Sunday, August 2, 2026
অভিবাসীদের ঢল যেভাবে স্পেন-ইসরায়েল সম্পর্ককে আরও তিক্ত করল
গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই অভূতপূর্ব ঢলে হাজার হাজার মানুষ সমুদ্রপথে সাঁতরে বা ছোট নৌকায় করে সিউতায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। অনেকে সীমান্ত ফটকে এত বেশি সংখ্যায় জড়ো হন যে, নিরাপত্তা বাহিনী তাদের সামাল দিতে হিমশিম খায়। কেউ কেউ সীমান্তের বাঁধ ও কাঁটাতারের বেড়া টপকে ঢোকারও চেষ্টা করেন। এ সময় সিউতায় পৌঁছাতে গিয়ে অন্তত ৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
তবে এত বিপুলসংখ্যক মানুষ কেন একই সময়ে সিউতায় ঢোকার চেষ্টা করলেন, এ প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর এখনো মেলেনি। ঘটনাটি যে নিছক কাকতালীয় নয়, তা নিয়ে বিশ্লেষকদের মধ্যে প্রায় ঐকমত্য রয়েছে। তাহলে কি এটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল? যদি হয়ে থাকে, তবে কারা এর পেছনে এবং উদ্দেশ্যই বা কী? এ নিয়ে এখন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে।
সিউতা কোথায়, কেন গুরুত্বপূর্ণ?
সিউতা উত্তর আফ্রিকার উপকূলে অবস্থিত স্পেনের একটি স্বায়ত্তশাসিত শহর, যার এক পাশে মরক্কো। মেলিলার সঙ্গে এটি ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) ও আফ্রিকার মধ্যে থাকা মাত্র দুটি স্থলসীমান্তের একটি।
১৪১৫ সালে প্রথম পর্তুগালের দখলে যায় সিউতা। পরে ১৫৮০ সালে এটি স্পেনের অংশে পরিণত হয়। ১৬৪০ সালে পর্তুগাল স্বাধীন হলেও সিউতা স্পেনের অধীনেই থেকে যায়। আফ্রিকায় ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পরও সিউতা ও মেলিলা ইউরোপীয় শক্তির নিয়ন্ত্রণে থাকা শেষ দুটি ভূখণ্ড।
ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বহু বছর ধরেই এটি ইউরোপে প্রবেশ করতে চাওয়া অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের অন্যতম প্রধান প্রবেশপথ। শহরটি উঁচু সীমান্তবেষ্টনী, নজরদারি ব্যবস্থা এবং স্পেনের সিভিল গার্ড ও জাতীয় পুলিশের স্থায়ী উপস্থিতির মাধ্যমে সুরক্ষিত রাখা হয়।
হঠাৎ অভিবাসীদের এত বড় ঢলের কারণ কী?
স্পেনের কর্মকর্তারা বলছেন, গত জুলাইয়ে দেশটির সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের পরই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। ওই রায়ে বলা হয়, সমুদ্রপথে স্পেনে পৌঁছানো অভিবাসীদের তাৎক্ষণিকভাবে ফেরত পাঠানো যাবে না। তবে স্থলপথে সীমান্ত অতিক্রমকারীদের ক্ষেত্রে এই রায় প্রযোজ্য নয়।
কিন্তু অনেক বিশ্লেষক এই ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট নন। তাদের মতে, আদালতের ওই রায়ের খবর এত বিপুলসংখ্যক অভিবাসীর জানার কথা নয়।
উত্তর আফ্রিকায় অভিবাসন বিষয়ে বিশেষজ্ঞ স্প্যানিশ সাংবাদিক ইগনাসিও সেমব্রেরো এএফপিকে বলেন, সন্দেহ নেই, ৮ জুলাইয়ের রায়টি কিছুটা ভূমিকা রেখেছে। কিন্তু এত বড় মাত্রার মানুষের সমাবেশ ব্যাখ্যা করার জন্য এটি যথেষ্ট নয়।
স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজের অভিযোগ, মানব পাচারকারী চক্রগুলো আদালতের রায়কে অতিরঞ্জিত করে হাজার হাজার মানুষকে সিউতায় ঢোকার জন্য উৎসাহিত করেছে।
তবে আরেকটি আলোচিত ব্যাখ্যা হলো মরক্কো নিজেই হয়তো এই সীমান্ত ভাঙার ঘটনাকে নীরবে উৎসাহ দিয়েছে। মরক্কো কখনো সিউতা ও মেলিলার ওপর স্পেনের সার্বভৌমত্ব স্বীকার করেনি। তাদের দাবি, এগুলো মরক্কোর ভূখণ্ড এবং এখনো স্পেনের দখলে রয়েছে।
এ ছাড়া পশ্চিম সাহারা নিয়েও স্পেন ও মরক্কোর সম্পর্ক দীর্ঘদিন ধরেই জটিল। ১৯৭৫ সালে মরক্কো পশ্চিম সাহারা দখল করে নেয়। কিন্তু পলিসারিও ফ্রন্ট ওই অঞ্চলকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে।
