Tuesday, May 8, 2018
রাস্তার পাশে ফল কেটে বিক্রি, বাড়ছে রোগ by সাদ্দিফ অভি

সাধারণত পথ চলতি মানুষজনই, বিশেষ করে নিম্নআয়ের মানুষজন এসব খাবার খান। অপরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও অস্বাস্থ্যকরভাবে বিক্রি হওয়া এসব খাবার গ্রহণের কারণে ডায়রিয়াসহ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকেই।
মৌসুমি ফলের মধ্যে আনারস এবং তরমুজ রাজধানীর প্রায় প্রতিটি এলাকায় কেটে পিস করে বিক্রি করা হয়। সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় অফিসপাড়া খ্যাত মতিঝিল ও পল্টন এলাকায়। দিনে লাখো মানুষের যাতায়াত এই এলাকায়।
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে যেমন বিক্রি হচ্ছে, তেমনি এসব ফল ধোয়ার জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে নোংরা পানি। কেটে রাখা ফলের ওপর উড়ে উড়ে বসছে মাছি, পড়ছে ধুলাবালি। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাস্তার ধারের এইসব ফল, খাবার, শরবত বিভিন্ন অসুখ, বিশেষ ডায়রিয়ার জন্য অনেকাংশেই দায়ী।
আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রের (আইসিডিডিআরবি) অ্যাসোসিয়েট সায়েন্টিস্ট লুবাবা শাহরিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাস্তার ধারের খাবার খুবই অনিরাপদ। এই যে ফল বিক্রি হচ্ছে এগুলো পরিষ্কারে কী পানি ব্যবহার হচ্ছে, আমরা জানি না। আবার একটি মাছি ড্রেনের পানিতে বসছে, সেখান থেকে উড়ে এসে এসব খাবারের ওপরেও বসছে। আমরা না বুঝেই অনায়াসে খেয়ে যাচ্ছি। যে কারণে বাড়ছে ভাইরাসজনিত ডায়রিয়া। আমাদের এখানে প্রতিদিনই প্রচুর রোগী আসছে। তাদের যে কয়জনের সঙ্গে কথা হয়েছে, তারা জানিয়েছেন সবাই বাইরের খাবার কিছু না কিছু খেয়েছেন। ভ্যানগাড়ি থেকে ফল, দোকান থেকে পানি কিংবা রাস্তার ধারের শরবত খাওয়ার কথা জানিয়েছেন তারা।
গরমের সময় পানিবাহিত রোগের প্রকোপ বেড়ে যায় প্রতিবছরই। তাই শরীরে বাড়তি পানির চাহিদা মেটাতে রাস্তার ধারের ফল কিংবা শরবত খাওয়ার প্রতি বেশি ঝুঁকে সাধারণ মানুষ।
পল্টন এলাকার ফল বিক্রেতা ফজলুর মতে, অল্প টাকায় তৃষ্ণা মেটানো যায় বলেই এসব খাবারের চাহিদা বেশি। তিনি বলেন, ‘আস্ত তরমুজের ম্যালা দাম। ভাইঙ্গা বেচলে লাভও হয়, মানুষও খায় বেশি। এক প্লেট বেচি ২০ টাকায়। আস্ত তরমুজ দিনে ২-৩টা বিক্রি হয়, কিন্তু কাইট্টা বেচলে ৭-৮টা বেচন যায়।’
এদিকে, রাজধানী ও এর আশপাশে হঠাৎ করে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়েছে। মহাখালীতে অবস্থিত আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে (আইসিডিডিআরবি) সূত্রে জানা যায়, গত সাত দিনে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার রোগী। প্রতিদিন বাড়ছে রোগীর সংখ্যা। সোমবার (৭ মে) দুপুরেও ডায়রিয়া রোগীর উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। বাড়তি রোগী সামলাতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। বাড়তি রোগীর ব্যবস্থাপনার জন্য আইসিডিডিআরবির কলেরা হাসপাতালের সামনে তাঁবু টাঙিয়ে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
রাজধানীর আগারগাঁওয়ের একটি বাসার কেয়ারটেকার ইদ্রিস মিয়া। শনিবার রাত থেকে তিনি অসুস্থ। কলেরা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রবিবার। অসুস্থ হওয়ার আগে তিনি রাস্তার পাশে ভ্যানগাড়ি থেকে আনারস খেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।
আইসিডিডিআরবি’র কলেরা হাসপাতালে কর্তব্যরত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সাধারণত বছরের মার্চ-এপ্রিল এবং জুন-জুলাই মাসের দিকে ডায়রিয়ার প্রকোপ বেড়ে যায়। তীব্র গরম এর একটি বড় কারণ। এরসঙ্গে পথের খাবার খেয়ে, আখের শরবত বা নোংরা পানি পান করার কারণেও এসময় অনেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন।
খাদ্যকে সাধারণ মানুষের কাছে নিরাপদ করতে উৎপাদনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি মনোযোগ দেওয়া জরুরি বলে মনে করেন কৃষিবিদরা। প্রাকৃতিক কৃষি নিয়ে কাজ করেন দেলওয়ার জাহান। তার মতে, উৎপাদন ক্ষেত্রে এবং পরে সংরক্ষণক্ষেত্রে খাদ্য দূষিত হচ্ছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি দূষিত হচ্ছে উৎপাদন প্রক্রিয়ায়। নিরাপদ খাদ্য বাস্তবায়নে এই দু’টি জায়গায় কাজ করা জরুরি। তাহলেই খাদ্যকে নিরাপদ করা সম্ভব। দেলওয়ার জাহান প্রাকৃতিক কৃষিজাত পণ্যের সঙ্গে বাজারের পণ্যের তুলনা করে বলেন, ‘বাজারের পণ্য উৎপাদনের সময় হরমোনসহ বিভিন্ন রাসায়নিক দেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের দূষণ হয়। আমরা যে খাদ্য উৎপাদন করি, তাতে রাসায়নিক বা হরমোনের নামে বিষ দেওয়া হয় না।’
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের জনবলের অভাবে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে গেছে স্বীকার করে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য এবং যুগ্ম সচিব মাহবুব কবির বলেন, ‘প্রতিটি এলাকায় গিয়ে ধরার মতো জনবল নেই আমাদের। তবে আমরা যেটা করছি বড়গুলো থেকে শুরু করেছি। ধীরে ধীরে ছোটদের কাছে যাব। খাদ্যকে নিরাপদ রাখতে আমরা প্রতিনিয়ত কাজ করছি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্পত্তির লোভে বাবাকে ৯ দিন আটকে রেখে নির্যাতন
![]() |
| কুমিল্লার বুড়িচংয়ে অর্থ ও সম্পদের লোভে ৯দিন বাবাকে আটক রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ পাওয়া যায়। আজ মঙ্গলবার সকালে তাকে উদ্ধার করে প্রতিবেশীরা বুড়িচং স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে এবং সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। চিকিৎসাধীন উপজেলার ময়নামতি ইউনিয়নের কিং বাজেহুরা গ্রামের নাজির আহম্মেদ (৭৬) বলেন, ২০ লাখ টাকা এবং সম্পত্তি ভাগ করে দেয়ার জন্য ছেলে আবু জাফর কানু, জসিম উদ্দিন, জামসেদ আলম ও তার পুত্রবধুরা দীর্ঘদিন ধরে আমাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করে আসছে। জামসেদ ও জসিম জোর করে ৭২ শতক জমি দলিল করে নিয়ে যায়। এব্যাপারে গ্রামবাসী কয়েকবার শালিশে বসে মিমাংসা করলেও ছেলেরা পরিবর্তন হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে ছেলেদের বিরুদ্ধে কুমিল্লা কোর্টে একটি মামলা করেন । মামলার ভয়ে দুই পুত্র জসিম এবং জামসেদ দেশের বাইরে চলে গিয়েও সম্পত্তির লোভে বড় ভাই আবু জাফর কানু ও তাদের স্ত্রীদের দিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে আসছে। গত ৯দিন যাবৎ ঘরের আটকিয়ে রেখে সম্পত্তি ও ব্যাংকে ডিপিএস এর ২০ লাখ টাকা তাদেরকে দেওয়ার জন্য কয়েকবার প্রাণনাশের চেষ্টা চালায়। আজ সকালে তার চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি মেম্বার শিপন ও ডাক্তার দেলোয়ার হোসেন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সংবাদ পেয়ে বুড়িচং থানার দেবপুর ফাঁড়ির এসআই আল আমিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ব্যাপারে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনোজ কুমার দে জানান, বিষয়টি শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আমি তৈরি, বললেন রাহুল
![]() |
| ভারতের প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী |
রাহুল আজ বলেন, ২০১৯ সালে (লোকসভা নির্বাচনের সময়) কংগ্রেস দল যদি যদি সবচেয়ে বড় দল হিসেবে উঠে আসে তাহলে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন। তার দাবি, ২০১৯ সালে বিজেপি সরকার গড়তে পারবে না এবং নরেন্দ্র মোদিও প্রধানমন্ত্রী হবেন না।
রাহুল বলেন, আপনারা আমার কথা শুনে হয়ত হাসবেন কিন্তু ২০১৯ সালে বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকারে ক্ষমতায় আসবে না। বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ায় বিজেপি’র জন্য ২০১৯ সাল সমস্যার কারণ হয়ে দাঁড়াবে।
রাহুল গান্ধীকে আজ নাগরিকদের মধ্য থেকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, আগামী সাধারণ নির্বাচনে কংগ্রেস যদি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়, তা হলে কী তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে রাজি হবেন? ওই প্রশ্নের জবাবে রাহুল সাফ জানিয়ে দেন, ‘হ্যাঁ, নিশ্চয়ই। কেনই বা রাজি হবো না?’
