Monday, January 18, 2010
মজার মাছ কামিলা by আবদুল কুদ্দুস
কক্সবাজার সমুদ্র উপকূলে ইদানীং বিপুল পরিমাণ কামিলা ধরা পড়ছে। মাছটি অনেকের কাছে অপরিচিত হলেও দিন দিন এর চাহিদা বাড়ছে। অনেকে মাছের ভুুঁড়ি শুকিয়ে চড়া দামে বিক্রি করছে। বিশেষ করে মগ, রাখাইনসহ অন্যান্য আদিবাসী এবং হিন্দু ও বড়ুয়া সম্প্রদায়ের মানুষ এই মাছের বড় ভোক্তা।
১২ জানুয়ারি সকাল ১০টায় শহরের প্রধান পাইকারি মাছের বাজার নুনিয়াছটা ফিশারিঘাটে গিয়ে দেখা গেছে, ৪৫টির বেশি ট্রলার সাগর থেকে ইলিশ, রূপচাঁদা, টেকচাঁদা, পোপা, মাইট্যা, লইট্যা, রাঙাচকিসহ বিপুল পরিমাণ কামিলা মাছ ধরে আনে। অন্যান্য মাছের পাশাপাশি এ মাছও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।
ফিশারিঘাটের মাছ বিক্রেতা মনিরুল ইসলাম (৩৪) শতাধিক কামিলা মাছের স্তূপ সামনে নিয়ে ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলে যাচ্ছেন, ‘নিয়ে যান একটা কামিলা। দামে সস্তা, খেতেও মজা।’
মনিরুল ইসলাম জানান, এখানে দুই ধরনের কামিলা বিক্রি হয় সব সময়। বিশেষ করে এই সময় সাগরে যখন ইলিশ, কোরাল, রূপচাঁদাসহ অন্যান্য মাছের আকাল দেখা দেয়, তখন ঝাঁকে ঝাঁকে কামিলা ধরা পড়ে। হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিকেরা কামিলা দিয়ে কোরালের চাহিদা পূরণ করছেন। বিশেষ করে পর্যটকেরা কোরালের নামে কামিলা মাছ খাচ্ছে বেশি। কিছু হোটেল কোরালের নামে পোপা মাছ খাওয়ায়। সাগরে কোরাল মাছ সব সময় কি ধরা পড়ে? দেখা গেছে, কালো ও হলুদ রঙের দুই প্রজাতির কামিলার মধ্যে হলুদটাই বেশি বিক্রি হচ্ছে। মুসলমানেরা হলুদ কামিলা আর অন্য সম্প্রদায়ের লোকজন কালো-হলুদ দুটোই কিনে নিচ্ছে।
স্থানীয় ট্রলারমালিক সৈয়দ উল্লাহ জানান, একসময় জালে আটকা পড়লে এই কামিলা মাছ ছেড়ে দেওয়া হতো। উপকূলে এই মাছ খাওয়ার লোক ছিল না। আর এখন কামিলা ধরা পড়লে লাখ টাকা। ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলোতে এবং স্থানীয় মগ, রাখাইন, বড়ুয়া, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ প্রচুর কামিলা খাচ্ছে। পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে আদিবাসীদের কাছে এই মাছের কদর খুব বেশি। আদিবাসীরা এই মাছকে শুঁটকি করে খেতে বেশি পছন্দ করে।
দেখা গেছে, তিন থেকে পাঁচ ফুট লম্বা একেকটি কামিলার ওজন তিন থেকে ১২ কেজি পর্যন্ত। প্রতি কেজি কামিলা ৭০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ব্যবসায়ীরা জানান, ঢাকার খুচরা বাজারে এই কামিলা মাছের দাম প্রতি কেজি ১৪০ থেকে ১৬০ টাকা। প্রতিদিন এই ফিশারিঘাট থেকে অন্তত ২০ থেকে ৩০ মণ কামিলা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের হোটেল-রেস্তোরাঁয় এই মাছ ভোক্তাদের খাওয়ানো হচ্ছে। তবে কী নামে খাওয়ানো হচ্ছে, তার উত্তর মেলে না।
জেলেরা জানান, কামিলা গভীর সাগরে (তলদেশে) মাটির নিচে গর্তে অথবা কাদামাটিতে থাকে। ইলিশ ধরার জালে কামিলা ধরা পড়ে না। মাটির নিচে লাগানো ডোবা জাল কিংবা বড়শিতে কামিলা ধরা পড়ে। কামিলা আর পোপা ধরার জন্য শহরে অন্তত দেড় হাজার ছোট-বড় ট্রলার রয়েছে।
জেলেরা জানান, গভীর সাগরে মা-চিংড়ি ধরায় নিয়োজিত ট্রলিং জাহাজের জালে বিপুল পরিমাণ কামিলা ধরা পড়ে। মা-চিংড়ি আর কামিলা একই জগতের প্রাণী। ট্রলিংগুলো কাদার নিচ থেকে মা-চিংড়ি ধরতে গিয়ে কামিলা ধরে আনে। পরে ট্রলিংগুলো এই কামিলা সস্তায় ফিশিং ট্রলারের জেলেদের কাছে বিক্রি করে দেয়।
শহরের নুনিয়াছটার ট্রলারমালিক গিয়াস উদ্দিন জানান, কামিলার ভুঁড়ি (ফদনা) চড়াদামে বিক্রি হয়। মাছের পেট কেটে ভুঁড়ি বের করে রোদে শুকিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা হয়। মিয়ানমারে বিপুল পরিমাণ কামিলা ও ফদনা পাচার হয়। শহরের নুনিয়াছটা, ফদনারডেইল, সোনাদিয়া, মহেশখালী, খুরুশকুল, টেকনাফসহ জেলার বিভিন্ন স্থানে কামিলা ও পোপা মাছের ফদনা শুঁটকি করার জন্য তিন শতাধিক মহাল রয়েছে। নুনিয়াছটার উত্তরে নাজিরারটেক ও ফদনারডেইল চরে প্রায় ২০ হাজার মানুষ শুঁটকি তৈরির সঙ্গে যুক্ত। মাছের ফদনা (ভুঁড়ি) শুকিয়ে শুঁটকি করা হয় বলে গ্রামের নামকরণ ‘ফদনারডেইল’।
এই গ্রামের বাসিন্দা আবদুল জলিল (৫৭) জানান, ১০-১২টি কাঁচা ভুঁড়ি রোদে শুকালে এক কেজি ফদনা হয়। প্রতি কেজি শুঁটকি ফদনা বিক্রি হয় ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়। গত ডিসেম্বর মাসে কক্সবাজার থেকে অন্তত সাত টন ফদনা রপ্তানির জন্য চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। চলতি জানুয়ারি মাসে এর পরিমাণ আরও বেশি হবে। থাইল্যান্ড, হংকং, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমারে এই শুঁটকি ফদনার বিশাল বাজার। শোনা যায়, এই ফদনা দিয়ে সেখানে সুস্বাদু স্যুপ ও দামি ওষুধ তৈরি হয়। আর কাঁচা মাছের মাংস শহরের কয়েক শ হোটেল-রেস্তোরাঁয় সরবরাহ দেওয়া হয়। সামুদ্রিক মাছের সঙ্গে অপরিচিত লোকজন বিশেষ করে পর্যটকেরা কোরাল হিসেবে কামিলা মাছই হজম করছে। তবে এতে ক্ষতির কোনো কারণ নেই। কামিলা খেয়ে এ পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি। শুধু অচেনা একটা মাছ খাওয়া হলো, এটুকুই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশ-ভারতের নতুন সমীকরণ -আঞ্চলিক সহযোগিতা by কুলদীপ নায়ার
শেখ হাসিনার সফরের সুযোগ সৃষ্টি করতে মনমোহন সিং সরকারের অনেক বেগ পেতে হয়েছে। অন্যদিকে নাকের ডগায় তিন দিনব্যাপী ভারত-পাকিস্তান বৈঠক চললেও তা প্রায় নজরেই আসেনি। গণমাধ্যম সাধারণত ক্ষমতাসীন মহলের দ্বারা প্রভাবিত হলেও এবার তাদের অবস্থান কিছুটা ভালো ছিল। সে কারণেই সরকারি সফর যতটা গুরুত্ব পেয়েছে, বেসরকারি পর্যায়ের ভারত-পাকিস্তান আলোচনা ততটা গুরুত্ব ও মনোযোগ পায়নি। অথচ উভয় ক্ষেত্রেই দেশগুলোর প্রতিনিধিরা নিজ নিজ জনগণের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। তৃতীয় দুনিয়ার দেশগুলোতে সরকারি লেবেল না থাকলে কোনো কিছুই ততটা গুরুত্ব পায় না।
শেখ হাসিনার সফরটি এমন সময়ে হয়েছে, যখন তিনি তাঁর দেশের চাহিদাগুলো এবং সেগুলো মেটানোয় ভারতের সামর্থ্যের পর্যালোচনা করেছেন। শেখ হাসিনা নিজে থেকে কিছু চাননি কিন্তু এটা আপাতভাবে পরিষ্কার যে, তাঁর দেশের মানুষের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি ঘটাতে না পারলে তাঁর জনপ্রিয়তা নেমে যাবে। ইতিমধ্যে সেটা কমেছে বলে প্রমাণও পাওয়া যাচ্ছে।
বাংলাদেশের প্রতি শেখ হাসিনার সবচেয়ে বড় অবদান হলো, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিকে শক্তিশালী করা। এর ওপর দাঁড়িয়েই তিনি গত নির্বাচনে লড়াই করেন এবং জাতীয় সংসদের তিন-চতুর্থাংশ আসন অর্জন করেন। অন্যদিকে এ থেকেও ভারতও অনেক লাভবান হয়েছে। প্রতিবেশী দেশে মৌলবাদ দুর্বল হওয়া ভারতের জন্য সুবিধাজনক। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং বাংলাদেশে এমন একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছেন, যিনি ভারতবিরোধী কোনো গোষ্ঠীকে বাংলাদেশের মাটি ব্যবহার করতে দেবেন না।
ঢাকা উলফা নেতাদের দিল্লির কাছে সমর্পণ করলে উভয় দেশের সম্পর্কে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়। বাস্তবত, সাম্প্রতিক আলোচনায় শেখ হাসিনা পরিষ্কার করে বলেছেন যে তাঁর দেশে কোনো সন্ত্রাসবাদী গোষ্ঠী কর্মকাণ্ড চালাতে পারবে না। এ ঘটনাই সমীকরণ পাল্টে দিল।
কথিত রয়েছে যে শেখ হাসিনা তাঁর চাহিদা-তালিকা পেশ করার আগেই মনমোহন সিং নাকি বলেছেন, তাঁকে কিছু চাইতে হবে না। বাংলাদেশের যা কিছু প্রয়োজন, ভারত তা আপনা থেকেই সাধ্যমতো পূরণের চেষ্টা করবে।
বাংলাদেশের জন্য প্রস্তাবিত ৬০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ দ্বিগুণ করা হয়েছে। ভারত এই আশ্বাস দিয়েছে যে বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনা না করে বিতর্কিত টিপাইমুখ জলবিদ্যুেকন্দ্র বিষয়ে ভারত কিছু করবে না। এবারের সফরের সময় ভারত বাংলাদেশের জন্য স্পর্শকাতর ট্রানজিট-সুবিধাও চায়নি।
কাবুল থেকে ঢাকা পর্যন্ত এ অঞ্চল চায় সন্ত্রাসবাদের অবসান। ইসলামাবাদ হয়তো তালেবানবিরোধী অভিযানে নয়াদিল্লির অংশগ্রহণ চাইত, কিন্তু মুম্বাই হত্যাযজ্ঞের পর এর কোনো সুযোগ আর রইল না।
