Tuesday, February 10, 2026
বিএনপির ইশতেহার: গণভোটে ‘হ্যাঁ’, ইশতেহারে ‘না’ by ইসলামুল হক
জুলাই সনদে তাদের এই ‘নোট অব ডিসেন্ট’-এর পরিপ্রেক্ষিতে আমি এই পত্রিকায় একটি কলামে লিখেছিলাম, আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অত্যন্ত তিক্ত; ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ পদ্ধতির নির্বাচনের মৌলিক দুর্বলতার সুযোগে মাত্র ৪০ থেকে ৪৫ শতাংশ ভোটেও দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে শাসক দলগুলো বারবার সংবিধানকে নিজেদের মতো করে কাটাছেঁড়া করেছে, যা আদতে স্বৈরতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করেছে।
এই আত্মঘাতী প্রবণতা রোধ করতে হলে উচ্চকক্ষকে হতে হবে সত্যিকারের প্রতিনিধিত্বমূলক, যেখানে ভোটের সংখ্যানুপাতে সব দলের উপস্থিতি থাকবে। আর সংবিধান সংশোধনের মতো স্পর্শকাতর বিষয়ে এই উচ্চকক্ষের অন্তত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন বাধ্যতামূলক থাকা জরুরি, যাতে ভবিষ্যতে কোনো একটি দল চাইলেই সহজে রাষ্ট্র পরিচালনার ‘খেলার নিয়ম’ বা মৌলিক নীতিগুলো একপক্ষীয়ভাবে বদলে ফেলতে না পারে। (সূত্র: মৌলিক সংস্কারে নোট অব ডিসেন্ট রাখলে জুলাই সনদ হবে মূল্যহীন, ৩ নভেম্বর, ২০২৫)
যেহেতু অধিকাংশ রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতির উচ্চকক্ষ এবং সংবিধান সংশোধনে এর ভূমিকার পক্ষে অনড় ছিল, তাই অন্তর্বর্তী সরকার বাধ্য হয়েই বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য গণভোটের মাধ্যমে জনগণের ওপর ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
গণভোটের প্রশ্নের ‘খ’ প্রস্তাবে আনুপাতিক উচ্চকক্ষের বিষয়টি সরাসরি অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এটি গণতান্ত্রিক রাজনীতির সৌন্দর্য—যখন দলগুলো একমত হতে পারে না, তখন জনগণই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়। আশার কথা ছিল, বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, গণভোটের পক্ষে প্রকাশ্যে অবস্থান নিয়েছিলেন এবং কয়েকটি সমাবেশে এর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন। এতে মনে হয়েছিল, হয়তো বিএনপি এই ইস্যুতে নমনীয় হচ্ছে এবং গণরায় মেনে নিতে প্রস্তুত।
কিন্তু সম্প্রতি বিএনপি যে নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেছে, সেখানে উচ্চকক্ষ গঠনের যে রূপরেখা দেওয়া হয়েছে, তা শুধু হতাশাজনকই নয়; বরং স্ববিরোধিতায় পূর্ণ। ইশতেহারে বলা হয়েছে, উচ্চকক্ষ গঠিত হবে নিম্নকক্ষের আসনসংখ্যার অনুপাতে, প্রাপ্ত ভোটের অনুপাতে নয়। এই প্রস্তাব গণভোটের ‘খ’ প্রস্তাবনার বিরুদ্ধে এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের পূর্ববর্তী সমর্থনের সঙ্গে সরাসরি সাংঘর্ষিক।
নিম্নকক্ষের আসনসংখ্যার হুবহু অনুপাতে উচ্চকক্ষ গঠন করার প্রস্তাবটি কার্যত অর্থহীন। যদি উচ্চকক্ষের গঠন নিম্নকক্ষের মতোই হয়, তবে আলাদা একটি কক্ষ রাখার যৌক্তিকতা কোথায়? বিএনপি হয়তো বলবে, তারা বিভিন্ন পেশার বিশিষ্টজনদের এখানে আনতে চায়; কিন্তু যদি উদ্দেশ্য শুধুই বিশেষজ্ঞ বা বিশিষ্টজনদের মতামত নেওয়া হয়, তবে ক্ষমতাসীন দল চাইলেই একটি ‘উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করতে পারে। এর জন্য রাষ্ট্রীয় অর্থ ব্যয় করে, আইনসভার আদলে একটি ক্ষমতাহীন ও নিম্নকক্ষের প্রতিচ্ছবিসম উচ্চকক্ষ তৈরি করার কোনো প্রয়োজন নেই।
