Tuesday, February 16, 2021
সিকিমের অকথিত কাহিনী by কে পি ফ্যাবিয়ান

রিসার্চ অ্যান্ড অ্যানালাইসিস (র) নামের গোয়েন্দা সংস্থাটির সিকিম অফিসের প্রধান ছিলেন তিনি। অন্যান্য দেশ সাদাকে সাদাই বলে। জার্মানির সংস্থাটির নাম ফেডারেল ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি, রাশিয়ারটিকে বলা হয় ফরেন ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি। ১৯৬৮ সালে ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো (আইবি) থেকে সংস্থাটি আলাদা হয়েছিল। সিধু ১৯৭৩ সালে গ্যাংটকে গিয়েছিলেন, ১৯৭৫ সালে একীভূত হওয়ার পর ফেরেন। র-এর কিংবদন্তিপ্রতীম প্রধান আর এন কাওয়ের নিখুঁত ছকের তিনি ছিলেন প্রধান কুশীলব। আর কাজটি করেছেন পররাষ্ট্রসচিব কেওয়াল সিংয়ের সাথে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতায়। কাজটি শুরু করা ছিল প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর সিদ্ধান্ত।
বইটির সূচনা মনোমুগ্ধকর। ১৯৭৭ সালে কাও ত্যাগ করেন র। তিনি ১৯৮৮ সালে সিকিমের একীভূত হওয়া নিয়ে একটি বই লিখতে সিধুকে অনুরোধ করেন। সিধু তখন ছিলেন র-এর সদরদফতরের যুগ্ম সচিব। কাও তাকে বলেন যে সংস্থাটি ৫ বছরে দুটি বড় ধরনের অভিযান (একটি বাংলাদেশে অপরটি সিকিমে) চালিয়েছে। বাংলাদেশ সম্পর্কে অনেক কিছু লেখা হলেও সিকিম যবনিকার অন্তরালেই রয়ে গেছে। সিধু ও তার বস পি এন ব্যানার্জিসহ (কলকাতাভিত্তিক) মাত্র তিন থেকে চারজন এ সম্পর্কে অবহিত ছিলেন। ব্যানার্জি ১৯৭৪ সালে পরলোকগমন করেন। কাও এমনকি তার ডেপুটি ও পরে তার উত্তরসূরী হওয়া কে সনকরন নাইয়ারকে পর্যন্ত অন্ধ রেখেছিলেন। কাওকে সিধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন যে তিনি অবসরগ্রহণের পর বইটি লিখবেন। ১৯৯৮ সালে তিনি অবসরগ্রহণ করেন। তবে পারিবারিক কিছু বিষয়ে তাকে মনোযোগ দিতে হয়েছিল। তার স্ত্রী, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্মরণ সিংয়ের মেয়ে ইকবাল অসুস্থ হয়ে পড়েন। লিওমিসারকোমায় আক্রান্ত ইকবাল ২০১৭ সালে পরলোকগমন করেন। সিধু ২০১৭ সালে তার বইটি লেখা শুরু করেন। এর মাধ্যমে ২০ বছর আগে দেয়া প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু করেন।
সৌভাগ্যবশত, সিধু বেশ ভালো একটি ডায়েরি রাখতেন। তিনি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও নেহরু মিউজিয়াম অ্যান্ড লাইব্রেরির সাথে প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি ওই সময়ে থাকা প্রখ্যাত কর্মকর্তাদের সাথেও যোগাযোগ করেন। তিনি ইগোকেন্দ্রিক প্রলোভন দমন করতে সক্ষম হন। তিনি অন্যদের ভূমিকা লিপিবদ্ধ করার দিকে বেশ যত্নবান হন।
