Thursday, December 19, 2019
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়

১. চিকিৎসকদের মতে, অতিরিক্ত মেদ ঝরাতে পারলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে থাকে।এ কারণে খাদ্যাভাস ও শরীরচর্চার মাধ্যমে মেদ ঝরানোর চেষ্টা করুন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মেদ কমাতে সপ্তাহে ১৫০ মিনিট, অর্থাৎ পাঁচদিন ৩০ মিনিট করে হালকা থেকে ভারী শরীরচর্চা করুন। এছাড়া ঘাম ঝরিয়ে হাঁটলে, সাইক্লিং করলে অথবা সাঁতার কাঁটলেও শরীর ঝরঝরে থাকে। সেই সঙ্গে উচ্চ রক্তচাপও থাকে নিয়ন্ত্রণে।
২. উচ্চ রক্তচাপ কমাতে নিয়মিত পটাশিয়াম সমৃদ্ধ খাবার, শাক সবজি, ফল এবং প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন। নিয়মিত খাদ্যতালিকায় কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারের পরিমাণ বাড়িয়ে দিন।
৩. খাবারে কাঁচা লবণ খাবেন না। রান্নায় যথাসম্ভব লবণ কমিয়ে দিন। প্রক্রিয়াজাত খাবার খাওয়া বর্জন করুন।
৪. ধূমপান ছাড়তে পারলে স্বাভাবিক নিয়মেই হৃৎপিণ্ডের অবস্থার উন্নতি হবে। সেই সঙ্গে অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে।
৫. যারা নিয়মিত কফি খান, তারা হয়তো পরিবর্তনটা বুঝতে পারবেন না। কিন্তু যাদের সেই অভ্যাস নেই,, তারা হঠাৎ করে শুরু করলেই পার্থক্যটা বুঝতে পারবেন। এজন্য কফি পানের ৩০ মিনিট আগে একবার উচ্চ রক্তচাপ মাপুন। এরপর কফি খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যে আবার মাপুন। এতে দেখা যাবে উচ্চ রক্তচাপের পরিমাণ কতটা বেড়েছে। এ কারণে ঘন ঘন কফি পানের অভ্যাস পরিহার করুন।
৬. মানসিক চাপ , উচ্চ রক্তচাপ বাড়ার অন্যতম কারণ। মানসিক চাপ , উদ্বেগ আসতে পারে, এ ধরণের পরিস্থিতি এড়িয়ে চলুন। সাংঘাতিক উচ্চাশা থাকলে চাপ হবেই। আপনি যা কিছু নিজে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তা নিয়েই কাজ করুন।
৭. উচ্চ রক্তচাপ মাপার মেশিন আজকাল অনেকের ঘরেই থাকে। নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন। একটু কম বেশি হলে ক্ষতি নেই। তবে হঠাৎ অনেক ওঠানামা করলে অবশ্যই চিকিৎকের পরামর্শ নিন। সূত্র : ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে মীর মশাররফের স্মৃতি চিহ্ন by কুদরতে খোদা সবুজ
![]() |
| মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি পাঠাগার ও অডিটোরিয়াম |
![]() |
| মশাররফ হোসেনের ব্যবহৃত পালকি |
![]() |
| মশাররফ হোসেনের ব্যবহৃত বেঞ্চ |
স্মৃতি পাঠাগার ও অডিটোরিয়ামের তত্ত্বাবধায়ক মীর মাহবুব উল আরিফ বলেন, ‘মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি পাঠাগারটি আসলে অডিটোরিয়াম হিসেবে তৈরি হয়েছে। এটি জাদুঘরের আদলে তৈরি হাওয়া দরকার। না হলে সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে তার স্মৃতি চিহ্ন। সামগ্রীগুলো খোলা স্থানে রাখার ফলে দিন দিন এর স্থায়িত্ব কমে যাচ্ছে।’
![]() |
| মশাররফ হোসেনের ব্যবহৃত চেয়ার |
![]() |
| মশাররফ হোসনের ব্যবহৃত আয়না |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মহাকাশের মাপজোখ যেভাবে হয় by ইবরাহীম খলিল

দূরের গ্রহ নক্ষত্রের দূরত্ব বোঝাতে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ‘আলোক বর্ষ’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়। সৌরজগতের বাইরে মহাকাশের বস্তুগুলোর দূরত্ব মাপতে সাধারণ কিলোমিটার একক ব্যবহার করা সুবিধাজনক নয়। এত বিশাল দূরত্ব পরিমাপ করতে ‘আলোক বর্ষ’ নামক বিশেষ এই এককটি ব্যবহার করা হয়। আলোক বর্ষের (Light year) বিশালত্ব মানুষের কল্পনাকেও ছাড়িয়ে যায়। আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে তিন লক্ষ কিলোমিটার। আলো যদি এই বেগে টানা এক বছর ভ্রমণ করে, তাহলে যে দূরত্ব অতিক্রম করবে, তাকে বলে এক আলোক বর্ষ। কিলোমিটারের মাধ্যমে আলোক বর্ষকে প্রকাশ করলে দাঁড়াবে, এক আলোক বর্ষ সমান ৯ মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার (9×10×12 কিলোমিটার)। আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারির দূরত্ব ৪.২ আলোক বর্ষ। দূরের গ্যালাক্সিগুলো শত শত কিংবা হাজার হাজার আলোক বর্ষ পর্যন্ত দূরে অবস্থান করে। এত বিশাল দূরত্ব মাপার কৌশলটা কী?
