Sunday, July 14, 2019
রুশ এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার দ্বিতীয় চালান পৌঁছেছে তুরস্কে

খবরে বলা হয়, রাশিয়ার কাছ থেকে তুরস্ককে এস-৪০০ না কেনার আহ্বান জানিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। হুমকি দিয়েছিল, তাদের ওপর আরোপ করা হবে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা। যাতে তুরস্কের ২০০ কোটি ডলারের বেশি ক্ষতি হবে। যুক্তরাষ্ট্র আরো বলেছিল, রুশ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনলে অত্যাধুনিক এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান তৈরি কর্মসূচিতে অংশীদার হিসেবে রাখা হবে না তুরস্ককে।
এমনকি বিমানগুলো তাদের কাছে বিক্রিও করা হবে না।
এ বিষয়ে তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার ভারপ্রাপ্ত মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মার্ক এসপারকে বলেন, রুশ এস-৪০০ কেনা তুরস্কের ইচ্ছার বিষয় নয়, প্রয়োজনের বিষয়। কেননা, দেশটি সিরীয় সীমান্ত থেকে হামলার গুরুতর হুমকির সম্মুখীন। এতে তাদের কৌশলগত অগ্রাধিকারে কোনো পরিবর্তন আসবে না। তিনি জানান, আগামী দিনগুলোতে ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাটির আরো চালান যাবে তুরস্কে। নতুন চালানের প্রসঙ্গে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি যুক্তরাষ্ট্র।
উল্লেখ্য, তুরস্ককে এস-৪০০ না কিনে যুক্তরাষ্ট্রের প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা কিনতে আহ্বান জানিয়েছিল তারা। তবে তুরস্ক জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রই তাদের কাছে ওই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা বিক্রি করতে ইচ্ছুক ছিল না। তাই মস্কোর দ্বারস্থ হয়েছে তারা। যুক্তরাষ্ট্র বরাবর দাবি করে আসছে, রাশিয়ার এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ন্যাটোর ব্যবস্থার সঙ্গে বেমানান ও তাদের এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানের জন্য হুমকি।
ন্যাটোর ওপর প্রভাব কমছে যুক্তরাষ্ট্রের
যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব নটিংহামের সংঘাত নিরাপত্তা বিষয়ক অধ্যাপক আফজাল আশরাফ বলেন, রাশিয়ার কাছ থেকে তুরস্কের অস্ত্র কেনার বিষয়টি রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে। এই প্রথম কোনো ন্যাটো সদস্যদেশ রাশিয়ার কাছ থেকে অস্ত্র কিনেছে। এর মানে হচ্ছে, ন্যাটোর ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ হ্রাস পেয়েছে, বিশেষ করে তুরস্কের ওপর।
তবে তিনি এও বলেন যে, সামরিক দিক থেকে বিবেচনা করলে অবশ্য এটা যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ধরনের সুযোগও। এতে করে ন্যাটোর ব্যবস্থায় রুশ অস্ত্র থাকছে। তারা চাইলেই এখন এই ব্যবস্থা কীভাবে কাজ করে ও এর বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত তা পরীক্ষা করে দেখতে পারে। এদিকে, পশ্চিমা অন্য দেশগুলোতেও রাশিয়া-তুরস্কের এই সম্পর্ক উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। অনেকে আশঙ্কা করছেন, এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ক্রয়ের মাধ্যমে রাশিয়ার প্রভাব বলয়ের দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে তুরস্ক। যুক্তরাষ্ট্রের চাপে কাছে নতি স্বীকার করেনি তারা।
উল্লেখ্য, গত বছর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের সম্পর্কে অবনতি শুরু হয়। তুরস্কে এক মার্কিন যাজক আটকের ঘটনা নিয়ে দুই দেশের মধ্যে বিরোধ তীব্র আকার ধারণ করে। মার্কিন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার শিকার হয় তুরস্ক। এতে চরম অর্থনৈতিক মন্দার মুখে পড়ে দেশটি। দরপতন হয় এর মুদ্রার। মুদ্রাস্ফীতি কমে যায় বিপুল হারে। পরবর্তীতে ওই যাজককে মুক্ত করে দিলে অবশ্য নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেয় যুক্তরাষ্ট্র। এখন নতুন করে ফের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলে তা তুরস্কের জন্য বিপর্যয়কারী হতে পারে বলে জানিয়েছে মার্কিন ক্রেডিট রেটিং সংস্থা ফিচ রেটিংস।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মানুষ কী খাবে? দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা, দুধে মিললো আরো বেশি অ্যান্টিবায়োটিক

গতকাল গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে অধ্যাপক আ ব ম ফারুক লেখেন, গত ২৫শে জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদের ফার্মেসি লেকচার থিয়েটারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দুধ ও অন্যান্য খাদ্যপণ্য পরীক্ষার রিপোর্ট পেশকালে উপস্থিত গণমাধ্যমের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে অনুরোধ জানিয়েছিলাম যে, পাস্তুরিত ও অপাস্তুরিত দুধে মানবদেহের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি সনাক্তের প্রেক্ষিতে জনস্বাস্থ্য রক্ষার জরুরি প্রয়োজনে জনস্বার্থে সংশ্লিষ্ট কোম্পানি ও দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাসমূহ যেমন বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড এন্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউট (বিএসটিআই), বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এবং জনস্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান (আইপিএইচ) ইত্যাদি ল্যাবরেটরিগুলোতে যেন এখন থেকে নিয়মিতভাবেই দুধে এন্টিবায়োটিক আছে কিনা তা পরীক্ষা করা হয়। বিএসটিআইয়ের দেড় যুগের পুরনো দুধের স্ট্যান্ডার্ডে (বাংলাদেশ স্টান্ডার্ড, বিডিএস ১৭০২. ২০০২) বর্তমানের নয়টি পরীক্ষার সঙ্গে কমপক্ষে এন্টিবায়োটিক ও ডিটারজেন্টের উপস্থিতি পরীক্ষার মতো দু’টি পরীক্ষা অন্তর্ভুক্ত করে দুধের এই স্ট্যান্ডার্ডকে যুগোপযোগী করার জন্যও আমরা আহ্বান জানিয়েছিলাম।
এতে আমরা আরো জানিয়েছিলাম যে, জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতার অনুভব থেকেই আমাদের সীমিত সামর্থ্যে এই পরীক্ষাটি মাঝে মাঝে করার চেষ্টা করবো। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি বলেন, গত সপ্তাহে আমরা এই পরীক্ষাটি পুনরায় সম্পন্ন করেছি। প্রথমবারের মতো এবারও পূর্বোক্ত ৫টি কোম্পানির ৭টি পাস্তুরিত প্যাকেটজাত দুধের একই জায়গা থেকে সংগৃহীত নমুনা এবং একই জায়গা থেকে খোলা দুধের সংগৃহীত ৩টি নমুনা, অর্থাৎ সর্বমোট ১০টি নতুন নমুনায় এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতি একই নিয়মে একই উন্নত ল্যাবে পরীক্ষা করা হয়। এর ফলাফল আগের মতোই উদ্বেগজনক। এবারও সবগুলো নমুনাতেই এন্টিবায়োটিক সনাক্ত করা গেছে। এন্টিবায়োটিকের মোট সংখ্যা ছিল ৪টি (অক্সিটেট্রাসাইক্লিন, এনরোফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন এবং লেভোফ্লক্সাসিন)। এর মধ্যে আগের বারে ছিল না এমন এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে ২টি (অক্সিটেট্রাসাইক্লিন ও এনরোফ্লক্সাসিন)।
১০টি নমুনার মধ্যে ৩টিতে এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে ৪টি, ৬টিতে এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে ৩টি এবং ১টিতে এন্টিবায়োটিক পাওয়া গেছে ২টি। এতে আরো বলা হয়, আমরা ভবিষ্যতেও এই পরীক্ষাসহ অন্যান্য পরীক্ষাগুলোর ফলাফল জনস্বার্থে প্রকাশ করার চেষ্টা করবো। আমরা আশা করি আমাদের প্রকাশিত এসব তথ্য সংশ্লিষ্ট দুধ উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোকে নিজেদের ব্যবস্থাপনাগত দুর্বলতা দূর করে পণ্যের গুণগত মান উন্নত করতে সাহায্য করবে, সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত সরকারি সংস্থাগুলো দুধে এন্টিবায়োটিকের উপস্থিতির বিষয়টি হালকাভাবে না নিয়ে তা নিয়মিতভাবে পরীক্ষার ব্যবস্থা নেবে এবং এভাবে দেশের দুধের মানের উন্নতি ঘটবে। উপরন্তু, জনস্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগজনক এই সমস্যাটি সমাধানে উদ্যোগী হওয়ার পরিবর্তে বিশেষ কোন সরকারি কর্মকর্তাকে আর বিদেশি চক্রান্ত খুঁজতে হবে না।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
নির্বাচনের পর ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও বিরোধী নেতা প্রথমবার দেখা করলেন ট্রেনে
এপ্রিলের নির্বাচনে মি. ইয়োদোদো প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হলেও তার প্রতিপক্ষ নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ আনে এবং বিরোধী সমর্থকরা বিক্ষোভ করে।
বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে সংঘর্ষে অন্তত ৯ জন বিক্ষোভকারী মারা যায়।
তবে গতমাসে ইন্দেনেশিয়ার সাংবিধানিক আদালত নির্বাচনের ফল বহাল রাখে।
শনিবার জাকার্তার নতুন পরিবহণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করার সময় পারস্পরিক দ্বন্দ্ব ভুলে একত্রিত হন মি. ইয়োদোদো ও মি. সুবিয়ান্তো।
প্রেসিডেন্টের পাশে দাড়িয়ে মি. সুবিয়ান্তো বলেন, "কেউ কেউ জিজ্ঞাসা করেছে যে নির্বাচনে জেতায় কেন আমি প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানাইনি? কারণ আমি তাঁকে সামনা-সামনি অভিনন্দন জানাতে চেয়েছিলাম।"
প্রেসিডেন্টকে তাঁর কাজে সহায়তার আশ্বাস দিয়ে মি. সুবিয়ান্তো বলেন, "প্রেসিডেন্টের কাজ মানুষের সেবা করা এবং এই কাজে অনেক সমস্যার মধ্যে পড়বেন তিনি। তাঁকে সহায়তা করার জন্য প্রস্তুত রয়েছি আমি।"
প্রেসিডেন্ট ইয়োদোদো বলেন, জাকার্তার নতুন গণপরিবহণ ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করার জন্য তাঁর প্রতিপক্ষকে আমন্ত্রণ জানান তিনি।
২০১৪ সালে যে নির্বাচনে প্রথমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হন মি. ইয়োদোদো, ঐ নির্বাচনের ফলও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল।
মি ইয়োদোদো বলেন, "এভাবে বিরোধী নেতা প্রাবোও সুবিয়ান্তোর সাথে দেখা করতে পারায় আমি খুবই আনন্দিত।"
"আমি আশা করবো আমাদের সমর্থকারও একত্রিত হয়ে কাজ করার বিষয়টি মাথায় রাখবেন, কারণ আমরা সবাই একই দেশের নাগরিক। বিশ্বে প্রতিযোগিতা বাড়ছে এবং আমাদের দেশের উন্নয়ন নিশ্চিত করতে আমাদের একতাবদ্ধ থাকতে হবে।"
![]() |
| প্রাবোও সুবিয়ান্তো (বামে) অভিযোগ করেছিলেন যে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে কারচুপির মাধ্যমে জয়লাভ করেছেন জোকো ইয়োদেদো |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সমালোচনা সত্ত্বেও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছিলেন এরশাদ