আমাদের বুঝতে হবে, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদের মূল উদ্দেশ্য কেবল ‘পণ্ডিতদের আড্ডাখানা’ তৈরি করা নয়। এর আসল উদ্দেশ্য হলো একপক্ষীয় ও স্বেচ্ছাচারী সংবিধান সংশোধন রোধ করা। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে আমরা দেখেছি, ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ পদ্ধতিতে কোনো দল মাত্র ৪০ শতাংশের ঘরে ভোট পেয়েও সংসদে দুই-তৃতীয়াংশ আসন বাগিয়ে নেয়।
এই ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েই বিএনপি চতুর্দশ এবং আওয়ামী লীগ পঞ্চদশ সংশোধনী পাস করেছিল, যা দেশের রাজনীতির জন্য ছিল চরম ধ্বংসাত্মক। বিশেষ করে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করে বাংলাদেশকে দীর্ঘমেয়াদি একনায়কতন্ত্রের পথে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল।
‘খেলার নিয়ম’ বা সংবিধান যেন কোনো একক দল নিজেদের সুবিধামতো পাল্টে ফেলতে না পারে, সেটিই নিশ্চিত করা জরুরি। আর এ কারণেই গণভোটে প্রস্তাবিত পিআর বা সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতির উচ্চকক্ষ—যাদের সংবিধান সংশোধনে অন্তত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার অনুমোদন লাগবে—একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আদর্শগতভাবে এটি উচ্চকক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ হওয়া উচিত ছিল, তবে অন্তত সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতার শর্ত থাকাও সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্রের পথে বাধা হতে পারে।
জুলাই সনদে প্রস্তাবিত এই ‘হাইব্রিড সিস্টেম’, যেখানে নিম্নকক্ষ হবে প্রচলিত ‘ফার্স্ট পাস্ট দ্য পোস্ট’ পদ্ধতিতে এবং উচ্চকক্ষ হবে সংখ্যানুপাতিক (পিআর) পদ্ধতিতে—একটি অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত ও ভারসাম্যপূর্ণ নকশা। উচ্চকক্ষের ক্ষমতা কেবল সংবিধান পরিবর্তন ও যুদ্ধ ঘোষণার মতো স্পর্শকাতর বিষয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে।
ফলে সরকারের স্বাভাবিক কার্যক্রম বা সাধারণ আইন প্রণয়নে কোনো অচলাবস্থা তৈরির সুযোগ নেই। এই পদ্ধতি একদিকে যেমন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখবে, অন্যদিকে পিআর পদ্ধতির সুফলও নিশ্চিত করবে। কোনো গ্রহণযোগ্য ব্যাখ্যা ছাড়াই বিএনপির এমন একটি যৌক্তিক ব্যবস্থার বিরোধিতা করা সত্যিই দুঃখজনক।
আরও উদ্বেগের বিষয় হলো বিএনপির ইশতেহারে বলা হয়েছে, উচ্চকক্ষের প্রার্থী তালিকা নির্বাচনের আগে প্রকাশ করা হবে না। এটি কি গণতন্ত্রের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ? এর পরিষ্কার ইঙ্গিত হলো নিম্নকক্ষে যেসব হেভিওয়েট নেতা পরাজিত হবেন, তাঁদের ‘পেছনের দরজা’ দিয়ে সংসদে আনার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ভোটাররা কাদের প্রতিনিধি হিসেবে পাচ্ছেন, তা জানার অধিকার তাঁদের আছে। নির্বাচনের পরে নিজেদের পছন্দমতো লোক বসানোর এই পরিকল্পনা ভোটারদের সঙ্গে একধরনের প্রতারণা।
সব শেষে যে প্রশ্নটি বড় হয়ে দেখা দিচ্ছে, তা হলো বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব একদিকে গণভোটে ‘হ্যাঁ’–এর পক্ষে কথা বলছে, অন্যদিকে ইশতেহারে এমন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে, যা গণভোটের একটি মৌলিক প্রস্তাবনার সম্পূর্ণ বিপরীত। যদি জনগণ গণভোটে পিআর পদ্ধতির উচ্চকক্ষ এবং সংবিধান সংশোধনে তার ক্ষমতার পক্ষে রায় দেয়; পরবর্তী সময়ে নির্বাচনে জিতে বিএনপি তাদের ইশতেহার অনুযায়ী উল্টো পথে হাঁটে, তবে পরিস্থিতি কী দাঁড়াবে? তখন সরকার ও বিরোধী দলগুলোর মধ্যে এক নতুন সংঘাত সৃষ্টি হবে।