মনমোহন সিং আর শেখ হাসিনার সঙ্গে পাকিস্তানের ইউসুফ রাজা গিলানি এবং আফগানিস্তানের হামিদ কারজাইয়ের একযোগে কাজ করা সবার স্বার্থেই দরকার। ভারত-পাকিস্তান বৈঠকের সময় পাকিস্তানি বক্তারা খোলাখুলিভাবে তাঁদের দেশে সন্ত্রাসবাদের বিপর্যয় নিয়ে কথা বলেন।
পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে শুরু করা দরকার। এর মানে এটা নয় যে, মুম্বাইয়ে সন্ত্রাসী হামলার জন্য দায়ীদের বিচার করার প্রচেষ্টায় ঢিলা দেবে ভারত। এর মানে হলো, নয়াদিল্লির শীতল আচরণ বদলে গেলে উভয় দেশ হয়তো আবার কাছাকাছি যেতে পারবে।
ভারতের সঙ্গে আলোচনায় ‘না’ বলার যে মনোভাব পাকিস্তানের দেখা যাচ্ছে, তাতে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারির মেতে ওঠা উচিত নয় বা বলা উচিত নয় যে তাঁরা ভারতের সঙ্গে হাজার বছর ধরে যুদ্ধ করবেন। তাঁর হয়তো রাজনৈতিকভাবে নিজেকে চাঙা করার দরকার রয়েছে। কিন্তু এ ধরনের ভাষা ব্যবহার তাঁকে আরও বেশি করে সেনাবাহিনীর ওপর নির্ভরশীল করে তুলবে। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনী বিরাট একটি ব্যাপার।
এটা খুবই অদ্ভুত যে পাকিস্তান বুঝতে পারছে না দিল্লিতে কীভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। বুঝলে, ভারতীয় সেনাপ্রধান দীপক কাপুরের উক্তিকে অত গুরুত্বের সঙ্গে নিত না। দীপক কাপুর বলেছিলেন, ভারতের হয়তো চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়ে রাখা উচিত। এই উক্তি যতই দায়দায়িত্বহীন হোক, এর অর্থ পাকিস্তানের জন্য নতুন হুমকি নয়। প্রতিরক্ষামন্ত্রী এ কে অ্যান্টনি ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়াকে হেসে উড়িয়ে দিয়েছেন।
জেনারেল কাপুর জেনারেল কায়ানি নন। দুটি দেশের শাসনব্যবস্থা আলাদা। জেনারেল কাপুরের ভারতের রাজনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে কোনো কিছু বলার অধিকার নেই। তিনি অবসর নিতে যাচ্ছেন। শিগগিরই তাঁর উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করবে ভারত।
উইয়ের ঢিবিকে পাহাড় হিসেবে দেখে ও দেখিয়ে পাকিস্তান হয়তো রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চাইছে। কিন্তু তাতে কোনো লাভ নেই। এর ফলে আরও বেগবান হলো উভয় দেশের মধ্যকার অন্তহীন অবিশ্বাস। এই অবিশ্বাসকে পারস্পরিক আস্থা দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে না পারলে পারস্পরিক দোষারোপ ও কাল্পনিক বিষয়ে মেতে ওঠা বন্ধ হবে না।
উপমহাদেশের সব কটি দেশ তাদের সামর্থ্য এক করলেই কেবল শান্তি নিশ্চিত হবে। এর জন্য কারও আত্মপরিচয় কিংবা সার্বভৌমত্ব বিসর্জনের দরকার নেই। তাদের উচিত, সবার মঙ্গলের স্বার্থে অবিশ্বাসকে কমিয়ে আনা।
ইংরেজি থেকে অনূদিত
কুলদীপ নায়ার: ভারতীয় সাংবাদিক এবং সাবেক কূটনীতিক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিদ্যালয়গুলোকে বদলে দাও -শিক্ষার পরিবেশ by মোহাম্মদ জাকিউল ইসলাম
যেকোনো কিছুর জন্যই পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। Lewin-এর ফর্মুলা BƒP.E (Behavior (B) is a function of the person (P) and the environment (E). যেখানে বোঝানো হচ্ছে, মানুষ কী রকম আচরণ করবে, তা অনেকাংশে নির্ভর করে মানুষটির ওপর এবং যে পরিবেশে মানুষটি আছে তার ওপর। যেমন, জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে, অর্থাত্ শিক্ষার্থী কী রকম শিখবে, তা নির্ভর করবে অবশ্যই তার মেধা, প্রস্তুতি এবং যিনি শেখাচ্ছেন তাঁর ওপর, কিন্তু যে পরিবেশে শিক্ষার্থী আছে, তাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।
কিন্তু আমাদের দেশের স্কুলগুলোর দিকে একটু তাকান, দেখবেন, এগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। আমি এখানে স্কুলের ডিজাইনের ক্ষেত্রে তিনটি বিষয়ের অবতারণা করতে চাই: ১. কীভাবে স্কুল-ভবনের বাইরের জায়গাগুলোকে কাজে লাগানো যায়। ২. স্কুলের ডিজাইনে পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও সংযোজনের সুযোগ থাকার প্রয়োজনীয়তা। ৩. স্কুলে এমন একটা জায়গা থাকার প্রয়োজনীয়তা, যেখানে সব শিক্ষার্থী মিলিত হতে পারবে।
প্রথমত, স্কুল বলতে আমরা শুধু স্কুল-ভবনকেই বুঝি, অথচ স্কুলের চারপাশে খোলা জায়গাটাকেও আমরা কাজে লাগাতে পারি। ঘনবসতিপূর্ণ শহর, যেমন ঢাকার স্কুলগুলোর খুব একটা খোলা জায়গা থাকে না। কিন্তু সাধারণত গ্রামাঞ্চলে স্কুলের চারপাশে খোলা জায়গা পাওয়া যায়। স্কুলের যে খেলার মাঠটা থাকে, তাকে আমরা ধরে থাকি শুধু টিফিনের সময় খেলার জায়গা হিসেবে। কিন্তু খুব সহজেই এই জায়গাগুলোকে কাজে লাগানো যায় ঘরের বাইরের শ্রেণীকক্ষ হিসেবে।
একদিক দিয়ে আমরা খুবই ভাগ্যবান, আমাদের দেশের আবহাওয়া এমন যে বছরের অন্তত ছয় মাস আমরা স্বচ্ছন্দে ঘরের বাইরে কাটাতে পারি, যা কি না অনেক গ্রীষ্ম বা শীতপ্রধান দেশে অসম্ভব।
এই বাইরের ক্লাসরুমগুলো করতে খুব একটা খরচের প্রয়োজন হয় না। কয়েকটা খুঁটি এবং টিন অথবা খড়ের চালাই যথেষ্ট। কদিন আগেই গাইবান্ধার কয়েকটা স্কুল ঘুরে দেখলাম, ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা অনুযায়ী ক্লাসরুমগুলো অনেক ছোট, জায়গার বড় অভাব। বেচারা বাচ্চাগুলো চাপাচাপি করে বসে ক্লাস করছে। বাইরের এই ক্লাসরুমগুলো করতে পারলে জায়গার অভাব কিছুটা হলেও কমবে।
এই ক্লাসরুমগুলো শিক্ষার বিষয়ের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ পরিবেশে ছাত্রছাত্রীদের শেখার সুযোগ করে দেয়। বাচ্চারা যখন ছবি আঁকবে, তখন অন্ধকার ঘরে বসে কেন আঁকবে? ব্যাঙের জীবনের বিভিন্ন ধাপ বোঝার জন্য বইয়ের ছবি যথেষ্ট নয়। বাচ্চারা এই ক্লাসগুলোতে আসল ব্যাঙাচি দেখে ব্যাঙের জীবনের বিভিন্ন ধাপ শিখবে।
বাইরের এই ক্লাসরুমগুলোর আরেকটা ভালো দিক হচ্ছে প্রাথমিক স্কুলে যে বয়সের বাচ্চারা যায়, তারা ঘরের ভেতরের চেয়ে বাইরে সময় কাটাতে পছন্দ করে। স্বভাবতই আশা করা যায়, বাইরের এই ক্লাসরুমগুলো বাচ্চাদের কাছে খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।
এ তো গেল স্কুল-ভবনের চারপাশের খোলা জায়গা কীভাবে ব্যবহার করা যায়, তার আলোচনা। এবার ভবনের ভেতর নিয়ে একটু আলোচনা করা যাক। আমাদের দেশের স্কুলগুলোর ডিজাইন পুরোনো ধাঁচের, এ ধরনের ডিজাইনের পেছনে মূল যে চিন্তা বা ধারণা তা হচ্ছে, একেকটা ক্লাসরুমে নির্দিষ্টসংখ্যক শিক্ষার্থী বসবে এবং নির্দিষ্ট সময় তারা একজন শিক্ষিকার কাছ থেকে নির্দিষ্ট কিছু শিখবে। কিন্তু বাস্তবে এভাবে পড়াশোনা হয় না। এ জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় যেমন নমনীয়তার প্রয়োজন, তেমনি নমনীয়তার প্রয়োজন স্কুল-ভবনের ডিজাইনে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ক্লাসরুমগুলো এমন করে ডিজাইন করা সম্ভব, যা কি না লেকচার শোনার জন্যও উপযোগী হবে, আবার শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে বসে আলোচনা করার জন্যও উপযোগী হবে। অল্প কয়েকটা পার্টিশন দেয়াল দিয়ে এটা করা সম্ভব, যা কি না শিক্ষার্থী বা শিক্ষকেরা ইচ্ছামতো সরিয়ে নিতে পারবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী।
বাচ্চারা শুধু শিক্ষকের কাছ থেকেই শেখে না, তারা অনেক কিছুই শেখে তাদের কাছাকাছি বয়সের অন্য বাচ্চাদের কাছ থেকে। কিন্তু এর জন্য চাই উপযুক্ত পরিবেশ। এমন একটা জায়গা, যেখানে সব শিক্ষার্থী মিলিত হওয়ার সুযোগ পাবে। এখনকার স্কুলগুলোতে খুব সহজেই এ রকম একটা পারস্পরিক যোগাযোগের জায়গা ডিজাইন করা সম্ভব। বাচ্চারা এই জায়গায় মিলিত হতে পারবে, কথা বলতে পারবে, শিখতে আর একে অন্যকে শেখাতে পারবে।
মোট কথা, স্কুলের পরিবেশ হওয়া উচিত এমন, যেখানে যাওয়ার জন্য বাচ্চারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করবে। যেখানে বাচ্চারা খেলতে খেলতে শিখবে। কোনো বিষয়ে জ্ঞান অর্জন মানুষের জন্য চাপিয়ে দেওয়া কোনো জিনিস হওয়া জরুরি নয়। আমরা এভাবেই শিখি। কিন্তু
এই জ্ঞান অর্জন ঠিকমতো হওয়ার জন্য চাই উপযুক্ত পরিবেশ।
উল্লিখিত বাইরের ক্লাসরুম, স্কুল-ভবনের ডিজাইনে নমনীয়তা এবং শিক্ষার্থীদের মিলিত হওয়ার জায়গা স্কুলে দিতে পারলে, বাংলাদেশের স্কুলগুলো হয়ে উঠবে মজার এক জায়গা। প্রাথমিক স্কুল থেকে আর ছাত্রছাত্রীরা ঝরে পড়বে না। বাচ্চারা তো তাদের কাজ ঠিকমতোই করছে। মন দিয়ে পড়াশোনা আর চমত্কার সব রেজাল্ট করছে! আর আমরা বড়রা, আমাদের কাজ করব না?