প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ও রাষ্ট্রপতি পদে ১৯৮২ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রায় নয় বছর সরকার চালিয়েছিলেন হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর তৎকালীন এ স্বৈরশাসক গণআন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন তিনি।
আওয়ামী লীগ ও বিএনপি- প্রধান দুই দলের কাছেই এরশাদ গুরুত্ব পেয়ে যান, কেবল ভোটের রাজনীতির কারণে। রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে থেকেই চির বিদায় নিয়েছেন এরশাদ। এর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি ঘটেছে দেশের রাজনীতিতে আলোচিত একটি অধ্যায়ের।
তৎকালীন সেনাপ্রধান এরশাদ ১৯৮২ সালের ২৪ মার্চ রাষ্ট্রপতি বিচারপতি আবদুস সাত্তারের সরকারকে হটিয়ে অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেন। ক্ষমতা দখলের পর সামরিক শাসন জারি করে নিজেকে প্রধান সামরিক আইন প্রশাসক ঘোষণা করেন তিনি। অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলের বিরুদ্ধে এবং দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় শুরু থেকেই রাজনৈতিক দল ও ছাত্রসমাজ সোচ্চার হয়ে ওঠে।
সামরিক আইন জারি করে এরশাদ আন্দোলন দমিয়ে রাখার চেষ্টা করলেও এক বছরের মাথায় দুর্বার ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। ১৯৮২ সালের নভেম্বরে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। এরশাদ সরকারের কুখ্যাত শিক্ষামন্ত্রী ড. মজিদ খানের শিক্ষানীতির বিরুদ্ধে ১৯৮৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ছাত্রসমাজ স্মারকলিপি দিতে গেলে পুলিশের গুলিতে জয়নাল, দীপালি সাহাসহ ১০ জনের বেশি আন্দোলনকারী প্রাণ হারান।
শুরু হয় সামরিক স্বৈরাচারবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। যে আন্দোলনে রাজনৈতিক দল, পেশাজীবীসহ সব শ্রেণী-পেশার মানুষ যুক্ত হন। আন্দোলনকে ভণ্ডুল করতে মাঝে এরশাদ নির্বাচনসহ বিভিন্ন বাহানা সামনে আনলেও নব্বইয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর তিনটি জোট ১৫ দল, ৭ দল এবং ৫ দল যুগপৎ আন্দোলনে নামে।
স্বৈরাচারবিরোধী দীর্ঘ আন্দোলনে ছাত্র, যুব, রাজনৈতিক নেতাকর্মীসহ অসংখ্য মানুষ প্রাণ দেন। অবশেষে এরশাদ ১৯৯০ সালে ক্ষমতা ছেড়ে দিতে বাধ্য হন।
আন্দোলনের মুখে ক্ষমতা ছাড়তে বাধ্য হলেও ১৯৯১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এরশাদ জেলের মধ্যে থেকেই জাতীয় সংসদের পাঁচটি আসনে তার দল জাতীয় পার্টির প্রার্থী হয়ে পাঁচটিতেই জয়ী হন। ওই নির্বাচনে এরশাদের আসনসহ জাতীয় পার্টি ৩৫টি আসন পায়।
রাজনীতি বিশ্লেষকদের মতে, আন্দোলনের মুখে এরশাদের পতন হলেও কিছু এলাকায় তার দল জাতীয় পার্টির প্রভাব ছিলো লক্ষণীয়, বিশেষ করে রংপুর অঞ্চলে। এর পেছনে এরশাদের প্রভাবই কাজ করেছে। আর এ কারণেই এরশাদ ক্ষমতার রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেন। যার ফলে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি- উভয়ই এরশাদকে সুবিধামতো সময়ে জোটে টানার চেষ্টা করেছে।
১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিরোধী দল বিএনপি এরশাদকে নিয়ে জোট গঠন করে। এ সময় জামায়াত এবং এরশাদের জাতীয় পার্টিকে নিয়ে চার দলীয় জোট গঠন করে বিএনপি। তবে ২০০১ সালের নির্বাচন পর্যন্ত এরশাদ ওই জোটে থাকেননি। নির্বাচনের আগেই সে জোট থেকে বেরিয়ে যান তিনি।
২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসার পর দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় ধরনের মেরুকরণ তৈরি হয়। এই সময়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে বাম-গণতান্ত্রিক দলগুলোর সমন্বয়ে ১৪ দল গঠিত হয়। আন্দোলনের এক পর্যায়ে ২০০৬ সালে এরশাদের জাতীয় পার্টিকে নিয়ে মহাজোট গঠন করে আওয়ামী লীগ।
পল্টন ময়দানে আয়োজিত মহাসমাবেশের মধ্য দিয়ে এই মহাজোটের আত্মপ্রকাশ ঘটে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী এবং তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনার উপস্থিতিতে ওই মহাসমাবেশের প্রধান আকর্ষণ ছিল জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এরশাদের উপস্থিতি।
ওই সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সাবেক নেতা, বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি ও সাবেক রাষ্ট্রপতি ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন। এরশাদের সঙ্গে জোট করা নিয়ে ১৪ দলের শরিক বাম দলগুলো প্রথম দিকে আপত্তি করলেও পরে ওই দলগুলো মেনে নিতে বাধ্য হয়।
২০০৮ সালে নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির সঙ্গে আসন সমঝোতার ভিত্তিতে মহাজোটগতভাবে নির্বাচনে অংশ নেয় আওয়ামী লীগ ও ১৪ দল। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর জাতীয় পার্টি থেকে একজনকে মন্ত্রী করা হয়। তিনি ছিলেন এরশাদের ছোট ভাই (বর্তমান ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) কাদের।
২০০৬ সালের পর থেকে এরশাদ মহাজোটে থাকলেও তাকে আবার জোটে নিতে চেষ্টা অব্যাহত রাখে বিএনপি। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে এরশাদের নাটকীয় অবস্থান ছিল ওই সময়ের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। ওই নির্বাচন বিএনপি বর্জন করে এবং জাতীয় পার্টিকেও ভোট থেকে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করে।
সেসময় জাতীয় পার্টির নির্বাচনে অংশ নেওয়া বা না নেওয়ার বিষয়ে এরশাদ কয়েক দফায় অবস্থান পরিবর্তন করেন। এরশাদকে আওয়ামী লীগের জোট থেকে বের করে আনা এবং নির্বাচন থেকে দূরে রাখার জন্য বিএনপির দিক থেকেও ভেতরে ভেতরে বিভিন্ন কৌশল নেওয়া হয়।
শেষ মুহূর্তে জাতীয় পার্টির মধ্যেও দ্বিধা-বিভক্তি তৈরি হয়। এরশাদ দলের প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নির্বাচন থেকে সরে আসার নির্দেশ দেন। কিন্তু এরশাদের স্ত্রী ও দলের সিনিয়র নেত্রী রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টির একটি বড় অংশ নির্বাচনে অংশ নেয়।
দলীয় প্রধানের নির্দেশে জাতীয় পার্টির কিছু প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেও এরশাদ নিজে কিন্তু রংপুর-৩ আসন থেকে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। সেই আসনে তিনি নির্বাচিতও হন। নির্বাচনের পর দশম সংসদে রওশন এরশাদ বিরোধী দলের নেতার দায়িত্ব পান। এরশাদকে প্রধানমন্ত্রীর ‘বিশেষ দূত’ করা হয়। জাতীয় পার্টি থেকে তিনজনকে ওই সরকারের মন্ত্রিসভায় নেওয়া হয়।
গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি আসবে কি আসবে না, এমন দ্বন্দ্বে দোলাচলে পড়ে যান এরশাদও। মহাজোটগতভাবে ভোটে যাবেন নাকি আলাদাভাবে ভোটে যাবেন, তা নিয়ে সিদ্ধান্ত কিছুদিন ঝুলিয়ে রাখেন।
শেষ পর্যন্ত বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে এরশাদের দল জাতীয় পার্টি আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন সমঝোতা করে ভোটে যায়। একাদশ সংসদে বিরোধী দলীয় নেতা মনোনয়নের ক্ষেত্রেও এরশাদের স্ত্রী রওশন ও ভাই কাদের নিয়ে তার মধ্যে দোলাচল পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু শেষে এরশাদই বিরোধী দলের নেতা মনোনীত হন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাজি ধরে সুরমায় ঝাঁপ সামাদের

স্বজনরা ট্রলার নিয়ে নদীর বুকে খুঁজে ফিরছেন। কিন্তু এখনো পাওয়া যায়নি সামাদকে। সিলেট নগরীর বাগবাড়ি এলাকার সামাদ, মিলন ও অভি তিন বন্ধু। শুক্রবার আসরের নামাজের পর তারা নিজ এলাকা বাগবাড়ির নুরানী মসজিদে মিলাদ পড়ে। এরপর বেড়াতে যায় টুকেরবাজারে সুরমার ব্রিজের উপরে। সঙ্গে থাকা বন্ধু অভি আহমদ মানবজমিনকে জানিয়েছেন, তারা ব্রিজের মধ্যখানে দাঁড়িয়ে ছিল। কথা বার্তা বলছিল। এমন সময় দু’জন বিরানী খাওয়ার বাজি ধরে।
আর বাজি হচ্ছে, ব্রিজের উপর থেকে লাফ দিয়ে পড়ে তীরে সাঁতরে ওঠা। যে আগে তীরে উঠবে সে জয়ী হবে। সন্ধ্যা হতে বাকি তখন এক ঘণ্টা। এরপর মোবাইল ফোন তার কাছে রেখে সামাদ ও মিলন দু’জন সুরমা নদীতে ঝাঁপ দেয়। অভি জানায়, সুরমায় প্রবল স্রোত ছিল। আমি বারবার তাদের এমন বাজি ধরতে বারণ করি। সুরমায় ঝাঁপ দিতে বারণ করি। কিন্তু সামাদ কিংবা মিলন কেউই আমার কথা শুনেনি। তারা সুরমায় ঝাঁপ দিবেই, এমন পণের পর দু’জনই ঝাঁপ দেয়। এর মধ্যে মিলন সাঁতরাতে পারলেও সামাদ নদীতে পড়ে স্রোতের কাছে অসহায় হয়ে যায়। এক পর্যায়ে সামাদ নদীতে হারিয়ে যায়। মিলনও কাহিল হয়ে পড়েছিল। তাকে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় চুড়ইগাঁও এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। শেখপাড়া গ্রামের রফিক মিয়া এ সময় ছিলেন সুরমার ব্রিজের উপর। ঝাঁপ দেয়ার দৃশ্য দেখে তিনিও এগিয়ে আসেন। বন্ধু অভিকে প্রশ্ন করেন কেন তারা নদীতে ঝাঁপ দিল। তিনি ব্রিজ থেকে দাঁড়িয়ে দৃশ্যটি দেখছিলেন। জানালেন, ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দেয়ার পর সামাদ কিছুক্ষণ সাঁতরায়। কিন্তু এক সময় নদীর স্রোতের কাছে অসহায় হয়ে পড়ে। স্রোত তাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। এক সময় আমাদের দৃষ্টিসীমার বাইরে চলে যায়। রেখে যাওয়া স্মৃতি হিসেবে ব্রিজের উপর তাদের দু’জোড়া জুতা ছিল। এদিকে খবর পেয়ে সেখানে ছুটে আসে পুলিশ। তারা খবর দেয় ফায়ার সার্ভিসকে। রাতে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে গেলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে উদ্ধার কাজ চালাতে পারেনি। এদিকে গতকাল সকালে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তল্লাশি চালালেও সামাদের খোঁজ পায়নি। স্থানীয়দের ধারণা- আর জীবিত নেই সামাদ।
নদীতেই তার সলিল সমাধি হয়েছে। সকাল থেকে সামাদের স্বজনরা ট্রলার নিয়ে নদীতে খোঁজ করছিল। বিকাল পর্যন্ত সামাদের খোঁজ পায়নি। সিলেটের জালালাবাদ থানার ওসি অকিল উদ্দিন জানিয়েছেন, আমরা খোঁজ করছি। পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে খবর দেয়া হয়েছে। এর বাইরে পরিবারের লোকজনও খুঁজছেন বলে জানান তিনি। এদিকে আহত অবস্থায় নদীতে ঝাঁপ দেয়া বন্ধু মিলনকে উদ্ধারের পর সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মিলন বাগবাড়ি ১২৩ নরসিংহ টিলার আবাসিক এলাকার রেজাউল করিমের ছেলে। সে পাঠানটুলা দ্বিপাক্ষিক উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র। বর্তমানে মেডিকেলের ৪র্থ তলার ১নং ওয়ার্ডে মিলনের চিকিৎসা চলছে। সামাদও স্কুলের ছাত্র। ঘটনার পর থেকে মাতম চলছে সামাদের বাসায়। সামাদের পিতা মারা গেছেন অনেক আগেই। সামাদ ছিল একমাত্র ছেলে। ঘরে তার আরো ৫টি বোন রয়েছে। এলাকার লোকজন জানান, ঘটনার পর থেকে পরিবারে কান্নার রোল পড়েছে। বাঁচার আশা আমরা ছেড়েই দিয়েছি। এখন লাশটা পেলে মাটি দেয়া যেত। এমন ঘটনায় গোটা এলাকাবাসী মর্মাহত। এদিকে কয়েক দিন আগে টুকেরবাজার ব্রিজের উপর থেকে ৫ বছরের শিশুকন্যা মাহাকে নদীতে ছুড়ে ফেলে দিয়েছিল সৎমা সালমা বেগম। ঘটনার পরদিন মাহার লাশ লামাকাজি এলাকা থেকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ইন্তেকাল

