Saturday, January 4, 2025
কেন খাবেন সারা রাত ভেজানো কিশমিশ–পানি by কে.এম লতিফুল হক
কিশমিশ–পানি কী
এটা তো জানেনই, রোদে শুকানো বা বাণিজ্যিকভাবে শুষ্ক করে নেওয়া আঙুরই মূলত কিশমিশ। এতে পুষ্টি উপাদান ঘনীভূত থাকে বলে একে আপনি ‘পাওয়ার হাউস’ও বলতে পারেন। এই কিশমিশ পানিতে কয়েক ঘণ্টা বা সারা রাত ভিজিয়ে রাখলে তৈরি হয় কিশমিশ–পানি। এই পুষ্টিসমৃদ্ধ পানীয় সামগ্রিক সুস্থতার জন্য উপকারী।
কিশমিশ–পানি কেন স্বাস্থ্যকর
কিশমিশ ভেজানো পানি বেশ কিছু প্রয়োজনীয় ভিটামিনে সমৃদ্ধ। এতে ভিটামিন সি ও বিশেষ ধরনের বি ভিটামিন (যেমন বি৬ ও নিয়াসিন) থাকে। এ ছাড়া কিশমিশ পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, আয়রন ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজের উৎস। কিশমিশে শক্তিশালী অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট রয়েছে। যার মধ্যে রয়েছে ফেনোলিক যৌগ ও ফ্ল্যাভোনয়েড, যা অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করে। এখানেই শেষ নয়, কিশমিশে থাকা প্রাকৃতিক চিনি পানিকে মিষ্টি করে তোলে।
কিশমিশ–পানির আরও ৮ উপকারিতা
*কিশমিশ–পানি প্রাকৃতিক শর্করা ও কার্বোহাইড্রেট–সমৃদ্ধ, যা দ্রুত শক্তি বৃদ্ধি করে।
*হজমে সহায়তা করে কিশমিশ। মূলত কিশমিশ–পানিতে থাকা দ্রবণীয় ফাইবার বা আঁশ হজমে সহায়ক। পানিতে ভিজিয়ে রাখলে কিশমিশের আঁশীয় উপাদান বৃদ্ধি পায়, যা কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং পেট পরিষ্কার রাখে।
*ত্বকের জন্য এটা খুব উপকারী। কিশমিশ-পানিতে থাকা অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ত্বকে বার্ধক্যের লক্ষণ কমাতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ভিটামিন সি কোলাজেন উৎপাদনে সাহায্য করে, ত্বকের স্থিতিস্থাপকতার জন্য যা অপরিহার্য।
*ডিটক্সিফিকেশনে সাহায্য করে। কিশমিশ–পানিতে প্রাকৃতিক ডিটক্সিফাইং বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা যকৃৎ ভালো রাখে।
*কিশমিশের পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। কিশমিশ-পানি হৃৎ–স্বাস্থ্য ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।
*এই পানীয় হাড়ের জন্য খুব উপকারী। কিশমিশ ক্যালসিয়াম ও বোরনের ভালো উৎস, দুটিই শক্তিশালী হাড়ের জন্য প্রয়োজনীয়। অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধেও সাহায্য করতে পারে।
*কিশমিশ–পানিতে থাকা ভিটামিন ও অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণ থেকে বাঁচায়।
*কিশমিশের পানি ওজন নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করতে পারে। এটি চিনিযুক্ত পানীয়র স্বাস্থ্যকর বিকল্প হিসেবে কাজ করে, সামগ্রিক ক্যালরি গ্রহণ কমাতে সাহায্য করে।
যেভাবে কিশমিশ–পানি তৈরি করবেন
কাপের চার ভাগের এক ভাগ কিশমিশ ভালোভাবে ধুয়ে এক গ্লাস পানিতে সারা রাত বা কমপক্ষে ছয়-আট ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ আলাদা করে পানিটুকু খালি পেটে বা আপনার সুবিধামতো সময়ে খান। অতিরিক্ত আঁশ ও পুষ্টির জন্য ভেজানো কিশমিশও খেতে পারেন। চাইলে কিশমিশ-পানিতে চিয়া সিডও মেশাতে পারেন।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
![]() |
| কিশমিশ ভেজানো পানিকে বলা হচ্ছে ‘সুপার ড্রিংক’ ছবি: ফ্রিপিক |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
সরকারি প্রকল্পের শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রে আসন পেতে মায়েদের ছোটাছুটি by নাজনীন আখতার
মাতৃত্বকালীন ছুটি শেষে আর দুই মাস পর কী হবে, সেটি ভেবে দুশ্চিন্তায় অস্থির রাজধানীর কাঁঠালবাগান এলাকার এই বাসিন্দা। পানি ভবন কেন্দ্র থেকে তাঁকে জানানো হয়েছে, তিনি ১৫০ জনের সঙ্গে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন।