ড. মোহাম্মদ জাকিউল ইসলাম, সহকারী অধ্যাপক, স্থাপত্য বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।
zakiislam.mail@gmail.com
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুবাইয়ে নির্মাণশ্রমিকদের দুঃসময় -প্রবাসী শ্রমিক by নিমাই সরকার
বিশ্বমন্দার প্রভাব এসে লেগেছে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ধনী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতে। সাত আরবশাহির এই সংযুক্ত দেশটির প্রধান দুই রাজ্য আবুধাবি ও দুবাই। রাজধানীর গর্ব নেই আবুধাবির, তবে আছে প্রচুর তেল। আর দুবাই গড়ে উঠেছে এর পর্যটন আর ব্যবসায়ের কেন্দ্র হিসেবে। কিন্তু সম্প্রতি দুবাই পড়েছে বিপাকে। দুবাইয়ের শিল্প-কারখানা আর চোখ ধাঁধানো বিশাল সব অবকাঠামো ও নির্মাণকাজের টাকা জোগাড় করতে পারছে না নাখিল, ইমার ও ডামাকের মতো কোম্পানিগুলো। দুবাইয়ের মুখ্য বিনিয়োগকারী সংস্থা দুবাই ওয়ার্ল্ড ঋণের দায়ে জর্জরিত।
যে যুবক তাঁর ভিটেমাটি, বিত্ত-বেসাত বিক্রি করে দুবাইয়ে পাড়ি জমিয়েছিলেন, তাঁর চাকরি আজ হুমকির মুখে। এতটুকু বললে বোধ হয় সবটা বলা হবে না। এরই মধ্যে অনেকে রওনা দিচ্ছেন ঢাকার পথে। ‘টাকা দেন দুবাই যাব’—বলে যে তরুণের চাপ ছিল তাঁর অভিভাবকের মস্তিষ্কে, তিনি দুবাইতে এসেছিলেন। দুর্ভাগ্য—তাঁর স্বপ্নসাধ পূরণ হওয়ার আগেই তাঁকে ফিরতে হচ্ছে দেশে। বোনের বিয়ে দেওয়া, বন্ধকী জমি উদ্ধার, সুদের টাকা পরিশোধ—এসবই একটি ফ্রেমের মধ্যে—একটু নিয়ন্ত্রণে এসেছে যে তরুণের, তিনি বোধ হয় হিসাবটা মেলাতে পারছেন না। যে যুবক তাঁর প্রিয়তমা স্ত্রীর হারগাছি বিক্রি করে এসেছিলেন, তাঁকে এই সেদিনও শুনিয়েছেন—আর তো কটা দিন। শুধু তাঁর জন্যই নয়, প্রিয় বোনের জন্যও পাঠাবেন প্যাঁচের একটি চেইন।
মা-বাবার চিকিত্সা—এসবও বেঁধে থাকে তাঁর দুবাইওয়ালা ছেলের পাঠানো টাকার অপেক্ষায়। একজন ভাই, একজন বাবা, একজন ছেলে—সবার বেলাতেই যাঁর যাঁর জায়গা থেকে আছে ভালোবাসার টান, আছে করণীয় দায়িত্ব। কিন্তু বাস্তবতা এটাই—তাঁদের এই করণীয়টুকু শেষ হচ্ছে না এ বেলায়।
কম কথা নয়! বাংলাদেশ এ বছর ১০ বিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স সংগ্রহ করেছে। আর এর এক বিলিয়ন সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে। দুবাই থেকে হবে এর অর্ধেক। অথচ সেই জায়গায় তাঁরা এখন তাঁদের চাকরি সামলাতে পারছেন না। দলে দলে ফিরে আসতে হচ্ছে বাংলাদেশে। ২০০৭ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সংযুক্ত আরব আমিরাতের লোকসংখ্যা ৬৪ লাখ এবং এর ৫৫ লাখই বিদেশি। আর তাঁদের মধ্যে ৩০ লাখের বেশি আমিরাতের শ্রম মন্ত্রণালয়ের অধীনে নির্মাণকর্মী ও নির্মাণসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে নিবন্ধিত। এখানে বাংলাদেশের সংখ্যা সাত লাখ। বলা যায়, দেশের রেমিটেন্সে তাঁদের অবদান উপেক্ষার নয়।
কান টানলে মাথা আসে—এমনি করে অর্থলগ্নিকারী থেকে শুরু করে যে ধাক্কা, তা আঘাত করে নির্মাণকর্মীকে-দেশকে-তাঁর পরিবারকে। দুবাইয়ের যে বৃহত্ প্রকল্প ‘পাম জুমেরা’ খেজুরগাছের মতো ডাল বিস্তার করে আছে, সেটা দুবাই ওয়ার্ল্ডের তৈরি। কী আকর্ষণ এর! হলিউডের তারকা ব্রাড পিট পর্যন্ত বাড়ির বায়না দিয়ে বসে আছেন। এমনিভাবে আরেক প্রকল্প—‘পাম জেবেল আলি’। এতেও ওই প্রতিষ্ঠানের বিনিয়োগ। লাখ লাখ নির্মাণকর্মীর কাজের সংস্থান করেছিল প্রতিষ্ঠানটি। শ্রমিক, মিস্ত্রি, বিদ্যুত্কর্মী, যন্ত্রকর্মী—এদের ধরে অনেকের সমাহার। তার ওপর আছে নির্মাণ প্রকৌশলী, উপদেষ্টা প্রকৌশলী, স্থপতি এবং এর সঙ্গে সম্পর্কিত অর্থ আর হিসাববিজ্ঞানী। দুবাই ওয়ার্ল্ডেরও টাকা পেতে অসুবিধা হয়নি। মুক্তহস্তে টাকার জোগান দিয়েছে রয়েল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, এইচএসবিসি এবং লয়েডস ব্যাংকিং গোষ্ঠী। দুবাই ওয়ার্ল্ডের অর্থ ও প্রভাব শেষ হওয়ার নয়—এমন ধারণাই বদ্ধমূল সেই বিনিয়োগকারীদের মধ্যে, যাঁরা এতদিন মুক্তহস্তে টাকা জুগিয়েছেন সংস্থাটিকে। এই সেদিনও দুবাইয়ের শাসক শেখ মুহম্মদ বিন রশীদ আল মাকতুম জানিয়েছিলেন, দুবাই ওয়ার্ল্ড প্রতিকূলতার সম্মুখীন হলে তার জিম্মা নেবে দুবাই সরকার। সম্প্রতি সেই দুবাইশাহিও বললেন বিনিয়োগকারীদের, দুবাই ওয়ার্ল্ডকে বেশি চাপ না দিতে। কারণটা এমন হতে পারে, কয়েক বছর ধরে বিনিয়োগসাম্রাজ্যের সীমানা বিস্তার করতে গিয়ে দুবাই ওয়ার্ল্ড পাঁচ হাজার ৯০০ কোটি টাকার দেনায় ডুবে গেছে। আবার আবুধাবি সরকারের তরফে ঘোষণা—এ ধার মেটানোর বাধ্যবাধকতা তার নেই। যদিও বা কবে তা হবে অবস্থাবিশেষে। রয়েল ব্যাংক অব স্কটল্যান্ড এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক প্রভৃতি লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের সামনে অবস্থা দাঁড়াল আরও জটিল। কারণ, সহসাই আল মাকতুম বলতে শুরু করে দিলেন—দুবাই ওয়ার্ল্ডের করা ঋণ শোধের দায়িত্ব দুবাই ওয়ার্ল্ডেরই, সরকারের নয়। এ সংকট কাটিয়ে উঠতে আবুধাবি সরকার দুবাই কর্তৃপক্ষকে এক হাজার কোটি ডলার ঋণ দিয়েছে, যার ৪৭০ কোটি ডলার ব্যয় হবে দুবাই ওয়ার্ল্ডের ঋণ পরিশোধে।
দুবাই প্রকল্পগুলো এখন থেমে গেছে মঞ্চে কোনো নৃত্যশিল্পীর বরফ হয়ে যাওয়া দৃশ্যের মতোই। এখনো পাম জুমেরার বেশ কিছু অংশ নির্মাণের অধীন। পাম জেবেল আলি করার জন্য কেবল পাথর ফেলা হয়েছে সমুদ্রে। অন্যদিকে সব মিলিয়ে যেসব প্রকল্পের ৫০ শতাংশেরও কাজ হয়নি, তা স্থগিত রাখতে বলেছে দুবাই কর্তৃপক্ষ। আর যেসব প্রকল্পের ৫০ শতাংশ বা তার ওপরে সম্পন্ন হয়েছে, তা চালু রাখতে বলেছে। কিন্তু প্রকৃত চিত্র এটাই—সেসবের অর্থও নেই হাতে এখন। নাখিল যে ইজারা নিয়েছে প্রকল্প করার জন্য, তার ওপর সমর্থন নেই কোনো লগ্নিকারের। গোড়ায় জল না দিলে যে পাতাগুলো ঝরে পড়ে শুকনো হয়ে মর্মর শব্দে, নির্মাণকর্মীদের বেলায় এমন দৃষ্টান্ত লাগসই। এরই বাস্তবতায় ফেরত আসছেন হাজার হাজার নির্মাণকর্মী তাঁর দেশে। কথা হচ্ছে, তাঁদের উপায় কী হবে এখন!
স্বদেশে ফেরত আসা নির্মাণকর্মীদের নিয়ে একটি চিত্রকল্প দাঁড় করা যায়। কেউবা দেশে ফিরে টাকা জোগাড় করে আবার ছুটবেন অন্য কোনোখানে। কিংবা এতদিনের সঞ্চিত অর্থ দিয়ে কেউবা শুরু করবেন ছোট কোনো ব্যবসা। কিন্তু এটা সম্ভব হবে না সবার দ্বারা, সে কথা সহজেই বলা যায়। পত্রিকায় প্রকাশ, আগামী জুলাই থেকে সরকার ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ‘প্রমোটিং ডিসেন্ট ওয়ার্ক থ্রো মাইগ্রেশন’ নামের একটি প্রকল্প গ্রহণের চিন্তাভাবনা করছে। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বিদেশফেরত শ্রমিকেরা মনোবল ফিরে পাবেন নিঃসন্দেহে। এ ছাড়া সরকারের আছে ৩০০ কোটি টাকার এটি প্রবাসী কল্যাণ তহবিল। এরও সদ্ব্যবহার করা প্রয়োজন। আবার প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক তাঁদের সামনে খুলতে পারে নতুন কোনো সম্ভাবনার দ্বার—সে আশাও নিরর্থক নয়।
নিমাই সরকার: প্রকৌশলী, আবুধাবি ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানিতে কর্মরত।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সংবর্ধনার বিকল্প পদ্ধতি বের করুন -জনভোগান্তিমূলক কর্মসূচি আর নয়
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানাতে সরকারি দল আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী-সমর্থকেরা দুপুর থেকে মিছিল নিয়ে বের হন শহরের বিভিন্ন পাড়া-মহল্লা থেকে। আর জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে শেরাটন হোটেল পর্যন্ত মহাসড়কজুড়ে মিছিলের কারণে যানবাহন চলাচলে ব্যাপক বাধার সৃষ্টি হয়। এই সড়কের বেশ কিছু অংশে যান চলাচল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। এ রকম বৃহত্ ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে তার প্রতিক্রিয়া স্বাভাবিকভাবেই ছড়িয়ে পড়ে মহানগরের অন্য সড়কগুলোতেও। মহানগরজুড়ে যান চলাচলে অচলাবস্থার সচিত্র বিবরণ পরদিন বৃহস্পতিবারের জাতীয় সংবাদপত্রগুলোতে ছাপা হয়েছে, যা থেকে জনসাধারণের ভোগান্তির মাত্রা সহজেই অনুধাবন করা যায়।
এ ধরনের ঘটনা নতুন নয়, অতীতেও জনগণের চলাচলের সুবিধা-অসুবিধার কথা বিবেচনা না করে রাজনৈতিক দলগুলো এমন কর্মসূচি দিয়েছে। কিন্তু এখন একটি পরিবর্তনকামী সরকার দেশ পরিচালনা করছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নিজেও বিভিন্ন সময়ে ভিআইপিদের চলাচলের সময় যাতে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচলে বাধাবিঘ্নের সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে কথা বলেছিলেন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ফিরে আসার দিনেই বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীর কর্মী-সমর্থকদের দীর্ঘ মোটর শোভাযাত্রা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে এবং আবদুল মোমিন তালুকদারের কর্মী-সমর্থকদের মোটরসাইকেল-মাইক্রোবাসের শোভাযাত্রা বগুড়া-সান্তাহার সড়কে যানজটের সৃষ্টি হলে ওসব পথে চলাচলকারী হাজার হাজার মানুষের চরম ভোগান্তি হয়। বিরোধী দলগুলোর মিছিল-সমাবেশের ক্ষেত্রে জনদুর্ভোগ তাদের বিবেচনায় থাকে না, বরং হরতালের মতো কর্মসূচিগুলোতে তারা জনদুর্ভোগকেই পুঁজি করতে চায়। সরকারি দলও যদি এমনভাবে কোনো কর্মসূচি পালন করে, যা জনসাধারণের দুর্ভোগের কারণ হয়, তাহলে তো বিরোধী দলের সঙ্গে কোনো পার্থক্য থাকে না। কিন্তু সরকারি দল ও তার সহযোগী সংগঠনগুলোর কাছে জনসাধারণ অধিকতর দায়িত্বশীলতা প্রত্যাশা করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সাংসদদের আচরণবিধি -তাঁদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে হবে
বিলটির উদ্দেশ্য মহত্। এতে যেসব বাধ্যবাধকতার কথা বলা হয়েছে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে: সাংসদেরা কার্যপ্রণালীবিধি অনুযায়ী চলবেন এবং ব্যক্তিগত স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে মন্ত্রী, সরকারি কর্মকর্তা বা সরকারি প্রতিষ্ঠানের কাজে কোনো সুপারিশ করতে পারবেন না। নিজের বা পরিবারের সদস্যরা আর্থিক বা বস্তুগত সুবিধা আদায়ের চেষ্টা করবেন না। তাঁরা এমন কোনো প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত থাকবেন না, যাতে তাঁদের সংসদীয় দায়িত্ব প্রভাবিত হতে পারে।
যুক্তরাজ্যসহ পৃথিবীর বহু দেশে সাংসদ ও মন্ত্রীদের জন্য আচরণবিধি রয়েছে। সে ক্ষেত্রে বিলটি ব্যাপক আলোচনার দাবি রাখে। এতে যেসব নীতি অনুসরণের কথা বলা হয়েছে, তা যেকোনো দেশের সংসদীয় ব্যবস্থার জন্য অনুসরণীয় হতে পারে। সাংসদদের দায়িত্ব হলো জনগণের স্বার্থে ও কল্যাণে আইন প্রণয়ন করা এবং নির্বাহী বিভাগ যথাযথভাবে সে আইন পালন করছে কি না, তা তদারক করা। সেখানে সাংসদেরা যদি নির্বাহী বিভাগ থেকে কোনো সুবিধা নেন, কিংবা সুবিধা দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেন, তাহলে তাঁদের পক্ষে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। আমাদের সংবিধান নির্বাহী বিভাগ, আইনসভা ও বিচার বিভাগের দায়িত্ব নির্দিষ্ট করে দিয়েছে। সে ক্ষেত্রে এক পক্ষের কাজে অন্য পক্ষের হস্তক্ষেপ মোটেই কাম্য নয়।
সাবের হোসেন চৌধুরী যখন এই বিল উত্থাপন করেছেন, তখন বিরোধী দল সংসদ বর্জন করে চলেছে। এ রকম একটি বিলের ব্যাপারে সব দলের উপস্থিতিতে এবং বিস্তারিত আলোচনার পরই সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে বিলটি আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য সংসদীয় কমিটিতে ফেরত দেওয়ার সিদ্ধান্ত সঠিক বলেই আমরা মনে করি। একই সঙ্গে এই আশঙ্কাও থেকে যায়, বিলটি যেহেতু সাংসদদের আচরণবিধি সম্পর্কে, সেহেতু এটি যেন ফাইলবন্দী হয়ে না যায়। গুরুত্ব দিয়ে এটি সরকারি বিল হিসেবেও সংসদে উত্থাপন করা যেতে পারে। বেসরকারি বিলের আরেকটি সমস্যা হলো, এটি পাস হলেও বাধ্যবাধকতা থাকে না। কেউ এ আইন ভঙ্গ করলে তাঁকে শাস্তি দেওয়া যায় না।