এতে মোট অধ্যায় আছে ১৪টি। পাঠকেরা এখানে ওই সময় সিকিম শাসনকারী নামগিয়াল রাজবংশ ও ভারতে ব্রিটিশ সরকারের মধ্যকার সম্পর্ক নিয়ে চুম্বক অংশ তুলে ধরেছেন। ১৯৪৭ সালে সর্দার প্যাটেল ও বি এন রাওসহ (সাংবিধানিক পরিষদে সাংবিধানিক উপদেষ্টা) অনেকেই সিকিমসহ রাজাশাসিত রাজ্যগুলোকে ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আদর্শবাদ, সর্বএশিয়া ভিশন, এই অঞ্চলের প্রতি চীনা উদ্বেগের মতো বিষয়গুলোর কারণে সিকিমকে বিশেষ ইস্যু হিসেবে গ্রহণ করেছিলেন। নেহরুর মনোভাবই জয়ী হয়েছিল। গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রতিরোধ করার সময় চোগিয়ালকে সমর্থন করে ভারত।
ইন্দিরা গান্ধী তার বাবার কাছে কখনো কারণ জানতে চাননি। তবে তিনি তার ঘনিষ্ঠ সহকারী পি এন ধরকে বলেন, নেহরু সম্ভবত এমন কিছু করতে চাননি যাতে করে চীন ক্ষুব্ধ হয়। তিনি আশা করেছিলেন যে ভারত যদি সিকিমকে একীভূত না করে, তবে তিব্বতের স্বায়ত্তশাসনের প্রতি চীন শ্রদ্ধা পোষণ করবে। ইন্দিরা নিজে পুরোপুরি প্যাটেলের মনোভাবের সাথে একমত ছিলেন। ঘটনাক্রমে ১৯৪৭ সালে ক্ষমতা হস্তান্তরের ১৫ দিন পর সিকিম ১৮৩৫ সালে ছেড়ে দেয়া দার্জিলিং ফিরে পাওয়ার ব্যর্থ চেষ্টা করেছিল।
স্থিতিবস্থার চুক্তি
স্বাভাবিকভাবেই সিকিমের শাসক নেহরুর প্রতি খুশি ছিলেন এই কারণে যে তিনি সফলভাবে ভারতের সাথে সিকিমের একীভূত করার সব পদক্ষেপ ভণ্ডুল করে দিয়েছেন। তবে তাশি শেরিংয়ের নেতৃত্বাধীন সিকিম স্টেট কংগ্রেস ও অপর দুটি রাজনৈতিক দল চেয়েছিল সিকিমে গণতন্ত্র ও ভারতের সাথে একীভূত হওয়া। ভারত সরকার লোকরঞ্জক দাবি অগ্রাহ্য করার সিদ্ধান্ত নিয়ে চোগিয়ালকে তার ক্ষমতা প্রদর্শনের সুযোগ দেয়। ১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে নয়া দিল্লি সিকিমের সাথে স্থিতিবস্থা চুক্তিতে সই করে। পররাষ্ট্র, প্রতিরক্ষাসহ ১১টি বিষয় এতে স্থান পায়। পরে ১৯৫০ নতুন চুক্তি হয়।
শেরিং মারা যান ১৯৫৪ সালে। তার স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে যায়। দলের প্রধান হিসেবে তার উত্তরসূরী হন লেন্দুপ দর্জি কাজি। তিনি চোগিয়াল শাসনের বদলে সিকিমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ভারতের সাথে একীভূত হওয়ার জন্য জনমত সংগঠিত করেন। তিনি না থাকলে একীভূত প্রক্রিয়াটি এত সাবলীলভাবে হতো না।
১৯৬৭ সাল থেকে চোগিয়াল ১৯৫০ সালের চুক্তিটি নতুন করে লিখতে আহ্বান জানাতে থাকেন। চুক্তির অধীনে সিকিম ছিল প্রটেক্টরেট বা করদ রাজ্য। চোগিয়ালের প্রধান দাবি ছিল, সিকিমের মর্যাদা ভুটানের সমান হওয়া উচিত। মনে হচ্ছে, তিনি নেহরুর কাছে প্রশ্নটি উত্থাপন করতে চাইছিলেন না। তিনি চেয়েছিলেন, বিষয়টি ইন্দিরা গান্ধীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। তিনি পাশ্চাত্যে সিকিমের মর্যাদা বাড়ানোর পথ তৈরি করছিলেন। তিনি ১৯৬৭ সালের সেপ্টেম্বরে দিল্লি গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত করেন। ওই সময় বিদেশ থেকে ফিরে এসেছিলেন টি এন কাউল। তিনি সিকিমবিষয়ক পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কাউল পরে পররাষ্ট্র সচিব হয়েছিলেন।