মহিলাবিষয়ক অধিদপ্তর পরিচালিত ৮৪ কোটি টাকা ব্যয়ের ‘২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের আওতাধীন কেন্দ্রগুলোতে আসন পেতে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে ৩৯১টি আবেদন। ৩৫৩টি আবেদনই রাজধানীর সাতটি কেন্দ্রের। রাজস্ব বাজেটে পরিচালিত সরকারি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্রের (৪৩টি) সেবার মান ও নিরাপত্তা নিয়ে যেখানে এন্তার অভিযোগ, সেখানে প্রকল্পের আওতায় তুলনামূলক উন্নত মানের এই ২০টি কেন্দ্রে সন্তানদের জন্য আসন পেতে মা-বাবাকে ছোটাছুটি করতে দেখা গেছে।
সালেহা আক্তার প্রথম আলোকে বলেন, তাঁর প্রকৌশলী স্বামীর অফিসেও শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র নেই। শাশুড়িকে ঢাকায় এসে থাকার অনুরোধ করবেন বলে ভাবছেন। কিন্তু শাশুড়ি রাজি না হলে কী করবেন, সেটি ভেবে তাঁর দুশ্চিন্তা বাড়ছেই।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের একজন নারী নির্বাহী প্রকৌশলী (৩৩) প্রথম আলোকে বলেন, সন্তানকে একটি ভালো দিবাযত্ন কেন্দ্রে রাখতে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তিনি গেছেন, সেটিকে দুশ্চিন্তা বললে কম হবে। প্রতিদিন মনে হতো, এক নারী সহকর্মীর মতো তিনিও চাকরি ছেড়ে দেবেন।
এই নারী প্রকৌশলী আরও বলেন, তাঁর সন্তানের বয়স আট মাস। এটাই প্রথম সন্তান। মাতৃত্বকালীন ছয় মাস ছুটি শেষ হওয়ার পর তিনি আরও ১৫ দিন ছুটি নেন। দেড় মাস ধরে তিনি সন্তানকে নিয়েই অফিস করছেন। তবে পাঁচ মাস অপেক্ষমাণ তালিকায় থাকার পর জানুয়ারি থেকে তিনি ‘পানি ভবন’ কেন্দ্রে আসন পেয়েছেন।
প্রকল্পের তথ্য অনুসারে, ২০টি দিবাযত্ন কেন্দ্রের প্রতিটিতে আসনসংখ্যা ৬০। সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ভাড়া করা জায়গায় দিবাযত্ন কেন্দ্রগুলো গড়ে তোলা হয়েছে। চার মাস থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের সেখানে সকাল আটটা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত রাখা হয়। মা–বাবার আয়ের ওপর ভিত্তি করে মাসিক খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে।
শিশুর বয়স অনুযায়ী কেন্দ্রগুলোর মাসিক সেবামূল্য সর্বনিম্ন এক হাজার, সর্বোচ্চ দুই হাজার টাকা। তবে বিশেষ ভর্তুকির ব্যবস্থাও রয়েছে। অভিভাবকের মাসিক আয় ৮ হাজার, ২০ হাজার, ৩৫ হাজার ও ৫০ হাজার টাকার নিচে হলে শিশুকে মাসে যথাক্রমে ১০০, ২০০, ৪০০ ও ৬০০ টাকায় রাখা যায়। কোনো কোনো অভিভাবক এ ভর্তুকির সুবিধা নিচ্ছেন।
‘২০টি শিশু দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন’ প্রকল্পের পরিচালক যুগ্ম সচিব শবনম মোস্তারী প্রথম আলোকে বলেন, কেন্দ্রগুলো স্থাপনে উন্নত দেশগুলোর দিবাযত্ন কেন্দ্র অনুসরণ করা হয়েছে। শিশুর প্রারম্ভিক শৈশবের চাহিদা পূরণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
ঢাকায় আসন নেই, ঢাকার বাইরে একরকম ফাঁকা
প্রকল্পের আওতায় ঢাকায় ১০টি কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সচিবালয়ে ৪০, ভূমি ভবনে ৪০, পানি ভবনে ১৫০, মহাখালীতে পর্যটন করপোরেশনে ৩৫, সড়ক ভবনে ৫৪, সমবায় ভবনে ২১ ও মতিঝিলে ১৩টি শিশুর জন্য আবেদন অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে। এ ছাড়া রায়েরবাজারের দিবাযত্ন কেন্দ্রটি জাতীয় গ্রন্থাগার ভবন, ধানমন্ডির কেন্দ্র লালমাটিয়া ও মুগদার কেন্দ্র পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি) স্থানান্তর করায় হওয়ায় সেগুলোতে অপেক্ষমাণ তালিকা নেই।
ঢাকার বাইরে টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, রংপুর, গাইবান্ধা ও নোয়াখালীতে কোনো অপেক্ষমাণ তালিকা নেই। আর বাকি পাঁচটি কেন্দ্রের মধ্যে গাজীপুরে ২২, আশুলিয়ায় ৩, নওগাঁয় ৩, চাঁদপুরে ৫ ও কক্সবাজারে ৫টি শিশুর জন্য আবেদন অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক শবনম মোস্তারী বলেন, ঢাকায় আরও বেশি কেন্দ্র স্থাপন প্রয়োজন। আর ঢাকার বাইরের কেন্দ্রগুলো যেসব জায়গায় করা দরকার ছিল, সেসব জায়গায় প্রয়োজনীয় স্থান পাওয়া যায়নি। ফলে কেন্দ্রগুলো কর্মজীবী নারীদের জন্য দূরে হয়ে গেছে এবং সব আসন পূরণ হচ্ছে না। তাঁর মতে, সরকারি প্রাথমিক স্কুলগুলোর আঙিনায় অবকাঠামো করে কম খরচে উন্নত মানের দিবাযত্ন কেন্দ্র করা সম্ভব। এতে কর্মজীবী নারীরা উপকৃত হতেন।