২০২১ সালের এপ্রিলে স্পেন মানবিক কারণে পলিসারিও ফ্রন্টের নেতা ব্রাহিম ঘালিকে কভিড-১৯ চিকিৎসার জন্য একটি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুমতি দেয়। এতে মরক্কো ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানায়। কারণ, ঘালিকে তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেতা ও অপরাধী হিসেবে বিবেচনা করে।
এর জেরে মরক্কো মাদ্রিদ থেকে নিজেদের রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার করে নেয়। এরপর ২০২১ সালের মে মাসে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ শিথিল করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। সে সময় প্রায় ১০ হাজার অভিবাসী সিউতায় ঢুকে পড়েছিলেন। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ছিল স্পেনের ওপর মরক্কোর রাজনৈতিক চাপ সৃষ্টির একটি কৌশল।
পরে ২০২২ সালে দুই দেশের সম্পর্ক আবার স্বাভাবিক হয়। পশ্চিম সাহারা প্রশ্নে প্রায় চার দশকের অবস্থান পরিবর্তন করে স্পেন মরক্কোর সার্বভৌমত্বের প্রতি সমর্থন জানায়। অনেকের ধারণা, সিউতা ও মেলিলাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট নিরাপত্তা ঝুঁকিকেই কূটনৈতিক চাপ হিসেবে ব্যবহার করেছিল মরক্কো।
তবে সম্প্রতি সম্পর্ক আবারও টানাপোড়েনে পড়ে। কারণ, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ আলজেরিয়া সফর করেন। আলজেরিয়া পশ্চিম সাহারা ইস্যুতে পলিসারিও ফ্রন্টের অন্যতম প্রধান সমর্থক এবং মরক্কোর দীর্ঘদিনের প্রতিদ্বন্দ্বী।
এ কারণে অনেক বিশ্লেষকের ধারণা, সিউতায় সাম্প্রতিক ঘটনাও হয়তো স্পেনকে নতুন করে একটি রাজনৈতিক বার্তা দেওয়ার চেষ্টা।
এর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক কোথায়?
কিছু বিশ্লেষকের মতে, যদি মরক্কো সত্যিই এই পরিস্থিতি তৈরিতে ভূমিকা রেখে থাকে, তাহলে তারা হয়তো একা নয়। কারণ স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজের সঙ্গে একই সময়ে সম্পর্ক খারাপ হয়েছে এমন আরও কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় এসেছে। তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
ইউরোপের মধ্যে পেদ্রো সানচেজকে সবচেয়ে প্রকাশ্য ফিলিস্তিনপন্থী নেতাদের একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তিনি একাধিকবার বলেছেন, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযান গণহত্যার শামিল। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান নিয়েও তিনি কড়া সমালোচনা করেছেন।
শুধু তাই নয়, স্পেনের যৌথভাবে পরিচালিত যুক্তরাষ্ট্র-স্পেন সামরিক স্থাপনাগুলো ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে ব্যবহার করারও অনুমতি দেননি তিনি।
অন্যদিকে ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ন্যাটোতে প্রতিরক্ষা ব্যয় বাড়ানোর বিষয়ে স্পেনের অবস্থানের সমালোচনা করে আসছেন।
মরক্কো-ইসরায়েল সম্পর্ক
স্পেনের তুলনায় মরক্কোর সঙ্গে ইসরায়েলের সম্পর্ক অনেক উষ্ণ। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাবাহী একটি জাহাজ, যাতে ইসরায়েলের জন্য অস্ত্র বহন করা হচ্ছিল, সেটিকে স্পেনের আলহেসিরাস বন্দরে ভিড়তে দেয়নি মাদ্রিদ। পরে জাহাজটি মরক্কোর বন্দরে যায়।
একই বছর যুক্তরাষ্ট্র থেকে ইসরায়েলের উদ্দেশে যাত্রার পথে একটি ইসরায়েলি যুদ্ধজাহাজ স্পেনে প্রবেশের অনুমতি না পেয়ে মরক্কোর তানজিয়ার বন্দরে জ্বালানি ও রসদ সংগ্রহ করে।
ইসরায়েলের অনেক রাজনীতিকই মনে করেন, স্পেন একদিকে ফিলিস্তিনের পক্ষে অবস্থান নেয়, অন্যদিকে নিজেই আরব ভূখণ্ড দখল করে রেখেছে।