অকল্পনীয় দূরে অবস্থান করলেও আমাদের পক্ষে এদের দূরত্ব পরিমাপ করা সম্ভব। গ্যালাক্সিগুলোতে অবস্থান না করেও চমৎকার কিছু কৌশল ব্যবহার করে তাদের দূরত্ব বের করে ফেলা যায়। তুলনামূলকভাবে নিকটবর্তী নক্ষত্রগুলোর দূরত্ব পরিমাপে ‘প্যারালাক্স’ পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়। শব্দটি শুনতে অন্যরকম মনে হলেও, এটি আসলে একদমই সহজ একটি ট্রিক। এই ট্রিকটি হাতে কলমে এখনই আমরা শিখে ফেলতে পারি।
প্রথমে মুখের সামনে হাতের একটি আঙ্গুল তুলে ধরতে হবে। এরপর বাম চোখ বন্ধ করে শুধুমাত্র ডান চোখ দিয়ে আঙ্গুলটির দিকে তাকাতে হবে। এরপর আবার ডান চোখ বন্ধ রেখে বাম চোখ দিয়ে আঙ্গুলের দিকে তাকাতে হবে। একবার ডান চোখ আরেকবার বাম চোখ, এভাবে কয়েকবার করলে মনে হবে আঙ্গুলটির অবস্থান এদিক ওদিক হচ্ছে। আদতে আঙ্গুলটি কিন্তু একই স্থানে আছে, দুই চোখের ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানের কারণে আঙ্গুলটিও ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে আছে বলে মনে হয়।
আঙ্গুলকে চোখের আরো কাছে নিয়ে আসলে আঙ্গুলের নড়াচড়া আরো বেড়ে যাবে। কাছে না এনে যদি আঙ্গুলকে দূরে নেয়া হয় তাহলে নড়াচড়া অল্প স্থানের মধ্যে সীমাবদ্ধ হয়ে যাবে। এখান থেকে আমরা বুঝতে পারছি, দুই চোখের দুই ভিন্ন অবস্থানের সাপেক্ষে আঙ্গুলের অবস্থান পাল্টে যাবার পরিমাণ বেশি হলে, সেটি নিকটে অবস্থিত আর অবস্থান পরিবর্তনের পরিমাণ কম হলে, সেটি দূরে অবস্থিত। যদি কোনোভাবে আমরা দুই চোখের পারস্পরিক দূরত্ব ও লক্ষ্যবস্তুর বিচ্যুত হবার পরিমাণ বের করতে পারি, তাহলে ত্রিকোণমিতির সূত্র প্রয়োগ করে বের করতে পারবো লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব কত। নক্ষত্রদের বেলাতেও একই পদ্ধতি ব্যবহার করে তাদের দূরত্ব পরিমাপ করা সম্ভব।
এই পদ্ধতিতে নক্ষত্রের দূরত্ব পরিমাপ করার জন্য আঙ্গুলের বদলে নক্ষত্রকে লক্ষ্য করে ডান চোখ ও বাম চোখ দিয়ে তাকালে দেখা যাবে, কোনো পরিবর্তন হচ্ছে না। কারণ নক্ষত্র এতই বেশি দূরে অবস্থান করে যে, দুই চোখের কাছাকাছি অবস্থান তেমন কোনো কৌণিক বিচ্যুতি তৈরি করতে পারে না। দুই চোখ যদি পরস্পর থেকে কয়েক মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করতো, তাহলে এদের দ্বারা প্যারালাক্স পদ্ধতিতে নক্ষত্রদের দূরত্ব পরিমাপ করা যেত।
খালি চোখে নক্ষত্রের প্যারালাক্স পর্যবেক্ষণ করতে হলে দুই চোখকে পরস্পর থেকে মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করতে হবে।