২০১৯ সালে বিজেপিকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য বিরোধীরা ঐক্যবদ্ধ হওয়ার চেষ্টা করছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা দিয়েছেন, ‘২০১৯- বিজেপি ফিনিশ’। এক্ষেত্রে বিরোধী জোটের প্রধান মুখ হিসেবে কে সামনে আসবেন তা নিয়ে জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। বি এস পি নেত্রী মায়াবতী, তৃনমূল নেত্রী মমতা থেকে শুরু করে অনেকের নামই প্রধানমন্ত্রীর দাবিদার হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে ভাসছে।
ঠিক এমন সময়েই তাৎপর্যপূর্ণভাবে প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের সভাপতি রাহুল গান্ধী প্রধানমন্ত্রী হওয়া সম্পর্কে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন। রাহুল গান্ধী আজ বলেন, মতাদর্শগত লড়াইয়ে সকলকে একসঙ্গে আসা উচিত। আজ যদি তিন দল একসঙ্গে চলে আসে তাহলে বিজেপি পাঁচটি আসনও পাবে না।
রাহুল গান্ধীর মন্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর প্রদেশের কংগ্রেসের মুখপাত্র জিতেন্দ্র ত্রিপাঠি। তিনি বলেন, দেশবাসী চাচ্ছেন রাহুল প্রধানমন্ত্রী হোন। কারণ, দেশবাসী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপরে ক্ষুব্ধ।
এদিকে, রাহুলের মন্তব্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছেন হিন্দুস্তান আওয়াম মোর্চা নেতা জিতনরাম মাঝি। তিনি বলেছেন, মহাজোট এবং সর্বসম্মতি ছাড়া রাহুল কীভাবে একথা বলতে পারেন? মাঝি বলেন, ঐতিহ্য হল, সবচেয়ে বড় দলের নেতা প্রধানমন্ত্রী হবেন। কিন্তু অবিজেপি জোটের মধ্যে মায়াবতী, মুলায়ম এবং মমতা প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী। এজন্য ঐক্যমত্য তৈরি হওয়া প্রয়োজন।
এনসিপি নেতা মজিদ মেমন বলেছেন, ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী কে হবেন তা লাখ টাকার প্রশ্ন। সিপি আই নেতা ডি রাজা বলেছেন, এসময় বিজেপি বিরোধী সমস্ত সেক্যুলার দলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন।
অন্যদিকে, বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র কটাক্ষ করে বলেছেন, রাহুলকে কেউ প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করছেন না বলে তিনি নিজেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। রাহুলকে আগে তার যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হবে। তিনি একটি দলের বেকার সভাপতি। তিনি পদবীর জন্য নেতা হতে পেরেছেন।
![]() |
| অধ্যাপিকা ড. আফরোজা খাতু |
এই বলাটা রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে একটা আত্মবিশ্বাসটাকে চাপিয়ে দিয়ে জনগণকে প্রভাবিত করার চেষ্টা হয়। আমরা কাকে চয়েস করব তা নির্বাচনের সময় দেখব কিন্তু যাকেই চয়েস করি না কেন অন্তত বিজেপি বিরোধী শক্তিকেই আমাদের মেনে নিতে হবে এসময়। এছাড়া ভারতের আর অস্তিত্ব থাকে না। কারণ, গণতন্ত্র শব্দটাই তো শেষ হয়ে গেছে, এরপর আর আমরা বাঁচব না। এক্ষেত্রে কেবল মাইনরিটি বা দলিত নয়, নারী ও মুক্তমনরাও বাঁচবে না। প্রত্যেক পদক্ষেপেই আমরা দেখতে পাচ্ছি ভয়ঙ্কর একটা ধবংসাত্মক পরিণতির দিকে এগোচ্ছি! তাতে রাহুল গান্ধী যদি তার আত্মবিশ্বাসে ছিনিয়ে নিতে পারেন অবশ্যই স্বাগত। বিরোধীশক্তি, বামশক্তি, তৃতীয় ফ্রন্ট, ফেডারেল ফ্রন্ট যদি ওদের কাছ থেকে ক্ষমতা ছিনিয়ে নিতে পারে তাকেও আমরা ওয়েলকাম জানাবো।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনে বিজয় প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্য বড় সাফল্য: হিজবুল্লাহ

রাজধানী বৈরুতে সমবেত সমর্থকদের উদ্দেশে সরাসরি টেলিভিশনের মাধ্যমে দেয়া ভাষণে আরো বলেছেন, সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ হিজবুল্লাহর জন্য একটি বড় নৈতিক বিজয় যা দেশ রক্ষায় সহায়ক হবে।
লেবাননে রোববার অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে পার্লামেন্টের ১২৮ আসনের মধ্যে হিজবুল্লাহ ও তার মিত্র দলগুলো ৬৭ আসন লাভ করেছে।
গত এক দশকের মধ্যে লেবাননের প্রথম সাধারণ নির্বাচন নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ। তিনি বলেন, কোনো কোনো রাজনৈতিক নেতা দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে ভয়াবহ হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করলেও লেবাননে যে চমৎকার নিরাপত্তা বিরাজ করছে তা এ নির্বাচনের মাধ্যমে আবার প্রমাণিত হলো।
হিজবুল্লাহ প্রধান বলেন, তার সংগঠনের বিরুদ্ধে ব্যাপক অপপ্রচার সত্ত্বেও নির্বাচনে জনগণ প্রতিরোধ আন্দোলনকে বিপুল ভোটে জয়লাভ করেছে। এর মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে, লেবাননে প্রতিরোধ আন্দোলনের জনপ্রিয়তা কমে যায়নি বরং বেড়েছে।
এ বিজয় নিয়ে প্রতিরোধ আন্দোলন ও তার মিত্র দলগুলো সহজেই নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারবে বলে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। সাইয়্যেদ নাসরুল্লাহ দেশে শান্ত পরিবেশ বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, আসন্ন সরকার গঠন প্রক্রিয়া এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য দেশে সুষ্ঠু রাজনৈতিক পরিবেশ বজায় থাকা জরুরি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মন্ত্রী-কন্যা মুক্ত যখন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাঞ্চল্যকর হত্যার তদন্ত ৩: ইরফান হত্যা রহস্যের জট খুলেনি ২ বছরেও by আল-আমিন

২০১৬ সালের ৩রা এপ্রিল ধানমন্ডির ৮ নম্বর সড়কের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের শাখায় টাকা তোলার জন্য প্রবেশ করেন দৃক গ্যালারির প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইরফানুল ইসলাম। তিনি ওই ব্যাংক থেকে ৩ লাখ টাকা তুলে বাইরে বের হন। এরপর নিখোঁজ হন। নিখোঁজের একদিন পর ৪ঠা এপ্রিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ির বিলের একপাশের ঝোপ থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশের ধারণা, দুর্বৃত্তরা ব্যাংকের আশপাশের এলাকা থেকে অপহরণ করে অন্য কোথাও হত্যা করে তার লাশ সেখানে ফেলে যায়।
নিহতের বড় ভাই ইমদাদুল হক বাদী হয়ে ৪ঠা এপ্রিল রাতে কলাবাগান থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলা নম্বর-২। মামলা অজ্ঞাতনামাদের আসামি করা হয়েছে। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ইরফানুলকে খুনের কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ সম্বন্ধে তারা অবগত নন। মামলাটির প্রথম তদন্ত করে থানা পুলিশ। পরে পুলিশ মামলাটি ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ডিবি পুলিশ মামলাটি তদন্ত করতে অনীহা প্রকাশ করলে সেটি সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়। সিআইডিতে গিয়ে এই মামলার ৩ বার তদন্তকারী কর্মকর্তা বদল হয়েছে।
মামলাটির বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডির এসআই আসাদ মুন্সি মানবজমিনকে বলেন, ইরফানুল হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খুলেনি। এটা একটি হত্যাকাণ্ড এ ব্যাপারে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু, কারা এবং কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে তা এখন পর্যন্ত সুরাহা করা সম্ভব হয়নি।
তিনি জানান, এই হত্যাকাণ্ডের রহস্যের জট খোলার জন্য আমরা আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছি। একটি হত্যার রহস্য উন্মোচন ও আসামিরা গ্রেপ্তার হলেই আইনের মাধ্যমে বিষয়টি সুরাহা হয়। এ ঘটনার রহস্য উন্মোচনের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও তদারকি করছেন। এতদিন ধরে খুনের ক্লু না পাওয়ার কারণ কি প্রশ্ন করা হলে তিনি জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তারা একাধিকবার ছুটিতে ছিলেন। এ ছাড়াও এটি একটি জটিল মামলা। এ কারণে সময় লাগছে।
এ বিষয়ে যোগাযোগ মামলার বাদী ও নিহতের বড় ভাই ইমদাদুল হক মানবজমিনকে বলেন, আমার ভাইকে কারা কি কারণে হত্যা করা হলো তা আমরা এখন পর্যন্ত জানতে পারেনি। এর চেয়ে দুঃখের কী আছে? তিনি আরো জানান, মামলার তদন্তের অগ্রগতি কী তা আমরা বলতে পারবো না। কারণ হচ্ছে যে, তদন্তকারী কর্মকর্তা আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন না। আমার ভাই ছিল অত্যন্ত ভদ্র ও নম্র একজন মানুষ। অত্যন্ত শিল্পীমনা মানুষ ছিল সে। আমাদের জানা মতে, তার কোনো শত্রু ছিল না। ইরফানুল খুন হবার পর পুরো পরিবারটি নিঃস্ব হয়ে গেছে।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, যে ব্যাংক থেকে ইরফানুল টাকা তুলে ছিলেন ওই ব্যাংকের সিসি ক্যামেরা সংগ্রহ করেছিল পুলিশ। তার ব্যাংকে প্রবেশ করা এবং টাকা উত্তেলনের বিষয়টি স্পষ্টভাবে সিসি ক্যামেরাই দেখা গেছে। এরপর তিনি ব্যাংক থেকে বের হয়ে যান। নিহতের লাশ উদ্ধারের সময় চোখে ও মুখে মলমের গন্ধ ছিল। পুলিশের ধারণা, ইরফানুল ইসলামের সঙ্গে থাকা টাকা লুটে নেয়ার জন্য একটি চক্র ব্যাংক থেকেই তার পিছু নিয়ে থাকতে পারে। পরে তার টাকা লুটে নিয়ে হত্যা করে নারায়ণগঞ্জে ফেলে রেখে যেতে পারে। এ ঘটনায় ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জের কোনো ডাকাত চক্র জড়িত থাকতে পারে কিনা তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।
সিআইডি সূত্রে জানা গেছে, নিহতের গাড়ি চালক ওই কর্মকর্তাকে ব্যাংকে ঢুকতে দেখেছেন। পরে গাড়ি চালক গাড়ির মধ্যে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর চালক ব্যাংক থেকে ওই কর্মকর্তাকে আর বের হতে দেখেননি। কোনো ফোনও দেননি। এতে তিনি ব্যাংক থেকে বের হয়ে কোন দিকে গেছেন তা নিহতের গাড়ি চালক পুলিশকে জানাতে পারেননি। চালক অনেকক্ষণ ইরফানুলের মোবাইলে ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেলে তিনি দৃক গ্যালারির কর্মকর্তা রেজাউলকে বিষয়টি অবহিত করেন। এ ঘটনার নিহতের গাড়ি চালক এবং সন্দেহভাজন দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছিল কলাবাগান থানা পুলিশ। কিন্তু, তাদের কাছে খুনের কোনো তথ্য না পাওয়ার কারণে তাদের ছেড়ে দেয়া হয়।
সূত্র আরো জানায়, পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের পর পুলিশ তার পারিবারিক ও প্রাতিষ্ঠানিক কোনো বিরোধ আছে কী-না তা খতিয়ে দেখতে চুলচেরা বিশ্লেষণ করেছেন। কিন্তু, ওই বিরোধের বিষয়টির পুলিশ তেমন কোনো তথ্য পায়নি। সূত্র জানায়, যেহেতু তিনি দৃক গ্যালারির কর্মকর্তা এজন্য পুলিশের প্রথম ধারণা ছিল যে, তার এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো উগ্রবাদীর হাত থাকতে পারে। কিন্তু, তদন্তের একপর্যায়ে দেখা গেছে, এই হত্যাকাণ্ডের পেছনে কোনো উগ্রবাদীর হাত নেই। অন্য কোনো কারণে দুর্বৃত্তরা তাকে অপহরণ করে হত্যা করে থাকতে পারেন। পারিবারিক সূত্র জানায়, নিহত ইরফানুল হাজারীবাগ থানাধীন ঝিগাতলায় ১৫/১ নম্বর রোডের ৫৮ নম্বর বাড়িতে ভাড়া থাকতেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাল নির্বাচন: কি ঘটছে মালয়েশিয়ায়