২০১৯ সালে নেতানিয়াহুর ছেলে ইয়াইর নেতানিয়াহু সামাজিকমাধ্যমে সিউতা ও মেলিলার মানচিত্র প্রকাশ করে লিখেছিলেন, প্রিয় আরব ও মুসলিমরা, দখলকৃত আরব-ইসলামী ভূমি মুক্ত করতে চাইলে এখান থেকেই শুরু করুন।
চলতি বছরের মার্চে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিংকট্যাংক মিডল ইস্ট ফোরামে প্রকাশিত এক নিবন্ধে গবেষক মাইকেল রুবিন লিখেছিলেন, মরক্কোর উচিত সীমান্তে বুলডোজার নিয়ে গিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে সিউতা ও মেলিলা পুনর্দখলের উদ্যোগ নেওয়া।
এপ্রিল মাসে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ওয়াইনেট নিউজে প্রকাশিত এক নিবন্ধে মরক্কোর বিশ্লেষক আমিন আইয়ুবও দাবি করেন, যুক্তরাষ্ট্র-স্পেন সম্পর্কে টানাপোড়েন মরক্কোর জন্য সিউতা ও মেলিলা প্রশ্নে নতুন সুযোগ তৈরি করতে পারে এবং এ ক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের মাধ্যমে ইসরায়েল কূটনৈতিকভাবে রাবাতকে সমর্থন দিতে পারে।
শুক্রবার, যখন হাজার হাজার অভিবাসীর ঢলে সিউতা কার্যত অচল, তখন জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত ড্যানি ড্যানন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি মন্তব্য করেন, যা নতুন বিতর্কের জন্ম দেয়।
তিনি লেখেন, স্পেন কখনো ইসরায়েলকে উপদেশ দেওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করে না। অথচ এখন সিউতায় নিজেদের অভিবাসন নীতির কারণে তাদের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে হয়েছে। অন্যদের শিক্ষা দেওয়ার আগে স্পেনের উচিত বিশ্বের কাছে ব্যাখ্যা করা তারা এখনো কেন আফ্রিকায় উপনিবেশ ধরে রেখেছে।
ড্যাননের এই মন্তব্যের জবাবে স্পেনের পরিবহনমন্ত্রী অস্কার পুয়েন্তে বলেন, আচ্ছা, এখন অনেক কিছুই যেন পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে।
তার এই মন্তব্যকে অনেকে ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন তিনি হয়তো মনে করছেন, সিউতার সাম্প্রতিক ঘটনার পেছনে ইসরায়েলেরও কোনো না কোনো ভূমিকা থাকতে পারে।
মরক্কোয় ইসরায়েলপন্থি অবস্থান শক্তিশালী হচ্ছে
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মরক্কোয় ইসরায়েলপন্থি মনোভাব দৃশ্যমানভাবে বেড়েছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে দেশটির কূটনৈতিক সম্পর্কও আরও ঘনিষ্ঠ হয়েছে।
সম্প্রতি মরক্কো পশ্চিম সাহারার একটি ১ হাজার ৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ মহাসড়কের নাম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নামে রাখার ঘোষণা দেয়।
বিশ্লেষকদের মতে, বিষয়টি অস্বাভাবিক নয়। কারণ, ২০২০ সালে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় হওয়া আব্রাহাম চুক্তিতে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর একটি ছিল মরক্কো। ওই চুক্তির মাধ্যমে দেশটি ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করে।
এর বিনিময়ে পশ্চিম সাহারা প্রশ্নে জাতিসংঘ এবং দ্বিপক্ষীয় পর্যায়ে মরক্কোকে গুরুত্বপূর্ণ সমর্থন দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ফলে অঞ্চলটির ওপর নিজেদের নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী করার সুযোগ পেয়েছে রাবাত।
প্রমাণ নেই, তবে প্রশ্ন রয়ে গেছে
সিউতায় অভিবাসীদের ঢল সংগঠিত করতে মরক্কো ইসরায়েলের হয়ে কাজ করেছে এমন কোনো প্রত্যক্ষ প্রমাণ নেই। তবে একের পর এক কাকতালীয় ঘটনা, আঞ্চলিক কূটনৈতিক টানাপোড়েন এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর অবস্থান নতুন করে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
