Saturday, January 25, 2014
তাসের ঘরে বাঁশের খুঁটি অন্তরালে কিসের ঝুঁকি! by গোলাম মাওলা রনি
আমার কৈশর বেলায় একটি সিনেমা দেখেছিলাম। নাম- তাসের ঘর। ফারুক-রোজিনা ছিলেন কেন্দ্রীয় চরিত্রে। দু’জনই আমার অসম্ভব প্রিয় মানুষ ছিলেন। বিশেষ করে রোজিনার জন্য ছিলাম পাগল। সিনেমাটির মধ্যে একটি গান ছিলো এরূপ- রুপসী গো রূপসী, কেন দিলে ফাঁসি! প্রেমেরও ফাঁসি সর্বনাশী- লাগিয়ে হলেম দোষী!

আজ এতো বছর পর তাসের ঘর আর বাঁশের খুটির কথা বারবার মনে পড়ছে সাম্প্রতিক কালের রাজনৈতিক ঘটনাবলীর কারণে। আমরা গ্রাম বাংলার হাদারাম পোলাপান। ছোট কাল থেকে লাথি গুতো খেতে খেতে এ পর্যন্ত এসেছি। গ্রামে দেখেছি বাউন্ডেলে প্রকৃতির বাজে মানুষেরা তাস পাশা খেলত। এসব নিয়ে তাদের পরিবারে রাতদিন অশান্তি লেগে থাকত। যে পরিবারে একবার তাস ঢুকত সেই পরিবারের সর্বনাশ ঘটা ছিল সময়ের ব্যাপার। বাজে লোকেরা বউ ছেলে এমনকি বাপ মা পর্যন্ত ত্যাগ করতো তাস খেলার নেশায়। আর প্রতিবেশিরা তাস পাশার নায়ক নায়িকাদের অর্ন্তদ্বন্দ এবং কলহ দেখে দূর থেকে হাতে তালি দিত। কারন পরিবারটি শেষ হয়ে গেলে তাদের স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তিগুলো পানির দামে বিক্রি হয়ে যেতো প্রতিবেশিদের নিকট। আর জুয়ারিদের পরিবারে যদি সুন্দরী কোন বউ বা মেয়ে থাকতো-তবে সেগুলোও গনীমতের মাল হিসেবে পাড়ার দুষ্ট ছেলেরা ভোগ করার জন্য ইতি উতি করতো।
আমাদের এলাকায় ছিল অসংখ্য বাঁশবন। লোকজন বলত বাঁশঝাড়। দুই ধরনের বাঁশ আমরা চিনতাম- বয়রা বাঁশ আর তল্লা বাঁশ। বয়রা বাঁশ মোটা মোটা এবং শক্ত প্রকৃতির অন্যদিকে তল্লাবাঁশ ছিল চিকন এবং হালকা প্রকৃতির। গ্রাম বাংলায় প্রায়শই মারামারি হতো বাঁশ দিয়ে। বাঁশের কঞ্চি দিয়ে শিক্ষকগণ পিটাতেন ছাত্রদেরকে। অনেক প্রভাবশালী লোকদের আবার ৩/৪ টা বউ থাকত। গৃহস্বামী বউ পেটানোর জন্য বাঁশের কঞ্চি ব্যবহার করতেন। অনেকে আবার তাদের বাঁশের লাঠি বা কঞ্চিকে আকর্ষনীয় এবং অধিকতর ব্যবহার উপযোগি করার জন্য নিয়মিত তেল মাখতো। এসব কারণে হয়তো বাঁশের নানামূখি ভাল ব্যবহার সত্বেও আবহমান বাংলায় এটি গালি হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।
সাম্প্রতিক হয়ে যাওয়া নির্বাচন নির্বাচন খেলার পর একটি সরকার গঠিত হয়েছে বলে দেশবাসী লক্ষ্য করলো। সবাই বলছে- এটি একটি তাসের ঘর। টিকবে না। সরকারি দলের অনেক নামকরা নেতা বলছেন- টিকবে না মানে? অবশ্যই টিকবে। পুরো পাঁচ বছর টিকবে। পাবলিক বলছে- বাঁশ দেখেছেন! বাঁশ! পাবলিকের এই কথা আবার নেতাদের কানে ঢুকছেনা। কারন বাঁশে বাঁশে প্রতিঘাত হয়ে শব্দগুলো ফেরত চলে আসছে। কারন তারা যে তাসের ঘর তৈরী করেছে তাতে খুটি হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বাঁশ। কিছু বাঁশ রয়েছে বয়রা প্রকৃতির। আবার কিছু তল্লা প্রকৃতির। আবার বেশ কিছু রয়েছে ঘুনে ধরা। ঘুনে ধরা বাঁশগুলি ইতিপূর্বে একাধিক তাসের ঘরে বহুবার খুঁটি হিসেবে ভাড়ায় খেটে এসেছে।
তাসের ঘরের বড় পরিচয় এটি সাধারণভাবে নির্মিত হয়না। চালাকি, ভাওতাবাজী আর প্রতারণার মাধ্যমে নির্মিত হয়। এই ঘরের বাসিন্দারা কখনো শান্তিতে থাকতে পারে না। সারাক্ষণ ইতি উতি করতে থাকে এবং তাদের নিজেদের দূর্বলতা ঢাকতে গিয়ে একের পর এক অন্যায় এবং ভুল করতে থাকে। সেগুলো চাপা দেওয়ার জন্য আবার নানা রকম অপরাধও করে বসে। ফলে একসময় প্রকৃতি থেকে শুরু হয় ঘূর্ণিঝড় আর তাতেই লন্ড ভন্ড হয়ে যায় সবকিছু।
তাসের ঘরের বাসিন্দারা কখনোই নিজেদের বিশ্বাস করে না। আর যে ব্যক্তিগণ নিজেদেরকে বিশ্বাস করেনা তারা কখনো অন্যকে বিশ্বাস করতে পারে না। ফলে ঘরের ভেতরে ও বাইরে চলতে থাকে নানা সন্দেহ আর অবিশ্বাসের দোলাচল। ফলে ঘর এবং ঘরের বাসিন্দারা কাপতে থাকে অস্থিরতায়। এই অস্থিরতায় একসময় তাদেরকে নিয়ে যায় চরম পরিনতির দিকে।
এবার তত্ত্ব কথা রেখে বাস্তবে ফিরে আসি। বাংলাদেশে এখন যা হচ্ছে তা কারো কখনোই কারো জন্য মঙ্গল জনক নয়। কে দায়ী বা কে দায়ী নয় -সে প্রশ্ন অবান্তর। প্রশ্ন হলো যা ঘটেছে তা কি কাম্য ছিলো? আমি বলবো না। অবশ্যই কাম্য ছিলোনা। যে সভ্যতা , গণতন্ত্রের উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সফলতার দ্বারপ্রান্তে আমরা উপনিত হয়ে ছিলাম তা আমাদের সাম্প্রতিক কর্মকান্ডে ভন্ডুল হতে চলেছে। এ পথে যতবেশী সময়ক্ষেপণ করবো ততোই দুর্গন্ধ ছড়াবে এবং নিজেদেরকে আমরা জাতি হিসেবে ব্যর্থ প্রমান করবো।
প্রতিটি মানুষের মনেই চাপা ক্ষোভ। একজন রিক্সাওয়ালা কিংবা সবজী বিক্রেতা সমাজ ও রাষ্ট্রের মানীলোকদেরকে নিয়ে যে ভাষায় কথা বলছে তা যদি চলতে থাকে সেক্ষেত্রে আগামী দিনে কোন ভদ্রলোক রাজনীতিতে আসবেননা। কিছু লোকের ব্যক্তিগত লাভ ক্ষতি বা জেদাজেদির দায় পুরো জাতি নিতে পারে না। অথচ জাতিকে সে দায় নিতে হচ্ছে। এর থেকে বাঁচার উপায় কি? মানুষ আপাতত কোনো উপায় খুঁজে পাচ্ছেনা। তাই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে একটি অবোধ শিশু বলছে আমি আল্লাহকে সব বলে দিবো। এক রিক্সাওয়ালা বলছে হে আল্লাহ তুমি তাদেরকে জান্নাতের সবচেয়ে ভালো জায়গায় স্থান দাও এবং বিনিময়ে আমাদেরকে রক্ষা করো।