চোগিয়ালের উচ্চাভিলাষের প্রতি কাউল সহানুভূতিসম্পন্ন ছিলেন। ১৯৭০ সাল নাগাদ পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে কাউল ‘স্থায়ী একত্রীকরণের’ জন্য সিকিমকে প্রস্তাব দেন। মন্ত্রিসভার বৈঠকে সেনাপ্রধান জেনারেল স্যাম মানেকশ ছাড়া আর কেউ কোনো কথা বলেননি। তিনি বলেছিলেন, আপনারা যা ইচ্ছা বলুন। আমি দাবি করব সিকিমে যেকোনো স্থানে সৈন্য মোতায়েন ও অভিযান চালানোর পূর্ণ স্বাধীনতা। ভারত ও চীনের মধ্যকার চলমান দোকলাম সঙ্কটের সময় তার ওই কথাগুলোর গুরুত্ব অনুধাবন করা গেছে।
সিকিমে র-এর একটি দায়িত্ব ছিল তিব্বতে চীনা কার্যক্রমের ওপর নজরদারি করা ও চোগিয়ালকে অবহিত করা। চোগিয়ালকে নিয়মিত তা ব্রিফ করতেন সিধু। কিন্তু চোগিয়াল বুঝতেই পারেননি যে সিধু আসলে তার শাসন ধ্বংস করতে, সিকিমের ভারতের সাথে একীভূত করার কাজই ত্বরান্বিত করছেন। তিনি বিচক্ষণতার সাথে কাজটি সম্পন্ন করেন। ভারত এ ধরনের দক্ষতা ও সাবলীলভাবে অন্য কোনো দেশে অভিযান চালাতে পারেনি। সিধু ১৯৭৬ সালে প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর কাছ থেকে ইন্ডিয়ান পুলিশ মেডেল লাভ করেন। সিধু দেখিয়েছেন, সিকিমকে ভারত দখল করেনি, বরং সিকিমের জনগণের আন্তরিক ইচ্ছার প্রতি সাড়া দিয়েছে মাত্র।
স্পেশাল ডিউটি অফিসের অফিসার (ওএসডি) ছিলেন পলিটিক্যাল অফিসারের থেকে আলাদা। এটি ছিল দারুণ ব্যবস্থা। ওএসডি সহকারীরা গ্যাংটক যখন মোটামুটিভাবে ঘুমিয়ে থাকত, তখন তাদের রাজনৈতিক যোগাযোগ করতেন।
পিও ছাড়াও ভারত থেকে যাওয়া প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন প্রশাসনের দায়িত্বে। সিধুকে কাও বলে দিয়েছিলেন, তিনি যেন চীন ও তিব্বত সংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্য সিইওকে না জানান। কারণ তাতে করে চোগিয়াল কিছু আভাস পেয়ে যেতে পারতেন। ওই সময় সিইও বি এস দাস তার বই দি সিকিম সাগায় অভিযোগ করেছিলেন যে ভারতীয় গোয়েন্দারা তাকে কিছুই জানায়নি।
র-এর অফিসের উত্তরে থাকা আইবি অফিস সিকিমের ব্যাপারে সক্রিয় থাকে। সংস্থাটি চোগিয়াল ও তার এজেন্টদের ওপর নজর রাখতে থাকে। চোগিয়াল বা তার রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বোন কো কো লা কখনোই সিধুর কার্যক্রমের ফলে গণতন্ত্রীপন্থীরা উৎসাহিত হচ্ছে বলে ভারতের কাছে অভিযোগ করেনি। তবে তারা আইবির তৎপরতা নিয়ে ভারত সরকারের কাছে অভিযোগ করেছেন।