কি ঘটছে আসলে
বুধবার ৯ই মে নির্বাচন। এ নির্বাচনে সিদ্ধান্ত হবে কে হবেন দেশটির সপ্তম প্রধানমন্ত্রী। এদিনটিতে ব্যাংকে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই নির্বাচনকে বলা হচ্ছে মালয়েশিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে উত্তজনা সৃষ্টিকারী প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন। বিশেষ করে, সেই প্রতিদ্বন্দ্বিতা তীব্র মাত্রা পেয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদ বিরোধী দল থেকে প্রধানমন্ত্রী পদে প্রার্থী হয়ে। নির্বাচনে রেকর্ড ২৩৩৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাই এ নির্বাচনকে এ যাবতকালের সবচেয়ে বড় লড়াই হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে।
মূল নায়ক কারা
এই নির্বাচনে মূল নায়ক বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাক। তিনি ২০০৯ সাল থেকে ক্ষমতায়। তার বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছেন ৯২ বছর বয়সী মাহাথির মোহাম্মদ। তিনিই মালয়েশিয়ায় সবচেয়ে দীর্ঘ সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৮১ সালে ক্ষমতায় এসে ২০০৩ সাল পর্যন্ত একটানা ক্ষমতায় ছিলেন। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের দুর্নীতিতে বিরক্ত হয়ে তিনি ৯২ বছর বয়সে নতুন করে মালয়েশিয়াকে গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। পা রেখেছেন রাজনীতির মাঠে। যদি তিনি বিজয়ী হন তাহলে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বয়সী রাষ্ট্রপ্রধান হবেন তিনি। বুধবারের এই লড়াইটি যেমন ব্যক্তিগত, তেমনি রাজনৈতিক। এক সময় নাজিব ছিলেন মাহাথির মোহাম্মদের অনুগত। তিনিই তাকে সরকারি বড় দায়িত্ব দিয়েছিলেন। মাহাথিরের সেই উদারতাই নাজিবকে প্রধানমন্ত্রী হতে সহায়তা করে। নিজের সেই উদারতাকেই এখন জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল বলে অভিহিত করেছেন মাহাথির। বলেছেন, আমার জীবনের সবচেয়ে বড় ভুলের জন্য নাজিবের উত্থান ঘটেছে। ২০১৫ সালে নাজিব রাজাকের বিরুদ্ধে ‘১ এমডিবি’ তহবিল দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। ঠিক সে সময়ে নাজিবের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন মাহাথির। রাজনীতি থেকে অবসরে চলে যান। কিন্তু এ বছরের শুরুতে রাজনীতিতে ফেরার ঘোষণা দেন তিনি। সূচনা করেন রাজনৈতিক মিত্র খোঁজা। যোগ দেন বিরোধ দলগুলোর জোটে। তাদের একটিই লক্ষ্য। তা হলো- নাজিবকে ক্ষমতা থেকে নামাতে হবে। গঠন করেন নিজের দল। নাম দেন পার্টি প্রিবুমি বারসাতু। অন্যদিকে নাজিব হলেন ইউএমএনও দলের প্রধান। ক্ষমতাসীন বারিশান ন্যাশনাল দলের প্রধান রাজনৈতিক দল। মাহাথির এক সময় যে ইউএমএনও দলে ছিলেন, এখন সেই দলের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছেন। এ নির্বাচনে আরেকটি দল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তারা হলো রক্ষণশীল ইসলামপন্থি দল পিএএস। তারা অল্প কিছু আসন পেতে পারে। যদি বড় রাজনৈতিক দলগুলো একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পায় তাহলে পিএএসের কদর বেড়ে যাবে। জোট সরকার গঠনে তাদের ডাক পড়বে। চলবে দর কষাকষি।
৯২ বছর বয়সী মাহাথির কতদিন ক্ষমতায় থাকবেন
নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার আগে বিরোধী জোটগুলোর সঙ্গে মাহাথিরের একটি চুক্তি হয়েছে। তার অধীনে তিনি ক্ষমতায় থাকবেন দু’বছর। তারপরই বিরোধী দলীয় নেতা জেলবন্দি আনোয়ার ইব্রাহিমের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন। আনোয়ার ইব্রাহিম এখন সমকামিতার অভিযোগে দ্বিতীয় মামলায় জেলে রয়েছেন। তিনি এ অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে অভিহিত করেছেন। তিনিও মাহাথির মোহাম্মদের আশীর্বাদপুষ্ট ছিলেন। কিন্তু এক পর্যায়ে মাহাথির দেখতে পান আনোয়ার ইব্রাহিম খুব বেশি শক্তিশালী ও জনপ্রিয় হয়ে উঠছেন। ঠিক এমন সময় ১৯৯৯ সালে তাকে জেলে ঢুকিয়ে দেন মাহাথিরই। তবে সেই অতীত মুছে ফেলেছেন তারা। এখন তাদের মধ্যে চুক্তি হয়েছে। যদি মাহাথির নির্বাচনে বিজয়ী হন তাহলে তিনি আনোয়ার ইব্রাহিমকে ক্ষমা করে দেবেন। ফলে আনোয়ার জেল থেকে বের হয়ে আসবেন এবং তার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করবেন মাহাথির।
বড় ইস্যু কি
মালয়েশিয়ার নির্বাচনে এবার সবচেয়ে বড় ইস্যুগুলোর মধ্যে রয়েছে দুর্নীতি ও জীবনযাপনের খরচ বৃদ্ধি পাওয়া। ‘১ এমডিবি’ তহবিল থেকে নাজিব রাজাক ৬৮ কোটি ১০ লাখ ডলার নিজের ব্যাংক একাউন্টে স্থানান্তর করেছেন বলে অভিযোগ আছে। বারিশান ন্যাশনালের বিরুদ্ধে ভোট দিতে ভোটারদের এ মন্ত্রে উজ্জীবিত করার চেষ্টা করেছে বিরোধীরা। এ ছাড়া পণ্যসামগ্রি ও সেবাখাতে ভ্যাট আরোপ করেছেন নাজিব রাজাক। এতে তিনি অনেক বেশি জনপ্রিয়তা হারিয়েছেন। তার এমন সিদ্ধান্তের কারণে জীবনমানের খরচ বৃদ্ধি পাচ্ছে দিনের পর দিন। তাই বিরোধী জোট নির্বাচিত হলে জীবনমানের খরচ কমিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিতবেন কে- মাহাথির না নাজিব!

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যমজ তিন বোনের এসএসসি পরীক্ষায় চমক
![]() |
| (সাবেরা, সাকেরা ও জাকেরা (বা থেকে) |
জমজ তিন বোন হলেন, সাবেরা, সাকেরা ও জাকেরা। এসএসসি পরীক্ষায় বিজ্ঞান বিভাগ থেকে সাবেরা ও জাকেরা জিপিএ ৫ পেলেও সাকেরা পেয়েছে জিপিএ ৪.৮৯। এর আগে তারা তিন বোনই প্রাথমীক ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়ে চমক দেখান।
উপজেলার কাইমপুর গ্রামের বাসিন্দা জিয়াউর রহমান জানান, অভাব আর দারিদ্র্যের কারণে এসএসসি পাসের পর আর পড়াশোনা করতে পারেননি তিনি। মেধা থাকা সত্ত্বেও লেখাপড়া না করতে পারার আফসোস তাকে প্রতিনিয়ত যন্ত্রণা দেয়।
তিনি আরও জানান, বাজারের ছোট্ট একটি দোকানে পুরি, শিঙ্গাড়া বিক্রি করে প্রতিদিন সাতশ' থেকে একহাজার টাকা আয় হয় তার। সেই সামান্য আয়েই চলে তার এই বড় সংসার। এই টানাটানির সংসারেও তার আশার আলো যমজ তিন মেয়ে সাবেরা, সাকেরা ও জাকেরা। জিয়ার স্বপ্ন মেয়েরা উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে দেশ ও জাতির সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে।
তিন যমজ বোনের মধ্যে সাবেরা বড়। বড় হয়ে কী হতে চাও এমন প্রশ্নের উত্তরে সাবেরা জানায়, 'আমি পড়াশোনা করে প্রশাসনিক কর্মকর্তা হতে চাই। মেজ সাকেরা ইঞ্জিনিয়ার হবার স্বপ্ন দেখছে আর সবার ছোট জাকেরা বড় হয়ে চিকিৎসক হতে আগ্রহী।
আড়াইহাজার পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ইয়াহিয়া স্বপন বলেন, তিন বোনই অত্যন্ত মেধাবী। এ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষায় তিন বোনই জিপিএ ৫ পেয়েছিল। তাদের এ ফলাফলে আমরা আনন্দিত এবং তাদের উন্নতি কামনা করছি।
রহমান দম্পতির সব স্বপ্ন এখন এই তিন মেধাবী মেয়েকে ঘিরেই। তাদের ভালো ফলাফলে যেন গরিবের ঘরে চাঁদের আলো ছড়িয়ে দিয়েছে। মা-বাবার মুখে ফুটিয়েছে সুখের হাসি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তারুণ্যের সংকট: যত শিক্ষা তত বেকারত্ব by উৎপল রায়

গ্রামের বাড়ি লালমনিরহাট থেকে কিছুদিন পর পর ইন্টারভিউ দিতে ঢাকায় আসেন। তিনি বলেন, সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে। আর সরকারি চাকরির আশায় অন্য চাকরির প্রতি এতটা ঝোঁক ছিল না। তবে, এই কয়েকবছরে দু’ একটি বেসরকারি প্রতিষ্টানে চাকরি পেলেও সম্মানী খুবই কম হওয়ায় তা তার জীবনযাত্রার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ ছিলনা। ফলে, সেই সব চাকরি ছাড়তে হয়েছে তাকে। কিছুদিন আগে সরকারি একটি প্রতিষ্টানে অডিটর পদে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে মৌখিক পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন। বর্তমানে চরম হতাশ আলী আজম বলেন, সরকারি চাকরিতে এটাই আমার শেষ সুযোগ। এই কয়েক বছরে অনেক চেষ্টা করেছি। উচ্চশিক্ষিত হয়েও বেকার। আর বেকার বলে নানাজনের নানা কথা শুনতে হয়। চাকরি হয়েছে কি না, কেন হচ্ছেনা, কবে হবে- সবাই জানতে চায়। মাঝে মাঝে পরিবার স্বজনদের কাছ থেকে প্রচন্ড চাপ আসে। নিজেকে সবসময় ছোট মনে হয়। এ হতাশা বোঝানো যাবেনা। শুধু আলী আজমই নন।
উচ্চশিক্ষার সনদ রয়েছে। কিন্তু চাকরি নেই। প্রতিবছর সরকারি, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ থেকে সনদ নিয়ে বেকারত্বের বোঝা বয়ে ঘুরছেন দেশের লাখ লাখ উচ্চ শিক্ষিত তরুণ-তরুণী। যাদের বেশির ভাগেরই অভিভাবক সন্তানদের পড়াশোনার খরচ চালিয়েছেন বহু কষ্টে। সন্তানের পড়াশোনার জন্য অনেকেই যেমন জমানো অর্থ খরচ করেছেন, তেমনি অনেকেই ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করতে পারেননি। আবার কেউ সুদে টাকা ধার করে, জমিজমা বিক্রি করার পাশাপাশি দৈনন্দিন জীবনের ভোগ বিলাসিতা বিসর্জন দিয়েও সন্তানের পড়ার খরচ চালিয়েছেন। কিন্তু সন্তান উচ্চ শিক্ষিত হলেও বেকার হয়ে ঘুরছে দিনের পর দিন। কেউ কেউ হয়ে পড়ছেন পরিবারের বোঝা। এতে করে শিক্ষিত বেকারদের হতাশা ও মানসিক চাপ যেমন বাড়ছে, তেমনি পরিবারের সঙ্গে তাদের দূরত্ব বেড়ে পারিবারিক বন্ধনও কমে আসছে। মেধা, যোগ্যতা থাকার পরও চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে কেউ কেউ হয়ে পড়ছে মাদকাসক্ত, জড়িয়ে পড়ছে জঙ্গিবাদ, ছিনতাইসহ বিভিন্ন সামাজিক অপরাধে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) পরিচালিত সর্বশেষ ত্রৈমাসিক শ্রমশক্তি জরিপ (২০১৬-২০১৭) প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী দেশে বর্তমানে বেকারের সংখ্যা ২৬ লাখ ৭৭ হাজার। এর মধ্যে উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের হার বেশি। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বেকারের সংখ্যা ছিল ২৬ লাখ। জরিপে দেখা গেছে, জাতীয় বেকারত্বের গড় হার ৪ দশমিক ২ ভাগ। আর মোট বেকারত্বের ১১ দশমিক ২ ভাগই শিক্ষিত। এরমধ্যে উচ্চশিক্ষিত বেকার রয়েছেন ১৫ দশমিক ১ ভাগ। বিবিএসের কর্মকর্তারা জানান, প্রবৃদ্ধি হলেও সেই তুলনায় দেশে কর্মসংস্থান বাড়ছে না। ফলে, বেকারের সংখ্যাও বাড়ছে। বিবিএসের প্রতিবেদন বিশ্লেষণ করে সিপিডি (সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ) বলছে, বাংলাদেশে গ্র্যাজুয়েটধারী শিক্ষিতদের ৩৪ দশমিক ৩ ভাগই (এক-তৃতীয়াংশ) বেকার। আর যুব বেকার রয়েছে ১০ দশমিক ৬ শতাংশ। এইচএসসি পাস বেকার রয়েছে ১৪ দশমিক ৬ শতাংশ।