এরশাদের রাজনৈতিক ও প্রেসসচিব এবং জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য সুনীল শুভ রায়ও খবরটি নিশ্চিত করেছেন।
৯০ বছর বয়সী এরশাদ মাইডোলিসপ্লাস্টিক সিনড্রোমে আক্রান্ত ছিলেন, রক্তে হিমোগ্লোবিনের স্বল্পতায়ও ভুগছিলেন তিনি; সেই সাথে তার ফুসফুসে দেখা দিয়েছিল সংক্রমণ, কিডনিও কাজ করছিল না।
ভাইয়ের শারীরিক অবস্থার কথা জানাতে গিয়ে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জি এম কাদের শনিবার বলেছিলেন, এরশাদের কোনো অঙ্গ আর স্বাভাবিকভাবে কাজ করছে না।
‘প্রতিদিন ডাকলে চোখে মেলে তাকানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আজ তা করেননি। আসলে তার বয়স হয়েছে। বয়সের কারণে যে উন্নতি হওয়ার কথা তা হচ্ছে না।’
বাংলাদেশের রাজনীতিতে আলোচিত-সমালোচিত চরিত্র এরশাদ সেনাপ্রধান থাকা অবস্থায় আশির দশকে অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে আট বছর দেশ শাসন করে গণআন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের আগের সরকারে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূতের দায়িত্বপালনকারী এরশাদ বর্তমান সংসদে বিরোধীদলীয় নেতার দায়িত্বে ছিলেন।
এরশাদের স্ত্রী রওশন এরশাদ স্বামীর মৃত্যুর খবর পেয়ে সিএমএইচে ছুটে যান। তার সঙ্গে ছেলে রাহগির আল মাহি এরশাদও (শাদ এরশাদ) ছিলেন। এরশাদের আরেক ছেলে এরিক এরশাদ রয়েছেন বারিধারায় তার বাড়ি প্রেসিডেন্ট পার্কে। এরিকের মা বিদিশার সঙ্গে প্রায় দেশ দশক আগে এরশাদের বিচ্ছেদ ঘটে।
এরশাদের জানাজা ও দাফনের বিষয়ে এখনও কিছু জানানো হয়নি। দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, লাশ বারিধারার বাস ভবনে প্রথমে নেওয়া হবে, পরে নেওয়া হবে বনানীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে।
গত কয়েক বছর ধরেই স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যায় ছিলেন এরশাদ। গত বছরের শেষ ভাগে সিঙ্গাপুরে গিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আসার পর রাজনৈতিক কর্মসূচিতে খুব একটা দেখা যায়নি তাকে। এই সময়ে নিজের সম্পত্তি ট্রাস্টে দিয়ে যান তিনি।
অসুস্থতার কারণে ভাই জি এম কাদেরকে উত্তরসূরি ঘোষণা করে তাকে জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের দায়িত্বেও বসিয়ে যান এরশাদ; যা নিয়ে দলের জ্যেষ্ঠ কো-চেয়ারম্যান রওশনের সমর্থকরা রুষ্ট ছিলেন বলে জাতীয় পার্টির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়।
গত ২২ জুন গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় এরশাদকে সিএমএইচে নেওয়া হলে রাখা হয় ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে। অবস্থার অবনতি হলে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। পরে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে।
অবৈধভাবে ক্ষমতা দখলসহ বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেতিবাচক অনেক ধারা সৃষ্টির জন্য ব্যাপকভাবে সমালোচিত এরশাদ। ৯০ এর গণআন্দোলনের সময় তাকে নিয়েই ‘বিশ্ব বেহায়া’ চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন শিল্পী কামরুল হাসান। আর্থিক কেলেঙ্কারি, নারী কেলেঙ্কারি, রাজনীতিতে একের পর এক ‘ডিগবাজি’ দিয়েও আলোচিত ছিলেন তিনি।
তবে জাতীয় পার্টির নেতা-কর্মীদের কাছে এরশাদ ছিলেন নায়কসম; তারা ‘পল্লীবন্ধু’ হিসেবেই ডাকতেন তাকে।
এরশাদের জন্ম ১৯৩০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কুচবিহারে। অবিভক্ত ভারতে শিশুকাল কুচবিহারে কাটে তার। ভারত ভাগের পর তার পরিবার চলে আসে রংপুরে; পেয়ারা ডাকনামে পরিচিত এরশাদের পড়াশোনার শুরু রংপুরেই।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক ডিগ্রি নিয়ে ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন এরশাদ। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় পশ্চিম পাকিস্তানেই ছিলেন এরশাদ। তার ভাষ্য, তিনি বন্দি হিসেবে সেখানে ছিলেন। তবে মুক্তিযুদ্ধের সময় তার বাংলাদেশ ঘুরে যাওয়ার তথ্য তুলে ধরে অনেকে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।
পাকিস্তান থেকে ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশে ফেরার পর মামা রিয়াজউদ্দিন আহমেদ ভোলা মিয়ার (বঙ্গবন্ধু সরকারের প্রতিমন্ত্রী) সুপারিশে এরশাদকে সেনাবাহিনীর চাকরিতে ফেরত নেয়া হয় বলে সেক্টর কমান্ডার রফিকুল ইসলাম তার বইয়ে লিখেছেন। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল হন তিনি; তখন তার পদমর্যাদা ছিল কর্নেল।
১৯৭৫ সালে এরশাদ ভারতের ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে প্রতিরক্ষা কোর্সে অংশ নিতে গিয়েছিলেন। ওই বছরের ১৫ অগাস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ডের সময় তিনি সেখানেই ছিলেন। ওই ঘটনার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসা জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান হওয়ার পর তার উদ্যোগে ভারত থেকে এনে এরশাদকে করা হয় সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান, মেজর জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দিয়ে।
পাকিস্তান প্রত্যাগত এরশাদকে জিয়ার এই পদোন্নতি দেয়া তখন ভালো চোখে দেখেননি মুক্তিযোদ্ধা সেনা কর্মকর্তারা।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দুর্নীতির কারণে যেন অর্জনগুলো নষ্ট না হয়

কর্মকর্তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আপনারা তৃণমূল পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দুর্নীতি বন্ধে প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেবেন। যাতে করে আমাদের এত কষ্টের অর্জনগুলো নষ্ট না হয়ে যায়। যে ঘুষ নেবে সেই কেবল অপরাধী নয়, যে ঘুষ দেবে সে ও অপরাধী। কাজেই দুর্নীতির কারণে আমাদের উন্নয়নটা যেন বাধাগ্রস্ত না হয়, সে বিষয়ে সকলকে খেয়াল রাখতে হবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে একেবারে তৃণমূল পর্যায়ের যে মানুষগুলি তাদের সকল নাগরিক সুবিধাটা আমরা দিতে চাই।
যাতে করে তাদের কাজ খোঁজার জন্য আর গ্রাম থেকে শহরে আসতে না হয়। নিজের গ্রামেই সব ধরনের আধুনিক সুযোগ সুবিধা তারা পেতে পারে। তিনি বলেন, মানুষের আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য বাড়ার ফলে এবং যেহেতু আমরা ঘোষণা দিয়েছি ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ তাই যত্রতত্র দালান কোঠা ও স্থাপনা তৈরি হওয়ায় কৃষিজমি কমে যাওয়ার একটা আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে মাষ্টার প্ল্যান থাকা এবং তা যথাযথভাবে কার্যকরের ওপর গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটা বোধ হয় আমাদের একটু দেখা উচিত যে, কিভাবে আমাদের কৃষি জমিগুলোকে আমরা রক্ষা করবো। পরিবেশ এবং প্রতিবেশ রক্ষা করে উন্নয়ন যেন পরিকল্পিতভাবে করা যায়।
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদকে একটি বৈশ্বিক সমস্যা আখ্যায়িত করে প্রধানমন্ত্রী এই ব্যাধি নির্মূলে সরকারের সাফল্য তুলে ধরেন এবং এই ধারা অব্যাহত রাখার, যাতে করে কোনভাবেই সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সকলকে সজাগ থাকারও আহবান জানান। অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং দপ্তরের সিনিয়র সচিব এবং সচিববৃন্দ একযোগে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতে স্বাক্ষর করে একে একে প্রধানমন্ত্রীর হাতে তা তুলে দেন। বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সম্পাদনের সাফল্যের স্বীকৃতি স্বরূপ অনুষ্ঠানে ১০টি মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে সম্মাননা পত্র এবং ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এরমধ্যে ২০১৭-১৮ সালের বার্ষিক কর্মসম্পাদক চুক্তি সম্পাদনে সাফল্যের বিবেচনায় বিদ্যুৎ বিভাগ প্রথম, বাস্তবায়ন, পরীবিক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ দ্বিতীয় এবং জ্বালানি এবং খনিজ সম্পদ বিভাগ তৃতীয় স্থান অর্জন করায় অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট বিভাগের সচিবদের হাতে প্রধানমন্ত্রী ক্রেষ্ট এবং সম্মাননা পত্র তুলে দেন। শুদ্ধাচার চর্চা ও দুর্নীতি প্রতিরোধের মাধ্যমে রাষ্ট্র ও সমাজে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য এবং সরকারি কর্মচারিদের শুদ্ধাচার চর্চায় উৎসাহ প্রদানে সরকার প্রদত্ত ২০১৭-১৮ অর্থবছরে শুদ্ধাচার পুরস্কার লাভ করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুল মালেক সম্মাননা পত্র গ্রহণ করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রলালয়, মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়, সুরক্ষা বিভাগ এবং কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সচিবগণও প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সম্মাননা পত্র গ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, মন্ত্রী পরিষদ সচিব মো. শফিউল আলম, মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিব ড. আহমেদ কায়কাউস বক্তৃতা করেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
গৃহকর্তার অত্যাচার থেকে পালাতে গিয়ে....