দেশ যখন স্বৈরাচার-পরবর্তী সময়ে স্থিতিশীলতা ও সুশাসনের দিকে এগোতে চাইছে, তখন এমন স্ববিরোধিতা নতুন করে রাজনৈতিক অস্থিরতা ডেকে আনতে পারে। বিএনপিকে বিষয়টি গভীরভাবে পুনর্বিবেচনা করতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কারের প্রশ্নে দলীয় স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে একটি টেকসই গণতান্ত্রিক কাঠামো নির্মাণের সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না।
* ইসলামুল হক, পোস্ট ডক্টরাল রিসার্চার, ইয়েল ইউনিভার্সিটি।
- মতামত লেখকের নিজস্ব
![]() |
| ইশতেহার ঘোষণার অনুষ্ঠানে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ফাইল ছবি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভৈরব নদে ঘাটে বাঁধা রশি ছিঁড়ে ডুবে গেছে কয়লাবাহী জাহাজ
দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে ওই কয়লা আমদানি করে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সাহারা এন্টারপ্রাইজ। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক রেদোয়ান কবির বলেন, কয়লাবোঝাই জাহাজটি নওয়াপাড়া মশরহাটী এলাকায় মীরবাড়ি ঘাটে নোঙর করা অবস্থায় ছিল। সেখানে ঘাটের সঙ্গে জাহাজ রশি দিয়ে বাঁধা ছিল। সোমবার রাতে সেই রশি ছিঁড়ে জাহাজের ভেতরে পানি ঢুকে যায়। এতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। জাহাজে ৮৫০ মেট্রিক টন কয়লা ছিল। যার আনুমানিক মূল্য ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা। জাহাজটি থেকে কয়লা উদ্ধারের কাজ চলছে। কয়লা ছড়িয়ে না পড়ায় নদের পানি দূষণ হবে না বলে তিনি দাবি করেন।
আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান সূত্র জানায়, দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আমদানি করা ৮৫০ মেট্রিক টন কয়লা বড় জাহাজে করে মোংলা বন্দরের হাড়বাড়িয়ায় আনা হয়। সেখান থেকে ৩০ জানুয়ারি সকালে ছোট কার্গো জাহাজ এমভি আরাফাতের নূর কয়লা বোঝাই করে রওনা দেয়। ৩১ জানুয়ারি বিকেলে জাহাজটি অভয়নগর উপজেলার রাজঘাট এলাকায় ভৈরব নদের ঘাটে নোঙর করে। গতকাল সন্ধ্যায় জাহাজটি উপজেলার মশরহাটী এলাকায় আনা হয়। আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে জাহাজ থেকে কয়লা আনলোড করার কথা ছিল। গতকাল সোমবার রাতে নদে ভাটা ছিল। রাত সাড়ে ১২টার দিকে ভরা ভাটার সময় হঠাৎ রশি ছিঁড়ে জাহাজটি নদের মাঝখানে চলে যায়। এরপর জাহাজটি কাত হয়ে পানি উঠতে থাকে। এতে কার্গোর হ্যাচে ও ইঞ্জিনে পানি ঢুকতে শুরু করে। জাহাজটি দ্রুত নদের পানিতে তলিয়ে যেতে থাকে। রাত একটার দিকে জাহাজটি নদের পানিতে ডুবে যায়। জাহাজে থাকা কয়লার দাম ১ কোটি ৩০ লাখ টাকা।
ডুবে যাওয়া জাহাজটির মাস্টার রেজাউল আলম প্রথম আলোকে বলেন, মশরহাটী এলাকায় ভৈরব নদের ঘাটে নোঙর করা জাহাজটিতে ৮৫০ মেট্রিক টন কয়লা ছিল। কয়লা নামানোর অপেক্ষায় ছিল জাহাজটি। গতকাল রাতে ভাটার সময় নদে পানি একেবারেই কমে যায়। রাত সাড়ে ১২টার দিকে জাহাজটি রশি ছিঁড়ে নদের মাঝখানে গিয়ে কাত হয়ে যায়। এরপর নদে জোয়ার শুরু হয়। এ সময় জাহাজে দ্রুত পানি উঠতে শুরু করে। রাত একটার দিকে জোয়ারে জাহাজটি নদের পানিতে ডুবে যায়।