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) বার্ষিক প্রতিবেদনে দেখা যায়, ২০১৬ সালের ৩৬টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে বিভিন্ন পরীক্ষায় পাস করেছেন ৫ লাখ ৮ হাজার ৯৪৬ জন। এর মধ্যে স্নাতক পাস পর্যায়ে ১ লাখ ৫৭ হাজার ৫৫১ জন, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ১ লাখ ২৯ হাজার ৯৩৬ জন, কারিগরি স্নাতক পর্যায়ে ১৪ হাজার ৬৪ জন, স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ২ লাখ ২ হাজার ১৯০ জন, কারিগরি স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ২ হাজার ৩০২ জন, বিভিন্ন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, ডিপ্লোমা ও সার্টিফিকেট কোর্সে ১ হাজার ৫৩৬ জন এবং এমফিল, পিএইচডি সমমান পর্যায়ে ১ হাজার ৩৬৭ জন শিক্ষার্থী পাস করেছে। আর দেশের ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিষয়ে ইউজিসি পরিচালিত বার্ষিক প্রতিবেদনে (২০১৬ সাল) দেখা যায়, একাডেমিক কার্যক্রম চলছে এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০১৬ সালে ডিগ্রি লাভ করেছেন ৬৫ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থী যা ২০১৫ সালের তুলনায় ৩ হাজার ৭১০ জন বেশি। ২০১৬ সালে উত্তীর্ণ ৬৫ হাজার ১৯২ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে স্নাতক, কারিগরি ও প্রযুক্তিতে ১৭ হাজার ৬৪৬ জন এবং মাস্টার্স কারিগরি ও প্রযুক্তিতে ৫৬২ জন শিক্ষার্থী ডিগ্রি লাভ করেছেন।
অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ, গবেষকরা বলছেন, দেশে প্রতিবছর প্রায় ২০ লাখ কর্মক্ষম মানুষ কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে। এর মধ্যে ৫ লাখের বেশি উচ্চ শিক্ষিত। কিন্তু তাদের বেশির ভাগই চাকরি পাচ্ছেন না। অর্থনীতিবিদ ও গবেষকদের মতে সরকারি চাকরিতে শূন্য পদের বিপরীতে চাকরিপ্রার্থীর সংখ্যা অনেক বেশি। তাই শিক্ষিতদের বেশ বড় একটি অংশ প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছেন না। একই সঙ্গে সরকারি শূন্যপদগুলোও নিয়মিতভাবে পূরণ হয় না। আর বেসরকারি খাতে বর্তমানে বিশেষজ্ঞ, কারিগরি ও প্রযুক্তিজ্ঞানসম্পন্ন শিক্ষিতদের চাহিদা বেশি। যে কারণে প্রচলিত ও সাধারণ শিক্ষায় শিক্ষিতদের বেসরকারি খাতে চাকরি পেতে বেগ পেতে হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে শিক্ষিত বেকাররা চাকরি না পাওয়ায় অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে বিরূপ প্রভাব পড়ছে। একদিকে চাকরি না পাওয়ায় এসব শিক্ষিত জনবলকে দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে যুক্ত করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে চাকরি না পাওয়ার হতাশা থেকে বেকারদের একটি অংশ জড়িয়ে পড়ছে নানা সামাজিক অপরাধে। আর চাকরি না পাওয়ার আশঙ্কা ও হতাশা থেকে উচ্চ শিক্ষিত মেধাবীদের একটি অংশ চলে যাচ্ছে দেশের বাইরে। ফলে, তাদের মেধা ও সেবা দেশের কাজে লাগানো যাচ্ছে না।
সিপিডির গবেষণা পরিচালক খন্দকার মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষিত গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে ৩৪ দশমিক ৩ শতাংশই বেকার। গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা গড়পড়তা বেকারের তুলনায় অনেক বেশি। আর যুব বেকার ও গ্র্যাজুয়েট বেকারের সংখ্য আরো বেশি। সার্বিকভাবে বেকারত্বের হার ৪ দশমিক ৪ শতাংশ। তিনি বলেন, দেখা যাচ্ছে যারা স্বল্পশিক্ষিত তাদের মধ্যে বেকারত্বের সংখ্যা কম। কিন্তু যখন উচ্চ শিক্ষিতের হার বাড়ে তখন বেকারত্বের হারও বাড়ে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষিত বেকারত্বের স্বাভাবিক কারণ হচ্ছে, যে পরিমান জনগোষ্ঠী প্রতিবছর কর্মবাজারে প্রবেশ করছে, সেই পরিমাণ কর্মসৃজন হচ্ছে না। আর শিক্ষার সঙ্গে সম্পর্কিত পেশাদারিত্বের যে চাকরি, সেই চাকরি সৃষ্টির সংখ্যা কম। ফলে, বেকারত্বের সংখ্যাটা আরো বড়ভাবে আমরা দেখতে পাচ্ছি।
শিক্ষাবিদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মানবজমিনকে বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষিত ও উচ্চশিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের সমস্যা রয়েছে। তবে, এ বিষয়ে খুব নির্ভরযোগ্য কোনো গবেষণা এখন পর্যন্ত হয়নি। কিন্তু বাস্তবতার নিরিখে এবং নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে যা দেখছি তাতে বেকারত্বের সমস্যা আছে এবং তা ভালোভাবেই আছে। তবে, এখন শিক্ষিতদের অনেকেই বিভিন্ন কাজে যুক্ত হচ্ছে। এমনকি অনেকে মাছ চাষও করছেন। ফলে বেকার সমস্যা কিছুটা কমে আসছে বলে আমার মনে হয়। আর বেকারত্ব নিয়ে নতুন করে যদি গবেষণা হয় তাহলে সঠিক তথ্য জানা যাবে। অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, আমাদের রাষ্ট্রীয় শিক্ষানীতি ও শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে কোনো জাতীয় পরিকল্পনা নেই। সরকারের উন্নয়নের কথা বলা হলেও বেকার সমস্যা নিরসনের কথা কেউ তেমনভাবে বলছে না।
অনলাইনে চাকরির বিজ্ঞাপনদাতা প্রতিষ্ঠান ‘বিডিজবস’র জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো. শামীম হাসান মানবজমিনকে বলেন, চাকরি প্রার্থীরা প্রতিদিন ২০০ থেকে ৩০০ জীবনবৃত্তান্ত আমাদের প্রতিষ্ঠানে রেজিস্ট্রেশন করে। গত এক মাসে ৬ থেকে ৭ হাজার সিভি জমা পড়েছে। তিনি বলেন, একটি চাকরির বিজ্ঞাপন দিলেই প্রতিদিন অন্তত ৩ হাজার সিভি জমা পড়ে। যাদের বেশির ভাগই উচ্চশিক্ষিত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি চাহিদা ব্যাংকের চাকরিতে। দেখা গেছে, একটি ব্যাংকের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে অন্তত ১ লাখ ৫০ হাজার সিভি আসে।
বাংলাদেশ বাংকের সাবেক গভর্ণর ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ বলেন, উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। নতুন করে আরো যোগ হচ্ছে। বেকারত্বের এই সমস্যাটি মারাত্মক। এটি মোটেও আমাদের জন্য ভালো ব্যাপার নয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকেও এটি বিরাট ব্যাপার। তিনি বলেন, তরুণরা লেখাপড়া শিখে যদি চাকরি না পায়, তাহলে তারা পরিবারকে সাপোর্ট দিতে পারে না। এতে করে তাদের মধ্যে হতাশা কাজ করে। আর হতাশা থেকে তারা বিভিন্ন সামাজিক অপরাধ ও বেআইনি কাজে জড়িয়ে পড়ছে। তিনি বলেন, আমাদের অনেক তরুণ রয়েছে। তারা উৎসাহী। তাদের প্রডাকটিভিটি আছে। তাদের দিয়ে কাজ করানো যায়। কিন্তু তারা শিক্ষিত হলেও তাদের মেধা কাজে লাগানো যাচ্ছে না। অনেক তরুণ বিদেশে চলে যাচ্ছে। ফলে, এই সুযোগটি আমাদের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। এটি আমাদের অর্থনীতির জন্য বিরাট ক্ষতি। এ নিয়ে এখন থেকেই গুরুত্ব দিতে হবে। তবে, আমাদের যে শিক্ষা ব্যবস্থা এটা যেন প্রায়োগিক ক্ষেত্রে আরো কার্যকরি হয়। কারিগরি শিক্ষার প্রতি আমাদের আরো গুরুত্ব দিতে হবে। কারিগরি শিক্ষার মান বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে বেকারত্ব নিরসনে ক্ষুদ্র ও মাঝরি শিল্পের প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হবে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল বারাকাত বলেন, উচ্চ শিক্ষিতদের মধ্যে বেকারত্বের যে পরিসংখ্যান বলা হচ্ছে তা আমার কাছে সঠিক বলে মনে হয়। প্রতিবছর যেসব শিক্ষার্থী উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে পাশ করে বেরুচ্ছে তাদের বড় অংশই বেকার। পাশ করার পর অনেকের পাঁচ বছরেও চাকরি হয় না। পদ যদি থাকে ২০টি, আবেদন জমা পড়ে ২০ হাজার। এরপর চাকরি ক্ষেত্রে থাকে নানা শর্ত। চাকরি না পেয়ে অনেকের বয়সও পেরিয়ে যায়। তিনি বলেন, যে পরিমাণ চাকরির সৃষ্টি হওয়া দরকার সেই হারে যদি চাকরি বা কাজ সৃষ্টি না হয় তাহলে তো বেকারের সংখ্যা বাড়বেই। অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের বিএ, এমএ পাস করাবে। কিন্তু যেকোনো কাজ তো তারা করতে পারবে না। ভবিষ্যতের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার মতো দেশের পুরো শিক্ষা ব্যবস্থায় একটি বড় মাপের পরিবর্তন আনতে হবে বলে মত দেন ড. আবুল বারাকাত। তিনি বলেন, ভবিষ্যতে আমাদের কী ধরনের চাকরির চাহিদা তৈরি হবে এবং কী ধরনের শিক্ষিত মানুষ প্রয়োজন সে বিষয়ে পরিকল্পিতভাবে এগুতে হবে। প্রয়োজনে একটি কমিশন গঠন করতে হবে।
পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’র (পিআরআই) নির্বাহী পরিচালক আহসান এইচ মনসুর বলেন, দেখা যাচ্ছে আমাদের গতানুগতিক শিক্ষা ব্যবস্থায় ছেলে মেয়েরা যত বেশি লেখাপড়া শিখছে তত বেশি বেকার বেড়ে যাচ্ছে। তাই, শিক্ষার যে মান সেটা কিন্তু আমাদের বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি দিতে পারছেনা। বাবা মায়েরা ছেলে মেয়েদের পড়াশুনার পিছনে লাখ লাখ টাকা খরছ করছেন। কিন্তু তাদের বুঝতে হবে শুধু সরকারি চাকরির আশায় এম এ, বিএ পাশ করলে তো হবেনা। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মান বাড়াতে হবে। কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষার ওপর আরো গুরুত্ব দিতে হবে। বেকারত্ব নিরসনে কর্মসংস্থানের প্রয়োজন এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিনিয়োগ বাড়াতে হবে বলে উল্লেখ করেন আহসান এইচ মনসুর। তিনি আরো বলেন, বর্তমানে চাকরি ক্ষেত্রে বিশেষ করে বেসরকারিখাতে কারিগরি ও প্রযুক্তিগত পরিবর্তণ যেভাবে হচ্ছে, তাতে আমাদের বর্তমান শিক্ষা পদ্ধতি যদি আরো ভাল না হয় তাহলে আমরা আরো পিছিয়ে যাবো। আর কারিগরি শিক্ষার মান ও সামাজিক মর্যাদা বাড়াতে হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মেয়ে শিশুদের ২০ ভাগ যৌন নির্যাতনের শিকার