এ বিষয়ে ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল লতিফ বলেন, শরীফ ও স্বপন বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সংলগ্ন এলাকায় ধানমন্ডির ১৪/এ সড়কের ২৮ নম্বর বাড়ির ৭/এ ফ্ল্যাটে গোলাম কিবরিয়ার বাসায় গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করতো। গৃহকর্তার নির্যাতন সইতে না পেরে সকাল ১০টার দিকে ওই দুই শিশু বাসার বাথরুমের ভেন্টিলেটর দিয়ে রশি বেয়ে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় রশি থেকে পড়ে শরীফ গুরুতর আহত হয়েছে। আর স্বপনকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা উদ্ধার করেছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। সে থানা হেফাজতে রয়েছে।
চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, রশি বেয়ে নামার সময় পড়ে শরীফের বাম পা ভেঙে গেছে। বর্তমানে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এদিকে ঘটনার পরপরই ওই বাসার গৃহকর্তা গোলাম কিবরিয়া এবং তার স্ত্রীসহ চারজনকে আটক করে থানায় নিয়ে এসেছে পুলিশ। ওসি আবদুল লতিফ বলেন, তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আমরা প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি, শরীফ ও স্বপনকে নির্যাতন করা হতো। এই নির্যাতন সইতে না পেরেই তারা পালানোর চেষ্টা চালায়। এ বিষয়ে বাড়ির লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদসহ বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দক্ষিণ কোরীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকায়

সফরকালে তিনি এই হোটেলেই থাকবেন। তিনি আজ সকালে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবকের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তার এই সরকারি সফরের কার্যক্রম শুরু করবেন। এরপর তিনি সাভার ইপিজেড এ ইয়াংওয়ান হাইটেক স্পোর্টসওয়্যার ও ঢাকার মুগদাপাড়ায় ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডভান্স নার্সিং এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ পরিদর্শন করবেন। একই দিন বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে (পিএমও) এক দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও দক্ষিণ কোরিয়ার মধ্যে বেশ কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে, দুপুরে লী ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে এফবিসিসিআই ও কেআইটিএ আয়োজিত বাংলাদেশ- কোরিয়া বিজনেস ফোরামে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করবেন। শেখ হাসিনার সাথে বৈঠকের পর কোরীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গভবনে প্রেসিডেন্ট মো. আব্দুল হামিদের সঙ্গে দেখা করবেন। সন্ধ্যায় তিনি হোটেল প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আয়োজিত এক নৈশভোজে যোগ দেবেন। ঢাকা ছাড়ার আগে তিনি ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাবেন।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অধ্যাপক ফারুকের বিরুদ্ধে আজই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে! by উদিসা ইসলাম
![]() |
| অধ্যাপক আ ব ম ফারুক (ছবি: সংগৃহীত) |
গত ২৫ জুন প্রথম দফায় ও শনিবার (১৩ জুলাই) দ্বিতীয় দফায় পাঁচটি কোম্পানির সাতটি ব্র্যান্ডের গরুর দুধে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়ার বিষয়ে গবেষণা তথ্য প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োমেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক আ ব ম ফারুক। এর মধ্যে প্রথমবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদে সংবাদ সম্মেলন করে এবং দ্বিতীয় দফায় সংবাদ মাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে। তবে প্রথমবার সংবাদ সম্মেলনের পরই তার গবেষণা তথ্য যথেষ্ট উত্তাপ ছড়ায়। বিষয়টি নিয়ে সংসদেও আলোচনা হয়। এরপরেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি অনুষদভুক্ত চারটি বিভাগের সভাপতিরা যৌথ বিবৃতি দিয়ে দাবি করেন, এই গবেষণার সঙ্গে বিভাগগুলোর সংশ্লিষ্টতা নেই। গবেষণাটি গবেষকদের নিজস্ব। বিভাগগুলো দায় এড়ালেও ফার্মেসি বিভাগের ডিন এখনও অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের সঙ্গে আছেন। মূলত এরপরেই চাপে পড়ে যান এই অধ্যাপক। গণমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, তাকে নানা রকম হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে।
বিশেষ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব কাজী ওয়াছি উদ্দিনের হুমকিটি ছিল প্রকাশ্য। কোনও স্বীকৃত গবেষণাপত্রে গবেষণাটি প্রকাশ না করেই তার তথ্য জনসমক্ষে জানানো ও দুধ নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দেন এই সচিব।
কাজী ওয়াছি উদ্দিন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ তার (অধ্যাপক আ ব ম ফারুক) কাছে তথ্য চেয়ে চিঠি দিয়েছিল। তিনি তাদেরকেও তথ্য না দেওয়ায় রবিবার তারা (নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ) আবারও চিঠি দেওয়ার প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে। কালকেই (রবিবার) জানতে পারবেন ইনশাল্লাহ।
তবে অব্যাহত চাপেও নিজের গবেষণায় পাওয়া সিদ্ধান্ত থেকে সরে না দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন অধ্যাপক ফারুক। শনিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আবারও জানিয়েছেন, তাদের গবেষণা দলটি পাঁচটি কোম্পানির ৭টি ব্র্যান্ডের দুধের নমুনা বাজার থেকে দ্বিতীয় দফায় সংগ্রহ করে আবারও গবেষণা করেছে। এবার গতবারের তুলনায় দুধে অ্যান্টিবায়োটিকের পরিমাণ আরও বেশি পাওয়া গেছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের ৭টি ব্র্যান্ডের তরল দুধ দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা করা হয়েছে সেই ব্র্যান্ডগুলো হলো: মিল্ক ভিটা, আড়ং, প্রাণ, ফার্ম ফ্রেশ ও ইগলু। এর মধ্যে ইগলুর তরল দুধ ছাড়াও আরও দুটি ফ্লেভারের দুধ রয়েছে। এর আগে ২৫ জুন যে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় তাতে ৩টি করে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। গত সপ্তাহে ওই ৭টি ব্র্যান্ডের দুধের নমুনা একই জায়গা থেকে সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হয়। এবার মিলেছে চার ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক।
এদিকে, অধ্যাপক ফারুকের গবেষণার ফলকে গ্রহণ না করে তাকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি বা হয়রানির বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা চলছে। তার মতো একজন শিক্ষককে কেবল গবেষষণা ফল প্রকাশের জন্য হয়রানি করা অন্যায় বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা রকম পোস্ট দিতে দেখা গেছে। এই গবেষণাটির ফল সঠিক কিনা তা যাচাই করার জন্য ভিন্ন গবেষণাগারে নমুনাগুলো আবারও পরীক্ষার দাবি তুলেছেন বেশিরভাগ সচেতন মানুষ।
অধ্যাপক আ ব ম ফারুকও বলেছেন, সন্দেহ দূর করার জন্য স্বীকৃত একাধিক গবেষণাগারে দুধের নমুনা পাঠিয়ে পরীক্ষার ফল জানার ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদ্যোগ নিতে পারে।
তবে কোনও স্বীকৃত গবেষণাপত্রে প্রকাশ না করে এই গবেষণার তথ্য প্রকাশ করতে পারেন কিনা কাজী ওয়াসি উদ্দিনের তোলা এ প্রশ্নের জবাবে এর আগে গণমাধ্যমগুলোকে অধ্যাপক আ ব ম ফারুক জানিয়েছেন, স্বীকৃত গবেষণাপত্রে প্রকাশের জন্য তার গবেষণাটি পাঠানো হচ্ছে, তবে যে কোনও গবেষণাপত্রে গবেষণা প্রকাশ সময়সাধ্য বিষয়। আর বিষয়টি জনস্বার্থ সম্পর্কিত। সেজন্যই জনস্বার্থে তিনি বিষয়টি প্রকাশ করেছেন।
নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সদস্য ও অতিরিক্ত সচিব মাহবুব কবীর ব্যবস্থা নেওয়া প্রসঙ্গে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা তাকে চ্যালেঞ্জ করে চিঠি দেইনি, রবিবারের চিঠিটিও তেমন হবে না। কিন্তু আমাদের জানতে হবে তিনি কোন ল্যাবে এই পরীক্ষাটি করেছেন। আমাদের দেশে এমন গবেষণাগার আছে আর আমরা জানি না এটি আমাদের কাছে ভীষণ আশ্চর্যের। তিনি আরও বলেন, আমরা তার গবেষণা প্রতিবেদন দেখে আকাশ থেকে পড়ছি। আমার দেশে এমন পরীক্ষণাগার আছে। অ্যান্টিবায়েটিক কিভাবে ৩টা থেকে ৫টা করে বের করছেন তিনি। মাত্রাটি কী, অ্যান্টিবায়োটিকের গ্রহণযোগ্য মাত্রার ওপরে- নিচে নাকি সমান, সে তথ্যও উনি দেননি। আমরা দু-দুটো পরীক্ষণাগারে পরীক্ষা করে যা পাইনি তা উনি কীভাবে পেলেন জানতে হবে না? আমাদের তো এই ল্যাব দরকার।’
অধ্যাপক ফারুক কেন গোপন করছেন, তিনি কেন লুকোচুরি খেলছেন অভিযোগ করে মাহবুব কবীর বলেন, তিনি যা পেয়েছেন সেটা বিশাল সমস্যা। জাতিগতভাবে সবাই মিলে সমাধান করতে হবে। আমরা যে দুই পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করেছি সেখানে অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যায়নি, কিন্তু তাতে করে আমি বলতে পারবো না যে বাকি দুধের স্যাম্পলগুলোতে এসব নেই।
তিনি আরও বলেন, কোনও কোম্পানি দুধে অ্যান্টিবায়োটিক মিশিয়ে দেয় না। গরুকে হয়তো দেন কিছু খামারি, কিন্তু সব খামারি সব গরুকে দেন না। আবার যেগুলোকে দেন সেগুলোর দুধ প্রক্রিয়াজাত হয়ে বাজারে আসতে আসতে অ্যান্টিবায়োটিক নাই হয়ে যায়। তাহলে উনি কোন পদ্ধতিতে কী পেলেন তা জানতে চেয়েই আমরা চিঠি দিয়ে সাত দিন সময় দিয়েছিলাম। সেটি শেষ হওয়ায় রবিবার আবারও চিঠি পাঠানো হবে।
এ বিষয়ে টেলিফোনের অধ্যাপক আ ব ম ফারুকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আগামী সোমবার পর্যন্ত আমি ব্যস্ত থাকবো। এরপরে বিস্তারিত কথা হবে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সুইস ব্যাংকে এক বছরে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ১ হাজার ২৭৪ কোটি টাকা

সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোর গ্রাহকদের তথ্য গোপন করার আইন অনেক কঠোর। তবে সম্প্রতি আন্তর্জাতিক চাপে কিছু কিছু তথ্য প্রকাশ করছে দেশটির কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কোন দেশের নাগরিকদের কত অর্থ জমা আছে তা প্রতিবেদন আকারে প্রকাশ করা হয়। তবে একক অ্যাকাউন্টের তথ্য প্রকাশ করা হয় না। সুইজারল্যান্ডে ব্যাংকের সংখ্যা ২৪৮টি। গ্রাহকের নাম-পরিচয় গোপন রাখতে কঠোর তারা। ধারণা করা হয়, অবৈধ আয় ও কর ফাঁকি দিয়ে জমানো অর্থ এখানে রাখা হয়।
বৃহস্পতিবার এসএনবির ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ২০১৮ সালের প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশিদের আমানত দাঁড়িয়েছে ৬১ কোটি ৭৭ লাখ সুইস ফ্রাঁ; দেশি মুদ্রায় ৫ হাজার ৩৪৩ কোটি টাকা (প্রতি ফ্রাঁ ৮৬ দশমিক ৪১ টাকা ধরে)। এক বছর আগে এ অঙ্ক ছিল ৪৮ কোটি ১৩ লাখ ফ্রাঁ বা ৪ হাজার কোটি টাকা।
সুইস কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষণা অনুযায়ী, কোনো বাংলাদেশি নাগরিকত্ব গোপন রেখে অর্থ জমা রাখলে ওই অর্থ এ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত নয়। গচ্ছিত রাখা স্বর্ণ বা মূল্যবান সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমানও হিসাব করা হয়নি এ প্রতিবেদনে। এ পর্যন্ত যে হিসাব পাওয়া যায়, তাতে ২০১৬ সাল পর্যন্ত টানা ছয় বছর বাংলাদেশিদের আমানত বাড়ে সুইস ব্যাংকে। মাঝে ২০১৭ সালে আমানতের পরিমাণ কমলেও গত বছর বেড়েছে। বাংলাদেশিদের জমার অর্থের পরিমাণ বাড়লেও সামগ্রিকভাবে ২০১৮ সালে আমানত কমেছে সুইস ব্যাংকগুলোয়।
সাবেক তত্তবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এবি মির্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, ২০১৮ সালের নির্বাচনকে ঘিরে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতার কারণে মানি লন্ডারিং বেড়েছে। তিনি বলেন, বেশিরভাগ লন্ডারিংয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
সূত্র: ঢাকা ট্রিবিউন
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সম্পত্তি নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের লন্ডনে লড়াই
১৯৪৭ সাল। ভারত-পাকিস্তান ভাগের সময়ে হায়দরাবাদের সপ্তম নিজাম আশঙ্কা করেছিলেন, তার বিপুল সম্পত্তি হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে। লন্ডনে পাকিস্তানের দূতের হাতে তখন তিনি ১০ লাখ পাউন্ড নগদ দিয়েছিলেন। যা ওই দূত লন্ডনের ন্যাটওয়েস্ট ব্যাঙ্কে গচ্ছিত রাখেন। সেই অর্থই এখন সুদে-আসলে সাড়ে তিন কোটি পাউন্ডে দাঁড়িয়েছে।
এখন নিজামের দুই বংশধর ব্রিটিশ সরকারের কাছ থেকে ওই অর্থ পেতে চাইছেন, যাতে বাধ সেধেছে পাকিস্তান সরকার। ভারত অবশ্য নিজামদের পক্ষই নিয়েছে। তারা চায়, নিজামের প্রকৃত বংশধরেরাই সেই অর্থ পান। যারা এই অর্থ দাবি করেছেন তারা হলেন, অষ্টম নিজাম এবং তার ভাই। অষ্টম নিজাম তুরস্কে থাকেন। দুই ভাইয়ের দাবি ভারত মেনে নিলেও পাকিস্তানের প্রবল আপত্তি রয়েছে ওই অর্থ তাদের হাতে তুলে দিতে।
এই অর্থ নিয়ে আইনি লড়াই এই প্রথম নয়। পঞ্চাশের দশকে নিজামেরা ওই অর্থ ব্যাঙ্কের কাছ থেকে তুলে নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু পাকিস্তান সরকার তখনই জানিয়েছিল, পাকিস্তানের মুসলিম সম্প্রদায়কে ওই অর্থ উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন সপ্তম নিজাম। ফলে ওই অর্থ নিজামের বংশধরেরা কখনোই দাবি করতে পারেন না। ইসলামাবাদের সেই দাবি তখন মেনে নেন হাউস অব লর্ডসের লর্ড ডেনিং। তিনিও রায় দেন যে, ওই অর্থ লন্ডনেই থাকবে।
এর পরে, ২০১৩ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের স্ত্রী শেরি ব্লেয়ারকে ওই নগদ অর্থ উদ্ধারের পরামর্শ দিয়েছিল পাকিস্তান সরকার। তাদের দাবি ছিল, হায়দরাবাদ দখল করেই জাতিসঙ্ঘ আর ব্রিটিশ সরকারকে দেয়া প্রতিশ্রুতি ভেঙে ফেলেছিল ভারত। ১৯৪৮ সালে নিজামদের রাজ্য দখল করে ভারত সরকার। পরবর্তী কালে নিজামদের সাথে বন্ধুত্বও স্থাপন করে তারা। এখন আইনি লড়াইয়ে তাদেরই পক্ষে দিল্লি।
ব্রিটেনের রাজ পরিবারের সাথেও সখ্য ছিল নিজামদের। রানি দ্বিতীয় এলিজ়াবেথের বিয়ের সময়ে বহুমূল্য হিরের দু’টি গয়না তাকে উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন সপ্তম নিজাম। আগামী ছয় সপ্তাহের মধ্যে এই মামলার নিষ্পত্তি করার কথা লন্ডন হাইকোর্টের।
সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা
![]() |
| রানি দ্বিতীয় এলিজ়াবেথের গলায় হায়দরাবাদের সপ্তম নিজামের (ডান দিকে) দেয়া হিরের নেকলেস। - ছবি: সংগৃহীত |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
মিন্নির গ্রেফতার চান রিফাতের বাবা?
![]() |
| সংবাদ সম্মেলনে আবদুল হালিম দুলাল শরীফ |
সংবাদ সম্মেলনে আবদুল হালিম দুলাল শরীফ অভিযোগ করেন, ‘রিফাত হত্যাকাণ্ডের নতুন ভিডিও ফুটেজ দেখে আমি ধারণা করছি, আমার ছেলেকে হত্যার পেছনে তার স্ত্রী আয়শা সিদ্দিকা মিন্নি জড়িত। মিন্নি যদি হামলাকারীদের প্রতিরোধের চেষ্টা না করে রিফাতকে জড়িয়ে ধরতো, তাহলে আমার ছেলে নির্মম হত্যার শিকার হতো না।’ এসময় মিন্নি জড়িত সন্দেহে ১০টি বিষয়কে সামনে আনেন তিনি।
গত ৬ জুলাই রিফাত হত্যার নতুন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কলেজের প্রধান ফটক থেকে মিন্নিকে নিয়ে রিফাতকে বের হতে দেখা যায়। পরে মিন্নি ফের কলেজের ভেতরের দিকে যান। এসময় রিফাত তার স্ত্রী মিন্নিকে ভেতরে যেতে বাধা দেন। এরপরই সন্ত্রাসীরা কলেজ গেট থেকে রিফাতকে ধরে সামনের দিকে নিয়ে যায়। মিন্নি তখন পেছন পেছন হাঁটছিলেন। কয়েক সেকেন্ড পরেই নয়ন বন্ড ও অন্যরা যখন রিফাত শরীফকে কিল, ঘুষি, লাথি দিতে শুরু করে, তখনই মিন্নি তাকে বাঁচাতে এগিয়ে যান। আর যখন সন্ত্রাসীরা রিফাত শরীফকে কোপাতে শুরু করে তখন মিন্নি হামলাকারীদের নিবৃত্ত করার চেষ্টা করেন।
দুলাল শরীফ সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আসামিরা মিন্নির ওপরে চড়াও হয়নি এবং মিন্নি কোনোভাবেই আক্রান্ত হয়নি। তার প্রশ্ন, ‘কেন, মিন্নি কেন আক্রান্ত হয়নি?’
এসময় মিন্নি বিবাহিত ছিল এবং আগের বিয়ের তথ্য গোপন করেছে এমন অভিযোগও করেন তিনি। এছাড়াও তার ছেলেকে হত্যার আগের দিন মিন্নি নয়ন বন্ডের বাসায় গিয়েছে এমনটা জেনেছেন বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানান।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি নিজের উপলব্ধি থেকেই সাংবাদিকদের সামনে হাজির হয়েছি।’
রিফাত হত্যার প্রধান সাক্ষী মিন্নিকে অভিযুক্ত করলে মামলায় এর প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি আমার ছেলের হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।’
আবদুল হালিম দাবি করেন, মিন্নি অন্যান্য দিনে রিফাতকে ছাড়া কলেজে গেলেও ঘটনার দিন রিফাতকে কলেজে ডেকে নিয়ে গেছে। যদিও মিন্নি এর আগে দাবি করেছিলেন, তার স্বামী রিফাত শরীফ সেদিন কলেজে এসে তাকে বলেছিলেন, আব্বু ( মিন্নির শ্বশুর) এসেছে।
পরে ফোনে বাংলা ট্রিবিউনের এক প্রশ্নের জবাবে আবদুল হালিম দুলাল শরীফ জানান, মনের ভেতরে যে ক্ষোভ জমেছিল এবং যত প্রশ্ন তৈরি হয়েছিল সেগুলো প্রকাশ করতেই এ সংবাদ সম্মেলন করেছেন তিনি। মিন্নির গ্রেফতার চেয়ে পুলিশের কাছে আবেদন করবেন কিনা সেটা রবিবার তার আইনজীবীর সঙ্গে পরামর্শ করেই ঠিক করবেন।এদিকে, গত ৯ জুলাই বাংলা ট্রিবিউনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মিন্নি দাবি করেন, ‘কিছু লোক আছে যারা বিষয়টি ভিন্ন দিকে নিয়ে যেতে চেষ্টা করছে। আমি চরম মানসিক নিপীড়নে ভুগছি। কেউ আমাদের পাশে নেই, সবাই শুধু সমালোচনায় মুখর। আমি সবার সহযোগিতা চাই।’
রিফাত শরীফের ওপর হামলার ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মিন্নি বলেন, ‘‘ওইদিন সকাল সোয়া ১০টা হয়তো। রিফাত আমাকে বলে, ‘আব্বু (রিফাতের বাবা) আসছে, চলো, তোমার সঙ্গে দেখা করবে।’ আমি ওকে বলেছিলাম ‘আমার কাজ শেষ করে বের হই।’ ও আপত্তি করে বলে, ‘আব্বু গেটে অপেক্ষা করছে।’ আমি তখন ওর সঙ্গে বের হই। গেটের বাইরে এসে এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখি বাবা কোথাও নেই। তখন আমি বলি, ‘তুমি মিথ্যে বলেছো, চলো রুটিন নিয়ে আসি।’ আমি ওকে নিয়ে ভেতরে যেতে চাই। ঠিক এ মুহূর্তেই ১০-১২ জন আমাদের ঘিরে ধরে এবং রিশান ফরাজী ওর পথরোধ করে। ঘটনার আকস্মিকতায় আমি হতভম্ব হয়ে ওদের পেছনে হাঁটতে থাকি। পরে যখন আক্রমণ করে তখন প্রতিরোধের চেষ্টা করি। আমি হেল্প চাই অনেকের কাছে। কেউ আসেনি। ওরা চলে যাওয়ার পর রিফাত নিজেই হেঁটে রিকশায় ওঠে। আমার পায়ের পাতা কেটে যাওয়ায় জুতো ছাড়া হাঁটতে পারছিলাম না, তখন জুতো পায়ে দেই। এ সময় একজন আমার হাতে ব্যাগ তুলে দেয়।’’
মিন্নি বলেন, ‘আমার কাছে ফোন ছিল না। দুটি ছেলে মোটরসাইকেলে আমাদের রিকশা ফলো করে যাচ্ছিল। আমি তাদের হেল্প চাইলে তারা ধমক দেয়।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব বিষয় নিয়ে বিতর্ক প্রসঙ্গে মিন্নি বলেন, ‘বিয়ের মাত্র দুই মাসের মাথায় স্বামীকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যার দৃশ্য দেখেছি। মানসিকভাবে আমি বিধ্বস্ত। আমার অনুরোধ, আমি তো আপনাদের মেয়ে বা বোন হতে পারতাম, আপনারা না জেনে কোনও মন্তব্য করবেন না। আমি চরম মানসিক নিপীড়নে ভুগছি। কেউ আমাদের পাশে নেই, সবাই শুধু সমালোচনায় মুখর। আমি সবার সহযোগিতা চাই।’
প্রসঙ্গত, গত ২৬ জুন বরগুনা সরকারি কলেজের সামনে সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে রিফাত শরীফকে। পরে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ওইদিন বিকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যান।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকারের অনুমতি জাপানের