বিলে সাংসদদের আচরণবিধি পালনে যে নৈতিক কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, তাও সমর্থনযোগ্য। জনপ্রতিনিধিরা তাঁদের সীমার মধ্যে কাজ করবেন, ব্যক্তিস্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থকে অধিক গুরুত্ব দেবেন—এটাই প্রত্যাশিত। সাংসদদের এমন কিছু করা উচিত নয়, যাতে প্রশাসনে অন্যায় ও দুর্নীতি প্রশ্রয় পায়। বরং তাঁরা চারিত্রিক গুণাবলি দিয়ে এমন দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন, যা প্রশাসন তথা দেশ ও জাতির জন্য অনুকরণীয় হয়ে থাকবে। আলোচ্য বিলে সাংসদদের যেসব নীতিনৈতিকতা ও মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে, তা বাস্তবায়িত হলে সাংসদদের মর্যাদা যেমন বাড়বে, তেমনি সংসদীয় গণতন্ত্রও সুদৃঢ় হবে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কাশ্মীরে হামলায় দুই নিরাপত্তাকর্মী আহত
মোজাফফরাবাদের জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা সরদার খুরশিদ বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানিয়েছেন, হামলাকারী সেনাবাহিনীর একটি যানকে লক্ষ্য করে আত্মঘাতী বোমা হামলা চালায়।
গত জুন মাসের পর এটা ছিল পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে পঞ্চম বোমা হামলা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যায় ইহুদিবাদী পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে
সংবাদ সংস্থাটি আরও জানায়, বৃহস্পতিবার দেশটির খাজেস্তান প্রদেশে দেওয়া ওই ভাষণে আহমাদিনেজাদ বলেন, পরমাণু বিজ্ঞানীকে হত্যায় যে ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, তা লক্ষ করলে যে-কেউ বুঝতে পারবেন, শত্রুদের আক্রোশ কোন মাত্রায় পৌঁছেছিল। তার ওপর চালানো বোমা হামলার পদ্ধতি ইহুদিবাদী।
প্রেসিডেন্ট বলেন, পরমাণু বিজ্ঞানী মাসুদ মোহাম্মাদি ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপ্রাণ একজন ব্যক্তি। তিনি স্বদেশবাসীর সেবায় নিয়োজিত ছিলেন। আহমাদিনেজাদ বলেন, এভাবে আমাদের শত্রুরা ইরানি এলিটদের হত্যা করে আমাদের জ্ঞানকে ছিনিয়ে নিতে পারবে না।
তেহরানে নিজের বাড়ির কাছে গত মঙ্গলবার একটি মোটরসাইকেলে পেতে রাখা দূরনিয়ন্ত্রিত বোমার বিস্ফোরণে মারা যান ৫০ বছর বয়েসী মাসুদ আলি মোহাম্মাদি। তিনি তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের পরমাণু পদার্থবিজ্ঞান বিষয়ে অধ্যাপনা করতেন।
তেহরান অভিযোগ করেছে, পরমাণু বিজ্ঞানী মাসুদ মোহাম্মাদিকে হত্যার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ এবং ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের হাত রয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রবীণ নেতা জ্যোতি বসুর অবস্থা আশঙ্কাজনক
হাসপাতাল সূত্র থেকে বলা হয়েছে, জ্যোতি বসুর শরীরের অধিকাংশ অঙ্গ কাজ করছে না। এখন আর ডাকে সাড়া দিচ্ছেন না, অচেতন অবস্থায় রয়েছেন তিনি।
জ্যোতি বসু নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হয়ে গত ১ জানুয়ারি কলকাতার সল্টলেকের বেসরকারি এএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি হন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পাকিস্তানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত
পত্রিকাটি জানায়, ওয়াজিরিস্তানের উত্তরাঞ্চলে দত্তখেলে তালেবানের আস্তানায় মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত আল-কায়েদা নেতা জামাল সাঈদ আবদুল রহিম। তিনি এফবিআইয়ের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। ১৯৮৬ সালের ৫ সেপ্টেম্বর করাচিতে যুক্তরাষ্ট্রের একটি বিমান ছিনতাইয়ের ঘটনায় তিনি জড়িত ছিলেন বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। ওই বিমান ছিনতাইকালে অন্তত ২০ জন যাত্রীকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় যুক্তরাষ্ট্র সরকার আবদুল রহিমকে ধরিয়ে দেওয়ার জন্য ৫০ লাখ ডলার পুরস্কার ঘোষণা করেছিল।
নিউইয়র্ক টাইমস বলেছে, আবদুল রহিম নিহত হওয়ার বিষয়টি পাকিস্তানের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করলেও এ ব্যাপারে মার্কিন নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা কর্মকর্তারাদের তরফ থেকে কিছু বলা হয়নি। তবে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা এফবিআইয়ের ওয়েবসাইটে আবুদল রহিমকে একজন ফিলিস্তিনি বলে দাবি করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেনা প্রত্যাহার করে তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসুন
ইমরান খান বলেন, আফগান সীমান্তে যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর হামলার ফলে স্থানীয় বিপুলসংখ্যক লোক যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অবস্থান নিচ্ছে এবং জঙ্গিদের প্রতি তাদের সমর্থন বেড়ে চলেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মাওবাদীদের জীবনের মূলস্রোতে ফিরে আসার আহ্বান মমতার
মমতা বলেন, ‘আগামী সাত দিনের মধ্যে আপনারা অস্ত্র সংবরণ করে ফিরে আসুন জীবনের মূলস্রোতে। সবকিছুই করব আপনাদের জন্য। চাকরি, ব্যবসা থেকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার নানা সুযোগ দেব আপনাদের।’ মমতা বলেন, ‘আমরা আর খুন চাই না, রক্ত চাই না। আমরা শান্তি চাই। আসুন, আগামী সাত দিন পর আমরা শান্তি মিছিল করি।’
সিপিএম মমতাকে মাওবাদীদের ‘ইন্ধনদাতা’ হিসেবে চিহ্নিত করে চললেও মমতা এদিন বুঝিয়ে দেন, তিনি সত্যিই চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের মাওবাদী সমস্যার দ্রুত সমাধান। তাই মমতা বলেন, ‘মাওবাদীদের পুনর্বাসনের দায়িত্ব আমরা নেব। আমাদের ইউপিএ সরকার নেবে। আপনারা খুনের রাজনীতি ছেড়ে জীবনের মূলস্রোতে ফিরে আসুন।’
এদিকে মমতার এই জনসভা বর্জন করে জঙ্গল মহলের ‘পুলিশি সন্ত্রাসবিরোধী জনগণের কমিটি’। একই দিন ঝাড়গ্রামে এক পাল্টা জনসভা করে তারা ঘোষণা দেয় মমতার জনসভা বর্জন করবে। প্রসঙ্গত, এর আগে মাওবাদীরা মমতাকেই বলেছিল, তারা মমতাকে পশ্চিমবঙ্গের ভবিষ্যতের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চায়। কিন্তু ৯ জানুয়ারি মমতা সংবাদ সম্মেলন করে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। ঘোষণা দেন, তাঁর দল হত্যার রাজনীতিতে বিশ্বাসী নয়। তাঁরাও মাওবাদীদের হত্যার রাজনীতির বিরুদ্ধে, ছত্রধরদের হত্যার রাজনীতির বিরুদ্ধেও। এ সময় মমতা মাওবাদী দমনে রাজ্য সরকারের পরিচালিত যৌথ বাহিনীর অভিযান ব্যর্থ হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের দমনের ভার তাঁর দল নেবে বলে ঘোষণা দেন। এই ঘোষণার পর খেপে যায় ছত্রধর মাহাতো ও তাঁর সমর্থকরা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সোমালিয়ায় তিনটি বেতার কেন্দ্রে হামলা আহত ৪
কয়েক মিনিটের ব্যবধানে গালকাই, মুডুগ ও হোবিও—এই তিনটি বেতার কেন্দ্রে হামলা চালানো হয়।
পুলিশ জানায়, ‘বেতারকেন্দ্রগুলোতে হামলার ধরন দেখে মনে হচ্ছে, এগুলো পরিকল্পিত এবং একটির সঙ্গে আরেকটির সম্পর্ক রয়েছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘হামলার কারণ বের করার জন্য আমরা তদন্ত করে যাচ্ছি। এ অঞ্চলে বেতারকেন্দ্রে আগে কখনো হামলার ঘটনা ঘটেনি। এতে আমাদের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।’
হামলায় আহত সাংবাদিক আবদুল আলী জুমালি বলেন, ‘আমি মুডুগ রেডিও স্টেশন থেকে বের হচ্ছিলাম, ঠিক তখনই আমার পাশে গ্রেনেডটি বিস্ফোরিত হয়েছে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জারদারি সেনাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতাও হারালেন
পত্রিকাটি বলেছে, প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমানোর উদ্দেশ্যে সংবিধান সংশোধন কমিটি তিন বাহিনীর প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা প্রেসিডেন্টের বদলে প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত করেছে। এ সংশোধনীর ফলে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির হাতে এককভাবে তিন বাহিনীর প্রধান নিয়োগের ক্ষমতা আর থাকল না।
পাকিস্তানের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো বিভিন্ন সূত্রের বরাত দিয়ে গত বৃহস্পতিবার বলেছে, সংবিধান সংশোধনীর প্রতি সে দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সম্মতি জানিয়েছে। পাকিস্তান পিপলস পার্টি, পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ), মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট ও আওয়ামী মুসলিম লীগ সেদেশের তিন বাহিনীর প্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা হ্রাসকে স্বাগত জানিয়েছে।
সংবিধানের ২৪৩ অনুচ্ছেদের এ সংশোধনীর আওতায় তিন বাহিনীর প্রধান নিয়োগের আগে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রেসিডেন্টের পরামর্শ করার আইনি বাধ্যবাধকতা রাখা হয়েছে।
গত বছরের নভেম্বরে প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারি সে দেশের ন্যাশনাল কমান্ড অথরিটির চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়ান। তিনি পরমাণু অস্ত্রের নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানির হাতে ন্যস্ত করেন।
প্রেসিডেন্ট জারদারি গত শুক্রবার ওয়াশিংটন পোস্টকে লিখেছেন, দেশ পরিচালনায় তিনি পার্লামেন্টের সঙ্গে একত্রে কাজ করছেন। জারদারি বলেন, ‘আমি পার্লামেন্টের সঙ্গে আলোচনা করে রাষ্ট্র পরিচালনা করছি। সে ক্ষেত্রে কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নেই। আমাদের গণতান্ত্রিক সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে পাকিস্তানের সাধারণ জনগণের জীবনমান উন্নয়নের নীতি বাস্তবায়ন করা। একসময় আমাদের এ নীতিই ইতিবাচক রাজনীতিতে রূপ নেবে।’
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনের জন্য জোট গড়লেন সাবেক ইরাকি প্রধানমন্ত্রী
২০০৩ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন বাহিনীর অভিযানে তত্কালীন ইরাকি প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেন ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর আইয়াদ আলাবিকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করে ওয়াশিংটন। এক বছরেরও কম সময় তিনি ওই পদে ছিলেন।
বাগদাদের একটি হোটেলে জাঁকজমকপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে জোট গঠনের ঘোষণা দিয়ে ইরাকের সুন্নি উপপ্রধানমন্ত্রী রাফা আল-ইসাবি বলেন, ‘আমরা একটি জাতীয় রাজনৈতিক সত্তা। সব ইরাকির জন্য কাজ করার ব্যাপারে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য জনগণের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’
আল-রশিদ হোটেলের অনুষ্ঠানে আল-ইরাকিয়া নামে পরিচিত ওই জোটের প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হয়। তবে আইয়াদ আলাবি অনুষ্ঠানে ভাষণ দেননি।
প্রখ্যাত সুন্নি আইনপ্রণেতা সালেহ আল-মুতলাকও আলাবির ওই জোটে যোগ দিয়েছেন। তিনি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। তবে সাবেক সাদ্দাম হোসেন সরকারের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সালেহ আল-মুতলাককে নির্বাচনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিশেল ওবামার সঙ্গে নাচতে চেয়েছিলেন অনাহূত ব্যক্তি
অ্যালেন আরও বলেন, তিনি ফার্স্ট লেডির সঙ্গে নাচতে চেয়েছিলেন। দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকাকে তিনি বলেন, ওই রাত শেষে তাঁর একমাত্র আক্ষেপ ছিল যে, তিনি নাতে পারেননি।
পত্রিকাটিকে কার্লোস অ্যালেন বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ওবামার প্রতি যথাযথ সম্মান রেখে বলছি, আমি জানি তিনি নাচতে জানেন না। আমি তাঁকে দেখাতে চেয়েছিলাম যে, আমি নাচতে পারি, নাচই আমার চিন্তাভাবনা।’
সাক্ষাত্কারে অ্যালেন স্বীকার করেন, গোয়েন্দা বিভাগ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। তিনি দাবি করেন, ওই নৈশভোজে আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন তিনি।
ওয়াশিংটন পোস্ট পত্রিকাকে অ্যালেন বলেন, নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর জন্য অনুরোধ জানিয়ে গত অক্টোবরে হোয়াইট হাউসের সোশ্যাল সেক্রেটারিকে চিঠি লিখেছিলেন তিনি। পরে তিনি তাঁর মেইলে কিছু একটা পেয়েছিলেন, যাকে আমন্ত্রণপত্র হিসেবে ধরে নিয়েছিলেন।
সাক্ষাত্কারে তিনি বলেন, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে তাঁর কোনো যোগাযোগ ছিল না। হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করার জন্য দূতাবাসের কেউ তাঁকে সহায়তাও করেননি।