চোখকে হয়তো মিলিয়ন মিলিয়ন কিলোমিটার দূরে অবস্থান করানো সম্ভব না, কিন্তু বিজ্ঞানীরা এর বিকল্প পদ্ধতি খুঁজে নিয়েছেন। আসলে কোনো কিছুকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার বিশ্লেষণ করলে, তার মধ্যে হাজার রকমের সমস্যা দেখা দেয় এবং এসব সমস্যার বিপরীতে হাজার রকমের চমকপ্রদ সমাধানও এসে ধরা দেয়। বিজ্ঞানীরা মহাকাশীয় বস্তুর দূরত্ব মাপতে পৃথিবীর কক্ষপথীয় ঘূর্ণনকে ব্যবহার করেন। সূর্যের চারপাশে পৃথিবীর কক্ষপথের ব্যাস ১৮৬ মিলিয়ন মাইল। আজকে পৃথিবী কক্ষপথের যে অবস্থানে আছে এবং ঠিক ছয় মাস পরে যে অবস্থানে থাকবে তাদের পারস্পরিক দূরত্ব হবে ১৮৬ মাইল। এটি মোটামুটি যথেষ্ট লম্বা দূরত্ব। এত পরিমাণ দূরত্বে দূরবর্তী নক্ষত্রের প্যারালাক্স অনায়াসেই শনাক্ত করা যাবে।
কক্ষপথের কোনো অবস্থান থেকে নক্ষত্রের অবস্থানের মাপ নিয়ে, ছয় মাস পর আবারো ঐ নক্ষত্রের মাপ নিলে প্যারালাক্স পদ্ধতির মাধ্যমে তার দূরত্ব নির্ণয় করা যাবে। এখানে যেহেতু ছয় মাস আগে ও ছয় মাস পরে পৃথিবীর দুই অবস্থানের দূরত্ব জানা আছে এবং নক্ষত্রের অবস্থান চ্যুতি জানা আছে, তাই ত্রিকোণমিতির সূত্রের মাধ্যমে এখান থেকে নক্ষত্রের দূরত্ব বের করা খুব কঠিন কিছু নয়।
কিন্তু এত বিশাল দূরত্বকে ব্যবহার করার পরেও সকল নক্ষত্রের দূরত্ব এর মাধ্যমে বের করা যায় না। এই পদ্ধতিতে শুধুমাত্র নিকট দূরের নক্ষত্রগুলোর দূরত্ব পরিমাপ করা যায়। অতীব দূরের নক্ষত্রগুলোর বেলায় এই পদ্ধতিতে দূরত্ব বের করা যায় না। এরা এতটাই দূরে যে, ১৮৬ মিলিয়ন মাইলের প্যারালাক্স দূরত্বও এখানে কিছু না।
এদের দূরত্ব পরিমাপ করতে হলে প্যারালাক্স পদ্ধতির বিকল্প কিছু একটা ভাবতে হবে। এর বিকল্প হতে পারে উজ্জ্বলতা। কোনো নক্ষত্র বা কোনো গ্যালাক্সি কতটুকু উজ্জ্বল তার মাধ্যমে দূরত্ব বের করা যেতে পারে। কোনো নক্ষত্র যদি কাছে থাকে তাহলে তাকে অধিক উজ্জ্বল দেখাবে আর কোনো নক্ষত্র যদি দূরে থাকে তাহলে তাকে কিছুটা অনুজ্জ্বল দেখাবে।
উজ্জ্বলতা বিবেচনা করে দূরত্ব পরিমাপ করার ব্যাপারটি আপাতভাবে সুন্দর হলেও, এতে বেশ কিছু ঝামেলা আছে। সব নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা সমান নয়। নক্ষত্রের আকার ও ভরের উপর তার উজ্জ্বলতা নির্ভর করে। অনুজ্জ্বল নক্ষত্রটি যদি কাছে থাকে আর উজ্জ্বল নক্ষত্রটি যদি দূরে থাকে, তখন এই ব্যাপারটির মীমাংসা কীভাবে করা হবে? মৃদু উজ্জ্বল মোমবাতি যদি কাছে