সেমিনারে প্রধান অতিথি মো. ইমান আলী গৃহ শ্রমিকদের সুরক্ষায় সচেতনতা বাড়ানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, আইন সংশোধনের পাশাপাশি জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানোর কাজটি করতে হবে। এক্ষেত্রে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। বিচারপতি নিজামুল হক বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে শিশু আইন প্রণয়ন করেছিলেন। বর্তমান সরকারও আন্তরিক। কিন্তু দেশে অনেক আইন থাকলেও সেই আইনের যথাযথ প্রয়োগ নেই। তাই আগে আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারি বেসরকারি সংস্থার পক্ষ থেকে মনিটরিং জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। শিশু অধিকার ফোরামের আব্দুস শহীদ মাহমুদ বলেন, অনেক ক্ষেত্রে শিশুরা নিরাপত্তার কারণে শহরে গৃহকাজে আসে। যারা কোনো বেতন বা মজুরি পায় না। আবার অনেকে প্রতিশ্রুত বেতন-ভাতা থেকে বঞ্চিত হয়। তারা নির্যাতনের শিকার হলেও তাদের আইনি সহায়তা দেয়ার কেউ নেই। তিনি বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বাজেটে শিশুখাতের বরাদ্দের একটি অংশ শিশু অধিকার রক্ষায় কর্মরত সংগঠনগুলোকে দেয়ার প্রস্তাব করেন। বিলসের সুলতান উদ্দিন বলেন, শ্রম আইনে ১৪ বছরের নিচের শিশুদের ঝুঁঁকিপূর্ণ শ্রমে নিয়োগ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু এই বিধান কার্যকর করার কেউ নেই। এ ধরনের অনেক বিধানই অকার্যকর। তিনি এ ব্যাপারে আদালতের স্বপ্রণোদিত নির্দেশনা প্রত্যাশা করেন। এছাড়া সেমিনারে গৃহকর্মে নিয়োজিত শিশুসহ অবহেলিত শিশুদের সামগ্রিক উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যমান আইন ও নীতিমালার পূর্ণ বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়। সর্বোপরি শিশু হত্যা নির্যাতনের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাহাড়ে আরো হানাহানির শঙ্কা by কাজী সোহাগ

৩রা মে জেএসএস (সংস্কার) সমর্থিত নানিয়ারচর উপজেলা চেয়ারম্যান শক্তিমান চাকমাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। পরদিন শক্তিমান চাকমার শেষকৃত্য অনুষ্ঠান শেষে প্রকাশ্যে ব্রাশ ফায়ার করে হত্যা করা হয় আরো ৫ জনকে। নিহতরা হলেন- ইউপিডিএফ (গণতান্ত্রিক) এর সভাপতি তপন জ্যোতি চাকমা বর্মা, জেএসএস (সংস্কার) এর সদস্য প্রিয় চাকমা, সুজন চাকমা, সেতু লাল চাকমা, বাঙালি মাইক্রোবাস চালক সজীব হাওলাদার। ওই ঘটনায় ৮ জন গুরুতর আহত হন। আরো খুনের শঙ্কা নিয়ে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে মূলত খুন হয়েছেন দুই সংগঠনের শীর্ষ নেতারা। ওই ঘটনার পর অপর শীর্ষ নেতারা নিজেদের নিরাপত্তা বাড়িয়েছেন। কেউ বা আবার নিরাপদ দূরত্বে অবস্থান করছেন। এ অবস্থায় হানাহানির শিকার হতে পারেন পাহাড়ি সংগঠনের মাঠের নেতাকর্মীরা।
শীর্ষ নেতাদের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে ও এলাকায় নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে গ্রুপগুলোর মধ্যে হানাহানির শঙ্কা বেড়েছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, আরো সংঘাতের শঙ্কার কারণে নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশিসহ অন্যান্য পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, গত বছরের ১৫ই নভেম্বর ইউপিডিএফ দুই ভাগে বিভক্ত হওয়ার পর মূলত পাহাড়ে হানাহানি বেড়ে যায়। এর মূল উদ্দেশ্য চাঁদাবাজি, আধিপত্য বিস্তার আর জাতীয় নির্বাচন। আগামী নির্বাচনে রাঙামাটিতে জেএসএস সংস্কার নেতা শক্তিমান চাকমা সম্ভাব্য প্রার্থী ছিলেন। এই আঙ্গিকে বিচার করলে নানিয়ারচরের আলোচিত দুই হত্যাকাণ্ডের পেছনে মূল রহস্য সমাধানে একটি নতুন মাত্রা যুক্ত হয়। নানিয়ারচরের সামপ্রতিক দুই হত্যাকাণ্ডের পরপরই জেএসএস সংস্কার ও ইউপিডিএফ গণতান্ত্রিকের পক্ষ থেকে ইউপিডিএফ প্রসীত গ্রুপকে দায়ী করা হয়। পার্বত্য জেলা নিয়ে কাজ করা কয়েকটি সংগঠন জানিয়েছে, পাহাড়ে কোনো রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটলে টক-শো থেকে শুরু করে বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে কেউ কেউ বলে থাকেন, শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ার কারণে এ অবস্থা তৈরি হয়েছে। আসলে এটা ঠিক নয়। শান্তিচুক্তি ছিল দুই পক্ষের চুক্তি। তাই এটা বাস্তবায়ন শুধু সরকারের পক্ষে করা সম্ভব নয়। বলা হয়, জেএসএস অস্ত্র জমা দিয়েছে। তাহলে এখন যেসব অস্ত্র দিয়ে খুনোখুনি হচ্ছে এসব কোথা থেকে এলো। প্রায় প্রতিদিনই হাজার হাজার রাউন্ড গোলাগুলি হচ্ছে। উদ্ধার হচ্ছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। এসবের আসলে সোর্স কি? কারা জড়িত? এসব প্রশ্নের কোনো উত্তর সন্তু লারমার কাছে নেই। আর এ ধরনের প্রশ্নও তাকে কেউ কখনও করে না। তাহলে কি তারা সব অস্ত্র জমা দেয়নি? সংগঠনগুলো জানিয়েছে, পাহাড়ে শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে পার্বত্য এলাকায় রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত করতে হবে। যুক্তি তুলে ধরে তারা জানান, জাতীয় নির্বাচনের সময় এখানে প্রার্থী পর্যন্ত পাওয়া যায় না। ইউপিডিএফ, জেএসএস রেজিস্ট্রেশন পর্যন্ত করেনি। তারা আসলে পার্বত্য এলাকায় বিরাজনীতি করার চেষ্টা করছে। তাই রাজনৈতিক দলগুলোর সম্পৃক্ততা বাড়ানো না হলে এখানে টার্গেট কিলিং চলতেই থাকবে। এদিকে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো জানিয়েছে, তিন পার্বত্য জেলায় উপজাতি সশস্ত্র সংগঠনগুলোর কাছে তিন হাজারের বেশি অত্যাধুনিক অস্ত্র রয়েছে। এর মধ্যে এম-১৬ (আমেরিকা ও চাইনিজ), একে-৪৭, একে-২২, লাইট মেশিনগান, এম-৪, একে-৫৬, একে-৮১, এম-৩৩সহ স্নাইপার রাইফেলও রয়েছে। সংগঠনগুলোতে রয়েছে আর্ম ক্যাডার ও সেমি আর্ম ক্যাডার বাহিনী। এর মধ্যে আর্ম ক্যাডারের সংখ্যা প্রায় তিন হাজার। অন্যদিকে সেমি আর্ম ক্যাডারের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। সেমি আর্ম ক্যাডাররা অস্ত্র প্রশিক্ষিত। তারা ভবিষ্যতে সংগঠনগুলোর জন্য কাজে লাগে। সংশ্লিষ্টরা জানান, মূলত চুক্তি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে সেনাবাহিনীসহ অন্য বাহিনীর ক্যাম্পগুলো সরিয়ে নেয়ার পর থেকে পার্বত্য জেলাগুলো উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। পার্বত্য চুক্তির আগে সেনাবাহিনী, বিজিবি ও পুলিশের ৫৫২টি ক্যাম্প ছিল। বর্তমানে রয়েছে ২১৮টি ক্যাম্প।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে বৈঠকে বসেছেন ইরান ও ওমানের কর্মকর্তারা

ওমানের বাদশা সুলতান কাবুস গত বছর ইরানের প্রেসিডেন্টের মাস্কাট সফরের সময় আঞ্চলিক সহযোগিতা বিস্তারে ইরানের আন্তরিকতা ও প্রস্তুতির ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। সে সময় তিনি বলেছিলেন, এ অঞ্চলের আরব দেশগুলোর সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আঞ্চলিক নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য জরুরি।
প্রকৃতপক্ষে, সমুদ্রকেন্দ্রীয় অর্থনৈতিক তৎপরতা এবং বাণিজ্য ও জ্বালানি বহনকারী জাহাজ চলাচলের জন্য পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা খুবই জরুরি। এই সমুদ্র অঞ্চল থেকে ভারত মহাসাগর পর্যন্ত বিশাল এলাকার নিরাপত্তা রক্ষা করার মতো ক্ষমতা অর্জন করেছে ইরানের নৌবাহিনী। শুধু ভারত মহাসাগর নয় আন্তর্জাতিক যে কোনো সমুদ্র অঞ্চলে নিরাপত্তা বিধানের জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিতে ইরান প্রস্তুত।
গত শতাব্দীর ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যায়, বিদেশিরা নিরাপত্তা দেয়ার কথা বলে উল্টো এ অঞ্চলে নিরাপত্তাহীনতা ও সংকট সৃষ্টি করেছে। নিরাপত্তা ক্ষেত্রে আঞ্চলিক দেগুলোকে পরনির্ভরশীল করে তোলা, কোটি কোটি ডলার মূল্যের অস্ত্র বিক্রি করা এবং এ অঞ্চলে সামরিক ঘাঁটি নির্মাণ করা বিদেশিদের অন্যতম উদ্দেশ্য। এরই আলোকে তেহরানে ইরান ও ওমানের প্রতিরক্ষা বিষয়ক যৌথ কমিটির বৈঠক দু'দিক থেকে তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমত, এ বৈঠক থেকে ইরানের সঙ্গে সর্বোচ্চ সম্পর্ক প্রতিষ্ঠায় ওমানের ব্যাপক আগ্রহের বিষয়টি ফুটে উঠেছে। আর দ্বিতীয়ত, আঞ্চলিক সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্র রোধ করা এবং নিরাপত্তা রক্ষায় তেহরান ও মাস্কাটের দৃঢ় ইচ্ছার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলে সংকট সৃষ্টির জন্য আমেরিকা, সৌদি আরব ও ইসরাইল ব্যাপক ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এ লক্ষ্যে তারা ইরানভীতি ছড়ানোর পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ভূমিকাকে হুমকি হিসেবে তুলে ধরছে এবং তেহরানের বিরুদ্ধে এ অঞ্চলের দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলছে।
মার্কিন বিশেষজ্ঞ জিম ওয়ালেশ এ ব্যাপারে বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব অভিযোগ তুলে আসলে ইরানের পক্ষ থেকে কঠোর প্রতিক্রিয়া দেখাতে বাধ্য করছে যাতে ইরানকে আঞ্চলিক সংকট সৃষ্টিকারী হিসেবে অভিযুক্ত করা যায়।
পর্যবেক্ষকরা বলছেন আমেরিকা, সৌদি আরব ও ইসরাইল ইরানভীতি ছড়ানোর চেষ্টা করলেও এ অঞ্চলের সব দেশ তাদের নীতির সঙ্গে একমত নয়। ওমানের নৌবাহিনীর প্রধান আব্দুল্লাহ আল রাইসি সম্প্রতি তেহরানে প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর নৌ কমান্ডারদের এক সম্মেলনে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইরান ও ওমানের সম্পর্ক ঐতিহাসিক ও বহু প্রাচীন এবং তার দেশের বাদশা তেহরান-মাস্কাট সম্পর্ক জোরদারে ব্যাপক আগ্রহী।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুদকে যাননি বাচ্চু নথি দেননি মিজান

অপরদিকে নথি দিয়ে সহযোগিতা না করায় মামলা হতে পারে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে। এ কথা জানিয়েছেন দুদক সচিব শামসুল আরেফিন। গতকাল সাংবাদিকদের তিনি জানান, অবৈধ সম্পদ অর্জনসহ নানা অভিযোগে জিজ্ঞাসাবাদের পর দুদকের অনুসন্ধান দলের কাছে সম্পদের কিছু নথিপত্র জমা দেয়ার কথা থাকলেও নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা না দেয়ায় মামলার কথা ভাবছেন তারা। শামসুল আরেফিন বলেন, দুদকের অনুসন্ধানের জন্য কিছু নথি রোববারের মধ্যে দুদক-এ নিয়ে আসার কথা ছিল ডিআইজি মিজানের। কিন্তু তিনি জমা দেননি । এভাবে যদি তদন্তে অসহযোগিতার ধারা অব্যাহত থাকে তাহলে দুদক আইনের ১৯/৩ ধারা মোতাবেক তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। গত ৩রা মে সকাল থেকে টানা সাড়ে সাত ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় ডিআইজি মিজানকে। এর আগে ২৫শে এপ্রিল এক তলবি চিঠিতে তাকে ডাকা হয়েছিল। জিজ্ঞাসাবাদের পর পুলিশের এ কর্মকর্তা নিজেকে সৎ দাবি করে বলেন, আমার ট্যাক্স ফাইলের বাইরে কোনো সম্পদ নেই।