মার্কিন গোয়েন্দা বিভাগের দাবি, হোয়াইট হাউসের নৈশভোজে তৃতীয় অনাহূত ব্যক্তি অ্যালেন ভারতীয় প্রতিনিধিদলের সঙ্গে হোয়াইট হাউসে প্রবেশ করেছিলেন। কিন্তু ভারতীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলে ওই ধরনের কোনো ব্যক্তি ছিলেন না। ওই ব্যক্তি যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় দূতাবাসের কাছে পরিচিত নন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেসকোর ৪৫% লভ্যাংশ ঘোষণা
ডেসকোর চেয়ারম্যান সাবেক সচিব মো. শাহজাহান সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য দেন কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক সালেহ আহমেদ। সভায় ডেসকোর কারিগরি পরিচালক মনজুর রহমান ও অর্থ পরিচালক কুদরত-ই-খুদাসহ অন্যান্য পরিচালক ও কোম্পানি সচিব এবং পদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
শাহজাহান সিদ্দিকী বিদ্যুত্ খাতে ডেসকোকে একটি সফল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি ডেসকোর ওপর আস্থা রেখে বিনিয়োগ করার জন্য শেয়ারহোল্ডারদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, আগামী বছরগুলোতেও ডেসকো তার সাফল্য ধরে রাখার চেষ্টা করবে।
ডেসকো ২০০৬ সালের ১৮ জুন ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত হয়। কোম্পানিটি ২০০৭-০৮ অর্থবছরে শেয়ারপ্রতি ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ও ৫ শতাংশ বোনাস শেয়ার দেয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যাংক এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলন
ব্যাংকের চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান সিনহা প্রধান অতিথি হিসেবে এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন। এ সময় ব্যাংকের ভাইস-চেয়ারম্যানদ্বয় আনোয়ারুল আমিন ও এ এম নুরুল ইসলাম, পরিচালকদের মধ্যে এ রউফ চৌধুরী, মো. সাফওয়ান চৌধুরী ও মশিউর রহমান এবং প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইরফানউদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের দ্বিতীয়ার্ধে অংশহগ্রহণকারীরা ব্যাংকের বিগত বছরের কার্যক্রমের ওপর পর্যালোচনার এবং অর্জিত অভিজ্ঞতার আলোকে আগামী দিনের সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জসমূহ কীভাবে মোকাবিলা করা যায়, সে কৌশল ও কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণ করেন।
ব্যাংকের যেসব শাখা ২০০৯ সালে লক্ষণীয় সাফল্য অর্জন করেছে, তাদের সম্মেলনে পুরস্কৃত করা হয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক শেয়ারের লটারি অনুষ্ঠিত
লটারি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলআর গ্লোবাল এএমসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিয়াজ ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ডিবিএইচের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কিউ এম শরীফুল আলা এবং সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (এসইসি) ও ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রতিনিধিরা।
মিউচুয়াল ফান্ডটিতে ৪০ কোটি টাকার প্রাথমিক শেয়ারের বিপরীতে ৫৩০ কোটি টাকারও বেশি (১৩ গুণেরও বেশি) আবেদন জমা পড়ে।
অনুষ্ঠানে রিয়াজ ইসলাম বলেন, পেশাদারি ব্যবস্থাপনা ও মানসম্পন্ন মিউচুয়াল ফান্ড পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা পূরণে সাহায্য করবে। তিনি জানান, প্রতিবেশী দেশগুলোর পুঁজিবাজারের মোট মূল্যধনের ক্ষেত্রে মিউচুয়াল ফান্ডের অবদান যেখানে প্রায় ৪০ শতাংশ, সেখানে বাংলাদেশে মাত্র ৩ শতাংশ।
কিউ এম শরীফুল আলা বলেন, পুঁজিবাজারে ভূমিকা রাখার জন্যই ডিবিএইচ এবং অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এলআর গ্লোবাল এএমসি যৌথভাবে ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের উদ্যোগ নিয়েছে। তিনি বলেন, মিউচুয়াল ফান্ড হলো পুঁজিবাজারে কম ঝুঁকির বিনিয়োগ-হাতিয়ার এবং পুঁজিবাজারের প্রবৃদ্ধির অন্যতম একটি বাহন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজশাহীতে ‘কৃষক বধূ মার্কা’ দস্তা সারের উত্পাদন ও বিপণন শুরু
আরএস এগ্রো অ্যান্ড ফার্টিলাইজার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রি লিমিটেড গতকাল শনিবার নগরের চিলিস পার্টি জোনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই সার উত্পাদন ও বাজারজাতকরণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়।
সংবাদ সম্মেলনে কোম্পানির পক্ষ থেকে এই সারকে পরিবেশ দূষণমুক্ত ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আরএস এগ্রো অ্যান্ড ফার্টিলাইজার কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির চেয়ারম্যান মো. সেলিম হাসান। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কামরুজ্জামান, পরিচালক এস এম সেলিম, জেসমিন আরা ইয়াসমিন ও সুলতানা রাজিয়া উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, রাজশাহী তথা সারা দেশের কৃষকদের কথা বিবেচনা করে ২০০৫ সাল থেকে পরিশ্রম করে এই সার উত্পাদন করা হয়েছে। এটি ব্যবহারে ফসলের উত্পাদন বাড়বে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ব্যবসা প্রসারে বিকল্প অর্থায়ন শুরু করেছে এবি ব্যাংক
এই অর্থায়ন কার্যক্রম সমমূলধন অর্থায়ন বা ইক্যুইটি ফাইন্যান্স নামেই বেশি পরিচিত। বেসরকারি খাতের প্রথম প্রতিষ্ঠান হিসেবে ইক্যুইটি ফাইন্যান্স শুরু করল এবি ব্যাংকের বিনিয়োগ ব্যাংকিং বিভাগ। এর আগে রাষ্ট্রায়ত্ত বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠান ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি) অনেকটা এ ধরনের অর্থায়ন করত।
জানা গেছে, এবি ব্যাংক এভারেস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানি লিমিটেড এবং ফাইবার@ হোম নামে দুটি কোম্পানির পাঁচ কোটি টাকার শতভাগ রূপান্তরযোগ্য অগ্রাধিকার শেয়ারে বিনিয়োগ করেছে। তবে শর্ত হলো, তিন বছর পর কোম্পানিগুলোকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হতে হবে। যাতে তালিকাভুক্তির পর বাজারে শেয়ারগুলো বিক্রি করে মুনাফাসহ বিনিয়োগ করা অর্থ ফেরত পেতে পারে। তালিকাভুক্তির আগ পর্যন্ত কোম্পানিগুলোর সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাবে, যা অবশ্যই প্রচলিত ব্যাংক সুদের চেয়ে অনেক কম।
যোগাযোগ করা হলে এবি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক ফজলুর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, অর্থায়নের এ বিকল্প পদ্ধতি ব্যাপকভাবে চালু করা সম্ভব হলে প্রচলিত ব্যাংক ঋণের ওপর চাপ কমবে। ফলে ব্যাংকগুলো তাদের সুদের হার কমাবে। এতে সুদহার কমানোর জন্য ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণে বড় ধরনের অগ্রগতি হবে।
ফজলুর রহমান আরও বলেন, ব্যাংক ঋণের থেকে এ ধরনের অর্থায়নের গুণগত পার্থক্য হলো, চুক্তি অনুযায়ী কেবল মুনাফা হলেই উদ্যোক্তা অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠানকে লভ্যাংশ দেবে। তা না হলে দেবে না। কিন্তু ঋণের সুদহার সব সময়ের জন্য স্থির থাকে। তা ছাড়া এ ধরনের অর্থায়নের লভ্যাংশ সুদহারের কম হওয়ায় উদ্যোক্তাদের জন্য খরচও কমাবে। একই সঙ্গে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্তির শর্ত থাকায় বাজারে ভালো শেয়ারের সরবরাহও নিশ্চিত হবে। এতে পুঁজিবাজারের গভীরতা বাড়াবে।
ফজলুর রহমান বলেন, তবে একটি বা দুটি কোম্পানির মাধ্যমে এর সুফল বোঝা যাবে না। এ জন্য অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠানকেও এগিয়ে আসতে হবে।
জানা গেছে, তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলালায়ন ও ক্যাশ লিংকসহ আরও কয়েকটি কোম্পানির সঙ্গে এ ধরনের অর্থায়নের ব্যাপারে অগ্রগতি হয়েছে। আর এগুলো বাস্তবায়িত হলে ব্যাংকের মুনাফাও বাড়বে। আইসিবি আগে এ ধরনের সেতু অর্থায়ন বা ব্রিজ ফাইন্যান্সিং করত। এভাবে কয়েক বছরের মধ্যে প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ৮০টি কোম্পানিকে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত করতে সক্ষম হয়। কিন্তু ১৯৯৬ সালের পুঁজিবাজার ধসের পর বাজারে শেয়ারের চাহিদা কমে গেলে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) সুপারিশে আইসিবি এ ধরনের অর্থায়ন বন্ধ করে দেয়। তবে সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি আবার নতুন করে এ কার্যক্রম শুরুর পরামর্শ দিয়েছে আইসিবিকে। আইসিবি নিজস্ব তহবিল থেকে এ ধরনের অর্থায়ন শুরু করবে বলে জানা গেছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এক সপ্তাহেই সূচক, লেনদেন ও বাজার মূলধনের রেকর্ড
বিশ্লেষকেরা বলছেন, দেশের পুঁজিবাজারে ইতিহাসে কোনো একক সপ্তাহের লেনদেন হিসেবে গত সপ্তাহের মোট লেনদেন ছিল এ যাবত্কালের সর্বোচ্চ। আর লেনদেনের এ চিত্রই নির্দেশ করে পুঁজিবাজারে বিনিয়োগকারীদের আস্থার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ তারল্য (অর্থের) প্রবাহ রয়েছে। এসব অর্থ স্বল্পসংখ্যক শেয়ারের পিছে ধাবিত হওয়ায় বাজারে মূল্যসূচকও বাড়ছে। ফলে ডিএসইর সাধারণ মূল্যসূচক গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ মাইলফলক স্পর্শ করে। এরই প্রভাবে স্টক এক্সচেঞ্জটির বাজার মূলধন প্রথমবারের মতো দুই লাখ কোটি টাকা অতিক্রম করেছে, যা মোট দেশজ উত্পাদনের (জিডিপি) প্রায় ৩৩ শতাংশের মতো।
ডিএসইর সাপ্তাহিক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, গত সপ্তাহে স্টক এক্সচেঞ্জটির সাধারণ মূল্যসূচক আগের সপ্তাহের চেয়ে প্রায় ১১৬ পয়েন্ট বেড়ে চার হাজার ৮৩৮ পয়েন্ট অতিক্রম করেছে। এর আগের সপ্তাহে সূচক ১৮৭ পয়েন্ট বেড়ে হয়েছিল চার হাজার ৭২২ পয়েন্ট। এ হিসেবে গত দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইতে সূচক বেড়েছে ২০২ পয়েন্টের মতো। আর সূচক বৃদ্ধির এ ধারা নিয়ন্ত্রক সংস্থা সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনকে (এসইসি) কিছুটা হলেও বিচলিত করে তুলেছে। গত বুধবার সংস্থাটির ভূমিকার কথা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা তেমনটিই ধারণা দিয়েছেন।
ওই দিন এসইসির তদারকি বিভাগ থেকে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউস ও মার্চেন্ট ব্যাংকে টেলিফোন করে তাদের গ্রাহকদের আর্থিক সমন্বয় সুবিধা বা নেটিং বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। আর এ খবরটিই বাজারে নানা গুজবের সৃষ্টি করে মূল্যসূচকের বড় ধরনের পতন ঘটায়। বাজার চলাকালে নিয়ন্ত্রক সংস্থার সূচক নিয়ন্ত্রণের এ ধরনের উদ্যোগ নানা বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যা ছিল সপ্তাহের শেষে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়।
যোগাযোগ করা হলে আইডিএলসি ফাইন্যান্সের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক আরিফ খান প্রথম আলোকে বলেন, বাজার যেভাবে বাড়ছে সেটি স্বাভাবিক। তবে কোনো বাজারই অনির্দিষ্টকাল বাড়তে পারে না। একটি পর্যায়ে এসে মূল্য সংশোধন হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু সমস্যা হলো বিনিয়োগকারীরা এ স্বাভাবিক বিষয়টাকে মানতে পারে না। আবার নিয়ন্ত্রক সংস্থা যেভাবে সূচক নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে, সেটিও ঠিক নয়। মূল্য সংশোধন স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় হতে দেওয়া উচিত বলে তিনি মনে করেন।
বাজার পরিস্থিতি: গত সপ্তাহে বিদ্যুত্ ও জ্বালানি খাতের সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিগুলো লেনদেনের ক্ষেত্রে এগিয়ে ছিল। সপ্তাহের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত সফরে বিদ্যুত্ খাতে সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা এবং সপ্তাহ শেষে ২৬টি সরকারি মালিকানাধীন কোম্পানিকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে বাজারে নিয়ে আসার অর্থমন্ত্রীর ঘোষণা বিনিয়োগকারীদের উত্সাহিত করেছে। টেলিযোগাযোগ খাতের কোম্পানি গ্রামীণফোনের শেয়ারের প্রতিও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ ছিল লক্ষ করার মতো। চলতি বছরের প্রথম সপ্তাহে এ প্রতিষ্ঠানে শেয়ারের বিনিয়োগে ঋণসুবিধা উন্মুক্ত হওয়ায় বিনিয়োগকারীরা এ দিকে ঝুঁকছেন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। তবে লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিটি ছিল বেক্সিমকো লিমিটেড। বর্তমানে বাজারে এ কোম্পানিটির শেয়ারের আয় অনুপাতে দাম বা পিই অনুপাত সবচেয়ে কম। শেয়ারটির প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের এটি অন্যতম প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।