থাকে আর অধিক উজ্জ্বল মোমবাতি যদি দূরে থাকে, তাহলে আপেক্ষিকভাবে তাদের উজ্জ্বলতা সমান বলে মনে হতে পারে। কিংবা এমনও হতে পারে, অবস্থানের কারণে হালকা উজ্জ্বলতার মোমবাতিটিকেই বেশি উজ্জ্বল বলে প্রতিভাত হচ্ছে। নক্ষত্রদের বেলাতেও এরকম ব্যাপার প্রযোজ্য। তাই উজ্জ্বলতা দিয়ে দূরত্ব পরিমাপ করতে গেলে তা সমস্যার সৃষ্টি করবে।
সৌভাগ্যক্রমে, বিজ্ঞানীরা বিশেষ ধরনের একটি পদ্ধতি ব্যবহার করে দূরবর্তী নক্ষত্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে পারেন। তারা বিশেষ কিছু নক্ষত্রকে ‘প্রমাণ নক্ষত্র’ হিসেবে ধরে নেন এবং এদের সাপেক্ষে অন্য নক্ষত্রের দূরত্ব পরিমাপ করতে পারেন। এসব নক্ষত্রের উজ্জ্বলতা ও তীব্রতা নির্দিষ্ট থাকে। বিজ্ঞানীরা এও জানেন, কীভাবে এরকম প্রমাণ নক্ষত্র (Variable Star) খুঁজে বের করতে হবে। এরকম নক্ষত্রের সাহায্যে, প্রতিষ্ঠিত কিছু গাণিতিক সূত্রাবলি প্রয়োগ করে বের করা যায় দূরবর্তী নক্ষত্রগুলো কত দূরে অবস্থিত। গ্যালাক্সি বা নক্ষত্র যত দূরেই থাকুক, কোনো না কোনো ভাবে আমরা তাদের অবস্থান ও দূরত্ব বের করতে পারি। নিকটবর্তী নক্ষত্রের জন্য আমাদের আছে প্যারালাক্স পদ্ধতি আর দূরবর্তী নক্ষত্রের জন্য আমাদের আছে ‘প্রমাণ নক্ষত্র’ পদ্ধতি।
বিজ্ঞান এই একটা দিক থেকে অনন্য। কোনো একটা ব্যাপার যতই ধরাছোঁয়ার বাইরে হোক না কেন, বিজ্ঞানকে ব্যবহার করে মানুষ কিছু একটা উপায় ঠিকই খুঁজে নেয়। বিজ্ঞানের মারপ্যাঁচে সমস্যার সমাধান বের হয়ে যায় ঠিকই।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গরুর দুধে শিশুর অ্যালার্জি by অধ্যাপক প্রণব কুমার চৌধুরী

গোদুগ্ধ অ্যালার্জির প্রায় ৮০ শতাংশ হলো তীব্র মাত্রার। এতে রক্তে আইজি-ই বেশি পাওয়া যায়। স্কিন টেস্ট পজিটিভ হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পারিবারিক ইতিহাস থাকে।
কারও কারও (২০ শতাংশ) অ্যালার্জি ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়, ফলে সহজে নির্ণয়যোগ্য নয়। এগুলোতে রক্তে আইজি-জি বা এম বেশি থাকতে পারে। এসব শিশুর অনেকে ঠিকভাবে বাড়ে না, অসুখ লেগেই থাকে।
১-২ শতাংশ শিশুর গরুর দুধে অ্যালার্জি প্রতিক্রিয়া প্রথম বছরেই দেখা দেয়। লক্ষণগুলো হলো: বমি, ডায়রিয়া, পেটব্যথা, শরীরে র্যাশ, অ্যাকজিমা, নাকের অ্যালার্জি, কানপাকা অসুখ, অ্যাজমার মতো দীর্ঘমেয়াদি কাশি ও বুকে শোঁ শোঁ শব্দ। এরা রক্তস্বল্পতায় ভোগে ও ওজনে কম বাড়ে। ভগ্নস্বাস্থ্য থাকে।
কী করবেন?
