিদ্যালয় সুষ্ঠুভাবে গড়ে তোলার জন্য যথেষ্ট সময় নয়। তবে দে আর ইউনিভার্সিটিস ইন দ্য মেকিং। দেশের কিছু কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রগতি সন্তোষজনক। বাংলাদেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান পরীক্ষার জন্য এক্রেডিটেশন কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার দাবি করে আসছি। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বিভাগ ভালো করছে অথবা কোন বিশ্ববিদ্যালয় ভালোভাবে চলছে তা নির্ণয়ের জন্য এক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা দরকার। এখনও তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। বাংলাদেশে ১৫ থেকে ২০টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে স্বচ্ছন্দে প্রথম শ্রেণীর বিশ্ববিদ্যালয় বলে মনে করা যেতে পারে। কিন্তু পনের-বিশটি বিশ্ববিদ্যালয়েরও কিছু অসম্পূর্ণতা আছে। খেলার মাঠ, বড় অডিটোরিয়াম- এসব অসম্পূর্ণতা পূরণের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে খাসজমি প্রদান করে সহযোগিতা করা উচিত। যুক্তরাষ্ট্রের অনেক নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়ই বেসরকারি। একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রকৃতপক্ষে পরিচিতি পায় শিক্ষার মান ও গবেষণার মান কেমন তার ওপর। শিক্ষক-শিক্ষার্থীর কৃতিত্বের ওপরও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম অনেকটাই নির্ভর করে। সম্প্রতি আরও কয়েকটি প্রাইভেট ভার্সিটি অনুমোদন পেয়েছে। এতগুলো প্রাইভেট ভার্সিটি প্রতিষ্ঠিত না হলেও চলত। রাজধানীতে বর্তমানে ৪৩টি প্রাইভেট ভার্সিটি রয়েছে। অথচ ঢাকা মহানগরী টোকিওর মতো বড় শহর নয়, কিংবা লন্ডন বা নিউইয়র্কের মতো বড় শহর নয়। তাই রাজধানীতে নতুন বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন দেয়ার আগে কর্তৃপক্ষের এসব বিষয়ও বিবেচনা করা উচিত। যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সুন্দরভাবে পরিচালনার জন্য সরকারের পাশাপাশি শিক্ষক-অভিভাবকরা বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকেন। একইসঙ্গে সমাজটাই যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করে থাকে। কোথাও কোনো বিচ্যুতি ঘটলে সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের জন্য এগিয়ে আসতে হবে।
আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একটি দিনও যাতে অপচয় না হয় সেদিকে আমরা তীক্ষ্ণ নজর রাখি। এখানে কোনো শিক্ষার্থীকে ফল প্রকাশের জন্য তিন-চার মাস অপেক্ষায় থাকতে হয় না; হয়তো তিন-চার দিন অপেক্ষা করতে হয়। সরকার প্রাইভেট ভার্সিটিকে খাসজমি প্রদানের ক্ষেত্রে উদারতার পরিচয় দিলে অনেক প্রাইভেট ভার্সিটির শিক্ষার মানে আমূল পরিবর্তন আসবে।
যুগান্তর : দাবি আদায়ের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে অবরুদ্ধ করে রাখার বিষয়টিকে আপনি কীভাবে মূল্যায়ন করবেন?