নতুন মন্ত্রীপরিষদ নিয়ে অনেকে প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছেন নানাভাবে। এ ব্যাপারে আমার তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। কারন কোন মন্ত্রীই সুস্থভাবে এবং সুষ্ঠভাবে পরিকল্পনা করে তার কাঙ্খিত লক্ষ্য স্থির করতে পারবেননা। কেবলমাত্র একটি ভয়ে-এই সরকার আসলে কতদিন টিকবে। ফলে নতুন সফলতা তো দূরের কথা বরং পুরোনো সফলতাকেও তারা ম্লান করে দিবেন নিজের সন্দেহ, অবিশ্বাস আর অস্থিরতা দিয়ে।
নতুন মস্ত্রীসভার দূর্নীতি রোধ করা হবে প্রধামন্ত্রীর জন্য সব চেয়ে বড় সমস্যা। অতীতের মন্ত্রীদের অনেকেই ছিলেন গ্রাম বাংলা থেকে উঠে আসা ভোলে ভালা প্রকৃতির অভাবী মানুষ। কাজেই দূর্নীতির পথ ঘাট চিনতে তাদের সময় লেগেছে প্রায় বছর দুয়েক। অর্থাৎ বিগত সরকারের প্রথম দুই বছর কোন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ উঠেনি। অন্যদিকে তারা মাননীয় প্রধান মন্ত্রীকে ভয় পেতেন আজরাইলের মতো। ফলে কোন অন্যায় করার পূর্বে তারা দশবার চিন্তা করতেন। প্রথম প্রথম যখন কয়েকজনের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ উঠলো তখন প্রধানমন্ত্রী কৌশলগত কারণে ঐসব মন্ত্রীদের পক্ষ না নিলে অতীতের মন্ত্রী সভা হতো সম্পূর্ন দূর্নীতিমুক্ত।
অন্যদিকে বর্তমান মন্ত্রী সভার প্রবীন নবীনেরা প্রায় সবাই দশ ঘাটের পানি খাওয়া দক্ষ প্রকৃতির লোক। নৈতিক, অনৈতিক সকল বিষয়েই তাদের রয়েছে অপার দক্ষতা। কয়েকজন ত আছেন দূর্নীতি অনিয়ম আর অনৈতিক জীবন যাপনের প্রিন্সিপ্যাল বা অধ্যক্ষ। কোন পত্রিকা অফিস বা গোয়েন্দা সংস্থায় তাদের বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ যাবার পূর্বেই সবকিছু আপন দক্ষতায় ম্যানেজ করার অসাধারণ ক্ষমতা তারা অতীতে অনেকবার দেখিয়েছিল। ফলে এসব দক্ষ লোক যদি মনে করেন যে, সরকারের স্থায়িত্ব ক্ষনস্থায়ী বা আনসার্টেন তবে তারা ২/৩ দিনের মধ্যে যেসব কর্ম করে ফেলবেন তা আগের সরকারের মন্ত্রীরা ২/৩ বছরেও করতে পারেননি। আর এ কারনেই তাদেরকে আমার মনে হয়েছে তাসের ঘরে বাঁশের খুঁটি।
আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বিরোধী দল ব্যর্থ এবং সরকারকে বিপদে ফেলার মতো কোন শক্তিই তাদের নেই। আমি কিন্তু এই ধারনার সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত। আমার ভয় অন্য যায়গায়। বাংলাদেশের অতীত ইতিহাসের ৪টি ঘটনা আমাকে বার বার ভীত সন্ত্রস্ত করে তোলে। সম্মানিত পাঠক গণকে কাহিনীগুলো স্মরন করিয়ে দিয়ে আজকের লেখা শেষ করবো।
১। ১৪ ই আগষ্ট রাত বারোটা পর্যন্ত খোন্দকার মোস্তাক বঙ্গবন্ধুর সঙ্গে ছিলেন। বাসা থেকে বঙ্গবন্ধুর জন্য রান্না করে এনেছিলেন হাঁসের মাংস যা কিনা বঙ্গবন্ধু খুবই পছন্দ করতেন। এই ঘটনার ৪ ঘন্টা পর ঘটেছিলো ইতিহাসের সেই নিমর্ম দূর্ঘটনা। অথচ ১৪ আগস্ট পর্যন্ত সারা দেশ ছিলো সরকারের নিয়ন্ত্রনে। কোন বিরোধী দল ছিলোনা। রাষ্ট্রের প্রতিটি বিভাগে সরকারের কর্তৃত্ব ছিলো সীমাহীন।
২। জিয়াউর রহমানের ক্ষমতাকালীন সময়ে তার জন্য বিষফোঁড়া ছিলো একের এক সেনা বিদ্রোহ। কম করে হলেও ৩০টি সেনা বিদ্রোহ দমন করে তিনি আত্মতৃপ্তির ঢেকুর তুললেন- এবার বোধ হয় স্বস্তি পাওয়া যাবে। ১৯৮১ সালের ২৯ শে মে তারিখে চট্টগ্রাম গেলেন জেলা বিএনপির সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনার জন্য। রাতে চট্টগ্রামের জিওসি এবং জিয়ার কোর্সমেট জেনারেল মঞ্জুরের সঙ্গে গল্প গুজব এবং খানা দানা সেরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ফিরলেন পরিতৃপ্ত আত্মা নিয়ে সম্ভবত রাত্রি একটার দিকে। এর ঠিক ৪ ঘন্টা পর ঘটলো সেই দুর্ঘটনা।
৩। পরবর্তী ঘটনা ৬ ই ডিসেম্বর ১৯৯০ সালের। এরশাদ ক্যান্টনমেন্ট থেকে খোশ মেজাজে বঙ্গ ভবনে ফিরলেন। বিকেলে চলছিলো জাতীয় পার্টির জনসভা। শাহ মোয়াজ্জেম হুমকী ছাড়ছিলেন আগামী এক যুগেও সরকারের পতন হবেনা। অন্যদিকে ক্যান্টনমেন্ট থেকে ফেরার পর ৪ ঘন্টা সময়ও পেলেন না এরশাদ। পদত্যাগ করতে হলো। প্রথমে মওদুদ হলেন রাষ্ট্রপতি তারপর বিচারপতি শাহাবুদ্দিন। শাহ মোয়াজ্জেমরা পালাবার সময়টুকুও পেলেন না।
৪। ১/১১ এর জরুরী অবস্থা জারীর কোন খবরই জানতো না হাওয়া ভবনের কর্তা ব্যক্তিরা। তারা তখন পুরোদমে ইয়াজ উদ্দিন এবং তার সচিব মোখলেছের উপর নির্ভর করে নাকে তেল দিয়ে ঘুমাচ্ছে এবং পুনরায় ক্ষমতায় আসার স্বপ্নে বিভোর হচ্ছে। হঠাৎ করেই দেখলেন রাষ্ট্রপতি ইয়াজ উদ্দিন দেশে জরুরী অবস্থা জারী করছে। তারা ভেবে পেলেন না পালাবেন কি পালাবেন না। এসব ভাবতে ভাবতে তারা যখন পালানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছেন ঠিক তখনি আইন শৃংখলা বাহিনী উপস্থিত হলো তাদেরকে গ্রেফতার করার জন্য।
একটি ধর্মের কথা বলে লেখা শেষ করছি। আল্লাহ পাক ওহীর মাধ্যমে হযরত ইয়াকুব (আঃ)কে জিজ্ঞাসা করলেন বলতে পার, আমি তোমার কলিজার টুকরা ইউসুফকে কেন তোমার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করেছি? তিনি আরজ করলেন- জানিনা। এরশাদ হলো কারন, তুমি তার ভাইদেরকে বলেছিলে আমার ভয় হয় বাঘ তাকে খেয়ে ফেলবে অথচ তোমরা থাকবে অসর্তক। তুমি বাঘের ভয় করেছ। আমার আশা করনি। তুমি ভাইদের গাফলতির কথা চিন্তা করেছ, আমার হেফাজতের প্রতি লক্ষ করনি।
আল্লাহ পাক আবার প্রশ্ন করলেন তুমি জান, আমি ইউসুফকে কেন ফেরত দিয়েছি। তিনি আরজ করলেন না, জানিনা। এরশাদ হলো তুমি বলেছিলে ক) হয়ত আল্লাহ তাদের সকলকে আমার কাছে নিয়ে আসবেন। খ) তুমি আরো বলেছিলে- যাও ইউসুফ ও তার ভাইকে খোঁজ কর। তোমরা আল্লাহর কৃপা থেকে নিরাশ হয়ো না।