আলজাজিরার বিশ্লেষণ বলছে, ষড়যন্ত্রের কোনো প্রমাণ না থাকলেও একটি বিষয় স্পষ্ট সিউতার সাম্প্রতিক সংকট স্পেনের বামপন্থি প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ এবং ইসরায়েলের ডানপন্থি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সরকারের মধ্যকার আগেই তিক্ত হয়ে ওঠা সম্পর্ককে আরও শীতল করে তুলেছে।
সূত্র : আল জাজিরা
![]() |
| স্পেনের প্রধানমন্ত্রী পেদ্রো সানচেজ ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।। ছবি : সংগৃহীত |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
হঠাৎ শুভ-ঐশীর একসঙ্গে রোমান্টিক ছবি পোস্ট
ছবিগুলো ঘিরে ভক্তদের নানা রকম মন্তব্য। কেউ লিখেছেন, ‘প্রকৃত ভালোবাসা হলেও পাশে আছি।’ লিমন লিখেছেন, ‘এই দুইজনার সঙ্গে দুজন পারফেক্ট।’ আরমান লিখেছেন, ‘বাস্তবে ঐশীর নূর হয়ে গেলেন?’ একসঙ্গে তাঁদের ছবিটি দেখে ভক্তদের মধ্যে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। কেউ কেউ বলছেন, তাঁরা কি প্রেম করছেন। যে গুঞ্জন এর আগে একবার উঠেছিল।
আরিফিন শুভ ও ঐশী ‘মিশন এক্সট্রিম’, ‘মিশন এক্সট্রিম ২: ব্ল্যাক ওয়ার’ ও ‘নূর’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন। একসঙ্গে অভিনয় থেকেই তাঁদের মধ্যে ভালো সম্পর্ক। এ নিয়ে একাধিক সাক্ষাৎকারে দুই তারকা জানিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে ভালো বন্ধুত্ব। শুভও বিভিন্ন সময় বলেছেন, তিনি ঐশীকে স্নেহ করেন। আবার শুভকে অভিভাবক মানেন ঐশী। এর বাইরে তাঁদের মধ্যে প্রেম বা অন্য কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, সেটা কখনোই কোনো ঘটনায় প্রকাশ্যে আসেনি।
এদিকে গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় জানা যায়, দীর্ঘ তিন বছর পর অবশেষে সেন্সর সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে সনদ পেয়েছে ‘নূর’ সিনেমা। সিনেমা হলের জন্য নির্মিত হলেও এটি এখন মুক্তি পাবে ওটিটিতে। সেভাবেই শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি চলছে। সিনেমার প্রচারণার জন্যই সরব হয়েছেন এই তারকা জুটি। তাঁদের পোস্ট করা ছবিগুলো ‘নূর’ সিনেমার।
‘নূর’ পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফী। সিনেমাটি প্রথম দিকে প্রযোজনায় ছিল শাপলা মিডিয়া। একটি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুন মাসে ছবিটি কিনে নেয় প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কোয়াইট অ্যান্ড সেট নামের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। দীর্ঘদিনের এই সিনেমা নিয়ে পরিচালক রাফী মুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, ‘অনেক দিন আগের ছবি। দেখার পর মনে হয়েছে, এটা ওটিটিতে মুক্তি পেলে ভালো হয়। ওটিটি দর্শকের জন্য একটা ভালো অভিজ্ঞতা হবে।’ শুটিংয়ের আগে কেন মনে হয়েছিল প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি দেবেন, এমন প্রশ্নে পরিচালকের বক্তব্য, ‘তখন মনে হয়েছিল, এখন মনে হয়নি—এর বাইরে কোনো যুক্তি নেই।’
![]() |
| ঐশী ও আরিফিন শুভ। ছবি: ফেসবুক থেকে |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তিউনিসিয়ায় জনরোষ তীব্র, দানা বাঁধছে আরব বসন্তের পুনরাবৃত্তির শঙ্কা
২০১১ সালের ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যে গণতান্ত্রিক পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল, তার প্রায় সব অর্জনই এখন ম্লান হয়ে গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নতুন সংবিধান ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গঠনে জনগণের অংশগ্রহণের যে প্রত্যাশা ছিল, তা কার্যত বিলীন হয়ে গেছে। একসময় টেলিভিশন ও গণমাধ্যমে রাজনৈতিক বিতর্কের যে প্রাণচাঞ্চল্য ছিল, তার জায়গা নিয়েছে খেলাধুলা ও বিনোদনভিত্তিক অনুষ্ঠান।