দর বৃদ্ধির শীর্ষ ১০ কোম্পানি: পিপলস ইনস্যুরেন্স, বিচ হ্যাচারি, সোনালী আঁশ, ইস্টল্যান্ড ইনস্যুরেন্স, কর্ণফুলী ইনস্যুরেন্স, মেঘনা পেট্রোলিয়াম, পঞ্চম আইসিবি মিউচুয়াল ফান্ড, আরামিট, ন্যাশনাল লাইফ ইনস্যুরেন্স ও ফু ওয়াং ফুড।
দর কমার শীর্ষ ১০: এস আলম, মুন্নু জুটেক্স, উত্তরা ফাইন্যান্স, মেঘনা সিমেন্ট, শমরিতা হাসপাতাল, ফার্স্ট লিজ ফাইন্যান্স অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট, অ্যাপেক্স ফুডস, স্টান্ডার্ড ইনস্যুরেন্স, ফিনিক্স ফাইন্যান্স ও রূপালী ব্যাংক।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সরকারি ঋণপত্র নিলামের সুপারিশ
দেশের সরকারি ঋণপত্রসমূহ অর্থাত্ ট্রেজারি বিল এবং ট্রেজারি বন্ডের নিলাম ও নিবন্ধনপ্রক্রিয়া পুরোপুরি স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে প্রচলিত সঞ্চয়পত্রগুলোর সুদের হার ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদের হারের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ করার কথাও বলা হয়েছে।
সম্প্রতি বিশ্বব্যাংকের একটি দল বাংলাদেশের সরকারি সিকিউরিটিজসমূহের সার্বিক অবস্থা পর্যালোচনা করে এই অভিমত দিয়েছে। দলটি সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা এবং বাজার সংশ্লিষ্টদের সঙ্গেও মতবিনিময় করেছে। বিশ্বব্যাংকের এক তথ্যপত্রে এসব কথা জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে যে বিশ্বব্যাংক মনে করে, বাংলাদেশের সরকারি সিকিউরিটিজের প্রাথমিক বাজারের স্বচ্ছতা সম্প্রতি বছরগুলোয় অনেক বেড়েছে। নিলামের সময়সূচি আগাম প্রকাশ করা এবং নিলামের ফলাফল দ্রুত প্রকাশ করাই এর কারণ।
তবে ট্রেজারি বিল ও ট্রেজারি বন্ডের নিলাম পদ্ধতি এখনো সনাতন রয়ে গেছে, যা এই সিকিউরিটিজের প্রাথমিক বাজারের দক্ষতা বৃদ্ধির পথে অন্তরায়।
সাধারণত নিলামের তারিখে অংশগ্রহণকারীদের লিখিত দরপত্র বাংলাদেশ ব্যাংকে দাখিল করতে হয়। অতঃপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃপক্ষ তা যাচাই-বাছাই করে গ্রহণ বা বর্জন করে থাকে। সে অনুযায়ী বিল ও বন্ড নির্বাচিত দরদাতার কাছে বিক্রি হয়।
ট্রেজারি বিল ও বন্ড বিক্রি করে সরকার মূলত বিভিন্ন মেয়াদি ঋণ গ্রহণ করে থাকে।
বিশ্বব্যাংক আরও মনে করে যে সরকারি সিকিউরিটিজগুলোর চাহিদা এখনো অল্প কিছু উেসর ওপর নির্ভরশীল। আর তাই এসব সিকিউরিটিজের প্রাথমিক ও দ্বিতীয় স্তরের বাজার বিকাশের বড় সম্ভাবনা রয়েছে।
ইতিমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ ব্যাংক যে পৃথকভাবে সরকারের ঋণব্যবস্থাপনা বিভাগ খুলেছে, তাকে ইতিবাচক বলে অভিহিত করেছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি মনে করে, একটি দক্ষ ও বড় ঋণবাজার বাংলাদেশ সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ নীতি কর্মসূচি।
বিশ্বব্যাংক আরও মনে করে, বর্তমান বিশ্ব আর্থিক সংকট থেকেও এটা স্পষ্ট হয়েছে যে কোনো দেশের জন্য একটি দক্ষ ও শক্তিশালী ঋণবাজার প্রয়োজন। কেননা এই ঋণবাজার সরকারি ঋণব্যবস্থাপনা, ব্যাংকের তারল্য-ব্যবস্থাপনা ও মুদ্রানীতি পরিচালনার জন্য অত্যন্ত সহায়ক।
বিশ্বব্যাংক এও মনে করে যে ঋণবাজারের বিকাশের ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের জাতীয় সঞ্চয়পত্রের সুদের উচ্চ হার অন্যতম অন্তরায়। তাই ট্রেজারি বিল ও বন্ডের সুদের হারের সঙ্গে সঞ্চয়পত্রের সুদের হার সংগতিপূর্ণ করা উচিত।
বর্তমানে দেশে তিন ধরনের সঞ্চয়পত্র প্রচলিত আছে। এগুলো হলো, পাঁচ বছর মেয়াদি বাংলাদেশ সঞ্চয়পত্র, তিন বছর মেয়াদি (ত্রৈমাসিক সুদ দেয়) সঞ্চয়পত্র এবং পাঁচ বছর মেয়াদি পেনশনার (ত্রৈমাসিক সুদ দেয়) সঞ্চয়পত্র। মেয়াদান্তে এগুলোর মুনাফার হার যথাক্রমে ১২ শতাংশ, সাড়ে ১১ শতাংশ ও সাড়ে ১২ শতাংশ।
অন্যদিকে বর্তমানে ৯১ দিন, ১৮২ দিন ও ৩৬৪ দিন মেয়াদি তিন ধরনের ট্রেজারি বিল চালু রয়েছে, যেগুলোর গড় সুদের হার যথাক্রমে দুই দশমিক ৩০ শতাংশ, সাড়ে তিন শতাংশ ও চার দশমিক ৬০ শতাংশ।
তবে সঞ্চয়পত্রের মতো এগুলোর সুদের হার পূর্বনির্ধারিত নয়। বরং নিয়মিত বাজারে লেনদেনের ভিত্তিতে এর সুদের হার ওঠানামা করে।
এ ছাড়া পাঁচ বছর, ১০ বছর, ১৫ বছর ও ২০ বছর মেয়াদি চার ধরনের ট্রেজারি বন্ড চালু আছে। বর্তমানে এগুলোর গড় সুদের হার যথাক্রমে সাত দশমিক ৮০ শতাংশ, আট দশমিক ৭৫ শতাংশ, আট দশমিক ৬৯ শতাংশ ও ৯ দশমিক ১০ শতাংশ।
ট্রেজারি বন্ডও নিলামের ভিত্তিতে লেনদেন হয় এবং সে অনুসারে সুদের হার ওঠানামা করে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জিতেছে চেলসি ও ম্যানইউ
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
চাপের মুখে ইংল্যান্ড
ইংল্যান্ডের ১৮০ রানের জবাবে ৭ উইকেটে ৪২৩ রান তুলে প্রথম ইনিংস ঘোষণা করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ২৪৩ রানের লিড পেয়েছিল তারা। সেটিকে ১৯৫ রানে নামিয়ে আনতে না-আনতেই তিনটি উইকেট খুইয়েছে ইংল্যান্ড। এ প্রতিবেদন লেখার সময় দ্বিতীয় ইনিংসে তাদের স্কোর: ৪৮/৩। ৯ রানে অপরাজিত কেভিন পিটারসেনের এটাই শেষ সুযোগ সিরিজটাকে স্মরণীয় করে রাখার। আউট হয়েছেন অ্যালিস্টার কুক (১), জোনাথন ট্রট (৮) আর অ্যান্ড্রু স্ট্রাউস (২২)।
দ্বিতীয় দিনের মতো কালও ইংল্যান্ডকে ক্ষোভ ঝাড়তে দেখা গেল গ্রায়েম স্মিথের নটআউট সিদ্ধান্তটি নিয়ে। ইংনিসের শুরুতেই স্মিথ আউট হয়ে গেলে ম্যাচের চেহারা অন্যরকম হতো বলেই মনে করছে ইংলিশরা। কারণ তাঁর ১০৫ রানের ইনিংসে পাওয়া দারুণ ভিত্তির পরও কাল সকালে ‘হাইতি-ভূমিকম্পের’ ছোঁয়া লেগেছিল দক্ষিণ আফ্রিকার ইনিংসে!
দিনের দ্বিতীয় ওভারেই হাশিম আমলাকে (৭৫) উইকেটের পেছনে ক্যাচ বানিয়েছেন স্টুয়ার্ট ব্রড। আগের ম্যাচের সেঞ্চুরিয়ান জ্যাক ক্যালিসকে (৭) ফেরান রায়ান সাইডবটম। ওই ৭ রান করেই গ্রায়েম সোয়ানের শিকার হন জেপি ডুমিনি। ১ উইকেটে ২০১ রান তোলা দক্ষিণ আফ্রিকা তাদের পঞ্চম উইকেট হারায় ২৩৫ রানে।
তার পরও ইংল্যান্ড স্বস্তি নিয়ে মধ্যাহ্নভোজে যেতে পারেনি। যেতে দেয়নি আসলে মার্ক বাউচার আর এবি ডি ভিলিয়ার্সের অবিচ্ছিন্ন জুটি। লাঞ্চের আগেই ফিফটি করে ফেলেছিলেন বাউচার। ফিফটি থেকে ৭ রান দূরে ছিলেন ডি ভিলিয়ার্স। ফিফটিটাকে সেঞ্চুরিতে রূপ দিতে পারেননি দুজনের কেউই। ডি ভিলিয়ার্সের চেয়ে বাউচারের দুঃখটাই বেশি। তিনি আউট হয়েছেন ৯৫ রানে! তবে এই উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যানের জন্য সবচেয়ে বড় সান্ত্বনা, ভিলিয়ার্সের সঙ্গে তাঁর ১২০ রানের জুটিটাই শেষ করে দিয়েছে ইংল্যান্ডের দারুণভাবে ফিরে আসার সম্ভাবনা।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিন দিনেই জিতে গেল ঢাকা ও রাজশাহী
রাজশাহীতে প্রথম ইনিংসের ১৩২ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে খুলনা তোলে ২২০ রান। প্রথম ইনিংসে ঢাকা মাত্র ১২০ রান করায় তাদের জয়ের লক্ষ্য দাঁড়ায় ২৩৩। প্রথম ইনিংসের রান বিবেচনায় লক্ষ্যটাকে ‘বড়’ই মনে হচ্ছিল। কিন্তু দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়ায় ঢাকার ব্যাটসম্যানরা। ২ উইকেট হারিয়েই তুলে নেয় জয়। আউট হওয়া দুই ওপেনার উত্তম সরকার (৫৩) ও রনি তালুকদারের (৬৪) পর হাফ সেঞ্চুরি করেছেন শামসুর রহমান (৫৩*) ও মার্শাল আইয়ুব (৫২*)।
ফতুল্লায় জহুরুল (১৩৯) ও নাঈমের (১২৩*) সেঞ্চুরিতে সিলেটের ওপর যে রানের পাহাড় চাপিয়ে দিয়েছিল রাজশাহী, সেই পাহাড় সরাতে পারেনি সিলেট। প্রথম ইনিংসে ১৪৪ রানের পর দ্বিতীয় ইনিংসে তারা অলআউট ২৪৬ রানে।
সিলেটকে ইনিংস ব্যবধানে হারিয়েছেন আসলে বাঁহাতি স্পিনার সাকলাইন সজীব। ম্যাচসেরাও তিনিই। প্রথম ইনিংসে ৭ উইকেটের পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েছেন তিনি। আর এ ম্যাচে সিলেটের প্রাপ্তি বলতে দ্বিতীয় ইনিংসে রাজিন সালেহর সেঞ্চুরি (১১২)। দুই ইনিংস মিলিয়ে সিলেটের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্কোর ৪৩। দ্বিতীয় ইনিংসে এটা করেছেন গোলাম মাবুদ।
খুলনায় কাল দিনের প্রথম ভাগ পর্যন্তও এগিয়ে ছিল বরিশাল। চট্টগ্রামের ২০০ রানের জবাবে বরিশাল প্রথম ইনিংসে তুলেছিল ২৩৯। দ্বিতীয় ইনিংসে চট্টগ্রামকে ২৬৯ রানে বেঁধে ফেলে তারা। ২৩১ রান—জয়ের লক্ষ্যটাও খুব বড় ছিল না। তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ভেঙে পড়ে বরিশালের ব্যাটিং। ১৮ রানে উইকেট পতনের। ৪৬ রানের মধ্যে ৫ উইকেট নেই। এর মধ্যে শেষ তিনটি উইকেট পড়েছে ৪ রানের ব্যবধানে। জয়ের জন্য আরও ১৭৮ রান প্রয়োজন বরিশালের। তবে এটিকে এখন অনতিক্রম্যই মনে হচ্ছে।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাঁরা আবার ফিরে যাচ্ছেন লন্ডন
ক্যাম্পে সর্বশেষ যে চারজন খেলোয়াড়কে চেয়েছিলেন সার্বিয়ান কোচ, তাঁর মধ্যে গোলরক্ষক বিপ্লব কাল যোগ দিয়েছেন, মিডফিল্ডার প্রাণতোষ যোগ দেবেন আজ। ডিফেন্ডার রজনী ভারতে গেছেন। ইনজুরির কারণে ক্যাম্পে যোগ দিতে অপারগতা জানিয়েছেন মিডফিল্ডার উজ্জ্বল। এই খেলোয়াড়দের মূলত এএফসি চ্যালেঞ্জ কাপের জন্যই ডাকা হয়েছিল।
বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কোচ সাইফুল বারী টিটুকে। বাফুফের জাতীয় দল ব্যবস্থাপনা কমিটি কালকের সভায় নিয়েছে এ সিদ্ধান্ত।
এদিকে বাংলাদেশ দলের প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বাফুফে সদস্য ও মোহামেডানের ফুটবল ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুকে। এর আগে তিনি জাতীয় দলের ম্যানেজার ছিলেন।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জার্মানিসের কথায় জার্মান-দর্শন
সেই স্বপ্নে বাস্তবতার কশাঘাত হেনেছে স্লোভেনিয়াই। রুশদের দর্শক বানিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ খেলতে গেল তারাই। ২০০২ বিশ্বকাপে তারা ছিল ‘বি’ গ্রপে। এবার পড়েছে গ্রুপ ‘সি’তে। গ্রুপ আলাদা, তবে ভাগ্য তাদের অভিন্ন হবে বলেই অনুমান বোদ্ধাদের। এবারও ইংল্যান্ড, যুক্তরাষ্ট্র ও আলজেরিয়ার সঙ্গে এক গ্রুপে পড়া স্লোভেনিয়াকে এবারও ফিরতে হবে খালি হাতে।
কিন্তু এবার আর ‘অংশগ্রহণই বড় কথা’ এই আপ্তবাক্যে সন্তুষ্ট থাকতে রাজি নয় তারা। উয়েফার সেরা ১৩ দলের একটি হিসেবেই বিশ্বকাপের টিকিট পাওয়া মধ্য ইউরোপের দেশটি স্বপ্ন দেখছে দ্বিতীয় রাউন্ডের। আলজেরিয়াকে তো বটেই, যুক্তরাষ্ট্র কিংবা ইংল্যান্ডকেও হারানো সম্ভব বলে মনে করছেন দেশটির সাবেক খেলোয়াড় আলফ্রেড জার্মানিস।
‘জ্লাতকো দেদিচ আর মিসো ব্রেকো যেভাবে খেলছে তাতে আমি মুগ্ধ। দেদিচ তো প্রতিটি ম্যাচেই উন্নতি করছে। সবাই যখন ওকে বাতিলের খাতায় ফেলে দিয়েছিল, ঠিক তখনই ও জাতীয় দলে ফিরে এসেছে। আর এখন তো ও জাতীয় হিরো’—বিশ্বকাপে তুলে দেওয়া গোল করা দেদিচের ওপর অনেক আশা জার্মানিসের। তবে শুধু এক-দুজন নয়, পুরো দলটার ওপরই আস্থা আছে তাঁর, ‘এই দলটা একাট্টা হয়ে খেলছে। ম্যাচ জিততে এরা ভাগ্য-সহায়তায় বিশ্বাসী নয়। এরা নিজেরাই নিজেদের ভাগ্য গড়ে নিতে সক্ষম’—বলেছেন জার্মানিস।
জার্মানিসের কথায় একটু কি জার্মান-দর্শনের ছোঁয়া পাওয়া গেল? ওয়েবসাইট।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের শুভসূচনা
নিউজিল্যান্ডে চলমান অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ছোট ভাইদের বিপক্ষে বড় ভাইয়েরাই জিতল। তবে সহজ ম্যাচটা বাংলাদেশ জিতেছে কঠিন করেই। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে আসা জয়টটা ৫ উইকেটের। পরশু ম্যাচে পাপুয়া নিউগিনি (পিএনজি) একসময় শঙ্কায় ফেলে দিয়েছিল বাংলাদেশকে। শুরুর ২৪ ওভার পর বৃষ্টি হানা দিয়ে ম্যাচটিকে পুনর্নির্ধারিত হয় ৪৬ ওভারে। টসজয়ী পিএনজি ৯ উইকেটে ১৯১ রান তোলে প্রথমে ব্যাট করে। বাংলাদেশ তাদের সামনে দাঁড়ানো ১৮৯ রানের লক্ষ্যটা পেরিয়ে যায় হাতে ৫ উইকেট ও ১১২ বল বাকি রেখেই। এই যদি হয় ম্যাচের পরিণতি, তাহলে বাংলাদেশের শঙ্কার কারণ ঘটল কখন?