ডিআইজি মিজান ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। গত জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। দ্বিতীয় বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রী মরিয়ম আক্তারকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ ওঠে ডিআইজি মিজানের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে নারী নির্যাতনেরও অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রমাণ পায় পুলিশের তদন্ত কমিটি। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে প্রত্যাহার করা হয়।
পুলিশের এই কর্মকর্তার দুর্নীতির বিরুদ্ধে দুদক গত ৪ঠা জানুয়ারি থেকে অনুসন্ধানে নামে। সে সূত্রে জানা গেছে, চাকরিকালে ক্ষমতার অপব্যবহার করে দুর্নীতির মাধ্যমে প্রায় শত-কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন তিনি। তার নামে-বেনামে বিলাসবহুল বাড়ি, গাড়ি, ফ্ল্যাট ও জমি রয়েছে। একাধিক ব্যাংক হিসাবে রয়েছে মোটা অঙ্কের টাকা। রয়েছে মেয়াদি আমানত। বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, ডিআইজি মিজানুর রহমান বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ পৌর এলাকার পাতারহাট-উলানিয়া সড়কের পাশে কালীকাপুর নামক স্থানে প্রায় তিন কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করেছেন বিলাসবহুল দোতলা পাকা বাড়ি। পাকা বাউন্ডারিতে ঘেরা বাড়িটির নাম রাখা হয়েছে ‘আমেনা ভিলা’। দৃষ্টিনন্দন ও জাঁকজমকপূর্ণ হওয়ায় এলাকার মানুষ বাড়িটিকে ‘স্বর্ণকমল’ বলে উল্লেখ করেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মালয়েশিয়ায় নির্বাচন: ৬১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময় বুধবার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু সমঝোতা মেনে চলবে ইইউ: তিন শক্তির যৌথ বিবৃতি
![]() |
| ফরাসি প্রেসিডেন্ট ম্যাকরন, জার্মান চ্যান্সেলর মারকেল ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প |
এদিকে, জার্মানির রাজধানী বার্লিনে ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁ তার ভাষায় সাংবাদিকদের কাছে বলেন, “আমরা পরমাণু সমঝোতা রক্ষা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ কারণ এই সমঝোতা পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের ক্ষেত্রে রক্ষাকবচ এবং ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখার সঠিক উপায়।”
একই ধরনের কথা বলেছেন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস। তিনি বলেছেন, “আমরা অব্যাহতভাবে বিশ্বাস করি যে, এই সমঝোতা বিশ্বকে নিরাপদ করেছে এবং সমঝোতা ছাড়া বিশ্ব অনেকটা অনিরাপদ হয়ে উঠবে।” ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন। হেইকো আরো বলেন, এ ক্ষেত্রে যেকোনো ব্যর্থতা সংঘাত ডেকে আনতে পারে।
![]() |
| সংবাদ সম্মেলনে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেইকো ম্যাস (বামে) ও ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যঁ-ইভস লা দ্রিয়াঁ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা করলে ৫ বছরের জেল

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
২০০ কোটি টাকার টেন্ডার ভাগবাটোয়ারা by নূর মোহাম্মদ

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সেকেন্ডারি অ্যাডুকেশন সেক্টর ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রামের (সেসিপ) অধীন ১০ হাজার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের পদার্থ, রসায়ন, জীববিজ্ঞান ও গণিতের গবেষণাগারের সামগ্রী ক্রয় করতে টেন্ডার আহ্বান করা হয়। বাংলাদেশ সরকার ও এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) ঋণের টাকায় প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে। গত ২২শে মার্চ টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়। তাতে ইন্টারন্যাশনাল কমপেটেটিভ (আইসিবি) অনুযায়ী পত্র আহ্বানের কথা বলা হয়েছে। পাঁচ লটে ১১৭টি বিজ্ঞান সামগ্রী বিতরণ করার জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। গতকাল ছিল দরপত্র বিক্রির শেষ দিন। দুপুর ২টায় দরপত্র জমা দেয়ার শেষ সময় ছিল। নির্ধারিত সময়ের পর ঠিকাদারদের উপস্থিতিতে দরপত্র খোলা হয়। এতে দেখা যায়, পরিচিত মুখগুলোর সাতটি প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নিয়েছেন। টেন্ডারের অংশ নিতে গিয়ে শিক্ষাভবনে প্রবেশে বাধার মুখে পড়েন আগ্রহী অনেক প্রতিষ্ঠানের অনেকে। এর আগে গতকাল সকাল থেকে শিক্ষা ভবনের পুরানো ঠিকাদারদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। দুপুরের পর চারতলা ও নিচতলায় পুলিশি পাহারা বসানো হয়। এতে শিক্ষাভবনে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়। শিক্ষাভবনের সবাইকে পরিচয়পত্র (আইডি কার্ড) সঙ্গে রাখার জন্য বলা হয় প্রশাসন শাখা থেকে। শিক্ষাভবন সূত্র জানায় যে সাতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে তাদের স্বত্বাধিকারী ৪ ব্যক্তি। এ ছাড়া এই ব্যক্তিরা দীর্ঘ দিন থেকে শিক্ষা ভবনে সরকারি কাজের টেন্ডার নিয়ন্ত্রণ করছেন। টেন্ডার নিয়ে তাদের সমর্থকদের মধ্যে শিক্ষাভবনে মারামারি, এমনকি গুলির ঘটনাও ঘটে। সম্প্রতি ই-জিপিতে টেন্ডার হওয়ায় এ ধরনের ঘটনা কমে এসেছে।
এ ব্যাপারে পদাধিকার বলে প্রকল্প পরিচালক ও মাউশি অধিদপ্তরেরর মহাপরিচালক প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান মানবজমিনকে বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডার অথচ ই-জিপির ব্যবস্থা নেই, এটা শুনে আমি নিজেও আশ্চর্য হয়েছি। যেহেতু ই-জিপি নেই তাই মেনুয়্যালটি করতে হয়েছে। তারপর আমরা শতভাগ স্বচ্ছতা বজায় রেখে এ টেন্ডার করার চেষ্টা করেছি। তাছাড়া প্রকল্পের কেনাকাটায় একটি কমিটি আছে। তারাই সরকারি ক্রয় আইন (পিপিআর) অনুযায়ী টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। কম প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়ার ব্যাপারে তিনি জানেন, বিষয়টি পরিচালকের সঙ্গে কথা বলার পরামর্শ দেন।
আর অধিদপ্তরের ফিন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউম্যান্ট শাখার পরিচালক ও টেন্ডার বাস্তবায়ন কমিটি সদস্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ মোজাম্মেল হোসেন চৌধুরী বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডারে এখনও ই-জিপি চালু হয়নি। তাই আমরা মেনুয়্যালি টেন্ডারের ব্যবস্থা করেছি। তিনি বলেন, প্রকল্পের পিপিআর’র সকল শর্ত মেনে টেন্ডার করা হয়েছে। এতে সাতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে। একটি ইংরেজি ও একটি বাংলা দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে। এ ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়, মাউশি ও সেসিপের ওয়েব সাইটে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হয়েছে। তবে কোনো পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দেয়া হয়েছে তা তিনি বলতে পারেনি। তিনি দাবি করেন, আন্তর্জাতিক দরপত্র এখন পর্যন্ত ই-জিপিতে দেয়ার ব্যবস্থা নেই। শুধু দেশের মধ্যে টেন্ডার ই-জিপিতে দেয়া হয়।
জানা গেছে, দেশের মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার বহুমুখী উন্নয়নে ‘সেসিপ’ নামে এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে। শিক্ষাক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ বাজেটের প্রকল্প। তিন ধাপে বাস্তবায়িত এই প্রকল্পে মোট ব্যয়ের মধ্যে ৫০০ মিলিয়ন ডলার দেবে এডিবি। বাংলাদেশ সরকারের বিনিয়োগ ১৬.৩ বিলিয়ন ডলার। এর মধ্যে প্রথম ভাগে (২০১৩-২০১৭) এডিবির সহযোগিতার পরিমাণ ৯০ মিলিয়ন এবং বাংলাদেশ সরকারের ১১৭.২৬ মিলিয়ন ডলার।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
খুলনা সিটি নির্বাচন: ফ্যাক্টর কোন্দল by রোকনুজ্জামান পিয়াস ও রাশেদুল ইসলাম

বিভিন্ন সূত্রের দাবি, গত নির্বাচনে বিএনপি প্রার্থী মনিরুজ্জামান মণির কাছে আওয়ামী লীগ প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের পরাজয়ের মূল কারণ ছিলো দলীয় কোন্দল ও হেফাজত ইস্যুতে জাতীয়ভাবে আওয়ামী লীগের প্রতি অনাস্থা। তবে এবার হেফাজত ইস্যু না থাকলেও অভ্যন্তরীণ কোন্দল বিদ্যমান। সূত্র জানায়, খুলনা নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি তালুকদার আবদুল খালেক ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ মিজানুর রহমান মিজানের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। বর্তমানেও সেটা বিদ্যমান। মহানগর কমিটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠতার দিক থেকে খুলনা-২ আসনের এমপি মিজানই এগিয়ে। সম্প্রতি আয় বহির্ভূত অবৈধ সম্পদ, জমি দখল ও মাদক ব্যবসার পৃষ্ঠপোষকতার অভিযোগে দুদক এমপি মিজানকে তলব করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। মিজানের অনুসারীদের দাবি- এই ঘটনায় তালুকদার আবদুল খালেকের হাত রয়েছে। সেক্ষেত্রে মিজান অনুসারীরা খালেকের নির্বাচনী বৈতরণী পার করতে কতটুকু ভূমিকা রাখবেন, সে প্রশ্ন রয়ে গেছে। নগরীর ৩১ ওয়ার্ডেই আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের নেতাকর্মী-সমর্থকরা দ্বিধাবিভক্ত। কাউন্সিলর প্রার্থী মনোনয়নে দু’গ্রুপের মধ্যে শুরু থেকেই ঠাণ্ডা লড়াই বিদ্যমান। বেশ কয়েকটি ওয়ার্ডে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ড থেকে প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পরও স্থানীয় গ্রুপিংয়ের কারণে পরবর্তীতে কেন্দ্র ঘোষিত প্রার্থী পরিবর্তন করতে বাধ্য হয়েছে। সেক্ষেত্রে কেন্দ্র মনোনীত প্রার্থীরা বেঁকে বসেছেন। এক্ষেত্রে আলোচনার শীর্ষে রয়েছে সিটির ২৩ নম্বর ওয়ার্ড। এ ওয়ার্ডে কেন্দ্রের প্রার্থী ছিলেন নগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বীরেন্দ্রনাথ ঘোষ। কিন্তু মনোনয়ন জমা দেয়ার আগেরদিন তাকে বাদ দিয়ে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয় মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের অনুসারী ফায়জুল ইসলাম টিটুকে। তবে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে এখনো মাঠে রয়েছেন বীরেন্দ্রনাথ ঘোষ। তিনি মহানগর পূজা উদ্যাপন কমিটি ও হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদেরও নেতা। সেক্ষেত্রে সংখ্যালঘু ভোটারদেরও একটি বড় অংশ দলের প্রতি ক্ষুব্ধ। এতে মেয়র প্রার্থীর ওপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। একইভাবে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র ঘোষিত প্রার্থী ছিলেন ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান জোয়ার্দ্দার। তাকেও রাতারাতি পরিবর্তন করে স্থানীয়ভাবে শেখ মোশাররফ হোসেনকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। একই এলাকার সংরক্ষিত ওয়ার্ডে কেন্দ্র মনোনীত প্রার্থী ছিলেন তাসলিমা আক্তার লিমা। পরবর্তীতে তাকে বঞ্ছিত করে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয় নগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফারুক আহমেদের স্ত্রী মেমোরী সুফিয়ান শুনুকে। এনিয়েও দলীয় কোন্দল তুঙ্গে। ২১, ২২ এবং ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে কেন্দ্র ঘোষিত সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর প্রার্থী ছিলেন হালিমা ইসলাম। পরে কেন্দ্র মনোনয়ন উপেক্ষা করে স্থানীয়ভাবে কনিকা সাহাকে দলীয় প্রার্থী করা হয়। তবে দলীয় সূত্র বলছে, বিগত নির্বাচনের মতো দলীয় কোন্দল কিছুটা সামাল দিতে পেরেছে আওয়ামী লীগ। তাদের দাবি, অধিকাংশ নেতাকর্মী মেয়র প্রার্থীর পক্ষে কাজ করবেন। সব কিছুর ঊর্ধ্বে স্থানীয় সংসদ সদস্যের নেয়া শেষ মুহূর্তের পদক্ষেপের প্রতি তাকিয়ে রয়েছে দলের তৃণমূলের নেতাকর্মীরা। দলীয় কোন্দলের ব্যাপারে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের নির্বাচনী সমন্বয়ক আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এসএম কামাল বলেন, এখন আওয়ামী লীগে কোনো কোন্দল নেই। নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধ। বিভিন্ন ওয়ার্ডে একাধিক কাউন্সিলর প্রার্থী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ম্যাক্সিমাম জায়গায় একক প্রার্থী। তবে যেখানে এখনো একাধিক প্রার্থী রয়েছে সেখানে আমরা ঐক্যমতে আনতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
অন্যদিকে বিএনপির কোন্দল প্রকাশ্যে না হলেও বর্তমান নির্বাচিত বেশ কয়েকজন কাউন্সিলরই নগর বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। সূত্র বলছে, এই তালিকায় রয়েছেন, ১৬নং ওয়ার্ডে টানা তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র-১ আনিচুর রহমান বিশ্বাস। দলীয় মেয়র প্রার্থী মঞ্জুর সঙ্গে আগে থেকেই দ্বন্দ্ব নগর বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক এই সম্পাদকের। এ কারণে বর্তমান তার সকল পদ স্থগিত রয়েছে। আনিচুর রহমান সাবেক এমপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আলী আজগর লবির অনুসারী। ১৭নং ওয়ার্ড থেকে টানা ৬ বার নির্বাচিত কাউন্সিলর প্যানেল মেয়র-২ শেখ হাফিজুর রহমানও লবির অনুসারী। তিনি দলীয় মনোনয়ন পেয়েও গত ৩ তারিখে সরকারদলীয় মেয়র প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেকের নির্বাচনী এক মতবিনিময় সভায় অংশ নেন। শুধু তাই নয়, তিনি সেখানে তার পক্ষে প্রকাশ্যে বক্তব্যও রাখেন। এই অভিযোগে গত ৫ তারিখে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ৩০নং ওয়ার্ডের টানা তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর প্রার্থী আমান উল্লাহ আমানও লবির অনুসারী। এই ওয়ার্ডে বিএনপির অপর প্রার্থী ছিলেন চৌধুরী মিরাজ। তিনি নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছের লোক হিসেবে পরিচিত। প্রথমদিকে এ ওয়ার্ডে বিএনপি সরাসরি কাউকে দলীয় সমর্থন না দিয়ে উন্মুক্ত রেখেছিল। কিন্তু প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিন চৌধুরী মিরাজকে প্রত্যাহার করিয়ে আমানকে দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেয়। এ নিয়েও উভয়পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। ১২নং ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান মণি। তাকে বাদ দিয়ে ওয়ার্ড সভাপতি আবু সালেককে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এদিকে মনিও ওই ওয়ার্ডে প্রার্থী হয়েছেন। বর্তমান এই অবস্থাতেই রয়েছে। শেষ পর্যন্ত উভয় প্রার্থীর সমঝোতায় আনতে না পারায় দলীয়ভাবে সমর্থন উন্মুক্ত করা হয়। এক্ষেত্রে ভোটাররা দ্বিধাবিভক্ত। খুলনা মহানগরীর খালিশপুর অঞ্চলের একটি অংশের নেতৃত্ব দেন নগর বিএনপির কোষাধ্যক্ষ ও খালিশপুর থানার সাধারণ সম্পাদক আরিফুর রহমান মিঠু। তার সঙ্গে মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর বিরোধ পুরনো। এ নির্বাচনে সেটার প্রভাব পড়তে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা ধারণা করছেন। তবে কেন্দ্রীয় বিএনপির হস্তক্ষেপে অবশেষে মিঠু প্রচারণায় নেমেছেন। মেয়র প্রার্থী মনোনয়ন নিয়েও জেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনার সঙ্গে মঞ্জুর বিরোধ ছিলো ওপেন সিক্রেট। এ বিরোধের জের ধরে গত দেড় বছর ধরে জেলা বিএনপি ও নগর বিএনপি পৃথকভাবে কর্মসূচি পালন করে আসছিল। তবে এই নির্বাচনে কেন্দ্রের হস্তক্ষেপে এখন ঐক্যবদ্ধভাবে কার্যক্রম পরিচালিত করছে। এমনকি মনা দলীয় মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
দলীয় কোন্দলের ব্যাপারে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর নির্বাচনী সমন্বয়ক খুলনা জেলা বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনা বলেন, আগে কোন্দল থাকলেও এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কোনো কোন্দল নেই। তিনি বলেন, যেহেতু দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জেলে রয়েছেন সেহেতু এই নির্বাচনটা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। মিথ্যা মামলায় জেলে রাখার প্রতিবাদও। মনা বলেন, সকল প্রকার গ্রুপিং ও মতের ঊর্ধ্বে উঠে সবাই ধানের শীষের জন্য কাজ করছেন।
খালেকের প্রচারণা: বিএনপি’র মন ভুলানো মিষ্টি কথায় কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, উন্নয়নের স্বার্থে নগরবাসী আজ নৌকার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ। খুলনা মহানগরীতে নৌকার পক্ষে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আওয়ামী লীগ কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। তিনি মাদকমুক্ত, জলাবদ্ধতা নিরসনসহ আধুনিক খুলনা মহানগরী গড়তে নগরবাসীর প্রতি নৌকা প্রতীকে ভোট দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। মেয়র প্রার্থী তালুকদার খালেক গতকাল নগরীর ২৩ ও ২৪নং ওয়ার্ডে গণসংযোগ ও একাধিক পথসভায় এ কথা বলেন।
তিনি ২৩নং ওয়ার্ডের সামছুর রহমান রোড থেকে গণসংযোগ শুরু করেন। এরপর বাইতিপাড়া, শান্তিধাম মোড় হয়ে ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল এলাকা, ২৪নং ওয়ার্ডে গল্লামারী মোড়, নিরালা তাবলিগ মসজিদ, ব্যাংক স্টাফ কলোনী, বুড়ো মৌলভীর দরগাহ, কাশেমনগর, হাজী মুজিবর রহমান সড়ক, শের-এ বাংলা রোডে ব্যাপক গণসংযোগ করেন। এসময় এলাকার শত শত সাধারণ মানুষ মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেককে স্বাগত জানান। পরবর্তীকালে তিনি তাবলিগ মসজিদ মোড় ও কাঁচাবাজার এলাকায় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল : বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল কেসিসি নির্বাচনে খুলনা মহানগরীর সুষম উন্নয়নের স্বার্থে তালুকদার আব্দুল খালেকের মতো একজন সৎ কর্মঠ ও নির্লোভ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মানুষকে সমর্থন দেয়ায় সচেতন সাংবাদিক সমাজকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। একই সঙ্গে সাংবাদিক নেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার স্মৃতি বিজড়িত খুলনার সামগ্রিক উন্নয়নে নৌকা প্রতীকে ভোট দিতে নগরবাসীর প্রতি আহবান জানিয়েছেন। তিনি বেলা ১১টায় নগরীতে সচেতন সাংবাদিক সমাজের প্রচারাভিযানে অংশ নিয়ে ভোটারদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন।
সিইসি’র কাছে ১৬ দফা সুপারিশ মঞ্জুর: আগামী ১৫ই মে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদাকে ১৬ দফা সুপারিশ দিয়েছেন বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। নগরীর বয়রা মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে প্রার্থীদের সঙ্গে সিইসি’র মতবিনিময় সভা শেষে তিনি এ দাবিগুলো লিখিতভাবে উত্থাপন করেন।
সুপারিশসমূহ হলো- সোনাডাঙ্গা থানা এলাকার মহিলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সের পরিবর্তে খুলনা জিলা স্কুল অথবা সরকারি মহিলা কলেজ অডিটোরিয়ামে ভোট গণনা এবং নির্বাচনী সরঞ্জাম সংরক্ষণের স্থান নির্ধারণ করার সুপারিশ করা হয়েছে। ২০১৩ সালে কেসিসি নির্বাচনে খুলনা জিলা স্কুল অডিটোরিয়ামটি ব্যবহার করা হয়েছিল। নির্বাচন কমিশন কর্তৃক গঠিত সমন্বয় কমিটিতে বিভাগীয় কমিশনার, ডিআইজি ও ডিজিএফআই-এর কর্নেল পদবিধারী কর্মকর্তাসহ রিটার্নিং অফিসারের চেয়েও অনেক উচ্চ স্তরের প্রভাবশালী কর্মকর্তা না রাখা। কারণ তাদের যেকোনো আদেশ-নির্দেশ এমনকি তা সুষ্ঠু নির্বাচনের অন্তরায় হলেও রিটার্নিং অফিসারকে মেনে চলতে হবে। এছাড়া এ ধরনের সমন্বয় কমিটি নির্বাচন কমিশন ইতিপূর্বে কখনই গঠন করেনি। লেভেল প্লেইং ফিল্ড বাস্তবায়ন করা। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রস্তাবিত প্রিজাইডিং অফিসার ও অন্যান্য কর্মকর্তাদের তালিকা ধরে পুলিশ এবং অন্যান্য গোয়েন্দা সংস্থা তাদের নাম ও ঠিকানা, পরিবারের অন্যদের নানাবিধ স্পর্শকাতর তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের নামে হয়রানি করে ভীতি সৃষ্টি না করা। সরকারদলীয় মেয়র প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেকের নির্বাচনী সভায় যেসব সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তারা প্রকাশ্যে অংশগ্রহণ করেছেন এবং তার পক্ষে ভোট প্রার্থনা করেছেন সে সব কর্মকর্তাদের কোনো প্রিজাইডিং অফিসার এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কোনো কর্মকাণ্ডেই দায়িত্ব প্রদান করা যাবে না। সকল ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপন করতে হবে। পুলিশের প্রতি আমাদের বিন্দুমাত্র আস্থা নেই। এ অবস্থায় নির্বাচনী এলাকার সব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং অন্যান্য পুলিশ কর্মকর্তাদের মধ্যে যারা গত ২-৩ বছর যাবৎ খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশে কর্মরত তাদেরকে পরিবর্তন/প্রত্যাহার করতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচনকালীন সময়ের আগে ও পরে সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি জানানো হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গাজীপুর সিটি নির্বাচন: আদালতে দু’পক্ষই