১. শিশুর প্রথম বছরে গোদুগ্ধ বা দুগ্ধজাত খাবার পরিহার করা উচিত। প্রথম ছয় মাস শুধু মায়ের বুকের দুধ এবং তারপর মায়ের দুধের সঙ্গে অন্যান্য স্বাভাবিক খাবার দিন। এক বছর পার না হলে গরুর দুধ বা দুধের তৈরি কোনো খাবার দেবেন না।
২. গরুর দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার খাওয়ার পর পেটব্যথা, বমি, ডায়রিয়া, ত্বকে র্যাশ ইত্যাদি দেখা দিলে সন্দেহ করতে হবে যে এতে অ্যালার্জি আছে। সে ক্ষেত্রে চিকিৎসক রক্ত পরীক্ষা ও স্কিন টেস্ট করে নিশ্চিত হতে পারেন। সমস্যা শনাক্ত হলে দুধ ও দুগ্ধজাত খাবার এড়িয়ে যেতে হবে। কারও কারও ল্যাকটোজ ইনটলারেন্স থাকে, যাদের দুগ্ধজাত খাবার খেলেই পেট ফাঁপে ও বদহজম হয়। তারাও দুধ এড়িয়ে চলবে।
৩. গরুর দুধের অ্যালার্জির কারণে যদি শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, বারবার রক্তস্বল্পতায় বা শ্বাসকষ্টে পড়ে, তবে তার খাবার তালিকা থেকে গোদুগ্ধ উপাদান বাদ দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে আমিষের চাহিদা পূরণ করতে অন্যান্য আমিষযুক্ত খাবার, যেমন: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, টফি, সয়া ইত্যাদি বেশি করে দিতে হবে। কখনো দেখা যায়, দুধে অ্যালার্জি বা ইনটলারেন্স থাকলেও দই খেলে কিছু হয় না। চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে শিশুর খাদ্যতালিকা পরিকল্পনা করুন।
বিভাগীয় প্রধান, শিশুস্বাস্থ্য বিভাগ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কেন শুধু পুরুষ, কেন শুধু নারী? by আকারি সাসাকি
![]() |
| কেন শুধু নারী? |
এটা আমার দাদির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার সময়ের কথা। আমার বয়স তখন ১৮ বছর। জাপানে আত্মীয়রা মিলিত হওয়ার সময় নারীকে সব সময় সবার জন্য চা পরিবেশন করতে হয়। আর ভারী জিনিস সরানো হচ্ছে পুরুষের কাজ। তবে আমি এটা সেদিন বুঝতে পারিনি। নারী আর পুরুষকে কেন আলাদা কাজ করতে হয়? সেই ঘটনা থেকে লিঙ্গ সমস্যা নিয়ে শেখার আগ্রহ আমি পেয়েছি।
আমি ছোটবেলা থেকে ভেবেছিলাম কেন শুধু মা রান্না করেন। আমার বাবা ও মা দুজনই চাকরি করেন। আমার মা রোজ কাজ থেকে বাড়িতে ফিরে এসে রাতের খাবার তৈরি করেন। আমার বাবা তা করেন না। সকালেও একই রকম। মা ভোরবেলায় ঘুম থেকে উঠে নাশতা তৈরি করেন। আর এটা শুধু রান্না নিয়ে নয়। বাড়ির অনেক কাজ—যেমন কাপড় ধোয়া আর ঘর পরিষ্কারের কাজ, এর সবটাই মা করেন। টিভি নাটক বা সিনেমাতেও ঠিক এভাবেই নারী বাড়ির কাজ করেন। তবে কেন?
জাপানে অল্প কিছুদিন আগে পর্যন্ত প্রায় সব বাড়িতে বাবা বাইরে চাকরি করতেন আর মা করতেন বাড়ির কাজ। তবে মাও চাকরি করছেন তেমন বাড়িও জাপানে আজকাল অনেক আছে। আমার নিজের বাড়িও তাই। তাহলে বাবারও তো মায়ের মতোই বাড়ির কাজ করা দরকার। কিন্তু সেই যে আগে যখন শুধু বাবা বাইরে চাকরি করতেন, সেই সময়ের অভ্যাস মনে হয় এখনো থেকে গেছে।
শুধু বাড়ির কাজ নিয়েই অনেক আগে থেকে আমি ভাবিনি। আরও যে একটি প্রশ্ন আমার মনে দেখা দিয়েছিল তা হলো, কেন শুধু নারীকে মেকআপ নিতে হয়? আমি এটাও জানি, অনেক নারীর মেকআপ পছন্দ। তবে কেন ‘সব’ নারীকেই সেটা পরতে হয়? মেকআপ পছন্দ করে না সে রকম নারীও নিশ্চয় আছে। আমি যখন পার্টটাইম কাজ করতে শুরু করেছিলাম, তখন আমাকে সব সময় বলা হতো যে, ‘মেকআপ করে আসুন’ ‘মেকআপ না করে আসবেন না’।
জাপানে নারীর মেকআপ পরা হচ্ছে ভদ্রতার প্রতিফলন। সেটা হচ্ছে এমন কিছু নারীকে যা অবশ্যই করতে হয়। যে নারী মেকআপ করে না, সে কি নারী নয়? কেন শুধু নারীকেই মেকআপ নিতে হয়? আর যদি পুরুষ মেকআপ করে তাহলে মানুষ মনে করবে সেটা হচ্ছে অদ্ভুত। মেকআপ করা পুরুষের জন্য ভদ্রতা নয়। যে পুরুষ মেকআপ নিচ্ছে সে কি পুরুষ নয়? আজকাল জাপানে মেকআপ নেওয়া পুরুষও অনেক আছে। তবে এদের দেখা হয় লিঙ্গ নিরপেক্ষ মানুষ হিসেবে। এটা থেকেও আমরা দেখতে পাই, মেকআপ হচ্ছে শুধু নারীদের জিনিস, পুরুষদের নয়। তাই যে পুরুষ মেকআপ করছে সেই পুরুষ হচ্ছে ‘নারীর মতো’ পুরুষ।
আমার মনে আরও যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল তা হলো, রঙেও কেন লিঙ্গ আছে। নারীর মতো রং ও পুরুষের মতো রং কেন আছে? আমি ছোটবেলায় আকাশি রং পছন্দ করতাম। কিন্তু আমার বন্ধুরা এ রকম বলেছিল যে, মেয়েরা গোলাপি বা কমলা রং পছন্দ করে আর ছেলেদের পছন্দ নীল বা সবুজ রং। আমার তাই মনে হয়েছিল, আমি হয়তো নারীর মতো নই।
![]() |
| ছেলের মতো রং? মেয়ের মতো রং? |
এবার আমার নিজের অভিজ্ঞতার বাইরের একটি উপাত্ত থেকে জাপানের লিঙ্গ সমস্যা নিয়ে আমি বলব। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) ২০১৮ সালের লিঙ্গবৈষম্য সূচকে জাপানের অবস্থান হচ্ছে ১৪৯ দেশের মধ্যে ১১০। অর্থনীতি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য আর রাজনীতির ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের মধ্যে কতটা বৈষম্য বিরাজমান, সেই উপাত্ত থেকে এই সূচক ঠিক করে নেওয়া হয়। এই চারটি ক্ষেত্রের মধ্যে রাজনীতিতে জাপানের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। এর কারণ হলো জাপানে কখনো কোনো নারী প্রধানমন্ত্রী হয়নি এবং জাতীয় সংসদে নারী সদস্যের সংখ্যা খুব কম। আর অর্থনীতির ক্ষেত্রেও জাপান খুব খারাপ অবস্থায় আছে। জাপানে এখনো নারী-পুরুষের মধ্যে আয়ের ব্যবধান বেশ বড় আর ব্যবস্থাপনার কাজ, অন্য কাজের চেয়ে বেতন যেখানে বেশি, সেই কাজে নারীর আনুপাতিক হার যথেষ্ট কম।
জাপানের বিপরীতে লিঙ্গবৈষম্য সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ৪৮তম। এটা হচ্ছে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থান। এই ফলাফল অর্জনে রাজনীতির ক্ষেত্রে ভালো উপাত্ত বড় প্রভাব রেখেছে। বাংলাদেশ রাজনীতির ক্ষেত্রে সব দেশগুলোর মধ্যে পঞ্চম স্থানে। এর কারণ হচ্ছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নারী। আর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের ৩৫০টি আসনের মধ্যে ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত। এসব কারণে রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান অনেক উঁচুতে। রাজনীতির সূচকে জাপানের অবস্থান সবচেয়ে খারাপ। বাংলাদেশের রাজনীতিতে নারীদের অবস্থা তাই জাপানের জন্য মডেল হবে বলে মনে হয়।