টেলিফোনে নিউজিল্যান্ড থেকে বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার তানজীব আহসান সাদ জানালেন, ‘১০ ওভার শেষে ওরা ৭৭ রানের মধ্যে আমাদের ৪ উইকেট ফেলে দিয়ে আসলেই শঙ্কার মধ্যে ফেলে দিয়েছিল।’ কেন হলো এমন ব্যাটিং বিপর্যয়? সাদের উত্তর, ‘আর বলবেন না, ওদের বোলারদের পিটিয়ে মারতে গিয়ে উইকেট বিলিয়েছে আমাদের ব্যাটসম্যানরা। অমিত, সৈকত, মমিনুল—একইভাবে উইকেট দিয়ে এসেছে। জিতেছি মাহমুদুল, সাব্বির ও নূরুলের ব্যাটিংয়ে। ওপেনার আনামুলও ভালো করেছে।’
অলরাউন্ডার সাব্বির রহমান জয়ের নায়ক। লেগ স্পিনে ১ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি দলের পক্ষে সর্বোচ্চ রানও তাঁর (অপরাজিত ৫১, ৬টি চার ও ১টি ছয়)। ওপেনার আনামুল করেছেন ৩৬ রান, অধিনায়ক মাহমুদুল হাসান ৩৮ এবং নূরুল হাসান ২৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। বোলিংয়ে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দলের ‘হিরো’ আবুল হাসান, ২২ রানে ৪ উইকেট নিয়েছেন এই পেসার।
প্রথম ম্যাচটা ‘শিক্ষা’ হিসেবে নিয়ে গতকাল বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে তিনটায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশের যুবারা। এ ম্যাচ জিতলেই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত তাদের। ওদিকে কানাডা ৯ উইকেটে হারিয়ে দিয়েছে জিম্বাবুয়েকে। যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়া আর হংকংয়ের বিপক্ষে ইংল্যান্ড পেয়েছে বড় জয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুই রকম অভিষেক
আইসিএল থেকে ফেরার পর ত্রিদেশীয় সিরিজের ওয়ানডে দলে থাকলেও কোনো ম্যাচেই খেলা হয়নি শাহরিয়ারের। টেস্ট থেকে দুই বছর আর ওয়ানডে থেকে প্রায় দেড় বছর বাইরে থাকার পর আজ আবার জাতীয় দলের হয়ে খেলতে নামবেন তিনি। ত্রিদেশীয় সিরিজে ওয়ানডে অভিষেকের পর আজ টেস্ট অভিষেক হবে শফিউলেরও।
দল সূত্রে জানা গেছে, প্রথম টেস্টের জন্য তিন পেসার আর এক বিশেষজ্ঞ স্পিনার নিয়েই হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম একাদশ। ১৪ জনের স্কোয়াড থেকে একাদশের বাইরে থাকবেন জুনায়েদ সিদ্দিক, মাহবুবুল আলম ও এনামুল হক জুনিয়র। তবে আজ সকালে উইকেট দেখার পর বদলেও যেতে পারে দলের এই চেহারা। সে ক্ষেত্রে রুবেলের জায়গায় হয়তো দেখা যাবে এনামুলকেই।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
পরিবেশের কান্না শুনি আমার অন্তরে -প্রকৃতি বিনাশ by মোজাফ্ফর আহমদ
মানুষ তার জ্ঞান ব্যবহার করে প্রকৃতি বিজয়ের আনন্দে মাতোয়ারা হয়ে উঠল। মাটি কর্ষণ করে ফসল ফলাল। এক মাঠ ছেড়ে ভিন্ন মাঠে গেল। মাটিতে কান পেতে কিছু শোনা হলো না। মাটি বলে, ‘আমার জীবনকে ঊষর করে তুললে আমি মরে যাব। বর্ষার বৃষ্টি, প্লাবনের পলি, শীতের বরফ কিছু সময় তোমার কর্ষণ থেকে আমাকে মুক্তি দেয়। আমার বুক চিরে চিরে তুমি যে ফসল ফলাও, তাতে আমার প্রাণশক্তি আমি নিঃশেষ করে দিই এই আশায় যে আমার প্রকৃতির দেওয়া শক্তি কিছু সময় আকর্ষণের মাধ্যমে আবার আমি ফিরে পাব।’ মানুষের সংখ্যা বাড়ে, মানুষের খাদ্যতালিকায় নানা বৈচিত্র্যের আওতায় আসে এক ফসলের জায়গায় দুই ফসল, তিন ফসলও চাষ হয়। মানুষ মাটির প্রাণশক্তিকে না খুঁজে উর্বরতার খোঁজ করে। মানুষের তৈরি সার আসে, আসে জিন প্রজাতির বীজ, পানির চাহিদা বাড়ে, পোকা তাড়াতে আসে পোকা মারার ওষুধ। প্রকৃতির যে নিজস্ব ভারসাম্য, মানুষ সেখানে আঘাত করে। মানুষের প্রয়োজন ও ভোগবাদিতা প্রকৃতিকে বিপন্ন করে, বিপন্ন করে খরা আসে, নানা প্রজাতির গুল্মলতা হারিয়ে যায়, হারিয়ে যায় পাখি, পোকামাকড়, নানা রকমের প্রাণী। যেহেতু মানুষ তার উন্নয়নের পরিমাপ করে সম্ভোগের মাত্রা দিয়ে, কী হারালাম, কী সংরক্ষণ করতে ব্যর্থ হলাম তা দিয়ে নয়; তাই প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থানের যোজক ধারণা স্তিমিত হয়ে পড়ে।
নদীতে মাছ তো প্রকৃতির দান। শুধু তো মাছ থাকে না, থাকে অনেক জলজ প্রাণী, গুল্ম। সেচের জন্য যখন স্বল্প প্রবাহের পানি তুলে প্রবাহের মাত্রা কমিয়ে দিই, অথবা বাঁধের মতো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেচ ও মাছ চাষের আনন্দে বিভোর হই, তখনো ভেবে দেখি না, নদীর গতিপ্রবাহের যে ধারা তাকে বাধা দিয়ে বস্তুগত পরিবর্তন কী ক্ষতি করে। বিপন্ন করি প্রাণী ও উদ্ভিদ জগতের জীবন ও বৈচিত্র্য। অথচ সম্ভোগ-পণ্যের সরবরাহ বাড়লেই বিনিয়োগের সার্থকতা আমাদের আনন্দিত করে, উন্নয়ন সার্থক বলে আমরা ধারণা করি। নদীর গতি পরিবর্তন বস্তুগত ক্ষতির যে অভিঘাত সৃষ্টি করে, তাতে মানুষের জীবনও ক্ষতিগ্রস্ত হয়; সেটা বুঝতে আমাদের সময় লাগে। নদীর বুকে যখন রাস্তা বানাই, নদীর ধারাকে যখন স্তিমিত বা পরিবর্তিত করি, যখন চর ওঠে আর পাড় ভাঙে তখন রাস্তার সুবিধা আমাদের অনেক আকর্ষণীয় মনে হয়। নদীর জীবন, নদীর পারের জীবন, নদীর ওপর নির্ভরশীল মানুষের জীবন—এসবের ক্ষতি আমরা উন্নয়নের নামে অবনয়ন বলে স্বীকৃতি দিই না। মানবজীবনে জলধারার যে অপরিমেয় অবদান, তার হিসাব কিন্তু কখনোই করি না। নদীতে বর্জ্য ফেলি, শিল্পকে বর্জ্য ফেলতে দিই, যান্ত্রিক জলযান থেকে বর্জ্য ফেলি—পানিতে এসবের অপরিমিত ক্ষতির হিসাব না হলে কিছু লোকের জীবনে নানাবিধ বিপর্যয় নেমে আসে।
নদীর মতোই প্রকৃতির একটি সুন্দর বিকাশ পাহাড় ও বনাঞ্চল। বনে নানা প্রজাতির গাছের সঙ্গে আছে নানা গুল্ম, লতা, নানা রকমের পোকামাকড়, নানাবিধ ফুল, কত রকমের পাখি যে বাসা বাঁধে, তা না দেখলে অনুমান করা যায় না। বনাঞ্চলের নৈসর্গিক সৌন্দর্য যে মানুষ একবার অনুভব করেছে, তার অন্তরে সে সুন্দর একটি আর্তি সৃষ্টি না করে পারে না। বন আমাদের অনেক দেয়—বাতাসের মলিনতা শুষে নেয়, মধুর সৃষ্টি এক আকর্ষণীয় প্রাকৃতিক কর্ম, ঔষধি গাছ তো আছেই; কাঠের সরবরাহ, জ্বালানির সরবরাহ, শিল্পের কাঁচামালের সরবরাহ বনাঞ্চলই করে থাকে। বনের আর্তি শুধু একটিই—তার নবায়নক্ষমতার বেশি আহরণ করলে ক্রমবৃদ্ধিমান জনসংখ্যার কারণে প্রজন্মান্তরে মানুষ তার সম্পদের উত্স থেকে বঞ্চিত হবে; নরম কাঠ থেকে কাগজ তৈরিতে মণ্ড বানাও, কিন্তু সে বন উজাড় করে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাকে বিপন্ন কোরো না; ঘরের জন্য আসবাব বানাও, আসবাব বানাতে বন উজাড় করে ফেলো না; বনের প্রাণীরা নির্ভয়ে বিচরণ করে, শিকার করতে গিয়ে তাদের নিঃশঙ্ক জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত কোরো না; নানা গুল্মলতার ব্যবহারে সবার জীবন সমৃদ্ধ হয়, সে সম্ভাবনাকে মেরে ফেলো না; বনাঞ্চল দূষিত করে তোলো, বনকে ধ্বংস করে মানুষের জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত কোরো না। বনের মাঝে কান পেতে প্রকৃতিপ্রেমীরা এমন সব কথা শুনতে পান, যা আমাদের নীতিনির্ধারক রাজনীতিকেরা শুনতে পান না। উন্নয়নের মাত্রা যাঁরা মাপেন, তেমন উন্নয়ন অর্থনীতিবিদেরাও এসব অনুভব করেন না। সেই সঙ্গে যুক্ত থাকে ব্যবসায়ী মুনাফাকারী মানুষরূপী হায়েনার দল।
আজ নগরায়ণ উন্নয়নের এক মাত্রা বলে মেনে নেওয়া হয়েছে। নগরের বিস্তৃতি ঘটেছে, নগরে আসছে শিল্প-বাণিজ্য, অর্থ, বিনিয়োগ ও দরিদ্র শ্রমিক। বস্তি যার এক পরিণতি। চাহিদা বাড়ছে, যানবাহনের সংখ্যা বাড়ছে, বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, জীবনযাত্রার মান বাড়াতে নানা ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। শব্দদূষণ ও বায়ুদূষণ বাড়ছে। বাড়ছে অপরিকল্পিত আবাসন। সম্ভোগের মাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে শপিং মল, ফাস্টফুডের দোকান, শীতাতপনিয়ন্ত্রিত হোটেল, অফিসসহ নানা স্থাপনা। প্রকৃতি কিন্তু বিপন্ন হয় নির্গত গ্যাসের কারণে। আমরা অপ্রাকৃত জীবনকেই উন্নত জীবন বলে ভাবি। বুকভরে নিঃশ্বাস নিতে পারি না, কারণ হাঁটার জায়গা নেই, বাতাসে আছে নানা পার্টিকেল ও জীবাণু। প্রকৃতির দেওয়া বিশুদ্ধ খাবার আজ নানা কারণে স্বাস্থ্যসম্মত নয়, অথচ তারই বিপণন চলে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন ও বিপণিবিতানের সহায়তায়। এ কৃত্রিম জীবন নগর ছাড়িয়ে শহরে, শহর ছাড়িয়ে শহরতলিতে, শহরতলি থেকে গ্রামে পৌঁছে যায়। সুস্থ জীবন আজ বিপন্ন।