‘মনে হতো চাকরি না, যেন পাপ করছি’
গত ১৮ ডিসেম্বর বেলা পৌনে তিনটার দিকে রাজধানীর পান্থপথে অবস্থিত পানি ভবনে গিয়ে দেখা যায়, ভবনের নিচতলায় দিবাযত্ন কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে কাঁঠালবাগান থেকে কেন্দ্রটি পানি ভবনে স্থানান্তর করা হয়।
প্রায় পাঁচ হাজার বর্গফুটের কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, কোনো মা তাঁর সন্তানদের বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, কোনো মা অপেক্ষা করছেন সন্তানকে নেওয়ার জন্য। খোলামেলা পরিবেশের কেন্দ্রটিতে তখন মেঝেতে পাতা ফোমের বিছানায় বেশির ভাগ শিশু ঘুমাচ্ছে। শিশুরা নির্দিষ্ট ইউনিফর্ম পরা। কয়েকটি শিশু খেলা করছিল। এক শিশু আপনমনে পুতুল নিয়ে দোলনায় দুলছিল।
কেন্দ্রের এক কর্নারে প্রতিটি শিশুর মা–বাবার সঙ্গে ছবি ফ্রেম করে দেয়ালে লাগানো। শিশুদের জিনিসপত্র রাখার জন্য আলাদা আলাদা স্থান। এক কোনায় স্লাইডিংসহ বিভিন্ন খেলনা, গল্পের বই, নাটকের পোশাক; আরেক কোনায় খাবার টেবিল, হাত ধোয়ার জায়গা। কাছাকাছি জায়গায় শৌচাগার ও রান্নাঘর।
চাকরিজীবী দম্পতি শান্তা ইয়াছমিন ও হাফিজুর রহমান তাঁদের ২১ মাস বয়সী সন্তান মেহরান রহমানকে নিতে এসেছিলেন। সঙ্গে ছিল ছয় বছর বয়সী সন্তান সাইফান রহমান। শিশু হাসপাতালের মেডিকেল টেকনোলজিস্ট শান্তা ইয়াছমিন প্রথম আলোকে বলেন, সাইফান তিন বছর বয়স থেকে কাঁঠালবাগানের কেন্দ্রে ছিল। বয়স ছয় বছর হয়ে যাওয়ায় তাকে আর রাখা যায়নি। সে ওয়াইডব্লিউসিএ স্কুলের শিক্ষার্থী। স্কুলে শিশুশিক্ষার্থীদের জন্য দিবাযত্ন কেন্দ্র রয়েছে। সেখানে রেখেছেন।
সাইফানকে নিয়ে একবার এ-বাসায়, আরেকবার ও-বাসায় রাখার জন্য ছোটাছুটির কথা বলতে গিয়ে শান্তা কেঁদে ফেলেন। তিনি বলেন, ‘ওই দিনগুলোতে কান্না ছাড়া কোনো কথা বলতে পারিনি। মনে হতো, চাকরি না, যেন পাপ করছি। কর্মজীবী মায়েদের কষ্টের কথা ভেবে উন্নত মানের আরও দিবাযত্ন কেন্দ্র করা প্রয়োজন।’
আরেক শিক্ষক মা নীতু চক্রবর্তী জানান, তাঁর দেড় বছরের ছেলে অব্রীক চৌধুরীর জন্য আসন পেতে রীতিমতো ‘যুদ্ধ’ করেছেন। তিনি বলেন, দেশের অর্থনীতিতে একজন কর্মজীবী নারীর অনেক ভূমিকা রয়েছে। সেটি বিবেচনায় নিয়ে নারী যেন চাকরি না ছেড়ে সন্তান নিরাপদে রাখতে পারেন, সে লক্ষ্যে প্রতিটি অফিসে দিবাযত্ন কেন্দ্র থাকা উচিত।
পানি ভবনের দিবাযত্ন কেন্দ্রটির প্রশংসা করে নীতু চক্রবর্তী বলেন, এখানে সন্তানকে রেখে স্বস্তিবোধ করেন। এখন শিশুদের কথা বলতে দেরি হওয়া ও ডিভাইস আসক্তির যে সমস্যা দেখা দেয়, তা দিবাযত্ন কেন্দ্রে রাখা শিশুদের ক্ষেত্রে হয় না। অন্য শিশুদের সঙ্গে মেলামেশার কারণে শিশুদের মানসিক উন্নয়ন ও বিকাশ হয়। তবে একদম ছোট শিশুর জন্য খাবার মেনুতে পরিবর্তন আনা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।
পানি ভবন কেন্দ্রের দিবাযত্ন কর্মকর্তা আলেয়া সুলতানা বলেন, বয়স অনুযায়ী, শিশুদের খাবার তালিকা করা হয়েছে। অভিভাবকদের মাসিক ফি থেকে খাবারে ব্যয় করা হয়। রন্ধনকর্মী খাবার তৈরি করেন। তবে অনেকে বুকের দুধ ও বাড়তি খাবার রেখে যান। কেন্দ্রে ১২ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। তাঁদের মধ্যে কেয়ারগিভার (শিশু পালনকারী), স্বাস্থ্য শিক্ষক, প্রাক্-প্রাথমিক শিক্ষক রয়েছেন।
৯ বছর মেয়াদি প্রকল্পটি এ বছরের জুনে শেষ হবে। এরপর কেন্দ্রগুলো রাজস্ব খাতে চলে যাবে। তবে পুরোনো জনবলকে তাতে কীভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে, সে সিদ্ধান্ত এখনো হয়নি।
![]() |
| দিবাযত্নকেন্দ্রে শুয়ে–বসে আছে কয়েকটি শিশু। তাদের দেখাশোনা করছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন। গত ১৮ ডিসেম্বর পানি ভবনে অবস্থিত দিবাযত্নকেন্দ্রে। ছবি: নাজনীন আখতার |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
তৃতীয় পারমাণবিক যুগে প্রবেশ করছে বিশ্ব!