-গোলাম মাওলা রনির ফেচবুক স্ট্যাটাস থেকে -
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তাসের ঘরে বাঁশের খুঁটি অন্তরালে কিসের ঝুঁকি! by গোলাম মাওলা রনি
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আর নয় বিষবাষ্প by সাযযাদ কাদির

এ জরিপের ফল কয়েকটি ক্ষেত্রে বিস্মিত করতে পারে অনেককে, কিন্তু সেদিকে না গিয়ে আমাদের নিজেদের দিকে তাকানোই ভাল। এই তাকাতে গিয়েই ঘা লাগতে পারে আমাদের স্থায়ী কতকগুলো বিশ্বাসে, ধারণায়। সে বিশ্বাসগুলোর মধ্যে রয়েছে- আমাদের এখানে সাম্প্রদায়িকতার মাত্রা তুলনামূলক ভাবে অনেক কম; সাম্প্রদায়িক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে স্বার্থবুদ্ধির অপরাজনীতি; এ দেশ শান্তি, সৌভ্রাতৃত্ব, প্রেম ও সাম্য ধর্মে উজ্জীবিত- তাই এখানে সবাই ধর্মপ্রাণ, নগণ্যসংখ্যক ধর্মান্ধ; বাঙালিত্বের মহিমা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আমাদের নির্দেশক শক্তি। তবে সময়ের সঙ্গে-সঙ্গে পালটে গেছে পরিস্থিতি। সব কিছু আর আগের মতো নেই। তাই আমাদের বিশ্বাস ও অঙ্গীকারগুলোর পাশাপাশি নগ্ন নিষ্ঠুর সত্যগুলোকেও মেনে নেয়ার সময় এসেছে। এসব বাস্তবতাকে অস্বীকার করার যো নেই আর। কয়েকটি মাত্র উদাহরণ দেই এখানে। নির্বাচনের আগে-পরে বিভিন্ন অঞ্চলে হিন্দুরা শিকার হন হামলার, মারমুখো আচরণ দেখি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের প্রতি, হেনস্থা হতে দেখি বাউলদের, মাঝেমধ্যে হঠাৎ সহিংসতার লক্ষ্য হয়ে পড়ে বৌদ্ধ, খৃস্টান, উপজাতি-অদিবাসী মানুষ। বিহারি ও রোহিঙ্গাদের প্রতি অনেকের বিদ্বেষ খুব স্পষ্ট। আঞ্চলিকতার বিষবাষ্প-ও ছড়ায় হঠাৎ কখনও। সাম্প্রতিককালে রাজনীতির উথলে পড়া বমনে সৃষ্ট নাস্তিক-আস্তিক দ্বন্দ্ব ঘনিয়ে তুলছে ধর্মভিত্তিক সন্ত্রস্ততা। ইসলাম-বিদ্বেষের ধুয়া ছড়িয়ে পড়ছে ক্রোধের আগুনে। তারপর রাজনীতির বিকার যে জাতীয় বিভাজন সৃষ্টি করেছে তা তীব্র হয়ে উঠছে ক্রমে। ফলে একটির পর একটি পরিকল্পিত অথবা অসতর্ক ঘটনা-দুর্ঘটনার সূত্রে বেড়েই চলেছে অসহিষ্ণুতার মাত্রা। তাই সাম্প্রদায়িক রাজনীতির চেয়ে রাজনৈতিক সাম্প্রদায়িকতা এখন আমাদের সামনে বড় বিপদ হয়ে ঝুলছে ডেমোক্লিস-এর তরবারির মতো। এ থেকে দৃষ্টি সরিয়ে রেখে বা একে উপেক্ষা করে ক্ষমতা, সম্পদ, আপাত সুখ উপভোগের মতো বিপজ্জনক প্রবণতা আর কিছু হতে পারে না। আমাদের বুঝতে হবে সমাজ-জীবনে এখন যে অস্থিরতা তার মূলে রয়েছে ওই ঝুলন্ত তরবারির হুমকি। আমাদের রাজনীতিতে, সমাজে, জীবনে যাবতীয় অসহিষ্ণুতার সৃষ্টি অমন এক উদ্যত হুমকি থেকেই।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আর নয় বিষবাষ্প by সাযযাদ কাদির
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতির খেলা আর কত by মীর আবদুল আলীম

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতির খেলা আর কত by মীর আবদুল আলীম
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্থির রাজনীতি, স্থবির অর্থনীতি by আলী ইদ্রিস

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অস্থির রাজনীতি, স্থবির অর্থনীতি by আলী ইদ্রিস
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে স্থিতিশীলতা আসবে না’ by কাজী সুমন
কারাগার জীবনের স্মৃতিচারণ করে আবদুল আওয়াল মিন্টু বলেন, প্রথমবার কারাগারে গিয়েছিলাম ওয়ান-ইলেভেন জমানায়। এবার গেলাম দ্বিতীয়বার। কারাগারে ভালই সময় কেটেছে। আমার বাসা থেকে অসংখ্য বই পাঠানো হয়েছিল। বই পড়ে সময় কাটিয়েছি। তবে বেশির ভাগ সময় কেটেছে লেখাপড়া করে। কারাগারে থাকা অবস্থায় আমার একটা বই বেরিয়েছে। বিএনপির আন্দোলনের কৌশল সম্পর্কে তিনি বলেন, বিএনপি আন্দোলন থেকে সরে গেছে বা আন্দোলন হবে না- এটা একেবারেই অবান্তর কথা। যুদ্ধক্ষেত্রে যেমন রণকৌশল পরিবর্তন করা হয় তেমনি আমাদেরও আন্দোলনের কৌশল পরিবর্তন করা হয়েছে। দিন দিন বেশি লোক আন্দোলনের পক্ষে কথা বলছে। ভোটাধিকারের অর্জনের দাবিতে অহিংস আন্দোলন কখনও স্তিমিত হবে না। এটা দিন দিন বাড়বে। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই প্রথমবারের মতো এত হাইলেবেলের রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস আমরা দেখেছি। হাজার হাজার মিথ্যা মামলা হয়েছে। বিরোধী দলের লাখ লাখ নেতাকর্মীকে কারাগারে নেয়া হয়েছে। অসংখ্য নেতাকর্মীকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। অতীতে এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি।

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে স্থিতিশীলতা আসবে না’ by কাজী সুমন
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ক্ষতিগ্রস্ত আওয়ামী লীগ এবং পরাজিত শেখ হাসিনা by আমীর খসরু
ব্যবসায়ীদের একাংশের সঙ্গে আওয়ামী লীগের সখ্যতার সম্পর্ক অনেক দিনের। বিশেষ করে যারা ধনাঢ্য কৃষক, মধ্যবিত্ত, পেটিবুর্জোয়া শ্রেণী থেকে আগত তাদের সঙ্গে এ সম্পর্কটির সূচনা হয়েছিল স্বাধীনতার ঠিক পরপরই। কিন্তু বর্তমানে দেশের বিদ্যমান ব্যবসায়িক ও আর্থিক পরিস্থিতি এবং একশ্রেণীর আওয়ামী সমর্থকদের ব্যবসা-বাণিজ্য দখলে তারা হয়ে পড়ে ভীত-সন্ত্রস্ত। অসহায় হয়ে পড়েছেন বিনিয়োগ পরিস্থিতি, গ্যাস-বিদ্যুৎসহ সার্বিক অবকাঠামো উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের অক্ষমতায় এবং ব্যর্থতায়। প্রশাসনসহ সর্বত্রই দলীয়করণে আপন-আপন পেশাজীবীদের সামান্য কোনো মোহ যদি আওয়ামী লীগের ওপরে থেকেই থাকে তা ভঙ্গ হয়েছে ব্যাপক মাত্রায়, অনেক আগেই। গ্রামীণ জনপদে আওয়ামী লীগ এখন একটি আতঙ্কের নাম। স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মী-সমর্থকদের অত্যাচার-নির্যাতন, সার-কীটনাশক সম্পর্কে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ এবং উৎপাদিত পণ্যের বাজার মূল্যে না পেয়ে তারা এমন মাত্রায় আতঙ্কিত যে অতীতে আর এমনটি তাদের ক্ষেত্রে ঘটেনি।
শেখ হাসিনার শাসন দেশের জন্য যতোটা ক্ষতির কারণ হয়েছে, তার চেয়েও বেশি ক্ষতি হয়ে গেছে দীর্ঘদিনের দল আওয়ামী লীগের। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে দলের হ্রাস আছে, স্ফীতি নেই। দলে যারা নতুন এসেছেন, তাদের সংখ্যা একেবারে কম নয়, তারা আদর্শিক কারণে নয়, বরং ক্ষমতার মোহ এবং প্রাপ্তির প্রত্যাশাই এসে জুটেছে। তারা এসে উঠে গেছে অনেক উপরে, দলের পোঢ় খাওয়া দীর্ঘকালের নেতা-কর্মীদের কনুই দিয়ে ধাক্কা মেরে, অন্য জোরে। আওয়ামী লীগ এখন আর পোঢ় খাওয়া নেতা-কর্মী নির্ভর না হয়ে বরং হয়ে উঠেছে সুযোগ সন্ধানী সাইবেরিয়ান পাখীদের মতো নেতা এবং আমলা নির্ভর। আওয়ামী লীগের মতো কোনো রাজনৈতিক দলের এমন আমলা নির্ভর হয়ে পড়াটা যে কতোটা বিপজ্জনক তা আওয়ামী লীগ এখনও বুঝতে পারছে বলে মনে হয় না। বরং এদের আওয়ামী লীগে অংশগ্রহণের সুযোগ সৃষ্টির জন্য নির্দিষ্ট মেয়াদে দলের সদস্য থাকার পরেই নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকার ব্যবস্থাটিও নির্বাচনী ব্যবস্থা থেকে তুলে দেয়া হয়েছে। এটা আওয়ামী লীগ তো অবশ্যই, পুরো রাজনীতির জন্যই এক দুঃসংবাদ। এক হিসাবে দেখা যায়, ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনে নির্বাচিতদের মধ্যে ব্যবসায়ী-শিল্পপতির সংখ্যা ছিল শতকরা ৪ শতাংশের নিচে। এখন তা ৭০ শতাংশেরও বেশি হবে।
দুর্নীতি, কেলেঙ্কারি এবং ভাগ-বাটোয়ারা, সম্পদের স্ফীতির কারণে আওয়ামী লীগের নব্য এবং পুরনো বিভাজনের পাশাপাশি আরেকটি বিভাজন তৈরি হয়েছে। অর্থাৎ যারা পেয়েছেন এবং যারা পাননি। বিগত ৫ বছরে যাদের সম্পদের স্ফীতি ঘটেছে তারা একদিকে এবং যারা কিছুই পাননি বা চাননি তারা অন্য পক্ষে। এভাবে পক্ষ-বিপক্ষের বিভাজন সৃষ্টি হওয়ায় আসল ক্ষতি হয়েছে খোদ আওয়ামী লীগ নামক দলটির। কারণ এখন আওয়ামী লীগ যদি কোনো সঙ্কটে পরে তখন যারা নব্য কিংবা ক্ষমতাবান অথবা যাদের সম্পদের স্ফীতি ঘটেছে বহুগুণে তারা কেন রাস্তায় নামবেন বা সঙ্কট মোকাবেলায় সক্রিয় থাকবেন? কারণ তাদের প্রাপ্ত সম্পদ রক্ষা দল রক্ষার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে পড়েছে। আর যারা বঞ্চিত তারাই বা কেন নামবেন রাস্তায় বা সঙ্কট মোকাবেলায়?
আওয়ামী লীগেও পরিবার এবং উত্তরাধিকারের রাজনীতি নিয়ে ইতোমধ্যে অনানুষ্ঠানিক কেন্দ্রগুলোর উত্থান হয়েছে। এসব কেন্দ্রকে ঘিরে নতুন নতুন উপকেন্দ্রেরও জন্ম হচ্ছে। এ সম্পর্কে ভবিষ্যতে বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে।
এ সব প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তি, ক্ষমতার কর্তৃত্ব, সম্পদের অংশীদারিত্ব নিয়ে ভাগাভাগি, নব্য-পুরনোসহ নানা কারণে বিভাজন সৃষ্টির জন্য আওয়ামী লীগের ইতোমধ্যেই যথেষ্ট ক্ষতি হয়ে গেছে। সুষ্ঠু ধারায় রাজনীতি করলে, উইনার টেকস অল অর্থাৎ ক্ষমতায় যিনি থাকবেন তিনি সবটাই নিয়ে নেবেন- এমন ধারণার রাজনীতি না করে সামান্য সুশাসনকে প্রাধান্য দিয়ে সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচনকেন্দ্রীক রাজনীতি করলে দলটির এ পরিস্থিতি হতো না। এ অবস্থা কাটিয়ে উঠতে দলটি কবে পারবে তা বলা কঠিন।
২০০৮-এ নির্বাচনের পরে ক্ষমতা গ্রহণের প্রথমদিন থেকেই বোঝা যাচ্ছিল আওয়ামী লীগ জয়ী হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বড়মাত্রায় বিজয়ী হয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশটি। করিডোরের নামে ট্রানজিট, বন্দর ব্যবহার, নৌ-সড়ক, রেলপথ উন্মুক্ত করে দেয়া, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানের মধ্যদিয়ে এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদ না করাসহ বিভিন্ন কারণে ক্রমেই স্পষ্ট হয়েছিল, পার্শ্ববর্তীর বিজয়ের আসল রহস্য কি? আসলে তারা কি চায়? কিন্তু ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে ও পড়ে এটা ভালো করেই দেশের মানুষ বুঝতে পেরেছে শাসক বাস্তবে কতোটা নতজানু এবং এ কারণে কতোটা অসহায় হয়ে পড়েছে এই ভূখণ্ডটি এবং এর মানুষ। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আসলেই কতোটা স্বাধীন এবং সার্বভৌম? একটি ভূখন্ড, জনগোষ্ঠী আর জনগণের মধ্যে রাষ্ট্র গঠনের আকাঙ্খা এবং এটি বিদ্যমান থাকাটাই স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের আসল গ্যারান্টি নয়। বাংলাদেশ তার স্বাধীন স্বকীয় সিদ্ধান্ত নিজে নিতে পারছে কিনা তাই হচ্ছে মূল বিষয়, মৌল উপাদান। যদি স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণে বাধাগ্রস্ত হতে হয় বা অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে পড়ে তাহলে সে দেশটি কি স্বাধীন এবং সার্বভৌম?