![]() |
| যশোরের অভয়নগর উপজেলার মশরহাটী এলাকায় ভৈরব নদে কয়লাবোঝাই কার্গো জাহাজ এমভি আরাফাতের নূর ডুবে গেছে। ছবি : প্রথম আলো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে ২০ বছরের জেল
এতে বলা হয়, ৭৮ বছর বয়সী বৃটিশ নাগরিক জিমি লাইয়ের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে তার পরিবার ও মানবাধিকার সংগঠনগুলো। এ রায়কে কার্যত মৃত্যুদণ্ডের শামিল বলে অভিহিত করেছেন তারা। তবে হংকংয়ের প্রশাসন বলছে, এই রায় শহরের আইনের শাসনেরই প্রমাণ।
২০১৯ সালে গণতন্ত্র ও অধিক স্বাধীনতার দাবিতে ব্যাপক বিক্ষোভের পর চীন হংকংয়ে জাতীয় নিরাপত্তা আইন জারি করে। বেইজিংয়ের দাবি, শহরের স্থিতিশীলতা রক্ষার জন্য আইনটি অপরিহার্য। সমালোচকদের মতে, এই আইন মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও স্বাধীন সাংবাদিকতাকে কার্যত স্তব্ধ করে দিয়েছে।
জিমি লাই এই আইনে গ্রেপ্তার হওয়া শত শত মানুষের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত মুখ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে চীনা সরকারের কট্টর সমালোচক ছিলেন এবং তার পত্রিকা অ্যাপল ডেইলিকে প্রতিবাদের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতেন।
রায়ের পর জিমি লাইয়ের ছেলে সেবাস্তিয়ান লাই বিবিসিকে বলেন, এটা ভীষণ হৃদয়বিদারক। আমরা বারবার বৃটিশ সরকারের কাছে বিষয়টি তুলেছি, কিন্তু আমার বাবা এখনও কারাগারে। তিনি বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সাম্প্রতিক চীন সফরকেও একটি হারানো সুযোগ বলে সমালোচনা করেন।
আদালতে সাজা ঘোষণার সময় বিচারকরা লাইয়ের কর্মকাণ্ডকে গুরুতর ও ভয়াবহ অপরাধ হিসেবে বর্ণনা করেন। সোমবার সকালে আদালত চত্বরে ছিল কড়া পুলিশি নিরাপত্তা। একই সঙ্গে বহু সমর্থক দিনের পর দিন লাইনে দাঁড়িয়ে রায় শোনার আশায় আদালতে উপস্থিত হন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে উত্তাল সিডনি, পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষ
সফরের প্রথম ভাগে ইসরায়েলি প্রেসিডেন্ট হারজগ বন্ডাই প্যাভিলিয়নে গিয়ে নিহত ইহুদিদের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং জেরুজালেম থেকে আনা বিশেষ পাথর স্থাপন করেন।
এ সময় নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ক্রিস মিনস ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন। তবে এই সফরকে কেন্দ্র করে সিডনির রাজপথ ছিল উত্তপ্ত। প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপের ডাকে হারজগকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ আখ্যা দিয়ে টাউন হলের সামনে হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হন।
ফিলিস্তিনি পতাকা ও প্রতীকী রক্তাক্ত পুতুল হাতে নিয়ে বিক্ষোভকারীরা গাজায় চলমান পরিস্থিতির নিন্দা জানান। একই সঙ্গে তাঁরা হারজগকে গ্রেপ্তারের দাবি জানান।
বিকেলের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সুপ্রিম কোর্ট পুলিশের বিশেষ ক্ষমতা বহাল রাখায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের লক্ষ্য করে পুলিশকে ঘুষি চালাতে এবং তীব্র ঝাঁজালো মরিচের গুঁড়া ব্যবহার করতে দেখা যায়।