পারমাণবিক অস্ত্র সীমিত করার জন্য অস্ত্রনিয়ন্ত্রণ বিষয়ক শেষ চুক্তিটির ‘নিউ স্টার্ট’ মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এরপর রাশিয়ার সঙ্গে এ বিষয়ে চুক্তি নিয়ে কোনো কাজ কি যুক্তরাষ্ট্রের করা উচিত? নিউ স্টার্ট চুক্তির অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিধান এরই মধ্যে স্থগিত করেছে রাশিয়া। এর প্রেক্ষিতে নতুন করে অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ চুক্তির আশা খুব সামান্যই থাকে। এক্ষেত্রে চীনকে মানতেই হবে এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। একই সঙ্গে এ বিষয়ে তারা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সংলাপই বন্ধ করে দিয়েছে। কয়েক দশকের মধ্যে প্রথমবারের মতো, পারমাণবিক অস্ত্রের মজুদ সম্ভবত কোনো আনুষ্ঠানিক সীমা দিয়ে আটকানো হবে না।
পুরনো দ্বিশক্তি বিশিষ্ট পারমাণবিক প্রতিযোগিতা আরও জটিল আকার ধারণ করবে। তা পরিণত হবে ত্রিপক্ষীয় প্রতিযোগিতায়। এক্ষেত্রে রাশিয়া ও চীন খুব নিবিড়ভাবে একসঙ্গে কাজ করবে। একেতো পারমাণবিক অস্ত্রধার উত্তর কোরিয়া এবং সন্দেহ করা হয় যে ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে সক্ষম- এই দুটি দেশ আরো ঘনিষ্ঠ হচ্ছে রাশিয়া ও চীনের। ট্রাম্পের অধীনে যদি দেখা যায় তারা পারমাণবিক অস্ত্রের বিষয়ে বাধা দিচ্ছে না, তখন অন্য দেশগুলোও পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে চাইবে। সৌদি আরব তো ঘোষণাই দিয়েছে যে, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হয় তাহলে তারাও পারমাণবিক অস্ত্রের মালিক হবে। নিজেদের মতো করে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির বিষয়ে সম্প্রতি বিতর্ক হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায়।
অন্যদিকে ইউক্রেনও ঘোষণা দিয়েছে তারা ন্যাটোতে যোগ দিতে না পারলে তারাও পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হবে। যুক্তরাষ্ট্র এবং রাশিয়া প্রত্যেকের কাছে কমপক্ষে ৫০০০ করে পারমাণবিক অস্ত্র আছে। উভয় দেশই দাবি করে তারা নিউ স্টার্ট চুক্তির সীমাবদ্ধতাকে মেনে চলে। কৌশলগত এবং দূরপাল্লার বিষয় এর মধ্যে অন্যতম। উভয়েই ১৫৫০টি কৌশলগত অত্যাধুনিক অস্ত্র এবং ৭০০ লঞ্চার- যেমন আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, সাবমেরিন চালিত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং দূরপাল্লার বোম্বার মোতায়েন করতে অনুমতিপ্রাপ্ত। অন্যদিকে ছোটখাট ‘ট্যাকটিক্যাল’ পারমাণবিক অস্ত্র ও বিভিন্ন রকম অস্ত্রের মজুদের বিষয়ে কোনো বিধিনিষেধ নেই। পেন্টাগনের প্রক্ষেপণে বলা হয়েছে, বর্তমানে চীনের কাছে আছে ৫০০ যুদ্ধাস্ত্র। তা ২০৩০ সালের মধ্যে এক হাজারের বেশি হতে পারে। ২০৩৫ সালের মধ্যে তা হতে পারে ১৫০০। অন্যদিকে বৃটেন, ফ্রান্স, চীন, পাকিস্তান, ইসরাইল এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে আছে আরও ছোটখাট অস্ত্রশস্ত্র। এমন বাড়বাড়ন্ত সময়ে ডনাল্ড ট্রাম্পের কাছেও পারমাণবিক বাটন পছন্দের হতে পারে। তিনিও পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের উদ্যোগ নিতে পারেন। এর মধ্যে থাকতে পারে আধুনিক বোম্বার, সহ সাবমেরিন চালিত ক্ষেপণাস্ত্র, প্রভৃতি। কর্মকর্তারা এসব নিয়ে পরিকল্পনা করছেন। এসব অস্ত্রের আপলোড করতে দ্রুতই সক্ষম হবেন এমন অনুমতি তাড়াতাড়ি নতুন প্রেসিডেন্টের কাছে চাইতে পারে পেন্টাগন।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
রাজনীতিতে নয়া শক্তির আওয়াজ, নানা গুঞ্জন by সাজেদুল হক ও মনির হোসেন
এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপট সামনে রেখেই আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছে নতুন রাজনৈতিক দলের। বলে রাখা ভালো, এদেশে রাজনৈতিক দল নিয়ে ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা-নিরীক্ষা কম হয়নি। গবেষকদের শ্রম ও মেধারও হয়তো ঘাটতি ছিল না। সামরিক-বেসামরিক, তন্ত্র-তত্ত্ব। বৈচিত্র্য ছিল নানা রকম। কিন্তু সফলতার হার একেবারেই নগণ্য। দল আসে, দল যায়। এটাই যেন এখানে নিয়ম।
তবে এবারের দৃশ্যপট কিছুটা হলেও ভিন্ন। ভূমিষ্ঠ হওয়ার আগেই নতুন রাজনৈতিক দলকে নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। বিএনপি নেতাদের সাম্প্রতিক বক্তব্যে সুনির্দিষ্টভাবে কিছু বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। নেতাদের কেউ কেউ তীব্র ভাষায় জামায়াত-শিবিরের সমালোচনা করছেন। নতুন রাজনৈতিক উদ্যোগের নেতাদের নিয়েও নানা বক্তব্য দিচ্ছেন। ‘জুলাই বিপ্লবের ঘোষণা’ নিয়েও একদফা নাটক হয়ে গেছে। মুখোশে যাই থাকুক এটাও আসলে রাজনীতিরই লড়াই। যেকারণে বিএনপি এতটা রিঅ্যাক্ট করেছে। বিএনপি’র প্রভাবশালী নেতা রুহুল কবির রিজভী কারও নাম উল্লেখ না করে বলেছেন, ‘রাষ্ট্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা একটি দল গঠনের প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।’ সোশ্যাল মিডিয়ায় বিএনপি নেতাকর্মীরা নতুন এই রাজনৈতিক উদ্যোগকে ‘কিংস পার্টি’ হিসেবে অভিহিত করছেন। নাগরিক কমিটির সমর্থকরাও অবশ্য এর জবাব দিচ্ছেন। সংগঠনটির এক শীর্ষ নেতা বলেছেন, বাংলাদেশের প্রথম কিংস পার্টি হচ্ছে বিএনপি।
বিএনপি সংশ্লিষ্ট কোনো কোনো সূত্র মনে করে, নতুন এই রাজনৈতিক উদ্যোগের নেপথ্যে জামায়াতের সমর্থন রয়েছে। এটা বিএনপি’র মধ্যে একধরনের উদ্বেগ তৈরি করেছে। নির্বাচন কবে হবে এ নিয়েও দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে নানা জিজ্ঞাসা রয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এ নিয়ে একধরনের ডেটলাইন দিলেও তা বিএনপিকে সন্তুষ্ট করতে পারেনি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বিএনপি কি সরকারের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে যাবে? বিএনপি’র একজন নেতা বলেন, এখনো তেমন পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। এ প্রশ্ন বিএনপি’র জন্য বেশ কঠিন। কিছু কিছু সূত্র দাবি করছে, আওয়ামী লীগ দৃশ্যপটে ফেরার চেষ্টা করবে। বিএনপি নেতাদের সঙ্গেও যদি তারা যোগাযোগ করার চেষ্টা করে তা বিস্ময়কর হবে না।
এই অবস্থায় জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের নেতাদের নেতৃত্বে দল গঠনের জোরদার চেষ্টা চলছে। আগামী দুই মাসের মধ্যেই নতুন দল দেখা যেতে পারে বলে আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এরইমধ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটির ব্যানারে সারা দেশে কমিটি দেয়া হচ্ছে। ৩৬ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে। ছাত্র সমন্বয়করাও বিভিন্ন পর্যায়ে কমিটি দিচ্ছেন। তবে শীর্ষ সমন্বয়কদের কারও কারও মধ্যে মতবিরোধের খবরও পাওয়া যাচ্ছে।
ট্র্যাক রেকর্ডে যেখানে নতুন রাজনৈতিক দলের সফলতার হার নেই বললেই চলে; তবুও কেন নতুন দল? এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত একজন সরলভাবে পুরো বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। তার মতে, ছাত্ররা জনগণের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিল। ছাত্র-জনতা রক্ত দিয়ে সরকারের পতন ঘটিয়েছেন। তারা বিশ্বাস করেন রাষ্ট্র ব্যবস্থার পরিবর্তনেও তাদের আহ্বানে জনগণ সাড়া দিবে। জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে ভারত বিরোধিতা ছিল প্রবল। এ আন্দোলনের নেতারাও প্রায়শ’ই ভারতের নানা ভূমিকার বিরোধিতা করেন। এটাও স্পষ্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন সহজভাবে নেয়নি নয়াদিল্লি। এই ছাত্রনেতাদেরও যে প্রতিবেশীরা উষ্ণভাবে গ্রহণ করছে না তারও ইঙ্গিত মিলছে। নতুন দল গঠনের পেছনে এ বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে। আরেকটি প্রধান কারণ হচ্ছে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগের ভূমিকা। অতিসম্প্রতি আওয়ামী লীগের বিবৃতিতেও ছাত্রনেতাদের সন্ত্রাসী বলা হচ্ছে। ভবিষ্যতে সমন্বয়কদের প্রতি তাদের মনোভাব কী হবে তা সহজেই বুঝা যায়।