৫ জানুয়ারি নির্বাচনের আগে পদ্মা সেতু কেলেঙ্কারি, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দুনিয়ার যে কারো সঙ্গে কোনো সঙ্কট দেখা দিলেই তখন হয় বিরোধী দল অথবা ড. ইউনূসকে দায়ী করা হতো। আর একদল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী দলদাস বুদ্ধিজীবী এবং বাক্সজীবী সে সব কথা অতি উচ্চস্বরে প্রচার করতো। কিন্তু ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে গেছে বিষয়টি ব্যক্তির বা দলের নয় - বিষয়গুলো ওই সব দেশের নীতিমালা এবং আকাঙ্খার প্রতিফলন। শুধু পশ্চিমা নয়, মধ্যপ্রাচ্যসহ তামাম দুনিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশের এখন কোনো সুসম্পর্ক নেই। বাংলাদেশকে যে কৌশলে একঘরে ফেলা হয়েছে এ সরকারের বহিদেশীয় মন্ত্রণাদাতা, তা এখন সরকার প্রধান মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে পারলেও করার কিছু নেই। বরং মনে করা হচ্ছে তারাই সব ঠিক করে দেবে। এটির সম্ভাবনা খুবই কম। যে কারণে এখন আন্তর্জাতিক বৈধতার সন্ধানে এই সরকারটিকে ছুটতে হচ্ছে দেশ থেকে দেশে অভিনন্দন বার্তা জোগাড়ের জন্য। সরকার আপাত তৃপ্ত চীন এবং রাশিয়ার অভিনন্দন বার্তায়। তবে আসল বিষয় হচ্ছে, এ দুটো দেশের অভিনন্দন বার্তা যে তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের স্বার্থেই তা অনেকেই বুঝতে পারছেন।
বর্তমান দুনিয়ায় প্রতিনিধিত্বশীল শাসন ব্যবস্থায় ক্ষমতা বিকেন্দ্রায়নের মধ্যে দিয়ে সমন্বিত উদ্যোগে সরকার পরিচালনা করতে হয়। তাহলে সরকারটির ভালো-মন্দ, সাফল্যে বা ব্যর্থতার দায় সবার উপরেই বর্তায়। যদিও টিম লিডার বা সরকার প্রধান হিসেবে কিছুটা বেশী দায় তো থাকবেই। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থাগুলো যেহেতু অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত ক্ষমতার অর্থাৎ এক ব্যক্তি কেন্দ্রিক ও কর্তৃত্বেরই পরিচালিত সে কারণে সরকারটির পুরো দায়দায়িত্ব ওই একজনকেই পুরোটা নিতে হয়। কাজেই ৫ জানুয়ারির নির্বাচনসহ পুরো সরকারের ব্যর্থতার দায় একজনকেই বহন করতে হচ্ছে। একমাত্র তিনিই চিন্তাযুক্ত সামগ্রিক পরিস্থিতি, বিশেষ করে ভবিষ্যৎ নিয়ে।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, তাদের বিজয় হয়েছে। চিন্তা করলে দেখা যাবে, আসলে শেখ হাসিনাই পরাজিত হয়েছেন - আর কেউই নয়। তার পরিবারের বা দলেরও কেউ নয়। পরাজয়ের নানা কারণ ইতোমধ্যে বলা হয়েছে। তবে একটি বিষয় চিন্তা করুন - যে শেখ হাসিনা বিএনপি এবং খালেদা জিয়াকে ১৯৯৬-এর নির্বাচনটি নিয়ে যারপরনাই সমালোচনা করতে পারতেন, কিন্তু এখন তার পক্ষে সেটি আর সম্ভব হচ্ছে না। হবেও না আর কোনোদিন। তাহলে কে পরাজিত হয়েছেন?
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিএনপি ও ব্লেম গেম
২. প্রচার-প্রচারণায় আওয়ামী লীগের এগিয়ে থাকা অবশ্য বিস্ময়কর কিছু নয়। স্বাধীনতাসংগ্রামে দলটির অতুলনীয় অবদানের কারণে বাংলাদেশের সরব নাগরিক সমাজের একটি বড় অংশের চিরস্থায়ী সমর্থন দলটির প্রতি রয়েছে। বাংলাদেশের রাজনীতিতে ধর্মভিত্তিক শক্তিগুলোর প্রতি বন্ধুভাবাপন্ন বিএনপির জোরালো উদ্ভব হলে এবং পরে কমিউনিস্ট বিশ্বের পতন ঘটলে বাম ঘরানার অধিকাংশ আওয়ামী লীগ সমালোচকও আওয়ামী লীগের কট্টর সমর্থক হয়ে ওঠেন নানা পর্যায়ে। এরশাদ-উত্তর রাজনীতিতে বিএনপি রাখঢাকহীনভাবে জামায়াতের সঙ্গে নৈকট্য গড়ে তুললে নাগরিক সমাজের মধ্যে বিএনপির প্রতি বিরাগ বৃদ্ধি পায়। ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বাস্তবায়নের দৃঢ় পদক্ষেপ গ্রহণ করে, জামায়াত ও উগ্রবাদীদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগ প্রচারণাযুদ্ধে বিএনপিকে আরও কোণঠাসা করে ফেলে। অবস্থা একপর্যায়ে এমন হয়ে দাঁড়ায় যে আওয়ামী লীগের যেকোনো সমালোচনা মানে যুদ্ধাপরাধী ও জামায়াতের পক্ষ গ্রহণ—এমন একটি প্রচারণাযুদ্ধ সরকার নাগরিক সমাজের মধ্যে ছড়িয়ে বা চাপিয়ে দিতে সক্ষম হয়। এই যুদ্ধে আওয়ামী লীগবিরোধীদের বিপক্ষে সোচ্চার হয়ে ওঠেন এমন কিছু বিখ্যাত ব্যক্তিও, যাঁরা নিজেরাই তরুণ বয়সে আওয়ামী লীগের অন্ধ সমালোচক ছিলেন। গত এক দশকে আন্তর্জাতিক রাজনীতির অনুকূল পরিস্থিতি আওয়ামী লীগের জন্য প্রচারণাযুদ্ধ আরও সহজ করে ফেলে। ওয়ান-ইলেভেন উত্তর বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর কাছে মুসলিম বিশ্বের দুর্বল রাষ্ট্রগুলোতে গণতন্ত্রের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে ইসলামি জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে সেসব রাষ্ট্রের দলগুলোর মধ্যে কোনটি সবচেয়ে কট্টর অবস্থান নিচ্ছে, সেই প্রশ্নটি। গণতন্ত্রের চর্চার হূদয়ের চেয়ে তাদের জন্য মূল্যবান হয়ে ওঠে জঙ্গিবাদ দমনের হুংকার। এই হুংকার কতটা আদর্শিক কারণে, কতটা রাজনৈতিক সুবিধাবাদের চিন্তা থেকে, তার বিচার-বিবেচনাও খুব একটা করা হয় না অনেক ক্ষেত্রে। এই পরিস্থিতিতে গত পাঁচ বছর ইসলামি জঙ্গিবাদ দমন, বাংলাদেশের মাটি থেকে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের মূলোৎপাটন এবং যুদ্ধাপরাধী ইসলামি রাজনীতিকদের শক্ত বিচার করে আওয়ামী লীগ দেশের মতো আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও সমর্থন আদায় করে নিতে সক্ষম হয়।
৩. বিএনপির নেতারা হয়তো ভাবছেন যে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে আসল জয় হয়েছে তাঁদের। তাঁরা দলের এবং জোটের ঐক্য ধরে রাখতে পেরেছেন, আওয়ামী লীগকে রাজনৈতিকভাবে নিঃসঙ্গ করতে পেরেছেন, আন্তর্জাতিকভাবে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য বলে প্রমাণিত করতে পেরেছেন। সবচেয়ে বড় যা সাফল্য আওয়ামী লীগের দলীয় সরকারের অধীনে যে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব না, তা তাঁরা হাতে-কলমে প্রমাণ করতে পেরেছেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের প্রস্তাবে নিরপেক্ষ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এবং ব্রিটেনের হাউস অব কমন্সের প্রস্তাবে সরাসরিভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু তাতে আসলে তেমন লাভ হলো কি? সত্যিই কি আওয়ামী লীগকে দ্রুত কোনো গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দিতে রাজি বা বাধ্য করাতে পারবে বিএনপি? আমি মনে করি বিএনপির জন্য এটি করা কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি অতীতে এরশাদ ও হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে দুবার ক্ষমতায় আসতে পেরেছিল। কিন্তু তখন খালেদা জিয়া নেত্রী হিসেবে বেশি সক্রিয় ও ওয়াকিবহাল ছিলেন, বিএনপির নেতৃত্বের একটি বিরাট অংশকে তখনো বয়স, জেলে যাওয়ার ভীতি ও সম্পত্তি রক্ষার চিন্তা কাবু করে ফেলেনি। সর্বোপরি বিএনপির তখন ছিল রাজপথে জান-প্রাণ সংগ্রাম করার মতো নিবেদিতপ্রাণ একটি ছাত্র ও যুব সংগঠন। গত পাঁচ বছরে বিএনপির নেতারা একমাত্র স্বেচ্ছাসেবক দল ছাড়া বাকি কোনো সংগঠনকে শক্তিশালী হিসেবে দাঁড় করাতে পারেননি। বিএনপিকে তাই নিজের শক্তি পুনরুদ্ধার করতে হবে। আন্দোলন-সংগ্রামের পাশাপাশি সারা দেশে, বিশেষ করে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে এবং ঢাকা শহরে নতুন নেতৃত্ব সৃষ্টি করতে হবে। বিএনপিকে অবশ্যই জামায়াতের সঙ্গে তার সম্পর্ক থাকবে কি না বা তার ধরন কী হবে, তা নিয়েও গভীরভাবে চিন্তা করতে হবে।
আসিফ নজরুল: অধ্যাপক, আইন বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জামায়াতমুক্ত বিএনপি! দেশ সন্ত্রাসমুক্ত হবে কি?