এ পর্যন্ত যা আমি বললাম তা হলো, আমার দেখা জাপানে লিঙ্গের অবস্থা। আমি রোজ লিঙ্গ নিয়ে অনেক কিছু ভাবি। এই সেপ্টেম্বর থেকে ভারতের দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি যাচ্ছি। উদ্দেশ্য হচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ার লিঙ্গ সমস্যা নিয়ে লেখাপড়া করা। আমি বলেছি, বাংলাদেশে লিঙ্গ সমতা জাপানের জন্য মডেল হতে পারে। দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে আমি এখন জাপানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ছি। দিল্লি গিয়ে আরও বেশি লেখাপড়া করলে জাপানের লিঙ্গ সমস্যা নিয়েও নতুন কিছু হয়তো আমি দেখতে পারব। এরপর জাপানের লিঙ্গ পরিস্থিতির মধ্যে যেগুলো আমি এখনো বুঝতে পারি না, সেগুলো যেন ধীরে দূর হয়ে যায়, সেই আশা আমি করছি।
![]() |
| আমার বাবা-মা। তাঁদের দেখে আমি লিঙ্গ সমস্যা নিয়ে অনেক উপলব্ধি করেছি |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
শ্রীমঙ্গলের ‘শান্তিবাড়ি’ -ইকোনমিস্ট’র রিপোর্ট by এম ইদ্রিস আলী

শ্রীমঙ্গল। বাংলাদেশের পাহাড়ি চা-চাষ অঞ্চলের একটি শহর। তানভীর আরেফিন লিংকন যখন এখানে ইকো রিসোর্ট স্থাপন করেছিলেন, তখন সেখানে প্রধানত বিদেশি পর্যটকরাই ভিড় করতেন। স্থানীয় লোকেরা হাসাহাসি করতেন। কারণ কত বেশি সুবিধাসম্পন্ন হোটেল-মোটেলের পাশে এত কম আধুনিক সুবিধার রিসোর্ট করে লাভ কী। এতে কারা থাকতে আসবেন? অতিথিরা এসে প্রশ্ন করবেন, টিভি কোথায়? এসি কোথায়? আমরা কিসের জন্য টাকা দেব?
জনাব লিংকন জবাব দিতেন: ‘আপনি চাঁদ এবং তারকারাজি দেখার জন্য অর্থ প্রদান করছেন।
আপনি একটি বিলাসবহুল পরিবেশের জন্য অর্থ প্রদান করছেন, বিলাসবহুল রুমের জন্য নয়।’
সেটা ছিল পাঁচ বছর আগের কথা। এখন তার বেশিরভাগ অতিথি বাংলাদেশি। ২০০০ সালে মাত্র ৩ লাখ বাংলাদেশি তাদের দেশে ছুটি কাটিয়েছিলেন। ২০১৭ সালে সেটা বেড়ে ৭০ লাখ হয়েছে। বাংলাদেশ পর্যটন বোর্ডের প্রধান ভুবন বিশ্বাস বলেছেন, গত বছরে এবং এবারে এই সংখ্যা আরো উচ্চতর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তার কথায়, ‘পর্যটন ব্যবসা রমরমা।’
রাজনৈতিক সহিংসতা ও সন্ত্রাসবাদের কারণে সামপ্রতিক বছরগুলোতে বৈদেশিক পর্যটন ব্যাপকভাবে অচল হয়ে পড়েছিল। ২০১৬ সালে বিশেষ করে বিদেশিদের ওপর মারাত্মক আক্রমণ ঘটে। রাজধানী ঢাকায় বিদেশি অভিবাসীরা আক্রমণের লক্ষ্যবস্তু হন। তাই বিদেশিরা ভয় পেলেন, কিন্তু স্থানীয়রা তাদের জায়গা করে নিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ রশিদুল হাসান বলেন, গত দশ বছরে মানুষের আয় তিন বা চারগুণ বেড়েছে। প্রথমত, পরিবারগুলো গোড়াতে আধুনিক জীবনযাপনের অনুষঙ্গ, যন্ত্রপাতি এবং অন্যান্য ভোগ্যপণ্যের উপর অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে থাকে। তিনি ব্যাখ্যা করেন, পরে তাদের আয় ক্রমাগতভাবে বাড়তে থাকায় তারা ছুটি কাটানোর মতো পরিসেবাগুলোর দিকে নজর দেন।