নেতারা আশাবাদী: নাগরিক কমিটির সদস্য সচিব আকতার হোসেন মানবজমিনকে বলেন, বাংলাদেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক দলগুলোর একটি নির্দিষ্ট জনসমর্থন থাকলেও এ দেশের বিপুল সংখ্যক মানুষের নতুন রাজনৈতিক দল নিয়ে প্রত্যাশা রয়েছে। বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার নেতৃত্বের প্রতি তাদের অনেক ভরসা রয়েছে। তারা মনে করে এদের মাধ্যমে দেশের জন্য ভালো কিছু করা সম্ভব। তাই পুরাতন বন্দোবস্তের বাইরে নতুন একটি রাজনৈতিক বাস্তবতা রয়েছে। যেটি বিভিন্ন জরিপ এবং বিভিন্ন এলাকার সভা-সমাবেশের মাধ্যমে ইতিমধ্যে ফুটে উঠেছে। মানুষ তরুণদের ওপর আস্থা ও ভরসা রাখছে। তারা নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত চায়। সেই দিক বিবেচনা করেই আমাদের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের উদ্যোগ। নির্বাচনে অংশ নেয়ার কৌশল প্রসঙ্গে আকতার হোসেন বলেন, পরিস্থিতি বিবেচনায় জোট হতে পারে আবার নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা তখনকার পরিস্থিতি ও দলগুলোর আদর্শিক দিক বিবেচনা করেই জোট করবো। তবে এ মুহূর্তে আমরা জোট নিয়ে ভাবছি না। সময় হলে সেটি দেখা যাবে। এখন আমরা দল গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছি।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র উমামা ফাতেমা বলেন, জাতীয় নাগরিক কমিটি ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে তরুণদের নিয়ে একটি রাজনৈতিক দল করার উদ্যোগ নিয়েছে। সেটি তারা নিতেই পারে। যে কারও রাজনৈতিক দল গঠন করার বা রাজনীতি করার অধিকার রয়েছে। কিন্তু বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন গণ-অভ্যুত্থানের একটি প্ল্যাটফরম। আমরা এটিকে কোনো রাজনৈতিক দলে রূপ দিতে চাই না। কেউ যদি কোনো রাজনৈতিক দলে যুক্ত হতে চান তাহলে তাকে আমাদের প্ল্যাটফরম থেকে অব্যাহতি নিতে হবে। কারণ এটি অভ্যুত্থানের সম্পদ হিসেবে সবার কাছে পরিচিত।
তিনি বলেন, যারা রাজনৈতিক দল করতে চাচ্ছেন জুলাই অভ্যুত্থানে তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তারা মনে করছেন রাজনীতিতে তরুণদের অংশীদারিত্ব থাকা দরকার। তাই তারা দল গঠনের প্রক্রিয়ায় রয়েছেন। গত ১৫ বছর এদেশের মানুষ নিয়মতান্ত্রিকভাবে রাজনীতি করতে পারেনি। এটাকে আমি বলবো সময়ের ব্যর্থতা বা সিস্টেমের ব্যর্থতা।
অধ্যাপক নুরুল আমিন বেপারির মত: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. নুরুল আমিন বেপারি নতুন রাজনৈতিক দলের ব্যাপারে নিজের মতামত তুলে ধরেন মানবজমিনের কাছে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক দল করার অধিকার সবার আছে। তার কিছু প্রেক্ষাপটও আছে। প্রশ্ন হচ্ছে- যারা করতে চাচ্ছেন তারা কতোটুকু সফল হবেন।
ছাত্র আন্দোলনের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের টার্গেট করেছে। তারা আওয়ামী লীগের গুম- খুনের বিরুদ্ধে যে সেন্টিমেন্ট সেটির দখল নিজেদের পক্ষে নিয়ে নিয়েছে। এ ছাড়া ভারতবিরোধী পক্ষকেও তারা তাদের পক্ষে টানতে পেরেছে। এখন কথা হচ্ছে ছাত্ররা কি কিংস পার্টি হবে না ধীরে ধীরে নিজেদের গুছিয়ে নেবে। কিংস পার্টি না হয়ে তারা যদি আসলেই দল হিসেবে গড়ে উঠতে চায় তাহলে তাদের সেভাবে কাজ করা উচিত। এটা ঠিক যে অন্তর্বর্তী সরকার তাদের বিভিন্নভাবে সহায়তা দেবে। কারণ এরা ক্ষমতায় আসলে তাদের লাভ। বৈষম্যবিরোধীরা আওয়ামী লীগ ও ভারতবিরোধী কর্মসূচি নিয়ে এসেছে। সেখানে বিএনপি পরোক্ষভাবে তাদের সমালোচনা করছে।