কয়েক প্রজাতির তিমি প্রায় বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে ১৯৮৬ সালে বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে তিমি শিকার নিষিদ্ধ করে আইডব্লিউসি। বিভিন্ন প্রজাতির তিমি বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় এমন সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। তবে এ সংস্থার সাবেক সদস্য জাপানের দাবি, তিমি মাছ খাওয়া দেশটির সংস্কৃতির অংশ।
নতুন সিদ্ধান্তের ফলে তিন দশকেরও বেশি সময় পর তিমি শিকারের সুযোগ পাচ্ছেন জাপানের জেলেরা। ২০১৯ সালের ১ জুলাই সোমবার সকালে শিকারের উদ্দেশে উত্তরাঞ্চলীয় কুশিরো বন্দর থেকে পাঁচটি জাহাজ ছেড়ে যায়। একই সময়ে শিমোনোসেকি এলাকা ত্যাগ করে তিনি শিকারের তিনটি নৌকা।
জাপানের স্মল টাইপ হোয়েলিং অ্যাসোসিয়েশন-এর প্রধান ইয়োশিফুমি কাই। সম্প্রতি রাজনীতিক, কর্মকর্তা ও তিমি ব্যবসায়ীদের এক অনুষ্ঠানে সরকারের সিদ্ধান্তে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন তিনি। শিকারে যাওয়ার আগে হিদেকি আবে নামের একজন জেলে বলেন, আমি কিছুটা নার্ভাস হলেও এজন্য খুশি যে আমরা তিমি শিকার শুরু করতে পারবো। তিনি বলেন, আমার মনে তরুণরা জানে কিভাবে এটি রান্না করে খেতে হয়। আমি চাই আরও বেশি সংখ্যক মানুষ এর স্বাদ নিক। সেটা অন্তত একবারের জন্য হলেও। নতুন সিদ্ধান্তের ফলে জাপানি জেলেরা এখন বিলুপ্তপ্রায় মিংক প্রজাতির তিমিসহ সব ধরণের তিমি শিকারের সুযোগ পাবেন। তবে, সংরক্ষণবাদীরা সতর্ক করে দিয়ে বলছেন, জাপানকে এর জন্য চড়া মূল্য দিতে হবে।
কী আছে জাপানের ঘোষণায়?
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে জাপান সরকারের মুখপাত্র ইয়োশিহিদে সুগা জানান, তিমি শিকার জাপানের জলসীমা এবং দেশটির অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে সীমিত রাখা হবে। অ্যান্টার্কটিক জলসীমা ও দক্ষিণে এটি শিকার বন্ধ করে দেবে কর্তৃপক্ষ। সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়, জাপানের প্রত্যাশা অনুযায়ী বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকারের টেকসই একটি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করার ব্যপারে আগ্রহী ছিল না আইডব্লিউসি।

জাপানের অভিযোগ, আইডব্লিউসি কেবল সংখ্যাগত দিক বিবেচনায় তিমি সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করতে উৎসাহী। অথচ জাপানের উপকূলীয় এলাকার বহু জনগোষ্ঠী শত শত বছর ধরে এটি শিকার করে আসছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর জাপানে তিমির চাহিদা ব্যাপক বৃদ্ধি পায়। কারণ সে সময় দেশটির মাংসের প্রধান উৎস ছিল এটি।
বর্তমান নিষেধাজ্ঞায় কী আছে?
বিশ্বব্যাপী তিমি মাছের বিভিন্ন প্রজাতির সংখ্যা কমে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে, সংরক্ষণের লক্ষ্যে ১৯৮৬ সালে আইডব্লিউসির সদস্য রাষ্ট্রগুলো শিকার বন্ধে একমত হয়। জাপান, নরওয়ে এবং আইসল্যান্ডের মত যেসব দেশ সে সময় তিমি শিকার করত, তারা ভেবেছিল তিমির সংখ্যা একটি কাঙ্ক্ষিত অবস্থায় পৌঁছানো পর্যন্ত ওই নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। কিন্তু সেই সিদ্ধান্ত সাময়িক ছিল না। ফলে এই দেশগুলো তখন তিমি শিকার তাদের দেশীয় সংস্কৃতির অংশ বলে নিষেধাজ্ঞার বিপক্ষে অবস্থান নেয়। বর্তমানে পৃথিবীতে তিমির সংখ্যা সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে। বেশিরভাগ প্রজাতিই আর বিপন্ন অবস্থায় নেই।
গত ৩০ বছর ধরে জাপান বৈজ্ঞানিক গবেষণার অজুহাতে নিয়মিত তিমি শিকার করে আসছে। প্রতিবছর দেশটি গড়ে ২০০টি থেকে ১২০০টি পর্যন্ত তিমি শিকার করে। দেশটির দাবি, তারা তিমি মাছের সংখ্যা যাচাই করে কোনও প্রজাতি বিপদাপন্ন কিনা তা দেখার জন্য এমনটি করে থাকে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি।
![]() |
| জাপানের ঐতিহ্যবাহী খাবার সুশি তৈরিতে তিমি মাছ ব্যবহার করা হয় |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
দ্বিতীয় স্পেস ইনোভেশন সামিট ১৯ ও ২০ জুলাই

ঢাকার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য এ সামিটে দু-দিনে দুটি কর্মশালা ও ৪ সেশনে মোট ১৬টি টেকনিক্যাল সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে। দেশে ও দেশের বাইরে থেকে প্রায় ২৪ জন বক্তা দুই দিনব্যাপী এ সামিটে বক্তব্য রাখবেন। এছাড়াও থাকছে মহাকাশে গবেষণা করার যন্ত্রপাতি নিয়ে একটি প্রদর্শনী।
এ আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এছাড়া বিশেষ অতিথি থাকবেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সদস্য প্রফেসর সাজ্জাদ হোসেন ও এমআইএসটি অ্যারোনটিক্যাল বিভাগের প্রফেসর ও হেড এয়ার কমডোর মো আবদুস সালাম।
দুই দিনব্যাপী সেশনগুলোর মধ্যে প্রথম দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থাকছে রকেট টেকনলজি এ টু জেড ও দুপুর ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত থাকছে স্যাটেলাইট মেকিং অ্যান্ড কমিউনিকেশন।
দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত থাকছে রোবট ফর স্পেস এক্সপ্লোরেশন ও দুপুর ৩টা থেকে ৭টা পর্যন্ত থাকছে ক্যারিয়ার অ্যাট নাসা।
সামিটে প্রথম দিনে দিনব্যাপী গ্রাউন্ড স্টেশন মেকিং উইথ স্যাটেলাইট ট্র্যাকিং অ্যান্ড ইমেজ রিসিভিং নিয়ে ৩০ জনকে হাতেকলমে একটি কর্মশালা করানো হবে ও দ্বিতীয় দিনেও থাকছে সিমুলেশন বেসড রকেট মেকিংয়ের ওপর হাতে-কলমে দিনব্যাপী কর্মশালা।
এছাড়াও আয়োজনটিতে বিশেষ চমক হিসেবে থাকছে অ্যাপোলো-১১ চাঁদে ভ্রমণের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ঘণ্টাব্যাপী বিশেষ আয়োজন।
স্পেস সায়েন্স ও স্যাটেলাইট নিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করতে আগ্রহী যে কেউ এ সামিটে অংশ নিতে পারবেন।
সামিটের আহ্বায়ক মাহমুদ মুসা বলেন, তরুণদের মাঝে মহাকাশ বিজ্ঞানকে আরও বেশি জনপ্রিয় করা ও সায়েন্স, টেকনলজি, ম্যাথমেটিক্স ও ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে বিশদভাবে তাদের কাছে তুলে ধরার জন্য দু-দিনে প্রায় ১৮টির মতো সেমিনার হবে। আশা করছি এ সামিটের মাধ্যমে আমাদের তরুণরা মহাকাশ বিজ্ঞান সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে পারবে ও এ বিষয়ে তারা ভবিষ্যতে গবেষণায় ভূমিকা রাখতে পারবেন।
আয়োজনটিতে ভেন্যু পার্টনার হিসেবে আছে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ও সহযোগিতায় রয়েছেন স্পেস অ্যান্ড রকেট সেন্টার বাংলাদেশ ও আইইউবি ইইই ডিপার্টমেন্ট।
অংশগ্রহণ ও বিস্তারিত জানা যাবে spacecampbd.com ঠিকানায়।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্যা নিয়ে সাবেক জাতিসংঘ প্রধানও উদ্বিগ্ন

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রে কমলা হ্যারিসের ২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের তহবিল

এতে বলা হয়েছে কমলা হ্যারিসের বয়স ৫৪ বছর। তার মা ভারতের চেন্নাইয়ের।
তিনি চেন্নাই থেকে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন। সেই মায়ের মেয়ে কমলা হ্যারিসকে যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, সিনেটর বার্নি স্যান্ডার্স, সিনেটর এলিজাবেথ ওয়ারেনের মতো প্রার্থীদের সঙ্গে প্রতি দ্বন্দ্বিতায় লিপ্ত হতে হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে হলে বেশ কয়েকটি ধাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয়। তার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়ে গেছে এরই মধ্যে। দু’দফা প্রার্থীদের মধ্যে প্রাইমারি ডিবেট বা বিতর্ক হয়ে গেছে। তাতে বেশ ভাল দেখিয়েছেন কমলা হ্যারিস।
তাকে সমর্থন করে এ বছর প্রথম ৬ মাসে যেসব মানুষ তহবিলে অর্থ দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছেন নতুন প্রায় দেড় লাখ দাতা। প্রচারণা বিষয়ক এক বিবৃতি অনুযায়ী, কমলা হ্যারিস নিজেই ডিজিটাল কর্মসূচির মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন কমপক্ষে ৭০ লাখ ডলার। দানকৃত অর্থের পরিমাণ গড়ে ৩৯ ডলার। আর অনলাইন থেকে এসেছে গড়ে ২৪ ডলার। কমলা হ্যারিস তার প্রচারণা আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করেন ২১ জানুয়ারি। করপোরেট এবং ফেডারেল লবিস্টদের পক্ষ থেকে দেয়া অর্থ তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। অনলাইন স্টোর থেকে এসেছে প্রায় ৫ লাখ রুপি। ওইসব অনলাইন বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান ‘দ্যাট লিটল গার্ল ওয়াজ মি’ লেখা টি-শার্ট বিক্রি করেছে এরই মধ্যে ১৪০০ পিস। এতে কমলা হ্যারিসের অল্প বয়সের একটি ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। তার সেই ছবি এখন ভাইরাল হয়ে গেছে। জুনে এককভাবে এটিই বেস্ট সেলার, যদিও তা ২৮ জুনের আগে বিক্রি করা হয় নি।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, চাবাহার বন্দরের অবনতিতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ভারত-আফগান বাণিজ্য by সুহাসিনী হায়দার

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ডেঙ্গু: ২৪ ঘন্টায় ৭৩ জন আক্রান্ত, ছড়িয়ে পড়ছে ঢাকার বাইরেও by রাকিব হাসনাত
![]() |
| ঢাকার পয়োব্যবস্থায় মশার বসত |
![]() |
| মফস্বল এলাকাগুলোতে ডেঙ্গুর বিরুদ্ধে তেমন কোন উদ্যোগ নেই বললেই চলে |
![]() |
| ডেঙ্গু এড়াতে কী করতে হবে, তা জানেন না অনেকেই। |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
বিশাল রেলওয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদেশে সমৃদ্ধিতে সহায়তা চীনের