সিধু কিভাবে এই জটিল মিশনটি সম্পন্ন করেছিলেন, সে ব্যাপারে নজর দেয়া যাক। সাধারণভাবে ক্লায়েন্টদেরকে টাকা দিয়ে তথ্য সংগ্রহ করার যে প্রথা প্রচলিত ছিল, সিধুরা কিন্তু তা করেননি। কাজটি হয়েছিল গণতন্ত্রপন্থী শক্তিগুলোর সাথে র-এর যোগসাজশের মাধ্যমে। গণতান্ত্রিক শক্তিগুলো যাতে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড পায়, তা নিশ্চিত করেছে র।
জটিল মিশন
সিধু নিজেকে ভারত থেকে পাঠানো কাজির রাজনৈতিক সহকারী বিবেচনা করতেন। এটি সত্য যে সিধুর মাধ্যমে গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে কিছু অর্থ দিয়েছিল ভারত। তবে নিজের রাজনৈতিক এজেন্ডা বাস্তবায়ন তথা গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে ধ্বংস করাসহ অন্যান্য কাজে চোগিয়াল যে পরিমাণ অর্থ ভারতের কাছ থেকে পেতেন, সে তুলনায় তা ছিল খুবই কম। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, প্রাসাদ মেরামতের জন্য চোগিয়াল ২০ লাখ রুপি গ্রহণ করেন। এরপর তিনি আরো ৩৫ লাখ রুপি দাবি করেন। তবে সিইও প্রাসাদে গিয়ে দেখেন যে মেরামতের কোনো কাজই করা হয়নি। সিধু বুঝতে পারেন যে চোগিয়াল পুরো অর্থ অন্য কাজে ব্যয় করেছেন।
সিধুর মিশন শুরু করার আগে চোগিয়াল ক্রমবর্ধমান গণআন্দোলনের মুখে পড়েন। ফলে তাকে রাজনৈতিক কর্মকর্তা কে এস বাজপাইয়ের প্রণীত একটি চিঠিতে সই করতে বাধ্য হতে হয়। এতে পিওকে প্রশাসন গ্রহণ করতে বলা হয়। বি এস দাসকে প্রধান প্রশাসকের দায়িত্ব গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়। ১৯৭৩ সালের এপ্রিলে দিল্লি ত্যাগ করার সময় তাকে গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে উৎসাহিত করতে বলা হয়, তবে ভারতের সাথে একীভূত করার মিশন সম্পর্কে কিছু বলা হয়নি। ১৯৭৩ সালের মে মাসে কেওয়াল সিং সিকিমে গিয়ে আইন পরিষদের নির্বাচন দিতে চোগিয়ালকে রাজি করান।
তারপর ১৯৭৩ সালের জুলাই মাসে কলকাতায় গিয়ে সিধু সাত দফার কর্ম পরিকল্পনা তৈরি করেন পি এন ব্যানার্জির সাথে পরামর্শ করে। লক্ষ্য ছিল চোগিয়ালকে নিঃসঙ্গ করা, গণতান্ত্রিক শক্তিগুলোকে জোরদার করা, গণদাবির মুখে একীভূত করার পরিবেশ সৃষ্টি করা। নির্বাচন হয় ১৯৭৪ সালের এপ্রিল মাসে। সিধু খুবই খুশি হন এটা জেনে যে কাজির দল ৩২টি আসনের মধ্যে ৩১টি পেয়েছে। নিশ্চিতভাবেই বলা যায়, কাজির রাজনৈতিক সহকারী পর্দার অন্তরালে কাজ করেছিলেন। ১৯৭৪ সালের মে মাসে পরিষদ ইন্দো-সিকিম সম্পর্ককে আরো জোরদার করা এবং ভারতের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সিকিমের অংশগ্রহণ করার পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ভারতের প্রতি আহ্বান জানায়। অর্থাৎ পরিষদ একীভূত হওয়ার আহ্বান জানায়। চোগিয়াল এটি প্রতিরোধ করেন। সিকিম ‘সহযোগী রাষ্ট্রে’ পরিণত হয়। ১৯৭৫ সালের এপ্রিলে গণভোট হয়। এতে ৯৭ ভাগ ভোটার একীভূত হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়। একীভূত হওয়ার কাজটি হয় ১৯৭৫ সালের মে মাসে।