বিএনপি আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করতে চাইলে ভুল করবে: নির্বাচন যত দেরি হবে তত ছাত্ররা ভালো করবে। নির্বাচন হলে হয়তো ক্ষমতায় যাবে না তবে ভালো করতে পারে যদি তারা জামায়াতসহ অন্যান্য দলকে জোটে নিয়ে নিতে পারে। এমন হলে পাশার দান উল্টেও যেতে পারে। এতে যে জামায়াতের প্রত্যক্ষ সমর্থন রয়েছে বুঝাই যায়। আন্দোলনের সমন্বয়কদের অধিকাংশ শিবিরের। শিবিরের প্রোগ্রামে গিয়ে ছাত্র আন্দোলনের নেতারা অভ্যুত্থানের ক্রেডিট তাদের দিয়ে দিচ্ছে। অথচ এ আন্দোলনে তারেক রহমান ও তার দলের নেতাকর্মীদের অনেক ত্যাগ রয়েছে। জামায়াত তাদের ছাত্রসংগঠন দিয়ে বৈষম্যবিরোধীদের নিয়ন্ত্রণ করছে। এখন ডাকসু নির্বাচনের বিষয় সামনে আসছে। এটা যদি হয় তাহলেও শিবির ও বৈষম্যবিরোধীরা ভালো করবে। আর ডাকসুতে যারা ভালো করবে তাদের জাতীয় রাজনীতি ভালো হবে- এটাই স্বাভাবিক।

About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
অর্থের বিচারে ট্রাম্প একজন ক্ষুদ্র মানুষ, সেখানে ইলন মাস্ক অনেক বড়: সমস্যা দেখছেন মার্কিন অধ্যাপক
স্নাইডার একজন জনপ্রিয় লেখকও। ‘অন টাইরানি’ (২০১৭) ও ‘অন ফ্রিডম’–এর (২০২৪) মতো জনপ্রিয় বই রচনা করেছেন তিনি। স্নাইডার বলেন, ‘অর্থের বিচারে ট্রাম্প একজন ক্ষুদ্র মানুষ আর মাস্ক বড় মানুষ। আর আমার মনে হয়, আপনি যদি ট্রাম্পের বন্ধু হয়ে থাকেন, আপনি (এ নিয়ে) চিন্তিত হবেন।’
গার্ডিয়ানের সঙ্গে আলাপচারিতায় এ কথা বলেছেন অধ্যাপক স্নাইডার। এ সময় ইউক্রেনে নিজের কাজসহ নানা বিষয়ে কথা বলেন তিনি। এই কাজে তাঁর সঙ্গে ছিলেন হলিউড চলচ্চিত্র স্টার ওয়ারের অভিনেতা মার্ক হ্যামিল। ইউক্রেনে রুশ সামরিক বাহিনীর স্থাপন করা স্থলমাইন সরাতে রোবট কেনার জন্য তহবিল সংগ্রহ করেছিলেন তাঁরা।
স্নাইডার মনে করেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় যাওয়ার পর হোয়াইট হাউস তাঁর ও মাস্কের মধ্যে একটি অস্বস্তিকর ও ক্ষতিকর বিরোধের মঞ্চে পরিণত হবে। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি, আমরা ট্রাম্পকে অতিমূল্যায়ন এবং মাস্ককে অবমূল্যায়ন করি। মানুষ মনে করে, ট্রাম্পের অর্থ আছে। কিন্তু তাঁর তা নেই। আসলে তাঁর কখনো অর্থ ছিল না। অর্থ থাকার কথা তিনি কখনো দাবিও করেননি। তাঁর কাছে অর্থ আছে, এটা আপনাকে বিশ্বাস করানোই ছিল তাঁর আসল উদ্দেশ্য। কিন্তু তিনি কখনো তাঁর ঋণ পরিশোধ করতে পারেননি। তিনি কখনো তাঁর নিজের নির্বাচনী প্রচারণার অর্থায়ন করতে পারেননি।’
টেসলা, স্পেসএক্স ও এক্সের মালিক ইলন মাস্ক ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারে লাখ লাখ ডলার ব্যয় করেছেন। ওহাইও অঙ্গরাজ্যের সিনেটর জেডি ভ্যান্সকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে বেছে নেওয়ার জন্য ট্রাম্পের ওপর মাস্কই সবচেয়ে বেশি প্রভাব বিস্তার করেছেন বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
গত নভেম্বরে ট্রাম্পের বিজয়ের পর থেকে ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যের মার-এ-লাগোয় তাঁর বাসভবন থেকে শুরু করে ফ্রান্সের নটর ডেম ক্যাথেড্রালে মাস্ককে সব সময় তাঁর পাশে দেখা গেছে। ট্রাম্পের সঙ্গে এত মাখামাখির জন্য অনেকে তাঁকে নিয়ে ব্যঙ্গ করতেও ছাড়ছেন না। বিবেক রামাস্বামীর সঙ্গে মাস্ককে ‘ডিপার্টমেন্ট অব গভর্নমেন্ট ইফিসিয়েন্সি’–এর দায়িত্ব দিয়েছেন ট্রাম্প। এ বিভাগ যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের কোটি কোটি ডলার ব্যয় কমাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