সোহরাব হাসান: কবি, সাংবাদিক।
sohrab03@dhaka.net
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশের ভাবমূর্তি
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে ন্যায়বিচার পদানত হতে দেয়া যায় না’ -সৈয়দ আবুল মকসুদ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে ন্যায়বিচার পদানত হতে দেয়া যায় না’ -সৈয়দ আবুল মকসুদ

তিনি বলেন, শতকরা ৫২ ভাগ ভোটারকে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগই দেয়া হলো না। তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে ১৫৩ জন প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে গেলেন। বাকি যে ১৪৭ আসন সেখানে ভোট পড়ল ১০-১২ শতাংশ। বহু কেন্দ্রে একটি ভোটও পড়েনি। এই নির্বাচনকে আপনি কিভাবে বলবেন আইনগতভাবে বৈধ? নৈতিকভাবে বৈধ বললে তো নৈতিকতা শব্দটিকেই অসম্মান করা হয়। তারপরেও যদি আমরা বলি এবং বলবোই যে, সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছে। তখনই আসে গ্রহণযোগ্যতার প্রশ্ন। এভাবে নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত একটি সরকারকে কেউ গ্রহণযোগ্য মনে করে না। তবে কেউ গ্রহণযোগ্য মনে করুক বা না করুক কোন সরকার যখন প্রশাসনের মাধ্যমে রাষ্ট্র চালায় তাকে মেনে নিতে হবে, তাই নির্বাচনের পর গঠিত বর্তমান সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র, বৃটেন, ফ্রান্স, জার্মানি প্রভৃতি দেশ অভিনন্দন না জানালেও অর্থাৎ গ্রহণযোগ্য মনে না করলেও সরকারের সঙ্গে স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে অস্বীকার করেনি। সঙ্গে সঙ্গে তারা তাগিদ দিচ্ছে- অতি দ্রুত আর একটি নির্বাচন করা। যে নির্বাচনে অধিকাংশ মানুষের ভোট প্রয়োগের সুযোগ থাকবে। সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত হবে একটি সরকার একটি পার্লামেন্ট।
এখন দুই দলের মধ্যে সমঝোতা আদৌ সম্ভব কি না এমন প্রশ্নে বিশিষ্ট এ নাগরিক বলেন, হানাহানি-মারামারি ও দেশী-বিদেশী চাপ সত্ত্বেও সমঝোতা হয়নি দু’টি পক্ষের মধ্যে। ভবিষ্যতে যে হবে তার শতকরা এক ভাগও নিশ্চয়তা নেই। বিশেষ করে যে ইস্যু থেকে বিরোধের সৃষ্টি, সেই ইস্যুর ন্যায্যতা যদি সরকারি পক্ষ স্বীকার না করে তা হলে তো তারা আলোচনা বা সংলাপেই বসবেন না। অন্যদিকে প্রধান বিরোধী দলও যদি কোন কোন বিষয়ে ছাড় দিতে না চায় তা হলে সরকারের পক্ষেও অনড় থাকাই স্বাভাবিক। যার পরিণাম সমঝোতা না হওয়া। একটি নির্দলীয় এবং মোটের উপর নিরপেক্ষ একটি অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন হোক- সেটাই অধিকাংশ মানুষের আশঙ্কা এবং দাতাগোষ্ঠীর চাপ। তা হলে ধারণা করা যায়, ১৪ দলীয় মহাজোটের পুনঃনির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন সম্ভব নয়। সুতরাং তারা তাতে সম্মত হবে না। ভারতের মিডিয়া ও কর্মকর্তাদের কথাবার্তা থেকে জানা গেছে তারা শেখ হাসিনার সরকারকেই ক্ষমতায় দেখতে চান। সেই মোতাবেকই নির্বাচন হয়েছে এবং গঠিত হয়েছে সরকার। সুতরাং, সমঝোতা আলোচনার মাধ্যমে কিভাবে হবে? তারপরেও বড় দলগুলোর নেতারা যদি গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাস করতেন তা হলে নিজেদের ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতির বাইরে গিয়ে দেশের স্বার্থে তারা একটি সমঝোতার পথ বের করতেন। এখন মন্ত্রীরা বলছেন, পাঁচ বছর পরে নির্বাচন হবে। এর আগে নির্বাচনের কোন সম্ভাবনা নাই। তা যদি না থাকে, তা হলে সমঝোতা কি?
দেশে যে একটা সর্বাত্মক সঙ্কট আছে, তা কি নেতারা উপলব্ধি করেন? বর্তমানে পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশের মুখ দেখাবার উপায় নেই। এই দেশের কংগ্রেসে, ওই দেশের পার্লামেন্টে, প্রভৃতি জায়গায় বাংলাদেশ নিয়ে আলোচনা হচ্ছে, বিচার-সালিশ হচ্ছে, প্রস্তাব পাস হচ্ছে, আরও কতো কি হচ্ছে- কিন্তু সরকার তা তিন তুড়িতে উড়িয়ে দিচ্ছে। বাংলাদেশ আজ অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে বেশি সঙ্কটে আবর্তিত। স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে অস্তিত্বের সঙ্কটে। জনগণ বুঝতে পারছে, নেতারা বুঝতে পারছেন না- তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। আমরা অতীতে অনেক সঙ্কট পার হয়ে এসেছি। নেতারাই তা সমাধান করেছেন। আজকের সঙ্কট আর যে কোন সঙ্কটের চেয়ে গভীর। একাত্তরে মানুষ অকাতরে জীবন দিয়েছিল, অমানুষিক নির্যাতন সহ্য করেছিল, কিন্তু তাদের সামনে স্বপ্ন ছিল তারা তার বিনিময়ে পাবে একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র। সেই রাষ্ট্রে থাকবে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার। মানুষে মানুষে বৈষম্য থাকবে কম। আজ কি দেখছি। একাত্তরের চেতনার লেশমাত্র নেই কোথাও।
তিনি বলেন, সরকারি ও বিরোধী দলের বড় বড় নেতারা দায়িত্বজ্ঞানহীন কথাবার্তা বলছেন। অতীতে অনেক রকম সমস্যা ছিল কিন্তু স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে কোন সংশয় ছিল না। আজ মানুষের সেটা নিয়েই সবচেয়ে বড় উদ্বেগ। এ অবস্থায় শুধু একটি সুযোগ্য নেতৃত্বের অধীনে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলনই রাষ্ট্রকে আবার স্বাভাবিক জায়গায় নিয়ে যেতে পারে বলে মত দেন তিনি। আলোচনার জন্য ‘জামায়াত’ ছাড়ার শর্ত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এসব শর্তের কোন মূল্য নেই। সমঝোতার ইচ্ছা থাকলে বসেই অনেক বিষয়ের ফয়সালা সম্ভব। জামায়াত ইস্যু নিয়েও আলোচনা হতে পারে। অন্যান্য বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। কোন পক্ষেরই শর্ত দিয়ে অনড় থাকা ঠিক নয়।
জাতীয় পার্টির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গণতন্ত্রের মাপকাঠিতে যেভাবে সংসদ নির্বাচন হয়েছে সেটা অগ্রহণযোগ্য। তাছাড়া গঠনের পরে জাতীয় পার্টির সঙ্গে সরকারের যে সম্পর্ক তাতে তাকে কোনক্রমেই বিরোধী দলের পর্যায়ে ফেলা যায় না। রওশন এরশাদকে বিরোধী দলের নেতার মর্যাদা দেয়া আর এরশাদকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত করা সম্পূর্ণ এক গোঁজামিলের ব্যাপার। নির্বাচিত হলেও, যতো কম ভোটেই নির্বাচিত হোক, এই সংসদকে গণতান্ত্রিক সংসদ হিসেবে আখ্যায়িত করা যায় না। একে ভবিষ্যতে ইতিহাসবিদরা অত্যন্ত খারাপভাবে চিত্রিত করবে বলেই আমার বিশ্বাস।