শেষ অধ্যায়ে সিধু জানান কিভাবে একটি সফল অভিযানের পরবর্তী কাজগুলো করার সময় তালগোল পাকিয়ে সেগুলো করতে ব্যর্থ হয়েছিল ভারত। সিধু ১৯৭৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে গ্যাংটক ত্যাগ করেন। কে এস বাজপাই ও বি এস দাস ১৯৭৪ সালের সেপ্টেম্বরে ফিরে যান। ইন্দিরা গান্ধী তার দলে যোগ দিতে কাজিকে চাপ দেন, তিনি রাজি হন। ১৯৭৬ সালে ইন্দিরা গান্ধী আইবির পরামর্শের বিপরীতে কাজির বিরোধী হিসেবে পরিচিত সঞ্চয় গান্ধীকে যুব কংগ্রেসের প্রধান করেন। ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭৭ সালের নির্বাচনে হেরে যান। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী মরারজি দেসাই চেয়েছিলেন কাজি তার দলে যোগ দিক। ১৯৭৮ সালের মার্চে প্রধানমন্ত্রী দেসাই ঘোষণা করেন যে একীভূত করাটা ছিল একটি ভুল, তবে তা সংশোধন করা যাবে না। ১৯৭৯ সালের নির্বাচনে কাজির দল নিশ্চিহ্ন হয়ে যায়। ১৯৯৫ সালের মে মাসে একীভূত হওয়ার ২০তম বার্ষিকীতে কাজি এক বিবৃতিতে একীভূত বাতিল করার আহ্বান জানান। ২০০২ সালে কাজি ৯৮ বছর বয়সে পদ্মভূষণ লাভ করেন। ৫ বছর পর তিনি মারা যান। ভারত তার সাথে আরো ভালো আচরণ করতে পারত।
সিধুর উত্তরসূরি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকারী কে পি বাজপাই, বি এস দাস ছিলেন ক্ষীণদৃষ্টির অধিকারী। তাদের ভুলে নানা অব্যবস্থাপনা ঘটে।
বইটি খুবই মূল্যবান, সাধারণ পাঠকের পাশাপাশি কূটনীতি ও গুপ্তচর বৃত্তির ছাত্রদের জন্যও খুবই উপযোগী।
লেখক: গ্রন্থকার, ডিপ্লোমেসি: ইন্ডিয়ান স্টাইল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এলারি একারস্-এর কবিতা: ভাষান্তর by মঈনুস সুলতান

প্রায় চল্লিশ বছর ধরে পাখি পর্যবেক্ষক হিসেবে তিনি নিসর্গ নিবিড় পরিবেশে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।
ফার বৃক্ষের বনানীতে পাখি পরিসংখ্যান
খুব ভালোভাবেই জানি—একর জুড়ে থাকা বনানীর কোথায় আমি দাঁড়িয়ে আছি। যখন এক ফোঁটা বৃষ্টি গড়িয়ে পড়ে হাকোলবেরির পাতা থেকে, কোথায় তা ঝরে পড়লো আমি তা অনুভব করি।ঘুরে ফিরে জানা হয়ে গেছে প্রতিটি পাখির নীড়ের নির্দিষ্ট অবস্থান। পরিচয় হয়েছে প্রতিটি আলাদা আলাদা কাকলীর গীতল ব্যঞ্জনার সঙ্গে, কোন বার্ডকল, কত প্রকারের কুজনে কথা বলছে কে কার সাথে, কোন খেচরটি শাসন করছে ছানাদের, ডাল থেকে ডালে লাফিয়ে বেড়াচ্ছে কোন পাখিটি। আমি সচেতন যে—কখন কমলাবউ পাখিটি ভুল করে ঢুকে পড়বে ভিন্ন এক খেচরের গণ্ডিতে, আর তাড়া খাবে তৎক্ষণাত।