স্নাইডার বলেন, ট্রাম্প যদি এখনই অর্থনৈতিক নির্ভরশীলতার অবসান না ঘটান, তাহলে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাকি জীবনে এ ধরনের নির্ভরশীল সম্পর্কে থাকবেন। কারণ, তিনি মানুষের কাছ থেকে অর্থ নেওয়ায় অভ্যস্ত হয়ে পড়বেন। বিষয়টি ট্রাম্পের মিত্রদের উদ্বিগ্ন করে তুলবে।
ইলন মাস্ক ও ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্পর্ক নিয়ে টিমোথি স্নাইডার বলেন, ‘আমি এটাকে বলছি মাস্কোট্রাম্পোভিয়া। কারণ, আমি মনে করি, মাস্ক বেশি গুরুত্বপূর্ণ একজন মানুষ। কিন্তু ট্রাম্পোমাস্কোভিয়া এখানে আরও ভালো হতে পারত।’
![]() |
| যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলছেন ইলন মাস্ক। ফাইল ছবি: রয়টার্স |
About: বাংলা খবর
a Bengali Online News Magazine by Selected News Article Combination.... একটি বাংলা নিউজ আর্টিকলের আর্কাইভ তৈরীর চেষ্টায় আমাদের এই প্রচেষ্টা, বাছাইকৃত বাংলা নিউজ আর্টিকলের সমন্বয়ে একটি অনলাইন নিউজ ম্যাগাজিন! e-Blog ই-ব্লগ এর নিউজ বা আর্টিকল অনলাইন Sources থেকে সংগ্রহ করে Google Blogger এর Blogspotএ জমা করা একটি সামগ্রিক সংগ্রহশালা বা আর্কাইভ। এটি অনলাইন Sources এর উপর নির্ভরশীল
You may also like...
eCoxs Special
BNM Archive
- ► 2026 (1429)
- ▼ 2025 (3281)
- ► 2024 (2551)
- ► 2021 (128)
- ► 2020 (416)
- ► 2019 (6282)
- ► 2018 (7025)
- ► 2017 (8870)
- ► 2016 (3416)
- ► 2015 (11541)
- ► 2014 (9799)
- ► 2013 (14877)
- ► 2012 (33842)
- ► 2011 (13932)
- ► 2010 (9402)
Recent Posts
Popular Posts
-
শিশুদের বার্নআউট হওয়ার লক্ষণ অনেকেরই চোখ এড়িয়ে যায়। কারণ, বড়দের তুলনায় তাদের চাপকে অনেকেই হালকা মনে করেন। এ ছাড়া অনেকে ভাবেন, শিক্ষাজীবন হলো...
-
কিডনির রোগকে বলা হয় ‘নীরব ঘাতক’। কারণ, অনেক সময় কোনো লক্ষণ ছাড়াই এটি ধীরে ধীরে শরীরকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। অথচ সামান্য সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা এ...
-
প্লেবয় ম্যাগাজিনের প্রচ্ছদে নিজেকে নগ্নভাবে মেলে ধরে ব্যাপকভাবে সমালোচনায় আসা শার্লিন চোপড়া এবার ভারতীয় চলচ্চিত্রে নগ্নতার বৈধতা চাই...
-
ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই নগ্নতার মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনায় রয়েছেন ভারতীয় মডেল-অভিনেত্রী পুণম পা-ে। ‘ভারত বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হলে নগ্ন হয়ে...
-
‘সেক্স’ ছাড়া এক ঘণ্টার বেশি এক মুহূর্ত থাকতে পারেননা অভিনেত্রী ভূমি পাড়নেকার৷ না, কমেন্ট টা কিন্তু তিনি নিজে করেননি৷ করেছেন তাঁর সহ অভ...
-
প্রতীকি ছবি এখনও কুমারী থাকা ১৬ কলেজছাত্রীকে বৃত্তি দিয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকার এক মেয়র। এর মাধ্যমে অন্যদের কুমারিত্ব ধরে রাখার জন্য উৎসা...
-
C onservative groups responding to Occupy Wall Street argue that hard work, not protests, will bring people out of poverty. Is that tr...
-
নাইওর-ফিরতি কনের মতো মন খারাপ করা বিকেলে টুকু বৈদ্যবাড়ি পৌঁছায়—সে আর তার স্বামী। সকালেই যাত্রা করেছিল তারা। দুপুরে দাওয়াত ছিল আমির হোসে...
-
বয়স তখন সবে ৭ বছর। তখনও সাবালিকা হতে অনেক দেরি। তবে সেই শিশু বয়সেই পরিচয় ঘটে জীবনের এক ভয়ঙ্কর দুর্বিসহ ঘটনার সঙ্গে। ৩২ বছর ধরে বুকের এক...
-
বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজগুলোয় ছাত্র সংসদের নিয়মিত নির্বাচন হলে দেশে নেতৃত্বের দেউলিয়াপনা সৃষ্টি হতো না বলে মন্তব্য করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট...