তিনি বলেন, বিএনপিকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করেও জাতীয় পার্টিকে নিয়ে সংসদীয় রীতিনীতি সম্মত একটি পার্লামেন্ট প্রতিষ্ঠা করা যেত। জাতীয় পার্টিকে প্রকাশ্যে একটি বিরোধীদলের রূপ দিতে পারতো। তলে তলে আওয়ামী লীগের সঙ্গে তার যতোই বোঝাপড়া থাক। কিন্তু এখন যা করা হয়েছে তা গণতন্ত্রকে কলঙ্কিত করা ছাড়া আর কিছু নয়।
এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী কে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আমরা বড় দুই দলের কাছেই দেশটিকে ইজারা দিয়ে রেখেছি। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার না করে যতোভাবে অপব্যবহার করা সম্ভব তা তারা করে আসছে। এই অবস্থায় ছোট দলগুলোর একটি গঠনমূলক ভূমিকা থাকতে পারত। কিন্তু তারা রুটিন সভা, সংবাদ সম্মেলন সেগুলো করেই মনে করছে তাদের দায়িত্ব পালন হলো। ছোট দলগুলোর ঐক্যবদ্ধ চাপ থাকলে, আওয়ামী লীগ-বিএনপি স্বৈরাচারী হতে পারতো না। এবং আর যে দু’টি দল-জাতীয় পার্টি ও জামায়াতে ইসলামী তারাও বড় দুই দলের লেজুড় হয়ে ক্ষমতায় ভাগ বসাতে পারতো না। বড় দুই দলের সঙ্গে মাঝারি ওই দুই দল, যুক্ত হয়ে নানান অপকীর্তি করে এখন গণতন্ত্রকে একেবারে কবর দিয়ে দিলো। তিনি বলেন, বিকল্প ধারা, কমিউনিস্ট পার্টি, বাসদ, গণফোরাম, কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জেএসডি প্রভৃতি দল সংঘবদ্ধ থাকলে তা খুব ছোট রাজনৈতিক শক্তি নয়। কিন্তু তারা এখন আর কোন সংগ্রামী সংগঠন নয়। নেতারা সভা-সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন, কিন্তু জনগণকে সংগঠিত করার চেষ্টা তাদের নেই। তা থাকলে এবং তাদের যদি এই বড় দুই দলের সঙ্গে কোনরকম জোট থাকতো তাহলে, এই বড় দুই দল, যা-খুশি তাই করতে পারতো না। এখন অপ্রধান দলগুলোর নিষ্ক্রীয়তার সুযোগে বড় দুই দল স্বেচ্ছাচারী, অগণতান্ত্রিক শক্তি পরিণত হয়েছে। আজকে দেশের এই দুর্দশার জন্য অপ্রধান দলগুলোও কম দায়ী নয়। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সারা পৃথিবীতে রাজনৈতিক সংগঠনের বাইরে নাগরিক সমাজ, অন্যরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। আমাদের দেশী নাগরিক সমাজ স্বাধীনতার আগে এবং আশির দশক পর্যন্ত রাজনৈতিক ব্যাপারে ইতিবাচক ভূমিকা রেখেছে। সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তারা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে যারা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে তাদেরকে সহযোগিতা দিয়েছে। নব্বইয়ের দশক থেকে নাগরিকরা সমাজের বুদ্ধিজীবীরা দুই বড় দলের ব্যাপারে বিভক্ত হয়ে গেছে। তারা উঁচু চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন। অধিকাংশই ব্যক্তিগত স্বার্থ রক্ষা করতে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন দিয়েছেন। বাংলাদেশের ইতিহাসে কবি, শিল্পী, সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদদের এমন নির্লজ্জ দালালিমূলক ভূমিকা আর কখনও দেখা যায়নি। নামকরা বুদ্ধিজীবীরা সরকারকে অন্ধভাবে সমর্থন করে যাচ্ছেন। একদিন ইতিহাসের কাঠগড়ায় তাদের দাঁড়াতে হবে। দেশী বিদেশী শক্তির এজেন্ট হিসেবে তাদের যে ভূমিকা তা পাকিস্তান বাহিনীর দালালদের প্রায় কাছাকাছি। এই অবস্থাটি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির জন্য অত্যন্ত দুঃখজনক। আজ বাংলাদেশে বহুজাতিক কোম্পানির পৃষ্ঠপোষকতা করতে একশ্রেণীর মিডিয়াকে খুবই তৎপর দেখা যায়। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় যখন বাম ও অন্যান্য দলগুলো আন্দোলন করে সেসব সংবাদ তারা সুকৌশলে চেপে যায়। ফলে সাধারণ মানুষের আবেগ-অনুভূতি সঠিকভাবে প্রচারিত হতে পারছে না। সুতরাং আজকের যে সঙ্কট, এই সঙ্কটের জন্য প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো যেমন দায়ী অপ্রধান রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজও কম দায়ী নয়।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
কায়রোয় দফায় দফায় বোমা হামলা
![]() |
| কায়রোর পুলিশ সদর দপ্তরের সামনে বোমা হামলায় আহত এক শিশুকে প্রাথমিক চিকিত্সার পর সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে। এএফপি |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে অর্থহীন নির্বাচন- কূলদীপ নায়ার

About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাংলাদেশে অর্থহীন নির্বাচন- কূলদীপ নায়ার
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
এএপির বিতর্কিত পদক্ষেপে স্বস্তি খুঁজছে বিজেপি
![]() |
| অরবিন্দ কেজরিওয়াল |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আদর্শগত ঐক্য আছে বলেই ১৮ দলে যাচ্ছি’ -কাজী জাফর আহমদ

বর্ধিত সভা: জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির বর্ধিত সভা আজ দুপুর ১২টায় বাড়ি নং-২, রোড নং-৬৮-এ, গুলশান ২-এ অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রেসিডিয়াম সদস্য, উপদেষ্টা, ভাইস চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সব সদস্য এবং জেলা কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। সভায় দেশের সর্বশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে করণীয় সম্পর্কে নীতিনির্ধারণী রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত এবং একটি সাংগঠনিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
‘আদর্শগত ঐক্য আছে বলেই ১৮ দলে যাচ্ছি’ -কাজী জাফর আহমদ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্যরকম আড্ডায় এবিএম মূসা by কাজল ঘোষ