সারা বিশ্বে আজ জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা চলছে। রাষ্ট্রনায়কেরা বিলাসবহুল আলোচনা সভায় মিলিত হচ্ছেন। উন্নয়নের জন্য যে প্রযুক্তির উদ্ভব হয়েছিল, মানুষের সম্ভোগ মেটাতে যে কৃত্রিম সুযোগ-সুবিধার সৃষ্টি করেছিল, তার সবই প্রকৃতিকে দীন করেছে। গত ৫০ বছরে পৃথিবীর মানুষ, বিশেষ করে উন্নত দেশের মানুষ প্রকৃতি থেকে পাওয়া সম্পদ যে পরিমাণ ব্যবহার করেছে ভোগের জন্য, উত্পাদন-দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য, পুঁজিপণ্য নির্মাণে; এর আগে ১০ হাজার বছরে প্রকৃতির সম্পদ এ মাত্রায় ব্যবহূত হয়নি। উন্নয়নের নামে যত উদ্বাহু নৃত্য আমরা করেছি, তত আমরা আমাদের ভবিষ্যেক বিপন্ন করেছি। বহু নবায়নযোগ্য সম্পদ হারিয়ে গেছে, বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে। অনেক ফুলের সুবাস আর পাওয়া যাবে না। অনেক ফলের স্বাদ আর আমরা জানব না। অনেক মানুষ প্রকৃতির এমন বিপন্ন অবস্থার কারণে, স্বাস্থ্যগত কারণে আজ ঝুঁকির মুখে, খাদ্যনিরাপত্তা আজ নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে। জীবনের নিরাপত্তা সম্পদ সীমাবদ্ধ হয়ে প্রতিযোগিতার নামে আজ প্রশ্নবিদ্ধ। উন্নয়নের মাপকাঠি হিসেবে percapita energy use intensity কে ব্যবহার করেছি, তার বাধাবন্ধনহীন নানা ব্যবহার আজ বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই-অক্সাইডের যে মাত্রা যোগ করেছে, তাতে ওজোনস্তর পাতলা হয়ে আসছে, ফলে নিরাপদ তাপের উত্স সূর্যালোক আর নিরাপদ নাও থাকতে পারে।
আমরা সংগত কারণে বলছি, এ পাপ তো শিল্পোন্নত দেশের। আবার উন্নয়নশীল দেশের অগ্রগামীরা দাবি করছে, উন্নয়নের স্বার্থে তাদেরও কার্বন নির্গমনের মাত্রা বেঁধে দেওয়া অনুচিত হবে। আমরা যারা উন্নয়নের নিচু সীমায় আছি তারা বলছি, উষ্ণায়ন কমিয়ে আনতে হবে। আমাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। উন্নত দেশগুলো বলছে, নিম্ন কার্বন-প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিনিয়োগ দরকার। সে জন্য সময়েরও দরকার। বাতাসের কার্বনের মাত্রা কমাব, কিন্তু কী হারে কত দিনে কমাব তার প্রতিশ্রুতি দেওয়া সম্ভব নয়। এমনই এক ডামাডোল সংগঠিত হবে জলবায়ু সম্মেলনে। ৩৫০ পিপিএমের প্রতিশ্রুতি কি পাব? ক্ষতিগ্রস্ত দেশের জন্য যথেষ্ট অর্থায়ন কি হবে? আমি সন্দিগ্ধবাদী।
আমি আস্থা রাখতে চাই নিয়মিত উদ্বাহু উচ্চারণে। আমি আস্থা রাখতে চাই আমাদের নিজেদের কর্মে। আমরা যেন নদী, খাল-বিল, জলাশয় রক্ষা করি। পানির পরিমাণ ও প্রবাহ বাড়াতে চেষ্টা করি। দূষণমুক্ত জলাশয়কে সম্ভব করে তুলি। এখানে আঞ্চলিক সহায়তা প্রয়োজন। সেখানে যেন টিপাইমুখের মতো স্তুতিময় অবস্থান না নিই। আমরা যেন বনাঞ্চল রক্ষা করি, বনায়ন বৃদ্ধি করি, বনদস্যুদের প্রতিহত করি। ভূমিদস্যুরা আজ তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে আমাদের পরিবেশগত যে বিপর্যয় ডেকে এনেছে তা প্রতিহত করে নদীর জমি, জলাশয়ের জমি, প্লাবনভূমি, বনাঞ্চলের জমি, কৃষিজমি রক্ষা করেই পরিকল্পিত নগরায়ণকে সম্ভব করে তুলি। জলাশয়ের মতো মাঠের ওপর ভূমিদস্যুদের আগ্রাসন ঠেকাতে হবে। মুক্ত ভূমি আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে। চাষাবাদে পরিবেশবান্ধব কৃষিকে প্রাধান্য দিতে হবে, প্রযুক্তিবান্ধব-জীববান্ধব প্রযুক্তিকে নয়। সমুদ্রসীমা চিহ্নিত করে আমাদের উপকূল বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব জীবপ্রকৃতির সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের দেশের অভ্যন্তরে আজ যে লবণাক্ততা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লক্ষণীয়, জোয়ার-ভাটা ফিরিয়ে এনে সেখানে পানিপ্রবাহের প্রকৃতি বদলে দিতে হবে। আর এক ফারাক্কা যেন আমাদের কোনো অঞ্চলকে হুমকিতে না ফেলে, সে জন্য সচেতন হতে হবে। সরকারের গোপন কূটনীতি ও চুক্তি সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। মরুময়তা রাজশাহী অঞ্চলে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, প্রযুক্তিগতভাবে পরিবেশ উজ্জীবনী কৃষির মাধ্যমে এখানে প্রাকৃতিক পরিবর্তন আনতে হবে। নদীতীর ও মোহনায় ভাঙনের জন্য মানুষের সৃষ্ট কর্মগুলো যেমন ঠেকাতে হবে, তেমনি ভূমিক্ষয় রোধে নদীক্ষয় সম্পর্কে কার্যকরভাবে অগ্রসর হতে হবে। মনে রাখতে হবে, এ অঞ্চলের সম্পদ হলো জমি, জল, বন ও জীববৈচিত্র্য। এগুলোকে নিয়েই এখানকার মানুষের জীবন সমৃদ্ধ হয়। উন্নয়নে তাই এসব সম্পদ সংরক্ষণসূচক হিসেবে ব্যবহূত হোক, আর আমাদের নীতিনির্ধারকেরা সচেতন মানুষের উচ্চারণে প্রকৃতি ও পরিবেশবিনাশী যে কর্ম, তা থেকে বিরত থাকতে বাধ্য হন, পরিবেশবাদীদের সেদিকে দৃষ্টি দিতে হবে।
পাখির কলকাকলিতে আর ঘুম ভাঙে না। ভোরের কুয়াশায় নেই স্নিগ্ধ বাতাসের পরশ, আছে ধোঁয়াশায় জীবাণুর ছড়াছড়ি। সারা দিন বসতবাড়িতে জমে ধূলির আস্তরণ। সন্ধ্যায় জ্বলে না জোনাকি, শুনি না ঝিঁঝির ডাক। নদীতে নেই কলতান, স্বচ্ছ প্রবাহ, নৌকার পাল। নদী আজ কলুষিত, নিকষ কালো দূষিত পানিতে মাছ যায় মরে, গুল্ম হয় তিরোহিত: অক্সিজেন নেই পানিতে। জলাধার, জলাশয়ে নেই প্রকৃতির স্বচ্ছ প্রচ্ছায়া, যেখানে পা ডুবিয়ে বউ-ঝিয়ারি নর-নারী পেত প্রশান্তি। আবাসনে নেই প্রকৃতির ছোঁয়া। শিউলি ফোটে না রাতে, শিশিরের শব্দে ছিল তার শয়ান। হাসনাহেনার সৌরভ ভরায় না মন। বনে নেই নানা প্রজাতির গাছ, ফুল, গুল্ম, জীব। সবখানে হায়েনাদের হাত। লোভ-লালসা প্রীতিময় প্রকৃতিকে নিয়ত করেছে বিনাশ। ভাঙনে, প্লাবনে, দূষণে জীবন আজ বিপর্যস্ত/ তাই আমার অঙ্গীকার সৃষ্টিকর্তার নামে/ যারা মানুষ হয়ে মানুষের অধিকার হরণ করে/তাদের বিরুদ্ধে নিরন্তর সংগ্রাম/ আমার অঙ্গীকার বিশ্ব নিয়ন্তার নামে/ যারা প্রকৃতির সুন্দর-সুশৃঙ্খল পরম্পরাকে ধ্বংস করে/ সে সমস্ত প্রকৃতিবিনাশী মানুষের সকল কর্মের বিরুদ্ধে/ আমাদের সংগ্রাম চলবে।
মোজাফ্ফর আহমদ: অর্থনীতিবিদ। সভাপতি, বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
-
▼
2010
(9402)
-
▼
January
(794)
-
▼
Jan 18
(31)
- মজার মাছ কামিলা by আবদুল কুদ্দুস
- বাংলাদেশ-ভারতের নতুন সমীকরণ -আঞ্চলিক সহযোগিতা by ক...
- বিদ্যালয়গুলোকে বদলে দাও -শিক্ষার পরিবেশ by মোহাম্ম...
- দুবাইয়ে নির্মাণশ্রমিকদের দুঃসময় -প্রবাসী শ্রমিক by...
- সংবর্ধনার বিকল্প পদ্ধতি বের করুন -জনভোগান্তিমূলক ক...
- সাংসদদের আচরণবিধি -তাঁদের কার্যক্রমে স্বচ্ছতা আনতে...
- কাশ্মীরে হামলায় দুই নিরাপত্তাকর্মী আহত
- পরমাণু বিজ্ঞানী হত্যায় ইহুদিবাদী পদ্ধতি অনুসরণ করা...
- প্রবীণ নেতা জ্যোতি বসুর অবস্থা আশঙ্কাজনক
- পাকিস্তানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় আল-কায়েদার ...
- সেনা প্রত্যাহার করে তালেবানের সঙ্গে আলোচনায় বসুন
- মাওবাদীদের জীবনের মূলস্রোতে ফিরে আসার আহ্বান মমতার
- সোমালিয়ায় তিনটি বেতার কেন্দ্রে হামলা আহত ৪
- জারদারি সেনাপ্রধান নিয়োগের ক্ষমতাও হারালেন
- নির্বাচনের জন্য জোট গড়লেন সাবেক ইরাকি প্রধানমন্ত্রী
- মিশেল ওবামার সঙ্গে নাচতে চেয়েছিলেন অনাহূত ব্যক্তি
- ডেসকোর ৪৫% লভ্যাংশ ঘোষণা
- ব্যাংক এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলন
- ডিবিএইচ ফার্স্ট মিউচুয়াল ফান্ডের প্রাথমিক শেয়ারের ...
- রাজশাহীতে ‘কৃষক বধূ মার্কা’ দস্তা সারের উত্পাদন ও ...
- ব্যবসা প্রসারে বিকল্প অর্থায়ন শুরু করেছে এবি ব্যাংক
- এক সপ্তাহেই সূচক, লেনদেন ও বাজার মূলধনের রেকর্ড
- স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতিতে সরকারি ঋণপত্র নিলামের সুপারিশ
- জিতেছে চেলসি ও ম্যানইউ
- চাপের মুখে ইংল্যান্ড
- তিন দিনেই জিতে গেল ঢাকা ও রাজশাহী
- তাঁরা আবার ফিরে যাচ্ছেন লন্ডন
- জার্মানিসের কথায় জার্মান-দর্শন
- বাংলাদেশের শুভসূচনা
- দুই রকম অভিষেক
- পরিবেশের কান্না শুনি আমার অন্তরে -প্রকৃতি বিনাশ by...
-
▼
Jan 18
(31)
-
▼
January
(794)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...