সম্প্রতি রাজধানী তিউনিসে হাজারো মানুষ প্রেসিডেন্ট সাইদের ক্রমবর্ধমান কর্তৃত্ববাদী শাসন এবং জীবনযাত্রার অবনতির প্রতিবাদে বিক্ষোভে অংশ নেন। একই সময়ে সাইদের সমর্থকরাও পাল্টা সমাবেশ করে বিরোধীদের ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের কারাবন্দি করার দাবি জানান।
মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের তিউনিসিয়া পরিচালক সালসাবিল শেল্লালি বলেন, সরকারবিরোধী যেকোনো সমালোচনা এখন কার্যত অসহনীয় হয়ে উঠেছে। তার ভাষায়, পাঁচ বছর আগে কাইস সাইদ তিউনিসিয়ার গণতান্ত্রিক যাত্রাকে সমাপ্ত করে দেশকে আবার কর্তৃত্ববাদী শাসনের পথে ফিরিয়ে নিয়েছেন। আইনের শাসন দুর্বল করা, বিরোধী দল, নাগরিক সমাজ ও গণমাধ্যমকে লক্ষ্যবস্তু বানিয়ে নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে। তার শাসনে কোনো সমালোচকই নিরাপদ নন।
তাপপ্রবাহে উন্মোচিত অব্যবস্থাপনা
তীব্র তাপপ্রবাহ ও দাবানলে তিউনিসিয়ায় প্রায় ৪ হাজার ৪০০ হেক্টর জমি পুড়ে গেছে। ইতালি ও আলজেরিয়ার সহায়তা সত্ত্বেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। একই সময়ে বিদ্যুতের অতিরিক্ত চাহিদা সামাল দিতে রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও গ্যাস কোম্পানি এসটিইজি এ পর্যায়ক্রমিক লোডশেডিং চালু করেছে। এতে কৃষিজ ফসল নষ্ট হচ্ছে, শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে এবং মানুষের দৈনন্দিন জীবন চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অনেক এলাকায় টানা ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক তিউনিসীয় বিশ্লেষক বলেন, গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ ও পানির চাহিদা বাড়বে এটা সবাই জানে। কিন্তু তিউনিসিয়ায় নেই প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা, নেই বিনিয়োগ, নেই অর্থ। তিনি আরো বলেন, সমস্যা শুধু অবকাঠামোর নয়; জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় কেন্দ্রীয় পরিকল্পনারও চরম অভাব রয়েছে।
বিরোধীদের কারাবন্দি, গণমাধ্যমে কঠোর নিয়ন্ত্রণ
দেশটির প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ সরকারবিরোধী নেতা হয় কারাগারে, নয়তো নির্বাসনে রয়েছেন। একসময়কার সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক দল এন্নাহদার অধিকাংশ শীর্ষ নেতা বন্দি। দলটির ৮৫ বছর বয়সী নেতা রাশেদ ঘানুশিও কারাগারে রয়েছেন। গত মাসে অসুস্থ হয়ে কারাগারে অজ্ঞান হওয়ার পর থেকে তার অবস্থান ও শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কোনো তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
এদিকে ‘ভুয়া খবর’ দমনের নামে প্রণীত কঠোর আইনের মাধ্যমে সমালোচনামূলক সাংবাদিকতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাপকভাবে সীমিত করা হয়েছে। সম্প্রতি রাজনৈতিক ভাষ্যকার ও ব্যঙ্গবিদ হাইথেম এল মেক্কিকে তিন বছর আগের একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের কারণে এক বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হলে তিনি দেশ ছাড়তে বাধ্য হন।
কার্নেগি মিডল ইস্ট সেন্টারের গবেষক হামজা মেদদেব বলেন, সবখানেই সেন্সরশিপ চলছে। বিদ্যুৎ বিভ্রাটে গবাদিপশু মারা যাচ্ছে, রেস্তোরাঁ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, অসুস্থ মানুষ কষ্ট পাচ্ছেন, এমনকি বয়স্কদের মৃত্যুর ঘটনাও ঘটছে।
তার মতে, মানুষের ক্ষোভ কখনও রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ ও পানি কোম্পানির দিকে, কখনও সরকারের দিকে গেলেও, প্রকৃত ক্ষমতাকেন্দ্র প্রেসিডেন্টকে প্রকাশ্যে দায়ী করতে মানুষ ভয় পাচ্ছে।
সংস্কারের আশা ক্ষীণ