এমাজউদ্দীন আহমদ : শিক্ষক কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অবরুদ্ধ থাকার বিষয়টি একেবারেই অনাকাক্সিক্ষত। এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক পদটি অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ। উপাচার্য পদটি আরও অতি মর্যাদাপূর্ণ একটি পদ। কাজেই অবরুদ্ধ হওয়ার মতো পরিস্থিতি সৃষ্টির আগেই একজন উপাচার্যের অন্যত্র সরে যাওয়া উচিত। উপাচার্যের পদটি ক্ষমতা প্রদর্শনের পদ নয়। এটি অত্যন্ত সম্মানের পদ। তাই এসব বিবেচনায় রেখেই উপাচার্যকে প্রতিটি পদক্ষেপ নিতে হয়। এ রকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক কল্যাণের কথা বিবেচনা করে উপাচার্যের পদত্যাগ করা উচিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদটি সীমাহীন দায়িত্বের পদ এবং অত্যন্ত সম্মানজনক পদ। নিজের মর্যাদা যাতে অক্ষুণœ থাকে, একজন উপাচার্যকে সেদিকে সব সময় তীক্ষè নজর রাখতে হবে।
যুগান্তর : শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের গতি নিয়ে আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
এমাজউদ্দীন আহমদ : শিক্ষানীতি বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ করতে হবে। শ্রীলংকা, দক্ষিণ কোরিয়া, মালয়েশিয়া এসব দেশে শিক্ষা খাতে যেভাবে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, আমাদেরও শিক্ষা খাতে সেসব দেশের মতো বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। বাংলাদেশে জিডিপির ২.২ শতাংশ শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয় অথচ শ্রীলংকায় শিক্ষা খাতে বরাদ্দ করা হয় জিডিপির ৩.৫০ শতাংশ। শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ালে তা আমাদের বিপুল জনগোষ্ঠীকে মানব সম্পদে পরিণত হতে সহায়তা করবে। ইউরোপের অনেক দেশের তুলনায় আমাদের দেশের অর্থনীতি এখন ভালো অবস্থানে রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অবস্থানকারী স্বল্পশিক্ষিত শ্রমিকদের প্রেরিত অর্থ আমাদের অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করছে। এ স্বল্প শিক্ষিত তরুণদের দক্ষ কর্মী হিসেবে বিদেশে প্রেরণ করা গেলে তাদের প্রেরিত অর্থে আমাদের অর্থনীতি দ্রুত সমৃদ্ধ হতে পারে। এজন্য শিক্ষানীতিতে গৃহীত এ বিষয়ক পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
সারাদেশে অনেক প্রাইমারি স্কুলেই খেলার মাঠ নেই, অনেক হাইস্কুলে লাইব্রেরি নেই, মফস্বলের অনেক সরকারি কলেজে অনেক বিষয়ে শিক্ষক নিয়মিত ক্লাস নিতে পারেন না; শিক্ষকের সংখ্যাও অপ্রতুল। এসব কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পরও কোনো কোনো শিক্ষার্থী বাংলা ও ইংরেজি ভাষা শুদ্ধভাবে বলতে ও লিখতে পারে না। ব্রিটেনে প্রাথমিক স্তরেই শিক্ষার্থীদের ভাষা শিক্ষার জন্য বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়।
আমাদের শিক্ষানীতি বাস্তবায়নে সরকারকে প্রচুর অর্থ বরাদ্দের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। মেধাবী তরুণ-তরুণীদের শিক্ষকতা পেশায় আকৃষ্ট করার জন্য আকর্ষণীয় বেতনের ব্যবস্থা করতে হবে।
যুগান্তর : ডাকসু, চাকসু, রাকসু- এসব নির্বাচন হচ্ছে না বহু বছর ধরে। এতে শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ও সাংস্কৃতিক চর্চায় কী ধরনের প্রভাব পড়ছে?
এমাজউদ্দীন আহমদ : ডাকসু, চাকসু, রাকসু- এসব রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। সরকারি ও বিরোধী দলের নেতৃবৃন্দ যতক্ষণ পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাত গুটিয়ে না নিচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে এসব নির্বাচন হবে না। ডাকসু, চাকসু, রাকসুর নির্বাচনে প্রার্থী কে হবে তা ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী দলই ঠিক করে দেয়। এখন ক্ষমতাসীন দল ও বিরোধী দলের মধ্যে অসহিষ্ণুতা এতই মারাত্মক আকার ধারণ করেছে যে, এ মুহূর্তে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয়া হলে নানা জটিলতা দেখা দেবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে রাজনৈতিক দলের প্রভাবমুক্ত করা গেলে স্বাভাবিকভাবেই অনেক জটিলতা থাকবে না।
যুগান্তর : জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলো ভিন্ন ভিন্ন বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছে। সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সরকার ও বিরোধী দলগুলোর কী করণীয়?