সীমানা জটিলতা সংক্রান্ত এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি নিয়ে রোববার গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন তিন মাসের জন্য স্থগিত করেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ। ভোটের মাত্র নয়দিন আগে প্রার্থীদের প্রচারণার মধ্যে গাজীপুর এই নির্বাচন স্থগিত হয়। সাভারের শিমুলিয়া ইউনিয়নের ৬টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের অন্তর্ভুক্ত করার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এ রিট আবেদন করেন সাভার উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতা ও ১ নম্বর শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ। এর আগে তিন বছর আগে ওই ছয় মৌজার সীমানা জটিলতা নিয়ে হাইকোর্টে রিট করেছিলেন আজহারুল ইসলাম। পরে হাইকোর্টের দেয়া রুলের প্রেক্ষিতে স্থানীয় সরকার বিভাগ বিষয়টি নিষ্পত্তি করে ৬টি মৌজাকে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্ত করে। চলতি বছরের ৪ঠা মার্চ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওই প্রজ্ঞাপন এবং গাজীপুর সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার বৈধতা চ্যালেঞ্জ রোববার রিট আবেদন করেন আজহারুল ইসলাম।
নির্বাচন স্থগিতে হতাশা-ক্ষোভ
সীমানা জটিলতা নিয়ে গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর উৎসবের আমেজে ভাটা পড়েছে। নগরবাসীর মনে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। স্থবির হয়ে গেছে নির্বাচনী কার্যক্রম। প্রায় তিনশ ত্রিশ বর্গকিলোমিটার আয়তনের উৎসবের নগরে যেন শোকের আবহ নেমে এসেছে। প্রধান দুজন মেয়র প্রার্থী ছাড়াও অন্য মেয়র প্রার্থী এবং কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর প্রার্থী ও তাদের কর্মী সমর্থকরা ভেঙে পড়েছেন। নানা লাভ-ক্ষতির হিসাব মেলাচ্ছেন তারা। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। সিপিবির মেয়র প্রার্থী এই নির্বাচন কমিশনের পদত্যাগও দাবি করেছেন। অন্যদিকে টঙ্গী থানায় বিএনপির ১২০ জন নেতাকর্মীর নামে বিশেষ ক্ষমতা আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
স্থগিত হওয়ার পর দুদিন ধরেই ঢাকায় দৌড়-ঝাঁপ করছেন আওয়ামী লীগ প্রার্থী। নির্বাচনী লড়াইয়ে তারা বিজয়ের পথে ছিলেন উল্লেখ করে করণীয় নিয়ে তাদের নেতাদের নির্দেশনার অপেক্ষায় রয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতৃবৃন্দ। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলম সাংবাদিকদের বলেছেন, আমি চাই নির্বাচনটা হোক। কারণ আমি গণতন্ত্রের চর্চা করি। গাজীপুর সিটির উন্নয়নের স্বার্থে আমি সবার সহযোগিতা চাই। চলমান প্রক্রিয়ায়, যেকোনো প্রক্রিয়ায় নির্বাচনটা ১৫ই মে হয়ে যাক, সেটাই আমি চাইছি। এ বিষয়ে জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন সবুজ বলেছেন, নির্বাচনী মাঠে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলমের বিজয়ের পথে জোয়ার উঠেছিল। সেই জায়গাতে নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় নগরবাসীর মনে কষ্ট রয়েছে। তবে সীমানা জটিলতায় নির্বাচন স্থগিত হওয়ার প্রেক্ষিতে আদালতের আদেশ নিয়ে কোনো মন্তব্য না করে তিনি আরো বলেন, এ বিষয়ে দলের ঊর্ধ্বতন নেতৃবৃন্দের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে। নির্বাচন স্থগিত হওয়ার বিষয়ে মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মজিবুর রহমান বলেন, আমরা একটা ভোটের উৎসবে ছিলাম। নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ায় মনে হচ্ছে ভূমিকম্পের পরবর্তী অবস্থার মতো আমরা থমকে আছি। নির্বাচন বন্ধ হবার বিষয়ে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা গাজীপুর জজ কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন স্থগিত হওয়ায় নগরবাসীর ক্ষতি হয়েছে। তবে নির্বাচন স্থগিত হলেও আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থীরা নিজ দলের নেতাদের অবস্থান বুঝতে পেরেছেন। কোন কোন নেতা তাদের পক্ষে নির্বাচনে নেমেছেন আর কোন কোন নেতা দলীয় প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচনী মাঠে না নেমে কি ভূমিকায় আছেন তা টের পেয়ে গেছেন প্রার্থীরা।
বিএনপির মেয়র প্রার্থী হাসান উদ্দীন সরকার সোমবার সকালে তার বাসায় সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ১৫ই মে নির্বাচনের ব্যাপারে এবং জয়ের ব্যাপারে এখনো পুরোপুরি আশাবাদী। তিনি বলেন, সরকার নির্বাচনের ব্যাপারে আন্তরিক হলে আদালতে প্রকৃত তথ্য উপস্থাপনের মাধ্যমে দ্রুত প্রতিকারের মাধ্যমে নির্বাচন অনুষ্ঠান সম্ভব। স্থগিত হওয়ায় হয়তো, প্রচারে দু-একদিন ক্ষতি হয়েছে। তাতে সমস্যা নেই, ভোটাররা তো আমাদের সবাইকে চেনেন, জানেন। আর দু’একদিন তো ঝড়-তুফান বা প্রাকৃতিক দুর্যোগেও প্রচারে সমস্যা হতে পারে। এ সময় হাসান সরকারের সঙ্গে অন্যান্যের মধ্যে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল, যুবনেতা প্রভাষক বশির আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে বিএনপির ১২০ নেতাকর্মীর নামে যানবাহন ভাঙচুর ও যান চলাচলে প্রতিবন্ধকতাসহ বিভিন্ন অভিযোগে টঙ্গী থানায় মামলা করা হয়েছে। বিশেষ ক্ষমতা আইনে টঙ্গী থানার এসআই আল আমিনের দায়ের করা মামলাটি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের হাতে তদন্তের দায়িত্ব পড়েছে বলে জানিয়েছেন টঙ্গী থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. হাসান। এদিকে, রোববার দুপুরে নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর বিকালে তাক্ষণিক প্রেস ব্রিফিংয়ে বিএনপি প্রার্থী হাসান উদ্দীন সরকারের বাসা থেকে বের হবার সময় আটক কেন্দ্রীয় নেতা আব্দুল্লাহ আল নোমানকে ছেড়ে দিলেও তার সঙ্গে আটক হওয়া ১৩ জন ছাড়া পাননি। তারা সবাই ওই মামলার আসামি হয়েছেন। টঙ্গীতে নেতাকর্মী ও সমর্থকরা আটক হওয়ার পর এখন জেলা বিএনপি কার্যালয় নেতাশূন্য হয়ে আছে দু’দিন ধরে। নেতা-কর্মীদের মনে এক ধরনের ভয়-ভীতি ও আতঙ্ক রয়েছে। তারা বলছেন, গত কয়েকদিনে তাদের বেশ ক’জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে। আরো অনেকের বাসায় হানা দেয়া হয়, সে কারণেই তাদের মধ্যে গ্রেপ্তার আতঙ্ক ও নানা ধরনের ভয়-ভীতি রয়েছে। যা তারা এবং তাদের মেয়র প্রার্থী কয়েকদিন ধরেই প্রকাশ করে যাচ্ছিলেন। তবে হাসান উদ্দীন সরকার বলেছেন, এই সাজানো মামলার বয়ে আমরা ভীত নই। এর আগেও আমাদের সকলস্তরের নেতাকর্মীদের নামে অনেক মামলা তারা দিয়েছে।
গত মার্চ মাসে গাজীপুর সিটি করপোরেশনে ছয়টি মৌজা অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করেছিল ইসি। সেই গেজেট চ্যালেঞ্জ করে এক নম্বর শিমুলিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এবিএম আজহারুল ইসলাম সুরুজ একটি রিট আবেদন করেন। তার আবেদনের ওপর শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ ভোট স্থগিত করে।
স্থগিতাদেশ বাতিল করে আগামী ১৫ই মে ভোট গ্রহণের জন্য আইনি লড়াইয়ে নেমেছে বিএনপির মেয়র প্রার্থী।
জাহাঙ্গীর আলমের আইনজীবী আওয়ামী লীগ নেতা অ্যাডভোকেট শফিকুল ইসলাম বাবুল সাংবাদিকদের জানান, সীমানা সংক্রান্ত জটিলতার যে বিষয়টিকে সামনে রেখে নির্বাচন স্থগিত করানো হয়েছে, ওই বিষয়টি ২০১৩ সালে মীমাংসিত। মীমাংসিত বিষয়টি আদালতে সত্য গোপন করে রিট করে স্থগিতাদেশ নেয়া হয়েছে।
এদিকে সিপিবির মেয়র প্রার্থী কাজী রুহুল আমিন নির্বাচন স্থগিত হয়ে যাওয়ার পর প্রতিক্রিয়ায় জানান, সীমানা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ না করে নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনী তফসিল দিয়ে ঠিক করেনি। নির্বাচনে নেমে তাদের টাকা-পয়সা খরচ হয়ে গেছে। নির্ধারিত সময়ে নির্বাচন করতে না পারলে তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়ার দাবি ও নির্বাচন কমিশনের ব্যর্থতায় তাদের পদত্যাগ দাবি করেন তিনি।
রিটের খবর জানতো না ইসি
স্টাফ রিপোর্টার জানান, গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠানে জটিলতার বিষয়ে ইসির কাছে কোনো তথ্য ছিল না। শুনানির আগে পর্যন্ত নির্বাচন স্থগিত বিষয়ে রিট হওয়ার খবর ইসি জানত না। গতকাল পর্যন্ত ইসির কাছে অফিসিয়ালি কোনো আদেশ আসেনি। গণমাধ্যমের খবর আসার পর তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন বন্ধ ঘোষণা করে ইসি। গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভবিষ্যৎ কী হবে তা নিয়ে কমিশন কোনো আনুষ্ঠানিক বৈঠকও করেনি। সোমবার বিকালে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার কবিতা খানম বলেন, এ বিষয়ে আমরা আগে কিছু জানতাম না। গণমাধ্যমের খবরে জানতে পেরেছি হাইকোর্ট গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন স্থগিত করেছেন। আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান রেখে আমরা এ নির্বাচনের সব কার্যক্রম বন্ধ রেখেছি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1402)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
-
▼
2018
(7025)
-
▼
May
(700)
-
▼
May 08
(24)
- রাস্তার পাশে ফল কেটে বিক্রি, বাড়ছে রোগ by সাদ্দিফ অভি
- সম্পত্তির লোভে বাবাকে ৯ দিন আটকে রেখে নির্যাতন
- ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য আমি তৈরি, বললেন...
- নির্বাচনে বিজয় প্রতিরোধ আন্দোলনের জন্য বড় সাফল্য: ...
- মন্ত্রী-কন্যা মুক্ত যখন
- চাঞ্চল্যকর হত্যার তদন্ত ৩: ইরফান হত্যা রহস্যের জট ...
- কাল নির্বাচন: কি ঘটছে মালয়েশিয়ায়
- জিতবেন কে- মাহাথির না নাজিব!
- যমজ তিন বোনের এসএসসি পরীক্ষায় চমক
- তারুণ্যের সংকট: যত শিক্ষা তত বেকারত্ব by উৎপল রায়
- মেয়ে শিশুদের ২০ ভাগ যৌন নির্যাতনের শিকার
- পাহাড়ে আরো হানাহানির শঙ্কা by কাজী সোহাগ
- সামরিক সহযোগিতা বাড়াতে বৈঠকে বসেছেন ইরান ও ওমানের ...
- দুদকে যাননি বাচ্চু নথি দেননি মিজান
- মালয়েশিয়ায় নির্বাচন: ৬১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্ব...
- পরমাণু সমঝোতা মেনে চলবে ইইউ: তিন শক্তির যৌথ বিবৃতি
- যৌতুক নিয়ে মিথ্যা মামলা করলে ৫ বছরের জেল
- ২০০ কোটি টাকার টেন্ডার ভাগবাটোয়ারা by নূর মোহাম্মদ
- খুলনা সিটি নির্বাচন: ফ্যাক্টর কোন্দল by রোকনুজ্জাম...
- গাজীপুর সিটি নির্বাচন: আদালতে দু’পক্ষই
- কারাগারে খালেদার তিন মাস: সবার দৃষ্টি আজ আদালতে by...
- ওআইসির ঢাকা ঘোষণা নিয়ে বিতর্ক- পাকিস্তানের দাবি উড়...
- ড. কামাল হোসেনের প্রশ্ন:- নির্বাচন প্রক্রিয়াই স্থগ...
- কোটার প্রজ্ঞাপন নিয়ে অগ্রগতি নেই
-
▼
May 08
(24)
-
▼
May
(700)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...