অনেক বিক্ষোভকারী পুলিশের ব্যারিকেড আঁকড়ে ধরে প্রতিরোধের চেষ্টা করলে পরিস্থিতি বেশ উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। সরেজমিনে দেখা যায়, সিডনি সময় রাত ১০টা পর্যন্ত এ পরিস্থিতি বিরাজ করছিল।
প্যালেস্টাইন অ্যাকশন গ্রুপ পুলিশের এই আচরণকে ‘বর্বর হামলা’ হিসেবে অভিহিত করে গণতান্ত্রিক অধিকার হরণের নিন্দা জানিয়েছে।
সিডনির আকাশজুড়ে পুলিশের হেলিকপ্টার ও ড্রোনকে চক্কর দিতে দেখা গেছে। এ পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সংঘর্ষের কারণে সিডনির জনজীবন ও যাতায়াতব্যবস্থা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
![]() |
| ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের অস্ট্রেলিয়া সফরের প্রতিবাদে সিডনিতে ফিলিস্তিনপন্থীদের বিক্ষোভ। ৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, সিডনির টাউন হল। ছবি: এএফপি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতায় উদ্বিগ্ন ভারত?
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআইয়ের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল আসিম মালিকের ঢাকা সফর এই আলোচনাকে নতুন মাত্রা দেয়। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর এই প্রথম কোনো আইএসআই প্রধান বাংলাদেশ সফর করলেন। দুবাই হয়ে ঢাকায় পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট জেনারেল মুহাম্মদ ফয়জুর রহমান।
চব্বিশের গণঅভুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের কয়েক মাস পর ঢাকা সফর করেন পাকিস্তানের ওই সামরিক কর্মকর্তা। দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা শেখ হাসিনাকে ভারত দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের একটি স্থিতিশীল ভরকেন্দ্র হিসেবে দেখত—বিশেষ করে সন্ত্রাস দমন ও সীমান্ত নিরাপত্তা সহযোগিতার কারণে।
তবে হাসিনার বিদায়ের পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্র ও নিরাপত্তা নীতিতে পরিবর্তনের সম্ভাবনা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে নয়াদিল্লিতে।
ভারতের শীর্ষ দৈনিক দ্য ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, আইএসআই প্রধানের ঢাকা সফরের মূল লক্ষ্য ছিল পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে গোয়েন্দা সহযোগিতা বাড়ানো। প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ হাসিনার বিদায়ের পর দুই দেশের সামরিক যোগাযোগ গতি পেয়েছে, যা ভারতের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও পূর্বাঞ্চলীয় সীমান্ত নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করছে।
সামরিক ও কূটনৈতিক যোগাযোগ বাড়ছে
২০২৪ সালের পর থেকে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে শুধু সামরিক নয়, বেসামরিক যোগাযোগও বেড়েছে। ২০২৫ সালের আগস্টে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার ঢাকা সফর করেন—যা ছিল ১৩ বছর পর পাকিস্তানের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলাদেশ সফর। একই বছরে পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রীও বাংলাদেশে এসে বাণিজ্য সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা করেন।
সামরিক যোগাযোগও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল পাকিস্তান সফর করে। অক্টোবরে পাকিস্তানের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ কমিটির চেয়ারম্যান জেনারেল সাহির শামশাদ মির্জা ঢাকা সফর করেন এবং অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন।