এমাজউদ্দীন আহমদ : জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে সরকার ও বিরোধী দলগুলোকে আলোচনার মাধ্যমে তাদের পারস্পরিক অবিশ্বাস কমাতে হবে। বর্তমানে বাংলাদেশে ক্ষমতাসীন জোট ও বিরোধী জোটের মধ্যকার অনাস্থা ও অবিশ্বাসের জায়গাটা হিমালয়ের মতো উঁচু। এ অবস্থায় নির্বাচন পরিচালনার জন্য নিরপেক্ষ নির্দলীয় ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। সংসদ না ভেঙে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের আয়োজন করা ঠিক হবে না। বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের সময় ব্রিটেন ও ভারতের পার্লামেন্টকে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নেয়া হয়েছিল। ‘হাউস অব কমন্স’ না ভেঙে ব্রিটেনে কখনোই নির্বাচন হয়নি। ভারতেও লোকসভা অক্ষুণ্ন রেখে নির্বাচন হয়নি। বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীন জোট এবং বিরোধী জোটের মধ্যে যে অসহনীয় অবিশ্বাস এবং তীব্র অনাস্থা বিদ্যমান- এ প্রেক্ষাপটে জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য করতে হলে- সব দলের জন্য একসঙ্গে নির্বাচনের সুযোগ তৈরি করতে হলে নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে হবে। নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া অনুষ্ঠিত নির্বাচন সবার কাছে গ্রহণযোগ্যতা পাবে না।
যুগান্তর : সুষ্ঠু ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নির্বাচন কমিশনকে কী ধরনের পদক্ষেপ নিতে হবে?
এমাজউদ্দীন আহমদ : সবার কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য, নির্বাচন কমিশনকে শক্তিশালী করার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে হবে। নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়, অর্থ মন্ত্রণালয় যাতে নির্বাচন কমিশনের অধীনে কাজ করে তার ব্যবস্থা করতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে সামরিক বাহিনী কতটা সম্পৃক্ত থাকবে- এ বিষয়েও নির্বাচন কমিশনকে আগে থেকে বিস্তারিত পরিকল্পনা করতে হবে। জাতীয় নির্বাচনকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্য নির্বাচন কমিশন কী কী পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে, এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনার মাধ্যমে নির্বাচন কমিশনকে সবার আস্থা অর্জন করতে হবে।
যুগান্তর : নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে কী করণীয়?
এমাজউদ্দীন আহমদ : নৈতিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের বহু কারণ রয়েছে, যা স্বল্প পরিসরে আলোচনার মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা সম্ভব নয়। সংক্ষেপে শুধু বলব- সাধারণ মানুষের সামনে অনুকরণীয় ব্যক্তিত্বের বড়ই সংকট। এটা অত্যন্ত দুঃখজনক। দায়বদ্ধতা সৃষ্টির জন্য সামগ্রিকভাবে সামাজিক অগ্রগতি নিশ্চিত করতে হবে। প্রাতিষ্ঠানিক উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পরও অনেকের নৈতিক মূল্যবোধ ও সাংস্কৃতিক চেতনা আদর্শস্থানীয় হয় ওঠেনি।
এমাজউদ্দীন আহমদ : বাংলাদেশের শীর্ষ পর্যায়ের কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইতিমধ্যেই ব্যতিক্রমী অনেক গবেষণা চলছে। আন্তঃগ্রহের অভিযানের প্রেক্ষাপটে সেসব গবেষণা আরও জোরদার করতে হবে। এতে জ্ঞানের দিগন্ত আরও বিস্তৃত হবে। উন্নয়নশীল দেশগুলো দক্ষ মানবসম্পদ দিয়ে এসব অভিযানের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকতে পারে। —
About: S.M Azizul Hakim Hero
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালালার আত্মজীবনী প্রকাশ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1353)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
-
▼
2013
(14877)
-
▼
October
(362)
-
▼
Oct 10
(9)
- জনপ্রিয়তা বেড়েছে আ. লীগেরও, কমেছে জাপা ও জামায়া...
- সবার অংশগ্রহণে নির্বাচনই কাম্য
- শুকুইয্যা কডে?
- বার্ধক্যে বিষাদ
- থ্রিজি প্রযুক্তি : সর্বোত্তম সেবা চাই by রাজীন অভ...
- দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন কি গণতান্ত্রিক? by ড. ...
- সম্প্রীতির বন্ধনে উদ্ভাসিত হোক স্বদেশ by নির্মল চক...
- নির্দলীয় নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা ছাড়া নির্বাচন গ্রহণয...
- মালালার আত্মজীবনী প্রকাশ
-
▼
Oct 10
(9)
-
▼
October
(362)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...