ভাঙা গলায় মূসা ভাই- বরেণতো অনেক ভ্রমণ কাহিনী লিখেছো, আমাদের সময় কার ভ্রমণ কাহিনী জনপ্রিয় ছিল। ইনিয়ে বিনিয়ে আমরা সঞ্জীব চট্ট্যোপাধ্যায়, সৈয়দ মুজতবা আলীর কথা বললেও না ভঙ্গিতে মাথা নেড়ে মূসা ভাই বললেন, রমানাথ বিশ্বাস-এর ভ্রমণ কাহিনী ছিল সবচে’ মজার। সৈয়দ মুজতবা আলী কতটা কৌতুকপ্রিয় ছিলেন তাও আমাদের শোনালেন। একবার এক ঘোড়ার গাড়ির কোচওয়ানকে মুজতবা আলী বললেন, তুমি যখন জোরে গাড়ি ঘুরাও আমি তখন ভয়ে দু’চোখ বন্ধ করে রাখি। কোচওয়ানের ফিরতি জবাব ছিল, স্যার আমিও তখন চোখ বন্ধ রাখি। একে একে ৫০২ নং কক্ষে আলোচনায় আসে অস্কার ওয়াইল্ড, চার্লস ডিকেন্স, অলিভার ট্যুইস্ট, বার্নার্ড শ থেকে বাংলাদেশের ভাল লেখক কে আর ভোগাস লেখক কে তাও। একসময় মান্না ভাই বিদায় নেন। বলে যান, ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তায় নাগরিক ঐক্যের সদস্য সংগ্রহ অভিযান শুরু করতে চান। মূসা ভাইকে প্রধান অতিথি করবেন। সাগ্রহে সম্মতি জানালেন। বললেন, তুমি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চাইলে এখানেও করতে পারো। এটাই প্রথমবার আসেননি, আগেও অন্তত বিশবার এসেছেন ল্যাবএইডে। আর কটা দিন থাকতে হবে। এই বলে বেরিয়ে যান বরেণ দা-ও। খুব ক্লান্ত লাগছে, বিশ্রাম দরকার- মূসা ভাইয়ের স্বগতোক্তি।
বিদায় নেব দাঁড়াতেই উদাস দৃষ্টি মূসা ভাইয়ের। আমি আবার হাঁটতে পারবোতো? বাসায় গিয়ে চেয়ারে বসতে পারবোতো? আর্থোপেডিকস-এর সমস্যা চেপে ধরেছে মূসা ভাইকে। রক্তে হিমোগ্লোবিন কমেছে। ডায়াবেটিস ছাড়া প্রায় সব রোগই এক আধটু বাসা বেঁধেছে মূসা ভাইয়ের শরীরে। মিরপুর রোডের সদর রাস্তাটি দেখা যায় ৫০২ নং কক্ষের বড় কাঁচের দেয়াল দিয়ে। যেখানে শীতের এক মুঠো দুপুরের রোদেলা আলো এসে ঠাঁই নিয়েছে মূসা ভাইয়ের কপালে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অন্যরকম আড্ডায় এবিএম মূসা by কাজল ঘোষ
About: mid tip
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
আগাম নির্বাচনে রাজি না হলে কঠোর আন্দোলন
![]() |
| ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে গতকাল সংঘর্ষের সময় দাঙ্গা পুলিশকে লক্ষ্য করে ঢিল ছুড়ছেন একজন বিক্ষোভকারী। অন্যরা পুলিশের হাত থেকে বাঁচতে নিজেদের আড়াল করেন ছবি: রয়টার্স |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ম্যান্ডেলার ভাস্কর্যের কানে খরগোশ
![]() |
| ম্যান্ডেলার ভাস্কর্য |
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মোড়লদের নির্দেশে গণধর্ষণ!
About: ATM COX
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
জীবন দিয়ে জ্বালা মেটালো রানা প্লাজায় আহত সালমা

প্রতিবেশী ইউনুস জানান, রানা প্লাজায় আহত হওয়ার পর থেকে সালমা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিল। দুই-তিন দিন পরপরই মাথা ব্যথায় সে নিজের চুল নিজেই টেনে ছিঁড়ত। একই সঙ্গে দেয়ালে মাথা আছড়িয়ে যন্ত্রণা লাঘবের চেষ্টা করতো। তাদের কোন পারিবারিক কলহ ছিল না।
এদিকে পুলিশের সুরতহাল প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, প্রাথমিক তদন্তে ও প্রতিবেশীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানতে পারে, নিহত সালমা রানা প্লাজার গার্মেন্টে চাকরি করত। রানাপ্লাজা ধসের কারণে তার মাথায় ও শরীরে আঘাত পায়। এতে তার শারীরিক যন্ত্রণা হতো। যার প্রেক্ষিতে সালমা একটু অস্বাভাবিক ছিল। বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে যে কোন সময়ে সে নিজের ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দিয়েছে। তুরাগ থানার এসআই কামাল হোসেন বলেন, রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় সালমা মাথায় আঘাত পেয়েছিল বলে তার স্বামী জানিয়েছে। এতে তার মাথায় যন্ত্রণা হতো। ওই যন্ত্রণার কারণেই সে আত্মহত্যা করে। সালমার স্বামী বাবুকে থানায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, এ বিষয়ে একটি অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ফজলুর বাড়ির তত্ত্বাবধায়ক হালিমা নামে এক নারী মামলার বাদী হয়েছেন। সালমার আত্মহত্যার কারণ ও অন্য বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
জানা গেছে, নিহত সালমার এটি দ্বিতীয় বিয়ে। এর আগে প্রথম ঘরে তার এক ছেলে রয়েছে। ওই ছেলে চট্টগ্রামে একটি মাদরাসায় পড়াশুনা করছে। দুই বছর আগে বাবুর সঙ্গে তার দ্বিতীয় বিয়ে হয়। এই ঘরে তাদের কোন সন্তান নেই। তার বাবার নাম ফটিক জোয়ার্দ্দার। মা নুরজাহান বেগম। তাদের গ্রামের বাড়ি কুষ্টিয়ার খোকসা থানাধীন বসুরা পশ্চিম পাড়ায়। এ ছাড়া তার স্বামী বাবুর গ্রামের বাড়ি জামালপুরের সদর থানার চর সরিষাবাড়িতে।
About: Anonymous
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1406)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
-
▼
2014
(9799)
-
▼
January
(1176)
-
▼
Jan 25
(29)
- তাসের ঘরে বাঁশের খুঁটি অন্তরালে কিসের ঝুঁকি! by গো...
- তাসের ঘরে বাঁশের খুঁটি অন্তরালে কিসের ঝুঁকি! by গো...
- আর নয় বিষবাষ্প by সাযযাদ কাদির
- আর নয় বিষবাষ্প by সাযযাদ কাদির
- রাজনীতির খেলা আর কত by মীর আবদুল আলীম
- রাজনীতির খেলা আর কত by মীর আবদুল আলীম
- অস্থির রাজনীতি, স্থবির অর্থনীতি by আলী ইদ্রিস
- অস্থির রাজনীতি, স্থবির অর্থনীতি by আলী ইদ্রিস
- ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে স্থিতিশীলতা আসবে না’ b...
- ‘গ্রহণযোগ্য নির্বাচন না হলে স্থিতিশীলতা আসবে না’ b...
- ক্ষতিগ্রস্ত আওয়ামী লীগ এবং পরাজিত শেখ হাসিনা by আম...
- বিএনপি ও ব্লেম গেম
- জামায়াতমুক্ত বিএনপি! দেশ সন্ত্রাসমুক্ত হবে কি?
- বাংলাদেশের ভাবমূর্তি
- ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে ন্যায়বিচার পদানত হতে দেয়া ...
- ‘শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে ন্যায়বিচার পদানত হতে দেয়া ...
- কায়রোয় দফায় দফায় বোমা হামলা
- বাংলাদেশে অর্থহীন নির্বাচন- কূলদীপ নায়ার
- বাংলাদেশে অর্থহীন নির্বাচন- কূলদীপ নায়ার
- এএপির বিতর্কিত পদক্ষেপে স্বস্তি খুঁজছে বিজেপি
- ‘আদর্শগত ঐক্য আছে বলেই ১৮ দলে যাচ্ছি’ -কাজী জাফর আহমদ
- ‘আদর্শগত ঐক্য আছে বলেই ১৮ দলে যাচ্ছি’ -কাজী জাফর আহমদ
- অন্যরকম আড্ডায় এবিএম মূসা by কাজল ঘোষ
- অন্যরকম আড্ডায় এবিএম মূসা by কাজল ঘোষ
- আগাম নির্বাচনে রাজি না হলে কঠোর আন্দোলন
- ম্যান্ডেলার ভাস্কর্যের কানে খরগোশ
- মোড়লদের নির্দেশে গণধর্ষণ!
- জীবন দিয়ে জ্বালা মেটালো রানা প্লাজায় আহত সালমা
- জীবন দিয়ে জ্বালা মেটালো রানা প্লাজায় আহত সালমা
-
▼
Jan 25
(29)
-
▼
January
(1176)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...