ডিসেম্বরে কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। এই আলোচনা আসে পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে স্বাক্ষরিত কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির পর, যেখানে এক দেশের ওপর হামলাকে অন্য দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করার অঙ্গীকার করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম সিএনএন-নিউজ১৮ জানিয়েছে, সম্ভাব্য প্রতিরক্ষা চুক্তির খসড়া তৈরিতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান একটি যৌথ কাঠামো গঠন করেছে। একই সঙ্গে পাকিস্তান বাংলাদেশকে জেএফ-১৭ যুদ্ধবিমান বিক্রির আলোচনাও চালাচ্ছে।
ভারতের দৃষ্টিভঙ্গি ও সন্দেহ
ভারতের সাবেক সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) দীপেন্দ্র সিং হুডা মনে করেন, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হলে তা আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য গুরুতর প্রভাব ফেলতে পারে। তবে তিনি মনে করেন, আসন্ন নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী সরকার এমন সিদ্ধান্ত নেবে না।
তার মতে, বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলও ভারতের বিরুদ্ধে ধরা পড়তে পারে—এমন কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তিকে সমর্থন করবে না।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক কিছুটা চাপে রয়েছে। সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে অভিযোগ এবং ‘গ্রেটার বাংলাদেশ’ মানচিত্র বিতর্ক সম্পর্ককে আরও সংবেদনশীল করেছে।
সম্পর্কের বাস্তব সীমা
কাশ্মীর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক নূর আহমদ বাবা মনে করেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌদি-পাকিস্তান চুক্তির মতো কোনো প্রতিরক্ষা চুক্তি বাস্তবসম্মত নয়। তার মতে, এ ধরনের চুক্তির জন্য গভীর আস্থা প্রয়োজন, যা দুই দেশের মধ্যে এখনও গড়ে ওঠেনি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পরই মূলত দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে। তবে অন্তর্বর্তী সরকার দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত সিদ্ধান্ত নেওয়ার অবস্থানে নেই।
ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক শীতল হওয়ায় পাকিস্তানের সঙ্গে ঢাকার ঘনিষ্ঠতা ভারতের কূটনীতির জন্য চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
ভারতের অবস্থান
সম্প্রতি ঢাকা সফর শেষে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর বলেন, ভারতের প্রতিবেশী নীতি সহযোগিতা ও দৃঢ়তার সমন্বয়। তিনি জানান, ভারত উন্নয়ন, বিনিয়োগ ও যৌথ প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে প্রতিবেশীদের পাশে থাকতে চায়, তবে সন্ত্রাসবাদকে প্রশ্রয় দিলে সে ক্ষেত্রে ভিন্ন বার্তা যাবে। বাংলাদেশের নির্বাচন শেষে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হবে—এমন আশাবাদও প্রকাশ করেন তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গালফ ফুড ফেয়ারে ৫৫ লাখ ডলারের খাদ্যপণ্য রপ্তানি ক্রয়াদেশ পেল প্রাণ