আমার পরিবারে বাউন্ডারি বা নিজস্ব গণ্ডির বিষয়টি মানা হয় না তেমন। আমার জননী, যখন মদ্যপানে বেহেড, মাঝরাতে আমার কামরায় ডোর ঠেলে এসে হুড়মুড়িয়ে শুয়ে পড়েন আমার বিছানায়।
বসন্ত ঋতুর পুরোটা জুড়ে আমি বসবাস করেছি বনানীতে, আর তৈরি করেছি নানা রকমের গণ্ডিরেখা নির্ধারিত পরিসরের চার্ট। একটি চড়ুই যখন মাতে সংগীতময় কাকলিতে, সে হেলিয়ে দেয় তার ছোট্ট মাথাটি আর ফুলে ফেঁপে ওঠে তার গলার পালক। প্রতিক্রিয়ায় গান করে ওঠে আরেকটি চড়ুই, সে কাকলি দিয়ে তৈরি করে তার গণ্ডিবদ্ধ পরিসরের সীমান্তে দেয়াল। বিষয়টি অনুধাবন করতে পেরে আমিও সে অনুযায়ী রেখা টানি চার্টের মানচিত্রে।
---হাঁস---
যখন আমি পত্রিকার সংবাদ পাঠে ক্লান্ত, একজন পুরুষ বাতাস ভরা পুতুল-মানবীর সঙ্গে সঙ্গমের সময় মৃত্যুবরণ করছে হৃৎপিণ্ডের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে; ফুলের মতো শোভন নামের একটি শহর ফলুজা, চলছে ওখানে খণ্ডযুদ্ধ; চাবুক ও হাতকড়ার সমবায়ে নতুন পদ্ধতিতে টর্চারের উদ্ভব...আমি পত্রিকাটি বন্ধ করে চলে আসি পুকুর পাড়ে। দেখি, হাঁসগুলো ডুবসাঁতারে মেতেছে, কখনো-বা কথা বলছে কোয়াক কোয়াক ধ্বনিতে। জলে ডোবা ম্যালার্ড হাঁসটির কমলালেবু রঙের দু-পা বাতাস কাটছে শূন্যে। তারা পাড়ের প্রান্ত ঘেঁষে আদার খুঁটছে, পুচ্ছ দুলিয়ে গিলে ফেলে ছুড়ে দেয়া রুটির টুকরা-টাকরা; জলজগুল্ম ঠোঁটে টেনে চলাচলে তৈরি হয় বাঁকানো বৃত্তাকার ট্রেইল; আর তাদের কণ্ঠনালীর সবুজ পালক রোদে ঝলকায়।
---মেফ্লাই---
মেফ্লাই নামের জলপতঙ্গটি কাদামাখা পানিতে যুঝে যাচ্ছে। আমি প্রকৃতির নিজস্ব বিষয়-আশয়ে জড়িয়ে না পড়ার জন্য নিজেকে সতর্ক করি, কিন্তু পতঙ্গটি যে ভাবে ডানা কাঁপিয়ে যুঝছে, আর দারুণভাবে ক্লান্ত হয়ে ভাসছে, তারপর ফের ডানা থেকে ঝরাতে চাচ্ছে কর্দমাক্ত জল—তা স্রেফ নির্লিপ্তভাবে দেখে যাওয়া বড় কঠিন। এবার মেফ্লাইটি ভেসে থাকার যুদ্ধে ক্লান্ত হতে হতে আমার দিকে আসতে চাচ্ছে। আমি একটি ডাল বাড়িয়ে দিলে সে তা আঁকড়ে ধরে। আমি নিজের আচরণে না হেসে পারি না। এ পতঙ্গটির সারা জীবনের মেয়াদ কেবলমাত্র এক দিনের। তো কাদাজল থেকে উদ্ধার করে আমি তার জীবনকে কতোটা দীর্ঘায়িত করতে পারলাম? সম্ভবত আমার সহায়তায় জলপোকাটি বেঁচে থাকবে আরো এক কিংবা দুই ঘণ্টা, তারপর অবধারিত মৃত্যুতে ঢলে পড়বে সে। কিন্তু যে ভাবে মেফ্লাইটি পরিষ্কার করছে তার পা, এবং রোদে মেলে শুকানোর চেষ্টা করছে তার ডানা, তা পর্যবেক্ষণ করে আমার মন ভরে ওঠে ভালো লাগার অনুভূতিতে।
---প্যাঁচা---