বিশ্লেষকদের মতে, প্রেসিডেন্ট সাইদের অবস্থান আরও শক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক সমর্থনের কারণে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে গণতন্ত্র ও মানবাধিকার ইস্যুর চেয়ে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে মানবাধিকার নিয়ে উদ্বেগ থাকা সত্ত্বেও তিউনিসিয়া সরকারের সঙ্গে একাধিক সহযোগিতা চুক্তি করেছে তারা।
প্রতিবেশী আলজেরিয়া ও লিবিয়াও সীমান্তে অস্থিতিশীলতা এড়াতে সাইদ সরকারের প্রতি সমর্থন অব্যাহত রেখেছে। আলজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট আবদেলমাজিদ তেব্বুন সম্প্রতি তিউনিসিয়ার স্থিতিশীলতার বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি মোকাবিলায় পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
ক্রাইসিস গ্রুপের উত্তর আফ্রিকা বিষয়ক পরিচালক রিকার্দো ফ্যাবিয়ানি বলেন, প্রেসিডেন্ট সাইদ এমন একটি মানসিকতায় পরিচালিত হচ্ছেন, যেখানে দেশের সব সমস্যাকেই তিনি নিজের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হিসেবে দেখেন। তার মতে, তিউনিসিয়ার প্রায় সব আন্তর্জাতিক অংশীদারই এখন দেশটির সংস্কারের আশা ছেড়ে দিয়েছে।
এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে তিউনিসিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
সূত্র: আল জাজিরা
![]() |
| চলতি বছরের শুরুতে তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কাইস সাইয়েদের বিরুদ্ধে একনায়কতন্ত্রের অবসান ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের দাবিতে আন্দোলনকারী ও রাজনৈতিক বিরোধীরা বিক্ষোভ করেন |
About: Kutubi Cox
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গত ২০২৪ সালে প্রতি ১০ মিনিটে একজন নারী তাঁর ঘনিষ্ঠজনের হাতে খুন হয়েছেন
নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূলে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়েছে।
জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধবিষয়ক কার্যালয় এবং জাতিসংঘ নারী সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছর প্রায় ৫০ হাজার নারী ও কন্যাশিশুকে তাঁদের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী বা পরিবারের সদস্যরা হত্যা করেছেন। ১১৭টি দেশের তথ্যের ভিত্তিতে দেখা যায়, গত বছর প্রতিদিন গড়ে ১৩৭ জন নারী নিহত হয়েছেন।
এই সংখ্যা ২০২৩ সালে প্রকাশিত সংখ্যার চেয়ে সামান্য কম। তবে এটি আসলে হত্যাকাণ্ড কমার বিষয়টি নির্দেশ করে না। কেননা, বিভিন্ন দেশে তথ্য সরবরাহের তারতম্যের কারণে এ পার্থক্য দেখা গেছে।
গবেষণায় বলা হয়েছে, ‘নারী নির্যাতনজনিত হত্যাকাণ্ড প্রতিবছর হাজার হাজার নারী ও মেয়ের জীবন কেড়ে নিচ্ছে এবং কোনো উন্নতির লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এ ছাড়া হত্যার ঝুঁকির ক্ষেত্রে ঘরই নারী ও কন্যাশিশুদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক স্থান।’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের কোনো অঞ্চলই নারী নির্যাতনজনিত হত্যাকাণ্ড থেকে মুক্ত নয়। তবে গত বছর আফ্রিকায় সর্বোচ্চসংখ্যক, প্রায় ২২ হাজার নারীকে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘের নারীনীতি বিভাগের পরিচালক সারাহ হেন্ড্রিক্স বলেন, নারী হত্যা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটি প্রায়ই ধারাবাহিক সহিংসতার একটি অংশ, যা নিয়ন্ত্রণমূলক আচরণ, হুমকি এবং অনলাইনসহ হয়রানি থেকে শুরু হতে পারে।
![]() |
| প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের কোনো অঞ্চলই নারী নির্যাতনজনিত হত্যাকাণ্ড থেকে মুক্ত নয়। ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ▼ 2026 (1467)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...