এবারের মেলায় প্রাণ প্রায় ৫৫ লাখ ডলার রপ্তানি ক্রয়াদেশ পেয়েছে। যা দেশীয় মুদ্রায় ৬৭ কোটি ১০ লাখ টাকার সমান। এসব ক্রয়াদেশ আমেরিকা, চীন, সৌদি আরব, ইরাক, সিরিয়া, ইথিওপিয়া, কেনিয়া, সোমালিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছে। বিস্কুট, নুডলস, বেভারেজ ও কনফেকশনারি পণ্যের ক্রয়াদেশ বেশি পেয়েছে প্রাণ।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে শুরু হওয়া পাঁচ দিনব্যাপী গালফ ফুড ফেয়ার-২০২৬ শেষ হচ্ছে আজ শুক্রবার। এ বছর মেলায় বিশ্বের ১৯৫টি দেশ থেকে আট হাজারের বেশি স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান তাদের পণ্য প্রদর্শন করে। প্রাণ গ্রুপ মেলায় প্রায় ৫০০ ধরনের খাদ্যপণ্য প্রদর্শন করে। প্রাণের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শুক্রবার বিষয়টি জানানো হয়।
এ বিষয়ে প্রাণ গ্রুপের নির্বাহী পরিচালক (রপ্তানি) মিজানুর রহমান বলেন, ‘আফ্রিকা, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, সেন্ট্রাল ও সাউথ আমেরিকা এবং ইউরোপের দেশগুলোতে রপ্তানি বাড়াতে আমরা কাজ করছি। এ লক্ষ্যেই আমরা গালফ ফুড ফেয়ারে প্রতিবছর অংশ নিচ্ছি। এই মেলায় পণ্য উৎপাদনকারী ও ডিস্ট্রিবিউটর প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন পণ্য ও প্রযুক্তি সম্পর্কে ধারণা পায়। এ ছাড়া ভোক্তার আচরণে বিশ্বব্যাপী কী ধরনের পরিবর্তন হচ্ছে সেটি বোঝা যায়।’
প্রাণের নির্বাহী পরিচালক গোলাম রসুল (রপ্তানি, ইউরোপ ও আমেরিকা) বলেন, এবারের মেলায় ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশের প্রায় ৫০০ আমদানিকারক প্রাণের স্টল পরিদর্শন করেছেন। আমাদের স্টলে রয়েছে জুস ও বেভারেজ, বিস্কুট ও বেকারি, স্ন্যাকস, নুডুলস, মসলা, কালিনারি ও ফোজেন ফুডস ক্যাটাগরির পণ্য প্রদর্শন করা হয়েছে।
প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের বিপণন পরিচালক কামরুজ্জামান কামাল বলেন, বিশ্বের প্রতিটি প্রান্তে প্রাণের পণ্য পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। পাশাপাশি প্রাণকে বিশ্বের শীর্ষ ১০টি খাদ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানের একটি হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা কাজ করছি। গালফ ফুড ফেয়ার বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংযোগ স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ বছর আমরা ভালো ক্রয়াদেশ পেয়েছি। আশা করছি, ক্রেতাদের প্রত্যাশা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করে দেশের রপ্তানি আয় বাড়াতে ভূমিকা রাখতে পারব।
![]() |
| গালফ ফুড ফেয়ারে প্রাণের স্টল। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে। ছবি: প্রাণের সৌজন্যে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
-
▼
2026
(1403)
-
▼
February
(244)
-
▼
Feb 10
(6)
- বিএনপির ইশতেহার: গণভোটে ‘হ্যাঁ’, ইশতেহারে ‘না’ by ...
- ভৈরব নদে ঘাটে বাঁধা রশি ছিঁড়ে ডুবে গেছে কয়লাবাহী জ...
- হংকংয়ের গণতন্ত্রপন্থী মিডিয়া মোগল জিমি লাইকে ২০ বছ...
- ইসরায়েলি প্রেসিডেন্টের সফর ঘিরে উত্তাল সিডনি, পুলি...
- কেন বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ঘনিষ্ঠতায় উদ্বিগ্ন ভারত?
- গালফ ফুড ফেয়ারে ৫৫ লাখ ডলারের খাদ্যপণ্য রপ্তানি ক্...
-
▼
Feb 10
(6)
-
▼
February
(244)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