এই প্রকল্পের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হবে কক্সবাজারের গনদুমে রেললাইন স্থাপন। স্থানটি রাজধানী ঢাকা থেকে ২৯২ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে, মিয়ানমার সীমান্তের কাছে। এটি পরিকল্পিত ট্রান্স-এশিয়ান রেলওয়ের (টিএআর) সাথে যুক্ত হবে। এখানেই হবে প্রকল্পটির প্রথম ধাপ।
প্রকল্পটি সম্পন্ন করার জন্য ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ রেলওয়ে, চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশন (সিসিইসিসি), ম্যাক্স জেভি (সিসিইসিসি ও ম্যাক্স ইন্টারন্যাশনালের মধ্যকার একটি যৌথ উদ্যোগ) ও চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড ও তোমা কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেডের একটি যৌথ উদ্যোগের মধ্যে একটি চুক্তি হয়।
চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশী ও চীনা প্রতিষ্ঠানগুলো ১০২ কিলোমিটার নতুন ডুয়েল গজ লাইন নির্মাণ করবে। এর মাধ্যমে কক্সবাজার যুক্ত হবে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রামের সাথে।
বাংলাদেশে সিসিইসিসির প্রকিউরমেন্ট ম্যানেজার জু ঝিপেই সম্প্রতি সিনহুয়াকে বলেন, তারা চীন থেকে ৬০টি টাম্প ট্রাক, ৩০টি জেনারেটর, ৫০টি এক্সকাভেটরসহ ২৫০টি একেবারে নতুন সমরঞ্জাম কিনেছেন।
তিনি বলেন, এই প্রকল্পে আমাদের বিনিয়োগ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্পটি এখন সূচি অনুযায়ী চলছে। প্রকল্প কর্মকর্তাদের দক্ষতা বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু প্রশিক্ষণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সিসিইসিসির উপ প্রকল্প ম্যানেজার ঝাও ঝু বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার রেলওয়ে প্রকল্পের আওতায় তারা এখন মোট ৫১ কিলোমিটার রেললাইন নির্মাণ করছেন। এছাড়া ২১টি সেতু ও ৭৬টি কালভার্ট নির্মাণ করা হচ্ছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার জন্য চীনা ও বাংলাদেশী শ্রমিকেরা হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
কর্মকর্তা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের পর্যটন বাড়াতে রেলওয়ে ভূমিকা রাখতে পারবে। প্রতিবেশী মিয়ানমারের মাধ্যমে চীন ও অন্যান্য দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতে প্রবেশ করতে বাংলাদেশের রেললাইন প্রকল্পকে সমর্থন করছে এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংক।
চীনা কোম্পানিগুলোর সাবলীল কর্মব্যবস্থা স্থানীয় শ্রমিক ও কর্মকর্তাদের মুগ্ধ করেছে।
প্রকল্প শ্রমিক রুহুল আমিন বলেন, তিনি চীনা কোম্পানির সাথে কাজ করতে পেরে খুশি।
তিনি বলেন, আমার বস ভালো শিক্ষকও। আমি এখানে কাজ করতে পেরে অনেক কিছু শিখেছি। তারা সবসময় আমাদের কল্যাণ কামনা করে, আমাদের সর্বোত্তম সুবিধা দিয়ে থাকে। এটি একটি খুবই ভালো কোম্পানি।
মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম নামের আরেক শ্রমিক বলেন, তিনি অনেক কিছু শিখেছেন। চীনা লোকজনের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা খুবই কার্যকর ও গুরুত্বপূর্ণ।
স্থানীয় প্রকৌশলী মোহাম্মদ মেজবাহ উদ্দিন বলেন, তারা চীনা বিশেষজ্ঞ ও তাদের কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখেছেন।
তিনি বলেন, সেতু প্রকৌশলী হিসেবে আমি খোলাখুলিভাবে বলছি, চীনা কারিগররা অত্যন্ত দক্ষ, তারা যেকোনো চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করতে পারে।
স্থানীয় অধিবাসী শিবলি মাহমুদ ইব্রাহিম বলেন, চীনা লোকজন খুবই কঠোর পরিশ্রমী।
তিনি বলেন, তারা খুবই দক্ষ, তাদের অভিজ্ঞতা খুবই ভালো, তাদের কাজের মান খুবই সুন্দর।
তিনি বলেন, তাদের স্ট্যামিনা ও সক্ষমতায় আমরা উদ্দীপ্ত। তারা কাজ করে আন্তরিকতার সাথে। তারা প্রতিটি কাজ করে মান বজায় রেখে।
আরিফুল নামের এক ফোরম্যান বলেন, কাজের শুরুতেই আমার বস আমাকে কিভাবে কাজ করতে হবে তা শিখিয়েছেন। এখন আমি আত্মবিশ্বাস নিয়ে কাজ করতে পারি।
শওকত হোসেন নামের স্থানীয় এক প্রকৌশলী বলেন, চীনা বিশেষজ্ঞরা নিরাপদ ও অপেক্ষাকৃত ভালো কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করেছে।
তিনি বলেন, গত এক বছরে একটি দুর্ঘটনাও ঘটেনি।
ম্যানেজার মা কিয়াং বলেন, তারা বাংলাদেশ-চীন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করার প্রয়াসে ও বাংলাদেশের সমাজ ও অর্থনীতি উন্নত করতে সহায়তার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন।
তিনি বলেন, ভবিষ্যতে লোকজন ঢাকা থেকে কক্সবাজারে বাসে করে নয়, ট্রেনে যাবে।
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের দিকে ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকার এখন ঢাকা-কক্সবাজার রুটে উচ্চগতির পর্যটন ট্রেন চালানোর কথা ভাবছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অযোধ্যা মামলায় মধ্যস্থতাকারীদের থেকে রিপোর্ট তলব সুপ্রিম কোর্টের

“আমরা ওই মধ্যস্থতাকারী কমিটির প্রধানকে এ বিষয়ে আগামী সপ্তাহের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে বলেছি।আগামী সপ্তাহে ওই রিপোর্ট হাতে এলেই আমরা পরবর্তী বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবো।পাশাপাশি আমাদের এই বিষয়ে নিশ্চিত হতে হবে যে মধ্যস্থতাকারীদের কাজ শেষ হয়েছে কিনা। যদি তা হয় তাহলে আগামী ২৫ জুলাই আমরা অযোধ্যা জমি সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু করব”,বলেন সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের ডিভিশন বেঞ্চের পক্ষ থেকে জানান প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈ।
সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এফএম কালিফুল্লার নেতৃত্বে ওই মধ্যস্থতা কমিটিকে অযোধ্যা জমি সংক্রান্ত জট কাটাতে নিয়োগ করে শীর্ষ আদালত।সুপ্রিম কোর্টকে এর আগে ওই মধ্যস্থতাকমিটি জানায় এ নিয়ে দলগুলির মধ্যে যথেষ্ট ঐক্যমতের অভাব রয়েছে।
ষষ্ঠদশ শতকের তৈরি বাবরি মসজিদটিকে ১৯৯২ সালে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেন কিছু হিন্দুত্ববাদীরা যাঁরা বিশ্বাস করেন যে ওই অঞ্চলে ভগবান রামের জন্মস্থানকে চিহ্নিত করে আগে একটি প্রাচীন মন্দির ছিল যা ধ্বংস করেই সেখানে মসজিদটি তৈরি হয়।তবে বাবরি মসজিদ ভেঙে দেওয়ার পরেই দেশজুড়ে প্রবল ধর্মীয় হিংসা দানা বাঁধে, মৃত্যু হয় প্রায় হাজার দুয়েক মানুষের।
২০১০ সালে এলাহাবাদ হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ১৪ টি আবেদন জমা পড়ে। এর আগে এলাহাবাদ হাইকোর্ট নির্দেশ দেয় যে , অযোধ্যার ২.৭৭ একর জমি তিনটি দল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড, নির্মোহি আখড়া ও রাম লাল্লার মধ্যে সমানভাবে ভাগ করা হবে।
উত্তর প্রদেশ সরকারের মতো আবেদনকারীদের পক্ষ থেকে আপত্তি সত্ত্বেও এই জমি সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে মধ্যস্থতাকারী প্যানেল নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেয় সুপ্রিম কোর্টের ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ। সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড আর নির্মোহী আখারা ছাড়া আর সকলেই এই মধ্যস্থতার বিরুদ্ধে মত দেয়। কিন্তু বিচারকরা জানান যে তাঁরা মনে করছেন যে এই মধ্যস্থতা “সম্পর্ক নিরাময়”-এ সাহায্য করতে পারে।
“এটা শুধু সম্পত্তি বা জমি সংক্রান্ত বিবাদ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে মানুষের আবেগ, হৃদয় ও ভাল থাকাও”,বলে শীর্ষ আদালত।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
প্রযুক্তি হাতে পাওয়ার শেষ সুযোগ: পরবর্তী ছয়টি সাবমেরিন কিনতে কয়েক বছর লাগবে, বলছে ভারতীয় নৌবাহিনী

নয়াদিল্লীর ওয়্যারশিপস প্রডাকশান অ্যান্ড অ্যাকুইজিশানের কন্ট্রোলার ভাইস অ্যাডমিরাল এ কে স্যাক্সেনা বলেছেন, “মূল উৎপাদনকারীদের সাথে আলোচনার সময় আমাদেরকে এটা স্পষ্ট করে বলতে হবে যে, এই প্রযুক্তি হস্তান্তর এমনভাবে হতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে আমাদের সাবমেরিনগুলো সম্পূর্ণভাবে আমরাই বানাতে পারি”।
১৯৯৯ সালে ৩০ বছর মেয়াদি যে সাবমেরিন নির্মাণ পরিকল্পনা নেয়া হয়, সেখানে ১২টি সাবমেরিন বিদেশী প্রযুক্তিসহ কেনার অনুমোদন দেয়া হয়েছে। আর পরের ১২টি নিজস্বভাবে তৈরি করতে হবে।
স্যাক্সেনা প্রথম নৌবাহিনীর কর্মকর্তা, যিনি স্বীকার করলেন যে, চলমান প্রজেক্ট ৭৫ এর অধীনে যে প্রযুক্তি হস্তান্তর করা হয়েছে, সেটা অসম্পূর্ণ। এই প্রকল্পের অধীনে ছয়টি একক-হালবিশিষ্ট স্করপিয়ন শ্রেণীর সাবমেরিন কেনা হবে ফরাসী-স্প্যানিশ জাহাজ নির্মাতা কোম্পানি আর্মারিসের কাছ থেকে।
তিনি বলেন, “যে পরিমাণ ডিজাইন হস্তান্তর করা হয়েছে, সেটা তত বেশি নয় এবং আমরা সেই প্রযুক্তির ঘাটতিটা পূরণ করতে চাই এবং প্রজেক্ট ৭৫-আইএর মাধ্যমে আমরা সেটা পূরণ করতে যাচ্ছি”।
স্যাক্সেনা এটাও স্বীকার করেন যে, কনভেনশনাল সাবমেরিনের চেয়ে নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরিতে ভালো করেছে ভারত। তিনি বলেন, “আমাদের ডিজাইনের সক্ষমতা এখন অনেক বেশি কৌশলগত প্ল্যাটফর্মের দিকে নিবদ্ধ”।
স্যাক্সেনা বলেন, এরপর প্রজেক্ট ৭৫-আই ওইএসের সাথে প্রযুক্তি হস্তান্তরের বিষয়টি হবে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, “আমাদেরকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে, ওইএমগুলো যে প্রযুক্তি হস্তান্তর করবে, সেটা যেন ভারতের জাহাজ নির্মাণা কোম্পানিগুলো কাজে লাগাতে পারে”।
স্ট্র্যাটেজিক পার্টনার (এসপি) ফ্রেমওয়ার্কের অধীনে প্রজেক্ট ৭৫-আই বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ জন্য বিদেশী নির্মাতা কোম্পানিগুলোকে প্রযুক্তি ও উৎপাদনের পদ্ধতি ভারতীয় একটি শিপইয়ার্ডের কাছে হস্তান্তর করতে হবে। এই শিপইয়ার্ড সরকারী বা প্রাইভেট যে কোন ধরণের হতে পারে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সেফুদাকে নিয়ে প্রশ্ন করা সেই শিক্ষক বরখাস্ত
![]() |
| সিফাত উল্লাহ মজুমদার ওরফে সেফুদা |
সোমবার রাজউক উত্তর মডেল স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির প্রাক-নির্বাচনী পরীক্ষায় ইসলাম শিক্ষা প্রশ্নপত্রে সিফাত উল্লাহ মজুমদারকে (সেফুদা) উল্লেখ করে একটি সৃজনশীল প্রশ্ন তৈরি করা হয়।
প্রশ্নে বলা হয়, অদ্ভুত একধরনের মানুষ সেফাতুল্লাহ সেফুদা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে। তরুণদের উদ্দেশে সে বলে, ‘মদ খাবি মানুষ হবি, দেখ আমি আরও এক গ্লাস খাইলাম‘ তার কথার প্রতিবাদ করে একজন বিজ্ঞ আলেম বলেন, ‘তার মধ্যে যদি ইমানের সর্বপ্রথম ও সর্বপ্রধান প্রভাব পরিলক্ষিত হতো, তাহলে সে হয়ে উঠত একজন আত্মসচেতন ও আত্মমর্যাদা এক ব্যক্তি।’
এ উদ্দীপক থেকে প্রশ্ন করা হয়েছে, ‘আকাইদ কী?, ‘ইসলামের নাম ইসলাম রাখা হয়েছে কেন?’, ‘বিজ্ঞ আলেমের বক্তব্যে যে বিষয়টি ফুটে উঠেছে, তা আমাদের জীবনে কী প্রভাব ফেলতে পারে তা ব্যাখ্যা করো’। ‘ঘ’ নম্বর প্রশ্নে বলা হয়েছে, তরুণদের উদ্দেশে দেয়া সেফুদার বক্তব্য কিসের শামিল? এর ফলাফল বিশ্লেষণ করো।
প্রসঙ্গত সেফুদা একজন বিতর্কিত ফেসবুক সেলিব্রেটি। ইউটিউব ও ফেসবুকে বিভিন্ন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে আলোচনায় আসেন তিনি। বিভিন্ন লাইভে কথা বলার সময় তার কিছু বিশেষ সংলাপ বিতর্কিত ও আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে। অস্ট্রিয়া প্রবাসী তিনি।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের বিরুদ্ধে একজোট চীন-রাশিয়া