প্রেমিকের সঙ্গে সম্পর্কটি ভেঙে যাওয়াতে ভারী বিষণ্ন হয়ে পড়েছিলো আমার মন। তখন আমি বনানীর কুয়াশা কেটে হাঁটতে বেরোই । চাঁদ যেন ব্যান্ডেজ বাঁধার গজ কাপড়ে জড়ানো, গাছ বৃক্ষকেও দেখাচ্ছে আবছা। আমি শুয়ে পড়ি টিলার ঢালে। টারউইড গাছ থেকে নিসৃত গন্ধ এসে লাগছিলো নাকে, আর মাঝে মাঝে সমুদ্র থেকেও ভেসে আসছিলো নোনা গন্ধ। আমি করোটিতে ফারের মতো দেখতে ব্যারেট পরে ছিলাম, এবং হাত দুটো ভাঁজ করে রেখেছিলাম মাথার ওপর। ধারালো ও শীতল কিছু আমার আঙুল ছুঁয়ে উড়ে যায়। বুঝতে পারি—একটি প্যাঁচা, সম্ভবত নিশচর খেচরটি আমার ফার সদৃশ্য ব্যারেটটিকে ভেবেছে ছোট্ট কোন প্রাণী। সে ধারালো নখর দিয়ে ছোবল মেরে উড়ে যায় সামনে।
---অবশিষ্ট আছে যা---
শেষ বার যেদিন আমি আমার দিদিমাকে টেলিফোন করেছিলাম, মনে হয়েছিলো কোনো কিছু নিয়ে তিনি ব্যস্ত আছেন, যেন কিছু একটা একাকি তিনি নিমগ্ন হয়ে শুনছেন। তার অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার প্রায় সব কিছুই আমি ভুলে গেছি, তবে শুধু একটি জিনিস এখনো মনে দাগ কেটে আছে...তার কফিনের উপর রাখা ফুলের তোড়ায় মৌমাছিগুলো মেতেছিলো পরাগায়ণে, তারা গর্ভকেশরগুলোতে হুল বিঁধিয়ে বিঁধিয়ে ওড়াউড়ি করছিলো।
![]() |
| এলারি একারস্ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শেষ নীল পাহাড়ের ওপারে: পাকিস্তানে আফগান উদ্বাস্তুদের স্মৃতিকথা by ঋশিকা পারদিকার
![]() |
| পাকিস্তানে এক আফগান উদ্বাস্তু, ছবি: ফ্লিকার |
পুরো সফরে তিনি ছোট ছোট নোট নিয়েছিলেন। সেগুলো জড়ো করেই তার বইটি লেখা হয়ে গেল। ২০১৮ সালের ৪ সেপ্টেম্বর যুক্তরাজ্যভিত্তিক মদিনা পাবলিশিং বইটি প্রকাশ করে।
হ্যারিয়েট বেড়ে ওঠেন ইংল্যান্ডের লেক ডিস্ট্রিক্টে। প্রাচ্যে তার প্রথম সফর হয় ১৯৭৭ সালে, তার শৈশবের আর্ট শিক্ষক ম্যারি বারকেটের সাথে। তিনি একটি দল নিয়ে আফাগনিস্তানের বাজার, শহর আর প্রত্নতাত্ত্বিক স্থানগুলো দেখাতে নিয়ে চললেন। তখন তার বয়স ২৩।
এই সফরই তার জীবনধারা পাল্টে যায় বলে তিনি নিজেই জানিয়েছেন।
আফগানিস্তান দেশটি বৈচিত্র্যে ঠাসা। শুষ্ক মরুভূমি সেখানে আছে, আছে বিশাল বিশাল পর্বত, রয়েছে বর্ণালী সব বাজার। এসব বাজারে যাযাবর আর বণিকেরা কিলিম কার্পেট বিক্রি করে। তিনি যেমনটা প্রত্যাশা করেছিলেন, তার সবই আছে এখানে। আর এর টানেই তিনি তার মা-বাবার স্বপ্নকে জলাঞ্জলি দিয়ে নতুন পথ ধরেন।
আফগানিস্তানে সোভিয়েত আগ্রাসন হয় ১৯৭৯ সালে। এর জের ধরে ১৯৮০-এর দশকে লাখ লাখ আফগান চলে যায় পাকিস্তানে। এদের অনেকেই ছিল বিধবা বা পঙ্গু।
এই সময়ে হ্যারিয়েট ছিলেন পাকিস্তানে। তার সফরসূচির মধ্যে ছিল খাইবার পাসের কাছে কাতচাগুরি উদ্বাস্তু শিবির পরিদর্শন। এখানে প্রায় ৩৩ হাজার উদ্বাস্তু আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে থাকা হাসপাতালের শয্যা ছিল ৪০টি। সবকটিই তরুণ আর শিশুদের ভরা ছিল।