অভ্যন্তরীণ পর্যটকদের অধিকাংশ প্রচারণা পছন্দ করেন। শান্তিবাড়ি থেকে খুব কাছেই গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট অ্যান্ড গল্ফ এবং দি প্যালেস লাক্সারি রিসোর্ট আছে। তাদের সুইমিং পুল, মার্বেল-খোদাই ঝকঝকে কমপ্লেক্স। আছে গেমস উপকরণ। উচ্চবিত্তের হোটেলগুলো অন্যত্রও ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষ করে ১২৫ কিলোমিটার দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত আছে কক্সবাজারে। বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র হলো কক্সবাজার শহর। কিন্তু শান্তিরবাড়ি দেখিয়েছে, পরিবেশ ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় পর্যটনেও বাংলাদেশিদের আগ্রহ বাড়ছে।
প্রথমেই আসে স্থানীয়দের পর্যটনের ভাবনা। তারপর বিদেশিদের প্রশ্ন। অথবা বলা চলে তেমনটিই সরকার আশা করে। তবে কক্সবাজারে বিদেশি পর্যটকদের জন্য একটি বিশেষ অঞ্চল স্থাপন করছে। মি. বিশ্বাস বলেন, বিদেশিদের জন্য এমন একটি জায়গা প্রদান করা দরকার যেখানে তারা নিরাপদে এমনভাবে আচরণ করতে পারেন, যা দেশের অন্যান্য রক্ষণশীল অংশে সংঘাত সৃষ্টি করতে পারে।্থ তিনি আরো বলেন, ‘বিদেশি পর্যটকদের প্রস্তাব করার জন্য বাংলাদেশের কাছে অনেক কিছুই আছে, কিন্তু বাংলাদেশিরা সম্ভবত বিকিনির জন্য প্রস্তুত নয়’।
ইকোনমিস্টের রিপোর্ট ছাপা হওয়া নিয়ে তানভীর আরেফিন লিংকন বললেন, ‘আসলেই খুব ভালো লাগছে। এটা একটা স্বীকৃতি।’
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিল হলে যা হয়
![]() |
| ছবি-প্রতীকী |
স্বামী ও স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ এক হলে কোনও সমস্যা হয় কি? অনেকেই ভাবেন এর ফলে সন্তান সুস্থ হবে না ৷ কিন্তু চিকিত্সকদের মতে, এতে কোনও সমস্যাই হয় না। এশিয়াতে প্রায় ৪৬ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ ‘বি’। এশিয়ায় নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপ ৫ শতাংশ, সেখানে ইউরোপ আমেরিকাতে প্রায় ১৫ শতাংশ। যেখানে উপমহাদেশে সিংহভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ 'বি'। সেখানে স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপের মিল হবে সেটাই স্বাভাবিক।
কিন্তু, যদি স্ত্রীর নেগেটিভ রক্তের গ্রুপ থাকে এবং স্বামীর পজিটিভ গ্রুপ থাকে তাহলে সমস্যা হয়ে থাকে। সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। কারণ, থ্যালাসেমিয়া রোগ ক্রোমোজোম অ্যাবনরমালিটি থেকে হয়।
স্বামী পজিটিভ (+) স্ত্রী পজেটিভ (+) হলে সুস্থ সন্তান। স্বামী নেগেটিভ (-) স্ত্রী নেগেটিভ (-) হলে সুস্থ সন্তান ৷ স্বামী নেগেটিভ (-) স্ত্রী পজেটিভ (+) হলে সুস্থ সন্তান। স্বমী পজিটিভ (+) স্ত্রী নেগেটিভ (-) হলে প্রথম সন্তান সুস্থ, দ্বিতীয় থেকে সমস্যা হয়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1388)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
December
(57)
-
▼
Dec 19
(7)
- উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়
- রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে মীর মশাররফের স্মৃত...
- মহাকাশের মাপজোখ যেভাবে হয় by ইবরাহীম খলিল
- গরুর দুধে শিশুর অ্যালার্জি by অধ্যাপক প্রণব কুমার ...
- কেন শুধু পুরুষ, কেন শুধু নারী? by আকারি সাসাকি
- শ্রীমঙ্গলের ‘শান্তিবাড়ি’ -ইকোনমিস্ট’র রিপোর্ট by এ...
- স্বামী-স্ত্রীর রক্তের গ্রুপ মিল হলে যা হয়
-
▼
Dec 19
(7)
-
▼
December
(57)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...