প্রেসিডেন্ট পুতিন ও জিনপিং বিশ্ব অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় বিদ্যমান বৈষম্যের সমালোচনা করে বলেন, এই ব্যবস্থা ভেঙে দেয়ার লক্ষ্যে বেইজিং ও মস্কো নিজেদের মধ্যে সহযোগিতা শক্তিশালী করবে।
পুতিন বলেন, ওয়াশিংটন পুরো বিশ্বের ওপর তার আধিপত্য বিস্তার করতে চায়। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিষেধাজ্ঞা ও অর্থনৈতিক যুদ্ধের’ তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে মার্কিন ডলারের ভূমিকা খর্ব করতেই হবে।
এ সময় চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং রুশ প্রেসিডেন্টের বক্তব্য সমর্থন করে বলেন, বিশ্ববাণিজ্যে বিদ্যমান ‘বৈষম্য’ কাটিয়ে ওঠা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন জাতি উন্নত জীবনযাপনের লক্ষ্যে যেভাবে জেগে উঠেছে তাদের সে আকাক্সক্ষাকে আর দমিয়ে রাখা যাবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
মার্কিন সরকার ইউক্রেনের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং ২০১৬ সালের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে হস্তক্ষেপের দায়ে রাশিয়াকে অভিযুক্ত করে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। একই সাথে চীনের সাথে কঠিন বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। এ ছাড়া, ইরান ও উত্তর কোরিয়াসহ যুক্তরাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী দেশগুলোর বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ নানাভাবে চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে ওয়াশিংটন।
হুয়াওয়ে ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর সমালোচনা
এ ছাড়া চীনা টেলিকম জায়ান্ট হুয়াওয়েকে নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের আগ্রাসী নীতির কঠোর সমালোচনা করে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভøাদিমির পুতিন বলেছেন, এ ধরনের কর্মকাণ্ড কেবল বাণিজ্য যুদ্ধই নয়, বিশ্বকে সত্যিকারের যুদ্ধের দিকেও ঠেলে দিতে পারে।
তার এ বক্তব্যকে চীন ও রাশিয়ার মধ্যে ‘চমৎকার সম্পর্কের’ নজির হিসেবেই দেখা হচ্ছে। পুতিন বলেন, ‘হুয়াওয়ের উদাহরণটাই দেখুন। তারা কেবল প্রতিষ্ঠানটিকে সঙ্কুচিত করারই চেষ্টা চালাচ্ছে না, চেষ্টা করছে একে বিশ্ববাজার থেকে হটিয়ে দিতে। কিছু কিছু অঙ্গনে এরই মধ্যে একে ডিজিটাল যুগের প্রথম প্রযুক্তিযুদ্ধ হিসেবেও ডাকা শুরু হয়েছে।’ পুতিন এ ধরনের ‘আগ্রসী আচরণের’ ফলাফল নিয়েও সতর্ক করেছেন। তিনি বলেন, ‘এটা অনিঃশেষ সঙ্ঘাত ও বাণিজ্যযুদ্ধের পথ। সম্ভবত এটি কেবল বাণিজ্যযুদ্ধেই থেমে থাকবে না। সত্যি করে বললে, এই পথ নিয়মনীতি বহির্ভূত এমন একটি যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে যেখানে সবাই সবার বিরুদ্ধে লড়বে।’
হুয়াওয়ের প্রযুক্তিকে চীন বিশ্বজুড়ে নজরদারি চালানোর কাজে ব্যবহার করতে পারে এমন উদ্বেগ জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন দেশকে চীনা এ টেলিকম জায়ান্টকে বর্জনের আহ্বান জানিয়েছে। হুয়াওয়ে শুরু থেকেই চীনা সরকারের সাথে যোগসাজশের অভিযোগ অস্বীকার করে তাদের সরঞ্জামে নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই বলে দাবি করে আসছে।
সূত্র : এএফপি
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
ভারতের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট্র by লু ওয়েনাও

ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে ২০২০ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্র সিনেট পাস করেছে ন্যাশনাল ডিফেন্স অথরাইজেশন অ্যাক্ট বা এনডিএএ। এতেই রয়েছে আইনি ওই বিধানটি। এতে ভারত মহাসাগর এলাকায় মানবিক সহযোগিতা, সন্ত্রাস মোকাবিলা, দস্যুতা মোকাবিলা, নৌসীমানায় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতার সংশোধিত বিধান রয়েছে।
সিচুয়ান ইউনিভার্সিটির অধীনস্ত সাউথ এশিয়া রিসার্স সেন্টারের বিশেষজ্ঞ সান শিহাই বলেছেন, চীনের সঙ্গে সমতা আনতে ভারতকে কাছে টানার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের ওপর ভারত নির্ভরশীল হবে বলে মনে হয় না। কারণ, ভারত চাইছে বিশ্বের বড় শক্তিগুলোর মধ্যে নিজেদের স্বতন্ত্র ভূমিকা।
ওই রিপোর্টে আরো বলা হয়েছে, গত সপ্তাহে কংগ্রেসম্যান জো উইলসন, অমি বেড়া, টেড ইয়োহো, জর্জ হোল্ডিং, এড কেস এবং রাজা কৃষ্ণমূর্তির সঙ্গে মার্কিন কংগ্রেসে ইন্ডিয়া ককাসের কো-চেয়ার ব্রাড শেরম্যান একই রকম একটি আইনি প্রস্তাব এনেছেন। এতেও যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্ক ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করার কথা বলা হয়েছে। ২৯ জুলাই এক মাসের জন্য মুলতবি হয়ে যাওয়ার আগেই জুলাইয়ের কোনো এক সময় তা কংগ্রেসে তোলা হবে বলে আশা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র-ভারত কৌশলগত অংশীদারিত্বকে সামনে এগিয়ে নেয়ার প্রচেষ্টার জন্য এক বিবৃতিতে দু’জন সিনেটরের প্রশংসা করেছে হিন্দু আমেরিকান ফাউন্ডেশন।
ওদিকে বুধবার দ্য ফিন্যান্সিয়াল এক্সপ্রেস রিপোর্টে বলেছে, বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে যুক্তরাষ্ট্রের এই গতিবিধি প্রতীকী, যা ইঙ্গিত দেয় যে, ভারতের ওপর তাদের আস্থা বৃদ্ধি পাচ্ছে। চায়না ইন্সটিটিউটস অব কনটেম্পোরারি ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স-এর দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক গবেষণার একজন বিশেষজ্ঞ ফু সিয়াওকিয়াং। তিনি বুধবার গ্লোবাল টাইমসকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের এই এগিয়ে আসাতে ভারত সুবিধা পাবে মার্কিন সামরিক সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে। তবে তিনি এটাও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সরঞ্জাম ভারত বর্ধিতহারে কিনবে বলে মনে হয় না। কারণ, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমতা রক্ষা করার চেষ্টা করছেন। রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘ সময়ের সামরিক সহযোগিতা বিদ্যমান ভারতের। তারা রাশিয়ার অস্ত্রের একটি বড় ক্রেতাও।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের মধ্যে বিস্তৃত আলোচনার পর ২০১৮ সালের অক্টোবরে বিমান প্রতিরক্ষা বিষয়ক একটি চুক্তি হয়। এস-৪০০ বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বিষয়ক সর্বশেষ স্বাক্ষরিত ওই চুক্তিটি ৫০০ কোটি ডলারের। ফু সিয়াওকিয়াং বলেন, ভারতকে যদিও যুক্তরাষ্ট্র একটি মিত্র বলে বিবেচনা করে, তবু যুক্তরাষ্ট্রের হাতের খেলার পুতুল হবে ভারত- এমন চিন্তাকে প্রশ্রয় দেবে না ভারত। বরং তারা ওয়াশিংটন থেকে দূরত্ব বজায় রেখে অবস্থাগত সুবিধা নিতে চাইবে। এছাড়া বাণিজ্যে দুটি দেশের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। আগামী সপ্তাহে তাদের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হওয়ার শিডিউল রয়েছে।
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1426)
- ► 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
-
▼
2019
(6282)
-
▼
July
(817)
-
▼
Jul 14
(26)
- রুশ এস-৪০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থার দ্বিতীয় চালান পৌ...
- রাজনীতির দৃশ্যপটে এরশাদ
- মানুষ কী খাবে? দ্বিতীয় দফা পরীক্ষা, দুধে মিললো আরো...
- নির্বাচনের পর ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও বিরোধী ন...
- সমালোচনা সত্ত্বেও রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠেছি...
- বাজি ধরে সুরমায় ঝাঁপ সামাদের
- বিরোধী দলীয় নেতা হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ইন্তেকাল
- দুর্নীতির কারণে যেন অর্জনগুলো নষ্ট না হয়
- গৃহকর্তার অত্যাচার থেকে পালাতে গিয়ে....
- দক্ষিণ কোরীয় প্রধানমন্ত্রী ঢাকায়
- অধ্যাপক ফারুকের বিরুদ্ধে আজই ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে!...
- সুইস ব্যাংকে এক বছরে বাংলাদেশিদের আমানত বেড়েছে ১ হ...
- সম্পত্তি নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের লন্ডনে লড়াই
- মিন্নির গ্রেফতার চান রিফাতের বাবা?
- বাণিজ্যিকভাবে তিমি শিকারের অনুমতি জাপানের
- দ্বিতীয় স্পেস ইনোভেশন সামিট ১৯ ও ২০ জুলাই
- রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বন্যা নিয়ে সাবেক জাতিসংঘ প্রধানও...
- যুক্তরাষ্ট্রে কমলা হ্যারিসের ২ কোটি ৩০ লাখ ডলারের ...
- যুক্তরাষ্ট্রের চাপ, চাবাহার বন্দরের অবনতিতে ক্ষতিগ...
- ডেঙ্গু: ২৪ ঘন্টায় ৭৩ জন আক্রান্ত, ছড়িয়ে পড়ছে ঢ...
- বিশাল রেলওয়ে প্রকল্পের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব বাংলাদ...
- অযোধ্যা মামলায় মধ্যস্থতাকারীদের থেকে রিপোর্ট তলব স...
- প্রযুক্তি হাতে পাওয়ার শেষ সুযোগ: পরবর্তী ছয়টি সাবম...
- সেফুদাকে নিয়ে প্রশ্ন করা সেই শিক্ষক বরখাস্ত
- যুক্তরাষ্ট্রের আধিপত্যের বিরুদ্ধে একজোট চীন-রাশিয়া
- ভারতের সঙ্গে সামরিক সম্পর্ক বৃদ্ধি করছে যুক্তরাষ্ট...
-
▼
Jul 14
(26)
-
▼
July
(817)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...