হ্যারিয়েট পাকিস্তানের ওল্ড সিটির বাজারগুলোও সফর করেন। তিনি সেখান থেকে কার্পেট আর এম্ব্রয়েডারি কিনে লন্ডনে বিক্রি করতেন। স্যান্ডিস ওরিয়েন্টাল কার্পেটস নামের দোকানটি ছিল তার মালিকানায়। তবে অর্থ ও মুনাফা পাশে সরিয়ে তিনি যেসব উদ্বাস্তুর সাথে পরিচিত হতেন, তাদের সহায়তা করতে আগ্রহী ছিলেন।
পরিচিত কয়েকজনের মাধ্যমে তিনি আফগান উদ্বাস্তু নারীদের কাছ থেকে এম্ব্রয়ডারি ও কার্পেট কিনে তাদের সহায়তা করার পদ্ধতিটি শিখে নেন। এছাড়া তিনি পেশোয়ারের ফুটপাতগুলো থেকে সালোয়ার কামিজ, আফগান চাপলান, রোপ প্যানিয়ার ইত্যাদিও কিনেছেন।
এর এইসব কাজও তিনি করেছেন যুদ্ধের দামামার মধ্যে। ওই যুদ্ধে লাখ লাখ লোক নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে এমন কয়েকজন সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফারও ছিলেন, যারা হ্যারিয়েটের সফরে তার সাথে পরিচিত হয়েছিলেন।
তারপর ১৯৯১ সালে হ্যারিয়েট কাবুলে ইকাত সিল্ক বোনার শিল্পটির সন্ধান করেন। খুবই জটিল এই শিল্পটির কেন্দ্র ছিল কাবুলের এমন এলাকায়, যেখানে কোনো কোনো দিন ৪০টিরও বেশি রকেট হানা দিতো। ওই সময় যুদ্ধ করতে সক্ষম এমন প্রতিটি লোককেই কাশালনকিভ কাঁধে নিয়ে রাজপথে ছুটতে দেখা যেত। হ্যারিয়েট যে এলাকায় ছিলেন, তার কাছাকাছি এলাকাগুলোতেও হানা দিত সশস্ত্র ব্যক্তিরা।
তবে এমন বিপদের মধ্যেও আফগানিস্তান আর পাকিস্তান তাকে কাছে টেনেছে। পাকিস্তান আর আফগানিস্তানে তিনি যে উষ্ণ আতিথেয়তা পেয়েছেন, তা ভোলার নয়। তারা তার সাথে তাদের খাবার ভাগ করে খাইয়েছেন। এই যে আন্তরিকতা, তা তিনি পাশ্চাত্যে কখনো পাননি।
আফগানিস্তান থেকে তিনি বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় সহায়তা মিশনে গিয়েছিলেন। তার উদ্দেশ্য ছিল স্লাভিক মুসলিম সম্প্রদায়কে সহায়তা করা। সেখানে মুসলিমেরা জাতিগত নির্মূল অভিযানের শিকার হয়েছিল সার্বিয়া আর ক্রোয়েশিয়ার লড়াইয়ে। এরপর আসে সিরিয়া সফর। তারপর তিনি যান সিরিয়ায়।
তবে তার ভাষ্য কেন্দ্রিভূত আফগানিস্তানের বর্ণাঢ্য বাজার আর রাস্তাঘাটের মধ্যে। তার বই যুক্তরাজ্যের বেশ স্বচ্ছল জীবনকে উপেক্ষা করে এক নারীর অনেক সময় একাকী সঙ্ঘাত-জর্জরিত এলাকায় তার অভিযানের কথাই সামনে নিয়ে আসে।
লেখা: ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক, বেঙ্গালুরু
![]() |
| বিয়ন্ড দ্যাট লাস্ট ব্লু মাউন্টেইন, হ্যারিয়েট স্যান্ডিস, পেঙ্গুইন র্যান্ডম হাউস ইন্ডিয়া, ২০১৭ |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ▼ 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


